Thursday, February 12, 2015
এ দৃশ্য শুধু অবাঞ্ছিত নয়, মর্মান্তিকও by মিনা ফারাহ
এ দৃশ্য শুধু অবাঞ্ছিত নয়, মর্মান্তিকও by মিনা ফারাহ
অস্কার তালিকায় সেলমা
আমাদের সমস্যা হলো, এমনকি মার্কিন সিভিল ওয়ার সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও কথিত বুদ্ধিজীবীরা বর্ণবিদ্বেষী শ্বেতাঙ্গদের নিষ্ঠুরতার ইতিহাস কখনোই আলোচনা করেন না। হয় ফ্যাসিবাদ উন্মোচন করতে এটা তাদের মোনাফেকি কিংবা বুদ্ধিজীবী হওয়ার উপযুক্তই নন তারা। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলান্ধ শিক্ষকেরা, যারা নীতি-নৈতিকতা জলাঞ্জলি দিয়ে রাজনীতির কাছে অধিকাংশই বিক্রি হয়ে গেছেন। মধ্যরাতের টকশোতে অনেকেই সব কিছু বলেন, একমাত্র অবৈধ নির্বাচন ও ভোটাধিকার বাদে। কালোদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের জন্য শ্বেতাঙ্গদের বিচার হয়নি। গোয়েবলস ও মিলোশভিচদের বিচার হয়েছে। বাংলাদেশেও নির্মূল কার্যক্রমে একই অপরাধ করা হচ্ছে। একটার পর একটা ফাঁকা মাঠে গোল দিচ্ছে সরকার কিন্তু পশ্চিমারা কোনো অর্থবহ পদপেই নিচ্ছে না। ক্যান্সারের চিকিৎসা মলম? এ দিকে খালেদাকে রাজনীতি থেকে উৎখাতে সব আয়োজন সম্পন্ন প্রায়। যেকোনো মুহূর্তে বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রলীগ সম্পাদক।
বলছি ভোটাধিকারের কথা। ড. কিংয়ের নেতৃত্বে ভোটাধিকার দাবির আন্দোলন যে কত তীব্র হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে, সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউডের ছবি ‘সেলমা’ যেন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। সাংবিধানিক অধিকার সত্ত্বেও কালোদের ভোট দিতে দিতেন না আলাবামার প্রচণ্ড বর্ণবাদী গভর্নর জজ ওয়ালেস। পরে ড. কিংকে সাথে নিয়ে প্রেসিডেন্ট জনসনের একক সিদ্ধান্তে কালোদের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলো। আর আততায়ীর গুলিতে বাকি জীবন হুইলচেয়ারে কাটাতে হলো গভর্নরকে।
বাংলাদেশের মানুষেরও ভোটাধিকার খর্ব হয়েছে ৫ জানুয়ারি নামক কালো দিবসে। বর্ণবিদ্বেষী গভর্নরের পেটোয়াবাহিনীর চেয়ে ভয়ঙ্কর এ দেশের পেটোয়াবাহিনী। অন্তত ড. কিংকে ভয় পেতেন প্রেসিডেন্ট জনসন। এমনকি হোয়াইট হাউজে বসে তার সাথে সিভিল রাইটস বিলটি নিয়ে আলোচনাও করতেন। কিন্তু সবাইকে বুড়ো আঙুল দেখানো কেউ কেউ নিজেকে প্রমাণ করেছেন, গভর্নর ওয়ালেসের চেয়ে অধিক নির্যাতক তারা। বাংলাদেশের পেটোয়াবাহিনীর দৃশ্য, ১৮০০ শতাব্দীর মার্কিন বর্ণবাদী দণি অঞ্চলের রাজ্যগুলোর মতোই। এ দেশের বিভিন্ন বাহিনীর মতোই বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গরা খুন করত কিন্তু লাশ দাফনের সুযোগ পর্যন্ত দিতো না। কোনো আন্তর্জাতিক আইন মানছে না পেটোয়াবাহিনী। গভর্নর ওয়ালেসের মতো এত পুলিশ কার বিরুদ্ধে? আন্তর্জাতিক আইনে পেপার ¯েপ্র নিষিদ্ধ সত্ত্বেও খালেদার অফিসে অনক্যামেরা ¯েপ্র মারার পরেও নীরব জাতিসঙ্ঘ? তখন থেকে তিনি অসুস্থ, এরপর কোকোর মৃত্যু সব দৃশ্যপট বদলে দিয়েছে। পুরুষ নির্যাতকের কথা সবাই জানে, কিন্তু খালেদাকে নির্যাতনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো অন্য ধরনের নির্যাতনও এ দেশে রয়েছে। শতাব্দীর সর্বাধিক নির্যাতিত নারী খালেদা। শুধু নারী নয়, ভয়ে পুরুষশূন্য গ্রামের পর গ্রাম। ‘এমডিজি’র নামে ‘নারী নির্যাতন’ ও ‘নারীর উন্নয়নকে’ গুলিয়ে ফেলেছেন বান কি মুন।
সংলাপ? মূর্খরাই বাজে কথা বেশি বলে। যারা বোঝে, জানে সংলাপের যোগ্যতা হারিয়েছে আওয়ামী লীগ। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কবে, প্রশ্ন সেটাই! প্রায় প্রতিদিনই আওয়ামী লীগের প্রশ্ন, খালেদা কেন জ্বালাওপোড়াও করে মানুষ হত্যা করছেন। জানতে চায়, কী চান খালেদা জিয়া? সত্যিই কি জানে না বলে জিজ্ঞেস করে? আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী নেতারা জানেন, ৫ জানুয়ারিতে অন্যায়ভাবে গদি দখল না করলে একটি মৃত্যুও হতো না। কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। একই অপকর্মের জন্য ইন্দিরা গান্ধীকে জেলে ভরেছিল ভারতের আদালত।
বাঙালি মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মহাসঙ্কট, দেশ বিভাগের আগে থেকেই ভুলের পর ভুল। আজকের পরিস্থিতির জন্য দায়ী তারাও। ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসের কাছে মাথা বন্ধক রেখে জিন্নার লেজে আগুন দিলে লাভ কী? তখন যদি স্বাধীন বাংলার দাবিতে অনড় থাকতেন সোহরাওয়ার্দি, বারবার দাঙ্গা আর যুদ্ধ দেখতে হতো না। হিন্দু-মুসলমান বাস্তবতায় কোনো সুস্থ লোক বাংলাকে দুই ভাগ করার কথা চিন্তাও করবে না। এখন যারা মাসতুতভাই হতে উদগ্রীব, আমার প্রশ্ন, তখন তারা ছিলেন কোথায়? বলছি, ৬৭ বছরে একবারও কি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না বুদ্ধিজীবীরা।
প্রধান বিচারপতি এবং আমার পিতার নাম এক হওয়ায় আমি যারপর নাই আনন্দিত। কন্যার দাবি নিয়ে কিছু আইনের ব্যত্যয় বিচারপতির কাছে জানতে চাই। সুশাসন ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না, ৩৫ বছর আমেরিকায় থেকে এটাই প্রধান শিা। কিন্তু হচ্ছেটা কী? সিমলা চুক্তির মাধ্যমে সব অপরাধীকে ছেড়ে দেয়া হলো, এরপর সহযোগীদের বিচার এবং নিষিদ্ধ করা নিয়ে কেন পেরেশানি? ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্র“য়ারি ওআইসি সম্মেলনে গণহত্যার হুকুমদাতা ভুট্টোর সাথে কোলাকুলি এবং টিক্কা খানের সাথে হ্যান্ডশেক থেকে আমরা কি বুঝব? ওআইসি সম্মেলনের ঘটনা সত্য হলে, ট্রাইবুন্যাল-৭৩ কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ নিধনে সিভিল ওয়ারের অবস্থা কেন হলো, ভায়োলেন্স নয়, আমরা আইনের শাসন চাই।
বাংলার ঘরে ঘরে আজ গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বুলেট, স্বৈরতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য। কম গণতন্ত্র আর বেশি উন্নতির জন্য পুলিশি রাষ্ট্র কায়েম করতে হলে অবশ্যই সংসদীয় গণতন্ত্রের নতুন কলম্বাস প্রধানমন্ত্রী। বাঙালির ইতিহাস খুব খারাপ এবং স্মৃতিশক্তিও দুর্বল। কত দ্রুত ভুলে গেছি, ভাসানীর সপ্তাহিক ‘হক কথার’ করুণ পরিণতি! এবার মিডিয়ার কণ্ঠযন্ত্রে অস্ত্রোপচারের মাত্রা বহুগুণ বেশি। বাকি রইল, চায়ের কাপে ঝড় তোলা মানুষগুলোর কণ্ঠযন্ত্র ফেলে দেয়া। ক্রীতদাস প্রথা থেকে গার্মেন্ট যাঁতাকল, কোটি কোটি নির্যাতিত গরিবের রক্তচোষারা গণতন্ত্রকে কত বেশি হেয় করে, প্রমাণ ৫ জানুয়ারি। মীরজাফরের অনুসারী না পেলে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি ২০০ বছর কেন, ছয় মাসের বেশি টিকত না। ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো জ্ঞানপাপীদের শিক হোক।
তোমারে বধিবে যে
হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাহিনী কংসবধ। অত্যাচারী রাজা কংস স্বপ্নে দেখলেন, তাকে বধ করার জন্য বোনের পেটে সন্তান এসেছে। বোনের স্থান হলো দ্বারকার কারাগারে, ঘিরে রাখা হলো হাজারো সৈন্য দিয়ে। পিতা বাসুদেব এর মধ্যেই নবজাতককে ঝুড়ির মধ্যে লুকিয়ে পৌঁছে যান পালক মাতার ঘরে। অত্যাচারী কংস নবজাত কৃষ্ণকে না পেয়ে একদিকে দেবকীকে বেত্রাঘাত, অন্য দিকে খুঁজে খুঁজে সব নবজাতকের হত্যাযজ্ঞ। কংস ঘুমোতে পারে না, খেতেও পারে না। উঠতে বসতে কর্ণমূলে বাজে, ‘তোমারে বধিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে।’ যুবক কৃষ্ণ ও অত্যাচারী কংসের যুদ্ধ হলে, কংসবধ শেষে মাকে মুক্ত করে রাজা হলেন শ্রীকৃষ্ণ। জেমিনির ব্যানারে ছবিটি দেখেছিলাম ১৯৬৪ সালের রূপকথা সিনেমা হলে। বৃহত্তর ময়মনসিংহে শেরপুরে তখন কারেন্ট ছিল না, ডায়নামোর বিকট শব্দে অভ্যস্ত ছিলাম। যা হোক, আওয়ামী লীগের একমাত্র ভয়, তারেক। কংসের মতোই না পারে খেতে, না পারে ঘুমোতে।
৫ জানুয়ারি যারা কায়েম করতে পারে, তারা সবকিছুই পারে। খালেদা যথার্থই বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করা যায় না।’
কিছু কিছু বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি। সব আয়োজন, বডিল্যাংগুয়েজ, সাঙ্কেতিক ভাষা, কর্মকাণ্ড, রেড ও গ্রিন সিগন্যাল, খালেদা বিদায়ের সিগন্যাল এগুলো। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খালেদার বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। মধ্যরাতে হঠাৎ বিদ্যুতের লাইন কেটে মহড়া শুরু। বেগম জিয়া সম্পূর্ণ অনিরাপদ, অরতি। প্রচণ্ড চাপে আওয়ামী লীগ। এইরকম ক্রান্তিকালে, হঠাৎ যদি কেউ ঘোষণা দিয়ে বলেন, শর্ট সার্কিটে বড় ঘটনা ঘটেছে, এর জন্য দায়ী ত্র“টিপূর্ণ বিদ্যুৎলাইন কিংবা যদি বলেন, ক্রুদ্ধ শ্রমিকেরা আগুন দিয়েছে... তখন? বিদ্যুৎ নিয়ে যে খেলা খেলছেন মন্ত্রী, আমার সন্দেহ, বড় বিপদ আসন্ন।
দারুণ লিখেছেন মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীরপ্রতীক। ৪৪ বছরে আরো গজব হয়েছে। আমার মনে হয়, কোকোরটা ‘গজব’ হলে আগেরটা সুনামি। তোফায়েলের ধারণা, ওপরওয়ালা নাকি প্রতিশোধ নিয়েছেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক যদি সত্যিই মনে করেন, খালেদা জিয়া ঘুমের ভান করছিলেন, দোয়া করি ঘরে ঘরে পুত্রশোক হোক। তখন কি অপরপকে বলবেন, ‘ছেলে মারা গেছে, তাতে কী? এটাই তো সংলাপের সুযোগ!’
নারীর জন্য ঘর
ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছেন, ‘কান্নার জন্য নারীর একটি ঘর চাই।’ খালেদার সেই ঘরটি ছিল। কিন্তু কাঁদতে দেয়নি এমডিজির নারী নির্যাতক বাহিনী। মিনিটে ৪৮ হাজার টাকা খরচ করে অবাঞ্ছিত সমালোচনায় সংসদে করের কত কোটি টাকা খরচ করল সরকারের লোকেরা? আদালত থাকলে, সংসদ পিতৃহত্যার প্রতিশোধের জায়গা কেন? কোকোর দাফনের দিন পুলিশ ফাঁড়িতে কেক কাটার দৃশ্য মানেইÑ সমবেদনার মুখোশ উন্মোচন হলো। বিরোধী দলের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ভয়ানক উত্তেজক বাক্যবাণ, জাতির মস্তিষ্কে তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়ামের মতো বিষ ছড়াচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের মৃত্যুর পর কংগ্রেস কিন্তু তার ‘ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি’র কিচ্ছাকাহিনী নিয়ে জনগণের করের টাকা ধ্বংস করেনি, আমরা করেছি।
বলছি, জনমানুষের ভোটে নির্বাচিত না হলে যা হয়, কারা মানুষ পোড়াচ্ছে সবাই জানে, বিশেষ করে জ্ঞানপাপীরাই অর্থের কাছে সবচেয়ে বেশি মাথা বিক্রি করে দিয়েছেন। মধ্যরাতের টকশোতে ঝগড়া-ঝাটির নোংরা দৃশ্য। ৯ম ও ১০ম সংসদ সময়কাল এতটাই ‘অভিশপ্ত’, প্রতিদিনই পত্রিকার পাতা খুললে, কঙ্গো, নাইজারের মতো লাশ আর লাশ প্রমাণ করে, সরকার কত অযোগ্য, অপদার্থ। খালেদাকে ধ্বংস করার হুমকি দেয়া গডফাদারকে সংসদে দাঁড়িয়ে নিরাপত্তার ঘোষণা দিলেন কে? ২৭ জানুয়ারি পত্রিকার খবরÑ আওয়ামী নেতার বাড়ি থেকে ককটেল উদ্ধার, ২৯ জানুয়ারি নিউ এইজ পত্রিকাÑ পেট্রলবোমাসহ আওয়ামী নেতার ছেলে হাতেনাতে গ্রেফতার। যেদিন কোকোর মৃত্যু হলো, সেইদিনই খালেদার বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি হওয়ার মামলা করার মধ্যে সব এজেন্ডা নিহিত। তারেককে শিক্ষা দিতে হবে, সেজন্য খালেদাকে গ্রেফতার করতে হবে, অন্যথায় কংসের ভয়।
আমার যুক্তিগুলো অনুমান নয় বরং আইননির্ভর। মশকারা বটে! আওয়ামীপন্থীরা বারবার জানতে চায়, কেন জ্বালাও-পোড়াও! কারণ সব ক’টাই জানে কিন্তু বলবে না। কারণ এত কম পরিশ্রমে আর কোনো দেশেই বিলিয়নিয়ার হওয়া সম্ভব নয়। কেউ যখন বড় অঙ্কের বীমা কিনে, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে বীমা কোম্পানির কাছে তিপূরণ চায়, সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনও তাই অন্যায়। সত্যিই কি সরকারপ্রধান জানেন না, কেন জ্বালাওপোড়াও! সবাই স্মরণ করুন, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে পেট্রলবোমায় দগ্ধদের ভিড়ে হিমশিম খাওয়া বার্ন ইউনিটে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গীতা সরকার নামে একজন দগ্ধ মহিলার স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, ‘অসুস্থ সরকার চাই না, সুস্থ সরকার চাই। আপনারা আমাদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন, ওনারে এক হইতে বলেন, আপনারা সবাই এক হন। হয়ে আমাদের রা করেন।’ বার্ন ইউনিট রাজনীতিতে খালেদা কখনোই জড়াননি। সুতরাং সেখান থেকে ফিরে আসার পরই একমাত্র ঘোষণা হওয়া উচিত ছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন। কিন্তু ক্ষমতাসীনেরা ৫ জানুয়ারিতে অনড় থেকে প্রমাণ করলেন, আবারো বার্ন ইউনিটের জন্য অনেকটা দায়ী তাঁরা। প্রফেসর সাহেবেরা বলুন, সংবিধান এমন কী আসমানি কিতাব, যা সংশোধন করে মানুষ পোড়ানোর সুযোগ বন্ধ করা যেত না? গীতা সরকারের সন্দেহই সঠিক? তাকে মাইলস্টোন ধরলে বলা যায়, আবারো যারা জেনেশুনে বার্ন ইউনিটের পরিস্থিতি সৃষ্টি করল, পরিস্থিতির জন্য দায়ী তারা। এটা বোঝার জন্য খুব বেশি লেখাপড়ার দরকার নেই। ৫ জানুয়ারির প্রহসন করা সংসদীয় গণতন্ত্রে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু কিছুই করেনি ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট। সিভিল আইনে, ভলান্টারি ম্যান স্লটারের শাস্তি ৩০ বছর পর্যন্ত জেল। ক্ষমতাসীনেরা সবাইকে বোকা মনে করেন। মিথ্যা দলিল দেখিয়ে কেউ সম্পদ অর্জন করলে জালিয়াতকে আইনের কাছে সোপর্দ করা যায়। ৫ জানুয়ারিতে যা হলো, ভোটার ফ্রড-বলপ্রয়োগ সিল মেরে বাক্স ভরা-নিজস্ব বাহিনী দিয়ে কেন্দ্র দখলে রাখা এভাবে ভোটাধিকার লুটেরাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ঘোষণা না করে কি ফুলের মালা দেবে? ১৫৪ আসনে বিনা ভোটে সংসদ সদস্য হওয়ার মানেই ভুয়া তথ্য দিয়ে বাড়ি কেনার সমান অন্যায়। ‘জনতার মঞ্চ’ নির্মাণের হোতা আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে না থামালে অতীতের পুনরাবৃত্তি হবে। ২০২১-২০৪১ এর টোপ দিয়ে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করার কাজ শেষ করছে।
উন্নতির ষড়যন্ত্র
সড়ক ও জলপথ, খনিজসম্পদ, সস্তাশ্রম, সমুদ্রজয়, ইত্যাদি নিয়ে তোড়জোড় বাংলাদেশের জন্য কতটুকু সুফল বয়ে এনেছে? এ দিকে মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার মতো টালমাটাল বাংলাদেশ। এই অঞ্চলকে ‘বিগ-বি-বেল্ট’ ঘোষণা দিয়েছে বিগ ব্রাদাররা। সবাই জানে, খনিজসম্পদ কুগিত রাখতে পশ্চিমাদের নিয়োগপ্রাপ্ত পাপেট দিয়ে চলছে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশ। আমাদের সমস্যা সেটাই। এই শতাব্দী হবে খনিজসম্পদ দখলে রাখার উন্মাত্ত প্রতিযোগিতা। খনিজসম্পদ দখল চক্রের সাথে গোপনে কাজ করছে ক্ষমতাবান মহল, পাবলিককে কিছুই জানায় না। বঙ্গোপসাগরের তলে যে বিপুল সম্পদ, তাতে আমার সন্দেহ, ‘সমুদ্র বিজয়’ আসলে কার স্বার্থে? আগেও বলেছি, ১৫০ বিলিয়ন ডলারের জিডিপির দেশে অবিশ্বাস্য অঙ্কের বিনিয়োগ বাস্তবসম্মত নয়। বঙ্গোপসাগর দখলে রাখতে চাইলে আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের মতো অস্থিরতা সৃষ্টি করা অনেকের প্রয়োজন। ওদের স্বার্থে ভবিষ্যতে হয়তো আরো ৫ জানুয়ারি হবে।
এই অঞ্চলে কোনো কোনো রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ মিশনে নিয়োজিত। ৫ জানুয়ারির বার্তা বহু আগেই দিয়েছিল তারা। এক দিকে লাশ, অন্য দিকে পঙ্কজ শরন আর ট্রেন চুক্তি, ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির দৃষ্টান্ত। ৫ জানুয়ারি প্রথম স্বৈরগণতন্ত্রের ঘটনা, যা সম্ভব হলো পুঁজিবাদীদের আঁতাতে। এদের সামনে এক কথা, পেছনে আরেক। এত সস্তাশ্রম আর এত লোভী দল একসাথে এশিয়ার আর কোথাও পাবে কি? বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কম দায়ী নন বান কি মুন। তারানকোর সফরের পরও কিভাবে ৫ জানুয়ারি ঘটতে পারে? বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট সত্ত্বেও পাইকারি এমডিজি পুরস্কারে আমার পুরনো সন্দেহই সত্য হলো, ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। গোপন চুক্তি হয়ে থাকলে উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ, তবে ‘এমডিজি’জনিত অতিরিক্ত মাখামাখি, জাতিসঙ্ঘের ইতিহাসে প্রথম। উন্নয়ন, পুরস্কার, অটিজম মিলে যেন লেজেগোবরে। আফ্রিকার প্রায় ৪৫টি গৃহযুদ্ধ লেগে থাকা দেশে শান্তি রা করছেন বাংলাদেশীরা, অন্য দিকে নিজ দেশের মানুষদেরই শান্তি নেই। র্যাব-পুলিশ-বিজিবির মহাপরিচালকদের কার্যকলাপ জাতিসঙ্ঘের সনদ পরিপন্থী সত্ত্বেও বান কি মুনের নিষ্ক্রিয়তা কেন? অনেক দেশেই জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন হয়েছে। ‘৫ জানুয়ারি’ বন্ধ করে আগেই বহুজাতিক তদন্ত কমিটি পাঠিয়ে শান্তির ব্যবস্থা করতে পারত জাতিসঙ্ঘ। তাহলে এত মানুষ মরত না। সেই মতা মুনের ছিল বলেই বিশ্বাস করি।
জাতিসঙ্ঘের বহু কলঙ্কের অন্যতম হলো ইরাক যুদ্ধ। ২০০৩ সালে মিথ্যা রেজুলেশন পাস হয়েছিল। সাদ্দামের মিথ্যা মারণাস্ত্রের খবর ‘ফাঁস’ করলেন কলিন পাওয়েল নিজে। এর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে গণহত্যা বন্ধ হচ্ছে না। জাতিসঙ্ঘের দুর্বল ভূমিকায় উদ্ভব হচ্ছে নতুন নতুন জঙ্গি দলের।
আমাদের প্রধান সমস্যা, ব্যক্তিকে সৃষ্টিকর্তার মতো মর্যাদা দিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করার দুরভিসন্ধি। এজন্যই ৬৭ বছরেও শান্তির দেখা নেই। ক্ষমতাসীনের মতার সীমানা নির্ধারণে ব্যর্থ, বুদ্ধিজীবীদের চোখে সব দোষ খালেদার। উন্নতি বিক্রেতারা আওয়ামী লীগকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত মতায় রাখতে চায় এবং এটাই প্রধান সমস্যা। শার্লি এবদুর ঘটনা জানি কিন্তু মহানবী সা:কে অপমানের পরেও জেলখানায় ভিআইপি আদরে কেন লতিফ সিদ্দিকী?
ঐতিহাসিক ঘটনাটি ডেভিড ক্যামেরনের জানার কথা। ৭ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ সালে নোবেল পুরস্কার নেয়ার পথে যাত্রা বিরতিকালে লন্ডনে সবচেয়ে বড় উপদেশ দিয়েছিলেন ড. লুথার কিং। বলেছিলেন, পশ্চিমারা যদি সাউথ আফ্রিকা থেকে স্বর্ণ কেনা বন্ধ করে, বর্ণবাদ সমস্যা সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যাবে। ইহুদি নির্মূল ও জার্মানিকে সব চেয়ে উন্নত দেশ বানানোÑ দুটোই হিটলারের বৈশিষ্ট্য। আমরা কি সেটা চাই? গার্মেন্ট ব্যবসায় অবশ্যই চাই; কিন্তু তার চেয়ে বেশি চাই গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার। রানাপ্লাজা ও তাজরীনের ঘটনার পরও পাশ্চাত্যের সস্তা শ্রমের লোভ একচুল কমল না। পশ্চিমারা নির্বাচন চায় না বলেই বার্ন ইউনিট খোলা।
হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বিষয়গুলো যেভাবে দেখে। যাদেরকে বন্ধু মনে করছে আওয়ামী লীগ, আসলেই ওরা ধোঁকাবাজ। ১৯৭১ বনাম ২০১৫। ৭১-এ বাংলাদেশের পে চারবার ভেটো দিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল রাশিয়া। ৭১-এর ২৫ অক্টোবর আমেরিকার সহায়তায় তাইওয়ানকেন্দ্রিক চীন সরকারকে উৎখাত করে জাতিসঙ্ঘে আনা হলো আমেরিকাবান্ধব কমিউনিস্ট সরকার। এরপর যতবারই ভেটো, চীন ও আমেরিকা একপ। খুলে গেল চীনের রুদ্ধদুয়ার। এখন বাংলাদেশ বিষয়ে জাতিসঙ্ঘে কোনো সিদ্ধান্ত হলে রাশিয়া ও চীন ঢাকার সরকারের পে ভেটো দেবে। বলতে গেলে বাংলাদেশের অবস্থা অনেকটা ক্রিমিয়ার মতো, রুশ-মার্কিনের টানাটানি। বাশার আল আসাদকে চাইলেও উৎখাত করতে পারবে না ন্যাটোশক্তি এবং এরাই উন্নতিবাজদের খুঁটির উৎস। একব্যক্তির মাথায় উন্নতির কাঁঠাল ভেঙে খাচ্ছেন ঝানু বুদ্ধিমানেরা।
ব্যবসা ও গণতন্ত্র
সম্পদের লোভে শ্বেতাঙ্গদের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নির্যাতনের মতোই ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোও জানতে চায়, জ্বালাওপোড়াও কেন? আশ্চর্য! যেন কচি খোকা; ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানে না। গণতান্ত্রিক অধিকার নয়, তাদের কাছে বড় ৫০ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট। প্রায় এক কোটি গরিবের ঘাম ঝরিয়ে খাওয়া মালিকদের লাভের অঙ্কে কিছু কম পড়ায়, গণতন্ত্রনিধন দেখছেন না। গরিব শ্রমিকদের পুঁজি করে নানা সময়ে সরকারের সাথে দেনদরবার চালিয়ে বিপুল সম্পদের সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে দেশে ও বিদেশে। তাদের প্রায় ৭০ ভাগই সংসদ সদস্য। গণতন্ত্র প্রত্যাশীরা জানেন, ব্যবসায় লাটে উঠলেও ভোটাধিকারের গুরুত্ব কমে না; একবিন্দুও নয়। বরং বলুন, মতা ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন দিতে, তখন দেখবেন ম্যাজিকের মতো রাতারাতি কিভাবে বার্ন ইউনিটগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
গণহত্যার বিচার
নির্যাতন আর গলাবাজি দিয়ে আর কত রাষ্ট্র পরিচালনা! রাজাপাকসের মতোই, দিনরাত ভয় দেখানো এবং দেখে নেয়ার হুমকিই যেন প্রধান কাজ। আমরা কি মানুষ না? জাতিসঙ্ঘের সনদে গণহত্যার সংজ্ঞা, একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে টার্গেট করে এক বা একাধিক হত্যা। বেছে বেছে নির্দিষ্ট সংগঠনের লোকজনের বুকে গুলি করে অব্যাহত খুন। ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব নিলেন। নানা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন সাপেে গণহত্যার বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে পারবে না জাতিসঙ্ঘ। সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় না আনলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য খারাপ দৃষ্টান্ত তৈরি হবে। আওয়ামী রাজনীতির উৎস, বাঁশ ও লাঠি। ৩০৩ দিন হরতালসহ গানপাউডারের সংস্কৃতি চালু করেছে। ১৯৯৬ সনে অসহযোগ করে শিাব্যবস্থাকে ধ্বংস, সংখ্যালঘু নির্যাতনের রেকর্ড, একজন বিশ্বজিতকে নির্মূল করে যুদ্ধাপরাধের মতো ঘটনা...। এসব কোনো রাজনৈতিক দলের কাজের মধ্যে পড়ে না। এগুলো চললে বাংলাদেশে কখনোই শান্তি আসবে না।
সারমর্ম
একমাত্র করণীয় : দ্রুত নিরপেক্ষ নির্বাচন। নুরেমবার্গ ট্রায়েলের মতো আর্কাইভের তথ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর বিচার।
বি.দ্র. : লেখাটি অ্যাক্টিভিজমের ভিত্তিতে।
ইমেইল : farahmina@gmail.com
ওয়েবসাইট : www.minafarah.com
আমাদের সমস্যা হলো, এমনকি মার্কিন সিভিল ওয়ার সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও কথিত বুদ্ধিজীবীরা বর্ণবিদ্বেষী শ্বেতাঙ্গদের নিষ্ঠুরতার ইতিহাস কখনোই আলোচনা করেন না। হয় ফ্যাসিবাদ উন্মোচন করতে এটা তাদের মোনাফেকি কিংবা বুদ্ধিজীবী হওয়ার উপযুক্তই নন তারা। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলান্ধ শিক্ষকেরা, যারা নীতি-নৈতিকতা জলাঞ্জলি দিয়ে রাজনীতির কাছে অধিকাংশই বিক্রি হয়ে গেছেন। মধ্যরাতের টকশোতে অনেকেই সব কিছু বলেন, একমাত্র অবৈধ নির্বাচন ও ভোটাধিকার বাদে। কালোদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের জন্য শ্বেতাঙ্গদের বিচার হয়নি। গোয়েবলস ও মিলোশভিচদের বিচার হয়েছে। বাংলাদেশেও নির্মূল কার্যক্রমে একই অপরাধ করা হচ্ছে। একটার পর একটা ফাঁকা মাঠে গোল দিচ্ছে সরকার কিন্তু পশ্চিমারা কোনো অর্থবহ পদপেই নিচ্ছে না। ক্যান্সারের চিকিৎসা মলম? এ দিকে খালেদাকে রাজনীতি থেকে উৎখাতে সব আয়োজন সম্পন্ন প্রায়। যেকোনো মুহূর্তে বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রলীগ সম্পাদক।
বলছি ভোটাধিকারের কথা। ড. কিংয়ের নেতৃত্বে ভোটাধিকার দাবির আন্দোলন যে কত তীব্র হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে, সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউডের ছবি ‘সেলমা’ যেন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। সাংবিধানিক অধিকার সত্ত্বেও কালোদের ভোট দিতে দিতেন না আলাবামার প্রচণ্ড বর্ণবাদী গভর্নর জজ ওয়ালেস। পরে ড. কিংকে সাথে নিয়ে প্রেসিডেন্ট জনসনের একক সিদ্ধান্তে কালোদের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলো। আর আততায়ীর গুলিতে বাকি জীবন হুইলচেয়ারে কাটাতে হলো গভর্নরকে।
বাংলাদেশের মানুষেরও ভোটাধিকার খর্ব হয়েছে ৫ জানুয়ারি নামক কালো দিবসে। বর্ণবিদ্বেষী গভর্নরের পেটোয়াবাহিনীর চেয়ে ভয়ঙ্কর এ দেশের পেটোয়াবাহিনী। অন্তত ড. কিংকে ভয় পেতেন প্রেসিডেন্ট জনসন। এমনকি হোয়াইট হাউজে বসে তার সাথে সিভিল রাইটস বিলটি নিয়ে আলোচনাও করতেন। কিন্তু সবাইকে বুড়ো আঙুল দেখানো কেউ কেউ নিজেকে প্রমাণ করেছেন, গভর্নর ওয়ালেসের চেয়ে অধিক নির্যাতক তারা। বাংলাদেশের পেটোয়াবাহিনীর দৃশ্য, ১৮০০ শতাব্দীর মার্কিন বর্ণবাদী দণি অঞ্চলের রাজ্যগুলোর মতোই। এ দেশের বিভিন্ন বাহিনীর মতোই বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গরা খুন করত কিন্তু লাশ দাফনের সুযোগ পর্যন্ত দিতো না। কোনো আন্তর্জাতিক আইন মানছে না পেটোয়াবাহিনী। গভর্নর ওয়ালেসের মতো এত পুলিশ কার বিরুদ্ধে? আন্তর্জাতিক আইনে পেপার ¯েপ্র নিষিদ্ধ সত্ত্বেও খালেদার অফিসে অনক্যামেরা ¯েপ্র মারার পরেও নীরব জাতিসঙ্ঘ? তখন থেকে তিনি অসুস্থ, এরপর কোকোর মৃত্যু সব দৃশ্যপট বদলে দিয়েছে। পুরুষ নির্যাতকের কথা সবাই জানে, কিন্তু খালেদাকে নির্যাতনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো অন্য ধরনের নির্যাতনও এ দেশে রয়েছে। শতাব্দীর সর্বাধিক নির্যাতিত নারী খালেদা। শুধু নারী নয়, ভয়ে পুরুষশূন্য গ্রামের পর গ্রাম। ‘এমডিজি’র নামে ‘নারী নির্যাতন’ ও ‘নারীর উন্নয়নকে’ গুলিয়ে ফেলেছেন বান কি মুন।
সংলাপ? মূর্খরাই বাজে কথা বেশি বলে। যারা বোঝে, জানে সংলাপের যোগ্যতা হারিয়েছে আওয়ামী লীগ। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কবে, প্রশ্ন সেটাই! প্রায় প্রতিদিনই আওয়ামী লীগের প্রশ্ন, খালেদা কেন জ্বালাওপোড়াও করে মানুষ হত্যা করছেন। জানতে চায়, কী চান খালেদা জিয়া? সত্যিই কি জানে না বলে জিজ্ঞেস করে? আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী নেতারা জানেন, ৫ জানুয়ারিতে অন্যায়ভাবে গদি দখল না করলে একটি মৃত্যুও হতো না। কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। একই অপকর্মের জন্য ইন্দিরা গান্ধীকে জেলে ভরেছিল ভারতের আদালত।
বাঙালি মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মহাসঙ্কট, দেশ বিভাগের আগে থেকেই ভুলের পর ভুল। আজকের পরিস্থিতির জন্য দায়ী তারাও। ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসের কাছে মাথা বন্ধক রেখে জিন্নার লেজে আগুন দিলে লাভ কী? তখন যদি স্বাধীন বাংলার দাবিতে অনড় থাকতেন সোহরাওয়ার্দি, বারবার দাঙ্গা আর যুদ্ধ দেখতে হতো না। হিন্দু-মুসলমান বাস্তবতায় কোনো সুস্থ লোক বাংলাকে দুই ভাগ করার কথা চিন্তাও করবে না। এখন যারা মাসতুতভাই হতে উদগ্রীব, আমার প্রশ্ন, তখন তারা ছিলেন কোথায়? বলছি, ৬৭ বছরে একবারও কি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না বুদ্ধিজীবীরা।
প্রধান বিচারপতি এবং আমার পিতার নাম এক হওয়ায় আমি যারপর নাই আনন্দিত। কন্যার দাবি নিয়ে কিছু আইনের ব্যত্যয় বিচারপতির কাছে জানতে চাই। সুশাসন ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না, ৩৫ বছর আমেরিকায় থেকে এটাই প্রধান শিা। কিন্তু হচ্ছেটা কী? সিমলা চুক্তির মাধ্যমে সব অপরাধীকে ছেড়ে দেয়া হলো, এরপর সহযোগীদের বিচার এবং নিষিদ্ধ করা নিয়ে কেন পেরেশানি? ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্র“য়ারি ওআইসি সম্মেলনে গণহত্যার হুকুমদাতা ভুট্টোর সাথে কোলাকুলি এবং টিক্কা খানের সাথে হ্যান্ডশেক থেকে আমরা কি বুঝব? ওআইসি সম্মেলনের ঘটনা সত্য হলে, ট্রাইবুন্যাল-৭৩ কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ নিধনে সিভিল ওয়ারের অবস্থা কেন হলো, ভায়োলেন্স নয়, আমরা আইনের শাসন চাই।
বাংলার ঘরে ঘরে আজ গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে বুলেট, স্বৈরতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য। কম গণতন্ত্র আর বেশি উন্নতির জন্য পুলিশি রাষ্ট্র কায়েম করতে হলে অবশ্যই সংসদীয় গণতন্ত্রের নতুন কলম্বাস প্রধানমন্ত্রী। বাঙালির ইতিহাস খুব খারাপ এবং স্মৃতিশক্তিও দুর্বল। কত দ্রুত ভুলে গেছি, ভাসানীর সপ্তাহিক ‘হক কথার’ করুণ পরিণতি! এবার মিডিয়ার কণ্ঠযন্ত্রে অস্ত্রোপচারের মাত্রা বহুগুণ বেশি। বাকি রইল, চায়ের কাপে ঝড় তোলা মানুষগুলোর কণ্ঠযন্ত্র ফেলে দেয়া। ক্রীতদাস প্রথা থেকে গার্মেন্ট যাঁতাকল, কোটি কোটি নির্যাতিত গরিবের রক্তচোষারা গণতন্ত্রকে কত বেশি হেয় করে, প্রমাণ ৫ জানুয়ারি। মীরজাফরের অনুসারী না পেলে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি ২০০ বছর কেন, ছয় মাসের বেশি টিকত না। ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো জ্ঞানপাপীদের শিক হোক।
তোমারে বধিবে যে
হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাহিনী কংসবধ। অত্যাচারী রাজা কংস স্বপ্নে দেখলেন, তাকে বধ করার জন্য বোনের পেটে সন্তান এসেছে। বোনের স্থান হলো দ্বারকার কারাগারে, ঘিরে রাখা হলো হাজারো সৈন্য দিয়ে। পিতা বাসুদেব এর মধ্যেই নবজাতককে ঝুড়ির মধ্যে লুকিয়ে পৌঁছে যান পালক মাতার ঘরে। অত্যাচারী কংস নবজাত কৃষ্ণকে না পেয়ে একদিকে দেবকীকে বেত্রাঘাত, অন্য দিকে খুঁজে খুঁজে সব নবজাতকের হত্যাযজ্ঞ। কংস ঘুমোতে পারে না, খেতেও পারে না। উঠতে বসতে কর্ণমূলে বাজে, ‘তোমারে বধিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে।’ যুবক কৃষ্ণ ও অত্যাচারী কংসের যুদ্ধ হলে, কংসবধ শেষে মাকে মুক্ত করে রাজা হলেন শ্রীকৃষ্ণ। জেমিনির ব্যানারে ছবিটি দেখেছিলাম ১৯৬৪ সালের রূপকথা সিনেমা হলে। বৃহত্তর ময়মনসিংহে শেরপুরে তখন কারেন্ট ছিল না, ডায়নামোর বিকট শব্দে অভ্যস্ত ছিলাম। যা হোক, আওয়ামী লীগের একমাত্র ভয়, তারেক। কংসের মতোই না পারে খেতে, না পারে ঘুমোতে।
৫ জানুয়ারি যারা কায়েম করতে পারে, তারা সবকিছুই পারে। খালেদা যথার্থই বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করা যায় না।’
কিছু কিছু বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি। সব আয়োজন, বডিল্যাংগুয়েজ, সাঙ্কেতিক ভাষা, কর্মকাণ্ড, রেড ও গ্রিন সিগন্যাল, খালেদা বিদায়ের সিগন্যাল এগুলো। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খালেদার বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। মধ্যরাতে হঠাৎ বিদ্যুতের লাইন কেটে মহড়া শুরু। বেগম জিয়া সম্পূর্ণ অনিরাপদ, অরতি। প্রচণ্ড চাপে আওয়ামী লীগ। এইরকম ক্রান্তিকালে, হঠাৎ যদি কেউ ঘোষণা দিয়ে বলেন, শর্ট সার্কিটে বড় ঘটনা ঘটেছে, এর জন্য দায়ী ত্র“টিপূর্ণ বিদ্যুৎলাইন কিংবা যদি বলেন, ক্রুদ্ধ শ্রমিকেরা আগুন দিয়েছে... তখন? বিদ্যুৎ নিয়ে যে খেলা খেলছেন মন্ত্রী, আমার সন্দেহ, বড় বিপদ আসন্ন।
দারুণ লিখেছেন মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীরপ্রতীক। ৪৪ বছরে আরো গজব হয়েছে। আমার মনে হয়, কোকোরটা ‘গজব’ হলে আগেরটা সুনামি। তোফায়েলের ধারণা, ওপরওয়ালা নাকি প্রতিশোধ নিয়েছেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক যদি সত্যিই মনে করেন, খালেদা জিয়া ঘুমের ভান করছিলেন, দোয়া করি ঘরে ঘরে পুত্রশোক হোক। তখন কি অপরপকে বলবেন, ‘ছেলে মারা গেছে, তাতে কী? এটাই তো সংলাপের সুযোগ!’
নারীর জন্য ঘর
ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছেন, ‘কান্নার জন্য নারীর একটি ঘর চাই।’ খালেদার সেই ঘরটি ছিল। কিন্তু কাঁদতে দেয়নি এমডিজির নারী নির্যাতক বাহিনী। মিনিটে ৪৮ হাজার টাকা খরচ করে অবাঞ্ছিত সমালোচনায় সংসদে করের কত কোটি টাকা খরচ করল সরকারের লোকেরা? আদালত থাকলে, সংসদ পিতৃহত্যার প্রতিশোধের জায়গা কেন? কোকোর দাফনের দিন পুলিশ ফাঁড়িতে কেক কাটার দৃশ্য মানেইÑ সমবেদনার মুখোশ উন্মোচন হলো। বিরোধী দলের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ভয়ানক উত্তেজক বাক্যবাণ, জাতির মস্তিষ্কে তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়ামের মতো বিষ ছড়াচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের মৃত্যুর পর কংগ্রেস কিন্তু তার ‘ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি’র কিচ্ছাকাহিনী নিয়ে জনগণের করের টাকা ধ্বংস করেনি, আমরা করেছি।
বলছি, জনমানুষের ভোটে নির্বাচিত না হলে যা হয়, কারা মানুষ পোড়াচ্ছে সবাই জানে, বিশেষ করে জ্ঞানপাপীরাই অর্থের কাছে সবচেয়ে বেশি মাথা বিক্রি করে দিয়েছেন। মধ্যরাতের টকশোতে ঝগড়া-ঝাটির নোংরা দৃশ্য। ৯ম ও ১০ম সংসদ সময়কাল এতটাই ‘অভিশপ্ত’, প্রতিদিনই পত্রিকার পাতা খুললে, কঙ্গো, নাইজারের মতো লাশ আর লাশ প্রমাণ করে, সরকার কত অযোগ্য, অপদার্থ। খালেদাকে ধ্বংস করার হুমকি দেয়া গডফাদারকে সংসদে দাঁড়িয়ে নিরাপত্তার ঘোষণা দিলেন কে? ২৭ জানুয়ারি পত্রিকার খবরÑ আওয়ামী নেতার বাড়ি থেকে ককটেল উদ্ধার, ২৯ জানুয়ারি নিউ এইজ পত্রিকাÑ পেট্রলবোমাসহ আওয়ামী নেতার ছেলে হাতেনাতে গ্রেফতার। যেদিন কোকোর মৃত্যু হলো, সেইদিনই খালেদার বিরুদ্ধে হুকুমের আসামি হওয়ার মামলা করার মধ্যে সব এজেন্ডা নিহিত। তারেককে শিক্ষা দিতে হবে, সেজন্য খালেদাকে গ্রেফতার করতে হবে, অন্যথায় কংসের ভয়।
আমার যুক্তিগুলো অনুমান নয় বরং আইননির্ভর। মশকারা বটে! আওয়ামীপন্থীরা বারবার জানতে চায়, কেন জ্বালাও-পোড়াও! কারণ সব ক’টাই জানে কিন্তু বলবে না। কারণ এত কম পরিশ্রমে আর কোনো দেশেই বিলিয়নিয়ার হওয়া সম্ভব নয়। কেউ যখন বড় অঙ্কের বীমা কিনে, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে বীমা কোম্পানির কাছে তিপূরণ চায়, সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনও তাই অন্যায়। সত্যিই কি সরকারপ্রধান জানেন না, কেন জ্বালাওপোড়াও! সবাই স্মরণ করুন, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে পেট্রলবোমায় দগ্ধদের ভিড়ে হিমশিম খাওয়া বার্ন ইউনিটে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গীতা সরকার নামে একজন দগ্ধ মহিলার স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, ‘অসুস্থ সরকার চাই না, সুস্থ সরকার চাই। আপনারা আমাদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন, ওনারে এক হইতে বলেন, আপনারা সবাই এক হন। হয়ে আমাদের রা করেন।’ বার্ন ইউনিট রাজনীতিতে খালেদা কখনোই জড়াননি। সুতরাং সেখান থেকে ফিরে আসার পরই একমাত্র ঘোষণা হওয়া উচিত ছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন। কিন্তু ক্ষমতাসীনেরা ৫ জানুয়ারিতে অনড় থেকে প্রমাণ করলেন, আবারো বার্ন ইউনিটের জন্য অনেকটা দায়ী তাঁরা। প্রফেসর সাহেবেরা বলুন, সংবিধান এমন কী আসমানি কিতাব, যা সংশোধন করে মানুষ পোড়ানোর সুযোগ বন্ধ করা যেত না? গীতা সরকারের সন্দেহই সঠিক? তাকে মাইলস্টোন ধরলে বলা যায়, আবারো যারা জেনেশুনে বার্ন ইউনিটের পরিস্থিতি সৃষ্টি করল, পরিস্থিতির জন্য দায়ী তারা। এটা বোঝার জন্য খুব বেশি লেখাপড়ার দরকার নেই। ৫ জানুয়ারির প্রহসন করা সংসদীয় গণতন্ত্রে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু কিছুই করেনি ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট। সিভিল আইনে, ভলান্টারি ম্যান স্লটারের শাস্তি ৩০ বছর পর্যন্ত জেল। ক্ষমতাসীনেরা সবাইকে বোকা মনে করেন। মিথ্যা দলিল দেখিয়ে কেউ সম্পদ অর্জন করলে জালিয়াতকে আইনের কাছে সোপর্দ করা যায়। ৫ জানুয়ারিতে যা হলো, ভোটার ফ্রড-বলপ্রয়োগ সিল মেরে বাক্স ভরা-নিজস্ব বাহিনী দিয়ে কেন্দ্র দখলে রাখা এভাবে ভোটাধিকার লুটেরাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ঘোষণা না করে কি ফুলের মালা দেবে? ১৫৪ আসনে বিনা ভোটে সংসদ সদস্য হওয়ার মানেই ভুয়া তথ্য দিয়ে বাড়ি কেনার সমান অন্যায়। ‘জনতার মঞ্চ’ নির্মাণের হোতা আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে না থামালে অতীতের পুনরাবৃত্তি হবে। ২০২১-২০৪১ এর টোপ দিয়ে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করার কাজ শেষ করছে।
উন্নতির ষড়যন্ত্র
সড়ক ও জলপথ, খনিজসম্পদ, সস্তাশ্রম, সমুদ্রজয়, ইত্যাদি নিয়ে তোড়জোড় বাংলাদেশের জন্য কতটুকু সুফল বয়ে এনেছে? এ দিকে মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার মতো টালমাটাল বাংলাদেশ। এই অঞ্চলকে ‘বিগ-বি-বেল্ট’ ঘোষণা দিয়েছে বিগ ব্রাদাররা। সবাই জানে, খনিজসম্পদ কুগিত রাখতে পশ্চিমাদের নিয়োগপ্রাপ্ত পাপেট দিয়ে চলছে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশ। আমাদের সমস্যা সেটাই। এই শতাব্দী হবে খনিজসম্পদ দখলে রাখার উন্মাত্ত প্রতিযোগিতা। খনিজসম্পদ দখল চক্রের সাথে গোপনে কাজ করছে ক্ষমতাবান মহল, পাবলিককে কিছুই জানায় না। বঙ্গোপসাগরের তলে যে বিপুল সম্পদ, তাতে আমার সন্দেহ, ‘সমুদ্র বিজয়’ আসলে কার স্বার্থে? আগেও বলেছি, ১৫০ বিলিয়ন ডলারের জিডিপির দেশে অবিশ্বাস্য অঙ্কের বিনিয়োগ বাস্তবসম্মত নয়। বঙ্গোপসাগর দখলে রাখতে চাইলে আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের মতো অস্থিরতা সৃষ্টি করা অনেকের প্রয়োজন। ওদের স্বার্থে ভবিষ্যতে হয়তো আরো ৫ জানুয়ারি হবে।
এই অঞ্চলে কোনো কোনো রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ মিশনে নিয়োজিত। ৫ জানুয়ারির বার্তা বহু আগেই দিয়েছিল তারা। এক দিকে লাশ, অন্য দিকে পঙ্কজ শরন আর ট্রেন চুক্তি, ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির দৃষ্টান্ত। ৫ জানুয়ারি প্রথম স্বৈরগণতন্ত্রের ঘটনা, যা সম্ভব হলো পুঁজিবাদীদের আঁতাতে। এদের সামনে এক কথা, পেছনে আরেক। এত সস্তাশ্রম আর এত লোভী দল একসাথে এশিয়ার আর কোথাও পাবে কি? বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কম দায়ী নন বান কি মুন। তারানকোর সফরের পরও কিভাবে ৫ জানুয়ারি ঘটতে পারে? বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট সত্ত্বেও পাইকারি এমডিজি পুরস্কারে আমার পুরনো সন্দেহই সত্য হলো, ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। গোপন চুক্তি হয়ে থাকলে উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ, তবে ‘এমডিজি’জনিত অতিরিক্ত মাখামাখি, জাতিসঙ্ঘের ইতিহাসে প্রথম। উন্নয়ন, পুরস্কার, অটিজম মিলে যেন লেজেগোবরে। আফ্রিকার প্রায় ৪৫টি গৃহযুদ্ধ লেগে থাকা দেশে শান্তি রা করছেন বাংলাদেশীরা, অন্য দিকে নিজ দেশের মানুষদেরই শান্তি নেই। র্যাব-পুলিশ-বিজিবির মহাপরিচালকদের কার্যকলাপ জাতিসঙ্ঘের সনদ পরিপন্থী সত্ত্বেও বান কি মুনের নিষ্ক্রিয়তা কেন? অনেক দেশেই জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন হয়েছে। ‘৫ জানুয়ারি’ বন্ধ করে আগেই বহুজাতিক তদন্ত কমিটি পাঠিয়ে শান্তির ব্যবস্থা করতে পারত জাতিসঙ্ঘ। তাহলে এত মানুষ মরত না। সেই মতা মুনের ছিল বলেই বিশ্বাস করি।
জাতিসঙ্ঘের বহু কলঙ্কের অন্যতম হলো ইরাক যুদ্ধ। ২০০৩ সালে মিথ্যা রেজুলেশন পাস হয়েছিল। সাদ্দামের মিথ্যা মারণাস্ত্রের খবর ‘ফাঁস’ করলেন কলিন পাওয়েল নিজে। এর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে গণহত্যা বন্ধ হচ্ছে না। জাতিসঙ্ঘের দুর্বল ভূমিকায় উদ্ভব হচ্ছে নতুন নতুন জঙ্গি দলের।
আমাদের প্রধান সমস্যা, ব্যক্তিকে সৃষ্টিকর্তার মতো মর্যাদা দিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করার দুরভিসন্ধি। এজন্যই ৬৭ বছরেও শান্তির দেখা নেই। ক্ষমতাসীনের মতার সীমানা নির্ধারণে ব্যর্থ, বুদ্ধিজীবীদের চোখে সব দোষ খালেদার। উন্নতি বিক্রেতারা আওয়ামী লীগকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত মতায় রাখতে চায় এবং এটাই প্রধান সমস্যা। শার্লি এবদুর ঘটনা জানি কিন্তু মহানবী সা:কে অপমানের পরেও জেলখানায় ভিআইপি আদরে কেন লতিফ সিদ্দিকী?
ঐতিহাসিক ঘটনাটি ডেভিড ক্যামেরনের জানার কথা। ৭ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ সালে নোবেল পুরস্কার নেয়ার পথে যাত্রা বিরতিকালে লন্ডনে সবচেয়ে বড় উপদেশ দিয়েছিলেন ড. লুথার কিং। বলেছিলেন, পশ্চিমারা যদি সাউথ আফ্রিকা থেকে স্বর্ণ কেনা বন্ধ করে, বর্ণবাদ সমস্যা সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যাবে। ইহুদি নির্মূল ও জার্মানিকে সব চেয়ে উন্নত দেশ বানানোÑ দুটোই হিটলারের বৈশিষ্ট্য। আমরা কি সেটা চাই? গার্মেন্ট ব্যবসায় অবশ্যই চাই; কিন্তু তার চেয়ে বেশি চাই গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার। রানাপ্লাজা ও তাজরীনের ঘটনার পরও পাশ্চাত্যের সস্তা শ্রমের লোভ একচুল কমল না। পশ্চিমারা নির্বাচন চায় না বলেই বার্ন ইউনিট খোলা।
হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বিষয়গুলো যেভাবে দেখে। যাদেরকে বন্ধু মনে করছে আওয়ামী লীগ, আসলেই ওরা ধোঁকাবাজ। ১৯৭১ বনাম ২০১৫। ৭১-এ বাংলাদেশের পে চারবার ভেটো দিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল রাশিয়া। ৭১-এর ২৫ অক্টোবর আমেরিকার সহায়তায় তাইওয়ানকেন্দ্রিক চীন সরকারকে উৎখাত করে জাতিসঙ্ঘে আনা হলো আমেরিকাবান্ধব কমিউনিস্ট সরকার। এরপর যতবারই ভেটো, চীন ও আমেরিকা একপ। খুলে গেল চীনের রুদ্ধদুয়ার। এখন বাংলাদেশ বিষয়ে জাতিসঙ্ঘে কোনো সিদ্ধান্ত হলে রাশিয়া ও চীন ঢাকার সরকারের পে ভেটো দেবে। বলতে গেলে বাংলাদেশের অবস্থা অনেকটা ক্রিমিয়ার মতো, রুশ-মার্কিনের টানাটানি। বাশার আল আসাদকে চাইলেও উৎখাত করতে পারবে না ন্যাটোশক্তি এবং এরাই উন্নতিবাজদের খুঁটির উৎস। একব্যক্তির মাথায় উন্নতির কাঁঠাল ভেঙে খাচ্ছেন ঝানু বুদ্ধিমানেরা।
ব্যবসা ও গণতন্ত্র
সম্পদের লোভে শ্বেতাঙ্গদের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নির্যাতনের মতোই ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোও জানতে চায়, জ্বালাওপোড়াও কেন? আশ্চর্য! যেন কচি খোকা; ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানে না। গণতান্ত্রিক অধিকার নয়, তাদের কাছে বড় ৫০ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট। প্রায় এক কোটি গরিবের ঘাম ঝরিয়ে খাওয়া মালিকদের লাভের অঙ্কে কিছু কম পড়ায়, গণতন্ত্রনিধন দেখছেন না। গরিব শ্রমিকদের পুঁজি করে নানা সময়ে সরকারের সাথে দেনদরবার চালিয়ে বিপুল সম্পদের সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে দেশে ও বিদেশে। তাদের প্রায় ৭০ ভাগই সংসদ সদস্য। গণতন্ত্র প্রত্যাশীরা জানেন, ব্যবসায় লাটে উঠলেও ভোটাধিকারের গুরুত্ব কমে না; একবিন্দুও নয়। বরং বলুন, মতা ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন দিতে, তখন দেখবেন ম্যাজিকের মতো রাতারাতি কিভাবে বার্ন ইউনিটগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
গণহত্যার বিচার
নির্যাতন আর গলাবাজি দিয়ে আর কত রাষ্ট্র পরিচালনা! রাজাপাকসের মতোই, দিনরাত ভয় দেখানো এবং দেখে নেয়ার হুমকিই যেন প্রধান কাজ। আমরা কি মানুষ না? জাতিসঙ্ঘের সনদে গণহত্যার সংজ্ঞা, একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে টার্গেট করে এক বা একাধিক হত্যা। বেছে বেছে নির্দিষ্ট সংগঠনের লোকজনের বুকে গুলি করে অব্যাহত খুন। ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব নিলেন। নানা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন সাপেে গণহত্যার বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে পারবে না জাতিসঙ্ঘ। সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় না আনলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য খারাপ দৃষ্টান্ত তৈরি হবে। আওয়ামী রাজনীতির উৎস, বাঁশ ও লাঠি। ৩০৩ দিন হরতালসহ গানপাউডারের সংস্কৃতি চালু করেছে। ১৯৯৬ সনে অসহযোগ করে শিাব্যবস্থাকে ধ্বংস, সংখ্যালঘু নির্যাতনের রেকর্ড, একজন বিশ্বজিতকে নির্মূল করে যুদ্ধাপরাধের মতো ঘটনা...। এসব কোনো রাজনৈতিক দলের কাজের মধ্যে পড়ে না। এগুলো চললে বাংলাদেশে কখনোই শান্তি আসবে না।
সারমর্ম
একমাত্র করণীয় : দ্রুত নিরপেক্ষ নির্বাচন। নুরেমবার্গ ট্রায়েলের মতো আর্কাইভের তথ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর বিচার।
বি.দ্র. : লেখাটি অ্যাক্টিভিজমের ভিত্তিতে।
ইমেইল : farahmina@gmail.com
ওয়েবসাইট : www.minafarah.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1382)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 12
(50)
- সহিংসতা দমনে প্রয়োজনে এনকাউন্টার: শেখ সেলিম
- দমবন্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি চায় মানুষ by মীর আব্দুল ...
- খালেদা অভুক্ত -বিএনপির অভিযোগ
- মায়া-হরিণ by নির্মলেন্দু গুণ
- খবরে 'খবর' হোক by মাহফুজুর রহমান মানিক
- ‘বিএনপি-জামায়াত বিনা কারণে মানুষ মারছে’ -প্রধানমন্...
- এবার ভারত জয়ের স্বপ্ন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের
- দিল্লি জয়ী ৬ নারী
- শিক্ষা কার্যক্রম ধ্বংস করবেন না by ওয়ালিদ বিন বকুল
- মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ভোটাধিকার রহিত
- সৌদি আরবে যেতে নাম নিবন্ধনের জন্য ভিড়
- শিল্পের ত্রিমুখী বর্তমান by শুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঝালকাঠিতে পিপি হত্যা মামলা- জেএমবির পাঁচজনের ফাঁসি...
- বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাতিস...
- পৃথিবীর পথে বাংলা by রউফুল আলম
- সবাই অঙ্কে ভুল করছেন by মাসুদ মজুমদার
- বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা- মানুষ পোড়ানোর রাজনীতি নয়
- সৌদিতে বিতাড়নের মধ্যে শ্রমিক আমদানির তোড়জোড়
- স্কুলছাত্রীরা দিনের ৭ ঘণ্টাই মুঠোফোনে
- চা খেতে খেতে খুনের খতিয়ান দেখেন ওবামা
- দিল্লি বিধানসভায় বিরোধী দল নেই
- বাংলাদেশের জন্য স্কটল্যান্ডের সতর্ক সংকেত
- দেশ শান্ত হলে ঢাকার বাইরে শুটিং করব
- কপোতাক্ষ নদ দখল করে ভবন নির্মাণ
- আগ্রহ গল্প-উপন্যাসে by ফররুখ মাহমুদ
- নেপথ্যে দায়িত্বে অবহেলা ও জনবল সংকট! -ওসমানীতে তদন...
- দেশ ও জনতা কি শুধু হেরেই যাবে? by অধ্যাপক এ কে এম ...
- ভাগ্য বিড়ম্বিত পাকুন্দিয়ার আমেনা by মানিক আহমেদ
- স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ ঘিরে রহস্য by রুদ্র মিজান
- ওসমানীতে পরের রাতেও অঘটন by ওয়েছ খছরু
- জাতীয় সংলাপ ও জাতীয় সনদ by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড- ১০ই মার্চের মধ্যে খুনিদের গ্...
- পরিস্থিতির কারণে এনকাউন্টার
- সংকটের সমাধান বল প্রয়োগে নয় by মামুন আহমেদ
- জনপ্রত্যাশা সামলাতে পারবেন কেজরিওয়াল? by শুভম ঘোষ
- সীমাহীন ক্ষমতার রাশ টানবে কে? by মশিউল আলম
- বিপর্যস্ত পর্যটন খাত
- এ দৃশ্য শুধু অবাঞ্ছিত নয়, মর্মান্তিকও by মিনা ফারাহ
- কিউবার পর ইরান : আমেরিকার সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে? b...
- হাসপাতালে এক দিনে ৩২ জনের মৃত্যু- অবহেলা করা হলে ব...
- সংলাপের উদ্যোক্তাদের বিতর্কিত করার কৌশল- এ পথ সমস্...
- ‘আমিও নাই তুমিও নাই’ by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- গণতান্ত্রিক অধিকারের সুযোগে অরাজকতা সৃষ্টি নয় by জ...
- সহিংস রাজনীতি, উত্তরণের উপায় by গোলাম মোহাম্মদ ক...
- সাধারণ এক মানুষের অসাধারণ বিজয় by সুভাষ সাহা ও নুর...
- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়- দ্রুত...
- আন্তর্জাতিক আইনে সন্ত্রাসবাদীদের বিচার হবে : প্রধা...
- রাজনৈতিক অস্থিরতায় বন্ধ ৩৬ হাজার পোলট্রি খামার- অব...
- আর কত পুড়ে মরা মানুষ চাই? by ড. নূরজাহান সরকার
- স্মরণ : সাহিত্যিক ও গবেষক আতোয়ার রহমান by আহমদ-উজ-...
-
▼
Feb 12
(50)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment