Tuesday, September 18, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : আ স ম হান্নান শাহ-দেশের বিভিন্ন স্থানে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে
বিশেষ সাক্ষাৎকার : আ স ম হান্নান শাহ-দেশের বিভিন্ন স্থানে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে
কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে এসেছে বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোট। সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হয়েছে। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কালের কণ্ঠের মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ (অব.)।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলী হাবিব ও মোশাররফ বাবলু
কালের কণ্ঠ : সুশাসন নিয়েই শুরু করা যাক। সুশাসন ছাড়া একটি জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবে জনগণের প্রত্যাশা সুশাসন_যা মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারও। সেই প্রত্যাশিত সুশাসন কতটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার?
আ স ম হান্নান শাহ : এ প্রশ্নের জবাব এক কথায় দিলে বলতে হবে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এ দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই বাংলাদেশের মানুষ বর্তমান মহাজোট সরকারের ওপর থেকে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যেহেতু সরকার প্রত্যাশিত সুশাসন নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে পারেনি, তাই জনগণ মনে করে, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ। কাজেই ভবিষ্যতে এই জোট নির্বাচনে গেলে নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হবে।
কালের কণ্ঠ : সাড়ে তিন বছর পার করল মহাজোট সরকার। সরকারের এই সময়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
আ স ম হান্নান শাহ : কেবল আমি নই, বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষই মনে করে, গত সাড়ে তিন বছরে এই মহাজোট সরকার পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকারের শুরুর দিকে তাদের পেটোয়া বাহিনী; অর্থাৎ ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের টেন্ডারবাজি, বিরোধী দলের ওপর হামলা-মামলা, এমনকি বিরোধী দলের নেতাদের গুম-হত্যাসহ যেসব অপরাধ করেছে, তার জন্য জনগণ বর্তমান সরকারের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। সরকারের ব্যর্থতার সূচক যদি নির্দিষ্ট করে বলতে হয়, তাহলে শুরুতেই বলতে হবে শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারির কথা। সেই কেলেঙ্কারিতে যাঁরা জড়িত, তাঁদের সরকার শাস্তি না দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। আমরা লক্ষ করেছি, এই সরকার তাদের দলের নেতা-কর্মীদের সব অপরাধ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে। সেই অপরাধের ফলে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, মানুষ কষ্ট পায়_সেই কষ্টকে সরকার আমলে নেয় না। নিজেদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই সরকার নিজেদের গণবিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি তো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এখন মন্ত্রী বদল হওয়ার পর অবস্থা কী দাঁড়ায়, সেটাই দেখার বিষয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে, দেশের নিরাপত্তা বাহিনী নিরাপদ নয়। এর জন্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। সরকার সচেষ্ট ও আন্তরিক হলে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারত না। এই সরকার গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু নিজেরা তো গণতন্ত্র চর্চা করেই না, বিরোধী দলকেও গণতন্ত্র চর্চা করতে দেয় না। সরকারের ব্যর্থতার সূচক অনেক। বলে শেষ করা যাবে না। সোনালী ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে যেসব জালিয়াতি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সহায়তায় হয়েছে, তাতেও জনগণ মনে করে এই সরকার ব্যর্থ।
এই সরকার দক্ষিণবঙ্গের জন্য পদ্মা সেতুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কী দেখলাম আমরা? বিগত সাড়ে তিন বছরে কোনো কাজ হয়নি। উল্টো বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। এখন পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টিই অনিশ্চিত। এটাও সরকারের একটি ব্যর্থতা। গত সাড়ে তিন বছরে এই সরকার জনগণের কল্যাণে কিছু করতে পেরেছে বলে আমরা মনে করি না। যে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য আগের বিএনপি সরকারকে দোষারোপ করা হয়, এই সরকারের আমলে তো অবস্থা আরো শোচনীয়। কুইক রেন্টাল দিয়ে কুইক মানি মেকিং প্রসেস করার পরও এখন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি। লোডশেডিং আগের তুলনায় বেড়েছে। যেদিকে তাকাই, সরকারের ব্যর্থতার ছাপ স্পষ্ট। সাফল্য কোথায়?
কালের কণ্ঠ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ অবস্থায় সরকার কী ব্যবস্থা নিতে পারত বলে আপনি মনে করেন? সরকারের পক্ষ থেকে কিন্তু বারবার বলা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে আপনার অভিমত কী?
আ স ম হান্নান শাহ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য সরকারের বিভিন্ন নীতি দায়ী। সরকারের নীতি জনগণের জন্য গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। সরকার দাবি করছে, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। ক্রয়ক্ষমতা জনগণের বেড়েছে কি না জানি না; তবে সরকারি দলের লোকজনের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। এই সরকার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করার জন্য কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি। একটা কথা চালু আছে, সরকারের লোকজন বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা বললে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। বাজারে চালের দাম কিছুটা কম। এটা সরকারের কৃতিত্ব নয়, কৃতিত্ব কৃষকের। সরকার বলেছিল বিনা মূল্যে সার দেবে। দিতে পারেনি। বরং বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় ইউরিয়া সারের যে দাম ছিল, তা এখন অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে অন্যান্য সারের দাম দ্বিগুণ বা তিন গুণ। সরকার যে কৃষি উপকরণ সুলভ মূল্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার প্রতিফলন কোথায়?
কালের কণ্ঠ : এর পাশাপাশি শেয়ারবাজার নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। শেয়ারবাজার নিয়ে আপনার অভিমত জানতে চাই।
আ স ম হান্নান শাহ : একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করুন। যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে, প্রতিবারই তারা লুটপাট করেছে। এই অপকর্ম ঢাকার জন্য প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। আজ নতুন করে আবার শেয়ার কেলেঙ্কারির কথা উঠেছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন শেয়ার কেলেঙ্কারি হয়েছিল। এবারও অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের হর্তাকর্তারাই এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটি একটি রিপোর্ট দিয়েছে। সেই রিপোর্টটি জনসমক্ষে প্রকাশ করলেই তো হয়। তাহলেই তো সবার নাম বেরিয়ে আসে। শুধু মুখে অভিযোগ না করে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হোক। অর্থমন্ত্রী নিজেই তো বলেছেন, এর সঙ্গে অনেক রাঘব বোয়াল জড়িত। তাঁদের নাম প্রকাশ করলে নাকি স্বয়ং মন্ত্রীই অসুবিধায় পড়বেন। এই শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের নামের তালিকা বিএনপির কাছে আছে। শেয়ার কেলেঙ্কারির দায় বর্তমান সরকার কিছুতেই এড়াতে পারবে না। এ জন্য সরকারকে রাজনৈতিক মাসুল দিতে হবে।
কালের কণ্ঠ : নতুন যে ব্যাংকগুলোর লাইসেন্স দেওয়া হলো, এ নিয়ে আপনার অভিমত কী?
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা জানি, আমাদের মতো একটি দরিদ্র দেশে চাহিদার চেয়ে বেশি ব্যাংক থাকলে সেগুলো সুষ্ঠুভাবে চলবে না। যাঁরা এখানে আমানত রাখবেন, তাঁদের আমানত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে। এই আশঙ্কা আছে বলেই বিএনপি সরকার গত শাসনামলে একটি ব্যাংকেরও অনুমোদন দেয়নি। এই সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় কয়েকটি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রবাসী। দেশের ব্যাংকগুলোর বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের বা তাদের মিত্রদের দেওয়া হয়েছে। অনেকেই সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁদের পক্ষে বৈধ ৪০০ কোটি টাকা জোগান দেওয়া নিশ্চয়ই কষ্টকর। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাঁরা বলেন, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে নিয়েছেন। সাফাই গাইতে আওয়ামী লীগ অত্যন্ত পারদর্শী।
পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অবস্থা দেখুন। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, সব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকজনই জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা তুলে নিয়ে গেছে। আত্মসাৎ করেছে। হলমার্ক গ্রুপের কথাই ধরুন। এই গ্রুপের সঙ্গে এখন অনেককে দায়ী করা হচ্ছে। শুধু হলমার্কই নয়, অনেক গ্রুপেরই জালিয়াতি ও লোপাটের কথা এখন ধীরে ধীরে জানা যাচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : মন্ত্রিসভায় আবারও একটা পরিবর্তন লক্ষ করা গেল। শুরুতে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার মূল্যায়ন কী? আপনার কি মনে হয়, মন্ত্রীদের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ম্লান হয়েছে বা হচ্ছে? সাম্প্রতিক এই রদবদল কি সরকারের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে পারবে?
আ স ম হান্নান শাহ : আমি নিজেও একসময় মন্ত্রী ছিলাম। মন্ত্রীরা কতটুকু কাজ করতে পারেন বা পারেন না, তা আমি জানি। ঢালাওভাবে সব মন্ত্রীকে অদক্ষ বলা ঠিক হবে না। বেশ কয়েকজন দক্ষ মন্ত্রী আছেন। তবে অদক্ষ মন্ত্রীর সংখ্যাই বেশি। যে মন্ত্রীরা বলেন, ছাগল-গরু চিনতে পারলেই ড্রাইভার হওয়া যাবে, ওই মন্ত্রীদের সম্পর্কে কী আর বলা যাবে? তবে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন_এমন অনেক মন্ত্রী আছেন। এই সরকারের বোঝা হচ্ছে উপদেষ্টামণ্ডলী। হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে এক উপদেষ্টার নাম এসেছে। বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনার জন্য আরেক উপদেষ্টার নাম এসেছে। পদ্মা সেতুর যে বিপর্যয়, তার জন্য আবুল হোসেনকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছে। এক উপদেষ্টার কারণে সরকার বিব্রত। মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করতে করতে যখন আর কোনো দপ্তর নেই, তখন দপ্তর ভেঙে নতুন দপ্তর করে নতুন মন্ত্রীদের দেওয়া হয়েছে। দপ্তরবিহীন মন্ত্রী তো আছেনই একজন। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ এসেছে। দেখার বিষয়, এতে কোনো গুণগত পরিবর্তন আসে কি না। এই পরিবর্তন বা মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ সরকারের জন্য কতটা সুখকর হবে, সেটা বলবে ভবিষ্যৎ।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারছে? সেই দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন কোথায়? বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ধারায় বিএনপি কি যথার্থ ভূমিকা রাখতে পারছে? বিরোধী দলের লাগাতার সংসদ বর্জনকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন আপনি?
আ স ম হান্নান শাহ : সংসদে গিয়ে যেমন কথা বলা যায়, সংসদের বাইরেও বলা যায়। মওলানা ভাসানী কয়বার সংসদে গিয়ে কথা বলেছেন? নেতা হিসেবে তাঁকে কি উপেক্ষা করতে পারবেন? সংসদে গিয়ে কথা বলা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, যে কথা বলা হচ্ছে, সেটা যৌক্তিক কি না। বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গেলে বলতে হবে, বিরোধী দলকে কি যথার্থ ভূমিকা রাখতে দেওয়া হচ্ছে? আজকের সরকারি দল বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় কত দিন সংসদ বর্জন করেছে, সেটা তাদের স্মরণে নেই। আমরা প্রথম দিনেই সংসদে যোগ দিয়েছিলাম। আমরা দেশের জন্য সংসদে কথা বলতে চেয়েছিলাম। দেশের জন্য অবদান রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই পরিবেশ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সংসদে বিরোধী দলকে কটাক্ষ করা হয়, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়। সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা এখন পর্যন্ত সঠিক বলেই আমরা মনে করি।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দলের জোট সম্প্রসারিত হয়েছে। এই জোট দেশের রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারবে বলে মনে করেন আপনি?
আ স ম হান্নান শাহ : শুরুতে সরকার পতন আমাদের লক্ষ্য ছিল না। আন্দোলনের শুরুতে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করা। কিছুদিন আগে একটি মিথ্যা মামলায় বিরোধী দলের ৩৫ জন শীর্ষ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আমরা জেলে থাকলাম। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হলাম। হয়রানির শিকার হলাম। গায়ের জোরে, প্রশাসনকে ব্যবহার করে এই সরকার বিরোধী দলকে দমন করছে। আমাদের আন্দোলন সরকারের এই আচরণের বিরুদ্ধে। কিন্তু সরকারের জানা উচিত, 'এক মাঘে শীত যায় না'। আমাদের কর্মসূচির বর্তমান লক্ষ্য জনগণকে সম্পৃক্ত করা। জনগণের পক্ষে, জনগণের দাবি নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা জনগণের বিপুল সাড়া পেয়েছি। আরো পাব বলে আশা রাখি। জনসমর্থন জোরদার করেই আমরা এ সরকারকে বাধ্য করব আমাদের দাবি মেনে নিতে।
কালের কণ্ঠ : আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসন্ন এমন কথা আজকাল অনেককেই বলতে শোনা যায়। এ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
আ স ম হান্নান শাহ : আমি ও আমার দল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। অগণতান্ত্রিক বা অসাংবিধানিক পন্থায় কেউ ক্ষমতায় আসুক, এটা আমরা চাই না। বিগত দিনে ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিনের যে সরকার এসেছিল, সেটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল না। সেটা ছিল বিদেশি প্রভু ও তাদের দেশি দোসরদের যোগসাজশে তৈরি সরকার। আমরা কেউ ওয়ান-ইলেভেন চাইনি, চাই না। গত ওয়ান-ইলেভেন সৃষ্টি করেছিল আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী দলগুলো। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে ও জনগণের রুদ্ররোষ থেকে বাঁচার জন্য বিদেশি প্রভুদের সহায়তা নিয়ে আবার এমন পরিস্থিতি সৃৃষ্টি করে, যাতে আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের আশঙ্কা প্রকট হয়, তাহলে আমি অবাক হব না। এ দেশে সংঘাত ছাড়া, বিনা রক্তপাতে শুধু তত্ত্বাবধায়ক আমলেই ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। এক ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন, সেটা আওয়ামী লীগেরই সৃষ্টি, সেটাকে খারাপ উদাহরণ হিসেবে ধরে নিয়ে আমাদের ধমকালে চলবে না। যেহেতু আমরা জাতীয়তাবাদী শক্তি, কেউ আমাদের নির্মূল করতে পারবে না।
কালের কণ্ঠ : তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তী_নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা কী হবে, তা নিয়ে প্রধান দুই দলের অবস্থান পরস্পরবিরোধী। এর ফলে দেশের রাজনীতি কি ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ অবস্থার দিকে যাচ্ছে? আপনার কী মত?
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা বিশ্বাস করি, সব সমস্যার সমাধান সংলাপের মাধ্যমে হতে পারে। কিন্তু সেই সংলাপের আগে একটা পটভূমি তৈরি করতে হয়। যেটাকে বলা যেতে পারে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। প্রধানমন্ত্রী তাঁর আগের অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে এসেছেন। এখন আরেকটু সরে এসে যদি ঘোষণা দেন, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, তাহলে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়ে গেল। তত্ত্বাবধায়ক নাকি অন্তর্বর্তী_নাম নিয়ে দর কষাকষি আমরা করতে চাই না। 'গোলাপকে যে নামে ডাকুন' গোলাপ তো গোলাপই। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারকে যে নামেই ডাকা হোক, তার কাজ হবে নির্দলীয়-নিরপেক্ষভাবে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী যে ফর্মুলা দিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়।
কালের কণ্ঠ : গাজীপুর-৪ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে আপনার দল অংশ নিচ্ছে না। অথচ আপনারা বলছেন, সেখানে জনগণ আওয়ামী লীগকে বয়কট করবে।
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা সেখানে একটি জরিপ করেছি। তাতে দেখেছি, জনগণ সে এলাকায় আওয়ামী লীগকে চায় না। কারণ আওয়ামী লীগ বারবার কাপাসিয়ার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তাদের মিথ্যা আশ্বাস-প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ওই এলাকায় কোনো উন্নয়নই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হয়নি। সুতরাং আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সীমিত সুযোগের মধ্যেই কাপাসিয়ার জনগণ আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করবে। প্রশ্ন উঠতে পারে, বিএনপি সেখানে নির্বাচন করতে গেল না কেন? বিএনপি সেখানে নির্বাচন করতে গেলে জিতে আসত। মনে রাখতে হবে, বিএনপি সারা বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করছে। ক্ষুদ্রস্বার্থ নিয়ে ভাবছে না। একটি আসনের জন্য দলের দাবি দুর্বল করবে না বিএনপি। বিএনপি মনে করে, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সরকারের তল্পিবাহক। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আমরা মনে করি না। সার্বিক বিবেচনায়ই নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এই বিচারপ্রক্রিয়াকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা তো বরাবরই বলে এসেছি, এই বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হবে, সেটা আমরা সমর্থন করি না। আমরা মনে করি, সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত। বিচারটি আন্তর্জাতিকমানের হতে হবে। ট্রাইব্যুনাল গঠনের সময়ও উদ্দেশ্য এটাই ছিল।
কালের কণ্ঠ : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলা অনেকটাই নির্ভর করে সরকারের দক্ষতার ওপর। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গতি-প্রকৃতি কী হওয়া উচিত বলে মনে করেন আপনি?
আ স ম হান্নান শাহ : বর্তমান সরকারের ভুল পররাষ্ট্রনীতি ও ব্যর্থতার কারণে আজ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বন্ধুহীন। বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার কারণে সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের কাছে আমাদের যে দাবি ছিল, সেটা আমরা শত ভাগ পূরণ করতে পারিনি বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার কারণে। কেবল একটি দেশের প্রতি সরকারের আনুগত্য। মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। তার প্রভাব পড়েছে জনশক্তি রপ্তানিতে। কোনো সাফল্য নেই।
কালের কণ্ঠ : আগামী দেড় বছরে দেশ ও দেশের মানুষের ব্যাপারে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?
আ স ম হান্নান শাহ : সরকারের কাছে কোনো প্রত্যাশা নেই। জনগণের কাছে সরকারের এক ধরনের অঙ্গীকার থাকে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থাকে। এসব অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার সফল হবে বলে মনে হয় না। দেশের মানুষ সরকারের প্রতি অনাস্থা জানাতে শুরু করেছে। প্রবীণ সাংবাদিক এ বি এম মূসা এক টেলিভিশন টক শোতে কী বলেছেন, সেটা আমরা জানি।
কালের কণ্ঠ : বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
আ স ম হান্নান শাহ : বাংলাদেশে রাজনীতিচর্চার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের মধ্যে যে সম্পর্ক থাকার কথা, রাজনৈতিক পরিবেশ যেমন থাকার কথা, তা নেই। রাজনৈতিক পরিবেশ মোটেও সুখকর নয়। অতীতে পারস্পরিক একটি ভালো সম্পর্ক ছিল। আওয়ামী লীগের আচরণ তো রাজনীতিসুলভ নয়। সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ আওয়ামী লীগের কারণে নষ্ট হয়েছে। এই পরিবেশ ঠিক করার দায়িত্ব বর্তমান সরকারের। কারণ তারাই এটাকে কলুষিত করেছে। আমি আশাবাদী মানুষ। শত নিরাশার মধ্যেও আশার আলো দেখি। আমি আশা রাখি, একদিন সব প্রতিকূল পরিবেশ কেটে যাবে। যোগ্য নেতৃত্ব সব প্রতিকূলতা দূর করবে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি সোনালি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বলে আমি মনে করি।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আ স ম হান্নান শাহ : আপনাদেরও ধন্যবাদ।
কালের কণ্ঠ : সুশাসন নিয়েই শুরু করা যাক। সুশাসন ছাড়া একটি জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবে জনগণের প্রত্যাশা সুশাসন_যা মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারও। সেই প্রত্যাশিত সুশাসন কতটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার?
আ স ম হান্নান শাহ : এ প্রশ্নের জবাব এক কথায় দিলে বলতে হবে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এ দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই বাংলাদেশের মানুষ বর্তমান মহাজোট সরকারের ওপর থেকে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যেহেতু সরকার প্রত্যাশিত সুশাসন নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে পারেনি, তাই জনগণ মনে করে, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ। কাজেই ভবিষ্যতে এই জোট নির্বাচনে গেলে নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হবে।
কালের কণ্ঠ : সাড়ে তিন বছর পার করল মহাজোট সরকার। সরকারের এই সময়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
আ স ম হান্নান শাহ : কেবল আমি নই, বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষই মনে করে, গত সাড়ে তিন বছরে এই মহাজোট সরকার পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকারের শুরুর দিকে তাদের পেটোয়া বাহিনী; অর্থাৎ ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের টেন্ডারবাজি, বিরোধী দলের ওপর হামলা-মামলা, এমনকি বিরোধী দলের নেতাদের গুম-হত্যাসহ যেসব অপরাধ করেছে, তার জন্য জনগণ বর্তমান সরকারের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। সরকারের ব্যর্থতার সূচক যদি নির্দিষ্ট করে বলতে হয়, তাহলে শুরুতেই বলতে হবে শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারির কথা। সেই কেলেঙ্কারিতে যাঁরা জড়িত, তাঁদের সরকার শাস্তি না দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। আমরা লক্ষ করেছি, এই সরকার তাদের দলের নেতা-কর্মীদের সব অপরাধ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে। সেই অপরাধের ফলে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, মানুষ কষ্ট পায়_সেই কষ্টকে সরকার আমলে নেয় না। নিজেদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই সরকার নিজেদের গণবিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি তো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এখন মন্ত্রী বদল হওয়ার পর অবস্থা কী দাঁড়ায়, সেটাই দেখার বিষয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে, দেশের নিরাপত্তা বাহিনী নিরাপদ নয়। এর জন্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। সরকার সচেষ্ট ও আন্তরিক হলে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারত না। এই সরকার গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু নিজেরা তো গণতন্ত্র চর্চা করেই না, বিরোধী দলকেও গণতন্ত্র চর্চা করতে দেয় না। সরকারের ব্যর্থতার সূচক অনেক। বলে শেষ করা যাবে না। সোনালী ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে যেসব জালিয়াতি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সহায়তায় হয়েছে, তাতেও জনগণ মনে করে এই সরকার ব্যর্থ।
এই সরকার দক্ষিণবঙ্গের জন্য পদ্মা সেতুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কী দেখলাম আমরা? বিগত সাড়ে তিন বছরে কোনো কাজ হয়নি। উল্টো বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। এখন পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টিই অনিশ্চিত। এটাও সরকারের একটি ব্যর্থতা। গত সাড়ে তিন বছরে এই সরকার জনগণের কল্যাণে কিছু করতে পেরেছে বলে আমরা মনে করি না। যে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য আগের বিএনপি সরকারকে দোষারোপ করা হয়, এই সরকারের আমলে তো অবস্থা আরো শোচনীয়। কুইক রেন্টাল দিয়ে কুইক মানি মেকিং প্রসেস করার পরও এখন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি। লোডশেডিং আগের তুলনায় বেড়েছে। যেদিকে তাকাই, সরকারের ব্যর্থতার ছাপ স্পষ্ট। সাফল্য কোথায়?
কালের কণ্ঠ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ অবস্থায় সরকার কী ব্যবস্থা নিতে পারত বলে আপনি মনে করেন? সরকারের পক্ষ থেকে কিন্তু বারবার বলা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে আপনার অভিমত কী?
আ স ম হান্নান শাহ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য সরকারের বিভিন্ন নীতি দায়ী। সরকারের নীতি জনগণের জন্য গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। সরকার দাবি করছে, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। ক্রয়ক্ষমতা জনগণের বেড়েছে কি না জানি না; তবে সরকারি দলের লোকজনের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। এই সরকার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করার জন্য কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি। একটা কথা চালু আছে, সরকারের লোকজন বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা বললে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। বাজারে চালের দাম কিছুটা কম। এটা সরকারের কৃতিত্ব নয়, কৃতিত্ব কৃষকের। সরকার বলেছিল বিনা মূল্যে সার দেবে। দিতে পারেনি। বরং বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় ইউরিয়া সারের যে দাম ছিল, তা এখন অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে অন্যান্য সারের দাম দ্বিগুণ বা তিন গুণ। সরকার যে কৃষি উপকরণ সুলভ মূল্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার প্রতিফলন কোথায়?
কালের কণ্ঠ : এর পাশাপাশি শেয়ারবাজার নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। শেয়ারবাজার নিয়ে আপনার অভিমত জানতে চাই।
আ স ম হান্নান শাহ : একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করুন। যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে, প্রতিবারই তারা লুটপাট করেছে। এই অপকর্ম ঢাকার জন্য প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। আজ নতুন করে আবার শেয়ার কেলেঙ্কারির কথা উঠেছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন শেয়ার কেলেঙ্কারি হয়েছিল। এবারও অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের হর্তাকর্তারাই এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটি একটি রিপোর্ট দিয়েছে। সেই রিপোর্টটি জনসমক্ষে প্রকাশ করলেই তো হয়। তাহলেই তো সবার নাম বেরিয়ে আসে। শুধু মুখে অভিযোগ না করে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হোক। অর্থমন্ত্রী নিজেই তো বলেছেন, এর সঙ্গে অনেক রাঘব বোয়াল জড়িত। তাঁদের নাম প্রকাশ করলে নাকি স্বয়ং মন্ত্রীই অসুবিধায় পড়বেন। এই শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের নামের তালিকা বিএনপির কাছে আছে। শেয়ার কেলেঙ্কারির দায় বর্তমান সরকার কিছুতেই এড়াতে পারবে না। এ জন্য সরকারকে রাজনৈতিক মাসুল দিতে হবে।
কালের কণ্ঠ : নতুন যে ব্যাংকগুলোর লাইসেন্স দেওয়া হলো, এ নিয়ে আপনার অভিমত কী?
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা জানি, আমাদের মতো একটি দরিদ্র দেশে চাহিদার চেয়ে বেশি ব্যাংক থাকলে সেগুলো সুষ্ঠুভাবে চলবে না। যাঁরা এখানে আমানত রাখবেন, তাঁদের আমানত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে। এই আশঙ্কা আছে বলেই বিএনপি সরকার গত শাসনামলে একটি ব্যাংকেরও অনুমোদন দেয়নি। এই সরকার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় কয়েকটি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রবাসী। দেশের ব্যাংকগুলোর বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের বা তাদের মিত্রদের দেওয়া হয়েছে। অনেকেই সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁদের পক্ষে বৈধ ৪০০ কোটি টাকা জোগান দেওয়া নিশ্চয়ই কষ্টকর। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাঁরা বলেন, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে নিয়েছেন। সাফাই গাইতে আওয়ামী লীগ অত্যন্ত পারদর্শী।
পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অবস্থা দেখুন। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, সব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকজনই জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা তুলে নিয়ে গেছে। আত্মসাৎ করেছে। হলমার্ক গ্রুপের কথাই ধরুন। এই গ্রুপের সঙ্গে এখন অনেককে দায়ী করা হচ্ছে। শুধু হলমার্কই নয়, অনেক গ্রুপেরই জালিয়াতি ও লোপাটের কথা এখন ধীরে ধীরে জানা যাচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : মন্ত্রিসভায় আবারও একটা পরিবর্তন লক্ষ করা গেল। শুরুতে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার মূল্যায়ন কী? আপনার কি মনে হয়, মন্ত্রীদের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ম্লান হয়েছে বা হচ্ছে? সাম্প্রতিক এই রদবদল কি সরকারের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে পারবে?
আ স ম হান্নান শাহ : আমি নিজেও একসময় মন্ত্রী ছিলাম। মন্ত্রীরা কতটুকু কাজ করতে পারেন বা পারেন না, তা আমি জানি। ঢালাওভাবে সব মন্ত্রীকে অদক্ষ বলা ঠিক হবে না। বেশ কয়েকজন দক্ষ মন্ত্রী আছেন। তবে অদক্ষ মন্ত্রীর সংখ্যাই বেশি। যে মন্ত্রীরা বলেন, ছাগল-গরু চিনতে পারলেই ড্রাইভার হওয়া যাবে, ওই মন্ত্রীদের সম্পর্কে কী আর বলা যাবে? তবে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন_এমন অনেক মন্ত্রী আছেন। এই সরকারের বোঝা হচ্ছে উপদেষ্টামণ্ডলী। হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে এক উপদেষ্টার নাম এসেছে। বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনার জন্য আরেক উপদেষ্টার নাম এসেছে। পদ্মা সেতুর যে বিপর্যয়, তার জন্য আবুল হোসেনকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছে। এক উপদেষ্টার কারণে সরকার বিব্রত। মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করতে করতে যখন আর কোনো দপ্তর নেই, তখন দপ্তর ভেঙে নতুন দপ্তর করে নতুন মন্ত্রীদের দেওয়া হয়েছে। দপ্তরবিহীন মন্ত্রী তো আছেনই একজন। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ এসেছে। দেখার বিষয়, এতে কোনো গুণগত পরিবর্তন আসে কি না। এই পরিবর্তন বা মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ সরকারের জন্য কতটা সুখকর হবে, সেটা বলবে ভবিষ্যৎ।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারছে? সেই দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন কোথায়? বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ধারায় বিএনপি কি যথার্থ ভূমিকা রাখতে পারছে? বিরোধী দলের লাগাতার সংসদ বর্জনকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন আপনি?
আ স ম হান্নান শাহ : সংসদে গিয়ে যেমন কথা বলা যায়, সংসদের বাইরেও বলা যায়। মওলানা ভাসানী কয়বার সংসদে গিয়ে কথা বলেছেন? নেতা হিসেবে তাঁকে কি উপেক্ষা করতে পারবেন? সংসদে গিয়ে কথা বলা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, যে কথা বলা হচ্ছে, সেটা যৌক্তিক কি না। বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গেলে বলতে হবে, বিরোধী দলকে কি যথার্থ ভূমিকা রাখতে দেওয়া হচ্ছে? আজকের সরকারি দল বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় কত দিন সংসদ বর্জন করেছে, সেটা তাদের স্মরণে নেই। আমরা প্রথম দিনেই সংসদে যোগ দিয়েছিলাম। আমরা দেশের জন্য সংসদে কথা বলতে চেয়েছিলাম। দেশের জন্য অবদান রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই পরিবেশ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সংসদে বিরোধী দলকে কটাক্ষ করা হয়, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়। সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা এখন পর্যন্ত সঠিক বলেই আমরা মনে করি।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দলের জোট সম্প্রসারিত হয়েছে। এই জোট দেশের রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারবে বলে মনে করেন আপনি?
আ স ম হান্নান শাহ : শুরুতে সরকার পতন আমাদের লক্ষ্য ছিল না। আন্দোলনের শুরুতে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করা। কিছুদিন আগে একটি মিথ্যা মামলায় বিরোধী দলের ৩৫ জন শীর্ষ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আমরা জেলে থাকলাম। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হলাম। হয়রানির শিকার হলাম। গায়ের জোরে, প্রশাসনকে ব্যবহার করে এই সরকার বিরোধী দলকে দমন করছে। আমাদের আন্দোলন সরকারের এই আচরণের বিরুদ্ধে। কিন্তু সরকারের জানা উচিত, 'এক মাঘে শীত যায় না'। আমাদের কর্মসূচির বর্তমান লক্ষ্য জনগণকে সম্পৃক্ত করা। জনগণের পক্ষে, জনগণের দাবি নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা জনগণের বিপুল সাড়া পেয়েছি। আরো পাব বলে আশা রাখি। জনসমর্থন জোরদার করেই আমরা এ সরকারকে বাধ্য করব আমাদের দাবি মেনে নিতে।
কালের কণ্ঠ : আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসন্ন এমন কথা আজকাল অনেককেই বলতে শোনা যায়। এ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
আ স ম হান্নান শাহ : আমি ও আমার দল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। অগণতান্ত্রিক বা অসাংবিধানিক পন্থায় কেউ ক্ষমতায় আসুক, এটা আমরা চাই না। বিগত দিনে ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিনের যে সরকার এসেছিল, সেটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল না। সেটা ছিল বিদেশি প্রভু ও তাদের দেশি দোসরদের যোগসাজশে তৈরি সরকার। আমরা কেউ ওয়ান-ইলেভেন চাইনি, চাই না। গত ওয়ান-ইলেভেন সৃষ্টি করেছিল আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী দলগুলো। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে ও জনগণের রুদ্ররোষ থেকে বাঁচার জন্য বিদেশি প্রভুদের সহায়তা নিয়ে আবার এমন পরিস্থিতি সৃৃষ্টি করে, যাতে আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের আশঙ্কা প্রকট হয়, তাহলে আমি অবাক হব না। এ দেশে সংঘাত ছাড়া, বিনা রক্তপাতে শুধু তত্ত্বাবধায়ক আমলেই ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। এক ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন, সেটা আওয়ামী লীগেরই সৃষ্টি, সেটাকে খারাপ উদাহরণ হিসেবে ধরে নিয়ে আমাদের ধমকালে চলবে না। যেহেতু আমরা জাতীয়তাবাদী শক্তি, কেউ আমাদের নির্মূল করতে পারবে না।
কালের কণ্ঠ : তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তী_নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা কী হবে, তা নিয়ে প্রধান দুই দলের অবস্থান পরস্পরবিরোধী। এর ফলে দেশের রাজনীতি কি ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ অবস্থার দিকে যাচ্ছে? আপনার কী মত?
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা বিশ্বাস করি, সব সমস্যার সমাধান সংলাপের মাধ্যমে হতে পারে। কিন্তু সেই সংলাপের আগে একটা পটভূমি তৈরি করতে হয়। যেটাকে বলা যেতে পারে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। প্রধানমন্ত্রী তাঁর আগের অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে এসেছেন। এখন আরেকটু সরে এসে যদি ঘোষণা দেন, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, তাহলে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়ে গেল। তত্ত্বাবধায়ক নাকি অন্তর্বর্তী_নাম নিয়ে দর কষাকষি আমরা করতে চাই না। 'গোলাপকে যে নামে ডাকুন' গোলাপ তো গোলাপই। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারকে যে নামেই ডাকা হোক, তার কাজ হবে নির্দলীয়-নিরপেক্ষভাবে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী যে ফর্মুলা দিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়।
কালের কণ্ঠ : গাজীপুর-৪ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে আপনার দল অংশ নিচ্ছে না। অথচ আপনারা বলছেন, সেখানে জনগণ আওয়ামী লীগকে বয়কট করবে।
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা সেখানে একটি জরিপ করেছি। তাতে দেখেছি, জনগণ সে এলাকায় আওয়ামী লীগকে চায় না। কারণ আওয়ামী লীগ বারবার কাপাসিয়ার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তাদের মিথ্যা আশ্বাস-প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ওই এলাকায় কোনো উন্নয়নই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হয়নি। সুতরাং আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সীমিত সুযোগের মধ্যেই কাপাসিয়ার জনগণ আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করবে। প্রশ্ন উঠতে পারে, বিএনপি সেখানে নির্বাচন করতে গেল না কেন? বিএনপি সেখানে নির্বাচন করতে গেলে জিতে আসত। মনে রাখতে হবে, বিএনপি সারা বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করছে। ক্ষুদ্রস্বার্থ নিয়ে ভাবছে না। একটি আসনের জন্য দলের দাবি দুর্বল করবে না বিএনপি। বিএনপি মনে করে, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সরকারের তল্পিবাহক। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আমরা মনে করি না। সার্বিক বিবেচনায়ই নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এই বিচারপ্রক্রিয়াকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
আ স ম হান্নান শাহ : আমরা তো বরাবরই বলে এসেছি, এই বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হবে, সেটা আমরা সমর্থন করি না। আমরা মনে করি, সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত। বিচারটি আন্তর্জাতিকমানের হতে হবে। ট্রাইব্যুনাল গঠনের সময়ও উদ্দেশ্য এটাই ছিল।
কালের কণ্ঠ : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলা অনেকটাই নির্ভর করে সরকারের দক্ষতার ওপর। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গতি-প্রকৃতি কী হওয়া উচিত বলে মনে করেন আপনি?
আ স ম হান্নান শাহ : বর্তমান সরকারের ভুল পররাষ্ট্রনীতি ও ব্যর্থতার কারণে আজ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বন্ধুহীন। বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার কারণে সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের কাছে আমাদের যে দাবি ছিল, সেটা আমরা শত ভাগ পূরণ করতে পারিনি বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার কারণে। কেবল একটি দেশের প্রতি সরকারের আনুগত্য। মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। তার প্রভাব পড়েছে জনশক্তি রপ্তানিতে। কোনো সাফল্য নেই।
কালের কণ্ঠ : আগামী দেড় বছরে দেশ ও দেশের মানুষের ব্যাপারে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?
আ স ম হান্নান শাহ : সরকারের কাছে কোনো প্রত্যাশা নেই। জনগণের কাছে সরকারের এক ধরনের অঙ্গীকার থাকে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থাকে। এসব অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার সফল হবে বলে মনে হয় না। দেশের মানুষ সরকারের প্রতি অনাস্থা জানাতে শুরু করেছে। প্রবীণ সাংবাদিক এ বি এম মূসা এক টেলিভিশন টক শোতে কী বলেছেন, সেটা আমরা জানি।
কালের কণ্ঠ : বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
আ স ম হান্নান শাহ : বাংলাদেশে রাজনীতিচর্চার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের মধ্যে যে সম্পর্ক থাকার কথা, রাজনৈতিক পরিবেশ যেমন থাকার কথা, তা নেই। রাজনৈতিক পরিবেশ মোটেও সুখকর নয়। অতীতে পারস্পরিক একটি ভালো সম্পর্ক ছিল। আওয়ামী লীগের আচরণ তো রাজনীতিসুলভ নয়। সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ আওয়ামী লীগের কারণে নষ্ট হয়েছে। এই পরিবেশ ঠিক করার দায়িত্ব বর্তমান সরকারের। কারণ তারাই এটাকে কলুষিত করেছে। আমি আশাবাদী মানুষ। শত নিরাশার মধ্যেও আশার আলো দেখি। আমি আশা রাখি, একদিন সব প্রতিকূল পরিবেশ কেটে যাবে। যোগ্য নেতৃত্ব সব প্রতিকূলতা দূর করবে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি সোনালি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বলে আমি মনে করি।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আ স ম হান্নান শাহ : আপনাদেরও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
September
(2308)
-
▼
Sep 18
(106)
- দুঃসংবাদের চাপে উপেক্ষিত সুখবর by মৌমাছি
- না’গঞ্জে ছেলেধরা আটক নিয়ে তুলকালামঃ পুলিশে দিলে ছা...
- আমাকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করুন
- মন্ত্রিসভা থেকে তৃণমূল বেরিয়ে আসতে পারে
- নতুন করে বিক্ষোভের ডাক হিজবুল্লাহর
- চীন-জাপান বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন
- বিশ্লেষণ- এবার কি অটল থাকতে পারবেন মনমোহন?
- ব্যথার ওষুধ শ্রবণশক্তির ক্ষতি করে!
- টঙ্গীতে আট মাসে ১৫০০ লোককে কুকুরের কামড়
- গাজীপুরে জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০
- কাপাসিয়ার জনসভায় তোফায়েল আহমেদ- আওয়ামী লীগ আমার জী...
- যশোরে বিএনপি নেতা হত্যা- লাশ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল
- বিতর্কমুক্ত নির্বাচন হলে রায়ের সার্থকতা আসবে: এরশাদ
- বাহরাইনে সামাজিক ব্যবসা সপ্তাহের উদ্বোধন
- নাটক দিয়েই শুরু প্রসূণ আজাদের by কামরুজ্জামান মিলু
- বিমানের হজ ফ্লাইট শুরু
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্...
- প্রস্তুত সারিকা
- সাংবাদিক পীড়নকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন- আবারও ...
- প্রাচ্যনাটের নতুন নাটকে তমালিকা
- পোলট্রিশিল্পের স্বার্থে বিকল্প সন্ধান করুন- ডিম আম...
- প্যারালিম্পিক ২০১২- মানবের সক্ষমতার মান by শামীম...
- ‘বদলে যাও বদলে দাও মিছিল’ বিশেষ সংলাপ- রাসায়নিক ও ...
- রায়েই সমাধান আছে সঙ্কটও কেটে যাবেঃ বিচারপতি খায়রুল...
- স্মরণ- মায়াবী কবিতার কবি by দুলাল মাহমুদ
- ইলিয়াস আমিনুল গুম খুনের পক্ষে সরকারের সাফাইঃ রাষ্ট...
- মাথাভর্তিরঙিন ক্লিপ by খাদিজা ফাল্গুনী
- কিডনিতে পাথর হলে করণীয়
- শুধুই জুস by পার্থ সরকার
- ইশ্ ইলিশ
- বর্ণময় নখদর্পণ by তৌহিদা শিরোপা
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- গ্রামীণফোন-প্রথম আলো ইন্টারনেট উৎসব- ‘নতুন পৃথিবীত...
- পাঁচ বছর সাজার বিধান রেখে এমএলএম আইন অনুমোদন
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড: আইজিপি হাসান মাহমুদের সাক্ষ্য-...
- পরাজয়কেও শিক্ষার মঞ্চ মনে করেন সাকিব
- নো ইজি ডে- ছেলের জামা ভিজে গেল বাবার রক্তে by মশ...
- আজ শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- কোনো ফেবারিট নেই! by...
- প্রতিক্রিয়া- তোফায়েলের মন্ত্রিত্ব প্রত্যাখ্যানের স...
- অবশেষে এক মাসের ছুটিতে মসিউর
- দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনে হতে বাধা নেই by...
- তোমার জন্য by নিতুন নিশাচর
- কখনও কি ভেবে দেখেছ? by সাঈফ আবেদীন
- হতে চাই সবার সেরা নাবিল আজম দেওয়ান
- চেরির কত গুণ
- পেনক্রিয়াটাইটিস ও পেটে ব্যথা by অধ্যাপক ডা. এম এ ...
- নারীর মন খারাপ বিষণ্ণতা নয়তো?
- কোমর ব্যথা বা ব্যাক পেইন
- বুড়িগঙ্গার তীরে ৫১ তলা ভবন
- সিডিউল বিপর্যয়ে বিমান
- মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ ॥ জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে তো? b...
- উপাচার্যদের নির্দেশ দিলেই ক্যাম্পাস পরিস্থিতি স্থি...
- বুয়েট ও সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের প্রতি by ম...
- শেখ মুজিবুর রহমান নতুন করে জানা by প্রফেসর এম শাহ...
- পদ্মা সেতু উপাখ্যান ॥ সত্য বনাম কল্পনা by ড. মোজা...
- সাংসদ ডা. মতিউর রহমানকে পারিবারিক গোরস্তানে রাষ্ট্...
- টিএ্যান্ডটির বিল দেননি সরকারদলীয় হুইপ, আদালতে হাজি...
- ‘আলোক শিখা জ্বলুক প্রাণে’ গান ও কথায় আব্দুল আলীম স...
- চট্টগ্রামে দুদকের ১৩ মামলা, জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত হল...
- বিডিআর বিদ্রোহের নেতৃত্বে ছিলেন ডিএডি তৌহিদ- আইজিপ...
- প্রমাণ করতে হবে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন...
- গ্রামেই থাকবে গরিব বহুতল ভবনে, গ্যাস বিদ্যুত নিজেদ...
- এইডস সারল স্টেম সেলে!
- ইউটিউব বন্ধ করে দিল সরকার
- মার্কিন এ্যাডমিরালের নেতৃত্বে কমান্ডো টিম এসেছে দূ...
- ছাত্রসংঘের মৌলভীবাজার সভাপতির চিঠিতে আলবদর গঠনের ক...
- কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে আমার বাবাকে হত্যা করা হয়-...
- হজ ফ্লাইট শুরু, তবে সিডিউল নিয়ে হিমশিম বিমান- শাহজ...
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর পূর্ণাঙ্গ রায় বিশেষজ্ঞরা যা বলেন ...
- সংসদে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রীদের আগ্রহ নেই!- এ...
- বিশ্বব্যাংকের চার শর্তই পূরণ ॥ ছুটিতে মসিউর- ০ পদ্...
- ত্রয়োদশ সংশোধনী রাষ্ট্রের ভিত্তি ও মূল কাঠামো খর্ব...
- পূর্ণাঙ্গ রায়ের ১৬ সারমর্ম
- ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেনের কাজে ধীরগতি by রফিকুল বাহার
- হোল্ডিং ট্যাক্স বেড়েছে রাজধানীবাসী ক্ষুব্ধ by অমিত...
- বিশ্বকাপ শুরুর দিনেও নিরুত্তাপ শ্রীলঙ্কা by নোমান ...
- ছুটি নেওয়া না নেওয়া নিয়ে মসিউরের নাটক
- চার হাজার কিলোমিটার সড়কপথ ঝুঁকিপূ by পার্থ সারথি দাস
- মানসিক অসুস্থরাও এমপি হবেন
- হান্টা ভাইরাসের ঝুঁকিতে ২ লাখ ৩০ হাজার লোক
- যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ফোনে আড়ি পেতেছিল 'র'
- বিশেষজ্ঞদের অভিমত-সালাফিপন্থীদের উত্থান বাড়ছে আরব ...
- জাপানবিরোধী বিক্ষোভ ও হামলা-চীনে প্যানাসনিক-ক্যানন...
- বিদেশি চেইনশপের জন্য খুচরা বাজার উন্মুক্ত-ভারতজুড়ে...
- সিরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন বেড়েছে ব্যাপক হারে
- নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি-বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ...
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট বিকল্প ...
- তারেক ভাই ও মুক্তির কথা by স্মৃতিরেখা বিশ্বাস
- তালা by মাহবুব মোর্শেদ
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধা শাফায়াত জামিল ...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-আত্মপ্রচারে ঢেকে যায় রাজনীতি by আব...
- কীর্তিমান অধ্যক্ষ আবুল হুসাইন ওয়াইসী by খান মাহবুব
- উন্নয়ন-বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আমাদের নতুন ভাবনা by আবু...
- শুভঙ্করের ফাঁকি by একরামুল হক শামীম
- চিন্তা-পরস্পরকে রক্ষা না ধ্বংস? by সেঁজুতি শুভ আহ্মেদ
- রম্য-ভিক্ষাবৃত্তির হাট-বাজারে by সাইফুল আলম
- সমকালীন প্রসঙ্গ-দেশে দেশে মার্কিন ঔদ্ধত্য by বদরুদ...
- ডিম আমদানি-পরনির্ভরশীলতায় সমাধান!
- পাসপোর্ট-ভোগান্তি-প্রযুক্তি ব্যবহারে কেন অবহেলা?
- ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইহুদিদের প্ররোচনা সত্ত্বেও শান্...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : আ স ম হান্নান শাহ-দেশের বিভিন্ন...
- চরাচর-ঢাকা শহরের মাঝি by শরাফত হোসেন
- কথা সামান্যই-শূন্যে কথা ছুড়ে দিয়ে আস্ফালন by ফজলুল...
- রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তি কি আসন্ন? by আবু এন এম ওয়াহিদ
- কালান্তরের কড়চা-মসিউর রহমান বিদায় নিলেই কি বিশ্ব...
-
▼
Sep 18
(106)
-
▼
September
(2308)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment