Monday, January 26, 2015
সরকার এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছিল by কাফি কামাল
সরকার এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছিল by কাফি কামাল

জন্ম-মৃত্যু
নিঃসন্দেহে মানবিক ঘটনা। পরিবেশ পরিস্থিতির ঘনঘটায় এসব আর মানবিক বিষয়
থাকছে না। শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠছে রাজনৈতিক কৌশলের প্রসঙ্গ। পুত্র হারিয়ে
শোকে কাতর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দেশে তার নেতৃত্বেই চলছে
অনির্দিষ্টকালের অবরোধ। কিন্তু যে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সে সরকারের
প্রধানমন্ত্রীই সমবেদনা জানাতে ছুটে গেছেন খালেদা জিয়ার কাছে। যিনি
দেশবাসীর আহ্বান ও দাবির মুখেও বিএনপি নেত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসতে রাজি নন।
যার নেতৃত্বাধীন সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে খালেদা
জিয়ার চলাচল। কার্যালয়ে কাটাতে হচ্ছে অবরুদ্ধ জীবন। তিনিই যখন শোকগ্রস্ত
খালেদা জিয়ার কাছে ছুটে গেলেন, তখন ঘোর অমাবস্যায় একফালি আলোর রেখা দেখলো
দেশের ১৬ কোটি মানুষ। দেখলো চলমান দমবন্ধ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একটি
সম্ভাবনার সূত্র। সবার মনে উঁকি দিলো একটি স্বপ্ন। শোককে কেন্দ্র করে হয়তো
দূরত্ব কমবে দুই নেত্রীর, যা রাজনৈতিক ইস্যুতে তাদের নমনীয় অবস্থানে আনতে
সহায়ক হবে। শোকের দিনে সমবেদনার ভাষাগুলো নিরর্থক হবে না, যা দুই পক্ষকে এক
টেবিলে বসাতে রাখবে ইতিবাচক ভূমিকা। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে প্রধানমন্ত্রী
গেলেন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে। যখন ঘুমের ইনজেকশনের প্রভাবে অচেতন খালেদা
জিয়া। খুললো না তার কার্যালয়ের মূল ফটকের তালা। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনাও
জানানো হলো না বিএনপির তরফে। গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়ালেও ফিরে যেতে
হলো প্রধানমন্ত্রীকে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট।
দেড় ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে গেল অনেক কিছু। মুকুলেই ঝরে গেল সব সম্ভাবনা। তৈরি
হলো নতুন বিভ্রম ও বিভ্রান্তি। নতুন করে হালে পানি পেলো অপপ্রচার। শোক
পরিণত হলো রাজনীতিতে।
প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পর সরকারের তরফে এলো সমালোচনা। বিএনপির তরফে শোককে নিয়ে নোংরা রাজনীতি না করার আহ্বান। কিন্তু যা ঘটার তা তো ঘটেই গেছে। মধ্যরাতে ‘ঘুম ভাঙার পর’ খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ এবং যে কোন সময় স্বাগত জানালেও থামেনি বিভ্রান্তির প্রচার। মানুষের মুখে মুখে ফিরছে নানা প্রশ্ন। বিএনপি কি ভুল করলো? কে নিলো এমন সিদ্ধান্ত? খালেদা জিয়া যদি ইনজেকশনের প্রভাবে ঘুমিয়েই ছিলেন তবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তইবা দিলো কে? কেউ কেউ বলছেন, খালেদা জিয়া অপরাজনীতির শিকার। তার কাছের লোকজনের কারণে তিনি বারবার ভুল বা অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, প্রধানমন্ত্রীইবা এত তাড়াহুড়ো করতে গেলেন কেন? প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন অথচ বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ে আগে থেকেই কেন দৃশ্যমান হলো না নিরাপত্তা তৎপরতা? দেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থে যেখানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপে অনীহা, সেখানে তার ছেলের মৃত্যুতে কেন শোক প্রকাশের এত আয়োজন? কিন্তু যারা দুই নেত্রীর এ সম্ভাব্য সাক্ষাতের মধ্যে বড় কোন সম্ভাবনার সূত্র দেখতে পেয়েছিলেন, তাদের হতাশা বেশিই। প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সমবেদনা জানাতে ছুটে গেছেন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে। কিন্তু যখন প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার পর গেট খোলা বা অভ্যর্থনা জানানো হলো না, তখন তিনিই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে ফিরে যেতে হলো এটা খুবই দুঃখজনক। এখন আমি বলবো সংলাপ হবে না, কিসের সংলাপ! লাত্থি মারি সংলাপের।’
শোকগ্রস্ত খালেদা জিয়াকে সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রীর ছুটে যাওয়া এবং ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার মধ্যে নানা রকম যুক্তিতর্ক দেখছে বিএনপি নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক মহল। বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের একজন নেতা জানান, ২০০৬ সালে থেকে একের পর এক বিপর্যয়ের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে খালেদা জিয়ার জীবন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় দুই ছেলেসহ কারাভোগ করেছেন দীর্ঘদিন। সত্তরোর্ধ্ব বয়সে পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতনিদের ছাড়া তিনি কাটাচ্ছেন নিঃসঙ্গ জীবন। রাজনীতির কারণেই তার দুই ছেলেকে অবস্থান করতে হচ্ছে বিদেশ বিভূঁইয়ে। এ সময়ের মধ্যে প্রথমে মাকে ও পরে ভাইকে হারিয়েছেন। উচ্ছেদ হয়েছেন দীর্ঘদিনের বাসস্থান থেকে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২১ দিন ধরে তিনি নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ। প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে। সর্বশেষ নিজের ছোট ছেলেকে হারিয়েছেন। নিজের ছোট ছেলেকে হারিয়ে শোকে কাতর চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এমন পরিস্থিতিতে দুই নেত্রীর মধ্যে সাক্ষাৎ হলে কি হতো? ধারণা করা যায়, ফটোসেশন ও কান্নাকাটি ছাড়া তেমন কিছু নয়। কিন্তু দুই নেত্রীর সাক্ষাৎ হলে কি হতে পারতো এবং কেনইবা সাক্ষাৎ হয়নি এ নিয়ে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে জনমনে। তবে বিএনপি সিনিয়র এ নেতা জানান, দুই নেত্রীর মধ্যে সাক্ষাৎ হলে চলমান আন্দোলনে একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তো। ভেঙে যেত চলমান অবরোধ কর্মসূচি। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলতে পারতেন, দুই নেত্রীর মধ্যে তো কথা হয়েই গেছে। একজনের শোকের দিনে পাশে দাঁড়ান আরেকজন। তাহলে আর অবরোধ কর্মসূচি কেন? তিনি আরও বলেন, বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালেদা জিয়া। নিজ দল ও জোটের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী বর্তমানে কারাগারে বন্দি। যদি শোকের পরিবেশে দুই নেত্রীর মধ্যে ফটোসেশন হতো তাহলে কারাবন্দি নেতাকর্মীরা কি বলতেন? তারা প্রশ্ন তুলতে পারতেনÑ আমরা কি করলাম? ওয়াকিবহাল পর্যবেক্ষকরা বলছেন, খেলাটা ছিল সুপরিকল্পিত। তারা এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছিলেন। একদিকে শোক জানানো, অন্যদিকে অবরোধের অবসান। সে চালে বিএনপি পা দেয়নি বুঝে না বুঝে তা এখনও স্পষ্ট নয়। বরং উল্টো আওয়ামী লীগের ভেতরে সমালোচনার শুরু হয়েছে। নিছক সামাজিকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী সেখানে গেলেন কেন? কারা তাকে এই পরামর্শ দিল। তাকে তো বারণ করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল খালেদা ঘুমিয়ে আছেন।
যদি ব্যক্তিক অবস্থান থেকে বিচার করা হয় তাহলেও সামনে আসে নানা যুক্তি। বিএনপি নেতা জানান, রাজনৈতিক বিরোধিতা রাজনীতিতে স্বীকৃত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বিরোধিতার চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে পারিবারিক হয়রানি। ওয়ান-ইলেভেনের সময় নানা অভিযোগে মামলা হয়েছিল জিয়া পরিবারের সদস্যদের ওপর। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমলে সেসব মামলা এমনভাবে পরিচালিত করা হয়েছে যার মধ্যে প্রতিহিংসার একটি ইঙ্গিত প্রকাশ পায়। যে কোকোর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন তার জামিনের মেয়াদ বাড়ায়নি সরকার। পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে দেয়া হয়েছে সাজা। প্রতিনিয়ত তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কটূক্তি করেছেন প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতারা। আবার দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেত্রী খালেদা জিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রীও। কিন্তু সর্বোপরি তিনি একজন মা। দলীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর প্রতি একটু বেশি দুর্বল ছিলেন খালেদা জিয়া। তাদের পিতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদত বরণের সময় কোকোর বয়স ছিল খুবই কম। তার ওপর ছোটবেলা থেকেই কিছুটা রোগাক্রান্ত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতি তৈরি হয়েছে এ দুর্বলতা। অন্যদিকে আরাফাত রহমান কোকোও ছিলেন অনেক বেশি মায়ের নির্ভর। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনে পাল্টে যাওয়া পরিস্থিতির ধারাবাহিকতা চলছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। এমনিতে দীর্ঘদিন ধরে ছেলে অবস্থান করছেন চোখের আড়ালে। ফলে কোকোর মৃত্যুতে মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন খালেদা জিয়া। কোন মায়ের কাছে সন্তানের মৃত্যুর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কিইবা হতে পারে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক তাকে ঘুম পাড়ানোর ইনজেকশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহল মনে করে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএনপি হয়তো দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে পারেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর তরফেও কি রাজনীতিই প্রাধান্য পায়নি? নানা অপবাদ দিয়ে যেখানে বিএনপি ও জিয়া পরিবারকে কোণঠাসা করা হয়েছে, সব মহলের আহ্বানেও যেখানে সংলাপে বসতে অনীহা, সেখানে সে পরিবারের একজনের মৃত্যুতে কেন এত সমবেদনা জানানোর তাড়াহুড়ো? যেখানে প্রস্তুতির একটু সময়ও দেয়া হলো না। তাছাড়া খালেদাকে হুকুমের আসামি করে যেখানে শনিবার দুপুরেই মামলা হয়েছে সেখানে এই শোকের আয়োজন কতটা মানবিক তাও বিবেচনার দাবি রাখে। বিএনপির তরফে দাবি করা হয়েছে, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে, অন্যদিকে পরিস্থিতির কথা জানানোর পরও অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে গেছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতিও ছিল না। সাধারণত প্রধানমন্ত্রী কোথাও গেলে এ ধরনের তাড়াহুড়ো করা হয় না। এ ছাড়া সন্তানহারা কোন মা নিশ্চয়ই মেহমানদারিতে ব্যস্ত বা কোন ভিভিআইপিকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করেন না।
রাতে খালেদা জিয়া ‘ঘুম ভাঙার পর’ ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রী ফের যেতে চাইলে স্বাগতও জানিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, খালেদা জিয়া চেতনানাশক ইনজেকশনের কারণে ঘুমে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে নিয়ে যেতে পারতেন বিএনপির সিনিয়র নেতৃত্ব। কার্যালয়ের একটি কক্ষে বসিয়ে প্রয়োজনে খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতির কথাটি বুঝিয়ে বলতে পারতেন। এতে অন্তত সামাজিকতার জয় হতো। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যের প্রকাশ ঘটতো না। এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা অপপ্রচারের সুযোগ তৈরি হতো না। এছাড়া ২১ দিন পর বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের মূল ফটকের তালা খোলার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। যে সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে তাকে দুই সপ্তাহের বেশি কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করা রাখা হয়েছিল, সে সরকারের প্রধানমন্ত্রীর আগমনেই খোলা হতো তালা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা স্বচক্ষে দেখতে পেতেন কেমন পরিবেশ ও পরিস্থিতির মধ্যে অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া। সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে সৌজন্য আলোচনা নিশ্চয় হতো, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরণে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে পারতো। সবচেয়ে বড় কথা, দুই নেত্রীর সাক্ষাৎ হলে দেশের পরিস্থিতি উত্তরণে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগে খানিকটা জোর পেতেন সুশীলসমাজ ও শুভাকাক্সক্ষীরা। এ কথা সত্য, শনিবার রাতের ঘটনায় পরিষ্কার, রাজনৈতিক কৌশলের কাছে হেরে গেছে সামাজিকতা।
রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে আর কিছু বিবেচনায়। খালেদা জিয়া বা বিএনপি নেতৃত্ব হয়তো চিন্তা করেছেন, আন্দোলনে হতাহত ২০-দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের প্রতি যেখানে সরকারের ন্যূনতম সহানুভূতি নেই, সেখানে কোকোর জন্য সহানুভূতির বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিলে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মধ্যে একটি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া কোকোর মৃত্যুতে চলমান কর্মসূচির কোন হেরফের হয়নি। তেমন কিছু হলে সেটা আরও বেশি সমালোচনার মুখে ফেলত বিএনপিকে। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়া ব্যক্তিগত শোকের চেয়ে রাজনীতি ও দেশের মানুষের মনোভাবের প্রতি প্রাধান্য দিয়েছেন। এছাড়া ফিরে আসছে পুরোনো কিছু ঘটনাও। মুক্তিযুদ্ধের পর দুই নেত্রীর মধ্যে একটি ভাল সম্পর্ক ছিল। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও তারা বারবার কাছে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। যে কোকোর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রী ছুটে গিয়েছিলেন তার বিয়েতেও অংশ নিয়েছেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দু’নেত্রীর মধ্যে দূরত্ব ক্রমশই বেড়েছে। সর্বশেষ সশস্ত্রবাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে দু’জন মুখোমুখি হলেও কথা বলেননি। শনিবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে কয়েকজন বিএনপি নেতা যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আক্রান্ত বিরোধী নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেখতে তার সুধাসদনের বাসায় যেতে চেয়েছিলেন। সেদিনও আওয়ামী লীগের বিরোধিতার জন্য তিনি যেতে পারেননি। সেটাকে যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, জিয়া পরিবারের প্রতি সরকারের পদক্ষেপ ও বিদেশ বিভূঁইয়ে আরাফাত রহমান কোকোর মামলা এবং সাজা মাথায় নিয়ে মৃত্যুও প্রতিহিংসার দৃষ্টিকোণের বাইরে থাকে না।
যাই হোক, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া অসুস্থ এবং তার কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কাউকে সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছে না।’ এছাড়া ২০-দলীয় জোটের রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক কর্নেল (অব.) অলি আহমদ গুলশান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, মানসিক বিপর্যয় থেকে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন খালেদা জিয়া। তার বরাত দিয়ে টেলিভিশনে এ সংবাদ প্রচারও করা হয়েছে। তাহলে সে বিষয়টি কেন প্রধানমন্ত্রীর তরফে আমলে নেয়া হলো না। খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা না জানানো নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তি এখন মুখরিত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মুখে। কেউ বলছেন, প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা না জানিয়ে অসৌজন্য আচরণ করা হয়েছে। এটা চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। আবার কেউ বলছেন, ধরা যাকÑ বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানালেন কার্যালয়ে নিয়ে গেলেন। কিন্তু খালেদা জিয়া তখন ঘুমে অচেতন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারলেন না। তখনও তো অপপ্রচারের সুযোগ তৈরি হতো। যারা সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি খুঁজেন তারা হয়তো বলতেন, প্রধানমন্ত্রী গেলেন অথচ খালেদা জিয়া বিছানা থেকে উঠলেন না। তবে নানা বিভ্রান্তির ভেতরও দু’টি বিষয় ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন সবাই। প্রথমত, রাতে ঘুম ভাঙার পর প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। যে কোন সময় স্বাগতও জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, বিএনপির তরফে অভ্যর্থনা জানানো না হলেও সেখানে উপস্থিত বিপুল পরিমাণ বিএনপি নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর বা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণও করেননি।
যা ঘটেছিল সে দেড় ঘণ্টায়
সন্ধ্যা তখন ৭টা ১০ মিনিট। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে একটি ফোন এলো বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে। ফোনটি রিসিভ করলেন কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। অপরপ্রাপ্ত থেকে চাওয়া হলো বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রধানের ফোন নম্বর। ঘটনার আকস্মিকতায় ওই কর্মকর্তা ফোনটি দিলেন আরেক কর্মকর্তার হাতে। ততক্ষণে সেখানে উপস্থিত হলেন নিরাপত্তা প্রধান কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ। তিনি ওই কর্মকর্তাকে বললেন, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নম্বরটি দিতে। কিন্তু অপর প্রান্তে তখন বলা হলো, নিরাপত্তা প্রধানের নম্বর দরকার, বিশ্বাস কে? যা হোক, পরে শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গেই আলাপ করলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তা। শিমুল বিশ্বাস খালেদা জিয়ার কক্ষ ঘুরে এসে এবং কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে আলাপ করে যোগাযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। জানিয়ে দেয়া হল, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় অসুস্থ বোধ করলে চিকিৎসক তাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়েছেন। পরে তার ঘুম ভাঙলে কথা বলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে জানানো হবে। কিন্তু ততক্ষণে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে স্ক্রল দেয়া শুরু হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। রাত তখন ৮টা ১০ মিনিট। খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের চারপাশে অবস্থান নিলেন পিজিআর-এর একটি দল। পুলিশ এবং গোয়েন্দাদের কিছু তৎপরতাও শুরু হলো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যাবেন অথচ কার্যালয়ে ভেতরে এবং উঠোনে থাকা বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়ার কোন উদ্যোগ দেখা গেল না। সন্ধ্যার পর পকেট গেট খোলা থাকায় সেখানে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না তখন। এক পর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হয়ে পকেট গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এ নিয়ে ছাত্রদলের কয়েকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। রাত তখন ৮টা। কার্যালয়ের উঠোনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করলেন শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের যোগাযোগ এবং খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা জানিয়ে বললেন, তার ঘুম ভাঙলে ফের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হবে। তার এমন ব্রিফিংয়ে সবাই ধরে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আসা হচ্ছে না। কিন্তু মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধান। শিমুল বিশ্বাস কার্যালয়ের ভেতরে ঢোকার পর মুহূর্তে ৮টা ৩৫ মিনিটে কার্যালয়ের সামনে হাজির প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ালেন। কিন্তু দায়িত্বশীল কারও নির্দেশ না পাওয়ার কারণে গেট খুলল না নিরাপত্তাকর্মীরা। ফের গাড়িতে চড়ে বসলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর পেয়ে শোকবই হাতে ছুটে এলেন শিমুল বিশ্বাস। তিনি গেটের বাইরে দাঁড়ানো প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে কয়েকটি বাক্যবিনিময় করলেন। শিমুল বিশ্বাস তাদের জানালেন খালেদা জিয়া ইনজেকশনের প্রভাবে ঘুমে। সময় তখন ৮টা ৪০ মিনিট। মাহবুবুল হক শাকিলের হাতের ইশারা পেয়ে ফিরতি পথে চলতে শুরু করল প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। পুরো ঘটনাটি ঘটলো একটি দমবদ্ধ নীরব পরিবেশের ভেতরে।
প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পর সরকারের তরফে এলো সমালোচনা। বিএনপির তরফে শোককে নিয়ে নোংরা রাজনীতি না করার আহ্বান। কিন্তু যা ঘটার তা তো ঘটেই গেছে। মধ্যরাতে ‘ঘুম ভাঙার পর’ খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ এবং যে কোন সময় স্বাগত জানালেও থামেনি বিভ্রান্তির প্রচার। মানুষের মুখে মুখে ফিরছে নানা প্রশ্ন। বিএনপি কি ভুল করলো? কে নিলো এমন সিদ্ধান্ত? খালেদা জিয়া যদি ইনজেকশনের প্রভাবে ঘুমিয়েই ছিলেন তবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তইবা দিলো কে? কেউ কেউ বলছেন, খালেদা জিয়া অপরাজনীতির শিকার। তার কাছের লোকজনের কারণে তিনি বারবার ভুল বা অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, প্রধানমন্ত্রীইবা এত তাড়াহুড়ো করতে গেলেন কেন? প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন অথচ বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ে আগে থেকেই কেন দৃশ্যমান হলো না নিরাপত্তা তৎপরতা? দেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থে যেখানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপে অনীহা, সেখানে তার ছেলের মৃত্যুতে কেন শোক প্রকাশের এত আয়োজন? কিন্তু যারা দুই নেত্রীর এ সম্ভাব্য সাক্ষাতের মধ্যে বড় কোন সম্ভাবনার সূত্র দেখতে পেয়েছিলেন, তাদের হতাশা বেশিই। প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সমবেদনা জানাতে ছুটে গেছেন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে। কিন্তু যখন প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার পর গেট খোলা বা অভ্যর্থনা জানানো হলো না, তখন তিনিই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে ফিরে যেতে হলো এটা খুবই দুঃখজনক। এখন আমি বলবো সংলাপ হবে না, কিসের সংলাপ! লাত্থি মারি সংলাপের।’
শোকগ্রস্ত খালেদা জিয়াকে সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রীর ছুটে যাওয়া এবং ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার মধ্যে নানা রকম যুক্তিতর্ক দেখছে বিএনপি নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক মহল। বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের একজন নেতা জানান, ২০০৬ সালে থেকে একের পর এক বিপর্যয়ের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে খালেদা জিয়ার জীবন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় দুই ছেলেসহ কারাভোগ করেছেন দীর্ঘদিন। সত্তরোর্ধ্ব বয়সে পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতনিদের ছাড়া তিনি কাটাচ্ছেন নিঃসঙ্গ জীবন। রাজনীতির কারণেই তার দুই ছেলেকে অবস্থান করতে হচ্ছে বিদেশ বিভূঁইয়ে। এ সময়ের মধ্যে প্রথমে মাকে ও পরে ভাইকে হারিয়েছেন। উচ্ছেদ হয়েছেন দীর্ঘদিনের বাসস্থান থেকে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২১ দিন ধরে তিনি নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ। প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে। সর্বশেষ নিজের ছোট ছেলেকে হারিয়েছেন। নিজের ছোট ছেলেকে হারিয়ে শোকে কাতর চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এমন পরিস্থিতিতে দুই নেত্রীর মধ্যে সাক্ষাৎ হলে কি হতো? ধারণা করা যায়, ফটোসেশন ও কান্নাকাটি ছাড়া তেমন কিছু নয়। কিন্তু দুই নেত্রীর সাক্ষাৎ হলে কি হতে পারতো এবং কেনইবা সাক্ষাৎ হয়নি এ নিয়ে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে জনমনে। তবে বিএনপি সিনিয়র এ নেতা জানান, দুই নেত্রীর মধ্যে সাক্ষাৎ হলে চলমান আন্দোলনে একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তো। ভেঙে যেত চলমান অবরোধ কর্মসূচি। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলতে পারতেন, দুই নেত্রীর মধ্যে তো কথা হয়েই গেছে। একজনের শোকের দিনে পাশে দাঁড়ান আরেকজন। তাহলে আর অবরোধ কর্মসূচি কেন? তিনি আরও বলেন, বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালেদা জিয়া। নিজ দল ও জোটের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী বর্তমানে কারাগারে বন্দি। যদি শোকের পরিবেশে দুই নেত্রীর মধ্যে ফটোসেশন হতো তাহলে কারাবন্দি নেতাকর্মীরা কি বলতেন? তারা প্রশ্ন তুলতে পারতেনÑ আমরা কি করলাম? ওয়াকিবহাল পর্যবেক্ষকরা বলছেন, খেলাটা ছিল সুপরিকল্পিত। তারা এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছিলেন। একদিকে শোক জানানো, অন্যদিকে অবরোধের অবসান। সে চালে বিএনপি পা দেয়নি বুঝে না বুঝে তা এখনও স্পষ্ট নয়। বরং উল্টো আওয়ামী লীগের ভেতরে সমালোচনার শুরু হয়েছে। নিছক সামাজিকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী সেখানে গেলেন কেন? কারা তাকে এই পরামর্শ দিল। তাকে তো বারণ করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল খালেদা ঘুমিয়ে আছেন।
যদি ব্যক্তিক অবস্থান থেকে বিচার করা হয় তাহলেও সামনে আসে নানা যুক্তি। বিএনপি নেতা জানান, রাজনৈতিক বিরোধিতা রাজনীতিতে স্বীকৃত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বিরোধিতার চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে পারিবারিক হয়রানি। ওয়ান-ইলেভেনের সময় নানা অভিযোগে মামলা হয়েছিল জিয়া পরিবারের সদস্যদের ওপর। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমলে সেসব মামলা এমনভাবে পরিচালিত করা হয়েছে যার মধ্যে প্রতিহিংসার একটি ইঙ্গিত প্রকাশ পায়। যে কোকোর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন তার জামিনের মেয়াদ বাড়ায়নি সরকার। পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে দেয়া হয়েছে সাজা। প্রতিনিয়ত তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কটূক্তি করেছেন প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতারা। আবার দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেত্রী খালেদা জিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রীও। কিন্তু সর্বোপরি তিনি একজন মা। দলীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর প্রতি একটু বেশি দুর্বল ছিলেন খালেদা জিয়া। তাদের পিতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদত বরণের সময় কোকোর বয়স ছিল খুবই কম। তার ওপর ছোটবেলা থেকেই কিছুটা রোগাক্রান্ত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতি তৈরি হয়েছে এ দুর্বলতা। অন্যদিকে আরাফাত রহমান কোকোও ছিলেন অনেক বেশি মায়ের নির্ভর। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনে পাল্টে যাওয়া পরিস্থিতির ধারাবাহিকতা চলছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। এমনিতে দীর্ঘদিন ধরে ছেলে অবস্থান করছেন চোখের আড়ালে। ফলে কোকোর মৃত্যুতে মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন খালেদা জিয়া। কোন মায়ের কাছে সন্তানের মৃত্যুর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কিইবা হতে পারে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক তাকে ঘুম পাড়ানোর ইনজেকশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহল মনে করে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএনপি হয়তো দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে পারেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর তরফেও কি রাজনীতিই প্রাধান্য পায়নি? নানা অপবাদ দিয়ে যেখানে বিএনপি ও জিয়া পরিবারকে কোণঠাসা করা হয়েছে, সব মহলের আহ্বানেও যেখানে সংলাপে বসতে অনীহা, সেখানে সে পরিবারের একজনের মৃত্যুতে কেন এত সমবেদনা জানানোর তাড়াহুড়ো? যেখানে প্রস্তুতির একটু সময়ও দেয়া হলো না। তাছাড়া খালেদাকে হুকুমের আসামি করে যেখানে শনিবার দুপুরেই মামলা হয়েছে সেখানে এই শোকের আয়োজন কতটা মানবিক তাও বিবেচনার দাবি রাখে। বিএনপির তরফে দাবি করা হয়েছে, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে, অন্যদিকে পরিস্থিতির কথা জানানোর পরও অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে গেছেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতিও ছিল না। সাধারণত প্রধানমন্ত্রী কোথাও গেলে এ ধরনের তাড়াহুড়ো করা হয় না। এ ছাড়া সন্তানহারা কোন মা নিশ্চয়ই মেহমানদারিতে ব্যস্ত বা কোন ভিভিআইপিকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করেন না।
রাতে খালেদা জিয়া ‘ঘুম ভাঙার পর’ ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রী ফের যেতে চাইলে স্বাগতও জানিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, খালেদা জিয়া চেতনানাশক ইনজেকশনের কারণে ঘুমে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে নিয়ে যেতে পারতেন বিএনপির সিনিয়র নেতৃত্ব। কার্যালয়ের একটি কক্ষে বসিয়ে প্রয়োজনে খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতির কথাটি বুঝিয়ে বলতে পারতেন। এতে অন্তত সামাজিকতার জয় হতো। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যের প্রকাশ ঘটতো না। এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা অপপ্রচারের সুযোগ তৈরি হতো না। এছাড়া ২১ দিন পর বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের মূল ফটকের তালা খোলার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। যে সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে তাকে দুই সপ্তাহের বেশি কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করা রাখা হয়েছিল, সে সরকারের প্রধানমন্ত্রীর আগমনেই খোলা হতো তালা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা স্বচক্ষে দেখতে পেতেন কেমন পরিবেশ ও পরিস্থিতির মধ্যে অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া। সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে সৌজন্য আলোচনা নিশ্চয় হতো, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তরণে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে পারতো। সবচেয়ে বড় কথা, দুই নেত্রীর সাক্ষাৎ হলে দেশের পরিস্থিতি উত্তরণে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগে খানিকটা জোর পেতেন সুশীলসমাজ ও শুভাকাক্সক্ষীরা। এ কথা সত্য, শনিবার রাতের ঘটনায় পরিষ্কার, রাজনৈতিক কৌশলের কাছে হেরে গেছে সামাজিকতা।
রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে আর কিছু বিবেচনায়। খালেদা জিয়া বা বিএনপি নেতৃত্ব হয়তো চিন্তা করেছেন, আন্দোলনে হতাহত ২০-দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের প্রতি যেখানে সরকারের ন্যূনতম সহানুভূতি নেই, সেখানে কোকোর জন্য সহানুভূতির বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিলে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মধ্যে একটি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া কোকোর মৃত্যুতে চলমান কর্মসূচির কোন হেরফের হয়নি। তেমন কিছু হলে সেটা আরও বেশি সমালোচনার মুখে ফেলত বিএনপিকে। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়া ব্যক্তিগত শোকের চেয়ে রাজনীতি ও দেশের মানুষের মনোভাবের প্রতি প্রাধান্য দিয়েছেন। এছাড়া ফিরে আসছে পুরোনো কিছু ঘটনাও। মুক্তিযুদ্ধের পর দুই নেত্রীর মধ্যে একটি ভাল সম্পর্ক ছিল। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও তারা বারবার কাছে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। যে কোকোর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রী ছুটে গিয়েছিলেন তার বিয়েতেও অংশ নিয়েছেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দু’নেত্রীর মধ্যে দূরত্ব ক্রমশই বেড়েছে। সর্বশেষ সশস্ত্রবাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে দু’জন মুখোমুখি হলেও কথা বলেননি। শনিবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে কয়েকজন বিএনপি নেতা যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আক্রান্ত বিরোধী নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেখতে তার সুধাসদনের বাসায় যেতে চেয়েছিলেন। সেদিনও আওয়ামী লীগের বিরোধিতার জন্য তিনি যেতে পারেননি। সেটাকে যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, জিয়া পরিবারের প্রতি সরকারের পদক্ষেপ ও বিদেশ বিভূঁইয়ে আরাফাত রহমান কোকোর মামলা এবং সাজা মাথায় নিয়ে মৃত্যুও প্রতিহিংসার দৃষ্টিকোণের বাইরে থাকে না।
যাই হোক, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া অসুস্থ এবং তার কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কাউকে সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছে না।’ এছাড়া ২০-দলীয় জোটের রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক কর্নেল (অব.) অলি আহমদ গুলশান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, মানসিক বিপর্যয় থেকে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন খালেদা জিয়া। তার বরাত দিয়ে টেলিভিশনে এ সংবাদ প্রচারও করা হয়েছে। তাহলে সে বিষয়টি কেন প্রধানমন্ত্রীর তরফে আমলে নেয়া হলো না। খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা না জানানো নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তি এখন মুখরিত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মুখে। কেউ বলছেন, প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা না জানিয়ে অসৌজন্য আচরণ করা হয়েছে। এটা চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। আবার কেউ বলছেন, ধরা যাকÑ বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানালেন কার্যালয়ে নিয়ে গেলেন। কিন্তু খালেদা জিয়া তখন ঘুমে অচেতন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারলেন না। তখনও তো অপপ্রচারের সুযোগ তৈরি হতো। যারা সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি খুঁজেন তারা হয়তো বলতেন, প্রধানমন্ত্রী গেলেন অথচ খালেদা জিয়া বিছানা থেকে উঠলেন না। তবে নানা বিভ্রান্তির ভেতরও দু’টি বিষয় ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন সবাই। প্রথমত, রাতে ঘুম ভাঙার পর প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। যে কোন সময় স্বাগতও জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, বিএনপির তরফে অভ্যর্থনা জানানো না হলেও সেখানে উপস্থিত বিপুল পরিমাণ বিএনপি নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর বা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণও করেননি।
যা ঘটেছিল সে দেড় ঘণ্টায়
সন্ধ্যা তখন ৭টা ১০ মিনিট। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে একটি ফোন এলো বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে। ফোনটি রিসিভ করলেন কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। অপরপ্রাপ্ত থেকে চাওয়া হলো বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রধানের ফোন নম্বর। ঘটনার আকস্মিকতায় ওই কর্মকর্তা ফোনটি দিলেন আরেক কর্মকর্তার হাতে। ততক্ষণে সেখানে উপস্থিত হলেন নিরাপত্তা প্রধান কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ। তিনি ওই কর্মকর্তাকে বললেন, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নম্বরটি দিতে। কিন্তু অপর প্রান্তে তখন বলা হলো, নিরাপত্তা প্রধানের নম্বর দরকার, বিশ্বাস কে? যা হোক, পরে শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গেই আলাপ করলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তা। শিমুল বিশ্বাস খালেদা জিয়ার কক্ষ ঘুরে এসে এবং কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে আলাপ করে যোগাযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। জানিয়ে দেয়া হল, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় অসুস্থ বোধ করলে চিকিৎসক তাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়েছেন। পরে তার ঘুম ভাঙলে কথা বলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে জানানো হবে। কিন্তু ততক্ষণে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে স্ক্রল দেয়া শুরু হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। রাত তখন ৮টা ১০ মিনিট। খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের চারপাশে অবস্থান নিলেন পিজিআর-এর একটি দল। পুলিশ এবং গোয়েন্দাদের কিছু তৎপরতাও শুরু হলো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যাবেন অথচ কার্যালয়ে ভেতরে এবং উঠোনে থাকা বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়ার কোন উদ্যোগ দেখা গেল না। সন্ধ্যার পর পকেট গেট খোলা থাকায় সেখানে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না তখন। এক পর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হয়ে পকেট গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এ নিয়ে ছাত্রদলের কয়েকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। রাত তখন ৮টা। কার্যালয়ের উঠোনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করলেন শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের যোগাযোগ এবং খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা জানিয়ে বললেন, তার ঘুম ভাঙলে ফের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হবে। তার এমন ব্রিফিংয়ে সবাই ধরে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আসা হচ্ছে না। কিন্তু মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধান। শিমুল বিশ্বাস কার্যালয়ের ভেতরে ঢোকার পর মুহূর্তে ৮টা ৩৫ মিনিটে কার্যালয়ের সামনে হাজির প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ালেন। কিন্তু দায়িত্বশীল কারও নির্দেশ না পাওয়ার কারণে গেট খুলল না নিরাপত্তাকর্মীরা। ফের গাড়িতে চড়ে বসলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর পেয়ে শোকবই হাতে ছুটে এলেন শিমুল বিশ্বাস। তিনি গেটের বাইরে দাঁড়ানো প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে কয়েকটি বাক্যবিনিময় করলেন। শিমুল বিশ্বাস তাদের জানালেন খালেদা জিয়া ইনজেকশনের প্রভাবে ঘুমে। সময় তখন ৮টা ৪০ মিনিট। মাহবুবুল হক শাকিলের হাতের ইশারা পেয়ে ফিরতি পথে চলতে শুরু করল প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। পুরো ঘটনাটি ঘটলো একটি দমবদ্ধ নীরব পরিবেশের ভেতরে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 26
(29)
- ‘জনগণের টাকায় কেনা বুলেট বিচারবহির্ভূত হত্যায় ব্যব...
- মেট্রোরেল চালু করতে সংসদে বিল পাস
- গ্রিসে বাম অভ্যুদয়
- সরকার এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছিল by কাফি কামাল
- ভারতীয় পোশাকশিল্পীর সাজে দিল্লিতে মিশেল
- ওবামার নৈশভোজে মাছ মাংস সবজি মালপোয়া
- শুরুতেই প্রটোকল ভাঙলেন মোদি
- রোনাল্ডো-মেসি দুই মেরুতে!
- মম যখন জেরি
- ‘ক্যামেরা না থাকলে আড্ডা দারুণ জমে’
- ‘অস্ত্র হা-ডু-ডু খেলার জন্য নয়’ -র্যাবের মহাপরিচা...
- পরিস্থিতি ব্যবসাবান্ধব নয় সমাধান জরুরি -বৃটিশ ওয়েল...
- অনিক ডান চোখে দেখতে পাবে না!
- দর্শনার্থী যন্ত্রণায় দগ্ধরা by আল আমিন
- রাজধানীতে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
- চাঁপাই নবাবগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে ভাঙচুর...
- প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা নাকি রাজনীতি by হারুন ইবনে ...
- ঢাকা ভেঙে তিন বিভাগের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী
- সংলাপের দাবিতে অনশনে বসবেন বি. চৌধুরী
- প্রেসিডেন্ট ভবনে তারার মেলা
- কোকোর মরদেহ ঢাকায় আসছে কাল, সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্...
- মামলায় নাম, খালেদাকে গ্রেপ্তারের পথ খোলা রাখার কৌশল
- ওবামার জন্য প্রটোকল ভাঙলেন মোদি- নিরাপত্তা পরিষদে ...
- মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া স্টিফেনস ব্লুম বার্নিক...
- আলোচনার মাধ্যমে সঙ্কট সমাধানের আহ্বান সম্পাদকদের
- ‘ধর্মীয় বিষয়ে সঠিক শিক্ষিত ব্যক্তিরা ফতোয়া দিতে পা...
- মানিকগঞ্জে স্কুলে ঢুকে শিক্ষক পেটালেন ছাত্রলীগ নেত...
- ১৫০০ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীর তালিকা স্বরাষ্ট্র ম...
- ক্যাফেতে দু’নারীর কাণ্ড
-
▼
Jan 26
(29)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment