Sunday, June 17, 2012
সহজিয়া কড়চা-কৌপীন নয়, পোশাকটাই আসল by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সহজিয়া কড়চা-কৌপীন নয়, পোশাকটাই আসল by সৈয়দ আবুল মকসুদ
বহু বছর আগে, স্বাধীনতারও বছর দুই আগে, আমাদের এলাকায় হঠাৎ এক সিদ্ধপুরুষের আবির্ভাব ঘটে। কোথা থেকে তিনি এলেন তা আমরা জানতাম না। জানার প্রয়োজনও বোধ করিনি। শরীর মেদবহুল। নেংটির মতো সামান্য এক টুকরো কাপড় পরা। কপালে তিলক। হাতে লম্বা চিমটা।
দেখলে কার সাধ্য তাকে শ্রদ্ধা না করে! তিনি সবাইকে নয়, কাউকে কাউকে দীক্ষা দিচ্ছিলেন। আমার এক হিন্দু সহপাঠী বলল, চলো যাই, কী দীক্ষা দেয়, নিয়া আসি।
প্রতিদিনই তাঁর দর্শনে যেতাম। কিন্তু দীক্ষার বাসনা নিয়ে যেদিন গেলাম, সেদিন একটু রাত করে গেলাম। জীবনের গুরুতর ব্যাপার, যেমন তদবির করা, দীক্ষা নেওয়া—এসব লোকজনের ভিড়ের মধ্যে হয় না।
সিদ্ধপুরুষ বললেন, তোমাদের যে দীক্ষা দিতেছি তাতে কৌপীন পরার প্রয়োজন হইবে। সুতরাং সাধনার শুরু করো কৌপীন পরা দিয়া।
আমার বন্ধু বলল, কৌপীন পরা আর এমন কি?
সিদ্ধপুরুষ বললেন, এই তো ভুল করলা। কৌপীন পরা সহজ কাজ না।
তারপর মহাযোগী যে ডেমোনস্ট্রাশন দিলেন এবং যা বললেন তা আমার আজও মনে আছে। শুধু ভয়টা ছিল আমাদেরও কাপড় খুলতে বলেন কি না। তিনি বলেছিলেন: দুই হাতে (মোনাজাত করার ভঙ্গিতে) অঞ্জলি বাঁধতে। মন লিঙ্গমূলে স্থির করবে। এবং মনে মনে বলবে—হে প্রভু, তুমি আমার মনের চঞ্চলতা দূর করো।
তারপর তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, সুন্দরী নারী দেখলে কি সম্ভোগেচ্ছা জাগে?
আমরা বুঝলাম, এই প্রশ্নের হ্যাঁ-বাচক উত্তর তিনি শুনতে চান না। কিন্তু সামান্যতম সততা থাকলেও না-বাচক উত্তর দিই কী করে? মাথা নিচু করে বসে রইলাম।
বিজ্ঞ সিদ্ধপুরুষ ফ্রয়েড ও ইয়ুং-এর চেয়ে পাকা মনস্তত্ত্ববিদ। আমাদের মনের কথা তিনি জানেন। বললেন, বুঝলাম, এখনো তোমাদের মনের চঞ্চলতা দূর হয় নাই। ঈশ্বরের প্রতি মন নিবদ্ধ করো।
তাঁকে বলতে চেয়েছিলাম, কৌপীন পরতে গিয়েও যদি সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন হয় তাহলে বড় সমস্যার সমাধান চাইতে কার সাহায্য চাইব। কিন্তু সিদ্ধপুরুষদের সামনে অবিনয়ী প্রশ্ন করা অপরাধতুল্য। তাই চুপ করে রইলাম।
প্রথম দিন তিনি কৌপীন পরারই তালিম দিলেন। তবে আমাদের মতো তরুণদের ভালোমতো দীক্ষাদানের যথেষ্ট সময় তিনি পাননি। তিনি টের পেয়েছিলেন, এলাকায় তাঁর নৈশকালীন কার্যকলাপ নিয়ে বাতাসে কিছু কথা ভাসছে। এক সকালে গিয়ে দেখি তিনি নেই। এলাকায় যারা তাঁর খুব বেশি ভক্ত ছিল, যারা তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা সম্পর্কে বাজারের চায়ের দোকান গরম করত, তারাও কিছুদিনের জন্য অদৃশ্য হয়ে গেল।
আধ্যাত্মিক ব্যাপারেই হোক আর গণতান্ত্রিক রাজনীতির মতো নিরেট বাস্তব ব্যাপারেই হোক—স্থায়ী ভক্ত বলে কিছু নেই। ভক্তরা আজ দলে দলে আসছে তো কাল একজনকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
রাষ্ট্র পরিচালনার কাজটি আধ্যাত্মিক সাধনার চেয়ে কিছুমাত্র কম কষ্টসাধ্য নয়। রাষ্ট্র যেহেতু কোটি কোটি লোকের কারবার, তাই তা ঠিকঠাকভাবে চালানো অসাধারণ দক্ষতা ছাড়া সম্ভব নয়। আমাদের সেই সিদ্ধপুরুষের মতো হলে শেষরক্ষা হওয়া তো দূরের কথা—কোনো রকমে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় উপায় থাকে না। টাইট করে কৌপীন পরা নিয়ে কসরত করতেই যাঁদের সময় পার হয়, তাঁরা লক্ষ্যে পৌঁছার সময় পেতেই পারেন না।
মোটর গাড়ির শরীরটির সঙ্গে তার ইঞ্জিন ও চাকার যে সম্পর্ক, রাষ্ট্রের সঙ্গে সরকারের সেই সম্পর্ক। ইলেকট্রিসিটি না থাকলে স্টার্টই নেবে না। তা ছাড়া গাড়ি চলবে না যদি টায়ারে হাওয়া না থাকে, ব্যাটারি বসে যায়, ডায়নামো কাজ না করে, রেডিয়েটর ফুটো হয়ে যায় বা ফ্যান না ঘোরে। রাষ্ট্রের কোনো একটি বিভাগ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে রাষ্ট্র অকার্যকর হয়ে পড়ে। শাসন বিভাগ, পার্লামেন্ট, বিচার বিভাগ এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা রাষ্ট্র চলে। তারা রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ। একটি অংশ নষ্ট হলে অন্য অংশগুলো কাজ করতে পারে না।
দক্ষ প্রশাসন ও শক্ত অর্থনীতি ছাড়া কোনো উন্নত রাষ্ট্র কল্পনাই করা যায় না। রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে ছোট-বড় সব ধরনের শিল্পোদ্যোক্তার ভূমিকাও খুব বড়। যাঁরা নতুন নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে তোলেন, তাঁরা তাতে নিজেরা যে বিত্তবান হন তা-ই নয়, তাঁরা দেশেরই সেবা করেন। সরকারি প্রচারমাধ্যমও থাকা উচিত, কিন্তু স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশন-রেডিও ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না। অর্থাৎ একটি আদর্শ আধুনিক রাষ্ট্রে মন্ত্রী, এমপি, শীর্ষ আমলা, বিচারক, শিল্পোদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী প্রভৃতির সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য।
সংসদীয় গণতন্ত্রে সংসদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান শাসক। মন্ত্রীরা তাঁর সহকর্মী, যাঁদের হাতে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছেন। বিভিন্ন পদবি দিয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় আরও অনেককে তিনি নিয়োগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিজের একান্ত কিছু গুরুদায়িত্ব আছে, তা ছাড়া তাঁর আর একটি কাজ হলো মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের কাজ মনিটর করা। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাংসদদের দায়িত্ব অশেষ—জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা করা তাঁদের এক নম্বর কাজ। গোটা দেশের সার্চলাইট হলো সংবাদমাধ্যম। এই সার্চলাইটটি কালো কাগজ অথবা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলে দেশের চেহারা ও শরীরটাকে দেখা যায় না—কেমন ভুতুড়ে ভুতুড়ে মনে হয়।
সবার কথাই বললাম, একটি পদের কথা বাদ পড়েছে। সেটি হলো পার্লামেন্টে বিরোধী দলের নেতা। আমাদের দেশে এই পদটি তুলে দিলেই ভালো ছিল। আমাদের গণতন্ত্রে এই একটি মাত্র পদ যাঁর কোনো কাজই নেই। রাষ্ট্র তাঁকে অফিস ও লোকজন সবই দিয়েছে কিন্তু রাষ্ট্রকে দেওয়ার মতো কোনো কাজ তাঁর নেই। তিনি দলের কাজ করেন মধ্যরাত পর্যন্ত, দলীয় নেতাদের উপদলীয় কোন্দল মেটান, কিন্তু ঘণ্টা দুই দেশের কাজ করার ফুরসত পান না। অথচ সংসদীয় গণতন্ত্রে গুরুত্বের দিক থেকে বিরোধী দলের নেতার স্থান প্রধানমন্ত্রীর পরেই। আমাদের সরকারের ধরন এখন অনেকটা মোগল প্রশাসনের মতো: মন্ত্রী-আমলা এবং নয় দুগুণে আঠারো রকমের রত্ন আছেন, কিন্তু বিরোধী দলের নেতার কোনো ভূমিকা নেই।
সম্রাট আকবরের নবরত্নরাই তাঁর উপদেষ্টার কাজ করতেন। মিয়া তানসেন, মোল্লা দোপিয়াজা প্রমুখ বাদশাকে সাধ্যমতো পরামর্শ দিতেন। এত বড় ভারতবর্ষ একার বুদ্ধিতে চালানো সম্ভব হতো না। পরামর্শদাতার বুদ্ধি যদি পাকা হয়, তাহলে দেশের উপকার হয়; আর তাদের বুদ্ধি যদি কাঁচা হয়, তাহলে জনগণেরই যে কপাল পোড়ে তা-ই নয়, সরকারেরও সর্বনাশ ডেকে আনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টাকে আমি শাবাশ দিই। তিনি পরম সততার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি মহাজোট সরকারের পলিসিকে সুস্পষ্ট ভাষায় ও অত্যন্ত সাবলীলভাবে প্রকাশ করেছেন। সাড়ে ১৩ হাজার জনকে কমিউনিটি হেলথ সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। উপদেষ্টা বলেছেন: ‘১৩ হাজার ৫০০ পোস্টের একটাও (আল্লাহর ইচ্ছায় দুই-একটা যাইতে পারে) যাতে আমাদের দলের বাইরে না হয়, পরীক্ষিত কর্মীরা পায়, সেই জন্য আমি মোটামুটি একটা সিস্টেম করছি। আমি তো আমার অফিসারকে বলে দেব, আমার লোককে চাকরি দিতে হবে।...আমরা আল্লাহর ওয়াস্তে যেন অজু-গোসল কইরা...অন্ততপক্ষে যে কয়দিন আছি, চেষ্টা করি।...যদি কিছু নিতে হয়, নিজেদের কর্মীদের কাছ থেকে নিতে...অন্যদের কাছ থেকে নিয়ে জামাত-জুমাতকে চাকরি দিস না...।’
এই বক্তব্যের ভাবসম্প্রসারণ করতে গেলে বিরাট থিসিস লিখতে হয়। সাড়ে ১৩ হাজারের মধ্যে দুই-একটা ছাড়া সবই তাঁর নিজের দলের লোকদের দেবেন। ওই ‘দুই-একটা’ তিনি কাকে দেবেন, তা বলেননি। জাতীয় পার্টি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিকে পুরো একটা করে দিতে পারবেন না। পরীক্ষিত কর্মী বলতে তো আজকাল চাপাতি ও রামদাঅলাদের বোঝায়। তাদের ইন্টারভিউ নিতে গেলে অজু-গোসল করে যাওয়াই ভালো। নাপাক শরীরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ না করাই শ্রেয়।
উপদেষ্টার একটি কথাই শুধু করুণ শোনাল। ‘যে কয়দিন আছি’ কথাটার মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তার সুর। এই হতাশা কার জন্য? তাঁর নিজের জন্য, না তাঁর সরকারের জন্য? তাঁর নিজের জন্য হলে আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া করার আর কিছুই নেই। তাঁর সরকারের জন্য হলে দুঃখজনক। ২০২১ সাল অনেক দূর। বেশি না নিয়ে ‘কিছু’ নেওয়ার কথা যে তিনি বলেছেন, তাতে তাঁর বাস্তববোধ ও সততার প্রকাশ ঘটেছে। অভাবের দেশে বেকারদের থেকে ‘বেশি’ নিতে নিরুৎসাহিত করেছেন। তাতে দুই পক্ষই উপকৃত হবে, নিয়োগদাতা অফিসার এবং যাকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
‘অন্যদের কাছ থেকে’ কিছু না নিতে তিনি আদরের ভাষায় পরামর্শ দিয়েছেন। উপদেষ্টা মহোদয় একটি জিনিস ভুলে গেছেন। এই রাষ্ট্র চলে সব দলের মানুষের ট্যাক্সের টাকায়। তার মধ্যে বিএনপি, সিপিবি, সর্বহারা পার্টি, জামায়াত-জুমায়াত সবই আছে। তাদের টাকায় নিজেদের ‘পরীক্ষিত’দের বেতন দেবেন—সেটা কেমন কথা। তিনি ভুলে গেছেন বাংলাদেশ একটা রাষ্ট্র—কোনো দলীয়, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ট্যাক্স দেওয়া বন্ধ করে দিলে সাড়ে ১৩ হাজারের মধ্যে সাড়ে চার হাজার প্রোভাইডারের বেতন দিতে পারবেন না।
সরকারি চাকরি হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে, নতুন উদ্ভাবিত কোনো সিস্টেমে নয়। অন্য দলের বলে জিপিএ পাঁচঅলা চাকরি পাবে না, তিনি তাঁর দলের পরীক্ষিতদের যোগ্যতা জিপিএ আড়াই থেকে দুইয়ে কমাতে চাইছেন। একপর্যায়ে জিপিএ এক পর্যন্তও তাঁকে নামতে হতে পারে। সে সিস্টেম করাও কঠিন নয়। কিন্তু তা হবে সংবিধানের লঙ্ঘন এবং গণতন্ত্রের বরখেলাপ। যে নির্বাচিত সরকার শুধু তার নিজের দলের লোকদের চাকরি দেয়, তাদের যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, তাকে গণতান্ত্রিক সরকার বলে না—তা গণতন্ত্রের কলঙ্ক।
আসলে এই সিস্টেমের কথা ফাঁস করে দিয়ে তিনি বাজিমাত করেছেন। অবশ্য বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের ভাষায় বলতে গেলে: দেশ এখন বাজিকরদের হাতে। ভর্তিবাজি, নিয়োগবাজি, টেন্ডারবাজি, দলবাজি, মতলববাজির রকমফের দেখে মানুষ দিশেহারা। যেখানে নাগরিকদের কোনো বা প্রাপ্তি রয়েছে সেখানেই বাজিকরেরা উৎকট ব্যস্ততায় উন্মুক্ত। যেখানে একটা চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির জন্য তিন লাখ টাকা গুনতে হয়, সেখানে মেধাভিত্তিক প্রশাসন কেমন করে আমরা গড়ব।
বিচারপতি হাবিবুর রহমান একজন যুক্তিবাদী বাঙালি মুসলমান, কোরআন সম্পর্কে বই লিখলেও অকপট বাঙালি জাতীয়তাবাদী। তিনি মহাজোট সরকারের অহিতার্থী নন। কারও প্রতি তাঁর কোনো বিদ্বেষ আছে বলে কখনো দেখিনি। এত বেশি বয়সেও এত বেশি পড়াশোনা এ দেশে আর কেউ করেন বলে আমি জানি না। তিনি তাঁর সেদিনের প্রশংসিত বক্তৃতায় আরও বলেছেন: আজ চীনের অর্থনৈতিক সাফল্য নিয়ে নানা তত্ত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমার মনে হয়, রাজনৈতিক ক্যাডাররা নয়, চীনের মেধাভিত্তিক প্রশাসনই তার উত্থানের প্রধান কারণ।
বৃদ্ধ বিচারপতি একজন প্রাজ্ঞ লেখক ও চিন্তাবিদ। সেদিন তিনি আর একটি বাক্যও বলেছেন: ‘গণতন্ত্রের সোপানে আরোহণ করেই ফ্যাসিজম ও নাৎসিজমের জন্ম।’ তাঁর বক্তব্য নিয়ে বাজিকরদের অভিভাবকেরা কেউ কেউ ভ্রু কুঁচকেছেন, কেউ হাহাকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্য: লোকটি বলেন কী? এসব বলতে নেই। যা চলছে চলুক। জয় জিপিএ এক দশমিক এক। সব প্রবীণ নেতা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের এখন মাউথপিস বা মুখপাত্র তার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেছেন, ‘দেশের দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে হয়তো তিনি কথাগুলো বলেছেন। যেসব বিষয়ের কথা বলেছেন তা আগে থেকেই সমাজে ব্যাধি হিসেবে ছিল, যার পরিচর্যার দায়িত্ব এখন আমাদের।’ [ডেসটিনি]। ঠিক কথাই বলেছেন, বিভিন্ন বাজির এখন সর্বোচ্চ পরিচর্যাই তাঁরা করছেন।
জননেতা ইনুর জন্য ত্যাগ স্বীকার করে এমপি হতে না পেরে সান্ত্বনা হিসেবে তিনি দলের মুখপাত্রের পদ পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এসব ব্যাধি দূর করার জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ভিশন-২০২১ ঘোষণা করেছেন। বাংলার মাটির রাজনীতিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদটি বড়ই অলক্ষুনে। খন্দকার মোশতাক ছিলেন আওয়ামী লীগের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বিএনপির যুগ্ম এখন বিলেতের বাতাস খাচ্ছেন। কখন কার ভাগ্যে কী হয়, সিদ্ধপুরুষ ছাড়া কেউ বলতে পারেন না।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বাজিমাতের পরই বাজি ফাটালেন মাননীয় বিচারপতি। একই দিনে আর একটি খবরে জানা গেল, ‘পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সুপারিশের পরও দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি’ দেননি পাবনার সিভিল সার্জন। চাকরিপ্রার্থী মিনতির দাবি, তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।...সিভিল সার্জন তাঁর কাছে ‘তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। মিনতি দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেন।’ [সমকাল] বাকি এক লাখ না পাওয়ায় চাকরি হয়নি। তা নিয়ে মামলা হয়েছে। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনাই বটে।
পাবনার প্রসিদ্ধ কাণ্ডটিতে অন্যান্য অঘটনের মধ্যে কর্তব্য পালন করতে গিয়ে মার খেয়েছেন একজন নারী কর্মকর্তা এবং একজন হিন্দু কর্মকর্তা। কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ সেক্যুলার। এখানে কার কী ধর্ম, সে প্রশ্ন তোলা আইনত দণ্ডনীয়। তবে ধর্ম ও লিঙ্গ-নির্বিশেষে যেকোনো আহত মানুষের কাঁদার অধিকার কেন বেআইনি নয়, সে ব্যাপারে এখনো কোনো রুল জারি হয়নি। সুতরাং যে কেউ মনের কষ্টে কাঁদতে পারেন। হাসি এবং কান্না কোনোটা নিয়ে ক্যামেরা কারসাজি করতে পারে না। ক্যামেরা ক্যাডার ও কলামলেখকদের চেয়ে কিঞ্চিৎ দলনিরপেক্ষ।
উপদেষ্টা মহোদয় ‘পরীক্ষিত’দের কথা বলেছেন। যাদের তিনি ‘পরীক্ষিত কর্মী’ বলছেন তাদের আমরা কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে দেখিনি। তাদের একটি পরীক্ষার সময় এসেছিল যেদিন শেখ হাসিনাকে আটক করা হয়। সাড়ে ১৩ হাজার পরীক্ষিতের মধ্যে সাড়ে ১৩ জনকেও রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল বের করতে দেখা যায়নি। যেদিন শেখ হাসিনাকে বিদেশে তারেকের মতো আরামে থাকার নীলনকশা করা হয়, সেদিন সাড়ে ১৩ হাজার যদি বিক্ষোভ মিছিল করত, তা হলে উদ্দীনীয় সরকার উড়ে যেত। সে সময় আমাদের মতো হতভাগারাই গোলটেবিল লম্বাটেবিল করে টেবিল চাপড়েছে। সেখানে শ্রোতা হিসেবেও কাউকে পাওয়া যেত না। সেসব দিনের সাক্ষী আবদুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, তোফায়েল আহমেদ, ফারুক খান, ড. আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও অনেকে; যাঁদের কারও কারও এখন সরকারের সেবা করার সুযোগ নেই।
গত নির্বাচনের প্রশ্ন? সে নির্বাচনের আমি এক পর্যবেক্ষক ছিলাম। তাতে অধিকাংশ ভোটার ভোট দিয়েছে দলের নেত্রী শেখ হাসিনাকে। ভোটের আগের এক মাস এবং ভোটের দিন ‘পরীক্ষিত’দের কোনো দৃষ্টিগ্রাহ্য ভূমিকা আমি দেখিনি। পরীক্ষা তাঁরা দিয়েছেন নির্বাচনের পর সরকারটি গঠিত হলে। সে পরীক্ষা কলম ও কাগজে নয়—চাপাতি, রামদা, গাদা বন্দুক ও পিস্তল দিয়ে।
পাবনার প্রসিদ্ধ ব্যাপারের পর সেখানকার দলীয় নেতা বলেছেন: ‘ডিসির প্রত্যাহারের মাধ্যমে পাবনার আওয়ামী লীগ এবং সাধারণ মানুষের জয় হয়েছে।’ আমরা করজোড়ে বলব: লাখ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পরাজিত করবেন না। অতি বেশি জয় ভালো নয়। সেই যে কবি বলেছেন:
একচ্ছত্র জয় নেই, নেই কোনো জয়ী,
বিজয়ী বিজিত কভু, বিজিত বিজয়ী।
রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের জন্য মন্ত্রী, উপমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সাংসদ, সচিব, রাষ্ট্রদূত ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাসহ পাঁচ-ছয় শ মানুষ দায়ী। সব দায়দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর ঘাড়ে চাপিয়ে যে যা খুশি তা-ই করবেন, জনগণ তা সহ্য করবে না বেশি দিন। জনগণ ক্ষিপ্ত হচ্ছে, বিদেশি বন্ধুরা অসন্তুষ্ট। ৮ মে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্তা ফ্রোয়েন কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললেন: উই আর নট হ্যাপি।
একজন মানুষকে যেমন কৌপীনের চেয়ে স্বাভাবিক পোশাকে ভালো দেখায়, রাষ্ট্রকেও ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনে সুন্দর লাগে; অবিচার ও অনাচারে নয়।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
প্রতিদিনই তাঁর দর্শনে যেতাম। কিন্তু দীক্ষার বাসনা নিয়ে যেদিন গেলাম, সেদিন একটু রাত করে গেলাম। জীবনের গুরুতর ব্যাপার, যেমন তদবির করা, দীক্ষা নেওয়া—এসব লোকজনের ভিড়ের মধ্যে হয় না।
সিদ্ধপুরুষ বললেন, তোমাদের যে দীক্ষা দিতেছি তাতে কৌপীন পরার প্রয়োজন হইবে। সুতরাং সাধনার শুরু করো কৌপীন পরা দিয়া।
আমার বন্ধু বলল, কৌপীন পরা আর এমন কি?
সিদ্ধপুরুষ বললেন, এই তো ভুল করলা। কৌপীন পরা সহজ কাজ না।
তারপর মহাযোগী যে ডেমোনস্ট্রাশন দিলেন এবং যা বললেন তা আমার আজও মনে আছে। শুধু ভয়টা ছিল আমাদেরও কাপড় খুলতে বলেন কি না। তিনি বলেছিলেন: দুই হাতে (মোনাজাত করার ভঙ্গিতে) অঞ্জলি বাঁধতে। মন লিঙ্গমূলে স্থির করবে। এবং মনে মনে বলবে—হে প্রভু, তুমি আমার মনের চঞ্চলতা দূর করো।
তারপর তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, সুন্দরী নারী দেখলে কি সম্ভোগেচ্ছা জাগে?
আমরা বুঝলাম, এই প্রশ্নের হ্যাঁ-বাচক উত্তর তিনি শুনতে চান না। কিন্তু সামান্যতম সততা থাকলেও না-বাচক উত্তর দিই কী করে? মাথা নিচু করে বসে রইলাম।
বিজ্ঞ সিদ্ধপুরুষ ফ্রয়েড ও ইয়ুং-এর চেয়ে পাকা মনস্তত্ত্ববিদ। আমাদের মনের কথা তিনি জানেন। বললেন, বুঝলাম, এখনো তোমাদের মনের চঞ্চলতা দূর হয় নাই। ঈশ্বরের প্রতি মন নিবদ্ধ করো।
তাঁকে বলতে চেয়েছিলাম, কৌপীন পরতে গিয়েও যদি সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন হয় তাহলে বড় সমস্যার সমাধান চাইতে কার সাহায্য চাইব। কিন্তু সিদ্ধপুরুষদের সামনে অবিনয়ী প্রশ্ন করা অপরাধতুল্য। তাই চুপ করে রইলাম।
প্রথম দিন তিনি কৌপীন পরারই তালিম দিলেন। তবে আমাদের মতো তরুণদের ভালোমতো দীক্ষাদানের যথেষ্ট সময় তিনি পাননি। তিনি টের পেয়েছিলেন, এলাকায় তাঁর নৈশকালীন কার্যকলাপ নিয়ে বাতাসে কিছু কথা ভাসছে। এক সকালে গিয়ে দেখি তিনি নেই। এলাকায় যারা তাঁর খুব বেশি ভক্ত ছিল, যারা তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা সম্পর্কে বাজারের চায়ের দোকান গরম করত, তারাও কিছুদিনের জন্য অদৃশ্য হয়ে গেল।
আধ্যাত্মিক ব্যাপারেই হোক আর গণতান্ত্রিক রাজনীতির মতো নিরেট বাস্তব ব্যাপারেই হোক—স্থায়ী ভক্ত বলে কিছু নেই। ভক্তরা আজ দলে দলে আসছে তো কাল একজনকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
রাষ্ট্র পরিচালনার কাজটি আধ্যাত্মিক সাধনার চেয়ে কিছুমাত্র কম কষ্টসাধ্য নয়। রাষ্ট্র যেহেতু কোটি কোটি লোকের কারবার, তাই তা ঠিকঠাকভাবে চালানো অসাধারণ দক্ষতা ছাড়া সম্ভব নয়। আমাদের সেই সিদ্ধপুরুষের মতো হলে শেষরক্ষা হওয়া তো দূরের কথা—কোনো রকমে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় উপায় থাকে না। টাইট করে কৌপীন পরা নিয়ে কসরত করতেই যাঁদের সময় পার হয়, তাঁরা লক্ষ্যে পৌঁছার সময় পেতেই পারেন না।
মোটর গাড়ির শরীরটির সঙ্গে তার ইঞ্জিন ও চাকার যে সম্পর্ক, রাষ্ট্রের সঙ্গে সরকারের সেই সম্পর্ক। ইলেকট্রিসিটি না থাকলে স্টার্টই নেবে না। তা ছাড়া গাড়ি চলবে না যদি টায়ারে হাওয়া না থাকে, ব্যাটারি বসে যায়, ডায়নামো কাজ না করে, রেডিয়েটর ফুটো হয়ে যায় বা ফ্যান না ঘোরে। রাষ্ট্রের কোনো একটি বিভাগ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে রাষ্ট্র অকার্যকর হয়ে পড়ে। শাসন বিভাগ, পার্লামেন্ট, বিচার বিভাগ এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা রাষ্ট্র চলে। তারা রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ। একটি অংশ নষ্ট হলে অন্য অংশগুলো কাজ করতে পারে না।
দক্ষ প্রশাসন ও শক্ত অর্থনীতি ছাড়া কোনো উন্নত রাষ্ট্র কল্পনাই করা যায় না। রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে ছোট-বড় সব ধরনের শিল্পোদ্যোক্তার ভূমিকাও খুব বড়। যাঁরা নতুন নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে তোলেন, তাঁরা তাতে নিজেরা যে বিত্তবান হন তা-ই নয়, তাঁরা দেশেরই সেবা করেন। সরকারি প্রচারমাধ্যমও থাকা উচিত, কিন্তু স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশন-রেডিও ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না। অর্থাৎ একটি আদর্শ আধুনিক রাষ্ট্রে মন্ত্রী, এমপি, শীর্ষ আমলা, বিচারক, শিল্পোদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী প্রভৃতির সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য।
সংসদীয় গণতন্ত্রে সংসদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান শাসক। মন্ত্রীরা তাঁর সহকর্মী, যাঁদের হাতে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছেন। বিভিন্ন পদবি দিয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় আরও অনেককে তিনি নিয়োগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিজের একান্ত কিছু গুরুদায়িত্ব আছে, তা ছাড়া তাঁর আর একটি কাজ হলো মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের কাজ মনিটর করা। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাংসদদের দায়িত্ব অশেষ—জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা করা তাঁদের এক নম্বর কাজ। গোটা দেশের সার্চলাইট হলো সংবাদমাধ্যম। এই সার্চলাইটটি কালো কাগজ অথবা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলে দেশের চেহারা ও শরীরটাকে দেখা যায় না—কেমন ভুতুড়ে ভুতুড়ে মনে হয়।
সবার কথাই বললাম, একটি পদের কথা বাদ পড়েছে। সেটি হলো পার্লামেন্টে বিরোধী দলের নেতা। আমাদের দেশে এই পদটি তুলে দিলেই ভালো ছিল। আমাদের গণতন্ত্রে এই একটি মাত্র পদ যাঁর কোনো কাজই নেই। রাষ্ট্র তাঁকে অফিস ও লোকজন সবই দিয়েছে কিন্তু রাষ্ট্রকে দেওয়ার মতো কোনো কাজ তাঁর নেই। তিনি দলের কাজ করেন মধ্যরাত পর্যন্ত, দলীয় নেতাদের উপদলীয় কোন্দল মেটান, কিন্তু ঘণ্টা দুই দেশের কাজ করার ফুরসত পান না। অথচ সংসদীয় গণতন্ত্রে গুরুত্বের দিক থেকে বিরোধী দলের নেতার স্থান প্রধানমন্ত্রীর পরেই। আমাদের সরকারের ধরন এখন অনেকটা মোগল প্রশাসনের মতো: মন্ত্রী-আমলা এবং নয় দুগুণে আঠারো রকমের রত্ন আছেন, কিন্তু বিরোধী দলের নেতার কোনো ভূমিকা নেই।
সম্রাট আকবরের নবরত্নরাই তাঁর উপদেষ্টার কাজ করতেন। মিয়া তানসেন, মোল্লা দোপিয়াজা প্রমুখ বাদশাকে সাধ্যমতো পরামর্শ দিতেন। এত বড় ভারতবর্ষ একার বুদ্ধিতে চালানো সম্ভব হতো না। পরামর্শদাতার বুদ্ধি যদি পাকা হয়, তাহলে দেশের উপকার হয়; আর তাদের বুদ্ধি যদি কাঁচা হয়, তাহলে জনগণেরই যে কপাল পোড়ে তা-ই নয়, সরকারেরও সর্বনাশ ডেকে আনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টাকে আমি শাবাশ দিই। তিনি পরম সততার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি মহাজোট সরকারের পলিসিকে সুস্পষ্ট ভাষায় ও অত্যন্ত সাবলীলভাবে প্রকাশ করেছেন। সাড়ে ১৩ হাজার জনকে কমিউনিটি হেলথ সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। উপদেষ্টা বলেছেন: ‘১৩ হাজার ৫০০ পোস্টের একটাও (আল্লাহর ইচ্ছায় দুই-একটা যাইতে পারে) যাতে আমাদের দলের বাইরে না হয়, পরীক্ষিত কর্মীরা পায়, সেই জন্য আমি মোটামুটি একটা সিস্টেম করছি। আমি তো আমার অফিসারকে বলে দেব, আমার লোককে চাকরি দিতে হবে।...আমরা আল্লাহর ওয়াস্তে যেন অজু-গোসল কইরা...অন্ততপক্ষে যে কয়দিন আছি, চেষ্টা করি।...যদি কিছু নিতে হয়, নিজেদের কর্মীদের কাছ থেকে নিতে...অন্যদের কাছ থেকে নিয়ে জামাত-জুমাতকে চাকরি দিস না...।’
এই বক্তব্যের ভাবসম্প্রসারণ করতে গেলে বিরাট থিসিস লিখতে হয়। সাড়ে ১৩ হাজারের মধ্যে দুই-একটা ছাড়া সবই তাঁর নিজের দলের লোকদের দেবেন। ওই ‘দুই-একটা’ তিনি কাকে দেবেন, তা বলেননি। জাতীয় পার্টি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিকে পুরো একটা করে দিতে পারবেন না। পরীক্ষিত কর্মী বলতে তো আজকাল চাপাতি ও রামদাঅলাদের বোঝায়। তাদের ইন্টারভিউ নিতে গেলে অজু-গোসল করে যাওয়াই ভালো। নাপাক শরীরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ না করাই শ্রেয়।
উপদেষ্টার একটি কথাই শুধু করুণ শোনাল। ‘যে কয়দিন আছি’ কথাটার মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তার সুর। এই হতাশা কার জন্য? তাঁর নিজের জন্য, না তাঁর সরকারের জন্য? তাঁর নিজের জন্য হলে আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া করার আর কিছুই নেই। তাঁর সরকারের জন্য হলে দুঃখজনক। ২০২১ সাল অনেক দূর। বেশি না নিয়ে ‘কিছু’ নেওয়ার কথা যে তিনি বলেছেন, তাতে তাঁর বাস্তববোধ ও সততার প্রকাশ ঘটেছে। অভাবের দেশে বেকারদের থেকে ‘বেশি’ নিতে নিরুৎসাহিত করেছেন। তাতে দুই পক্ষই উপকৃত হবে, নিয়োগদাতা অফিসার এবং যাকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
‘অন্যদের কাছ থেকে’ কিছু না নিতে তিনি আদরের ভাষায় পরামর্শ দিয়েছেন। উপদেষ্টা মহোদয় একটি জিনিস ভুলে গেছেন। এই রাষ্ট্র চলে সব দলের মানুষের ট্যাক্সের টাকায়। তার মধ্যে বিএনপি, সিপিবি, সর্বহারা পার্টি, জামায়াত-জুমায়াত সবই আছে। তাদের টাকায় নিজেদের ‘পরীক্ষিত’দের বেতন দেবেন—সেটা কেমন কথা। তিনি ভুলে গেছেন বাংলাদেশ একটা রাষ্ট্র—কোনো দলীয়, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ট্যাক্স দেওয়া বন্ধ করে দিলে সাড়ে ১৩ হাজারের মধ্যে সাড়ে চার হাজার প্রোভাইডারের বেতন দিতে পারবেন না।
সরকারি চাকরি হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে, নতুন উদ্ভাবিত কোনো সিস্টেমে নয়। অন্য দলের বলে জিপিএ পাঁচঅলা চাকরি পাবে না, তিনি তাঁর দলের পরীক্ষিতদের যোগ্যতা জিপিএ আড়াই থেকে দুইয়ে কমাতে চাইছেন। একপর্যায়ে জিপিএ এক পর্যন্তও তাঁকে নামতে হতে পারে। সে সিস্টেম করাও কঠিন নয়। কিন্তু তা হবে সংবিধানের লঙ্ঘন এবং গণতন্ত্রের বরখেলাপ। যে নির্বাচিত সরকার শুধু তার নিজের দলের লোকদের চাকরি দেয়, তাদের যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, তাকে গণতান্ত্রিক সরকার বলে না—তা গণতন্ত্রের কলঙ্ক।
আসলে এই সিস্টেমের কথা ফাঁস করে দিয়ে তিনি বাজিমাত করেছেন। অবশ্য বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের ভাষায় বলতে গেলে: দেশ এখন বাজিকরদের হাতে। ভর্তিবাজি, নিয়োগবাজি, টেন্ডারবাজি, দলবাজি, মতলববাজির রকমফের দেখে মানুষ দিশেহারা। যেখানে নাগরিকদের কোনো বা প্রাপ্তি রয়েছে সেখানেই বাজিকরেরা উৎকট ব্যস্ততায় উন্মুক্ত। যেখানে একটা চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির জন্য তিন লাখ টাকা গুনতে হয়, সেখানে মেধাভিত্তিক প্রশাসন কেমন করে আমরা গড়ব।
বিচারপতি হাবিবুর রহমান একজন যুক্তিবাদী বাঙালি মুসলমান, কোরআন সম্পর্কে বই লিখলেও অকপট বাঙালি জাতীয়তাবাদী। তিনি মহাজোট সরকারের অহিতার্থী নন। কারও প্রতি তাঁর কোনো বিদ্বেষ আছে বলে কখনো দেখিনি। এত বেশি বয়সেও এত বেশি পড়াশোনা এ দেশে আর কেউ করেন বলে আমি জানি না। তিনি তাঁর সেদিনের প্রশংসিত বক্তৃতায় আরও বলেছেন: আজ চীনের অর্থনৈতিক সাফল্য নিয়ে নানা তত্ত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমার মনে হয়, রাজনৈতিক ক্যাডাররা নয়, চীনের মেধাভিত্তিক প্রশাসনই তার উত্থানের প্রধান কারণ।
বৃদ্ধ বিচারপতি একজন প্রাজ্ঞ লেখক ও চিন্তাবিদ। সেদিন তিনি আর একটি বাক্যও বলেছেন: ‘গণতন্ত্রের সোপানে আরোহণ করেই ফ্যাসিজম ও নাৎসিজমের জন্ম।’ তাঁর বক্তব্য নিয়ে বাজিকরদের অভিভাবকেরা কেউ কেউ ভ্রু কুঁচকেছেন, কেউ হাহাকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্য: লোকটি বলেন কী? এসব বলতে নেই। যা চলছে চলুক। জয় জিপিএ এক দশমিক এক। সব প্রবীণ নেতা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের এখন মাউথপিস বা মুখপাত্র তার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেছেন, ‘দেশের দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে হয়তো তিনি কথাগুলো বলেছেন। যেসব বিষয়ের কথা বলেছেন তা আগে থেকেই সমাজে ব্যাধি হিসেবে ছিল, যার পরিচর্যার দায়িত্ব এখন আমাদের।’ [ডেসটিনি]। ঠিক কথাই বলেছেন, বিভিন্ন বাজির এখন সর্বোচ্চ পরিচর্যাই তাঁরা করছেন।
জননেতা ইনুর জন্য ত্যাগ স্বীকার করে এমপি হতে না পেরে সান্ত্বনা হিসেবে তিনি দলের মুখপাত্রের পদ পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এসব ব্যাধি দূর করার জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ভিশন-২০২১ ঘোষণা করেছেন। বাংলার মাটির রাজনীতিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদটি বড়ই অলক্ষুনে। খন্দকার মোশতাক ছিলেন আওয়ামী লীগের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বিএনপির যুগ্ম এখন বিলেতের বাতাস খাচ্ছেন। কখন কার ভাগ্যে কী হয়, সিদ্ধপুরুষ ছাড়া কেউ বলতে পারেন না।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বাজিমাতের পরই বাজি ফাটালেন মাননীয় বিচারপতি। একই দিনে আর একটি খবরে জানা গেল, ‘পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সুপারিশের পরও দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি’ দেননি পাবনার সিভিল সার্জন। চাকরিপ্রার্থী মিনতির দাবি, তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।...সিভিল সার্জন তাঁর কাছে ‘তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। মিনতি দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেন।’ [সমকাল] বাকি এক লাখ না পাওয়ায় চাকরি হয়নি। তা নিয়ে মামলা হয়েছে। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনাই বটে।
পাবনার প্রসিদ্ধ কাণ্ডটিতে অন্যান্য অঘটনের মধ্যে কর্তব্য পালন করতে গিয়ে মার খেয়েছেন একজন নারী কর্মকর্তা এবং একজন হিন্দু কর্মকর্তা। কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ সেক্যুলার। এখানে কার কী ধর্ম, সে প্রশ্ন তোলা আইনত দণ্ডনীয়। তবে ধর্ম ও লিঙ্গ-নির্বিশেষে যেকোনো আহত মানুষের কাঁদার অধিকার কেন বেআইনি নয়, সে ব্যাপারে এখনো কোনো রুল জারি হয়নি। সুতরাং যে কেউ মনের কষ্টে কাঁদতে পারেন। হাসি এবং কান্না কোনোটা নিয়ে ক্যামেরা কারসাজি করতে পারে না। ক্যামেরা ক্যাডার ও কলামলেখকদের চেয়ে কিঞ্চিৎ দলনিরপেক্ষ।
উপদেষ্টা মহোদয় ‘পরীক্ষিত’দের কথা বলেছেন। যাদের তিনি ‘পরীক্ষিত কর্মী’ বলছেন তাদের আমরা কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে দেখিনি। তাদের একটি পরীক্ষার সময় এসেছিল যেদিন শেখ হাসিনাকে আটক করা হয়। সাড়ে ১৩ হাজার পরীক্ষিতের মধ্যে সাড়ে ১৩ জনকেও রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল বের করতে দেখা যায়নি। যেদিন শেখ হাসিনাকে বিদেশে তারেকের মতো আরামে থাকার নীলনকশা করা হয়, সেদিন সাড়ে ১৩ হাজার যদি বিক্ষোভ মিছিল করত, তা হলে উদ্দীনীয় সরকার উড়ে যেত। সে সময় আমাদের মতো হতভাগারাই গোলটেবিল লম্বাটেবিল করে টেবিল চাপড়েছে। সেখানে শ্রোতা হিসেবেও কাউকে পাওয়া যেত না। সেসব দিনের সাক্ষী আবদুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, তোফায়েল আহমেদ, ফারুক খান, ড. আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও অনেকে; যাঁদের কারও কারও এখন সরকারের সেবা করার সুযোগ নেই।
গত নির্বাচনের প্রশ্ন? সে নির্বাচনের আমি এক পর্যবেক্ষক ছিলাম। তাতে অধিকাংশ ভোটার ভোট দিয়েছে দলের নেত্রী শেখ হাসিনাকে। ভোটের আগের এক মাস এবং ভোটের দিন ‘পরীক্ষিত’দের কোনো দৃষ্টিগ্রাহ্য ভূমিকা আমি দেখিনি। পরীক্ষা তাঁরা দিয়েছেন নির্বাচনের পর সরকারটি গঠিত হলে। সে পরীক্ষা কলম ও কাগজে নয়—চাপাতি, রামদা, গাদা বন্দুক ও পিস্তল দিয়ে।
পাবনার প্রসিদ্ধ ব্যাপারের পর সেখানকার দলীয় নেতা বলেছেন: ‘ডিসির প্রত্যাহারের মাধ্যমে পাবনার আওয়ামী লীগ এবং সাধারণ মানুষের জয় হয়েছে।’ আমরা করজোড়ে বলব: লাখ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পরাজিত করবেন না। অতি বেশি জয় ভালো নয়। সেই যে কবি বলেছেন:
একচ্ছত্র জয় নেই, নেই কোনো জয়ী,
বিজয়ী বিজিত কভু, বিজিত বিজয়ী।
রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের জন্য মন্ত্রী, উপমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সাংসদ, সচিব, রাষ্ট্রদূত ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাসহ পাঁচ-ছয় শ মানুষ দায়ী। সব দায়দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর ঘাড়ে চাপিয়ে যে যা খুশি তা-ই করবেন, জনগণ তা সহ্য করবে না বেশি দিন। জনগণ ক্ষিপ্ত হচ্ছে, বিদেশি বন্ধুরা অসন্তুষ্ট। ৮ মে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্তা ফ্রোয়েন কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললেন: উই আর নট হ্যাপি।
একজন মানুষকে যেমন কৌপীনের চেয়ে স্বাভাবিক পোশাকে ভালো দেখায়, রাষ্ট্রকেও ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনে সুন্দর লাগে; অবিচার ও অনাচারে নয়।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 17
(70)
- স্মরণ-মুক্তবুদ্ধির দিশারি: গোলাম সামদানী কোরায়শী b...
- নারীর ক্ষমতায়ন-সংবিধান সংশোধন ও সংসদে নারী আসন by ...
- নিরাপদ সড়ক-সুদক্ষ চালক চাই by ইলিয়াস কাঞ্চন
- গদ্যকার্টুন-আমরা আদিম, আমরা গুহাবাসী... by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-কৌপীন নয়, পোশাকটাই আসল by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- এদের ধরা গেল না কেন?-যুবদলের অস্ত্রবাজি
- বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে-এ ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-এক নিভৃতচারী উন্নয়নকর্মী by ফারুক চৌধুরী
- মিডিয়া ভাবনা-টিভি চ্যানেলে শিশুদের প্রতিযোগিতা by ...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সীমানা বড় সমস্যা ন...
- নগরজীবন-পরিবেশদূষণ ও নাগরিক স্বাস্থ্য সমস্যা by হো...
- সরল গরল-উদ্ভট উটের পিঠে পঞ্চম সংশোধনী by মিজানুর র...
- দ্রুত পুনর্নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন-ভঙ্গুর ব...
- স্ফীতাবস্থার দ্রুত সংশোধন অপরিহার্য-ঝুঁকিতে শেয়ারব...
- চার দিক-ঢাকঢোলের হাট! by সালেহিন রাহাত
- পশ্চিমবঙ্গ-সিপিএম ও কিছু পর্যবেক্ষণ by তানভীর মোকা...
- শিক্ষা-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ by সাইফুদ্দীন চৌধুরী
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-বন্দর নিয়ে আপাতত স্বস্তি, কিন...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-খাদ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ আছে, সমস্...
- গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হারিয়ে যেতে দেওয়া যা...
- অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে-নাটোরে উপজেলা চে...
- দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে by এ বি এম মহিউদ্দ...
- কাজের গতি অনেক বেড়েছে by মোহাম্মদ মন্জুর আলম
- আমি বৃদ্ধাশ্রমে যেতে চাই, সন্তানরা বলে জাত যাবে by...
- সাকিবকে পেয়ে অভিভূত চট্টগ্রামবাসী
- জলাবদ্ধতা নিরসনে হাঁকডাকই সার by মিঠুন চৌধুরী
- ভেঙে পড়েছে আরবান স্বাস্থ্যসেবা-ব্যর্থতার পাল্লাই ভ...
- রাফায়েল নাদাল-ক্লে কোর্টের রাজা
- র ং বে র ং
- দাবার আনন্দ
- ইউরোপে ইউরো-জ্বর by সরাফ আহমেদ
- বুড়োদের ইউরো
- এই দিনে-বাবা, তোমাকে ভালোবাসি by শারমিন নাহার
- জনপ্রশাসন-অধরাই রয়ে যাচ্ছে সুশাসন by আলী ইমাম মজুমদার
- মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস-করায়ত্ত জল, মরুপ্রবণ পৃ...
- বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা-কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছি আমরা?...
- বখাটের শাস্তি নিশ্চিত এবংনির্যাতিতাকে ভরসা জোগাতে ...
- জনগণের টাকার জবাবদিহি কোথায়?-সড়ক নির্মাণের খরচ ও সময়
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশটা সাজাও
- সাংবাদিকদের সঙ্গে দীপু মনির মতবিনিময়-রোহিঙ্গাদের ব...
- বিডিআর বিদ্রোহ-১৩ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৬১১ আসামির ...
- অল্পবিদ্যা-এক শতাংশ তত্ত্ব by আসিফ নজরুল
- বাজেট পর্যালোচনা-বাজেটের আরেক পাঠ by আনু মুহাম্মদ
- সিপিডির বাজেট সংলাপ-শেয়ারবাজার নয়, সরকারের ছত্রচ্ছ...
- তিস্তা চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা by রাহীদ এজাজ
- আশুলিয়ায় সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশপ্রধান-মিয়ানমারকেই করতে হবে ...
- পরিস্থিতির উন্নতি, তবু রোহিঙ্গা আনতে দাতাদের নতুন ...
- রণক্ষেত্র কাঁচপুর ও রূপগঞ্জ শিল্পাঞ্চল by দিলীপ কু...
- বিডিআর বিদ্রোহের বিচার-১৩ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৬১১...
- বাড়ছে জ্বালানি তেল গ্যাস বিদ্যুতের দাম by আরিফুজ্জ...
- আশুলিয়ার সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- পোশাক শিল্পে লাগাতার অসন্তোষ-থেমে যাচ্ছে ঢাকার চাক...
- ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য
- বিলম্বিত বিচার
- পবিত্র কোরআনের আলো-হেদায়াতের জন্য মানুষের মধ্য থেক...
- কৃষকের গলায় ফাঁস, দায়ভার কার? by ড. আনোয়ারুল ইসলাম...
- বিচারপতি ইফতেখার ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ by তারেক শামসু...
- স্মরণ-গাজীউল হক : বায়ান্নর কাণ্ডারি by তামান্না ইস...
- সরকার দায় এড়াবে কিভাবে by খন্দকার মাহবুব হোসেন
- শাসন কাঠামো-প্রশাসনের কল্পিত বাস্তবতা by আহমদ হোসেন
- ভারত-রাষ্ট্রপতি ভবন প্রণবের পছন্দ by অমিত বসু
- বাবা দিবস by একরামুল হক শামীম
- ভারতীয় পত্রিকার দৃষ্টিতে-মমতা ভিলেন প্রণব অপ্রতিদ্...
- রোহিঙ্গা-একটি রাষ্ট্রবিহীন জাতিগোষ্ঠী ও আমাদের বিড়...
- নারী নিগ্রহ-যৌন হয়রানির সংজ্ঞা কে দেবে?
- ডিমের বাজারে আগুন-ডজনের দামে হালি
- নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া কি জেলা পর্যায়ে বাজেট প্র...
- গণকর্মচারী আইনের পরিকল্পনা by এ এম এম শওকত আলী
-
▼
Jun 17
(70)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment