Friday, April 4, 2025
দুঃসংবাদ by এম এম মাসুদ ও সিদ্দিকুর রহমান
দুঃসংবাদ by এম এম মাসুদ ও সিদ্দিকুর রহমান
রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, ক্রেতারা বিকল্প দেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন, ফলে রপ্তানি আদেশ হ্রাস পেতে পারে, যা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে। প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কমে গেলে বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং মার্কিন শিল্পকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে। এতদিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি মারাত্মকভাবে আঘাত হানবে কারণ নতুন করের হার বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা সব আইটেমের জন্য ইমপ্লিকেবল হবে। নতুন করের হারে আমদানি পণ্যের দাম বাড়বে। ফলস্বরূপ, আমেরিকান ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাবে এবং তারা ভোক্তাদের আইটেমগুলোর জন্য কম ব্যয় করবে। অন্যদিকে, নতুন শুল্কের হার মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেবে। ফলে বৈশ্বিক ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি কমিয়ে দেবে।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি বাংলাদেশের রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই প্রভাব পড়বে আমেরিকার অর্থনীতিতে চাহিদা কমার কারণে। ফলে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি কমার আশঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপরে যেসব কারণে বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছে, সেগুলো দূর করে এ শুল্ক কমিয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে পারলে নেতিবাচক প্রভাব থেকে বের হয়ে আসার সুযোগ রয়েছে। তিনি পরামর্শ দেন, বাংলাদেশকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে আলোচনা করতে হবে যে, পরোক্ষ শুল্ক হিসাবের ভিত্তিগুলো যথাযথ কিনা। পাশাপাশি, সরকার ইতিমধ্যে যে সংস্কারগুলো করেছে, সেগুলো তুলে ধরা জরুরি। জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে এক্সপোর্ট সাবসিডি কমিয়েছে এবং সরকার সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ধরনের পদক্ষেপগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সামনে উপস্থাপন করা উচিত সরকারের পাশাপাশি রপ্তানিকারকদেরও সম্মিলিতভাবে কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। এনিয়ে তিনি বলেন, এই বাড়তি শুল্ক সরবরাহকারীরা নয়, ক্রেতারা পরিশোধ করবে এই বিষয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত দরকার। তিনি বলেন, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-কে একটি যৌথ নীতি নির্ধারণ করতে হবে, যাতে কোনো ব্যবসায়ী প্রতিযোগিতার কারণে নিজ উদ্যোগে পণ্যের দাম কমিয়ে এই বাড়তি শুল্কের চাপ নিজের ওপর না নেন। যদি কেউ এই কৌশল না মানে, তাহলে তার জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও রাখা উচিত।
সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি কমবেই- এই ধারণা দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্ট রপ্তানি ইউএসের বাজারে বড় ধাক্কা খাওয়ার ঝুঁকি আছে। ইউএসের বাজারে রপ্তানি কমে যাবে, তা তো প্রেডিক্ট করতেই পারি। সেখানে অন্যান্য পণ্যও রপ্তানি করি, লেদার, ওষুধ ইত্যাদি, সেখানেও ধাক্কা খেতে পারি।
বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মাদ হাতেম বলেছেন, মার্কিন সরকার বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ কর আরোপ করেছে। এটা আমাদের কাছে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। তিনি বলেন, ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ হলে এটা রপ্তানি খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে এবং সামগ্রিক রপ্তানি কমে যেতে পারে কারণ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্যের সবচেয়ে একক বড় বাজার। এখন তাৎক্ষণিক সমাধান হলো আমাদের সরকার ধীরে ধীরে তাদের পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ডিউটি কমিয়ে দিতে পারে। এটা করলে আমাদের ক্ষতি নেই কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের আমদানির চেয়ে রপ্তানি অনেক বেশি। তাই যতটুকু আমদানি হচ্ছে সেখানে সরকার যদি ডিউটি কমিয়েও দেয় এর প্রভাব খুব একটা হবে না। এটা একটা সমাধান হতে পারে, বলে মনে করেন হাতেম।
বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, যে ট্যারিফ বাংলাদেশের ওপর আরোপ করা হয়েছে সেটা আমাদের ওপর হওয়ার কথা না। যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির এভারেজ ডিউটি ১৫.২ শতাংশ। আমেরিকাতে কিন্তু পণ্যের আইটেম অনুযায়ী ডিউটি কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফ্ল্যাট ১২.৫ শতাংশ। আমেরিকায় পলেস্টার পোশাকে একরকম, নিটে একরকম, উলে একরকম, ট্রাউজারে একরকম। একেকটায় একেক রকম ডিউটি। কিন্তু গড়ে সেখানে ১৫.২ শতাংশ। তিনি বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, যন্ত্রপাতি এবং পোশাক শিল্পের জন্য যেসব পণ্য আমদানি করি তার অধিকাংশ শুল্কমুক্ত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১ শতাংশ। ডিউটি বাড়ানোর প্রভাব তো পড়বেই। হয়তো টোটাল টার্নওভার কমে যাবে যুক্তরাষ্ট্রে। ধরা যাক, যুক্তরাষ্ট্র বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের তৈরি পোশাক আমদানি করে। সেখানে ১০ শতাংশ আমদানি হয়তো কমে যাবে। ফলে আমাদের ওপর এর প্রভাব অবশ্যই পড়বে কারণ আমাদের সবচেয়ে বড় বাজার হলো আমেরিকা।
শীর্ষ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান শাশা ডেনিমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, শুল্ক শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক কমানো সম্ভব হবে।
বিজিএমইএ’র সাবেক সহ-সভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, এটি আমাদের জন্য একটি বড় হুমকি। ভারত ও চীনের তুলনায় বাংলাদেশের শুল্কহার বেশি হওয়ায় তারা এই নতুন কাঠামো থেকে সুবিধা পাবে। সরকারকে শুল্কনীতি পুনর্বিবেচনা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শুল্ক প্রত্যাহারে রাজি করানোর আহ্বান জানান। তা না হলে, আমাদের পোশাক খাত ভয়াবহ সংকটে পড়বে, সতর্ক করেন রকিবুল আলম চৌধুরী।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের তথ্য অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে, বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৮০০ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫.৯৩ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৭.৩৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছিল, যা আগের বছরে ছিল ৭.২৮ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আমদানি ১.৫ শতাংশ কমে ২.২ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এর ফলে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৬.২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ফলে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসছে, তা সহজেই অনুমেয়।
বাংলাদেশের ওপর প্রভাব: বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এখন দেখতে হবে, বাংলাদেশের প্রতিযোগীদের ওপর ঠিক কী হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বিষয়টি হলো ভিয়েতনাম, চীন ও কম্বোডিয়ার শুল্ক বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হবে, সে কারণে হয়তো আরএমজি শিল্প অতটা আক্রান্ত হবে না, এমন ধারণা কেউ কেউ করছেন।
দেখা যাচ্ছে, ভারত, পাকিস্তান ও তুরস্কের ওপর শুল্ক আমাদের চেয়ে কম। এই ফাঁকে ভারত হয়তো লাভবান হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মূল্যবৃদ্ধির কারণে মার্কিন ভোক্তারা এমনিতেই কিনবে কম; এর জেরে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।? আরেকটি সুবিধা হলো, বাংলাদেশ মূলত মধ্যম ও কম দামের পণ্য রপ্তানি করে। এসব পণ্যের দাম যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২০ থেকে ৬০ ডলারের মধ্যে। অন্যদিকে ভিয়েতনাম, চীন বা এমনকি ভারত এখন উচ্চ মূল্যের পোশাক রপ্তানি করছে। ফলে তারা যতটা আক্রান্ত হবে, বাংলাদেশ ততটা হবে না বলেই ধরে নেয়া যায়।
তারপরও অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের উচিত মার্কিন পণ্যের শুল্ক কমানো, সেটা হলে আমাদের পণ্যে মার্কিন শুল্ক কমে যাবে। বাংলাদেশের উচিত, মার্কিন পণ্যের ওপর প্রচলিত শুল্কের হার ৭৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা। এর ফলে বাংলাদেশি পণ্যে মার্কিন শুল্ক হবে ১৫ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান ৫টি রপ্তানি পণ্য: বোনা পুরুষদের স্যুট: ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এই পণ্যের রপ্তানি মূল্য ছিল ১.৯ বিলিয়ন ডলার। বোনা মহিলাদের স্যুট: একই বছরে এই পণ্যের রপ্তানি মূল্য ছিল ১.০৯ বিলিয়ন ডলার। বোনা পুরুষদের শার্ট: ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এই পণ্যের রপ্তানি মূল্য ছিল ৭০৫ মিলিয়ন ডলার। বোনা পোশাক: ২০২৩ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৩০% ছিল বোনা পোশাক, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়। বোনা টেক্সটাইল পণ্য: বাংলাদেশের রপ্তানির একটি অংশ বিভিন্ন টেক্সটাইল পণ্য নিয়ে গঠিত, যা যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়। এই পণ্যগুলোর মধ্যে প্রধানত তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির শীর্ষে রয়েছে।
বুধবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশের পণ্য আমদানির ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ঘোষণার দিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ডনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক আরোপ তালিকা প্রকাশ করেন। যেখানে ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের পণ্যের ওপর ২৯ শতাংশ চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ, মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরাইলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
April
(427)
-
▼
Apr 04
(18)
- ট্রাম্পের প্রতিশোধমূলক শুল্ক থেকে বাংলাদেশ যেভাবে ...
- ইউরোপকে সুরক্ষা দিতে গড়ে ওঠা ন্যাটো কি টিকে থাকবে ...
- শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইলো বাংলাদেশ
- পঁচিশ ক্যাডার বনাম এক ক্যাডার: সরকার কোন পক্ষে by ...
- ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য, কড়া বার্তা...
- গাজায় অবিরাম হামলা নিহত আরও ৬২
- ইরানে হামলা চালালে অন্যরকম এক ভয়াবহ যুদ্ধ হবে
- বিশ্ব নেতাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
- ট্রাম্পের বড় জুয়া
- বঙ্গোপসাগরের দীর্ঘতম উপকূল রেখা আমাদের
- দুঃসংবাদ by এম এম মাসুদ ও সিদ্দিকুর রহমান
- ট্রাম্পের ‘নিউক্লিয়ার বোমার’ প্রভাব কী? by জিয়া হাসান
- আনোয়ারুজ্জামানের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন কয়েস লোদী
- ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ক...
- প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা না কমালে কিসের সংস্...
- বিশ্ববাণিজ্যে শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন
- চীনের ভারতীয় ভূখণ্ড দখল ও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নিয়...
- হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি কমায় যে তিন ...
-
▼
Apr 04
(18)
-
▼
April
(427)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
No comments:
Post a Comment