Monday, December 8, 2014
মুনাফার একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে মুক্ত করে দিয়ে নতুন আঙ্গিকের পৃথিবী গড়ার সুবিশাল প্রচেষ্টা-সামাজিক ব্যবসার সম্ভাবনা by মুহাম্মদ ইউনূস
মুনাফার একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে মুক্ত করে দিয়ে নতুন আঙ্গিকের পৃথিবী গড়ার সুবিশাল প্রচেষ্টা-সামাজিক ব্যবসার সম্ভাবনা by মুহাম্মদ ইউনূস

সামাজিক
ব্যবস্থার মূল কথাই হচ্ছে বর্তমান সামাজিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিপুল
পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সৃষ্টি করা। এই বিশাল দুর্যোগ মোকাবিলায় সামাজিক
ব্যবসার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার কি কোনো গুরুত্ব আছে? এটা কি একটি হাস্যকর
প্রচেষ্টা নয়? যে নিশ্চিত গতিতে পুঁজিবাদ অর্থনীতির শোষণপ্রবাহ এগিয়ে
চলছে, সে প্রবাহে সামাজিক ব্যবসা কি ডুবন্ত মানুষের কাছে ভাসমান বড় গাছের
গুঁড়ি, যাকে আঁকড়ে ধরে সে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করবে, নাকি এটা কোনো
খড়কুটো, যা ধরে মানুষ নিজেকে শুধু প্রবোধ দিচ্ছে যে সে কোনো রকমে এ
যাত্রায় রেহাই পেয়ে যাবে। সামাজিক ব্যবসার গুরুত্ব কিংবা অসারত্ব
ভবিষ্যৎই প্রমাণ করবে। কিন্তু এটা পরিষ্কার, আমাদের সামনে আশু
বাস্তবায়নযোগ্য আর কোনো দৃশ্যমান পথ নেই। কাজেই তাকে আঁকড়ে ধরে এগোনো
ছাড়া আর কোনো উপায়ও নেই। (বাংলাদেশের পরশপাথর by সাজ্জাদ শরিফ)যতই দিন যাচ্ছে, ততই পরিষ্কার হচ্ছে যে
পৃথিবী যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে
না। এ রকম পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না। পৃথিবীতে দারিদ্র্য কমছে, কিন্তু
তাও পানির ওপর নাকটা ভাসিয়ে রাখার মতো। পানি ছেড়ে ডাঙায় ওঠার কোনো
রূপকল্প নেই। গরিবের আধলা পয়সা উন্নতি হওয়ার আগে ধনীর ঘরে মিলিয়ন ডলার
উঠে আসছে। ধনী-দরিদ্রের আয় ও সম্পদের বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ার সব আয়োজন
পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় স্থায়ীভাবে স্থাপন করা আছে। এর থেকে পরিত্রাণের কোনো
আয়োজন এই ব্যবস্থায় নেই। তার সঙ্গে স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধে আছে
বেকারত্ব। ধনী দেশেও বেকারত্ব, গরিব দেশের তো এটাই প্রাথমিক পরিচয়। মানুষ
বাড়ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, শ্রমের চাহিদা সে অনুপাতে বাড়ছে না,
বাড়ছে বেকারত্ব। আগে রাষ্ট্রের দানের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তির সংখ্যা থেকে
বোঝা যেত, ধনী দেশে কত লোক বেকার আছে। এখন তা আর দরকার হয় না। শুধু
তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের পরিমাণ দেখলে বোঝা যায় সমস্যাটা কত গভীরে।
ইউরোপের অনেক দেশে দেশব্যাপী তরুণ বেকারদের সংখ্যা মোট তরুণদের অর্ধেক।
গরিব দেশের কথা তো বলার মতো না। সংখ্যায় এটা এত বেশি যে এ নিয়ে আমরা
পরিসংখ্যান তৈরিকেও আর গুরুত্ব দিই না।
এ অবস্থার কি পরিবর্তন হবে? খুব সহজে যে কথাটা বলা যায়, তা হলো, এই অবস্থা মেনে নেওয়া যায় না। পরিবর্তন হতেই হবে। মানুষ যা মেনে নেয় না, সেটা পাল্টে যেতে বাধ্য। যা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য, আমাদেরই তা পাল্টাতে হবে। অন্য কোনো ঊর্ধ্বতন ক্ষমতা আমাদের জন্য সেটা করে দেবে না।
সামাজিক ব্যবসার মূল শক্তিটা আসে কোথা থেকে? এ শক্তি হলো মানুষের সীমাহীন সৃজনশীলতার শক্তি। এ শক্তি এখন একটা কাজেই ব্যবহার করা হয়, মুনাফা অর্জনের জন্য, অর্থাৎ ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য। এটা করতে গিয়ে সমাজের যদি কোনো মঙ্গল হয়, সেটা উপরি পাওয়া। কোনো ব্যবসায় এই উপরিপাওনা বেশি, কোনো ব্যবসায় এটা কম। কোনো ব্যবসায় হয় ঠিক তার উল্টোটাই, এখানে সমাজের মঙ্গল করার চেয়ে অমঙ্গল বয়ে নিয়ে আসছে ঢের বেশি। ব্যবসাকে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির একটা ব্যবস্থা হিসেবে না রেখে সামাজিক ব্যবসা এটাকে মানবকল্যাণের একটা ব্যবস্থা হিসেবে রূপান্তরিত করে দিয়েছে। এই পরিবর্তন সম্ভব হলো শুধু ব্যবসা থেকে ব্যক্তিগত মুনাফাটাকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। যে-মাত্র ব্যক্তিগত মুনাফার স্থলে উপস্থাপিত হয়েছে মানুষের মঙ্গল, তখনই ব্যবসার স্বভাব ও চরিত্র বদলে গেল। ব্যবসা নামের যে পদ্ধতিটি মানুষের জন্য নানা উৎপাতের সৃষ্টি করত, সেটি এখন সম্পূর্ণ উল্টো কাজের জন্য একটা বিশ্বস্ত যন্ত্রে পরিণত হয়ে গেল। মানুষের যেকোনো সমস্যার সমাধানে এটাকে এখন কাজে লাগানো যায়।
অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার মাধ্যমে মানুষের সৃষ্ট সমস্যাগুলোর অবয়ব এখন এত বিশাল হয়ে দাঁড়িয়েছে যে এগুলো থেকে কোনো দিন নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে, এটা ভাবাই যায় না। একক ব্যক্তির ক্ষমতা এত সীমাবদ্ধ যে সে এত বড় সমস্যা সমাধানের কথা চিন্তা করতেই সাহস করে না। সমস্যাটার আয়তন যদি হাতির সমান কল্পনা করা যায়, তাহলে তার সামনে মানুষ একটা ছোট পিঁপড়ার মতো। পিঁপড়া কীভাবে হাতিকে ঘায়েল করবে। কাজেই ওদিকে এগোনোই আর হয়ে ওঠে না।
সামাজিক ব্যবসা কিন্তু এতে মোটেই নিরুৎসাহিত বোধ করে না। কোনো বিশাল সমস্যার সামনে আত্মবিশ্বাস নিয়ে দাঁড়াতে তার কোনো সংকোচ বোধ হয় না। তার রণকৌশল একক ব্যক্তি বা কয়েকজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য খুবই লাগসই। তার রণকৌশল অনেকটা মহামারির ওষুধ আবিষ্কার করার মতো। একজন রোগীকে যদি এ ওষুধ বাঁচাতে পারে, তবে সহস্র কোটি লোককেও একই ওষুধ একই কারণে বাঁচাতে পারবে। প্রথমে ওষুধটা আবিষ্কার করো। সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের যেকোনো রোগের ওষুধ তৈরি করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। এক কোটি বেকার যুবককে বেকারত্ব থেকে মুক্তি দেওয়ার কাজ সবার মাথা একযোগে গুলিয়ে দেওয়ার মতো একটা বিরাট কর্মকাণ্ড। কিন্তু পাঁচজন বেকার তরুণকে বেকারত্ব থেকে বের করে আনা তেমন কোনো আহামরি কাজ নয়, যদি সামাজিক ব্যবসার পদ্ধতি এখানে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে এটা আরও সহজ হয়ে যায়। এমন একটা ব্যবসা সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে পাঁচজন বেকারের স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের মাধ্যমেও এটা করা যায়। কিন্তু সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে এটা খুব সহজে করা যায়, যেহেতু এখানে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার কোনো শর্ত নেই। ব্যবসার খরচ পোষাতে পারলেই হলো। এ রকম একটা ব্যবসা সৃষ্টির জন্য একজন বড় মাপের বিশেষজ্ঞকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হবে তাও নয়। একজন সাধারণ বুদ্ধির মানুষই এই ব্যবসার সৃষ্টি করতে পারে। এবার ধরুন সত্যি সত্যি আমরা একটা সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে পাঁচজন বেকার তরুণকে স্থায়ীভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিলাম। এবার ব্যবসাটি নিজের আয়ে নিজে চলতে থাকবে। এ ব্যবস্থায় যিনি বিনিয়োগ করলেন, তাঁর টাকা তিনি কয়েক বছরের মধ্যে ফেরত পাবেন। তারপর যা মুনাফা হবে, তা ব্যবসার কাছেই থেকে যাবে। সেটা ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে লাগানো হবে। পাঁচজন বেকারের সমাধান খুব সহজে হয়ে গেল। কিন্তু এক কোটি বেকারের সমাধান কীভাবে হবে? সোজা উত্তর: একইভাবে হবে, কারণ আমরা বেকারত্ব সমাধানের পথ খুঁজে পেয়েছি। যাদের হাতে টাকা আছে, তারা এ রকমভাবে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করলেই বেকারত্বের অবসান হবে। একজন ব্যক্তি বিনিয়োগ করতে পারে, ফাউন্ডেশন বিনিয়োগ করতে পারে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারে, সরকার বিনিয়োগ করতে পারে। বেকারত্ব দূরীকরণের মহোৎসব সৃষ্টি হতে পারে। যতই এসব সামাজিক ব্যবসার সমৃদ্ধি হবে, ততই তারা আরও বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে থাকবে। অর্থাৎ, সমস্যা যত ভয়ংকর হোক না কেন, তার ক্ষুদ্রতম একটা অংশ নিয়ে দেখলে দেখা যাবে, সেটা অত ভয়ংকর নয়। এই অংশটি যত ক্ষুদ্র হবে তার সমাধান তত সহজ হয়ে যায়। সামাজিক ব্যবসা সমস্যার ক্ষুদ্রতম অংশ নিয়েই অগ্রসর হয়।
ছোট একটা পদক্ষেপ সফল হলেই বাকি কাজ সোজা। একের পর এক পদক্ষেপ যুক্ত হলেই হাজার মাইলের রাস্তা পাড়ি দেওয়া যায়। নিজেদের ওপর বিশ্বাস জন্মাতে পারলেই আস্থা ফিরে আসে আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
প্রযুক্তিতে পরিবর্তন আসছে বিপুল বেগে। সামাজিক ব্যবসা সৃষ্টি হলে প্রযুক্তিতে বড় রকমের পরিবর্তন আসবে। পৃথিবীতে যারা অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে, তারা প্রযুক্তিও নিয়ন্ত্রণ করে। প্রযুক্তি বিকাশের আসল উৎসাহ আসে বিরাট মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনাকে ঘিরে। সামনে থাকে ব্যক্তিগতভাবে প্রচুর লাভবান হওয়ার মুলা, আর তার পেছন পেছন ছোটে প্রযুক্তির বিকাশ। যেখানে ব্যক্তিগত মুনাফা নেই, বর্তমান বিশ্বে সেখানে প্রযুক্তি মোটেই অগ্রসর হয় না। প্রযুক্তি কিন্তু এমন একটি জিনিস, যাকে যেকোনো দিকেই সম্প্রসারিত করা যায়। নামমাত্র খরচে রোগবালাই থেকে সব মানুষকে পরিত্রাণ দেওয়ার জন্য অতি শক্তিশালী প্রযুক্তি সহজেই সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু প্রযুক্তিকে ওদিকে নিয়ে যাওয়ার কেউ নেই। বরং ওদিকে কেউ নিতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়ার জন্য অনেকে প্রস্তুত থাকবে। গরিবের কাছে নামমাত্র খরচে চিকিৎসা নিয়ে গিয়ে লাভ কী? এতে তো ব্যক্তিগত মুনাফা নেই। বরং ওটা করতে গিয়ে যারা এখন রোগীর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে অনেক টাকা মুনাফা করছে, তারা তাদের ব্যবসা হারাবে। কাজেই এই প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকো। এই প্রযুক্তির পেছনে টাকা ঢেলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ছাড়া কোনো ফায়দা নেই।
ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের চিন্তা থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে সামাজিক ব্যবসা এমন সব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির মহাশক্তিকে উন্মোচন করতে পারে, যা বর্তমান ব্যবস্থায় সম্ভব নয়। সামাজিক ব্যবসাকে জায়গা করে দিলে প্রযুক্তির অনাবিষ্কৃত বিশাল জগৎ উন্মোচিত হতে আরম্ভ হবে। যে সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান এখন চিন্তাই করা যায় না, সামাজিক ব্যবসার কারণে তা ভবিষ্যতে অতি সহজ একটা বিষয়ে পরিণত হবে।
সামাজিক ব্যবসা নতুন প্রযুক্তির দুয়ার খুলবে এবং এটা আমাদের কাজকে সহজ করে দেবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু নতুন প্রযুক্তির জন্য অপেক্ষা করে থাকারও কোনো দরকার নেই। বর্তমানে প্রযুক্তি যে পর্যায়ে আছে, সেই পর্যায় থেকেই সামাজিক ব্যবসা শুরু হতে পারে। যে প্রযুক্তি শুরু হয়েছিল মুনাফা অর্জনের জন্য, সেটাকে মোড় ঘুরিয়ে সমস্যা সমাধানের কাজে লাগানো কঠিন কাজ নয়। এটাও সৃজনশীলতার কাজ। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি এমন পর্যায়ে আছে, যেটা এখনই বহু রকমের সমস্যার সমাধান সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সহজ করে দিতে পারে। পরবর্তী সময়ে আরও শক্তিশালী প্রযুক্তি যখন আসতে শুরু করবে, এই সমাধানগুলোর বাস্তবায়ন সহজতর এবং দ্রুততর হয়ে পড়বে।
একটা বাস্তব সামাজিক ব্যবসার জন্ম কীভাবে হয়, তার একটা উদহারণ দিচ্ছি।
বছর চারেক আগে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস’ নামে একটা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। কোনো একটা দেশ থেকে আমন্ত্রণ পেলে তারা সে দেশে সামাজিক ব্যবসা সৃষ্টির কাজে সাহাঘ্য করতে এগিয়ে যায়। তারা এটা সামাজিক ব্যবসার ভিত্তিতে করে থাকে। অন্য কয়েকটি দেশসহ তিউনিসিয়াতে এভাবে তারা এখন কাজ করছে। কিছুদিন আগে তারা আমাকে আমন্ত্রণ করল তিউনিসিয়ায় তাদের একটা প্রকল্প বাছাই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে। তিউনিসিয়ায় তারা স্থানীয়দের নিয়ে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস তিউনিসিয়া’ নাম দিয়ে একটা স্থানীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে। সে প্রতিষ্ঠান তিউনিসিয়াজুড়ে সামাজিক ব্যবসার বিজনেস প্ল্যান তৈরির একটা প্রতিযোগিতা আহ্বান করেছিল। বলা হয়েছিল, এই প্রতিযোগিতায় যেসব বিজনেস প্ল্যান আকর্ষণীয় হবে, তাদের বাস্তবায়নে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস ফান্ড তিউনিসিয়া’ থেকে অর্থ বিনিয়োগ করা হবে। এই প্রতিযোগিতায় দুই হাজার ৩০০টি বিজনেস প্ল্যান জমা পড়ে। এত বেশিসংখ্যক লোক উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে বিজনেস প্ল্যান তৈরি করে জমা দেবে, আয়োজকেরা আশা করেনি। তারা আশা করেছিল, বড় জোর ১০০ থেকে ১৫০টি প্রস্তাব পাবে। তারা দুই হাজার ৩০০টি বিজনেস প্ল্যান থেকে বাছাই করে ২০টি প্রজেক্ট প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করল। সেগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করার জন্য তারা এক সপ্তাহের একটা কর্মশালার আয়োজন করে। যে উদ্যোক্তারা এগুলো জমা দিয়েছিল, তাদের তিউনিস শহরে আনা হলো তাদের চিন্তাভাবনাগুলো পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য, পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্য, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে তাদের সক্ষমতা যাচাই করার জন্য।
এই তরুণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আমার একটি দিন কাটানোর সুযোগ হলো। আমি খুবই চমৎকৃত হলাম সামাজিক ব্যবসা সম্বন্ধে তাদের স্বচ্ছ ধারণা দেখে এবং তাদের রচিত প্রজেক্টগুলোর বাস্তবমুখিতা দেখে। বলা বাহুল্য, প্রতিটি প্রজেক্ট অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী, সৃজনশীল ও চিন্তাশীল মনের পরিচায়ক। প্রতিটি প্রকল্পই উদ্যোক্তার সমাজচেতনার একটি চমৎকার উদাহরণ। আয়োজকেরা মনস্থির করেছিল, ২০টি প্রকল্প থেকে তারা এই কর্মশালার মাধ্যমে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাছাই করবে এবং এতে প্রয়োজনীয় অর্থ বিনিয়োগ করবে। বলা বাহুল্য, তাদের তহবিলে যদি পর্যাপ্ত টাকা থাকত, তাহলে তারা ২০টির সব কটিতে আনন্দসহকারে বিনিয়োগ করত। তারা অবশিষ্ট প্রকল্পগুলোর জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাবে বলে আমাকে জানাল।
এই ২০টি প্রকল্পের মধ্যে মৌমাছি পালনের একটা প্রকল্প ছিল। আমি মৌমাছি পালনে উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতি দেখে অভিভূত হলাম। তার সঙ্গে কথা বললে মনে হবে, সে মৌমাছি-সমাজের একজন সদস্য। তাদের ভালো-মন্দ নিয়েই তার সার্বক্ষণিক চিন্তা। তার আফসোস, কেন মানুষের জন্য উপকারী ছোট্ট এই প্রাণীর প্রতি মানুষ কোনো ভালোবাসা দেখায় না।
মৌমাছি পালন এবং তার অর্থনীতি সম্বন্ধে আগে থেকেই আমার পরিচয় ছিল। বাংলাদেশে যারা মৌমাছি পালনে অগ্রগামী, তাদের অনেকের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। সারা বিশ্বে এটা একটা পরিচিত কর্মসূচি। যারা মৌমাছি পালে, তারা মধু উৎপাদন করে অর্থ উপার্জন করে তো বটেই, তাদের সঙ্গে মৌমাছির একটা আত্মিক বন্ধনও সৃষ্টি হয়ে যায়।
তিউনিসিয়ার জানদুবা এলাকার হাসান নামের এই তরুণ বলা যায় মৌমাছি-অন্তঃপ্রাণ। মৌমাছির কথা বলতে গিয়ে সে আবেগে আপ্লুত হয়ে যাচ্ছিল। সে নিজে মৌমাছির চাষ করে অর্থ উপার্জন করে এবং তরুণেরা যারা মৌমাছির চাষ শিখতে চায়, তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। তার নতুন প্রজেক্টটা ব্যাখ্যা করে সে আমাদের বোঝাচ্ছিল। সে তার বর্তমান প্রশিক্ষণের কাজকে আরও বড় আকারে করতে চায় এবং তার সঙ্গে আরও নতুন জিনিস যোগ করতে চায়।
হাসান জানাল, এত দিন তার মধ্যে এত রকমের চিন্তা মাথায় আসেনি। শুধু মধু উৎপাদন নিয়েই সে ব্যস্ত ছিল। যখন শুনল প্রতিযোগিতার জন্য ভালো প্রজেক্ট তৈরি করতে পারলে ‘সামাজিক ব্যবসা ফান্ড’ থেকে পুঁজি দেওয়া হবে, তখন সিদ্ধান্ত নিল, সে একটা প্রজেক্ট দেবে। প্রজেক্টটি বানাতে গিয়ে তার মাথায় অনেক নতুন চিন্তা এসে ভর করতে থাকে। যতই নতুন নতুন চিন্তা মাথায় আসছিল, ততই সে আনন্দে উত্তেজিত হয়ে পড়ছিল।
হাসান তার প্রজেক্টটা এভাবে তৈরি করেছে: তার বর্তমান ব্যবসাকে সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলে সে এটাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তরিত করবে। ব্যবসা থেকে যে বেতন পাবে, তাতেই তার ব্যক্তিগত আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে পারবে। মধু উৎপাদন, এখন যেটা তার মূল ব্যবসা, সেটা থেকে সে সরে আসবে। মধু উৎপাদনকারী তৈরি করা এবং তাদের মাধ্যমে মধু উৎপাদন করাই হবে তার প্রজেক্টের উদ্দেশ্য। সে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেবে উত্তম মধু উৎপাদনকারী হওয়ার জন্য। যারা তার পরীক্ষায় পাস করবে, তাদের সে একটা অফার দেবে। তারা তার সঙ্গে যৌথভাবে মধু উৎপাদনের কাজ করতে পারবে। এ কাজে যত টাকার বিনিয়োগ লাগবে, সব টাকা সে দেবে (‘ফান্ড’ থেকে যে টাকা বিনিয়োগ হিসেবে পাবে, সেই টাকা থেকে)। মৌমাছি উৎপাদনের যাবতীয় সাজসরঞ্জাম সে সরবরাহ করবে। অর্থাৎ, আগ্রহী তরুণকে নিজের পকেট থেকে কোনো বিনিয়োগ করতে হবে না। সে হবে হাসানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে হাসানের নিয়মে এবং আদর্শে মধু উৎপাদন করবে, হাসানের নির্দেশিত পন্থায় গুণগত মান রক্ষা করবে। যত মধু উৎপাদন হবে, হাসান সেটা স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির দায়িত্ব নেবে। এর চেয়ে ভালো দামে যদি তরুণটি মধু নিজস্ব আয়োজনে বিক্রি করতে পারে, হাসানের তাতে কোনো আপত্তি থাকবে না। কারণ, সামাজিক ব্যবসা হিসেবে হাসানের মূল লক্ষ্য হবে তার ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সবার জন্য আয় বাড়ানোর কাজ করে যাওয়া। হাসানের লক্ষ্য হবে তিউনিসিয়ার তরুণেরা যেন বেকার বসে না থাকে। তারা যেন স্বাবলম্বী হয়। তারা যেন আকর্ষণীয় পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে। তারা যেন নিজেদের গ্রাম ছেড়ে কর্মসংস্থানের জন্য বেআইনি প্রবাসী হিসেবে ইউরোপের শহরে শহরে ঘুরে না বেড়ায়। মৌমাছি থেকে মধু ছাড়াও যত রকম মূল্যবান বাই-প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের জ্ঞান সম্বন্ধে হাসান অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। ফ্র্যাঞ্চাইজিরা প্রত্যেকে মধু থেকে যেমন আয় করবে, তেমনি তারা নানাবিধ মূল্যবান বাই-প্রোডাক্ট থেকেও উপার্জন করতে পারবে। যে তরুণই আগ্রহী হবে, হাসান তাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তার ফ্র্যাঞ্চাইজ ব্যবসার নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসতে সদা প্রস্তুত থাকবে। সে আমার কথার প্রতিধ্বনি করে বলল: ‘আমি নিশ্চিত করতে চাই, আমরা কেউ চাকরিপ্রার্থী হব না, আমরা চাকরিদাতা হব।’
হাসানের কথা শুনতে শুনতে অবাক হচ্ছিলাম। হাসান কি আমাকে খুশি করার জন্য এসব কথা বলছে, নাকি সত্যি সত্যি এসব কথা তার বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে বলছে। যে কারণেই বলে থাকুক সামাজিক ব্যবসার কাঠামোতে ঢুকে সে এখন এ রকম চিন্তা করার সুযোগ পেয়েছে, সেটা সম্বন্ধে আমি নিশ্চিত। তার দেশের তরুণদের স্বাবলম্বী করার ব্যাপারে তার আগ্রহ শ্রোতাকে অভিভূত না করে পারছিল না। সামাজিক ব্যবসার ধারণা তাকে যদি পুরোনো চিন্তা থেকে মুক্ত করে থাকে সেটাই হবে সামাজিক ব্যবসার বড় অবদান।
তাকে জিজ্ঞেস করলাম: তুমি তিউনিসিয়ার সব বেকার তরুণ-তরুণীর জন্য মধু উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে চাও। কিন্তু তুমি কি ভেবে দেখেছ, এত তরুণ-তরুণী যদি মধু উৎপাদন করে, তাহলে এত মধু খাওয়ার লোক পাওয়া যাবে কি না। বাজার পাবে কোথায়?
সে তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দিল, মধুর বাজার সীমাহীন। এর বাজার এত বড় যে তিউনিসিয়ার সব তরুণ-তরুণী মধু উৎপাদন করলেও বিশ্ববাজারের চাহিদা অপূর্ণ থেকে যাবে। তা ছাড়া আমরা এখন শুধু মধু বিক্রির কথা বলছি, বাই-প্রোডাক্ট বিক্রির কথা বলছি। মধুর উৎপাদন বেড়ে গেলে মধুভিত্তিক আরও বহু খাদ্যসামগ্রী আমরা তৈরি করতে পারব। যেহেতু মধুর আগাগোড়া বাজারব্যবস্থা আমাদের হাতে থাকবে, তাই বাইরের কেউ আমাদের ঠকানোর সুযোগ পাবে না।
স্বাভাবিকভাবেই খুবই অনুপ্রাণিত বোধ করলাম হাসান এবং তার নয়জন সাথি-উদ্যোক্তার উৎসাহ ও চিন্তার ব্যাপ্তি দেখে। হাসানদের সামাজিক ব্যবসাগুলো তাদের যাত্রাপথে তিউনিসিয়া এবং বিশ্বের আরও বহু তরুণ-তরুণীকে অনুপ্রাণিত করবে। তাদের চিন্তার কাঠামোটিই পরিবর্তিত হয়ে যাবে। যখন ব্যক্তিগত মুনাফার চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলা যাবে, চোখের সামনে তখন সব রকম সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের পথ একটার পর একটা ভেসে উঠতে শুরু করবে, মানুষের কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলো রূপ পেতে আরম্ভ করবে। যখন এ ধরনের ছোট একটি উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে, তখন সেটিই হবে আমাদের জন্য আশ্চর্য বীজ। মিরাকল সিড। এই বীজ তখন ছড়িয়ে যাবে পৃথিবীর সব প্রান্তে।
এই বীজ নির্মাণে বড় বড় বিজ্ঞানীর জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। হাসানদের মতো তরুণেরাই ঘরে ঘরে, মাঠেঘাটে এই বীজ তৈরি করবে। একজনের মধু উৎপাদনের সামান্য একটি উদ্যোগ হঠাৎ করে দেশের একটা বড় সমস্যা সমাধানের জন্য উপযোগী হয়ে যেতে পারবে। তিউনিসিয়ার গ্রামের নারীরা, তরুণীরা, যারা কোনো দিন চাকরির সন্ধানে শহরের দিকে যায়নি, হঠাৎ দেখা যাবে তারা একটা বড় সামাজিক ব্যবসার নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেরাই ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছে। মধু উৎপাদন কীভাবে করতে হয়, সেটাও তারা জেনে যাবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, টাকা ও সাজসরঞ্জামও পেয়ে যাবে মূল কোম্পানি থেকে, মধু বাজারজাতকরণের চিন্তাও আর তাদের করতে হবে না। সবকিছুর পেছনে থাকবে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজ সামাজিক ব্যবসা।
সামাজিক ব্যবসা মানুষের ব্যবসায়িক চিন্তাকে ব্যক্তিগত মুনাফার একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে মুক্ত করে দিয়ে নতুন আঙ্গিকের পৃথিবী গড়ার সুবিশাল সম্ভাবনাগুলো সবার সামনে তুলে ধরছে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বজুড়ে সামাজিক ব্যবসা
১. এসবি (সামাজিক ব্যবসা) ডিজাইন ল্যাবের (পরিকল্পনা ও কর্মশালা) মাধ্যমে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি সামাজিক ব্যবসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ডিজাইন ল্যাবের মাধ্যমে ৪৮৫টি প্রতিষ্ঠান সামাজিক ব্যবসা তহবিলের প্রস্তাব দিয়েছে, ৪৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
২. বাংলাদেশ ও অন্যান্য স্থানে বেশ কয়েকটি যৌথ উদ্যোগে স্বাধীন সামাজিক ব্যবসা
ডিজাইন ল্যাবের মাধ্যমে পরিচালিত সামাজিক ব্যবসার পাশাপাশি বাংলাদেশে আরও ১২টি সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ডানোন, ভিওলিয়া, ইউনিক্লো, ইন্টেল, ইউকিগুনি মাইতাকে, গ্লাসগো ক্যালডোনিয়ান ইউনিভার্সিটি, বিএএসএফ, সাম্পান গ্রুপ এবং ব্যাবিলন গ্রুপের নয়টি যৌথ উদ্যোগ।
৩. ১২টি দেশে পাঁচ শতাধিক সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রম চলছে।
৪. সামাজিক ব্যবসা তহবিল তৈরি করা হয়েছে ১০টি দেশে: হাইতি, আলবেনিয়া, ব্রাজিল, তিউনিসিয়া, কলম্বিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, উগান্ডা, মেক্সিকো ও ফ্রান্স।
৫. ১৯টি দেশের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনূস এসবি সেন্টার বা ইউনূস চেয়ার রয়েছে।
সূত্র: ইউনূস সেন্টার
এ অবস্থার কি পরিবর্তন হবে? খুব সহজে যে কথাটা বলা যায়, তা হলো, এই অবস্থা মেনে নেওয়া যায় না। পরিবর্তন হতেই হবে। মানুষ যা মেনে নেয় না, সেটা পাল্টে যেতে বাধ্য। যা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য, আমাদেরই তা পাল্টাতে হবে। অন্য কোনো ঊর্ধ্বতন ক্ষমতা আমাদের জন্য সেটা করে দেবে না।
সামাজিক ব্যবসার মূল শক্তিটা আসে কোথা থেকে? এ শক্তি হলো মানুষের সীমাহীন সৃজনশীলতার শক্তি। এ শক্তি এখন একটা কাজেই ব্যবহার করা হয়, মুনাফা অর্জনের জন্য, অর্থাৎ ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য। এটা করতে গিয়ে সমাজের যদি কোনো মঙ্গল হয়, সেটা উপরি পাওয়া। কোনো ব্যবসায় এই উপরিপাওনা বেশি, কোনো ব্যবসায় এটা কম। কোনো ব্যবসায় হয় ঠিক তার উল্টোটাই, এখানে সমাজের মঙ্গল করার চেয়ে অমঙ্গল বয়ে নিয়ে আসছে ঢের বেশি। ব্যবসাকে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির একটা ব্যবস্থা হিসেবে না রেখে সামাজিক ব্যবসা এটাকে মানবকল্যাণের একটা ব্যবস্থা হিসেবে রূপান্তরিত করে দিয়েছে। এই পরিবর্তন সম্ভব হলো শুধু ব্যবসা থেকে ব্যক্তিগত মুনাফাটাকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। যে-মাত্র ব্যক্তিগত মুনাফার স্থলে উপস্থাপিত হয়েছে মানুষের মঙ্গল, তখনই ব্যবসার স্বভাব ও চরিত্র বদলে গেল। ব্যবসা নামের যে পদ্ধতিটি মানুষের জন্য নানা উৎপাতের সৃষ্টি করত, সেটি এখন সম্পূর্ণ উল্টো কাজের জন্য একটা বিশ্বস্ত যন্ত্রে পরিণত হয়ে গেল। মানুষের যেকোনো সমস্যার সমাধানে এটাকে এখন কাজে লাগানো যায়।
অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার মাধ্যমে মানুষের সৃষ্ট সমস্যাগুলোর অবয়ব এখন এত বিশাল হয়ে দাঁড়িয়েছে যে এগুলো থেকে কোনো দিন নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে, এটা ভাবাই যায় না। একক ব্যক্তির ক্ষমতা এত সীমাবদ্ধ যে সে এত বড় সমস্যা সমাধানের কথা চিন্তা করতেই সাহস করে না। সমস্যাটার আয়তন যদি হাতির সমান কল্পনা করা যায়, তাহলে তার সামনে মানুষ একটা ছোট পিঁপড়ার মতো। পিঁপড়া কীভাবে হাতিকে ঘায়েল করবে। কাজেই ওদিকে এগোনোই আর হয়ে ওঠে না।
সামাজিক ব্যবসা কিন্তু এতে মোটেই নিরুৎসাহিত বোধ করে না। কোনো বিশাল সমস্যার সামনে আত্মবিশ্বাস নিয়ে দাঁড়াতে তার কোনো সংকোচ বোধ হয় না। তার রণকৌশল একক ব্যক্তি বা কয়েকজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য খুবই লাগসই। তার রণকৌশল অনেকটা মহামারির ওষুধ আবিষ্কার করার মতো। একজন রোগীকে যদি এ ওষুধ বাঁচাতে পারে, তবে সহস্র কোটি লোককেও একই ওষুধ একই কারণে বাঁচাতে পারবে। প্রথমে ওষুধটা আবিষ্কার করো। সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের যেকোনো রোগের ওষুধ তৈরি করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। এক কোটি বেকার যুবককে বেকারত্ব থেকে মুক্তি দেওয়ার কাজ সবার মাথা একযোগে গুলিয়ে দেওয়ার মতো একটা বিরাট কর্মকাণ্ড। কিন্তু পাঁচজন বেকার তরুণকে বেকারত্ব থেকে বের করে আনা তেমন কোনো আহামরি কাজ নয়, যদি সামাজিক ব্যবসার পদ্ধতি এখানে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে এটা আরও সহজ হয়ে যায়। এমন একটা ব্যবসা সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে পাঁচজন বেকারের স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের মাধ্যমেও এটা করা যায়। কিন্তু সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে এটা খুব সহজে করা যায়, যেহেতু এখানে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার কোনো শর্ত নেই। ব্যবসার খরচ পোষাতে পারলেই হলো। এ রকম একটা ব্যবসা সৃষ্টির জন্য একজন বড় মাপের বিশেষজ্ঞকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হবে তাও নয়। একজন সাধারণ বুদ্ধির মানুষই এই ব্যবসার সৃষ্টি করতে পারে। এবার ধরুন সত্যি সত্যি আমরা একটা সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে পাঁচজন বেকার তরুণকে স্থায়ীভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিলাম। এবার ব্যবসাটি নিজের আয়ে নিজে চলতে থাকবে। এ ব্যবস্থায় যিনি বিনিয়োগ করলেন, তাঁর টাকা তিনি কয়েক বছরের মধ্যে ফেরত পাবেন। তারপর যা মুনাফা হবে, তা ব্যবসার কাছেই থেকে যাবে। সেটা ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে লাগানো হবে। পাঁচজন বেকারের সমাধান খুব সহজে হয়ে গেল। কিন্তু এক কোটি বেকারের সমাধান কীভাবে হবে? সোজা উত্তর: একইভাবে হবে, কারণ আমরা বেকারত্ব সমাধানের পথ খুঁজে পেয়েছি। যাদের হাতে টাকা আছে, তারা এ রকমভাবে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করলেই বেকারত্বের অবসান হবে। একজন ব্যক্তি বিনিয়োগ করতে পারে, ফাউন্ডেশন বিনিয়োগ করতে পারে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারে, সরকার বিনিয়োগ করতে পারে। বেকারত্ব দূরীকরণের মহোৎসব সৃষ্টি হতে পারে। যতই এসব সামাজিক ব্যবসার সমৃদ্ধি হবে, ততই তারা আরও বেকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে থাকবে। অর্থাৎ, সমস্যা যত ভয়ংকর হোক না কেন, তার ক্ষুদ্রতম একটা অংশ নিয়ে দেখলে দেখা যাবে, সেটা অত ভয়ংকর নয়। এই অংশটি যত ক্ষুদ্র হবে তার সমাধান তত সহজ হয়ে যায়। সামাজিক ব্যবসা সমস্যার ক্ষুদ্রতম অংশ নিয়েই অগ্রসর হয়।
ছোট একটা পদক্ষেপ সফল হলেই বাকি কাজ সোজা। একের পর এক পদক্ষেপ যুক্ত হলেই হাজার মাইলের রাস্তা পাড়ি দেওয়া যায়। নিজেদের ওপর বিশ্বাস জন্মাতে পারলেই আস্থা ফিরে আসে আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
প্রযুক্তিতে পরিবর্তন আসছে বিপুল বেগে। সামাজিক ব্যবসা সৃষ্টি হলে প্রযুক্তিতে বড় রকমের পরিবর্তন আসবে। পৃথিবীতে যারা অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে, তারা প্রযুক্তিও নিয়ন্ত্রণ করে। প্রযুক্তি বিকাশের আসল উৎসাহ আসে বিরাট মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনাকে ঘিরে। সামনে থাকে ব্যক্তিগতভাবে প্রচুর লাভবান হওয়ার মুলা, আর তার পেছন পেছন ছোটে প্রযুক্তির বিকাশ। যেখানে ব্যক্তিগত মুনাফা নেই, বর্তমান বিশ্বে সেখানে প্রযুক্তি মোটেই অগ্রসর হয় না। প্রযুক্তি কিন্তু এমন একটি জিনিস, যাকে যেকোনো দিকেই সম্প্রসারিত করা যায়। নামমাত্র খরচে রোগবালাই থেকে সব মানুষকে পরিত্রাণ দেওয়ার জন্য অতি শক্তিশালী প্রযুক্তি সহজেই সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু প্রযুক্তিকে ওদিকে নিয়ে যাওয়ার কেউ নেই। বরং ওদিকে কেউ নিতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়ার জন্য অনেকে প্রস্তুত থাকবে। গরিবের কাছে নামমাত্র খরচে চিকিৎসা নিয়ে গিয়ে লাভ কী? এতে তো ব্যক্তিগত মুনাফা নেই। বরং ওটা করতে গিয়ে যারা এখন রোগীর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে অনেক টাকা মুনাফা করছে, তারা তাদের ব্যবসা হারাবে। কাজেই এই প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকো। এই প্রযুক্তির পেছনে টাকা ঢেলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ছাড়া কোনো ফায়দা নেই।
ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের চিন্তা থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে সামাজিক ব্যবসা এমন সব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির মহাশক্তিকে উন্মোচন করতে পারে, যা বর্তমান ব্যবস্থায় সম্ভব নয়। সামাজিক ব্যবসাকে জায়গা করে দিলে প্রযুক্তির অনাবিষ্কৃত বিশাল জগৎ উন্মোচিত হতে আরম্ভ হবে। যে সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান এখন চিন্তাই করা যায় না, সামাজিক ব্যবসার কারণে তা ভবিষ্যতে অতি সহজ একটা বিষয়ে পরিণত হবে।
সামাজিক ব্যবসা নতুন প্রযুক্তির দুয়ার খুলবে এবং এটা আমাদের কাজকে সহজ করে দেবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু নতুন প্রযুক্তির জন্য অপেক্ষা করে থাকারও কোনো দরকার নেই। বর্তমানে প্রযুক্তি যে পর্যায়ে আছে, সেই পর্যায় থেকেই সামাজিক ব্যবসা শুরু হতে পারে। যে প্রযুক্তি শুরু হয়েছিল মুনাফা অর্জনের জন্য, সেটাকে মোড় ঘুরিয়ে সমস্যা সমাধানের কাজে লাগানো কঠিন কাজ নয়। এটাও সৃজনশীলতার কাজ। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি এমন পর্যায়ে আছে, যেটা এখনই বহু রকমের সমস্যার সমাধান সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সহজ করে দিতে পারে। পরবর্তী সময়ে আরও শক্তিশালী প্রযুক্তি যখন আসতে শুরু করবে, এই সমাধানগুলোর বাস্তবায়ন সহজতর এবং দ্রুততর হয়ে পড়বে।
একটা বাস্তব সামাজিক ব্যবসার জন্ম কীভাবে হয়, তার একটা উদহারণ দিচ্ছি।
বছর চারেক আগে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস’ নামে একটা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। কোনো একটা দেশ থেকে আমন্ত্রণ পেলে তারা সে দেশে সামাজিক ব্যবসা সৃষ্টির কাজে সাহাঘ্য করতে এগিয়ে যায়। তারা এটা সামাজিক ব্যবসার ভিত্তিতে করে থাকে। অন্য কয়েকটি দেশসহ তিউনিসিয়াতে এভাবে তারা এখন কাজ করছে। কিছুদিন আগে তারা আমাকে আমন্ত্রণ করল তিউনিসিয়ায় তাদের একটা প্রকল্প বাছাই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে। তিউনিসিয়ায় তারা স্থানীয়দের নিয়ে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস তিউনিসিয়া’ নাম দিয়ে একটা স্থানীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে। সে প্রতিষ্ঠান তিউনিসিয়াজুড়ে সামাজিক ব্যবসার বিজনেস প্ল্যান তৈরির একটা প্রতিযোগিতা আহ্বান করেছিল। বলা হয়েছিল, এই প্রতিযোগিতায় যেসব বিজনেস প্ল্যান আকর্ষণীয় হবে, তাদের বাস্তবায়নে ‘ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস ফান্ড তিউনিসিয়া’ থেকে অর্থ বিনিয়োগ করা হবে। এই প্রতিযোগিতায় দুই হাজার ৩০০টি বিজনেস প্ল্যান জমা পড়ে। এত বেশিসংখ্যক লোক উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে বিজনেস প্ল্যান তৈরি করে জমা দেবে, আয়োজকেরা আশা করেনি। তারা আশা করেছিল, বড় জোর ১০০ থেকে ১৫০টি প্রস্তাব পাবে। তারা দুই হাজার ৩০০টি বিজনেস প্ল্যান থেকে বাছাই করে ২০টি প্রজেক্ট প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করল। সেগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করার জন্য তারা এক সপ্তাহের একটা কর্মশালার আয়োজন করে। যে উদ্যোক্তারা এগুলো জমা দিয়েছিল, তাদের তিউনিস শহরে আনা হলো তাদের চিন্তাভাবনাগুলো পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য, পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্য, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে তাদের সক্ষমতা যাচাই করার জন্য।
এই তরুণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আমার একটি দিন কাটানোর সুযোগ হলো। আমি খুবই চমৎকৃত হলাম সামাজিক ব্যবসা সম্বন্ধে তাদের স্বচ্ছ ধারণা দেখে এবং তাদের রচিত প্রজেক্টগুলোর বাস্তবমুখিতা দেখে। বলা বাহুল্য, প্রতিটি প্রজেক্ট অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী, সৃজনশীল ও চিন্তাশীল মনের পরিচায়ক। প্রতিটি প্রকল্পই উদ্যোক্তার সমাজচেতনার একটি চমৎকার উদাহরণ। আয়োজকেরা মনস্থির করেছিল, ২০টি প্রকল্প থেকে তারা এই কর্মশালার মাধ্যমে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাছাই করবে এবং এতে প্রয়োজনীয় অর্থ বিনিয়োগ করবে। বলা বাহুল্য, তাদের তহবিলে যদি পর্যাপ্ত টাকা থাকত, তাহলে তারা ২০টির সব কটিতে আনন্দসহকারে বিনিয়োগ করত। তারা অবশিষ্ট প্রকল্পগুলোর জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাবে বলে আমাকে জানাল।
এই ২০টি প্রকল্পের মধ্যে মৌমাছি পালনের একটা প্রকল্প ছিল। আমি মৌমাছি পালনে উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতি দেখে অভিভূত হলাম। তার সঙ্গে কথা বললে মনে হবে, সে মৌমাছি-সমাজের একজন সদস্য। তাদের ভালো-মন্দ নিয়েই তার সার্বক্ষণিক চিন্তা। তার আফসোস, কেন মানুষের জন্য উপকারী ছোট্ট এই প্রাণীর প্রতি মানুষ কোনো ভালোবাসা দেখায় না।
মৌমাছি পালন এবং তার অর্থনীতি সম্বন্ধে আগে থেকেই আমার পরিচয় ছিল। বাংলাদেশে যারা মৌমাছি পালনে অগ্রগামী, তাদের অনেকের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। সারা বিশ্বে এটা একটা পরিচিত কর্মসূচি। যারা মৌমাছি পালে, তারা মধু উৎপাদন করে অর্থ উপার্জন করে তো বটেই, তাদের সঙ্গে মৌমাছির একটা আত্মিক বন্ধনও সৃষ্টি হয়ে যায়।
তিউনিসিয়ার জানদুবা এলাকার হাসান নামের এই তরুণ বলা যায় মৌমাছি-অন্তঃপ্রাণ। মৌমাছির কথা বলতে গিয়ে সে আবেগে আপ্লুত হয়ে যাচ্ছিল। সে নিজে মৌমাছির চাষ করে অর্থ উপার্জন করে এবং তরুণেরা যারা মৌমাছির চাষ শিখতে চায়, তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। তার নতুন প্রজেক্টটা ব্যাখ্যা করে সে আমাদের বোঝাচ্ছিল। সে তার বর্তমান প্রশিক্ষণের কাজকে আরও বড় আকারে করতে চায় এবং তার সঙ্গে আরও নতুন জিনিস যোগ করতে চায়।
হাসান জানাল, এত দিন তার মধ্যে এত রকমের চিন্তা মাথায় আসেনি। শুধু মধু উৎপাদন নিয়েই সে ব্যস্ত ছিল। যখন শুনল প্রতিযোগিতার জন্য ভালো প্রজেক্ট তৈরি করতে পারলে ‘সামাজিক ব্যবসা ফান্ড’ থেকে পুঁজি দেওয়া হবে, তখন সিদ্ধান্ত নিল, সে একটা প্রজেক্ট দেবে। প্রজেক্টটি বানাতে গিয়ে তার মাথায় অনেক নতুন চিন্তা এসে ভর করতে থাকে। যতই নতুন নতুন চিন্তা মাথায় আসছিল, ততই সে আনন্দে উত্তেজিত হয়ে পড়ছিল।
হাসান তার প্রজেক্টটা এভাবে তৈরি করেছে: তার বর্তমান ব্যবসাকে সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলে সে এটাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তরিত করবে। ব্যবসা থেকে যে বেতন পাবে, তাতেই তার ব্যক্তিগত আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে পারবে। মধু উৎপাদন, এখন যেটা তার মূল ব্যবসা, সেটা থেকে সে সরে আসবে। মধু উৎপাদনকারী তৈরি করা এবং তাদের মাধ্যমে মধু উৎপাদন করাই হবে তার প্রজেক্টের উদ্দেশ্য। সে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেবে উত্তম মধু উৎপাদনকারী হওয়ার জন্য। যারা তার পরীক্ষায় পাস করবে, তাদের সে একটা অফার দেবে। তারা তার সঙ্গে যৌথভাবে মধু উৎপাদনের কাজ করতে পারবে। এ কাজে যত টাকার বিনিয়োগ লাগবে, সব টাকা সে দেবে (‘ফান্ড’ থেকে যে টাকা বিনিয়োগ হিসেবে পাবে, সেই টাকা থেকে)। মৌমাছি উৎপাদনের যাবতীয় সাজসরঞ্জাম সে সরবরাহ করবে। অর্থাৎ, আগ্রহী তরুণকে নিজের পকেট থেকে কোনো বিনিয়োগ করতে হবে না। সে হবে হাসানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে হাসানের নিয়মে এবং আদর্শে মধু উৎপাদন করবে, হাসানের নির্দেশিত পন্থায় গুণগত মান রক্ষা করবে। যত মধু উৎপাদন হবে, হাসান সেটা স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির দায়িত্ব নেবে। এর চেয়ে ভালো দামে যদি তরুণটি মধু নিজস্ব আয়োজনে বিক্রি করতে পারে, হাসানের তাতে কোনো আপত্তি থাকবে না। কারণ, সামাজিক ব্যবসা হিসেবে হাসানের মূল লক্ষ্য হবে তার ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সবার জন্য আয় বাড়ানোর কাজ করে যাওয়া। হাসানের লক্ষ্য হবে তিউনিসিয়ার তরুণেরা যেন বেকার বসে না থাকে। তারা যেন স্বাবলম্বী হয়। তারা যেন আকর্ষণীয় পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে। তারা যেন নিজেদের গ্রাম ছেড়ে কর্মসংস্থানের জন্য বেআইনি প্রবাসী হিসেবে ইউরোপের শহরে শহরে ঘুরে না বেড়ায়। মৌমাছি থেকে মধু ছাড়াও যত রকম মূল্যবান বাই-প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের জ্ঞান সম্বন্ধে হাসান অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। ফ্র্যাঞ্চাইজিরা প্রত্যেকে মধু থেকে যেমন আয় করবে, তেমনি তারা নানাবিধ মূল্যবান বাই-প্রোডাক্ট থেকেও উপার্জন করতে পারবে। যে তরুণই আগ্রহী হবে, হাসান তাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তার ফ্র্যাঞ্চাইজ ব্যবসার নেটওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসতে সদা প্রস্তুত থাকবে। সে আমার কথার প্রতিধ্বনি করে বলল: ‘আমি নিশ্চিত করতে চাই, আমরা কেউ চাকরিপ্রার্থী হব না, আমরা চাকরিদাতা হব।’
হাসানের কথা শুনতে শুনতে অবাক হচ্ছিলাম। হাসান কি আমাকে খুশি করার জন্য এসব কথা বলছে, নাকি সত্যি সত্যি এসব কথা তার বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে বলছে। যে কারণেই বলে থাকুক সামাজিক ব্যবসার কাঠামোতে ঢুকে সে এখন এ রকম চিন্তা করার সুযোগ পেয়েছে, সেটা সম্বন্ধে আমি নিশ্চিত। তার দেশের তরুণদের স্বাবলম্বী করার ব্যাপারে তার আগ্রহ শ্রোতাকে অভিভূত না করে পারছিল না। সামাজিক ব্যবসার ধারণা তাকে যদি পুরোনো চিন্তা থেকে মুক্ত করে থাকে সেটাই হবে সামাজিক ব্যবসার বড় অবদান।
তাকে জিজ্ঞেস করলাম: তুমি তিউনিসিয়ার সব বেকার তরুণ-তরুণীর জন্য মধু উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে চাও। কিন্তু তুমি কি ভেবে দেখেছ, এত তরুণ-তরুণী যদি মধু উৎপাদন করে, তাহলে এত মধু খাওয়ার লোক পাওয়া যাবে কি না। বাজার পাবে কোথায়?
সে তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দিল, মধুর বাজার সীমাহীন। এর বাজার এত বড় যে তিউনিসিয়ার সব তরুণ-তরুণী মধু উৎপাদন করলেও বিশ্ববাজারের চাহিদা অপূর্ণ থেকে যাবে। তা ছাড়া আমরা এখন শুধু মধু বিক্রির কথা বলছি, বাই-প্রোডাক্ট বিক্রির কথা বলছি। মধুর উৎপাদন বেড়ে গেলে মধুভিত্তিক আরও বহু খাদ্যসামগ্রী আমরা তৈরি করতে পারব। যেহেতু মধুর আগাগোড়া বাজারব্যবস্থা আমাদের হাতে থাকবে, তাই বাইরের কেউ আমাদের ঠকানোর সুযোগ পাবে না।
স্বাভাবিকভাবেই খুবই অনুপ্রাণিত বোধ করলাম হাসান এবং তার নয়জন সাথি-উদ্যোক্তার উৎসাহ ও চিন্তার ব্যাপ্তি দেখে। হাসানদের সামাজিক ব্যবসাগুলো তাদের যাত্রাপথে তিউনিসিয়া এবং বিশ্বের আরও বহু তরুণ-তরুণীকে অনুপ্রাণিত করবে। তাদের চিন্তার কাঠামোটিই পরিবর্তিত হয়ে যাবে। যখন ব্যক্তিগত মুনাফার চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলা যাবে, চোখের সামনে তখন সব রকম সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের পথ একটার পর একটা ভেসে উঠতে শুরু করবে, মানুষের কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলো রূপ পেতে আরম্ভ করবে। যখন এ ধরনের ছোট একটি উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে, তখন সেটিই হবে আমাদের জন্য আশ্চর্য বীজ। মিরাকল সিড। এই বীজ তখন ছড়িয়ে যাবে পৃথিবীর সব প্রান্তে।
এই বীজ নির্মাণে বড় বড় বিজ্ঞানীর জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। হাসানদের মতো তরুণেরাই ঘরে ঘরে, মাঠেঘাটে এই বীজ তৈরি করবে। একজনের মধু উৎপাদনের সামান্য একটি উদ্যোগ হঠাৎ করে দেশের একটা বড় সমস্যা সমাধানের জন্য উপযোগী হয়ে যেতে পারবে। তিউনিসিয়ার গ্রামের নারীরা, তরুণীরা, যারা কোনো দিন চাকরির সন্ধানে শহরের দিকে যায়নি, হঠাৎ দেখা যাবে তারা একটা বড় সামাজিক ব্যবসার নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেরাই ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছে। মধু উৎপাদন কীভাবে করতে হয়, সেটাও তারা জেনে যাবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, টাকা ও সাজসরঞ্জামও পেয়ে যাবে মূল কোম্পানি থেকে, মধু বাজারজাতকরণের চিন্তাও আর তাদের করতে হবে না। সবকিছুর পেছনে থাকবে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজ সামাজিক ব্যবসা।
সামাজিক ব্যবসা মানুষের ব্যবসায়িক চিন্তাকে ব্যক্তিগত মুনাফার একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে মুক্ত করে দিয়ে নতুন আঙ্গিকের পৃথিবী গড়ার সুবিশাল সম্ভাবনাগুলো সবার সামনে তুলে ধরছে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বজুড়ে সামাজিক ব্যবসা
১. এসবি (সামাজিক ব্যবসা) ডিজাইন ল্যাবের (পরিকল্পনা ও কর্মশালা) মাধ্যমে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি সামাজিক ব্যবসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ডিজাইন ল্যাবের মাধ্যমে ৪৮৫টি প্রতিষ্ঠান সামাজিক ব্যবসা তহবিলের প্রস্তাব দিয়েছে, ৪৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
২. বাংলাদেশ ও অন্যান্য স্থানে বেশ কয়েকটি যৌথ উদ্যোগে স্বাধীন সামাজিক ব্যবসা
ডিজাইন ল্যাবের মাধ্যমে পরিচালিত সামাজিক ব্যবসার পাশাপাশি বাংলাদেশে আরও ১২টি সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ডানোন, ভিওলিয়া, ইউনিক্লো, ইন্টেল, ইউকিগুনি মাইতাকে, গ্লাসগো ক্যালডোনিয়ান ইউনিভার্সিটি, বিএএসএফ, সাম্পান গ্রুপ এবং ব্যাবিলন গ্রুপের নয়টি যৌথ উদ্যোগ।
৩. ১২টি দেশে পাঁচ শতাধিক সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রম চলছে।
৪. সামাজিক ব্যবসা তহবিল তৈরি করা হয়েছে ১০টি দেশে: হাইতি, আলবেনিয়া, ব্রাজিল, তিউনিসিয়া, কলম্বিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, উগান্ডা, মেক্সিকো ও ফ্রান্স।
৫. ১৯টি দেশের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনূস এসবি সেন্টার বা ইউনূস চেয়ার রয়েছে।
সূত্র: ইউনূস সেন্টার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1345)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 08
(78)
- জিম্মি উদ্ধারে শক্তি প্রয়োগ বন্ধ হবে না: আমেরিকা
- স্নোডেনকে পেতে 'লাস্যময়ী' টোপ মস্কোর!
- গীতাকে ভারতের জাতীয় গ্রন্থ করার দাবি নিয়ে বিতর্ক
- ‘নূর হোসেন হত্যার জন্য আমাকে মিথ্যা দোষারোপ করা হচ...
- ‘ভুল হয়ে গেছে, আমি কী করব’
- মাদকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ: ...
- শীতকালের মধ্যে ডিসিসি নির্বাচনের কথা ভাবতে বললেন প...
- সংসদ কতোটা কার্যকর, জানতে চেয়েছে ইইউ
- একদলীয় নয়, এক ব্যক্তির শাসন চলছে: খালেদা
- ব্লক করে লাভ নেই!
- এবার চট্টগ্রামে পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হলেন শিক্ষার্...
- ‘যে কোন মুহূর্তে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়বে সরকার’ -মির্...
- কঙ্গোয় নৃশংস হত্যাযজ্ঞে নিহত ৩৬
- স্বেচ্ছায় অ্যানাকন্ডার পেটে ১ ঘণ্টা
- খালেদার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ- আইনজীবীদের হট্টগোল, প...
- ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশের হস্তক্ষেপ গ্র...
- বাস্তবের পথে পদ্মা সেতু by আনোয়ার হোসেন
- স্বপ্নের খাঁচা ছেড়ে বেরিয়ে আসছে পদ্মা সেতু by আন...
- ইরানে মার্কিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
- হাগুপিটের আঘাতে ফিলিপিন্সে ভূমিধস
- হাগুপিটে তছনছ পূর্ব ফিলিপাইন
- সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সহায়তা দিচ্ছে ইসরাইল : জাতিসংঘ
- মুনাফার একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে মুক্ত করে দিয়ে নতুন...
- চট্টগ্রামে প্রতিদিন ৫ কোটি টাকার মাদক ব্যবসা
- গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়লে লাগাতার কর্মসূচি
- দুই বাসের সংঘর্ষে রাজশাহী কলেজের ৩ ছাত্রী নিহত
- দুদকের বিরুদ্ধে দুদক!
- বাংলাদেশের পরশপাথর by সাজ্জাদ শরিফ
- অগোছাল দল নিয়েই মাঠে নামছে বিএনপি
- পাগলী সেজে চলে যেতেন শত্রু ক্যাম্পে
- নিমেষেই গুঁড়ো গুঁড়ো আলিফের পায়ের হাড়
- হাজারীবাগে বিষের কারখানা!
- দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকার পতনের শপথ: আমান
- সোলার প্যানেলে পুড়ল হাজার কোটি টাকা
- ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশ
- দায়িত্ব গ্রহণের আগেই হস্তক্ষেপ! by পলাশ কুমার রায়
- দুর্বৃত্তায়নের ভয়াবহ রূপ by আসিফ রশীদ
- ভর্তি বাণিজ্য বন্ধ করা কঠিন নয় by বেগম জাহান আরা
- এই বোঝা কি বহনযোগ্য? by ড. আর এম দেবনাথ
- শেষ সম্বল জাল by শরিফুল হক শাহীন
- চাতলাপুর চা বাগানে যা হচ্ছে-
- ধ্বংসের পথে খুলনা বিদ্যুৎকেন্দ্র by রাশিদুল ইসলাম
- ইটভাটা মালিকরা দিশাহারা by ইমাদ উদ দীন
- গিনেস রেকর্ড গড়া দুই চেহারার বিড়ালটির মৃত্যু
- ‘নিজেকে দুর্বল ভাবি না’ -খালেদা জিয়া
- রাবি ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত কর্মীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রান...
- চার্জশিট থেকে আরিফের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেট...
- ময়মনসিংহ আদালতে অপ্রীতিকর ঘটনায় ১ ঘণ্টা কার্যক্রম ...
- ইয়েমেনে লোহিত সাগরে বোটডুবি, ৭০ ইথিওপীয়র মৃত্যু
- লক্ষ্মীপুরে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে ব্যপক গোলাগুলি
- নেপালে নতুন সংবিধান প্রণয়নের রোডম্যাপ by ড. মাহফুজ...
- ৩৫ হাজার নৌযানের ২৬ হাজারই অবৈধ by মোল্লাহ রাশিম
- মধ্যপ্রাচ্যে আবার ব্রিটিশ ঘাঁটি
- তিন গুণ বেশি অর্থ দরকার
- ‘গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে পতনও গায়ের জোরে’ b...
- চীনের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান গ্রেপ্তার
- বঙ্গভবনে শেরিং তোবগে- ভুটানের সক্রিয়তা চাইলেন প্রে...
- রাজশাহী কলেজের বাস উল্টে ৩ ছাত্রী নিহত, আহত ২৫
- আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৪ লেখক
- পাখির প্রতি বিরল ভালবাসা
- নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার সমাবেশের স্থান নিয়ে বিএনপ...
- মৌলভীবাজার মুক্ত হলো ৮ই ডিসেম্বর by মাসুদ আহমেদ
- রাজধানীতে দিনে দুপুরে কোটি টাকা ছিনতাই
- বিক্ষোভে উত্তাল খাগড়াছড়ি
- আদালতে খুনের বিবরণ আসামির অথচ ময়নাতদন্তে আত্মহত্যা...
- ‘আমার স্বামী আমাকে তালাবদ্ধ করে রাখতো’
- ডাকাত আতঙ্কে সিলেটে রাত জেগে পাহারা
- মাদকাসক্ত পুত্রের হাত কেটে নিলেন পিতা
- বিশ্বভারতী ছাড়ছেন বাংলাদেশী ধর্ষিতা
- এক মহীরুহের প্রস্থান
- প্রেমিকের সঙ্গে ব্রিটনির একটানা তিন দিন
- পরীক্ষা ছাড়াই ‘ডেথ সার্টিফিকেট’ দিয়েছিলেন চিকিৎসক
- প্রশাসনে বাধ্যতামূলক অবসরের খড়গ আবার শুরু হচ্ছে
- ছাত্রলীগকে মন পরিষ্কার করতে বললেন স্বরাষ্ট্র প্রতি...
- ‘ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে ট্রাইব্যুনালস আইনের সংশো...
- গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ালে লাগাতার কর্মসূচি
- ঢাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও পুলিশ
- ৪ ইসলামী ব্যক্তিত্বের বাংলাদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা আসছ...
-
▼
Dec 08
(78)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
জোহরান মামদানি
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment