Tuesday, June 18, 2013
ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি আমাদের বাজেট by কাজী জেসিন
ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি আমাদের বাজেট by কাজী জেসিন
সামনে এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম পাথেয় হলো ‘আশাবাদ’। তাই ‘আশাবাদ’ সুন্দর। আর তা যদি হয় জনকল্যাণে তাহলে তা নিঃসন্দেহে আরও সুন্দর।
কিন্তু
এবারের বাজেট বক্তৃতার শেষে আমাদের অর্থমন্ত্রী, বাজেটে যে আশা বা
স্বপ্নকে ধারণ করা হয়েছে তাকে বললেন ‘অশোভন আশাবাদ’। কুইক রেন্টালের মতোই এ
এক আজিব ভাষা ও তরিকা আবিষ্কার। যে আশাবাদ মানুষকে এগিয়ে নেয়ার, দেশকে
এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, তা যতই বড় হোক তা কখনই অশোভন, অসুন্দর বা কুৎসিত হতে
পারে কি? নিজেই যে খোয়াব থেকে তিনি এ বাজেট পেশ করলেন নিজেই তাকে বললেন
অশোভন? ভাববার বিষয়! এ বছর ৫ই এপ্রিল সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন
ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা সন্তানদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরির
চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজেকে ‘সিঙ্গেল মাদার’ বা ‘একাকী মা’ বলে
ফেললেন। খুব সম্ভবত তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন বাচ্চাদের দৈনন্দিন লালন পালনের
কাজে প্রেসিডেন্ট-স্বামী বিশেষ ধরনের বাস্তব ব্যস্ততার জন্য সময়-সাহায্য
করতে পারেন না। ফলে তাকে সিঙ্গেল মাদারের মতই এককভাবে সব সামলাতে হয়।
সিঙ্গেল মাদারদের সঙ্গে মিশেল ওবামার মিলের জায়গা এতটুকুতেই। তার কথার এই
অব্যক্ত কিন্তু সুপ্ত থাকা অর্থের (ইমপ্লায়েড) দিকে নজর না দিয়ে বরং তিনি
ফার্স্ট লেডি বলে সবাই তার উচ্চারিত কথাকে ভুল অর্থের দিক নিয়ে তোলপাড় শুরু
করলেন। যদিও সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে স্বামী-প্রেসিডেন্টের
ব্যস্ততার কথা উল্লেখ করলেন। তবুও এ বক্তব্য বিস্তর সমালোচনার জন্ম দিলো,
বেশির ভাগ মানুষই একে আখ্যা দিলো ‘ফ্রয়েডিয়ান স্লিপ’ বলে। সমালোচকরা প্রশ্ন
তুললেন ‘একজন স্ত্রী কি করে একসঙ্গে বসবাসরত তার জ্বলজ্যান্ত স্বামীর কথা
ভুলে যান? তার ভেতরে একাকী মা’র অনুভূতি না কাজ করলে কি করে তিনি নিজেকে
‘সিঙ্গেল মাদার’ বা “একাকী মা” বলে ফেলেন?’ - টেনে লম্বা করা বাড়াবাড়ি
ব্যাখ্যা সন্দেহ নাই।
তবু মনস্তত্ত্বের এই আলোচনার মধ্যে যদি আমরা ঢুকি তবে দেখি, মনস্তত্ত্ববিদ সিগমুন্ড ফ্রয়েড এ প্রসঙ্গে বলছেন, ‘আমি দেখিয়েছি এই ফেনামেনা [ভুল শব্দে বলা কথা] কোন দুর্ঘটনা নয়। একই ভাবে স্বপ্নের ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রেও এই মনস্তত্ত্ব পর্যালোচনা ব্যবহার করা যেতে পারে। লাভ হতে পারে অসংখ্য ছোটখাটো মুখ ফসকে বলা কথা এবং ভুল থেকে যাকে বলা হয় সিমটমিক কার্যকলাপ। আমি দেখিয়েছি এই ফেনামেনান শরীরবিদ্যার চেয়ে অনেক বেশি গবেষণার দাবি রাখে। যা অর্থবহুল এবং যার ব্যাখ্যা হতে পারে, এবং যাকে বলা যায় অবদমিত আকাঙক্ষা ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ (অটোবায়োগ্রাফি অব সিগমুন্ড ফ্রয়েড, ১৯২৫)। ফ্রয়েডের তত্ত্ব অনুযায়ী অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য পর্যালোচনার করা যেতে পারে। ‘অশোভন আশাবাদ’ যদি আমাদের অর্থমন্ত্রীর ‘ফ্রয়েডিয়ান স্লিপ’ না হয়ে থাকে, যদি তিনি তা ভেবেচিন্তে জাতিকে জানিয়ে থাকেন তবুও এ শব্দযুগলের এহেন ব্যবহারের মধ্য দিয়ে কি বার্তা তিনি আমাদের দিতে চান তা বোঝা প্রয়োজন। বোঝা দরকার দেশকে এগিয়ে নিতে প্রণীত আশাবাদের দলিলকে কেন তিনি অশোভন বললেন। এবারের বাজেটের উদাহরণ সৃষ্টিকারী বিশাল ঘাটতি নিয়ে ইতিমধ্যে নানাবিধ আলোচনা-সমালোচনা, অর্থনীতিবিদদের ব্যাখ্যা আমরা শুনেছি। কোন তাত্ত্বিক পর্যালোচনা বা অর্থনীতির পরিসংখ্যানে ডুব না দিয়ে যদি দেখি এবারের বাজেট আমাদের কি দিয়েছে তাহলে দেখা যায় মূলত দুনীতিগ্রস্ত কালো টাকার মালিক ছাড়া এবারের বাজেট কাউকেই খুশি করতে পারবে না। নির্বাচনী বাজেট বলে মানুষ আশা করেছিল এই বাজেট দেশের জনসাধারণকে খুশি করার একটি বাজেট হবে। এ বাজেটে এমন কোন দিকনির্দেশনা থাকবে যা দুর্নীতিকে নিরুৎসাহিত করবে, দ্রব্যমূল্য কমাতে ভূমিকা রাখবে, ভোটারদের একটি বড় অংশ, দেশের কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে। কিন্তু না, সে গুড়েবালি। সদ্য-গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয় নি। তাসত্ত্বেও একদিকে যেমন আবার এবারেও অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রার রাজস্বের ওপর নির্ভরশীলতা স্বপ্ন বোনা হয়েছে, তেমনি এর ওপর আবার বিশাল ঘাটতি মেটাতে বাইরের অর্থবাজার অর্থাৎ ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীলতাও বেড়েছে। যেখানে দেশে ইতিমধ্যে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে আছে সেখানে বাজেটের বিশাল ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকের ওপর অতি নির্ভরশীলতা সেই পরিবেশকে আরও স্থবির করবে সন্দেহ নেই। ধনী-গরিবের জন্য একই রাজস্বনীতি (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ) এটা পরিবর্তন না করে উল্টো রাজস্ব আদায়ের আওতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে সাধারণ মানুষের মনে হতাশা জাগিয়েছে। দেশের মানুষ সরকারকে কর দেয় রাষ্ট্রকে দক্ষ ও সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে, নানবিধ অবকাঠামোগত বিনিয়োগ প্রকল্প কাজের মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য। কারণ এভাবেই দেশের মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি অবকাঠমোগত সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্র জনসাধারণের সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে থাকে। যদিও সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানো যায় না। সিটের অভাবে বারান্দায় রোগী পড়ে থাকার দৃশ্য নিত্যনৈমিত্তিক। সরকারি স্কুলে শিক্ষার মান নিয়ে দীর্ঘদিনের সমালোচনার সঙ্গে এখন যোগ হয়েছে শিশু মনকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার নানা কৌশল। এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে বলা যায় খুলনার সাবেক মেয়রের সঙ্গে হযরত উমরকে তুলনা করে প্রশ্নপত্র তৈরি (সূত্র: আরটিটিএন, ১৪.০৬.২০১৩)।
হাইওয়ে সড়কগুলো অব্যবস্থাপনায়, নির্মাণ মেরামত সঠিক সময়ে না করায় সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অস্ত্রের মুখে টেন্ডার ছিনতাইয়ের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা তো আমাদের বলেই দেয় জনগণের করের টাকা কোথায় যায়। যেখানে প্রতিটি সরকারি সংস্থায় দলীয় যোগ্যতায় নিয়োগ একটি ওপেন সিক্রেট, খুন-রাহাজানির দেশে পুলিশ যখন ব্যস্ত থাকে বিরোধী নেতাদের নিয়ন্ত্রণে, নিজের ঘরে মৃত্যুর পর যখন আমাদের মন্ত্রীরা বলেন ‘মবেডরুম পাহারা দেয়া সম্ভব নয়’ তখন মানুষের কর পরিশোধের আকাঙক্ষা নিদারুণভাবে কমে যাওয়ারই কথা। সেই সঙ্গে সরকারের কর আদায়ের নৈতিকতা। বছরের পর বছর ধনী-দরিদ্র সবার কাছ থেকে সরকার ক্রমবর্ধমানহারে কর আদায় করছে বিনিময়ে সাধারণ মানুষ পেয়েছে শুধুই বাহারি প্রতিশ্রুতি। এবারের বাজেটে বরাবরের মতো প্রতিশ্রুতিময় কাগজের ফুলের মধ্যে একটি লক্ষণীয় নতুন বিষয় হলো সরকারের ইমেজ রক্ষা করতে জনগণের খেসারত ও এর নতুন কায়দা।
যে কোন বাজেটে সাধারণত বিনিয়োগের রেট অব রিটার্নকে খুব গুরুত্ব দেয়া হয়। কোন খাতে রেট অব রিটার্ন যদি কম আসে বা অনিশ্চিত জায়গায় থাকে তবে অন্য অ-অর্থনৈতিক যেমন আর্থ-সামাজিক ন্যায্যতার দিক জোরদার থাকতে হয়। কিন্তু তারও যদি বালাই না থাকে, যদি খোলাখুলি ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ উদ্ধারের ব্যাপার থাকে তাহলে তাকে অগ্রহণযোগ্য বললে কম বলা হয়। যদিও এমনিতেই অর্থঘটিত বিষয়ে রিটার্ন অনিশ্চিত হলে তাকে বেকুবি বিনিয়োগ বলা হয়। অথচ এবারের বাজেটে সাধারণভাবে কৃষিতে মোট বরাদ্দ আগের তুলনায় কম এবং ভর্তুকিখাতে ৫শ’ কোটি কমানো হয়েছে, আর বিপরীতে একটি অনিশ্চিত খাত পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের আরও অন্যান্য অনেক অপ্রতিষ্ঠিত যুক্তিতে বরাদ্দের পাশাপাশি এ দু’টি সিদ্ধান্ত সরকারের মনোজগৎ বুঝতে আমাদের খুব সাহায্য করবে। আমরা এ দু’টোর একটা তুলনা করবো। মনে রাখা দরকার কৃষিতে বিনিয়োগের রিটার্ন আসে খুব অল্প সময়ে, তিন থেকে চার মাসে। তাছাড়া সরকার এমন সময়ে কৃষিতে ভতুর্কি কমিয়েছে যখন কৃষিতে প্রবৃদ্ধি প্রতিবছর কমতে কমতে দাঁড়িয়েছে ২.৭ শতাংশে। উল্লেখ্য, ২০১১-১২ অর্থবছরে কৃষিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.১১, চলতি বছরে দাঁড়িয়েছে ২.১৭ শতাংশে, এর আগে ২০১০-২০১১ তে ছিল ৫.১৩ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে শস্য ও শাক সবজি খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ শতাংশের বেশি, চলতি অর্থবছরে এ খাতে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। শুধু কৃষি নয়, প্রতিটি খাতে ভর্তূকি বণ্টনে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ একটি চিরায়ত গল্পে পরিণত হয়েছে। মাঝারি মানের ও প্রান্তিক কৃষকরা যেখানে ভর্তুকি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সেখানে আমাদের ডিজিটাল সরকার ভর্তুকি বণ্টনে কোন আধুনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ না করে ভর্তুকিই কমিয়ে দিয়েছে! দফায় দফায় ইউরিয়া, বীজ, কীটনাশক, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে উৎপাদন খরচ যখন প্রায় দ্বিগুণ, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষক যখন হতাশ তখন এ বাজেট কৃষকের মাঝে আশার সঞ্চার করবে এমন আশা থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক। এর আগে কৃষকের হতাশা আমরা দেখেছি, দেখেছি কিভাবে কৃষক নিজের রক্ত ঘাম করা ফসল পথে ফেলে চলে গেছে। ন্যায্য দাম না পেয়ে নিজের হাতে আবাদ করা শস্য পথে ফেলে যে কৃষক চলে গেছে তার খবর আমরা কি রেখেছি? নিজেদের কৃষকবান্ধব দাবি করা দল ক্ষমতায় বসে কৃষকদের জন্য যে ভালবাসা দেখিয়েছে তা হয়তো কৃষকদের কাছে তামাশার মতোই লাগে। সরকারি নেতাদের মুখে আমি বলতে শুনেছি, ‘আপনারা একদিকে ধান-চালের ন্যায্যমূল্যের কথা বলবেন আবার অন্যদিকে চালের দাম বাড়লে সরকারের সমালোচনা করবেন’- এ জাতীয় কথা। এর অর্থ কি এ নয় যে বর্তমান সরকার কোন সামগ্রিক সমন্বিত স্ট্র্যাটেজিক প্লান ছাড়াই চালের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল? পণ্যের উৎপাদন খরচ কমানোর এবং একই সঙ্গে শহরের শ্রমিক ন্যূনতম কতমূল্যে খাবার সংগ্রহ করবে এ দুইয়ের মধ্যে একটা প্রবল ভারসাম্য রাখার কোন পরিকল্পনা কি সরকারের ছিল না? নাকি কৃষকের কথা না ভেবেই [কেবল ভোকাল শহুরে মধ্যবিত্তকে পক্ষে নেয়ার লোভে] বর্তমান সরকার ২০ (মতান্তরে ১০) টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল? জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি সরকারকে অবশ্যই রাখতে হবে, নইলে এমন ফাঁকা প্রতিশ্রুতি সরকারকেই খেয়ে ফেলবে। পাশাপাশি কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ কমানোর ব্যবস্থাও সরকারকে গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আমাদের সরকার, কূল বা শ্যাম কোন দিকই রক্ষা করতে না পেরে, সরকার চালানোকে খেলাপাতি খেলা বানিয়ে ফেলেছে। একদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ায় কৃষক যেমন ন্যায্যমূল্য পায়নি অন্যদিকে সাধারণ মানুষও ১০ বা ২০ টাকা কেজি চাল পায়নি। গত চার বছর ধরে এ দুর্দশা চলার পর এবার আরও দুর্যোগের তথ্য হলো বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ এবার কম রাখা হলো।
যদিও যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হবে না কোনদিন তাও ‘শৈল্পিক গুণে’ অনেক সময় আমাদের মন জয় করে। কথার ফুলঝুরিতে আমরা ভুলে যাই। কিন্তু এবারের বাজেটে পদ্মা সেতু নির্মাণে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে যেমন নেই ‘শৈল্পিক গুণ’, তেমনি নেই কোন অর্থনৈতিক বিবেচনার গুণাবলী। ৬.১৫ কি.মি. দৈর্ঘ্যেরে পদ্মা সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা; সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি। বর্তমান সরকার দেশের মানুষকে পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অথচ সেতু নির্মাণের প্রস্ততি পর্বের শেষ এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংক ফাঁস করে দিলো সরকারের দুর্নীতির তথ্য। একদিকে যখন বিশ্বব্যাংক অভিযোগ করছে সরকারের মন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীনরা দুর্নীতিতে জড়িত, তারা দুর্নীতির আলাপ, কমিশন ভাগবাটোয়ারা নিয়ে রফায় পৌছেছিলেন [আইনি ভাষায় যাকে ‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্র করার অপরাধ’ বলা হয়]। অন্যদিকে, সরকার জনগণকে বোকা ভেবে বারবারই মুখরক্ষার জবাবে বলছে, যেখানে অর্থই ছাড় হয়নি সেখানে দুর্নীতি হবে কোথা থেকে।
অথচ ইতিমধ্যে মানুষ জেনে গেছে সেতুর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কানাডার এসএনসি-লাভালিনকে কাজ পাইয়ে দিতে কাকে কত শতাংশ ঘুষ দেয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মন্ত্রীকে আমরা এমনকি ‘দেশপ্রেমিক’ সার্টিফিকেট দিতে শুনেছি। আরও অনেকের সঙ্গে ২% ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও আদালতে মামলা শুরু হয়ে যাওয়ার কারণে সাসপেন্ড হয়ে যাওয়া সচিবকে আবারও আদালত জামিন দিয়েছে যুক্তিকে স্বপদে ফিরিয়ে আনতে দেখেছি। অনেকেই হয়তো বলবেন, এসবই প্রমাণ করে সংবিধান লঙ্ঘন করে কেন ও কাদের অর্থের হেফাজত করতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাজ পেতে এসএনসি-লাভালিনের ১০% ঘুষের রফা ও এর ভাগবাটোয়ারা বিতরণের হিসেব জেনে যখন মানুষের চোখ ছানাবড়া তখন দুর্নীতি ঢাকতে সরকারের নতুন পদক্ষেপ হলো পদ্মা সেতুর জন্য বাজেট বরাদ্দ।
একে তো পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারিতে জনগণ বিপর্যস্ত, বিরক্ত, ক্ষুব্ধ ছিল। কিন্তু সরকারের দিক থেকে সমস্যার অনুভব সেটা নিয়ে নয়। তার সমস্যা অনুভব নিজ দলের ইমেজ, কারণ সামনে আবার জনগণের মুখোমুখি হয়ে তাকে ভোট চাইতে যেতে হবে। ক্ষমতাসীন দলের নিজের কৃতকর্মের জন্য ইমেজ কি হবে তার দায় কোনভাবেই জনগণের নয়। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা করতে জনগণকে আবার অত্যাচার সহ্য করতে হবে, বাজেটে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেতু নির্মাণের ৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৫ হাজার কোটি বরাদ্দ রাখা হয়েছে অথচ বাকি বৃহৎ অংশের অর্থ আসবে কোথা থেকে তা এখনও নিশ্চিত না। আদৌ কি সেতু হবে? আমরা অনিশ্চিত। অর্থাৎ বরাদ্দকৃত এ অর্থের রেট অব রিটার্ন শূন্য। এটা ছোটখাটো বা এক-আধটা অনিশ্চিত নয়। যেমন: এক. নিজ অর্থনৈতিক সক্ষমতা স্টাডি, যাচাই এবং তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা করে আমরা নিজ বৈদেশিক অর্থে সেতু করার সিদ্ধান্ত নিইনি। সেতু নির্মাণে বাজেটে বরাদ্দ রাখার এ সিদ্ধান্ত পলিটিক্যাল এবং স্টান্টবাজি। আগামী নির্বাচনের আগে জনগণকে দেখানো, বুঝ দেয়া; ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা এটাই সিদ্ধান্তের ভিত্তি। ফলে সেতু বানানো সরকারের আসল লক্ষ্য না। লক্ষ্য হলো, ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রিপেয়ারের চেষ্টা। দুই. বৈদেশিক মুদ্রার বিষয়টা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। বিষয়টা রাষ্ট্রের বিদেশী মুদ্রা আয়-ব্যয় যে হিসাব আছে মসে খাতার বরাদ্দ কুলানো এবং সফল পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত। তা সত্ত্বেও দেশী মুদ্রার বাজেটে শোরগোল তোলা হচ্ছে। তিন. নিজের টাকায় সেতু কথাটা শুনতে দেশপ্রেমে বুক ফুলে উঠলেও প্রশ্নটা সস্তা দেশপ্রেমের না, সক্ষমতার। প্রশ্ন হলো আমাদের অর্থনীতির অতিরিক্ত তৎপরতা হিসেবে আমরা তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের যোগ্য কিনা? বিদেশী বাজারে আমাদের প্রতি সে আস্থা আছে কিনা? তা কতটুকু? সেসবের পরীক্ষা আমরা এখনও দিইনি। আমরা সেতু করতে চাই শুনে তা বিশ্বাস করে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে কি উপযুক্ত ও যথেষ্ট সংখ্যক কোম্পানি আসবে? আমরা এখনও এর কিছুই জানি না। বরং, তারা জেনে যাবে যে এটা নিজ সক্ষমতা যাচাই করে নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা এটাই আমাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তি। এর ফলে টেন্ডার আহ্বান ও তাতে উপযুক্ত কোম্পানিগুলোর সাড়া দেয়া কি আদৌ ঘটবে? যদি না ঘটে এ অনিশ্চয়তায়- তাহলে বাজেটে বরাদ্দ থাকা অর্থ রাখা অর্থহীন। শুধু তাই নয়, আমরা এই অর্থ কেটে এনেছি কৃষিসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য খাতকে বঞ্চিত করে।
সার কথায়, যে অর্থ বরাদ্দ রেখে কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো যেতো সেই অর্থ এখন ব্যয় হবে সরকারের দুর্নীতি ঢাকতে, ইমেজ মেরামত করতে। কৃষির মতো চার মাসের স্বল্প সময়ের বিনিয়োগ রিটার্ন ফেলে আমরা অনিশ্চিত সেতু নির্মাণের জন্য অনিশ্চিত বিনিয়োগ রিটার্নের জন্য সে অর্থ ফেলে রাখতে চাইছি।
এমনিতেই যখন প্রতিবছর আমাদের পরিশোধ করতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের বৈদেশিক ঋণ, নিজ চোরামি স্বভাবের গুণে তখন বিশ্বব্যংকের স্বল্পসুদের ঋণের এই সুযোগ হাতছাড়া করার অর্থ হলো, জনগণের ওপর আরও বড় অঙ্কের সুদের ভার চাপানো। কারণ এ বাস্তবতা দেশের সকল মানুষও জানে যে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ কত অসম্ভব। একথা আজ পরিষ্কার, বাজেট বরাদ্দ প্রমাণ করেছে দেশের স্বার্থের চেয়ে আমাদের সরকারের কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা। পদ্মা সেতুর স্বপ্ন এখন দূরপরাহত তবু জনগণকে প্রয়োজনীয় কৃষিসহ ভর্তুকি থেকে বঞ্চিত করে বাজেটে এ বরাদ্দ রাখা হলো সরকারের শরীর থেকে দুর্নীতির কালো দাগের তীব্রতা কমাতে। প্রত্যাশার শূন্য ঝুড়ি হাতে জনগণ হয়তো মনে মনে জপছে ‘(সেতু) ভিক্ষা চাইনে মা, তোর কুকুর ঠেকা’। কারণ আমরা বুঝে গেছি ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি। যে বাজেট নিজেদের কালিমা ঢাকার বাজেট, যে বাজেটের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের জীবন-মানের উন্নয়ন নয়, তা কখনই শোভনীয় হতে পারে না, তাই হয়তো আমাদের অর্থমন্ত্রী স্বগভোক্তিতে বাজেট নামক এ আশাবাদের দলিলকে বলেছেন, ‘অশোভন আশাবাদ’। অবশ্যই এটা অশোভন। এবং অন্যায়।
তবে আশাবাদ যেমনই হোক প্রতিশ্রুতির আলেয়ার পেছনে মানুষ বেশি দিন ছোটে না। রাতের আঁধার যখন ভার হয়ে চেপে বসে তখন সাধারণ মানুষ নিশ্চয়ই খুঁজে নেয় প্রতিশ্রুত সকাল। খুঁজে নেয়, কারণ গ্রিক লেখক ইউরিপিডিস-এর সে উক্তি আমাদেরও মগজে খেলা করে,, ‘When one with honeyed words but evil mind persuades the mob, great woes befall the state.’
তবু মনস্তত্ত্বের এই আলোচনার মধ্যে যদি আমরা ঢুকি তবে দেখি, মনস্তত্ত্ববিদ সিগমুন্ড ফ্রয়েড এ প্রসঙ্গে বলছেন, ‘আমি দেখিয়েছি এই ফেনামেনা [ভুল শব্দে বলা কথা] কোন দুর্ঘটনা নয়। একই ভাবে স্বপ্নের ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রেও এই মনস্তত্ত্ব পর্যালোচনা ব্যবহার করা যেতে পারে। লাভ হতে পারে অসংখ্য ছোটখাটো মুখ ফসকে বলা কথা এবং ভুল থেকে যাকে বলা হয় সিমটমিক কার্যকলাপ। আমি দেখিয়েছি এই ফেনামেনান শরীরবিদ্যার চেয়ে অনেক বেশি গবেষণার দাবি রাখে। যা অর্থবহুল এবং যার ব্যাখ্যা হতে পারে, এবং যাকে বলা যায় অবদমিত আকাঙক্ষা ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ (অটোবায়োগ্রাফি অব সিগমুন্ড ফ্রয়েড, ১৯২৫)। ফ্রয়েডের তত্ত্ব অনুযায়ী অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য পর্যালোচনার করা যেতে পারে। ‘অশোভন আশাবাদ’ যদি আমাদের অর্থমন্ত্রীর ‘ফ্রয়েডিয়ান স্লিপ’ না হয়ে থাকে, যদি তিনি তা ভেবেচিন্তে জাতিকে জানিয়ে থাকেন তবুও এ শব্দযুগলের এহেন ব্যবহারের মধ্য দিয়ে কি বার্তা তিনি আমাদের দিতে চান তা বোঝা প্রয়োজন। বোঝা দরকার দেশকে এগিয়ে নিতে প্রণীত আশাবাদের দলিলকে কেন তিনি অশোভন বললেন। এবারের বাজেটের উদাহরণ সৃষ্টিকারী বিশাল ঘাটতি নিয়ে ইতিমধ্যে নানাবিধ আলোচনা-সমালোচনা, অর্থনীতিবিদদের ব্যাখ্যা আমরা শুনেছি। কোন তাত্ত্বিক পর্যালোচনা বা অর্থনীতির পরিসংখ্যানে ডুব না দিয়ে যদি দেখি এবারের বাজেট আমাদের কি দিয়েছে তাহলে দেখা যায় মূলত দুনীতিগ্রস্ত কালো টাকার মালিক ছাড়া এবারের বাজেট কাউকেই খুশি করতে পারবে না। নির্বাচনী বাজেট বলে মানুষ আশা করেছিল এই বাজেট দেশের জনসাধারণকে খুশি করার একটি বাজেট হবে। এ বাজেটে এমন কোন দিকনির্দেশনা থাকবে যা দুর্নীতিকে নিরুৎসাহিত করবে, দ্রব্যমূল্য কমাতে ভূমিকা রাখবে, ভোটারদের একটি বড় অংশ, দেশের কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে। কিন্তু না, সে গুড়েবালি। সদ্য-গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয় নি। তাসত্ত্বেও একদিকে যেমন আবার এবারেও অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রার রাজস্বের ওপর নির্ভরশীলতা স্বপ্ন বোনা হয়েছে, তেমনি এর ওপর আবার বিশাল ঘাটতি মেটাতে বাইরের অর্থবাজার অর্থাৎ ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীলতাও বেড়েছে। যেখানে দেশে ইতিমধ্যে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে আছে সেখানে বাজেটের বিশাল ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকের ওপর অতি নির্ভরশীলতা সেই পরিবেশকে আরও স্থবির করবে সন্দেহ নেই। ধনী-গরিবের জন্য একই রাজস্বনীতি (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ) এটা পরিবর্তন না করে উল্টো রাজস্ব আদায়ের আওতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে সাধারণ মানুষের মনে হতাশা জাগিয়েছে। দেশের মানুষ সরকারকে কর দেয় রাষ্ট্রকে দক্ষ ও সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে, নানবিধ অবকাঠামোগত বিনিয়োগ প্রকল্প কাজের মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য। কারণ এভাবেই দেশের মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদি অবকাঠমোগত সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্র জনসাধারণের সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে থাকে। যদিও সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানো যায় না। সিটের অভাবে বারান্দায় রোগী পড়ে থাকার দৃশ্য নিত্যনৈমিত্তিক। সরকারি স্কুলে শিক্ষার মান নিয়ে দীর্ঘদিনের সমালোচনার সঙ্গে এখন যোগ হয়েছে শিশু মনকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার নানা কৌশল। এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে বলা যায় খুলনার সাবেক মেয়রের সঙ্গে হযরত উমরকে তুলনা করে প্রশ্নপত্র তৈরি (সূত্র: আরটিটিএন, ১৪.০৬.২০১৩)।
হাইওয়ে সড়কগুলো অব্যবস্থাপনায়, নির্মাণ মেরামত সঠিক সময়ে না করায় সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অস্ত্রের মুখে টেন্ডার ছিনতাইয়ের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা তো আমাদের বলেই দেয় জনগণের করের টাকা কোথায় যায়। যেখানে প্রতিটি সরকারি সংস্থায় দলীয় যোগ্যতায় নিয়োগ একটি ওপেন সিক্রেট, খুন-রাহাজানির দেশে পুলিশ যখন ব্যস্ত থাকে বিরোধী নেতাদের নিয়ন্ত্রণে, নিজের ঘরে মৃত্যুর পর যখন আমাদের মন্ত্রীরা বলেন ‘মবেডরুম পাহারা দেয়া সম্ভব নয়’ তখন মানুষের কর পরিশোধের আকাঙক্ষা নিদারুণভাবে কমে যাওয়ারই কথা। সেই সঙ্গে সরকারের কর আদায়ের নৈতিকতা। বছরের পর বছর ধনী-দরিদ্র সবার কাছ থেকে সরকার ক্রমবর্ধমানহারে কর আদায় করছে বিনিময়ে সাধারণ মানুষ পেয়েছে শুধুই বাহারি প্রতিশ্রুতি। এবারের বাজেটে বরাবরের মতো প্রতিশ্রুতিময় কাগজের ফুলের মধ্যে একটি লক্ষণীয় নতুন বিষয় হলো সরকারের ইমেজ রক্ষা করতে জনগণের খেসারত ও এর নতুন কায়দা।
যে কোন বাজেটে সাধারণত বিনিয়োগের রেট অব রিটার্নকে খুব গুরুত্ব দেয়া হয়। কোন খাতে রেট অব রিটার্ন যদি কম আসে বা অনিশ্চিত জায়গায় থাকে তবে অন্য অ-অর্থনৈতিক যেমন আর্থ-সামাজিক ন্যায্যতার দিক জোরদার থাকতে হয়। কিন্তু তারও যদি বালাই না থাকে, যদি খোলাখুলি ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ উদ্ধারের ব্যাপার থাকে তাহলে তাকে অগ্রহণযোগ্য বললে কম বলা হয়। যদিও এমনিতেই অর্থঘটিত বিষয়ে রিটার্ন অনিশ্চিত হলে তাকে বেকুবি বিনিয়োগ বলা হয়। অথচ এবারের বাজেটে সাধারণভাবে কৃষিতে মোট বরাদ্দ আগের তুলনায় কম এবং ভর্তুকিখাতে ৫শ’ কোটি কমানো হয়েছে, আর বিপরীতে একটি অনিশ্চিত খাত পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের আরও অন্যান্য অনেক অপ্রতিষ্ঠিত যুক্তিতে বরাদ্দের পাশাপাশি এ দু’টি সিদ্ধান্ত সরকারের মনোজগৎ বুঝতে আমাদের খুব সাহায্য করবে। আমরা এ দু’টোর একটা তুলনা করবো। মনে রাখা দরকার কৃষিতে বিনিয়োগের রিটার্ন আসে খুব অল্প সময়ে, তিন থেকে চার মাসে। তাছাড়া সরকার এমন সময়ে কৃষিতে ভতুর্কি কমিয়েছে যখন কৃষিতে প্রবৃদ্ধি প্রতিবছর কমতে কমতে দাঁড়িয়েছে ২.৭ শতাংশে। উল্লেখ্য, ২০১১-১২ অর্থবছরে কৃষিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.১১, চলতি বছরে দাঁড়িয়েছে ২.১৭ শতাংশে, এর আগে ২০১০-২০১১ তে ছিল ৫.১৩ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে শস্য ও শাক সবজি খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ শতাংশের বেশি, চলতি অর্থবছরে এ খাতে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। শুধু কৃষি নয়, প্রতিটি খাতে ভর্তূকি বণ্টনে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ একটি চিরায়ত গল্পে পরিণত হয়েছে। মাঝারি মানের ও প্রান্তিক কৃষকরা যেখানে ভর্তুকি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সেখানে আমাদের ডিজিটাল সরকার ভর্তুকি বণ্টনে কোন আধুনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ না করে ভর্তুকিই কমিয়ে দিয়েছে! দফায় দফায় ইউরিয়া, বীজ, কীটনাশক, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে উৎপাদন খরচ যখন প্রায় দ্বিগুণ, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষক যখন হতাশ তখন এ বাজেট কৃষকের মাঝে আশার সঞ্চার করবে এমন আশা থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক। এর আগে কৃষকের হতাশা আমরা দেখেছি, দেখেছি কিভাবে কৃষক নিজের রক্ত ঘাম করা ফসল পথে ফেলে চলে গেছে। ন্যায্য দাম না পেয়ে নিজের হাতে আবাদ করা শস্য পথে ফেলে যে কৃষক চলে গেছে তার খবর আমরা কি রেখেছি? নিজেদের কৃষকবান্ধব দাবি করা দল ক্ষমতায় বসে কৃষকদের জন্য যে ভালবাসা দেখিয়েছে তা হয়তো কৃষকদের কাছে তামাশার মতোই লাগে। সরকারি নেতাদের মুখে আমি বলতে শুনেছি, ‘আপনারা একদিকে ধান-চালের ন্যায্যমূল্যের কথা বলবেন আবার অন্যদিকে চালের দাম বাড়লে সরকারের সমালোচনা করবেন’- এ জাতীয় কথা। এর অর্থ কি এ নয় যে বর্তমান সরকার কোন সামগ্রিক সমন্বিত স্ট্র্যাটেজিক প্লান ছাড়াই চালের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল? পণ্যের উৎপাদন খরচ কমানোর এবং একই সঙ্গে শহরের শ্রমিক ন্যূনতম কতমূল্যে খাবার সংগ্রহ করবে এ দুইয়ের মধ্যে একটা প্রবল ভারসাম্য রাখার কোন পরিকল্পনা কি সরকারের ছিল না? নাকি কৃষকের কথা না ভেবেই [কেবল ভোকাল শহুরে মধ্যবিত্তকে পক্ষে নেয়ার লোভে] বর্তমান সরকার ২০ (মতান্তরে ১০) টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল? জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি সরকারকে অবশ্যই রাখতে হবে, নইলে এমন ফাঁকা প্রতিশ্রুতি সরকারকেই খেয়ে ফেলবে। পাশাপাশি কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ কমানোর ব্যবস্থাও সরকারকে গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আমাদের সরকার, কূল বা শ্যাম কোন দিকই রক্ষা করতে না পেরে, সরকার চালানোকে খেলাপাতি খেলা বানিয়ে ফেলেছে। একদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ায় কৃষক যেমন ন্যায্যমূল্য পায়নি অন্যদিকে সাধারণ মানুষও ১০ বা ২০ টাকা কেজি চাল পায়নি। গত চার বছর ধরে এ দুর্দশা চলার পর এবার আরও দুর্যোগের তথ্য হলো বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ এবার কম রাখা হলো।
যদিও যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হবে না কোনদিন তাও ‘শৈল্পিক গুণে’ অনেক সময় আমাদের মন জয় করে। কথার ফুলঝুরিতে আমরা ভুলে যাই। কিন্তু এবারের বাজেটে পদ্মা সেতু নির্মাণে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে যেমন নেই ‘শৈল্পিক গুণ’, তেমনি নেই কোন অর্থনৈতিক বিবেচনার গুণাবলী। ৬.১৫ কি.মি. দৈর্ঘ্যেরে পদ্মা সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা; সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি। বর্তমান সরকার দেশের মানুষকে পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অথচ সেতু নির্মাণের প্রস্ততি পর্বের শেষ এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংক ফাঁস করে দিলো সরকারের দুর্নীতির তথ্য। একদিকে যখন বিশ্বব্যাংক অভিযোগ করছে সরকারের মন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীনরা দুর্নীতিতে জড়িত, তারা দুর্নীতির আলাপ, কমিশন ভাগবাটোয়ারা নিয়ে রফায় পৌছেছিলেন [আইনি ভাষায় যাকে ‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্র করার অপরাধ’ বলা হয়]। অন্যদিকে, সরকার জনগণকে বোকা ভেবে বারবারই মুখরক্ষার জবাবে বলছে, যেখানে অর্থই ছাড় হয়নি সেখানে দুর্নীতি হবে কোথা থেকে।
অথচ ইতিমধ্যে মানুষ জেনে গেছে সেতুর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কানাডার এসএনসি-লাভালিনকে কাজ পাইয়ে দিতে কাকে কত শতাংশ ঘুষ দেয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মন্ত্রীকে আমরা এমনকি ‘দেশপ্রেমিক’ সার্টিফিকেট দিতে শুনেছি। আরও অনেকের সঙ্গে ২% ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও আদালতে মামলা শুরু হয়ে যাওয়ার কারণে সাসপেন্ড হয়ে যাওয়া সচিবকে আবারও আদালত জামিন দিয়েছে যুক্তিকে স্বপদে ফিরিয়ে আনতে দেখেছি। অনেকেই হয়তো বলবেন, এসবই প্রমাণ করে সংবিধান লঙ্ঘন করে কেন ও কাদের অর্থের হেফাজত করতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাজ পেতে এসএনসি-লাভালিনের ১০% ঘুষের রফা ও এর ভাগবাটোয়ারা বিতরণের হিসেব জেনে যখন মানুষের চোখ ছানাবড়া তখন দুর্নীতি ঢাকতে সরকারের নতুন পদক্ষেপ হলো পদ্মা সেতুর জন্য বাজেট বরাদ্দ।
একে তো পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারিতে জনগণ বিপর্যস্ত, বিরক্ত, ক্ষুব্ধ ছিল। কিন্তু সরকারের দিক থেকে সমস্যার অনুভব সেটা নিয়ে নয়। তার সমস্যা অনুভব নিজ দলের ইমেজ, কারণ সামনে আবার জনগণের মুখোমুখি হয়ে তাকে ভোট চাইতে যেতে হবে। ক্ষমতাসীন দলের নিজের কৃতকর্মের জন্য ইমেজ কি হবে তার দায় কোনভাবেই জনগণের নয়। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা করতে জনগণকে আবার অত্যাচার সহ্য করতে হবে, বাজেটে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেতু নির্মাণের ৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৫ হাজার কোটি বরাদ্দ রাখা হয়েছে অথচ বাকি বৃহৎ অংশের অর্থ আসবে কোথা থেকে তা এখনও নিশ্চিত না। আদৌ কি সেতু হবে? আমরা অনিশ্চিত। অর্থাৎ বরাদ্দকৃত এ অর্থের রেট অব রিটার্ন শূন্য। এটা ছোটখাটো বা এক-আধটা অনিশ্চিত নয়। যেমন: এক. নিজ অর্থনৈতিক সক্ষমতা স্টাডি, যাচাই এবং তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা করে আমরা নিজ বৈদেশিক অর্থে সেতু করার সিদ্ধান্ত নিইনি। সেতু নির্মাণে বাজেটে বরাদ্দ রাখার এ সিদ্ধান্ত পলিটিক্যাল এবং স্টান্টবাজি। আগামী নির্বাচনের আগে জনগণকে দেখানো, বুঝ দেয়া; ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা এটাই সিদ্ধান্তের ভিত্তি। ফলে সেতু বানানো সরকারের আসল লক্ষ্য না। লক্ষ্য হলো, ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রিপেয়ারের চেষ্টা। দুই. বৈদেশিক মুদ্রার বিষয়টা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। বিষয়টা রাষ্ট্রের বিদেশী মুদ্রা আয়-ব্যয় যে হিসাব আছে মসে খাতার বরাদ্দ কুলানো এবং সফল পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত। তা সত্ত্বেও দেশী মুদ্রার বাজেটে শোরগোল তোলা হচ্ছে। তিন. নিজের টাকায় সেতু কথাটা শুনতে দেশপ্রেমে বুক ফুলে উঠলেও প্রশ্নটা সস্তা দেশপ্রেমের না, সক্ষমতার। প্রশ্ন হলো আমাদের অর্থনীতির অতিরিক্ত তৎপরতা হিসেবে আমরা তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের যোগ্য কিনা? বিদেশী বাজারে আমাদের প্রতি সে আস্থা আছে কিনা? তা কতটুকু? সেসবের পরীক্ষা আমরা এখনও দিইনি। আমরা সেতু করতে চাই শুনে তা বিশ্বাস করে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে কি উপযুক্ত ও যথেষ্ট সংখ্যক কোম্পানি আসবে? আমরা এখনও এর কিছুই জানি না। বরং, তারা জেনে যাবে যে এটা নিজ সক্ষমতা যাচাই করে নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা এটাই আমাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তি। এর ফলে টেন্ডার আহ্বান ও তাতে উপযুক্ত কোম্পানিগুলোর সাড়া দেয়া কি আদৌ ঘটবে? যদি না ঘটে এ অনিশ্চয়তায়- তাহলে বাজেটে বরাদ্দ থাকা অর্থ রাখা অর্থহীন। শুধু তাই নয়, আমরা এই অর্থ কেটে এনেছি কৃষিসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য খাতকে বঞ্চিত করে।
সার কথায়, যে অর্থ বরাদ্দ রেখে কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো যেতো সেই অর্থ এখন ব্যয় হবে সরকারের দুর্নীতি ঢাকতে, ইমেজ মেরামত করতে। কৃষির মতো চার মাসের স্বল্প সময়ের বিনিয়োগ রিটার্ন ফেলে আমরা অনিশ্চিত সেতু নির্মাণের জন্য অনিশ্চিত বিনিয়োগ রিটার্নের জন্য সে অর্থ ফেলে রাখতে চাইছি।
এমনিতেই যখন প্রতিবছর আমাদের পরিশোধ করতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের বৈদেশিক ঋণ, নিজ চোরামি স্বভাবের গুণে তখন বিশ্বব্যংকের স্বল্পসুদের ঋণের এই সুযোগ হাতছাড়া করার অর্থ হলো, জনগণের ওপর আরও বড় অঙ্কের সুদের ভার চাপানো। কারণ এ বাস্তবতা দেশের সকল মানুষও জানে যে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ কত অসম্ভব। একথা আজ পরিষ্কার, বাজেট বরাদ্দ প্রমাণ করেছে দেশের স্বার্থের চেয়ে আমাদের সরকারের কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের ইমেজ রক্ষা। পদ্মা সেতুর স্বপ্ন এখন দূরপরাহত তবু জনগণকে প্রয়োজনীয় কৃষিসহ ভর্তুকি থেকে বঞ্চিত করে বাজেটে এ বরাদ্দ রাখা হলো সরকারের শরীর থেকে দুর্নীতির কালো দাগের তীব্রতা কমাতে। প্রত্যাশার শূন্য ঝুড়ি হাতে জনগণ হয়তো মনে মনে জপছে ‘(সেতু) ভিক্ষা চাইনে মা, তোর কুকুর ঠেকা’। কারণ আমরা বুঝে গেছি ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি। যে বাজেট নিজেদের কালিমা ঢাকার বাজেট, যে বাজেটের মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের জীবন-মানের উন্নয়ন নয়, তা কখনই শোভনীয় হতে পারে না, তাই হয়তো আমাদের অর্থমন্ত্রী স্বগভোক্তিতে বাজেট নামক এ আশাবাদের দলিলকে বলেছেন, ‘অশোভন আশাবাদ’। অবশ্যই এটা অশোভন। এবং অন্যায়।
তবে আশাবাদ যেমনই হোক প্রতিশ্রুতির আলেয়ার পেছনে মানুষ বেশি দিন ছোটে না। রাতের আঁধার যখন ভার হয়ে চেপে বসে তখন সাধারণ মানুষ নিশ্চয়ই খুঁজে নেয় প্রতিশ্রুত সকাল। খুঁজে নেয়, কারণ গ্রিক লেখক ইউরিপিডিস-এর সে উক্তি আমাদেরও মগজে খেলা করে,, ‘When one with honeyed words but evil mind persuades the mob, great woes befall the state.’

"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone!
About: Dhumketo
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
June
(1507)
-
▼
Jun 18
(23)
- শান্তি মিশনে পুলিশ পাঠাচ্ছে ভুয়া এসপি! by নূরুজ্জামান
- ভিত্তিপ্রস্তরের রাজনীতি আমাদের বাজেট by কাজী জেসিন
- ‘চাচার বই নিয়ে এসেছি’
- সুন্দরী ইমা’র ছলনার শিকার ২২ প্রভাবশালী
- গোপন বলেই সে এত মধুর!
- নিশার নগ্ন ফটো প্রকাশ
- ওরা ভয়ঙ্কর নারী!
- নেশায় ‘নগ্ন’ পুনম
- মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে টেক্সটাইল মিলের ভেতর ...
- রুমমেটদের নগ্ন ছবি ইমেইলে প্রেমিকের কাছে
- সহিংসতা-বিক্ষোভে বাংলাদেশের নির্বাচন বিঘ্নিত হতে পারে
- বালামের সুরে শহিদ-জুলির দ্বৈত গান
- ন্যাটোর কাছ থেকে নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল আফগানবাহিনী
- রুহানিকে চাপ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
- উত্তরাখন্ডে বর্ষণ ও পাহাড়ি ধসে ১৩ জনের মৃত্যু, নি...
- ভারতে মন্ত্রিসভায় রদবদল by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
- ১৫তলা থেকে পড়েও রক্ষা
- প্যারিস এয়ার শোতে শীর্ষে এয়ারবাস
- যুক্তরাজ্যে খাদ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা
- অ্যাসাঞ্জের ‘বন্দিজীবনের’ এক বছর
- অ্যাসাঞ্জের আশ্রয় অব্যাহত রাখবে ইকুয়েডর
- যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ৩০০ টেলিফোন নম্বরধারীর তথ্যে ন...
- জি-৮ সম্মেলনে সিরীয় সংঘাতের কালো ছায়া
-
▼
Jun 18
(23)
-
▼
June
(1507)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment