Saturday, July 15, 2017
নির্বাচনের সময় রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না: ওবায়দুল কাদের
নির্বাচনের সময় রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না: ওবায়দুল কাদের
ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দায়িত্বে আছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের। ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ এ নেতা কথা বলেছেন সাম্প্রতিক রাজনীতি ও আগামী নির্বাচন নিয়ে। এতে উঠে এসেছে নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন নিয়ে সরকারি দলের অবস্থানের বিষয়টিও। দলীয় কোন্দল, আগামী নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের মাপকাঠি এবং মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলমগীর স্বপন
যুগান্তর : নির্বাচনী ট্রেনে এখন রাজনীতি। বলা যায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সেই ট্রেনের ড্রাইভিং সিটেই আছে। আপনি কী মনে করেন?
ওবায়দুল কাদের : আমরা ট্রেনেই আছি। প্রস্তুতি আরও আগেই শুরু করেছি। এখন সেই প্রস্তুতি পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। আমাদের একদিকে বিভিন্ন আসনে সংসদ সদস্যদের কার কী অবস্থা এ বিষয়ে জরিপ কাজ চলছে। সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি সংস্থা জরিপ করছে। জরিপে পেশাজীবীরা যেমন আছেন তেমনি সরকারি সংস্থাও আছে। এর পাশাপাশি আমরা দলীয় পর্যায়েও খোঁজখবর নিচ্ছি, ক্লোজলি মনিটর করছি। পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজও এগিয়ে চলছে। আমরা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি সভা করছি। বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে শিগগিরই প্রতিনিধি সভা হবে। জেলা পর্যায়ে আমরা অনেক প্রতিনিধি সভা করেছি। এটা শুধু আনুষ্ঠানিক সভা নয়, কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তৃতা-ভাষণে সবকিছু সীমাবদ্ধ রাখিনি আমরা, তৃণমূলে নেতাকর্মীদের বক্তব্যও শুনছি। তাদেরও প্রার্থী নিয়ে চিন্তাভাবনা আছে। সেটা তাদের আলোচনায় প্রকাশ পাচ্ছে। আবার নির্বাচনের সময় তৃণমূলকে একটা চয়েস দেয়া হবে প্রার্থী বাছাইয়ে। তারা প্রার্থী বাছাইয়ে তিনজন পর্যন্ত নাম পাঠাতে পারে। সেটা আমরা জরিপের সঙ্গে মিলিয়ে প্রার্থী বাছাই করব এবং মনোনয়ন দেব।
যুগান্তর : তৃণমূল পর্যায়ে অনেক সংসদ সদস্যই বিতর্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে খুন, দুর্নীতিসহ মাদক পাচারের অভিযোগ আছে। কিছু কিছু জরিপেও এমন সংসদ সদস্য চিহ্নিত হয়েছে বলে জেনেছি। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এসব বিষয় আমলে নেবেন কিনা? নতুন মুখ কি আসবে?
ওবায়দুল কাদের : নতুন মুখ আসবে বেশকিছু আসনে। তবে কতটি আসনে পরিবর্তন হবে তা এখন বলতে পারছি না। এখন যারা আছেন, তাদের কর্মকাণ্ডে যদি কোনো ঘাটতি থাকে, জনমনে কাউকে নিয়ে যদি ইমেজ সংকট থাকে, তাদের আমরা শুদ্ধ হওয়ার জন্য সময়সীমা দিয়েছি- আগামী ছয় মাসের মধ্যে তোমরা নিজেদের ঠিক করে নাও। এ নির্দেশনা মোতাবেক যদি তারা নিজেদের শুদ্ধ করে নিতে পারে, তাহলে আমরা অবশ্যই বিজয়ী হতে পারে এমন প্রার্থীকে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করব।
যুগান্তর : সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতা, মন্ত্রী তাদের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তারা কি এবার মনোনয়নবঞ্চিত হবেন?
ওবায়দুল কাদের : আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী- এলাকায় আমারও যদি জনপ্রিয়তা না থাকে, আমি যদি বিজয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী না হই, তাহলে আমি নিজেও মনোনয়ন নেব না। জনগণ না চাইলে আমি কেন দাঁড়াব?
যুগান্তর : কোন প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার যোগ্যতা রাখে- এর মাপকাঠি কী হবে?
ওবায়দুল কাদের : জনগণকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে প্রার্থীর কার্যকলাপ সম্পর্কে। আমি একটা এলাকায় পা দিলেই তো বুঝতে পারব ওখানকার এমপি সম্পর্কে জনগণের কী ধারণা। আজকাল মানুষ চুপচাপ থাকে না।
যুগান্তর : আওয়ামী লীগ পরপর দু’বার ক্ষমতায়। এবার তৃতীয়বারের জন্য লড়াইয়ে নামছে। সেক্ষেত্রে আবার বিজয় অর্জন কতটা চ্যালেঞ্জের হবে?
ওবায়দুল কাদের : সবকিছু তো ফেভারে থাকে না। আওয়ামী লীগ পরপর দু’বার ক্ষমতাসীন। তাই থার্ড টার্ম নির্বাচনে জেতা একটু কঠিন। এ সমস্যা সব দেশেই আছে। তুরস্কে এরদোগান প্রথমবার যেভাবে জিতেছেন, দ্বিতীয়বার কিন্তু তার ভোট কমেছে। তৃতীয়বারে গিয়ে তার ভোট আরও বেশি কমেছে। অতিরিক্ত ক্ষমতা ব্যবহারের জবাবে গণভোটে তার পক্ষে যে রায় এসেছে তা খুব বেশি ছিল না। তাই তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রে একটা সমস্যা থাকে। তারপরও আমাদের একটা বিশ্বাস আছে। পঁচাত্তর-পরবর্তী ২৮ বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, সে উন্নয়ন আমরা গত তিন-সাড়ে তিন বছরে করেছি। এর রেকর্ড আছে এবং এটা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ও প্রশংসিত। বাংলাদেশের লোকজনও জানে। শহরের ভোটারদের মধ্যে নানারকম টানাপোড়েন থাকে, একেকটা বিষয়ে আলোড়িত হয়, হলি আর্টিজান এটারও একটা প্রতিক্রিয়া থাকে, জীবনকে বদলে দেয় এরকম অনেক ঘটনা আছে। তবে গ্রামের চিত্র কিন্তু ভিন্ন। গ্রামের লোকরা উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয় আর দেয় আচরণকে। উন্নয়নকে তারা নম্বর ওয়ান প্রায়োরিটি দেয়, নম্বর টু হচ্ছে আচরণ। এখন আচরণের জন্য আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারি যেহেতু আমরা ক্ষমতায়। ক্ষমতায় থেকে ক্ষমতার দাপট দেখানো- এটা ক্ষতি করে। বিভিন্ন আসনের ক্ষেত্রে অবশ্য এর পার্থক্য আছে। এরপরও আমাদের একটা হিসাব আমরা করেছি। সেই হিসাবে আমরা হয়তো গতবারের মতো অত আসন পাব না। তবে আসন কমলেও বিজয়ের ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণ আশাবাদী।
যুগান্তর : আপনারা ক্ষমতায় আছেন। তাই অনেক আসনে ক্ষমতার দ্বন্দ্বও আছে। এর বহিঃপ্রকাশ বিভিন্ন সময় দেখা গেছে, দেখা যাচ্ছে। এ কোন্দল জিইয়ে থাকলে নির্বাচনে কি তা প্রভাব ফেলবে না?
ওবায়দুল কাদের : কোন্দল নিরসনে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত আছে। যেখানে দ্বন্দ্ব-সংকট আছে সেখানকার নেতাদের নিয়ে দু-একদিন পরপরই বৈঠক চলছে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের ডেকে নিয়ে মীমাংসা করছি, কথাবার্তা বলছি। এতে ফল পাচ্ছি। আমি যখনই ঢাকায় থাকি এবং আমাদের যারা সংশ্লিষ্ট যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আছেন, তাদের নিয়ে আমরা প্রতিদিনই সংকট নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছি। যাকে যা বলার বলে দিচ্ছি। আর কোথাও সাংগঠনিক সংকট থাকলে এর মীমাংসাটাও আমরা এ বৈঠক থেকে দিয়ে দিচ্ছি।
যুগান্তর : তবে কিছু জায়গায় দ্বন্দ্ব-সংকট লেগেই আছে। কোনো কিছুতেই এর সমাধান হচ্ছে না মনে হয়। চট্টগ্রাম এর উদাহরণ হতে পারে।
ওবায়দুল কাদের : বড় দলে বড় কিছু দ্বন্দ্ব থাকবেই। এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের কর্মীরা সচেতন। এটা আমি এই অর্থে বলছি- কিছু নেতা আছে যারা নবাগত, টাকা-পয়সা আছে, নির্বাচন করতে চায়। আবার দলেরও অনেকের ইচ্ছা থাকতেই পারে নির্বাচনের। বড় দল, তাদেরও এমপি হওয়ার একটা স্বপ্ন থাকতে পারে, তারাও চেষ্টা করতে পারে। তবে আমরা সবাইকে বলে দিয়েছি, এখন কোনো প্রার্থী নেই, প্রার্থী হচ্ছে নৌকা। নৌকাকে প্রার্থী করে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সে-ই আমাদের প্রার্থী। তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। আমাদের কর্মীদের এবার একটা বিষয় আছে- পেছনে ফিরে দেখার একটা তাগিদ আছে। সেটা হল ২০০১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে তখন আমাদের হাজার হাজার কর্মী ঘরছাড়া হয়েছে। আমাদের ২১ হাজার নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। আজকে বিএনপি গুম-খুনের কথা বলে, সেই সময় আমাদের কতজন গুম হয়েছে এর হিসাব নেই। কিবরিয়া সাহেব, আহসান উল্লাহ মাস্টারের মতো আমাদের প্রথম সারির অনেক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই হামলায় আইভি রহমানসহ ২৩ জন নিহত হয়েছেন। তবে এর প্রধান লক্ষ্য ছিল আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। এ তথ্যগুলো সবাই জানে। সেই বিভীষিকা, সেই অন্ধকারের ছবি খুব বেশিদিন আগের নয়। তাই আমাদের নেতাকর্মীদের মনে আছে বিএনপি আগের মতো আবার ক্ষমতায় এলে কী হতে পারে। সেই ২০০১ সাল-পরবর্তী যে অবস্থা হয়েছিল এদেশে, তার চেয়ে ভয়াবহ দুঃসময় নেমে আসবে। কাজেই এ বিবেচনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ। এটাও আমাদের ঐক্যের একটা অনুঘটক।
যুগান্তর : সাংগঠনিক ঐক্য বা কার্যক্রমের জায়গা থেকে দ্রুত সহ-সম্পাদক নিয়োগের দাবি আছে নেতাকর্মীদের। শিগগিরই কি এ তালিকা ঘোষণা করা হবে?
ওবায়দুল কাদের : এবার সহ-সম্পাদকের তালিকা আমি করে দিচ্ছি না। এক্ষেত্রে নেত্রীর নির্দেশ আছে। সহ-সম্পাদক আমাদের প্রত্যেক যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে তিনজন করে থাকবে। আট বিভাগে ২৪ জন। ১৯টি সম্পাদকীয় পদ আছে। এর মধ্যে গুরুত্ব ও কাজ বিবেচনায় রেখে প্রতিটি পদের বিপরীতে সহ-সম্পাদক পাঁচজনের মধ্যে সীমিত থাকবে। কেউ তিনজন পাবে, কেউ চারজন, কেউবা পাঁচজন পাবে। কিন্তু উপকমিটি হবে ২০ থেকে ৩০ জনের। এখানে এক্সপার্ট আসবে। আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে যে সংসদ সদস্যরা আছেন, তারা এখানে চলে আসবেন। কাজেই এবার সদস্য থাকা নিয়ে কারও কোনো দ্বিধা থাকবে না। এসব ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে তালিকা জমা পড়ছে। জমা দিলে আমরা অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছি। এবার ওভাবে তালিকা দেব না। তবে বলতে পারি সহ-সম্পাদক একশ’র ভেতরে থাকবে। সদস্য অনেক থাকবে।
যুগান্তর : তবে গতবার সহ-সম্পাদকদের মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাদের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।
ওবায়দুল কাদের : গতবারেরটা গতবারের বিষয়। তখন বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে কৌশলগত কারণে সীমারেখাটা ধরে রাখতে পারিনি। এবার আমরা সীমারেখার বাইরে যাব না।
যুগান্তর : দল সংগঠিত করার পাশাপাশি জোট সম্প্রসারণে এবার আওয়ামী লীগের কৌশল কী? আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোটের নেতৃত্বে আছে। যেখানে বামপন্থী দলের প্রাধান্য। আবার বিপরীত মেরুর হেফাজতে ইসলামের সঙ্গেও সম্পর্ক তৈরি হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের। তাদের নানা দাবি মানা হয়েছে। নির্বাচন এগিয়ে এলে কি ইসলামী দলের দিকে আপনাদের ঝোঁক আরও বাড়বে?
ওবায়দুল কাদের : জোটের বিষয়টি কৌশলগত। আমি একটা বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার করতে বলতে চাই, যারা নানা সন্দেহ করছেন, তাদের জন্য স্পষ্ট করে বলতে চাই, সময়ের প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের কৌশলগত পরিবর্তন হতে পারে; কিন্তু আওয়ামী লীগ তার শেকড় থেকে কখনও একবিন্দুও সরে যাবে না। আমরা আমাদের শেকড়ের বন্ধনে আবদ্ধ, এখান থেকে আমাদের সরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কৌশলগত পরিবর্তন আসবে। আমরা, জাতীয় পার্টি বা ১৪ দলের শরিকরা বা আমাদের সঙ্গে তরিকত ফেডারেশন আছে। এটাও তো ইসলামী দল। গতবার তারা আমাদের জোটে ছিল। এরকম আরও অনেকেই আসতে পারে। তাই বলতে চাই, নির্বাচনী যে জোট সেটা ভিন্ন জিনিস। জোটের একটা বড় প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব জনমনে থাকে। এখন বিএনপিও তো একটা বড় অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে আছে। এরশাদ সাহেবও একটা বড় জোটের কথা বলেছেন। এক্ষেত্রে একেকটি রাজনৈতিক দলের একেক হিসাব।
যুগান্তর : জাতীয় পার্টি মহাজোটের শরিক ছিল। আবার আপনাদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করছে। এরই মধ্যে আগামী নির্বাচন সামনে রেখে তারা আলাদা জোট গঠন করেছে। তাহলে সমীকরণটা কী? বিএনপি নির্বাচনে এলেও কি জাতীয় পার্টি মহাজোটে না এসে আলাদাভাবে নির্বাচন করবে?
ওবায়দুল কাদের : জাতীয় পার্টি শেষ পর্যন্ত কোথায় থাকে সেটা হল বড় কথা। আলাদা আলাদা জোট অনেকেই করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কে কোন জোটে নির্বাচন করবেন সেটা বোধহয় বলার বাস্তব সময় এখনও আসেনি।
যুগান্তর : জোট সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কী কৌশল বা নীতি হবে আওয়ামী লীগের? এখন দেখা যাচ্ছে বাম-ডান-চরম ডান সবাইকে একই ছাতার নিচে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
ওবায়দুল কাদের : নির্বাচনী জোটের ক্ষেত্রে দুটি জায়গায় আমরা স্থির থাকব- সেটা হল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যারাই আমাদের জোটে আসুক এদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু- এ দুটি মৌলিক জায়গায় এক থাকতে হবে। এসব বিষয়ে আমাদের সম মনস্কতার একটা ব্যাপার আছে।
যুগান্তর : রাজনীতির এখন মূল আলোচনা- নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে? বিএনপি সহায়ক সরকারের কথা বলছে। আপনারা কী ভাবছেন? ফর্মুলা কী হবে?
ওবায়দুল কাদের : কোনো ফর্মুলা নেই। ফর্মুলা আমাদের সংবিধান। সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন পরিচালিত হবে, অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন সরকার অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে হয়, বাংলাদেশেও ঠিক সেভাবে হবে। আমরা এখানে ভিন্নতর কিছু কেন আশা করছি? যে নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচন কমিশনকে আমরা গ্রহণ করেছি। বিএনপি গ্রহণ করেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন নেই। কোনো কথাও হচ্ছে না। এর মানে বিএনপি একে মেনে নিয়েছে। যদি মেনে নেয়, তাহলে আগামী নির্বাচন এ কমিশনের অধীনেই যৌক্তিক। তখন যে সরকার থাকবে সেই সরকার একটা রুটিনমাফিক দায়িত্ব পালনের জন্য থাকবে। সেই সরকার নির্বাচনসংশ্লিষ্ট যে সংস্থা-প্রতিষ্ঠান আছে, এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে। ক্ষমতাসীন সরকারের সহায়তা করা ছাড়া অন্য কোনো দায়িত্ব থাকবে না। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না, শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে। নির্বাচনের জন্য যা যা দরকার সেগুলো নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত থাকবে। যেমন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ তখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার- সেটা তখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। সেনাবাহিনীর যে দায়িত্ব, সেটা নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তাই সে সময় যে সরকার থাকবে সেই সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো ভূমিকা থাকবে না। তাহলে বিএনপির এখানে ভয় কীসের। আমি বুঝি না তারা কেন ভয় পাচ্ছে? তাদের আমলে তারা কীভাবে নির্বাচন করতে চেয়েছে সেটা আমরা জানি। আজিজ মার্কা কমিশন সে সময় আমরা দেখেছি। ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারের ইতিহাস এদেশে আছে, সেটা অন্তত আমাদের সময়ে হবে না।
যুগান্তর : বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য ২০১৪ সালে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেটা সংবিধানের অধীনেই ছিল। এবারও কি বিএনপিকে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দেয়া হবে? নির্বাচনকালীন মন্ত্রিপরিষদ কি ছোট হবে?
ওবায়দুল কাদের : অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাধারণত ছোট হয়। তাই বলা যায় তখন মন্ত্রিপরিষদ ছোট হয়ে যাবে- বড় রাখার দরকার তো নেই। আরেকটি বিষয় যেটি বলছেন, নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির অংশগ্রহণ থাকবে কিনা? আমি বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব দেবেন কিনা এখনও সে প্রয়োজন আমরা অনুভব করছি না। কারণ বিএনপিকে গতবার ডেকে আমরা পজিটিভ কোনো সাড়া পাইনি। শুধু গালিগালাজ পেয়েছি। খালেদা জিয়া প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোংরা ভাষায় কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ভালোভাবে সম্বোধনও তিনি করেননি। এখনও তার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে সম্মানজনক কথা শোনা যায় না। এভাবে রাজনীতিতে কী সমঝোতা হতে পারে? আপনার ছেলে মারা গেছে, আমি আপনার বাড়ির দরজায় গেলাম, সেখানে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন- এটা যাদের মানসিকতা, তাদের সঙ্গে সমঝোতা কী করে হয়?
যুগান্তর : তবে বিএনপির সেই মানসিকতার কি কিছুটা পরিবর্তন হয়নি? তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির কারণে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যায়নি। কিন্তু এখন তারা সহায়ক সরকারের কথা বলছে- ছাড় দিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকেও এমন কোনো ছাড় দেয়া হবে কিনা?
ওবায়দুল কাদের : ছাড় দিচ্ছে কারণ তারা এখন নোহায়্যার হয়ে গেছে। তারা কোথাও নেই। তাই এখন নানান কথা বলছে। তাদের নেতারা একেক দিন একেক কথা বলে। এক নেতা বলে, যত বাধা আসুক, নির্যাতন আসুক, বিএনপি নির্বাচনে যাবেই। আবার আরেক নেতা খালেদা জিয়ার নির্দেশের কথা বলে হুমকি দেয়, সহায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তাদের কথা যদি ধরি, তাহলে সহায়ক সরকার তো থাকছে। সরকারের হাতে তো কিছু থাকবে না, নামমাত্র দায়িত্ব পালন করবে।
যুগান্তর : কিন্তু বিএনপি বলছে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অসীম। তাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।
ওবায়দুল কাদের : নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী তখন ইচ্ছে করলেও মেট্রোরেল উদ্বোধন করতে পারবেন না। নির্বাচনকালীন মেট্রোরেলের মতো প্রকল্পের কাজ যদি শেষও হয়ে যায়, প্রধানমন্ত্রীর তখন তা উদ্বোধন করার সুযোগ নেই। রুটিন ওয়ার্ক করা ছাড়া তার কিছুই করার থাকবে না। কোনো নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নিতে পারবেন না।
যুগান্তর : এরপরও তারা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার কথা বলছে। সহায়ক সরকারের কথা বলছে।
ওবায়দুল কাদের : আমরা নির্বাচনের আগে সংবিধান পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছি না। কারণ বারবার এসব আশকারা দিলে দেশের শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিনি। তিনি কারচুপি, ষড়যন্ত্র, জালিয়াতি করে ক্ষমতায় আসবেন- এরকম মনমানসিকতা তার নেই। এটা তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি বলেই বলছি, শেখ হাসিনা এ কাজ করবেন না। বিএনপি এটা ভাবলে ভুল করবে। যদি এবারকার নির্বাচনটা শেখ হাসিনার অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তাহলে ভবিষ্যতে তারাও লাভবান হবে। তা না হলে তারা ক্ষমতায় এলেও বিপদে পড়বে। আমি বলি, শেখ হাসিনার অধীনে আগামী নির্বাচন একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হবে। আমি শতভাগ বিশ্বাস করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জনগণের রায়ের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। বিএনপি অহেতুক ভয় পাচ্ছে। আমার মনে হয়, এই নির্বাচনটা তারা করুক। তারা দেখুক। তারা তো এখন কোথাও নেই। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক, দেশবাসী সাক্ষী আছে। সারা দুনিয়া থেকে পর্যবেক্ষক আসবে। তারা দেখবে। সরকারের সাংবিধানিকভাবে হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই। অহেতুক হস্তক্ষেপ করে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের ইমেজ নষ্ট করা- এ কাজটা আমাদের দ্বারা হবে না।
যুগান্তর : একটা অভিযোগ করা হচ্ছে- খালেদা জিয়াকে শাস্তি দেয়ার মাধ্যমে বিএনপিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে সরকার। যাতে আগামী নির্বাচনে তারা পুরো শক্তি নিয়ে অংশ না নিতে পারে।
ওবায়দুল কাদের : ষোড়শ সংশোধনী যখন বাতিল হল তখন আপনি স্বাগত জানাচ্ছেন। বলছেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। তাহলে স্বাধীন বিচারব্যবস্থায় আপনার যদি শাস্তি হয়, সেটা কেন আপনি মেনে নেবেন না? বিচার বিভাগ স্বাধীন আপনি বলছেন, তাহলে বিচার বিভাগ কি কেস টু কেস স্বাধীন? তাই মামলায় যদি আপনার বিরুদ্ধে রায় হয় তখনও তাহলে বিচার বিভাগ স্বাধীন- আমি সেটাই বলতে চাই।
যুগান্তর : নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ভাঙার গুজবও আছে। বলা হচ্ছে, সরকার বিএনপির একটি অংশ নিয়ে নির্বাচন করতে চায়।
ওবায়দুল কাদের : বিএনপি ভাঙলে তারা নিজেরাই নিজেদের দল ভাঙবে। বিএনপির প্রতিপক্ষ তারা নিজেরাই। যাদের আপন ঘরে শত্রু তাদের শত্রুতা করার জন্য বাইরের শত্রুর কোনো দরকার নেই। এটি জিয়াউর রহমান সাহেবের দল। এখানে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান তারাই তো ডমিনেট করে। এখানে ভাঙাভাঙির যদি কোনো প্রশ্ন আসে সেটা তাদের দলের নিজেদের দ্বন্দ্বের জন্য হতে পারে। দলের সিনিয়র নেতাদের মাঝে এমনও সম্পর্ক যে, কেউ কারও মুখের দিকে তাকাতে পারে না। তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়, নিজেরা নিজেদের সম্পর্কে নানান কথা বলে। এমনকি একজন আরেকজনকে সরকারের এজেন্টও বলে। এ সমস্যাটা আওয়ামী লীগে নেই। বিরোধী দলে থাকতেও ছিল না, এখনও নেই। তাদের এ সংকট রয়ে গেছে। তাদের দল যদি ভাঙে, তাহলে তা নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্বের জন্য ভাঙবে। আওয়ামী লীগের কোনো প্রয়োজন নেই বিএনপিকে ভাঙার।
যুগান্তর : বিএনপিকে নির্বাচনে আনার কোনো বাড়তি উদ্যোগ বা কৌশল কি থাকবে সরকারের?
ওবায়দুল কাদের : বিএনপি নির্বাচনে আসবে এটা আমরা চাই। বিএনপির মতো বড় দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে সে বিজয়েরও একটা দাম আছে। কাজেই আমরা চাই বিএনপি আসুক। আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। তবে বিএনপি নির্বাচনে আসবে কিনা এটা তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়। এজন্য বিএনপিকে কি আমরা করুণা বিতরণ করব? তাদের হাত-পা ধরে নির্বাচনে আনব? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এটা সুযোগ নয়।
যুগান্তর : বিএনপি না এলেও কি ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আবার হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
ওবায়দুল কাদের : সরকার চায় বিএনপি নির্বাচনে আসুক।
যুগান্তর : নির্বাচনের আগে বা এ বছরই মন্ত্রিপরিষদে কোনো পরিবর্তন আসছে কি?
ওবায়দুল কাদের : হয়তো একটা পরিবর্তন হবে। কিন্তু কখন হবে এটা তো প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তাই কবে হবে এটা নিয়ে অন্ধকারে ঢিল ছোড়া ঠিক হবে না। যখন হবে সবাই দেখতে পাবে, আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই দেখতে পাবে। এসব ব্যাপারে যখনই আমি অনুমান বা ধারণার কথা বলব তখনই মন্ত্রীপাড়ায় ঘুম থাকবে না। অযথা কেন বিপদে ফেলছেন। টেনশনটা অহেতুক না। সামনে আবার আরেকটা ঈদ। আছি কী নেই এ চিন্তাটা তো ভালো নয়। যারা মোর দ্যান শিওর তাদের ব্যাপার আলাদা। কিন্তু পরিবর্তনের আগে কথা বললে যারা হতে চায় তারাও টেনশনে থাকবে আর যারা আছে তাদের তো বাদ পড়ার টেনশন থাকবেই। কাজেই অহেতুক টেনশনে কাউকে ফেলতে চাই না।
যুগান্তর : ধন্যবাদ আপনাকে।
ওবায়দুল কাদের : ধন্যবাদ আপনাদেরও।
যুগান্তর : নির্বাচনী ট্রেনে এখন রাজনীতি। বলা যায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সেই ট্রেনের ড্রাইভিং সিটেই আছে। আপনি কী মনে করেন?
ওবায়দুল কাদের : আমরা ট্রেনেই আছি। প্রস্তুতি আরও আগেই শুরু করেছি। এখন সেই প্রস্তুতি পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। আমাদের একদিকে বিভিন্ন আসনে সংসদ সদস্যদের কার কী অবস্থা এ বিষয়ে জরিপ কাজ চলছে। সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি সংস্থা জরিপ করছে। জরিপে পেশাজীবীরা যেমন আছেন তেমনি সরকারি সংস্থাও আছে। এর পাশাপাশি আমরা দলীয় পর্যায়েও খোঁজখবর নিচ্ছি, ক্লোজলি মনিটর করছি। পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজও এগিয়ে চলছে। আমরা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি সভা করছি। বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে শিগগিরই প্রতিনিধি সভা হবে। জেলা পর্যায়ে আমরা অনেক প্রতিনিধি সভা করেছি। এটা শুধু আনুষ্ঠানিক সভা নয়, কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তৃতা-ভাষণে সবকিছু সীমাবদ্ধ রাখিনি আমরা, তৃণমূলে নেতাকর্মীদের বক্তব্যও শুনছি। তাদেরও প্রার্থী নিয়ে চিন্তাভাবনা আছে। সেটা তাদের আলোচনায় প্রকাশ পাচ্ছে। আবার নির্বাচনের সময় তৃণমূলকে একটা চয়েস দেয়া হবে প্রার্থী বাছাইয়ে। তারা প্রার্থী বাছাইয়ে তিনজন পর্যন্ত নাম পাঠাতে পারে। সেটা আমরা জরিপের সঙ্গে মিলিয়ে প্রার্থী বাছাই করব এবং মনোনয়ন দেব।
যুগান্তর : তৃণমূল পর্যায়ে অনেক সংসদ সদস্যই বিতর্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে খুন, দুর্নীতিসহ মাদক পাচারের অভিযোগ আছে। কিছু কিছু জরিপেও এমন সংসদ সদস্য চিহ্নিত হয়েছে বলে জেনেছি। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এসব বিষয় আমলে নেবেন কিনা? নতুন মুখ কি আসবে?
ওবায়দুল কাদের : নতুন মুখ আসবে বেশকিছু আসনে। তবে কতটি আসনে পরিবর্তন হবে তা এখন বলতে পারছি না। এখন যারা আছেন, তাদের কর্মকাণ্ডে যদি কোনো ঘাটতি থাকে, জনমনে কাউকে নিয়ে যদি ইমেজ সংকট থাকে, তাদের আমরা শুদ্ধ হওয়ার জন্য সময়সীমা দিয়েছি- আগামী ছয় মাসের মধ্যে তোমরা নিজেদের ঠিক করে নাও। এ নির্দেশনা মোতাবেক যদি তারা নিজেদের শুদ্ধ করে নিতে পারে, তাহলে আমরা অবশ্যই বিজয়ী হতে পারে এমন প্রার্থীকে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করব।
যুগান্তর : সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতা, মন্ত্রী তাদের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তারা কি এবার মনোনয়নবঞ্চিত হবেন?
ওবায়দুল কাদের : আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী- এলাকায় আমারও যদি জনপ্রিয়তা না থাকে, আমি যদি বিজয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী না হই, তাহলে আমি নিজেও মনোনয়ন নেব না। জনগণ না চাইলে আমি কেন দাঁড়াব?
যুগান্তর : কোন প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার যোগ্যতা রাখে- এর মাপকাঠি কী হবে?
ওবায়দুল কাদের : জনগণকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে প্রার্থীর কার্যকলাপ সম্পর্কে। আমি একটা এলাকায় পা দিলেই তো বুঝতে পারব ওখানকার এমপি সম্পর্কে জনগণের কী ধারণা। আজকাল মানুষ চুপচাপ থাকে না।
যুগান্তর : আওয়ামী লীগ পরপর দু’বার ক্ষমতায়। এবার তৃতীয়বারের জন্য লড়াইয়ে নামছে। সেক্ষেত্রে আবার বিজয় অর্জন কতটা চ্যালেঞ্জের হবে?
ওবায়দুল কাদের : সবকিছু তো ফেভারে থাকে না। আওয়ামী লীগ পরপর দু’বার ক্ষমতাসীন। তাই থার্ড টার্ম নির্বাচনে জেতা একটু কঠিন। এ সমস্যা সব দেশেই আছে। তুরস্কে এরদোগান প্রথমবার যেভাবে জিতেছেন, দ্বিতীয়বার কিন্তু তার ভোট কমেছে। তৃতীয়বারে গিয়ে তার ভোট আরও বেশি কমেছে। অতিরিক্ত ক্ষমতা ব্যবহারের জবাবে গণভোটে তার পক্ষে যে রায় এসেছে তা খুব বেশি ছিল না। তাই তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রে একটা সমস্যা থাকে। তারপরও আমাদের একটা বিশ্বাস আছে। পঁচাত্তর-পরবর্তী ২৮ বছরে যে উন্নয়ন হয়নি, সে উন্নয়ন আমরা গত তিন-সাড়ে তিন বছরে করেছি। এর রেকর্ড আছে এবং এটা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ও প্রশংসিত। বাংলাদেশের লোকজনও জানে। শহরের ভোটারদের মধ্যে নানারকম টানাপোড়েন থাকে, একেকটা বিষয়ে আলোড়িত হয়, হলি আর্টিজান এটারও একটা প্রতিক্রিয়া থাকে, জীবনকে বদলে দেয় এরকম অনেক ঘটনা আছে। তবে গ্রামের চিত্র কিন্তু ভিন্ন। গ্রামের লোকরা উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয় আর দেয় আচরণকে। উন্নয়নকে তারা নম্বর ওয়ান প্রায়োরিটি দেয়, নম্বর টু হচ্ছে আচরণ। এখন আচরণের জন্য আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারি যেহেতু আমরা ক্ষমতায়। ক্ষমতায় থেকে ক্ষমতার দাপট দেখানো- এটা ক্ষতি করে। বিভিন্ন আসনের ক্ষেত্রে অবশ্য এর পার্থক্য আছে। এরপরও আমাদের একটা হিসাব আমরা করেছি। সেই হিসাবে আমরা হয়তো গতবারের মতো অত আসন পাব না। তবে আসন কমলেও বিজয়ের ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণ আশাবাদী।
যুগান্তর : আপনারা ক্ষমতায় আছেন। তাই অনেক আসনে ক্ষমতার দ্বন্দ্বও আছে। এর বহিঃপ্রকাশ বিভিন্ন সময় দেখা গেছে, দেখা যাচ্ছে। এ কোন্দল জিইয়ে থাকলে নির্বাচনে কি তা প্রভাব ফেলবে না?
ওবায়দুল কাদের : কোন্দল নিরসনে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত আছে। যেখানে দ্বন্দ্ব-সংকট আছে সেখানকার নেতাদের নিয়ে দু-একদিন পরপরই বৈঠক চলছে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের ডেকে নিয়ে মীমাংসা করছি, কথাবার্তা বলছি। এতে ফল পাচ্ছি। আমি যখনই ঢাকায় থাকি এবং আমাদের যারা সংশ্লিষ্ট যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আছেন, তাদের নিয়ে আমরা প্রতিদিনই সংকট নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছি। যাকে যা বলার বলে দিচ্ছি। আর কোথাও সাংগঠনিক সংকট থাকলে এর মীমাংসাটাও আমরা এ বৈঠক থেকে দিয়ে দিচ্ছি।
যুগান্তর : তবে কিছু জায়গায় দ্বন্দ্ব-সংকট লেগেই আছে। কোনো কিছুতেই এর সমাধান হচ্ছে না মনে হয়। চট্টগ্রাম এর উদাহরণ হতে পারে।
ওবায়দুল কাদের : বড় দলে বড় কিছু দ্বন্দ্ব থাকবেই। এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের কর্মীরা সচেতন। এটা আমি এই অর্থে বলছি- কিছু নেতা আছে যারা নবাগত, টাকা-পয়সা আছে, নির্বাচন করতে চায়। আবার দলেরও অনেকের ইচ্ছা থাকতেই পারে নির্বাচনের। বড় দল, তাদেরও এমপি হওয়ার একটা স্বপ্ন থাকতে পারে, তারাও চেষ্টা করতে পারে। তবে আমরা সবাইকে বলে দিয়েছি, এখন কোনো প্রার্থী নেই, প্রার্থী হচ্ছে নৌকা। নৌকাকে প্রার্থী করে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সে-ই আমাদের প্রার্থী। তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। আমাদের কর্মীদের এবার একটা বিষয় আছে- পেছনে ফিরে দেখার একটা তাগিদ আছে। সেটা হল ২০০১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে তখন আমাদের হাজার হাজার কর্মী ঘরছাড়া হয়েছে। আমাদের ২১ হাজার নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। আজকে বিএনপি গুম-খুনের কথা বলে, সেই সময় আমাদের কতজন গুম হয়েছে এর হিসাব নেই। কিবরিয়া সাহেব, আহসান উল্লাহ মাস্টারের মতো আমাদের প্রথম সারির অনেক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই হামলায় আইভি রহমানসহ ২৩ জন নিহত হয়েছেন। তবে এর প্রধান লক্ষ্য ছিল আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। এ তথ্যগুলো সবাই জানে। সেই বিভীষিকা, সেই অন্ধকারের ছবি খুব বেশিদিন আগের নয়। তাই আমাদের নেতাকর্মীদের মনে আছে বিএনপি আগের মতো আবার ক্ষমতায় এলে কী হতে পারে। সেই ২০০১ সাল-পরবর্তী যে অবস্থা হয়েছিল এদেশে, তার চেয়ে ভয়াবহ দুঃসময় নেমে আসবে। কাজেই এ বিবেচনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ। এটাও আমাদের ঐক্যের একটা অনুঘটক।
যুগান্তর : সাংগঠনিক ঐক্য বা কার্যক্রমের জায়গা থেকে দ্রুত সহ-সম্পাদক নিয়োগের দাবি আছে নেতাকর্মীদের। শিগগিরই কি এ তালিকা ঘোষণা করা হবে?
ওবায়দুল কাদের : এবার সহ-সম্পাদকের তালিকা আমি করে দিচ্ছি না। এক্ষেত্রে নেত্রীর নির্দেশ আছে। সহ-সম্পাদক আমাদের প্রত্যেক যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে তিনজন করে থাকবে। আট বিভাগে ২৪ জন। ১৯টি সম্পাদকীয় পদ আছে। এর মধ্যে গুরুত্ব ও কাজ বিবেচনায় রেখে প্রতিটি পদের বিপরীতে সহ-সম্পাদক পাঁচজনের মধ্যে সীমিত থাকবে। কেউ তিনজন পাবে, কেউ চারজন, কেউবা পাঁচজন পাবে। কিন্তু উপকমিটি হবে ২০ থেকে ৩০ জনের। এখানে এক্সপার্ট আসবে। আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে যে সংসদ সদস্যরা আছেন, তারা এখানে চলে আসবেন। কাজেই এবার সদস্য থাকা নিয়ে কারও কোনো দ্বিধা থাকবে না। এসব ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে তালিকা জমা পড়ছে। জমা দিলে আমরা অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছি। এবার ওভাবে তালিকা দেব না। তবে বলতে পারি সহ-সম্পাদক একশ’র ভেতরে থাকবে। সদস্য অনেক থাকবে।
যুগান্তর : তবে গতবার সহ-সম্পাদকদের মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাদের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।
ওবায়দুল কাদের : গতবারেরটা গতবারের বিষয়। তখন বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে কৌশলগত কারণে সীমারেখাটা ধরে রাখতে পারিনি। এবার আমরা সীমারেখার বাইরে যাব না।
যুগান্তর : দল সংগঠিত করার পাশাপাশি জোট সম্প্রসারণে এবার আওয়ামী লীগের কৌশল কী? আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোটের নেতৃত্বে আছে। যেখানে বামপন্থী দলের প্রাধান্য। আবার বিপরীত মেরুর হেফাজতে ইসলামের সঙ্গেও সম্পর্ক তৈরি হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের। তাদের নানা দাবি মানা হয়েছে। নির্বাচন এগিয়ে এলে কি ইসলামী দলের দিকে আপনাদের ঝোঁক আরও বাড়বে?
ওবায়দুল কাদের : জোটের বিষয়টি কৌশলগত। আমি একটা বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার করতে বলতে চাই, যারা নানা সন্দেহ করছেন, তাদের জন্য স্পষ্ট করে বলতে চাই, সময়ের প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের কৌশলগত পরিবর্তন হতে পারে; কিন্তু আওয়ামী লীগ তার শেকড় থেকে কখনও একবিন্দুও সরে যাবে না। আমরা আমাদের শেকড়ের বন্ধনে আবদ্ধ, এখান থেকে আমাদের সরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কৌশলগত পরিবর্তন আসবে। আমরা, জাতীয় পার্টি বা ১৪ দলের শরিকরা বা আমাদের সঙ্গে তরিকত ফেডারেশন আছে। এটাও তো ইসলামী দল। গতবার তারা আমাদের জোটে ছিল। এরকম আরও অনেকেই আসতে পারে। তাই বলতে চাই, নির্বাচনী যে জোট সেটা ভিন্ন জিনিস। জোটের একটা বড় প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব জনমনে থাকে। এখন বিএনপিও তো একটা বড় অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে আছে। এরশাদ সাহেবও একটা বড় জোটের কথা বলেছেন। এক্ষেত্রে একেকটি রাজনৈতিক দলের একেক হিসাব।
যুগান্তর : জাতীয় পার্টি মহাজোটের শরিক ছিল। আবার আপনাদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করছে। এরই মধ্যে আগামী নির্বাচন সামনে রেখে তারা আলাদা জোট গঠন করেছে। তাহলে সমীকরণটা কী? বিএনপি নির্বাচনে এলেও কি জাতীয় পার্টি মহাজোটে না এসে আলাদাভাবে নির্বাচন করবে?
ওবায়দুল কাদের : জাতীয় পার্টি শেষ পর্যন্ত কোথায় থাকে সেটা হল বড় কথা। আলাদা আলাদা জোট অনেকেই করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কে কোন জোটে নির্বাচন করবেন সেটা বোধহয় বলার বাস্তব সময় এখনও আসেনি।
যুগান্তর : জোট সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কী কৌশল বা নীতি হবে আওয়ামী লীগের? এখন দেখা যাচ্ছে বাম-ডান-চরম ডান সবাইকে একই ছাতার নিচে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
ওবায়দুল কাদের : নির্বাচনী জোটের ক্ষেত্রে দুটি জায়গায় আমরা স্থির থাকব- সেটা হল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যারাই আমাদের জোটে আসুক এদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু- এ দুটি মৌলিক জায়গায় এক থাকতে হবে। এসব বিষয়ে আমাদের সম মনস্কতার একটা ব্যাপার আছে।
যুগান্তর : রাজনীতির এখন মূল আলোচনা- নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে? বিএনপি সহায়ক সরকারের কথা বলছে। আপনারা কী ভাবছেন? ফর্মুলা কী হবে?
ওবায়দুল কাদের : কোনো ফর্মুলা নেই। ফর্মুলা আমাদের সংবিধান। সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন পরিচালিত হবে, অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন সরকার অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে হয়, বাংলাদেশেও ঠিক সেভাবে হবে। আমরা এখানে ভিন্নতর কিছু কেন আশা করছি? যে নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচন কমিশনকে আমরা গ্রহণ করেছি। বিএনপি গ্রহণ করেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন নেই। কোনো কথাও হচ্ছে না। এর মানে বিএনপি একে মেনে নিয়েছে। যদি মেনে নেয়, তাহলে আগামী নির্বাচন এ কমিশনের অধীনেই যৌক্তিক। তখন যে সরকার থাকবে সেই সরকার একটা রুটিনমাফিক দায়িত্ব পালনের জন্য থাকবে। সেই সরকার নির্বাচনসংশ্লিষ্ট যে সংস্থা-প্রতিষ্ঠান আছে, এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে। ক্ষমতাসীন সরকারের সহায়তা করা ছাড়া অন্য কোনো দায়িত্ব থাকবে না। কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না, শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে। নির্বাচনের জন্য যা যা দরকার সেগুলো নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত থাকবে। যেমন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ তখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার- সেটা তখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। সেনাবাহিনীর যে দায়িত্ব, সেটা নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তাই সে সময় যে সরকার থাকবে সেই সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো ভূমিকা থাকবে না। তাহলে বিএনপির এখানে ভয় কীসের। আমি বুঝি না তারা কেন ভয় পাচ্ছে? তাদের আমলে তারা কীভাবে নির্বাচন করতে চেয়েছে সেটা আমরা জানি। আজিজ মার্কা কমিশন সে সময় আমরা দেখেছি। ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারের ইতিহাস এদেশে আছে, সেটা অন্তত আমাদের সময়ে হবে না।
যুগান্তর : বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য ২০১৪ সালে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেটা সংবিধানের অধীনেই ছিল। এবারও কি বিএনপিকে মন্ত্রিত্বের প্রস্তাব দেয়া হবে? নির্বাচনকালীন মন্ত্রিপরিষদ কি ছোট হবে?
ওবায়দুল কাদের : অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাধারণত ছোট হয়। তাই বলা যায় তখন মন্ত্রিপরিষদ ছোট হয়ে যাবে- বড় রাখার দরকার তো নেই। আরেকটি বিষয় যেটি বলছেন, নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির অংশগ্রহণ থাকবে কিনা? আমি বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব দেবেন কিনা এখনও সে প্রয়োজন আমরা অনুভব করছি না। কারণ বিএনপিকে গতবার ডেকে আমরা পজিটিভ কোনো সাড়া পাইনি। শুধু গালিগালাজ পেয়েছি। খালেদা জিয়া প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোংরা ভাষায় কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ভালোভাবে সম্বোধনও তিনি করেননি। এখনও তার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে সম্মানজনক কথা শোনা যায় না। এভাবে রাজনীতিতে কী সমঝোতা হতে পারে? আপনার ছেলে মারা গেছে, আমি আপনার বাড়ির দরজায় গেলাম, সেখানে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন- এটা যাদের মানসিকতা, তাদের সঙ্গে সমঝোতা কী করে হয়?
যুগান্তর : তবে বিএনপির সেই মানসিকতার কি কিছুটা পরিবর্তন হয়নি? তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির কারণে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যায়নি। কিন্তু এখন তারা সহায়ক সরকারের কথা বলছে- ছাড় দিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকেও এমন কোনো ছাড় দেয়া হবে কিনা?
ওবায়দুল কাদের : ছাড় দিচ্ছে কারণ তারা এখন নোহায়্যার হয়ে গেছে। তারা কোথাও নেই। তাই এখন নানান কথা বলছে। তাদের নেতারা একেক দিন একেক কথা বলে। এক নেতা বলে, যত বাধা আসুক, নির্যাতন আসুক, বিএনপি নির্বাচনে যাবেই। আবার আরেক নেতা খালেদা জিয়ার নির্দেশের কথা বলে হুমকি দেয়, সহায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তাদের কথা যদি ধরি, তাহলে সহায়ক সরকার তো থাকছে। সরকারের হাতে তো কিছু থাকবে না, নামমাত্র দায়িত্ব পালন করবে।
যুগান্তর : কিন্তু বিএনপি বলছে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অসীম। তাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।
ওবায়দুল কাদের : নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী তখন ইচ্ছে করলেও মেট্রোরেল উদ্বোধন করতে পারবেন না। নির্বাচনকালীন মেট্রোরেলের মতো প্রকল্পের কাজ যদি শেষও হয়ে যায়, প্রধানমন্ত্রীর তখন তা উদ্বোধন করার সুযোগ নেই। রুটিন ওয়ার্ক করা ছাড়া তার কিছুই করার থাকবে না। কোনো নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নিতে পারবেন না।
যুগান্তর : এরপরও তারা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনার কথা বলছে। সহায়ক সরকারের কথা বলছে।
ওবায়দুল কাদের : আমরা নির্বাচনের আগে সংবিধান পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছি না। কারণ বারবার এসব আশকারা দিলে দেশের শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিনি। তিনি কারচুপি, ষড়যন্ত্র, জালিয়াতি করে ক্ষমতায় আসবেন- এরকম মনমানসিকতা তার নেই। এটা তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি বলেই বলছি, শেখ হাসিনা এ কাজ করবেন না। বিএনপি এটা ভাবলে ভুল করবে। যদি এবারকার নির্বাচনটা শেখ হাসিনার অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তাহলে ভবিষ্যতে তারাও লাভবান হবে। তা না হলে তারা ক্ষমতায় এলেও বিপদে পড়বে। আমি বলি, শেখ হাসিনার অধীনে আগামী নির্বাচন একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হবে। আমি শতভাগ বিশ্বাস করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জনগণের রায়ের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। বিএনপি অহেতুক ভয় পাচ্ছে। আমার মনে হয়, এই নির্বাচনটা তারা করুক। তারা দেখুক। তারা তো এখন কোথাও নেই। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক, দেশবাসী সাক্ষী আছে। সারা দুনিয়া থেকে পর্যবেক্ষক আসবে। তারা দেখবে। সরকারের সাংবিধানিকভাবে হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই। অহেতুক হস্তক্ষেপ করে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের ইমেজ নষ্ট করা- এ কাজটা আমাদের দ্বারা হবে না।
যুগান্তর : একটা অভিযোগ করা হচ্ছে- খালেদা জিয়াকে শাস্তি দেয়ার মাধ্যমে বিএনপিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে সরকার। যাতে আগামী নির্বাচনে তারা পুরো শক্তি নিয়ে অংশ না নিতে পারে।
ওবায়দুল কাদের : ষোড়শ সংশোধনী যখন বাতিল হল তখন আপনি স্বাগত জানাচ্ছেন। বলছেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। তাহলে স্বাধীন বিচারব্যবস্থায় আপনার যদি শাস্তি হয়, সেটা কেন আপনি মেনে নেবেন না? বিচার বিভাগ স্বাধীন আপনি বলছেন, তাহলে বিচার বিভাগ কি কেস টু কেস স্বাধীন? তাই মামলায় যদি আপনার বিরুদ্ধে রায় হয় তখনও তাহলে বিচার বিভাগ স্বাধীন- আমি সেটাই বলতে চাই।
যুগান্তর : নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ভাঙার গুজবও আছে। বলা হচ্ছে, সরকার বিএনপির একটি অংশ নিয়ে নির্বাচন করতে চায়।
ওবায়দুল কাদের : বিএনপি ভাঙলে তারা নিজেরাই নিজেদের দল ভাঙবে। বিএনপির প্রতিপক্ষ তারা নিজেরাই। যাদের আপন ঘরে শত্রু তাদের শত্রুতা করার জন্য বাইরের শত্রুর কোনো দরকার নেই। এটি জিয়াউর রহমান সাহেবের দল। এখানে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান তারাই তো ডমিনেট করে। এখানে ভাঙাভাঙির যদি কোনো প্রশ্ন আসে সেটা তাদের দলের নিজেদের দ্বন্দ্বের জন্য হতে পারে। দলের সিনিয়র নেতাদের মাঝে এমনও সম্পর্ক যে, কেউ কারও মুখের দিকে তাকাতে পারে না। তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়, নিজেরা নিজেদের সম্পর্কে নানান কথা বলে। এমনকি একজন আরেকজনকে সরকারের এজেন্টও বলে। এ সমস্যাটা আওয়ামী লীগে নেই। বিরোধী দলে থাকতেও ছিল না, এখনও নেই। তাদের এ সংকট রয়ে গেছে। তাদের দল যদি ভাঙে, তাহলে তা নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্বের জন্য ভাঙবে। আওয়ামী লীগের কোনো প্রয়োজন নেই বিএনপিকে ভাঙার।
যুগান্তর : বিএনপিকে নির্বাচনে আনার কোনো বাড়তি উদ্যোগ বা কৌশল কি থাকবে সরকারের?
ওবায়দুল কাদের : বিএনপি নির্বাচনে আসবে এটা আমরা চাই। বিএনপির মতো বড় দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে সে বিজয়েরও একটা দাম আছে। কাজেই আমরা চাই বিএনপি আসুক। আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। তবে বিএনপি নির্বাচনে আসবে কিনা এটা তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়। এজন্য বিএনপিকে কি আমরা করুণা বিতরণ করব? তাদের হাত-পা ধরে নির্বাচনে আনব? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এটা সুযোগ নয়।
যুগান্তর : বিএনপি না এলেও কি ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আবার হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
ওবায়দুল কাদের : সরকার চায় বিএনপি নির্বাচনে আসুক।
যুগান্তর : নির্বাচনের আগে বা এ বছরই মন্ত্রিপরিষদে কোনো পরিবর্তন আসছে কি?
ওবায়দুল কাদের : হয়তো একটা পরিবর্তন হবে। কিন্তু কখন হবে এটা তো প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তাই কবে হবে এটা নিয়ে অন্ধকারে ঢিল ছোড়া ঠিক হবে না। যখন হবে সবাই দেখতে পাবে, আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই দেখতে পাবে। এসব ব্যাপারে যখনই আমি অনুমান বা ধারণার কথা বলব তখনই মন্ত্রীপাড়ায় ঘুম থাকবে না। অযথা কেন বিপদে ফেলছেন। টেনশনটা অহেতুক না। সামনে আবার আরেকটা ঈদ। আছি কী নেই এ চিন্তাটা তো ভালো নয়। যারা মোর দ্যান শিওর তাদের ব্যাপার আলাদা। কিন্তু পরিবর্তনের আগে কথা বললে যারা হতে চায় তারাও টেনশনে থাকবে আর যারা আছে তাদের তো বাদ পড়ার টেনশন থাকবেই। কাজেই অহেতুক টেনশনে কাউকে ফেলতে চাই না।
যুগান্তর : ধন্যবাদ আপনাকে।
ওবায়দুল কাদের : ধন্যবাদ আপনাদেরও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
July
(892)
-
▼
Jul 15
(30)
- জুনিয়র ট্রাম্পের সেই বৈঠকে ছিলেন সোভিয়েত গোয়েন্দা
- সাগর নিচে জাহাজে হাজার কোটি ডলারের সোনা-রুপা
- ভারতে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫
- নিহতদের স্মরণে আঙ্কারায় জড়ো হচ্ছে তুর্কিরা
- বক্তব্যের জন্য আনিসুল হকের দুঃখ প্রকাশ
- 'মেয়র হবার আগে তো পারলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘর ঝাড়ু দেন'
- ঢাকা ছাড়লেন লংকান প্রেসিডেন্ট
- 'ভোটের মালিক জনগণ, ভোট দেবে তাদের ইচ্ছামতো'
- ‘সম্মতি ছাড়া’ বিয়ে ঠিক, তরুণীর আত্মহত্যা
- পর্যাপ্ত ত্রাণ নেই, চরম কষ্টে দিন কাটছে বানভাসির
- পাবনায় ইঞ্জিনসহ বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ
- ফের শোবার ঘরে ১২ গোখরা
- সাভারে নারীর লাশ উদ্ধার
- সাবেক স্বামী ফোন করায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা
- চট্টগ্রামে ভারতীয় শিক্ষার্থীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার
- গাজীপুরে স্ত্রী খুন, স্বামী আটক
- শিশু পরিবারে বেড়ে ওঠা হাবিবার নতুন জীবন শুরু
- সকালে টিউমার রাতে স্বাভাবিক
- রাতে লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
- প্রধান লক্ষ্য সুষ্ঠু নির্বাচন
- নির্বাচনের সময় রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কো...
- আইফোন ৮ : ডিজাইন ও ফিচারে পরিবর্তন আসবে
- পোকেমনে ‘মিস্ট্রি চ্যালেঞ্জ’
- মালয়েশিয়ায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা পাচার
- এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন মিসবাহ
- সাঙ্গাকারার ছক্কায় মোবাইল ভাঙল দর্শকের
- ৭২ ঘণ্টায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ!
- অস্থির শিশু ও খাদ্যাভ্যাস
- শেষ হল মৌসুমী মিমের দুলাভাই জিন্দাবাদ
- অভিনয়কে গুডবাই
-
▼
Jul 15
(30)
-
▼
July
(892)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment