Sunday, December 8, 2013
সাক্ষাৎকার- ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হবে না by মিজানুর রহমান খান
সাক্ষাৎকার- ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হবে না by মিজানুর রহমান খান
চলমান এ রাজনৈতিক সংকট কেন, উত্তরণের
উপায় কী, এ জন্য কে বা কারা দায়ী—এসব জানতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও
বিশিষ্টজনের মতামত জানার চেষ্টা করছে প্রথম আলো।
এর অংশ
হিসেবে আজ প্রকাশিত হলো জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের
সাক্ষাৎকার। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় এরশাদের বারিধারার বাসভবনে
সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান

প্রথম আলো: আপনি কি বিশ্বাস করেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে?
এইচ এম এরশাদ: না। কিছুতেই না।
প্রথম আলো: তাহলে এটাই আমরা ধরে নেব যে আপনি বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচনে যাচ্ছেন না?
এরশাদ: না। তা নয়। সব দল না এলে নির্বাচনে যাব না।
প্রথম আলো: আপনার এই সব দলের মধ্যে বিএনপিও কি পড়ে?
এরশাদ: নিশ্চয়ই। বিএনপি একটি বড় দল। বিএনপি না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।
প্রথম আলো: ১৩ তারিখে জাপার সবাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন?
এরশাদ: লাঙল প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি আমার হাতেই।
প্রথম আলো: প্রতীক-সংক্রান্ত মামলার বাদী রওশন এরশাদ। তাই তাঁকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেই...
এরশাদ: লাঙল পেলাম কি পেলাম না, বড় কথা নয়। আমাকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করে তো লাভ হবে না।
প্রথম আলো: এখন কোনটা আসন্ন? জরুরি অবস্থা, না অন্য কিছু?
এরশাদ: অন্য কিছু না হওয়াই ভালো। কারণ, তা টেকসই সমাধান নয়। আর জরুরি অবস্থাও সমাধান নয়।
প্রথম আলো: আপনাকে হঠাৎ ভারতবিরোধী মনে হচ্ছে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আপনার দীর্ঘ সখ্য রয়েছে। ড্রয়িংরুমে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আপনার আলোকচিত্র দেখলাম।
এরশাদ: ভারত আমাদের বন্ধু প্রতিবেশী। ইন্দিরা গান্ধী আমাকে ছেলের মতো জানতেন। সোনিয়ার সঙ্গে যে ছবিটির কথা বলছেন, সেটি কুয়েতে তোলা। তাঁর সঙ্গে বহুবার কথা হয়েছে। আমি বলতে চাইছি, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত যদি আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেয়, তাহলে সেটা ভারতের জাতীয় স্বার্থের অনুকূল হবে না। উপরন্তু শেখ হাসিনাকে সমর্থন দিলে দেশের মানুষ অহেতুক ভারতবিরোধী হতে পারে।
প্রথম আলো: ৬ ডিসেম্বর আপনার আমলের অন্তিম দিন পালন করেছি। বলুন তো, রক্তের রং কী?
এরশাদ: রক্তের রং আমার জানা নেই। কোনো দিন রক্তের রং দেখিনি।
প্রথম আলো: আপনি বলেছিলেন, আপনার হাতে রক্তের দাগ নেই। আপনি কি কখনো কোনো নেতা-নেত্রীর হাতে রক্তের দাগ দেখেছেন?
এরশাদ: আমি ওই রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকা যায় না। জীবিকার সন্ধানে মানুষ বেরোচ্ছে, তারা মারা পড়ছে। গুলি করে মারা হচ্ছে।
প্রথম আলো: শহীদ নূর হোসেন ও ডা. মিলনের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ হয়েছে। কবিরা কবিতা লিখেছেন। এবার ৪৮ দিনের হরতালেই ২৯০ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের জন্য শহীদ মিনার কারা করবেন? কারা কবিতা লিখবেন?
এরশাদ: দেশটা দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে। আওয়ামী লীগ যখন মারে, তখন নীরবতা দেখি। কারণ, বেশির ভাগ কবি ও সাংস্কৃতিক কর্মী আওয়ামী লীগের দিকে। তাই তাঁরা কবিতা লেখেন না। দুঃখ পান না। বিএনপির সময়েও তাই। আমার একটা অসুবিধা ছিল। কারণ, আমি সামরিক বাহিনীর। সামরিক আইন জারি করে এসেছি। আমার সময় তাই তাঁরা বেশি করতেন। শহীদ নূর হোসেনকে পুলিশ মারেনি। ডা. মিলনকে কে মেরেছে, তা আজও জানি না। আমিও তাঁর হত্যার বিচার চেয়েছি, কিন্তু বিচার পাইনি।
প্রথম আলো: সেলিম-দেলোয়ার ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হওয়ার পর আপনি সম্ভবত কিছু করেছিলেন।
এরশাদ: অনেকের বাধা সত্ত্বেও আমি তাঁদের স্বজনদের কাছে গিয়েছিলাম। বলেছি, আপনাদের সন্তান মারা গেছে। তাকে ফেরত দিতে পারব না। সে যা করতে পারত, আমি আপনাদের জন্য তা করতে চেষ্টা করব। যতটুকু সম্ভব হয়েছিল আমি সহায়তা দিয়েছিলাম। সিরাজগঞ্জে জিহাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। গরিব মানুষের ছেলে। তার বাড়িটা মেরামত করে দিয়েছিলাম। আমি কিন্তু তাদের মারিনি।
প্রথম আলো: আজ যাঁরা মারা যাচ্ছেন, তার বিচার হচ্ছে না। এই দায়মুক্তির শেষ কোথায়?
এরশাদ: শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মনে করেন না যে যারা মারা যাচ্ছে, তাতে তাঁর দায় আছে। এ অবস্থায় দেশটা এল কেন। হরতাল কেন হচ্ছে। বাস কেন জ্বলছে। আগেও এসব হয়েছে কিন্তু এতটা ব্যাপকতায় নয়। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। আমার মনে হয়, আমরা মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছি। মরা মানুষ দেখে আজ আর মমতাবোধ জাগে না।
প্রথম আলো: আপনি কেন শেষ মুহূর্তে নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিলেন। সবটাই রাজনৈতিক কারসাজি? নাকি নীতিনৈতিকতাও আছে।
এরশাদ: আমি বারবার বলে আসছি, সব দল নির্বাচনে না এলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। বিএনপি আসবে বলে অপেক্ষা করেছিলাম, তারা এল না। এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলো কেন। সরকার বলতে পারত তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানতে পারলাম না, তাহলে এমন একটা কিছু মানলাম, যাতে বিএনপি আসতে পারে।
প্রথম আলো: দর-কষাকষি করে মন্ত্রিত্ব নিয়েছেন। কী চেয়েছিলেন আর কী পেয়েছেন?
এরশাদ: দর-কষাকষি করিনি। ছয়জনের নাম চেয়েছে, দিয়েছি। সাতটাও চাইনি, ১২টাও চাইনি। কারণ, আমি জানি, এটা অস্থায়ী।
প্রথম আলো: কে কোন দপ্তর পাবেন, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আপনাদের আলোচনা হয়েছিল?
এরশাদ: না। বিএনপি এলে ১২টি মন্ত্রিত্ব পেত। তাহলে সর্বদলীয় একটা সরকার নির্বাচন করতে পারত।
প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রীর হাতেই নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। ৫০টি মন্ত্রিত্ব দিলেও এটা ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ার নয়।
এরশাদ: শত ভাগ সঠিক।
প্রথম আলো: তাহলে আপনি বিএনপিকে ১২টি মন্ত্রিত্ব নিতে বলছেন কেন?
এরশাদ: আমি বলেছিলাম সে অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা থাকবেন না। অন্য কেউ আসবেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে।
প্রথম আলো: আপনি কি কখনো এ কথাটি শেখ হাসিনাকে সরাসরি বলেছেন?
এরশাদ: বলেছি।
প্রথম আলো: তিনি কী বলেছেন?
এরশাদ: তিনি বলেছেন, এটা সম্ভব নয়। এই আলোচনা গণভবনে হয়েছে। আমি বলেছি, আপনি থাকলে বিএনপি আসবে না। তার চেয়ে সর্বদলীয় সরকার করে প্রধানমন্ত্রিত্ব পদ অন্য কাউকে দিন।
প্রথম আলো: সংসদের বাইরের কাউকে দিতে বলেছিলেন?
এরশাদ: ওই পদ এখন কেবল রাষ্ট্রপতিই নিতে পারেন।
প্রথম আলো: তার মানে ৩০০ জনের মধ্যে আপনি অন্য কাউকে দেখেন না।
এরশাদ: না। জাপা ২৯৯ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। রাষ্ট্রপতির আসনে দিইনি। তিনি একজন ভালো মানুষ। বিএনপিও তাঁকে মেনে নিত।
প্রথম আলো: আপনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিরোধী। আবার সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন চাইছেন। এটা স্ববিরোধী কি না। এখন যে শর্তে নির্বাচনে যেতে চাইছেন, সেটা এর পরের নির্বাচনে কীভাবে কার্যকর হবে। একটা স্থায়ী ব্যবস্থা তো লাগবে।
এরশাদ: না। আমি নির্বাচনকালীন পদ্ধতি হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিরোধিতা করি না। আমার দুঃখ ও ক্ষোভ হচ্ছে, প্রতিটি নির্বাচনেই তারা জাপার সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। আমি তাই এই ব্যবস্থার প্রতি বীতশ্রদ্ধ।
প্রথম আলো: তাহলে ব্যবস্থা হিসেবে আপনি এর বিরোধী নন?
এরশাদ: না। এই সংকট আদালত থেকেও এসেছে। দুই মেয়াদে এই ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনের কথা বলে ১৬ মাস পরে আবার তাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
প্রথম আলো: কেন নিজেকে শৃঙ্খলিত রাজনীতিক ভাবছেন?
এরশাদ: আমার বিরুদ্ধে ৭৪টি মামলা করা হয়েছিল। মঞ্জুর হত্যা মামলা দেওয়া হলো ঘটনার ১১ বছর নয় মাস পর। সেই মামলার নিষ্পত্তি কেউ করল না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দু-দুবার করে মেয়াদ পুরা করল। মহাজোটে পাঁচ বছর থাকলাম। এর সুরাহা হলো না। আদালত শুনানি শেষের পর হঠাৎ ২১-২২ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঠিক হলো। শত্রুর সঙ্গেও এ রকম কেউ করে না। আমি তো মহাজোটের মিত্র ছিলাম।
প্রথম আলো: তার মানে মহাজোটে থেকেও আপনি একটা অদৃশ্য কারাগারে ছিলেন।
এরশাদ: আমি একটা কারাগারে ছিলাম। মন খুলে কথা বলতে পারিনি।
প্রথম আলো: আপনি কি এই দুঃখের কথা প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি বলেননি?
এরশাদ: অনেকবার বলেছি। তিনি বলেছেন, আইনের বিষয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করতে চান না। অথচ শত শত মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমারটা হয়নি।
প্রথম আলো: আপনার কি মনে হয়, বিএনপিও এমনই আচরণ করত?
এরশাদ: তাই মনে হয়। দুই দলই একই আচরণ করেছে।
প্রথম আলো: খালেদা জিয়ার সঙ্গে কি এ নিয়ে আপনার কথা হয়েছে? আপনাকে যখন তারা পেতে চায় তখন এ নিয়ে কথা বলেননি?
এরশাদ: আমার প্রতি বিএনপির একটা স্বাভাবিক আক্রোশ থাকার কথা। কারণ, আমি তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা নিয়েছিলাম। ১৯৯৬ সালে আমার আসন ছিল ৩৩টি। বিএনপির ছিল ১১৬। বিএনপি লোক পাঠাল। আমার সমর্থন চাইল। আমি তখন বিএনপিকে সমর্থন দিলে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারত না। আমি শেখ হাসিনাকে সমর্থন করেছিলাম।
প্রথম আলো: ১৯৯০ এর পরে বেগম জিয়ার সঙ্গে আপনার কতবার সাক্ষাৎ হয়েছে?
এরশাদ: আমার ঠিক মনে নেই। তবে কয়েকবার হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। আমার বাসায় তিনি এসেছিলেন।
প্রথম আলো: আপনার ‘স্বৈরাচারী’ দশক আর দুই নেত্রীর দুই ‘নির্বাচিত’ দশকের মধ্যে তুলনা করুন।
এরশাদ: আমি সামরিক বাহিনী থেকে এসেছিলাম। তাই মানুষের ধারণা আমি স্বৈরাচার। কিন্তু অন্যায়ভাবে আমি কোনো মানুষকে শাস্তি দিইনি। আক্রোশের বশে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিইনি। আমি গণতন্ত্র চেয়েছি। তাই ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
প্রথম আলো: আপনি তত্ত্ব দিয়েছিলেন দেশ পরিচালনায় সেনাবাহিনীর অংশীদারি থাকবে। সেই অবস্থান থেকে কি আপনি সরে দাঁড়িয়েছেন?
এরশাদ: সামরিক বাহিনী একটি শক্তি। তাদের যদি উন্নয়ন কাজে...
প্রথম আলো: সারা বিশ্বে বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তাকারী হিসেবে সেনার ভূমিকা স্বীকৃত। কিন্তু ক্ষমতার অংশীদারি গণতন্ত্রে অচল।
এরশাদ: না, আমি ক্ষমতার কথা বলিনি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি হতে পারে না। এটা আমি কখনো বলিনি।
প্রথম আলো: প্রধান নির্বাহীর বাইরে কাউকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হয় না কেন?
এরশাদ: দেশের প্রধান নির্বাহী প্রতিরক্ষাকে সব সময় হাতে রাখেন। কারণ, তিনি মনে করেন, এটা তাঁর বড় রক্ষাকবচ। কিন্তু সব সময়ই কি তা হয়? সব সময় তা হয় না। রক্ষাকবচ সত্ত্বেও সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। তাই মনে হয়, এটা আরেকজনের হাতে রাখাই ভালো। আমি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ গঠন করেছিলাম।
প্রথম আলো: সেটা আজও চলছে। সেটা অগণতান্ত্রিক। আপনি কি মনে করেন না এই বিভাগ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থাৎ প্রকারান্তরে বেসামরিক কর্তৃত্বকে অগ্রাহ্য করছে এবং এর বিলুপ্ত হওয়া উচিত?
এরশাদ: না। আপনাকে মনে রাখতে হবে এএফডি সম্পূর্ণরূপে একটি সামরিক প্রতিষ্ঠান।
প্রথম আলো: সেখানেই আপত্তি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এর কোনো জায়গা নেই।
এরশাদ: কিন্তু এটাও তো ঠিক যে সবকিছু ঠিক হওয়ার পরে সব বিষয় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বেসামরিক কর্তৃপক্ষের (প্রধানমন্ত্রীর) কাছেই তো যাচ্ছে।
প্রথম আলো: আমাদের প্রতিরক্ষানীতি নেই। সাবেক সেনাপ্রধান হয়েও মহাজোট সরকারে থেকে এ নিয়ে কোনো কথা বললেন না। রাশিয়া থেকে আট হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র আমরা কেন কিনলাম?

প্রথম আলো: আপনি কি বিশ্বাস করেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে?
এইচ এম এরশাদ: না। কিছুতেই না।
প্রথম আলো: তাহলে এটাই আমরা ধরে নেব যে আপনি বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচনে যাচ্ছেন না?
এরশাদ: না। তা নয়। সব দল না এলে নির্বাচনে যাব না।
প্রথম আলো: আপনার এই সব দলের মধ্যে বিএনপিও কি পড়ে?
এরশাদ: নিশ্চয়ই। বিএনপি একটি বড় দল। বিএনপি না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।
প্রথম আলো: ১৩ তারিখে জাপার সবাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন?
এরশাদ: লাঙল প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি আমার হাতেই।
প্রথম আলো: প্রতীক-সংক্রান্ত মামলার বাদী রওশন এরশাদ। তাই তাঁকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেই...
এরশাদ: লাঙল পেলাম কি পেলাম না, বড় কথা নয়। আমাকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করে তো লাভ হবে না।
প্রথম আলো: এখন কোনটা আসন্ন? জরুরি অবস্থা, না অন্য কিছু?
এরশাদ: অন্য কিছু না হওয়াই ভালো। কারণ, তা টেকসই সমাধান নয়। আর জরুরি অবস্থাও সমাধান নয়।
প্রথম আলো: আপনাকে হঠাৎ ভারতবিরোধী মনে হচ্ছে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আপনার দীর্ঘ সখ্য রয়েছে। ড্রয়িংরুমে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আপনার আলোকচিত্র দেখলাম।
এরশাদ: ভারত আমাদের বন্ধু প্রতিবেশী। ইন্দিরা গান্ধী আমাকে ছেলের মতো জানতেন। সোনিয়ার সঙ্গে যে ছবিটির কথা বলছেন, সেটি কুয়েতে তোলা। তাঁর সঙ্গে বহুবার কথা হয়েছে। আমি বলতে চাইছি, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত যদি আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেয়, তাহলে সেটা ভারতের জাতীয় স্বার্থের অনুকূল হবে না। উপরন্তু শেখ হাসিনাকে সমর্থন দিলে দেশের মানুষ অহেতুক ভারতবিরোধী হতে পারে।
প্রথম আলো: ৬ ডিসেম্বর আপনার আমলের অন্তিম দিন পালন করেছি। বলুন তো, রক্তের রং কী?
এরশাদ: রক্তের রং আমার জানা নেই। কোনো দিন রক্তের রং দেখিনি।
প্রথম আলো: আপনি বলেছিলেন, আপনার হাতে রক্তের দাগ নেই। আপনি কি কখনো কোনো নেতা-নেত্রীর হাতে রক্তের দাগ দেখেছেন?
এরশাদ: আমি ওই রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকা যায় না। জীবিকার সন্ধানে মানুষ বেরোচ্ছে, তারা মারা পড়ছে। গুলি করে মারা হচ্ছে।
প্রথম আলো: শহীদ নূর হোসেন ও ডা. মিলনের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ হয়েছে। কবিরা কবিতা লিখেছেন। এবার ৪৮ দিনের হরতালেই ২৯০ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের জন্য শহীদ মিনার কারা করবেন? কারা কবিতা লিখবেন?
এরশাদ: দেশটা দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে। আওয়ামী লীগ যখন মারে, তখন নীরবতা দেখি। কারণ, বেশির ভাগ কবি ও সাংস্কৃতিক কর্মী আওয়ামী লীগের দিকে। তাই তাঁরা কবিতা লেখেন না। দুঃখ পান না। বিএনপির সময়েও তাই। আমার একটা অসুবিধা ছিল। কারণ, আমি সামরিক বাহিনীর। সামরিক আইন জারি করে এসেছি। আমার সময় তাই তাঁরা বেশি করতেন। শহীদ নূর হোসেনকে পুলিশ মারেনি। ডা. মিলনকে কে মেরেছে, তা আজও জানি না। আমিও তাঁর হত্যার বিচার চেয়েছি, কিন্তু বিচার পাইনি।
প্রথম আলো: সেলিম-দেলোয়ার ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হওয়ার পর আপনি সম্ভবত কিছু করেছিলেন।
এরশাদ: অনেকের বাধা সত্ত্বেও আমি তাঁদের স্বজনদের কাছে গিয়েছিলাম। বলেছি, আপনাদের সন্তান মারা গেছে। তাকে ফেরত দিতে পারব না। সে যা করতে পারত, আমি আপনাদের জন্য তা করতে চেষ্টা করব। যতটুকু সম্ভব হয়েছিল আমি সহায়তা দিয়েছিলাম। সিরাজগঞ্জে জিহাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। গরিব মানুষের ছেলে। তার বাড়িটা মেরামত করে দিয়েছিলাম। আমি কিন্তু তাদের মারিনি।
প্রথম আলো: আজ যাঁরা মারা যাচ্ছেন, তার বিচার হচ্ছে না। এই দায়মুক্তির শেষ কোথায়?
এরশাদ: শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মনে করেন না যে যারা মারা যাচ্ছে, তাতে তাঁর দায় আছে। এ অবস্থায় দেশটা এল কেন। হরতাল কেন হচ্ছে। বাস কেন জ্বলছে। আগেও এসব হয়েছে কিন্তু এতটা ব্যাপকতায় নয়। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। আমার মনে হয়, আমরা মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছি। মরা মানুষ দেখে আজ আর মমতাবোধ জাগে না।
প্রথম আলো: আপনি কেন শেষ মুহূর্তে নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিলেন। সবটাই রাজনৈতিক কারসাজি? নাকি নীতিনৈতিকতাও আছে।
এরশাদ: আমি বারবার বলে আসছি, সব দল নির্বাচনে না এলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। বিএনপি আসবে বলে অপেক্ষা করেছিলাম, তারা এল না। এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলো কেন। সরকার বলতে পারত তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানতে পারলাম না, তাহলে এমন একটা কিছু মানলাম, যাতে বিএনপি আসতে পারে।
প্রথম আলো: দর-কষাকষি করে মন্ত্রিত্ব নিয়েছেন। কী চেয়েছিলেন আর কী পেয়েছেন?
এরশাদ: দর-কষাকষি করিনি। ছয়জনের নাম চেয়েছে, দিয়েছি। সাতটাও চাইনি, ১২টাও চাইনি। কারণ, আমি জানি, এটা অস্থায়ী।
প্রথম আলো: কে কোন দপ্তর পাবেন, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আপনাদের আলোচনা হয়েছিল?
এরশাদ: না। বিএনপি এলে ১২টি মন্ত্রিত্ব পেত। তাহলে সর্বদলীয় একটা সরকার নির্বাচন করতে পারত।
প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রীর হাতেই নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। ৫০টি মন্ত্রিত্ব দিলেও এটা ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ার নয়।
এরশাদ: শত ভাগ সঠিক।
প্রথম আলো: তাহলে আপনি বিএনপিকে ১২টি মন্ত্রিত্ব নিতে বলছেন কেন?
এরশাদ: আমি বলেছিলাম সে অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা থাকবেন না। অন্য কেউ আসবেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে।
প্রথম আলো: আপনি কি কখনো এ কথাটি শেখ হাসিনাকে সরাসরি বলেছেন?
এরশাদ: বলেছি।
প্রথম আলো: তিনি কী বলেছেন?
এরশাদ: তিনি বলেছেন, এটা সম্ভব নয়। এই আলোচনা গণভবনে হয়েছে। আমি বলেছি, আপনি থাকলে বিএনপি আসবে না। তার চেয়ে সর্বদলীয় সরকার করে প্রধানমন্ত্রিত্ব পদ অন্য কাউকে দিন।
প্রথম আলো: সংসদের বাইরের কাউকে দিতে বলেছিলেন?
এরশাদ: ওই পদ এখন কেবল রাষ্ট্রপতিই নিতে পারেন।
প্রথম আলো: তার মানে ৩০০ জনের মধ্যে আপনি অন্য কাউকে দেখেন না।
এরশাদ: না। জাপা ২৯৯ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। রাষ্ট্রপতির আসনে দিইনি। তিনি একজন ভালো মানুষ। বিএনপিও তাঁকে মেনে নিত।
প্রথম আলো: আপনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিরোধী। আবার সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন চাইছেন। এটা স্ববিরোধী কি না। এখন যে শর্তে নির্বাচনে যেতে চাইছেন, সেটা এর পরের নির্বাচনে কীভাবে কার্যকর হবে। একটা স্থায়ী ব্যবস্থা তো লাগবে।
এরশাদ: না। আমি নির্বাচনকালীন পদ্ধতি হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিরোধিতা করি না। আমার দুঃখ ও ক্ষোভ হচ্ছে, প্রতিটি নির্বাচনেই তারা জাপার সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। আমি তাই এই ব্যবস্থার প্রতি বীতশ্রদ্ধ।
প্রথম আলো: তাহলে ব্যবস্থা হিসেবে আপনি এর বিরোধী নন?
এরশাদ: না। এই সংকট আদালত থেকেও এসেছে। দুই মেয়াদে এই ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনের কথা বলে ১৬ মাস পরে আবার তাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
প্রথম আলো: কেন নিজেকে শৃঙ্খলিত রাজনীতিক ভাবছেন?
এরশাদ: আমার বিরুদ্ধে ৭৪টি মামলা করা হয়েছিল। মঞ্জুর হত্যা মামলা দেওয়া হলো ঘটনার ১১ বছর নয় মাস পর। সেই মামলার নিষ্পত্তি কেউ করল না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দু-দুবার করে মেয়াদ পুরা করল। মহাজোটে পাঁচ বছর থাকলাম। এর সুরাহা হলো না। আদালত শুনানি শেষের পর হঠাৎ ২১-২২ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঠিক হলো। শত্রুর সঙ্গেও এ রকম কেউ করে না। আমি তো মহাজোটের মিত্র ছিলাম।
প্রথম আলো: তার মানে মহাজোটে থেকেও আপনি একটা অদৃশ্য কারাগারে ছিলেন।
এরশাদ: আমি একটা কারাগারে ছিলাম। মন খুলে কথা বলতে পারিনি।
প্রথম আলো: আপনি কি এই দুঃখের কথা প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি বলেননি?
এরশাদ: অনেকবার বলেছি। তিনি বলেছেন, আইনের বিষয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করতে চান না। অথচ শত শত মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমারটা হয়নি।
প্রথম আলো: আপনার কি মনে হয়, বিএনপিও এমনই আচরণ করত?
এরশাদ: তাই মনে হয়। দুই দলই একই আচরণ করেছে।
প্রথম আলো: খালেদা জিয়ার সঙ্গে কি এ নিয়ে আপনার কথা হয়েছে? আপনাকে যখন তারা পেতে চায় তখন এ নিয়ে কথা বলেননি?
এরশাদ: আমার প্রতি বিএনপির একটা স্বাভাবিক আক্রোশ থাকার কথা। কারণ, আমি তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা নিয়েছিলাম। ১৯৯৬ সালে আমার আসন ছিল ৩৩টি। বিএনপির ছিল ১১৬। বিএনপি লোক পাঠাল। আমার সমর্থন চাইল। আমি তখন বিএনপিকে সমর্থন দিলে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারত না। আমি শেখ হাসিনাকে সমর্থন করেছিলাম।
প্রথম আলো: ১৯৯০ এর পরে বেগম জিয়ার সঙ্গে আপনার কতবার সাক্ষাৎ হয়েছে?
এরশাদ: আমার ঠিক মনে নেই। তবে কয়েকবার হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। আমার বাসায় তিনি এসেছিলেন।
প্রথম আলো: আপনার ‘স্বৈরাচারী’ দশক আর দুই নেত্রীর দুই ‘নির্বাচিত’ দশকের মধ্যে তুলনা করুন।
এরশাদ: আমি সামরিক বাহিনী থেকে এসেছিলাম। তাই মানুষের ধারণা আমি স্বৈরাচার। কিন্তু অন্যায়ভাবে আমি কোনো মানুষকে শাস্তি দিইনি। আক্রোশের বশে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিইনি। আমি গণতন্ত্র চেয়েছি। তাই ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
প্রথম আলো: আপনি তত্ত্ব দিয়েছিলেন দেশ পরিচালনায় সেনাবাহিনীর অংশীদারি থাকবে। সেই অবস্থান থেকে কি আপনি সরে দাঁড়িয়েছেন?
এরশাদ: সামরিক বাহিনী একটি শক্তি। তাদের যদি উন্নয়ন কাজে...
প্রথম আলো: সারা বিশ্বে বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তাকারী হিসেবে সেনার ভূমিকা স্বীকৃত। কিন্তু ক্ষমতার অংশীদারি গণতন্ত্রে অচল।
এরশাদ: না, আমি ক্ষমতার কথা বলিনি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি হতে পারে না। এটা আমি কখনো বলিনি।
প্রথম আলো: প্রধান নির্বাহীর বাইরে কাউকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হয় না কেন?
এরশাদ: দেশের প্রধান নির্বাহী প্রতিরক্ষাকে সব সময় হাতে রাখেন। কারণ, তিনি মনে করেন, এটা তাঁর বড় রক্ষাকবচ। কিন্তু সব সময়ই কি তা হয়? সব সময় তা হয় না। রক্ষাকবচ সত্ত্বেও সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। তাই মনে হয়, এটা আরেকজনের হাতে রাখাই ভালো। আমি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ গঠন করেছিলাম।
প্রথম আলো: সেটা আজও চলছে। সেটা অগণতান্ত্রিক। আপনি কি মনে করেন না এই বিভাগ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থাৎ প্রকারান্তরে বেসামরিক কর্তৃত্বকে অগ্রাহ্য করছে এবং এর বিলুপ্ত হওয়া উচিত?
এরশাদ: না। আপনাকে মনে রাখতে হবে এএফডি সম্পূর্ণরূপে একটি সামরিক প্রতিষ্ঠান।
প্রথম আলো: সেখানেই আপত্তি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এর কোনো জায়গা নেই।
এরশাদ: কিন্তু এটাও তো ঠিক যে সবকিছু ঠিক হওয়ার পরে সব বিষয় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বেসামরিক কর্তৃপক্ষের (প্রধানমন্ত্রীর) কাছেই তো যাচ্ছে।
প্রথম আলো: আমাদের প্রতিরক্ষানীতি নেই। সাবেক সেনাপ্রধান হয়েও মহাজোট সরকারে থেকে এ নিয়ে কোনো কথা বললেন না। রাশিয়া থেকে আট হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র আমরা কেন কিনলাম?
এরশাদ: এই ক্রয়ের আদৌ দরকার ছিল না। যেসব অস্ত্র কেনা হয়েছে, তা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে ব্যবহূত হয় না।
প্রথম আলো: তারা এর আগের সরকারে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মিগ-২৯ কিনল। কী কাজে লাগল?
এরশাদ: সেটা একটা খারাপ ক্রয় ছিল। মিগের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তা ছাড়া আমাদের এয়ারপোর্ট চীনা এয়ারক্রাফটের উপযোগী। দামও অনেক কম। অনেক অগ্রসর ওই রুশ যুদ্ধবিমান আমাদের দরকার ছিল না। আমরা তো কোনো দেশকে আক্রমণ করতে যাচ্ছি না। শুধু নিজেদের রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম আলো: আপনি কি কখনো এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন।
এরশাদ: সেই সাহস কি আমার আছে?
প্রথম আলো: একটা নৈতিক সাহস মানুষের থাকে, নাকি আপনি শৃঙ্খলিত বলেই?
এরশাদ: না, তা নয়। একটা ক্রয় সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ার পর আমি কী করে বলি এটা ঠিক হয়নি।
প্রথম আলো: ভারতের পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে, ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিব জঙ্গিবাদ উত্থানের বিষয়ে আপনাকে ঠিক ওভাবে কথাটা বলেননি।
এরশাদ: তিনি বলেছেন, এখানে জঙ্গিবাদের উত্থান হবে। সেটা ভারতের নিরাপত্তার সংকট বাড়াবে।
প্রথম আলো: আপনি স্বীকার করবেন যে ভারতের সেই উদ্বেগ সংগত?
এরশাদ: জঙ্গিবাদের উত্থান তো হচ্ছে। সেটা আমরা দেখছি। জামায়াতের উত্থান ঘটেছে।
প্রথম আলো: ভারতের চারটি রাজ্যের নির্বাচনের পর ইঙ্গিত মিলছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসতে পারে। তাহলে দুই দেশ একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে?
এরশাদ: হ্যাঁ, আমরা যে কারণে বিজেপি সম্পর্কে বলতে পারি না, একইভাবে তারাও পারে না।
প্রথম আলো: যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও জাতিসংঘ বিএনপিকে নিয়ে এবং ভারত বিএনপিকে বাইরে রেখেও নির্বাচন চাইছে। এই ধারণা ঠিক কি না।
এরশাদ: ঠিক। তবে বিদেশিদের কেউ বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা দিতে পারবে না। এটা দেবে জনগণ। বাইরের কোনো শক্তি এটা পারবে না। অস্থিতিশীলতা ইতিমধ্যে এসে গেছে। এখন এ থেকে মুক্তির একটাই উপায়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির উভয়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।
প্রথম আলো: সেনানিবাসে জন্মসহ অনেক কিছুতেই বিএনপি ও জাপা একই ধারার দল। অথচ আপনি আওয়ামী লীগের মিত্র হন, বিএনপি শত্রুই থেকে যায়। মূল কারণ কি আদর্শগত?
এরশাদ: না। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। আদর্শিক কিছু নেই। আমাদের সমাজ কখনো সংঘাত ও হানাহানিপূর্ণ ছিল না। এখনো নেই।
প্রথম আলো: কিন্তু জামায়াতি সন্ত্রাসে বহু লোক প্রাণ হারিয়েছে। এটা কি বিচ্ছিন্ন নাকি সমাজ সহিংস হয়ে ওঠার লক্ষণ?
এরশাদ: বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর কোনো দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া হবে না। জামায়াত কিন্তু সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ছিল না। তাদের নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। তাই তারা বাধ্য হয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেছে। এসব না করলে সম্ভবত তারা নাশকতা করত না।
প্রথম আলো: ১৯৯০-এর পরে বিএনপি জাপার ওপর জুলুম করে আপনাকে স্তব্ধ করতে পারেনি। একই নীতি নিয়ে আওয়ামী লীগও বিএনপিকেও স্তব্ধ করতে পারবে না।
এরশাদ: আপনার সঙ্গে এক শ ভাগ একমত। এটা সম্ভব নয়। বিএনপির অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে। এটা কোন গণতন্ত্র?
প্রথম আলো: সাম্প্রতিক নাশকতার জন্য কারা দায়ী? উভয় দলই জড়িত থাকতে পারে?
এরশাদ: বিএনপি বলছে, এটা সরকার করছে। সরকার বলছে, বিএনপি-জামায়াত করছে। আমার প্রশ্ন হলো এই অবস্থার সৃষ্টি হলো কেন। অবশ্যই উভয় দলই নাশকতা করছে। বাইরের লোকেরা করছে না। মূল কথা হলো নির্বাচন। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এটা হবে না। সবাই তো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আপনি শ্বাসরোধ করে রেখেছেন। তাই এসব ঘটনা তো ঘটবেই। মাঝখানে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে।
প্রথম আলো: জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার প্রথমবারের মতো হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। বলেছেন, নির্বাচনী সহিংসতায় সাধারণ মানুষের প্রাণহানির দায়ে হেগের আদালতে আমাদের রাজনীতিকদের বিচার হতে পারে। কিন্তু এ বিষয়ে সরকার নীরব। কেন?
এরশাদ: হয়তো তারা কোনো বড় শক্তির ভরসায় নীরব রয়েছে। ভাবছে, তারা পাশে থাকলে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।
প্রথম আলো: বিএনপিও নীরব।
এরশাদ: হয়তো তারা এর গুরুত্ব বুঝতে পারছে না। তবে সরকারেরটা বলতে পারি, তারা হয়তো ভাবতে পারে অন্য কেউ তাদের রক্ষা করবে।
প্রথম আলো: ১৯৯০ সালে আপনি যে ব্যবস্থা রেখে গেলেন, তারপর সংসদীয় ব্যবস্থার নামে রাষ্ট্রপতি মুছে প্রধানমন্ত্রী শব্দ লেখা হলো। এ নিয়ে আপনাকে কথা বলতে শুনি না। শৃঙ্খলিত বলেই কি?
এরশাদ: দুই দলই এতে কর্ণপাত করবে না।
প্রথম আলো: আপনার শাসনামলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসের অভিযোগ ছিল। সেই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বিনির্মাণ প্রক্রিয়াটি কেমন দেখলেন?
এরশাদ: আমি বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করিনি। কারও পদোন্নতি নিয়ে কথা বলিনি। নিম্ন আদালতেও নয়, উচ্চ আদালতেও নয়। পিএসসিতে কখনো হস্তক্ষেপ করিনি।
প্রথম আলো: আপনার একটি কথা অন্তত সত্য নয়। প্রধান বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেনকে আপনি অপসারণ করেছিলেন। তিনি এজলাসে বসেছিলেন। আপনি বয়স কমিয়ে তাঁকে তাৎক্ষণিক সরিয়েছিলেন। সেই কলঙ্কের দাগ আপনার আছে। কেন, বলুন?
এরশাদ: বলতে আমার আপত্তি নেই। তিনি সামরিক শাসনের বিরোধী ছিলেন। এটা স্বাভাবিক যে সামরিক শাসনের বিরোধিতা সবাই করবেন। কিন্তু উনি একটু বেশি বিরোধী ছিলেন। তাই বাধ্য হয়ে করেছিলাম। তবে তখন কিন্তু সামরিক শাসন চলছিল। গণতন্ত্রে উত্তরণের পরে আমি কিন্তু এমন কিছু আর করিনি। বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী অষ্টম সংশোধনী বাতিল করেছিলেন। আমার কোনো প্রতিক্রিয়া ছিল না। প্রথম দিকে কিছু ভুল-ত্রুটি করেছিলাম। আমি এখন প্রদেশ গঠন করার কথা বলছি। যদি প্রদেশ হয়, তাহলে সেখানে স্থায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ যাবে। এখন ব্যক্তির হাতে সর্বময় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত। এই নিরঙ্কুশ ক্ষমতাই উত্তম শাসনের জন্য বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য এটাই বড় হুমকি। এই নিরঙ্কুশ ক্ষমতা থাকার কারণেই শেখ হাসিনাকে রেখে বিএনপি নির্বাচনে যেতে ভয় পাচ্ছে। ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়নি। ক্ষমতা জনগণের কাছে যায়নি।
প্রথম আলো: আপনি বলেন, আপনাকে শৃঙ্খলিত করা হয়েছে। অথচ সপ্তম সংশোধনীর মামলার রায়ে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখলের জন্য আপনার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ চাইলে মামলা করতে পারত। কিন্তু সেটা তারা করেনি। এর অর্থ হচ্ছে শৃঙ্খল কী হবে তা-ও কিন্তু বৈষম্যমূলক। আমাদের বেসামরিক রাজনীতিকেরা অতটা বেরসিক নন যে আপনাকে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের জন্য শাস্তি দেবে। এখানেও কিন্তু দুই দলের মতৈক্য দেখি। আপনাকে তারা শৃঙ্খলিত করে, আবার শৃঙ্খলিত করেও না।
এরশাদ: (হাসি) আমাকে প্রয়োজন আছে বলে হয়তো করে না।
প্রথম আলো: হয়তো যে রাজনীতি তারা করে, সেখানে আপনার উপস্থিতির একটা গ্রহণযোগ্যতা তাদের দিয়েই চলতে হয়। ’৭৩ সালে ভুট্টো সামরিক শাসন ঠেকাতে যে বিধান করেছিলেন, আপনারা পঞ্চদশ সংশোধনীতে ঠিক সেটা আমদানি করলেন। আপনি কি মনে করেন, দৈত্যটা বোতলে পুরতে পেরেছেন?
এরশাদ: (হাসি) ছিপি খুলে যাবে একদিন।
প্রথম আলো: লন্ডনের ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও নিউইয়র্ক টাইমস পরপর সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেও দুই দল প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। কারণ কী?
এরশাদ: এখানে একটা কথা বলি। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। আমি তাঁকে বললাম, নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে এখন ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তিনি (সুজাতা সিং) বলেছেন, তাহলে কী হতে পারে? আমি বলেছি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন করে সরকারের পরিবর্তন ঘটানো। অন্যথায় এ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পাওয়া খুব কঠিন হবে।
প্রথম আলো: ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিব শুনে কী বলেছেন?
এরশাদ: তাঁরা চাইছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু বাংলাদেশে এক সরকার দুবার আসে না। স্বাভাবিকভাবে মানুষের মনে চলে আসে আওয়ামী লীগ সরকারের দিন শেষ, বিএনপি সরকারে আসবে।
প্রথম আলো: এটা কেন ঘটে? চরম নিপীড়নমূলক শাসন বলেই কি?
এরশাদ: এটাই বড় সত্য। মানুষ ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে যায়। তাই তারা ক্ষমতাসীন সরকারকে বিদায় দেয়। এটা রোধের একটাই উপায় আছে, যদি বেনোভোলেন্ট (সদাশয়) শাসন আসে।
প্রথম আলো: বিশ্বব্যাপী বেনোভোলেন্ট শব্দটির পরে আরেকটি শব্দ বসে। সেটি বলেননি।
এরশাদ: (হাসি) ডিকটেটর। আমি বলি বেনোভোলেন্ট প্রধানমন্ত্রী। আমি যে ক্ষমতা ভোগ করেছি, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার চেয়ে বেশি ক্ষমতা ভোগ করছেন।
প্রথম আলো: সাংবিধানিক স্বৈরশাসন বহাল আছে। শুধু...
এরশাদ: (হাসি) কেবল ‘সদাশয়’ শব্দটি নিখোঁজ। তাই তো? আপনি নিরঙ্কুশভাবে সত্য।
প্রথম আলো: তফসিল ১০ দিন পেছানোর শর্ত মানলে নির্বাচনে আসবেন?
এরশাদ: আওয়ামী লীগ এটা মানবে না। কারণ তারা উৎকণ্ঠিত, যদি বিএনপি চলে আসে?
প্রথম আলো: বিএনপি নির্বাচনে আসুক আওয়ামী লীগ চায় না, কথাটা বিশ্বাস করেন?
এরশাদ: বিশ্বাস করি।
প্রথম আলো: নির্বাচন নিয়ে খালেদা হাসিনার কাছে দুবার নিগৃহীত হয়েছেন। এখন খালেদা একবার ফিরতি দেবেন। তাই বিএনপিও আসতে চায় না। এটা বিশ্বাস করেন?
এরশাদ: তা-ও বিশ্বাস করি।
প্রথম আলো: তাহলে বাংলাদেশ গভীর খাদের কিনারে যাচ্ছে, এটা অবধারিত?
এরশাদ: অবধারিত।
প্রথম আলো: কোনো কারণে আপনি নির্বাচনে গেলেও বিএনপিবিহীন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না? স্থিতি ও শান্তি আসবে না?
এরশাদ: না। আমি গেলেও সেই নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হবে না। সব দল না এলে শান্তি আসবে না। নির্বাচন হলেও বর্তমান সংঘাত চলতে থাকবে। আমাদের হাত পুড়িয়ে লাভ কী। আমাদের বাঁচার আর কোনো পথ নেই।
প্রথম আলো: আপনি নাকি বিদেশে যাচ্ছেন? রওশন এরশাদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হচ্ছেন?
এরশাদ: সরকার এটা চাইছে। তারাই ছড়াচ্ছে। গভীর রাতে টিভিতে প্রথম শুনলাম।
প্রথম আলো: তবে আপনার স্ত্রী ও আনিস মাহমুদ সম্ভবত দ্বিধায় আছেন।
এরশাদ: দেখি আজকের দিনটা তো আছে। তাঁরাও শিক্ষিত। লেখাপড়া করেছেন। কোনো লাভ নেই। মানুষ ধিক্কার দেবে।
প্রথম আলো: তদুপরি ছিয়াশির মতো কঠিন উক্তি আপনি করেননি। নির্বাচনে গেলে জাতীয় বেইমান হবেন বলেননি। নিজেকে বদলাতে হলে বলবেন রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই!
এরশাদ: (হাসি) বঙ্গবন্ধুর কন্যা তো। তিনি তখন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে তাঁরও একটা হিসাব ছিল।
প্রথম আলো: এখন বিশিষ্ট নাগরিকদের ফর্মুলা মানলে ক্ষতি কী, তাঁকে রেখেই?
এরশাদ: না, সেটা হবে না। এটা কাজ করবে না। তাঁকে সরে যেতে হবে। তিনি সরবেন না।
প্রথম আলো: বিএনপি নেত্রী অভয় দিয়েছিলেন, তিনি প্রতিহিংসার পথে যাবেন না। আচ্ছা, জাতিসংঘ কি গ্যারান্টি দিতে পারে?
এরশাদ: এটা দিলে খুব ভালো হয়। দেখি তারানকোকে কথাটা বলতে পারি।
প্রথম আলো: আপনার হারিয়ে যাওয়া দশক থেকে দুই নেত্রীর দুই দশকে যে পরিবর্তন এল না, তা কি আমাদের সমষ্টিগত ব্যর্থতা, নাকি প্রধানত দুই নেত্রীর ব্যর্থতা?
এরশাদ: এটা নেতৃত্বের ব্যর্থতা।
প্রথম আলো: দুর্নীতির কথা কী বলবেন।
এরশাদ: আমার দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রথম আলো: আমরা অন্তত হংকংয়ে বিসিসিআই ব্যাংকের টাকার (১০ মিলিয়ন ডলার) কথা জানি। সেই প্রমাণ কিন্তু আছে। পাকিস্তানি ব্যাংকার নাকভির জবানবন্দি...
এরশাদ: না। আমার হিসাবে পাওয়া যায়নি।
প্রথম আলো: আপনি আপনার জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে বিকল্প বিরোধীদলীয় নেতা হয়ে উঠেছেন। আওয়ামী লীগের জন্য এটা বড়ই দরকারি। এটা আসলে আপনি উভয় দিকে ব্যবহার করতে পারেন।
এরশাদ: ১৫১ আসন পেয়েও আমরা সরকার গঠন করতে পারব না।
প্রথম আলো: চাইলে আপনি ছিয়াশির বিরোধী দল হতে পারেন। যেটা হয়ে আওয়ামী লীগ আপনার উপকার করেছিল।
এরশাদ: সেটা হওয়ার ইচ্ছা আমার নেই। কিন্তু ভাগ্যচক্রে যদি হয়ে যাই ক্ষতি কী!
প্রথম আলো: শিশির ভট্টাচার্য্য কি আপনাকে আহত করেছেন? নাকি তাঁর কার্টুনে আপনার ভূমিকা প্রকৃতই প্রতিফলিত হয়েছে?
এরশাদ: (হাসি) তা হয়েছে।
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
এইচ এম এরশাদ: ধন্যবাদ।
প্রথম আলো: তারা এর আগের সরকারে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মিগ-২৯ কিনল। কী কাজে লাগল?
এরশাদ: সেটা একটা খারাপ ক্রয় ছিল। মিগের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তা ছাড়া আমাদের এয়ারপোর্ট চীনা এয়ারক্রাফটের উপযোগী। দামও অনেক কম। অনেক অগ্রসর ওই রুশ যুদ্ধবিমান আমাদের দরকার ছিল না। আমরা তো কোনো দেশকে আক্রমণ করতে যাচ্ছি না। শুধু নিজেদের রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম আলো: আপনি কি কখনো এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন।
এরশাদ: সেই সাহস কি আমার আছে?
প্রথম আলো: একটা নৈতিক সাহস মানুষের থাকে, নাকি আপনি শৃঙ্খলিত বলেই?
এরশাদ: না, তা নয়। একটা ক্রয় সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ার পর আমি কী করে বলি এটা ঠিক হয়নি।
প্রথম আলো: ভারতের পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে, ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিব জঙ্গিবাদ উত্থানের বিষয়ে আপনাকে ঠিক ওভাবে কথাটা বলেননি।
এরশাদ: তিনি বলেছেন, এখানে জঙ্গিবাদের উত্থান হবে। সেটা ভারতের নিরাপত্তার সংকট বাড়াবে।
প্রথম আলো: আপনি স্বীকার করবেন যে ভারতের সেই উদ্বেগ সংগত?
এরশাদ: জঙ্গিবাদের উত্থান তো হচ্ছে। সেটা আমরা দেখছি। জামায়াতের উত্থান ঘটেছে।
প্রথম আলো: ভারতের চারটি রাজ্যের নির্বাচনের পর ইঙ্গিত মিলছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসতে পারে। তাহলে দুই দেশ একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে?
এরশাদ: হ্যাঁ, আমরা যে কারণে বিজেপি সম্পর্কে বলতে পারি না, একইভাবে তারাও পারে না।
প্রথম আলো: যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও জাতিসংঘ বিএনপিকে নিয়ে এবং ভারত বিএনপিকে বাইরে রেখেও নির্বাচন চাইছে। এই ধারণা ঠিক কি না।
এরশাদ: ঠিক। তবে বিদেশিদের কেউ বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা দিতে পারবে না। এটা দেবে জনগণ। বাইরের কোনো শক্তি এটা পারবে না। অস্থিতিশীলতা ইতিমধ্যে এসে গেছে। এখন এ থেকে মুক্তির একটাই উপায়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির উভয়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা।
প্রথম আলো: সেনানিবাসে জন্মসহ অনেক কিছুতেই বিএনপি ও জাপা একই ধারার দল। অথচ আপনি আওয়ামী লীগের মিত্র হন, বিএনপি শত্রুই থেকে যায়। মূল কারণ কি আদর্শগত?
এরশাদ: না। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। আদর্শিক কিছু নেই। আমাদের সমাজ কখনো সংঘাত ও হানাহানিপূর্ণ ছিল না। এখনো নেই।
প্রথম আলো: কিন্তু জামায়াতি সন্ত্রাসে বহু লোক প্রাণ হারিয়েছে। এটা কি বিচ্ছিন্ন নাকি সমাজ সহিংস হয়ে ওঠার লক্ষণ?
এরশাদ: বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর কোনো দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া হবে না। জামায়াত কিন্তু সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ছিল না। তাদের নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। তাই তারা বাধ্য হয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেছে। এসব না করলে সম্ভবত তারা নাশকতা করত না।
প্রথম আলো: ১৯৯০-এর পরে বিএনপি জাপার ওপর জুলুম করে আপনাকে স্তব্ধ করতে পারেনি। একই নীতি নিয়ে আওয়ামী লীগও বিএনপিকেও স্তব্ধ করতে পারবে না।
এরশাদ: আপনার সঙ্গে এক শ ভাগ একমত। এটা সম্ভব নয়। বিএনপির অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে। এটা কোন গণতন্ত্র?
প্রথম আলো: সাম্প্রতিক নাশকতার জন্য কারা দায়ী? উভয় দলই জড়িত থাকতে পারে?
এরশাদ: বিএনপি বলছে, এটা সরকার করছে। সরকার বলছে, বিএনপি-জামায়াত করছে। আমার প্রশ্ন হলো এই অবস্থার সৃষ্টি হলো কেন। অবশ্যই উভয় দলই নাশকতা করছে। বাইরের লোকেরা করছে না। মূল কথা হলো নির্বাচন। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এটা হবে না। সবাই তো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আপনি শ্বাসরোধ করে রেখেছেন। তাই এসব ঘটনা তো ঘটবেই। মাঝখানে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছে।
প্রথম আলো: জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার প্রথমবারের মতো হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। বলেছেন, নির্বাচনী সহিংসতায় সাধারণ মানুষের প্রাণহানির দায়ে হেগের আদালতে আমাদের রাজনীতিকদের বিচার হতে পারে। কিন্তু এ বিষয়ে সরকার নীরব। কেন?
এরশাদ: হয়তো তারা কোনো বড় শক্তির ভরসায় নীরব রয়েছে। ভাবছে, তারা পাশে থাকলে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।
প্রথম আলো: বিএনপিও নীরব।
এরশাদ: হয়তো তারা এর গুরুত্ব বুঝতে পারছে না। তবে সরকারেরটা বলতে পারি, তারা হয়তো ভাবতে পারে অন্য কেউ তাদের রক্ষা করবে।
প্রথম আলো: ১৯৯০ সালে আপনি যে ব্যবস্থা রেখে গেলেন, তারপর সংসদীয় ব্যবস্থার নামে রাষ্ট্রপতি মুছে প্রধানমন্ত্রী শব্দ লেখা হলো। এ নিয়ে আপনাকে কথা বলতে শুনি না। শৃঙ্খলিত বলেই কি?
এরশাদ: দুই দলই এতে কর্ণপাত করবে না।
প্রথম আলো: আপনার শাসনামলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসের অভিযোগ ছিল। সেই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বিনির্মাণ প্রক্রিয়াটি কেমন দেখলেন?
এরশাদ: আমি বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করিনি। কারও পদোন্নতি নিয়ে কথা বলিনি। নিম্ন আদালতেও নয়, উচ্চ আদালতেও নয়। পিএসসিতে কখনো হস্তক্ষেপ করিনি।
প্রথম আলো: আপনার একটি কথা অন্তত সত্য নয়। প্রধান বিচারপতি কামাল উদ্দিন হোসেনকে আপনি অপসারণ করেছিলেন। তিনি এজলাসে বসেছিলেন। আপনি বয়স কমিয়ে তাঁকে তাৎক্ষণিক সরিয়েছিলেন। সেই কলঙ্কের দাগ আপনার আছে। কেন, বলুন?
এরশাদ: বলতে আমার আপত্তি নেই। তিনি সামরিক শাসনের বিরোধী ছিলেন। এটা স্বাভাবিক যে সামরিক শাসনের বিরোধিতা সবাই করবেন। কিন্তু উনি একটু বেশি বিরোধী ছিলেন। তাই বাধ্য হয়ে করেছিলাম। তবে তখন কিন্তু সামরিক শাসন চলছিল। গণতন্ত্রে উত্তরণের পরে আমি কিন্তু এমন কিছু আর করিনি। বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী অষ্টম সংশোধনী বাতিল করেছিলেন। আমার কোনো প্রতিক্রিয়া ছিল না। প্রথম দিকে কিছু ভুল-ত্রুটি করেছিলাম। আমি এখন প্রদেশ গঠন করার কথা বলছি। যদি প্রদেশ হয়, তাহলে সেখানে স্থায়ী হাইকোর্ট বেঞ্চ যাবে। এখন ব্যক্তির হাতে সর্বময় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত। এই নিরঙ্কুশ ক্ষমতাই উত্তম শাসনের জন্য বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য এটাই বড় হুমকি। এই নিরঙ্কুশ ক্ষমতা থাকার কারণেই শেখ হাসিনাকে রেখে বিএনপি নির্বাচনে যেতে ভয় পাচ্ছে। ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়নি। ক্ষমতা জনগণের কাছে যায়নি।
প্রথম আলো: আপনি বলেন, আপনাকে শৃঙ্খলিত করা হয়েছে। অথচ সপ্তম সংশোধনীর মামলার রায়ে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখলের জন্য আপনার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ চাইলে মামলা করতে পারত। কিন্তু সেটা তারা করেনি। এর অর্থ হচ্ছে শৃঙ্খল কী হবে তা-ও কিন্তু বৈষম্যমূলক। আমাদের বেসামরিক রাজনীতিকেরা অতটা বেরসিক নন যে আপনাকে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের জন্য শাস্তি দেবে। এখানেও কিন্তু দুই দলের মতৈক্য দেখি। আপনাকে তারা শৃঙ্খলিত করে, আবার শৃঙ্খলিত করেও না।
এরশাদ: (হাসি) আমাকে প্রয়োজন আছে বলে হয়তো করে না।
প্রথম আলো: হয়তো যে রাজনীতি তারা করে, সেখানে আপনার উপস্থিতির একটা গ্রহণযোগ্যতা তাদের দিয়েই চলতে হয়। ’৭৩ সালে ভুট্টো সামরিক শাসন ঠেকাতে যে বিধান করেছিলেন, আপনারা পঞ্চদশ সংশোধনীতে ঠিক সেটা আমদানি করলেন। আপনি কি মনে করেন, দৈত্যটা বোতলে পুরতে পেরেছেন?
এরশাদ: (হাসি) ছিপি খুলে যাবে একদিন।
প্রথম আলো: লন্ডনের ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও নিউইয়র্ক টাইমস পরপর সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেও দুই দল প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। কারণ কী?
এরশাদ: এখানে একটা কথা বলি। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। আমি তাঁকে বললাম, নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে এখন ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তিনি (সুজাতা সিং) বলেছেন, তাহলে কী হতে পারে? আমি বলেছি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন করে সরকারের পরিবর্তন ঘটানো। অন্যথায় এ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পাওয়া খুব কঠিন হবে।
প্রথম আলো: ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিব শুনে কী বলেছেন?
এরশাদ: তাঁরা চাইছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু বাংলাদেশে এক সরকার দুবার আসে না। স্বাভাবিকভাবে মানুষের মনে চলে আসে আওয়ামী লীগ সরকারের দিন শেষ, বিএনপি সরকারে আসবে।
প্রথম আলো: এটা কেন ঘটে? চরম নিপীড়নমূলক শাসন বলেই কি?
এরশাদ: এটাই বড় সত্য। মানুষ ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে যায়। তাই তারা ক্ষমতাসীন সরকারকে বিদায় দেয়। এটা রোধের একটাই উপায় আছে, যদি বেনোভোলেন্ট (সদাশয়) শাসন আসে।
প্রথম আলো: বিশ্বব্যাপী বেনোভোলেন্ট শব্দটির পরে আরেকটি শব্দ বসে। সেটি বলেননি।
এরশাদ: (হাসি) ডিকটেটর। আমি বলি বেনোভোলেন্ট প্রধানমন্ত্রী। আমি যে ক্ষমতা ভোগ করেছি, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার চেয়ে বেশি ক্ষমতা ভোগ করছেন।
প্রথম আলো: সাংবিধানিক স্বৈরশাসন বহাল আছে। শুধু...
এরশাদ: (হাসি) কেবল ‘সদাশয়’ শব্দটি নিখোঁজ। তাই তো? আপনি নিরঙ্কুশভাবে সত্য।
প্রথম আলো: তফসিল ১০ দিন পেছানোর শর্ত মানলে নির্বাচনে আসবেন?
এরশাদ: আওয়ামী লীগ এটা মানবে না। কারণ তারা উৎকণ্ঠিত, যদি বিএনপি চলে আসে?
প্রথম আলো: বিএনপি নির্বাচনে আসুক আওয়ামী লীগ চায় না, কথাটা বিশ্বাস করেন?
এরশাদ: বিশ্বাস করি।
প্রথম আলো: নির্বাচন নিয়ে খালেদা হাসিনার কাছে দুবার নিগৃহীত হয়েছেন। এখন খালেদা একবার ফিরতি দেবেন। তাই বিএনপিও আসতে চায় না। এটা বিশ্বাস করেন?
এরশাদ: তা-ও বিশ্বাস করি।
প্রথম আলো: তাহলে বাংলাদেশ গভীর খাদের কিনারে যাচ্ছে, এটা অবধারিত?
এরশাদ: অবধারিত।
প্রথম আলো: কোনো কারণে আপনি নির্বাচনে গেলেও বিএনপিবিহীন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না? স্থিতি ও শান্তি আসবে না?
এরশাদ: না। আমি গেলেও সেই নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হবে না। সব দল না এলে শান্তি আসবে না। নির্বাচন হলেও বর্তমান সংঘাত চলতে থাকবে। আমাদের হাত পুড়িয়ে লাভ কী। আমাদের বাঁচার আর কোনো পথ নেই।
প্রথম আলো: আপনি নাকি বিদেশে যাচ্ছেন? রওশন এরশাদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হচ্ছেন?
এরশাদ: সরকার এটা চাইছে। তারাই ছড়াচ্ছে। গভীর রাতে টিভিতে প্রথম শুনলাম।
প্রথম আলো: তবে আপনার স্ত্রী ও আনিস মাহমুদ সম্ভবত দ্বিধায় আছেন।
এরশাদ: দেখি আজকের দিনটা তো আছে। তাঁরাও শিক্ষিত। লেখাপড়া করেছেন। কোনো লাভ নেই। মানুষ ধিক্কার দেবে।
প্রথম আলো: তদুপরি ছিয়াশির মতো কঠিন উক্তি আপনি করেননি। নির্বাচনে গেলে জাতীয় বেইমান হবেন বলেননি। নিজেকে বদলাতে হলে বলবেন রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই!
এরশাদ: (হাসি) বঙ্গবন্ধুর কন্যা তো। তিনি তখন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে তাঁরও একটা হিসাব ছিল।
প্রথম আলো: এখন বিশিষ্ট নাগরিকদের ফর্মুলা মানলে ক্ষতি কী, তাঁকে রেখেই?
এরশাদ: না, সেটা হবে না। এটা কাজ করবে না। তাঁকে সরে যেতে হবে। তিনি সরবেন না।
প্রথম আলো: বিএনপি নেত্রী অভয় দিয়েছিলেন, তিনি প্রতিহিংসার পথে যাবেন না। আচ্ছা, জাতিসংঘ কি গ্যারান্টি দিতে পারে?
এরশাদ: এটা দিলে খুব ভালো হয়। দেখি তারানকোকে কথাটা বলতে পারি।
প্রথম আলো: আপনার হারিয়ে যাওয়া দশক থেকে দুই নেত্রীর দুই দশকে যে পরিবর্তন এল না, তা কি আমাদের সমষ্টিগত ব্যর্থতা, নাকি প্রধানত দুই নেত্রীর ব্যর্থতা?
এরশাদ: এটা নেতৃত্বের ব্যর্থতা।
প্রথম আলো: দুর্নীতির কথা কী বলবেন।
এরশাদ: আমার দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রথম আলো: আমরা অন্তত হংকংয়ে বিসিসিআই ব্যাংকের টাকার (১০ মিলিয়ন ডলার) কথা জানি। সেই প্রমাণ কিন্তু আছে। পাকিস্তানি ব্যাংকার নাকভির জবানবন্দি...
এরশাদ: না। আমার হিসাবে পাওয়া যায়নি।
প্রথম আলো: আপনি আপনার জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে বিকল্প বিরোধীদলীয় নেতা হয়ে উঠেছেন। আওয়ামী লীগের জন্য এটা বড়ই দরকারি। এটা আসলে আপনি উভয় দিকে ব্যবহার করতে পারেন।
এরশাদ: ১৫১ আসন পেয়েও আমরা সরকার গঠন করতে পারব না।
প্রথম আলো: চাইলে আপনি ছিয়াশির বিরোধী দল হতে পারেন। যেটা হয়ে আওয়ামী লীগ আপনার উপকার করেছিল।
এরশাদ: সেটা হওয়ার ইচ্ছা আমার নেই। কিন্তু ভাগ্যচক্রে যদি হয়ে যাই ক্ষতি কী!
প্রথম আলো: শিশির ভট্টাচার্য্য কি আপনাকে আহত করেছেন? নাকি তাঁর কার্টুনে আপনার ভূমিকা প্রকৃতই প্রতিফলিত হয়েছে?
এরশাদ: (হাসি) তা হয়েছে।
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
এইচ এম এরশাদ: ধন্যবাদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 08
(20)
- নির্বাচনকেন্দ্রিক সংকট- কে জিতবে কে হারবে? by আনু ...
- সাক্ষাৎকার- ৫ জানুয়ারি নির্বাচন হবে না by মিজানুর...
- একতরফা নির্বাচনের ট্রেন থামা প্রয়োজন- বিশিষ্ট নাগরিক
- তারানকো ট্রেন মিস করলেই সর্বনাশ! by গোলাম মাওলা রনি
- বাংলাদেশের নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ ...
- তারানকোকেও জানিয়েছে ইসি- সমঝোতা হলে অনেক কিছুই সম্ভব
- কাল সারা দেশে হরতাল ডাকল জামায়াত
- ‘পদত্যাগ করলে জনগণ সহানুভূতি দেখাবে’
- কাদের মোল্লার মৃত্যু পরোয়ানা জারি
- কে জিতবে কে হারবে?
- খান সারওয়ার মুরশিদ
- নেত্রীরা, মানুষ পোড়ানো বন্ধ করুন
- তার জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে by ফকির আলম গীর
- প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও সমন্বয়ের রাজনীতির মহানায়ক by ...
- নির্দেশনা নাকি আইনের বিধান কোনটি বিবেচ্য? by ইকতেদ...
- বর্তমান ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে সৃষ্ট...
- রামধনুর দেশে রামধুনু নেই
- আমি মরতে প্রস্তুত
- সন্ত্রাসী ছিলেন আফ্রিকার যিশু!
- মহানায়ক ম্যান্ডেলা
-
▼
Dec 08
(20)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment