Monday, August 24, 2026
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন ট্রাম্প
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে ট্রাম্প জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন—এমন আশঙ্কা করছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও তার সমালোচকেরা। ট্রাম্প নিজেও এ সম্ভাবনা নাকচ করেননি। বরং তাকে এ বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে বলেছেন, ‘অদ্ভুত ঘটনা এর চেয়েও ঘটেছে।’
ট্রাম্পের সাবেক রাজনৈতিক কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন আরো এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, এমন ঘোষণা আসছে। ২৯ জুলাই নিজের ‘ওয়ার রুম’ ভিডিও পডকাস্টে তিনি বলেন, আগস্টের শেষ সপ্তাহের জন্য প্রস্তুত থাকতে।
তার বক্তব্যে ধারণা তৈরি হয়, মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে জাতীয় নিরাপত্তাজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে।
তবে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেও তা নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্ট এর আগে জরুরি অবস্থা জারি করে ভোট গ্রহণের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেননি।
নির্বাচনসংক্রান্ত মামলায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করা আইনজীবী আরিয়া ব্রাঞ্চের ভাষ্য, প্রশাসন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার আইনি ভিত্তি তৈরির চেষ্টা করছে।
তার মতে, প্রেসিডেন্ট এমন করার যেকোনো সুযোগ খুঁজছেন।
‘সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’
ভোটার অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ভোটার্স অব টুমরো’-এর প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো মেয়ারও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের সম্ভাব্য যেকোনো পদক্ষেপ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন।
মেয়ারের মতে, ট্রাম্প বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। তাই তার সম্ভাব্য যেকোনো পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তার সংগঠনের লক্ষ্য হলো পর্যাপ্তসংখ্যক ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে নেওয়া, যাতে ট্রাম্প যা-ই করার চেষ্টা করুন, তা সফল না হয়।
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারাও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও ছড়ানো এবং ভোটকেন্দ্রে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) সদস্য মোতায়েনের মতো পরিস্থিতিও রয়েছে।
গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করা প্রগতিশীল সংগঠনগুলোও নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য অস্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও নাগরিক সংগঠনও নভেম্বরের ভোটে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তুলসি গ্যাবার্ড, পুলটে ও নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ
সাবেক জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চলতি বছরের শুরুতে জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টিতে এফবিআইয়ের একটি অভিযানে তার উপস্থিতি আলোচনার জন্ম দেয়। পরে কংগ্রেসে দেওয়া সাক্ষ্যে গ্যাবার্ড বলেন, তিনি মার্কিন নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।
গ্যাবার্ডের দল পুয়ের্তো রিকোয় ভোটিং সরঞ্জাম জব্দ ও পরীক্ষা করার সঙ্গে যুক্ত ছিল। তারা কয়েক মাস ধরে ভোটিং মেশিনের সম্ভাব্য দুর্বলতা এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে।
৩০ জুন গ্যাবার্ড পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে দীর্ঘদিনের ট্রাম্প-সমর্থক বিল পুলটেকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেন ট্রাম্প। দুই দলের সদস্যরাই এ নিয়োগের সমালোচনা করেন। কারণ, পুলটের গোয়েন্দা বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। পরে জে ক্লেটন স্থায়ীভাবে ওই পদে দায়িত্ব নেন। তবে পুলটে আড়ালে থেকে নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়টি সামনে আনতে কাজ করেছিলেন বলে ব্যানন দাবি করেন।
ট্রাম্পের জুলাইয়ের ভাষণের রাতেই ব্যানন সিএনএনকে বার্তা পাঠিয়ে বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে অবিলম্বে জাতীয় নিরাপত্তাজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা দরকার। তার মতে, এটি এমন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।
ট্রাম্পের সাবেক হোয়াইট হাউস আইনজীবী টাই কাবও একই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। পিবিএসকে তিনি বলেন, ট্রাম্পের ভাষণের উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনের সময় বা তার কাছাকাছি জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করা।
কাবের মতে, ভোটকেন্দ্রে আইসিই সদস্যদের উপস্থিতি প্রায় নিশ্চিত। ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদেরও সেখানে মোতায়েন করা হতে পারে। তার আশঙ্কা, সংখ্যালঘু ও অভিবাসী ভোটারদের ভয় দেখানো এবং ভোটিং মেশিন জব্দের চেষ্টা হতে পারে।
২০২০ সালের নির্বাচনেও ভোটিং মেশিন জব্দ করতে ট্রাম্প চেয়েছিলেন বলে কাব উল্লেখ করেন। তবে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার তাঁকে জানিয়েছিলেন, এমন পদক্ষেপের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
অ-নাগরিকদের ভোট নিয়ে নতুন প্রচারণা
ট্রাম্পের জুলাইয়ের ভাষণের পর হোয়াইট হাউসের ‘গভর্নমেন্ট ট্রান্সপারেন্সি টাস্কফোর্স’ নির্বাচন নিয়ে গোপনীয়তা তুলে নেওয়া বিভিন্ন নথি প্রকাশ শুরু করে। এতে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়, ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি, সিআইএ ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সদস্যরা যুক্ত ছিলেন।
প্রথম দফার নথিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের দুর্বলতা, অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটার নিবন্ধন তথ্যের ওপর বিদেশি প্রবেশাধিকার এবং বিদেশি ডিজিটাল হস্তক্ষেপের কৌশল নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল।
তবে এসব তথ্যের বড় অংশ আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। নথিগুলোতে এমন মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নও ছিল যে চীন ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল পরিবর্তন করেছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এর এক সপ্তাহ পর নিউ জার্সির গভর্নর মিকি শেরিল জানান, সফটওয়্যারের ত্রুটির কারণে ৬ হাজার ৬০০ অ-নাগরিক ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৪০০ জনেরও কম ভোট দিয়েছিলেন।
ট্রাম্প ও তার মিত্ররা দ্রুত এই তথ্যকে সামনে আনেন। তারা দাবি করেন, ভোটার তালিকায় বিপুলসংখ্যক অ-নাগরিক রয়েছেন। এরপর ৩১ জুলাই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ একটি নোটিশ প্রকাশ করে। এতে নিউ জার্সির প্রশাসনিক ভুলকে কেন্দ্রীয়ভাবে ভোটার তালিকা তদারকির প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
টাস্কফোর্স মিশিগানের একটি মামলার নথিও প্রকাশ করে। সেখানে একটি ভোটার সংগঠনের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক ভোটার নিবন্ধনের অভিযোগে এফবিআই তদন্ত করেছিল। তবে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।
অ্যারিজোনার মারিকোপা কাউন্টির ভোটার তথ্য সংগ্রহের একটি তদন্তসংক্রান্ত নথিও প্রকাশ করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে এসব নথি প্রকাশের গতি আরো বেড়েছে। সোমবার টাস্কফোর্স চীনা গোয়েন্দা সংক্রান্ত একটি তদন্তের নথি প্রকাশ করে। এতে সাবেক ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য এরিক সোয়ালওয়েলের সঙ্গে চীনা নাগরিক ক্রিস্টিন ফ্যাংয়ের সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে। ফ্যাংয়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রচারণায় যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এর পরদিন মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরো জানায়, ২০২০ সালের নির্বাচনে ২৪ হাজার অ-নাগরিক ভোট দিয়েছেন—এমন তথ্য তারা পেয়েছে। ১২ কোটি ৮০ লাখ রেকর্ড প্রাথমিকভাবে মিলিয়ে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।
তবে কী পদ্ধতিতে এই হিসাব করা হয়েছে, তা প্রকাশ করেনি ব্যুরো। গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এ বিশ্লেষণের তীব্র সমালোচনা করেছে।
সেন্টার ফর ইলেকশন ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চের নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বেকার বলেন, প্রশাসনের এই বিশ্লেষণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। কীভাবে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে, তার যথেষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
আরিয়া ব্রাঞ্চের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনে নির্বাহী আদেশ জারির আইনি ভিত্তি খুঁজছে।
তবে তার ধারণা, এমন কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিরাপদ।
ব্রাঞ্চ বলেন, নির্বাচনে অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়া কোনো ব্যাপক সমস্যা নয়। এ নিয়ে ভয় ও প্রচারণা মূলত আতঙ্ক তৈরি এবং ভবিষ্যতে পদক্ষেপ নেওয়ার ভিত্তি তৈরির জন্য করা হচ্ছে।
জুলাইয়ে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ আরো একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার অ-নাগরিক ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত রয়েছেন। তবে অ-নাগরিকদের শনাক্ত করার পদ্ধতি প্রকাশ করা হয়নি। কর্মকর্তারা নিজেদের হিসাবের ব্যাপারে কতটা নিশ্চিত, সেটিও জানানো হয়নি।
এ ক্ষেত্রে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি ভোটার তালিকায় অ-নাগরিক শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ভুল করতে পারে বলে পরিচিত।
‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ নিয়ে চাপ
নির্বাচন নিয়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণার সম্ভাবনা সম্পর্কে হোয়াইট হাউসকে প্রশ্ন করা হলে তারা তা নাকচ করেনি। তবে কাল্পনিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিস বলেন, ডেমোক্র্যাটরা ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’-এর পক্ষে ভোট দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আমেরিকানদের নির্বাচন নিয়ে পূর্ণ আস্থা থেকে বঞ্চিত করছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থানকে তিনি সমর্থন করেন।
এই আইনের মাধ্যমে ভোটের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এতে অঙ্গরাজ্যগুলোকে ভোটার তালিকা কেন্দ্রীয় সরকারের পরিদর্শনের জন্য জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে অযোগ্য মনে করা যেকোনো ব্যক্তির ভোটার নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
আইনটিতে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগও ব্যাপকভাবে সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্প নিয়মিতভাবে ডাকযোগে ভোটের সমালোচনা করেছেন। তবে ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রাইমারিতে চলতি সপ্তাহেও তিনি নিজে ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন বলে খবর রয়েছে।
এ ছাড়া ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সময় নাগরিকত্বের নথি দেখানো এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কয়েক ধরনের ছবি-সংবলিত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।
নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগগুলোকে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে নির্বাচনী ক্ষমতা আরো কেন্দ্রীভূত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরিয়া ব্রাঞ্চ বলেন, প্রশাসনের বক্তব্যগুলো তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তার মতে, এসব বক্তব্যও একধরনের ভয় দেখানোর কৌশল।
তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা সীমিত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্পষ্ট। দেশটির প্রতিষ্ঠাতারাও নির্বাহী বিভাগের হাতে নির্বাচনসংক্রান্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন।
তাই ট্রাম্প প্রশাসন এমন কোনো পদক্ষেপ নিলে তা ঠেকাতে আদালতে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
তবে এর মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নির্বাচন সামনে রেখে অঙ্গরাজ্য, ভোটার অধিকার সংগঠন ও ডেমোক্র্যাটরা সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে নভেম্বরের নির্বাচন শুধু ভোটের লড়াই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনব্যবস্থার ওপর নির্বাহী ক্ষমতার সীমা নিয়েও বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।
![]() |
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(1726)
-
▼
August
(273)
-
▼
Aug 24
(22)
- ফিলিস্তিনের মানুষের গল্প বাঁচিয়ে রাখতে ‘গাজা পাবলি...
- গাজায় মরদেহ দাফনের জায়গা পাননি, দাদার কবরে বাবাকে ...
- মার্কিন কোম্পানিগুলোয় হামলার হুমকি দিল ইরান
- সামরিক দিক থেকে তুরস্ক এত শক্তিশালী হলো কীভাবে
- ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে তিন ধা...
- ভাই–বোন না থাকলে জীবনের যে ৭টি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ...
- মধ্যপ্রাচ্যে কম খরচে ইন্টারসেপ্টর তৈরি করছে যুক্তর...
- মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে ইরানকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ
- গাজায় শিশুদের ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে ইসরাইলের হুমকি
- ফিলিস্তিনে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের আহ...
- হরমুজ প্রণালিতে ভাঙল মার্কিন শক্তির দম্ভ
- মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পা...
- গাজায় লাশে ভরে গেছে কবরস্থান, দাফনের জায়গাও আর নেই
- হিজাব ছাড়াই রাস্তায় ইরানের তরুণীরা, কট্টরপন্থীদের ...
- ‘অনেক সমস্যায়’ ইরান, স্বীকার করলেন পেজেশকিয়ান
- রোবট মানুষের চেয়ে দ্রুত দৌড়াতে পারছে; কিন্তু সূক্ষ...
- উত্তেজনা প্রশমনে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ম...
- রংপুরে এক পরিবারের চারজনকে হত্যা: খুনের কারণ নিয়ে ...
- ট্রাম্পের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে প্রতিবেশীদের...
- জেন-জির ক্ষোভ সামলাতে জোড়া ব্যবস্থা বিজেপির by সৌম...
- ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান ফ্রান্স ও যু...
- কেবল গ্লুটেন নয়, ফ্রুকটানের জন্যও হয় হজমের সমস্যা—...
-
▼
Aug 24
(22)
-
▼
August
(273)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment