নিউইয়র্কের ‘লম্বু’দের কাহিনী
মার্ক বলেন, আমি অসংখ্যবার মাথা ঠুকেছি। একবার ফ্রান্সে সিঁড়িতে মাথা লেগে সেলাই পর্যন্ত করতে হয়েছে। তবে কিছু মজার দিকও আছে। তিনি বলেন, আমি সবসময় সবার উপরে থাকি। তাই ‘ফ্রেশ এয়ার’ পাই প্রচুর। আর হ্যাঁ, নারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ সবসময়ই পাই। তবে ডেটিংয়ের ক্ষেত্রেও সমস্যা কম নয়। বারে গেলে কথাই শুনতে পাই না। কারণ উচ্চতার কারণে আমার কানে আওয়াজ পৌঁছায় না। নিচু হয়ে থাকতে হয়।
ফ্র্যাঙ্কি’র উচ্চতা ৬ ফুট ১১ ইঞ্চি। তিনিও একই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। বলেন, বিছানা, ডেস্ক, বাস, বিমান, পোশাক- সব জায়গাতেই বিপদ। মেট্রোরেলে আমি সোজা দাঁড়াতে পারি না। এমনকি বিমানবন্দরে হাঁটতে গিয়ে স্যুটকেস পায়ে লাগে।
আরেকজন লিয়াম ম্যাকমোরো’র উচ্চতা ৭ ফুট ২ ইঞ্চি। তিনি বলেন, তার সবচেয়ে বড় কষ্ট পোশাকের অভাব। তার ভাষায়, এত লম্বা হওয়ায় আমি আর শপিং মলে যেতে চাই না। আমার মাপের কিছুই মেলে না। ফ্যাশনের আগ্রহটাই হারিয়ে যায়। কিন্তু এখন টল ট্যুর কমিউনিটি তৈরি হওয়ায়, সবাই একে অপরকে ভালো দোকানের তথ্য দেয়। এখন বুঝতে পারছি- আমরাও স্টাইলিশ হতে পারি। টল ট্যুরস-এর প্রতিষ্ঠাতা টাইলার বারগানটিনো নিজেও ৬ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা। তিনি বলেন, আমি চাই লম্বা মানুষরা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হোক। অভিজ্ঞতা শেয়ার করুক। কোথা থেকে পোশাক কেনে সেটা জানাক। ছোটবেলায় আমি রোলারকোস্টারে উঠতে পারতাম না, বাউন্সি ক্যাসেলেও ঢুকতে দিত না। আমি চাই না আর কেউ সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাক। এই দলটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে মিটআপ আয়োজন করে।

No comments