Friday, December 2, 2011
গাছে আটকা ঘুড়ি by রশীদ করীম
গাছে আটকা ঘুড়ি by রশীদ করীম
আশ্বিন মাসের সকালবেলা; কিন্তু শরৎকালের দেখা নেই। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। বাতাস নেই। সারাটা রাত গুমোট গরম ছিল_ সুনিদ্রা হয়নি। ফর্সা হওয়ার আগেই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লাম। শয্যায় পড়ে থেকে শরীরটা তেতে আছে। বাইরের খোলা বারান্দায় বেরিয়ে এলাম। এই মাত্র আজান হয়ে গেল। আমাদের পাড়ার মসজিদের মোয়াজ্জিন আজান দেন খুব ভালো। শুনতে খুব ভালো লাগে। লম্বা বারান্দাটিতে পায়চারী করছি। সারাদিনে এইটেই আমার একমাত্র
শরীরচর্চা। হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম কোনোটাই হয়ে ওঠে না।আমাদের এই ফ্ল্যাটটা চারতলায়। চারদিকে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। একটু আগেই মসজিদে কয়েকজনকে নামাজের জন্য যেতে দেখেছি; কিন্তু এখন পথ নির্জন। কোনোদিকে কোনো সাড়া-শব্দও নেই। পথে একটি লোকও চোখে পড়বে না। পাড়াটা এখনও ঘুমিয়ে আছে।
আমাদের বাড়িটি চারদিকে দেয়াল দিয়ে ঘেরা। পাঁচিলের মধ্যেই একটা বড় রকম ফলের বাগান। আমই বেশি; কিন্তু কাঁঠাল, জাম, নারিকেল আর পেয়ারা গাছও আছে। এসব ফলগাছের ভিড়েই একটি মাধবী গাছও কেমন করে জায়গা করে নিয়েছে এবং অনেক উঁচু পর্যন্ত মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। অন্যান্য গাছের ডালপালার সঙ্গে মাধবী গাছের ডালপালাও মিলেমিশে আছে। হঠাৎ একটি মসৃণ সবুজ আমের গায়েই একগুচ্ছ লাল মাধবী ফুল দেখতে বেশ লাগে। এখন অবশ্য আমের সময় নয়।
একে এখনও সূর্য ওঠেনি, তার ওপর আকাশ মেঘে ঢাকা। তাই ছেলেটিকে পাঁচিলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অবাক হলাম। পাঁচিলের কাছেই একটি আমগাছে একটি ঘুড়ি আটকে আছে। সেই ঘুড়ির ওপরই ছেলেটির চোখ। হাতে একটা লম্বা বাঁশের লগি। লগিটা ঘুড়ি পর্যন্ত পেঁৗছায় ঠিকই, কিন্তু খুব লিকলিকে বলে নুয়ে নুয়ে পড়ে। ঘুড়ি থেকে সুতো ঝুলছে। লগি দিয়ে সুতো পেঁচিয়ে টান মারাই ছেলেটির উদ্দেশ্য। কিন্তু সুতোর কাছে পেঁৗছেও লগিটার মাথা হঠাৎ নুয়ে পড়ে। তাই ছেলেটা কিছুতেই সুতো পেঁচাতে পারছে না।
ছেলেটার পরনে কালো রঙের হাফপ্যান্ট। ফুটবলাররা এই রকম প্যান্ট পরে মাঠে নামেন। তবে প্যান্টটা ছেঁড়া। গায়ে আর কিছু নেই। দেখেই মনে হয় গরিব; কিন্তু বুকে মাংস আছে। হাত-পায়ের পেশিও চোখে পড়ে। ছেলেটির রঙ কালো। বয়স আট-নয়ের বেশি হবে না। মাথায় ঝাঁকড়া চুল। তেলবিহীন নয়; কিন্তু অবিন্যস্ত।
সবচেয়ে আকর্ষণ করে ছেলেটির চোখের দৃষ্টি। মেঘের ফাটল দিয়ে সূর্যের রশ্মি ঝকঝকে ইস্পাতের পাতের মতো একবার দেখা দিয়েই জানিয়ে দিয়ে গিয়েছিল যে, সূর্য উঠছে। তখন দেখেছিলাম ছেলেটার চোখ। প্রখর উজ্জ্বল; সেই মুহূর্তে একাগ্র আর জ্বলন্ত। অবস্থা ভালো হলে মেধাবী ছাত্র হতে পারত। বুদ্ধিদীপ্ত চোখ দুটি দেখে তাই মনে হয়। কিন্তু এখন সেই চোখ দুটির সমস্ত মনোযোগ ওই ঘুড়িটির ওপর। ঘুড়িটিকে গাছ থেকে নামাতে হবে। শুধু তার দৃষ্টিই নয়, মুখের প্রতিটি রেখা, শরীরের সব ক'টি পেশি, তীক্ষষ্ট আর সজাগ হয়ে আছে। মনপ্রাণ দিয়ে এভাবে কোনো কিছু চাইবার ক্ষমতা শুধু এই বয়সেই থাকে। বয়স্করা পারে না। কোনো কিছুই ঠিক অতটা কাম্য মনে হয় না। লগিটা লক্ষ্যস্থলে পেঁৗছেও কাত হয়ে পড়ছে। লগিটাকে সুতোর কাছে স্থিরভাবে ধরে রাখবার সে বারবার চেষ্টা করছে। প্রতিবারই বিফল হচ্ছে। এখন দেখছি একবারের পর দ্বিতীয় চেষ্টার মাঝখানে বিরতিটা বেড়ে চলেছে। ছেলেটা বোধহয় বুঝতে পারছে, সে পারবে না। ওই লগিটা দিয়ে সে কিছুতেই ঘুড়িটা নামাতে পারবে না। বেশ বোঝা যায়, ছেলেটা হাঁফিয়ে পড়ছে। হাল ছেড়ে দিয়ে নিশ্চেষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এক সময় চোখ তুলে ঘুড়িটাকে দেখে আবার নতুন উৎসাহে লগিটাকে তুলে ধরে।
ছেলেটা একটা কাজ করলে পারে। উঁচু পাঁচিলে যখন উঠতে পেরেছে, নিশ্চয় গাছেও চড়তে পারে। ছেলেটা যে গাছে উঠছে না তার কারণ এই নয় যে, সে উঠতে পারে না। আসলে সাহস হচ্ছে না তার। গাছে উঠলেই বাড়িওয়ালা বাধা দেবেন। মনে করবেন ছেলেটি ফল পাড়তে এসেছে; কিন্তু এখন কোনো ফলই নেই। মাধবী ফুলের জন্য কেউ অত উঁচু ডালে ওঠে না। হাতের নাগালের মধ্যে আছে। তবু উঠে পড়লেই পারত। সবাই ঘুমিয়ে আছেন। এই ফাঁকে চট করে ঘুড়িটা নাবিয়ে নিলে পারত। সে চিন্তা নিশ্চয় ছেলেটির মাথায়ও এসেছে। তবু সে সাহস করছে না।
ছেলেটির জন্য আমার বেশ দুঃখ হচ্ছে। একবার ভাবলাম ছেলেটাকে ডেকে এনে দুটো টাকা দিয়ে দিই। ঘুড়ি কিনবে সে। খুব খুশি হবে; কিন্তু ব্যাপারটা একটু নাটকীয় হয়ে যাবে মনে করে শেষ পর্যন্ত আর তা করলাম না।
পথ দিয়ে দুটো কুকুর যাচ্ছিল। ছেলেটিকে ঐভাবে পাঁচিলে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তারাও দাঁড়িয়ে পড়ল। নিশ্চয় এক্ষুণি ঘেউ ঘেউ করতে শুরু করবে। আর ছেলেটি ধরা পড়বে; কিন্তু তা করল না। কুকুর দুটো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে একবার ছেলেটিকে, একবার ঘুড়িটিকে এবং একবার ছেলেটার ঘুড়ি ধরবার চেষ্টা দেখছে। তাদের সহানুভূতি ছেলেটার দিকে। তারাও চায়, ঘুড়িটা আসুক ছেলেটির হাতে।
একতলায় এক মহিলাকে দেখলাম। বাগানে এসে দাঁড়িয়েছেন। বিশ-পঁচিশ বয়স হবে। দেখতে ভালো। শরীরের বাঁধুনি আরও ভালো। আমি ঠিক জানি না, কিন্তু আমার অনুমান, তিনি বাড়িওয়ালার কোনো গরিব আত্মীয়। কিছুদিন হলো এসেছেন। দেখেই মনে হয়, গ্রামের বাড়ি থেকে এসেছেন। আমি ভাবলাম, এই-বা ছেলেটির বিপদ। তিনি নিশ্চয় বাধা দেবেন, চেঁচামেচি শুরু করবেন। একবার কিছু বলতে উদ্যত হয়েও বললেন না। খুব সম্ভব প্রাকৃতিক তাড়নাই তার কারণ। হাতে মগ ছিল। মহিলা গাছের আড়ালে একটি কোণে গিয়ে বসলেন। বাড়ির ঝি-চাকররা সেখানেই পেচ্ছাব করে। অনেক ডালপালা। চারতলার বারান্দা থেকে যে কিছু দেখা যায় তা বলা যায় না! শুধু একটা আভাস পাওয়া যায়।
কিন্তু ভদ্রমহিলা ভেতরের বাথরুম ব্যবহার করলেন না কেন? কেউ আছে বাথরুমগুলোতে? খুব সম্ভব তা নয়। যে যার বেডরুমে শুয়ে আছে দরজা বন্ধ করে। তাই বেডরুমের বাইরে থেকে বাথরুমে যাওয়া সম্ভব নয়। এই ভদ্রমহিলাকে নিশ্চয় খাবার ঘর বা বসার ঘরে শুতে হয়। সকলে উঠে পড়লে নিশ্চয় তিন বাথরুমই ব্যবহার করবেন। কিন্তু এখন ওই গাছের কোণটাই ব্যবহার করতে হচ্ছে। তিনি গ্রামে থাকেন বলেই এত সকালে ওঠার অভ্যাস।
একটু পরই তিনি আবার বাগানে এসে দাঁড়ালেন। আশ্চর্য, ছেলেটিকে কিছুই বললেন না। হাত দুটি মাথার ওপর তুলে তিনি ছেলেটির চেষ্টা দেখছেন। আমার মনে হলো, তাঁর সহানুভূতিও ছেলেটির দিকে। আরও একটি অদ্ভুত কথা মনে হলো। মনে হলো, বাড়িওয়ালার ওপর তাঁর রাগ আছে। বাড়িওয়ালা তাঁর আত্মীয়। কিন্তু তিনি গরিব বলে আর গ্রাম থেকে এসেছেন বলে, তাঁকে খাবার ঘরে থাকতে দিয়েছেন। নিক। বাড়িওয়ালার যা আছে, নিয়ে যাক ছেলেটা।
গরম বলেই হোক কিংবা অভ্যাস নেই বলেই হোক, ভদ্রমহিলা ব্লাউজ পরেননি। মাথার ওপর হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন। বুকের একপাশে থেকে আঁচল সরে গেছে। পাশ দিয়ে সুডৌল স্তন দেখা যাচ্ছে। সেদিকে চোখ না গিয়ে উপায় নেই। সাধারণত গ্রামের মেয়েদের বুক খুব ভালো হয়। তিনি কি জানেন না যে আমি দেখছি? কিংবা কেয়ার করছেন না?
কিন্তু কাল সন্ধ্যাবেলাতেই অন্যরকম ব্যাপার ঘটেছিল। আমি এই বারান্দাতেই এসে দাঁড়িয়েছি। ঐ বাগানেই একটি গাছের নিচে ঘাসের ওপর মাদুর বিছিয়ে চার-পাঁচজন মহিলা গল্প করছিলেন। আমাকে দেখে আর কেউ কিছু করলেন না।
কিন্তু ঐ যে মহিলাটি এখন মাথার ওপর হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এবং যাঁর বুক দেখা যাচ্ছে, তিনি এক হাত লম্বা ঘোমটা টেনেছিলেন। আমি এমনিতেই ওখানে দাঁড়িয়ে থাকতাম না। অতবড় ঘোমটা টানা দেখে সঙ্গে সঙ্গে সরে এলাম। তার আগে মহিলাদের মৃদু হাসির একটা গুঞ্জন শুনেছিলাম।
পাঁচিলের ওপাশে একটা একতলা টিনের ঘর। সেই ঘরটির জানালা খুলে গেল। জানালায় দেখা গেল দুটি মুখ। একজন তিরিশ-বত্রিশ বছরের এক মহিলা। তিনি ফর্সা। মুখটি খুব সুন্দর। ছেলেটির বয়স ন'-দশ হবে।
'য়্যাই' বলে মহিলাটি ছেলেটিকে একটা তাড়া দিতে উদ্যত হয়েও আর কিছু বললেন না। তাঁর পাশের ছেলেটি আরও একটু বিক্রমের সঙ্গে কিছু বলার জন্য একটা মুখভঙ্গি করেও শেষ পর্যন্ত শুধু কৌতূহলী হয়ে তাকিয়ে থাকল। কোনো সুন্দরী মহিলার ওভাবে 'য়্যাই' বলা উচিত নয়। মুখটা বিকৃত হয়ে যায়। এই মহিলাকে আগেও আমি রাস্তায় দেখেছি। তাঁর মুখটি কোমল। চলার সময় প্রতিটি পদক্ষেপ সুরুচি। তিনি কিছু বলতে গিয়েও কিছু বললেন না কেন? পাঁচিলটি আর গাছটি তাঁর নিজের নয় বলে? এখন বরং মনে হচ্ছে, মাতাপুত্র দু'জনেরই সহানুভূতি ছেলেটির জন্য।
আমাদের সকলের চোখই পাঁচিলের সেই ছেলেটির ওপর। ছেলেটি ঘুড়ি পাড়তে পারছে না কেন? আমাদের সকলের মনেই অস্বস্তি। টেনশন জমে উঠছে। আমরা জানি, যে কোনো মুহূর্তে বাড়িওয়ালা উঠে পড়বেন। তখন ছেলেটার কপালে দুঃখ আছে। ছেলেটার এবার একটা নাম দেওয়া দরকার। ঘটনাটা বলতে অসুবিধা হচ্ছে। মনে করুন, ছেলেটির নাম শাকুর।
'কে রে!' একটা প্রচণ্ড হাঁক শোনা গেল। বাড়িওয়ালা একটা লম্বা বাঁশ নিয়ে ছুটে এলেন। ভদ্রলোকের বয়স হয়েছে। শরীরটা বেশ ভারী। নড়তে-চড়তে কষ্ট হয়। তারই মধ্যে এতটা ক্ষিপ্রতা কোথায় লুকিয়ে ছিল ভাবতে অবাক লাগে।
শাকুরকে তার লগিটার মায়া ত্যাগ করতে হলো। লগিটা সামনের বাগানে ছুড়ে ফেলে, সে দেয়াল থেকে পথের ওপর লাফ দিল। লগিটা রাস্তায় না ফেলে বাগানে ফেললো কেন, বুঝলাম না। রাস্তায় ফেললে লগিটাকে সে বাঁচাতে পারত। কিন্তু এ কথাও জানি, আতঙ্কের মুহূর্তে কাজে ভুল হয়ে যায়।
দেয়ালটি বেশ উঁচু। শাকুর হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছে। এক হাতে হাঁটু চেপে সে খোঁড়াতে খোঁড়াতে দৌড়ূচ্ছে। কিছুদিন আগে রাস্তার মোড়ে চৌদ্দ-পনেরো বছরের চার-পাঁচজন ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলাম। তারা কিছুই করছিল না। শুধু দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে দিয়ে একটি কুকুর যাচ্ছিল। একটি ছেলে একটা পাথর তুলে কুকুরটির ঠ্যাং লক্ষ্য করে মারলো। সঙ্গে সঙ্গে বাকি ছেলেরা সামনে যাই পায় তাই দিয়ে কুকুরটিকে মারতে থাকে। সেদিন সেই কুকুরটিকেও এইভাবেই খোঁড়াতে খোঁড়াতে দৌড়ূতে দেখেছিলাম।
দু'দিন পর খুব বৃষ্টি হলো। বৃষ্টিতে ভিজে কোমল হয়ে ঘুড়িটা শতছিন্ন হয়ে গেল। তারপর উঠলো রোদ। ঘুড়িটা এখনও সেই ডালে একটা কঙ্কালের মতো আটকে আছে।
সেদিন সন্ধ্যায় দেখি, শাকুর সেই জানালাটার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ক'দিন আগেই সেই মহিলার আর তাঁর নয়-দশ বছরের ছেলেকে দেখা গিয়েছিল। জানালার সেই ছেলেটার নাম মনে করুন হামিদ। জানালা দিয়ে হামিদ লগিটা বাড়িয়ে শাকুরকে দিয়ে দিলো। হামিদ যে কখন বাগান থেকে লগিটা নিয়ে এসেছিল কেউ জানে না।
বাড়িওয়ালা যে বাগানের খুব যত্ন করেন সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। গাছপালা সম্পর্কে তিনি অনেক বই পড়েছেন। সেদিন দেখি, তিনি খুব মনোযোগ দিয়ে ঘুড়ির কঙ্কালটা যেখানে আটকে আছে সেই জায়গাটা দেখছেন। আগেও দু'দিন তাঁকে ঐভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখেছি। চলচ্চিত্র গোয়েন্দাদের চোখে ঐ রকম দৃষ্টি থাকে।
এমন সময় বছর পনেরোর একটি ছেলে এলো। সেদিন ছিল ছুটির দিন। সামাজিকতা করার জন্য আমি নিচে গিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালার সংসারে কাজের লোক সকলেই মেয়ে মানুষ। গাছে চড়তে পারে সে রকম কেউ নেই। এই ছেলেটিকে খবর দিয়ে আনিয়েছেন। ছেলেটি গাছে উঠে কঙ্কালটা নামিয়ে আনলো। এক টাকা পারিশ্রমিক লাভ করলো।
বাড়িওয়ালা বললেন, জানেন, গাছে কিছু আটকে থাকলে গাছের ক্ষতি হয়। ফল-ফুল বাধা পায়।
আমি বললাম, সেদিন তাহলে ছেলেটিকে বাধা দিলেন না কেন? সে তো ঘুড়ি পাড়তেই এসেছিল।
বাড়িওয়ালা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন।
'বাঃ, আমার পাঁচিলে কাউকে উঠতে দেবো কেন? আমার গাছ থেকে কাউকে কিছু পাড়তে দেবো কেন?'
দুই.
ভেবেছিলাম ঘটনাটা এখানেই শেষ হয়ে গেছে; কিন্তু সামান্য কিছুটা বাকি ছিল; সেটা জানলাম দিন দশেক পর।
আমি যেখানটায় বসে লিখিটিখি সেখান থেকে খোলা জানালা দিয়ে রাস্তার ওপারে একটি তেতলা বাড়ির সামনের বারান্দা দেখা যায়। তেতলায় একজন ইঞ্জিনিয়ার থাকেন বলে শুনেছি। স্ত্রী এবং তিন-চার বছরের একটি ফুটফুটে মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। ছুটির দিন ভদ্রলোককে বারান্দায় বসে চা খেতে আর খবরের কাগজ পড়তে দেখেছি। মেয়েটিও একটি ছোট বেতের চেয়ারে হাতে একটি বই নিয়ে বসে থাকে_ নিশ্চয়ই ছবিওয়ালা কোনো বই। স্ত্রী মহিলাটিকে বারান্দার রেলিংয়ে হাত রেখে অন্যমনস্কভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। তাঁদের সঙ্গে আমার কোনোই আলাপ-পরিচয় হয়নি।
দিন দশেক লিখবার টেবিলে আসিনি। একদিন দেখি সেই তেতলার ঘরদুয়ার সব বন্ধ। আমি মনে করলাম ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ছুটি নিয়ে সপরিবারে বেড়াতে গেছেন। কিন্তু দেখি, একটু পরই দরজা-জানালা সব খুলে গেল। সব ক'টিতেই পর্দা ছিল। এখন একটিতেও নেই। একটি আসবাব পর্যন্ত নেই। বুঝে নিলাম, ইঞ্জিনিয়ার সাহেব এ বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। মনটা হঠাৎ হু-হু করে উঠল। অন্য কেউ বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। একজন মেয়ে মানুষ ন্যাকড়া দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করছে। হাঁটুর ওপর তার শাড়ি উঠে এসেছে। ঘরদোর পরিষ্কার করার পর আসবাব আসবে। বারান্দায় আরও দু'একটি নতুন মুখ দেখলাম। এই লোকগুলোকে অনধিকারী মনে হলো।
আমি বুঝতে পারছি না, যাদের একেবারেই চিনি না, তাদের জন্য এতটা মন খারাপ করছে কেন? কিন্তু সেই ছোট্ট অপরিচিত পরিবারটি আমার অভ্যস্ত পরিবেশ ও জীবনের একটি অংশ ছিলেন। অংশ ছিলেন এ কারণে নয় যে, তাঁরা আমার প্রতিবেশী ছিলেন। সেই একই বাড়ির একতলা ও দোতলাতেও লোকজন আছেন। তাঁরাও নিশ্চয় বারান্দায় ওঠাবসা করেন। কিন্তু তাঁরা আমার চোখের সামনে থেকেও কখনো চোখে পড়েন না। অথচ তেতলার সেই ছোট্ট পরিবারটি কী করে অগোচরে আমার জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছিলেন তার কারণ অবশ্য আমি বলতে পারব না। সত্যিই মনে হলো, আমার জীবনের একটা অংশ ধসে পড়লো। রাত্রিবেলাও স্বপ্নে সেই ফুটফুটে মেয়েটির মুখ ভেসে এলো।
পরদিন সূর্যোদয়ের আগেই পথে বেরিয়ে পড়লাম। মনের ভেতরকার গুমোট ভাবটাকে বের করে দিতে হবে। পথের দু'পাশে নালা। আর সবদিক দিয়েই পরিচ্ছন্ন ও আকর্ষণীয় এই পাড়ায় দু'পাশ কাঁচা নর্দমা বড়লোকদের গরিব আত্মীয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।
একটু এগুতেই এক জায়গায় লোকজনের জটলা দেখলাম। সকলেই বেশ উত্তেজিত। চোখে-মুখে একটুখানি ভয়ের ভাবও আছে। তবু মুখের ভাব দেখে মনে হয়, এই ভয়কে তারা উপভোগই করছে। একটি গোক্ষুর দেখা গেছে। কিছুদিন আগেই বন্যা হয়ে গেছে। কোথা থেকে সাপটা এলো তা অবশ্য কেউ জানে না। একটু আগেই দু'তিনজন লোক দেখেছে। নর্দমায় নেমে গেল। গেল তো ঠিকই, কিন্তু কোথায় গেল কেউ দেখতে পায়নি।
সাপের নাম শুনলে শরীর শিরশির করবেই। মনের মধ্যে যে জায়গাটায় তেতলার সেই পরিবারের জন্য দুঃখটা ছিল, এখন সেই দুঃখটাকে ঠেলে বের করে দিয়ে, ঠিক যেন সেই জায়গাটিতেই সাপের ভয় প্রবেশ করলো।
ওদিকে যাওয়া কি ঠিক হবে? হয়তো ওদিকেই সাপটা গেছে। গা ঝাড়া দিয়ে শরীর থেকে ভয়টাকে ফেলে দিলাম। সামনেই এগুতে লাগলাম। পথের মোড়ে পাঁচিল দিয়ে ঘেরা আরেকটি বাড়ি। সেখানেও গাছে একটি ঘুড়ি আটকে আছে। পাঁচিলে সেই ছেলেটি যার নাম দিয়েছি শাকুর। এই দিকটা খুবই নির্জন।
পাঁচিলে দাঁড়িয়ে একটি ছেলে ঘুড়ি পাড়ছে, এ দৃশ্য দেখে আমার দাঁড়িয়ে পড়ার কথা নয়; কিন্তু দাঁড়িয়ে পড়লাম এবং কী করছি বোঝবার আগেই আমার মুখ দিয়ে ধমকের সুরে একটা 'য়্যাই' বেরিয়ে গেল। জানালার সেই ভদ্রমহিলার যেমন বেরিয়েছিল।
শাকুর ফিরে একবার আমাকে দেখলো; কিন্তু কোনা আমল দিলো না। সে ঘুড়ি পাড়তে ব্যস্ত। আমার 'য়্যাই' শুনে একটু ভয় পেল না। এতদিনে সে জেনে গেছে, পাঁচিল যার, বাগান যার, ভয়ের আশঙ্কা কেবল তাদের কাছ থেকেই । বাদ বাকি সকলের বরং সে সহানুভূতিই লাভ করেছে। আচ্ছা ঘুড়ি-পাগলা ছেলে যা হোক। আজ কিন্তু শাকুর ব্যর্থ হলো না। বেশ সহজেই ঘুড়িটা নাবিয়ে নিলো। তারপরই এক লাফে রাস্তায়।
এক হাত দিয়ে ঘুড়িটাকে বুকের ওপর চেপে, অন্য হাতে লগিটা ধরে, ঠিক আমার সামনেই সে এখন দাঁড়িয়ে আছে।
আমি বললাম, দুটি টাকা নিবি?
শাকুর কিছুই বলল না। তার মুখে আগ্রহ বা লোভের চিহ্নই দেখা গেল না।
আমি আবার বললাম, ঘুড়ি কিনবি?
শাকুর তেমনি নির্বিকার আর উদাসীন।
আমি মনে করলাম, সে বুঝি বিশ্বাস করছে না আমি সত্যিই তাকে টাকা দিতে চাই। দুটি টাকা বের করে আমি তার হাতে গুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করলাম। সে সবলে হাত ছাড়িয়ে নিলো। টাকা সে নেবে না। গাছের ঘুড়িটাকে শাকুর আরও নিবিড় করে বুকে চেপে ধরলো। তারপর এক দৌড়ে অদৃশ্য।
আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম। টাকার ওপর ছেলেটার কোনো লোভ নেই। দোকানের ঘুড়িও সে চায় না। সে শুধু চায়, গাছে আটকা ঘুড়ি। া
আমাদের বাড়িটি চারদিকে দেয়াল দিয়ে ঘেরা। পাঁচিলের মধ্যেই একটা বড় রকম ফলের বাগান। আমই বেশি; কিন্তু কাঁঠাল, জাম, নারিকেল আর পেয়ারা গাছও আছে। এসব ফলগাছের ভিড়েই একটি মাধবী গাছও কেমন করে জায়গা করে নিয়েছে এবং অনেক উঁচু পর্যন্ত মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। অন্যান্য গাছের ডালপালার সঙ্গে মাধবী গাছের ডালপালাও মিলেমিশে আছে। হঠাৎ একটি মসৃণ সবুজ আমের গায়েই একগুচ্ছ লাল মাধবী ফুল দেখতে বেশ লাগে। এখন অবশ্য আমের সময় নয়।
একে এখনও সূর্য ওঠেনি, তার ওপর আকাশ মেঘে ঢাকা। তাই ছেলেটিকে পাঁচিলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অবাক হলাম। পাঁচিলের কাছেই একটি আমগাছে একটি ঘুড়ি আটকে আছে। সেই ঘুড়ির ওপরই ছেলেটির চোখ। হাতে একটা লম্বা বাঁশের লগি। লগিটা ঘুড়ি পর্যন্ত পেঁৗছায় ঠিকই, কিন্তু খুব লিকলিকে বলে নুয়ে নুয়ে পড়ে। ঘুড়ি থেকে সুতো ঝুলছে। লগি দিয়ে সুতো পেঁচিয়ে টান মারাই ছেলেটির উদ্দেশ্য। কিন্তু সুতোর কাছে পেঁৗছেও লগিটার মাথা হঠাৎ নুয়ে পড়ে। তাই ছেলেটা কিছুতেই সুতো পেঁচাতে পারছে না।
ছেলেটার পরনে কালো রঙের হাফপ্যান্ট। ফুটবলাররা এই রকম প্যান্ট পরে মাঠে নামেন। তবে প্যান্টটা ছেঁড়া। গায়ে আর কিছু নেই। দেখেই মনে হয় গরিব; কিন্তু বুকে মাংস আছে। হাত-পায়ের পেশিও চোখে পড়ে। ছেলেটির রঙ কালো। বয়স আট-নয়ের বেশি হবে না। মাথায় ঝাঁকড়া চুল। তেলবিহীন নয়; কিন্তু অবিন্যস্ত।
সবচেয়ে আকর্ষণ করে ছেলেটির চোখের দৃষ্টি। মেঘের ফাটল দিয়ে সূর্যের রশ্মি ঝকঝকে ইস্পাতের পাতের মতো একবার দেখা দিয়েই জানিয়ে দিয়ে গিয়েছিল যে, সূর্য উঠছে। তখন দেখেছিলাম ছেলেটার চোখ। প্রখর উজ্জ্বল; সেই মুহূর্তে একাগ্র আর জ্বলন্ত। অবস্থা ভালো হলে মেধাবী ছাত্র হতে পারত। বুদ্ধিদীপ্ত চোখ দুটি দেখে তাই মনে হয়। কিন্তু এখন সেই চোখ দুটির সমস্ত মনোযোগ ওই ঘুড়িটির ওপর। ঘুড়িটিকে গাছ থেকে নামাতে হবে। শুধু তার দৃষ্টিই নয়, মুখের প্রতিটি রেখা, শরীরের সব ক'টি পেশি, তীক্ষষ্ট আর সজাগ হয়ে আছে। মনপ্রাণ দিয়ে এভাবে কোনো কিছু চাইবার ক্ষমতা শুধু এই বয়সেই থাকে। বয়স্করা পারে না। কোনো কিছুই ঠিক অতটা কাম্য মনে হয় না। লগিটা লক্ষ্যস্থলে পেঁৗছেও কাত হয়ে পড়ছে। লগিটাকে সুতোর কাছে স্থিরভাবে ধরে রাখবার সে বারবার চেষ্টা করছে। প্রতিবারই বিফল হচ্ছে। এখন দেখছি একবারের পর দ্বিতীয় চেষ্টার মাঝখানে বিরতিটা বেড়ে চলেছে। ছেলেটা বোধহয় বুঝতে পারছে, সে পারবে না। ওই লগিটা দিয়ে সে কিছুতেই ঘুড়িটা নামাতে পারবে না। বেশ বোঝা যায়, ছেলেটা হাঁফিয়ে পড়ছে। হাল ছেড়ে দিয়ে নিশ্চেষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এক সময় চোখ তুলে ঘুড়িটাকে দেখে আবার নতুন উৎসাহে লগিটাকে তুলে ধরে।
ছেলেটা একটা কাজ করলে পারে। উঁচু পাঁচিলে যখন উঠতে পেরেছে, নিশ্চয় গাছেও চড়তে পারে। ছেলেটা যে গাছে উঠছে না তার কারণ এই নয় যে, সে উঠতে পারে না। আসলে সাহস হচ্ছে না তার। গাছে উঠলেই বাড়িওয়ালা বাধা দেবেন। মনে করবেন ছেলেটি ফল পাড়তে এসেছে; কিন্তু এখন কোনো ফলই নেই। মাধবী ফুলের জন্য কেউ অত উঁচু ডালে ওঠে না। হাতের নাগালের মধ্যে আছে। তবু উঠে পড়লেই পারত। সবাই ঘুমিয়ে আছেন। এই ফাঁকে চট করে ঘুড়িটা নাবিয়ে নিলে পারত। সে চিন্তা নিশ্চয় ছেলেটির মাথায়ও এসেছে। তবু সে সাহস করছে না।
ছেলেটির জন্য আমার বেশ দুঃখ হচ্ছে। একবার ভাবলাম ছেলেটাকে ডেকে এনে দুটো টাকা দিয়ে দিই। ঘুড়ি কিনবে সে। খুব খুশি হবে; কিন্তু ব্যাপারটা একটু নাটকীয় হয়ে যাবে মনে করে শেষ পর্যন্ত আর তা করলাম না।
পথ দিয়ে দুটো কুকুর যাচ্ছিল। ছেলেটিকে ঐভাবে পাঁচিলে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তারাও দাঁড়িয়ে পড়ল। নিশ্চয় এক্ষুণি ঘেউ ঘেউ করতে শুরু করবে। আর ছেলেটি ধরা পড়বে; কিন্তু তা করল না। কুকুর দুটো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে একবার ছেলেটিকে, একবার ঘুড়িটিকে এবং একবার ছেলেটার ঘুড়ি ধরবার চেষ্টা দেখছে। তাদের সহানুভূতি ছেলেটার দিকে। তারাও চায়, ঘুড়িটা আসুক ছেলেটির হাতে।
একতলায় এক মহিলাকে দেখলাম। বাগানে এসে দাঁড়িয়েছেন। বিশ-পঁচিশ বয়স হবে। দেখতে ভালো। শরীরের বাঁধুনি আরও ভালো। আমি ঠিক জানি না, কিন্তু আমার অনুমান, তিনি বাড়িওয়ালার কোনো গরিব আত্মীয়। কিছুদিন হলো এসেছেন। দেখেই মনে হয়, গ্রামের বাড়ি থেকে এসেছেন। আমি ভাবলাম, এই-বা ছেলেটির বিপদ। তিনি নিশ্চয় বাধা দেবেন, চেঁচামেচি শুরু করবেন। একবার কিছু বলতে উদ্যত হয়েও বললেন না। খুব সম্ভব প্রাকৃতিক তাড়নাই তার কারণ। হাতে মগ ছিল। মহিলা গাছের আড়ালে একটি কোণে গিয়ে বসলেন। বাড়ির ঝি-চাকররা সেখানেই পেচ্ছাব করে। অনেক ডালপালা। চারতলার বারান্দা থেকে যে কিছু দেখা যায় তা বলা যায় না! শুধু একটা আভাস পাওয়া যায়।
কিন্তু ভদ্রমহিলা ভেতরের বাথরুম ব্যবহার করলেন না কেন? কেউ আছে বাথরুমগুলোতে? খুব সম্ভব তা নয়। যে যার বেডরুমে শুয়ে আছে দরজা বন্ধ করে। তাই বেডরুমের বাইরে থেকে বাথরুমে যাওয়া সম্ভব নয়। এই ভদ্রমহিলাকে নিশ্চয় খাবার ঘর বা বসার ঘরে শুতে হয়। সকলে উঠে পড়লে নিশ্চয় তিন বাথরুমই ব্যবহার করবেন। কিন্তু এখন ওই গাছের কোণটাই ব্যবহার করতে হচ্ছে। তিনি গ্রামে থাকেন বলেই এত সকালে ওঠার অভ্যাস।
একটু পরই তিনি আবার বাগানে এসে দাঁড়ালেন। আশ্চর্য, ছেলেটিকে কিছুই বললেন না। হাত দুটি মাথার ওপর তুলে তিনি ছেলেটির চেষ্টা দেখছেন। আমার মনে হলো, তাঁর সহানুভূতিও ছেলেটির দিকে। আরও একটি অদ্ভুত কথা মনে হলো। মনে হলো, বাড়িওয়ালার ওপর তাঁর রাগ আছে। বাড়িওয়ালা তাঁর আত্মীয়। কিন্তু তিনি গরিব বলে আর গ্রাম থেকে এসেছেন বলে, তাঁকে খাবার ঘরে থাকতে দিয়েছেন। নিক। বাড়িওয়ালার যা আছে, নিয়ে যাক ছেলেটা।
গরম বলেই হোক কিংবা অভ্যাস নেই বলেই হোক, ভদ্রমহিলা ব্লাউজ পরেননি। মাথার ওপর হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন। বুকের একপাশে থেকে আঁচল সরে গেছে। পাশ দিয়ে সুডৌল স্তন দেখা যাচ্ছে। সেদিকে চোখ না গিয়ে উপায় নেই। সাধারণত গ্রামের মেয়েদের বুক খুব ভালো হয়। তিনি কি জানেন না যে আমি দেখছি? কিংবা কেয়ার করছেন না?
কিন্তু কাল সন্ধ্যাবেলাতেই অন্যরকম ব্যাপার ঘটেছিল। আমি এই বারান্দাতেই এসে দাঁড়িয়েছি। ঐ বাগানেই একটি গাছের নিচে ঘাসের ওপর মাদুর বিছিয়ে চার-পাঁচজন মহিলা গল্প করছিলেন। আমাকে দেখে আর কেউ কিছু করলেন না।
কিন্তু ঐ যে মহিলাটি এখন মাথার ওপর হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এবং যাঁর বুক দেখা যাচ্ছে, তিনি এক হাত লম্বা ঘোমটা টেনেছিলেন। আমি এমনিতেই ওখানে দাঁড়িয়ে থাকতাম না। অতবড় ঘোমটা টানা দেখে সঙ্গে সঙ্গে সরে এলাম। তার আগে মহিলাদের মৃদু হাসির একটা গুঞ্জন শুনেছিলাম।
পাঁচিলের ওপাশে একটা একতলা টিনের ঘর। সেই ঘরটির জানালা খুলে গেল। জানালায় দেখা গেল দুটি মুখ। একজন তিরিশ-বত্রিশ বছরের এক মহিলা। তিনি ফর্সা। মুখটি খুব সুন্দর। ছেলেটির বয়স ন'-দশ হবে।
'য়্যাই' বলে মহিলাটি ছেলেটিকে একটা তাড়া দিতে উদ্যত হয়েও আর কিছু বললেন না। তাঁর পাশের ছেলেটি আরও একটু বিক্রমের সঙ্গে কিছু বলার জন্য একটা মুখভঙ্গি করেও শেষ পর্যন্ত শুধু কৌতূহলী হয়ে তাকিয়ে থাকল। কোনো সুন্দরী মহিলার ওভাবে 'য়্যাই' বলা উচিত নয়। মুখটা বিকৃত হয়ে যায়। এই মহিলাকে আগেও আমি রাস্তায় দেখেছি। তাঁর মুখটি কোমল। চলার সময় প্রতিটি পদক্ষেপ সুরুচি। তিনি কিছু বলতে গিয়েও কিছু বললেন না কেন? পাঁচিলটি আর গাছটি তাঁর নিজের নয় বলে? এখন বরং মনে হচ্ছে, মাতাপুত্র দু'জনেরই সহানুভূতি ছেলেটির জন্য।
আমাদের সকলের চোখই পাঁচিলের সেই ছেলেটির ওপর। ছেলেটি ঘুড়ি পাড়তে পারছে না কেন? আমাদের সকলের মনেই অস্বস্তি। টেনশন জমে উঠছে। আমরা জানি, যে কোনো মুহূর্তে বাড়িওয়ালা উঠে পড়বেন। তখন ছেলেটার কপালে দুঃখ আছে। ছেলেটার এবার একটা নাম দেওয়া দরকার। ঘটনাটা বলতে অসুবিধা হচ্ছে। মনে করুন, ছেলেটির নাম শাকুর।
'কে রে!' একটা প্রচণ্ড হাঁক শোনা গেল। বাড়িওয়ালা একটা লম্বা বাঁশ নিয়ে ছুটে এলেন। ভদ্রলোকের বয়স হয়েছে। শরীরটা বেশ ভারী। নড়তে-চড়তে কষ্ট হয়। তারই মধ্যে এতটা ক্ষিপ্রতা কোথায় লুকিয়ে ছিল ভাবতে অবাক লাগে।
শাকুরকে তার লগিটার মায়া ত্যাগ করতে হলো। লগিটা সামনের বাগানে ছুড়ে ফেলে, সে দেয়াল থেকে পথের ওপর লাফ দিল। লগিটা রাস্তায় না ফেলে বাগানে ফেললো কেন, বুঝলাম না। রাস্তায় ফেললে লগিটাকে সে বাঁচাতে পারত। কিন্তু এ কথাও জানি, আতঙ্কের মুহূর্তে কাজে ভুল হয়ে যায়।
দেয়ালটি বেশ উঁচু। শাকুর হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছে। এক হাতে হাঁটু চেপে সে খোঁড়াতে খোঁড়াতে দৌড়ূচ্ছে। কিছুদিন আগে রাস্তার মোড়ে চৌদ্দ-পনেরো বছরের চার-পাঁচজন ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলাম। তারা কিছুই করছিল না। শুধু দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে দিয়ে একটি কুকুর যাচ্ছিল। একটি ছেলে একটা পাথর তুলে কুকুরটির ঠ্যাং লক্ষ্য করে মারলো। সঙ্গে সঙ্গে বাকি ছেলেরা সামনে যাই পায় তাই দিয়ে কুকুরটিকে মারতে থাকে। সেদিন সেই কুকুরটিকেও এইভাবেই খোঁড়াতে খোঁড়াতে দৌড়ূতে দেখেছিলাম।
দু'দিন পর খুব বৃষ্টি হলো। বৃষ্টিতে ভিজে কোমল হয়ে ঘুড়িটা শতছিন্ন হয়ে গেল। তারপর উঠলো রোদ। ঘুড়িটা এখনও সেই ডালে একটা কঙ্কালের মতো আটকে আছে।
সেদিন সন্ধ্যায় দেখি, শাকুর সেই জানালাটার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ক'দিন আগেই সেই মহিলার আর তাঁর নয়-দশ বছরের ছেলেকে দেখা গিয়েছিল। জানালার সেই ছেলেটার নাম মনে করুন হামিদ। জানালা দিয়ে হামিদ লগিটা বাড়িয়ে শাকুরকে দিয়ে দিলো। হামিদ যে কখন বাগান থেকে লগিটা নিয়ে এসেছিল কেউ জানে না।
বাড়িওয়ালা যে বাগানের খুব যত্ন করেন সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। গাছপালা সম্পর্কে তিনি অনেক বই পড়েছেন। সেদিন দেখি, তিনি খুব মনোযোগ দিয়ে ঘুড়ির কঙ্কালটা যেখানে আটকে আছে সেই জায়গাটা দেখছেন। আগেও দু'দিন তাঁকে ঐভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখেছি। চলচ্চিত্র গোয়েন্দাদের চোখে ঐ রকম দৃষ্টি থাকে।
এমন সময় বছর পনেরোর একটি ছেলে এলো। সেদিন ছিল ছুটির দিন। সামাজিকতা করার জন্য আমি নিচে গিয়েছিলাম। বাড়িওয়ালার সংসারে কাজের লোক সকলেই মেয়ে মানুষ। গাছে চড়তে পারে সে রকম কেউ নেই। এই ছেলেটিকে খবর দিয়ে আনিয়েছেন। ছেলেটি গাছে উঠে কঙ্কালটা নামিয়ে আনলো। এক টাকা পারিশ্রমিক লাভ করলো।
বাড়িওয়ালা বললেন, জানেন, গাছে কিছু আটকে থাকলে গাছের ক্ষতি হয়। ফল-ফুল বাধা পায়।
আমি বললাম, সেদিন তাহলে ছেলেটিকে বাধা দিলেন না কেন? সে তো ঘুড়ি পাড়তেই এসেছিল।
বাড়িওয়ালা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন।
'বাঃ, আমার পাঁচিলে কাউকে উঠতে দেবো কেন? আমার গাছ থেকে কাউকে কিছু পাড়তে দেবো কেন?'
দুই.
ভেবেছিলাম ঘটনাটা এখানেই শেষ হয়ে গেছে; কিন্তু সামান্য কিছুটা বাকি ছিল; সেটা জানলাম দিন দশেক পর।
আমি যেখানটায় বসে লিখিটিখি সেখান থেকে খোলা জানালা দিয়ে রাস্তার ওপারে একটি তেতলা বাড়ির সামনের বারান্দা দেখা যায়। তেতলায় একজন ইঞ্জিনিয়ার থাকেন বলে শুনেছি। স্ত্রী এবং তিন-চার বছরের একটি ফুটফুটে মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। ছুটির দিন ভদ্রলোককে বারান্দায় বসে চা খেতে আর খবরের কাগজ পড়তে দেখেছি। মেয়েটিও একটি ছোট বেতের চেয়ারে হাতে একটি বই নিয়ে বসে থাকে_ নিশ্চয়ই ছবিওয়ালা কোনো বই। স্ত্রী মহিলাটিকে বারান্দার রেলিংয়ে হাত রেখে অন্যমনস্কভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। তাঁদের সঙ্গে আমার কোনোই আলাপ-পরিচয় হয়নি।
দিন দশেক লিখবার টেবিলে আসিনি। একদিন দেখি সেই তেতলার ঘরদুয়ার সব বন্ধ। আমি মনে করলাম ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ছুটি নিয়ে সপরিবারে বেড়াতে গেছেন। কিন্তু দেখি, একটু পরই দরজা-জানালা সব খুলে গেল। সব ক'টিতেই পর্দা ছিল। এখন একটিতেও নেই। একটি আসবাব পর্যন্ত নেই। বুঝে নিলাম, ইঞ্জিনিয়ার সাহেব এ বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। মনটা হঠাৎ হু-হু করে উঠল। অন্য কেউ বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। একজন মেয়ে মানুষ ন্যাকড়া দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করছে। হাঁটুর ওপর তার শাড়ি উঠে এসেছে। ঘরদোর পরিষ্কার করার পর আসবাব আসবে। বারান্দায় আরও দু'একটি নতুন মুখ দেখলাম। এই লোকগুলোকে অনধিকারী মনে হলো।
আমি বুঝতে পারছি না, যাদের একেবারেই চিনি না, তাদের জন্য এতটা মন খারাপ করছে কেন? কিন্তু সেই ছোট্ট অপরিচিত পরিবারটি আমার অভ্যস্ত পরিবেশ ও জীবনের একটি অংশ ছিলেন। অংশ ছিলেন এ কারণে নয় যে, তাঁরা আমার প্রতিবেশী ছিলেন। সেই একই বাড়ির একতলা ও দোতলাতেও লোকজন আছেন। তাঁরাও নিশ্চয় বারান্দায় ওঠাবসা করেন। কিন্তু তাঁরা আমার চোখের সামনে থেকেও কখনো চোখে পড়েন না। অথচ তেতলার সেই ছোট্ট পরিবারটি কী করে অগোচরে আমার জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছিলেন তার কারণ অবশ্য আমি বলতে পারব না। সত্যিই মনে হলো, আমার জীবনের একটা অংশ ধসে পড়লো। রাত্রিবেলাও স্বপ্নে সেই ফুটফুটে মেয়েটির মুখ ভেসে এলো।
পরদিন সূর্যোদয়ের আগেই পথে বেরিয়ে পড়লাম। মনের ভেতরকার গুমোট ভাবটাকে বের করে দিতে হবে। পথের দু'পাশে নালা। আর সবদিক দিয়েই পরিচ্ছন্ন ও আকর্ষণীয় এই পাড়ায় দু'পাশ কাঁচা নর্দমা বড়লোকদের গরিব আত্মীয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।
একটু এগুতেই এক জায়গায় লোকজনের জটলা দেখলাম। সকলেই বেশ উত্তেজিত। চোখে-মুখে একটুখানি ভয়ের ভাবও আছে। তবু মুখের ভাব দেখে মনে হয়, এই ভয়কে তারা উপভোগই করছে। একটি গোক্ষুর দেখা গেছে। কিছুদিন আগেই বন্যা হয়ে গেছে। কোথা থেকে সাপটা এলো তা অবশ্য কেউ জানে না। একটু আগেই দু'তিনজন লোক দেখেছে। নর্দমায় নেমে গেল। গেল তো ঠিকই, কিন্তু কোথায় গেল কেউ দেখতে পায়নি।
সাপের নাম শুনলে শরীর শিরশির করবেই। মনের মধ্যে যে জায়গাটায় তেতলার সেই পরিবারের জন্য দুঃখটা ছিল, এখন সেই দুঃখটাকে ঠেলে বের করে দিয়ে, ঠিক যেন সেই জায়গাটিতেই সাপের ভয় প্রবেশ করলো।
ওদিকে যাওয়া কি ঠিক হবে? হয়তো ওদিকেই সাপটা গেছে। গা ঝাড়া দিয়ে শরীর থেকে ভয়টাকে ফেলে দিলাম। সামনেই এগুতে লাগলাম। পথের মোড়ে পাঁচিল দিয়ে ঘেরা আরেকটি বাড়ি। সেখানেও গাছে একটি ঘুড়ি আটকে আছে। পাঁচিলে সেই ছেলেটি যার নাম দিয়েছি শাকুর। এই দিকটা খুবই নির্জন।
পাঁচিলে দাঁড়িয়ে একটি ছেলে ঘুড়ি পাড়ছে, এ দৃশ্য দেখে আমার দাঁড়িয়ে পড়ার কথা নয়; কিন্তু দাঁড়িয়ে পড়লাম এবং কী করছি বোঝবার আগেই আমার মুখ দিয়ে ধমকের সুরে একটা 'য়্যাই' বেরিয়ে গেল। জানালার সেই ভদ্রমহিলার যেমন বেরিয়েছিল।
শাকুর ফিরে একবার আমাকে দেখলো; কিন্তু কোনা আমল দিলো না। সে ঘুড়ি পাড়তে ব্যস্ত। আমার 'য়্যাই' শুনে একটু ভয় পেল না। এতদিনে সে জেনে গেছে, পাঁচিল যার, বাগান যার, ভয়ের আশঙ্কা কেবল তাদের কাছ থেকেই । বাদ বাকি সকলের বরং সে সহানুভূতিই লাভ করেছে। আচ্ছা ঘুড়ি-পাগলা ছেলে যা হোক। আজ কিন্তু শাকুর ব্যর্থ হলো না। বেশ সহজেই ঘুড়িটা নাবিয়ে নিলো। তারপরই এক লাফে রাস্তায়।
এক হাত দিয়ে ঘুড়িটাকে বুকের ওপর চেপে, অন্য হাতে লগিটা ধরে, ঠিক আমার সামনেই সে এখন দাঁড়িয়ে আছে।
আমি বললাম, দুটি টাকা নিবি?
শাকুর কিছুই বলল না। তার মুখে আগ্রহ বা লোভের চিহ্নই দেখা গেল না।
আমি আবার বললাম, ঘুড়ি কিনবি?
শাকুর তেমনি নির্বিকার আর উদাসীন।
আমি মনে করলাম, সে বুঝি বিশ্বাস করছে না আমি সত্যিই তাকে টাকা দিতে চাই। দুটি টাকা বের করে আমি তার হাতে গুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করলাম। সে সবলে হাত ছাড়িয়ে নিলো। টাকা সে নেবে না। গাছের ঘুড়িটাকে শাকুর আরও নিবিড় করে বুকে চেপে ধরলো। তারপর এক দৌড়ে অদৃশ্য।
আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম। টাকার ওপর ছেলেটার কোনো লোভ নেই। দোকানের ঘুড়িও সে চায় না। সে শুধু চায়, গাছে আটকা ঘুড়ি। া
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 02
(119)
- গুলশান-বনানীতে দুর্গোৎসব by পান্না লাল দত্ত
- জনস্বাস্থ্য-ডাক্তাররা কেন গ্রামে যান না by সৈয়দ মা...
- কংগ্রেস-তৃণমূল টানাপড়েন by গৌতম লাহিড়ী
- স্বপ্নভ্রম... by সুভাষ সাহা
- নগরজীবন-ভূমিকম্প ও মহাদূষণের মুখোমুখি ঢাকা by আসিফ
- উচ্চশিক্ষার ব্যয়-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চোখ খুলে দে...
- বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন-শান্ত সীমান্তেই পারস্পরিক কল...
- দুর্গাপূজা-সম্প্রীতির সর্বজনীন উৎসব
- পোশাক খাতে রফতানি আয় কমবে ৬০০ কোটি টাকা by আবু হেন...
- কাপ থেকেও বিদায় চেলসির
- আইভরি কোস্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট বাগবোকে আইসিসির কা...
- প্রতিশ্রুতি না রাখলে শনিবার থেকে সিরিয়ার ওপর নিষেধ...
- মিয়ানমারে ঐতিহাসিক সফরে হিলারি ক্লিনটন
- পাকিস্তানে বিবিসির সম্প্রচার বন্ধ, ব্যাখ্যা চাইবে ...
- শুল্কমুক্ত সুবিধা আদায়ে সোচ্চার থাকবে বাংলাদেশ by ...
- সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান হিলারির
- সিরিয়ায় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে রাশিয়া
- প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে থাকার দাবি ব্রাদারহুডের
- ভারতের পার্লামেন্টে বিক্ষোভ আবার অধিবেশন মুলতবি
- লন্ডনে ইরানের দূতাবাস বন্ধের নির্দেশ যুক্তরাজ্যের
- অবসর ভাতা আইন পরিবর্তনের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যজুড়ে ...
- শাহজালাল সার কারখানা প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
- মানসিক ভারসাম্যহীন বলায় ব্রেইভিক অপমানিত!
- ফ্রান্সে মুক্তি পেল সু চিকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘দ্য ...
- দিলি্লতে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান-শিরোপা উদ্...
- পরিশ্রমীদের সঙ্গী ভাগ্য
- ফ্রান্সে মুক্তি পেল সু চিকে নিয়ে নির্মিত ছবি ‘দ্য ...
- পার্থক্য অনেক :মুশফিক
- বিশ্বে রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভূমিকা রেখেছে দুর্নীতি
- 'আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন নয় ওয়ালস্ট্রিট দখল করুন'
- আমি কাউকে পরোয়া করি না-সিরিয়া বিক্ষোভের আইকন ফাদওয়া
- সু চির হাত ধরেই বদলাবে মিয়ানমার
- বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি চায় যু...
- জলবায়ু সম্মেলন-বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের গ্রিন ফান্ড ...
- সরকার তরুণদের আইটি দক্ষ মানবসম্পদ করতে চায়
- শান্তিচুক্তির ১৪তম বার্ষিকী আজ-পাহাড়ে শান্তি নেই b...
- 'ভাই, তুমি উত্তর না দক্ষিণ'
- বাংলাদেশে দুর্নীতি সামান্য কমলেও উদ্বেগজনক
- দুই মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ by সাবি্বর ন...
- অর্থনীতি পঙ্গু :দেশ দেউলিয়ার পথে
- স্বাধীনতা আমাদের অহঙ্কার by কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক
- দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধ by জহির উদ্দিন বাবর
- ইসলামে বিজয় ও যুদ্ধাপরাধ প্রসঙ্গ by মুফতি এনায়েতুল...
- ক্লাইমেটগেট by শেখ রোকন
- পার্বত্য শান্তিচুক্তি-বাস্তবায়নে ধীরগতি, বাড়ছে হতা...
- দ্বিখণ্ডিত ডিসিসি থেকে কী পাব! by ইমরুল চৌধুরী
- ধর নির্ভয় গান-ক্ষুদ্র স্বার্থের ঊধর্ে্ব উঠে আমাদের...
- টাকায় ছয় ফুলকপি-কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য মেলে না
- জ্বালানি আমদানি-বেসরকারি খাতের সুযোগ বাড়ূক
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রসার জরুরি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার গতিশীল করার দাবি
- কোচিং সেন্টারের জালিয়াতিতে ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ
- অশ্রুসজল দীপিকা by ফারহানা আদৃতা
- ঢাকায় কুংফু পান্ডা-টু by সৈয়দ মাহমুদ জামান
- গল্প অন্তরাল-মোশাররফ ভাইকে চেনা যাচ্ছিল না
- ক্রুফোর ফিল্মি জীবন
- বই আলোচনা-'জনকের চোখে জল'-একটি অনিন্দ্য প্রকাশনা-ল...
- মঞ্চ নাটক-মহাকালের দাবি মেটাতে কালের যাত্রা by মাস...
- রেড ক্যাপসিকাম by জেসমিন মুন্নী
- বিশেষ রচনা-প্রাবন্ধিক রশীদ করীম by মারুফ রায়হান
- বিশেষ রচনা : রশীদ করীম-মধ্যবিত্তের গোপন কুঠরির পর্...
- প্রচ্ছদ রচনা-রশীদ করীমের সঙ্গে শেষ দেখা শেষ কথা by...
- হুমায়ূন আহমেদের সাক্ষাৎকার
- বিশেষ আয়োজন-হুমায়ূন আহমেদ এবং হুমায়ূন আহমেদ by...
- স্মরণ-রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫২)-মনের গহিন ভেতর থেকে ...
- পার্বত্য শান্তিচুক্তির বর্ষপূর্তি এবং কিছু প্রশ্ন ...
- যুগের বাণী-পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধন আইন কী পেলাম, কী ...
- জনসংহতির কর্মসূচি ঘোষণা-পাহাড়ে বৈষম্য কাম্য নয়
- ঢাকার বিভক্তি এবং হরতাল-রাস্তায় নয়, আদালতেই বিষয়টি...
- 'দীর্ঘস্থায়ী দারিদ্র্যের' বিরুদ্ধে লড়ছে রুবিনা-ই...
- মুল্লাপেরিয়ার বাঁধ নিয়ে কেরালা তামিলনাড়ুর দ্বন্...
- মিয়ানমারে হিলারি-থেইন সেইন বৈঠক-সংস্কারের বিনিময়...
- অনিশ্চয়তায় জলবায়ু সহায়তা তহবিল
- জীবজন্তু পায় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা
- প্রদর্শনী-পুরনো গাড়িতে ইতিহাস
- সংবাদ সম্মেলনে ড্যান মজিনা-বাংলাদেশের সঙ্গে বড় পরি...
- টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদ-সিলেটে সকাল-সন্ধ...
- ই-এশিয়া সম্মেলন উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী-তথ্যপ্রয...
- শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শুরু আজ-পঁয়ত্রিশ হাজার প্রা...
- গাছে আটকা ঘুড়ি by রশীদ করীম
- ঝকঝকে ও আধুনিক রশীদ করীম by জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
- অমরত্বের সুধা by মাহ্ফুজ রাহমান
- ত থ্য বি চি ত্র-ঝিনুকের গায়ে আছে একশ' চোখ!
- এ ই দি নে-জানালাটা খুলে দাও
- বিনোদিনী শিল্পীজীবন সবাই উপলব্ধি করছে
- সহজ জয়ে শীর্ষে ঢাকা মেট্রো
- প্রতিদান দিতে চান এমিলি-মিঠুন
- ভুটান ছাড়া সবাই ফেভারিট! by সনৎ বাবলা,
- মুখোমুখি প্রতিদিন-কৌশলগতভাবে আমরা পাকিস্তানের চেয়...
- ভারত যেখানে ফুটবলের ব্রাজিল by সামীউর রহমান
- মুশফিকই বুঝতে পারছেন না অনেক কিছু by মাসুদ পারভেজ
- ক্রিকেটার আফ্রিদি, 'ক্যারেক্টার' আফ্রিদি by নোমান ...
- এমন বছর বাংলাদেশের ক্রিকেটে আর আসেনি by সাইদুজ্জামান
- কৃষিজমি ধ্বংস হওয়ায় হুমকিতে খাদ্য উৎপাদন-জলসেচে ...
- ১৩৮ কম্পানির লেনদেন বন্ধের প্রভাবে পুঁজিবাজারে সূচ...
- ভারতে কাঁচা পাট রপ্তানির প্রজ্ঞাপনে খুলনায় বিক্ষোভ...
- মোড়কীকরণে পাটপণ্যের ব্যবহার বাধ্য করতে বিধিমালা চ...
- সাত হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে-ফেঞ্চু...
- মামলা প্রত্যাহার সাপেক্ষে সাবিনকোর অর্থ ফেরত দেবে ...
- এসইসির পাইপলাইনে ৬১ মিউচ্যুয়াল ফান্ড-সাড়ে ছয় হা...
- কুমিল্লা সিটি নির্বাচন-মেয়রের মনোনয়নপত্র নিলেন সাক...
- দ্বিতীয় রাজধানীর বর্ষপূর্তিতে জমকালো আয়োজন-সম্মা...
- দুর্নীতি সূচকে এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
- ঢাবির 'গ' ইউনিটে ভর্তি-নতুন পরীক্ষা নয় ফল পুনর্মূল...
- গোয়েন্দা প্রতিবেদন-ঢাকা বিভক্তি নিয়ে নানা অঘটনের প...
- দেশে এইডসে মৃত্যুহার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি
- কেমন আছ মা-৪০ বছরে কেউ খোঁজ নেয়নি আমাদের-রোকেয়া খাতুন
- নির্যাতনকারী ২৬ সহস্রাধিক জোট সরকারের ২৫ জন
- চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত পাহাড়িরা by আবু দাউদ,
- ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে নিহত ৩২৭ by ফজলে এলাহী,
- পার্বত্য তিন জেলায় চুক্তির পক্ষ-বিপক্ষে কর্মসূচি
- শান্তিচুক্তির ১৪ বছর-দাবি আদায়ে পাহাড়ে টানা আন্দোল...
- পাকিস্তানকে হারিয়েই শুরু করতে চায় বাংলাদেশ by সনৎ ...
- দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে মেয়র আইভী-শান্তির বার্তা নি...
- দেশ দেউলিয়া হওয়ার পথে : খালেদা জিয়া
- নিরাপত্তার দায়িত্ব পাচ্ছে দেশি সংস্থা by আশরাফুল হ...
- শান্তিচুক্তির অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছেঃ দীপংকর তা...
- আমাদের মাননীয় মন্ত্রী একজন ঠগবাজঃ সন্তু লারমা
-
▼
Dec 02
(119)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment