Saturday, December 7, 2013
৯৬ ও ১৩ সালের তফাৎটা বুঝতে হবে by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার
৯৬ ও ১৩ সালের তফাৎটা বুঝতে হবে by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার

বাংলাদেশ
একটা চরম সংকটকাল অতিক্রম করছে। অনেকে বলছেন, এটা নতুন কিছু নয়, এ রকম
সংকট এ দেশে আগেও হয়েছে। এদের যুক্তি, ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন সরকার
ব্যবস্থা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে একই প্রকৃতির রাজনৈতিক সংকট
সৃষ্টি হয়েছিল। ওই সময় সরকারি দল নিজেদের নির্বাচিত সরকার দাবি করে
সাংবিধানিকভাবে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল; আর বিরোধী দল
চেয়েছিল নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। বিরোধী দল
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৭৩ দিন হরতাল করেছিল। ওই সময়ও অস্ট্রেলিয়ার
সাবেক গভর্নর জেনারেল স্যার নিনিয়ানসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিদেশী
ব্যক্তিত্ব সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরে
আন্দোলনের তীব্রতায় সরকার অবস্থান পরিবর্তন করে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা
বজায় রাখার স্বার্থে একটি যেনতেন প্রকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে
ওই সংকট উত্তরণ করতে পেরেছিল। তবে ১৯৯৬ সালের সংকটের সঙ্গে বর্তমান সংকটের
উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আছে। ১৯৯৬ সালে সরকার প্রথম দিকে তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের দাবি মেনে নিলে কোনো সমস্যা হতো না। কিন্তু তা না করায় বিরোধী দল
আন্দোলনের একপর্যায়ে সংসদ থেকে সম্মিলিত পদত্যাগ করায় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকারের পক্ষে আরেকটি সংসদ নির্বাচন করা ছাড়া
সাংবিধানিকভাবে আওয়ামী লীগের দাবি মানা সম্ভব ছিল না। কাজেই সরকার ওই সময়
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা এবং ওই নির্বাচন প্রতিহত করার
ঘোষণা দেয়া সত্ত্বেও একটি যেনতেন প্রকারের নির্বাচন করে সংসদে এককভাবে
ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিয়ে ওই সংকটের
সমাধান করেছিল। আওয়ামী লীগ ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনের বিরোধিতা করে একে প্রতিহত
করার ঘোষণা দেয়া সত্ত্বেও ষষ্ঠ সংসদে এককভাবে পাস করা সংবিধানের ত্রয়োদশ
সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরোক্ষভাবে ওই ত্র“টিপূর্ণ
নির্বাচনটিকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
বর্তমানের অবস্থাকে ১৯৯৬ সালের সংকটের সঙ্গে হুবহু তুলনা করা যথার্থ নয়। কারণ, এখন সরকার চাইলে একদিনেই সমস্যার সমাধান করতে পারে। এ জন্য সরকারকে সমঝোতার ভিত্তিতে সংসদে নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠনকল্পে একটি বিল এনে সে বিল পাস করে সে অনুযায়ী পরিবর্তিত সিডিউলে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। এ রকম একটি বিল সংসদে পাস করার উদ্দেশ্যে সরকার যদি বিরোধী দলকে সংসদে যোগদান করতে অনুরোধ করে, তাহলে এটি মনে করার কোনো কারণ নেই যে, বিএনপি সংসদে যোগ দেবে না। আর যদি বিএনপি সংসদে যোগ নাও দেয়, তাহলেও সরকারের কিছু আসে যায় না। কারণ, সংসদে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিএনপির সমর্থন ছাড়াই সরকার এমন বিল জাতীয় সংসদে একক প্রচেষ্টায় পাস করতে পারে। কিন্তু সরকার সে পথে অগ্রসর হয়নি। কেন সে পথে সরকার অগ্রসর হয়নি সে সম্পর্কে নাগরিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ধারণা গড়ে উঠেছে তা হল, বিগত পাঁচ বছরে সরকার দেশ পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। দলীয়করণ, দুর্নীতি ও বিরোধী দলকে যুগপৎ সংসদের ভেতরে ও বাইরে কোণঠাসা করে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলা ও নিপীড়নের কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা যথেষ্ট হ্রাস পায়। উপনির্বাচন, স্থানীয় ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সরকার বুঝতে পারে যে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন করলে সরকার পরাজয় এড়াতে পারবে না। এ কারণে সরকার জনমত উপেক্ষা করে দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে স্বনিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে সংসদ, মন্ত্রিসভা ও সংসদ সদস্যদের স্বপদে বহাল রেখে দলীয়করণকৃত প্রশাসন ও স্বনিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের আনুকূল্য লাভের মধ্য দিয়ে নিজেদের নির্বাচনী বিজয় নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করে।
বিরোধী দল সরকারের এ উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে দুই বছর ধরে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। সরকার দমন-পীড়ন এবং হামলা-মামলা করেও বিরোধী দলকে এ আন্দোলন থেকে সরাতে পারেনি। কারণ, বিরোধী দল জানে, যতই জনপ্রিয়তা থাকুক সরকারি দলের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অর্থই হল নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেয়া। বিরোধীদলীয় এ আন্দোলন প্রথম দিকে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে সরকারই বিরোধী দলকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম দিকে বিরোধী দলের সমাবেশ, জনসভা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের রোডমার্চ কর্মসূচিগুলোতে কোনো সহিংসতা হয়নি। পরবর্তীকালে বিরোধীদলীয় কর্মসূচিতে জনসমর্থন বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার তাদের কর্মসূচিতে বাধা দেয়া শুরু করে। বিভাগীয় রোডমার্চ শেষ করে বিরোধী দল ঢাকা মহাসমাবেশ কর্মসূচি দিলে ওই কর্মসূচিতে সরকার ব্যাপকভাবে বাধা দেয়। পরবর্তীকালে হরতালের কর্মসূচিগুলোতে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের রাস্তায় পিকেটিং, মিছিল-মিটিং করতে দেয়া হয়নি। তাদের মানববন্ধনেও এক সময় বাধা দেয়া হয়। বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করে অনেক কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নেয়া হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের মতো একজন ক্লিন ইমেজের নেতার বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ি ভাংচুরের মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, মওদুদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম মিয়া, শিমুল বিশ্বাস, আসম হান্নান শাহের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের যে ধরনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়, তাতে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, সরকার বিরোধীদলীয় কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমন করতে চায়। বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদের গ্রেফতারের সময়কাল ও ভঙ্গিমা দেখেও অনুধাবন করা যায় যে, সরকার গ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধী নেতাদের আতংকিত করে তাদের আন্দোলন দমন করতে চায়।
বিরোধীদলীয় আন্দোলন যখন শান্ত ছিল তখন সরকার তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দেলন করতে বাধা সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দল আন্দোলন স্তিমিত করে সংলাপ-সমঝোতার ওপর গুরুত্বারোপ করলে সরকারি দলের মন্ত্রী-নেতারা সে বিষয়টিতে আন্তরিকভাবে সাড়া না দিয়ে পরিবর্তে ‘বিরোধী দলের আন্দোলনের মুরোদ নেই’ বলে সমালোচনা করে বিরোধী দলকে আন্দোলনে উসকানি দিয়েছে। আর এখন সমঝোতার প্রায় সব পথ বন্ধ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে বিরোধী দল যখন জোরালো আন্দোলন শুরু করেছে, তখন সরকারি দল সে আন্দোলনে সৃষ্ট সহিংসতার সমালোচনা করছে। সরকারি দল যদি বিরোধী দলকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে না দেয়, যদি তাদের দাবি মানার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে সংলাপ-সমঝোতা না করে এককভাবে নির্বাচন করতে চায়, তাহলে বিরোধী দল দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জোরালো আন্দোলন করা ছাড়া আর কী করতে পারে! জনপ্রিয়তা, নৈতিকতা ও যৌক্তিকতার বিবেচনায় বিরোধী দল সরকারি দলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে, সে কারণে আÍঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী দল সরকারের পাতা দলীয় সরকারের অধীনে একক নির্বাচনের ফাঁদে পা দিয়ে নিশ্চিত নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেবে কেন?
নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ত্র“টি-বিচ্যুতি সংশোধন করে সেই সংশোধিত নির্দলীয় ব্যবস্থার অধীনে সংসদ নির্বাচন করার সুযোগ ছিল সরকারের। কিন্তু সরকার সে পথে না গিয়ে প্রথম দিকে ইভিএমে সংসদ নির্বাচন করতে উদ্যোগ গ্রহণ করলে ওই উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর স্বনিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিজেরা ক্ষমতায় থেকে দলীয় তত্ত্বাবধানে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেয়েছে। বিরোধী দলকে আন্ডারএস্টিমেট করে চালাকি করে যে নির্বাচনে জেতা যাবে না, সে সত্যটি সরকার অনেক দেরি করে বুঝতে পেরেছে। নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার পর নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবি না মানার যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, এ বছরের মাঝামাঝি পাঁচটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভরাডুবির পর সরকার সে সিদ্ধান্তে অনড় থাকার মানসিকতা জোরদার করে। এ জন্য প্রধান বিরোধী দলসহ ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনে না এলেও জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনকালীন সরকারে পাঁচজন মন্ত্রী ও একজন উপদেষ্টা দিয়ে পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণে রাজি করিয়ে ওই দলটিকে বিরোধী দল বানানোর পরিকল্পনা করে। জাপা প্রধান সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে এলেও পরবর্তীকালে সবাইকে চমকে দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বিরোধীদলীয় লাগাতার কর্মসূচির মধ্যে কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী সিডিউল অনুযায়ী সরকারি দল ও জাপা প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। এভাবে জাপাকে পৃথকভাবে নির্বাচন করিয়ে সরকার যখন বিরোধীদলীয় দাবি এবং সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পরামর্শ উপেক্ষা করে একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল সরকার, তখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহু নাটকীয়তা সৃষ্টিকারী বহুরূপী এরশাদ মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার মাত্র দু’দিন পর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে জাপার সব প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং মন্ত্রিসভা থেকে জাপা সদস্যদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন।
জাতীয় পার্টির নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারকে মহাগ্যাঁড়াকলে ফেলে দিয়েছে। সরকারের পক্ষে এখন আর এ নির্বাচনকে সবার অংশগ্রহণমূলক বলার কোনো উপায় থাকল না। এহেন একতরফা নির্বাচন হলে সে নির্বাচনে যে সবাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কমনওয়েলথ এ রকম নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের অনাগ্রহের কথা বলে দিয়েছে। শিক্ষকরা নিরাপত্তাজনিত কারণে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করছেন। জাপা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে যেসব আসনে কেবল সরকারি দল ও জাপা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিল সে আসনগুলোতে আর নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না। ফলে প্রায় ২০% আসনে সরকারি দলের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারবেন, যা সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসে একটি অনন্য রেকর্ড হবে। জাপার নির্বাচন বর্জনের পরও ৪ ডিসেম্বর সরকারি দল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। দলীয় মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তারিখের হেরফের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মেনে নেবে না। যত বাধাই আসুক, আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে আওয়ামী লীগ যেভাবে একতরফা নির্বাচন করতে চাইছে, তাতে উদ্বিগ্ন হয়ে অনেকে ভাবছেন, এ দেশের রুগ্ন গণতন্ত্রকে হয়তো আবারও হাসপাতালে যেতে হবে। কারণ, এ রকম নির্বাচন করতে গেলে যে সহিংসতা হবে তাতে আবারও রাজনীতিতে অরাজনৈতিক শক্তির হস্তক্ষেপ হতে পারে। একটা বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন প্রতিহত করার যে ঘোষণা দিয়েছিল, সে ঘোষণার সঙ্গে ১৮ দলের দশম সংসদ নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণার পার্থক্য অনেক। কারণ, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ জানতো যে, ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনটি সরকার সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে করছে। নির্বাচনটি সরকার ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্যে নয়, বরং বিরোধীদলীয় দাবি মেনে নেয়ার লক্ষ্যে সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরির জন্য করছে। এ কারণে ওই নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রা হয়তো অতটা জোরদার ছিল না। কিন্তু দশম সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। এ নির্বাচন সরকার বিরোধীদলীয় দাবি মেনে নেয়ার জন্য নয়, বরং ক্ষমতায় থাকার জন্যই করছে। কাজেই এ ক্ষেত্রে এ নির্বাচন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে ১৮ দল সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবে। ফলে ওই রকম অবস্থায় নির্বাচন হতে পারবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, গায়ের জোরে নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যে যেনতেন প্রকারে নির্বাচন ও সরকার গঠন করলে সে সরকার প্রথম দিন থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। ফলে বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়বে।
গণতন্ত্রে একদলীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পায় না। জাপার নির্বাচন বর্জনের ফলে সরকারের পক্ষে দশম সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক প্রমাণের আর সুযোগ রইল না। বাংলাদেশের রুগ্ন গণতন্ত্রকে গ্যাঁড়াকলে পড়া মহাজোট সরকার কোনোভাবে শুশ্রুষা করতে পারবে, নাকি হাসপাতালে পাঠাবে, তাই এখন দেখার বিষয়।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
বর্তমানের অবস্থাকে ১৯৯৬ সালের সংকটের সঙ্গে হুবহু তুলনা করা যথার্থ নয়। কারণ, এখন সরকার চাইলে একদিনেই সমস্যার সমাধান করতে পারে। এ জন্য সরকারকে সমঝোতার ভিত্তিতে সংসদে নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠনকল্পে একটি বিল এনে সে বিল পাস করে সে অনুযায়ী পরিবর্তিত সিডিউলে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব। এ রকম একটি বিল সংসদে পাস করার উদ্দেশ্যে সরকার যদি বিরোধী দলকে সংসদে যোগদান করতে অনুরোধ করে, তাহলে এটি মনে করার কোনো কারণ নেই যে, বিএনপি সংসদে যোগ দেবে না। আর যদি বিএনপি সংসদে যোগ নাও দেয়, তাহলেও সরকারের কিছু আসে যায় না। কারণ, সংসদে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিএনপির সমর্থন ছাড়াই সরকার এমন বিল জাতীয় সংসদে একক প্রচেষ্টায় পাস করতে পারে। কিন্তু সরকার সে পথে অগ্রসর হয়নি। কেন সে পথে সরকার অগ্রসর হয়নি সে সম্পর্কে নাগরিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ধারণা গড়ে উঠেছে তা হল, বিগত পাঁচ বছরে সরকার দেশ পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। দলীয়করণ, দুর্নীতি ও বিরোধী দলকে যুগপৎ সংসদের ভেতরে ও বাইরে কোণঠাসা করে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলা ও নিপীড়নের কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা যথেষ্ট হ্রাস পায়। উপনির্বাচন, স্থানীয় ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সরকার বুঝতে পারে যে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন করলে সরকার পরাজয় এড়াতে পারবে না। এ কারণে সরকার জনমত উপেক্ষা করে দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে স্বনিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে সংসদ, মন্ত্রিসভা ও সংসদ সদস্যদের স্বপদে বহাল রেখে দলীয়করণকৃত প্রশাসন ও স্বনিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের আনুকূল্য লাভের মধ্য দিয়ে নিজেদের নির্বাচনী বিজয় নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করে।
বিরোধী দল সরকারের এ উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে দুই বছর ধরে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। সরকার দমন-পীড়ন এবং হামলা-মামলা করেও বিরোধী দলকে এ আন্দোলন থেকে সরাতে পারেনি। কারণ, বিরোধী দল জানে, যতই জনপ্রিয়তা থাকুক সরকারি দলের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অর্থই হল নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেয়া। বিরোধীদলীয় এ আন্দোলন প্রথম দিকে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে সরকারই বিরোধী দলকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম দিকে বিরোধী দলের সমাবেশ, জনসভা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের রোডমার্চ কর্মসূচিগুলোতে কোনো সহিংসতা হয়নি। পরবর্তীকালে বিরোধীদলীয় কর্মসূচিতে জনসমর্থন বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার তাদের কর্মসূচিতে বাধা দেয়া শুরু করে। বিভাগীয় রোডমার্চ শেষ করে বিরোধী দল ঢাকা মহাসমাবেশ কর্মসূচি দিলে ওই কর্মসূচিতে সরকার ব্যাপকভাবে বাধা দেয়। পরবর্তীকালে হরতালের কর্মসূচিগুলোতে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের রাস্তায় পিকেটিং, মিছিল-মিটিং করতে দেয়া হয়নি। তাদের মানববন্ধনেও এক সময় বাধা দেয়া হয়। বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করে অনেক কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নেয়া হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের মতো একজন ক্লিন ইমেজের নেতার বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ি ভাংচুরের মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, মওদুদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম মিয়া, শিমুল বিশ্বাস, আসম হান্নান শাহের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের যে ধরনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়, তাতে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, সরকার বিরোধীদলীয় কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমন করতে চায়। বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদের গ্রেফতারের সময়কাল ও ভঙ্গিমা দেখেও অনুধাবন করা যায় যে, সরকার গ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধী নেতাদের আতংকিত করে তাদের আন্দোলন দমন করতে চায়।
বিরোধীদলীয় আন্দোলন যখন শান্ত ছিল তখন সরকার তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দেলন করতে বাধা সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দল আন্দোলন স্তিমিত করে সংলাপ-সমঝোতার ওপর গুরুত্বারোপ করলে সরকারি দলের মন্ত্রী-নেতারা সে বিষয়টিতে আন্তরিকভাবে সাড়া না দিয়ে পরিবর্তে ‘বিরোধী দলের আন্দোলনের মুরোদ নেই’ বলে সমালোচনা করে বিরোধী দলকে আন্দোলনে উসকানি দিয়েছে। আর এখন সমঝোতার প্রায় সব পথ বন্ধ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে বিরোধী দল যখন জোরালো আন্দোলন শুরু করেছে, তখন সরকারি দল সে আন্দোলনে সৃষ্ট সহিংসতার সমালোচনা করছে। সরকারি দল যদি বিরোধী দলকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে না দেয়, যদি তাদের দাবি মানার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে সংলাপ-সমঝোতা না করে এককভাবে নির্বাচন করতে চায়, তাহলে বিরোধী দল দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জোরালো আন্দোলন করা ছাড়া আর কী করতে পারে! জনপ্রিয়তা, নৈতিকতা ও যৌক্তিকতার বিবেচনায় বিরোধী দল সরকারি দলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে, সে কারণে আÍঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী দল সরকারের পাতা দলীয় সরকারের অধীনে একক নির্বাচনের ফাঁদে পা দিয়ে নিশ্চিত নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেবে কেন?
নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ত্র“টি-বিচ্যুতি সংশোধন করে সেই সংশোধিত নির্দলীয় ব্যবস্থার অধীনে সংসদ নির্বাচন করার সুযোগ ছিল সরকারের। কিন্তু সরকার সে পথে না গিয়ে প্রথম দিকে ইভিএমে সংসদ নির্বাচন করতে উদ্যোগ গ্রহণ করলে ওই উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর স্বনিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিজেরা ক্ষমতায় থেকে দলীয় তত্ত্বাবধানে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেয়েছে। বিরোধী দলকে আন্ডারএস্টিমেট করে চালাকি করে যে নির্বাচনে জেতা যাবে না, সে সত্যটি সরকার অনেক দেরি করে বুঝতে পেরেছে। নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার পর নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবি না মানার যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, এ বছরের মাঝামাঝি পাঁচটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভরাডুবির পর সরকার সে সিদ্ধান্তে অনড় থাকার মানসিকতা জোরদার করে। এ জন্য প্রধান বিরোধী দলসহ ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনে না এলেও জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনকালীন সরকারে পাঁচজন মন্ত্রী ও একজন উপদেষ্টা দিয়ে পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণে রাজি করিয়ে ওই দলটিকে বিরোধী দল বানানোর পরিকল্পনা করে। জাপা প্রধান সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে এলেও পরবর্তীকালে সবাইকে চমকে দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বিরোধীদলীয় লাগাতার কর্মসূচির মধ্যে কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী সিডিউল অনুযায়ী সরকারি দল ও জাপা প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। এভাবে জাপাকে পৃথকভাবে নির্বাচন করিয়ে সরকার যখন বিরোধীদলীয় দাবি এবং সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পরামর্শ উপেক্ষা করে একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল সরকার, তখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহু নাটকীয়তা সৃষ্টিকারী বহুরূপী এরশাদ মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার মাত্র দু’দিন পর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে জাপার সব প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং মন্ত্রিসভা থেকে জাপা সদস্যদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন।
জাতীয় পার্টির নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারকে মহাগ্যাঁড়াকলে ফেলে দিয়েছে। সরকারের পক্ষে এখন আর এ নির্বাচনকে সবার অংশগ্রহণমূলক বলার কোনো উপায় থাকল না। এহেন একতরফা নির্বাচন হলে সে নির্বাচনে যে সবাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কমনওয়েলথ এ রকম নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের অনাগ্রহের কথা বলে দিয়েছে। শিক্ষকরা নিরাপত্তাজনিত কারণে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করছেন। জাপা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে যেসব আসনে কেবল সরকারি দল ও জাপা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিল সে আসনগুলোতে আর নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না। ফলে প্রায় ২০% আসনে সরকারি দলের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারবেন, যা সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসে একটি অনন্য রেকর্ড হবে। জাপার নির্বাচন বর্জনের পরও ৪ ডিসেম্বর সরকারি দল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। দলীয় মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তারিখের হেরফের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মেনে নেবে না। যত বাধাই আসুক, আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার নামে আওয়ামী লীগ যেভাবে একতরফা নির্বাচন করতে চাইছে, তাতে উদ্বিগ্ন হয়ে অনেকে ভাবছেন, এ দেশের রুগ্ন গণতন্ত্রকে হয়তো আবারও হাসপাতালে যেতে হবে। কারণ, এ রকম নির্বাচন করতে গেলে যে সহিংসতা হবে তাতে আবারও রাজনীতিতে অরাজনৈতিক শক্তির হস্তক্ষেপ হতে পারে। একটা বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন প্রতিহত করার যে ঘোষণা দিয়েছিল, সে ঘোষণার সঙ্গে ১৮ দলের দশম সংসদ নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণার পার্থক্য অনেক। কারণ, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ জানতো যে, ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনটি সরকার সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে করছে। নির্বাচনটি সরকার ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্যে নয়, বরং বিরোধীদলীয় দাবি মেনে নেয়ার লক্ষ্যে সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরির জন্য করছে। এ কারণে ওই নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রা হয়তো অতটা জোরদার ছিল না। কিন্তু দশম সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। এ নির্বাচন সরকার বিরোধীদলীয় দাবি মেনে নেয়ার জন্য নয়, বরং ক্ষমতায় থাকার জন্যই করছে। কাজেই এ ক্ষেত্রে এ নির্বাচন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে ১৮ দল সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবে। ফলে ওই রকম অবস্থায় নির্বাচন হতে পারবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, গায়ের জোরে নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যে যেনতেন প্রকারে নির্বাচন ও সরকার গঠন করলে সে সরকার প্রথম দিন থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। ফলে বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়বে।
গণতন্ত্রে একদলীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পায় না। জাপার নির্বাচন বর্জনের ফলে সরকারের পক্ষে দশম সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক প্রমাণের আর সুযোগ রইল না। বাংলাদেশের রুগ্ন গণতন্ত্রকে গ্যাঁড়াকলে পড়া মহাজোট সরকার কোনোভাবে শুশ্রুষা করতে পারবে, নাকি হাসপাতালে পাঠাবে, তাই এখন দেখার বিষয়।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 07
(21)
- দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর...
- তাঁর মৃত্যু নেই বাংলাদেশেও by মতিউর রহমান
- কারামুক্তির পর নেলসন ম্যান্ডেলার ভাষণ- ‘ভয়কে জয় ...
- কালের পুরাণ- সুজাতার সফরে বাংলাদেশ কী পেল? by সোহর...
- মেয়র আইভীর শপথ
- এসো নীপবনে- সত্য-মিথ্যা by আবুল হায়াত
- যত দিন জীবিত, তত দিন আমিই চেয়ারম্যান: এরশাদ
- এরশাদের বাসায় সাকিব
- সংবিধানের বাইরে যাওয়া সম্ভব না, তারানকোকে বলেছেন প...
- তারানকোর সঙ্গে খালেদার বৈঠক
- মৃত্যুহীন প্রাণ by আসিফ রশীদ
- ৯৬ ও ১৩ সালের তফাৎটা বুঝতে হবে by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়...
- রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আর গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার এক নয়...
- আর যাওয়ার জায়গা নাই by ফরহাদ মজহার
- ‘ভয়কে জয় করেই আমাদের এগোতে হবে’
- ‘স্বাধীনতাই হবে আমাদের শাসক’
- বিশ্বনায়কের মহাপ্রয়াণ
- থাই রাজার সমঝোতার আহ্বান
- পাকিস্তান যুদ্ধে পরাজিত হবে : মনমোহন সিং
- আরবি না জেনেও আরব গায়ক
- ইউক্রেন বিক্ষোভে সাবেক তিন প্রেসিডেন্টের সমর্থন
-
▼
Dec 07
(21)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment