Wednesday, November 7, 2012
নূরুল এবং তার নোট বই by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
নূরুল এবং তার নোট বই by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ঢাকায় এসে আমি একেবারে বেকুব হয়ে গেলাম। কোথাও মিলিটারির কোনো চিহ্ন নেই, দোকানপাট খোলা, গাড়ি চলছে। বাস চলছে, রাস্তাঘাটে মানুষজনের ভিড়। ছোট বাচ্চারা গল্প করতে করতে স্কুলে যাচ্ছে।
দেখে কে বলবে দেশে একটা যুদ্ধ চলছে। অথচ ঢাকার বাইরে কী অবস্থা! ট্রেনে এসেছি আজ, ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা আসতে লেগেছে ১১ ঘণ্টা, গৌরীপুরে চার ঘণ্টা ট্রেন দাঁড় করিয়ে রাখল। শুধু কি তাই? মাঝখানে হঠাৎ এক জায়গায় থামিয়ে দুজন মিলিটারি চারজন মানুষকে টেনে বাঁশঝাড়ের পেছনে নিয়ে গেল। গুলির শব্দ হলো কয়েকটা। তারপর মিলিটারিগুলো সিগারেট টানতে টানতে ফিরে এলো। সত্যি কথা বলতে কী, সবার সামনে গুলি করে বসেনি বলে আমার মিলিটারিগুলোর প্রতি এক ধরনের কৃতজ্ঞতাবোধের জন্ম হয়ে গেল। ভয় যে হচ্ছিল না, তা নয়। বেশি ভয় পেলে আমার আবার বাথরুম চেপে যায়, ট্রেনের বাথরুমের যা অবস্থা_যাওয়ার উপায় নেই, চেপে বসে রইলাম। মনে হতে লাগল, কেন খামাখা বের হতে গেলাম, বাড়িতে থাকাই তো ভালো ছিল।
কিন্তু বাড়িতে থাকি কেমন করে? প্রথম প্রথম এক-দুই দিন একটু পিকনিক পিকনিক মনে হয়। তারপর মহা যন্ত্রণা। ভালো সিগারেট নেই। চা পাওয়া যায় না, যদি বা চা জোগাড় করা যায়, খেতে হয় গুড় দিয়ে। টানা পায়খানায় পুকুর থেকে পিতলের বদনা ভরে নিয়ে যাওয়া মহা যন্ত্রণার ব্যাপার। আশপাশে যত মানুষ আছে সবাই দেখে অমুক পায়খানা করতে যাচ্ছে। গোদের ওপর আবার বিষফোঁড়া, গ্রামের পাশে একদিন মিলিটারি ক্যাম্প করে ফেলল। তারপর যা একটা অবস্থা হলো সেটা আর বলার মতো না। দাড়ি শেভ না করে একটু চাপদাড়ির মতো করে ফেললাম। হাজি সাহেবের সঙ্গে বাবার খাতির আছে বলে রক্ষা, না হলে তো আমার অবস্থা গোপালের মতো হতো, মাথার পেছনে ফুটো নিয়ে নীল গাঙে ভেসে বেড়াতাম, শোল মাছ খাবলে শরীরের গোশত খেয়ে পরিষ্কার করে ফেলত। হাজি সাহেবই বাবাকে বললেন আমাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিতে, ইউনিভার্সিটি খুলে গেছে, এখন গ্রামে পড়ে থাকা ঠিক না। হাজি সাহেব শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, তার কথা ফেলা যায় না। যন্ত্রণার ওপর যন্ত্রণা, মুক্তিবাহিনীর একটা দল ক্যাম্পে এসে হামলা করে বসল। তারপর তো আমার আর গ্রামে থাকার কোনো উপায় নেই। মিলিটারি বাড়িঘর জ্বালিয়ে মানুষ মেরে একটা বিশ্রী অবস্থা করে ফেলল। অবস্থা দেখে মনে হলো, যখন সুযোগ ছিল তখন সাহস করে মুক্তিবাহিনীতে চলে গেলেই হতো। কোথায় থাকব, কী খাব, কী করব_এই সব ভেবে তখন গেলাম না। আবার ভয়ও লাগে, যুদ্ধটুদ্ধ করে যদি মরেই গেলাম তাহলে দেশ স্বাধীন হলেই কী আর না হলেই কী?
বাবা তখন ঢাকা যাওয়ার একটা ব্যবস্থা করে দিলেন। পাশের গ্রামের ক্বারী সাহেব ঢাকা যাচ্ছেন, তার সঙ্গে চলে যাব। ক্বারী সাহেব '৪৭ সালে এ দেশে এসেছেন। আগে বিহারি ছিলেন, এখন দুই-দুইটা বাঙালি বিয়ে করে পুরোপুরি বাঙালি হয়ে গেছেন। তবে উর্দুটা মনে আছে। এখন হঠাৎ করে সেটা খুব কাজে আসছে। বাবাকে বললেন, কোই ডর নেহি, হাম লে জায়গা। আগে হলে বাংলায় বলতেন, আজকাল কথায় কথায় তার উর্দু বের হয়ে আসে।
ঢাকা আসতে অনেক যন্ত্রণা হলো, রাস্তাঘাট বন্ধ, অনেক পথ হেঁটে এসে ট্রেনে উঠতে হলো। গ্রামের পর গ্রাম পুড়ে ছাই। মানুষ মরছে। যখন-তখন ট্রেন থামিয়ে রেখে দেয়। সবাইকে দিয়ে গুলির বাঙ্ টেনে নামাল একবার। মনে হচ্ছিল, আর বুঝি ঢাকা পেঁৗছাব না_কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেঁৗছলাম।
পেঁৗছে অবশ্য মনে হলো, ব্যাপারটা খারাপ হলো না। আরামে থাকার জন্য সারা দেশে এর থেকে ভালো আর কোনো জায়গা নেই। ইদরিস সাহেব আরো কয়েক দিন থাকতে বলেছিলেন; কিন্তু আমি থাকলাম না। আমাকে দেখে এমনই ভাবভঙ্গি করতে লাগলেন যে, আমার মেজাজটা খুব গরমই হয়ে গেল। তার কথাবার্তা শুনে মনে হতে লাগল, আমার বয়সী একজন মানুষ মুক্তিবাহিনীতে যোগ না দিয়ে যেন মহা অন্যায় করে ফেলেছি। সবাই যদি মুক্তিবাহিনীতে যায়, তাহলে দেশটা স্বাধীন করবে কাদের জন্য?
প্রথম দিন ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে দেখা হলো। রাশেদ, আতাউর, জালাল, টিপু, এমন কি দেখি কয়েকজন মেয়েও এসে হাজির। স্যাররাও আছেন, ক্লাস নেবেন নেবেন করছেন। এখনো শুরু করেননি। আমরা ক্যান্টিনে চা খেয়ে আড্ডা মারলাম, কথা বলার সময় অবশ্য খুব সাবধান। এদিক-সেদিক দেখে কথা বলি। কখন কার সামনে কী বলব, তারপর মহা ঝামেলায় ফেঁসে যাব।
নূরুলও হাজির হল একদিন। আমাদের মাঝে নূরুল হচ্ছে সোজা ধরনের। ঢাকাতেই থাকে; কিন্তু কথাবার্তা চালচলন মফস্বলের ছেলেদের মতো। জিজ্ঞেস করলাম, কী রে, মুক্তিবাহিনীতে গেলি না?
খুব সহজেই সে বলতে পারত, তুই গেলি না? কিন্তু তা না বলে এদিকে সেদিকে তাকিয়ে বলল, যেতে তো চাই; কিন্তু কেমন করে যাই, বল দেখি? দেশের এই অবস্থায় আমরা যদি না যাই_
তাহলে বসে আছিস কেন?
কেমন করে যাব?
বর্ডার পার হয়ে চলে যাবি।
কেমন করে পার হব? কোন দিক দিয়ে?
আমি ঠিক উত্তর দিতে পারি না। তাই দাঁত বের করে হেসে বললাম, যা, পর্যটন অফিসে গিয়ে খোঁজ নে!
সারা দিন ইউনিভার্সিটিতে বসে থাকি, চা-সিগারেট খাই। সন্ধেবেলা হলে ফিরে গিয়ে আবার আড্ডা মারি। বড় বড় জিনিস নিয়ে কথা বলি। পড়াশোনা নেই, অফুরন্ত অবসর। বই পড়ার অভ্যাস নেই, ফুটপাত থেকে হালকা ম্যাগাজিন নিয়ে এসে বসে বসে পড়ি। যখন অল্প কয়েকজন থাকি তখন বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলে বলি, আর তো থাকা যায় না, মুক্তিবাহিনীতে যেতেই হয়। সবাই ঘন ঘন মাথা নাড়ি, কিন্তু কেউ আসলে যাই না। একটু ভয় ভয় করে, কোথায় যাব, কী খাব, কোথায় থাকব!
এর মধ্যে নূরুল একদিন একটা ছোট নোট বই নিয়ে এলো। আমাকে বলল, দ্যাখ।
কী?
মিলিটারি নিয়ে জোক।
মিলিটারি নিয়ে?
হ্যাঁ। ঠিক করেছি, মিলিটারি নিয়ে যত জোক বের হয়েছে সেগুলোর একটা কালেকশন বের করব। নাম দেব মিলিটারি কৌতুক। পাকিস্তানি কৌতুক। কী বলিস?
আমি মাথা নাড়ালাম।
ভালো না আইডিয়াটা?
ভালো। কয়টা হয়েছে এই পর্যন্ত?
সাঁইত্রিশটা, এই দেখ।
আমি দেখলাম, গোটা গোটা হাতের লেখায় সাঁইত্রিশটা জোক। প্রতিটির ওপরে হেডিং। প্রথমটার নাম 'মিলিটারি ও দর্জি'। পড়তে গিয়ে আমি হোঁচট খেলাম, কারণ সাধু ভাষায় লেখা। আমি জানতাম সাধু ভাষায় লেখালেখি উঠে গেছে, কিন্তু নূরুলের লেখা পড়ে মনে হলো না। সে লিখেছে :
'একদিন জনৈক দর্জি কাপড় কাটিতেছিল। একজন পাঞ্জাবি মিলিটারি তাহাকে জিজ্ঞাসা করিল, দর্জি, তুমি কী করিতেছ? দর্জি বলিল, আমি পাঞ্জাবি কাটতেছি। পাঞ্জাবি মিলিটারি তখন তাহাকে বেদম উত্তম-মধ্যম প্রদান করিল। কারণ নির্বোধ পাঞ্জাবি।
মিলিটারি বুঝিতে পারে নাই যে, পাঞ্জাবি বলিতে দর্জি পরিধান করিবার পাঞ্জাবি বা কুর্তা বুঝাইয়াছিল।'
বেশির ভাগ জোকেরই এই অবস্থা। শুধু যে সাধু ভাষায় লেখা তা-ই নয়, জোকটা বোঝানোর জন্য বাড়তি অনেক ধরনের ব্যাখ্যা। কৌতুক আর কৌতুক নেই, বিশাল গদ্যে পরিণত হয়েছে। গোপাল ভাঁড়, বীরবল, নাসিরুদ্দিন হোজ্জা এবং শিখদের বোকামি নিয়ে যত গল্প আছে সবগুলোকে পাকিস্তানি মিলিটারি চরিত্রে রূপ দিয়ে সে কৌতুকগুলো লিখে রেখেছে। আমি যতক্ষণ নোট বইটা পড়ছিলাম, নূরুল খুব আগ্রহ নিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। পড়া শেষ হওয়ার পর বলল, কেমন হয়েছে?
ভালো।
তাহলে হাসলি না যে?
জানা জোক, তাই।
ও। নূরুল সাবধানে নোট বইটা শার্টের নিচে প্যান্টের মাঝে গুঁজে রেখে বলল, কী মনে হয় তোর? দেশ যখন স্বাধীন হবে তখন এ রকম একটা বই দারুণ হিট হবে না?
তা হবে।
তুই যদি আর কোনো জোক শুনিস বলিস আমাকে।
বলব।
কিছুদিনের মধ্যেই সবাই জেনে গেল নূরুল পাকিস্তানি মিলিটারি নিয়ে জোক সংগ্রহ করছে। আমাদের কারো কোনো কাজ নেই, কাজেই সবাই এই কাজে বেশ মন দিলাম। বেশ আগ্রহ নিয়েই নূরুলের জন্য কৌতুক খুঁজতে থাকি। এর মধ্যে টিপু একটা ভালো জোক নিয়ে এলো। জোকটা এ রকম :
একজন মিলিটারি গিয়েছে মুরগি হাটে। মুরগিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, মুরগিকে তুমি কী খাওয়াও?
মুরগিওয়ালা বলল, চাউল খাওয়াই।
শুনে মিলিটারির কী রাগ! রাইফেলের বাঁট দিয়ে দুই ঘা দিয়ে বলল, শালা গাদ্দার, হামকো ইস্ট পাকিস্তানি ভাইয়েরা চাউল খায়_তার খাবার তুম মুরগিকে দাও?
কয়েক দিন পর আরেক দল মিলিটারি এসে মুরগিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কী খাওয়াও মুরগিকে?
মুরগিওয়ালা এবার চাউলের কথা মুখে আনল না। বলল, গম খাওয়াই।
শুনে মিলিটারির আবার কী রাগ! রাইফেলের বাঁট দিয়ে কয়েক ঘা মেরে বলল, শালা বেহেনচোত, হামলোগ কা খাবার তুমি মুরগি কো দেতা হায়_আমার খাবার তুমি মুরগিকে খাওয়াও। তোমার এত বড় সাহস?
তার কয়েক দিন পর আবার কিছু মিলিটারি এলো মুরগির হাটে। মুরগিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, মুরগিকে কী খাওয়াও তুমি?
মুরগিওয়ালা এবার সাবধান, বলল, আমি তো জানি না স্যার? সকালবেলা সবার হাতে একটা করে সিকি ধরিয়ে দিই। তারা বাজারে গিয়ে যার যেটা ইচ্ছা কিনে খায়।
শুনে পাকিস্তানি মিলিটারি মুরগিওয়ালার পিঠে থাবা দিয়ে বলল, বহুত আচ্ছা! বহুত আচ্ছা! তোম সাচ্চা পাকিস্তানি!
টিপু বলল খুব সুন্দর করে, শুনে আমরা সবাই হেসে গড়াগড়ি খেলাম, নূরুল ছাড়া সে গম্ভীর হয়ে জোকটা তার নোট বইয়ে টুকে রাখতে শুরু করল। সাধু ভাষায় টানা হাতে দুই পৃষ্ঠা, ব্যাপারটা বোঝানোর জন্য নানা রকম ব্যাখ্যা, নানা রকম পাদটীকা, কার সাধ্যি আছে এটা পড়ে। নূরুলের হাতে পড়ে এই সুন্দর জোকটার এই অবস্থা হবে কে জানত!
কৌতুকের যে অবস্থাই হোক, নূরুলের খাতা কিন্তু ভর্তি হতে শুরু করল। অক্টোবর মাসে তার খাতায় এক শ এগারোটা জোক লেখা হয়েছে জানতে পারলাম। একদিন আমার সঙ্গে দেখা হতে জ্বলজ্বলে চোখে বলল, পুরনো ঢাকায় নাকি দারুণ কিছু জোক বের হয়েছে।
কী জোক?
আমি তা জানি না। বিশ্বাসী লোক না হলে বলে না।
তাই নাকি?
হ্যাঁ।
ঢাকাইয়ারা খুব রসিক হয়, জানিস তো?
জানি।
তোর পরিচিত আছে কেউ ঢাকাইয়া?
আমি মাথা নাড়লাম, নেই। আর থাকলেই এখন আমার কাজ নেই তোকে নিয়ে পুরনো ঢাকায় রওনা দেব? দেশে একটা যুদ্ধ চলছে জানিস?
তা তো বটেই। নূরুল মাথা নাড়ে।
গত রাত ১১টার সময় কী একটা এঙ্প্লোশান হলো! তারপর কারেন্ট চলে গিয়ে চারদিকে অন্ধকার। গেরিলা অপারেশান শুরু হয়ে গেছে।
তা ঠিক।
তোর বয়সী মানুষেরা এখন হাতে স্টেনগান গ্রেনেড নিয়ে যুদ্ধ করছে আর তুই নোট বইয়ে জোক লিখে বেড়াচ্ছিস, লজ্জা করে না?
ধমক খেয়ে নূরুল মনমরা হয়ে গেল। ব্যাটার মাথায় ঘিলু বলে কোনো পদার্থ নেই। মুক্তিযুদ্ধে যায় নাই বলে তাকে আর যেই গালিগালাজ করুক, আমার করার কথা নয়। কিন্তু সেটাও সে ধরতে পারে না।
খুব আস্তে আস্তে ঢাকা শহর পাল্টাতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাটে মিলিটারি অনেক বেশি। হঠাৎ হঠাৎ ভয়ংকর দর্শন ট্রাক বড় রাস্তা দিয়ে যেতে থাকে, পেছনে পাথরের মতো মুখ করে মিলিটারিরা বসে আছে, হাতে চকচকে রাইফেল। কোন দূর দেশে নিজের ছেলেমেয়ে ফেলে রেখে এসে এখানে কী অবলীলায় অন্যের ছেলেমেয়েকে মেরে ফেলছে। ইউনিভার্সিটি এলাকাতেও আর বেশি যাই না। ইসলামী ছাত্রসংঘের ছেলেরা নাকি বদর বাহিনী না কী একটা তৈরি করেছে। যখন খুশি তখন যাকে খুশি তুলে নিয়ে যাচ্ছে। গুজব শোনা যাচ্ছে, নাৎসিরা পোল্যান্ডে যেভাবে শিক্ষিত মানুষকে মেরে ফেলছিল, এরাও নাকি সেভাবে সব প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তারকে মেরে ফেলবে। কত রকম গুজব যে বের হচ্ছে, সবগুলোতে কান দিলে তো আর বেঁচে থাকা যাবে না। আমি অবশ্য আজকাল আর বেশি বের হই না, দরকার কী খামাখা ঝামেলার মাঝে গিয়ে?
এর মাঝে আবার একদিন নূরুলের সঙ্গে দেখা হলো। আমাকে দেখে একগাল হেসে বলল, একটা আইডিয়া হয়েছে।
কী আইডিয়া?
একটা বই পেয়েছি_ফুটপাতে বিক্রি হচ্ছিল। ওয়ান থাউজেন্ড ডার্টি জোকস!
ডার্টি জোক?
জোক হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছি! শুনবি?
অশ্লীল কৌতুকে আমার উৎসাহের কোনো অভাব নেই। বললাম, শোনা দেখি।
নূরুল উৎসাহ নিয়ে তার নোট বই খুলে পড়তে শুরু করে। 'জনৈক পাকিস্তানি মিলিটারি ব্যারাক হইতে ফিরিয়া খবর পাইল তাহার অনুপস্থিতির সুযোগে তাহার স্ত্রী অর্থের বিনিময়ে তাহার এক বন্ধুকে দেহদান করিয়াছে। শুনিয়া সে অট্টহাস্য করিয়া বলিল, আমার বন্ধু বাস্তবিকই স্বল্পবুদ্ধিসম্পন্ন! ওই কাজের জন্য আমি তো কখনোই আমার স্ত্রীকে অর্থ প্রদান করি না।'
নূরুলের সাধু ভাষার অত্যাচারের পরও জোকটা শুনে আমি হাসি থামাতে পারি না, তাই দেখে নূরুলের উৎসাহ আরো বেড়ে যায়। বলে, এটা শোন তাহলে, এটা শোন।
অশ্লীল কৌতুক শুনতে আমার বেশ লাগে। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে বসে সব জোক শুনলাম। পড়া শেষ করে বেশ বিজয়ীর মতো ভঙ্গি করে বলল, কেমন হয়েছে?
ভালো।
বইটা যখন বের হবে; একটা হিট হবে, না?
যদি বের হয়।
নূরুল যত্ন করে তার নোট বইটা শার্ট তুলে পেটের কাছাকাছি প্যান্টের মাঝে গুঁজে রাখল। এটা নিয়ে সব সময়েই তার অতিরিক্ত সাবধানতা। আমি বললাম, আজকাল আর এই নোট বই নিয়ে বের হোস না।
না, বের হব না।
যদি মিলিটারি জানে নোট বইয়ে কী লিখেছিস, তাহলে আর বেঁচে থাকতে হবে না।
তা ঠিক।
মরতেই যদি চাস ভালো একটা কিছু করে মর। মিলিটারির ওপর জোক লিখে শহীদ হয়ে গেলে ব্যাপারটা হাসির একটা ব্যাপার হয়ে যাবে।
তা ঠিক। নূরুল জোরে জোরে মাথা নাড়ে।
নূরুল বের হচ্ছিল, আমি বললাম, কোনদিকে যাবি?
টিঅ্যান্ডটি থেকে একটা ফোন করব বাসায়।
দাঁড়া, আমিও যাব।
রিকশা করে টিঅ্যান্ডটিতে এসে ভেতরে ঢোকার সময় হঠাৎ আবিষ্কার করলাম, গেটে কালো কাপড় পরা দুজন মিলিশিয়া দাঁড়িয়ে আছে। দেখে আমাদের জান শুকিয়ে গেল_আগে জানলে কি আর এখানে পা দিই? ইচ্ছে হলো ফিরে যাই, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। হঠাৎ করে এখন ঘুরে গেলে আরো বেশি সন্দেহ করবে।
গলা নামিয়ে বললাম, অবস্থা কেরোসিন।
নূরুল শুকনো গলায় বলল, কী করি এখন?
কী আবার করবি, ভেতরে ঢোক।
নূরুল কী একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু ততক্ষণে একজন মিলিশিয়া এসে নূরুলকে সার্চ করতে শুরু করেছে। পেটে হাত দিতেই নোট বইটা লেগেছে, ভেবেছে রিভলবার, বোমা বা সে রকম কিছু। সঙ্গে সঙ্গে ভয়ংকর একটা ব্যাপার ঘটল। মিলিশিয়াটি একটা চিৎকার করে হাতের অটোমেটিক রাইফেলটা নূরুলের গলায় ধরে এক ধাক্কায় তাকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরল। আমি দেখলাম, রক্তশূন্য মুখে নূরুল খাবি খেয়ে নিঃশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছে_দুই হাত উঠে গেছে ওপরে। ভয়ংকর মুখে মিলিশিয়াটি তাকিয়ে আছে নূরুলের দিকে, মনে হয় গুলি করে দেবে এখনি। ভয়ে আমার কাপড় নষ্ট হওয়ার অবস্থা।
মিলিশিয়াটি নূরুলের শার্ট তুলে সাবধানে পেটে গুঁজে রাখা জিনিসটি দেখল। রিভলবার বোমা সে রকম কিছু নয়, সাধারণ একটি নোট বই, মিলিশিয়াটি সহজ হলো একটু। নোট বইটা টেনে বের করে বলল, ইয়ে কেয়া হ্যায়? এটা কী?
নূরুল কথা বলতে পারছে না। প্রাণপণে চেষ্টা করে শুকনো গলায় বলল, নো-নো নোট বুক। মিলিশিয়াটি নোট বইটি উল্টেপাল্টে দেখে। আমি দাঁড়িয়ে ঘামতে থাকি, যদি কোনোভাবে পড়তে পারে, তাহলে কী অবস্থা হবে আমাদের?
মিলিশিয়াটি আবার হড়বড় করে কী বলল, ভালো বুঝতে পারলাম না। মনে হয় জিজ্ঞেস করল, নোট বই পেটের মাঝে লুকিয়ে রেখেছে কেন?
নূরুল প্রাণপণে কিছু একটা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু তার মুখ থেকে কোনো শব্দ বের হয় না। আমার দিকে তাকায় নূরুল_আমি ঢোক গিলে বললাম, সাইজটা বড়, পকেটে আঁটে না বলে ওখানে রাখা। বললাম উর্দুতে_অন্তত আমি যেটাকে উর্দু জানি, সেই ভাষায়।
মিলিশিয়াটি তখনো লেখাটি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে, একসময় মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল, কী লেখা আছে এখানে।
নূরুল ততক্ষণে খানিকটা জোর ফিরে পেয়েছে। তোতলাতে তোতলাতে বলল, ক্লাসনোট।
ইসলামিক হিস্ট্রি। মোগল ডাইনাস্টি।
মিলিশিয়াটি নূরুলের হাতে নোট বইটা ফেরত দিতে গিয়ে হঠাৎ থেমে যায়। নূরুলের প্যান্টের দিকে তাকায়। তারপর হঠাৎ উচ্চৈঃস্বরে হেসে ওঠে, তার সঙ্গীকে ডাকে। তার সঙ্গীটিকে প্যান্টের দিকে দেখায়। আমিও দেখলাম, ভয়ে নূরুল কাপড়ে পেশাব করে দিয়েছে। প্যান্ট ভিজে চুইয়ে সেই পেশাব তার পায়ের কাছে এসে জমা হচ্ছে।
আমি আর নূরুল রিকশা করে ফিরে যাচ্ছিলাম। কেউ কোনো কথা বলছি না। নীলক্ষেতের মোড়ে রিকশাটা ঘুরে যাওয়ার সময় পথে একটা ডাস্টবিন পড়ল, নূরুল নোট বইটি ছুড়ে ফেলে দিল ডাস্টবিনে।
আমি না দেখার ভান করে রাস্তার দিকে তাকিয়ে রইলাম।
কিন্তু বাড়িতে থাকি কেমন করে? প্রথম প্রথম এক-দুই দিন একটু পিকনিক পিকনিক মনে হয়। তারপর মহা যন্ত্রণা। ভালো সিগারেট নেই। চা পাওয়া যায় না, যদি বা চা জোগাড় করা যায়, খেতে হয় গুড় দিয়ে। টানা পায়খানায় পুকুর থেকে পিতলের বদনা ভরে নিয়ে যাওয়া মহা যন্ত্রণার ব্যাপার। আশপাশে যত মানুষ আছে সবাই দেখে অমুক পায়খানা করতে যাচ্ছে। গোদের ওপর আবার বিষফোঁড়া, গ্রামের পাশে একদিন মিলিটারি ক্যাম্প করে ফেলল। তারপর যা একটা অবস্থা হলো সেটা আর বলার মতো না। দাড়ি শেভ না করে একটু চাপদাড়ির মতো করে ফেললাম। হাজি সাহেবের সঙ্গে বাবার খাতির আছে বলে রক্ষা, না হলে তো আমার অবস্থা গোপালের মতো হতো, মাথার পেছনে ফুটো নিয়ে নীল গাঙে ভেসে বেড়াতাম, শোল মাছ খাবলে শরীরের গোশত খেয়ে পরিষ্কার করে ফেলত। হাজি সাহেবই বাবাকে বললেন আমাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিতে, ইউনিভার্সিটি খুলে গেছে, এখন গ্রামে পড়ে থাকা ঠিক না। হাজি সাহেব শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, তার কথা ফেলা যায় না। যন্ত্রণার ওপর যন্ত্রণা, মুক্তিবাহিনীর একটা দল ক্যাম্পে এসে হামলা করে বসল। তারপর তো আমার আর গ্রামে থাকার কোনো উপায় নেই। মিলিটারি বাড়িঘর জ্বালিয়ে মানুষ মেরে একটা বিশ্রী অবস্থা করে ফেলল। অবস্থা দেখে মনে হলো, যখন সুযোগ ছিল তখন সাহস করে মুক্তিবাহিনীতে চলে গেলেই হতো। কোথায় থাকব, কী খাব, কী করব_এই সব ভেবে তখন গেলাম না। আবার ভয়ও লাগে, যুদ্ধটুদ্ধ করে যদি মরেই গেলাম তাহলে দেশ স্বাধীন হলেই কী আর না হলেই কী?
বাবা তখন ঢাকা যাওয়ার একটা ব্যবস্থা করে দিলেন। পাশের গ্রামের ক্বারী সাহেব ঢাকা যাচ্ছেন, তার সঙ্গে চলে যাব। ক্বারী সাহেব '৪৭ সালে এ দেশে এসেছেন। আগে বিহারি ছিলেন, এখন দুই-দুইটা বাঙালি বিয়ে করে পুরোপুরি বাঙালি হয়ে গেছেন। তবে উর্দুটা মনে আছে। এখন হঠাৎ করে সেটা খুব কাজে আসছে। বাবাকে বললেন, কোই ডর নেহি, হাম লে জায়গা। আগে হলে বাংলায় বলতেন, আজকাল কথায় কথায় তার উর্দু বের হয়ে আসে।
ঢাকা আসতে অনেক যন্ত্রণা হলো, রাস্তাঘাট বন্ধ, অনেক পথ হেঁটে এসে ট্রেনে উঠতে হলো। গ্রামের পর গ্রাম পুড়ে ছাই। মানুষ মরছে। যখন-তখন ট্রেন থামিয়ে রেখে দেয়। সবাইকে দিয়ে গুলির বাঙ্ টেনে নামাল একবার। মনে হচ্ছিল, আর বুঝি ঢাকা পেঁৗছাব না_কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেঁৗছলাম।
পেঁৗছে অবশ্য মনে হলো, ব্যাপারটা খারাপ হলো না। আরামে থাকার জন্য সারা দেশে এর থেকে ভালো আর কোনো জায়গা নেই। ইদরিস সাহেব আরো কয়েক দিন থাকতে বলেছিলেন; কিন্তু আমি থাকলাম না। আমাকে দেখে এমনই ভাবভঙ্গি করতে লাগলেন যে, আমার মেজাজটা খুব গরমই হয়ে গেল। তার কথাবার্তা শুনে মনে হতে লাগল, আমার বয়সী একজন মানুষ মুক্তিবাহিনীতে যোগ না দিয়ে যেন মহা অন্যায় করে ফেলেছি। সবাই যদি মুক্তিবাহিনীতে যায়, তাহলে দেশটা স্বাধীন করবে কাদের জন্য?
প্রথম দিন ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে দেখা হলো। রাশেদ, আতাউর, জালাল, টিপু, এমন কি দেখি কয়েকজন মেয়েও এসে হাজির। স্যাররাও আছেন, ক্লাস নেবেন নেবেন করছেন। এখনো শুরু করেননি। আমরা ক্যান্টিনে চা খেয়ে আড্ডা মারলাম, কথা বলার সময় অবশ্য খুব সাবধান। এদিক-সেদিক দেখে কথা বলি। কখন কার সামনে কী বলব, তারপর মহা ঝামেলায় ফেঁসে যাব।
নূরুলও হাজির হল একদিন। আমাদের মাঝে নূরুল হচ্ছে সোজা ধরনের। ঢাকাতেই থাকে; কিন্তু কথাবার্তা চালচলন মফস্বলের ছেলেদের মতো। জিজ্ঞেস করলাম, কী রে, মুক্তিবাহিনীতে গেলি না?
খুব সহজেই সে বলতে পারত, তুই গেলি না? কিন্তু তা না বলে এদিকে সেদিকে তাকিয়ে বলল, যেতে তো চাই; কিন্তু কেমন করে যাই, বল দেখি? দেশের এই অবস্থায় আমরা যদি না যাই_
তাহলে বসে আছিস কেন?
কেমন করে যাব?
বর্ডার পার হয়ে চলে যাবি।
কেমন করে পার হব? কোন দিক দিয়ে?
আমি ঠিক উত্তর দিতে পারি না। তাই দাঁত বের করে হেসে বললাম, যা, পর্যটন অফিসে গিয়ে খোঁজ নে!
সারা দিন ইউনিভার্সিটিতে বসে থাকি, চা-সিগারেট খাই। সন্ধেবেলা হলে ফিরে গিয়ে আবার আড্ডা মারি। বড় বড় জিনিস নিয়ে কথা বলি। পড়াশোনা নেই, অফুরন্ত অবসর। বই পড়ার অভ্যাস নেই, ফুটপাত থেকে হালকা ম্যাগাজিন নিয়ে এসে বসে বসে পড়ি। যখন অল্প কয়েকজন থাকি তখন বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলে বলি, আর তো থাকা যায় না, মুক্তিবাহিনীতে যেতেই হয়। সবাই ঘন ঘন মাথা নাড়ি, কিন্তু কেউ আসলে যাই না। একটু ভয় ভয় করে, কোথায় যাব, কী খাব, কোথায় থাকব!
এর মধ্যে নূরুল একদিন একটা ছোট নোট বই নিয়ে এলো। আমাকে বলল, দ্যাখ।
কী?
মিলিটারি নিয়ে জোক।
মিলিটারি নিয়ে?
হ্যাঁ। ঠিক করেছি, মিলিটারি নিয়ে যত জোক বের হয়েছে সেগুলোর একটা কালেকশন বের করব। নাম দেব মিলিটারি কৌতুক। পাকিস্তানি কৌতুক। কী বলিস?
আমি মাথা নাড়ালাম।
ভালো না আইডিয়াটা?
ভালো। কয়টা হয়েছে এই পর্যন্ত?
সাঁইত্রিশটা, এই দেখ।
আমি দেখলাম, গোটা গোটা হাতের লেখায় সাঁইত্রিশটা জোক। প্রতিটির ওপরে হেডিং। প্রথমটার নাম 'মিলিটারি ও দর্জি'। পড়তে গিয়ে আমি হোঁচট খেলাম, কারণ সাধু ভাষায় লেখা। আমি জানতাম সাধু ভাষায় লেখালেখি উঠে গেছে, কিন্তু নূরুলের লেখা পড়ে মনে হলো না। সে লিখেছে :
'একদিন জনৈক দর্জি কাপড় কাটিতেছিল। একজন পাঞ্জাবি মিলিটারি তাহাকে জিজ্ঞাসা করিল, দর্জি, তুমি কী করিতেছ? দর্জি বলিল, আমি পাঞ্জাবি কাটতেছি। পাঞ্জাবি মিলিটারি তখন তাহাকে বেদম উত্তম-মধ্যম প্রদান করিল। কারণ নির্বোধ পাঞ্জাবি।
মিলিটারি বুঝিতে পারে নাই যে, পাঞ্জাবি বলিতে দর্জি পরিধান করিবার পাঞ্জাবি বা কুর্তা বুঝাইয়াছিল।'
বেশির ভাগ জোকেরই এই অবস্থা। শুধু যে সাধু ভাষায় লেখা তা-ই নয়, জোকটা বোঝানোর জন্য বাড়তি অনেক ধরনের ব্যাখ্যা। কৌতুক আর কৌতুক নেই, বিশাল গদ্যে পরিণত হয়েছে। গোপাল ভাঁড়, বীরবল, নাসিরুদ্দিন হোজ্জা এবং শিখদের বোকামি নিয়ে যত গল্প আছে সবগুলোকে পাকিস্তানি মিলিটারি চরিত্রে রূপ দিয়ে সে কৌতুকগুলো লিখে রেখেছে। আমি যতক্ষণ নোট বইটা পড়ছিলাম, নূরুল খুব আগ্রহ নিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। পড়া শেষ হওয়ার পর বলল, কেমন হয়েছে?
ভালো।
তাহলে হাসলি না যে?
জানা জোক, তাই।
ও। নূরুল সাবধানে নোট বইটা শার্টের নিচে প্যান্টের মাঝে গুঁজে রেখে বলল, কী মনে হয় তোর? দেশ যখন স্বাধীন হবে তখন এ রকম একটা বই দারুণ হিট হবে না?
তা হবে।
তুই যদি আর কোনো জোক শুনিস বলিস আমাকে।
বলব।
কিছুদিনের মধ্যেই সবাই জেনে গেল নূরুল পাকিস্তানি মিলিটারি নিয়ে জোক সংগ্রহ করছে। আমাদের কারো কোনো কাজ নেই, কাজেই সবাই এই কাজে বেশ মন দিলাম। বেশ আগ্রহ নিয়েই নূরুলের জন্য কৌতুক খুঁজতে থাকি। এর মধ্যে টিপু একটা ভালো জোক নিয়ে এলো। জোকটা এ রকম :
একজন মিলিটারি গিয়েছে মুরগি হাটে। মুরগিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, মুরগিকে তুমি কী খাওয়াও?
মুরগিওয়ালা বলল, চাউল খাওয়াই।
শুনে মিলিটারির কী রাগ! রাইফেলের বাঁট দিয়ে দুই ঘা দিয়ে বলল, শালা গাদ্দার, হামকো ইস্ট পাকিস্তানি ভাইয়েরা চাউল খায়_তার খাবার তুম মুরগিকে দাও?
কয়েক দিন পর আরেক দল মিলিটারি এসে মুরগিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কী খাওয়াও মুরগিকে?
মুরগিওয়ালা এবার চাউলের কথা মুখে আনল না। বলল, গম খাওয়াই।
শুনে মিলিটারির আবার কী রাগ! রাইফেলের বাঁট দিয়ে কয়েক ঘা মেরে বলল, শালা বেহেনচোত, হামলোগ কা খাবার তুমি মুরগি কো দেতা হায়_আমার খাবার তুমি মুরগিকে খাওয়াও। তোমার এত বড় সাহস?
তার কয়েক দিন পর আবার কিছু মিলিটারি এলো মুরগির হাটে। মুরগিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করল, মুরগিকে কী খাওয়াও তুমি?
মুরগিওয়ালা এবার সাবধান, বলল, আমি তো জানি না স্যার? সকালবেলা সবার হাতে একটা করে সিকি ধরিয়ে দিই। তারা বাজারে গিয়ে যার যেটা ইচ্ছা কিনে খায়।
শুনে পাকিস্তানি মিলিটারি মুরগিওয়ালার পিঠে থাবা দিয়ে বলল, বহুত আচ্ছা! বহুত আচ্ছা! তোম সাচ্চা পাকিস্তানি!
টিপু বলল খুব সুন্দর করে, শুনে আমরা সবাই হেসে গড়াগড়ি খেলাম, নূরুল ছাড়া সে গম্ভীর হয়ে জোকটা তার নোট বইয়ে টুকে রাখতে শুরু করল। সাধু ভাষায় টানা হাতে দুই পৃষ্ঠা, ব্যাপারটা বোঝানোর জন্য নানা রকম ব্যাখ্যা, নানা রকম পাদটীকা, কার সাধ্যি আছে এটা পড়ে। নূরুলের হাতে পড়ে এই সুন্দর জোকটার এই অবস্থা হবে কে জানত!
কৌতুকের যে অবস্থাই হোক, নূরুলের খাতা কিন্তু ভর্তি হতে শুরু করল। অক্টোবর মাসে তার খাতায় এক শ এগারোটা জোক লেখা হয়েছে জানতে পারলাম। একদিন আমার সঙ্গে দেখা হতে জ্বলজ্বলে চোখে বলল, পুরনো ঢাকায় নাকি দারুণ কিছু জোক বের হয়েছে।
কী জোক?
আমি তা জানি না। বিশ্বাসী লোক না হলে বলে না।
তাই নাকি?
হ্যাঁ।
ঢাকাইয়ারা খুব রসিক হয়, জানিস তো?
জানি।
তোর পরিচিত আছে কেউ ঢাকাইয়া?
আমি মাথা নাড়লাম, নেই। আর থাকলেই এখন আমার কাজ নেই তোকে নিয়ে পুরনো ঢাকায় রওনা দেব? দেশে একটা যুদ্ধ চলছে জানিস?
তা তো বটেই। নূরুল মাথা নাড়ে।
গত রাত ১১টার সময় কী একটা এঙ্প্লোশান হলো! তারপর কারেন্ট চলে গিয়ে চারদিকে অন্ধকার। গেরিলা অপারেশান শুরু হয়ে গেছে।
তা ঠিক।
তোর বয়সী মানুষেরা এখন হাতে স্টেনগান গ্রেনেড নিয়ে যুদ্ধ করছে আর তুই নোট বইয়ে জোক লিখে বেড়াচ্ছিস, লজ্জা করে না?
ধমক খেয়ে নূরুল মনমরা হয়ে গেল। ব্যাটার মাথায় ঘিলু বলে কোনো পদার্থ নেই। মুক্তিযুদ্ধে যায় নাই বলে তাকে আর যেই গালিগালাজ করুক, আমার করার কথা নয়। কিন্তু সেটাও সে ধরতে পারে না।
খুব আস্তে আস্তে ঢাকা শহর পাল্টাতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাটে মিলিটারি অনেক বেশি। হঠাৎ হঠাৎ ভয়ংকর দর্শন ট্রাক বড় রাস্তা দিয়ে যেতে থাকে, পেছনে পাথরের মতো মুখ করে মিলিটারিরা বসে আছে, হাতে চকচকে রাইফেল। কোন দূর দেশে নিজের ছেলেমেয়ে ফেলে রেখে এসে এখানে কী অবলীলায় অন্যের ছেলেমেয়েকে মেরে ফেলছে। ইউনিভার্সিটি এলাকাতেও আর বেশি যাই না। ইসলামী ছাত্রসংঘের ছেলেরা নাকি বদর বাহিনী না কী একটা তৈরি করেছে। যখন খুশি তখন যাকে খুশি তুলে নিয়ে যাচ্ছে। গুজব শোনা যাচ্ছে, নাৎসিরা পোল্যান্ডে যেভাবে শিক্ষিত মানুষকে মেরে ফেলছিল, এরাও নাকি সেভাবে সব প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তারকে মেরে ফেলবে। কত রকম গুজব যে বের হচ্ছে, সবগুলোতে কান দিলে তো আর বেঁচে থাকা যাবে না। আমি অবশ্য আজকাল আর বেশি বের হই না, দরকার কী খামাখা ঝামেলার মাঝে গিয়ে?
এর মাঝে আবার একদিন নূরুলের সঙ্গে দেখা হলো। আমাকে দেখে একগাল হেসে বলল, একটা আইডিয়া হয়েছে।
কী আইডিয়া?
একটা বই পেয়েছি_ফুটপাতে বিক্রি হচ্ছিল। ওয়ান থাউজেন্ড ডার্টি জোকস!
ডার্টি জোক?
জোক হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছি! শুনবি?
অশ্লীল কৌতুকে আমার উৎসাহের কোনো অভাব নেই। বললাম, শোনা দেখি।
নূরুল উৎসাহ নিয়ে তার নোট বই খুলে পড়তে শুরু করে। 'জনৈক পাকিস্তানি মিলিটারি ব্যারাক হইতে ফিরিয়া খবর পাইল তাহার অনুপস্থিতির সুযোগে তাহার স্ত্রী অর্থের বিনিময়ে তাহার এক বন্ধুকে দেহদান করিয়াছে। শুনিয়া সে অট্টহাস্য করিয়া বলিল, আমার বন্ধু বাস্তবিকই স্বল্পবুদ্ধিসম্পন্ন! ওই কাজের জন্য আমি তো কখনোই আমার স্ত্রীকে অর্থ প্রদান করি না।'
নূরুলের সাধু ভাষার অত্যাচারের পরও জোকটা শুনে আমি হাসি থামাতে পারি না, তাই দেখে নূরুলের উৎসাহ আরো বেড়ে যায়। বলে, এটা শোন তাহলে, এটা শোন।
অশ্লীল কৌতুক শুনতে আমার বেশ লাগে। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে বসে সব জোক শুনলাম। পড়া শেষ করে বেশ বিজয়ীর মতো ভঙ্গি করে বলল, কেমন হয়েছে?
ভালো।
বইটা যখন বের হবে; একটা হিট হবে, না?
যদি বের হয়।
নূরুল যত্ন করে তার নোট বইটা শার্ট তুলে পেটের কাছাকাছি প্যান্টের মাঝে গুঁজে রাখল। এটা নিয়ে সব সময়েই তার অতিরিক্ত সাবধানতা। আমি বললাম, আজকাল আর এই নোট বই নিয়ে বের হোস না।
না, বের হব না।
যদি মিলিটারি জানে নোট বইয়ে কী লিখেছিস, তাহলে আর বেঁচে থাকতে হবে না।
তা ঠিক।
মরতেই যদি চাস ভালো একটা কিছু করে মর। মিলিটারির ওপর জোক লিখে শহীদ হয়ে গেলে ব্যাপারটা হাসির একটা ব্যাপার হয়ে যাবে।
তা ঠিক। নূরুল জোরে জোরে মাথা নাড়ে।
নূরুল বের হচ্ছিল, আমি বললাম, কোনদিকে যাবি?
টিঅ্যান্ডটি থেকে একটা ফোন করব বাসায়।
দাঁড়া, আমিও যাব।
রিকশা করে টিঅ্যান্ডটিতে এসে ভেতরে ঢোকার সময় হঠাৎ আবিষ্কার করলাম, গেটে কালো কাপড় পরা দুজন মিলিশিয়া দাঁড়িয়ে আছে। দেখে আমাদের জান শুকিয়ে গেল_আগে জানলে কি আর এখানে পা দিই? ইচ্ছে হলো ফিরে যাই, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। হঠাৎ করে এখন ঘুরে গেলে আরো বেশি সন্দেহ করবে।
গলা নামিয়ে বললাম, অবস্থা কেরোসিন।
নূরুল শুকনো গলায় বলল, কী করি এখন?
কী আবার করবি, ভেতরে ঢোক।
নূরুল কী একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু ততক্ষণে একজন মিলিশিয়া এসে নূরুলকে সার্চ করতে শুরু করেছে। পেটে হাত দিতেই নোট বইটা লেগেছে, ভেবেছে রিভলবার, বোমা বা সে রকম কিছু। সঙ্গে সঙ্গে ভয়ংকর একটা ব্যাপার ঘটল। মিলিশিয়াটি একটা চিৎকার করে হাতের অটোমেটিক রাইফেলটা নূরুলের গলায় ধরে এক ধাক্কায় তাকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরল। আমি দেখলাম, রক্তশূন্য মুখে নূরুল খাবি খেয়ে নিঃশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছে_দুই হাত উঠে গেছে ওপরে। ভয়ংকর মুখে মিলিশিয়াটি তাকিয়ে আছে নূরুলের দিকে, মনে হয় গুলি করে দেবে এখনি। ভয়ে আমার কাপড় নষ্ট হওয়ার অবস্থা।
মিলিশিয়াটি নূরুলের শার্ট তুলে সাবধানে পেটে গুঁজে রাখা জিনিসটি দেখল। রিভলবার বোমা সে রকম কিছু নয়, সাধারণ একটি নোট বই, মিলিশিয়াটি সহজ হলো একটু। নোট বইটা টেনে বের করে বলল, ইয়ে কেয়া হ্যায়? এটা কী?
নূরুল কথা বলতে পারছে না। প্রাণপণে চেষ্টা করে শুকনো গলায় বলল, নো-নো নোট বুক। মিলিশিয়াটি নোট বইটি উল্টেপাল্টে দেখে। আমি দাঁড়িয়ে ঘামতে থাকি, যদি কোনোভাবে পড়তে পারে, তাহলে কী অবস্থা হবে আমাদের?
মিলিশিয়াটি আবার হড়বড় করে কী বলল, ভালো বুঝতে পারলাম না। মনে হয় জিজ্ঞেস করল, নোট বই পেটের মাঝে লুকিয়ে রেখেছে কেন?
নূরুল প্রাণপণে কিছু একটা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু তার মুখ থেকে কোনো শব্দ বের হয় না। আমার দিকে তাকায় নূরুল_আমি ঢোক গিলে বললাম, সাইজটা বড়, পকেটে আঁটে না বলে ওখানে রাখা। বললাম উর্দুতে_অন্তত আমি যেটাকে উর্দু জানি, সেই ভাষায়।
মিলিশিয়াটি তখনো লেখাটি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে, একসময় মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল, কী লেখা আছে এখানে।
নূরুল ততক্ষণে খানিকটা জোর ফিরে পেয়েছে। তোতলাতে তোতলাতে বলল, ক্লাসনোট।
ইসলামিক হিস্ট্রি। মোগল ডাইনাস্টি।
মিলিশিয়াটি নূরুলের হাতে নোট বইটা ফেরত দিতে গিয়ে হঠাৎ থেমে যায়। নূরুলের প্যান্টের দিকে তাকায়। তারপর হঠাৎ উচ্চৈঃস্বরে হেসে ওঠে, তার সঙ্গীকে ডাকে। তার সঙ্গীটিকে প্যান্টের দিকে দেখায়। আমিও দেখলাম, ভয়ে নূরুল কাপড়ে পেশাব করে দিয়েছে। প্যান্ট ভিজে চুইয়ে সেই পেশাব তার পায়ের কাছে এসে জমা হচ্ছে।
আমি আর নূরুল রিকশা করে ফিরে যাচ্ছিলাম। কেউ কোনো কথা বলছি না। নীলক্ষেতের মোড়ে রিকশাটা ঘুরে যাওয়ার সময় পথে একটা ডাস্টবিন পড়ল, নূরুল নোট বইটি ছুড়ে ফেলে দিল ডাস্টবিনে।
আমি না দেখার ভান করে রাস্তার দিকে তাকিয়ে রইলাম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 07
(72)
- বিজয় ভাষণে ওবামা যা বললেন
- হাসিনের ১২.১২.১২
- সেক্সসিম্বল থেকে অ্যাকশন লেডি
- নতুন বছরে মীমের নতুন ছবি
- আরো বেশি খোলামেলা দৃশ্যে সানি by কামরুজ্জামান মিলু
- চিকিৎসা-সঙ্কট by রাজশেখর বসু
- ‘সিঙ্গুরে কৃষকদের জমি ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম’
- পাকিস্তানি বিজ্ঞানীর ৮৬ বছরের দণ্ড বহাল
- মালালার ওপর হামলা- দুঃখ প্রকাশ করলেন সন্দেহভাজন এক...
- মরমন রমনির সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন- সমানে সমান লড়...
- জেএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষক আটক
- বৃষ্টি হলেই পাবনা শহরে জলাবদ্ধতা
- এক বছরে ৯৫ জনের প্রাণহানি- সিরাজগঞ্জে দুই মহাসড়কে ...
- ভালো কাজের পথ দেখায় প্রথম আলো
- অতিথি by রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- পদ্মা সেতু- মসিউরকে আবারও ছুটিতে পাঠানো হলো
- ঢাকায় জামায়াত-শিবিরের ১২০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- আবার পিটিয়ে বাঘ হত্যা
- শেষ হলো এএসইএম সম্মেলন
- বিশ্বজুড়ে বাংলা বিশ্বজুড়ে প্রথম আলো- ভালো কাজে ব...
- চাকরি @ নেট
- স প্তা হে র বা ছা ই চা ক রি
- চাকরি খুঁজছেন?
- দক্ষতার মান বাড়াতে প্রশিক্ষণ by জাহিদ হাসান
- সার্ক রচনা প্রতিযোগিতা, ইউএনআইএসডিআর- সেরাদের সঙ্গ...
- কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ- সেবার জন্য ব্রত by তৌহিদ...
- মেধাবী মুখ- স্বাপ্নিক শাহমান by মারুফ ইসলাম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ভরসা এবার ঘ ইউনিট by হাসান ...
- সফলদের স্বপ্নগাথা- অসম্ভব বলে কিছু নেই by অপরাহ ...
- নূরুল এবং তার নোট বই by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- অধ্যাপক বলছেন... by কে এম এইচ এস সিরাজুল হক
- হেলথ টিপস- বাঙালির ভাত
- ব্যায়াম করি শক্তির জন্য প্রেরণার জন্য by অধ্যাপ...
- কান চুলকানোর আড়ালে... by মিরাজ আহমেদ
- রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণ by মো. শহীদুল্লাহ
- আমি কী ভাবছি- কিশোরী তোমার জন্য by ডা. সাঈদা খান
- যে কথা যায় না বলা- সন্তানের কাছে খোলা চিঠি
- ক্ষমতায়ন
- একটি সুখবর
- হৈরব ও ভৈরব by মাহমুদুল হক
- স্বেচ্ছাশ্রম- বৃত্তাকার পথ-নৌপথ উন্নয়নের কল্পকাহিন...
- গণরায়- পার্পল স্টেটের গাড্ডায় ওবামা-রমনি by শা...
- অযৌক্তিক কর্মসূচির নামে নৈরাজ্য অগ্রহণযোগ্য- জামায়...
- আস্থা অর্জনের চেষ্টা, না তামাশা?- ইসির সংলাপ পরিকল...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি- ‘তাঁকে নিয়েই মগ্ন হয়ে থাকি’ by সুচ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ তদারকিতে সেনা মোতায়েন...
- নারীর ক্ষমতায়ন ও সম-অধিকার- কথা রাখছে না সরকার by ...
- সময়চিত্র- বিএনপির আসল চ্যালেঞ্জ by আসিফ নজরুল
- নতুনের জানালা- মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমে বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- সহযোগী সংগঠন নিয়ে রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- প্রথম বাংলা ব্যালটে ভোট দেওয়ায় উচ্ছ্বাস by মিজান...
- জামায়াত বেপরোয়া by সেলিম জাহিদ
- প্রাগৈতিহাসিক by মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- স্তনদায়িনী by মহাশ্বেতা দেবী
- আন্তর্জাতিক ফোন কলে দুর্নীতি-দুদককে সর্বোচ্চ সহায়ত...
- জামায়াতের সহিংসতা-অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা
- পবিত্র কোরআনের আলো-বনি ইসরাইলকে আপাতত মিসরেই বসবাস...
- প্রিয় এবং অপ্রিয় বর্ণনা by মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ...
- সাক্ষাৎকার-সরকার অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রত...
- একুশের প্রথম কবি by নাসির আহমেদ
- ৭ নভেম্বর-যিনি দেশকে কাঁপিয়ে দিয়ে গেছেন by মোহাম্ম...
- ৭ নভেম্বর-পুনরুজ্জীবনের দিন by আ স ম হান্নান শাহ
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-খালেদা জিয়ার দিলি্ল সফর এবং রাজ...
- অবৈধ ভিওআইপি-দায়ীদের উপযুক্ত বিচার হোক
- রাজপথে তাণ্ডব-জামায়াতের ধৃষ্টতা
- ৭ই নভেম্বরের তাৎপর্য by ড. এমাজউদ্দিন আহমদ
- স্মরণ by ডা. জোহরা বেগম কাজী
- নায়কের নাম হোক 'মাকসুদুল আলম' by শাহনেওয়াজ বিপ্লব
- ক্রেতা-বিক্রেতার সম্পর্ক ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী by ...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-বিএনপির ভারতনীতি এবং বাংলাদেশের র...
-
▼
Nov 07
(72)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment