Wednesday, November 7, 2012
৭ই নভেম্বরের তাৎপর্য by ড. এমাজউদ্দিন আহমদ
৭ই নভেম্বরের তাৎপর্য by ড. এমাজউদ্দিন আহমদ
বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য স্মরণযোগ্য। বাংলাদেশ রাজনীতির একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ধারা সুনির্দিষ্ট হয়েছে তার জন্মলগ্ন থেকেই। এর স্বতন্ত্র প্রকৃতি রয়েছে। রয়েছে এর নিজস্ব সুর-ছন্দ। এর নিজস্ব বাণী।
নিজস্ব ব্যঞ্জনা। এ ধারণার বিপরীতে গেলে তা দুর্যোগকবলিত হতে বাধ্য। ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার সরব উচ্চারণ তারই প্রতিফলন। এ সুর আত্মপ্রত্যয়ের। এ বাণী জাতীয়তাবাদের। এ ব্যঞ্জনা আত্মনির্ভরশীলতার।
তিনজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাকে কেন্দ্র করেই রচিত হয়েছে ৭ নভেম্বরের অধ্যায়। ঢাকা ব্রিগেডের সহায়তায় ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর এক সামরিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন কর্নেল শাফায়াত জামিল। সশস্ত্র বাহিনী বঙ্গভবন ছাড়া প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান গ্রহণ করে। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে চিফ অব আর্মি স্টাফের পদ থেকে পদচ্যুত এবং বন্দি করা হয়। খালেদ নিজেকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে সামরিক বাহিনীরপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। খন্দকার মোশতাক আহমদ পদত্যাগ করলে তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এ এস এম সায়েমকে রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ দান করেন। মন্ত্রিপরিষদ বাতিল করেন। জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন তিনি। মেজর হাফিজের মাধ্যমে ১৫ আগস্টে অভ্যুত্থানকারী মেজরদের সঙ্গে এক ধরনের বোঝাপড়া করেন। স্থির হয়, তখনো বঙ্গভবনে অবস্থানকারী ১৫ আগস্টে অভ্যুত্থানকারী মেজররা ৪ নভেম্বর নিরাপদে দেশত্যাগ করবেন। অস্ত্রশস্ত্র তখন ক্যান্টনমেন্টে ফেরত আসবে। ৪ নভেম্বর মেজররা দেশত্যাগ করলেন বটে, কিন্তু ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি চার জাতীয় নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর। খালেদ মোশাররফ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সারা দেশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
তাঁর এ অভ্যুত্থান কিন্তু ছিল অত্যন্ত স্বল্পকাল স্থায়ী। মাত্র চার দিনের মাথায় ৭ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবে খালেদ মোশাররফের সব পরিকল্পনার অবসান ঘটে। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের গভীরতায় তিনি হন হকচকিত। ঢাকা ত্যাগ করার সময় শেরেবাংলা নগরের উপকণ্ঠে বিপ্লবী সৈনিকদের দ্বারা তিনি হন নিহত। পরবর্তী পর্যায়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতাসীন হলেন। খালেদ মোশাররফ একজন কৃতী মুক্তিযোদ্ধা। ২ নম্বর সেক্টরে তাঁরই নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। তাঁর নামের আদ্যাক্ষর ধারণ করেই কে ফোর্স (K-Force) সংগঠিত। তাঁর মতো একজন মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অভ্যুত্থান ঘটাতে কেন গেলেন? অভ্যুত্থানে তাঁর লক্ষ্য কী ছিল? তিনি কী পেতে চেয়েছিলেন?
ওই সব প্রশ্নের উত্তর একেকজন বিশ্লেষক একেকভাবে দিয়েছেন। কেউ বলেন, ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল এক ধরনের পাল্টা-অভ্যুত্থান। শেখ মুজিবের ভাবমূর্তি এবং তাঁর প্রবর্তিত ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রবর্তিত করার লক্ষ্যেই এটির আয়োজন। খালেদ, শাফায়াত উভয়েই ছিলেন মুজিবভক্ত। আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁদের ছিল ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। এমনকি তাঁদের কোনো কোনো নিকটাত্মীয় শেখ মুজিবের একদলীয় ব্যবস্থা, বাকশালের সদস্য ছিলেন। ৪ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওই অভ্যুত্থানের পরে যে মিছিল সংগঠিত হয় তার কিছু কিছু স্লোগানে শেখ মুজিবকে 'জাতির পিতা' হিসেবে স্বীকৃতি এবং ১৫ আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও ছিল। কেউ বা বলে, একজন প্রফেশনাল সৈনিক হিসেবে ১৫ আগস্ট মেজরদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যাপারে তিনি ভয়ংকর ক্রুদ্ধ হন এবং এ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পদ সোপান, প্রত্যক্ষ নির্দেশসূত্র এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন। তখনো আটটি ট্যাংক এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেজররা বঙ্গভবনে অবস্থান করছিলেন। সেনাবাহিনী ছিল দ্বিধাবিভক্ত। এক অংশ বঙ্গভবনে, অন্য অংশ ক্যান্টনমেন্টে অসহায়, দায়িত্বহীন, অকর্মণ্য যেন। তাই তিনি সামরিক বাহিনীকে শৃঙ্খলার ঐক্যসূত্রে আবদ্ধ করে তাঁর হৃতগৌরব ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন।
কারো কারো মতে, ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল প্রতিনিয়ত অতি সঙ্গোপনে তথ্য সংগ্রহকারী ভারতীয় 'র' (RAW)-এর সহযোগিতায় ভারতপন্থী এক অভ্যুত্থান। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান ভারতের জন্য শুধু মারাত্মক ছিল না, তা ছিল ভয়ংকর রূপে অপমানসূচকও। বিশেষ করে খন্দকার মোশতাকের পাকিস্তানপন্থী, প্রো-চায়নিজ এবং আমেরিকাঘেঁষা নীতির জন্য। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবের মৃত্যুতে ভারত শুধু যে এক বিশ্বস্ত বন্ধুকে হারায় তা-ই নয়, এরপর বাংলাদেশে ভারতঘেঁষা কোনো কিছুর অবশিষ্ট ছিল না। ভারতীয় পত্রপত্রিকা ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানকে যেভাবে চিত্রিত করে এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে ভারতীয় জনগণের যে আনন্দ-উল্লাস পরিলক্ষিত হয়, তা এ মতবাদকে সমর্থন করে। বাংলাদেশের কোনো কোনো পত্রপত্রিকায়ও এর আভাস মেলে। Bangladesh Times পত্রিকার ৮ নভেম্বরের সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, '৩ নভেম্বরের পাল্টা-অভ্যুত্থানে বিদেশি হস্তক্ষেপের আভাস রয়েছে।'
বিশ্লেষকদের এসব যুক্তির কোনো কোনোটি খণ্ডনযোগ্য। আওয়ামী লীগের প্রতি খালেদ মোশাররফের দুর্বলতা হয়তো ছিল। তিনি হয়তো বা মুজিবভক্তও ছিলেন। কিন্তু ১৯৭২-৭৫ আমলের আওয়ামী লীগ শাসনকে, বিশেষ করে বাকশালকে পুনরুদ্ধারের কোনো সংকল্প তাঁর ছিল না। আওয়ামী লীগ শাসন পুনঃপ্রবর্তনের কোনো লক্ষ্য থাকলে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বাতিল করতেন না। ভেঙে দিতেন না জাতীয় সংসদ। সামরিক শাসন জারিরও কোনো চিন্তাভাবনা করতেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে মিছিলটি সংগঠিত হয় এবং মিছিল থেকে যে স্লোগান দেওয়া হয় তাতেও তিনি খুশি হননি। জানা যায়, ওই মিছিলের পরে তিনি বলেছিলেন, 'আমি শেষ হয়ে গেলাম।' ওই মিছিল সংগঠনের জন্য আওয়ামী লীগ যতটুকু তৎপর ছিল, মণি সিংয়ের কমিউনিস্ট পার্টি এবং মোজাফ্ফর আহমদের ন্যাপও তেমনি তৎপর ছিল। তেমন হলে খালেদ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় চার নেতার জীবন রক্ষা করে অবিলম্বে তাঁদের জাতির সামনে আনতে পারতেন। তাও তিনি করেননি। এমনকি চার নেতার মৃত্যুর পর তাঁদের মরদেহ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে তিন জাতীয় নেতার মাজারের পাশে দাফন করার যে প্রস্তাব তিনি পেয়েছিলেন তাতেও রাজি হননি। আওয়ামী শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আগ্রহী থাকলে ৩ নভেম্বর অথবা অনতিবিলম্বে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের সমন্বয়ে একটা মন্ত্রিপরিষদও গঠনের উদ্যোগ নিতে পারতেন। এগুলোর কোনোটির দিকেই তিনি যাননি।
আমার মনে হয়েছে, খালেদের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল একটা 'ভেটো ক্যু' বা 'প্রি-এম্পটিভ ক্যু' (Veto or Preemtive Coup)। দুটি কারণে তিনি পূর্বাহ্নেই আঘাত হানতে চেয়েছিলেন। তখন সামরিক বাহিনীর অবস্থা সন্তোষজনক ছিল না। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানকারীরা সামরিক বাহিনীর মৌল নির্দেশ সূত্র ছিন্ন করে শৃঙ্খলাবোধ যে তার প্রাণ তা নিঃশেষ করতে চেয়েছিল বঙ্গভবনে অবস্থানের মাধ্যমে। দ্বিতীয় কারণটি ছিল আরো জরুরি। সেনা ও বিমানবাহিনীর মধ্যে তখন বহুসংখ্যক বিপ্লবী সংস্থা গঠন করে প্রচুরসংখ্যক বিপ্লববাদী সৈনিক প্রস্তুত হচ্ছিল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তগত করতে। তাদের লক্ষ্য ছিল, শ্রেণীহীন সশস্ত্র বাহিনীকে আরো তীক্ষ্নধার করে তার মাধ্যমে সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ন। এই অবস্থায় খালেদ মোশাররফ সম্ভবত চেয়েছিলেন ক্যুর মাধ্যমে দুই গ্রুপকেই একসঙ্গে নির্মূল করে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীকে সনাতন সশস্ত্রবাহিনীর আদলে পুনর্গঠন করতে।
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানকে পরাস্ত করার ক্ষেত্রে যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি তাঁর কথা এ প্রসঙ্গে এসে যায়। তিনি কর্নেল তাহের। একজন কৃতী মুক্তিযোদ্ধা। কর্নেল তাহের ১১ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন। কামালপুরের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে তিনি পা হারান। মুক্তিযুদ্ধে শৌর্য প্রদর্শনের জন্য তিনি হন বীর উত্তম। তিনি শুধু একজন কৃতী ও দক্ষ সৈনিক ছিলেন না, তাঁর চিন্তা-ভাবনা ছিল বৈপ্লবিক। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে তাই তিনি ভাবতেন, সামরিক বাহিনীকে সৃজনমুখী, উৎপাদনক্ষম ও স্বয়ংসম্পূর্ণ এক জাতীয় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে এবং সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধনের নিমিত্তে এ প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করতে। আর একজন মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল জিয়াউদ্দীনের চিন্তা-ভাবনাও ছিল প্রায় অনুরূপ। কর্নেল তাহের এ লক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আন্ডারগ্রাউন্ড শাখা বিপ্লবী শক্তিগুলোর সমন্বয়ে মনোযোগী হন। সেনা ও বিমানবাহিনীতে প্রচুরসংখ্যক বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা সংগঠিত হয়।
৩ নভেম্বর সামরিক অভ্যুত্থান ঘটলে কর্নেল তাহের একদিকে ওই অভ্যুত্থানকে ভারতপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করে তার দুর্বল ভিত্তিকে আরো শিথিল করার দিকে যেমন মনোযোগী হন, তেমনি বিপ্লবী সৈনিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে সৈনিকদের সংগঠিত করার প্রয়াস গ্রহণ করেন। ৫ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টগুলো হাজার হাজার লিফলেটে ছেয়ে যায়। সামরিক কর্মকর্তাদের অভ্যুত্থান ও পাল্টা-অভ্যুত্থানে সাধারণ সৈনিকদের কোনো আগ্রহ নেই, এ যেমন বলা হয়, তেমনি জানিয়ে দেওয়া হয় যে বিপ্লবকে সফল করার জন্য সৈনিকরা যেন তৈরি থাকে। ৬ নভেম্বর রাতে কর্নেল তাহেরের সভাপতিত্বে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় ৭ নভেম্বরের সকাল ৯টায় গুরুত্বপূর্ণ অভ্যুত্থান সার্থক করার জন্য কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করা, সশস্ত্র বাহিনী পরিচালনার জন্য এক বিপ্লবী সামরিক পরিষদ গঠন করা, সব দলের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তিদান, বাকশাল ব্যতীত অন্যান্য দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করা এবং বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার ১২ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা। এভাবে ৭ নভেম্বর বিপ্লবের ক্ষেত্র তৈরি হয় এবং বিপ্লবের মাধ্যমে জেনারেল জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হন।
জেনারেল জিয়া ছিলেন একজন খ্যাতনামা সৈনিক। ১৭ বছর বয়সে ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৫৫ সালে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে কৃতী যোদ্ধা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। মুক্তিযুদ্ধে ১ নম্বর সেক্টরে তিনি নেতৃত্ব দেন। জেড ফোর্স (Z-Force) তাঁরই পূর্ণ নাম ধারণ করে। বীর উত্তম অভিধায় জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করে। ১৯৭২ সালে তিনি হন ডেপুটি চিফ অব স্টাফ। ১৯৭৫ সালের ২৫ আগস্ট তিনি হন সামরিক বাহিনীর প্রধান। ৩ নভেম্বর রাত ১টায় তাঁকে খালেদ মোশাররফ বন্দি করেন। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে তিনি শুধু মুক্তই হলেন না, তিনি এলেন জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে।
কর্নেল তাহেরের পরিকল্পনা কেন সফল হলো না, তার পর্যালোচনা এ পরিসরে সম্ভব নয়। সম্ভব নয় জেনারেল জিয়ার সাফল্যের মূলে কোন কোন উপাদান কার্যকর হয়েছিল। শুধু এটুকু বলা প্রয়োজন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে জেনারেল জিয়া হয়ে ওঠেন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। ভারতবিরোধী মানসিকতার কেন্দ্রবিন্দু। বাকশালবিরোধী চেতনার সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি। আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাসের প্রত্যক্ষ নিদর্শন। জিয়া এই সন্ধিক্ষণে সিপাহি-জনতার সামনে দাঁড়ালেন ত্রাতা হিসেবে। নতুন যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে। বাংলাদেশের অধ্যাত্ম সত্তার রূপকার হিসেবে। ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব এ কারণে এ জাতির কাছে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
কর্নেল তাহেরের স্বপ্ন ছিল, সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠিত করে তার মাধ্যমে সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করা। শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের পূর্ণ সত্তার বিকাশ সাধন করা। জিয়া চেয়েছেন, জনগণের মধ্যে আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করে সামাজিক প্রতিবন্ধকতার বিন্ধ্যাচল উল্লঙ্ঘন করতে। পরনির্ভরশীলতার সব বাধা দুমড়ে-মুচড়ে, জাতীয়তাবাদী চেতনার আগুনে সব বৈষম্য ও অনাচার ঝলসে জাতীয় সংহতির মূল সুদৃঢ় করতে। তিনি চেয়েছেন, বাংলাদেশ নিজের ওপর আস্থা রেখে বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। বাংলাদেশের জনগণ স্বীয় সত্তায় বিশ্বাসী হয়ে মাথা উঁচু করুক সগৌরবে। তখন ভারতবিরোধী মনোভাবের মতো স্থূল প্রবণতা অথবা ভারতের ওপর নির্ভরশীলতার মতো হীনম্মন্যতা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আর ব্যাহত করবে না। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়ার উত্তরণ এই চেতনারই বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অনুরণন।
৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মৌল সূত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিপ্লবী চেতনা দুই ধারায় ছিল প্রবাহিত। এক খাতে ছিল সমাজ পুনর্গঠনের জন্য বিপ্লবী চিন্তাস্রোত। অন্য খাতে প্রবাহিত হয়েছিল ভারতবিরোধী ও ভারতবিদ্বেষী চেতনা। চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারতবিরোধী মনোভাব, বিশেষ করে আত্মনির্ভরশীলতার দুর্দমনীয় স্পর্ধাই জয়ী হয় এবং তারই শীর্ষে অবস্থান করেছিলেন জেনারেল জিয়া। এ দেশের রাজনীতির গতিধারায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যা ঘটেছিল, বাংলাদেশের রাজনীতির মৌলপ্রকৃতির বৈপ্লবিক পরিবর্তন না ঘটলে, ৫০ বছর পরও এমনি অবস্থায় এই সুর ছন্দিত হবে। উচ্চারিত হবে তেমনি বাণী। রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই স্রোতের বিপরীতে চললে নিজের বিপদই শুধু ডেকে আনবে তা-ই নয়, সমাজে বিপ্লবের শিখা আবার প্রজ্বলিত করবে।
লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
তিনজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাকে কেন্দ্র করেই রচিত হয়েছে ৭ নভেম্বরের অধ্যায়। ঢাকা ব্রিগেডের সহায়তায় ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর এক সামরিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন কর্নেল শাফায়াত জামিল। সশস্ত্র বাহিনী বঙ্গভবন ছাড়া প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান গ্রহণ করে। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে চিফ অব আর্মি স্টাফের পদ থেকে পদচ্যুত এবং বন্দি করা হয়। খালেদ নিজেকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে সামরিক বাহিনীরপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। খন্দকার মোশতাক আহমদ পদত্যাগ করলে তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এ এস এম সায়েমকে রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ দান করেন। মন্ত্রিপরিষদ বাতিল করেন। জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন তিনি। মেজর হাফিজের মাধ্যমে ১৫ আগস্টে অভ্যুত্থানকারী মেজরদের সঙ্গে এক ধরনের বোঝাপড়া করেন। স্থির হয়, তখনো বঙ্গভবনে অবস্থানকারী ১৫ আগস্টে অভ্যুত্থানকারী মেজররা ৪ নভেম্বর নিরাপদে দেশত্যাগ করবেন। অস্ত্রশস্ত্র তখন ক্যান্টনমেন্টে ফেরত আসবে। ৪ নভেম্বর মেজররা দেশত্যাগ করলেন বটে, কিন্তু ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি চার জাতীয় নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর। খালেদ মোশাররফ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সারা দেশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
তাঁর এ অভ্যুত্থান কিন্তু ছিল অত্যন্ত স্বল্পকাল স্থায়ী। মাত্র চার দিনের মাথায় ৭ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবে খালেদ মোশাররফের সব পরিকল্পনার অবসান ঘটে। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের গভীরতায় তিনি হন হকচকিত। ঢাকা ত্যাগ করার সময় শেরেবাংলা নগরের উপকণ্ঠে বিপ্লবী সৈনিকদের দ্বারা তিনি হন নিহত। পরবর্তী পর্যায়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতাসীন হলেন। খালেদ মোশাররফ একজন কৃতী মুক্তিযোদ্ধা। ২ নম্বর সেক্টরে তাঁরই নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। তাঁর নামের আদ্যাক্ষর ধারণ করেই কে ফোর্স (K-Force) সংগঠিত। তাঁর মতো একজন মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অভ্যুত্থান ঘটাতে কেন গেলেন? অভ্যুত্থানে তাঁর লক্ষ্য কী ছিল? তিনি কী পেতে চেয়েছিলেন?
ওই সব প্রশ্নের উত্তর একেকজন বিশ্লেষক একেকভাবে দিয়েছেন। কেউ বলেন, ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল এক ধরনের পাল্টা-অভ্যুত্থান। শেখ মুজিবের ভাবমূর্তি এবং তাঁর প্রবর্তিত ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রবর্তিত করার লক্ষ্যেই এটির আয়োজন। খালেদ, শাফায়াত উভয়েই ছিলেন মুজিবভক্ত। আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁদের ছিল ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। এমনকি তাঁদের কোনো কোনো নিকটাত্মীয় শেখ মুজিবের একদলীয় ব্যবস্থা, বাকশালের সদস্য ছিলেন। ৪ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওই অভ্যুত্থানের পরে যে মিছিল সংগঠিত হয় তার কিছু কিছু স্লোগানে শেখ মুজিবকে 'জাতির পিতা' হিসেবে স্বীকৃতি এবং ১৫ আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও ছিল। কেউ বা বলে, একজন প্রফেশনাল সৈনিক হিসেবে ১৫ আগস্ট মেজরদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যাপারে তিনি ভয়ংকর ক্রুদ্ধ হন এবং এ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পদ সোপান, প্রত্যক্ষ নির্দেশসূত্র এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন। তখনো আটটি ট্যাংক এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেজররা বঙ্গভবনে অবস্থান করছিলেন। সেনাবাহিনী ছিল দ্বিধাবিভক্ত। এক অংশ বঙ্গভবনে, অন্য অংশ ক্যান্টনমেন্টে অসহায়, দায়িত্বহীন, অকর্মণ্য যেন। তাই তিনি সামরিক বাহিনীকে শৃঙ্খলার ঐক্যসূত্রে আবদ্ধ করে তাঁর হৃতগৌরব ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন।
কারো কারো মতে, ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল প্রতিনিয়ত অতি সঙ্গোপনে তথ্য সংগ্রহকারী ভারতীয় 'র' (RAW)-এর সহযোগিতায় ভারতপন্থী এক অভ্যুত্থান। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান ভারতের জন্য শুধু মারাত্মক ছিল না, তা ছিল ভয়ংকর রূপে অপমানসূচকও। বিশেষ করে খন্দকার মোশতাকের পাকিস্তানপন্থী, প্রো-চায়নিজ এবং আমেরিকাঘেঁষা নীতির জন্য। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবের মৃত্যুতে ভারত শুধু যে এক বিশ্বস্ত বন্ধুকে হারায় তা-ই নয়, এরপর বাংলাদেশে ভারতঘেঁষা কোনো কিছুর অবশিষ্ট ছিল না। ভারতীয় পত্রপত্রিকা ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানকে যেভাবে চিত্রিত করে এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে ভারতীয় জনগণের যে আনন্দ-উল্লাস পরিলক্ষিত হয়, তা এ মতবাদকে সমর্থন করে। বাংলাদেশের কোনো কোনো পত্রপত্রিকায়ও এর আভাস মেলে। Bangladesh Times পত্রিকার ৮ নভেম্বরের সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, '৩ নভেম্বরের পাল্টা-অভ্যুত্থানে বিদেশি হস্তক্ষেপের আভাস রয়েছে।'
বিশ্লেষকদের এসব যুক্তির কোনো কোনোটি খণ্ডনযোগ্য। আওয়ামী লীগের প্রতি খালেদ মোশাররফের দুর্বলতা হয়তো ছিল। তিনি হয়তো বা মুজিবভক্তও ছিলেন। কিন্তু ১৯৭২-৭৫ আমলের আওয়ামী লীগ শাসনকে, বিশেষ করে বাকশালকে পুনরুদ্ধারের কোনো সংকল্প তাঁর ছিল না। আওয়ামী লীগ শাসন পুনঃপ্রবর্তনের কোনো লক্ষ্য থাকলে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বাতিল করতেন না। ভেঙে দিতেন না জাতীয় সংসদ। সামরিক শাসন জারিরও কোনো চিন্তাভাবনা করতেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে মিছিলটি সংগঠিত হয় এবং মিছিল থেকে যে স্লোগান দেওয়া হয় তাতেও তিনি খুশি হননি। জানা যায়, ওই মিছিলের পরে তিনি বলেছিলেন, 'আমি শেষ হয়ে গেলাম।' ওই মিছিল সংগঠনের জন্য আওয়ামী লীগ যতটুকু তৎপর ছিল, মণি সিংয়ের কমিউনিস্ট পার্টি এবং মোজাফ্ফর আহমদের ন্যাপও তেমনি তৎপর ছিল। তেমন হলে খালেদ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় চার নেতার জীবন রক্ষা করে অবিলম্বে তাঁদের জাতির সামনে আনতে পারতেন। তাও তিনি করেননি। এমনকি চার নেতার মৃত্যুর পর তাঁদের মরদেহ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে তিন জাতীয় নেতার মাজারের পাশে দাফন করার যে প্রস্তাব তিনি পেয়েছিলেন তাতেও রাজি হননি। আওয়ামী শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আগ্রহী থাকলে ৩ নভেম্বর অথবা অনতিবিলম্বে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের সমন্বয়ে একটা মন্ত্রিপরিষদও গঠনের উদ্যোগ নিতে পারতেন। এগুলোর কোনোটির দিকেই তিনি যাননি।
আমার মনে হয়েছে, খালেদের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল একটা 'ভেটো ক্যু' বা 'প্রি-এম্পটিভ ক্যু' (Veto or Preemtive Coup)। দুটি কারণে তিনি পূর্বাহ্নেই আঘাত হানতে চেয়েছিলেন। তখন সামরিক বাহিনীর অবস্থা সন্তোষজনক ছিল না। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানকারীরা সামরিক বাহিনীর মৌল নির্দেশ সূত্র ছিন্ন করে শৃঙ্খলাবোধ যে তার প্রাণ তা নিঃশেষ করতে চেয়েছিল বঙ্গভবনে অবস্থানের মাধ্যমে। দ্বিতীয় কারণটি ছিল আরো জরুরি। সেনা ও বিমানবাহিনীর মধ্যে তখন বহুসংখ্যক বিপ্লবী সংস্থা গঠন করে প্রচুরসংখ্যক বিপ্লববাদী সৈনিক প্রস্তুত হচ্ছিল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তগত করতে। তাদের লক্ষ্য ছিল, শ্রেণীহীন সশস্ত্র বাহিনীকে আরো তীক্ষ্নধার করে তার মাধ্যমে সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনয়ন। এই অবস্থায় খালেদ মোশাররফ সম্ভবত চেয়েছিলেন ক্যুর মাধ্যমে দুই গ্রুপকেই একসঙ্গে নির্মূল করে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীকে সনাতন সশস্ত্রবাহিনীর আদলে পুনর্গঠন করতে।
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানকে পরাস্ত করার ক্ষেত্রে যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি তাঁর কথা এ প্রসঙ্গে এসে যায়। তিনি কর্নেল তাহের। একজন কৃতী মুক্তিযোদ্ধা। কর্নেল তাহের ১১ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেন। কামালপুরের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে তিনি পা হারান। মুক্তিযুদ্ধে শৌর্য প্রদর্শনের জন্য তিনি হন বীর উত্তম। তিনি শুধু একজন কৃতী ও দক্ষ সৈনিক ছিলেন না, তাঁর চিন্তা-ভাবনা ছিল বৈপ্লবিক। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে তাই তিনি ভাবতেন, সামরিক বাহিনীকে সৃজনমুখী, উৎপাদনক্ষম ও স্বয়ংসম্পূর্ণ এক জাতীয় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে এবং সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধনের নিমিত্তে এ প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করতে। আর একজন মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল জিয়াউদ্দীনের চিন্তা-ভাবনাও ছিল প্রায় অনুরূপ। কর্নেল তাহের এ লক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আন্ডারগ্রাউন্ড শাখা বিপ্লবী শক্তিগুলোর সমন্বয়ে মনোযোগী হন। সেনা ও বিমানবাহিনীতে প্রচুরসংখ্যক বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা সংগঠিত হয়।
৩ নভেম্বর সামরিক অভ্যুত্থান ঘটলে কর্নেল তাহের একদিকে ওই অভ্যুত্থানকে ভারতপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করে তার দুর্বল ভিত্তিকে আরো শিথিল করার দিকে যেমন মনোযোগী হন, তেমনি বিপ্লবী সৈনিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে সৈনিকদের সংগঠিত করার প্রয়াস গ্রহণ করেন। ৫ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টগুলো হাজার হাজার লিফলেটে ছেয়ে যায়। সামরিক কর্মকর্তাদের অভ্যুত্থান ও পাল্টা-অভ্যুত্থানে সাধারণ সৈনিকদের কোনো আগ্রহ নেই, এ যেমন বলা হয়, তেমনি জানিয়ে দেওয়া হয় যে বিপ্লবকে সফল করার জন্য সৈনিকরা যেন তৈরি থাকে। ৬ নভেম্বর রাতে কর্নেল তাহেরের সভাপতিত্বে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় ৭ নভেম্বরের সকাল ৯টায় গুরুত্বপূর্ণ অভ্যুত্থান সার্থক করার জন্য কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করা, সশস্ত্র বাহিনী পরিচালনার জন্য এক বিপ্লবী সামরিক পরিষদ গঠন করা, সব দলের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তিদান, বাকশাল ব্যতীত অন্যান্য দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করা এবং বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার ১২ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা। এভাবে ৭ নভেম্বর বিপ্লবের ক্ষেত্র তৈরি হয় এবং বিপ্লবের মাধ্যমে জেনারেল জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হন।
জেনারেল জিয়া ছিলেন একজন খ্যাতনামা সৈনিক। ১৭ বছর বয়সে ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৫৫ সালে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে কৃতী যোদ্ধা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। মুক্তিযুদ্ধে ১ নম্বর সেক্টরে তিনি নেতৃত্ব দেন। জেড ফোর্স (Z-Force) তাঁরই পূর্ণ নাম ধারণ করে। বীর উত্তম অভিধায় জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করে। ১৯৭২ সালে তিনি হন ডেপুটি চিফ অব স্টাফ। ১৯৭৫ সালের ২৫ আগস্ট তিনি হন সামরিক বাহিনীর প্রধান। ৩ নভেম্বর রাত ১টায় তাঁকে খালেদ মোশাররফ বন্দি করেন। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে তিনি শুধু মুক্তই হলেন না, তিনি এলেন জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে।
কর্নেল তাহেরের পরিকল্পনা কেন সফল হলো না, তার পর্যালোচনা এ পরিসরে সম্ভব নয়। সম্ভব নয় জেনারেল জিয়ার সাফল্যের মূলে কোন কোন উপাদান কার্যকর হয়েছিল। শুধু এটুকু বলা প্রয়োজন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে জেনারেল জিয়া হয়ে ওঠেন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। ভারতবিরোধী মানসিকতার কেন্দ্রবিন্দু। বাকশালবিরোধী চেতনার সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি। আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাসের প্রত্যক্ষ নিদর্শন। জিয়া এই সন্ধিক্ষণে সিপাহি-জনতার সামনে দাঁড়ালেন ত্রাতা হিসেবে। নতুন যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে। বাংলাদেশের অধ্যাত্ম সত্তার রূপকার হিসেবে। ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব এ কারণে এ জাতির কাছে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
কর্নেল তাহেরের স্বপ্ন ছিল, সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠিত করে তার মাধ্যমে সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করা। শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের পূর্ণ সত্তার বিকাশ সাধন করা। জিয়া চেয়েছেন, জনগণের মধ্যে আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করে সামাজিক প্রতিবন্ধকতার বিন্ধ্যাচল উল্লঙ্ঘন করতে। পরনির্ভরশীলতার সব বাধা দুমড়ে-মুচড়ে, জাতীয়তাবাদী চেতনার আগুনে সব বৈষম্য ও অনাচার ঝলসে জাতীয় সংহতির মূল সুদৃঢ় করতে। তিনি চেয়েছেন, বাংলাদেশ নিজের ওপর আস্থা রেখে বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। বাংলাদেশের জনগণ স্বীয় সত্তায় বিশ্বাসী হয়ে মাথা উঁচু করুক সগৌরবে। তখন ভারতবিরোধী মনোভাবের মতো স্থূল প্রবণতা অথবা ভারতের ওপর নির্ভরশীলতার মতো হীনম্মন্যতা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আর ব্যাহত করবে না। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়ার উত্তরণ এই চেতনারই বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অনুরণন।
৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মৌল সূত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিপ্লবী চেতনা দুই ধারায় ছিল প্রবাহিত। এক খাতে ছিল সমাজ পুনর্গঠনের জন্য বিপ্লবী চিন্তাস্রোত। অন্য খাতে প্রবাহিত হয়েছিল ভারতবিরোধী ও ভারতবিদ্বেষী চেতনা। চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারতবিরোধী মনোভাব, বিশেষ করে আত্মনির্ভরশীলতার দুর্দমনীয় স্পর্ধাই জয়ী হয় এবং তারই শীর্ষে অবস্থান করেছিলেন জেনারেল জিয়া। এ দেশের রাজনীতির গতিধারায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যা ঘটেছিল, বাংলাদেশের রাজনীতির মৌলপ্রকৃতির বৈপ্লবিক পরিবর্তন না ঘটলে, ৫০ বছর পরও এমনি অবস্থায় এই সুর ছন্দিত হবে। উচ্চারিত হবে তেমনি বাণী। রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই স্রোতের বিপরীতে চললে নিজের বিপদই শুধু ডেকে আনবে তা-ই নয়, সমাজে বিপ্লবের শিখা আবার প্রজ্বলিত করবে।
লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 07
(72)
- বিজয় ভাষণে ওবামা যা বললেন
- হাসিনের ১২.১২.১২
- সেক্সসিম্বল থেকে অ্যাকশন লেডি
- নতুন বছরে মীমের নতুন ছবি
- আরো বেশি খোলামেলা দৃশ্যে সানি by কামরুজ্জামান মিলু
- চিকিৎসা-সঙ্কট by রাজশেখর বসু
- ‘সিঙ্গুরে কৃষকদের জমি ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম’
- পাকিস্তানি বিজ্ঞানীর ৮৬ বছরের দণ্ড বহাল
- মালালার ওপর হামলা- দুঃখ প্রকাশ করলেন সন্দেহভাজন এক...
- মরমন রমনির সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন- সমানে সমান লড়...
- জেএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষক আটক
- বৃষ্টি হলেই পাবনা শহরে জলাবদ্ধতা
- এক বছরে ৯৫ জনের প্রাণহানি- সিরাজগঞ্জে দুই মহাসড়কে ...
- ভালো কাজের পথ দেখায় প্রথম আলো
- অতিথি by রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- পদ্মা সেতু- মসিউরকে আবারও ছুটিতে পাঠানো হলো
- ঢাকায় জামায়াত-শিবিরের ১২০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- আবার পিটিয়ে বাঘ হত্যা
- শেষ হলো এএসইএম সম্মেলন
- বিশ্বজুড়ে বাংলা বিশ্বজুড়ে প্রথম আলো- ভালো কাজে ব...
- চাকরি @ নেট
- স প্তা হে র বা ছা ই চা ক রি
- চাকরি খুঁজছেন?
- দক্ষতার মান বাড়াতে প্রশিক্ষণ by জাহিদ হাসান
- সার্ক রচনা প্রতিযোগিতা, ইউএনআইএসডিআর- সেরাদের সঙ্গ...
- কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ- সেবার জন্য ব্রত by তৌহিদ...
- মেধাবী মুখ- স্বাপ্নিক শাহমান by মারুফ ইসলাম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ভরসা এবার ঘ ইউনিট by হাসান ...
- সফলদের স্বপ্নগাথা- অসম্ভব বলে কিছু নেই by অপরাহ ...
- নূরুল এবং তার নোট বই by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- অধ্যাপক বলছেন... by কে এম এইচ এস সিরাজুল হক
- হেলথ টিপস- বাঙালির ভাত
- ব্যায়াম করি শক্তির জন্য প্রেরণার জন্য by অধ্যাপ...
- কান চুলকানোর আড়ালে... by মিরাজ আহমেদ
- রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণ by মো. শহীদুল্লাহ
- আমি কী ভাবছি- কিশোরী তোমার জন্য by ডা. সাঈদা খান
- যে কথা যায় না বলা- সন্তানের কাছে খোলা চিঠি
- ক্ষমতায়ন
- একটি সুখবর
- হৈরব ও ভৈরব by মাহমুদুল হক
- স্বেচ্ছাশ্রম- বৃত্তাকার পথ-নৌপথ উন্নয়নের কল্পকাহিন...
- গণরায়- পার্পল স্টেটের গাড্ডায় ওবামা-রমনি by শা...
- অযৌক্তিক কর্মসূচির নামে নৈরাজ্য অগ্রহণযোগ্য- জামায়...
- আস্থা অর্জনের চেষ্টা, না তামাশা?- ইসির সংলাপ পরিকল...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি- ‘তাঁকে নিয়েই মগ্ন হয়ে থাকি’ by সুচ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- হানিফ ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ তদারকিতে সেনা মোতায়েন...
- নারীর ক্ষমতায়ন ও সম-অধিকার- কথা রাখছে না সরকার by ...
- সময়চিত্র- বিএনপির আসল চ্যালেঞ্জ by আসিফ নজরুল
- নতুনের জানালা- মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমে বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- সহযোগী সংগঠন নিয়ে রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- প্রথম বাংলা ব্যালটে ভোট দেওয়ায় উচ্ছ্বাস by মিজান...
- জামায়াত বেপরোয়া by সেলিম জাহিদ
- প্রাগৈতিহাসিক by মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- স্তনদায়িনী by মহাশ্বেতা দেবী
- আন্তর্জাতিক ফোন কলে দুর্নীতি-দুদককে সর্বোচ্চ সহায়ত...
- জামায়াতের সহিংসতা-অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা
- পবিত্র কোরআনের আলো-বনি ইসরাইলকে আপাতত মিসরেই বসবাস...
- প্রিয় এবং অপ্রিয় বর্ণনা by মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ...
- সাক্ষাৎকার-সরকার অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রত...
- একুশের প্রথম কবি by নাসির আহমেদ
- ৭ নভেম্বর-যিনি দেশকে কাঁপিয়ে দিয়ে গেছেন by মোহাম্ম...
- ৭ নভেম্বর-পুনরুজ্জীবনের দিন by আ স ম হান্নান শাহ
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-খালেদা জিয়ার দিলি্ল সফর এবং রাজ...
- অবৈধ ভিওআইপি-দায়ীদের উপযুক্ত বিচার হোক
- রাজপথে তাণ্ডব-জামায়াতের ধৃষ্টতা
- ৭ই নভেম্বরের তাৎপর্য by ড. এমাজউদ্দিন আহমদ
- স্মরণ by ডা. জোহরা বেগম কাজী
- নায়কের নাম হোক 'মাকসুদুল আলম' by শাহনেওয়াজ বিপ্লব
- ক্রেতা-বিক্রেতার সম্পর্ক ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী by ...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-বিএনপির ভারতনীতি এবং বাংলাদেশের র...
-
▼
Nov 07
(72)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment