Saturday, May 3, 2025
পেহেলগামে হামলা: ‘যে সরকারের ভরসায় ঘুরতে গিয়েছিলাম, তারা আমাদের অনাথের মতো ফেলে গেছে’
পেহেলগামে হামলা: ‘যে সরকারের ভরসায় ঘুরতে গিয়েছিলাম, তারা আমাদের অনাথের মতো ফেলে গেছে’
বাড়িভর্তি মানুষের মধ্যে এক কোণে চুপচাপ বসে ছিলেন ঐশান্যা। তাঁর মতোই অবস্থা পরিবারের অন্য সদস্যদের। একমাত্র ছেলে শুভম দ্বিবেদীকে হারিয়েছে এই পরিবার। তাঁরা উত্তর প্রদেশের কানপুরের বাসিন্দা।
শুভমের স্ত্রী ২৯ বছর বয়সী ঐশান্যা বিবিসির সঙ্গে আলাপকালে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলছিলেন, ‘আমাদের দেশ, আমাদের সরকার আমাদের ওখানে (পেহেলগামে) অনাথের মতো ছেড়ে দিয়েছিল। যাদের ওপর ভরসা করে আমরা ওখানে ঘুরতে গিয়েছিলাম, তারা সেই সময় ওখানে উপস্থিত ছিল না।’
হামলার সময়কার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ঐশান্যা বলেন, ‘কোনো নিরাপত্তারক্ষী ছিল না, কোনো জওয়ান ছিল না। ঘরের ভেতরে বাবা-মা আমাদের রক্ষা করতে পারেন। কিন্তু ঘরের বাইরে আমাদের রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের।’
ধীরে ধীরে লোকে শুভমকে ভুলে যাবে
সেলফের ওপর রাখা প্রয়াত স্বামীর ছবির দিকে তাকিয়ে ঐশান্যার গলা ধরে আসে। তিনি বলছিলেন, ‘আমার নিজের চোখের সামনে আমার ভালোবাসা, আমার স্বামী, আমার পৃথিবীকে শেষ হয়ে যেতে দেখেছি। কাউকে যেন এমন দিন না দেখতে হয়।’
তারপর সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে ঐশান্যা দ্বিবেদী বলেন, ‘এই দেশের ভুলের কারণে, সরকারের ব্যর্থতার জন্য আমার স্বামী শহীদ হয়েছেন। তাই শুভমকে শহীদের মর্যাদা দেওয়া হোক।’
ঐশান্যা বলতে থাকেন, ‘আর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রথম গুলিটা শুভমের লেগেছিল। তাই সেই সময় উপস্থিত অনেকে ওখান থেকে পালানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। যাঁরা সেখান থেকে নিরাপদে নিজেদের বাড়িতে পৌঁছাতে পেরেছেন, যাঁরা বলতে পারছেন আমরা বেঁচে গেছি, সেটা একমাত্র শুভমের জন্যই সম্ভব হয়েছে।’
ঐশান্যা দ্বিবেদীসহ গোটা পরিবার দাবি করেছে, ঘটনার দিন শুভম দ্বিবেদীকেই প্রথমে গুলি করা হয়েছিল।
দেশের সব নাগরিকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ঐশান্যা, যাতে তাঁর প্রয়াত স্বামীকে শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়। তাঁর কথায়, ‘শুভমের জন্য অনেক জীবন রক্ষা পেয়েছে। তাই তাঁকে শহীদের মর্যাদা দেওয়ার এই দাবিতে সবাই যাতে আমাদের পাশে দাঁড়ান, সেই অনুরোধ জানাচ্ছি। শুভম শহীদের মর্যাদা না পেলে ওকে কিছুদিনের মধ্যেই সবাই ভুলে যাবে।’
‘আমার ছেলের বেড়াতে যাওয়ার শখ ছিল’
শুভমের বাবা সঞ্জয় কুমার দ্বিবেদী বিবিসিকে বলেন, ‘আমাদের ছেলে ঘুরতে খুব ভালোবাসত। বিশ্বের বহু দেশ ঘুরেছে। সব জায়গা থেকেই নিরাপদে ঘরে ফিরে এসেছে। এটা তো আমাদের দেশ ছিল। নিজের দেশেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো।’
দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নিরাপত্তার বিষয়ে আবেদন জানিয়েছেন সঞ্জয় কুমার।
শুভম দ্বিবেদীর মা অন্য একটা ঘরে একা বসেছিলেন। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না তিনি।
ছেলের মৃত্যুর পর থেকে সঞ্জয় কুমার দ্বিবেদীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। কারও সঙ্গেই খুব একটা কথা বলেন না তিনি।
তিন–চার বছর আগে বাবার সিমেন্টের ব্যবসার পুরো দায়িত্ব নিয়েছিলেন শুভম। তিনি এমবিএ করেছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিয়েও করেছিলেন ঐশান্যাকে। মধ্যপ্রদেশের ওরছায় ‘ডেসটিনেশন ওয়েডিং’ করেন তাঁরা।
এই নববিবাহিত যুগলের বিয়ের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে। পরিবারের সবাই যে কতটা খুশি ছিলেন, তা ওই সব ছবি ও ভিডিওতে স্পষ্ট।
একটা ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে শুভমের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ঐশান্যার। প্রথম দেখা হয়েছিল ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর।
সেই দিনের কথা স্মরণ করে ঐশান্যা দ্বিবেদী বলেন, ‘গত ছয়-সাত মাসে শুভম আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। সেই সব স্মৃতি আঁকড়ে আমি আমার বাকি জীবনটা এই বাড়িতেই কাটিয়ে দেব।’
‘রাগ ছিল সরকারের ওপর, মারা হয়েছে নিরীহ মানুষকে’
ঐশান্যা জানান, শুভম দ্বিবেদীর পছন্দের খাবারের তালিকায় ছিল ‘ইনস্ট্যান্ট নুডলস’।
গত ১৭ এপ্রিল প্রথম পুরো পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়ি ফেরার কথা ছিল ২৩ এপ্রিল।
ফিরে আসার আগের দিন, ২২ এপ্রিল পেহেলগামে ঘুরতে যান তাঁরা। যেদিন শুভম দ্বিবেদীকে হত্যা করা হয়, সেদিনই ছিল কাশ্মীরে দ্বিবেদী পরিবারের শেষ দিন।
ভ্রমণের প্রস্তুতির কথা মনে করে তাঁর স্ত্রী বলেছেন, ‘বিয়ের পর শুভম এক বছরে দুটি ফ্যামিলি ট্রিপ (পারিবারিক ভ্রমণের) পরিকল্পনা করেছিল। এটাই ছিল আমাদের প্রথম পারিবারিক ভ্রমণ।’
ঐশান্যা বলেন, ‘কোথায় বেড়াতে যাওয়া হবে, সেটা ঠিক করতে সবার ভোট নেওয়া হয়েছিল। সবাই মিলে কাশ্মীরকে বেছে নিয়েছিলাম। আমরা জানতাম না, কাশ্মীর আমাদের জন্য এতটা ভয়ংকর হয়ে উঠবে।’
নিহত শুভমের স্ত্রী বলেন, ‘সরকার তো বলে কাশ্মীর এখন নিরাপদ। সেখানে ৩৭০ ধারা বিলোপ করা হয়েছে। কোনোরকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। জানতাম না যে আমাদের পৃথিবী সেখানে শেষ হয়ে যাবে।’
কাশ্মীর সফরে শুভম দ্বিবেদীর স্ত্রী, বাবা-মা, বোন, তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি, ঐশান্যার বাবা-মা, বোনসহ মোট ১১ জন ছিলেন।
যখন ঘটনাটা ঘটে, তখন শুভমের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী ঐশান্যা, ঐশান্যার ছোট বোন সম্ভাবী এবং তাঁদের দুজনের বাবা-মাসহ মোট পাঁচজন। পরিবারের বাকি ছয় সদস্য মাঝপথ থেকে বৈসারণ উপত্যকায় ফিরে এসেছিলেন।
শুভমের ছোট বোন আরতির বিয়ে হয়েছিল দুই বছর আগে। তিনি ঘোড়ায় সওয়ার হওয়া নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তাই আর ওপরে উঠতে চাননি। তিনি যেতে না চাওয়ায় পরিবারের অন্য পাঁচ সদস্যও সেখানে যাননি।
ঐশান্যা বলেন, ‘বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর পর আমাদের এমন অনেকের সঙ্গে দেখা হয়েছে, যাঁরা অস্ত্রধারীদের বলেছিলেন, আমাদেরও গুলি করো, যেভাবে আমাদের স্বামীকে মেরে ফেলেছ। কিন্তু তারা বলেছে, যাও আর তোমার সরকারকে বলো আমরা তোমার স্বামীর সঙ্গে কী করেছি।’
ঐশান্যা বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের ওই কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছিল, তাদের রাগ সরকারের ওপর, কিন্তু মারা হয়েছে নিরীহ মানুষগুলোকে।’
‘আমরা ভেবেছিলাম কেউ মজা করছে’
আপনাকে ওরা (হামলাকারীরা) কিছু বলেছিল?
এই প্রশ্নের উত্তরে ঐশান্যা দ্বিবেদী বলেন, ‘না। কিছু বলার বা শোনারই সময় পাইনি। ওপরে পৌঁছানোর পর মাত্র ১০ মিনিট হয়েছে। আমরা ম্যাগি আর কফির অর্ডার দিই।’
শুভমের স্ত্রী বলছিলেন, ‘তখন ঘড়িতে বেলা ২টা ২৫ মিনিট বাজে। হাওয়ায় গুলি চলেছিল, আমরা সেই শব্দটা শুনেছি। কফি বিক্রেতা চলে যাওয়ার কয়েক সেকেন্ড পরই একজন আমাদের কাছে এসে শুভমকে জিজ্ঞেস করল—হিন্দু না মুসলিম?’
ঐশান্যা বলেন, ‘ভেবেছিলাম কেউ আমাদের সঙ্গে প্র্যাঙ্ক (মশকরা) করছে। আমি হেসে জিজ্ঞাসা করলাম, কী হয়েছে? লোকটা আবার জানতে চাইল—হিন্দু না মুসলিম? আমরা তখনো ভাবছি, কেউ মজা করছে। আমাদের আর শুভমের মুখ থেকে হিন্দু বেরিয়ে এসেছে। আমরা আমাদের বাক্য শেষও করতে পারিনি, (হামলাকারী) শুভমের মাথার বাঁ দিকে গুলি চালিয়ে দিল।’
কথাগুলো বলতে বলতে অঝোরে কেঁদে চলেছিলেন ঐশান্যা। শব্দ হারিয়ে ফেলছিলেন।
শুভম যখন গুলিবিদ্ধ হন, তখন তাঁর শ্বশুর শৌচাগারে গিয়েছিলেন, আর শাশুড়ি দূরে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। আর কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিলেন ঐশান্যার বোন সম্ভাবী।
সম্ভাবী বলেন, ‘আমি দিদির কাছ থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে ছিলাম। ওপরে আসার পর মাত্র ১০ মিনিট হয়েছে তখন।’
‘সরকারের উচিত প্রত্যেক ভারতীয়র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’
এই দৃশ্য দেখে বোনের দিকে দ্রুত দৌড়ে যান সম্ভাবী। ততক্ষণে গুলির শব্দ বাড়তে শুরু করেছে।
সম্ভাবী বলেছেন, ‘আমি জোর করে দিদিকে গেটের বাইরে টেনে নিয়ে আসি। বাবা-মাকে খুঁজতে থাকি। বাবা ওয়াশরুমে না গেলে তারও কিছু একটা হতে পারত।’
সম্ভাবী বলছিলেন, ‘সবাইকে টেনে বের করে তাড়াতাড়ি দৌড়াতে বলি, না হলে সবাইকে মেরে ফেলবে। নামার পথ খুব কঠিন ছিল।’
ঐশান্যার বোন বলছিলেন, ‘নামার রাস্তাটা খুব পাথুরে ছিল। ঘোড়ায় চেপে ওপরে আসতে ভয় লাগছিল। পায়ে হেঁটে আসা সম্ভব ছিল না। কিন্তু কেউ আমাদের সাহায্য করেনি।’
যে সময় শুভম দ্বিবেদীর গুলি লাগে, সেই সময়ের ঘটনার কথা বর্ণনা দিয়েছেন সম্ভাবী। তাঁর কথায়, ‘আমার জামাইবাবুর গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশে থাকা ১০০-১৫০ জন এদিক–ওদিক ছোটাছুটি শুরু করে। প্রথমে অন্য কেউ গুলিবিদ্ধ হলে হয়তো আমরা পালিয়ে বাঁচতে পারতাম।’
শুভম দ্বিবেদীর আদি গ্রাম রুমায়, কানপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে এই গ্রাম। এই মুহূর্তে তাদের বাড়িতে গেলে দরজা দিয়ে ঢুকতেই পরিবারের অনেককে বসে থাকতে দেখা যাবে।
দরজা দিয়ে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে চোখে পড়বে একটা সাদা চাদর বিছানো টেবিল। তার ওপরে রাখা আছে মালা পরানো প্রয়াত শুভম দ্বিবেদীর ছবি।
শুভমের চাচাতো ভাই সৌরভ বিবিসিকে বলছিলেন, ‘সরকারকে সন্ত্রাসবাদকে গোড়া থেকে নির্মূল করতে হবে এবং ভারতের প্রত্যেক নাগরিককে আশ্বস্ত করতে হবে, কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত যেখানেই থাকুন না কেন, আপনি নিরাপদ।’
![]() |
| শুভম দ্বিবেদীর স্ত্রী ঐশান্যা। ছবি: এএনআই |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
May
(344)
-
▼
May 03
(18)
- গাজায় ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৪২
- রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য অপরিপক্ব : শফিকুল আলম
- যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ভারতকে কঠোর জবাব দ...
- গাজার উদ্দেশে ত্রাণ নিয়ে যাত্রা করা জাহাজে বোমা হামলা
- পেহেলগামে হামলা: ‘যে সরকারের ভরসায় ঘুরতে গিয়েছিলাম...
- গাজায় প্রবেশের অপেক্ষায় ৩ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক by...
- ট্রাম্প কেন ঠান্ডা মাথায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দুর্বল...
- গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন ইসরায়েলি সেনারা, ...
- ১৭ বছর পর শাশুড়ির সঙ্গে দেশে ফিরছেন জুবাইদা রহমান...
- গাজায় তীব্র হচ্ছে ইসরাইলের হামলা, নতুন করে ৪২৩,০০০...
- পেহেলগাম ইস্যু: কাশ্মীরের দু’প্রান্তেই চলছে উত্তেজনা
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ন্ত্রণহীন বিশৃঙ্খলা by সুদীপ ...
- দুরবস্থায় ৬০০ বিজ্ঞানী by পিয়াস সরকার
- এনসিপি’র সমাবেশ: যদি কিন্তু ছাড়া আওয়ামী লীগকে নিষি...
- রাশিয়ান হেফাজতে থাকা ইউক্রেনীয় সাংবাদিককে অকথ্য ...
- আফসোস, এসবও দেখতে হয় by শামীমুল হক
- বাংলাদেশ-ভারত পাল্টাপাল্টি বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা, ক্ষ...
- ডেঙ্গু বাড়ার শঙ্কা by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
-
▼
May 03
(18)
-
▼
May
(344)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment