Sunday, June 17, 2012
রোহিঙ্গা-একটি রাষ্ট্রবিহীন জাতিগোষ্ঠী ও আমাদের বিড়ম্বনা by এম সাখাওয়াত হোসেন
রোহিঙ্গা-একটি রাষ্ট্রবিহীন জাতিগোষ্ঠী ও আমাদের বিড়ম্বনা by এম সাখাওয়াত হোসেন
আমি এখনও মনে করি, এই সমস্যা সমাধান এবং আরও ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে শীর্ষ পর্যায়ে ইয়াঙ্গুন সফরে যাওয়া উচিত। একইভাবে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়ে পশ্চিমা বিশ্ব তথা জাতিসংঘের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আমাদের সরকারের তৎপরতা জোরদার করতে হবে।
এখনও আমরা সে ধরনের কোনো উদ্যোগ দেখছি না। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে অতীতের মতো এবারও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া Reactive, Pro-active নয়। 'রোহিঙ্গারা' যাতে নিজ জন্মভূমিতে 'নাগরিক' হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারে সে ধরনের ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক মহলকে বাংলাদেশের চাপ দেওয়া উচিত। অন্যথায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি শিকার আমাদের হতে হবে
মিয়ানমারের (পুরাতন বার্মা) রাখাইন অঞ্চলে (পূর্বতন আরাকান রাজ্য) প্রায় এক দশক পর পুনরায় জাতিগত ও ধর্মীয় বিভেদে দাঙ্গা শুরু হয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে রাখাইন রাজ্যের সঙ্গে লাগোয়া একমাত্র রাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুনরায় শরণার্থীরা প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে। এবার আগাম সতর্কতা নেওয়াতে এখন পর্যন্ত রাখাইন অধিবাসী সংখ্যালঘু মুসলমান, যারা রোহিঙ্গা বলে পরিচিত_ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। তবে এই তৎপরতায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কতদিন ঠেকানো যাবে তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। এর প্রথম কারণ জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনএইচসিআরের (টঘঐঈজ) উপর্যুপরি চাপ, বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংগঠনের তৎপরতা এবং আমাদের সংবিধানের চেতনা, যার পরিপ্রেক্ষিতে আশ্রয় প্রার্থনাকারী নিরাশ্রয় জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। অতীতেও রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। ১৯৭৮-৭৯ সালে সামরিক শাসনকালে জান্তা সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের অবস্থান শক্ত করতে রাখাইন অঞ্চলে 'এথনিং ক্লিনসিং'-এর আদলে দাঙ্গা উস্কিয়ে দেয়। ওই দাঙ্গা থেকে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় এক লাখের মতো শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে অনেকে ফিরে গেলেও আনুমানিক ২০ থেকে ৫০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী চট্টগ্রাম, কক্সবাজার জেলার দক্ষিণের উপজেলাগুলোতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে থেকে যায়। তাদের অনেকেই এসব স্থানে জায়গা-জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। এখানেই ক্ষান্ত হয়নি। পরে তাদের সূত্রেই অরক্ষিত মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত ধরে আরও হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল ছেড়ে বাংলাদেশের এসব অঞ্চলে বসবাস শুরু করে। এমনকি ১৯৮০-র দশকে পর্যায়ক্রমে তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ার প্রামাণিক দলিল হাতে পায়। এসব অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির পেছনে স্থানীয় রাজনীতিবিদরা উদ্যোক্তা হয়ে নিজেদের ভোটব্যাংক বাড়াতে এমন গর্হিত কাজ করেছেন এবং পরে যতবার ভোটার তালিকা তৈরি হয়েছে ততবার এসব অঞ্চলে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। ব্যতিক্রম ছিল ২০০৭-০৮ সালের ছবিসহ ভোটার তালিকা। কিন্তু ২০০৯ সালে তালিকা হালনাগাদ করতে গিয়ে রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নির্বাচন কমিশন বিশেষ ব্যবস্থায় স্ক্রিনিং করে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা বা বহিরাগতকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়। এ সময়ও তাদের অন্যায়ভাবে ভোটার হতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ের স্থানীয় রাজনীতিবিদরা। রোহিঙ্গাদের নিয়ে এ ধরনের রাজনীতি এখনও বন্ধ হয়নি, যে কারণে শত শত রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্টে মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে সৌদি আরবে চাকরি সূত্রে এ দেশের শ্রমিক কোটায় গিয়ে নানা অপকর্মে জড়িত হয়ে পড়ছে। এতে বাংলাদেশের মর্যাদাহানি হয়েছে, এখনও হচ্ছে। ইদানীং এই প্রবণতা সৌদি আরবের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়।
আরাকান থেকে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর বাংলাদেশে আগমন ও উদ্বাস্তু হিসেবে স্বীকৃত হয়ে ইউএনএইচসিআরের তত্ত্বাবধানে কক্সবাজারের দুটি প্রধান শিবিরে, ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরে সমগ্র রাখাইন অঞ্চলে ব্যাপক দাঙ্গার কারণে আশ্রয় নেয়। ওই সময়ে ধারণা করা হয় যে, প্রায় এক লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে ১৯৯২ সালের প্রথম দু'মাসে প্রবেশ করে। বর্তমান পরিসংখ্যানে প্রতীয়মান হয় যে, উলি্লখিত দুটি শিবিরে মাত্র ২০ হাজার শরণার্থী রয়েছে। বাকি রোহিঙ্গারা ধর্ম, ভাষাগত এবং সামাজিক নৈকট্যের কারণে শিবির ছেড়ে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করছে। অনেক স্থানীয় বিত্তশালী রাজনৈতিক মদদপুষ্ট হয়ে চিংড়ি ঘের, লবণ চাষ এবং অন্যান্য কাজে স্বল্প পরিশ্রমে তাদের নিয়োজিত করে ভোটার তালিকা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তিতে পূর্ণ সহযোগিতা করেন। এই বৃহৎ উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠী বিগত তিন দশকেও নিজেদের জন্মস্থানে ফিরে যেতে পারেনি। কারণ শত শত বর্ষপূর্ব থেকে বাসিন্দা হয়ে থাকলেও মিয়ানমার সরকার, বিশেষ করে সামরিক জান্তা রাখাইন বা আরাকান অঞ্চলের এই বাসিন্দাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ২০০৯ সালের জাতিসংঘের হিসাবে, বর্তমানে রাষ্ট্র দ্বারা স্বীকৃত নয় এমন হতভাগ্য রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মোট জনসংখ্যা ৭ লাখ ২৯ হাজার, যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় এক থেকে দেড় লাখ জন্মভূমি ছাড়া শরণার্থী হয়ে রয়েছে।
মিয়ানমার সরকার এবং ওই দেশের ঐতিহাসিকদের মতে, ১৮২৪ সালের পূর্বে রোহিঙ্গা নামের মুসলিম জনগোষ্ঠীর এতদঞ্চলে কোনো অস্তিত্ব ছিল না। মিয়ানমার তথা বার্মার অপর ঐতিহাসিক খিন মং সর (কযরহ গধঁহম ঝধ)ি মতে, রোহিঙ্গাদের আগমন ঘটে ১৯৫০ সালের পর থেকে এবং তাদের আদি বাস তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। তার মতে, 'এর মানে এই নয় যে, এতদঞ্চলে মুসলমানরা ছিল না।' অষ্টম ও নবম শতাব্দীতে যেসব আরব এবং অন্য মুসলমানরা তৎকালীন বার্মায় এসেছিল তারা আরাকানে নয়, বার্মার অন্যান্য স্থানে বসতি স্থাপন করেছিল। অথচ ১৮৯১ সালে ব্রিটিশ আদমশুমারিতে আরাকানে ৫৮ হাজার ২৫৫ জন রোহিঙ্গার অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যা ১৯১১ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল এক লাখ ৭৮ হাজার ৬৪৭ জনে। এই পরিসংখ্যান ছিল একশ' বছর পূর্বের।
ঐতিহাসিকভাবে আরাকান কখনোই বার্মার অংশ ছিল না। আরাকান আলাদা রাষ্ট্র ছিল এবং বর্তমান চট্টগ্রাম অঞ্চল আরাকান রাজ্যের অংশ ছিল, যা ১৬৬৬ সালে মোগলরা দিলি্লর শাসনে অন্তর্ভুক্ত করে। আরও পরে আরাকান রাজ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত হলে উনিশ শতকের শুরু থেকেই ভারত থেকে, বিশেষ করে পূর্ব ভারত থেকে চাষাবাদ এবং অন্যান্য কাজের জন্য বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে এতদঞ্চলে নিয়ে আসা হয়েছিল। এ ইতিহাস মিয়ানমারের সামরিক জান্তা অদ্যাবধি অস্বীকার করে আসছে। তাদের মতে, ১৮২৪ সালের প্রথম অ্যাংলো-বার্মা যুদ্ধের সময়ই নাগরিকত্বের বেসলাইন।
যাই হোক, আমি বর্তমানে রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে এতটা ইতিহাস বর্ণনা করলাম এ কারণে যে, ১৯৬২ সালে মিয়ানমারে সামরিক জান্তা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ অঞ্চলে অন্যান্য অঞ্চলের মতো ইনসারজেন্সির জন্ম নেয়। রোহিঙ্গারাও জড়িয়ে পড়ে তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইতে। ওই অঞ্চলের রোহিঙ্গারা সামরিক জান্তাবিরোধী হওয়ার পর থেকে ঘন ঘন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার শিকার হতে থাকে, যদিও এ ধরনের দাঙ্গা ব্রিটিশ শাসনামলেও হয়েছিল। বিগত শতাব্দীর সত্তর দশকের শেষ দিক থেকে তথাকথিত আরাকান মুসলমানদের অনেককে আফগান যুদ্ধে সম্পৃক্ত করা হয়। বিশেষ করে ওই সময় বাংলাদেশস্থিত রোহিঙ্গাদের মধ্যপ্রাচ্যের, বিশেষ করে সৌদি আরবের অর্থায়নের মাধ্যমে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে হরকাতুল জিহাদ নামক সংগঠন গড়ে তোলা হয়, যা এখন জঙ্গি সংগঠন হুজি (বি) নামে নিষিদ্ধ রয়েছে। আফগান যুদ্ধফেরত রোহিঙ্গারা গড়ে তোলে একাধিক জঙ্গি সংগঠন, যারা রাখাইন অঞ্চলে নিজেদের দাবি আদায়ে সশস্ত্র সংগ্রামের সূচনা করে। তবে তাদের সংগঠন মিয়ানমারে ওই সময় অন্যান্য অঞ্চলভিত্তিক ইনসারজেন্ট সংগঠনগুলোর মতো সংগঠিত এবং শক্তিশালী ছিল না। রোহিঙ্গাদের একাধিক সংগঠনের মধ্যে আরএসও (জঝঙ) এবং আরাকান লিবারেশন ফ্রন্ট (অখঋ), আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (অজঘঙ) জাতীয় কয়েকটি সংগঠন তৎপর ছিল। তাদের বেশিরভাগের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চল থেকে। তাদের অনেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি বহু বছর পূর্ব থেকেই কক্সবাজার অঞ্চলে ঘাঁটি গেড়েছিল।
ওই সময় এবং আরও পরে এসব সংগঠনের সঙ্গে বিদেশের কিছু সংগঠন জড়িত হয়ে পড়ে। এমনই পরিস্থিতিতে ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে বাংলাদেশের তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের সীমান্ত চৌকি রেজুপাড়াতে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায় এবং কয়েকটি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। মিয়ানমারের অভিযোগ ছিল, তৎকালীন বিডিআরের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠন নাসাকা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে তৎকালীন বিডিআরের ওপর হামলা এবং পরে নাসাকা বাহিনীর মদদপুষ্ট হয়ে রাখাইন অঞ্চলে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে। ওই ঘটনার পরপরই সীমান্তে বাংলাদেশের তরফ থেকে সেনা মোতায়েন করা হয়। আমার মনে হয়, স্বাধীন বাংলাদেশে ওই প্রথম একটি প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সীমান্তে এত বৃহৎ আকারে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শুধু সেনাবাহিনীই নয়, মোতায়েন হয়েছিল তিন বাহিনী। ব্রিগেড অধিনায়ক হিসেবে আমি ওই বাহিনীর কমান্ডে প্রায় এক মাস যুদ্ধাবস্থায় কাটিয়েছিলাম। পরে সীমান্ত থেকে সেনা অপসারণের পরপরই রাখাইন অঞ্চল থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীর ব্যাপক আগমন ঘটে। ওই সময়কার শরণার্থীরা এখনও কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে রয়ে গেছে। এসব শরণার্থীকে ফেরত পাঠানোর কোনো উদ্যোগই কার্যকর করতে পারেনি ইউএনএইচসিআর।
১৯৭৮ থেকে ১৯৯১ সালে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে ধরনের আন্তর্জাতিক কূটনীতি চলছিল তা সে সময়ের মিয়ানমার সরকারের ওপর পূর্বদিক থেকেও ইনসারজেন্সির মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার প্রয়াস বলে আমার মনে হয়েছিল। প্রায় সব ক'টি রোহিঙ্গা জঙ্গিগোষ্ঠীর নেতাদের অবস্থান কক্সবাজার অঞ্চল হওয়ায় মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। এখনও তেমন ভালো হয়েছে বলে মনে হয় না। এক সময়ের আমাদের 'পূর্ব নীতি' মুখ থুবড়ে পড়েছে, কারণ রোহিঙ্গা সমস্যার সম্মানজনক সমাধানের অভাবে। মিয়ানমারের পরিবর্তিত অভ্যন্তরীণ নীতির কারণে পশ্চিমা বিশ্বে এখন মিয়ানমারকে নিয়ে এক ধরনের সুখকর অবস্থান তৈরি হয়ে থাকলেও মিয়ানমারে প্রকৃত গণতন্ত্র এখনও সুদূরপরাহত বলে মনে হয়। গণতন্ত্রের মানসকন্যা বলে পরিচিত অং সাং সু চি বর্তমানের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে কোনো বক্তব্যই দেননি, অথচ দাঙ্গা শুরু হওয়ার পরপরই ইয়াঙ্গুনে মুসলিম নেতারা তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সু চি ওই নেতাদের আশ্বাসও দিয়েছিলেন। তার দেশের অত্যন্ত ক্ষুদ্র সংখ্যালঘুদের বছরের পর বছর নিগৃহীত হওয়ার ইতিহাস এবং এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা পেছনে ফেলে সু চি ইউরোপ ভ্রমণে পা বাড়িয়েছেন। এতগুলো বছর সামরিক জান্তার বিরোধিতা করা এই জনগোষ্ঠী স্বভাবতই সু চির এই নিষ্ক্রিয়তায় হতাশ হয়েছে।
আরাকান বা রাখাইন অঞ্চল প্রায় চৌদ্দ হাজার বর্গকিলোমিটারের ভূখণ্ড, যেখানে রয়েছে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার উত্তর-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর সমুদ্র তট এবং গ্রেট কোকোসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ। শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, বর্তমান বিশ্ব ভূরাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। মূলত এই অঞ্চল ঘিরেই চীন-ভারত-মার্কিন টানাপড়েন চলেছে বহুদিন। চীন বিগত চার দশক অর্থনৈতিক এবং ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে মিয়ানমারের সঙ্গে যে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল তারই প্রেক্ষাপটে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ানমার নিয়ে এত উচ্ছ্বাস। চীনের কাছে রাখাইন অঞ্চল অধিক গুরুত্বপূর্ণ। চীনের ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচে যে তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন এবং সমান্তরাল রেললাইনের কাজ চলছে তার পূর্ব টার্মিনাল রাখাইন তটে। রাখাইন তটের নতুন নৌবন্দর কিউকপিউ (শুধশঢ়যু)ি থেকে চীনের তেল এবং গ্যাস পাইপলাইন রুলি হয়ে ইউনান প্রদেশ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মিয়ানমারের ওই অঞ্চলের 'শ' (ংধ)ি গ্যাসক্ষেত্র থেকে চীনের কুনমিং হয়ে ইউনান প্রদেশে সঞ্চালিত হবে। অন্যদিকে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জন্য উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল একই পথে কিউকপিউ-রুলি কুনমিং-ইউনান পাইপলাইনের মাধ্যমে সঞ্চালিত হওয়ার কথা। আলোচিত এই চীনা টার্মিনালের দক্ষিণে রয়েছে ভারতে আন্দামান-নিকোবর নৌস্থাপনা। রয়েছে ভারতের ইলেকট্রনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, তেমনি আন্দামান-নিকোবরের উত্তরে মিয়ানমারের গ্রেট কোকো দ্বীপ চীনাদের প্রভাবে রয়েছে। প্রাপ্ত সূত্র মতে, কোকো দ্বীপে রয়েছে চীনের ইলেকট্রনিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। এই ভূকৌশলগত অবস্থানের কারণে এ অঞ্চলে চীন-ভারত এবং হালে মার্কিন টানাপড়েন অতীতের যে কোনো সময় থেকে বেড়েছে।
ওপরের বিশ্লেষণের আঙ্গিকে এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর চীনের গভীর প্রভাব থাকাতে সামরিক বাহিনীর মধ্যে বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার অত্যধিক উদারনীতি নিয়ে বিভেদ রয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, বর্তমান জান্তাপ্রধান রাষ্ট্রপতি থানসিনের উদার নীতির সামরিক বাহিনীর মধ্যে বহু বিরোধী রয়েছে। কাজেই মিয়ানমারের এবং ভূরাজনৈতিক কারণে অত্যন্ত সংবেদনশীল এ অঞ্চলে হঠাৎ করে এই রোহিঙ্গা সমস্যা থানসিন এবং সু চির জন্য বিব্রতকর প্রমাণিত হতে পারে। যাই হোক, বর্তমানে রাখাইন অঞ্চল হঠাৎ করে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে একদিকে বলি হচ্ছে হতভাগ্য রোহিঙ্গারা, অন্যদিকে এর মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের মতো একটি দুর্বল দেশকে। ইতিপূর্বের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে মাত্র ৪০ হাজার ইউএনএইচসিআরের তথাকথিত তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আর বাকিদের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এর কিছু কারণ প্রথমেই উল্লেখ করেছি। এবারও বাংলাদেশকে চাপ সইতে হবে। ইতিমধ্যেই জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করার জন্য সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। অতীতেও ইউএন বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমার সরকারকে যথেষ্ট চাপ দেয়নি, এখনও দেবে কি-না সন্দেহ রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এখন মিয়ানমারকে মাথায় তুলে ধরার চেষ্টা করছে। কিন্তু এই অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে তাদের তরফ থেকে তেমন শক্ত পদক্ষেপের কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। মিয়ানমারের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব ইউরোপীয় দেশও প্রায় তিন দশকের পুরনো নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে মিয়ানমার সরকারকে অর্থনৈতিক লগি্নর আশ্বাস দিচ্ছে। সেই শক্তিগুলো মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে 'রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠী' হিসেবে আখ্যায়িত না করে নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে; কিন্তু তেমন উদ্যোগ এখনও দেখা যায়নি। অথচ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মধ্যপ্রাচ্যে চলছে রিজিম চেঞ্জের মহড়া।
ওপরের বিশ্লেষণের আলোকে আমি মনে করি, অতীতের মতো এবারও রাখাইন অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভাবিত পরিস্থিতির শিকার হতে হবে আমাদের। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া যথার্থ হলেও যথেষ্ট নয়। মিয়ানমার সম্বন্ধে আমরা অতীতেও উদাসীন ছিলাম, এখনও রয়েছি। ইয়াঙ্গুনের পূর্বতন পরিস্থিতি বদলানোর পরপরই নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের সম্পর্ক এখনই উন্নত করার সময় ছিল, যার উদ্যোগ আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়েছে বলে মনে হয় না। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারপ্রধানরা ইয়াঙ্গুনে সফরে এসেছেন, এমনকি হালে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাই প্রোফাইল ইয়াঙ্গুন সফরের পরও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মিয়ানমার সফরের তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি। অথচ মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিগত বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কুফল দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র বাংলাদেশকেই বহন করতে হয়েছে। তারপরও আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা সমাধানের পথ তেমনভাবে খুঁজিনি।
আমি এখনও মনে করি, এই সমস্যা সমাধান এবং আরও ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে শীর্ষ পর্যায়ে ইয়াঙ্গুন সফরে যাওয়া উচিত। একইভাবে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়ে পশ্চিমা বিশ্ব তথা জাতিসংঘের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আমাদের সরকারের তৎপরতা জোরদার করতে হবে। এখনও আমরা সে ধরনের কোনো উদ্যোগ দেখছি না। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে অতীতের মতো এবারও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জবধপঃরাব, চৎড়-ধপঃরাব নয়। 'রোহিঙ্গারা' যাতে নিজ জন্মভূমিতে 'নাগরিক' হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারে সে ধরনের ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক মহলকে বাংলাদেশের চাপ দেওয়া উচিত। অন্যথায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি শিকার আমাদের হতে হবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন :সাবেক নির্বাচন কমিশনার, কলাম লেখক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক
যযরহঃষনফ@ুধযড়ড়.পড়স
মিয়ানমারের (পুরাতন বার্মা) রাখাইন অঞ্চলে (পূর্বতন আরাকান রাজ্য) প্রায় এক দশক পর পুনরায় জাতিগত ও ধর্মীয় বিভেদে দাঙ্গা শুরু হয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে রাখাইন রাজ্যের সঙ্গে লাগোয়া একমাত্র রাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুনরায় শরণার্থীরা প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে। এবার আগাম সতর্কতা নেওয়াতে এখন পর্যন্ত রাখাইন অধিবাসী সংখ্যালঘু মুসলমান, যারা রোহিঙ্গা বলে পরিচিত_ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। তবে এই তৎপরতায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কতদিন ঠেকানো যাবে তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। এর প্রথম কারণ জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনএইচসিআরের (টঘঐঈজ) উপর্যুপরি চাপ, বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংগঠনের তৎপরতা এবং আমাদের সংবিধানের চেতনা, যার পরিপ্রেক্ষিতে আশ্রয় প্রার্থনাকারী নিরাশ্রয় জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। অতীতেও রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। ১৯৭৮-৭৯ সালে সামরিক শাসনকালে জান্তা সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের অবস্থান শক্ত করতে রাখাইন অঞ্চলে 'এথনিং ক্লিনসিং'-এর আদলে দাঙ্গা উস্কিয়ে দেয়। ওই দাঙ্গা থেকে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় এক লাখের মতো শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে অনেকে ফিরে গেলেও আনুমানিক ২০ থেকে ৫০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী চট্টগ্রাম, কক্সবাজার জেলার দক্ষিণের উপজেলাগুলোতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অবৈধভাবে থেকে যায়। তাদের অনেকেই এসব স্থানে জায়গা-জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। এখানেই ক্ষান্ত হয়নি। পরে তাদের সূত্রেই অরক্ষিত মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত ধরে আরও হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল ছেড়ে বাংলাদেশের এসব অঞ্চলে বসবাস শুরু করে। এমনকি ১৯৮০-র দশকে পর্যায়ক্রমে তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ার প্রামাণিক দলিল হাতে পায়। এসব অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির পেছনে স্থানীয় রাজনীতিবিদরা উদ্যোক্তা হয়ে নিজেদের ভোটব্যাংক বাড়াতে এমন গর্হিত কাজ করেছেন এবং পরে যতবার ভোটার তালিকা তৈরি হয়েছে ততবার এসব অঞ্চলে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। ব্যতিক্রম ছিল ২০০৭-০৮ সালের ছবিসহ ভোটার তালিকা। কিন্তু ২০০৯ সালে তালিকা হালনাগাদ করতে গিয়ে রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নির্বাচন কমিশন বিশেষ ব্যবস্থায় স্ক্রিনিং করে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা বা বহিরাগতকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়। এ সময়ও তাদের অন্যায়ভাবে ভোটার হতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ের স্থানীয় রাজনীতিবিদরা। রোহিঙ্গাদের নিয়ে এ ধরনের রাজনীতি এখনও বন্ধ হয়নি, যে কারণে শত শত রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্টে মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে সৌদি আরবে চাকরি সূত্রে এ দেশের শ্রমিক কোটায় গিয়ে নানা অপকর্মে জড়িত হয়ে পড়ছে। এতে বাংলাদেশের মর্যাদাহানি হয়েছে, এখনও হচ্ছে। ইদানীং এই প্রবণতা সৌদি আরবের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়।
আরাকান থেকে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর বাংলাদেশে আগমন ও উদ্বাস্তু হিসেবে স্বীকৃত হয়ে ইউএনএইচসিআরের তত্ত্বাবধানে কক্সবাজারের দুটি প্রধান শিবিরে, ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরে সমগ্র রাখাইন অঞ্চলে ব্যাপক দাঙ্গার কারণে আশ্রয় নেয়। ওই সময়ে ধারণা করা হয় যে, প্রায় এক লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে ১৯৯২ সালের প্রথম দু'মাসে প্রবেশ করে। বর্তমান পরিসংখ্যানে প্রতীয়মান হয় যে, উলি্লখিত দুটি শিবিরে মাত্র ২০ হাজার শরণার্থী রয়েছে। বাকি রোহিঙ্গারা ধর্ম, ভাষাগত এবং সামাজিক নৈকট্যের কারণে শিবির ছেড়ে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করছে। অনেক স্থানীয় বিত্তশালী রাজনৈতিক মদদপুষ্ট হয়ে চিংড়ি ঘের, লবণ চাষ এবং অন্যান্য কাজে স্বল্প পরিশ্রমে তাদের নিয়োজিত করে ভোটার তালিকা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তিতে পূর্ণ সহযোগিতা করেন। এই বৃহৎ উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠী বিগত তিন দশকেও নিজেদের জন্মস্থানে ফিরে যেতে পারেনি। কারণ শত শত বর্ষপূর্ব থেকে বাসিন্দা হয়ে থাকলেও মিয়ানমার সরকার, বিশেষ করে সামরিক জান্তা রাখাইন বা আরাকান অঞ্চলের এই বাসিন্দাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ২০০৯ সালের জাতিসংঘের হিসাবে, বর্তমানে রাষ্ট্র দ্বারা স্বীকৃত নয় এমন হতভাগ্য রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মোট জনসংখ্যা ৭ লাখ ২৯ হাজার, যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় এক থেকে দেড় লাখ জন্মভূমি ছাড়া শরণার্থী হয়ে রয়েছে।
মিয়ানমার সরকার এবং ওই দেশের ঐতিহাসিকদের মতে, ১৮২৪ সালের পূর্বে রোহিঙ্গা নামের মুসলিম জনগোষ্ঠীর এতদঞ্চলে কোনো অস্তিত্ব ছিল না। মিয়ানমার তথা বার্মার অপর ঐতিহাসিক খিন মং সর (কযরহ গধঁহম ঝধ)ি মতে, রোহিঙ্গাদের আগমন ঘটে ১৯৫০ সালের পর থেকে এবং তাদের আদি বাস তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। তার মতে, 'এর মানে এই নয় যে, এতদঞ্চলে মুসলমানরা ছিল না।' অষ্টম ও নবম শতাব্দীতে যেসব আরব এবং অন্য মুসলমানরা তৎকালীন বার্মায় এসেছিল তারা আরাকানে নয়, বার্মার অন্যান্য স্থানে বসতি স্থাপন করেছিল। অথচ ১৮৯১ সালে ব্রিটিশ আদমশুমারিতে আরাকানে ৫৮ হাজার ২৫৫ জন রোহিঙ্গার অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যা ১৯১১ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল এক লাখ ৭৮ হাজার ৬৪৭ জনে। এই পরিসংখ্যান ছিল একশ' বছর পূর্বের।
ঐতিহাসিকভাবে আরাকান কখনোই বার্মার অংশ ছিল না। আরাকান আলাদা রাষ্ট্র ছিল এবং বর্তমান চট্টগ্রাম অঞ্চল আরাকান রাজ্যের অংশ ছিল, যা ১৬৬৬ সালে মোগলরা দিলি্লর শাসনে অন্তর্ভুক্ত করে। আরও পরে আরাকান রাজ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত হলে উনিশ শতকের শুরু থেকেই ভারত থেকে, বিশেষ করে পূর্ব ভারত থেকে চাষাবাদ এবং অন্যান্য কাজের জন্য বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে এতদঞ্চলে নিয়ে আসা হয়েছিল। এ ইতিহাস মিয়ানমারের সামরিক জান্তা অদ্যাবধি অস্বীকার করে আসছে। তাদের মতে, ১৮২৪ সালের প্রথম অ্যাংলো-বার্মা যুদ্ধের সময়ই নাগরিকত্বের বেসলাইন।
যাই হোক, আমি বর্তমানে রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে এতটা ইতিহাস বর্ণনা করলাম এ কারণে যে, ১৯৬২ সালে মিয়ানমারে সামরিক জান্তা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ অঞ্চলে অন্যান্য অঞ্চলের মতো ইনসারজেন্সির জন্ম নেয়। রোহিঙ্গারাও জড়িয়ে পড়ে তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইতে। ওই অঞ্চলের রোহিঙ্গারা সামরিক জান্তাবিরোধী হওয়ার পর থেকে ঘন ঘন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার শিকার হতে থাকে, যদিও এ ধরনের দাঙ্গা ব্রিটিশ শাসনামলেও হয়েছিল। বিগত শতাব্দীর সত্তর দশকের শেষ দিক থেকে তথাকথিত আরাকান মুসলমানদের অনেককে আফগান যুদ্ধে সম্পৃক্ত করা হয়। বিশেষ করে ওই সময় বাংলাদেশস্থিত রোহিঙ্গাদের মধ্যপ্রাচ্যের, বিশেষ করে সৌদি আরবের অর্থায়নের মাধ্যমে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে হরকাতুল জিহাদ নামক সংগঠন গড়ে তোলা হয়, যা এখন জঙ্গি সংগঠন হুজি (বি) নামে নিষিদ্ধ রয়েছে। আফগান যুদ্ধফেরত রোহিঙ্গারা গড়ে তোলে একাধিক জঙ্গি সংগঠন, যারা রাখাইন অঞ্চলে নিজেদের দাবি আদায়ে সশস্ত্র সংগ্রামের সূচনা করে। তবে তাদের সংগঠন মিয়ানমারে ওই সময় অন্যান্য অঞ্চলভিত্তিক ইনসারজেন্ট সংগঠনগুলোর মতো সংগঠিত এবং শক্তিশালী ছিল না। রোহিঙ্গাদের একাধিক সংগঠনের মধ্যে আরএসও (জঝঙ) এবং আরাকান লিবারেশন ফ্রন্ট (অখঋ), আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (অজঘঙ) জাতীয় কয়েকটি সংগঠন তৎপর ছিল। তাদের বেশিরভাগের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চল থেকে। তাদের অনেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি বহু বছর পূর্ব থেকেই কক্সবাজার অঞ্চলে ঘাঁটি গেড়েছিল।
ওই সময় এবং আরও পরে এসব সংগঠনের সঙ্গে বিদেশের কিছু সংগঠন জড়িত হয়ে পড়ে। এমনই পরিস্থিতিতে ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে বাংলাদেশের তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের সীমান্ত চৌকি রেজুপাড়াতে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায় এবং কয়েকটি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। মিয়ানমারের অভিযোগ ছিল, তৎকালীন বিডিআরের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠন নাসাকা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে তৎকালীন বিডিআরের ওপর হামলা এবং পরে নাসাকা বাহিনীর মদদপুষ্ট হয়ে রাখাইন অঞ্চলে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে। ওই ঘটনার পরপরই সীমান্তে বাংলাদেশের তরফ থেকে সেনা মোতায়েন করা হয়। আমার মনে হয়, স্বাধীন বাংলাদেশে ওই প্রথম একটি প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সীমান্তে এত বৃহৎ আকারে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শুধু সেনাবাহিনীই নয়, মোতায়েন হয়েছিল তিন বাহিনী। ব্রিগেড অধিনায়ক হিসেবে আমি ওই বাহিনীর কমান্ডে প্রায় এক মাস যুদ্ধাবস্থায় কাটিয়েছিলাম। পরে সীমান্ত থেকে সেনা অপসারণের পরপরই রাখাইন অঞ্চল থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীর ব্যাপক আগমন ঘটে। ওই সময়কার শরণার্থীরা এখনও কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে রয়ে গেছে। এসব শরণার্থীকে ফেরত পাঠানোর কোনো উদ্যোগই কার্যকর করতে পারেনি ইউএনএইচসিআর।
১৯৭৮ থেকে ১৯৯১ সালে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে ধরনের আন্তর্জাতিক কূটনীতি চলছিল তা সে সময়ের মিয়ানমার সরকারের ওপর পূর্বদিক থেকেও ইনসারজেন্সির মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার প্রয়াস বলে আমার মনে হয়েছিল। প্রায় সব ক'টি রোহিঙ্গা জঙ্গিগোষ্ঠীর নেতাদের অবস্থান কক্সবাজার অঞ্চল হওয়ায় মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। এখনও তেমন ভালো হয়েছে বলে মনে হয় না। এক সময়ের আমাদের 'পূর্ব নীতি' মুখ থুবড়ে পড়েছে, কারণ রোহিঙ্গা সমস্যার সম্মানজনক সমাধানের অভাবে। মিয়ানমারের পরিবর্তিত অভ্যন্তরীণ নীতির কারণে পশ্চিমা বিশ্বে এখন মিয়ানমারকে নিয়ে এক ধরনের সুখকর অবস্থান তৈরি হয়ে থাকলেও মিয়ানমারে প্রকৃত গণতন্ত্র এখনও সুদূরপরাহত বলে মনে হয়। গণতন্ত্রের মানসকন্যা বলে পরিচিত অং সাং সু চি বর্তমানের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে কোনো বক্তব্যই দেননি, অথচ দাঙ্গা শুরু হওয়ার পরপরই ইয়াঙ্গুনে মুসলিম নেতারা তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সু চি ওই নেতাদের আশ্বাসও দিয়েছিলেন। তার দেশের অত্যন্ত ক্ষুদ্র সংখ্যালঘুদের বছরের পর বছর নিগৃহীত হওয়ার ইতিহাস এবং এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা পেছনে ফেলে সু চি ইউরোপ ভ্রমণে পা বাড়িয়েছেন। এতগুলো বছর সামরিক জান্তার বিরোধিতা করা এই জনগোষ্ঠী স্বভাবতই সু চির এই নিষ্ক্রিয়তায় হতাশ হয়েছে।
আরাকান বা রাখাইন অঞ্চল প্রায় চৌদ্দ হাজার বর্গকিলোমিটারের ভূখণ্ড, যেখানে রয়েছে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার উত্তর-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর সমুদ্র তট এবং গ্রেট কোকোসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ। শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, বর্তমান বিশ্ব ভূরাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। মূলত এই অঞ্চল ঘিরেই চীন-ভারত-মার্কিন টানাপড়েন চলেছে বহুদিন। চীন বিগত চার দশক অর্থনৈতিক এবং ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে মিয়ানমারের সঙ্গে যে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল তারই প্রেক্ষাপটে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ানমার নিয়ে এত উচ্ছ্বাস। চীনের কাছে রাখাইন অঞ্চল অধিক গুরুত্বপূর্ণ। চীনের ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচে যে তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন এবং সমান্তরাল রেললাইনের কাজ চলছে তার পূর্ব টার্মিনাল রাখাইন তটে। রাখাইন তটের নতুন নৌবন্দর কিউকপিউ (শুধশঢ়যু)ি থেকে চীনের তেল এবং গ্যাস পাইপলাইন রুলি হয়ে ইউনান প্রদেশ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মিয়ানমারের ওই অঞ্চলের 'শ' (ংধ)ি গ্যাসক্ষেত্র থেকে চীনের কুনমিং হয়ে ইউনান প্রদেশে সঞ্চালিত হবে। অন্যদিকে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জন্য উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল একই পথে কিউকপিউ-রুলি কুনমিং-ইউনান পাইপলাইনের মাধ্যমে সঞ্চালিত হওয়ার কথা। আলোচিত এই চীনা টার্মিনালের দক্ষিণে রয়েছে ভারতে আন্দামান-নিকোবর নৌস্থাপনা। রয়েছে ভারতের ইলেকট্রনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, তেমনি আন্দামান-নিকোবরের উত্তরে মিয়ানমারের গ্রেট কোকো দ্বীপ চীনাদের প্রভাবে রয়েছে। প্রাপ্ত সূত্র মতে, কোকো দ্বীপে রয়েছে চীনের ইলেকট্রনিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। এই ভূকৌশলগত অবস্থানের কারণে এ অঞ্চলে চীন-ভারত এবং হালে মার্কিন টানাপড়েন অতীতের যে কোনো সময় থেকে বেড়েছে।
ওপরের বিশ্লেষণের আঙ্গিকে এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর চীনের গভীর প্রভাব থাকাতে সামরিক বাহিনীর মধ্যে বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার অত্যধিক উদারনীতি নিয়ে বিভেদ রয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, বর্তমান জান্তাপ্রধান রাষ্ট্রপতি থানসিনের উদার নীতির সামরিক বাহিনীর মধ্যে বহু বিরোধী রয়েছে। কাজেই মিয়ানমারের এবং ভূরাজনৈতিক কারণে অত্যন্ত সংবেদনশীল এ অঞ্চলে হঠাৎ করে এই রোহিঙ্গা সমস্যা থানসিন এবং সু চির জন্য বিব্রতকর প্রমাণিত হতে পারে। যাই হোক, বর্তমানে রাখাইন অঞ্চল হঠাৎ করে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে একদিকে বলি হচ্ছে হতভাগ্য রোহিঙ্গারা, অন্যদিকে এর মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের মতো একটি দুর্বল দেশকে। ইতিপূর্বের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে মাত্র ৪০ হাজার ইউএনএইচসিআরের তথাকথিত তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আর বাকিদের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এর কিছু কারণ প্রথমেই উল্লেখ করেছি। এবারও বাংলাদেশকে চাপ সইতে হবে। ইতিমধ্যেই জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করার জন্য সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। অতীতেও ইউএন বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমার সরকারকে যথেষ্ট চাপ দেয়নি, এখনও দেবে কি-না সন্দেহ রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এখন মিয়ানমারকে মাথায় তুলে ধরার চেষ্টা করছে। কিন্তু এই অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে তাদের তরফ থেকে তেমন শক্ত পদক্ষেপের কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। মিয়ানমারের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব ইউরোপীয় দেশও প্রায় তিন দশকের পুরনো নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে মিয়ানমার সরকারকে অর্থনৈতিক লগি্নর আশ্বাস দিচ্ছে। সেই শক্তিগুলো মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে 'রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠী' হিসেবে আখ্যায়িত না করে নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে; কিন্তু তেমন উদ্যোগ এখনও দেখা যায়নি। অথচ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মধ্যপ্রাচ্যে চলছে রিজিম চেঞ্জের মহড়া।
ওপরের বিশ্লেষণের আলোকে আমি মনে করি, অতীতের মতো এবারও রাখাইন অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভাবিত পরিস্থিতির শিকার হতে হবে আমাদের। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া যথার্থ হলেও যথেষ্ট নয়। মিয়ানমার সম্বন্ধে আমরা অতীতেও উদাসীন ছিলাম, এখনও রয়েছি। ইয়াঙ্গুনের পূর্বতন পরিস্থিতি বদলানোর পরপরই নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের সম্পর্ক এখনই উন্নত করার সময় ছিল, যার উদ্যোগ আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়েছে বলে মনে হয় না। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারপ্রধানরা ইয়াঙ্গুনে সফরে এসেছেন, এমনকি হালে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাই প্রোফাইল ইয়াঙ্গুন সফরের পরও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মিয়ানমার সফরের তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি। অথচ মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিগত বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কুফল দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র বাংলাদেশকেই বহন করতে হয়েছে। তারপরও আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা সমাধানের পথ তেমনভাবে খুঁজিনি।
আমি এখনও মনে করি, এই সমস্যা সমাধান এবং আরও ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে শীর্ষ পর্যায়ে ইয়াঙ্গুন সফরে যাওয়া উচিত। একইভাবে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়ে পশ্চিমা বিশ্ব তথা জাতিসংঘের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আমাদের সরকারের তৎপরতা জোরদার করতে হবে। এখনও আমরা সে ধরনের কোনো উদ্যোগ দেখছি না। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে অতীতের মতো এবারও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জবধপঃরাব, চৎড়-ধপঃরাব নয়। 'রোহিঙ্গারা' যাতে নিজ জন্মভূমিতে 'নাগরিক' হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারে সে ধরনের ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক মহলকে বাংলাদেশের চাপ দেওয়া উচিত। অন্যথায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি শিকার আমাদের হতে হবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন :সাবেক নির্বাচন কমিশনার, কলাম লেখক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক
যযরহঃষনফ@ুধযড়ড়.পড়স
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 17
(70)
- স্মরণ-মুক্তবুদ্ধির দিশারি: গোলাম সামদানী কোরায়শী b...
- নারীর ক্ষমতায়ন-সংবিধান সংশোধন ও সংসদে নারী আসন by ...
- নিরাপদ সড়ক-সুদক্ষ চালক চাই by ইলিয়াস কাঞ্চন
- গদ্যকার্টুন-আমরা আদিম, আমরা গুহাবাসী... by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-কৌপীন নয়, পোশাকটাই আসল by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- এদের ধরা গেল না কেন?-যুবদলের অস্ত্রবাজি
- বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে-এ ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-এক নিভৃতচারী উন্নয়নকর্মী by ফারুক চৌধুরী
- মিডিয়া ভাবনা-টিভি চ্যানেলে শিশুদের প্রতিযোগিতা by ...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সীমানা বড় সমস্যা ন...
- নগরজীবন-পরিবেশদূষণ ও নাগরিক স্বাস্থ্য সমস্যা by হো...
- সরল গরল-উদ্ভট উটের পিঠে পঞ্চম সংশোধনী by মিজানুর র...
- দ্রুত পুনর্নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন-ভঙ্গুর ব...
- স্ফীতাবস্থার দ্রুত সংশোধন অপরিহার্য-ঝুঁকিতে শেয়ারব...
- চার দিক-ঢাকঢোলের হাট! by সালেহিন রাহাত
- পশ্চিমবঙ্গ-সিপিএম ও কিছু পর্যবেক্ষণ by তানভীর মোকা...
- শিক্ষা-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ by সাইফুদ্দীন চৌধুরী
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-বন্দর নিয়ে আপাতত স্বস্তি, কিন...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-খাদ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ আছে, সমস্...
- গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হারিয়ে যেতে দেওয়া যা...
- অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে-নাটোরে উপজেলা চে...
- দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে by এ বি এম মহিউদ্দ...
- কাজের গতি অনেক বেড়েছে by মোহাম্মদ মন্জুর আলম
- আমি বৃদ্ধাশ্রমে যেতে চাই, সন্তানরা বলে জাত যাবে by...
- সাকিবকে পেয়ে অভিভূত চট্টগ্রামবাসী
- জলাবদ্ধতা নিরসনে হাঁকডাকই সার by মিঠুন চৌধুরী
- ভেঙে পড়েছে আরবান স্বাস্থ্যসেবা-ব্যর্থতার পাল্লাই ভ...
- রাফায়েল নাদাল-ক্লে কোর্টের রাজা
- র ং বে র ং
- দাবার আনন্দ
- ইউরোপে ইউরো-জ্বর by সরাফ আহমেদ
- বুড়োদের ইউরো
- এই দিনে-বাবা, তোমাকে ভালোবাসি by শারমিন নাহার
- জনপ্রশাসন-অধরাই রয়ে যাচ্ছে সুশাসন by আলী ইমাম মজুমদার
- মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস-করায়ত্ত জল, মরুপ্রবণ পৃ...
- বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা-কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছি আমরা?...
- বখাটের শাস্তি নিশ্চিত এবংনির্যাতিতাকে ভরসা জোগাতে ...
- জনগণের টাকার জবাবদিহি কোথায়?-সড়ক নির্মাণের খরচ ও সময়
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশটা সাজাও
- সাংবাদিকদের সঙ্গে দীপু মনির মতবিনিময়-রোহিঙ্গাদের ব...
- বিডিআর বিদ্রোহ-১৩ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৬১১ আসামির ...
- অল্পবিদ্যা-এক শতাংশ তত্ত্ব by আসিফ নজরুল
- বাজেট পর্যালোচনা-বাজেটের আরেক পাঠ by আনু মুহাম্মদ
- সিপিডির বাজেট সংলাপ-শেয়ারবাজার নয়, সরকারের ছত্রচ্ছ...
- তিস্তা চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা by রাহীদ এজাজ
- আশুলিয়ায় সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশপ্রধান-মিয়ানমারকেই করতে হবে ...
- পরিস্থিতির উন্নতি, তবু রোহিঙ্গা আনতে দাতাদের নতুন ...
- রণক্ষেত্র কাঁচপুর ও রূপগঞ্জ শিল্পাঞ্চল by দিলীপ কু...
- বিডিআর বিদ্রোহের বিচার-১৩ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৬১১...
- বাড়ছে জ্বালানি তেল গ্যাস বিদ্যুতের দাম by আরিফুজ্জ...
- আশুলিয়ার সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- পোশাক শিল্পে লাগাতার অসন্তোষ-থেমে যাচ্ছে ঢাকার চাক...
- ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য
- বিলম্বিত বিচার
- পবিত্র কোরআনের আলো-হেদায়াতের জন্য মানুষের মধ্য থেক...
- কৃষকের গলায় ফাঁস, দায়ভার কার? by ড. আনোয়ারুল ইসলাম...
- বিচারপতি ইফতেখার ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ by তারেক শামসু...
- স্মরণ-গাজীউল হক : বায়ান্নর কাণ্ডারি by তামান্না ইস...
- সরকার দায় এড়াবে কিভাবে by খন্দকার মাহবুব হোসেন
- শাসন কাঠামো-প্রশাসনের কল্পিত বাস্তবতা by আহমদ হোসেন
- ভারত-রাষ্ট্রপতি ভবন প্রণবের পছন্দ by অমিত বসু
- বাবা দিবস by একরামুল হক শামীম
- ভারতীয় পত্রিকার দৃষ্টিতে-মমতা ভিলেন প্রণব অপ্রতিদ্...
- রোহিঙ্গা-একটি রাষ্ট্রবিহীন জাতিগোষ্ঠী ও আমাদের বিড়...
- নারী নিগ্রহ-যৌন হয়রানির সংজ্ঞা কে দেবে?
- ডিমের বাজারে আগুন-ডজনের দামে হালি
- নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া কি জেলা পর্যায়ে বাজেট প্র...
- গণকর্মচারী আইনের পরিকল্পনা by এ এম এম শওকত আলী
-
▼
Jun 17
(70)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment