Friday, January 30, 2026
ট্রাম্প যেভাবে আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছেন by মো. আবু নাসের
ট্রাম্প যেভাবে আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছেন by মো. আবু নাসের
জাহাজটি ইরাকের ধারেকাছে কোথাও ছিল না। সেটি প্রায় সাড়ে বারো হাজার কিলোমিটার দূরে ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো শহরের সমুদ্রপাড়ে নিরাপদে অবস্থান করছিল।
টেলিভিশনের পর্দায় আর সংবাদপত্রের পাতায় দিনের পর দিন ‘মিশন অ্যাকমপ্লিশড’লেখা হলেও বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। অতিরিক্ত শক্তিপ্রদর্শন আর বিজয়োল্লাস বড় ধরনের যুদ্ধ বন্ধ করতে পেরেছিল, কিন্তু ওই ঘোষণা ইরাকের নিরাপত্তা আর দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
বুশের ওই নাটকীয় ভাষণের পর শুরু হয় বিদ্রোহ আর আঞ্চলিক অস্থিরতা। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটা ছিল বড় ধরনের একটা শিক্ষা।
এই শিক্ষা বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ে আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। নিজেকে ‘আয়রনম্যান’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তিনি অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করছেন। বিভিন্ন দেশ আর ব্যক্তিকে ভয় দেখাচ্ছেন। ব্যবহার করছেন আক্রমণাত্মক ভাষা। অন্যায্য শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্যান্য দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করছেন। বিশ্বে আমেরিকার অবস্থান ক্রমে ক্ষয় হচ্ছে। শক্তি যখন রুক্ষ বা অসংগতভাবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা প্রতিপক্ষকে বশ মানায় না; বরং মিত্রদের দূরে ঠেলে দেয়। প্রতিদ্বন্দ্বীদের শেখায় কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটাতে হয়।
শক্তির সঙ্গে সংযম, আর উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে শৃঙ্খলা—এ মিশ্রণই হয়ে উঠেছিল আমেরিকান নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য। আজ সেই ঐতিহ্য গভীর চাপের মুখে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থা টিকে আছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি তা থেকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে। পরিহাস হলো, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামে প্রচারিত এসব নীতি শেষ পর্যন্ত আমেরিকার গুরুত্বই কমিয়ে দিতে পারে।
বহু দশক ধরে বিশ্বনেতৃত্বের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ছিল প্রশ্নাতীত। অতুলনীয় সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছে। শুধু শক্ত আঘাত হানতে পারার ক্ষমতার কারণে নয়, বরং নানা দেশকে নিজের জোটে এনে যুক্তরাষ্ট্র শত্রুদের নিবৃত্ত করেছে। জোটভুক্ত দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ভারসাম্য রক্ষা করে চলছিল। কিন্তু শক্তি আর ভীতিপ্রদর্শনকে কৌশলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে ট্রাম্প এই ভারসাম্য ভেঙে দিচ্ছেন।
ট্রাম্পের ভাষা প্রায়ই উত্তেজনা বাড়ায়। কিন্তু ইতিহাস বলে, বিশ্বাসযোগ্যতা শব্দের উচ্চতায় মাপা যায় না। শীতল যুদ্ধের সময় ট্রুম্যান থেকে রিগ্যান পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টরা বুঝেছিলেন যে সংযম অনেক সময় স্থিতিশীলতা আনে। কিউবান ক্ষেপণাস্ত্রসংকট সমস্যার সমাধান হয়েছিল গোপন কূটনীতি ও পারস্পরিক ছাড়ের মাধ্যমে, হুমকির মাধ্যমে নয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থা হঠাৎ গড়ে ওঠেনি। ১৯৪৫ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও ন্যাটোর মতো প্রতিষ্ঠান গঠনে নেতৃত্ব দেয়।
এই প্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে যেমন আমেরিকার প্রভাব নিশ্চিত করে, অন্যদিকে মিত্রদের আশ্বস্ত করে। প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও স্থিতিশীল রাখে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও কূটনৈতিক রীতিনীতি দানশীলতার নিদর্শন নয়; এগুলো ছিল ক্ষমতার হাতিয়ার।
নিয়ম নির্ধারণের মাধ্যমে ওয়াশিংটন নিশ্চিত করেছিল, বৈশ্বিক বাণিজ্য, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা এমন কাঠামোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হবে, যা তারা মূলত নিয়ন্ত্রণ করে।
ট্রাম্পের নীতিগুলো এই কাঠামোর ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করছে। জোটের প্রতি সন্দেহ, বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈরিতা এবং স্বল্পমেয়াদি, লেনদেনভিত্তিক চুক্তির প্রতি ঝোঁক—এসবই আমেরিকান আধিপত্য টিকিয়ে রাখার দীর্ঘদিনের যুক্তির সঙ্গে তীব্রভাবে সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প যখন ন্যাটোকে ‘খারাপ চুক্তি’ বলে আক্রমণ করেন বা মিত্রদের বোঝা হিসেবে দেখেন, তখন তিনি আসলে সেই নেটওয়ার্কগুলোই দুর্বল করেন, যা আমেরিকার শক্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। একা দাঁড়ানো আমেরিকা শক্তিশালী নয়; সে কেবল বিচ্ছিন্ন।
ট্রাম্প ভীতিপ্রদর্শনকে কূটনীতির বিকল্প বানানোয় আমেরিকার নৈতিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি কেবল ধ্বংস করার ক্ষমতা থেকে প্রসূত নয়, বরং আইনের শাসন ও মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলো আমেরিকাকে শক্তি জুগিয়েছে।
ট্রাম্প যখন শক্তিশালী স্বৈরশাসকদের প্রশংসা করেন, মানবাধিকারসংক্রান্ত উদ্বেগ উড়িয়ে দেন বা আন্তর্জাতিক আইনকে পাশ কাটিয়ে যান, তখন তিনি মার্কিন নেতৃত্বের আকর্ষণই কমিয়ে দেন।
ইতিহাস বলে, পরাশক্তিগুলো দুর্বল হয় শক্তি হারিয়ে নয়, বরং শক্তির অপব্যবহার করে। জাহাজ বা সৈন্যের অভাবে ব্রিটেনের পতন ঘটেনি, বরং অতিরিক্ত বিস্তার ও অংশীদারদের দূরে ঠেলে দেওয়ার কারণে পতন ত্বরান্বিত হয়েছিল।
সোভিয়েত ইউনিয়নও কেবল সামরিক দুর্বলতার জন্য ভেঙে পড়েনি; ভীতিপ্রদর্শন দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষয়কে ঢাকতে পারেনি।
বাণিজ্যের কথাই ধরা যাক। দশকের পর দশক যুক্তরাষ্ট্র উন্মুক্ত বাজারের পক্ষে ছিল। অন্য অর্থনীতিগুলোকে আমেরিকার সঙ্গে বেঁধে রাখত। ট্রাম্পের শুল্ক আর বাণিজ্যযুদ্ধ অন্য দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’ নিয়ে ভাবছে। এশীয় দেশগুলো ওয়াশিংটনকে পাশ কাটিয়ে আঞ্চলিক বাণিজ্য জোরদার করছে। এমনকি দীর্ঘদিনের অংশীদাররাও প্রশ্ন করছে, আমরা কি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করতে পারি?
এ প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ক্ষমতার শূন্যতা টিকে থাকে না। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্ব থেকে সরে যাওয়ায় অন্যরা সামনে এগিয়ে আসছে। চীন বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ থেকে শুরু করে নতুন উন্নয়ন ব্যাংক পর্যন্ত বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে।
পশ্চিমা ঐক্যের ফাটল কাজে লাগিয়ে রাশিয়া কম খরচে নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে। তুরস্ক, ভারত, ব্রাজিলের মতো মাঝারি শক্তিগুলো এমন এক বহুমুখী বিশ্বের পরীক্ষা করছে, যেখানে আমেরিকার পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব কম।
ট্রাম্প আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে ব্যবস্থাপনার বিষয় হিসেবে নয়, বরং শূন্যসম প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখেন—যেখানে কেউ জেতে, কেউ হারে। এই দৃষ্টিতে নিয়ম মানে শৃঙ্খল, কূটনীতি মানে দুর্বলতা, আর পূর্বানুমেয়তা ঐচ্ছিক। কিন্তু ক্ষমতার এক বড় বৈপরীত্য হলো, আধিপত্য টিকে থাকে বিশ্বাসের ওপর। মিত্ররা শুধু শত্রুকে ভয় করে, অনুসরণ করে না; তারা অনুসরণ করে, কারণ তারা বিশ্বাস করে, নেতার কথার মূল্য আছে। যখন মার্কিন অঙ্গীকার একক নেতার মেজাজের ওপর নির্ভরশীল বলে মনে হয়, তখন প্রজন্মের পর প্রজন্মে গড়ে ওঠা বিশ্বাস দ্রুত ভেঙে পড়ে।
ট্রাম্পের সমর্থকেরা বলেন, পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা এমনিতেই ব্যর্থ হচ্ছিল; বৈশ্বিকীকরণ আমেরিকান সমাজকে ফাঁপা করে দিয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের শক্তিশালী করেছে। তারা সমস্যার বিষয়ে সঠিক, কিন্তু সমাধানের বিষয়ে ভুল। ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার উত্তর সেটিকে পরিত্যাগ করা নয়, বরং সংস্কার করা। টেবিল ছেড়ে উঠে গেলে প্রতিপক্ষ শাস্তি পায় না; বরং তারা চেয়ারগুলো নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ পায়।
এটা ঠিক, ট্রাম্পের পথ যুক্তরাষ্ট্রকে তাৎক্ষণিক পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে না। কিন্তু তাঁর নীতি দেশটিকে ধীরে ধীরে গুরুত্বহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কৌশলের বদলে দাম্ভিকতা এবং নেতৃত্বের বদলে জবরদস্তি বেছে নিয়ে তিনি আমেরিকার নিরাপত্তার ভিত্তিই দুর্বল করছেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তি মানে কে কত জোরে হুমকি দেয় তা নয়, বরং কতজন বিশ্বাস করে যে তার পাশে দাঁড়ানো সার্থক।
শেষ পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা কেবল ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না। এটি টিকে থাকে বিশ্বাস, বিশ্বাসযোগ্যতা ও সংযত শক্তি ব্যবহারের ওপর। এই মানদণ্ডে ট্রাম্পের কঠোরতার রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রকে আগের চেয়ে কম নিরাপদ—এবং কম সম্মানিত—করে তুলেছে।
* ড. মো. আবু নাসের, চেয়ারপারসন, কমিউনিকেশনস বিভাগ, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, বেকার্সফিল্ড
![]() |
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র, ২৪ মার্চ ২০১৯। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1332)
-
▼
January
(307)
-
▼
Jan 30
(9)
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ইরানের ক্ষেপণা...
- ট্রাম্প যে কারণে ইরানিদের ‘ত্রাতা’ হতে চান by বেলে...
- রাজার ছেলে রাজা হবে, সেই সংস্কৃতি আমরা পাল্টে দিতে...
- তবে কি ইরানকে ভয় দেখাতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থি...
- ট্রাম্প যেভাবে আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছেন by ম...
- দেয়াল বেয়ে ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় অ্যালেক্স হনোল্ড
- কারাগারে দুই খুনির প্রেম, বিয়ে করতে পাচ্ছেন প্যারো...
- হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে আরব বসন্তের কথা কি ৩ কোটি ...
- অরণ্যের দেবী বনবিবির পূজা: পুঁথির ছন্দে বেঁচে থাকা...
-
▼
Jan 30
(9)
-
▼
January
(307)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment