ইরানের খার্গ দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের এত আগ্রহ কেন
কঠোর সামরিক নিয়ন্ত্রণের কারণে ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপটিতে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশ প্রক্রিয়াজাত করা হয়।
বুশেহর বন্দর থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপটি ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড।
গত সপ্তাহে মার্কিন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, খার্গ দ্বীপ দখল করা সবসময়ই তার ‘পছন্দের’ বিষয় ছিল।
মাত্র ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ৪-৫ কিলোমিটার প্রস্থের হওয়ায়, খার্গের চারপাশের গভীর জলরাশি একে একটি প্রাকৃতিক ভৌগোলিক সুবিধা প্রদান করে।
এই গভীরতার কারণে বিশাল সুপারট্যাঙ্কারগুলো এখানে নিরাপদে নোঙর করতে পারে। বিশেষ কেরে এশীয় বাজারের জন্য অপরিশোধিত তেল বোঝাই করা যায়, যার প্রধান আমদানিকারক হলো চীন।
ক্রমাগত উন্নত হতে থাকা এই ইরানি তেল টার্মিনালগুলোর তেল বোঝাই করার সক্ষমতা দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল বলে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জাতীয় রপ্তানি দৈনিক প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেলের মধ্যে ঘোরাফেরা করে।
খার্গের ওপর যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে উত্তেজনা অনেক বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন হামলা তেহরানকে উপসাগরীয় অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে উস্কে দিতে পারে এবং এতে তেলের দাম আরো বেড়ে যাবে। ইরান যুদ্ধ ইতোমধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

No comments