Monday, August 13, 2012
জীবনের সব কাজই অসমাপ্ত থেকে যায়ঃ ক্যাথরিন
জীবনের সব কাজই অসমাপ্ত থেকে যায়ঃ ক্যাথরিন
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ। দুরন্ত গতিতে যখন তারেক মাসুদ তার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে ঘটে যায় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা। ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের অদূরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীরসহ ৫ জন।
তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ একজন মার্কিন নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে তারেক ও ক্যাথরিন একসঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রকে ভিন্ন দিশায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। আজ তারেক মাসুদ নেই। কিন্তু তার জীবনসঙ্গী ক্যাথরিন মাসুদ এখনও তারেকের স্বপ্নপূরণের পথে হেঁটে চলছেন। তারেকের প্রতিটি অসমাপ্ত কাজকে তিনি সমাপ্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শনিবার ক্যাথরিন মাসুদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ তার বিভিন্ন কাজ ও তারেক মাসুদকে নিয়ে আলোচনা হয় বাংলানিউজের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শেরিফ আল সায়ার ও আরিফুল ইসলাম আরমান
আমি যতটুকু জানি আদম সুরতের সম্পাদনার টেবিল থেকে আপনার কাজের শুরু। ফিল্ম বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া কাজটা কীভাবে করলেন?
কাজ করতে করতে শিখেছি। তারেকও কিন্তু তাই। তারেকেরও ফিল্ম স্কুলিং ছিল না। আমরা সব সময় বলি, কাজ করতে করতেই শেখা যায়। তবে তারেক তো আগে থেকেই চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছিল।
তারেক আদম সুরত নিয়ে কাজ করছিল। বলতে হয় কাজটা শেষ পর্যায়ে। আমি আসলে শেষ পর্যায়ে সেই টিমের সঙ্গে কাজ শুরু করি।
চূড়ান্ত সম্পাদনার কাজের সময় ছিলাম। তার আগে নজরুল ইসলাম নামে একজন সম্পাদনার কাজ করছিলেন। তিনিই আসলে মূল কাজটি করেছিলেন। একদিক থেকে তিনিই (নজরুল ইসলাম) আমার শিক্ষক। তার পেছনে বসে বসে আমি দেখতাম কাজটা কীভাবে করে। এভাবেই সম্পাদনার কাজটা আমি শিখতে শুরু করলাম।
আমরা দুজনই কাজ করতে করতে শিখেছি। তবে আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতাম যে, আমাদের শেখার কোনো শেষ নেই। আজ, এখনও শিখছি। এবং আমার জীবনের শেষ পর্যন্ত আমি শিখে যাবো।
চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহটা কি সেখান থেকেই শুরু?
আসলে কাজ করতে গিয়ে আমি যখন স্টুডিওগুলোতে যেতাম। তখন দেখতাম ফিল্মের স্ট্রিপগুলো হ্যাং করছে। সিলিং থেকে, ওয়াল থেকে ফ্লোরে পড়ে আছে। ওগুলো দেখে আমি রোমাঞ্চবোধ করতাম। আমার ভেতর আগ্রহ তৈরি হতে থাকলো। চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করার আগ্রহটা তখন থেকেই শুরু। আমি দেখতাম সারাক্ষণ একটা হৈচৈ। এই হৈচৈ মধ্যে দিয়েও সৃজনশীল কাজ বের হয়ে আসতে পারে। সেটা ভেবেই আগ্রহ পেতাম।
এক সাক্ষাৎকারে তারেক মাসুদ বলেছিলেন, ‘সুলতানকে নিয়ে মুভি করতে এসে আমি তখনো ভাবিনি, আমার পেশা হবে চলচ্চিত্র নির্মাণ।’ আপনারও সেরকমই কিছু হয়েছিল? আপনি কি ভেবেছিলেন একদিন চলচ্চিত্র নির্মাতা হবেন?
আসলে কি, প্রতিটা কাজের পরই আগ্রহ জন্মে। একটি কাজ যখন শেষ হয় তখন মনের ভেতর একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। মনে হয় যে, আমি সামনে এই বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবো।
কাজ করতে করতে আমরা দুজনই চিন্তা করলাম যে, এই বিষয়টি নিয়ে কিভাবে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়া যায়। তারপরও আমি জানি না যে এখনও আমি কিছু করতে পেরেছি। আমি মনে করি এখনও অনেক কিছু শেখার আছে। অনেক কিছু করার আছে। আসলে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আমরা কাজ করে যেতে চেয়েছি। আমিও শেষ জীবন পর্যন্ত কাজ করে যেতে চাই।
সত্যি কথা হলো, শেষ জীবন পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। আমরা শুধুমাত্র কিছু করার চেষ্টা করি। এর বেশি কিছু নয়। কোনো কাজই আসলে পুরোপুরি শেষ হয় না। একটি কাজ শেষ করার পরই মনে হতে থাকে, না আরও কিছু করতে পারতাম। আরও কিছু করার আছে। সেজন্যই বললাম, সব কাজ অসমাপ্ত থাকে। তারেকের ক্ষেত্রেও তাই। তারও অনেক কিছু করার ছিল। অনেক স্বপ্ন ছিল। তাই এখন আমরা তার স্বপ্ন বা তার অসমাপ্ত কাজগুলো যতটুকু পারি শেষ করার চেষ্টাই আমরা করবো। তবে আপনার উত্তরটা ঠিক মতো দিতে পেরেছি কিনা জানি না। এক কথায় বলতে হয়, আমরা ভাবিনি যে চলচ্চিত্র নির্মাণটাই পেশা হবে। তবে আমরা এক একটি কাজ শেষ করে এগিয়ে যাবো এটা জানতাম।
এবার ‘মুক্তির গানে’র প্রসঙ্গে আসতে চাই। মুক্তিযুদ্ধের ফুটেজগুলো লিয়ার লেভিনের কাছ থেকে নেওয়া। যুক্তরাষ্ট্রে লিয়ার লেভিনের সঙ্গে পরিচয়ের গল্পটি একটু বলবেন?
শুরুটা হয়েছিল আমার ভাইয়ের মাধ্যমে। আমার ভাই প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করতেন। একদিন তিনি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস দিয়ে যাচ্ছেন; তখন একজন সাউথ এশিয়ান মেয়ে তাকে প্রশ্ন করলো, ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টটা কোন দিকে।
আমার ভাই ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টেরই শিক্ষক ছিলেন। সেই সূত্রেই সেই মেয়েটির সঙ্গে তার আলাপ হয়। আমার ভাই খুব কৌতুহল নিয়ে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনার দেশ কোথায়?’ সে তখন বলল, ‘বাংলাদেশ’। আমার ভাই তখন এক্সাইটেড হয়ে বলল, ‘ও! তাই? আমার বোনের বিয়ে হয়েছে বাংলাদেশে।’ এভাবেই ওই মেয়েটার সঙ্গে পরিচয় হলো।
কথা বলতে বলতে দেখা গেল যে, সে তো তারেকের খুবই ঘনিষ্ঠ। তিনি হচ্ছেন মিলিয়া আলী। তারেক আলীর স্ত্রী। তারেক আলী হচ্ছেন মুক্তির গানে মোটা চশমা পরা যেই মানুষটি ছিলেন তিনি।
তখন আমি এবং তারেক নিউইয়র্কে থাকতাম। পরের সপ্তাহে আমরা প্রিন্সটনে আসলাম। সেখানে একটা অনুষ্ঠানে গেলাম। আমরা জানতামও না যে সেখানে তারেক আলী এবং মিলিয়া আলী আছেন। সেই অনুষ্ঠানে আড্ডা দিতে দিতে তারেক আলী আমাদের জানালেন, লিয়ার লেভিন নামে একজন আছেন। যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের কিছু দৃশ্য ধারণ করেছিলেন। শুটিং করেছিলেন। এখনও তিনি নিউইয়র্কে আছেন কিনা সেটা অবশ্য তিনি জানেন না।
যদিও তিনি জানতেন না আসলে কি ধরনের কাজ লিয়ার লেভিন করেছিলেন। কারণ অল্প কিছু সময় তিনি এই দলটির সঙ্গে ছিলেন। তারপরও তারেক আলী বললেন, হয়ত তার কাছে ফুটেজ পাওয়া যেতে পারে।
একইসঙ্গে বললেন, তোমরা তাকে খুঁজে দেখতে পারো। তিনি জীবিত আছেন কিনা তাও জানি না।
আমাদের তখন আগ্রহ তৈরি হলো। যদিও লিয়ার লেভিন সম্পর্কে তারেক কিছু কিছু জানতেন। তার কথা তারেক শুনেছে বেণু ভাইয়ের কাছ থেকে। মাহমুদুর রহমান বেণু। তিনি তারেকের চাচাতো ভাই। কিন্তু যখন শুনেছে তখন তারেক অনেক ছোট ছিল। তাই লিয়ারের কথা সে ভুলেই গিয়েছিল।
তো, তারপর আমরা লিয়ার লেভিনকে খুঁজে বের করলাম। তখন তো ইন্টারনেট ছিল না। টেলিফোনের বই থেকে তার ফোন নম্বর সংগ্রহ করলাম। আমরা ফোন করলাম। তারেক কথা বলল। বেণু ভাইয়ের ছোট ভাই হিসেবে নিজের পরিচয় দিলো।
তারেক বলল, ‘আমার ভাইয়ের নাম মাহমুদুর রহমান বেণু। আমি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করি। আপাতত আমি নিউইয়র্কে আছি। আমরা শুনেছি আপনার কাছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কিছু ফুটেজ আছে। এই বিষয়টি নিয়ে আমি আগ্রহী।’
লিয়ার লেভিন অত্যন্ত খুশী হলেন এবং বললেন, গত বিশ বছর ধরে আমি এই ফোন কলটির জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
এরপর পরিচয় হলো। আমরা ওনার ফুটেজগুলো দেখলাম। ফুটেজগুলো দেখার সময় আমরা অবাক হচ্ছিলাম। এতো অসাধারণ সব ফুটেজ। এরপর তো কাজ শুরু করলাম। নিউইয়র্ক বসেই মুক্তির গানের কাজ শুরু করলাম।
সম্পাদনার টেবিলে সবসময় পরিচালক-সম্পাদকের মধ্যে ফুটেজ সিলেকশনে মতবিরোধ হয়। মুক্তির গানের ফুটেজ সিলেকশনের সময় আপনাদের কি এমনটি হয়েছে কখনও?
তখন তো সম্পাদক-পরিচালক সম্পর্কটা গড়ে ওঠেনি। আমরা দুজনই একসঙ্গে মুক্তির গানের কাজ করেছি। তবে হ্যাঁ, কাজটি করতে গিয়ে দ্বিমত হয়েছে। আসলে এটি সৃজনশীল কাজের একটি অংশ। দ্বন্দ্ব থাকবে, দ্বিমত তৈরি হবে। কিন্তু এগুলো আমরা আলোচনা করে ঠিক করে নিতাম। বিভাজন তৈরি হবেই। সেটা আবার আলোচনা করে পথটা আমরাই বের করে নিতাম। এই ছবিটি করতে চার বছর সময় লেগেছে। সুতরাং অনেক ইতিহাস আছে এর পেছনে। খুব সহজেই হয়নি।
মুক্তির গানের পরবর্তী যে প্রডাকশনগুলো হয়েছে; সে সম্পর্কে তারেক মাসুদ সবসময় নিজের টিম সম্পর্কে বলতেন, তাদের কাছে তিনি খুবই ডিমান্ডিং।
এটা আসলে প্রফেশনালিজম। আমরা দুজনই এমন। হয়ত এটা প্রকাশ পেত ভিন্নভাবে। তারেক সবসময় সামনের সারিতে থাকতো। আমি পেছনের জায়গাগুলোতে কাজ করতাম। কিন্তু এ বিষয়ে কী বলবো আমি জানি না। এতটুকু বলতে পারি যে, তারেক মাসুদ একটি সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ে নজর রাখতো। সিনেমা কিন্তু পুরো একটি টিমের কাজ। একজন প্রডাকশন বয় থেকে শুরু করে ড্রাইভার পর্যন্ত প্রত্যেকের গুরুত্ব আছে। প্রত্যেকের ভূমিকা আছে। সেখানে প্রতিটা বিষয়ই দেখতে হয়। কোনো কিছুই বাদ পড়ে না। তাই সবার কাজের দিকে আমাদের নজর রাখতে হয়। সেখানে ডিমান্ডিং না হয়ে উপায় নেই। প্রতিটি কাজের সেরাটা আদায় করতেই হবে। তাও কিন্তু আমরা বলতাম, যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করতাম। সেটা যদি ৪০ ভাগ হয় সেটাই অনেক বড় পাওয়া।
এবার ফিল্ম স্কুলিং বিষয়ে আসি। বাংলাদেশে এখনও সেভাবে স্কুলিং গড়ে ওঠেনি। তরুণ নির্মাতাদের নিয়ে কিংবা ছবি বানাতে আগ্রহী এই বিষয়েও তারেক মাসুদ বহুবার কথা বলেছেন। এখন আপনি কি নতুন কোনো উদ্যোগ তরুণদের জন্য নেবেন?
একদমই স্কুলিং তৈরি হচ্ছে না এটা বলবো না। হয়েছে। এখন তো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফিল্মের উপর ডিগ্রি দেওয়া শুরু করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ফিল্ম নিয়ে প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে। গত পাঁচ বছরে অনেক কিছু হয়েছে। সামনে এটি এগিয়ে যাবে।
তবে যেটা প্রয়োজন রয়েছে সেটা হলো সবকিছু মিলিয়ে; যেমন: মিডিয়া, টেলিভিশন মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ফিল্ম এই সবকিছু মিলিয়ে একটি পূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু ফিল্ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এখন দরকার। নতুন প্রজন্ম যারা কাজ করতে চায় তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা আমাদের করতেই হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এখন এগিয়ে আসছে। কিন্তু প্রয়োজন বিচ্ছিন্নভাবে না করে একটা ঘরের ভেতর সব নিয়ে আসা। এটা অবশ্য একদিনে হবে না। শুরু হয়েছে, ভবিষ্যতে হয়তো ধীরে ধীরে হবে। চলচ্চিত্র জগতটা যেহেতু অনেক বড় তাই আমাদের চিন্তাটা করতে হবে বড়। আমরা তো অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছি। তবে সরকারিভাবে এগিয়ে না আসলে বেসরকারিভাবে খুব একটা এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
এটা তো গেল শিক্ষার বিষয়ে। কিন্তু একজন তরুণ নির্মাতা চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করবে কিসের উপর ভর করে? যেখানে বাংলাদেশে সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ কি?
এই জায়গায় আমরা অনেক কাজ করেছি। বিশেষ করে তারেক ‘সিনেমা হল বাঁচাও আন্দোলন’ চালিয়েছিল। তার শেষ জীবনের এক বছর এই আন্দোলনটি জোরালোভাবে করে গেছেন। আমাদের রানওয়ে ছবিটি সারাদেশে চলার সময় আমরাও সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি। তখন আমরা সিনেমা হলগুলোতে গিয়ে মূল সমস্যাগুলো বের করার চেষ্টা করেছি। সমস্যা বের করে আমরা একটি প্রস্তাবনাও তৈরি করেছিলাম। তারেক মারা যাওয়ার পরও আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।
এখন যেটা হলো যে, গত এপ্রিল মাসে চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আমাদের মূল দাবি এটিই ছিল। আমার মনে হয় এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আস্তে আস্তে পরিবর্তন আসবে।
শিল্প মাধ্যম হিসেবে এখন সিনেমা হলগুলো কিছু ট্যাক্সের সুবিধা পাবে। নতুন হল তৈরি এবং হলগুলোকে আধুনিকায়ন করার জন্য তারা ব্যাংকের সহযোগিতা পাবে। এমনকি চলচ্চিত্রের প্রডাকশনের ক্ষেত্রেও ব্যাংক লোনের সুবিধা আসবে।
এখন আশা করি চলচ্চিত্র এগিয়ে যাবে। আগে এই বিষয়টি নিয়ে কেউ সচেতন ছিল না। অথচ সার্কভুক্ত দেশগুলো অনেক আগে থেকেই চলচ্চিত্রের জায়গায় এগিয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। মজার বিষয় হলো, টিকিটের উপর যে ট্যাক্স আরোপ করা হতো সেটা ব্রিটিশ আমলের তৈরি করা। স্বদেশি আন্দোলনের সময় বিপ্লবী যে নাটক হতো সেটা দমানোর জন্য ট্যাক্স নিয়মটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ভারত পাকিস্তানের মতো দেশগুলো এই বিষয়টি বুঝে ফেলেছিল স্বাধীনতার পর। তাই ধীরে ধীরে তারা এটি বন্ধ করে দেয়। কারণ, এই ট্যাক্সের কারণে ইন্ডাস্ট্রি ধ্বসে পড়ছে। ট্যাক্স বেশি হলে, টিকিটের দামও বেশি হয় আবার হল মালিকদের সেভিংস কমে যায়। অন্যদিকে টিকিটের দাম বেশি হলে মানুষও কম হয়।
সুতরাং, এই ট্যাক্স নিয়ম বাংলাদেশে শিথিল হচ্ছে। এখন দেখবেন সব সিনেমা হলে টিকিটের দাম কমে যাবে। কিন্তু দুঃখজনক হলো, তারেকের মৃত্যুর কারণেই এই পরিবর্তনগুলো আসছে। যাইহোক, তাও আসছে। আশা করি আস্তে আস্তে সব সমস্যার সমাধান হবে।
আপনি এখন কি নিয়ে কাজ করছেন?
এখন অনেক কাজ করছি। প্রকাশনার কাজ হচ্ছে। প্রডাকশনের কাজও চলছে। এছাড়াও আগের কাজ যেগুলো ডিভিডি বের হয়নি। সেগুলোও আমরা বের করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি।
অনেকেই বলেন, তারেক মাসুদ চলচ্চিত্রে একটি নতুনধারা সৃষ্টি করে গেছেন। সেই নতুন ধারার পথ এখন অনেকটাই ঘোলা হয়ে যাবে। এই বিষয়টিকে আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
না আমি এমনটা মনে করি না। তারেক একটি নতুন ধারা এনেছিল ঠিকই কিন্তু তার অনুপস্থিতি মোটেও পথকে ঘোলা হবে না। বরং ধীরে ধীরে যে নতুন পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে, এখান থেকেই অনেক ভালো কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। তারেক সবসময় বলতো, আমাদের সময় শেষ হয়ে আসছে। এখন নতুন প্রজন্মের সময় চলে এসেছে। তাদের কাজ করার সময় হয়ে গেছে।
আমি গত বিশ বছর ধরে বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছি। আগের থেকে এখন নতুন যারা কাজ করছেন তারা অনেক ভিন্ন ধরনের চিন্তা নিয়ে আসছে। তারা আমাদের চেয়েও ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যাবে বলেই আমি মনে করি। আগে আমরা অল্প কিছু মানুষ কাজ করতাম। তখন তো তেমন সুযোগই ছিল না। কিন্তু এখন মানুষও বেশি। অনেকেই কাজ করছে। সেই সঙ্গে অনেক সুযোগও তৈরি হচ্ছে। তরুণরা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করতে গিয়ে হাত পাকানো হচ্ছে।
আমি আশাবাদি। নতুন প্রজন্মের মধ্যে থেকে অনেক ভালো নির্মাতা উঠে আসবে। আসলে তারেক নেই ঠিক। কিন্তু উদাহরণ হিসেবে তারেক মাসুদ এখনও আছেন। তারেক একটা জায়গা পর্যন্ত নিয়ে গেছে। সেখান থেকে আরেকজন এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটাই জীবনের একটি নিয়ম। কখনও কিছু থমকে থাকবে না। প্রতিটি কাজ তার আপন গতিতে চলবে। একজন পর আরেকজন এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই আমি এখনও স্বপ্ন দেখি।
বাংলানিউজকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

আমি যতটুকু জানি আদম সুরতের সম্পাদনার টেবিল থেকে আপনার কাজের শুরু। ফিল্ম বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া কাজটা কীভাবে করলেন?
কাজ করতে করতে শিখেছি। তারেকও কিন্তু তাই। তারেকেরও ফিল্ম স্কুলিং ছিল না। আমরা সব সময় বলি, কাজ করতে করতেই শেখা যায়। তবে তারেক তো আগে থেকেই চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছিল।
তারেক আদম সুরত নিয়ে কাজ করছিল। বলতে হয় কাজটা শেষ পর্যায়ে। আমি আসলে শেষ পর্যায়ে সেই টিমের সঙ্গে কাজ শুরু করি।
চূড়ান্ত সম্পাদনার কাজের সময় ছিলাম। তার আগে নজরুল ইসলাম নামে একজন সম্পাদনার কাজ করছিলেন। তিনিই আসলে মূল কাজটি করেছিলেন। একদিক থেকে তিনিই (নজরুল ইসলাম) আমার শিক্ষক। তার পেছনে বসে বসে আমি দেখতাম কাজটা কীভাবে করে। এভাবেই সম্পাদনার কাজটা আমি শিখতে শুরু করলাম।
আমরা দুজনই কাজ করতে করতে শিখেছি। তবে আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতাম যে, আমাদের শেখার কোনো শেষ নেই। আজ, এখনও শিখছি। এবং আমার জীবনের শেষ পর্যন্ত আমি শিখে যাবো।
চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহটা কি সেখান থেকেই শুরু?
আসলে কাজ করতে গিয়ে আমি যখন স্টুডিওগুলোতে যেতাম। তখন দেখতাম ফিল্মের স্ট্রিপগুলো হ্যাং করছে। সিলিং থেকে, ওয়াল থেকে ফ্লোরে পড়ে আছে। ওগুলো দেখে আমি রোমাঞ্চবোধ করতাম। আমার ভেতর আগ্রহ তৈরি হতে থাকলো। চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করার আগ্রহটা তখন থেকেই শুরু। আমি দেখতাম সারাক্ষণ একটা হৈচৈ। এই হৈচৈ মধ্যে দিয়েও সৃজনশীল কাজ বের হয়ে আসতে পারে। সেটা ভেবেই আগ্রহ পেতাম।
এক সাক্ষাৎকারে তারেক মাসুদ বলেছিলেন, ‘সুলতানকে নিয়ে মুভি করতে এসে আমি তখনো ভাবিনি, আমার পেশা হবে চলচ্চিত্র নির্মাণ।’ আপনারও সেরকমই কিছু হয়েছিল? আপনি কি ভেবেছিলেন একদিন চলচ্চিত্র নির্মাতা হবেন?
আসলে কি, প্রতিটা কাজের পরই আগ্রহ জন্মে। একটি কাজ যখন শেষ হয় তখন মনের ভেতর একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। মনে হয় যে, আমি সামনে এই বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবো।
কাজ করতে করতে আমরা দুজনই চিন্তা করলাম যে, এই বিষয়টি নিয়ে কিভাবে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়া যায়। তারপরও আমি জানি না যে এখনও আমি কিছু করতে পেরেছি। আমি মনে করি এখনও অনেক কিছু শেখার আছে। অনেক কিছু করার আছে। আসলে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আমরা কাজ করে যেতে চেয়েছি। আমিও শেষ জীবন পর্যন্ত কাজ করে যেতে চাই।
সত্যি কথা হলো, শেষ জীবন পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। আমরা শুধুমাত্র কিছু করার চেষ্টা করি। এর বেশি কিছু নয়। কোনো কাজই আসলে পুরোপুরি শেষ হয় না। একটি কাজ শেষ করার পরই মনে হতে থাকে, না আরও কিছু করতে পারতাম। আরও কিছু করার আছে। সেজন্যই বললাম, সব কাজ অসমাপ্ত থাকে। তারেকের ক্ষেত্রেও তাই। তারও অনেক কিছু করার ছিল। অনেক স্বপ্ন ছিল। তাই এখন আমরা তার স্বপ্ন বা তার অসমাপ্ত কাজগুলো যতটুকু পারি শেষ করার চেষ্টাই আমরা করবো। তবে আপনার উত্তরটা ঠিক মতো দিতে পেরেছি কিনা জানি না। এক কথায় বলতে হয়, আমরা ভাবিনি যে চলচ্চিত্র নির্মাণটাই পেশা হবে। তবে আমরা এক একটি কাজ শেষ করে এগিয়ে যাবো এটা জানতাম।
এবার ‘মুক্তির গানে’র প্রসঙ্গে আসতে চাই। মুক্তিযুদ্ধের ফুটেজগুলো লিয়ার লেভিনের কাছ থেকে নেওয়া। যুক্তরাষ্ট্রে লিয়ার লেভিনের সঙ্গে পরিচয়ের গল্পটি একটু বলবেন?
শুরুটা হয়েছিল আমার ভাইয়ের মাধ্যমে। আমার ভাই প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করতেন। একদিন তিনি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস দিয়ে যাচ্ছেন; তখন একজন সাউথ এশিয়ান মেয়ে তাকে প্রশ্ন করলো, ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টটা কোন দিকে।
আমার ভাই ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টেরই শিক্ষক ছিলেন। সেই সূত্রেই সেই মেয়েটির সঙ্গে তার আলাপ হয়। আমার ভাই খুব কৌতুহল নিয়ে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনার দেশ কোথায়?’ সে তখন বলল, ‘বাংলাদেশ’। আমার ভাই তখন এক্সাইটেড হয়ে বলল, ‘ও! তাই? আমার বোনের বিয়ে হয়েছে বাংলাদেশে।’ এভাবেই ওই মেয়েটার সঙ্গে পরিচয় হলো।
কথা বলতে বলতে দেখা গেল যে, সে তো তারেকের খুবই ঘনিষ্ঠ। তিনি হচ্ছেন মিলিয়া আলী। তারেক আলীর স্ত্রী। তারেক আলী হচ্ছেন মুক্তির গানে মোটা চশমা পরা যেই মানুষটি ছিলেন তিনি।
তখন আমি এবং তারেক নিউইয়র্কে থাকতাম। পরের সপ্তাহে আমরা প্রিন্সটনে আসলাম। সেখানে একটা অনুষ্ঠানে গেলাম। আমরা জানতামও না যে সেখানে তারেক আলী এবং মিলিয়া আলী আছেন। সেই অনুষ্ঠানে আড্ডা দিতে দিতে তারেক আলী আমাদের জানালেন, লিয়ার লেভিন নামে একজন আছেন। যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের কিছু দৃশ্য ধারণ করেছিলেন। শুটিং করেছিলেন। এখনও তিনি নিউইয়র্কে আছেন কিনা সেটা অবশ্য তিনি জানেন না।
যদিও তিনি জানতেন না আসলে কি ধরনের কাজ লিয়ার লেভিন করেছিলেন। কারণ অল্প কিছু সময় তিনি এই দলটির সঙ্গে ছিলেন। তারপরও তারেক আলী বললেন, হয়ত তার কাছে ফুটেজ পাওয়া যেতে পারে।
একইসঙ্গে বললেন, তোমরা তাকে খুঁজে দেখতে পারো। তিনি জীবিত আছেন কিনা তাও জানি না।
আমাদের তখন আগ্রহ তৈরি হলো। যদিও লিয়ার লেভিন সম্পর্কে তারেক কিছু কিছু জানতেন। তার কথা তারেক শুনেছে বেণু ভাইয়ের কাছ থেকে। মাহমুদুর রহমান বেণু। তিনি তারেকের চাচাতো ভাই। কিন্তু যখন শুনেছে তখন তারেক অনেক ছোট ছিল। তাই লিয়ারের কথা সে ভুলেই গিয়েছিল।
তো, তারপর আমরা লিয়ার লেভিনকে খুঁজে বের করলাম। তখন তো ইন্টারনেট ছিল না। টেলিফোনের বই থেকে তার ফোন নম্বর সংগ্রহ করলাম। আমরা ফোন করলাম। তারেক কথা বলল। বেণু ভাইয়ের ছোট ভাই হিসেবে নিজের পরিচয় দিলো।
তারেক বলল, ‘আমার ভাইয়ের নাম মাহমুদুর রহমান বেণু। আমি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করি। আপাতত আমি নিউইয়র্কে আছি। আমরা শুনেছি আপনার কাছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কিছু ফুটেজ আছে। এই বিষয়টি নিয়ে আমি আগ্রহী।’
লিয়ার লেভিন অত্যন্ত খুশী হলেন এবং বললেন, গত বিশ বছর ধরে আমি এই ফোন কলটির জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
এরপর পরিচয় হলো। আমরা ওনার ফুটেজগুলো দেখলাম। ফুটেজগুলো দেখার সময় আমরা অবাক হচ্ছিলাম। এতো অসাধারণ সব ফুটেজ। এরপর তো কাজ শুরু করলাম। নিউইয়র্ক বসেই মুক্তির গানের কাজ শুরু করলাম।
সম্পাদনার টেবিলে সবসময় পরিচালক-সম্পাদকের মধ্যে ফুটেজ সিলেকশনে মতবিরোধ হয়। মুক্তির গানের ফুটেজ সিলেকশনের সময় আপনাদের কি এমনটি হয়েছে কখনও?
তখন তো সম্পাদক-পরিচালক সম্পর্কটা গড়ে ওঠেনি। আমরা দুজনই একসঙ্গে মুক্তির গানের কাজ করেছি। তবে হ্যাঁ, কাজটি করতে গিয়ে দ্বিমত হয়েছে। আসলে এটি সৃজনশীল কাজের একটি অংশ। দ্বন্দ্ব থাকবে, দ্বিমত তৈরি হবে। কিন্তু এগুলো আমরা আলোচনা করে ঠিক করে নিতাম। বিভাজন তৈরি হবেই। সেটা আবার আলোচনা করে পথটা আমরাই বের করে নিতাম। এই ছবিটি করতে চার বছর সময় লেগেছে। সুতরাং অনেক ইতিহাস আছে এর পেছনে। খুব সহজেই হয়নি।
মুক্তির গানের পরবর্তী যে প্রডাকশনগুলো হয়েছে; সে সম্পর্কে তারেক মাসুদ সবসময় নিজের টিম সম্পর্কে বলতেন, তাদের কাছে তিনি খুবই ডিমান্ডিং।
এটা আসলে প্রফেশনালিজম। আমরা দুজনই এমন। হয়ত এটা প্রকাশ পেত ভিন্নভাবে। তারেক সবসময় সামনের সারিতে থাকতো। আমি পেছনের জায়গাগুলোতে কাজ করতাম। কিন্তু এ বিষয়ে কী বলবো আমি জানি না। এতটুকু বলতে পারি যে, তারেক মাসুদ একটি সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ে নজর রাখতো। সিনেমা কিন্তু পুরো একটি টিমের কাজ। একজন প্রডাকশন বয় থেকে শুরু করে ড্রাইভার পর্যন্ত প্রত্যেকের গুরুত্ব আছে। প্রত্যেকের ভূমিকা আছে। সেখানে প্রতিটা বিষয়ই দেখতে হয়। কোনো কিছুই বাদ পড়ে না। তাই সবার কাজের দিকে আমাদের নজর রাখতে হয়। সেখানে ডিমান্ডিং না হয়ে উপায় নেই। প্রতিটি কাজের সেরাটা আদায় করতেই হবে। তাও কিন্তু আমরা বলতাম, যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করতাম। সেটা যদি ৪০ ভাগ হয় সেটাই অনেক বড় পাওয়া।
এবার ফিল্ম স্কুলিং বিষয়ে আসি। বাংলাদেশে এখনও সেভাবে স্কুলিং গড়ে ওঠেনি। তরুণ নির্মাতাদের নিয়ে কিংবা ছবি বানাতে আগ্রহী এই বিষয়েও তারেক মাসুদ বহুবার কথা বলেছেন। এখন আপনি কি নতুন কোনো উদ্যোগ তরুণদের জন্য নেবেন?
একদমই স্কুলিং তৈরি হচ্ছে না এটা বলবো না। হয়েছে। এখন তো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফিল্মের উপর ডিগ্রি দেওয়া শুরু করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ফিল্ম নিয়ে প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে। গত পাঁচ বছরে অনেক কিছু হয়েছে। সামনে এটি এগিয়ে যাবে।
তবে যেটা প্রয়োজন রয়েছে সেটা হলো সবকিছু মিলিয়ে; যেমন: মিডিয়া, টেলিভিশন মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ফিল্ম এই সবকিছু মিলিয়ে একটি পূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু ফিল্ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এখন দরকার। নতুন প্রজন্ম যারা কাজ করতে চায় তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা আমাদের করতেই হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এখন এগিয়ে আসছে। কিন্তু প্রয়োজন বিচ্ছিন্নভাবে না করে একটা ঘরের ভেতর সব নিয়ে আসা। এটা অবশ্য একদিনে হবে না। শুরু হয়েছে, ভবিষ্যতে হয়তো ধীরে ধীরে হবে। চলচ্চিত্র জগতটা যেহেতু অনেক বড় তাই আমাদের চিন্তাটা করতে হবে বড়। আমরা তো অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছি। তবে সরকারিভাবে এগিয়ে না আসলে বেসরকারিভাবে খুব একটা এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
এটা তো গেল শিক্ষার বিষয়ে। কিন্তু একজন তরুণ নির্মাতা চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করবে কিসের উপর ভর করে? যেখানে বাংলাদেশে সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ কি?
এই জায়গায় আমরা অনেক কাজ করেছি। বিশেষ করে তারেক ‘সিনেমা হল বাঁচাও আন্দোলন’ চালিয়েছিল। তার শেষ জীবনের এক বছর এই আন্দোলনটি জোরালোভাবে করে গেছেন। আমাদের রানওয়ে ছবিটি সারাদেশে চলার সময় আমরাও সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি। তখন আমরা সিনেমা হলগুলোতে গিয়ে মূল সমস্যাগুলো বের করার চেষ্টা করেছি। সমস্যা বের করে আমরা একটি প্রস্তাবনাও তৈরি করেছিলাম। তারেক মারা যাওয়ার পরও আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।
এখন যেটা হলো যে, গত এপ্রিল মাসে চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আমাদের মূল দাবি এটিই ছিল। আমার মনে হয় এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আস্তে আস্তে পরিবর্তন আসবে।
শিল্প মাধ্যম হিসেবে এখন সিনেমা হলগুলো কিছু ট্যাক্সের সুবিধা পাবে। নতুন হল তৈরি এবং হলগুলোকে আধুনিকায়ন করার জন্য তারা ব্যাংকের সহযোগিতা পাবে। এমনকি চলচ্চিত্রের প্রডাকশনের ক্ষেত্রেও ব্যাংক লোনের সুবিধা আসবে।
এখন আশা করি চলচ্চিত্র এগিয়ে যাবে। আগে এই বিষয়টি নিয়ে কেউ সচেতন ছিল না। অথচ সার্কভুক্ত দেশগুলো অনেক আগে থেকেই চলচ্চিত্রের জায়গায় এগিয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। মজার বিষয় হলো, টিকিটের উপর যে ট্যাক্স আরোপ করা হতো সেটা ব্রিটিশ আমলের তৈরি করা। স্বদেশি আন্দোলনের সময় বিপ্লবী যে নাটক হতো সেটা দমানোর জন্য ট্যাক্স নিয়মটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ভারত পাকিস্তানের মতো দেশগুলো এই বিষয়টি বুঝে ফেলেছিল স্বাধীনতার পর। তাই ধীরে ধীরে তারা এটি বন্ধ করে দেয়। কারণ, এই ট্যাক্সের কারণে ইন্ডাস্ট্রি ধ্বসে পড়ছে। ট্যাক্স বেশি হলে, টিকিটের দামও বেশি হয় আবার হল মালিকদের সেভিংস কমে যায়। অন্যদিকে টিকিটের দাম বেশি হলে মানুষও কম হয়।
সুতরাং, এই ট্যাক্স নিয়ম বাংলাদেশে শিথিল হচ্ছে। এখন দেখবেন সব সিনেমা হলে টিকিটের দাম কমে যাবে। কিন্তু দুঃখজনক হলো, তারেকের মৃত্যুর কারণেই এই পরিবর্তনগুলো আসছে। যাইহোক, তাও আসছে। আশা করি আস্তে আস্তে সব সমস্যার সমাধান হবে।
আপনি এখন কি নিয়ে কাজ করছেন?
এখন অনেক কাজ করছি। প্রকাশনার কাজ হচ্ছে। প্রডাকশনের কাজও চলছে। এছাড়াও আগের কাজ যেগুলো ডিভিডি বের হয়নি। সেগুলোও আমরা বের করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি।
অনেকেই বলেন, তারেক মাসুদ চলচ্চিত্রে একটি নতুনধারা সৃষ্টি করে গেছেন। সেই নতুন ধারার পথ এখন অনেকটাই ঘোলা হয়ে যাবে। এই বিষয়টিকে আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
না আমি এমনটা মনে করি না। তারেক একটি নতুন ধারা এনেছিল ঠিকই কিন্তু তার অনুপস্থিতি মোটেও পথকে ঘোলা হবে না। বরং ধীরে ধীরে যে নতুন পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে, এখান থেকেই অনেক ভালো কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। তারেক সবসময় বলতো, আমাদের সময় শেষ হয়ে আসছে। এখন নতুন প্রজন্মের সময় চলে এসেছে। তাদের কাজ করার সময় হয়ে গেছে।
আমি গত বিশ বছর ধরে বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছি। আগের থেকে এখন নতুন যারা কাজ করছেন তারা অনেক ভিন্ন ধরনের চিন্তা নিয়ে আসছে। তারা আমাদের চেয়েও ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যাবে বলেই আমি মনে করি। আগে আমরা অল্প কিছু মানুষ কাজ করতাম। তখন তো তেমন সুযোগই ছিল না। কিন্তু এখন মানুষও বেশি। অনেকেই কাজ করছে। সেই সঙ্গে অনেক সুযোগও তৈরি হচ্ছে। তরুণরা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করতে গিয়ে হাত পাকানো হচ্ছে।
আমি আশাবাদি। নতুন প্রজন্মের মধ্যে থেকে অনেক ভালো নির্মাতা উঠে আসবে। আসলে তারেক নেই ঠিক। কিন্তু উদাহরণ হিসেবে তারেক মাসুদ এখনও আছেন। তারেক একটা জায়গা পর্যন্ত নিয়ে গেছে। সেখান থেকে আরেকজন এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটাই জীবনের একটি নিয়ম। কখনও কিছু থমকে থাকবে না। প্রতিটি কাজ তার আপন গতিতে চলবে। একজন পর আরেকজন এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই আমি এখনও স্বপ্ন দেখি।
বাংলানিউজকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ▼ 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment