Friday, January 25, 2019
যৌন দাসত্ব থেকে দুই কোরিয়ান নারীকে উদ্ধারের কাহিনী by সু-মিন হোয়াং
যৌন দাসত্ব থেকে দুই কোরিয়ান নারীকে উদ্ধারের কাহিনী by সু-মিন হোয়াং

চীনের
ইয়ানজি শহরের একটি আবাসিক এলাকার একটি ভবনের তৃতীয় তলার জানালার সঙ্গে
বিছানার চাদর বেধে বেধে একটি দড়ির মতো তৈরি করে বেধেছেন দুইজন নারী।
একটু পর দেখা গেল, তারা সেই কাপড় ধরে জানালা থেকে ঝুলে নীচে নেমে আসছেন।
জানালার নীচেই দাঁড়িয়ে রয়েছে তাদের উদ্ধারকারীরা। তাদের একজন বলছেন, ''তাড়াতাড়ি, আমাদের বেশি সময় নেই''।
নিরাপদেই তারা দুজন নীচে নেমে এলেন। এরপর দৌড়ে একটু দূরে অপেক্ষায় থাকা উদ্ধারকারীদের গাড়িতে উঠে পড়লেন।
কিন্তু তাদের বিপদ এখনো কাটেনি।
মিরা এবং জিউন, দুজনেই উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা নারী, যারা মানব পাচারকারীদের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন।
যারা তাদের উত্তর কোরিয়া থেকে চোরাচালানের পথ ধরে পালাতে সাহায্য করেছিল, চীনের সীমান্ত অতিক্রমের পরে তারাই একটি যৌন ব্যবসা দলের কাছে তাদের হস্তান্তর করে দেয়।গত পাঁচ বছর ধরে মিরাকে এবং আট বছরআটকে থাকা অবস্থায় যৌন ওয়েব সাইটে মিরাধরে জিউনকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দী করে ওয়েবক্যামের সামনে যৌনকর্মী হিসাবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। অনেক সময় ওয়েবক্যামের সামনে তাদের সরাসরি যৌনকর্ম অংশ নিতে বাধ্য করা হতো।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া উত্তর কোরিয়া ত্যাগ করা বেআইনি। এখনো দেশ ছাড়তে গিয়ে অনেকে জীবন সংশয়েও পড়েন।
দক্ষিণ কোরিয়ায় গেলে নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া যায়। কিন্তু উত্তর আর দক্ষিণ কোরিয়ার মাঝের ভূখণ্ডটি সামরিক এলাকা এবং অসংখ্য মাইনে ভরা। ফলে কারো পক্ষে সেখান থেকে পালানো প্রায় অসম্ভব।
ফলে দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক অনেক উত্তর কোরিয়ান বরং উত্তরের দিকে যায় এবং সেখান থেকে চীনের সীমান্ত অতিক্রম করে।
কিন্তু উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা লোকজনকে অবৈধ অভিবাসী বলে চীনে মনে করা হয় এবং ধরতে পারলে আবার ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়। এভাবে দেশে ফিরে গেলে এই দেশত্যাগীদের 'পিতৃভূমির প্রতি বিদ্রোহের' অভিযোগে নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাগারে ঠাই হয়।
১৯৯০ সালে উত্তর কোরিয়ার চরম দুর্ভিক্ষের সময় অনেক কোরিয়ান তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন, যাকে বলা হয় আরডুয়োস মার্চ, যখন অন্তত ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
কিন্তু ২০১১ সালে কিম জং-আন ক্ষমতায় আসার পর থেকে উত্তর কোরিয়া থেকে দেশত্যাগী মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে।
সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ আর দালালদের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে এর কারণ হিসাবে মনে করা হয়। মিরা যখন দেশ ত্যাগ করেন, তখন তার বয়স ২২ বছর।
দুর্ভিক্ষের শেষের দিকে তার জন্ম, যারা উত্তর কোরিয়ার নতুন প্রজন্ম হিসাবে বেড়ে উঠেছে। যারা আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেটের বদৌলতে ডিভিডি, কসমেটিকস, কাপড়চোপড় আর পাইরেটেডে বিদেশী চলচ্চিত্র দেখতে পারে।
বহির্বিশ্বের এসব জিনিস তাদের দেশ ত্যাগ করতে আগ্রহী করে তোলে। পাইরেডেট যেসব চলচ্চিত্র তারা দেখতে পায়, সেখানে বহির্বিশ্বের একটি খণ্ডিত চিত্র তাদের চোখে ধরা পড়ে, যা তাদের দেশ ত্যাগ করতে উৎসাহ যোগায়।
ফলে যারা উত্তর কোরিয়া ত্যাগ করে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন, মিরা তাদেরই একজন।
''আমি চীনা চলচ্চিত্রগুলো বুদ হয়ে গিয়েছিলাম এবং ভাবতে শুরু করেছিলাম যে, চীনের সব মানুষই হয়তো এরকম। আমি একজন চীনা যুবককে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম এবং উত্তর কোরিয়াতে এরকম একজনকে অনেকদিন ধরে খুঁজেছি।'' বলছেন মিরা।
তারা পিতা, সাবেক সৈনিক এবং পার্টির একজন সদস্য ছিলেন খুবই কড়া একজন ব্যক্তি, যিনি পরিবারকে শক্ত হাতে পরিচালনা করতেন। কখনো কখনো তিনি মিরাকে মারধরও করতেন। একজন চিকিৎসক হতে চেয়েছিলেন মিরা, কিন্তু তার পিতা তাতে বাধা দেন। ফলে সে আরো বেশি হতাশ হয়ে পড়ে এবং চীনে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।
''আমার বাবা ছিলেন পার্টির একজন সদস্য এবং এটা ছিল দম বন্ধ করা একটি ব্যাপার। তিনি আমাদের বিদেশী চলচ্চিত্র দেখতে দিতেন না, আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠতে হতো এবং ঘুমাতে যেতে হতো। আমার নিজস্ব কোন জীবন ছিল না।''
অনেক বছর ধরে মিরা একজন দালালকে খোঁজেন যিনি তাদের টুমেন নদী পার হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করতে সহায়তা করবেন। কিন্তু সরকারের সঙ্গে তার পরিবারের সম্পর্ক চোরাকারবারিদের নার্ভাস করে তোলে যে, মিরা হয়তো তাদের সম্পর্কে সরকারকে জানিয়ে দেবে।
চার বছর ধরে চেষ্টার পরে অবশেষে তিনি এমন একজনে খুঁজে পেলেন, যিনি তাকে সীমান্ত পার হতে সহায়তা করবেন। অন্য অনেক দেশত্যাগীর মতো পাচারকারীদের দেয়ার জন্য মিরারও পর্যাপ্ত অর্থ ছিল না। সুতরাং সে 'বিক্রি' হতে রাজি হয়, যার ফলে কাজ করে সে তার দেনা শোধ করবে। মিরা ভেবেছিল, তাকে কাজ করতে হবে কোন রেস্তোরায়।
কিন্তু সে আসলে প্রতারণার শিকার হয়। মিরা এমন একটি পাচারকারী গ্রুপের শিকারে পরিণত হয়, যারা উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা নারীদের যৌন ব্যবসায় বাধ্য করে থাকে।
টুমেন নদী পার হয়ে চীনে প্রবেশের পর মিরাকে সরাসরি ইয়ানজি শহরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাকে একজন কোরিয়ান-চীনা ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই ব্যক্তিকে এরপর থেকে সে 'পরিচালক' হিসাবেই চিনবে।
ইয়ানবিয়ান অঞ্চলের কেন্দ্র স্থলে ইয়ানজি শহরটি অবস্থিত। আদি কোরিয়ান অধ্যুষিত এলাকাটি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র, যেখানে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা অনেকেই লুকিয়ে থাকেন।
পলাতকদের বড় একটি অংশই নারী। কিন্তু চীনে তাদের বসবাসের কোন আইনি মর্যাদা না থাকায় এই নারীরা সহজ শিকারে পরিণত হয়। অনেকে গ্রামীণ এলাকাগুলোয় কনে হিসাবে বিক্রি হয়, অনেকে যৌনকর্মী হিসাবে কাজ করতে বাধ্য হয়, আর মিরার মতো অনেকে ক্যামেরার সামনে যৌনতা সংশ্লিষ্ট কাজ করতে বাধ্য হয়। অ্যাপার্টমেন্টে আসার পর ওই পরিচালক মিরার কাছে অবশেষে ব্যাখ্যা করে বলেন যে, তার চাকরিটা আসলে কী?
মিরার জন্য একজন প্রশিক্ষক ঠিক করে দেন তিনি, যে তার সঙ্গে একই রুমে থাকবে। মিরাকে চোখে চোখে রাখবে, শেখাবে এবং অভ্যাস করাবে।
''আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। অনেক মানুষের সামনে সব পোশাক খুলে ফেলা, একজন নারী হিসাবে এটা খুবই অপমানজনক ছিল। আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লে তারা আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমার দেশের কথা মনে পড়ছে কিনা!''
ওই যৌন ওয়েবসাইট এবং এর বেশিরভাগ গ্রাহকই দক্ষিণ কোরিয়ান। তারা প্রতি মিনিটের জন্য টাকা দিতো, সুতরাং নারীদের উৎসাহ দেয়া হতো তারা যেন যত বেশি সম্ভব গ্রাহকদের ওয়েবসাইটে ধরে রাখে।
যখনি মিরা আর এই কাজ করতে চাইতো না, ওই পরিচালক তাকে উত্তর কোরিয়া ফেরত পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দিতেন।
''আমার পরিবারের সব সদস্য সরকারে কাজ করে। আমি সেখানে ফিরে গেলে তাদের সবার লজ্জার কারণ হবো। তার চেয়ে আমার নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বা মরে যাওয়া ভালো।'' বলছেন মিরা। একই সময়ে ওই অ্যাপার্টমেন্টে নয়জন পর্যন্ত নারী থাকতেন। যখন মিরার প্রথম রুমমেট আরেকটি মেয়ের সঙ্গে মিলে পালিয়ে যায়, তখন মিরাকে আরেকটি গ্রুপের সঙ্গে থাকতে দেয়া হয়। সেখানেই তার প্রথম জিউনের সঙ্গে পরিচয় হয়।
২০১০ সালে যখন উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসে, তখন জিউনের বয়স মাত্র ১৬ বছর।
তার দুই বছর বয়সের সময় তার বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় এবং তাদের পরিবার চরম দারিদ্রের মধ্যে পড়ে। ১১ বছর বয়সে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়, যাতে সে কাজ করতে পারে। বাড়তি কিছু অর্থ আয়ের উদ্দেশ্যে অবশেষে তার পরিবার চীনে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু মিরার মতো সেও দালালদের খপ্পরে পড়ে।
যখন সে ইয়ানজি শহরে আসে, 'পরিচালক' তাকে পুনরায় উত্তর কোরিয়া পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। কারণ সে বলে, ''জিউন খুব কালো আর অসুন্দর।''
কিন্তু পরিস্থিতি যাই হোক, জিউন আর সেখানে ফিরে যেতে রাজি ছিল না।
''এটা এমন একটি কাজ, যেটা আমি সবচেয়ে অপছন্দ করি। কিন্তু চীনে আসার জন্য আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি, সুতরাং আমি খালি হাতে ফেরত যেতে পারি না।'' বলছেন জিউন।
''আমার স্বপ্ন ছিল পৃথিবী ছাড়ার আগে আমার দাদা-দাদীকে খানিকটা ভাত খাওয়ানো, যার জন্য আমি সবকিছুই করতে পারি। আমি পরিবারের কাছে কিছু টাকা পাঠাতে চেয়েছিলাম।''জিউন খুব কঠোর পরিশ্রম করে। তার আশা ছিল, পরিচালক হয়তো তার কর্মনিষ্ঠার জন্য তাকে পুরস্কৃত করবে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবে আর তাদের কাছে টাকা পাঠাতে পারবে, এই প্রতিশ্রুতিকে সে এমনভাবে কাজ করতে থাকে যার ফলে সেখানকার অন্য মেয়েদের চেয়েও সে বেশি অর্থ আনতে শুরু করে।
''আমি চেয়েছিলাম যে পরিচালক আমার গুরুত্ব বুঝতে পারুক এবং আমি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চেয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, ভালো করতে পারলে এই বাড়ি থেকে মুক্তি পাওয়া প্রথম মেয়েটি হবো আমি।''
অনেক সময় রাতে সে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়েছে, যাতে সে প্রতিদিনকার লক্ষ্য ১৭৭ ডলার আয় করতে পারে। পরিবারের জন্য অর্থ আয় করতে সে অনেকটা মরিয়া হয়ে ছিল।
এ সময় জিউন মিরাকেও পরামর্শ দিয়েছিল যেন সে বিদ্রোহী হয়ে না ওঠে এবং পরিচালকের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রক্ষা করে।
মিরাকে সে পরামর্শ দিয়েছিল,'' প্রথমত, কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। পরিচালক যদি তোমাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে না থাকে, তাহলে তার সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করতে পারো।''
জিউন বলছে, ওই বছরগুলোতে অন্য মেয়েদের চেয়ে সে অনেক বেশি অর্থ আয় করেছে।
''আমি ভেবেছিলাম পরিচালক সত্যিকারে আমাকে পছন্দ করে। কিন্তু যেদিন আমার আয় কমে গেল, তার চেহারার অভিব্যক্তিও বদলে গেলো। সে হয়তো আমাদের বলতে পারতো যে, এত কষ্ট করো না।''ওই অ্যাপার্টমেন্টটি পরিচালকের পরিবারের সদস্যরা কড়াভাবে পাহারা দিতো। তারা পিতা-মাতা সামনের কক্ষে ঘুমাতো এবং সামনের দরজাটি সবসময়েই বন্ধ থাকতো।
পরিচালক নিজেই মেয়েদের খাবার পৌঁছে দিতো এবং তার ভাই প্রতিদিন সকালে এসে আবর্জনা নিয়ে যেতো।
''এটা ছিল পুরোপুরি একটি কারাগার, বরং তার চেয়েও খারাপ।'' বলছেন জিউন।
প্রতি ছয়মাসে একবার বাইরে যাওয়ার সুযোগ পেতো উত্তর কোরিয়ার মেয়েরা। তবে আয় অনেক বেশি হলে মাসে একবার এই সুযোগ মিলতো। এ সময় তারা কেনাকাটা করতো অথবা চুলের পার্লারে যেতো। কিন্তু তখনো তাদের অন্য কারো সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হতো না।
''একজন প্রেমিকের মতো আমাদের পাশাপাশি হাঁটতেন পরিচালক, কারণ তিনি ভয় পেতেন যে, আমরা হয়তো পালিয়ে যাবো।'' বলছেন মিরা। '' আমি আশেপাশে হেটে দেখতে চাইতাম, কিন্তু সেটা কখনো করতে দেয়া হতো না। কারো সঙ্গে আমাদের কথা বলতে দেয়া হতো না, এমনকি পানির একটি বোতল কেনার সময়েও না। নিজেকে আমার বোকা বোকা মনে হতো। ''
একজন উত্তর কোরীয় নারীকে অ্যাপার্টমেন্টে 'ব্যবস্থাপক' হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন পরিচালক। যখন পরিচালক থাকতেন না, তার পক্ষে অন্য মেয়েদের ওপর তিনি নজরদারি করতেন।
মিরাকে ওই পরিচালক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ভালোভাবে কাজ করলে একজন ভালো মানুষের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে দেবেন। জিউনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তাকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন। যখন জিউন তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করে, তখন তাকে বলা হয়, তার যাতায়াতের জন্য ৫৩২০০ ডলার দিতে হবে। পরে তিনি বলেন, তিনি জিউনকে মুক্তি দিতে পারছেন না, কারণ কোন দালালকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ওয়েবক্যামের সামনে যৌনতার কাজ করার পর যে অর্থ উপার্জন হয়, তার কোন কিছুই কখনো পাননি মিরা বা জিউন।
প্রথমে পরিচালক রাজি হয়েছিল যে, মোট আয়ের ৩০ শতাংশ তাদের দেয়া হবে। যখন তারা চলে যাবে, তখন এই অর্থ তারা পাবে।
কিন্তু মিরা এবং জিউন ক্রমেই বুঝতে শুরু করেছিল যে, তারা হয়তো কোনদিনই মুক্তি পাবে না।
জিউন বলছেন, ''এরকম পরিস্থিতিতে সাধারণত আমরা যা ভাবি, আত্মহত্যা কোন সমাধান নয়। কিন্তু আমি একবার অতিরিক্ত ওষুধ খেয়েছিলাম আর আরেকবার জানালা থেকে ঝাপ দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম।''
এর মধ্যেই মিরার পাঁচটি বছর আর জিউনের সাতটি বছর চলে গেছে। এরপর তিন বছর ধরে চেনা মিরার ওয়েবক্যামের একজন গ্রাহকের তার প্রতি মায়া হয়। তিনি মিরাকে প্যাস্টর চুয়ান কিওয়ানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন, যিনি গত ২০ বছর ধরে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা মানুষজনকে সহায়তা করছেন।
ওই গ্রাহক দূর থেকে মিরার কম্পিউটারে একটি বার্তা পাঠানোর অ্যাপলিকেশন স্থাপন করে দেন, যা দিয়ে মিরা প্যাস্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।
উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা মানুষজনের মধ্যে প্যাস্টর চুয়ান কিওয়ান ভালো পরিচিত। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রায়ই তাকে আক্রমণ করে 'অপহরণকারী' বলে বর্ণনা করে।
১৯৯৯ সালে ক্রিশ্চিয়ান দাতব্য প্রতিষ্ঠান ডুরিহানা প্রতিষ্ঠান পর থেকে তিনি প্রায় ১২০০ দেশত্যাগীকে নিরাপত্তায় সহায়তা করেছেন।
তিনি প্রতিমাসেই দুই অথবা তিনটি উদ্ধার অভিযানের অনুরোধ পান। তবে মিরা আর জিউনের ঘটনাটি তাকে খুবই আহত করে।
প্যাস্টর চুয়ান কিওয়ান বলছেন, ''আমি অনেক মেয়েকে দেখতে পেয়েছি যারা তিনবছর ধরে কারাগারে আছে। কিন্তু এতবছর ধরে এভাবে আটকে রাখার ঘটনা আর আমি দেখিনি। এটা আমার হৃদয় ভেঙ্গে দিয়েছিল।''
তিনি বলছেন, নারীদের পাচারকারী চক্রটি অনেক বেশি সংঘবদ্ধ এবং সীমান্তে পাহারা দেয়া কিছু উত্তর কোরীয় সেনাও এর সাথে জড়িত। চীনের সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয়দের ভাষায়, নারীদের পাচারকে ''কোরিয়ান শুকরের ব্যবসা' বলে বর্ণনা করা হয়। পাচার করা নারীদের দাম ১০০ ডলার থেকে শুরু করে হাজার ডলার হতে পারে।
যদিও সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন, তবে ব্যাপক হারে উত্তর কোরিয়ার নারীদের পাচারের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মানব পাচারের ওপর বাৎসরিক প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়াকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট দেশগুলোর একটি বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
পরবর্তী কয়েক মাস ধরে মিরা এবং জিউনের সঙ্গে একজন গ্রাহক সেজে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন চোয়ান।
তিনি বলছেন, '' সাধারণত আটকে রাখা নারীরা বুঝতে পারে না তারা কোথায় আছে, কারণ এসব অ্যাপার্টমেন্টে হয়তো রাতের বেলা বা চোখ বন্ধ করে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। ভাগ্যক্রমে মিরা এবং জিউন জানতো যে তারা ইয়ানজিতে রয়েছে এবং তারা বাইরে একটি হোটেলের চিহ্ন দেখতে পাচ্ছিল।''
গুগল ম্যাপ থেকে তাদের ঠিকানা বের করে ওই অ্যাপার্টমেন্টটি আগে থেকে ভালো মতো দেখার জন্য একজন স্বেচ্ছাসেবীকে পাঠান চোয়ান।
দেশত্যাগী যেকারো জন্যই চীন থেকে বেরিয়ে যাওয়া বিপদজনক হতে পারে। বেশিরভাগই তৃতীয় একটি দেশে যেতে চান অথবা দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসে। যেখান থেকে তারা বিমানে করে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে পারবেন এবং আশ্রয় চাইতে পারবেন।
তবে কোন পরিচয়পত্র ছাড়া চীনের ভেতর দিয়ে ভ্রমণ করাটি তাদের জন্য বিপদজনক।
''অতীতে দেশত্যাগী মানুষজন ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে চলে যেতে পারতো। কিন্তু এখন কর্মকর্তারা এমন যন্ত্র ব্যবহার করেন, যা দিয়ে বোঝা যায় যে, পরিচয়পত্রটি আসল নাকি নকল।'' বলছেন চোয়ান।
ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পালানোর পর জিউন এবং মিরা চীনের ভেতর দিয়ে ডুরিহানার স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেন।
পরিচয়পত্র না থাকার কারণে তারা কোন হোটেলে উঠতে পারেননি। ফলে তাদের ট্রেনে ঘুমানো অথবা রেস্তোরায় জেগে বসে থেকে রাত পার করতে হয়েছে। চীনের শেষের দিনে পাঁচ ঘণ্টা ধরে একটি পাহাড় বেয়ে ওঠার পর তারা সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিবেশী একটি দেশে প্রবেশ করে। যে পথ ধরে তারা সেখানে গিয়েছে, তা প্রকাশে বাধা রয়েছে।
অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পালানোর ১২ দিন পরে মিরা এবং জিউনের সঙ্গে প্রথমবারের মতো চোয়ানের দেখা হয়।
''আমি ভেবেছিলাম, আমি তখনি নিরাপদ বোধ করবো যখন আমি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকত্ব পাবো। কিন্তু প্যাস্টর চোয়ানের সঙ্গে দেখা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি নিরাপদ বোধ করতে শুরু করলাম। আমি মুক্তি পাওয়ার আনন্দে কাঁদতে শুরু করলাম।'' বলছেন জিউন।
পরের ২৭ ঘণ্টা ধরে তারা একটি গাড়িতে করে একসঙ্গে কাছের দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন।
চোয়ান বলছেন, অনেক উত্তর কোরিয়ানের জন্য যাত্রার শেষের অংশটি কঠিন হয়ে যায়, যেহেতু সেটি গাড়িতে করে যেতে হয়, যা অনেকেরই সামর্থ্যের বাইরে।
''দেশত্যাগীরা অনেক সময় গাড়ির ব্যাপারে অসুস্থ হয়ে পড়ে, বমি করেন। এটা নরকের মতো একটি রাস্তা, যা স্বর্গের দিকে নিয়ে যায়।'' বলছেন চোয়ান। দূতাবাসে পৌঁছানোর খানিকক্ষণ আগ মিরা দুর্বলভাবে হাসেন এবং বলেন, তার কান্না আসছে।
''আমার মনে হচ্ছিল, আমি সব দুঃখ দুর্দশা কাটিয়ে উঠলাম। অনেক অনুভূতি আসাযাওয়া করলো। দক্ষিণ কোরিয়া গেলে আমি হয়তো কখনোই আমার পরিবারের সদস্যদের দেখতে পাবো না, সেজন্য আমার অপরাধ বোধও লাগছিল। আমার দেশত্যাগের উদ্দেশ্য এটা ছিল না।'' বলছেন জিউন।
প্যাস্টর চোয়ান এবং দুই তরুণী একসঙ্গে দূতাবাসে প্রবেশ করেন। কয়েক সেকেন্ড পর চোয়ান ফিরে যান, তার কাজ শেষ হয়ে গেছে।
মিরা এবং জিউনকে সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অনেক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় দুইজনকে, যাতে তারা নিশ্চিত হতে পারে যে তারা গুপ্তচর নয়।
এরপরে তাদের পরবর্তী তিনমাস কাটাতে হবে উত্তর কোরিয়ানদের জন্য নির্ধারিত হানাউইন পুনর্বাসন কেন্দ্রে, যেখানে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রশিক্ষণ পাবেন।
দেশত্যাগীরা শিখবেন কিভাবে বাজারহাট করতে হয়, কিভাবে স্মার্ট ফোন চালাতে হয়, মুক্তবাজার অর্থনীতি আর চাকরির প্রশিক্ষণ পাবেন। তাদের নিয়মিত কাউন্সেলিং দেয়া হবে। এরপরে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক হয়ে উঠবেন।
''আমি ইংরেজি অথবা চাইনিজ শিখতে চাই, যাতে আমি একজন ভ্রমণ গাইড হতে পারি'' বলছেন মিরা।
''কফি শপে কফি খেয়ে আর বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করে আমি একটি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে চাই।'' বলছেন জিউন। ''কেউ একজন আমাকে বলেছিল, একটি বৃষ্টি ঠিকই থামবে, কিন্তু আমার জন্য বর্ষাকাল একদিন ধরে চলেছে যে, আমি সূর্যের কথা ভুলেই গেছি।''
একটু পর দেখা গেল, তারা সেই কাপড় ধরে জানালা থেকে ঝুলে নীচে নেমে আসছেন।
জানালার নীচেই দাঁড়িয়ে রয়েছে তাদের উদ্ধারকারীরা। তাদের একজন বলছেন, ''তাড়াতাড়ি, আমাদের বেশি সময় নেই''।
নিরাপদেই তারা দুজন নীচে নেমে এলেন। এরপর দৌড়ে একটু দূরে অপেক্ষায় থাকা উদ্ধারকারীদের গাড়িতে উঠে পড়লেন।
কিন্তু তাদের বিপদ এখনো কাটেনি।
মিরা এবং জিউন, দুজনেই উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা নারী, যারা মানব পাচারকারীদের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন।
যারা তাদের উত্তর কোরিয়া থেকে চোরাচালানের পথ ধরে পালাতে সাহায্য করেছিল, চীনের সীমান্ত অতিক্রমের পরে তারাই একটি যৌন ব্যবসা দলের কাছে তাদের হস্তান্তর করে দেয়।গত পাঁচ বছর ধরে মিরাকে এবং আট বছরআটকে থাকা অবস্থায় যৌন ওয়েব সাইটে মিরাধরে জিউনকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দী করে ওয়েবক্যামের সামনে যৌনকর্মী হিসাবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। অনেক সময় ওয়েবক্যামের সামনে তাদের সরাসরি যৌনকর্ম অংশ নিতে বাধ্য করা হতো।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া উত্তর কোরিয়া ত্যাগ করা বেআইনি। এখনো দেশ ছাড়তে গিয়ে অনেকে জীবন সংশয়েও পড়েন।
দক্ষিণ কোরিয়ায় গেলে নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া যায়। কিন্তু উত্তর আর দক্ষিণ কোরিয়ার মাঝের ভূখণ্ডটি সামরিক এলাকা এবং অসংখ্য মাইনে ভরা। ফলে কারো পক্ষে সেখান থেকে পালানো প্রায় অসম্ভব।
ফলে দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক অনেক উত্তর কোরিয়ান বরং উত্তরের দিকে যায় এবং সেখান থেকে চীনের সীমান্ত অতিক্রম করে।
কিন্তু উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা লোকজনকে অবৈধ অভিবাসী বলে চীনে মনে করা হয় এবং ধরতে পারলে আবার ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়। এভাবে দেশে ফিরে গেলে এই দেশত্যাগীদের 'পিতৃভূমির প্রতি বিদ্রোহের' অভিযোগে নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাগারে ঠাই হয়।
১৯৯০ সালে উত্তর কোরিয়ার চরম দুর্ভিক্ষের সময় অনেক কোরিয়ান তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন, যাকে বলা হয় আরডুয়োস মার্চ, যখন অন্তত ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
কিন্তু ২০১১ সালে কিম জং-আন ক্ষমতায় আসার পর থেকে উত্তর কোরিয়া থেকে দেশত্যাগী মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে।
সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ আর দালালদের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে এর কারণ হিসাবে মনে করা হয়। মিরা যখন দেশ ত্যাগ করেন, তখন তার বয়স ২২ বছর।
দুর্ভিক্ষের শেষের দিকে তার জন্ম, যারা উত্তর কোরিয়ার নতুন প্রজন্ম হিসাবে বেড়ে উঠেছে। যারা আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেটের বদৌলতে ডিভিডি, কসমেটিকস, কাপড়চোপড় আর পাইরেটেডে বিদেশী চলচ্চিত্র দেখতে পারে।
বহির্বিশ্বের এসব জিনিস তাদের দেশ ত্যাগ করতে আগ্রহী করে তোলে। পাইরেডেট যেসব চলচ্চিত্র তারা দেখতে পায়, সেখানে বহির্বিশ্বের একটি খণ্ডিত চিত্র তাদের চোখে ধরা পড়ে, যা তাদের দেশ ত্যাগ করতে উৎসাহ যোগায়।
ফলে যারা উত্তর কোরিয়া ত্যাগ করে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন, মিরা তাদেরই একজন।
''আমি চীনা চলচ্চিত্রগুলো বুদ হয়ে গিয়েছিলাম এবং ভাবতে শুরু করেছিলাম যে, চীনের সব মানুষই হয়তো এরকম। আমি একজন চীনা যুবককে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম এবং উত্তর কোরিয়াতে এরকম একজনকে অনেকদিন ধরে খুঁজেছি।'' বলছেন মিরা।
তারা পিতা, সাবেক সৈনিক এবং পার্টির একজন সদস্য ছিলেন খুবই কড়া একজন ব্যক্তি, যিনি পরিবারকে শক্ত হাতে পরিচালনা করতেন। কখনো কখনো তিনি মিরাকে মারধরও করতেন। একজন চিকিৎসক হতে চেয়েছিলেন মিরা, কিন্তু তার পিতা তাতে বাধা দেন। ফলে সে আরো বেশি হতাশ হয়ে পড়ে এবং চীনে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।
''আমার বাবা ছিলেন পার্টির একজন সদস্য এবং এটা ছিল দম বন্ধ করা একটি ব্যাপার। তিনি আমাদের বিদেশী চলচ্চিত্র দেখতে দিতেন না, আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠতে হতো এবং ঘুমাতে যেতে হতো। আমার নিজস্ব কোন জীবন ছিল না।''
অনেক বছর ধরে মিরা একজন দালালকে খোঁজেন যিনি তাদের টুমেন নদী পার হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করতে সহায়তা করবেন। কিন্তু সরকারের সঙ্গে তার পরিবারের সম্পর্ক চোরাকারবারিদের নার্ভাস করে তোলে যে, মিরা হয়তো তাদের সম্পর্কে সরকারকে জানিয়ে দেবে।
চার বছর ধরে চেষ্টার পরে অবশেষে তিনি এমন একজনে খুঁজে পেলেন, যিনি তাকে সীমান্ত পার হতে সহায়তা করবেন। অন্য অনেক দেশত্যাগীর মতো পাচারকারীদের দেয়ার জন্য মিরারও পর্যাপ্ত অর্থ ছিল না। সুতরাং সে 'বিক্রি' হতে রাজি হয়, যার ফলে কাজ করে সে তার দেনা শোধ করবে। মিরা ভেবেছিল, তাকে কাজ করতে হবে কোন রেস্তোরায়।
কিন্তু সে আসলে প্রতারণার শিকার হয়। মিরা এমন একটি পাচারকারী গ্রুপের শিকারে পরিণত হয়, যারা উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা নারীদের যৌন ব্যবসায় বাধ্য করে থাকে।
টুমেন নদী পার হয়ে চীনে প্রবেশের পর মিরাকে সরাসরি ইয়ানজি শহরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাকে একজন কোরিয়ান-চীনা ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই ব্যক্তিকে এরপর থেকে সে 'পরিচালক' হিসাবেই চিনবে।
ইয়ানবিয়ান অঞ্চলের কেন্দ্র স্থলে ইয়ানজি শহরটি অবস্থিত। আদি কোরিয়ান অধ্যুষিত এলাকাটি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র, যেখানে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা অনেকেই লুকিয়ে থাকেন।
পলাতকদের বড় একটি অংশই নারী। কিন্তু চীনে তাদের বসবাসের কোন আইনি মর্যাদা না থাকায় এই নারীরা সহজ শিকারে পরিণত হয়। অনেকে গ্রামীণ এলাকাগুলোয় কনে হিসাবে বিক্রি হয়, অনেকে যৌনকর্মী হিসাবে কাজ করতে বাধ্য হয়, আর মিরার মতো অনেকে ক্যামেরার সামনে যৌনতা সংশ্লিষ্ট কাজ করতে বাধ্য হয়। অ্যাপার্টমেন্টে আসার পর ওই পরিচালক মিরার কাছে অবশেষে ব্যাখ্যা করে বলেন যে, তার চাকরিটা আসলে কী?
মিরার জন্য একজন প্রশিক্ষক ঠিক করে দেন তিনি, যে তার সঙ্গে একই রুমে থাকবে। মিরাকে চোখে চোখে রাখবে, শেখাবে এবং অভ্যাস করাবে।
''আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। অনেক মানুষের সামনে সব পোশাক খুলে ফেলা, একজন নারী হিসাবে এটা খুবই অপমানজনক ছিল। আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লে তারা আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমার দেশের কথা মনে পড়ছে কিনা!''
ওই যৌন ওয়েবসাইট এবং এর বেশিরভাগ গ্রাহকই দক্ষিণ কোরিয়ান। তারা প্রতি মিনিটের জন্য টাকা দিতো, সুতরাং নারীদের উৎসাহ দেয়া হতো তারা যেন যত বেশি সম্ভব গ্রাহকদের ওয়েবসাইটে ধরে রাখে।
যখনি মিরা আর এই কাজ করতে চাইতো না, ওই পরিচালক তাকে উত্তর কোরিয়া ফেরত পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দিতেন।
''আমার পরিবারের সব সদস্য সরকারে কাজ করে। আমি সেখানে ফিরে গেলে তাদের সবার লজ্জার কারণ হবো। তার চেয়ে আমার নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বা মরে যাওয়া ভালো।'' বলছেন মিরা। একই সময়ে ওই অ্যাপার্টমেন্টে নয়জন পর্যন্ত নারী থাকতেন। যখন মিরার প্রথম রুমমেট আরেকটি মেয়ের সঙ্গে মিলে পালিয়ে যায়, তখন মিরাকে আরেকটি গ্রুপের সঙ্গে থাকতে দেয়া হয়। সেখানেই তার প্রথম জিউনের সঙ্গে পরিচয় হয়।
২০১০ সালে যখন উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসে, তখন জিউনের বয়স মাত্র ১৬ বছর।
তার দুই বছর বয়সের সময় তার বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় এবং তাদের পরিবার চরম দারিদ্রের মধ্যে পড়ে। ১১ বছর বয়সে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়, যাতে সে কাজ করতে পারে। বাড়তি কিছু অর্থ আয়ের উদ্দেশ্যে অবশেষে তার পরিবার চীনে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু মিরার মতো সেও দালালদের খপ্পরে পড়ে।
যখন সে ইয়ানজি শহরে আসে, 'পরিচালক' তাকে পুনরায় উত্তর কোরিয়া পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। কারণ সে বলে, ''জিউন খুব কালো আর অসুন্দর।''
কিন্তু পরিস্থিতি যাই হোক, জিউন আর সেখানে ফিরে যেতে রাজি ছিল না।
''এটা এমন একটি কাজ, যেটা আমি সবচেয়ে অপছন্দ করি। কিন্তু চীনে আসার জন্য আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি, সুতরাং আমি খালি হাতে ফেরত যেতে পারি না।'' বলছেন জিউন।
''আমার স্বপ্ন ছিল পৃথিবী ছাড়ার আগে আমার দাদা-দাদীকে খানিকটা ভাত খাওয়ানো, যার জন্য আমি সবকিছুই করতে পারি। আমি পরিবারের কাছে কিছু টাকা পাঠাতে চেয়েছিলাম।''জিউন খুব কঠোর পরিশ্রম করে। তার আশা ছিল, পরিচালক হয়তো তার কর্মনিষ্ঠার জন্য তাকে পুরস্কৃত করবে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবে আর তাদের কাছে টাকা পাঠাতে পারবে, এই প্রতিশ্রুতিকে সে এমনভাবে কাজ করতে থাকে যার ফলে সেখানকার অন্য মেয়েদের চেয়েও সে বেশি অর্থ আনতে শুরু করে।
''আমি চেয়েছিলাম যে পরিচালক আমার গুরুত্ব বুঝতে পারুক এবং আমি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চেয়েছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, ভালো করতে পারলে এই বাড়ি থেকে মুক্তি পাওয়া প্রথম মেয়েটি হবো আমি।''
অনেক সময় রাতে সে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়েছে, যাতে সে প্রতিদিনকার লক্ষ্য ১৭৭ ডলার আয় করতে পারে। পরিবারের জন্য অর্থ আয় করতে সে অনেকটা মরিয়া হয়ে ছিল।
এ সময় জিউন মিরাকেও পরামর্শ দিয়েছিল যেন সে বিদ্রোহী হয়ে না ওঠে এবং পরিচালকের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রক্ষা করে।
মিরাকে সে পরামর্শ দিয়েছিল,'' প্রথমত, কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। পরিচালক যদি তোমাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে না থাকে, তাহলে তার সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করতে পারো।''
জিউন বলছে, ওই বছরগুলোতে অন্য মেয়েদের চেয়ে সে অনেক বেশি অর্থ আয় করেছে।
''আমি ভেবেছিলাম পরিচালক সত্যিকারে আমাকে পছন্দ করে। কিন্তু যেদিন আমার আয় কমে গেল, তার চেহারার অভিব্যক্তিও বদলে গেলো। সে হয়তো আমাদের বলতে পারতো যে, এত কষ্ট করো না।''ওই অ্যাপার্টমেন্টটি পরিচালকের পরিবারের সদস্যরা কড়াভাবে পাহারা দিতো। তারা পিতা-মাতা সামনের কক্ষে ঘুমাতো এবং সামনের দরজাটি সবসময়েই বন্ধ থাকতো।
পরিচালক নিজেই মেয়েদের খাবার পৌঁছে দিতো এবং তার ভাই প্রতিদিন সকালে এসে আবর্জনা নিয়ে যেতো।
''এটা ছিল পুরোপুরি একটি কারাগার, বরং তার চেয়েও খারাপ।'' বলছেন জিউন।
প্রতি ছয়মাসে একবার বাইরে যাওয়ার সুযোগ পেতো উত্তর কোরিয়ার মেয়েরা। তবে আয় অনেক বেশি হলে মাসে একবার এই সুযোগ মিলতো। এ সময় তারা কেনাকাটা করতো অথবা চুলের পার্লারে যেতো। কিন্তু তখনো তাদের অন্য কারো সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হতো না।
''একজন প্রেমিকের মতো আমাদের পাশাপাশি হাঁটতেন পরিচালক, কারণ তিনি ভয় পেতেন যে, আমরা হয়তো পালিয়ে যাবো।'' বলছেন মিরা। '' আমি আশেপাশে হেটে দেখতে চাইতাম, কিন্তু সেটা কখনো করতে দেয়া হতো না। কারো সঙ্গে আমাদের কথা বলতে দেয়া হতো না, এমনকি পানির একটি বোতল কেনার সময়েও না। নিজেকে আমার বোকা বোকা মনে হতো। ''
একজন উত্তর কোরীয় নারীকে অ্যাপার্টমেন্টে 'ব্যবস্থাপক' হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন পরিচালক। যখন পরিচালক থাকতেন না, তার পক্ষে অন্য মেয়েদের ওপর তিনি নজরদারি করতেন।
মিরাকে ওই পরিচালক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ভালোভাবে কাজ করলে একজন ভালো মানুষের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে দেবেন। জিউনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তাকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন। যখন জিউন তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করে, তখন তাকে বলা হয়, তার যাতায়াতের জন্য ৫৩২০০ ডলার দিতে হবে। পরে তিনি বলেন, তিনি জিউনকে মুক্তি দিতে পারছেন না, কারণ কোন দালালকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ওয়েবক্যামের সামনে যৌনতার কাজ করার পর যে অর্থ উপার্জন হয়, তার কোন কিছুই কখনো পাননি মিরা বা জিউন।
প্রথমে পরিচালক রাজি হয়েছিল যে, মোট আয়ের ৩০ শতাংশ তাদের দেয়া হবে। যখন তারা চলে যাবে, তখন এই অর্থ তারা পাবে।
কিন্তু মিরা এবং জিউন ক্রমেই বুঝতে শুরু করেছিল যে, তারা হয়তো কোনদিনই মুক্তি পাবে না।
জিউন বলছেন, ''এরকম পরিস্থিতিতে সাধারণত আমরা যা ভাবি, আত্মহত্যা কোন সমাধান নয়। কিন্তু আমি একবার অতিরিক্ত ওষুধ খেয়েছিলাম আর আরেকবার জানালা থেকে ঝাপ দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম।''
এর মধ্যেই মিরার পাঁচটি বছর আর জিউনের সাতটি বছর চলে গেছে। এরপর তিন বছর ধরে চেনা মিরার ওয়েবক্যামের একজন গ্রাহকের তার প্রতি মায়া হয়। তিনি মিরাকে প্যাস্টর চুয়ান কিওয়ানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন, যিনি গত ২০ বছর ধরে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা মানুষজনকে সহায়তা করছেন।
ওই গ্রাহক দূর থেকে মিরার কম্পিউটারে একটি বার্তা পাঠানোর অ্যাপলিকেশন স্থাপন করে দেন, যা দিয়ে মিরা প্যাস্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।
উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা মানুষজনের মধ্যে প্যাস্টর চুয়ান কিওয়ান ভালো পরিচিত। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রায়ই তাকে আক্রমণ করে 'অপহরণকারী' বলে বর্ণনা করে।
১৯৯৯ সালে ক্রিশ্চিয়ান দাতব্য প্রতিষ্ঠান ডুরিহানা প্রতিষ্ঠান পর থেকে তিনি প্রায় ১২০০ দেশত্যাগীকে নিরাপত্তায় সহায়তা করেছেন।
তিনি প্রতিমাসেই দুই অথবা তিনটি উদ্ধার অভিযানের অনুরোধ পান। তবে মিরা আর জিউনের ঘটনাটি তাকে খুবই আহত করে।
প্যাস্টর চুয়ান কিওয়ান বলছেন, ''আমি অনেক মেয়েকে দেখতে পেয়েছি যারা তিনবছর ধরে কারাগারে আছে। কিন্তু এতবছর ধরে এভাবে আটকে রাখার ঘটনা আর আমি দেখিনি। এটা আমার হৃদয় ভেঙ্গে দিয়েছিল।''
তিনি বলছেন, নারীদের পাচারকারী চক্রটি অনেক বেশি সংঘবদ্ধ এবং সীমান্তে পাহারা দেয়া কিছু উত্তর কোরীয় সেনাও এর সাথে জড়িত। চীনের সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয়দের ভাষায়, নারীদের পাচারকে ''কোরিয়ান শুকরের ব্যবসা' বলে বর্ণনা করা হয়। পাচার করা নারীদের দাম ১০০ ডলার থেকে শুরু করে হাজার ডলার হতে পারে।
যদিও সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন, তবে ব্যাপক হারে উত্তর কোরিয়ার নারীদের পাচারের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মানব পাচারের ওপর বাৎসরিক প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়াকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট দেশগুলোর একটি বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
পরবর্তী কয়েক মাস ধরে মিরা এবং জিউনের সঙ্গে একজন গ্রাহক সেজে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন চোয়ান।
তিনি বলছেন, '' সাধারণত আটকে রাখা নারীরা বুঝতে পারে না তারা কোথায় আছে, কারণ এসব অ্যাপার্টমেন্টে হয়তো রাতের বেলা বা চোখ বন্ধ করে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। ভাগ্যক্রমে মিরা এবং জিউন জানতো যে তারা ইয়ানজিতে রয়েছে এবং তারা বাইরে একটি হোটেলের চিহ্ন দেখতে পাচ্ছিল।''
গুগল ম্যাপ থেকে তাদের ঠিকানা বের করে ওই অ্যাপার্টমেন্টটি আগে থেকে ভালো মতো দেখার জন্য একজন স্বেচ্ছাসেবীকে পাঠান চোয়ান।
দেশত্যাগী যেকারো জন্যই চীন থেকে বেরিয়ে যাওয়া বিপদজনক হতে পারে। বেশিরভাগই তৃতীয় একটি দেশে যেতে চান অথবা দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসে। যেখান থেকে তারা বিমানে করে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে পারবেন এবং আশ্রয় চাইতে পারবেন।
তবে কোন পরিচয়পত্র ছাড়া চীনের ভেতর দিয়ে ভ্রমণ করাটি তাদের জন্য বিপদজনক।
''অতীতে দেশত্যাগী মানুষজন ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে চলে যেতে পারতো। কিন্তু এখন কর্মকর্তারা এমন যন্ত্র ব্যবহার করেন, যা দিয়ে বোঝা যায় যে, পরিচয়পত্রটি আসল নাকি নকল।'' বলছেন চোয়ান।
ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পালানোর পর জিউন এবং মিরা চীনের ভেতর দিয়ে ডুরিহানার স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেন।
পরিচয়পত্র না থাকার কারণে তারা কোন হোটেলে উঠতে পারেননি। ফলে তাদের ট্রেনে ঘুমানো অথবা রেস্তোরায় জেগে বসে থেকে রাত পার করতে হয়েছে। চীনের শেষের দিনে পাঁচ ঘণ্টা ধরে একটি পাহাড় বেয়ে ওঠার পর তারা সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিবেশী একটি দেশে প্রবেশ করে। যে পথ ধরে তারা সেখানে গিয়েছে, তা প্রকাশে বাধা রয়েছে।
অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পালানোর ১২ দিন পরে মিরা এবং জিউনের সঙ্গে প্রথমবারের মতো চোয়ানের দেখা হয়।
''আমি ভেবেছিলাম, আমি তখনি নিরাপদ বোধ করবো যখন আমি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকত্ব পাবো। কিন্তু প্যাস্টর চোয়ানের সঙ্গে দেখা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি নিরাপদ বোধ করতে শুরু করলাম। আমি মুক্তি পাওয়ার আনন্দে কাঁদতে শুরু করলাম।'' বলছেন জিউন।
পরের ২৭ ঘণ্টা ধরে তারা একটি গাড়িতে করে একসঙ্গে কাছের দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন।
চোয়ান বলছেন, অনেক উত্তর কোরিয়ানের জন্য যাত্রার শেষের অংশটি কঠিন হয়ে যায়, যেহেতু সেটি গাড়িতে করে যেতে হয়, যা অনেকেরই সামর্থ্যের বাইরে।
''দেশত্যাগীরা অনেক সময় গাড়ির ব্যাপারে অসুস্থ হয়ে পড়ে, বমি করেন। এটা নরকের মতো একটি রাস্তা, যা স্বর্গের দিকে নিয়ে যায়।'' বলছেন চোয়ান। দূতাবাসে পৌঁছানোর খানিকক্ষণ আগ মিরা দুর্বলভাবে হাসেন এবং বলেন, তার কান্না আসছে।
''আমার মনে হচ্ছিল, আমি সব দুঃখ দুর্দশা কাটিয়ে উঠলাম। অনেক অনুভূতি আসাযাওয়া করলো। দক্ষিণ কোরিয়া গেলে আমি হয়তো কখনোই আমার পরিবারের সদস্যদের দেখতে পাবো না, সেজন্য আমার অপরাধ বোধও লাগছিল। আমার দেশত্যাগের উদ্দেশ্য এটা ছিল না।'' বলছেন জিউন।
প্যাস্টর চোয়ান এবং দুই তরুণী একসঙ্গে দূতাবাসে প্রবেশ করেন। কয়েক সেকেন্ড পর চোয়ান ফিরে যান, তার কাজ শেষ হয়ে গেছে।
মিরা এবং জিউনকে সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অনেক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় দুইজনকে, যাতে তারা নিশ্চিত হতে পারে যে তারা গুপ্তচর নয়।
এরপরে তাদের পরবর্তী তিনমাস কাটাতে হবে উত্তর কোরিয়ানদের জন্য নির্ধারিত হানাউইন পুনর্বাসন কেন্দ্রে, যেখানে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রশিক্ষণ পাবেন।
দেশত্যাগীরা শিখবেন কিভাবে বাজারহাট করতে হয়, কিভাবে স্মার্ট ফোন চালাতে হয়, মুক্তবাজার অর্থনীতি আর চাকরির প্রশিক্ষণ পাবেন। তাদের নিয়মিত কাউন্সেলিং দেয়া হবে। এরপরে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক হয়ে উঠবেন।
''আমি ইংরেজি অথবা চাইনিজ শিখতে চাই, যাতে আমি একজন ভ্রমণ গাইড হতে পারি'' বলছেন মিরা।
''কফি শপে কফি খেয়ে আর বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করে আমি একটি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে চাই।'' বলছেন জিউন। ''কেউ একজন আমাকে বলেছিল, একটি বৃষ্টি ঠিকই থামবে, কিন্তু আমার জন্য বর্ষাকাল একদিন ধরে চলেছে যে, আমি সূর্যের কথা ভুলেই গেছি।''
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 25
(7)
- রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতে সচেষ্ট জাতিসংঘ
- যৌন দাসত্ব থেকে দুই কোরিয়ান নারীকে উদ্ধারের কাহিন...
- ইটালির যে যৌনপল্লীতে নেই যৌনকর্মী, আছে শুধু সেক্স ডল
- ভয়াবহ গ্যাং ইয়াকুজা: নিজের মেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে যাদ...
- নরপিশাচ পিতা!
- ভেনিজুয়েলায় বিরোধী নেতার নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা:...
- ফাইটিং ফোর্সের প্রথম ব্যাটালিয়ন আধিনায়ক হলেন চার ন...
-
▼
Jan 25
(7)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment