Sunday, July 12, 2026
চীন যে সাত কারণে ইরানের হয়ে যুদ্ধে জড়াবে না by জসিম আল-আজাবি
চীন যে সাত কারণে ইরানের হয়ে যুদ্ধে জড়াবে না by জসিম আল-আজাবি
অনেকে মনে করেন ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর মতো ইরান সংকটে পড়লে বেইজিং পাশে দাঁড়াবে, কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
চীনের ইরানকে প্রয়োজন ঠিকই, তবে তেহরানের জন্য বেইজিং কখনো যুদ্ধে জড়াবে না। ২০২৬ সালের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের ভূমিকা বিশ্লেষণ করলে এই শীতল ও হিসাবনিকাশের সম্পর্কের বিষয়টিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রতিশ্রুতিহীন এক অংশীদারত্ব
চীন ও ইরানের ২৫ বছর মেয়াদি ‘ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব’ চুক্তিতে জ্বালানি, অবকাঠামো ও সামরিক সহযোগিতার কথা থাকলেও অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে কোনো ‘পারস্পরিক প্রতিরক্ষা’র ধারা রাখা হয়নি।
বেইজিং পাকিস্তানের সঙ্গে যে ধরনের অটুট প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ, ইরানের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের ফারজিন নাদিমির মতে, এই চুক্তি কোনো প্রতিরক্ষা গ্যারান্টি দেয় না।
সহজ কথায়, বেইজিংয়ের কাছে তেহরান মূলত দ্বিতীয় সারির অংশীদার, যেখানে প্রথম সারিতে রয়েছে ইসলামাবাদ।
২০২৬ সালের সংঘাতের সময় এই অসমতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর গভীর সংকট তৈরি হলেও বেইজিং কোনো সামরিক সহায়তা পাঠায়নি।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই হত্যাকাণ্ডকে ‘একটি অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধ’ বলে মন্তব্য করেন, যা শিকাগো কাউন্সিলের গবেষকদের মতে ছিল চরম নিরপেক্ষ ও দায় এড়ানোর কৌশল।
জাতিসংঘে রাশিয়ার সঙ্গে জরুরি অধিবেশন ডাকা কিংবা তেহরানবিরোধী প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থাকা—সব মিলিয়ে বেইজিংয়ের ভূমিকা সামরিক সহায়তার বদলে কেবলই কূটনৈতিক সমবেদনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।
সাইডলাইনে বসে মুনাফা অর্জন
বেইজিংয়ের এই নিরপেক্ষতা কেবল সতর্কতাই ছিল না, ছিল অত্যন্ত লাভজনক। গত দুই বছরে চীন গোপনে প্রায় ১২০ কোটি ব্যারেলের এক ঐতিহাসিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ গড়ে তুলেছে, যা দিয়ে ১০৯ দিনের আমদানি চাহিদা মেটানো সম্ভব।
এই বিপুল মজুত মূলত গড়ে উঠেছে নিষেধাজ্ঞাকবলিত ইরান, রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকে ব্রেন্ট ক্রুডের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৫ থেকে ১৫ ডলার কমে কেনা সস্তা খনিজ তেল দিয়ে।
চলতি সংঘাতের সময়ে ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই গেছে চীনে। এটিই মূলত এই সম্পর্কের মূল রসায়ন: বেইজিং চড়া ছাড়ে তেহরানের তেল কিনে মুনাফা লুটবে, কিন্তু সহযোদ্ধা হিসেবে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর যেকোনো আমন্ত্রণ স্রেফ প্রত্যাখ্যান করবে।
চীন তেহরানের পতন চায় না
তবে ইরানের ভাগ্য নিয়ে যে চীনের কোনো মাথাব্যথা নেই, তা কিন্তু নয়। প্রথমত, বেইজিংয়ের অন্যতম স্বপ্নের প্রকল্প ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর ‘সেন্ট্রাল বেল্ট’ করিডরের প্রধান ভূকৌশলগত সংযোগস্থলে রয়েছে ইরান।
এর মাধ্যমে চীনা পণ্য ও পুঁজি মধ্য এশিয়া হয়ে পারস্য উপসাগর ও ভূমধ্যসাগরে পৌঁছানোর কথা।
ইরানের নিয়ন্ত্রণ পশ্চিমা শিবিরের হাতে চলে গেলে এই করিডর পাকিস্তান সীমান্তেই থমকে যাবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো স্থলপথে চীনের জন্য অগম্য হয়ে পড়বে। সি চিন পিং তাঁর এই রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের এমন পরিণতি কখনোই মেনে নেবেন না।
দ্বিতীয় কারণটি হলো আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে চীন ও রাশিয়ার যৌথ দৃষ্টিভঙ্গি। সংকটজুড়ে মস্কো ও বেইজিং নিবিড়ভাবে তেহরানকে কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে গেছে, যদিও কোনো সরাসরি সামরিক সাহায্য পাঠায়নি।
সেন্ট পিটার্সবার্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পুতিনের দেওয়া মৌখিক আশ্বাস মূলত কথার স্তোকবাক্য হলেও এর মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—মস্কো ও বেইজিং কেউই ইরানের পতন দেখতে চায় না, যদিও কেউই তার সুরক্ষায় সামরিক গ্যারান্টি দিতে প্রস্তুত নয়।
পাকিস্তান ফ্যাক্টর
বেইজিংয়ের এই হিসাব বুঝতে হলে পাকিস্তানের দিকে তাকাতে হবে, যাকে চীন দ্ব্যর্থহীন সামরিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।
২০২০-২৪ সালের মধ্যে চীনের মোট অস্ত্র রপ্তানির ৬০ শতাংশের বেশি গেছে পাকিস্তানে। এর বড় প্রমাণ মেলে ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের তীব্র আকাশযুদ্ধে।
তবে ভারতের তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা রাহুল সিংয়ের মতে, বেইজিং মূলত পাকিস্তানকে ‘অস্ত্র পরীক্ষার জীবন্ত ল্যাবরেটরি’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘ঘেরাও নীতি’ ও মার্কিন-জাপান-অস্ট্রেলিয়া-ভারতের চতুর্মুখী জোট মোকাবিলায় এই মিত্রতা বেইজিংয়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
ভারতের সীমান্তে একজন নির্ভরযোগ্য অংশীদার চীনের বড্ড প্রয়োজন হওয়ায়, কাশ্মীরে ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধে জড়ানো পাকিস্তানই বেইজিংয়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও কৌশলগত মিত্র।
একই কৌশলের এপিঠ–ওপিঠ
চীনের ইরান ও পাকিস্তাননীতি মূলত একই কৌশলগত সমীকরণের অংশ। বেইজিং ভোলেনি যে শাহ আমলে পশ্চিমাপন্থী ইরান ও বৈরী ভারত যৌথভাবে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল।
ইরান যদি আবার পশ্চিমা শিবিরে যোগ দেয়, তবে পাকিস্তান আবারও দুই দিক থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে।
শত শত কোটি ডলার খরচ করে পাকিস্তানকে যারা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলেছে, বেইজিংয়ের জন্য সেই পুরোনো ভূরাজনীতির পুনরাবৃত্তি হবে একটি বড় দুঃস্বপ্ন।
তাই তেহরানকে পশ্চিমাবিরোধী শিবিরে টিকিয়ে রাখা কোনো আবেগের বিষয় নয়; এটি মূলত চীন-পাকিস্তান অক্ষের সুরক্ষার জন্য একধরনের কৌশলগত বিমা।
অস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের সমীকরণ
চীন ইতিমধ্যেই ইরানকে তাদের ‘বেইডু’ স্যাটেলাইট সুবিধা, রাডার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে।
হাডসন ইনস্টিটিউটের কান কাসাপোওগ্লুর মতে, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইরানের সম্ভাব্য অস্ত্র তালিকায় জে-১০সি ফাইটার, এইচকিউ-৯ বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র পুনর্গঠনের যন্ত্রাংশ রয়েছে।
রাশিয়া অর্থ নিয়েও সু-৩৫ বিমান দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ইরান এখন বেইজিংয়ের কাছে জরুরি ভিত্তিতে জে-১০সি চাচ্ছে, যার পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ভারতের রাফালের মেটিওর ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বেশি।
তা সত্ত্বেও, চীনা সামরিক বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন যে বিস্তৃত সেন্সর ও যুদ্ধ-ব্যবস্থাপনা নেটওয়ার্ক ছাড়া ইসরায়েলের এফ-৩৫আই বহরের সামনে এই বিমানগুলো স্রেফ ‘সহজ লক্ষ্যবস্তু’ হয়ে থাকবে।
এটি মূলত একটি রিমাইন্ডার যে বেইজিং যেকোনো অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইসরায়েল এবং সর্বোপরি ওয়াশিংটনকে ক্ষুব্ধ করার ঝুঁকি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মেপে দেখে।
দীর্ঘমেয়াদি হিসাব–নিকাশ
চীনের ইরান–কৌশল কোনো চিরস্থায়ী মিত্রতা নয়, বরং তেল আর ক্ষেপণাস্ত্রের মাপে নির্ধারিত এক নিখুঁত হিসাব-নিকাশ।
বেইজিং চড়া ছাড়ে তেল কিনবে, গোয়েন্দা তথ্য ও স্যাটেলাইট সুবিধা ভাগাভাগি করবে, কিন্তু তেহরানের জন্য নিজেরা কোনো যুদ্ধে জড়াবে না বা ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলবে না।
তবে চীন কোনোভাবেই ইরানের পতন বা পশ্চিমা শিবিরে অন্তর্ভুক্তি মেনে নেবে না। কারণ, তা হলে পাকিস্তান সীমান্তে তাদের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প ভেস্তে যাবে এবং তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র পাকিস্তান কৌশলগতভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে।
ক্ষণস্থায়ী আবেগের বদলে চীন এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি চাল খেলছে এবং অন্যের পাতানো ফাঁদে পা না দেওয়ার কারণেই বেইজিং এখন পর্যন্ত এই খেলায় জয়ী হচ্ছে।
* জসিম আল-আজাবি, সাংবাদিক। মিডল ইস্ট মনিটর থেকে অনূদিত।
![]() |
| চীন সফরকালে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ৬ মে ২০২৬–এর ছবি। ছবি: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট |
About: Kutubdia News
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1289)
-
▼
July
(92)
-
▼
Jul 12
(11)
- জনপ্রতি ৩০ কোটি রুপির প্রলোভন দিয়েছিল বিজেপি, আদর্...
- চুক্তি মেনে চল, এটাই তোমাদের জন্য ভালো —যুক্তরাষ্ট...
- মধ্যপ্রাচ্যে একযোগে ৫ দেশে ইরানের অতর্কিত হামলা
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘হাত মিলাচ্ছে’ ইরাক-সিরিয়াঃ ই...
- পশ্চিম তীরে মার্কিন আইনপ্রণেতা রো খান্নাকে বন্দুকে...
- চীন যে সাত কারণে ইরানের হয়ে যুদ্ধে জড়াবে না by জসি...
- যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে ...
- রাতের তাপমাত্রা ব্যবহার করে তৈরি হবে বিদ্যুৎ by জা...
- হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করল ইরান
- প্লাস্টিক দূষণের শিকার হচ্ছে সামুদ্রিক পাখি থেকে ক...
- হরমুজে ফি দিতে সম্মত হচ্ছে ইউরোপ
-
▼
Jul 12
(11)
-
▼
July
(92)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

No comments:
Post a Comment