Wednesday, May 7, 2025
ব্যাটারিচালিত রিকশা: অপেক্ষা করছে মহাদুর্ভোগ by কামরান রেজা চৌধুরী
ব্যাটারিচালিত রিকশা: অপেক্ষা করছে মহাদুর্ভোগ by কামরান রেজা চৌধুরী
প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, বুয়েটের একটি কারিগরি দল ব্যাটারি রিকশার নতুন ‘নিরাপদ নকশা’ করেছে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও ওই নকশার রিকশাকে ঢাকায় চলাচলের অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছে। তারা ভুলে গেল যে এগুলোর পরিবেশ ছাড়পত্র দেবে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং রাস্তায় চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের। সিটি করপোরেশনের নয়।
যা–ই হোক, এই ঘোষণার ফলে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ হবে না; বরং নতুন ডিজাইনের রিকশা বানানোর হিড়িক লেগে যাবে এবং ভবিষ্যতে এদের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পাবে। যানজট মারাত্মক বৃদ্ধি পাবে। মানুষের কর্মঘণ্টা কমতে থাকবে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে মানুষের আয়ে এবং সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর।
বাংলাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সঠিক সংখ্যা নেই। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, বাংলাদেশে ৪০ লাখ ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে। তবে গত এক বছরে এদের সংখ্যা যে হারে বেড়েছে, তা কমপক্ষে ৬০ লাখ হয়েছে বললে ভুল হবে না।
অনেকেই বলতে পারেন, ‘পরিবেশবান্ধব’ এই রিকশায় কী ক্ষতি? কাঠামো নিরাপদ করা গেলে সমস্যা কোথায়? বরং পায়ে টানা অমানবিক রিকশা ও ভ্যানের চেয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক অনেক ভালো, দ্রুতগতির ইত্যাদি।
ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সমালোচনা এলেই বলা হয়, এর মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয় বেশি, চালকেরা উল্টোপথে যাচ্ছেতাইভাবে চলাচল করেন।
কিন্তু দুর্ঘটনা ছাড়াও সবার অলক্ষ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক দেশ ও সমাজের যে অপূরণীয় ক্ষতি ও সর্বনাশ করে যাচ্ছে, সেই আলোচনা তেমন নেই। সর্বনাশটি হলো, ক্রমবর্ধমান সিসা দূষণ, যা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে দিতে পারে। শুধু সিসা দূষণ নয়, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধ্বংস ডেকে আনবে এই ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক।
আলোচনার শুরুতে ব্যাটারিচালিত রিকশার ভালো দিকে দিয়েই শুরু করি। ডিজেল, পেট্রল, লুব্রিকেটিং ওয়েল লাগে না, তাই ধোঁয়া থাকে না, বায়ুদূষণ করে না এরা। চার থেকে পাঁচটি ব্যাটারি নিয়ে এক সেট সিসা ব্যাটারি দিয়ে চলে এই রিকশা ও ইজিবাইক। বিভিন্ন ক্ষমতার ও ওজনের সিসা ব্যাটারি থাকে এগুলোতে। বৈদ্যুতিক লাইনে লাগিয়ে চার্জ দিলে ব্যাটারি চার্জ ধরে রাখে। সেই চার্জ দিয়ে মোটর চলে এবং বাহনটি চলাচল করে।
প্রকারভেদে একটি রিকশা ও ইজিবাইকে ৫০ থেকে ১০০ কেজির বেশি সিসা ব্যাটারি থাকে। বেশি সময় ধরে বেশি ওজন বহন করার কারণে এক সেট ব্যাটারি ছয় থেকে আট মাস চলে। এরপর নতুন আরেক সেট ব্যাটারি লাগাতে হয়। মোটাদাগে ধরা যায়, একটি রিকশার প্রতিবছর কমপক্ষে ১০০ কেজি সিসা বর্জ্য উৎপাদন করে।
ব্যাটারির কার্যকারিতা শেষ হওয়ার পর সেগুলো অর্ধেকের কম দামে বিক্রি হয়।
বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিকভাবে পুনঃ চক্রায়ণ (রিসাইকেল) শিল্প তেমন গড়ে ওঠেনি। এ কারণে নষ্ট ব্যাটারিগুলো দেশের বিভিন্ন আনাচকানাচে, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লোকচক্ষুর অন্তরালে অনানুষ্ঠানিক ‘ব্যাটারি ভাঙার কারখানা’ গড়ে উঠেছে। সেখানে ছোট ছোট শিশুরা এবং অত্যন্ত দরিদ্র মানুষগুলো কোনো রকম সুরক্ষা ছাড়াই ব্যাটারি ভেঙে পানিতে ধুয়ে সিসা বের করার কাজ করে। সিসা ধোয়া পানি সরাসরি কৃষিজমি এবং নদী, নালা, খাল-বিলে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর ব্যবহৃত সিসা আগুনে গলিয়ে গোলা তৈরি করে নতুন ব্যাটারি তৈরির কারখানায় বিক্রি করা হয়।
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে (আইসিডিডিআরবি) ব্যাটারি রিকশা ও সিসা দূষণ নিয়ে গবেষণা করেছেন ড. মাহবুবুর রহমান। তিনি আমাকে জানান, পোড়ানোর ফলে সর্বোচ্চ ৮০ ভাগ সিসা ফেরত পাওয়া যায়। বাকি ২০ ভাগ মাটি, নদী, খাল, বিলসহ পরিবেশে নিক্ষিপ্ত হয়। অর্থাৎ রিকশাপ্রতি গড়ে ২০ কেজি সিসা হিসাবে ধরলে, ৪০ লাখ বাহনে প্রতিবছর ৮০ কোটি কেজি সিসা যুক্ত হচ্ছে আমাদের পরিবেশে। সিসা ধ্বংস হয় না। চিন্তা করুন, আগামী ১০ বছরে সিসা দূষণ আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে!
পরিবেশে নিক্ষিপ্ত সিসা পানি থেকে মাছ, পশু, হাঁস-মুরগি ও অন্যান্য প্রাণীর শরীরে যায়। সিসাযুক্ত পানি কৃষিকাজে ব্যবহারের কারণে সেগুলো খাদ্যচক্রের মাধ্যমের মানবদেহে প্রবেশ করে। নারীর শরীর থেকে শিশুদের শরীরে চলে যায়। আবার সিসাযুক্ত পানি ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত করে। সেই পানি আমরা পান করি।
প্রশ্ন আসতে পারে, তাতে ক্ষতি কী? হ্যাঁ, ক্ষতি আছে। মনে রাখতে হবে, সিসা একটি মারাত্মক ধাতু, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) বলছে, সিসা শিশুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। বুদ্ধি (আইকিউ) কমিয়ে দেয়, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করে, শিক্ষা এবং আচরণগত জটিলতা সৃষ্টি করে, শিশুদের বিকাশ কমিয়ে দেয়, শ্রবণশক্তির সমস্যা ও মাথাব্যথা সৃষ্টি করে।
২০২০ সালের জুলাই মাসে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত প্রথম বৈশ্বিক সিসা দূষণ নিয়ে প্রকাশিত ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা বিশ্বে ৮০ কোটি শিশুর শরীরে অতিমাত্রায়; অর্থাৎ প্রতি ডেসিলিটার রক্তে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম সিসা রয়েছে। সারা বিশ্বের মধ্যে সিসা দূষণের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। বাংলাদেশে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম অথবা তার চেয়ে বেশি সিসা রয়েছে, এমন শিশুর সংখ্যা ৩ কোটি ৫৫ লাখ।
(আইসিডিডিআরবি) গবেষক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে একটি শিশুর রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে ৪৬ মাইক্রোগ্রাম সিসা পাওয়া গেছে। যেখানে রক্তে সিসার সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য পরিমাণ সাড়ে তিন মাইক্রোগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার।
কেবল শিশুরা নয়, বয়স্করাও সিসা দূষণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হন। প্রথমত, নারী-পুরুষনির্বিশেষে প্রজননসমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশন ও স্নায়বিক সমস্যা সৃষ্টি করে, স্মরণশক্তি এবং মনোযোগ কমিয়ে দেয়, পেশি ও গিরায় ব্যথা সৃষ্টি করে।
সিসা দূষণ একদিকে শিশুদের হাবাগোবা করবে, বুদ্ধিহীন করবে আর অন্যদিকে নারী-পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমাবে। কী হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ?
এই ব্যাটারিচালিত বাহনগুলো চালকদের আয়ের পথ করেছে। দিনে গড়ে এক হাজার টাকা আয় করছেন চালকেরা। কিন্তু তাঁরা আয় করছেন শর্ষে আর ক্ষতি হচ্ছে বেলসমান।
এসব চালকের কোনো শারীরিক শ্রম নেই। সিটে বসে থেকে সুইচ টিপলেই চলে রিকশা। সামনেও যায়; পেছনেও যায়। এসব চালক শারীরিক পরিশ্রম না করে প্রতিদিন বেশি পরিমাণ ভাত খেয়ে রিকশা চালিয়ে শান্তিতে ঘুমান। এ চালক ভাইদের অনেকেই আগে খেতখামারে কাজ করতেন। শরীর ভালো থাকত। এখন আর করেন না। শারীরিক পরিশ্রম না থাকায় অনেক রিকশাচালক ইতিমধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন এবং পড়ছেন। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে, সন্দেহ নেই।
একবার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে তার সঙ্গে অন্যান্য রোগ হবেই। ফলে এসব মানুষের কর্মক্ষমতা কমতে থাকবে। এ ছাড়া তাঁরা যে আয়টি করছেন, সেই আয়ের চেয়ে বেশি টাকা ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে হবে। পরিবার হবে নিঃস্ব।
তরুণ চালকদের যাঁরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবেন, তাঁদের অনেকেরই সংসার টিকবে না। দেখা দেবে পারিবারিক সহিংসতা। যার নিদারুণ শিকার হবেন নারী ও শিশুরা। সমাজে দেখা দেবে হানাহানি, ব্যাভিচার।
অধিকন্তু এভাবে লাখ লাখ নতুন মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। দেশে চিকিৎসার মান আরও নিম্নমুখী হবে এবং মানুষ বাধ্য হয়েই বিদেশে চিকিৎসা করতে যাবেন। বাইরে চলে যাবে কোটি কোটি বৈদেশিক মুদ্রা।
চালকেরা যেভাবে কুঁজো হয়ে পা গুটিয়ে এগুলো চালান এবং ঝাঁকি খান, তাতে খুব অচিরেই তাঁদের মেরুদণ্ড এবং কোমরব্যথা শুরু হবে। তা ছাড়া নারী যাত্রীদের জন্য ভাঙা ও অসমতল রাস্তায় যাওয়ার সময় তাঁদের বিভিন্ন প্রজননস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে আসবে। গর্ভবতী নারীদের জন্য মারাত্মক বাহন এই ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক।
স্বাস্থ্য খাতে এই বাড়তি বোঝা কি আমরা নিতে পারব?
ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের কারণে আমাদের কৃষি খাতে শ্রমিকদের সংখ্যা কমছে। মাঠে ধান পড়ে থাকে। কাটার লোক পাওয়া যায় না।
অর্থনীতিবিদেরা বলবেন, দেশ উন্নত হলে কৃষিতে শ্রমশক্তি কমবে, বাড়বে সেবা খাতে। কিন্তু আমাদের শ্রমশক্তি ব্যাটারি রিকশাচালক হচ্ছেন অথবা কায়িক শ্রমিক হয়ে বিদেশে জীবন দিচ্ছেন। এভাবে কি উন্নত, মর্যাদাসম্পন্ন, জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ হবে?
সর্বনাশা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক বন্ধ করা হোক। রক্ষা করা হোক পরিবেশবান্ধব পায়ে টানা রিকশা। অমানবিক মনে হলেও আমার শ্রমঘন দেশের পায়ে টানা রিকশা অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, সিসা দূষণ থেকে রক্ষা করবে, দেশ-সমাজ বাঁচবে নীরব ঘাতক এই ব্যাটারি রিকশা থেকে।
সিসামুক্ত বিশ্বের জন্য আন্দোলন চলছে দেশে দেশে। কিন্তু আমরা কী করছি? এভাবে প্রতিদিন ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটি নিয়ে ভেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশের জন্য মহাদুর্ভোগ অপেক্ষা করছে।
* কামরান রেজা চৌধুরী সাংবাদিক
| নতুন ডিজাইনের রিকশা বানানোর হিড়িক লেগে যাবে এবং ভবিষ্যতে এদের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পাবে। ছবি : প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
May
(344)
-
▼
May 07
(18)
- ব্যাটারিচালিত রিকশা: অপেক্ষা করছে মহাদুর্ভোগ by কা...
- পাকিস্তানে হামলা চালাতে গিয়ে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে ভারত
- হামলা চালিয়েছে ভারত, ৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পা...
- গাজায় প্রতি ৪০ মিনিটে এক শিশুকে হত্যা
- পাকিস্তানে হামলা: ভারতের দুটি জেট বিমান ভূপাতিত কর...
- যুদ্ধবিরতি আলোচনার আর কোনো অর্থ নেই : হামাস
- কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তিন দিন আগেই পহেলগ...
- কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে গণভোটের প্রস্তাব দিলেন আ...
- একই দিনে ইয়েমেন, লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় হামলা চালি...
- তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা: ৮০ বছর পর আবার শঙ্কিত প...
- হেঁটে ফিরোজায় ফিরলেন খালেদা জিয়া: ভালোবাসার জনস্রোত
- ভারত জুড়ে সম্ভাব্য যুদ্ধ মোকাবিলায় আপৎকালীন মহড়া
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠক: ভারত-পাক...
- মা-মেয়ের আবেগঘন মিলন
- কে কী বললো, তাতে কিছু যায় আসে না
- নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন: মার্কিন শুল্কনীতিতে হ...
- বেজমেন্টে গ্যারেজের স্থলে সিলিন্ডার ও জেনারেটর: বে...
- ইয়েমেনে ইসরাইলের ২০ যুদ্ধবিমানের হামলা
-
▼
May 07
(18)
-
▼
May
(344)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment