Sunday, October 26, 2014
মিলানে আসেম, পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমানকাণ্ড ও বাংলাদেশ by সাদেক খান
মিলানে আসেম, পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমানকাণ্ড ও বাংলাদেশ by সাদেক খান
যুদ্ধ যুদ্ধ রব এখন চার দিকে। তবে গণবিধ্বংসী যুদ্ধ এখনো বৈশ্বিক মাত্রায় কিংবা ব্যাপক আকারে শুরু হয়নি। কেবল খণ্ড খণ্ড বিধ্বংসী যুদ্ধ ও অনিয়মিত নাশকতা সমান্তরালভাবে তিন মহাদেশে তথা ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে সরাসরি উত্তর আটলান্টিক জোটের প নিয়ে যোগ দিয়েছে দণি গোলার্ধের চতুর্থ মহাদেশ অস্ট্রেলেশিয়া। চার মহাদেশব্যাপী যুদ্ধলিপ্ততার এই ভয়ঙ্কর বাস্তবতার উপলব্ধি তাড়া করে ফিরেছে ইতালির মিলান নগরীতে দুই দিনের এশিয়া-ইউরোপ মিটিং বা আসেম অধিবেশনে সমবেত বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও যোগ দিয়েছেন আসেমের ওই দশম অধিবেশনে। তার সাথে একান্ত সাাৎ হয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের। একান্ত সাাৎ হয়েছে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের সাথেও। ভাববিনিময়, সৌজন্যের আদান-প্রদান ঘটেছে। ওই আসেম অধিবেশনের পুরো সময়জুড়ে কিন্তু একটা উদ্বেগ ইউরোপ ও ইউরোপীয় রাশিয়া কিংবা এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্যে তেলসমৃদ্ধ আরব রাষ্ট্রগুলোকে বিচলিত করে রেখেছে। তার প্রতিফলন ঘটেছে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে জার্মান চ্যান্সেলর মার্কেলের দীর্ঘ বৈঠক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য নেতার সাথে রুশ নেতৃবৃন্দের সংলাপে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের চিন্তা-চেতনায় তার কোনো সংক্রমণ হয়নি। তাদের নজরে পড়েনি মিলানে সমাগত ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দের কাতরতা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এক নয়া লৌহবলয় রচনায় শামিল হয়েছে ইউরোপ। তার জেরে জ্বালানি-অনিশ্চয়তা, বাজার সঙ্কোচন ইত্যাদির কারণে অস্থির ইউরোপীয় জনপরিবেশ। আইএসআইএল বা ইরাক ও লেভান্তের ইসলামি রাষ্ট্রের জিহাদে যোগদানকারী ইউরোপীয় মুসলিম স্বেচ্ছাসেবকেরা দেশে ফিরে নাশকতায় লিপ্ত হবে কি না, বহিরাগমনের সবগুলো পথে কঠোর পাহারার নিরাপত্তাবলয় বহাল করে তাদের দেশে ফেরা কিভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়ে রয়েছে ইউরোপীয় নেতাদের দুশ্চিন্তা। গৃহযুদ্ধে বিরতি সত্ত্বেও অদ্যাবধি পূর্ব ইউক্রেনে বন্ধ হয়নি স্থানে স্থানে রকেট আক্রমণ, কিয়েভ সরকারের দখলে থাকা একটি বিমানঘাঁটি থেকে কামানের গোলা ছোড়া। ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রেহাই পাচ্ছে না জনবসতিগুলো। ইরাকের বাগদাদের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে আইএসআইএল বা ইসলামি রাষ্ট্রের ঘোষিত খেলাফত। সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তে কুর্দি পেশমেরগা যোদ্ধারা ন্যাটো-মার্কিন বিমান হামলার ছত্রছায়ায় খেলাফতের অভিযান কিছুটা ঠেকিয়ে দিতে সম হলেও ইরাক ও সিরিয়ায় ক্রমে বেড়েই চলেছে ইসলামি রাষ্ট্রের পরিধি। এসব নিয়ে সেসব দেশের মানুষের আওয়াজ নেতাদের আলোচনা শুনেও যেন শুনতে পাননি আসেমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল। শুধু বলে গেছেন, এ দেশের বাক্যবাগীশ মতাসীনদের কেতাবি মূল্যবোধ ও স্বপ্নের ভবিষ্যতের কথা, যে কথার সাথে তাদের কাজের কোনো মিল নেই, আর স্বদেশে তাদের জুলুম-দুরাচারও ক্রমবর্ধমান।
তবে ইরাক ও লেভান্তের ইসলামি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রজন্মব্যাপী’ যুদ্ধের জন্য যে জোট বা কোয়ালিশন মার্কিন নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে তাতে বাংলাদেশ যোগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক পথেই চলেছে। বাংলাদেশ বলেছে, জাতিসঙ্ঘ সনদের আওতায় পরিচালিত শান্তিরা বা শান্তিপ্রতিষ্ঠা কিংবা আগ্রাসন প্রতিরোধের যুদ্ধ ছাড়া অন্য কোনো ধরনের যুদ্ধে বাংলাদেশ লিপ্ত হবে না।
বস্তুত চীনের ‘শান্তিপূর্ণ জাগৃতি’-এর নীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে চীনের সাথে ‘সহযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা’-এর নীতির প্রভাবে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধিসহায়ক যে স্থিতিস্থাপকতা এখনো বজায় রয়েছে, তার সুবিধাভোগী হয়েই এ দেশ অনগ্রসরতা ও দারিদ্র্যের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে, ক্রমে একটা প্রতিযোগিতাম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতি-দুরাচার জুলুমবাজি সত্ত্বেও জনশক্তি, শ্রম ও উদ্যোগবলে অর্থনৈতিক বিকাশের একটা অভ্যন্তরীণ গতিবেগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য-সম্পর্ক তৈরি করতে সম হয়েছে বাংলাদেশ। তার ধারাবাহিকতা রার জন্য আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সঙ্ঘাতমুক্ত অবস্থান এ দেশের একান্ত প্রয়োজন। একইভাবে প্রয়োজন দেশাভ্যন্তরে সুশাসন, জননিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। অশান্তি সৃষ্টিকারী বৈদেশিক হুমকি বা কারসাজি আর অভ্যন্তরীণ দুরাচার বা নৈরাজ্য উভয়ের বিরুদ্ধেই এদেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।
তবে আঞ্চলিক যুদ্ধাবস্থা এড়াতে পারলেও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক আঘাত কি এড়াতে পারছি আমরা?
২ অক্টোবর এ দেশের সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গ-বিহার-উড়িষ্যার মাওবাদী করিডোরের কাছে বর্ধমানে খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে দু’জনের মৃত্যু ও একজন জখম হওয়ার ফলে সেখানে আর বীরভূমে গুপ্তসন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সন্ধান পায় ভারতীয় পুলিশ। ওই গোষ্ঠী বাংলাদেশের ‘অবদমিত নাশক দল’ জেএমবির (জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ) সম্পৃক্ততাপুষ্ট বলে দাবি করেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা। ভারতীয় পত্রপত্রিকার খবর : সেখানে বাংলাদেশ থেকে কিছু জঙ্গি মুসলিম মৌলবাদী গিয়ে একটি দালানবাড়িতে বোমা বানাচ্ছিলেন। বোমা বানানোর সময় সেখানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে মারা যান দু’জন বোমা নির্মাণকারী ও আহত হন আরো কয়েকজন। যে দালানবাড়িটিতে বোমা বানানো হচ্ছিল, বোমা বিস্ফোরণের ফলে তার কোনো অংশ ভেঙে যায়নি। (উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে নকশালপন্থীরা অনেক শক্তিশালী বোমা বানাতে জানে। সেসব বোমা বিস্ফোরণে দালানকোঠা ভেঙে পড়ে, সাঁকো, রেললাইন উড়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের ‘জঙ্গি মুসলিম মৌলবাদীদের’ তৈরি পটকার সাথে তার তুলনা হয় না। যেমনÑ ভারতে ছত্তিশগড় রাজ্যে নকশালপন্থীরা স্থলমাইন ব্যবহার করছে, যা কেবল সেনাবাহিনীর লোকেরাই ব্যবহার করতে পারে।)
পূজার ছুটি (বাংলাদেশ বকরি ঈদ ও দুর্গাপূজা মিলিয়ে লম্বা ছুটি) থাকায় ঘটনাটি নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের উপাদান পাকিয়ে তুলতে একটু সময় লেগেছে। তা ছাড়া এক ঢিলে দুই পাখি মারার সুযোগ হাতে পেয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টির র কারিগরেরা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও রাজ্য সরকারকে তদন্তের বাহাদুরিতে ভুল করার সময় দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের টাস্কফোর্স, অ্যান্টিটেরোরিস্ট স্কোয়াড ও সিআইডি নিহত শাকিল ও আহত হাসানের দুই স্ত্রীকে অকুস্থল থেকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তারা নিকটবর্তী বাদশাহি রোডের একটি পোড়োবাড়িতে ৮ অক্টোবর তল্লাশি চালিয়ে কিছু আলামত পেয়ে বাড়িটি সিলগালা করে। ইতোমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সরকারবিরোধী দলগুলোর তরফে আওয়াজ ওঠে জাতীয় গোয়েন্দা এজেন্সির হাতে তদন্তভার দেয়ার জন্য। সন্দেহ ব্যক্ত করা হয়, তৃণমূল কর্মীদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, রাজ্য পুলিশ আলামত নষ্ট করতে পারে।
তার আগে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির দেয়া খবর : রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে জঙ্গি তালিমের জন্য প্রায় ৬৫টি শিবির গড়েছে (ভারতের) নিষিদ্ধ সংগঠন সিমি। বাংলাদেশের মৌলবাদীরা এবং (পাকিস্তানের) আইএসআই ওই জঙ্গিশিবিরগুলোকে প্রত্যভাবে মদদ জোগাচ্ছে বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। এ সম্পর্কে গোয়েন্দা রিপোর্ট পাওয়ার পর ভারতের জাতীয় তদন্ত এজেন্সি (এনআইএ) কেন্দ্রের নির্দেশে খোঁজখবর শুরু করেছে। শুধু এই রাজ্য নয়, ত্রিপুরা ও অসম সীমান্তেও সিমি এ ধরনের জঙ্গি তালিমশিবির তৈরি করেছে। বর্ধমান বিস্ফোরণ-কাণ্ডের তদন্তে নেমে সিআইডি সিমির যোগসাজশের হদিস পেয়েছে। সিআইডি এবং রাজ্য পুলিশের অফিসাররা মনে করছেন, সিমি বর্ধমানের ওই বাড়িতে বসে যেমন অত্যাধুনিক বিস্ফোরক তৈরি করেছে, তেমনি সীমান্তবর্তী নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও দণি দিনাজপুর জেলায় বড় ধরনের জাল বিস্তার করেছে। এই চার জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশী জঙ্গিরা ভারতে ঢুকে পড়ছে। রাজ্যের কয়েকজন লিংকম্যান অস্ত্র ও বিস্ফোরক বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। কয়েকজন বাংলাদেশী আবার ভুয়া তথ্য দিয়ে এই দেশের ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে ও সচিত্র পরিচয়পত্রও তৈরি করেছে। শুধু নদিয়া জেলায় এ রকম ২৭টি জঙ্গি ঘাঁটি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দণি দিনাজপুর জেলায় এ রকম গোপন ক্যাম্পসহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় মোট ৬৫টি জঙ্গি ঘাঁটির খবর পাওয়া গেছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশ মোতাবেক উত্তর চব্বিশপরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ তল্লাশি চালানো শুরু করেছে। কেন্দ্রের নির্দেশে এনআইএ-ও পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
৭ অক্টোবর কলকাতা থেকে আরো খবর : বর্ধমানে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের সাথে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিনের (জুম) সংস্রবের আরো সুস্পষ্ট প্রমাণ
তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। গোয়েন্দারা নিশ্চিত, চলতি বছরে ফেব্র“য়ারি মাসের ২৩ তারিখ বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকায় পুলিশ খুন করে দুই জুম নেতাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল যে দলটি, তারাই ঘাঁটি গেড়েছিল বর্ধমানে। তার আগে এ দলটিই মুর্শিদাবাদের লালবাগ এলাকায় সাময়িক আস্তানা গেড়ে ‘জিহাদি’ নিয়োগের কাজ চালাচ্ছিল। বিস্ফোরক জোগাড় করা, বোমা বানানো এবং সেই ‘কনসাইনমেন্ট’ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ক্যারিয়ার নিয়োগের কাজও শুরু করেছে তারা। নিয়োগের এই কাজ পরিচালিত হয়েছে বর্ধমান-কাণ্ডে নাম জড়ানো কৌসরের মাধ্যমে। খাগড়াগড়ের ওই বাড়িতে বহিরাগতদের নিয়মিত আনাগোনা ছিল। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনই বিশেষ করে কৌসর, রসিক ও ফারুক নামে তিনজন বাংলাদেশে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’।
১১ অক্টোবর ভারতে অফিস-আদালত খোলার পরপরই অনলাইনে খবর : পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও ১০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) হাতে বর্ধমান-কাণ্ডের তদন্তভার তুলে দিলো। জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও বর্ধমানসহ নানা এলাকায় ধর্মীয় শিাপ্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে এপার বাংলায় ঘাঁটি গাড়তে শুরু করেছিল। সিবিআইয়ের নজরে এখন ১৯ নম্বর দরগা রোডের বাড়ি, যেখানে নিষিদ্ধ সিমির মূল ঠিকানা ছিল, এখন একটি প্রকাশনা সংস্থার অফিস।
বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ওই বিস্ফোরণে বাংলাদেশী বোমা কারিগর শামিম শাকিল আহমেদ ও স্বপন মণ্ডল নামে দু’জন নিহত হন। নিহত দু’জনসহ পুরো দলটি বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জেএমবির সদস্য। বিস্ফোরণে আহত আবদুল হাকিম এর বেশি তথ্য দিতে রাজি হননি। শাকিলের স্ত্রী রুমি বিবি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, দলটি লেদ মেশিনের সাহায্যে অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করছিল। বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের আইএমআই রেকর্ডে রকেট লঞ্চারের ডিজাইনের ছবি ও পেণাস্ত্রের ডিজাইন পাওয়া গেছে।
তারপর ১৬ অক্টোবর বিশেষ খবর : বর্ধমানের বাদশাহি রোডে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সিলগালা করা বাড়িটি থেকেই পায়খানায় লুকানো ৩০টি গ্রেনেড-জাতীয় হাতেগড়া তাজা বোমা উদ্ধার করেছে এনএইএ, এনএসজির যৌথ বিশেষজ্ঞ দল ও তাদের বিস্ফোরক ঘ্রাণ সন্ধানী কুকুরবাহিনী। পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দারা সেসব খুঁজে পায়নি বা ভালো করে খুঁজে দেখেনি। নজরদারিতে রাখা আরেকটি মাদরাসায় অভিযান চালায়নি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, যদিও জব্দ করা একটি পেনড্রাইভে সেখানে জঙ্গি প্রশিণের ভিডিও চিত্রের তথ্য তাদের হাতে এসেছিল।
এর পর ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হলো ভারতের, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে ফাঁস করা
তদন্তের খবর দিয়ে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্রের নানা বোমাবার্তার প্রস্রবণ। যেমন অনলাইনে এলো : বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর একের পর এক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর পরিমাণে গ্রেনেড ও বিস্ফোরক। এসব গ্রেনেড ও বিস্ফোরক বাংলাদেশ ও আসামের জঙ্গিদের কাছেও পাঠানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল বিস্ফোরণে নিহত শাকিল গাজীর তত্ত্বাবধানে। এসব গ্রেনেড ও বিস্ফোরক মজুদ করে রাখা হয়েছিল বিভিন্ন জঙ্গিডেরায়। বর্ধমানে বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে ৫০০ মিটার দূরে বাদশাহি রোডে একটি বাড়ি থেকে এনআইএ গোয়েন্দা ও এনএসজির কমান্ডোরা উদ্ধার করেছিল ৪০টি গ্রেনেড এবং ২৫ বস্তা বিস্ফোরক। এ বাড়িটিতে থাকত মন্টু শেখ ও তার ছেলে রেজাউল শেখ। বিস্ফোরকগুলো লুকানো ছিল বাথরুমের একটি গোপন স্থানে। গোয়েন্দাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, এ বিপুল বিস্ফোরক কি সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য রাখা হয়েছিল, নাকি সেনাদের ওপর আক্রমণের জন্য। যৌথবাহিনীর সদস্যরা কুকুর ও বোম স্কোয়াডকে সাথে নিয়ে তল্লাশিতে নেমে যেভাবে বিস্ফোরক পাচ্ছে তাতে তাদের ধারণা, বর্ধমান ও সংলগ্ন এলাকায় আরো গ্রেনেড ও বিস্ফোরক মজুদ রাখা হয়েছে। রেজাউল শেখ ও তার পরিবার বিস্ফোরণের দিন থেকেই লাপাত্তা।
পত্রিকার খবর : মাওবাদী নারীবাহিনীর কথা এত দিন জানা ছিল। এবার ধরা পড়ল পশ্চিমবঙ্গে একটি জিহাদি প্রমীলা বাহিনীর অস্তিত্ব। ঘটনায় নিহত শাকিল আহমেদের স্ত্রী রাজিয়া বিবি এবং জখম আব্দুল হাকিমের স্ত্রী আলিমা বিবি দু’জনই ওই নারী বাহিনীর সদস্য। বাকিরা এখনো অধরা।
এনআইএর দাবি : বাহিনী গঠন ও যাবতীয় প্রশিণের প্রধান দায়িত্বে ছিল আয়েশা বিবি, যে কিনা বর্ধমানের মঙ্গলকোটের কৃষ্ণবাটী গ্রামের বাসিন্দা মৌলানা ইউসুফ শেখের স্ত্রী। খাগড়াগড়-কাণ্ড যে আন্তর্জাতিক জঙ্গিজালকে প্রকাশ্যে এনেছে, পশ্চিমবঙ্গে তার চাঁই হলো ইউসুফ। জিহাদিদের অন্যতম আঁতুড় হিসেবে চিহ্নিত শিমুলিয়া মাদরাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফ আপাতত ফেরার। আয়েশাও পালিয়েছে।
বাংলাদেশের জেএমবি ও ভারতের জমিয়তুল মুজাহিদিনকে মেলাতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে ওসামা বিন লাদেনের আলকায়েদা। আলকায়েদার বর্তমান প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরির লেখা সাত পাতার যে চিঠিটি ২০০৯-এ ফাঁস হয়, তাতে জিহাদে মহিলাদের শামিল হওয়ার আহ্বান রয়েছে।
আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হানার ল্েয আলকায়েদাই গড়েছিল প্রমীলা জঙ্গিবাহিনী ‘বোরখা ব্রিগেড’। আত্মঘাতী নারীজঙ্গির মারণ হানার দৃষ্টান্তও রয়েছে ভারতে। এলটিটিইর এমন এক হামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধীকে প্রাণ দিতে হয়।
রাজিয়া, আলিমা ছাড়াও জিন্নাতুর বিবি, জরিনা বিবি, রুম্পা খাতুন ও খালেদা বিবি বীরভূমের এই চার তরুণী শিমুলিয়া ও মকিমনগর মাদরাসায় জঙ্গি তালিম নিয়েছিল বলে
তদন্তকারীদের সন্দেহ। চারজনই অবশ্য ফেরার। তাদের খোঁজ করতে রাজ্যে আরো মহিলা অফিসার ও কনস্টেবল আনছে এনআইএ। ‘মাওবাদী নেত্রী জাগরি বাস্কে, সুচিত্রা মাহাতো, শোভা মান্ডিরা দু-তিন বছর আগে মূল স্রোতে ফিরেছে ঠিকই; কিন্তু এখন ঘুম কেড়েছে আয়েশারা।’ মন্তব্য এক আইবি-কর্তার।
পত্রিকায় আরো খবর মালদহ থেকে : কালিয়াচকের বাঁশবাগানে মিলল ১৬টি বলবোমা। শক্তপোক্ত প্লাস্টিকের বলের কিছুটা কেটে কমলা রঙের বিস্ফোরক ঠাসা। রয়েছে ছোট পেরেক, পাথরকুচি, বল বিয়ারিং, ধারাল লোহার টুকরোও। সেসব পুরে আঠা দিয়ে ফের বলটি জোড়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আনুমানিক ওজন প্রায় ৫০০ গ্রাম। এমনই ১৬টি ‘বলবোমা’ শুক্রবার উদ্ধার হলো মালদহে। তার জেরে ফের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে মালদহ জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে। কারণ, যে শিকের বাড়ির বাগানে বড় মাপের প্লাস্টিকের জেরিকেনে বোমাগুলো রাখা ছিল, পুলিশ তাকে রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।
১৮ অক্টোবরের ভারতীয় পত্রপত্রিকায় জবর খবর : যে ধরনের রাসায়নিক বিস্ফোরক বর্ধমানে উদ্ধার হয়েছে, তার সাথে শ্রীলঙ্কায় মুছে যাওয়া তামিল জঙ্গি সংগঠন এলটিটিইর (লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলম) ব্যবহার করা বিস্ফোরকের মিল খুঁজে পেয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) বোমা বিশেষজ্ঞদের; কিন্তু এখন তো আর এলটিটিইর অস্তিত্বই নেই। কোথা থেকে উঠে এলো এদের নাম? এনএসজির সাবেক কর্তা এবং বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘ভুলে যাবেন না, সম্প্রতি ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের বিস্ফোরণের ঘটনাতেও এলটিটিইর ছাপ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। সংগঠন হিসেবে এলটিটিইর এখন আর অস্তিত্ব না থাকলেও যে পাকা মাথার যুবকেরা এলটিটিইর জন্য বিস্ফোরক বানাত, তারা রয়েই গেছে।’
ভারতীয় গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, একসময় এলটিটিইর হয়ে কাজ করা এই যুবকেরাই এখন মোটা টাকার বিনিময়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন, মাওবাদী বা (পাকিস্তানের) লস্করের মতো জঙ্গিদের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিণ দিচ্ছে। বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণে নিহত শাকিল বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য ছিল (নিহত দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম শোভন মণ্ডল, নাগরিকত্ব ভারতীয়, অমুসলিম)। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, সম্প্রতি এই সংগঠনও হয়তো মোটা টাকা দিয়ে এলটিটিইর বিস্ফোরক বানানোর কারিগরি আয়ত্ত করেছে। কয়েক দিনের তল্লাশিতে বর্ধমানের খাগড়াগড় ও শিমুলিয়া থেকে পাওয়া গেছে বেশ কিছু রাসায়নিক। এগুলোর সবই উচ্চমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক বানাতে কাজে লাগে। এই রাসায়নিক দেখেই বিস্মিত ভারতের গোয়েন্দারা। ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা এজেন্সি এনআইএর বক্তব্য, সামান্য নড়াচড়াতেই ফেটে যেতে পারে এই বিস্ফোরক। যে কারণে, মঙ্গলবার খাগড়াগড়ের দোতলায় উঠে রাজ্য পুলিশ ও সিআইডির কাছ থেকে সব জিনিস বুঝে নিলেও ওই বিস্ফোরক সরিয়ে নেয়ার ঝুঁকি নেয়নি তারা। এর পরই বর্ধমানে ডেকে আনা হয়েছে এনএসজির বোমা বিশেষজ্ঞদের। রাসায়নিকগুলো দেখে তারা বলছেন, এ ধরনের রাসায়নিক দিয়ে একসময় বিস্ফোরক তৈরি করত এলটিটিই। গোয়েন্দাদের একাংশের মতে, সম্প্রতি বিস্ফোরক বানানোর কিছু কৌশল ইন্টারনেট মারফত শেখার চেষ্টা করছিল শাকিলরা। খাগড়াগড়-শিমুলিয়ায় তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ সে রকমই ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ই-মেইল মারফত সেগুলো তাদের কাছে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পিকরিক এসিডের মতো বিস্ফোরক যে ইন্টারনেট দেখে বানানো সম্ভব নয়, সে কথাও মানছেন বিশেষজ্ঞরা।
একসময়ে সার থেকে আইইডি তৈরি হতো। সেই আইইডির ব্যবহার শুরু করে আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি। তারাই বিস্ফোরক হিসেবে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার শুরু করে। এখন বিস্ফোরক বানানোর জন্য অত্যাধুনিক রাসায়নিক লেড অ্যাজাইড বা পিকরিক এসিড ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতীয় গোয়েন্দারাই বলছেন, ‘ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। এক দিকে বিস্ফোরক বানানোয় এলটিটিইর এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, সাথে আইএসআই-হুজি জঙ্গিদের টাকা ও নেটওয়ার্ক, জামা’আতদের আত্মবিসর্জনের সঙ্কল্প এবং সর্বশেষে রাজনৈতিক নেতাদের মদদ।’
এখানে ‘রাজনৈতিক নেতাদের মদদ’ বলতে অবশ্য ইঙ্গিত করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে মতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসলিম ভোটে আর নকশাল জঙ্গিদের মদদ দিয়ে মতায় এসেছেন, এমনই ধুয়া তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি ও বামফ্রন্ট। তথা সম্ভাব্য নাশকতার জন্য বোমা তৈরিতে হতাহতের ঘটনা নিয়ে মতার লড়াইয়ের জাল ফাঁদা আর দোষারোপের রাজনীতি শুরু হয়েছে। সেই জালের ফাঁদে বাংলাদেশকেও জড়িয়ে ফেলার বাকায়দা সুযোগ রেখেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা। বাংলাদেশবিদ্বেষী নানা ধরনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্র বহু দিন ধরেই মিডিয়ার মাধ্যমে শানিয়ে চলেছে ভারতশক্তির র সংস্থা। বর্ধমান-কাণ্ডের যুদ্ধাস্ত্রটি এই পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গের মমতা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কাজে কম-বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে বলেই মনে হয়। তবে তার কামানের নল দণি এশিয়ায় আল জাওয়াহিরি ঘোষিত আলকায়েদা চক্রান্তের দোহাই দিয়ে ভূরাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের দিকে যেকোনো সময় যে ঘোরানো হতে পারে, সে কথা বলার অপো রাখে না।
লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক
তবে ইরাক ও লেভান্তের ইসলামি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘প্রজন্মব্যাপী’ যুদ্ধের জন্য যে জোট বা কোয়ালিশন মার্কিন নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে তাতে বাংলাদেশ যোগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক পথেই চলেছে। বাংলাদেশ বলেছে, জাতিসঙ্ঘ সনদের আওতায় পরিচালিত শান্তিরা বা শান্তিপ্রতিষ্ঠা কিংবা আগ্রাসন প্রতিরোধের যুদ্ধ ছাড়া অন্য কোনো ধরনের যুদ্ধে বাংলাদেশ লিপ্ত হবে না।
বস্তুত চীনের ‘শান্তিপূর্ণ জাগৃতি’-এর নীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে চীনের সাথে ‘সহযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা’-এর নীতির প্রভাবে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধিসহায়ক যে স্থিতিস্থাপকতা এখনো বজায় রয়েছে, তার সুবিধাভোগী হয়েই এ দেশ অনগ্রসরতা ও দারিদ্র্যের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে, ক্রমে একটা প্রতিযোগিতাম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতি-দুরাচার জুলুমবাজি সত্ত্বেও জনশক্তি, শ্রম ও উদ্যোগবলে অর্থনৈতিক বিকাশের একটা অভ্যন্তরীণ গতিবেগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য-সম্পর্ক তৈরি করতে সম হয়েছে বাংলাদেশ। তার ধারাবাহিকতা রার জন্য আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সঙ্ঘাতমুক্ত অবস্থান এ দেশের একান্ত প্রয়োজন। একইভাবে প্রয়োজন দেশাভ্যন্তরে সুশাসন, জননিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। অশান্তি সৃষ্টিকারী বৈদেশিক হুমকি বা কারসাজি আর অভ্যন্তরীণ দুরাচার বা নৈরাজ্য উভয়ের বিরুদ্ধেই এদেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।
তবে আঞ্চলিক যুদ্ধাবস্থা এড়াতে পারলেও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক আঘাত কি এড়াতে পারছি আমরা?
২ অক্টোবর এ দেশের সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গ-বিহার-উড়িষ্যার মাওবাদী করিডোরের কাছে বর্ধমানে খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে দু’জনের মৃত্যু ও একজন জখম হওয়ার ফলে সেখানে আর বীরভূমে গুপ্তসন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সন্ধান পায় ভারতীয় পুলিশ। ওই গোষ্ঠী বাংলাদেশের ‘অবদমিত নাশক দল’ জেএমবির (জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ) সম্পৃক্ততাপুষ্ট বলে দাবি করেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা। ভারতীয় পত্রপত্রিকার খবর : সেখানে বাংলাদেশ থেকে কিছু জঙ্গি মুসলিম মৌলবাদী গিয়ে একটি দালানবাড়িতে বোমা বানাচ্ছিলেন। বোমা বানানোর সময় সেখানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে মারা যান দু’জন বোমা নির্মাণকারী ও আহত হন আরো কয়েকজন। যে দালানবাড়িটিতে বোমা বানানো হচ্ছিল, বোমা বিস্ফোরণের ফলে তার কোনো অংশ ভেঙে যায়নি। (উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে নকশালপন্থীরা অনেক শক্তিশালী বোমা বানাতে জানে। সেসব বোমা বিস্ফোরণে দালানকোঠা ভেঙে পড়ে, সাঁকো, রেললাইন উড়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের ‘জঙ্গি মুসলিম মৌলবাদীদের’ তৈরি পটকার সাথে তার তুলনা হয় না। যেমনÑ ভারতে ছত্তিশগড় রাজ্যে নকশালপন্থীরা স্থলমাইন ব্যবহার করছে, যা কেবল সেনাবাহিনীর লোকেরাই ব্যবহার করতে পারে।)
পূজার ছুটি (বাংলাদেশ বকরি ঈদ ও দুর্গাপূজা মিলিয়ে লম্বা ছুটি) থাকায় ঘটনাটি নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের উপাদান পাকিয়ে তুলতে একটু সময় লেগেছে। তা ছাড়া এক ঢিলে দুই পাখি মারার সুযোগ হাতে পেয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টির র কারিগরেরা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও রাজ্য সরকারকে তদন্তের বাহাদুরিতে ভুল করার সময় দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের টাস্কফোর্স, অ্যান্টিটেরোরিস্ট স্কোয়াড ও সিআইডি নিহত শাকিল ও আহত হাসানের দুই স্ত্রীকে অকুস্থল থেকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তারা নিকটবর্তী বাদশাহি রোডের একটি পোড়োবাড়িতে ৮ অক্টোবর তল্লাশি চালিয়ে কিছু আলামত পেয়ে বাড়িটি সিলগালা করে। ইতোমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সরকারবিরোধী দলগুলোর তরফে আওয়াজ ওঠে জাতীয় গোয়েন্দা এজেন্সির হাতে তদন্তভার দেয়ার জন্য। সন্দেহ ব্যক্ত করা হয়, তৃণমূল কর্মীদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, রাজ্য পুলিশ আলামত নষ্ট করতে পারে।
তার আগে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির দেয়া খবর : রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে জঙ্গি তালিমের জন্য প্রায় ৬৫টি শিবির গড়েছে (ভারতের) নিষিদ্ধ সংগঠন সিমি। বাংলাদেশের মৌলবাদীরা এবং (পাকিস্তানের) আইএসআই ওই জঙ্গিশিবিরগুলোকে প্রত্যভাবে মদদ জোগাচ্ছে বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। এ সম্পর্কে গোয়েন্দা রিপোর্ট পাওয়ার পর ভারতের জাতীয় তদন্ত এজেন্সি (এনআইএ) কেন্দ্রের নির্দেশে খোঁজখবর শুরু করেছে। শুধু এই রাজ্য নয়, ত্রিপুরা ও অসম সীমান্তেও সিমি এ ধরনের জঙ্গি তালিমশিবির তৈরি করেছে। বর্ধমান বিস্ফোরণ-কাণ্ডের তদন্তে নেমে সিআইডি সিমির যোগসাজশের হদিস পেয়েছে। সিআইডি এবং রাজ্য পুলিশের অফিসাররা মনে করছেন, সিমি বর্ধমানের ওই বাড়িতে বসে যেমন অত্যাধুনিক বিস্ফোরক তৈরি করেছে, তেমনি সীমান্তবর্তী নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও দণি দিনাজপুর জেলায় বড় ধরনের জাল বিস্তার করেছে। এই চার জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশী জঙ্গিরা ভারতে ঢুকে পড়ছে। রাজ্যের কয়েকজন লিংকম্যান অস্ত্র ও বিস্ফোরক বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। কয়েকজন বাংলাদেশী আবার ভুয়া তথ্য দিয়ে এই দেশের ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে ও সচিত্র পরিচয়পত্রও তৈরি করেছে। শুধু নদিয়া জেলায় এ রকম ২৭টি জঙ্গি ঘাঁটি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দণি দিনাজপুর জেলায় এ রকম গোপন ক্যাম্পসহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় মোট ৬৫টি জঙ্গি ঘাঁটির খবর পাওয়া গেছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশ মোতাবেক উত্তর চব্বিশপরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ তল্লাশি চালানো শুরু করেছে। কেন্দ্রের নির্দেশে এনআইএ-ও পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
৭ অক্টোবর কলকাতা থেকে আরো খবর : বর্ধমানে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের সাথে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিনের (জুম) সংস্রবের আরো সুস্পষ্ট প্রমাণ
তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। গোয়েন্দারা নিশ্চিত, চলতি বছরে ফেব্র“য়ারি মাসের ২৩ তারিখ বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকায় পুলিশ খুন করে দুই জুম নেতাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল যে দলটি, তারাই ঘাঁটি গেড়েছিল বর্ধমানে। তার আগে এ দলটিই মুর্শিদাবাদের লালবাগ এলাকায় সাময়িক আস্তানা গেড়ে ‘জিহাদি’ নিয়োগের কাজ চালাচ্ছিল। বিস্ফোরক জোগাড় করা, বোমা বানানো এবং সেই ‘কনসাইনমেন্ট’ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ক্যারিয়ার নিয়োগের কাজও শুরু করেছে তারা। নিয়োগের এই কাজ পরিচালিত হয়েছে বর্ধমান-কাণ্ডে নাম জড়ানো কৌসরের মাধ্যমে। খাগড়াগড়ের ওই বাড়িতে বহিরাগতদের নিয়মিত আনাগোনা ছিল। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনই বিশেষ করে কৌসর, রসিক ও ফারুক নামে তিনজন বাংলাদেশে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’।
১১ অক্টোবর ভারতে অফিস-আদালত খোলার পরপরই অনলাইনে খবর : পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও ১০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) হাতে বর্ধমান-কাণ্ডের তদন্তভার তুলে দিলো। জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও বর্ধমানসহ নানা এলাকায় ধর্মীয় শিাপ্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে এপার বাংলায় ঘাঁটি গাড়তে শুরু করেছিল। সিবিআইয়ের নজরে এখন ১৯ নম্বর দরগা রোডের বাড়ি, যেখানে নিষিদ্ধ সিমির মূল ঠিকানা ছিল, এখন একটি প্রকাশনা সংস্থার অফিস।
বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ওই বিস্ফোরণে বাংলাদেশী বোমা কারিগর শামিম শাকিল আহমেদ ও স্বপন মণ্ডল নামে দু’জন নিহত হন। নিহত দু’জনসহ পুরো দলটি বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জেএমবির সদস্য। বিস্ফোরণে আহত আবদুল হাকিম এর বেশি তথ্য দিতে রাজি হননি। শাকিলের স্ত্রী রুমি বিবি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, দলটি লেদ মেশিনের সাহায্যে অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করছিল। বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের আইএমআই রেকর্ডে রকেট লঞ্চারের ডিজাইনের ছবি ও পেণাস্ত্রের ডিজাইন পাওয়া গেছে।
তারপর ১৬ অক্টোবর বিশেষ খবর : বর্ধমানের বাদশাহি রোডে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সিলগালা করা বাড়িটি থেকেই পায়খানায় লুকানো ৩০টি গ্রেনেড-জাতীয় হাতেগড়া তাজা বোমা উদ্ধার করেছে এনএইএ, এনএসজির যৌথ বিশেষজ্ঞ দল ও তাদের বিস্ফোরক ঘ্রাণ সন্ধানী কুকুরবাহিনী। পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দারা সেসব খুঁজে পায়নি বা ভালো করে খুঁজে দেখেনি। নজরদারিতে রাখা আরেকটি মাদরাসায় অভিযান চালায়নি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, যদিও জব্দ করা একটি পেনড্রাইভে সেখানে জঙ্গি প্রশিণের ভিডিও চিত্রের তথ্য তাদের হাতে এসেছিল।
এর পর ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হলো ভারতের, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে ফাঁস করা
তদন্তের খবর দিয়ে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্রের নানা বোমাবার্তার প্রস্রবণ। যেমন অনলাইনে এলো : বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর একের পর এক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর পরিমাণে গ্রেনেড ও বিস্ফোরক। এসব গ্রেনেড ও বিস্ফোরক বাংলাদেশ ও আসামের জঙ্গিদের কাছেও পাঠানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল বিস্ফোরণে নিহত শাকিল গাজীর তত্ত্বাবধানে। এসব গ্রেনেড ও বিস্ফোরক মজুদ করে রাখা হয়েছিল বিভিন্ন জঙ্গিডেরায়। বর্ধমানে বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে ৫০০ মিটার দূরে বাদশাহি রোডে একটি বাড়ি থেকে এনআইএ গোয়েন্দা ও এনএসজির কমান্ডোরা উদ্ধার করেছিল ৪০টি গ্রেনেড এবং ২৫ বস্তা বিস্ফোরক। এ বাড়িটিতে থাকত মন্টু শেখ ও তার ছেলে রেজাউল শেখ। বিস্ফোরকগুলো লুকানো ছিল বাথরুমের একটি গোপন স্থানে। গোয়েন্দাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, এ বিপুল বিস্ফোরক কি সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য রাখা হয়েছিল, নাকি সেনাদের ওপর আক্রমণের জন্য। যৌথবাহিনীর সদস্যরা কুকুর ও বোম স্কোয়াডকে সাথে নিয়ে তল্লাশিতে নেমে যেভাবে বিস্ফোরক পাচ্ছে তাতে তাদের ধারণা, বর্ধমান ও সংলগ্ন এলাকায় আরো গ্রেনেড ও বিস্ফোরক মজুদ রাখা হয়েছে। রেজাউল শেখ ও তার পরিবার বিস্ফোরণের দিন থেকেই লাপাত্তা।
পত্রিকার খবর : মাওবাদী নারীবাহিনীর কথা এত দিন জানা ছিল। এবার ধরা পড়ল পশ্চিমবঙ্গে একটি জিহাদি প্রমীলা বাহিনীর অস্তিত্ব। ঘটনায় নিহত শাকিল আহমেদের স্ত্রী রাজিয়া বিবি এবং জখম আব্দুল হাকিমের স্ত্রী আলিমা বিবি দু’জনই ওই নারী বাহিনীর সদস্য। বাকিরা এখনো অধরা।
এনআইএর দাবি : বাহিনী গঠন ও যাবতীয় প্রশিণের প্রধান দায়িত্বে ছিল আয়েশা বিবি, যে কিনা বর্ধমানের মঙ্গলকোটের কৃষ্ণবাটী গ্রামের বাসিন্দা মৌলানা ইউসুফ শেখের স্ত্রী। খাগড়াগড়-কাণ্ড যে আন্তর্জাতিক জঙ্গিজালকে প্রকাশ্যে এনেছে, পশ্চিমবঙ্গে তার চাঁই হলো ইউসুফ। জিহাদিদের অন্যতম আঁতুড় হিসেবে চিহ্নিত শিমুলিয়া মাদরাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফ আপাতত ফেরার। আয়েশাও পালিয়েছে।
বাংলাদেশের জেএমবি ও ভারতের জমিয়তুল মুজাহিদিনকে মেলাতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে ওসামা বিন লাদেনের আলকায়েদা। আলকায়েদার বর্তমান প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরির লেখা সাত পাতার যে চিঠিটি ২০০৯-এ ফাঁস হয়, তাতে জিহাদে মহিলাদের শামিল হওয়ার আহ্বান রয়েছে।
আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হানার ল্েয আলকায়েদাই গড়েছিল প্রমীলা জঙ্গিবাহিনী ‘বোরখা ব্রিগেড’। আত্মঘাতী নারীজঙ্গির মারণ হানার দৃষ্টান্তও রয়েছে ভারতে। এলটিটিইর এমন এক হামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধীকে প্রাণ দিতে হয়।
রাজিয়া, আলিমা ছাড়াও জিন্নাতুর বিবি, জরিনা বিবি, রুম্পা খাতুন ও খালেদা বিবি বীরভূমের এই চার তরুণী শিমুলিয়া ও মকিমনগর মাদরাসায় জঙ্গি তালিম নিয়েছিল বলে
তদন্তকারীদের সন্দেহ। চারজনই অবশ্য ফেরার। তাদের খোঁজ করতে রাজ্যে আরো মহিলা অফিসার ও কনস্টেবল আনছে এনআইএ। ‘মাওবাদী নেত্রী জাগরি বাস্কে, সুচিত্রা মাহাতো, শোভা মান্ডিরা দু-তিন বছর আগে মূল স্রোতে ফিরেছে ঠিকই; কিন্তু এখন ঘুম কেড়েছে আয়েশারা।’ মন্তব্য এক আইবি-কর্তার।
পত্রিকায় আরো খবর মালদহ থেকে : কালিয়াচকের বাঁশবাগানে মিলল ১৬টি বলবোমা। শক্তপোক্ত প্লাস্টিকের বলের কিছুটা কেটে কমলা রঙের বিস্ফোরক ঠাসা। রয়েছে ছোট পেরেক, পাথরকুচি, বল বিয়ারিং, ধারাল লোহার টুকরোও। সেসব পুরে আঠা দিয়ে ফের বলটি জোড়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আনুমানিক ওজন প্রায় ৫০০ গ্রাম। এমনই ১৬টি ‘বলবোমা’ শুক্রবার উদ্ধার হলো মালদহে। তার জেরে ফের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে মালদহ জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে। কারণ, যে শিকের বাড়ির বাগানে বড় মাপের প্লাস্টিকের জেরিকেনে বোমাগুলো রাখা ছিল, পুলিশ তাকে রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।
১৮ অক্টোবরের ভারতীয় পত্রপত্রিকায় জবর খবর : যে ধরনের রাসায়নিক বিস্ফোরক বর্ধমানে উদ্ধার হয়েছে, তার সাথে শ্রীলঙ্কায় মুছে যাওয়া তামিল জঙ্গি সংগঠন এলটিটিইর (লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলম) ব্যবহার করা বিস্ফোরকের মিল খুঁজে পেয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) বোমা বিশেষজ্ঞদের; কিন্তু এখন তো আর এলটিটিইর অস্তিত্বই নেই। কোথা থেকে উঠে এলো এদের নাম? এনএসজির সাবেক কর্তা এবং বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘ভুলে যাবেন না, সম্প্রতি ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের বিস্ফোরণের ঘটনাতেও এলটিটিইর ছাপ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। সংগঠন হিসেবে এলটিটিইর এখন আর অস্তিত্ব না থাকলেও যে পাকা মাথার যুবকেরা এলটিটিইর জন্য বিস্ফোরক বানাত, তারা রয়েই গেছে।’
ভারতীয় গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, একসময় এলটিটিইর হয়ে কাজ করা এই যুবকেরাই এখন মোটা টাকার বিনিময়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন, মাওবাদী বা (পাকিস্তানের) লস্করের মতো জঙ্গিদের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিণ দিচ্ছে। বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণে নিহত শাকিল বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য ছিল (নিহত দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম শোভন মণ্ডল, নাগরিকত্ব ভারতীয়, অমুসলিম)। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, সম্প্রতি এই সংগঠনও হয়তো মোটা টাকা দিয়ে এলটিটিইর বিস্ফোরক বানানোর কারিগরি আয়ত্ত করেছে। কয়েক দিনের তল্লাশিতে বর্ধমানের খাগড়াগড় ও শিমুলিয়া থেকে পাওয়া গেছে বেশ কিছু রাসায়নিক। এগুলোর সবই উচ্চমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক বানাতে কাজে লাগে। এই রাসায়নিক দেখেই বিস্মিত ভারতের গোয়েন্দারা। ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা এজেন্সি এনআইএর বক্তব্য, সামান্য নড়াচড়াতেই ফেটে যেতে পারে এই বিস্ফোরক। যে কারণে, মঙ্গলবার খাগড়াগড়ের দোতলায় উঠে রাজ্য পুলিশ ও সিআইডির কাছ থেকে সব জিনিস বুঝে নিলেও ওই বিস্ফোরক সরিয়ে নেয়ার ঝুঁকি নেয়নি তারা। এর পরই বর্ধমানে ডেকে আনা হয়েছে এনএসজির বোমা বিশেষজ্ঞদের। রাসায়নিকগুলো দেখে তারা বলছেন, এ ধরনের রাসায়নিক দিয়ে একসময় বিস্ফোরক তৈরি করত এলটিটিই। গোয়েন্দাদের একাংশের মতে, সম্প্রতি বিস্ফোরক বানানোর কিছু কৌশল ইন্টারনেট মারফত শেখার চেষ্টা করছিল শাকিলরা। খাগড়াগড়-শিমুলিয়ায় তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ সে রকমই ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ই-মেইল মারফত সেগুলো তাদের কাছে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পিকরিক এসিডের মতো বিস্ফোরক যে ইন্টারনেট দেখে বানানো সম্ভব নয়, সে কথাও মানছেন বিশেষজ্ঞরা।
একসময়ে সার থেকে আইইডি তৈরি হতো। সেই আইইডির ব্যবহার শুরু করে আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি। তারাই বিস্ফোরক হিসেবে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার শুরু করে। এখন বিস্ফোরক বানানোর জন্য অত্যাধুনিক রাসায়নিক লেড অ্যাজাইড বা পিকরিক এসিড ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতীয় গোয়েন্দারাই বলছেন, ‘ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। এক দিকে বিস্ফোরক বানানোয় এলটিটিইর এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, সাথে আইএসআই-হুজি জঙ্গিদের টাকা ও নেটওয়ার্ক, জামা’আতদের আত্মবিসর্জনের সঙ্কল্প এবং সর্বশেষে রাজনৈতিক নেতাদের মদদ।’
এখানে ‘রাজনৈতিক নেতাদের মদদ’ বলতে অবশ্য ইঙ্গিত করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে মতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসলিম ভোটে আর নকশাল জঙ্গিদের মদদ দিয়ে মতায় এসেছেন, এমনই ধুয়া তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি ও বামফ্রন্ট। তথা সম্ভাব্য নাশকতার জন্য বোমা তৈরিতে হতাহতের ঘটনা নিয়ে মতার লড়াইয়ের জাল ফাঁদা আর দোষারোপের রাজনীতি শুরু হয়েছে। সেই জালের ফাঁদে বাংলাদেশকেও জড়িয়ে ফেলার বাকায়দা সুযোগ রেখেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা। বাংলাদেশবিদ্বেষী নানা ধরনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধাস্ত্র বহু দিন ধরেই মিডিয়ার মাধ্যমে শানিয়ে চলেছে ভারতশক্তির র সংস্থা। বর্ধমান-কাণ্ডের যুদ্ধাস্ত্রটি এই পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গের মমতা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কাজে কম-বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে বলেই মনে হয়। তবে তার কামানের নল দণি এশিয়ায় আল জাওয়াহিরি ঘোষিত আলকায়েদা চক্রান্তের দোহাই দিয়ে ভূরাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের দিকে যেকোনো সময় যে ঘোরানো হতে পারে, সে কথা বলার অপো রাখে না।
লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1336)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
October
(1240)
-
▼
Oct 26
(32)
- ঘুরপাকে ইউরোপীয় রাজনীতি by সরাফ আহমেদ
- রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়- বিদ্যাশৃঙ্খলা নিয়ে ভাবুন...
- ঘরে ১০ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার কাজ করেন নারী -সিপি...
- হুন্ডির পাচারকৃত কালো টাকা কি হালাল? by আলী ইদ্রিস
- কেন এত আকুলিবিকুলি by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
- ইলিশ মাছের আবাসস্থল রক্ষা জরুরি by কাজী শফিকুর রহমান
- মিলানে আসেম, পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমানকাণ্ড ও বাংলাদেশ b...
- আজকের প্রজন্মের নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ by শাহ আবদুল ...
- গিয়াস কামাল চৌধুরী by মীযানুল করীম
- করোনেশন বালিকা বিদ্যালয় সম্পর্কিত সংবাদ প্রসঙ্গে b...
- লাশ নিয়ে শোকার্তদের মিছিল by খালিদ সাইফুল্লাহ
- দরপত্র ছাড়াই ইউক্রেন থেকে আড়াই লাখ টন গম আমদানি by...
- মিয়ানমার থেকে গণহারে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা
- মিসরের জনগণের উদ্দেশে কারাগার থেকে মুরসির চিঠি
- ‘নারীরা অর্থনৈতিকভাবেও বৈষম্যের শিকার’
- স্বপ্নের সিঁড়ি অতিক্রমে পিতা পুত্রের সংগ্রাম
- পদ্মার কারণে বন্ধ হলো গ্যাস প্রজেক্ট কাজ by শাহ্ ...
- বাংলাদেশকে শাস্তি দেয়ায় বিপরীত ফল বয়ে আনবে -ওয়াশিং...
- আওয়ামী লীগ-বিএনপি ডিসেম্বর টার্গেট ধরেই এগোচ্ছে...
- এ কে খন্দকারকে আর মুক্তিযোদ্ধা বলা যাবে না
- প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ
- ‘ফুর্তি’র স্বর্গরাজ্য মালদ্বীপ by দীন ইসলাম
- ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস, তারপরই...
- অনৈতিক সম্পর্কের কারণেই খুন
- ইহুদিদের হারানো জীবন নিয়ে জীবন্ত জাদুঘর
- হামলাকারীর সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা মেলেনি
- যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ কোবানি
- বাংলাদেশে হামলার জন্য জেএমবি-র সদস্যরাই গ্রেনেড তৈ...
- চলছে বর-কনে পক্ষের আমন্ত্রণপত্র বিলি by জাহিদ হাসান
- মূর্তিমান আতঙ্ক মোবাইলফোন ছড়িয়ে পড়ছে পর্নোগ্রাফি-...
- ৩৩২৬ কিমি বেড়া স্থাপনের কাজ শেষ ভারতের- এবার সীমান...
- চিরনিদ্রায় শায়িত গোলাম আযম -জানাজায় লাখো মানুষের ঢল
-
▼
Oct 26
(32)
-
▼
October
(1240)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment