তারেক-শফিকুর বৈঠক: এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ নিজেদের ভেতরে একটা গুণগত পরিবর্তন -তাহের
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতের আমিরের বাসায় যান। দুই নেতার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
দুই নেতার সাক্ষাতের বিষয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘এটাকে আমরা ওয়েলকাম করি (স্বাগত জানাই)। আমি মনে করি, এ ধরনের নিউ কালচার (নতুন সংস্কৃতি) নিজেদের ভেতরে থাকাটা একটা গুণগত পরিবর্তন।’
আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। এ সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার প্রসঙ্গ তুলে ভবিষ্যতেও রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্মিলিতভাবে কাজের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, নিজেদের ভেতর আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে যেকোনো বিষয়ে ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াত মৌলিকভাবে একমত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেয়ে সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপিকে অগ্রাধিকার নির্ধারণেও পরামর্শ দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ প্রসঙ্গে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন (আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি), মানুষের সিকিউরিটি (নিরাপত্তা)...এ বিষয়ে যেন সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে।’
এ ছাড়া মানুষের জীবনের মৌলিক পরিবর্তনে বিএনপির গঠিত সরকার যেন কাজ করে, সে বিষয়েও জামায়াতের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান জামায়াতের এই নায়েবে আমির।
![]() |
| বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের বাসায় গেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বিএনপির চেয়ারম্যান রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতের আমিরের বাসায় প্রবেশ করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে বিএনপি। এ নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে জয় পায় বিএনপির একসময়ের জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামী। মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই জামায়াতের আমিরের বাসায় গেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। সেখানে কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও সমসাময়িক বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে বলে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন। সাক্ষাৎ শেষে রাত ৭টা ৫৮ মিনিটের দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িটিকে জামায়াতের আমিরের বাসভবন ছেড়ে যেতে দেখা যায়। |

No comments