Saturday, November 15, 2014
সংকট গোড়ায়, উপরে নয় by ফরহাদ মজহার
সংকট গোড়ায়, উপরে নয় by ফরহাদ মজহার
রাজনীতির উপর তলায় আমরা যে সংকট দেখি তার গোড়ার উপরে না, গোড়াতেই। অতএব গোড়া ধরে কথা না বললে আমাদের সামনে রাজনৈতিক ইস্যুটা ঠিক কী, সেটা বোঝানো কঠিন। কিন্তু আলোচনাটা উপরের ঘটনাঘটন থেকেই শুরু করা দরকার হয়ে পড়ে। নইলে সাধারণ পাঠকরা এ বিষয়ে বিশেষ আগ্রহী হয় না।
রাজনৈতিক তর্কাতর্কির গোড়ায় না গিয়ে সামাজিক আলোচনা-সমালোচনা ভাসাভাসা রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছে প্রধানত গণমাধ্যমই। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রধান। এই পরিস্থিতিতে পত্রিকায় মন্তব্যমূলক লেখা সংকটের চরিত্র ধরতে কিংবা বোঝাতে পারে না। সংকট আরও গাঢ় হতে থাকে।
ধরুন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের কথা। আচ্ছা, আমরা কী দাবি কিংবা কী নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম? মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কথাটা তো হাওয়াই কিছু না। সেই চেতনাটা কী ছিল? আমাদের নিজ নিজ মনগড়া চেতনার কেচ্ছার কথা বলছি না। স্বাধীনতার অর্থ ক্ষমতা, শ্রেণী বা লিঙ্গভেদে সমাজে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকম হতে পারে। কার চেতনা সহি, কার চেতনা ভুল সেসব তর্কও এখানে তুলছি না। স্বাধীনতার যুদ্ধ করতে হলে কারা কার বিরুদ্ধে কিসের যুদ্ধ করছে তার একটা ঘোষণা থাকে। এমন এক ঘোষণা যার মধ্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী নিজের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ও গাঠনিক (constituent power) শক্তির আবির্ভাব ঘোষণা করে। স্বাধীনতা ঘোষণার রাজনৈতিক দিক আমরা বুঝতে পারি, কিন্তু গাঠনিক শক্তি কথাটা বুঝি না। কারণ শেষের দিকটি নিয়ে আমাদের সমাজে আদৌ আলোচনা হয়েছে, আমার চোখে পড়েনি। একদমই আলোচনা হয়নি এবং হয়ও না। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের গোড়া বুঝতে হলে প্রাথমিকভাবে হলেও ধারণাটি সম্পর্কে পরিচয় দরকার।
প্রথমেই বুঝতে হবে স্বাধীনতার ঘোষণা কোনো ব্যক্তিবিশেষের ব্যাপার নয়, আমরা রাজরাজড়াদের ইতিহাস নিয়ে লিখতে বসিনি, এটা জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের ঘোষণা। আমরা এখানে পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটতে বসিনি। যেসব ঘোষণার কথা শুনি, সেখানে ব্যক্তির মহিমা বা ভূমিকার গৌরবকে অস্বীকার করাও আমাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর আবির্ভাব ও রাষ্ট্র গঠনের দিক থেকে সেসব ঘোষণা বিশেষ গৌণ, অনেক সময় অর্থহীনও বটে। কারণ তখনও রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের গাঠনিক শক্তির আবির্ভাব ঘটেনি, যা অনিবার্যভাবেই একটি রাষ্ট্র গঠনের দিকে ধাবিত হয়। স্বাধীনতার ঘোষণা একই সঙ্গে আসন্ন রাষ্ট্রের ভিত্তির কথাও ঘোষণা করে। গাঠনিক ক্ষমতা ধারণ করেনি বলে বাংলাদেশের সত্যিকারের স্বাধীনতার ঘোষণার আগের সব ঘোষণাকে আমরা জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত নিদর্শন গণ্য করলেও তার মধ্যে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অনিবার্য আবির্ভাবের উপাদান খুঁজে পাই না, যার ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে, কিংবা যার ভিত্তিতে নতুন কোনো রাষ্ট্র জনগণ গঠন করতে পারে। গাঠনিক শক্তি সংবলিত ঘোষণা বিশেষ ধরনের ভাষা ব্যবহার করে, এই ভাষা নিছকই সাহিত্য বা আবেগের ভাষা নয়।
স্বাধীনতার ঘোষণার দুটি দিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক. রাজনৈতিক দিক এবং দুই. গঠনতান্ত্রিক বা আইনি দিক (constitutional)। ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস ইত্যাদি এই দুয়ের মধ্যে হাজির থাকে, কিন্তু ধর্ম, সংস্কৃতি বা ইতিহাস হিসেবে নয়- অথচ রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি উপাদান হিসেবে। সেটা কেমন, সেই বিষয়েই আজ আলোচনা।
গাঠনিক শক্তি এক কথায় ক্ষমতা। যে কোনো সংঘ, দল বা গোষ্ঠীর ক্ষমতা আমরা তো হরহামেশাই দেখছি। রাজনৈতিকভাবে নিজেদের এক মনে করে, এ রকম একটি জনগোষ্ঠীর ক্ষমতাই তার গাঠনিক ক্ষমতা। যে ক্ষমতার দ্বারা তারা শত্র“র বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, নিজেদের রক্ষা করার জন্য যুদ্ধ করে। তাদের গোষ্ঠীর অন্তর্গত সদস্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ইত্যাদি। গাঠনিক শক্তি রাষ্ট্রের গঠনতান্ত্রিক (constitutional) প্রশ্নের সঙ্গে জড়িত।
দুই
বাংলাদেশের কনস্টিটিউশনের অনুবাদ করা হয়েছে সংবিধান- অর্থাৎ যা বিধান বা আইন সংক্রান্ত ব্যাপার। কিন্তু কনস্টিটিউশন তো শুধু আইন নয়- এটা সমাজ, সংস্কৃতি, রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাস, শক্তি, গাঠনিক ভিত্তি, কাঠামো, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি নানা কিছুর সঙ্গে জড়িত। ঔপনিবেশিক ধ্যান-ধারণা ধারণ করেন এবং ঔপনিবেশিক ব্রিটেনকেই আদর্শ মনে করেন এমন আইনজীবীরাই বাংলাদেশের সংবিধানের মুসাবিদা করেছেন। তাই তারা ঔপনিবেশিক চিন্তা মাথায় রেখেই সংবিধান লিখেছেন। ঔপনিবেশিক শক্তির কাছে কনস্টিটিউশন কথাটার কোনো মানে নেই। কারণ পরাধীন জাতি তাদের জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়। তাদের শাসনের জন্য দরকার শাসনতন্ত্র। অর্থাৎ দরকার পরাধীন জনগোষ্ঠীকে শাসন করার একটি বিধান বা আইন। বাংলাদেশের সংবিধান এ ধরনের ঔপনিবেশিক চিন্তার দ্বারা দুষ্ট। এ ঔপনিবেশিক চিন্তা থেকেই কনস্টিটিউশনের অনুবাদ সংবিধান নিছকই বিধান বা আইন, যার দ্বারা পরাধীন জনগোষ্ঠীকে শাসন করা হয়। রাষ্ট্র এক্ষেত্রে নিছকই আইনি সত্তা। তার অধিক কিছু নয়। এর সঙ্গে সংস্কৃতি, ইতিহাস, ক্ষমতা ইত্যাদির সম্পর্ক ক্ষীণ বা অতিশয় দূরবর্তী।
সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্বাতন্ত্র্যবোধ গাঠনিক শক্তি (constituent power) পরিগঠনের পশ্চাৎকারণ, কিন্তু যথেষ্ট কারণ নয়। ষাট দশকের পর থেকে আমাদের উপলব্ধি ঘটতে শুরু করে যে, আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তানের অন্যান্য জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা। কিন্তু আলাদাবোধ আমাদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভাবের ন্যায্যতা দেয় না। পাকিস্তান রাষ্ট্রের কাঠামোর মধ্যে আমাদের স্বাতন্ত্র্য এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের মীমাংসা করা গেলে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের আলাদা আত্মপ্রকাশের প্রয়োজনীয়তা থাকত কিনা সন্দেহ। রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের উপলব্ধি শুধু সাংস্কৃতিক বা ঐতিহাসিক স্বাতন্ত্র্যবোধ নয়, একই সঙ্গে গাঠনিক ক্ষমতার উপলব্ধিও বটে। গাঠনিক ক্ষমতাই রাষ্ট্র গঠনের ন্যায্যতা দান করে। এটা সহজেই বোঝা যায়। যতই আমাদের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক উপলব্ধি থাকুক, যদি সেই উপলব্ধিকে আমরা সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গঠনের দিকে নিয়ে যাওয়ার হিম্মত না রাখতাম, তাহলে আজ আমরা যেখানে আছি সেখানে এসে হাজির হতে পারতাম কিনা সন্দেহ।
গাঠনিক শক্তি তাহলে গঠনতন্ত্র ও রাষ্ট্র বিচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা কতটা বাঙালি, কত পারসেন্ট মুসলমান এই তর্কের চেয়ে আলাদা। আপনি বাঙালি? হ্যাঁ। অবশ্যই। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আপনার বিচ্ছেদ্য অধিকার আপনি রক্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, আপনাকে নিয়ে বিশ্ব গর্ব করে। আপনি কি মুসলমান? নিশ্চয়ই। এটা আমার ধর্ম বা বিশ্বাস শুধু না, এটা আমার ইতিহাস। কারণ কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পর থেকে জমিহারা যে কৃষক ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়েছে আমিই সেই জনগোষ্ঠী। আমি পাকিস্তান চেয়েছি, পাকিস্তান কায়েমের জন্য লড়েছি। স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানে জমিদারি ব্যবস্থা রদ হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার ইতিহাসের এক পর্ব শেষ হয়েছে। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমি আরেকটি বিশ্ব-ঐতিহাসিক পর্বে প্রবেশ করেছি। ইনশাআল্লাহ্?, এই যুদ্ধেও আমি জিতব। আপনি কি হিন্দু? নিশ্চয়ই, আমার হাজার বছরের সনাতন লোকায়ত সংস্কৃতি আর বিশ্বাস, আমি তা নানাভাবে আমার সংস্কৃতিকে ধারণ করি। তাছাড়া সিন্ধু নদের এদিকে যারা বাস করে, ধর্ম কিংবা নৃ-তাত্ত্বিক পরিচয় নির্বিশেষে তারা তো সবাই হিন্দু। আপনি কি বৌদ্ধ বা জৈন? আরে, নইলে আমার বিবর্তন বুঝবেন কী করে? কিংবা আমার ভাবচর্চা ও ভাবান্দোলন? আপনি কি চাকমা, সাঁওতাল, মান্দি, রাজবংশী, ম্রং বা অন্য কোনো ক্ষুদ্র জাতিসত্তা? আলবৎ। আমরা অনেক জাতি অনেক ভাষা বিচিত্র আমাদের সংস্কৃতি? আচ্ছা, বুঝলাম। এই বিচিত্র ও বিভিন্ন নৃ-তত্ত্ব, ভূগোল, ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও পরিচয় নিয়ে আপনি বা আপনারা বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে আছেন।
কিন্তু আপনারা কি একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? এখানে একটু থমকে দাঁড়ানো যাক। কী? রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী? হ্যাঁ, প্রশ্নটা এখানেই। সেই কথাই বলছিলাম। আপনি বাঙালি, না অবাঙালি, মান্দি নাকি মুসলমান তার বিচার তো আছেই। মূল প্রশ্ন হচ্ছে, আপনারা সবাই মিলে কি একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত? নাকি আলাদা আলাদা? আপনি কি নিজেকে শুধু মুসলমান বা হিন্দু ভাবেন? নাকি আপনি আমি কে, তুমি কে বাঙালি বাঙালি বলে নিজেদের হাতে মিডিয়া আছে বলে বাংলাদেশের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে তোলেন? কে আপনি? কে আপনারা? কী আপনাদের রাজনৈতিক পরিচয়? প্রশ্নটা এখানেই। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে ভাবা, উপলব্ধি করা এবং সেই মোতাবেক গাঠনিক শক্তি গড়ে তোলার প্রশ্নের সঙ্গে জড়িত, আশা করি তা খানিকটা বোঝাতে পেরেছি।
আমরা কি আসলে একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। এটা তত্ত্ব করে বলা বা এখানে কলাম লিখে প্রমাণের বিষয় নয়। আমরা নিজেদের নিজেরাই প্রশ্ন করতে পারি। আসলেই আমি কে? কে আমি? কী চাই? কীভাবে চাই? এই বিশ্বসভায় টিকে থাকতে হলে আমার চাওয়া কেমন হওয়া উচিত যাতে ষোলো কোটি মানুষ নিয়ে আমি পরাক্রমে উঠে দাঁড়াতে পারি। আমার হুংকারে রয়েল বেঙ্গল টাইগার অন্তত প্রজাতি হিসেবে বিলুপ্ত হওয়ার আগে বুঝতে পারবে এ দেশে একদা বাঘ বাস করত।
একাত্তরে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমরা একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। এই অভিন্নতাই আমাদের পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করেছে। এ ঐক্যই আমাদের গাঠনিক শক্তি। এই শক্তির জোরেই আমরা যুদ্ধ করেছি। তারাই আমাদের শত্রু যারা একাত্তরে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে আমাদের এই গঠনকে ধ্বংস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তারাই মিত্র যারা আমাদের গাঠনিক শক্তিকে স্বীকার করেছে এবং শত্র“র বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাকে ন্যায্য মনে করেছে। গাঠনিক শক্তির বিচার ছাড়া বাংলাদেশ কীভাবে রাষ্ট্র হল, কিংবা রাষ্ট্র হিসেবে আদৌ কোনো ন্যায্য প্রতিষ্ঠান কি-না সেই বিচার অসম্ভব। এই বিচারের সঙ্গে আমরা কে কতটা বাঙালি কিংবা কে কতটা মুসলমান তার কোনো সম্পর্ক নাই। আমরা একসঙ্গে দুটিই হতে পারি। কিংবা দাবি করতে পারি নৃতাত্ত্বিক দিক থেকে আমরা মুণ্ডা, সাঁওতাল কিংবা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীরই। কিংবা হতে পারে আমাদের অনেকের পূর্বপুরুষ আবিসিনিয়া, সিরিয়া, ইরাক বা ইয়েমেন থেকে এসেছে। আপনি যা খুশি তা হন, কেউই আপনাকে কামড়াতে যাবে না। প্রশ্ন হচ্ছে, একাত্তরে যে গাঠনিক শক্তির আবির্ভাব ঘটেছিল, আপনি তা ন্যায্য ভেবে সমর্থন করেন কি-না। সেই আবির্ভাবের একটা ঘোষিত দলিল আছে। আপনি কি তা মানেন? নাকি মানেন না? প্রশ্ন ঠিক এখানেই।
গাঠনিক শক্তির আবির্ভাবের ঘোষণা সংবলিত দলিলের কথাই বলছি। যদি থাকে, তাহলে হাওয়াই তর্ক করে লাভ নাই। দলিলে কী ছিল এবং দলিলের ন্যায্যতা দলিল নিজে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিল কি-না, করলে কীভাবে- ইত্যাদি আলোচনা হতে পারে। সে সবই বিচারের অধীনে আনার কথা বলছি।
তাহলে মুক্তিযুদ্ধের দলিল কী? এটা একটি গুরুতর প্রশ্ন। এমন কোনো দলিল ছিল কি? ছিল। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধটা শুরু হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে। এভাবেই হয়। কিন্তু তার আগে? তার আগে কি কেউ স্বাধীনতার কথা বলেনি? বলেছিল। কিন্তু আমরা যে অর্থে এখন স্বাধীনতার ঘোষণা কথাটা বলছি, সেই অর্থে নয়। সেটা স্বাধীনতার ঘোষণার দলিল হয়ে ওঠেনি। কেন? কারণ সেটাই স্বাধীনতার ঘোষণা, যার মধ্যে নতুন রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর আবির্ভাবের ঘোষণা থাকে এবং সে হাজির হয় শত্রুর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষমতা বা হিম্মতের চ্যালেঞ্জ দিয়ে। শুধু তাই নয়, নতুন রাষ্ট্রের গঠন অর্থাৎ স্বাধীনতার ঘোষণা একই সঙ্গে গাঠনিক শক্তির আবির্ভাবের ঘোষণা। যার দ্বারা শত্র“-মিত্র নির্ধারিত হয়ে যায়। তাহলে সেসব ঘোষণা স্বাধীনতার ঘোষণা হতে পারে না। সেসব ঘোষণার ডাকে জনগণের আবেগি সাড়া মিললেও না। কারণ সেটাই গাঠনিক শক্তি, যা একই সঙ্গে রাষ্ট্র গঠনের আগাম ঘোষণা হিসেবে হাজির হয়, নিছক আবেগ প্রকাশের জন্য নয়। শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন বলে যে দাবি উঠেছে এবং আদালত যে ঘোষণা মান্য করতে আমাদের বলছে, তা নিয়ে তর্ক থাকলেও সেটা গাঠনিক শক্তির আবির্ভাবও নয়, রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণাও নয়। শেখ মুজিব তখনও পাকিস্তানের গঠন কাঠামোর বাইরে যাননি। পাকিস্তানের কাঠামোর মধ্যেই তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার সমাধান চাইছিলেন। জিয়াউর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন বলে একটা দাবি আছে। কিন্তু আমরা যে অর্থে এখানে গাঠনিক শক্তির আবির্ভাব ও তার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে রাষ্ট্র গঠনের কথা বলছি, জিয়াউর রহমানের ঘোষণাও তার মধ্যে পড়ে না। স্বাধীনতার ঘোষণার দলিলের কথা বলছি, জিয়াউর রহমানের ঘোষণা সেই প্রকার দলিলের পর্যায়ে পড়ে না। ঠিক যে কারণে শেখ মুজিবুর রহমানের যে বক্তৃতাকে স্বাধীনতার ঘোষণা বলা হয়, তাকেও আমরা স্বাধীনতার ঘোষণা বলতে পারি না।
তিন
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সেটাই যেখানে বাংলাদেশকে রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি কি এই ঘোষণা দিয়েছিল? না। কারা দিয়েছিল? আমরা। গঠনতান্ত্রিক বা আইনি ভাষায় যাকে বলা হয় we the elected representative of the people of Bangladesh... বা আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ...। এখানে ফাঁকি আছে, আমরা বাংলাদেশের জনগণ... বলা হয়নি, বলা হয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ...। কিন্তু সেই নির্বাচন তো বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনের নির্বাচন ছিল না, ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের নির্বাচন। যারা নির্বাচিত করেছিলেন, তারা ছিলেন পাকিস্তানের নাগরিক। বাংলাদেশের আবির্ভাব তখন ঘটেনি। পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ তাদের নির্বাচিত করেছিলেন। ফলে তারা বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধি ছিলেন না, ছিলেন পাকিস্তানের নাগরিকদের প্রতিনিধি। বিসমিল্লায় একটা বড়সড় গলদ ঘটে গিয়েছিল। যে কারণে স্বাধীনতার ঘোষণায় এই গাঠনিক শক্তির ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিস্তর বাড়তি কথা খরচ করতে হয়েছে। কিন্তু প্রসঙ্গ পাকিস্তানের বাইরে নয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের গোড়ার গলদ এখানে।
ইতিহাসের সত্য হচ্ছে, এ ঘোষণার অধীনেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। একে নস্যাৎ করে পাল্টা কোনো ঘোষণা দাঁড়ায়নি। সেটা হতো কি-না আমরা এখন জানি না। কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়ার নয় মাসের মধ্যেই দিল্লির হস্তক্ষেপে যুদ্ধ শেষ হয়েছে। দিল্লি এখন দাবি করে তারাই বাংলাদেশকে স্বাধীন করে দিয়েছে। যে গাঠনিক শক্তির ক্ষণিক আবির্ভাব আমরা একাত্তরে দেখেছিলাম, সেটা দিল্লির শক্তি, উই দ্য পিপল অব বাংলাদেশ বা আমরা বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের নিজেরা রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গঠন করছি এবং আমাদের শক্তি বা হিম্মত নিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি- এ কথা আমরা বলতে পারিনি। এখনও না।
রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ গঠন করার এটা দ্বিতীয় গলদ।
কিন্তু নতুন রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি হিসেবে যে তিনটি নীতি স্বাধীনতার ঘোষণায় সন্নিবেশিত হয়েছে তার তাৎপর্য অস্বীকার করার উপায় নাই। সেই তিনটি নীতি হচ্ছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। রাষ্ট্র গঠন করার যে অঙ্গীকার নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা তার ভিত্তি এগুলো। এই তিন নীতি বা আদর্শ- আবারও বলি- হচ্ছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার।
তাহলে কেউ যদি প্রশ্ন করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কী? এর স্পষ্ট উত্তর : সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। এই তিনটি নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্যই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। স্বাধীনতার ঘোষণা তো তা-ই বলে। এর বাইরে স্বাধীনতার অন্য কোনো দলিল নাই।
কিন্তু আমরা তো সারাক্ষণ ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্রের কথা শুনি। ঠিক। কিন্তু এসব আওয়ামী লীগের দাবি। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি। ইসলামী দলগুলো ইসলাম কায়েমের দাবি করে। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের দাবি করে। সবারই রাজনীতির অধিকার আছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কর্মসূচি বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি-উপাদান নয়। এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা স্বাধীনতা যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নাই। এটা পরিষ্কার থাকা দরকার। আওয়ামী লীগসহ সবার কাছেই।
আওয়ামী লীগ যা বলে, ইতিহাস বরং তার উল্টো। যারা আওয়ামী কর্মসূচীকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে দাবি করে, তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধিতা করে। প্রমাণ ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণা। এটাই স্বাধীনতার দলিল। এর ভিত্তিতেই যুদ্ধ হয়েছিল।
ইতিহাসের এসব সত্য সম্পর্কে সচেতন না হয়ে রাজনীতির ওপর তলার কেচ্ছা-কাহিনী আমাদের কোনো কাজে আসবে না। সমস্যা গোড়ায়। গোড়া সাফ করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই।
একাত্তরে যে গাঠনিক ক্ষমতার ক্ষণিক আবির্ভাব আমরা দেখেছিলাম, তাকে পুনরুদ্ধার সোজা কাজ নয়। সেটা এখন অনেক কঠিন। এটাও ভাবা দরকার, স্বাধীনতার এই তিন নীতির ভিত্তিতে আমাদের আবার এক হয়ে দাঁড়ানোর কোনো সম্ভাবনা আছে কি-না। নাকি পুরনো যুদ্ধ সম্পূর্ণ করা ছাড়া রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব এখন অসম্ভব হয়ে গিয়েছে।
আগামী দিনের রাজনীতিই সেটা বলে দেবে।
রাজনৈতিক তর্কাতর্কির গোড়ায় না গিয়ে সামাজিক আলোচনা-সমালোচনা ভাসাভাসা রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছে প্রধানত গণমাধ্যমই। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রধান। এই পরিস্থিতিতে পত্রিকায় মন্তব্যমূলক লেখা সংকটের চরিত্র ধরতে কিংবা বোঝাতে পারে না। সংকট আরও গাঢ় হতে থাকে।
ধরুন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের কথা। আচ্ছা, আমরা কী দাবি কিংবা কী নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম? মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কথাটা তো হাওয়াই কিছু না। সেই চেতনাটা কী ছিল? আমাদের নিজ নিজ মনগড়া চেতনার কেচ্ছার কথা বলছি না। স্বাধীনতার অর্থ ক্ষমতা, শ্রেণী বা লিঙ্গভেদে সমাজে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকম হতে পারে। কার চেতনা সহি, কার চেতনা ভুল সেসব তর্কও এখানে তুলছি না। স্বাধীনতার যুদ্ধ করতে হলে কারা কার বিরুদ্ধে কিসের যুদ্ধ করছে তার একটা ঘোষণা থাকে। এমন এক ঘোষণা যার মধ্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী নিজের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ও গাঠনিক (constituent power) শক্তির আবির্ভাব ঘোষণা করে। স্বাধীনতা ঘোষণার রাজনৈতিক দিক আমরা বুঝতে পারি, কিন্তু গাঠনিক শক্তি কথাটা বুঝি না। কারণ শেষের দিকটি নিয়ে আমাদের সমাজে আদৌ আলোচনা হয়েছে, আমার চোখে পড়েনি। একদমই আলোচনা হয়নি এবং হয়ও না। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের গোড়া বুঝতে হলে প্রাথমিকভাবে হলেও ধারণাটি সম্পর্কে পরিচয় দরকার।
প্রথমেই বুঝতে হবে স্বাধীনতার ঘোষণা কোনো ব্যক্তিবিশেষের ব্যাপার নয়, আমরা রাজরাজড়াদের ইতিহাস নিয়ে লিখতে বসিনি, এটা জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের ঘোষণা। আমরা এখানে পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটতে বসিনি। যেসব ঘোষণার কথা শুনি, সেখানে ব্যক্তির মহিমা বা ভূমিকার গৌরবকে অস্বীকার করাও আমাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর আবির্ভাব ও রাষ্ট্র গঠনের দিক থেকে সেসব ঘোষণা বিশেষ গৌণ, অনেক সময় অর্থহীনও বটে। কারণ তখনও রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের গাঠনিক শক্তির আবির্ভাব ঘটেনি, যা অনিবার্যভাবেই একটি রাষ্ট্র গঠনের দিকে ধাবিত হয়। স্বাধীনতার ঘোষণা একই সঙ্গে আসন্ন রাষ্ট্রের ভিত্তির কথাও ঘোষণা করে। গাঠনিক ক্ষমতা ধারণ করেনি বলে বাংলাদেশের সত্যিকারের স্বাধীনতার ঘোষণার আগের সব ঘোষণাকে আমরা জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত নিদর্শন গণ্য করলেও তার মধ্যে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অনিবার্য আবির্ভাবের উপাদান খুঁজে পাই না, যার ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে, কিংবা যার ভিত্তিতে নতুন কোনো রাষ্ট্র জনগণ গঠন করতে পারে। গাঠনিক শক্তি সংবলিত ঘোষণা বিশেষ ধরনের ভাষা ব্যবহার করে, এই ভাষা নিছকই সাহিত্য বা আবেগের ভাষা নয়।
স্বাধীনতার ঘোষণার দুটি দিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক. রাজনৈতিক দিক এবং দুই. গঠনতান্ত্রিক বা আইনি দিক (constitutional)। ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস ইত্যাদি এই দুয়ের মধ্যে হাজির থাকে, কিন্তু ধর্ম, সংস্কৃতি বা ইতিহাস হিসেবে নয়- অথচ রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি উপাদান হিসেবে। সেটা কেমন, সেই বিষয়েই আজ আলোচনা।
গাঠনিক শক্তি এক কথায় ক্ষমতা। যে কোনো সংঘ, দল বা গোষ্ঠীর ক্ষমতা আমরা তো হরহামেশাই দেখছি। রাজনৈতিকভাবে নিজেদের এক মনে করে, এ রকম একটি জনগোষ্ঠীর ক্ষমতাই তার গাঠনিক ক্ষমতা। যে ক্ষমতার দ্বারা তারা শত্র“র বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, নিজেদের রক্ষা করার জন্য যুদ্ধ করে। তাদের গোষ্ঠীর অন্তর্গত সদস্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ইত্যাদি। গাঠনিক শক্তি রাষ্ট্রের গঠনতান্ত্রিক (constitutional) প্রশ্নের সঙ্গে জড়িত।
দুই
বাংলাদেশের কনস্টিটিউশনের অনুবাদ করা হয়েছে সংবিধান- অর্থাৎ যা বিধান বা আইন সংক্রান্ত ব্যাপার। কিন্তু কনস্টিটিউশন তো শুধু আইন নয়- এটা সমাজ, সংস্কৃতি, রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাস, শক্তি, গাঠনিক ভিত্তি, কাঠামো, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি নানা কিছুর সঙ্গে জড়িত। ঔপনিবেশিক ধ্যান-ধারণা ধারণ করেন এবং ঔপনিবেশিক ব্রিটেনকেই আদর্শ মনে করেন এমন আইনজীবীরাই বাংলাদেশের সংবিধানের মুসাবিদা করেছেন। তাই তারা ঔপনিবেশিক চিন্তা মাথায় রেখেই সংবিধান লিখেছেন। ঔপনিবেশিক শক্তির কাছে কনস্টিটিউশন কথাটার কোনো মানে নেই। কারণ পরাধীন জাতি তাদের জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়। তাদের শাসনের জন্য দরকার শাসনতন্ত্র। অর্থাৎ দরকার পরাধীন জনগোষ্ঠীকে শাসন করার একটি বিধান বা আইন। বাংলাদেশের সংবিধান এ ধরনের ঔপনিবেশিক চিন্তার দ্বারা দুষ্ট। এ ঔপনিবেশিক চিন্তা থেকেই কনস্টিটিউশনের অনুবাদ সংবিধান নিছকই বিধান বা আইন, যার দ্বারা পরাধীন জনগোষ্ঠীকে শাসন করা হয়। রাষ্ট্র এক্ষেত্রে নিছকই আইনি সত্তা। তার অধিক কিছু নয়। এর সঙ্গে সংস্কৃতি, ইতিহাস, ক্ষমতা ইত্যাদির সম্পর্ক ক্ষীণ বা অতিশয় দূরবর্তী।
সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্বাতন্ত্র্যবোধ গাঠনিক শক্তি (constituent power) পরিগঠনের পশ্চাৎকারণ, কিন্তু যথেষ্ট কারণ নয়। ষাট দশকের পর থেকে আমাদের উপলব্ধি ঘটতে শুরু করে যে, আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তানের অন্যান্য জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা। কিন্তু আলাদাবোধ আমাদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভাবের ন্যায্যতা দেয় না। পাকিস্তান রাষ্ট্রের কাঠামোর মধ্যে আমাদের স্বাতন্ত্র্য এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের মীমাংসা করা গেলে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের আলাদা আত্মপ্রকাশের প্রয়োজনীয়তা থাকত কিনা সন্দেহ। রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের উপলব্ধি শুধু সাংস্কৃতিক বা ঐতিহাসিক স্বাতন্ত্র্যবোধ নয়, একই সঙ্গে গাঠনিক ক্ষমতার উপলব্ধিও বটে। গাঠনিক ক্ষমতাই রাষ্ট্র গঠনের ন্যায্যতা দান করে। এটা সহজেই বোঝা যায়। যতই আমাদের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক উপলব্ধি থাকুক, যদি সেই উপলব্ধিকে আমরা সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গঠনের দিকে নিয়ে যাওয়ার হিম্মত না রাখতাম, তাহলে আজ আমরা যেখানে আছি সেখানে এসে হাজির হতে পারতাম কিনা সন্দেহ।
গাঠনিক শক্তি তাহলে গঠনতন্ত্র ও রাষ্ট্র বিচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা কতটা বাঙালি, কত পারসেন্ট মুসলমান এই তর্কের চেয়ে আলাদা। আপনি বাঙালি? হ্যাঁ। অবশ্যই। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আপনার বিচ্ছেদ্য অধিকার আপনি রক্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, আপনাকে নিয়ে বিশ্ব গর্ব করে। আপনি কি মুসলমান? নিশ্চয়ই। এটা আমার ধর্ম বা বিশ্বাস শুধু না, এটা আমার ইতিহাস। কারণ কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পর থেকে জমিহারা যে কৃষক ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়েছে আমিই সেই জনগোষ্ঠী। আমি পাকিস্তান চেয়েছি, পাকিস্তান কায়েমের জন্য লড়েছি। স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানে জমিদারি ব্যবস্থা রদ হওয়ার মধ্য দিয়ে আমার ইতিহাসের এক পর্ব শেষ হয়েছে। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমি আরেকটি বিশ্ব-ঐতিহাসিক পর্বে প্রবেশ করেছি। ইনশাআল্লাহ্?, এই যুদ্ধেও আমি জিতব। আপনি কি হিন্দু? নিশ্চয়ই, আমার হাজার বছরের সনাতন লোকায়ত সংস্কৃতি আর বিশ্বাস, আমি তা নানাভাবে আমার সংস্কৃতিকে ধারণ করি। তাছাড়া সিন্ধু নদের এদিকে যারা বাস করে, ধর্ম কিংবা নৃ-তাত্ত্বিক পরিচয় নির্বিশেষে তারা তো সবাই হিন্দু। আপনি কি বৌদ্ধ বা জৈন? আরে, নইলে আমার বিবর্তন বুঝবেন কী করে? কিংবা আমার ভাবচর্চা ও ভাবান্দোলন? আপনি কি চাকমা, সাঁওতাল, মান্দি, রাজবংশী, ম্রং বা অন্য কোনো ক্ষুদ্র জাতিসত্তা? আলবৎ। আমরা অনেক জাতি অনেক ভাষা বিচিত্র আমাদের সংস্কৃতি? আচ্ছা, বুঝলাম। এই বিচিত্র ও বিভিন্ন নৃ-তত্ত্ব, ভূগোল, ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও পরিচয় নিয়ে আপনি বা আপনারা বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে আছেন।
কিন্তু আপনারা কি একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? এখানে একটু থমকে দাঁড়ানো যাক। কী? রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী? হ্যাঁ, প্রশ্নটা এখানেই। সেই কথাই বলছিলাম। আপনি বাঙালি, না অবাঙালি, মান্দি নাকি মুসলমান তার বিচার তো আছেই। মূল প্রশ্ন হচ্ছে, আপনারা সবাই মিলে কি একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত? নাকি আলাদা আলাদা? আপনি কি নিজেকে শুধু মুসলমান বা হিন্দু ভাবেন? নাকি আপনি আমি কে, তুমি কে বাঙালি বাঙালি বলে নিজেদের হাতে মিডিয়া আছে বলে বাংলাদেশের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে তোলেন? কে আপনি? কে আপনারা? কী আপনাদের রাজনৈতিক পরিচয়? প্রশ্নটা এখানেই। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে ভাবা, উপলব্ধি করা এবং সেই মোতাবেক গাঠনিক শক্তি গড়ে তোলার প্রশ্নের সঙ্গে জড়িত, আশা করি তা খানিকটা বোঝাতে পেরেছি।
আমরা কি আসলে একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। এটা তত্ত্ব করে বলা বা এখানে কলাম লিখে প্রমাণের বিষয় নয়। আমরা নিজেদের নিজেরাই প্রশ্ন করতে পারি। আসলেই আমি কে? কে আমি? কী চাই? কীভাবে চাই? এই বিশ্বসভায় টিকে থাকতে হলে আমার চাওয়া কেমন হওয়া উচিত যাতে ষোলো কোটি মানুষ নিয়ে আমি পরাক্রমে উঠে দাঁড়াতে পারি। আমার হুংকারে রয়েল বেঙ্গল টাইগার অন্তত প্রজাতি হিসেবে বিলুপ্ত হওয়ার আগে বুঝতে পারবে এ দেশে একদা বাঘ বাস করত।
একাত্তরে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমরা একই রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। এই অভিন্নতাই আমাদের পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করেছে। এ ঐক্যই আমাদের গাঠনিক শক্তি। এই শক্তির জোরেই আমরা যুদ্ধ করেছি। তারাই আমাদের শত্রু যারা একাত্তরে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে আমাদের এই গঠনকে ধ্বংস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তারাই মিত্র যারা আমাদের গাঠনিক শক্তিকে স্বীকার করেছে এবং শত্র“র বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাকে ন্যায্য মনে করেছে। গাঠনিক শক্তির বিচার ছাড়া বাংলাদেশ কীভাবে রাষ্ট্র হল, কিংবা রাষ্ট্র হিসেবে আদৌ কোনো ন্যায্য প্রতিষ্ঠান কি-না সেই বিচার অসম্ভব। এই বিচারের সঙ্গে আমরা কে কতটা বাঙালি কিংবা কে কতটা মুসলমান তার কোনো সম্পর্ক নাই। আমরা একসঙ্গে দুটিই হতে পারি। কিংবা দাবি করতে পারি নৃতাত্ত্বিক দিক থেকে আমরা মুণ্ডা, সাঁওতাল কিংবা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীরই। কিংবা হতে পারে আমাদের অনেকের পূর্বপুরুষ আবিসিনিয়া, সিরিয়া, ইরাক বা ইয়েমেন থেকে এসেছে। আপনি যা খুশি তা হন, কেউই আপনাকে কামড়াতে যাবে না। প্রশ্ন হচ্ছে, একাত্তরে যে গাঠনিক শক্তির আবির্ভাব ঘটেছিল, আপনি তা ন্যায্য ভেবে সমর্থন করেন কি-না। সেই আবির্ভাবের একটা ঘোষিত দলিল আছে। আপনি কি তা মানেন? নাকি মানেন না? প্রশ্ন ঠিক এখানেই।
গাঠনিক শক্তির আবির্ভাবের ঘোষণা সংবলিত দলিলের কথাই বলছি। যদি থাকে, তাহলে হাওয়াই তর্ক করে লাভ নাই। দলিলে কী ছিল এবং দলিলের ন্যায্যতা দলিল নিজে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিল কি-না, করলে কীভাবে- ইত্যাদি আলোচনা হতে পারে। সে সবই বিচারের অধীনে আনার কথা বলছি।
তাহলে মুক্তিযুদ্ধের দলিল কী? এটা একটি গুরুতর প্রশ্ন। এমন কোনো দলিল ছিল কি? ছিল। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধটা শুরু হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে। এভাবেই হয়। কিন্তু তার আগে? তার আগে কি কেউ স্বাধীনতার কথা বলেনি? বলেছিল। কিন্তু আমরা যে অর্থে এখন স্বাধীনতার ঘোষণা কথাটা বলছি, সেই অর্থে নয়। সেটা স্বাধীনতার ঘোষণার দলিল হয়ে ওঠেনি। কেন? কারণ সেটাই স্বাধীনতার ঘোষণা, যার মধ্যে নতুন রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর আবির্ভাবের ঘোষণা থাকে এবং সে হাজির হয় শত্রুর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষমতা বা হিম্মতের চ্যালেঞ্জ দিয়ে। শুধু তাই নয়, নতুন রাষ্ট্রের গঠন অর্থাৎ স্বাধীনতার ঘোষণা একই সঙ্গে গাঠনিক শক্তির আবির্ভাবের ঘোষণা। যার দ্বারা শত্র“-মিত্র নির্ধারিত হয়ে যায়। তাহলে সেসব ঘোষণা স্বাধীনতার ঘোষণা হতে পারে না। সেসব ঘোষণার ডাকে জনগণের আবেগি সাড়া মিললেও না। কারণ সেটাই গাঠনিক শক্তি, যা একই সঙ্গে রাষ্ট্র গঠনের আগাম ঘোষণা হিসেবে হাজির হয়, নিছক আবেগ প্রকাশের জন্য নয়। শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন বলে যে দাবি উঠেছে এবং আদালত যে ঘোষণা মান্য করতে আমাদের বলছে, তা নিয়ে তর্ক থাকলেও সেটা গাঠনিক শক্তির আবির্ভাবও নয়, রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণাও নয়। শেখ মুজিব তখনও পাকিস্তানের গঠন কাঠামোর বাইরে যাননি। পাকিস্তানের কাঠামোর মধ্যেই তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার সমাধান চাইছিলেন। জিয়াউর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন বলে একটা দাবি আছে। কিন্তু আমরা যে অর্থে এখানে গাঠনিক শক্তির আবির্ভাব ও তার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে রাষ্ট্র গঠনের কথা বলছি, জিয়াউর রহমানের ঘোষণাও তার মধ্যে পড়ে না। স্বাধীনতার ঘোষণার দলিলের কথা বলছি, জিয়াউর রহমানের ঘোষণা সেই প্রকার দলিলের পর্যায়ে পড়ে না। ঠিক যে কারণে শেখ মুজিবুর রহমানের যে বক্তৃতাকে স্বাধীনতার ঘোষণা বলা হয়, তাকেও আমরা স্বাধীনতার ঘোষণা বলতে পারি না।
তিন
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা সেটাই যেখানে বাংলাদেশকে রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি কি এই ঘোষণা দিয়েছিল? না। কারা দিয়েছিল? আমরা। গঠনতান্ত্রিক বা আইনি ভাষায় যাকে বলা হয় we the elected representative of the people of Bangladesh... বা আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ...। এখানে ফাঁকি আছে, আমরা বাংলাদেশের জনগণ... বলা হয়নি, বলা হয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ...। কিন্তু সেই নির্বাচন তো বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনের নির্বাচন ছিল না, ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের নির্বাচন। যারা নির্বাচিত করেছিলেন, তারা ছিলেন পাকিস্তানের নাগরিক। বাংলাদেশের আবির্ভাব তখন ঘটেনি। পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ তাদের নির্বাচিত করেছিলেন। ফলে তারা বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধি ছিলেন না, ছিলেন পাকিস্তানের নাগরিকদের প্রতিনিধি। বিসমিল্লায় একটা বড়সড় গলদ ঘটে গিয়েছিল। যে কারণে স্বাধীনতার ঘোষণায় এই গাঠনিক শক্তির ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিস্তর বাড়তি কথা খরচ করতে হয়েছে। কিন্তু প্রসঙ্গ পাকিস্তানের বাইরে নয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের গোড়ার গলদ এখানে।
ইতিহাসের সত্য হচ্ছে, এ ঘোষণার অধীনেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। একে নস্যাৎ করে পাল্টা কোনো ঘোষণা দাঁড়ায়নি। সেটা হতো কি-না আমরা এখন জানি না। কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়ার নয় মাসের মধ্যেই দিল্লির হস্তক্ষেপে যুদ্ধ শেষ হয়েছে। দিল্লি এখন দাবি করে তারাই বাংলাদেশকে স্বাধীন করে দিয়েছে। যে গাঠনিক শক্তির ক্ষণিক আবির্ভাব আমরা একাত্তরে দেখেছিলাম, সেটা দিল্লির শক্তি, উই দ্য পিপল অব বাংলাদেশ বা আমরা বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের নিজেরা রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে গঠন করছি এবং আমাদের শক্তি বা হিম্মত নিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি- এ কথা আমরা বলতে পারিনি। এখনও না।
রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ গঠন করার এটা দ্বিতীয় গলদ।
কিন্তু নতুন রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি হিসেবে যে তিনটি নীতি স্বাধীনতার ঘোষণায় সন্নিবেশিত হয়েছে তার তাৎপর্য অস্বীকার করার উপায় নাই। সেই তিনটি নীতি হচ্ছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। রাষ্ট্র গঠন করার যে অঙ্গীকার নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা তার ভিত্তি এগুলো। এই তিন নীতি বা আদর্শ- আবারও বলি- হচ্ছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার।
তাহলে কেউ যদি প্রশ্ন করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কী? এর স্পষ্ট উত্তর : সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। এই তিনটি নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্যই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। স্বাধীনতার ঘোষণা তো তা-ই বলে। এর বাইরে স্বাধীনতার অন্য কোনো দলিল নাই।
কিন্তু আমরা তো সারাক্ষণ ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্রের কথা শুনি। ঠিক। কিন্তু এসব আওয়ামী লীগের দাবি। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি। ইসলামী দলগুলো ইসলাম কায়েমের দাবি করে। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের দাবি করে। সবারই রাজনীতির অধিকার আছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কর্মসূচি বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি-উপাদান নয়। এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা স্বাধীনতা যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নাই। এটা পরিষ্কার থাকা দরকার। আওয়ামী লীগসহ সবার কাছেই।
আওয়ামী লীগ যা বলে, ইতিহাস বরং তার উল্টো। যারা আওয়ামী কর্মসূচীকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে দাবি করে, তারা আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধিতা করে। প্রমাণ ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণা। এটাই স্বাধীনতার দলিল। এর ভিত্তিতেই যুদ্ধ হয়েছিল।
ইতিহাসের এসব সত্য সম্পর্কে সচেতন না হয়ে রাজনীতির ওপর তলার কেচ্ছা-কাহিনী আমাদের কোনো কাজে আসবে না। সমস্যা গোড়ায়। গোড়া সাফ করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই।
একাত্তরে যে গাঠনিক ক্ষমতার ক্ষণিক আবির্ভাব আমরা দেখেছিলাম, তাকে পুনরুদ্ধার সোজা কাজ নয়। সেটা এখন অনেক কঠিন। এটাও ভাবা দরকার, স্বাধীনতার এই তিন নীতির ভিত্তিতে আমাদের আবার এক হয়ে দাঁড়ানোর কোনো সম্ভাবনা আছে কি-না। নাকি পুরনো যুদ্ধ সম্পূর্ণ করা ছাড়া রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব এখন অসম্ভব হয়ে গিয়েছে।
আগামী দিনের রাজনীতিই সেটা বলে দেবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
November
(2026)
-
▼
Nov 15
(83)
- রানা প্লাজার ধ্বংসস্তুপ থেকে আবারো হাড় উদ্ধার
- ফেনীতে এমপি রহিম উল্লাহকে মারধর করেছে যুবলীগ কর্মী...
- বৈঠক ডেকেছেন এইচ টি ইমাম
- কেয়ামত পর্যন্ত পূরণ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনা...
- রাবি শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা by সাইফুল্লাহ সাইফ
- ‘জয় অর্বাচীন বালক’ -মির্জা ফখরুল
- ‘কোন হুমকিতে কাজ হবে না’ -প্রধানমন্ত্রী
- ‘ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চায় আ’লীগ’ -জয়
- ফখরুলকে অতিথি করায় ফুটবল ম্যাচ পণ্ড
- ‘আমাকে গ্রেপ্তার করলে এক মাসও ক্ষমতায় থাকতে পারবেন...
- ছোট খবর
- মিয়ানমারে অবশ্যই সংস্কার হতে হবে : ওবামা
- রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞার হুমকি ব্রিটেনের
- ৮ হাজার কোটি টাকার তালাক
- হোয়াইট হাউসে অনুপ্রবেশে নিরাপত্তা ব্যর্থতা দায়ী
- ব্রিটিশ জিহাদিদের দেশে ফিরতে দেবে না ব্রিটেন
- বড়লোক হওয়া মানেই সুখের দেখা নয়
- যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা দিচ্ছেন ওবামা
- শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে সনদ জাল মামলা
- প্রিয় লাইব্রেরিতে নেহেরুর দুর্লভ চিঠি
- দুদিনব্যাপী ব্রিসবেন সম্মেলন শুরু আজ
- সৌদিতে হামলার হুমকি বাগদাদির
- কিবরিয়া হত্যায় বিএনপি নেতাদের জড়ানো রাজনৈতিক
- বাংলাদেশের মালালা শ্রীপুরের সাহিদা আক্তার স্বর্ণা
- বগুড়ায় ৭ কোটি টাকা নিয়ে এনজিও পরিচালক উধাও
- চার মাসে ১ লাখ ৭১ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট বেড়েছে
- সিলেটে ৩ নেতার পক্ষে মাঠে নামছে বিএনপি
- সাক্ষ্য দিতে কাল ফের ভারত যাচ্ছেন ফেলানীর বাবা
- প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ায় ২ যুবলীগ নেত...
- সিডর কেড়ে নিতে পারেনি বড় হওয়ার স্বপ্ন by গোলাম কিব...
- দুই নেত্রীর মামলা করলেও কোনো পার্টিকে বিলং করি না ...
- ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
- গাঁয়ের যোগী ভিখ পায় না! by মোহাম্মদ কায়কোবাদ
- মধ্যবর্তী নির্বাচন চাইলেই হবে না কীভাবে সেটাও বলতে...
- শিশু ও শিক্ষা দুটিরই বিশেষ যত্ন প্রয়োজন by মো. সি...
- সংকট গোড়ায়, উপরে নয় by ফরহাদ মজহার
- চাঁদা না দেয়ায় ছাত্রীকে আটকে রেখে নির্যাতন ছাত্রলীগের
- পশ্চিমাদের ঐতিহাসিক ভুলের অংশীদার হতে চাই না : ওয়ারসি
- মিশেলকে দেয়া ব্রুনাইয়ের রানীর স্বর্ণালঙ্কার উপহার ...
- বড় আর ছোট
- বাংলাদেশে চারটি খাতে বিনিয়োগ করবে মালয়েশিয়া
- জটিলতায় সিলেট সিটি করপোরেশন
- প্রেমিকাকে নিয়ে বাংলাদেশে শান্তিতে বসবাস করতে চেয়ে...
- সিডর by এম এ সাইদ খোকন
- দিল্লিতে বাংলাদেশী কিশোরীর ‘পতিতাবৃত্তি’র নির্মম ক...
- কেনিয়ার নারীদের খৎনা আতঙ্ক
- একই হাসপাতালে একই দিনে মা-মেয়ের সন্তান প্রসব
- বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ আয়ান কুরেশী
- ‘আব্বু আমাকে নিয়ে যাও, নইলে ওরা মেরে ফেলবে’ -ফোনে...
- রহস্যময় কণা নিউট্রিনো
- রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিন: যুক্তরাষ্ট্র
- জেলখানায় কুনাল ঘোষের আত্মহত্যার চেষ্টা
- রাজধানীতে ৩১ বিদেশী গ্রেফতার
- ধূমকেতুতে থিতু ফিলে ছবিও পাঠাচ্ছে
- চিৎকার করে বাঘ তাড়ানো জামাল
- তারকাদের ছবি
- সালমা ইসলামের নেতৃত্বে জাতীয় মহিলা পার্টি আরও গতিশ...
- প্রতিশ্রুতি পূরণের তাগিদ
- জুবায়েরের পাঁচ উইকেটে বাংলাদেশের বড় লিড
- ডা. শামারুখকে নিয়ে বড় স্বপ্ন ছিল বাবার
- এশিয়ায় বাংলাদেশ সপ্তম
- ভয়াবহ মাদকের ছোবল দোহারে চালকের আসনে ওসি
- যশোরে দুই যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুলি
- ৫ জানুয়ারির নির্বাচন আদর্শ নয় বৈধ : পিনাক
- রোহিঙ্গাবান্ধব একান্ন ব্যক্তি চিহ্নিত
- নিক্সনকন্যার সঙ্গে বুশের ডেটিং!
- এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায় -শিক্ষা বোর্ডে...
- শিশু একাডেমীতে নবান্নের উচ্ছাস
- টাকার জন্য খালা শান্তকে অপহরণ করে
- সঙ্কট উত্তরণের তাগিদ কূটনীতিকদের
- মৃত্যুর আগে মাহজাবিনের আকুতি- ‘আব্বু আমাকে নিয়ে যা...
- নেতাদের যে বার্তা দিলেন খালেদা by কাফি কামাল
- ৬০০০ অতিথি আপ্যায়নে রেলমন্ত্রীর জমকালো বৌভাত
- টাওয়ার হ্যামলেটসের বাদশা
- কারাগারে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযুক্ত এমপি’র আত্মহত্য...
- খুঁড়িয়ে চলছে বোয়েসেল by রোকনুজ্জামান পিয়াস
- সরকারের ‘মাত্রাতিরিক্ত’ তৎপরতার কারণ খুঁজছে জামায়া...
- ৩১ বিদেশী নাগরিক আটক
- বিএনপি রাজাকারের দল: জয়
- চালকের আসনে বাংলাদেশই
- কিবরিয়া হত্যা- সিলেটে ক্ষোভ মদতদাতা চিহ্নিত চায় পর...
- মোবাইল ফোন প্রতারণা বাড়ছে by দীন ইসলাম
- ‘বাংলাদেশে আদর্শ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসুক এই প...
-
▼
Nov 15
(83)
-
▼
November
(2026)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment