Tuesday, December 16, 2014
এবারের বিজয় দিবস ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ by ড. মাহবুব উল্লাহ্
এবারের বিজয় দিবস ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ by ড. মাহবুব উল্লাহ্
আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবস। আজকের এই
দিনে ১৯৭১-এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ভারতীয় মিত্র বাহিনী ও
মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। রমনার রেসকোর্স ময়দানে ওই দিন অপরাহ্নে
এ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক
লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি তার কোমরের বেল্ট খুলে এবং
নিজস্ব পিস্তলটি ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল
জগজিৎ সিং অরোরার কাছে সমর্পণ করে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা নিষ্পন্ন
করেন। এরপর আত্মসমর্পণ দলিলে উভয় জেনারেল স্বাক্ষর করেন। পাকিস্তান সামরিক
বাহিনীর জন্য এ আত্মসমর্পণ ছিল পরাজয় ও অবমাননার একটি স্মারক। এর আগেও
পাকিস্তানের ২৩ বছরের ইতিহাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আরও দুদুটি যুদ্ধ
হয়েছিল। কিন্তু সেসব যুদ্ধে কোনো পক্ষেরই আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু
১৯৭১-এ তৃতীয়বারে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজয়ের গ্লানি মেনে নিতে হয়েছিল। ১৬
ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ৯ মাসব্যাপী
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেরও পরিসমাপ্তি ঘটে। এ মুক্তিযুদ্ধে বীরের রক্ত
স্রোত ও মায়ের অশ্রুধারায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমবারের মতো একটি জাতিরাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ৯ মাসব্যাপী এ মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা
পাকিস্তানি বাহিনীকে নাস্তানাবুদ ও হীনবল করে তুলেছিল। বস্তুত বীর
মুক্তিযোদ্ধাদের অতুলনীয় ত্যাগ ও সাহসিকতার মধ্য দিয়েই রচিত হয়েছিল বিজয়ের
সোপান। এ দেশের লক্ষ-কোটি মানুষের সমর্থন না থাকলে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের
গৌরবমণ্ডিত আত্মত্যাগ না থাকলে পাকিস্তানিদের পরাজিত করা সম্ভব হতো না।
একজন মহান মনীষী বলেছিলেন, রাজনীতি হল রক্তপাতহীন যুদ্ধ এবং যুদ্ধ হল
রক্তপাতময় রাজনীতি। যুদ্ধ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। এ
দ্বন্দ্বে জনগণ যে পক্ষে থাকে সেই পক্ষেরই বিজয় অনিবার্য। ইতিহাসে অনেক
যুদ্ধ হয়েছে। বিশেষ করে মধ্য যুগে যেসব যুদ্ধ হতো, সেসব যুদ্ধে বিবদমান দুই
পক্ষের সৈনিকরা লড়াই করত। যুদ্ধের জয়-পরাজয় নির্ভর করত সেনাপতিদের সঠিক
কৌশল নির্দেশনা এবং সৈনিকদের লড়ার দক্ষতার ওপর। অনেক সময় বিবদমান পক্ষগুলোর
সৈন্য সংখ্যার ওপরও যুদ্ধের জয় পরাজয় নির্ভর করত। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে
এসব যুদ্ধের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পৃক্তি ছিল না। যুদ্ধ ছিল নিছক শক্তির
পরীক্ষা। উপনিবেশবাদ প্রায় সমগ্র পৃথিবীটাকে গ্রাস করেছিল উন্নত প্রযুক্তির
অস্ত্র ও কূটকৌশলের বলে। কিন্তু উপনিবেশবাদ থেকে দুনিয়ার দেশে দেশে যে
মুক্তিসংগ্রাম হয়েছে, সেই সংগ্রামে উপনিবেশবাদীদের উন্নত সমর সম্ভার কোনো
কাজে আসেনি। শেষ পর্যন্ত জনতার সম্মিলিত শক্তিরই জয় হয়েছে। সে কারণে এসব
যুদ্ধকে বলা হয় জনযুদ্ধ। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা একটি জনযুদ্ধেই
লড়েছিল। এটা ছিল ন্যায় যুদ্ধ। অন্যদিকে শত্রুরা গণহত্যা, নির্যাতন নিপীড়ন
চালিয়ে দেশ রক্ষার নামে যে যুদ্ধ করেছিল, সে যুদ্ধ ছিল অন্যায় যুদ্ধ। ন্যায়
যুদ্ধ ও অন্যায় যুদ্ধের মধ্যে শেষ বিচারে ন্যায় যুদ্ধেরই বিজয় হয়। ১৬
ডিসেম্বর একটি ন্যায় যুদ্ধের বিজয় স্মারক। এ বিজয়ের ফলে বাংলাদেশের জনগণ
মুহূর্তের জন্য হলেও ভুলে গিয়েছিল দীর্ঘ ৯ মাসের অত্যাচার ও লাঞ্ছনার
ইতিহাস। সবার চোখ থেকে গড়িয়ে পড়েছিল আনন্দাশ্রু।
বিজয়ের ৪৩ বছর কেটে গেছে। সময়টি চার দশকেরও বেশি। এ সময়ে আমাদের অনেক সাফল্য যেমন আছে, তেমনি আছে অনেক ব্যর্থতাও। সাফল্যের দিকগুলো তুলে ধরতে হলে প্রথমেই যে কথাটি বলতে হয় তা হল, বাংলাদেশের জনচরিত্রে ও জনব্যক্তিত্বে পরিবর্তনের কথা। ১৯৭১-এর আগে বাংলাদেশের মানুষ বহু আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করলেও এ কথা স্বীকার করতে হবে, আমাদের যোদ্ধা জাতি হিসেবে বড় ধরনের কোনো পরিচয় ছিল না। কিন্তু ৭১-এর একটি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সমগ্র জাতি একটি যোদ্ধার জাতিতে পরিণত হল। এমনকি যারা সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তারাও পরিণত হয়েছিল যুদ্ধের সক্রিয় সমর্থকে। মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেয়া, তাদের অস্ত্রশস্ত্র লুকিয়ে রাখা, শত্র“র অবস্থান সম্পর্কে মুক্তিযোদ্ধাদের সাবধান করে দেয়া, পথ চিনিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে অভিযানে সাফল্য এনে দেয়া- সব ক্ষেত্রেই ছিল সাধারণ মানুষের সক্রিয় উদ্যোগ। এ উদ্যোগ সম্মুখ সমরের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না এবং এভাবেই গোটা জাতি পরিণত হয়েছিল একটি যোদ্ধা জাতিতে। সাহস, বীরত্ব ও দেশপ্রেম যেমন যুদ্ধের অনুষঙ্গ, তেমনি শৃংখলাভঙ্গ এবং নীতিবিচ্যুৎ হওয়াও যুদ্ধের অনুষঙ্গ। নীতি ভ্রষ্টতা অনেককেই নানা বিচ্যুতির পথে তাড়িত করেছিল। যুদ্ধটি যদি আরও প্রলম্বিত হতো তাহলে আমাদের দুঃখ-কষ্ট আরও বাড়ত। কিন্তু আমরা হয়তো বড় কিছু অর্জন করতে পারতাম। সোনা যেভাবে আগুনে পুড়ে খাঁটি হয় তেমনি আমরাও একটি নিখাদ সোনার মতো খাঁটি জাতিতে পরিণত হতে পারতাম। চীন, ভিয়েতনাম, কিউবা ও আলজেরিয়াসহ পৃথিবীর অনেক দেশেরই মুক্তি সংগ্রাম দীর্ঘস্থায়ী জনযুদ্ধে পরিণত হয়েছিল। ফলে এসব জাতির চরিত্রে এসেছিল বড় ধরনের পরিবর্তন। আমাদের পক্ষেও সে ধরনের পরিবর্তন সম্ভবপর হতো। তা হয়নি বলে আমরা এখনও দুর্নীতি ও অপশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছি। কিন্তু যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। ইতিহাসের এ ধারাকে পাল্টে দেয়ার কোনো সুযোগ আর আমাদের হাতে নেই। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন পরিস্থিতির একটি দ্রুত সমাধান। এ ব্যাপারে তিনি তৎকালীন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেক সর সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন রাজনীতিবিদ, আর মানেক স ছিলেন যুদ্ধবিশারদ। মানেক স ইন্দিরা গান্ধীকে সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন আট মাসের আগে কিছুই করা সম্ভবপর হবে না। শীতকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। হিমালয়ে বরফ জমলে চীনাদের পক্ষে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব হবে না। বাস্তবে তাই হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধীও মানেক সর যুক্তি মেনে নিয়েছিলেন। চূড়ান্ত যুদ্ধটি হয়েছিল শীতের মাস ডিসেম্বরে। কিন্তু ভারতীয় রণকৌশলবিদরা এর চেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করতে চাননি। কারণ তাদের দৃষ্টিতে যত বেশি অপেক্ষা করা হবে ততই যুদ্ধটি বামপন্থীদের নেতৃত্বে চলে যাওয়ার ঝুঁকির সৃষ্টি হবে। ভারতের কাছে একটি রেড বেঙ্গল স্টেট কাম্য ছিল না। কারণ দীর্ঘ মেয়াদে এ ধরনের একটি রাষ্ট্র গঠিত হলে তা ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ চিন্তার পক্ষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ ডকুমেন্টস গ্রন্থে সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে।
৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ফলে বাংলাদেশের জনব্যক্তিত্বে পরিবর্তনের সূচনা হয়। রবীন্দ্রনাথ যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে দেখতে পেতেন অন্নপায়ী বঙ্গবাসীর বিরাট চারিত্রিক পরিবর্তন হয়েছে। যে বাঙালির আকাক্সক্ষা ছিল নিদেনপক্ষে রাজকর্মচারী হওয়া সে বাঙালির মধ্যে এখন অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে নিজ পায়ে দাঁড়ানোকেই পছন্দ করেন। গ্রামের কৃষক থেকে শুরু করে শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পর্যন্ত অনেকেই সরকারি চাকরির পরিবর্তে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অনেক ক্ষেত্রেই সফল উদ্যোক্তায় পরিণত হয়েছে। কৃষকের জীবনেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। অর্থকরী ফসল ফলানো, চাষবাসের ক্ষেত্রে উন্নত পদ্ধতির প্রবর্তন, খাদ্যশস্যের ফলন বৃদ্ধি, শাকসবজির ফলন বৃদ্ধি, মাছ, মুরগি ও পশুর খামার করা এবং দুগ্ধ খামার করা গ্রামীণ কৃষির চেহারা পাল্টে দিয়েছে। ক্ষুদ্র ঋণের প্রবর্তন লাখ লাখ গ্রামবাসীকে স্বাবলম্বী করে তুলেছে। পোশাকশিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে আজ দ্বিতীয়। বাংলাদেশীরা আর ঘরকুনো বাঙালি হিসেবে অলস জীবনযাপন করে না। জীবনকে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করে তুলতে তারা আজ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। তাদের শ্রমের ফসলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ বিশ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশী ঋণ পরিশোধ নিয়ে আজ আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই। বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়নের প্রসার ঘটছে। বিশেষ করে আরবান করিডোরকে আশ্রয় করে নগরায়ন বিস্তৃত হচ্ছে। নগরায়নের সবচেয়ে বড় চাপটি অনুভব করা যায় রাজধানী ঢাকায়। এখানে নগরায়নের চাপের তুলনায় নাগরিক সুযোগ-সুবিধার সম্প্রসারণ সমান্তরাল গতিতে না এগোনোর ফলে নাগরিক জীবনে বিড়ম্বনা বাড়ছে। ফলে বিকেন্দ্রীকরণের দাবিও হচ্ছে সোচ্চার। স্বাধীনতা-পূর্বকালে শহর ও গ্রামের মধ্যে তফাত ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। এখন শহর ও গ্রামের মধ্যে সেই তফাত অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেছে। গ্রামে পাকা সড়ক, যন্ত্রচালিত যানবাহন, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন ও কৃত্রিম পানীয়র মধ্যে শহরের আমেজ অনুভব করা যায়। ঢাকা থেকে দশ-বারো ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। কাজেই গ্রাম ও শহরের ভেদরেখা ক্রমান্বয়ে অস্পষ্ট হয়ে উঠছে। এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী চার থেকে পাঁচ দশকের মধ্যে বাংলাদেশ একটি নগর রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দেশের পরিচালক রাজনীতিকরা এ সম্ভাবনা নিয়ে কতটুকু ভাবছেন? কিই বা ভাবছেন? সিঙ্গাপুর, হংকং নগর রাষ্ট্র। অবশ্য হংকংয়ের চীনে অন্তর্ভুক্তি ঘটার পর ব্যাপারটি একটু বদলে গেছে। সিঙ্গাপুর ও হংকং খুবই ক্ষুদ্র ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত। বাংলাদেশ যদি নগর রাষ্ট্রে পরিণত হয় তাহলে সেটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম নগর রাষ্ট্র। এ নগর রাষ্ট্রে রূপান্তরে জনবসতির ঘনত্ব একটি বড় ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু তার পাশাপাশি প্রশ্ন এসে দাঁড়াবে সুপেয় পানি, অব্যাহত জ্বালানি সরবরাহ, পরিবেশের ভারসাম্য এবং খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদন প্রভৃতি সমস্যার সমাধান কীভাবে ঘটবে? এর জন্য কী পরিমাণ বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। নগর জীবন গড়ে তোলার জন্য যে অবকাঠামোর প্রয়োজন হয়, সেই অবকাঠামোর জন্য একদিকে যেমন বিশাল বিনিয়োগ করতে হয় অন্যদিকে তেমনি নগর জীবনের নানাবিধ অর্থনৈতিক সাশ্রয় এবং উৎপাদিকা শক্তির বিকাশ জীবনযাত্রার মানেও উন্নয়ন ঘটায়। আজ ভবিষ্যতের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে গিয়ে এসব বিপরীতমুখী শক্তির ভারসাম্য আনয়নের কৌশলের কথাও ভাবতে হবে। ভাবতে হবে সীমিত ভূমিতে বহু মানুষের আবাসস্থল এবং গবাদিপশুর আশ্রয়স্থল কীভাবে নিশ্চিত করা যায়। উন্নত ধনতান্ত্রিক দেশে যে বিপুল নগরায়ন ঘটেছে, তার পশ্চাতে রয়েছে বিশাল খামার জমি। বাংলাদেশে সেই সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। একদিকে জমির অপ্রতুলতা, অন্যদিকে জমির ওপর অগণিত মানুষের মালিকানা স্বত্ব। মালিকানা স্বত্বের বিপুলতা ও বৈচিত্র্যকে অতিক্রম করে কীভাবে ভূমির স্বত্বাধিকারে সংস্কার ঘটিয়ে একটি বিশাল নগর রাষ্ট্রকে টেকসই করা যায়, সেই দুরূহ ও জটিল অনুশীলন এখন থেকেই করতে হবে।
৭৪-এর মতো দুর্ভিক্ষ হয়তো ভবিষ্যতের বাংলাদেশে আর কখনও ঘটবে না। অবশ্য কপাল মন্দ হলে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে গৃহযুদ্ধের মতো দুর্যোগও আশংকা করা যায়। সে রকম পরিস্থিতিতে আবারও হয়তো দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শুনতে হবে। কিন্তু আমরা সেই দুর্দিনের কথা ভাবতে চাই না। এমন অনাকাক্সিক্ষত দুর্দিন যাতে না আসে তার জন্য আমাদের সাংঘর্ষিক রাজনীতিকে কীভাবে সম্প্রীতি ও সহনশীলতার রাজনীতিতে পরিণত করা যায় সেই বিষয়টি নিয়ে সবার মধ্যে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। আমি তো ভালোই আছি কিংবা ভবিষ্যতে কেবল নিজেকে কীভাবে ভালো রাখা যায়, সে কথাই ভাবব এমন স্বার্থপর চিন্তা থেকে সবাইকে সরে আসতে হবে। ভাবনার জগতে একটি পরিবর্তন এনে ভাবতে হবে সর্বজনের কল্যাণের মধ্যেই ব্যক্তিরও কল্যাণ নিহিত। সে জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রমে যৌথ কল্যাণের নৈতিকতা বোধও সৃষ্টির প্রয়াস নিতে হবে।
বাংলাদেশ উত্তরকালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৩ শতাংশ থেকে ১.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় সাফল্য। সরকার ও জনগণ উভয় পক্ষই এ সাফল্যের জন্য সাধুবাদ পেতে পারেন। পরিবারের আকার ছোট রাখার প্রতি আগ্রহ আমাদের দেশের মানুষের চিরায়ত মূল্যবোধে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন। বিশাল জনসংখ্যা বহরের বোঝা বইবার শক্তি বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের নেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে নিদেনপক্ষে শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। এর ফলে জনসংখ্যার বোঝার একটি সমাধান হবে বটে, তবে দেখা দেবে নতুন ধরনের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা। চীনে এক সন্তানের পরিবার আন্দোলন সফল করতে গিয়ে বেশ কিছু সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পুত্রসন্তানের আকাক্সক্ষা মাতৃগর্ভে নারী শিশুর ভ্রুণ হত্যার মতো অমানবিক সমস্যারও সৃষ্টি করেছে। এছাড়া বিবাহযোগ্য তরুণীর জন্য বিবাহযোগ্য তরুণ পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ তরুণীর সংখ্যা তরুণের চেয়ে বেশি। কাজেই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করতে গিয়ে এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কেও আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। আমাদের দেশে অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামাজিক এবং মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো বিবেচনায় নেয়া হয় না। একে নিছক চিন্তার দুর্বলতা বললে ভুল হবে। আসল কথা হল, দেশ গড়ার জন্য সঠিক ও বহুমাত্রিক চিন্তা-ভাবনা দরকার। বাংলাদেশের নদীগুলোর ওপর উজানে বাঁধসহ নানামাত্রিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ফলে নদীমাতৃক বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবে তীব্র পানি সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের সংকট মোকাবেলার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং জনশক্তির সমাবেশ ঘটিয়ে পানির বিকল্প উৎস নিশ্চিতকরণ। এগুলো বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের সমস্যা। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট দলীয় মানুষের সমস্যা নয়। এর জন্য সব দল ও মতের অনুসারীদের ঐকমত্যে পৌঁছতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, এ দেশে যখনই একটি সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে আসে তখনই একটি নতুন সরকার নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে দেখা দেয় জটিল রাজনৈতিক সমস্যা। কীভাবে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটানো এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে একটি টেকসই রূপ দেয়া সম্ভব তা নিয়ে ক্ষমতাসীনরা প্রায়ই উদাসীন থাকেন। অন্যদিকে ক্ষমতাবহির্র্ভূতরা উপায়ান্ত না দেখে রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টির পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। দেশ আমাদের একটি, জনগণও এক এবং অবিভাজ্য। অনন্তকালের জন্য কোনো দলই ক্ষমতায় থাকতে পারে না। এ সত্যগুলো উপলব্ধি করলে সমস্যা যত বড়ই হোক কোনো সমাধান অসম্ভব নয়।
বাংলাদেশে তীব্র ধনবৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। এক শ্রেণীর নাগরিকের বিত্ত-বৈভবের অভাব নেই। দেশে ও বিদেশে তাদের রয়েছে অঢেল সম্পদ। এদের বিলাসিতারও কোনো শেষ নেই। লেক্সাস ও বিএমডব্লিউর মতো দামি বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার না করলে তাদের মর্যাদাহানি হয়। এর মধ্যে এক ধরনের উৎকট অশালীনতাবোধও আছে। বেশ কয়েক বছর আগের কথা। তখন দেশে লেক্সাস গাড়ি আসা শুরু হয়েছে। জনৈক মন্ত্রীর সংসদ সদস্য পুত্র একটি লেক্সাস গাড়ি কিনেছিলেন। ওই গাড়িটির ছিটগুলো ছিল চামড়ার। উদ্ধত আচরণে অভ্যস্ত এ তরুণ সংসদ সদস্যটি একজন বয়োজ্যেষ্ঠ দলীয় নেতাকে বলল, আমার গাড়ির ছিটের গন্ধ শুকে দেখুন। তীব্র আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ওই রাজনীতিক ঘৃণাভরে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলেন। আসলে বাংলাদেশে এখন চলছে কুৎসিত ধনীদের রাজত্ব। এদের কাছে জ্ঞান, মেধা ও অভিজ্ঞতার কোনো মূল্য নেই। এরা লাভের অর্থনীতির চর্চা করে না। তারা চর্চা করে লোভের অর্থনীতির। কার্ল মার্কস যে আদিম পুঁজি সঞ্চয়নের কথা বলেছিলেন, সে পথেই তারা অর্থবিত্তের মালিক হচ্ছে। চোরাচালান, চোরাকারবার, মাদক পাচার, মানব পাচার, ব্যাংকের অর্থ লুটতরাজ, শেয়ারবাজারে লুটতরাজ, খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ থেকে শুরু করে এমন কোনো অপরাধধর্মী ব্যবসা নেই যার সঙ্গে এদের সম্পর্ক নেই। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক হবে বলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিজ্ঞা ছিল। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের পণ্ডিত পরামর্শকরা মনে করতেন ডিক্রি জারি করে বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র নির্মাণ করা সম্ভব। তাদের যুক্তি ছিল বাংলাদেশে পাকিস্তানের মতো ২২ পরিবার বা সামন্তগোষ্ঠী নেই। কিন্তু তাদের এ অলীক চিন্তা বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যটি অর্জিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ভুল প্রমাণিত হল। শুরু হল গাড়ি দখল, বাড়ি দখল। এখন কীই না দখল হয়! তারা যদি বুঝতেন ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তি রক্ত বীজের মতো ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে এমন অলীক কথা ভাবতেন না। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র হবে এমন কথা এখন আর কেউ ভাবে না। বয়স্কদের মধ্যে কারও কারও সমাজতন্ত্র নিয়ে নস্টালজিয়া থাকলেও তরুণরা এ নিয়ে ভাবতেও রাজি নয়। যাদের মধ্যে কিছু সৎ চিন্তা আছে তারা একটি আদর্শ পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের কথা ভাবেন। এ পুঁজিবাদে লাভ থাকে। কিন্তু লোভ থাকে না। পুঁজিবাদ গড়তে হলেও প্রয়োজন হয় উদ্যোগ, উদ্ভাবনা, দায়িত্ববোধ, সুদূরপ্রসারী চিন্তা, সুস্থ কর্মপরিবেশ রচনার সৃজনশীলতা, নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও আয়ত্তের সক্ষমতা এবং সর্বোপরি দেশে একটি উন্নয়নমুখী শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলায় সহযোগী ভূমিকা পালন। এ ব্যবস্থায় শোষণ থাকলেও দক্ষতা ও জ্ঞানের ভূমিকাও কোনো অংশে কম নেই। আজ বিজয় দিবসে ভাবতে হচ্ছে, কীভাবে বাংলাদেশ থেকে লোভের অর্থনীতির অবসান ঘটিয়ে নিদেনপক্ষে লাভের অর্থনীতির দিকে পা বাড়ানো সম্ভব হবে। কিছু ক্ষেত্রে লাভের অর্থনীতির ভিত্তি যে রচিত হয়নি তা নয়। তবে পুঁজি এখন যেভাবে আছে এবং যে অবস্থায় আছে তাকে লাভ আহরণের উদ্যোগমুখী করাই আমাদের সব চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত। রাষ্ট্রের বয়স ৪৩ বছর হয়েছে। আগামী ৫০ কী ৬০ বছরের মধ্যে দেশটি নিয়মনীতির মধ্যে পরিচালিত হবে এটাই হোক আজকের প্রত্যাশা।
পুনশ্চ : গত ১০ ডিসেম্বর আমার কলামে অসাবধানতাজনিত দু-একটি ভুল থেকে গেছে। কলামটির প্রথম প্যারায় Knowledge of Development-এর পরিবর্তে Knowledge for Development পড়তে হবে। তৃতীয় প্যারার শেষ দিকে ইতিহাসবিদ লেইনপুলের নামটি ভুলবশত লেইন কুুল হয়ে গেছে। এই ত্রুটির জন্য দুঃখিত।
ড. মাহবুব উল্লাহ : অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বিজয়ের ৪৩ বছর কেটে গেছে। সময়টি চার দশকেরও বেশি। এ সময়ে আমাদের অনেক সাফল্য যেমন আছে, তেমনি আছে অনেক ব্যর্থতাও। সাফল্যের দিকগুলো তুলে ধরতে হলে প্রথমেই যে কথাটি বলতে হয় তা হল, বাংলাদেশের জনচরিত্রে ও জনব্যক্তিত্বে পরিবর্তনের কথা। ১৯৭১-এর আগে বাংলাদেশের মানুষ বহু আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করলেও এ কথা স্বীকার করতে হবে, আমাদের যোদ্ধা জাতি হিসেবে বড় ধরনের কোনো পরিচয় ছিল না। কিন্তু ৭১-এর একটি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সমগ্র জাতি একটি যোদ্ধার জাতিতে পরিণত হল। এমনকি যারা সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, তারাও পরিণত হয়েছিল যুদ্ধের সক্রিয় সমর্থকে। মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেয়া, তাদের অস্ত্রশস্ত্র লুকিয়ে রাখা, শত্র“র অবস্থান সম্পর্কে মুক্তিযোদ্ধাদের সাবধান করে দেয়া, পথ চিনিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে অভিযানে সাফল্য এনে দেয়া- সব ক্ষেত্রেই ছিল সাধারণ মানুষের সক্রিয় উদ্যোগ। এ উদ্যোগ সম্মুখ সমরের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না এবং এভাবেই গোটা জাতি পরিণত হয়েছিল একটি যোদ্ধা জাতিতে। সাহস, বীরত্ব ও দেশপ্রেম যেমন যুদ্ধের অনুষঙ্গ, তেমনি শৃংখলাভঙ্গ এবং নীতিবিচ্যুৎ হওয়াও যুদ্ধের অনুষঙ্গ। নীতি ভ্রষ্টতা অনেককেই নানা বিচ্যুতির পথে তাড়িত করেছিল। যুদ্ধটি যদি আরও প্রলম্বিত হতো তাহলে আমাদের দুঃখ-কষ্ট আরও বাড়ত। কিন্তু আমরা হয়তো বড় কিছু অর্জন করতে পারতাম। সোনা যেভাবে আগুনে পুড়ে খাঁটি হয় তেমনি আমরাও একটি নিখাদ সোনার মতো খাঁটি জাতিতে পরিণত হতে পারতাম। চীন, ভিয়েতনাম, কিউবা ও আলজেরিয়াসহ পৃথিবীর অনেক দেশেরই মুক্তি সংগ্রাম দীর্ঘস্থায়ী জনযুদ্ধে পরিণত হয়েছিল। ফলে এসব জাতির চরিত্রে এসেছিল বড় ধরনের পরিবর্তন। আমাদের পক্ষেও সে ধরনের পরিবর্তন সম্ভবপর হতো। তা হয়নি বলে আমরা এখনও দুর্নীতি ও অপশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছি। কিন্তু যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। ইতিহাসের এ ধারাকে পাল্টে দেয়ার কোনো সুযোগ আর আমাদের হাতে নেই। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন পরিস্থিতির একটি দ্রুত সমাধান। এ ব্যাপারে তিনি তৎকালীন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেক সর সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন রাজনীতিবিদ, আর মানেক স ছিলেন যুদ্ধবিশারদ। মানেক স ইন্দিরা গান্ধীকে সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন আট মাসের আগে কিছুই করা সম্ভবপর হবে না। শীতকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। হিমালয়ে বরফ জমলে চীনাদের পক্ষে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব হবে না। বাস্তবে তাই হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধীও মানেক সর যুক্তি মেনে নিয়েছিলেন। চূড়ান্ত যুদ্ধটি হয়েছিল শীতের মাস ডিসেম্বরে। কিন্তু ভারতীয় রণকৌশলবিদরা এর চেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করতে চাননি। কারণ তাদের দৃষ্টিতে যত বেশি অপেক্ষা করা হবে ততই যুদ্ধটি বামপন্থীদের নেতৃত্বে চলে যাওয়ার ঝুঁকির সৃষ্টি হবে। ভারতের কাছে একটি রেড বেঙ্গল স্টেট কাম্য ছিল না। কারণ দীর্ঘ মেয়াদে এ ধরনের একটি রাষ্ট্র গঠিত হলে তা ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ চিন্তার পক্ষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ ডকুমেন্টস গ্রন্থে সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে।
৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ফলে বাংলাদেশের জনব্যক্তিত্বে পরিবর্তনের সূচনা হয়। রবীন্দ্রনাথ যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে দেখতে পেতেন অন্নপায়ী বঙ্গবাসীর বিরাট চারিত্রিক পরিবর্তন হয়েছে। যে বাঙালির আকাক্সক্ষা ছিল নিদেনপক্ষে রাজকর্মচারী হওয়া সে বাঙালির মধ্যে এখন অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে নিজ পায়ে দাঁড়ানোকেই পছন্দ করেন। গ্রামের কৃষক থেকে শুরু করে শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পর্যন্ত অনেকেই সরকারি চাকরির পরিবর্তে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অনেক ক্ষেত্রেই সফল উদ্যোক্তায় পরিণত হয়েছে। কৃষকের জীবনেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। অর্থকরী ফসল ফলানো, চাষবাসের ক্ষেত্রে উন্নত পদ্ধতির প্রবর্তন, খাদ্যশস্যের ফলন বৃদ্ধি, শাকসবজির ফলন বৃদ্ধি, মাছ, মুরগি ও পশুর খামার করা এবং দুগ্ধ খামার করা গ্রামীণ কৃষির চেহারা পাল্টে দিয়েছে। ক্ষুদ্র ঋণের প্রবর্তন লাখ লাখ গ্রামবাসীকে স্বাবলম্বী করে তুলেছে। পোশাকশিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে আজ দ্বিতীয়। বাংলাদেশীরা আর ঘরকুনো বাঙালি হিসেবে অলস জীবনযাপন করে না। জীবনকে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করে তুলতে তারা আজ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। তাদের শ্রমের ফসলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ বিশ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশী ঋণ পরিশোধ নিয়ে আজ আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই। বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়নের প্রসার ঘটছে। বিশেষ করে আরবান করিডোরকে আশ্রয় করে নগরায়ন বিস্তৃত হচ্ছে। নগরায়নের সবচেয়ে বড় চাপটি অনুভব করা যায় রাজধানী ঢাকায়। এখানে নগরায়নের চাপের তুলনায় নাগরিক সুযোগ-সুবিধার সম্প্রসারণ সমান্তরাল গতিতে না এগোনোর ফলে নাগরিক জীবনে বিড়ম্বনা বাড়ছে। ফলে বিকেন্দ্রীকরণের দাবিও হচ্ছে সোচ্চার। স্বাধীনতা-পূর্বকালে শহর ও গ্রামের মধ্যে তফাত ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। এখন শহর ও গ্রামের মধ্যে সেই তফাত অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেছে। গ্রামে পাকা সড়ক, যন্ত্রচালিত যানবাহন, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন ও কৃত্রিম পানীয়র মধ্যে শহরের আমেজ অনুভব করা যায়। ঢাকা থেকে দশ-বারো ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। কাজেই গ্রাম ও শহরের ভেদরেখা ক্রমান্বয়ে অস্পষ্ট হয়ে উঠছে। এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী চার থেকে পাঁচ দশকের মধ্যে বাংলাদেশ একটি নগর রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দেশের পরিচালক রাজনীতিকরা এ সম্ভাবনা নিয়ে কতটুকু ভাবছেন? কিই বা ভাবছেন? সিঙ্গাপুর, হংকং নগর রাষ্ট্র। অবশ্য হংকংয়ের চীনে অন্তর্ভুক্তি ঘটার পর ব্যাপারটি একটু বদলে গেছে। সিঙ্গাপুর ও হংকং খুবই ক্ষুদ্র ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত। বাংলাদেশ যদি নগর রাষ্ট্রে পরিণত হয় তাহলে সেটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম নগর রাষ্ট্র। এ নগর রাষ্ট্রে রূপান্তরে জনবসতির ঘনত্ব একটি বড় ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু তার পাশাপাশি প্রশ্ন এসে দাঁড়াবে সুপেয় পানি, অব্যাহত জ্বালানি সরবরাহ, পরিবেশের ভারসাম্য এবং খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদন প্রভৃতি সমস্যার সমাধান কীভাবে ঘটবে? এর জন্য কী পরিমাণ বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। নগর জীবন গড়ে তোলার জন্য যে অবকাঠামোর প্রয়োজন হয়, সেই অবকাঠামোর জন্য একদিকে যেমন বিশাল বিনিয়োগ করতে হয় অন্যদিকে তেমনি নগর জীবনের নানাবিধ অর্থনৈতিক সাশ্রয় এবং উৎপাদিকা শক্তির বিকাশ জীবনযাত্রার মানেও উন্নয়ন ঘটায়। আজ ভবিষ্যতের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে গিয়ে এসব বিপরীতমুখী শক্তির ভারসাম্য আনয়নের কৌশলের কথাও ভাবতে হবে। ভাবতে হবে সীমিত ভূমিতে বহু মানুষের আবাসস্থল এবং গবাদিপশুর আশ্রয়স্থল কীভাবে নিশ্চিত করা যায়। উন্নত ধনতান্ত্রিক দেশে যে বিপুল নগরায়ন ঘটেছে, তার পশ্চাতে রয়েছে বিশাল খামার জমি। বাংলাদেশে সেই সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। একদিকে জমির অপ্রতুলতা, অন্যদিকে জমির ওপর অগণিত মানুষের মালিকানা স্বত্ব। মালিকানা স্বত্বের বিপুলতা ও বৈচিত্র্যকে অতিক্রম করে কীভাবে ভূমির স্বত্বাধিকারে সংস্কার ঘটিয়ে একটি বিশাল নগর রাষ্ট্রকে টেকসই করা যায়, সেই দুরূহ ও জটিল অনুশীলন এখন থেকেই করতে হবে।
৭৪-এর মতো দুর্ভিক্ষ হয়তো ভবিষ্যতের বাংলাদেশে আর কখনও ঘটবে না। অবশ্য কপাল মন্দ হলে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে গৃহযুদ্ধের মতো দুর্যোগও আশংকা করা যায়। সে রকম পরিস্থিতিতে আবারও হয়তো দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শুনতে হবে। কিন্তু আমরা সেই দুর্দিনের কথা ভাবতে চাই না। এমন অনাকাক্সিক্ষত দুর্দিন যাতে না আসে তার জন্য আমাদের সাংঘর্ষিক রাজনীতিকে কীভাবে সম্প্রীতি ও সহনশীলতার রাজনীতিতে পরিণত করা যায় সেই বিষয়টি নিয়ে সবার মধ্যে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। আমি তো ভালোই আছি কিংবা ভবিষ্যতে কেবল নিজেকে কীভাবে ভালো রাখা যায়, সে কথাই ভাবব এমন স্বার্থপর চিন্তা থেকে সবাইকে সরে আসতে হবে। ভাবনার জগতে একটি পরিবর্তন এনে ভাবতে হবে সর্বজনের কল্যাণের মধ্যেই ব্যক্তিরও কল্যাণ নিহিত। সে জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রমে যৌথ কল্যাণের নৈতিকতা বোধও সৃষ্টির প্রয়াস নিতে হবে।
বাংলাদেশ উত্তরকালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৩ শতাংশ থেকে ১.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় সাফল্য। সরকার ও জনগণ উভয় পক্ষই এ সাফল্যের জন্য সাধুবাদ পেতে পারেন। পরিবারের আকার ছোট রাখার প্রতি আগ্রহ আমাদের দেশের মানুষের চিরায়ত মূল্যবোধে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন। বিশাল জনসংখ্যা বহরের বোঝা বইবার শক্তি বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের নেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে নিদেনপক্ষে শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। এর ফলে জনসংখ্যার বোঝার একটি সমাধান হবে বটে, তবে দেখা দেবে নতুন ধরনের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা। চীনে এক সন্তানের পরিবার আন্দোলন সফল করতে গিয়ে বেশ কিছু সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পুত্রসন্তানের আকাক্সক্ষা মাতৃগর্ভে নারী শিশুর ভ্রুণ হত্যার মতো অমানবিক সমস্যারও সৃষ্টি করেছে। এছাড়া বিবাহযোগ্য তরুণীর জন্য বিবাহযোগ্য তরুণ পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ তরুণীর সংখ্যা তরুণের চেয়ে বেশি। কাজেই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করতে গিয়ে এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কেও আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। আমাদের দেশে অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামাজিক এবং মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো বিবেচনায় নেয়া হয় না। একে নিছক চিন্তার দুর্বলতা বললে ভুল হবে। আসল কথা হল, দেশ গড়ার জন্য সঠিক ও বহুমাত্রিক চিন্তা-ভাবনা দরকার। বাংলাদেশের নদীগুলোর ওপর উজানে বাঁধসহ নানামাত্রিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ফলে নদীমাতৃক বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবে তীব্র পানি সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের সংকট মোকাবেলার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং জনশক্তির সমাবেশ ঘটিয়ে পানির বিকল্প উৎস নিশ্চিতকরণ। এগুলো বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের সমস্যা। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট দলীয় মানুষের সমস্যা নয়। এর জন্য সব দল ও মতের অনুসারীদের ঐকমত্যে পৌঁছতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, এ দেশে যখনই একটি সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে আসে তখনই একটি নতুন সরকার নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে দেখা দেয় জটিল রাজনৈতিক সমস্যা। কীভাবে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটানো এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে একটি টেকসই রূপ দেয়া সম্ভব তা নিয়ে ক্ষমতাসীনরা প্রায়ই উদাসীন থাকেন। অন্যদিকে ক্ষমতাবহির্র্ভূতরা উপায়ান্ত না দেখে রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টির পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। দেশ আমাদের একটি, জনগণও এক এবং অবিভাজ্য। অনন্তকালের জন্য কোনো দলই ক্ষমতায় থাকতে পারে না। এ সত্যগুলো উপলব্ধি করলে সমস্যা যত বড়ই হোক কোনো সমাধান অসম্ভব নয়।
বাংলাদেশে তীব্র ধনবৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। এক শ্রেণীর নাগরিকের বিত্ত-বৈভবের অভাব নেই। দেশে ও বিদেশে তাদের রয়েছে অঢেল সম্পদ। এদের বিলাসিতারও কোনো শেষ নেই। লেক্সাস ও বিএমডব্লিউর মতো দামি বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার না করলে তাদের মর্যাদাহানি হয়। এর মধ্যে এক ধরনের উৎকট অশালীনতাবোধও আছে। বেশ কয়েক বছর আগের কথা। তখন দেশে লেক্সাস গাড়ি আসা শুরু হয়েছে। জনৈক মন্ত্রীর সংসদ সদস্য পুত্র একটি লেক্সাস গাড়ি কিনেছিলেন। ওই গাড়িটির ছিটগুলো ছিল চামড়ার। উদ্ধত আচরণে অভ্যস্ত এ তরুণ সংসদ সদস্যটি একজন বয়োজ্যেষ্ঠ দলীয় নেতাকে বলল, আমার গাড়ির ছিটের গন্ধ শুকে দেখুন। তীব্র আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ওই রাজনীতিক ঘৃণাভরে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলেন। আসলে বাংলাদেশে এখন চলছে কুৎসিত ধনীদের রাজত্ব। এদের কাছে জ্ঞান, মেধা ও অভিজ্ঞতার কোনো মূল্য নেই। এরা লাভের অর্থনীতির চর্চা করে না। তারা চর্চা করে লোভের অর্থনীতির। কার্ল মার্কস যে আদিম পুঁজি সঞ্চয়নের কথা বলেছিলেন, সে পথেই তারা অর্থবিত্তের মালিক হচ্ছে। চোরাচালান, চোরাকারবার, মাদক পাচার, মানব পাচার, ব্যাংকের অর্থ লুটতরাজ, শেয়ারবাজারে লুটতরাজ, খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ থেকে শুরু করে এমন কোনো অপরাধধর্মী ব্যবসা নেই যার সঙ্গে এদের সম্পর্ক নেই। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক হবে বলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিজ্ঞা ছিল। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের পণ্ডিত পরামর্শকরা মনে করতেন ডিক্রি জারি করে বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র নির্মাণ করা সম্ভব। তাদের যুক্তি ছিল বাংলাদেশে পাকিস্তানের মতো ২২ পরিবার বা সামন্তগোষ্ঠী নেই। কিন্তু তাদের এ অলীক চিন্তা বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যটি অর্জিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ভুল প্রমাণিত হল। শুরু হল গাড়ি দখল, বাড়ি দখল। এখন কীই না দখল হয়! তারা যদি বুঝতেন ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তি রক্ত বীজের মতো ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে এমন অলীক কথা ভাবতেন না। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র হবে এমন কথা এখন আর কেউ ভাবে না। বয়স্কদের মধ্যে কারও কারও সমাজতন্ত্র নিয়ে নস্টালজিয়া থাকলেও তরুণরা এ নিয়ে ভাবতেও রাজি নয়। যাদের মধ্যে কিছু সৎ চিন্তা আছে তারা একটি আদর্শ পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের কথা ভাবেন। এ পুঁজিবাদে লাভ থাকে। কিন্তু লোভ থাকে না। পুঁজিবাদ গড়তে হলেও প্রয়োজন হয় উদ্যোগ, উদ্ভাবনা, দায়িত্ববোধ, সুদূরপ্রসারী চিন্তা, সুস্থ কর্মপরিবেশ রচনার সৃজনশীলতা, নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও আয়ত্তের সক্ষমতা এবং সর্বোপরি দেশে একটি উন্নয়নমুখী শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলায় সহযোগী ভূমিকা পালন। এ ব্যবস্থায় শোষণ থাকলেও দক্ষতা ও জ্ঞানের ভূমিকাও কোনো অংশে কম নেই। আজ বিজয় দিবসে ভাবতে হচ্ছে, কীভাবে বাংলাদেশ থেকে লোভের অর্থনীতির অবসান ঘটিয়ে নিদেনপক্ষে লাভের অর্থনীতির দিকে পা বাড়ানো সম্ভব হবে। কিছু ক্ষেত্রে লাভের অর্থনীতির ভিত্তি যে রচিত হয়নি তা নয়। তবে পুঁজি এখন যেভাবে আছে এবং যে অবস্থায় আছে তাকে লাভ আহরণের উদ্যোগমুখী করাই আমাদের সব চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত। রাষ্ট্রের বয়স ৪৩ বছর হয়েছে। আগামী ৫০ কী ৬০ বছরের মধ্যে দেশটি নিয়মনীতির মধ্যে পরিচালিত হবে এটাই হোক আজকের প্রত্যাশা।
পুনশ্চ : গত ১০ ডিসেম্বর আমার কলামে অসাবধানতাজনিত দু-একটি ভুল থেকে গেছে। কলামটির প্রথম প্যারায় Knowledge of Development-এর পরিবর্তে Knowledge for Development পড়তে হবে। তৃতীয় প্যারার শেষ দিকে ইতিহাসবিদ লেইনপুলের নামটি ভুলবশত লেইন কুুল হয়ে গেছে। এই ত্রুটির জন্য দুঃখিত।
ড. মাহবুব উল্লাহ : অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1335)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 16
(55)
- বছরজুড়ে অবহেলা, শুধু দুই দিবসে ধোয়ামোছা by অরূপ ...
- তাপসকে খুনের ঘটনায় মামলা: আসামি অর্ধশত
- রাজধানীতে শিবিরের ‘বিজয়’ র্যালী
- ‘কবে দিব স্বীকৃতি?’ by মানসুরা হোসাইন
- স্কুলে তালেবানের হামলায় ৮৪ শিক্ষার্থী সহ ১২৬ জন নিহত
- ৪০০ টাকায় মেলে ১০০০ টাকার নোট
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- শিক্ষকদের শ্রদ্ধাঞ্জলীতে ছাত্রলীগের বাধা
- পাকিস্তানের স্কুলে জঙ্গি হামলায় নিহত ১০৪
- জয় নিশ্চিত না হলে নির্বাচন দেবেন না হাসিনা -ডিএনএ’...
- সিডনিতে ১৬ ঘণ্টার জিম্মিদশা
- ‘মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের কোন ভুমিকা নেই’ -তারেক ...
- সিআইএর নির্যাতকদের ‘বীর’ বললেন চেনি
- শ্রদ্ধা ভালবাসায় শহীদদের স্মরণ
- নারী চালাবেন, নারীই চড়বেন
- রাজধানীতে শিবিরের ‘বিজয়’ র্যালী
- কৈলাসের আহ্বান
- ঐতিহ্য- গয়ঘর খোজার মসজিদ by আকমল হোসেন
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে- নির...
- একই সঙ্গে একটি ইতিহাস
- নরসিংদীতে ছাত্রলীগ নেতাসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- গণতন্ত্রের সব স্পেস সংকুচিত হচ্ছে : ফখরুল
- লোপাট লাখ লাখ টাকা নেপথ্যে দলীয় কর্মীরা
- নববধূকে রেখে যুদ্ধে
- কাত্তরে গোপনে পতাকা তৈরি করতেন আবু বক্কর
- ‘ভিক্ষা করে খাইয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের’
- সড়ক দুর্ঘটনায় ৫জন নিহত
- ঋণ পরিশোধে ২০২৬ পর্যন্ত সময় পেলো বেক্সিমকো
- বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার স্থপতি ছাত্রলীগ কারিগর
- কাফরুলে বিএনপি নেতার মৃত্যু
- মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হয়নি আজও
- স্মৃতিসৌধে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- ‘মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের কোন ভুমিকা নেই’
- জয় নিশ্চিত না হলে নির্বাচন দেবেন না হাসিনা
- অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও রাজনীতিতে পিছিয়ে গেছি : ...
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্ব by আলমগীর হোসেন
- এবারের বিজয় দিবস ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ by ড. মাহবুব...
- আমেরিকা কি শিক্ষা নেবে?
- ৮৩ হানাদার বধের নায়ক লোকমান by রিপন আনসারী
- নববধূকে রেখে যুদ্ধে by এমএ সাইদ খোকন
- একাত্তরে গোপনে পতাকা তৈরি করতেন আবু বক্কর by আসলাম...
- প্রধান বিচারপতি বেছে নেওয়া by মিজানুর রহমান খান
- ছদ্মবেশী যোদ্ধা তারামন by মো. সাওরাত হোসেন সোহেল
- চার বীরকন্যা by এস এম জাকির হোসেন
- একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর কান্না by মাহবুব খান বাবুল
- মুক্তাব্দ : একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাবনা ও প্রাসঙ্গিক ...
- ‘রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি, বাংলাদেশের নাম’ by কেয়া চৌধুরী
- ‘ভিক্ষা করে খাইয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের’ by নূর ইসলাম
- মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী আনোয়ারকে নরসিংদীতে উদ্ধার
- রাজধানীতে প্রকাশ্যে ছিনতাইয়ে পুলিশ
- ঋণ পরিশোধে ২০২৬ পর্যন্ত সময় পেলো বেক্সিমকো- ব্যবসা...
- মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হয়নি আজও by দীন ই...
- বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার স্থপতি ছাত্রলীগ কারিগর by নূর...
- বিজয়ের ৪৩তম বার্ষিকী আজ
- অনড় মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি এ কে খন্দকার
-
▼
Dec 16
(55)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment