Friday, June 19, 2026
এক আঘাতেই দুটি শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে চান নেতানিয়াহু by ত্রিতা পার্সি
এক আঘাতেই দুটি শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে চান নেতানিয়াহু by ত্রিতা পার্সি
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় এক গুচ্ছ বিমান হামলা চালিয়ে নেতানিয়াহু মূলত দুটি শান্তিচুক্তি একসঙ্গে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছেন। এর একটি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তিচুক্তি (গত বুধবার ট্রাম্প ও ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছেন)। অন্যটি হলো, এ চুক্তির হাত ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে হতে যাওয়া ভঙ্গুর শান্তিপ্রক্রিয়া (সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি)।
এ হামলার পেছনে নেতানিয়াহুর আরও একটি কৌশলগত সুদূরপ্রসারী লাভ রয়েছে। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। এ সমীকরণ অনুযায়ী, বৈরুত বা লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি দেশটির ওপর পাল্টা আঘাত হানবে। নেতানিয়াহু মূলত ইরানের এ চেষ্টাকে শুরুতেই রুখে দিতে চাইছেন।
এখনই এ হামলা চালিয়ে নেতানিয়াহু শুধু তাঁর এক শত্রুকে নিশানা করছেন না; বরং তিনি মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠার প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করছেন, যা ভবিষ্যতে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের স্বাধীনতাকে সংকুচিত বা সীমাবদ্ধ করে দেবে।
এমনকি নেতানিয়াহু নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এ হামলার বড়াই করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।
গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বিনিময় শুধু প্রতিশোধ নেওয়ার লড়াই ছিল না, এর পেছনে ছিল গভীর ভূরাজনৈতিক হিসাব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইসরায়েল যখন বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় হামলা চালায়, তখন ইরান সরাসরি ইসরায়েলে আঘাত হেনে এর জবাব দেয়।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান সরাসরি ইসরায়েলের ভেতরেই আঘাত হানল, এমন ঘটনা এটিই প্রথম। এরপর ইসরায়েল আবারও ট্রাম্পের নির্দেশ উপেক্ষা করে ইরানের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এর জবাবে ইরানও আবার আক্রমণ করে।
ইরান এ দফায় পাল্টা আঘাত করার পর ইসরায়েল কিছুটা পিছু হটে। তারা তাদের পরের হামলাটি বৈরুতের মূল শহরতলিতে না করে দক্ষিণ লেবাননে সীমাবদ্ধ রাখে।
এ সংঘাতের চক্র মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করার চেষ্টাকেই ফুটিয়ে তোলে। এই সমীকরণ অনুযায়ী, লেবাননে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল আর পার পাবে না; বরং সেখানে আঘাত করলেই ইরানের সরাসরি পাল্টা হামলার ঝুঁকি তৈরি হবে।
গত কয়েক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম এ অঞ্চলের কোনো বড় শক্তি (ইরান) ইসরায়েলের নিজ সীমানার বাইরে তার সামরিক অভিযান চালানোর স্বাধীনতার ওপর বলপ্রয়োগে লাগাম টানার চেষ্টা করছে।
নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর তেহরান এখন তার সহযোগী দেশ ও গোষ্ঠীগুলোর জন্যও এ নিরাপত্তাবলয় বিস্তার করতে চাইছে। এটি মূলত ইরানের অগ্রবর্তী প্রতিরক্ষানীতিকে শক্তিশালী করার একটি বড় প্রচেষ্টা। তবে ইসরায়েল স্বভাবতই একে তাদের দীর্ঘদিনের অবাধ সামরিক অভিযানের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে। তাই এ নতুন নীতি যেন প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে, সে জন্য তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।
অবশ্য শুধু একবারের পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে এমন দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা যায় না। নতুন এ পরিস্থিতিকে উভয় পক্ষ মেনে নেওয়ার আগে কমপক্ষে আরও কয়েক দফা সংঘাত ও পাল্টা সংঘাতের প্রয়োজন হবে। আর তা হলেও এটি যে শতভাগ সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তেহরান খুব ভালো করেই বোঝে যে তাদের উদ্দেশ্য শুধু লেবাননে ইসরায়েলি হামলা পুরোপুরি বন্ধ করা নয়; বরং এমন একটি চড়া মূল্য নির্ধারণ করা, যেন লেবাননে হামলার নির্দেশ দেওয়ার আগে ইসরায়েলি নেতারা দুবার ভাবতে বাধ্য হন। আর সেই মূল্যটি হলো, ইরানের সরাসরি পাল্টা আঘাতের আশঙ্কা।
তাই এটি স্পষ্ট ছিল যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই লড়াই থেকে পিছু হটেননি। তবে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গে কয়েক দিন ধরে মুহুর্মুহু গোলাগুলি চললেও নেতানিয়াহু বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিলেন। তিনি মূলত ইরানের নতুন ওই ‘লাল দাগ’ বা সতর্কবার্তা পরীক্ষা করে দেখা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের একটি সমঝোতা স্মারকে সই করার কথা ছিল শুক্রবার (নানা বাধা পেরিয়ে এরই মধ্যে সই হয়েছে)। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় ছিলেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা আগেই তেহরান ও ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া ‘রেডলাইন’ বা চূড়ান্ত সীমানা পার হলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এই রেডলাইনটি ছিল চলমান সংঘাত থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে মুক্ত রাখা।
নেতানিয়াহু খুবই হিসাব-নিকাশ করে এ হামলার সময় বেছে নিয়েছেন, যেন এর প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। এক আঘাতেই তিনি একসঙ্গে দুটি লক্ষ্য পূরণ করতে চেয়েছেন। প্রথমত, ট্রাম্পের বহুল প্রতীক্ষিত শান্তিচুক্তিটি ভন্ডুল করা। দ্বিতীয়ত, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ওপর লাগাম টানতে ইরান যে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চেয়েছিল, তা শুরুতেই রুখে দেওয়া।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার সঙ্গে যুক্ত একজন কূটনীতিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে বলেছেন, ‘এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চুক্তি নস্যাৎ করার জন্য ইসরায়েলের একটি স্পষ্ট চেষ্টা। তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও যুদ্ধের মধ্যে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেতে চায়।’
এদিকে এ ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, বৈরুতে এ হামলা ‘হওয়া উচিত হয়নি’। হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইসরায়েলের এ পদক্ষেপ কতটুকু যৌক্তিক ছিল, তা নিয়েও তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নিজের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। কিন্তু হিজবুল্লাহর যে হামলার জবাবে ইসরায়েল এটি করল, সেটি ছিল অত্যন্ত ছোট ও অর্থহীন। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তাই এত বড় একটি শান্তি প্রক্রিয়াকে এ হামলার মাধ্যমে ব্যাহত করা ঠিক হয়নি।’
ট্রাম্পের এ বক্তব্য শুধু নেতানিয়াহুর সমালোচনার কারণেই গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং এর ভেতরে একটি প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতও রয়েছে। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক চুক্তির যখন একদম দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব, তখন ইসরায়েলের এ হামলা সামরিক বা কূটনৈতিক—কোনো দিক থেকেই বুদ্ধিমানের মতো কাজ হয়নি।
ওয়াশিংটন এখন দুই দিক (ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের চাপ ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে তেল আবিরের অপচেষ্টা) থেকেই চরম অস্বস্তিতে রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইরান নিজে হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলেও ট্রাম্প যেন ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তেহরান ক্রমাগত সেই দাবিই করে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনের বড় ক্ষোভের জায়গা হলো, ইরানের সঙ্গে তারা যে চুক্তি করতে মরিয়া চেষ্টা করেছে, সেটি ইসরায়েলের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ইসরায়েলকে থামানোর জন্য খোদ ইরানই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ করেছে। কারণ, তেহরান শুরু থেকে জোর দিয়ে আসছে, যেকোনো যুদ্ধবিরতি হতে হবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এবং সেখানে এমন ব্যবস্থা থাকবে যেন ইসরায়েল নতুন করে আর যুদ্ধ শুরু করতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ কূটনৈতিক হতাশা পুরোপুরি যৌক্তিক। তবে ওয়াশিংটনকে একটি মৌলিক বাস্তবতা অবশ্যই মেনে নিতে হবে। তা হলো, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতের হাত থেকে রক্ষা করা। এটির একমাত্র উপায়, ইসরায়েলের বারবার সামরিক উত্তেজনা তৈরির প্রবণতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজেকে পুরোপুরি আলাদা করে নিতে হবে। যত দিন পর্যন্ত ইসরায়েলের হাতে যুক্তরাষ্ট্রকে আবার যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে, তত দিন তেহরানের কাছে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার কূটনৈতিক আলোচনাকে আলাদা বিষয় মনে করার কারণ থাকবে না। ইসরায়েল নিজের ইচ্ছেমতো যুদ্ধ শুরু করবে আর সেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে নেবে—এটি ইরান মেনে নেবে না।
প্রকৃতপক্ষে, তেহরান যে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য এতটা জোর দিচ্ছে, তার মূল কারণও এটিই। তারা চায় না যে ইসরায়েল এমন কোনো সুযোগ পাক, যার মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে খোদ ইরানের বিরুদ্ধে আরও একটি নতুন যুদ্ধে নামিয়ে দিতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি এখন পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করেন, ইসরায়েলের কোনো অযৌক্তিক সামরিক উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে না ও তাদের রক্ষাও করবে না, তবে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তখন তেহরানও হয়তো একটি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন দেখবে না।
ইসরায়েলের কাছ থেকে হিসাব-নিকাশ করে এমন দূরত্ব বজায় রাখা যেকোনো বিচারে মার্কিন স্বার্থই রক্ষা করবে। আর এ দূরত্বের প্রয়োজনীয়তা আজকের মতো এত স্পষ্ট আর কখনো ছিল না।
* অনুবাদ: মো. আবু হুরাইরাহ্
- {নিবন্ধের লেখক ত্রিতা পার্সি মার্কিন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘কুইন্সি ইনস্টিটিউট’-এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং একজন পুরস্কারজয়ী লেখক। ‘ওয়াশিংটনিয়ান ম্যাগাজিন’ তাঁকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ওপর সবচেয়ে প্রভাবশালী ২৫ কণ্ঠস্বরের একজন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্বখ্যাত ভাষাবিদ ও চিন্তাবিদ নোয়াম চমস্কি তাঁকে ‘ইরানবিষয়ক সবচেয়ে বিশিষ্ট গবেষকদের একজন’ বলে অভিহিত করেছেন।}
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1276)
-
▼
June
(267)
-
▼
Jun 19
(18)
- লেবাননে হামলা নিয়ে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি ভ্যান্সের
- লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়ায়-ই কি আলোচনা...
- বাংলাদেশের পাটপণ্যে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক বহাল রাখ...
- ইসরায়েল বেপরোয়া হলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি অসম্ভব by ...
- ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিতে গৃহদাহ
- যেভাবে কূটনৈতিক চালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি করাল...
- ভারত থেকে পালালেন ইসরাইলি সেনা, নেপথ্যে কী
- পুরো লেবানন পুড়িয়ে দেওয়া উচিত: ইসরাইলি মন্ত্রী
- স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করে প্রস্রাব পান করানোর অভিযোগ...
- গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ: ট্রাম্পের অযৌক্তিক যুদ্ধ আর ...
- এক আঘাতেই দুটি শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে চান নেতানি...
- ট্রাম্প যেভাবে নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন নষ্ট ক...
- চিকিৎসা আছে, তবু রোগটি গোপন রেখে যন্ত্রণায় ভোগেন ম...
- ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি করার পর প্রশ্ন উঠ...
- রিগ্যান থেকে ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্রের পতন ও চীনের উ...
- এবার বাংলাদেশে চলে যান, মমতাকে দিলীপ ঘোষ
- শান্তিচুক্তির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প: মোজতবা খামেনি
- জলবায়ু সম্মেলনে নেই যুক্তরাষ্ট্র, নেতৃত্বের জায়গা ...
-
▼
Jun 19
(18)
-
▼
June
(267)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment