Sunday, February 7, 2016
বাংলাদেশে রাজনীতি বেশি, উন্নয়ন কম -মানবজমিনকে মাহাথির মোহাম্মদ by ড. সিরাজুল আই. ভূঁইয়া
বাংলাদেশে রাজনীতি বেশি, উন্নয়ন কম -মানবজমিনকে মাহাথির মোহাম্মদ by ড. সিরাজুল আই. ভূঁইয়া
মাহাথির মোহাম্মদ
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তাকে বলা হয় আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার।
পূর্ব-এশিয়ায় অন্যতম শিল্পসমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার আজকের অবস্থানের
পেছনে অনেকখানি কৃতিত্ব দেয়া হয় তাকে। এছাড়া রাজধানী কুয়ালালামপুরকে আধুনিক
শহরে পরিণত করাটাও তার অবদান। ‘মালয়েশিয়া পারে’ স্লোগানটি ১৯৯৩ সালে
প্রবর্তন করেছিলেন তিনি। ২০২০ সালের মধ্যে তিনি মালয়েশিয়াকে উন্নত দেশে
পরিণত করতে ভিশন-২০২০ প্রণয়ন করেছিলেন।
বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প ও উচ্চপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে মালয়েশিয়ায় ব্যাপক অর্থ ব্যয় করেছিলেন মাহাথির। কিন্তু সে সময় অর্থনৈতিক সঙ্কটে ভুগছিল তার দেশ। নিজেকে ‘সাইবারে আসক্ত’ বলেও একবার দাবি করেছিলেন তিনি। বিশ্বের গুটিকয়েক বিশ্বনেতা, যারা নিজের ওয়েবসাইট ও ব্লগ পরিচালনা করেন, তাদের মধ্যে তিনি একজন। চিকিৎসা পেশা থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করা মাহাথির ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার দল ইউনাইটেড মালয় ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের নেতৃত্বাধীন জোট এখনও মালয়েশিয়ার ক্ষমতায়।
সম্প্রতি দৈনিক মানবজমিন এবং বাংলাদেশ ও কুয়েতের দু’টি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাহাথির মোহাম্মদ বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, সন্ত্রাসবাদ, বাণিজ্য, পূর্ব এশিয়া, চীন-আমেরিকাসহ বহু প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। সাক্ষাৎকারের সংক্ষেপিত অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের মানুষ একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, সৎ ও কার্যকর নেতার কথা চিন্তা করলেই আপনার কথা বলে, আপনার নেতৃত্বগুণের কথা বলে। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। দেশের উন্নয়নেও এটি প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী? এ রাজনৈতিক সমস্যা থেকে দেশটির উত্তরণের উপায় কী?
উত্তর: আমি সাধারণত আমাদের প্রতিবেশী দেশ বা বাংলাদেশের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করি না। কিন্তু আমি দেখছি, বাংলাদেশে রাজনীতি বেশি, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে মনোযোগ কম। একই সময়ে, অবশ্যই, আপনি যদি রাজনীতি এবং দেশ কারা শাসন করছে, তা নিয়ে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন, তবে অর্থনীতি ভুগবে। আমি মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকবেই। কিন্তু সেসব সরিয়ে রেখে, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত দেশের উন্নয়ন ও বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একযোগে কাজ করা। আমি মনে করি, আপনি যদি বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেন, তবে বাংলাদেশে প্রচুর বিদেশী বিনিয়োগ আসবে। দেশের আপামর জনতার জীবনমানে অগ্রগতি হবে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। যেমন, গার্মেন্ট শিল্প। ওষুধ শিল্প ও অন্যান্য খাতেও দেশটি ভালো করছে। বাংলাদেশের মানুষ খুব উদ্যোগীও। তাদের দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভালো নীতিমালা। কিন্তু তারা তা পাচ্ছে না। এ অবস্থা নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
উত্তর: বাংলাদেশে উন্নয়নের চেয়ে রাজনীতি বেশি। আপনি যদি দেশের অর্থনীতির কথা ভাবেন, দৃষ্টি দেন ও অর্থনৈতিক নীতির কথা বলেন, তবে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির একটি।
প্রশ্ন: মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাই। আপনার কাছে মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী মনে হয়?
উত্তর: আপনি যদি মধ্যপ্রাচ্যের সামপ্রতিক ইতিহাস দেখেন, তবে দেখবেন, যা আজ ঘটছে, তা হলো ৬০ বছর আগে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের ফল। ফিলিস্তিনিরা প্রচলিত কায়দায় লড়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু ইসরাইলিদের কাছে হেরেছে। কিন্তু এখন তাদের অন্য উপায়ে লড়তে হবে, যাকে ইসরাইল সন্ত্রাসবাদ বলছে। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ওপর নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করাটাও ইসরাইলি সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পড়ে। ইসরাইলিদের সঙ্গে অব্যাহত লড়াইয়ের মাধ্যমে কিছুই অর্জন হয়নি ফিলিস্তিনিদের। তাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া হচ্ছে। তারা এখন ক্ষুদ্ধ। এ সবই পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের মধ্যে বিভক্তি এনেছে। অনেকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো গণতান্ত্রিক হলেই, সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু গণতন্ত্রের কার্যাবলী তারা বুঝতে পারে না। গণতন্ত্র এলে সরকার গঠিত হবে, নির্বাচন হবে, কিছু মানুষ সরকার বানাবে, কেউ বিরোধী দলে থাকবে। কিন্তু বিরোধীরা পরাজিত হতে চাইবে না, সবাই জিততে চাইবে। এসবের কারণে গণতন্ত্র এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও সুশাসন আনেনি।
প্রশ্ন: আইএস’র দ্বারা সৃষ্ট সঙ্কটের দিকে পশ্চিমা নীতির ভূমিকা আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
উত্তর: পশ্চিমারা চায় ক্ষমতার পরিবর্তন। তারা চায় মুসলিম দেশগুলোর সরকার চালাবে তাদের বেছে নেয়া মানুষরা। ক্ষমতা পরিবর্তন করতে গিয়ে, দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়া হয়। আমি সাধারণ অর্থে মনে করি, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার পেছনে পশ্চিমাদের ভূমিকা অস্বীকার করা যাবে না। তারা নিজেরাই মাঝে মধ্যে অস্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছে, কিছু সময় নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে তারা সমর্থন দিয়েছে, সরকারের ভূমিকাকে খর্ব করেছে, প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ চালিয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যে অস্থিতিশীলতা আপনি দেখছেন, এর পেছনে পশ্চিমারা অনেক বেশি জড়িত।
প্রশ্ন: সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে শীতল-যুদ্ধের মতো চলমান উত্তেজনার এবং সৌদি আরবের নেতৃত্বে ৩৪ দেশের সন্ত্রাসবিরোধী জোটের বিষয়ে আপনার মতামত কী?
উত্তর: আমরা মনে করি না, দ্বন্দ্ব কোনো সমস্যার সমাধান করবে। যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার প্রথমদিকে, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বা বিরোধের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। হ্যাঁ, তারা প্রথমে শক্তি খাটিয়েছে। কিন্তু দিনশেষে কূটনৈতিক সমাধান ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যাটির আমরা সমাধান করেছি। কোনো দেশকে আমাদের শত্রু ভাবা উচিত নয়। যদি ভাবি, তারাও আমাদের শত্রু ভাববে। তারপর আপনাদের মুখোমুখি হতে হবে। এটি অত্যন্ত নেতিবাচক। দেশে দেশে মতপার্থক্য থাকবেই, তবে কূটনৈতিক উপায় ও সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসন বা হ্রাস করা সম্ভব।
প্রশ্ন: আইএস’র কারণে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ বাধার বিষয়ে চিন্তিত অনেক পশ্চিমা নেতা। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যায়ন কী?
উত্তর: পশ্চিমারা অবশ্যই আইএস’র বিরুদ্ধে। কিন্তু আইএস তাদেরই সৃষ্টি। অনেকেই প্রেসিডেন্ট আসাদকে (সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট) উৎখাত করতে চায়। পশ্চিমারা ওই মানুষগুলোকে অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এরাই পরে আইএস হয়েছে। তাদের এখন নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। তারা আসাদের বিরুদ্ধেও লড়ছে, আবার পশ্চিমাদেরও ওই এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিতে চায়। তাদের আবার অনেকে সমর্থনও দিচ্ছে। এখন দেখা যাচ্ছে, মুসলিমরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়ছে। এক হিসাবে, পশ্চিমা বা ইসরাইলের বিরুদ্ধে কেউ লড়ছে না। লড়ছে একে-অপরের বিরুদ্ধে। এর ফলে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম। অনেকে আইএস’কে সমর্থন দিচ্ছে। ফলে যুদ্ধটা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। মালয়েশিয়ায় আগে এ নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন অনেকে আইএস-এ যোগ দিতে দেশ ছাড়ছে। মূলত, এটা পুরো বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। সবাই এখন আক্রান্ত, কারণ কেউই নিরাপদ বোধ করছে না। আমি মনে করি, এ সব কিছুই ঘটছে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কারণে।
প্রশ্ন: অনেক মানুষই মনে করেন, সমপ্রতি সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও স্বীকার করেছেন যে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধই আইএস সৃষ্টির কারণ। এ বিষয়ে আপনি কী বলবেন?
উত্তর: তিনি (ব্লেয়ার) ছিলেন প্রেসিডেন্ট বুশের অন্যতম বড় সমর্থক। তিনিই বৃটিশ পার্লামেন্টে বলেছিলেন যে, ৪৫ মিনিটের মধ্যে লন্ডন আক্রমণ করতে পারবে ইরাক, কারণ ইরাকের কাছে বিপুল পরিমাণ গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে। এটি ছিল মিথ্যা। তিনি পার্লামেন্ট ও বৃটিশ জনগণকে মিথ্যা বলেছেন। এখন তিনি উপলব্ধি করছেন যে, তার মিথ্যাই আইএস সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। টনি ব্লেয়ার নিন্দনীয়; প্রেসিডেন্ট বুশ যা করেছেন, তার অন্যতম কট্টর সমর্থক ছিলেন তিনি।
প্রশ্ন: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে এশিয়ার, নির্দিষ্ট করে মালয়েশিয়ার ভূমিকা আপনি কীভাবে দেখেন?
উত্তর: আমরা চাই মানুষ সন্ত্রাসবাদের মূল কারণ বুঝুক। সব কিছুরই কারণ থাকে। মানুষ কাউকে এমনি এমনি আতঙ্কগ্রস্থ করে না। মানুষ অন্য কাউকে সন্ত্রস্ত করে মজা পায় না। সব মুসলিম দেশ দুর্বল। তারা পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে লড়তে চায় না। কারণ, তারা জানে তারা জিতবে না। ফলে মুসলিম ব্যক্তি ও গোষ্ঠীবিশেষ পদক্ষেপ নেয়। এসব অবশ্যই প্রথা মেনে হয় না। এসব অপ্রথাসিদ্ধ আচরণই পশ্চিমাদের দ্বারা সন্ত্রাসবাদ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়। পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডায় বলা হয়, মুসলিমদের অপ্রথাসিদ্ধ আচরণ সন্ত্রাসবাদ। অপপ্রচারে এসবও বলা হয়, পশ্চিমারা যে বোমা পাঠাচ্ছে, মানুষের ওপর বোমা ফেলছে, অন্য দেশ দখল করছে, এসব সন্ত্রাসবাদ নয়! কিন্তু আসলে, এগুলোও সন্ত্রাসবাদের অংশ।
প্রশ্ন: উপসাগরীয় দেশসমূহ ক্রমেই বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পূর্বের দিকে ঝুঁকছে। পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমপর্ক আপনি কীভাবে দেখছেন?
উত্তর: উপসাগরীয় দেশগুলো পশ্চিমের দিকে ঝুঁকে। আরব দেশগুলোর সমপর্ক পশ্চিমাদের সঙ্গেই বেশি। এসব দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রচুর পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ কাজ করেন। তারা (উপসাগরীয় দেশগুলো) আমাদের সঙ্গে বেশি ব্যবসা করে না। কারণ, এ দেশগুলো মূলত আমদানি-নির্ভর দেশ। রপ্তানির জন্য তারা পণ্য উৎপাদন করে না। এটা একতরফা ব্যবসা। কিন্তু পূর্ব এশিয়ায় আমরা পণ্য আমদানি ও রপ্তানি-উভয়ই করতে চাই। আমরা জিনিসপত্র কিনতে চাই, বিক্রি করতে চাই। কিন্তু আমরা যেসব রপ্তানি করতে চাই, তার অনেককিছুই পশ্চিম থেকে আমদানি করা যায়। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য নামেমাত্র। কিন্তু আমি মনে করি, পূর্বের সঙ্গে বাণিজ্যে তাদের জন্য অনেক সম্ভাবনা লুকায়িত রয়েছে। এখন অনেক মানুষই পূর্বে ভ্রমণ করছে। কারণ, নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা পশ্চিমে যেতে পারছে না।
প্রশ্ন: উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে মালয়েশিয়ার সমপর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
উত্তর: আমরা উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে শক্ত বাণিজ্যিক সমপর্কের প্রত্যাশা করি। আমরা একসঙ্গে অনেক কিছুই করতে পারি। মালয়েশিয়া একটি বাণিজপ্রবণ জাতি। আমাদের জন্য আরও বাজার তৈরি করতে চাই আমরা। একই সময়ে অন্য দেশগুলো থেকেও আমদানি করতে চাই। কিন্তু উপসাগরীয় দেশগুলো তেমন কিছুই উৎপাদন করে না। তারা এখন শিল্পায়ন করছে হয়তো। আমরা হয়তো পরে তাদের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে পারি, বিনিয়োগ বাড়াতে পারি।
প্রশ্ন: সমপ্রতি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় উপসাগরীয় ও অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহই কেবল আক্রান্ত হয়নি, গোটা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়েছে। এর কারণ সমপর্কে আপনার অভিমত কী? বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহের জন্য দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব কী হতে পারে?
উত্তর: তেলের দামের মূল্য নির্ধারণ সবসময়ই কৃত্রিমতায় ভরা ছিল। হ্যাঁ, এটি অবশ্যই চাহিদা ও যোগানের সঙ্গে তাল মিলিয়েই করা হয়। বর্তমানে তেল উৎপাদনের খরচের চেয়েও পড়ে গেছে তেলের দাম। এটা দীর্ঘমেয়াদি হবে না। যখনই তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, তখনই তেলের দাম পড়ে যাবে। বৈশ্বিক চাহিদার কারণে অনেক দেশ তেল থেকে বিপুল অর্থ লাভ করতো অতীতে। কিন্তু এখন তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ ভুগছে, আরও ভুগবে যদি দাম আরও পড়ে যায়। এটি স্রেফ সমন্বয়ের একটি বিষয়। মূলদামের চেয়ে বর্তমানের ব্যারেলপ্রতি ৩৫ ডলার দাম কিন্তু অনেক বেশি। তবে আগের চেয়ে এ দাম অনেক যুক্তিসম্মত। অবশ্যই, অনেক দেশ ভুগবে, কারণ তাদের উন্নয়ন বাজেট তেল বিক্রির ওপর নির্ভরশীল। তারা এখন টের পাচ্ছে। কোনো দেশেরই শুধু তেল বিক্রির ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। বরং, অর্থনীতিতে বৈচিত্র্যতা আনলে ভবিষ্যতের জন্য উন্নয়ন হবে টেকসই।
প্রশ্ন: মালয়েশিয়ার ওপেক নীতিমালা ও তাদের ভবিষ্যৎ গন্তব্য নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
উত্তর: যদিও মালয়েশিয়া তেল উৎপাদনকারী দেশ, তবে এটি কখনও ওপেকের সদস্য ছিল না। আমরা একসময় পর্যবেক্ষক ছিলাম। এটি অনেকটা মনোপলি বা একাধিপত্যবাদী সংগঠন, যা অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক নয়। তেলের দাম ঠিক করে দেয়াটা সবসময়ই খারাপ।
প্রশ্ন: উন্নত দেশে পরিণত হতে মালয়েশিয়াকে নেতৃত্ব দেয়ার বেলায় প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের নেতৃত্বগুণের ভূমিকা আপনি কীভাবে দেখেন?
উত্তর: মালয়েশিয়া আমার সময়ে ছিল বাড়বাড়ন্ত। আমার শাসনামলের বেশির ভাগ সময়েই ছিল। কিন্তু এখন বেঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে দেশটি একেবারে আটকে গেছে। নজর এখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে নেই, রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার দিকে বেশির ভাগ নজর চলে গেছে। সব প্রধানমন্ত্রীই টিকে থাকতে চায়। তারা ভাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে মনোযোগ না দিয়ে, অন্য ইস্যু নিয়ে পড়ে থাকলেই তারা টিকে যাবে। এ কারণেই, অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে গেছে। জাতিগত উত্তেজনা, বাজে প্রশাসন, দুর্নীতি, ইত্যাদি থাকলে অর্থনীতি ডুবে যায়। ফলে আমরা ভিশন-২০২০ অর্জন করে পূর্ণ উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবো না। এখন পারবো না। মুদ্রার মান পড়ে গেছে, শেয়ারবাজার বাজে অবস্থায়। মানুষও খুশি নয়।
প্রশ্ন: মালয়েশিয়া সরকারের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বিলের কড়া সমালোচনা করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন এক কাউন্সিলকে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়ার কথা বলা হয়েছে ওই বিলে। আপনার অভিমত কী?
উত্তর: মালয়েশিয়া সরকারের এ বিলটি নিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পার্লামেন্টে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার অবশ্যই ভিত্তি আছে। এ বিলটি একটি মধ্যযুগীয় বিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি পরিষদ নিরাপত্তার অজুহাতে যে কাউকে বিচার ছাড়া আটক করতে পারবে। আদালতের শুনানিও হবে না। এটা এক ধরনের কর্তৃত্বপরায়ণ আইন। কাউকেই ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেয়া হয়নি এখানে। মালয়েশিয়ার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও মূল্যবোধের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রশ্ন: দক্ষিণ চীন সাগরে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধ আপনি কীভাবে দেখেন? আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বিভক্তিকরণে এটি কীভাবে ভূমিকা রাখবে বলে আপনি মনে করেন?
উত্তর: আমার আশা, আমরা (আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহ) একসঙ্গে থাকবো। আসিয়ান কিন্তু ইইউ’র (ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন) মতো নয়। আমরা নির্দিষ্ট কিছু ইস্যুতে কেবল একসঙ্গে আছি। আমাদের কোন প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই, শুধু বাণিজ্য চুক্তি আছে। চীনকে মোকাবিলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে আমাদের উচিত বিষয়টির সুরাহা করা। তবে অনেক আসিয়ানভুক্ত দেশই বিপন্ন বোধ করছে। নিজেরা সমর্থ না হওয়ায়, চীনকে থামাতে তারা আমেরিকার ভূমিকা মেনে নিচ্ছে। আমাদের এ অঞ্চলে লড়াই দরকার নেই। চীনের সঙ্গে তাদের ও আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয়ে আমাদের আলাপ আলোচনা করে চুক্তিতে উপনীত হওয়া উচিত।
প্রশ্ন: মার্কিন নেতৃত্বাধীন ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (টিপিপিএ) ও চীনের সমর্থিত রিজিওনাল কমিপ্রহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপের মুখোমুখি মালয়েশিয়া। এসব চুক্তির বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?
উত্তর: টিপিপিএ’তে মুক্ত বাণিজ্যের কথা আছে। কিন্তু টিপিপিতে এসব নেই। বরং টিপিপিএ’র নীতিমালার অধীনে বাণিজ্য করার কথা আছে এখানে। ফলে মুক্ত বাণিজ্য আর হচ্ছে না। বরং, ব্যবসা যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে নিয়ন্ত্রিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি উপকারী, কিন্তু অন্য দেশগুলোর জন্য নয়।
প্রশ্ন: আমি যখন ২০০১ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কখনও নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলে তিনি অবাক হবেন কিনা। পরে তিনি পেয়েও যান। যদি কেউ আপনাকে পুরস্কারটির জন্য মনোনীত করে, আপনি অবাক হবেন?
উত্তর: সত্যি বলতে কি, আমি পুরস্কার নিয়ে একদমই ভাবি না। আমি মনে করি, আমি মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য। এটাই আমার জন্য যথেষ্ট। আমি যখন শপিং কমপ্লেক্সে ঢুঁ মারি, মানুষ আসে, আমার সঙ্গে হাত মেলায়, ধন্যবাদ জানায়। এটা যে কোন পুরস্কারের চেয়েও বড় পুরস্কার।
ড. সিরাজুল আই. ভূঁইয়া: কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও প্রধান। সাক্ষাৎকারটি ভাষান্তর করেছেন নাজমুল আহসান।
বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প ও উচ্চপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে মালয়েশিয়ায় ব্যাপক অর্থ ব্যয় করেছিলেন মাহাথির। কিন্তু সে সময় অর্থনৈতিক সঙ্কটে ভুগছিল তার দেশ। নিজেকে ‘সাইবারে আসক্ত’ বলেও একবার দাবি করেছিলেন তিনি। বিশ্বের গুটিকয়েক বিশ্বনেতা, যারা নিজের ওয়েবসাইট ও ব্লগ পরিচালনা করেন, তাদের মধ্যে তিনি একজন। চিকিৎসা পেশা থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করা মাহাথির ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার দল ইউনাইটেড মালয় ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের নেতৃত্বাধীন জোট এখনও মালয়েশিয়ার ক্ষমতায়।
সম্প্রতি দৈনিক মানবজমিন এবং বাংলাদেশ ও কুয়েতের দু’টি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাহাথির মোহাম্মদ বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, সন্ত্রাসবাদ, বাণিজ্য, পূর্ব এশিয়া, চীন-আমেরিকাসহ বহু প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। সাক্ষাৎকারের সংক্ষেপিত অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের মানুষ একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, সৎ ও কার্যকর নেতার কথা চিন্তা করলেই আপনার কথা বলে, আপনার নেতৃত্বগুণের কথা বলে। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। দেশের উন্নয়নেও এটি প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী? এ রাজনৈতিক সমস্যা থেকে দেশটির উত্তরণের উপায় কী?
উত্তর: আমি সাধারণত আমাদের প্রতিবেশী দেশ বা বাংলাদেশের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করি না। কিন্তু আমি দেখছি, বাংলাদেশে রাজনীতি বেশি, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে মনোযোগ কম। একই সময়ে, অবশ্যই, আপনি যদি রাজনীতি এবং দেশ কারা শাসন করছে, তা নিয়ে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন, তবে অর্থনীতি ভুগবে। আমি মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকবেই। কিন্তু সেসব সরিয়ে রেখে, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত দেশের উন্নয়ন ও বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একযোগে কাজ করা। আমি মনে করি, আপনি যদি বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেন, তবে বাংলাদেশে প্রচুর বিদেশী বিনিয়োগ আসবে। দেশের আপামর জনতার জীবনমানে অগ্রগতি হবে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। যেমন, গার্মেন্ট শিল্প। ওষুধ শিল্প ও অন্যান্য খাতেও দেশটি ভালো করছে। বাংলাদেশের মানুষ খুব উদ্যোগীও। তাদের দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভালো নীতিমালা। কিন্তু তারা তা পাচ্ছে না। এ অবস্থা নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
উত্তর: বাংলাদেশে উন্নয়নের চেয়ে রাজনীতি বেশি। আপনি যদি দেশের অর্থনীতির কথা ভাবেন, দৃষ্টি দেন ও অর্থনৈতিক নীতির কথা বলেন, তবে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির একটি।
প্রশ্ন: মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাই। আপনার কাছে মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী মনে হয়?
উত্তর: আপনি যদি মধ্যপ্রাচ্যের সামপ্রতিক ইতিহাস দেখেন, তবে দেখবেন, যা আজ ঘটছে, তা হলো ৬০ বছর আগে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের ফল। ফিলিস্তিনিরা প্রচলিত কায়দায় লড়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু ইসরাইলিদের কাছে হেরেছে। কিন্তু এখন তাদের অন্য উপায়ে লড়তে হবে, যাকে ইসরাইল সন্ত্রাসবাদ বলছে। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ওপর নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করাটাও ইসরাইলি সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পড়ে। ইসরাইলিদের সঙ্গে অব্যাহত লড়াইয়ের মাধ্যমে কিছুই অর্জন হয়নি ফিলিস্তিনিদের। তাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া হচ্ছে। তারা এখন ক্ষুদ্ধ। এ সবই পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের মধ্যে বিভক্তি এনেছে। অনেকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো গণতান্ত্রিক হলেই, সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু গণতন্ত্রের কার্যাবলী তারা বুঝতে পারে না। গণতন্ত্র এলে সরকার গঠিত হবে, নির্বাচন হবে, কিছু মানুষ সরকার বানাবে, কেউ বিরোধী দলে থাকবে। কিন্তু বিরোধীরা পরাজিত হতে চাইবে না, সবাই জিততে চাইবে। এসবের কারণে গণতন্ত্র এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও সুশাসন আনেনি।
প্রশ্ন: আইএস’র দ্বারা সৃষ্ট সঙ্কটের দিকে পশ্চিমা নীতির ভূমিকা আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
উত্তর: পশ্চিমারা চায় ক্ষমতার পরিবর্তন। তারা চায় মুসলিম দেশগুলোর সরকার চালাবে তাদের বেছে নেয়া মানুষরা। ক্ষমতা পরিবর্তন করতে গিয়ে, দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়া হয়। আমি সাধারণ অর্থে মনে করি, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার পেছনে পশ্চিমাদের ভূমিকা অস্বীকার করা যাবে না। তারা নিজেরাই মাঝে মধ্যে অস্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছে, কিছু সময় নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে তারা সমর্থন দিয়েছে, সরকারের ভূমিকাকে খর্ব করেছে, প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ চালিয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যে অস্থিতিশীলতা আপনি দেখছেন, এর পেছনে পশ্চিমারা অনেক বেশি জড়িত।
প্রশ্ন: সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে শীতল-যুদ্ধের মতো চলমান উত্তেজনার এবং সৌদি আরবের নেতৃত্বে ৩৪ দেশের সন্ত্রাসবিরোধী জোটের বিষয়ে আপনার মতামত কী?
উত্তর: আমরা মনে করি না, দ্বন্দ্ব কোনো সমস্যার সমাধান করবে। যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার প্রথমদিকে, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বা বিরোধের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। হ্যাঁ, তারা প্রথমে শক্তি খাটিয়েছে। কিন্তু দিনশেষে কূটনৈতিক সমাধান ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যাটির আমরা সমাধান করেছি। কোনো দেশকে আমাদের শত্রু ভাবা উচিত নয়। যদি ভাবি, তারাও আমাদের শত্রু ভাববে। তারপর আপনাদের মুখোমুখি হতে হবে। এটি অত্যন্ত নেতিবাচক। দেশে দেশে মতপার্থক্য থাকবেই, তবে কূটনৈতিক উপায় ও সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসন বা হ্রাস করা সম্ভব।
প্রশ্ন: আইএস’র কারণে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ বাধার বিষয়ে চিন্তিত অনেক পশ্চিমা নেতা। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যায়ন কী?
উত্তর: পশ্চিমারা অবশ্যই আইএস’র বিরুদ্ধে। কিন্তু আইএস তাদেরই সৃষ্টি। অনেকেই প্রেসিডেন্ট আসাদকে (সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট) উৎখাত করতে চায়। পশ্চিমারা ওই মানুষগুলোকে অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এরাই পরে আইএস হয়েছে। তাদের এখন নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। তারা আসাদের বিরুদ্ধেও লড়ছে, আবার পশ্চিমাদেরও ওই এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিতে চায়। তাদের আবার অনেকে সমর্থনও দিচ্ছে। এখন দেখা যাচ্ছে, মুসলিমরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়ছে। এক হিসাবে, পশ্চিমা বা ইসরাইলের বিরুদ্ধে কেউ লড়ছে না। লড়ছে একে-অপরের বিরুদ্ধে। এর ফলে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম। অনেকে আইএস’কে সমর্থন দিচ্ছে। ফলে যুদ্ধটা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। মালয়েশিয়ায় আগে এ নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন অনেকে আইএস-এ যোগ দিতে দেশ ছাড়ছে। মূলত, এটা পুরো বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। সবাই এখন আক্রান্ত, কারণ কেউই নিরাপদ বোধ করছে না। আমি মনে করি, এ সব কিছুই ঘটছে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কারণে।
প্রশ্ন: অনেক মানুষই মনে করেন, সমপ্রতি সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও স্বীকার করেছেন যে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধই আইএস সৃষ্টির কারণ। এ বিষয়ে আপনি কী বলবেন?
উত্তর: তিনি (ব্লেয়ার) ছিলেন প্রেসিডেন্ট বুশের অন্যতম বড় সমর্থক। তিনিই বৃটিশ পার্লামেন্টে বলেছিলেন যে, ৪৫ মিনিটের মধ্যে লন্ডন আক্রমণ করতে পারবে ইরাক, কারণ ইরাকের কাছে বিপুল পরিমাণ গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে। এটি ছিল মিথ্যা। তিনি পার্লামেন্ট ও বৃটিশ জনগণকে মিথ্যা বলেছেন। এখন তিনি উপলব্ধি করছেন যে, তার মিথ্যাই আইএস সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। টনি ব্লেয়ার নিন্দনীয়; প্রেসিডেন্ট বুশ যা করেছেন, তার অন্যতম কট্টর সমর্থক ছিলেন তিনি।
প্রশ্ন: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে এশিয়ার, নির্দিষ্ট করে মালয়েশিয়ার ভূমিকা আপনি কীভাবে দেখেন?
উত্তর: আমরা চাই মানুষ সন্ত্রাসবাদের মূল কারণ বুঝুক। সব কিছুরই কারণ থাকে। মানুষ কাউকে এমনি এমনি আতঙ্কগ্রস্থ করে না। মানুষ অন্য কাউকে সন্ত্রস্ত করে মজা পায় না। সব মুসলিম দেশ দুর্বল। তারা পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে লড়তে চায় না। কারণ, তারা জানে তারা জিতবে না। ফলে মুসলিম ব্যক্তি ও গোষ্ঠীবিশেষ পদক্ষেপ নেয়। এসব অবশ্যই প্রথা মেনে হয় না। এসব অপ্রথাসিদ্ধ আচরণই পশ্চিমাদের দ্বারা সন্ত্রাসবাদ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়। পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডায় বলা হয়, মুসলিমদের অপ্রথাসিদ্ধ আচরণ সন্ত্রাসবাদ। অপপ্রচারে এসবও বলা হয়, পশ্চিমারা যে বোমা পাঠাচ্ছে, মানুষের ওপর বোমা ফেলছে, অন্য দেশ দখল করছে, এসব সন্ত্রাসবাদ নয়! কিন্তু আসলে, এগুলোও সন্ত্রাসবাদের অংশ।
প্রশ্ন: উপসাগরীয় দেশসমূহ ক্রমেই বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পূর্বের দিকে ঝুঁকছে। পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমপর্ক আপনি কীভাবে দেখছেন?
উত্তর: উপসাগরীয় দেশগুলো পশ্চিমের দিকে ঝুঁকে। আরব দেশগুলোর সমপর্ক পশ্চিমাদের সঙ্গেই বেশি। এসব দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রচুর পশ্চিমা বিশেষজ্ঞ কাজ করেন। তারা (উপসাগরীয় দেশগুলো) আমাদের সঙ্গে বেশি ব্যবসা করে না। কারণ, এ দেশগুলো মূলত আমদানি-নির্ভর দেশ। রপ্তানির জন্য তারা পণ্য উৎপাদন করে না। এটা একতরফা ব্যবসা। কিন্তু পূর্ব এশিয়ায় আমরা পণ্য আমদানি ও রপ্তানি-উভয়ই করতে চাই। আমরা জিনিসপত্র কিনতে চাই, বিক্রি করতে চাই। কিন্তু আমরা যেসব রপ্তানি করতে চাই, তার অনেককিছুই পশ্চিম থেকে আমদানি করা যায়। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য নামেমাত্র। কিন্তু আমি মনে করি, পূর্বের সঙ্গে বাণিজ্যে তাদের জন্য অনেক সম্ভাবনা লুকায়িত রয়েছে। এখন অনেক মানুষই পূর্বে ভ্রমণ করছে। কারণ, নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা পশ্চিমে যেতে পারছে না।
প্রশ্ন: উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে মালয়েশিয়ার সমপর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
উত্তর: আমরা উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে শক্ত বাণিজ্যিক সমপর্কের প্রত্যাশা করি। আমরা একসঙ্গে অনেক কিছুই করতে পারি। মালয়েশিয়া একটি বাণিজপ্রবণ জাতি। আমাদের জন্য আরও বাজার তৈরি করতে চাই আমরা। একই সময়ে অন্য দেশগুলো থেকেও আমদানি করতে চাই। কিন্তু উপসাগরীয় দেশগুলো তেমন কিছুই উৎপাদন করে না। তারা এখন শিল্পায়ন করছে হয়তো। আমরা হয়তো পরে তাদের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে পারি, বিনিয়োগ বাড়াতে পারি।
প্রশ্ন: সমপ্রতি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় উপসাগরীয় ও অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহই কেবল আক্রান্ত হয়নি, গোটা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়েছে। এর কারণ সমপর্কে আপনার অভিমত কী? বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহের জন্য দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব কী হতে পারে?
উত্তর: তেলের দামের মূল্য নির্ধারণ সবসময়ই কৃত্রিমতায় ভরা ছিল। হ্যাঁ, এটি অবশ্যই চাহিদা ও যোগানের সঙ্গে তাল মিলিয়েই করা হয়। বর্তমানে তেল উৎপাদনের খরচের চেয়েও পড়ে গেছে তেলের দাম। এটা দীর্ঘমেয়াদি হবে না। যখনই তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, তখনই তেলের দাম পড়ে যাবে। বৈশ্বিক চাহিদার কারণে অনেক দেশ তেল থেকে বিপুল অর্থ লাভ করতো অতীতে। কিন্তু এখন তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ ভুগছে, আরও ভুগবে যদি দাম আরও পড়ে যায়। এটি স্রেফ সমন্বয়ের একটি বিষয়। মূলদামের চেয়ে বর্তমানের ব্যারেলপ্রতি ৩৫ ডলার দাম কিন্তু অনেক বেশি। তবে আগের চেয়ে এ দাম অনেক যুক্তিসম্মত। অবশ্যই, অনেক দেশ ভুগবে, কারণ তাদের উন্নয়ন বাজেট তেল বিক্রির ওপর নির্ভরশীল। তারা এখন টের পাচ্ছে। কোনো দেশেরই শুধু তেল বিক্রির ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। বরং, অর্থনীতিতে বৈচিত্র্যতা আনলে ভবিষ্যতের জন্য উন্নয়ন হবে টেকসই।
প্রশ্ন: মালয়েশিয়ার ওপেক নীতিমালা ও তাদের ভবিষ্যৎ গন্তব্য নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
উত্তর: যদিও মালয়েশিয়া তেল উৎপাদনকারী দেশ, তবে এটি কখনও ওপেকের সদস্য ছিল না। আমরা একসময় পর্যবেক্ষক ছিলাম। এটি অনেকটা মনোপলি বা একাধিপত্যবাদী সংগঠন, যা অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক নয়। তেলের দাম ঠিক করে দেয়াটা সবসময়ই খারাপ।
প্রশ্ন: উন্নত দেশে পরিণত হতে মালয়েশিয়াকে নেতৃত্ব দেয়ার বেলায় প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের নেতৃত্বগুণের ভূমিকা আপনি কীভাবে দেখেন?
উত্তর: মালয়েশিয়া আমার সময়ে ছিল বাড়বাড়ন্ত। আমার শাসনামলের বেশির ভাগ সময়েই ছিল। কিন্তু এখন বেঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে দেশটি একেবারে আটকে গেছে। নজর এখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে নেই, রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার দিকে বেশির ভাগ নজর চলে গেছে। সব প্রধানমন্ত্রীই টিকে থাকতে চায়। তারা ভাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে মনোযোগ না দিয়ে, অন্য ইস্যু নিয়ে পড়ে থাকলেই তারা টিকে যাবে। এ কারণেই, অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে গেছে। জাতিগত উত্তেজনা, বাজে প্রশাসন, দুর্নীতি, ইত্যাদি থাকলে অর্থনীতি ডুবে যায়। ফলে আমরা ভিশন-২০২০ অর্জন করে পূর্ণ উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবো না। এখন পারবো না। মুদ্রার মান পড়ে গেছে, শেয়ারবাজার বাজে অবস্থায়। মানুষও খুশি নয়।
প্রশ্ন: মালয়েশিয়া সরকারের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বিলের কড়া সমালোচনা করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন এক কাউন্সিলকে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়ার কথা বলা হয়েছে ওই বিলে। আপনার অভিমত কী?
উত্তর: মালয়েশিয়া সরকারের এ বিলটি নিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পার্লামেন্টে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার অবশ্যই ভিত্তি আছে। এ বিলটি একটি মধ্যযুগীয় বিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি পরিষদ নিরাপত্তার অজুহাতে যে কাউকে বিচার ছাড়া আটক করতে পারবে। আদালতের শুনানিও হবে না। এটা এক ধরনের কর্তৃত্বপরায়ণ আইন। কাউকেই ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেয়া হয়নি এখানে। মালয়েশিয়ার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও মূল্যবোধের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রশ্ন: দক্ষিণ চীন সাগরে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধ আপনি কীভাবে দেখেন? আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বিভক্তিকরণে এটি কীভাবে ভূমিকা রাখবে বলে আপনি মনে করেন?
উত্তর: আমার আশা, আমরা (আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহ) একসঙ্গে থাকবো। আসিয়ান কিন্তু ইইউ’র (ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন) মতো নয়। আমরা নির্দিষ্ট কিছু ইস্যুতে কেবল একসঙ্গে আছি। আমাদের কোন প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই, শুধু বাণিজ্য চুক্তি আছে। চীনকে মোকাবিলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে আমাদের উচিত বিষয়টির সুরাহা করা। তবে অনেক আসিয়ানভুক্ত দেশই বিপন্ন বোধ করছে। নিজেরা সমর্থ না হওয়ায়, চীনকে থামাতে তারা আমেরিকার ভূমিকা মেনে নিচ্ছে। আমাদের এ অঞ্চলে লড়াই দরকার নেই। চীনের সঙ্গে তাদের ও আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয়ে আমাদের আলাপ আলোচনা করে চুক্তিতে উপনীত হওয়া উচিত।
প্রশ্ন: মার্কিন নেতৃত্বাধীন ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (টিপিপিএ) ও চীনের সমর্থিত রিজিওনাল কমিপ্রহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপের মুখোমুখি মালয়েশিয়া। এসব চুক্তির বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?
উত্তর: টিপিপিএ’তে মুক্ত বাণিজ্যের কথা আছে। কিন্তু টিপিপিতে এসব নেই। বরং টিপিপিএ’র নীতিমালার অধীনে বাণিজ্য করার কথা আছে এখানে। ফলে মুক্ত বাণিজ্য আর হচ্ছে না। বরং, ব্যবসা যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে নিয়ন্ত্রিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি উপকারী, কিন্তু অন্য দেশগুলোর জন্য নয়।
প্রশ্ন: আমি যখন ২০০১ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কখনও নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলে তিনি অবাক হবেন কিনা। পরে তিনি পেয়েও যান। যদি কেউ আপনাকে পুরস্কারটির জন্য মনোনীত করে, আপনি অবাক হবেন?
উত্তর: সত্যি বলতে কি, আমি পুরস্কার নিয়ে একদমই ভাবি না। আমি মনে করি, আমি মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য। এটাই আমার জন্য যথেষ্ট। আমি যখন শপিং কমপ্লেক্সে ঢুঁ মারি, মানুষ আসে, আমার সঙ্গে হাত মেলায়, ধন্যবাদ জানায়। এটা যে কোন পুরস্কারের চেয়েও বড় পুরস্কার।
ড. সিরাজুল আই. ভূঁইয়া: কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও যুক্তরাষ্ট্রের অবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও প্রধান। সাক্ষাৎকারটি ভাষান্তর করেছেন নাজমুল আহসান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
February
(648)
-
▼
Feb 07
(51)
- কোলনে এবার লাইভ রিপোর্টিংয়ের সময় যৌন হয়রানির শিকার...
- ‘দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন মোদি’
- সব ধর্মই নারী বিদ্বেষী- তসলিমা নাসরিন
- ব্রাজিলে উৎসব, রাজপথে স্বল্প বসনে যুবতী
- কথা নয়, ফাইল ফেরতের প্রত্যাশা প্রধান বিচারপতির
- তেলের সঙ্গে কোকেন- পাঁচ আসামির এক দিন করে রিমান্ড ...
- ‘বাজেট বাড়ালে নাটকের সমস্যা অনেক কমে যাবে’
- প্রিয় আইনমন্ত্রী! প্রধান বিচারপতি হতাশ কেন? by গোল...
- আইএসের সঙ্গে মিত্রতা আছে ৩৪টি গ্রুপের
- সন্ত্রাসী তৎপরতার কারণে ১২৫০০০ টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ
- বাবরি মসজিদ ধ্বংস: আদভানির বিরুদ্ধে মামলা করবে হিন...
- উত্তর কোরিয়ার রকেট উৎক্ষেপণ, উত্তেজনা, নিরাপত্তা প...
- সিরিয়ার শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে তুরস্কক...
- ‘ক্রিকেট উজ্জ্বল দিগন্তে বাংলাদেশ’ by অধ্যাপক রায়হ...
- চা শ্রমিকের ঘাড়েও সরকারের লম্বা হাত! by জয়া ফারহানা
- প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে আশা-নিরাশার কথা by রি...
- নিরাপত্তা চেয়ে আগেই পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন বাবুল
- ঝাড়ুদার পদের জন্য ১৯হাজার এমবিএ ডিগ্রিধারী’র আবেদন
- লন্ডনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর অর্থমন্ত্রীর ভাতিজা রাইম...
- ‘৮ জন মানুষ পুড়ে ছাই হয়া গেল বিচার পাল্যাম না বাহে’
- তারেকের শাশুড়ি হওয়াতেই মামলা: ফখরুল
- এবারে আক্রমণের লক্ষ্য সিনেটর রুবিও
- রাজপুত্রের জন্মে ভুটানে আনন্দের বন্যা
- সামরিক শক্তি বাড়িয়েই চলেছে ইরান
- ২০ বছরে বিলীন হতে পারে সুন্দরী গাছ
- কফিনে ফেরত পাঠানো হবে সৌদি-তুরস্কের আগ্রাসী সেনাদের
- ঝাঁকে ঝাঁকে মরছে কাক : আতঙ্ক রাজশাহীতে
- অপরাধ করলে বিচার হয় না সব পুলিশের by আবু সালেহ আকন
- বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আবারো সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠ...
- ভারত জয় করতে আইপিএলে মুস্তাফিজ
- রিনার রুপালি আনন্দ
- যেখানে মুশফিক-সৌম্যদের ‘সান্ত্বনা’
- মুদ্রণে ‘চতুর্থ’ মাত্রা!
- ২০৩০ সালে ৫০০ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী: জাকারবার্গ
- পরিবেশবান্ধব প্রথম ওভেন পোশাক কারখানা উদ্বোধন
- মসলিনের ইন্দ্রজাল ছড়াল মুগ্ধতা
- নদীর জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ
- সম্পদ কেন্দ্রীকরণ কি বন্ধ করা সম্ভব? by মুহাম্মদ ই...
- বাংলাদেশে রাজনীতি বেশি, উন্নয়ন কম -মানবজমিনকে মাহা...
- দুই কারণ স্তব্ধ করে দিতে পারে উদারমনাদের কণ্ঠ
- ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান- ধসে পড়েছে একাধিক বহুতল ...
- আম্মু আমাকে মাফ করে দিও -শান্তার শেষ চিরকুট
- যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে তারাই আগুনে পুড়িয়ে মারছে ...
- র্যাগিংয়ের নামে নিপীড়ন
- আমিনুল পাশে না দাঁড়ালে জিয়া হয়তো তার ভাগ্য তাহেরের...
- সব উপজেলাকে সমান গুরুত্ব দিন -প্রকৌশলীদের প্রধানমন...
- বিচারপতিদের ডাকা মানে স্বাধীনতা খর্ব করা
- ভয়ঙ্কর গাড়ি পার্টি
- এরশাদকে পদত্যাগ করাতে সচেষ্ট ছিলেন মেজর জেনারেল সালাম
- কেউ খোঁজ নেয়নি
- গাছ থেকে পড়ছে কাক, তারপর মরছে
-
▼
Feb 07
(51)
-
▼
February
(648)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment