Thursday, August 11, 2011
গল্প- চুপি চুপি বাঁশি বাজে by রাহাত খান
গল্প- চুপি চুপি বাঁশি বাজে by রাহাত খান
শনিবার। বাইরে পড়ন্ত দুপুর। খাওয়ার কিছুক্ষণ পর, আলস্য ও আরাম—এই দুই প্রিয় সঙ্গীকে নিয়ে বিছানায় শুয়েছিল আয়াজ। ঠিক ঘুম নয়, ঘুম আর তন্দ্রার মাঝামাঝিতে ছিল। তন্দ্রার ভাগ খানিকটা বেশি।
সময়টা বৈশাখের শেষ দিক। বাইরে রোদ-বাতাস দুই-ই গলাগলি করে ছিল। জানালা গলিয়ে বাতাসের একেকটা মৃদু বা মাঝারি ঝাপটা স্যান্ডো গেঞ্জি পরা আয়াজের এলিয়ে থাকা শরীরে এসে লাগছিল। সে তো ঠিক ঘুমের মধ্যে নয়। বেশ লাগছিল তার শুয়ে থাকতে আর মাঝেমধ্যে বাতাসের ঝাপটা খেতে।
এই না হলে উইকএন্ড! আয়াজ ছুটির দুপুরে ঘুম-তন্দ্রার জারক মেশানো সময়টার নাম দিয়েছে হোয়াট এ প্লেজার। সবে চল্লিশে পা দেওয়া তার স্ত্রী মিলি এই সময়টার নাম দিয়েছে ইংরেজিতে মোর দ্যান লাভ। মিলি ঠাট্টা, কৌতুক যা-ই করুক, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে সিরিয়াস, কোথাও বেরোতে না হলে দুপুরের একটু পর আয়াজ কোলবালিশটা পাশে নিয়ে বিছানা নেবেই। বহুদিনের অভ্যাস।
সময়টা বৈশাখের শেষ দিক। বাইরে রোদ-বাতাস দুই-ই গলাগলি করে ছিল। জানালা গলিয়ে বাতাসের একেকটা মৃদু বা মাঝারি ঝাপটা স্যান্ডো গেঞ্জি পরা আয়াজের এলিয়ে থাকা শরীরে এসে লাগছিল। সে তো ঠিক ঘুমের মধ্যে নয়। বেশ লাগছিল তার শুয়ে থাকতে আর মাঝেমধ্যে বাতাসের ঝাপটা খেতে।এই না হলে উইকএন্ড! আয়াজ ছুটির দুপুরে ঘুম-তন্দ্রার জারক মেশানো সময়টার নাম দিয়েছে হোয়াট এ প্লেজার। সবে চল্লিশে পা দেওয়া তার স্ত্রী মিলি এই সময়টার নাম দিয়েছে ইংরেজিতে মোর দ্যান লাভ। মিলি ঠাট্টা, কৌতুক যা-ই করুক, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে সিরিয়াস, কোথাও বেরোতে না হলে দুপুরের একটু পর আয়াজ কোলবালিশটা পাশে নিয়ে বিছানা নেবেই। বহুদিনের অভ্যাস।
বিকেল এখন অনেকটা রোদ খেয়ে নিয়ে দুপুরকে আলবিদা জানানোর তালে আছে। ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে অনেকক্ষণ সাজগোজ করা চলছিল মিলির। বিকেলে হাই-টির দাওয়াত পাশের অ্যাপার্টমেন্টের জামশেদ সাহেবের বাসায় ছেলের পড়াশোনা করতে বিলেত যাওয়া উপলক্ষে। পুরো পরিবারেরই দাওয়াত।
মিলি শাড়ি, অলংকার পরেটরে একদম তৈরি। বিছানায় চোখ বুজে শুয়ে থাকা স্বামীর উদ্দেশে সে বলে, জিন্দা না মওতা?
চোখ না খুলে ঘুমজড়ানো গলায় আয়াজ বলে, মওতাই বলতে পার। সেভেনটি ফাইভ পার্সেন্ট...
মিলি বলে, ঢং কোরো না, যাবে কি না বলো...
তেমনই ঘুমজড়ানো গলায় আয়াজের উত্তর, কী করে যাই। শরীরে ঘুমের হাই ফিভার। এক শ আট ডিগ্রির কম নয়।
মিলি বলে, ঠিক আছে, তুমি থাকো তাহলে। জামশেদ সাহেবরা মুক্তাগাছা থেকে অরিজিন্যাল মণ্ডা, কুমিল্লা থেকে রসমালাই এনেছে বলে শুনেছি। যাই, আমরাই গিয়ে মিষ্টির বংশ ধ্বংস করে আসি!
এ কথা শুনে চোখ খুলে মিলির দিকে পিটপিট করে তাকিয়ে আয়াজ বলে, খুব ভালো। খুব ভালো। আর ছটাক দুই মেদ-চর্বি না হওয়া পর্যন্ত তোমাকে তো ঠিক মুটকি বলা যাচ্ছে না। মিষ্টি মাংস, ঘি, চর্বি খেয়ে এটুকু জোগাড় করে ফেলো! যত তাড়াতাড়ি পারো...
মিলির এমনিতেই একটু মোটাঘেঁষে শরীর। আয়াজের কথা শুনে যেন খুব দুঃখ পেয়েছে, সে বলে, আমি মুটকি! বেশ, মুটকিই ভালো! আমি আর কদিন। বড়জোর দুই বছর, আড়াই বছর। তারপর তো একদমই সবাইকে গুডবাই জানিয়ে আল্লার কাছে চলে যাব!
তাহলে মন্দ হয় না। আয়াজের চোখ এখন খোলা। তাকে গম্ভীর মনে হচ্ছিল। বলে, তা ইহলোক ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে তোমার বিকল্প একটা ব্যবস্থা যদি করে দিয়ে যাও, তো খুব ভালো হয়!
এরপর কথা নয়, অ্যাকশন। শুয়ে থাকা আয়াজের পিঠে চার-পাঁচটা গুমগুম কিল। আয়াজ তখন হাসছিল।
কাজের বুয়া বাইরে। বস্তিতে নিজেদের ঝুপড়িঘরে গেছে বাচ্চাকাচ্চা আর তার বাপকে দেখতে। সন্ধ্যার আগে ফেরার সম্ভাবনা খুব কম। স্নেহা ও প্রিয়কে নিয়ে মিলির বেরিয়ে যাওয়ার পর বিছানা থেকে উঠে গিয়ে তাকেই বন্ধ করতে হয় দরজাটা।
ফিরে এসে আয়াজ আবার বিছানায়। চটে যাওয়া ঘুম ও তন্দ্রার আবেগটা ফিরিয়ে আনতে চোখ বোজে। কিন্তু যা যায়, তা কি সহজে ফিরে আসে! তবু চোখ বুজে শুয়ে থাকে সে। ঘুম না আসুক, বিছানায় লাট হয়ে শুয়ে থাকার আরামটা ঠিকই পাচ্ছিল। যেন বা সে চাইছিল সপ্তাহজুড়ে একটু একটু করে জমতে থাকা একঘেয়েমিটুকু কাটিয়ে উঠতে।
তার চাকরি একটা বেশ নামকরা করপোরেট বিজনেস হাউসে। তার পজিশন টপ বসকে বাদ দিলে চারজনের নিচে। মাইনেটা ছয় ডিজিটে পৌঁছে আপাতত মাঝামাঝি থমকে আছে। তবে প্রমোশনের শর্ট লিস্টে তার নাম উঠে গেছে। এ নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। আর অফিসে তার কাজকর্ম খুব যে একটা ঘাম ছোটানো, তা-ও না। গোটা অফিস বাঁধা আছে অলক্ষ্য এক ডিসিপ্লিনে। কাজকর্ম সবাইকে ঠিকই করতে হয়। তবে সেটা তার কাছে দুঃসহ বা কঠোর কঠিন বলে মনে হয় না কখনো। বেশ আছে সে, তার বেশ নামকরা করপোরেট বিজনেস হাউসের চাকরিতে।
শুধু তো মোটামুটি হেভিওয়েট চাকরি নয়। ছোটবেলা থেকে লেখালেখির অভ্যাস ছিল, এখন বিস্তর লেখালেখি করে আয়াজ। গল্প, কবিতা বা উপন্যাসজাতীয় কিছু নয়, সে লেখে দেশের সবচেয়ে নামকরা দুটি বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে, নানা প্রসঙ্গ নিয়ে কলাম। গল্প-উপন্যাসের পোকা আগে মাথায় ছিল। এখন ওসব একেবারেই বাদ। মাসে দুটো বাংলায় ও দুটো ইংরেজিতে কলাম লিখে সে এখন একজন গতায়ু গল্প লেখক। কলাম লেখা ছাড়া জনপ্রিয় একটি টিভি চ্যানেলে সপ্তাহে তার দুটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনাও আছে। বলতে গেলে চাকরির বাইরেও গাধার খাটুনি খাটে সে।
হ্যাঁ, গত পনেরো-ষোলো বছরে কিছুটা খ্যাতির দেখা সে পেয়েছে। তার মাঝারি গড়নের মজবুত শরীর। মাথায় লম্বা চুলের বাবরি, নাকের নিচে বড়সড়ো গোঁফের কান্তিময় চেহারা। বহু লোকই এখন চেনে। শহরের লোকে চেনে। গ্রামের লোকে চেনে।
বুদ্ধিজীবীর অভিধাই তার কপালে জুটেছে আরকি। অথচ তিরিশ-বত্রিশ বছর আগে মাত্র ২৪ বছর বয়সে একটা মফস্বল শহর থেকে সে যখন ঢাকায় ভাগ্য ফেরানোর আশায় আসে, তখন সে ছিল রোগা-শুঁটকা এক হতাশ যুবক। যার অতীত ছিল খুব কষ্টের, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ছিল অনিশ্চিত। এত দিনে বলতেই হবে, সে কিছুটা হলেও জয় পেয়েছে। ভালো চাকরি, মিলির মতো অসাধারণ স্ত্রী, লিখেটিখে নাম—মনে হয় অনিশ্চয়তা থেকে যেন স্বপ্নের মতো জীবনের দেখা মিলেছে। অবশ্য এ জন্য শুধু ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল না সে। খেটেছে, অনেক রক্ত-ঘাম ঝরিয়েছে শরীর থেকে।
এ সবই তার হয়ে ওঠার ইতিবৃত্ত। আয়াজ হোসেন—এই নামটা এখন প্রচারমাধ্যমে কিছুটা হলেও সম্মান পায়। সে ছিল গ্রামের ছেলে। মফস্বল শহরে পড়াশোনা। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ পরীক্ষাটা পাস দেওয়ায়, এই সময়েই ভালোভাবে চেনাজানা হওয়ার আগেই হাফ আরবান, হাফ রুর্যাল ছোটখাটো শ্যামলা স্ট্যাটাসের একটা মেয়েকে হঠাৎ দুম করে সে বিয়ে করে ফেলেছিল। তারপর জীবন টেনে টেনে এগোবার দুর্ভোগ। তারপর বিচ্ছেদ। তারপর হতাশায় ভুগে ভুগে শরীর ছিবড়ে হয়ে যাওয়া ইত্যাদি কত কী আছে!
বিছানায় লাট হয়ে শোয়া আয়াজের চোখে ঘুম আর ছিল না। চেষ্টা করছিল আরাম খেতে খেতে আবেগময় তন্দ্রাটা ফিরিয়ে আনতে। এও ভাবছিল, শনিবারের দিবানিদ্রাটা তেমন না হোক, একলা থাকার, মানুষের জন্য যা খুবই অপরিহার্য, সে রকম একটা অবকাশ তো পাওয়া গেল। এটুকু পাওয়াই বা মন্দ কি!
দুপুর এখন অল্প মরাটে রোদ চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে প্রস্থান করেছে। এখন বিকেল। বিকেল কেমন একটা বিষণ্নতা নিয়ে আসে। এ সময় শুয়ে থাকতে ইচ্ছে হয় না। বাথরুমে ঢুকে চোখমুখ ভালো করে ধুয়ে নেয় আয়াজ। স্ত্রীর খুব যত্ন করে তৈরি করা রান্নাঘরে ঢোকে। এক পেয়ালা চা তৈরি করে নিয়ে দক্ষিণের বেশ চওড়া ব্যালকনিতে এসে বসে। আর কিছু না, বিকেলের আস্তে আস্তে ফুরোনোর দৃশ্যটা দেখা, চায়ে চুমুক দিতে দিতে। সন্ধ্যার দিকটায় সে বসবে লিখতে, ডেটা-ম্যাটেরিয়াল মোটামুটি সংগ্রহে আছে। এক হাজার শব্দের কলামটা লিখতে তার ঘণ্টা দুয়ের বেশি লাগবে না।
চায়ে চুমুক দিচ্ছে। ক্রমে ক্রমে বিকেলের দীর্ঘ ছায়া ফেলা দেখছে। এ সময় ইন্টারকম বাজার তীব্র স্বরটা কানে এসে বাজে আয়াজের।
ইন্টারকম ধরে দারোয়ানের কাছে জানা গেল, একটা লোক এসেছে স্যারের কাছে। দেখে গ্রামের লোক বলে মনে হয়। একটা চিঠি নিয়ে এসেছে। লোকটা বলেছে, মদনপুর বললেই নাকি আয়াজ সাহেব চিনবেন।
প্রথমটায় মদনপুর গ্রামটা মনেই করতে পারল না আয়াজ। কয়েক সেকেন্ড। তার পরই মনে পড়ল, মদনপুর মানে তো সোহানাদের গ্রাম। আটাশ বছর আগে যার সঙ্গে আয়াজ হোসেনের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল। আইনগতভাবেই, দুই পক্ষের সমঝোতায়।
একটু বিরক্ত হয়। সেই সঙ্গে আবার খানিকটা উদ্বেগ। বেশ তো সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে আছে আয়াজ স্ত্রী-পুত্র-কন্যার সংসারে। হঠাৎ এর মধ্যে মদনপুর আর সোহানা কেন? মদনপুর থেকে আয়াজের কাছে চিঠি পাঠানোই বা কেন? তার শান্তিপূর্ণ সংসারে সন্দেহ-সংশয় বা অন্য কোনো অনাসৃষ্টির মতলব নেই তো সোহানার?
বিরক্তি ও উদ্বেগ নিয়ে লোকটাকে ওপরে ১০তলায় আসতে বলে দেয় আয়াজ। বিচ্ছেদের পর তার আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল সোহানার। এই সংসারে তার দুটি ছেলেমেয়েও আছে বলে সে জানে। এও জানে, দ্বিতীয় সংসারে সোহানার মন টেকেনি। ঘর ও সংসার করা যাকে বলে, তা ঠিক সে করে না। মাঝেমধ্যেই বাড়ি ছেড়ে উধাও হয়ে যায়। মরিয়মের কাছে সোহানার ভাবান্তর ও রূপান্তরের এসব গল্প শোনে আয়াজ। সোহানা নাকি, কী উদ্দেশ্যে বোঝা যায় না, মাজারে মাজারে ঘুরে বেড়ায়। আগে ঐশ্বর্য বলতে সোহানার ছিল তার একহারা গড়নের শরীরে শ্রী ঝরে পড়া একটা স্বাস্থ্য। এখন নাকি শরীরে স্বাস্থ্য-শ্রী বলতে কিছুই নেই। মরিয়ম বলেছিল, দেখতে নাকি একটা কাজের বুয়ার চেয়ে বিচ্ছিরি হয়ে গেছে সোহানা।
মরিয়ম কালেভদ্রে কখনো-সখনো আয়াজের অফিসে আসে। আয়াজের সেই ফেলে আসা মফস্বল শহরে তার বসবাস। মরিয়মের বাসার পাশের বাড়িতে থাকে সোহানার ছোট বোন রেহানা। মরিয়মের সঙ্গে ওখানেই কখনো কখনো দেখা হয় সোহানার। তার শরীর হয়ে গেছে রোগা আর নড়বড়ে। পান খেয়ে খেয়ে দাঁতগুলো কালো। শাড়ি-কাপড় অনেক সময়ই থাকে এলোমেলো। মাথার একগাদা রুক্ষ চুলে মাঝেমধ্যে মরিয়মের তাকে পেত্নীর মতো মনে হয়। ভাবাও যায় না, বাংলাদেশে এখনকার সময়ে ছোট পর্দায় ও লিখেটিখে বেশ নামকরা আয়াজ হোসেনের স্ত্রী ছিল একদা। কোনো দিন।
এসব খবর শুনেছে মরিয়মের কাছে। মরিয়ম প্রায় মধ্যবয়সী এক মহিলা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে এমএ পাস করেছিল বেশ কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। দেখতেটেখতে খারাপ নয়। তার খুব ইচ্ছে, টেলিভিশনের সংবাদ পাঠিকা হওয়ার। যেকোনো টিভি চ্যানেলে। হাটখোলার কাছে তার একটা ফ্ল্যাট আছে, দরকার হলে ভাড়াটে উঠিয়ে দিয়ে সে ঢাকায় বসবাস করতে রাজি। আর স্বামী, ছেলেমেয়েরা? ছেলেমেয়েরা তার সঙ্গে ঢাকায় থাকবে আর স্বামী তার ব্যবসা গুটিয়ে ঢাকায় আসতে না চাইলে মফস্বল শহরেই থাকবে, মাঝেমধ্যে ঢাকায় আসবে।
মরিয়ম খুব ভালো মহিলা। তার উচ্চারণ ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ টিভিতে সংবাদ পাঠের বিপক্ষে যায় শুনেও আয়াজের ওপর রাগ করেনি। এরপর কোনো উপলক্ষে ঢাকায় এলে মরিয়ম কখনো কখনো তার অফিসে যায়। একধরনের বন্ধুত্বের বা বলা যাক আলাপচারিতার ক্ষীণ সূত্র গড়ে উঠেছে। আয়াজের সঙ্গে। সোহানার খবরাখবর ওর কাছ থেকেই পায় আয়াজ হোসেন।
বিচ্ছেদের পর সোহানার সঙ্গে কোনো দিন দেখা হয়নি। আয়াজ তো মাঝেমধ্যে তার প্রিয় শহরে ছুটি কাটাতে একা, কখনো পরিবার নিয়ে যায়। সোহানার অনেক আত্মীয় ঢাকায়, কে জানে, সেও হয়তো কখনো ঢাকায় আসে। দৈব বা ঘটনাচক্রে সেই মফস্বল শহর বা ঢাকায় তাদের দেখা হতে পারত। এমন তো কত হয়। কিন্তু বিচ্ছেদের পর কোথাও, কখনো তাদের দেখা হয়নি। তবে হ্যাঁ, বছর পাঁচেক আগে অফিসের ঠিকানায় সোহানার লেখা একটা চিঠি পেয়েছিল আয়াজ। চিঠিতে ইনিয়ে-বিনিয়ে বহু দুঃখ, বহু অনুতাপের কথা বলা ছিল। বলা যায়, একটা বড়সড় আবেগকে ভাষা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল সোহানা। কথাগুলো এত দিনে আর কিছুই মনে নেই আয়াজের। শুধু মনে আছে, সম্বোধনে সোহানা লিখেছিল, ধ্রুবতারা। বাসায় গিয়ে ছিঁড়ে কুটিকুটি করে ফেলা চিঠিটার কথা মিলিকে সে জানিয়েছিল। না, মিলি ঠাট্টা-মশকরা করেছিল প্রচুর, তবে রাগ করেনি। স্বামীকে সে এত দিনে ভালোই চেনে।
ডোরবেল বাজে। জবুথবু পোশাকে একটা গ্রামের লোক। চিঠিটা সে খামসুদ্ধ আয়াজকে দেয়। আয়াজ খাম ছিঁড়ে চিঠিটা পড়ে। লেখা আয়েশা আখতারের। সোহানার মা। চিঠিতে কোনো সম্বোধন ছিল না। বলা ছিল, সোহানা মৃত্যুশয্যায়। গ্রামের বাড়িতেই আছে। একবার দেখতে চায় আয়াজ হোসেনকে। যদি সম্ভব হয়, আয়াজ হোসেন যেন আজকালের মধ্যে সোহানার শেষ ইচ্ছাটা পূরণ করতে মদনপুরে আসে।
একটু থমকে যায় আয়াজ চিঠিটা পড়ে। সোহানা তার চেয়ে বয়সে দুই-আড়াই বছরের ছোট ছিল। বয়স বায়ান্ন-তেপ্পান্নর বেশি হওয়ার কথা নয়। এই বয়সে মৃত্যুশয্যায়? হয়তো চিকিৎসার সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গ্রামের বাড়িতে গেছে।
একটা ধাক্কা খায়। কোনো আবেগ নয়, এক ধরনের ছায়াস্মৃতি তাকে খানিকটা হতবাক ও বিমূঢ় করে দিয়েছিল। সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করল না। চিঠি নিয়ে আসা লোকটার কাছ থেকে সোহানাদের বাড়ির একটা সেল নম্বর নিয়ে বলল, যাব কি না, সেটা আজ বা কালের মধ্যে মদনপুরে জানিয়ে দেব। আপনি যান।
আবার সেই বাসার দক্ষিণ ব্যালকনিতে ফিরে আসা। বাতাসের তাণ্ডব আরও একটু বেড়েছে। সন্ধ্যা হতে বেশি বাকি নেই। এখন শুধু তার শেষ বিকেলের কনে দেখা আলোটুকু গিলে ফেলা।
আয়াজ খানিকটা বিরক্তি ও উদ্বেগ নিয়ে ম্লানমুখে বসে ছিল। বুঝতে পারছিল, একটা উদ্ভট ঝামেলার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে সে। এমন নয় যে বিচ্ছেদ হলেও সোহানার জন্য মনে মনে সে সহানুভূতি পোষণ করত না। কিংবা এখনো করে না। কিন্তু মুশকিল হলো, সে তো এখন সোহানা থেকে বহু দূরে, আলাদা আরেকটা জগতে বাস করে। সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যেই আছে সে। একটা সফল দাম্পত্যে যতটুকু আনন্দ-সুখ ধরে, পরিপূর্ণভাবে প্রায় সবই আছে তার মধ্যে। হঠাৎ এসবের মধ্যে সোহানার একটা অনুরোধ এসে পড়া, মৃত্যুশয্যায় সে এখন মদনপুরে। সেখানে আয়েশা আখতার, সোহানার মা, তার সাবেক শাশুড়ির চিঠি পেয়ে যাওয়া উচিত কি উচিত না, আয়াজ ঠিক বুঝতে পারছিল না।
সন্ধ্যার একটু পরই ফিরল মিলিরা। আয়াজকে একটু বিষণ্ন, মনমরা দেখে কারণ জিজ্ঞেস করলে আয়াজ চিঠিটা তুলে দেয় মিলির হাতে। আয়েশা আখতার কে? সে আগে জিজ্ঞেস করে আয়াজকে। চিঠি পড়ে মিলি একটু গম্ভীর হয়ে যায়।
আয়াজ বলে, ভাবছি যাব না। গিয়ে কী হবে?
মিলি বলল, বেশ দৃঢ়তার সঙ্গেই বলল যে অন্তত মানবতার খাতিরে হলেও আয়াজের যাওয়া উচিত। মহিলা আয়াজের শত্রু তো নয়। বরং এককালে আয়াজের স্ত্রী ছিল। মহিলা মৃত্যুদশায়। আয়াজকে দেখতে চেয়েছে। আয়াজের অবশ্যই, অবশ্যই যাওয়া উচিত। সম্ভব হলে আজ রাতের ট্রেনেই।
মহিলাটা সারা জীবন তার দুঃখ বয়ে বেড়িয়েছে। কখনো এ নিয়ে কোথাও অভিযোগ করেনি। বিরক্ত করেনি আয়াজকে। এ সবই সত্যি। তবে আবেগ, উচ্ছ্বাস আর কান্নাকাটির মুখোমুখি হতে তার খুব ভয়। একটা খামোখা ঝামেলায় যে সে জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে, এ নিয়ে আয়াজের মনে কোনো সন্দেহ ছিল না।
রাতে নয়, সকাল আটটার ট্রেনে রওনা দেয় আয়াজ। ছুটে চলার পর ট্রেনের সেই ঝিকমিক শব্দ। ছাড়িয়ে যেতে যেতে দুই পাশে লোকালয়, মাঠ, খেত-জমি, বন-জঙ্গল ও জলাশয়ের পুরোনো দৃশ্য। এই ট্রেন বেশ কয়েকটা স্টেশন এবং একটা জংশন পার হয়ে প্রথমে যাবে তার ফেলে আসা পুরোনো শহরে। বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে এই ট্রেনই তিনটা স্টেশন পার করে তাকে পৌঁছে দেবে মদনপুর। স্টেশন থেকে সোহানাদের গাছপালা ঘেরা আধাপাকা বাড়িতে হেঁটে যেতে আধঘণ্টার বেশি সময় লাগে না।
ট্রেন ছুটে চলেছে। খোলা জানালার পাশঘেঁষে বসা আয়াজকে এ সময় দখল করেছিল একধরনের অন্যমনস্কতা এবং স্মৃতিমন্থনের সুখ-দুঃখ-যাতনা। ট্রেনে যেতে যেতে সে অন্য এক আয়াজ হয়ে গিয়েছিল বোধহয়। তার মনে পড়ে, একটা সময় ছিল, সোহানা ও সে একসঙ্গে কিংবা একাই ট্রেনে চেপে মদনপুর যেত। মদনপুরে গেলে তারা শেষ দুপুরে কিংবা বিকেলে অতি অবশ্যই নদীর ধারে যেত, নদী সামনে রেখে বসে থাকত তারা, যতক্ষণ খুশি। সোহানা গান গাইত। গলা ভালো ছিল না তার। সুরজ্ঞানটা যদিও ছিল মোটামুটি। জানত সে মোটে বাংলা-হিন্দি মিলিয়ে গোটা পাঁচ-সাতেক গান। একটু বললেই এমনকি না বললেও সে গাইতে শুরু করত। একটা গান তো খুবই পছন্দের ছিল তার। বাণিজ্যিক একটা বাংলা ছবির গান। ‘নিশি রাত বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে।’ গীতা দত্তের কিছুটা অপমান করাই আরকি। তবু সোহানা, কেউ পছন্দ করুক না করুক, এই গানটাই বেশির ভাগ সময় গাইত। আয়াজ অবশ্য সোহানার গান শুনত কতটা তা বলা কঠিন। সামনে নদ ব্রহ্মপুত্র। সে তাকিয়ে নদী দেখত। দেখা মানে সেই আদ্যিকালের পুরোনো আকাশ ও মেঘমালা দেখা, কাশবন বাতাসে দুলতে থাকত, কাশবন তো নদীর ধারে দাঁড়িয়ে দুলতেই থাকে, নতুনত্ব কিছু নেই—না থাকুক, আয়াজ চেয়ে থাকত কাশবনের দিকে। নদ ব্রহ্মপুত্রের শোভা-সৌন্দর্যের ভেতর আরও ছিল কত হাজার বছরের বহমান জলধারা, আয়নার মতো, যা কখনো কখনো ঝিকমিক করে উঠত। সেদিকে তাকিয়ে দেখতে থাকত আয়াজ। সোহানার গান না হোক, ব্রহ্মপুত্র নদ তাকে খুব আনন্দ দিত। যতবার দেখত ভালো লাগত। এই শোভা-সৌন্দর্যের আনন্দ যেন ফুরোনোর নয়।
সোহানা ছিল তার প্রিয় এক সহপাঠীর জ্ঞাতি বোন। শহরে বালিকা বিদ্যালয়ের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত সে। নবম কি দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল সে বিয়ের সময়। গ্রামের মেয়ে, বয়সটা খুব কম ছিল না। সতেরো-আঠারো তো হবেই। আয়াজের চেয়ে তিন কি চার বছরের ছোট ছিল। বন্ধু নুরুল আমিন মাঝেমধ্যে আয়াজকে নিয়ে যেত তার বড় চাচার বাসায়। বড় চাচা বেশ পসার করা মোক্তার ছিলেন। তাঁর বাসায়ই কয়েক দিন আয়াজের সঙ্গে সোহানার দেখা হয়েছে।
সোহানার ছিল ছোটখাটো শরীর। একহারা গড়ন। গায়ের রংটা কালোঘেঁষে শ্যামলা। তবে তাজা স্বাস্থ্য নাকি বয়স সোহানার সর্ব অবয়বে একটা আলগা দীপ্তিময় শ্রী দিয়েছিল। আয়াজের তখনো জীবন ও বাস্তবতা মুখস্থ হয়নি। তার সেই বয়সটা ছিল কোথাও কিছুতে খানিকটা মুগ্ধ হওয়ার, কিছু দেখলে দিওয়ানা হওয়ার বয়স। গ্রামের ছেলের শহরে লেখাপড়া শেষ করার পর যা হয়, সোহানাকে দেখে তেমনটাই হয়ে গিয়েছিল আয়াজ। সোহানা ছুটিতে গ্রামে আছে শুনে সে একাই চিনে চিনে একবার চলে গিয়েছিল সোহানাদের বাড়ি। সোহানা হয়তো খুশিই হয়েছিল তাকে দেখে। সে আয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখিয়েছিল গ্রামের বাঁশঝাড়, দত্তদের দালানবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, হিন্দুপাড়া। আর ব্রহ্মপুত্র নদ দেখাতে তো নিয়েই গিয়েছিল। সেদিনও নদী সামনে রেখে তারা বেশ কিছুক্ষণ বসেছিল। আর সোহানার ‘চুপি চুপি বাঁশি বাজে’ গাওয়া তো ছিলই। একটু বলতেই সোহানা তাকে বেশ কয়েকটা গান শুনিয়ে দিয়েছিল।
এর মাসখানেকের মধ্যে বিয়েটা হয়ে গিয়েছিল সোহানা ও আয়াজের মধ্যে। বিয়েতে দুই পক্ষই ছিল। তবে মেয়ে দেখে বাবার খুব একটা পছন্দ হয়নি বলে মনে হয়েছিল। আশ্চর্য, বিয়ের পর দিন পাঁচেকের মধ্যে আয়াজেরও মনে হয়েছিল, সোহানা ও সে দুজনই দুজনার ভুল মানুষ। বিয়েটা দুটো আলাদা মেজাজ, আলাদা রুচির মানুষের বিয়ে হয়ে গেছে। তবে এই উপলব্ধি কাউকে বুঝতে দেয়নি আয়াজ। সোহানাকে তো নয়ই। ধরে নিয়েছিল, সোহানা তার ললাট লিখন। করার কিছু নেই, বোরডম যত জমুক, তাকে নিয়ে জীবননদী পাড়ি দিতে হবে।
ট্রেন একটা স্টেশনে থামে। মিনিট পাঁচেকের বেশি নয়, আবার ছুটতে থাকে। এবার বেশি স্পিড দিয়ে। ট্রেন ছুটছে। আবার আয়াজের স্মৃতির খপ্পরে পড়া। মনে আছে, এ সময় ভাগ্যবশত স্থানীয় একটা কলেজে অধ্যাপনার চাকরি পেয়ে গিয়েছিল সে। কলেজের কাছে একটা বাসা নিল দুই রুমের। সোহানার উগ্র মেজাজ, আয়াজকে পাত্তা না দেওয়া, যখন-তখন এর-ওর সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া দিন দিন বাড়তেই থাকে। কোনো কোনো সময় বেশ রাত করে বাসায় ফেরে সোহানা। এত রাত পর্যন্ত কোথায় ছিলে—এ ধরনের প্রশ্নে বরাবরই সোহানার উত্তর ছিল, বাইরে; আবার কোথায়।
সন্দেহের কাঁটা আয়াজের মনে বিঁধেই গিয়েছিল। কিন্তু স্ত্রীকে সন্দেহ করার জন্য নিজেকে নিজে ভর্ৎসনা করত আয়াজ। আবার পাশাপাশি ভাবত, বিছানায় কামিনী নাগিনী হয়ে উঠলে সে তো দানব হয়ে উঠে ঠেকায়। তাহলে এত উপেক্ষা কেন আয়াজকে। দিনগুলো এভাবেই কাটছিল। আয়াজ ধরে নিয়েছিল, এভাবেই জীবনটা কেটে যাবে।
এখন মনে হয় সোহানার সঙ্গে ওর বিয়েটা হয়েছিল যেন সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার জন্যই। এক দুপুরে কলেজ থেকে হঠাৎ বাসায় ফিরে আয়াজ শেষ দৃশ্যটা দেখে ফেলেছিল। বিছানায় সোহানা ও আরেকজন। সোহানারই সম্পর্কীয় ভাই। এর দুই মাসের মধ্যে আইনগত বিচ্ছেদটা হয়ে গিয়েছিল তাদের। এখন মনে মনে আফসোস করে আয়াজ। তার তখন আর একটু উদারতা, আরেকটু ক্ষমাগুণ যদি থাকত! প্রকাশ না করুক, জীবনভর, গোপনে-সংগোপনে একটা দীর্ঘশ্বাসপূর্ণ সহানুভূতি ছিলই সোহানার প্রতি। এখন তো জীবনের গতিপথ পাল্টে গেছে। ঢাকা চলে গিয়েছিল সে অন্য একটা চাকরি পেয়ে। এমবিএটা করে ফেলেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিকেলের কোর্সে ক্লাস করে। মিলিকে বিয়ে করেছিল এর কিছুদিন পর। এখন তো একদমই বদলে যাওয়া জীবন তার। এক ছেলে, এক মেয়ে এবং মিলির মতো রসবোধসম্পন্ন এক অসাধারণ স্ত্রী নিয়ে কিস্তি দিয়ে কেনা নিজস্ব ফ্ল্যাটে সুখে-স্বচ্ছন্দে বাস করে সে। সোহানার প্রতি গোপনে যতই দুঃখ ও সহানুভূতি থাকুক তার, এখনকার জীবনটা হারাতে চায় না সে কোনোমতেই। খ্যাতি, ভালো মাইনের চাকরি এবং একটা সুখের সংসার তার, জীবনে ওয়েলসেট হওয়া বলতে যা বোঝায়। এই জীবনের বিনিময়ে আর কোনো কিছুরই সওদা করতে রাজি নয় আয়াজ।
মফস্বল শহর হয়ে ট্রেনে মদনপুর পৌঁছাতে তার একটা বেজে যায়। গিয়ে জানতে পারে, গতকাল দুপুরের দিকে সোহানা মারা গেছে। অত দূর থেকে ছুটে আসছে বলে বাড়ির কে একজন দয়াপরবশ হয়ে আয়াজকে নিয়ে যায় সোহানার কবরে। আয়াজ চুপচাপ কবরের পাশে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। হ্যাঁ, কষ্ট কিছুটা হচ্ছিল তার, অতি অবশ্যই। ভুল হোক, অশান্তিপূর্ণ হোক—যা-ই হোক, সবকিছুর পরও সোহানা তো ছিল তারুণ্য পার হওয়া সদ্য যুবকের প্রথম সঙ্গিনী। এমনকি বলা যায়, প্রথম প্রেম। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সোহানার জন্য আয়াজের কষ্ট খানিকটা হচ্ছিল বৈকি!
তবে করার তো কিছু নেই। বাড়ির সবারই ব্যবহার একটু নিস্পৃহ এবং শীতল হলেও তারা আয়াজকে না খাইয়ে ছাড়ল না। খেয়ে, মিনিট কয়েক এমনিই বসে থেকে বিশ্রাম করে স্টেশনের দিকে রওনা দেয়। স্টেশনে যেতে কিছুটা হাঁটা পথ। যেতে যেতে চোখে পড়ে নদীটা। হাতে যথেষ্টই সময় আছে। ট্রেন তো পাঁচটায়। নদীটা দেখে যেতে তার খুব ইচ্ছা জাগে।
ইতস্তত ছড়ানো গাছপালা আর মাঠ পার হলেই নদী। আয়াজ নদী বা বলা যাক নদ ব্রহ্মপুত্রের ধারে গিয়ে দাঁড়ায়। আগের মতো নেই, ব্রহ্মপুত্র অনেক শীর্ণ হয়ে গেছে। তবে আশপাশের দৃশ্যাবলি, আকাশ, মেঘমালা, চকচক করা জলের আয়না, দূরের কাশবন, নদীর ওপর পাখিদের এপার-ওপার করা—সবই ঠিক আগের মতোই আছে। যেখানটায় সেই বহু আগে, যেন বা শত বছর আগে সোহানা ও সে এসে বসত, সে জায়গাটাও ছিল। ‘চুপি চুপি বাঁশি বাজে’ গানটা ওই জায়গাটায় বসেই তো গাইত সোহানা।
ঝোপঝাড় থেকে কয়েকটা বনফুল কুড়িয়ে আনে আয়াজ। কিছু ফুল ভাসিয়ে দেয় ব্রহ্মপুত্রে, কিছু ফুল ছড়িয়ে রাখে সোহানা আর সে যেখানে বসত।
আর কী করার আছে। স্টেশনের পথ ধরে হাঁটতে থাকে আয়াজ। নদী ও গানের স্মৃতি বোধহয় মন থেকে কোনো দিন মুছে যাওয়ার নয়। গোপনে গোপনে থেকে যায়।
==================================
দৈনিক প্রথম আলো এর সৌজন্যে
লেখকঃ রাহাত খান
এই গল্প'টি পড়া হয়েছে...
গল্প- বিধুহীন গল্প- অসমাপ্ত চুম্বনের ১৯ বছর পর... গল্প- বসন্ত বিলাপ খোয়াবের প্রতিলিপি গল্প- জিঞ্জির ফেরা দুর্লভ সময়ের হলফনামা ইচ্ছা ছিল কবি হওয়ার আমার গ্রন্থাগার সোনার কমলার খোঁজে রূপবান ঢাকার রক্তক্ষরণ নারী জীবনের অচলায়তন 'ত্যাগের' মূল্যায়ন ও মুক্তকণ্ঠ তারুণ্য মূল সংবিধান সংরক্ষণে সরকারের ইউটার্ন তুরস্কে জেনারেলদের পদত্যাগ কেন? ছোট দলগুলো ফুরফুরে মেজাজে! কোচিং ব্যবসা এবং শিক্ষার বেহাল দশা গল্প- লঞ্চের আপার ক্লাসে বাচ্চা হাতি গুরুপল্লির আশ্রমে ভর্তি না হয়েই মুক্তিযুদ্ধের ১০ বই মগ্নচৈতন্যের বর্ণময় অভিঘাত গল্প- চিনেজোঁক পুস্তক প্রকাশনা ও বাংলা একাডেমীর বইমেলা শাহি মনজিলে সাহিত্য উৎসব by শাহীন আখতার বাজে জসীমউদ্দীন নান্দনিক চৈতন্য গ্রামকে শহরে এনেছি গল্প- জলঝড় একাত্তরের অপ্রকাশিত দিনপঞ্জি রশীদ করীমে'র সাক্ষাৎকার- 'মনে পড়ে বন্ধুদের' প্রাচ্যের ছহি খাবনামা গল্প- এভাবেই ভুল হয় গল্প- মাঠরঙ্গ ফয়েজ আহমেদঃ স্মৃতিতে চিঠিতে অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকারঃ উপন্যাসের জগতের জগতের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই ইতিহাস ও জাতি দিয়ে ঘেরা গল্প- চাল ডাল লবণ ও তেল ক-য়ে ক্রিকেট খ-য়ে খেলা গল্পসল্প- ডাংগুলি হ্যারল্ড পিন্টারের শেষ সাক্ষাৎকারঃ আশৈশব ক্রিকেটের ঘোর সূচনার পিকাসো আর ভ্যান গঘ আল্লাহআকবরিজ সি সি গল্প- কবি কুদ্দুস ও কালনাগিনীর প্রেম গল্পসল্প- আমার বইমেলা বাংলাদেশ হতে পারে বহুত্ববাদের নির্মল উদাহরণ শিক্ষানীতি ২০১০, পক্ষ-বিপক্ষ শক্তি এবং জাতীয় স্বার্থ চীন-ভারত সম্পর্ক এবং এ অঞ্চলে তার প্রভাব নারী লাঞ্ছনার সর্বগ্রাস একজন এস এ জালাল ও মুক্তিযুদ্ধের তথ্যভাণ্ডার গল্প- স্বপ্নের মধ্যে কারাগারে
দৈনিক প্রথম আলো এর সৌজন্যে
লেখকঃ রাহাত খান
এই গল্প'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
August
(511)
-
▼
Aug 11
(16)
- রিয়ালেও আসছে এক মেসি!
- আরও দেওয়ার আছে ফেদেরারের
- কোণঠাসা ভারত, উজ্জীবিত ইংল্যান্ড
- টেস্টের গায়ে দাঙ্গার আঁচ
- অলিম্পিকেই বিদায় নয় ক্লাইস্টার্সের
- সোমালিয়ায় বিদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা
- ন্যাটোকে সন্ত্রাসী সংগঠন বললেন রবার্ট মুগাবে
- স্ত্রস-কানের বিরুদ্ধে মামলা করলেন সেই হোটেলকর্মী
- পারমাণবিক জ্বালানির নিরাপদ বিকল্প চাই
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন বাশার
- লিবিয়ায় বিদ্রোহীদের নির্বাহী পরিষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে
- গল্প- চুপি চুপি বাঁশি বাজে by রাহাত খান
- গল্প- বিধুহীন by রাশিদা সুলতানা
- গল্প- অসমাপ্ত চুম্বনের ১৯ বছর পর... by আনিসুল হক
- গল্প- বসন্ত বিলাপ by হুমায়ূন আহমেদ
- খোয়াবের প্রতিলিপি by আফসানা শারমিন
-
▼
Aug 11
(16)
-
▼
August
(511)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment