Thursday, August 16, 2012
ঈদ আনন্দ- মনে পড়লেই হাসি পায়
ঈদ আনন্দ- মনে পড়লেই হাসি পায়
কিউ বিষয়টা কী?: মৌসুমীএকেবারে ছোটবেলার কথা। তখন খুলনায় থাকি আমরা। প্রথম শ্রেণীতে পড়ি হয়তো। আমাদের পিচ্চিদের একটা দল ছিল। একসঙ্গে খেলতাম। আমাদের বাসার একটু দূরেই ছিল এক খালার বাড়ি। ঈদ উপলক্ষে ওখানে মেলা হচ্ছিল। দূরে না হলেও তখন আমাদের যে বয়স, তাতে মেলার স্থানটা অনেক দূরেই মনে হতো।
একদিন আমরা বন্ধুরা মিলে বুদ্ধি করলাম মেলা দেখতে যাব। তবে কাউকে বলা যাবে না। বললে যেতে দেবে না। পাশেই যেহেতু খালার বাড়ি, তাই সাহসও হলো। আমরা আইসক্রিম খেতে খেতে দুপুরবেলায় বাসার সবার অজান্তেই হেঁটে মেলার উদ্দেশে রওনা হলাম।
মেলার বিশাল গেট। সবাই মিলে ঢুকলাম। অনেক বড় জায়গা নিয়ে মেলা চলছে। ভিড়ও বেশি। আমরা সবাই সবার হাত ধরে মেলার ভেতর হেঁটে যাচ্ছি, রংবেরঙের জিনিস দেখছি। খুবই আনন্দ পাচ্ছি। মেলার কিছুদূর যাওয়ার পর দেখি, হাতের সংখ্যা কমে গেছে। মানে সবার হাতে সবার হাত নেই। কেউ কেউ ছিটকে গেছে। ভয় পেলাম। বের হওয়ার কোনো পথ পাচ্ছি না। মেলার দরজাও খুঁজে পাচ্ছি না। এর মধ্যে আমরা কয়েকজনকে মেলার মধ্যে হারিয়ে ফেলেছি! কান্না আসছে। আমার খালার ভাশুরের ছেলে কীভাবে যেন আমাদের দেখেছেন। তিনি কাছে এসে বললেন, ‘এই তোমরা কার সঙ্গে এখানে এসেছ?’
আমাদের মুখে কোনো কথা নেই। ভয়ে আর একটু হলে কেঁদেই ফেলতাম। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি আমাদের সবাইকে খুঁজে বের করে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করলেন। আর বাড়ি ফেরার পর যা হওয়ার তা-ই হলো। বাবা-মা দুজনে মিলে আচ্ছা রকম বকা দিলেন। এর পর থেকে আমার ওপর বাড়ির সবার নজরদারি বেড়ে গেল। ওই দিনের কথা মনে হলে এখনো খুব হাসি পায়।
২.
তখন সবে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেছি। কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিটি তখনো মুক্তি পায়নি। দোলা নামে একটি ছবিতে আমার সহশিল্পী সানী। এটা ছিল সানীর সঙ্গে প্রথম কাজ। ছবিটির একটা দৃশ্যে পরিচালক আমাকে বললেন, ‘মৌসুমী, এবার তোমার ক্লোজ শট নেওয়া হবে। তুমি আগের শটের কিউ ধরে সংলাপ দেবে।’ প্রথম প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করছি। চলচ্চিত্রের ছোটখাটো অনেক ভাষা তখনো আমি বুঝে উঠতে পারিনি। তার পরও আমি মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিলাম। দৃশ্যটি ধারণের সব প্রস্তুতি শেষ। পরিচালক ১..২...৩..গুনেই ‘অ্যাকশন’ বললেন। দৃশ্য ধারণ চলছে। আমি সংলাপ না বলে সানীকে জিজ্ঞাসা করছি, ‘সানী ভাই, কিউ বিষয়টি কী?’ আমার এ অবস্থা দেখে পরিচালক ‘কাট কাট কাট’ বলে চিৎকার করে দৃশ্য ধারণ বন্ধ করলেন। ইউনিটের সবাই হো হো করে হেসে উঠলেন। আমি একটু লজ্জা পেলাম। সেদিনকার ওই দৃশ্যের কথা মনে পড়লে এখনো হাসি আসে।
মান্না ভাইয়ের চিৎকার: নিপুণ
তখন আমার বয়স ছয়-সাত হবে, ছোট ভাইয়ের বয়স দুই কি তিন। একদিন বাসায় বাবা আমাকে আর ছোট ভাইকে পাশে বসিয়ে মজার মজার গল্প করছিলেন। পাশেই টেবিলে একটা ঝুড়িতে আঙুর ছিল। একটা আঙুর ছোট ভাইয়ের মুখে তুলে দিলেন বাবা। আমি কী করলাম, ছোট ভাইয়ের মুখের মধ্যে আঙুল দিয়ে ওই আঙুরটি বের করে এনে নিজেই খেয়ে ফেললাম। বাবা তো রাগ করে বসলেন। বললেন, ‘এইটা তুমি কী করলা? আরও তো আঙুর আছে, ওখান থেকে তো খেতে পারতা।’ আমি বললাম, ‘ওখান থেকে খাব না। আমি ওর মুখেরটাই খাব।’ হা-হা-হা।
ছোটবেলার ঘটনাটার কথা মনে হলে হাসি এসে যায়।
২.
আরেকটি হাসির ঘটনা খুব মনে পড়ে। সেটা চলচ্চিত্রে। রিকশাওয়ালার প্রেম ছবির শুটিংয়ের ঘটনা। আমার সহশিল্পী মান্না ভাই। শুটিংয়ের অনেকগুলো দৃশ্যে দেখা যাবে আমি মান্না ভাইয়ের পিঠের ওপর পা দিয়ে রিকশায় চড়ি। প্রথম দিন এ দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে বাধল হুজ্জত। রিকশা সামনে। মান্না ভাই পিঠ পেতে দিয়েছেন আমাকে ওঠার জন্য। আমার পায়ে বুট। চলচ্চিত্রে তখন আমি নতুন। কৌশলও কম বুঝি। আমি লাফ দিয়ে পিঠের ওপর চড়ে রিকশায় উঠব। এমন জোরে ভর করে পিঠের ওপর উঠেছি, মান্না ভাই রীতিমতো চিৎকার দিয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। ওদিকে আমি উল্টে পড়ার উপক্রম। মান্না ভাই উঠে কোনোমতে আমাকে ধরে ফেলেছেন।
কাট হয়ে গেল দৃশ্য। এরপর মান্না ভাই পায়ের সামনের অংশে ভর করে পিঠে পা রেখে রিকশায় ওঠার কৌশল শিখিয়ে দিলেন। যতবার শেখাচ্ছেন, ততবারই ওই আগের ঘটনাই ঘটছে। বুটের চাপে মান্না ভাইয়ের পিঠের অবস্থা খারাপ হয়ে গেল। এভাবে বিশবার ধারণের পরও যখন দৃশ্য ওকে হলো না, তখন মান্না ভাই আমাকে বললেন, ‘এত কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না। তুমি প্রথম যেভাবে পিঠের ওপর পা রেখে রিকশায় উঠতে গিয়েছিলে, ওভাবেই ওঠো। কষ্ট হলে একবারই হোক।’
ওই দিনকার শুটিংয়ের কথা মনে হলে খুব হাসি পায়।
তিন ঘা বেত: শাকিব খান
তখন স্কুলে পড়ি। সম্ভবত ষষ্ঠ কি সপ্তম শ্রেণীতে। শিশির নামে আমাদের এক বন্ধু ছিল। ক্লাসে ও নিজেকে নেতা নেতা ভাব দেখাত। সব কাজেই ওর নাক গলানোর অভ্যাস ছিল। একদিন আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে ফন্দি আঁটলাম, শিশিরের এই মাতব্বরি ঠেকাতেই হবে। আমাদের স্কুলের পাশের গ্রামে মোবারক নামে এক পাগল থাকত। প্রায়ই স্কুলের পাশে ঘুরঘুর করত। আমরা বুদ্ধি করলাম, ক্লাস চলার সময়ে পেছন থেকে সাদা কাগজে ‘মোবারক’ লিখে শিশিরের পেছনে হালকা করে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দেব। কথামতো কাজ। ক্লাস শেষ হয়েছে। শিশির স্কুলে ঘোরাঘুরি করছে। সবাই ওর দিকে তাকিয়ে ‘মোবারক মোবারক’ বলে আওয়াজ করছে। হাসাহাসি করছে। তখনো সে বুঝে উঠতে পারেনি। কিন্তু তাকে ঘিরে কিছু একটা হয়েছে, তা সে মনে মনে আন্দাজ করতে পারছে। এক সময় আমাদের আরেক বন্ধু ওর পিঠ থেকে মোবারক লেখা কাগজটি ছিঁড়ে ওকে দেখাল। শিশির তো রেগেমেগে অস্থির। কাউকে কিছু বলতেও পারছে না। কে ওর সঙ্গে এই রসিকতা করেছে, তা মনে মনে সে খোঁজা শুরু করেছে। আমরাও ওর সঙ্গে তাল দিয়ে যাচ্ছি, ‘দোস্ত, এ ঘটনা কে ঘটাল? খুঁজে বের করতেই হবে। আমরাও তোকে সাহায্য করব।’
এভাবে দু-চার দিন গেল। আমরা সেই কয়েকজন বন্ধু যুক্তি আঁটলাম, আবারও এ ঘটনা ঘটাতে হবে। আবারও কথামতো সব প্রস্তুতি শেষ। ক্লাস চলছে। পেছন থেকে এক বন্ু্ল শিশিরের জামায় কাগজটি আটকাতে গিয়েই ধরা পড়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে শিশির ক্লাসের স্যারকে বিচার দিল। আমাদের দলে কয়জন আছে, তাও বেরিয়ে গেল। বিচারস্বরূপ আমাদের তিন ঘা করে বেত আর ক্লাস চলাকালীন পুরো সময় বেঞ্চের ওপর কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। এখনো এ ঘটনা মনে হলে হাসি চলে আসে। হি-হি-হি...।
‘ও বাবাগো, ও মাগো’: রিয়াজ
সালাহউদ্দিন লাভলুর মোল্লাবাড়ীর বউ ছবিতে শাবনূর আর মৌসুমী দুজনই আমার বউ। এ টি এম শামসুজ্জামান আমার বাবা। একটা দৃশ্যে মৌসুমী আমাকে পুকুরের পানিতে চোবাবে। আমি কোনোমতে তার হাত থেকে বের হয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে এসে ঘরে ঢুকে এ টি এম শামসুজ্জামানের কাছে বলব, ‘বাবা বাবা, তোমার বেটার বউ আমাকে পানিতে চোবাল কেন?’ দৃশ্যটির কথা শুনে এ টি এম শামসুজ্জামান বললেন, ‘ওভাবে না। আমি নামাজে থাকব, তুমি এসেই আমার গায়ের ওপর লাফ দিয়ে পড়েই সংলাপগুলো বলবে।’ আমি বললাম, ‘গায়ের ওপর পড়লে তো আপনি ব্যথা পাবেন।’ উনি বললেন, ‘আরে কিচ্ছু হবে না। তুমি করেই দেখো না।’
আমি তাঁর কথামতো পুকুর থেকে উঠে দৌড়ে ঘরে ঢুকেই ‘বাবা বাবা’ চিৎকার করে তাঁর গায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। পড়ার পর দুজনই ‘ও বাবাগো ও মাগো’ বলে গড়াতে গড়াতে ঘরের বাইরে এসে পড়লাম। ততক্ষণে আমরা দুজনেই ক্যামেরার বাইরে চলে এসেছি। দৃশ্যটি কাট হয়ে গেল। কিন্তু এ টি এম শামসুজ্জামানের কাতরানি তখনো থামেনি। সত্যি সত্যি তিনি ব্যথা পেয়েছেন। দৃশ্যটি পুনরায় ধারণের জন্য পরিচালক হাঁক দিলেন। আমি আগের মতো করেই দৃশ্যটি করব কি না, তা জানার জন্য এ টি এম শামসুজ্জামানকে জিজ্ঞাসা করলাম। শুনেই আঁতকে উঠলেন তিনি। বললেন, ‘ওরে বাবারে... আর না, আর না। এভাবে আর কোরো না। এবার আমার গায়ের ওপর পড়লে তো আমি মরেই যাব।’
পুরো শুটিং ইউনিটের হাসতে হাসতে পেটে খিল। এখনো ওই দৃশ্যের কথা মনে হলে হাসি পায়।
‘বাসায় ফিরে ভাত খাচ্ছি’: পূর্ণিমা
অনেক দিন আগের কথা। সাল মনে নেই। মনোয়ার হোসেন খোকনের একটি চলচ্চিত্রে কাজ করছি। গুলশানের ওহাব সাহেবের বাড়িতে শুটিং চলছে। বিকেল হয়ে আসছে। ছবিতে আমি আর বাবা দুজনে রিকশায় করে বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরব—এমন কিছু দৃশ্য ধারণ করবেন পরিচালক। আমি আর বাবার চরিত্রে যিনি অভিনয় করছিলেন, দুজনে মিলে রিকশায় করে ঘুরছি। পরিচালক দৃশ্য ধারণ করছেন। আমাদের রিকশার পেছন পেছন দূরত্ব রেখে আমার গাড়িও আসছে। দৃশ্যগুলো ধারণ শেষ হলে মনোয়ার খোকন আমাকে বললেন, ‘পূর্ণিমা, তুমি বাসায় চলে যাও।’ গাড়ি রিকশার পেছনেই ছিল। আমি গাড়িতে করে আমার বাসায় চলে আসি। মেকআপ তুলে ফ্রেশ হয়ে কেবল খেতে বসেছি, এর মধ্যে পরিচালকের ফোন, ‘তাড়াতাড়ি হাউসের বাইরে এসো। দৃশ্য ধারণের প্রস্তুতি সব শেষ। এখনই কাজটি করে ফেলি, সূর্য চলে যাচ্ছে।’
আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। বললাম, ‘মানে, খোকন ভাই, আমি তো বাসায় চলে এসেছি। ভাত খাচ্ছি। আপনি তো আমাকে বাসায় চলে যেতে বললেন।’
শুনেই পরিচালক বলে উঠলেন, ‘বলো কী! তুমি বাসায় মানে...আমি তো তোমাকে শুটিংয়ের বাসায় যেতে বলেছি।’
আমি তো হাসতে হাসতে শেষ। সেদিন আর শুটিং করা হয়নি। প্যাকআপ। ঘটনাটার কথা মনে হলে এখনো একা একাই হেসে ফেলি।
পেটে তখন খিদে: জয়া
স্কুল পেরিয়ে সবে ইন্টারমিডিয়েটে উঠেছি। কেমন যেন সবকিছু নতুন নতুন লাগে। তখন আমি বোধ হয় একটু বোকাপ্রকৃতির ছিলাম। বড় হয়েছি মায়ের কড়া অনুশাসনের মধ্যে। স্কুল-কলেজে তিনিই সব সময় আনা-নেওয়া করতেন আমাকে। ফলে একা একা তেমনভাবে বাইরে কোথাও যাওয়া হতো না। একবার আমার এক বান্ধবীর কাছ থেকে তার আত্মীয়ের গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেলাম। দাওয়াত পেয়ে আমি তো মহা খুশি। আমি ও লিজা—দুই বন্ধু মিলে যাব।
অনুষ্ঠানের দিন বেরিয়ে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করলাম। নিজেদের যেন স্বাধীন মনে হচ্ছে। এরপর সন্ধ্যায় গেলাম দাওয়াতে। ততক্ষণে আমি ও লিজা দুজনেই ভীষণ ক্ষুধার্ত। ওদের বাড়ি পৌঁছে গায়েহলুদের মঞ্চের কাছে না গিয়ে আগে খেতে বসলাম আমরা। সারি সারি টেবিলে খাচ্ছেন সবাই। আমরাও গিলছি হাপুসহুপুস। একেক পদ আসছে, আর খাচ্ছি—কোনো দিকে খেয়াল নেই।
খাবারের শেষ পর্যায়ে এল ডাল। থালাভর্তি ডাল নিলাম আমরা। বিপদটা ঘটল তখনই। অন্যান্য খাবার হাত দিয়ে খেয়েছি, কিন্তু ডাল তো আর হাত দিয়ে খাওয়া যাবে না—খেতে হবে চুমুক দিয়ে। এত লোকের মধ্যে চুমুক দিয়ে ডাল খাব, বিষয়টা কেমন দেখাবে, কে কী বলবে—এ নিয়ে দ্বিধায় পড়ে গেলাম। এদিকে পেটে তখনো খিদে। আমি ও লিজা পরস্পরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছি। কী করব এখন, প্লেট রেখে উঠে যাব? অবশেষে হাত দিয়েই খেতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু ডাল কি আর হাত দিয়ে খাওয়া যায়!
ঘটনাটি মনে হলে অজান্তেই হাসি পায় এখনো। ভাবি, কী বোকা-ই না ছিলাম সে সময়!
পণ্ডিত ছোট ভাই: ন্যান্সি
তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময়ের একটা ঘটনা।
আমি আর আমার বড় ভাই দুজন পিঠাপিঠি। স্বাভাবিকভাবে যা হয়, পিঠাপিঠিদের মধ্যে খুনসুটি, ঝগড়া সব সময় একটু বেশিই হয়ে থাকে। ভাইয়ার একটা অভ্যাস ছিল, আমি পরার আগেই আমার নতুন যেকোনো জামা পরে ফেলা; সেটা ফ্রক, সালোয়ার যা-ই হোক না কেন। এই প্রতিযোগিতার কারণে আমিও সুযোগ পেলেই শার্ট, গেঞ্জি—ওর নতুন যেকোনো কাপড় পরতাম। একবার ঈদে একটা ফন্দি আঁটলাম। ভাইয়া ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যেই না গোসলের জন্য বাথরুমে ঢুকল, অমনি ওর সব নতুন কাপড় লুকিয়ে রেখে দিলাম আমি। ভাইয়া তো বাথরুম থেকে বেরিয়ে রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা, থতমত খেয়ে গেল!
এবার আমি তাঁকে পরার জন্য এগিয়ে দিলাম আমার নতুন একটা জামা! আর বললাম, আমার সব নতুন জামা তো তুমিই আগে পরো। নাও, এটাও পরো। এটা পরে নামাজে যাও। তখন ভাইয়ার চেহারাটা ছিল দেখার মতো! নিজের পোশাকের জন্য তাঁর সে কী অনুনয়-বিনয়! আমিও নাছোড়বান্দা। সময় গুনে এক ঘণ্টা অবধি বসিয়ে রেখে পাঞ্জাবিটা বের করে দিলাম। ওর সেই কাঁচুমাচু চেহারাটা আজও মনে পড়ে।
এ রকম ঘটনা আছে ছোট ভাইয়ের সঙ্গেও। আমাদের ‘পণ্ডিত’ ছোট ভাই। যেকোনো বিষয়ে পণ্ডিতি করা তার স্বভাব! একবার ভাবলাম, তার পণ্ডিতি ছুটানো দরকার। তাই যথারীতি আবারও ফন্দি। করলাম কী, এক ঈদে ওর জন্য কিনলাম মেয়েদের একটা ফতুয়া। বাসায় এসে বললাম, তোর জন্য বেশ ভালো একটা গিফট আছে। ঈদের দিন দেব। কথানুযায়ী ঈদের দিন ওকে বের করে দিলাম সেই ফতুয়াটা। সে বলল, এটা বোধ হয় মেয়েদের ফতুয়া। আমি তৎক্ষণাৎ ঝাড়ি দিলাম, পোশাক সম্পর্কে তোর কোনো ধারণা আছে! এটা হচ্ছে লেটেস্ট মডেলের ফতুয়া! এটা শুনে ও হাসিমুখে ফতুয়াটা গায়ে জড়িয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেল। বিকেলে দেখি ও মুখ গোমড়া করে বাসায় ফিরছে। বেচারাকে নাকি বন্ধুরা ইচ্ছামতো ঠাট্টা করেছে। এই ঘটনাগুলো যখন মনে পড়ে, তখন না হেসে পারি না।
ভিক্ষুকের সঙ্গে হ্যান্ডশেক: চঞ্চল চৌধুরী
মজার স্মৃতিচারণার প্রতি আমাদের দুর্বলতা সব সময়ের। এই তো কয়েক দিন আগে ঘটে গেল আরেক মজার কাণ্ড। গাজীপুরের পুবাইলে ঈদের নাটকের শুটিং করছিলাম। নাটকের নাম শখের আশি তোলা। নাটকটি রচনা করেছেন বৃন্দাবন দাস। বিটিভির ঈদের নাটক হিসেবে ফরিদুর রহমানের পরিচালনায় এটি তৈরি করা হয়েছে। নাটকে আমি একজন ভিক্ষুকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। আমার সঙ্গে আরও দুজন ভিক্ষুকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, স্বাধীন খসরু ও ফারুক হোসেন।
পুবাইল রেলস্টেশনে তিনজন ভিক্ষা করি। দূরে ক্যামেরাটা লুকিয়ে রাখা ছিল। ট্রেন আসে। লোকজনের ভিড়। অনায়াসে ভিক্ষা দিচ্ছে। কিন্তু দু-একজন যখন চিনতে পারল, তখন তারা ভিক্ষা দিয়ে হ্যান্ডশেক করতে লাগল। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দিয়ে আবার তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক—ভাবা যায়! কেমন মজার কাণ্ড! সত্যিই এক ইউনিক ব্যাপার।
তারপর আমরা তিনজন মাথা লুকিয়ে ফেললাম, শুধু থালাটা বাড়িয়ে দিতাম। প্রচুর ভিক্ষা পেতে থাকলাম। ১০, ২০ টাকা করে অনেক নোট। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রায় ৫০০ টাকা ভিক্ষা পেলাম। তারপর তা দিয়ে শুটিং ইউনিটে প্রচুর খাওয়া-দাওয়া হলো। মজার ঘটনা বটে, কিন্তু জীবনে নতুন এক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হলো।
ধপাস!: তিশা
ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় ছিল সিনেমার পোকা। সাজগোজ খুব পছন্দ করতাম। ভাবতাম, বাণিজ্যিক সিনেমার নায়িকা হয়ে গেছি আমি। সুযোগ পেলেই সিনেমা দেখি। বাসার বাথরুমের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একা একা সিনেমার নায়ক-নায়িকাদের মতো ভাবভঙ্গি করি। কখনো নিজেকে মনে হয় ববিতা, কখনো ভাবি, মাধুরী হয়ে গেছি!
সিনেমায় দেখতাম গান গাইতে গাইতে নায়ক-নায়িকারা নানা রকম অভিব্যক্তি করে—পাহাড়ের ওপর ওঠে, গাছের ডাল ধরে ঝোলে। তাদের দেখাদেখি বাথরুমের টাওয়েলস্টান্ডকে গাছের ডাল ভেবে সেখানে ঝুলতাম আমি। ঝুলতে ঝুলতে মনে মনে কত যে গানের কলি আওড়াতাম! একদিন বাথরুমের টাওয়েলস্টান্ডে ঝুলে মনের সুখে গান গাইছি। এর মধ্যে একটি শব্দ হলো—ধপাস! ঘটনা কী? নায়িকাবেশী আমার ঝোলাঝুলির অত্যাচারে ভেঙে গেছে টাওয়েলস্টান্ড! এভাবে অনেকবারই টাওয়েলস্টান্ড ভেঙেছি আমি।
আবার নায়িকাদের মতো করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভেজা চুল শুকানো, চুল ঝাঁকানোও ছিল আমার নিয়মিত রুটিনের একটি। এটি করতে খুব ভালো লাগত আমার। কিন্তু কাজটি করার সময় আমার চুলের ঝাঁকুনিতে মাঝেমধ্যেই বাথরুমের বাতি যেত ভেঙে। ঘটনাগুলো মনে হলে হাসি পায় আজও।
ছেলেবেলায় সিনেমার নায়িকা হতে চাইতাম। পরে সেই বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি আমি। আসলে জীবনটা বড়ই মজার, কখন কী ঘটে কিছুই বলা যায় না।
বখাটে ও বাঁদর: আরফিন রুমী
ছেলেবেলায় ভীষণ দুষ্টু ছিলাম। আমি পড়ি চতুর্থ শ্রেণীতে, আর আমার বড় ভাই পঞ্চম শ্রেণী পড়ুয়া। দুই ভাই মিলে পুরোনো ঢাকার রায়সাহেব বাজারে কত যে দুষ্টুুমি করেছি, মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।
টেলিভিশনের অ্যান্টেনাকে বলতাম অ্যারিয়াল। পাড়ার কারও ওপর রেগে গেলে গোপনে তাদের অ্যারিয়ালের তার কেটে দিতাম, যাতে তারা টিভি দেখতে না পারে। পরে কেউ আমাদের জিজ্ঞেস করলে এমন ভাব করতাম, যেন কিছুই জানি না। পাড়ায় একসময় উঠতি বখাটেদের উৎপাত খুব বেড়ে গেল। একবার এদের কয়েকজন আমাদের বাড়ির ছাদের এক কোণে কিছু নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য লুকিয়ে রাখল। কিন্তু এমনই দস্যি আমরা, কিছুই লুকোনো সম্ভব নয় আমাদের কাছ থেকে। এগুলো যে নিষিদ্ধ দ্রব্য, ছোট হলেও তা আমরা বুঝতে পেরেছিলাম।
ওই বখাটেরা আমাদের চেয়ে বয়সে বড় হলেও, আমরা এত দুরন্ত ছিলাম যে কাউকেই ভয় পেতাম না। তাই আমি আর আমার বড় ভাই চুপি চুপি মাদকগুলো নিয়ে ফেলে দিলাম বাড়ির পাশের নর্দমায়। এরপর ওই ছেলেগুলো আমাদের ছাদে এসে ইতিউতি খুঁজতে থাকে। আর আমরা ভালো মানুষের মতো মুখ করে বলি, ‘কী খোঁজেন ভাই?’ তারা বলে, ‘একটা জিনিস রেখে গিয়েছিলাম, তোরা চিনবি না।’ আমরা আবার বলি, ‘কী জিনিস?’ তখন তারা তো ওই মাদকের নামটি আর বলতে পারে না আমাদের। সবকিছু বুঝে মিটিমিটি হাসি আমরা। একসময় তাদের বললাম, ‘আমাদের এখানে অনেক বানর আছে তো, ওরাই বোধ হয় পছন্দ করে আপনাদের জিনিসগুলো নিয়ে গেছে।’ তারা কী বুঝল, জানি না। মুহূর্তে কালো হয়ে গেল সবার মুখ। ফিরে গেল তারা। আমাদের মতো ‘বাঁদর’কে ধরা তাদের কম্ম নয়—এই ভেবে আমরা দুই ভাই তো তখন হেসেই লুটোপুটি...।
মেলার বিশাল গেট। সবাই মিলে ঢুকলাম। অনেক বড় জায়গা নিয়ে মেলা চলছে। ভিড়ও বেশি। আমরা সবাই সবার হাত ধরে মেলার ভেতর হেঁটে যাচ্ছি, রংবেরঙের জিনিস দেখছি। খুবই আনন্দ পাচ্ছি। মেলার কিছুদূর যাওয়ার পর দেখি, হাতের সংখ্যা কমে গেছে। মানে সবার হাতে সবার হাত নেই। কেউ কেউ ছিটকে গেছে। ভয় পেলাম। বের হওয়ার কোনো পথ পাচ্ছি না। মেলার দরজাও খুঁজে পাচ্ছি না। এর মধ্যে আমরা কয়েকজনকে মেলার মধ্যে হারিয়ে ফেলেছি! কান্না আসছে। আমার খালার ভাশুরের ছেলে কীভাবে যেন আমাদের দেখেছেন। তিনি কাছে এসে বললেন, ‘এই তোমরা কার সঙ্গে এখানে এসেছ?’
আমাদের মুখে কোনো কথা নেই। ভয়ে আর একটু হলে কেঁদেই ফেলতাম। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি আমাদের সবাইকে খুঁজে বের করে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করলেন। আর বাড়ি ফেরার পর যা হওয়ার তা-ই হলো। বাবা-মা দুজনে মিলে আচ্ছা রকম বকা দিলেন। এর পর থেকে আমার ওপর বাড়ির সবার নজরদারি বেড়ে গেল। ওই দিনের কথা মনে হলে এখনো খুব হাসি পায়।
২.
তখন সবে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেছি। কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিটি তখনো মুক্তি পায়নি। দোলা নামে একটি ছবিতে আমার সহশিল্পী সানী। এটা ছিল সানীর সঙ্গে প্রথম কাজ। ছবিটির একটা দৃশ্যে পরিচালক আমাকে বললেন, ‘মৌসুমী, এবার তোমার ক্লোজ শট নেওয়া হবে। তুমি আগের শটের কিউ ধরে সংলাপ দেবে।’ প্রথম প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করছি। চলচ্চিত্রের ছোটখাটো অনেক ভাষা তখনো আমি বুঝে উঠতে পারিনি। তার পরও আমি মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিলাম। দৃশ্যটি ধারণের সব প্রস্তুতি শেষ। পরিচালক ১..২...৩..গুনেই ‘অ্যাকশন’ বললেন। দৃশ্য ধারণ চলছে। আমি সংলাপ না বলে সানীকে জিজ্ঞাসা করছি, ‘সানী ভাই, কিউ বিষয়টি কী?’ আমার এ অবস্থা দেখে পরিচালক ‘কাট কাট কাট’ বলে চিৎকার করে দৃশ্য ধারণ বন্ধ করলেন। ইউনিটের সবাই হো হো করে হেসে উঠলেন। আমি একটু লজ্জা পেলাম। সেদিনকার ওই দৃশ্যের কথা মনে পড়লে এখনো হাসি আসে।
মান্না ভাইয়ের চিৎকার: নিপুণ
তখন আমার বয়স ছয়-সাত হবে, ছোট ভাইয়ের বয়স দুই কি তিন। একদিন বাসায় বাবা আমাকে আর ছোট ভাইকে পাশে বসিয়ে মজার মজার গল্প করছিলেন। পাশেই টেবিলে একটা ঝুড়িতে আঙুর ছিল। একটা আঙুর ছোট ভাইয়ের মুখে তুলে দিলেন বাবা। আমি কী করলাম, ছোট ভাইয়ের মুখের মধ্যে আঙুল দিয়ে ওই আঙুরটি বের করে এনে নিজেই খেয়ে ফেললাম। বাবা তো রাগ করে বসলেন। বললেন, ‘এইটা তুমি কী করলা? আরও তো আঙুর আছে, ওখান থেকে তো খেতে পারতা।’ আমি বললাম, ‘ওখান থেকে খাব না। আমি ওর মুখেরটাই খাব।’ হা-হা-হা।
ছোটবেলার ঘটনাটার কথা মনে হলে হাসি এসে যায়।
২.
আরেকটি হাসির ঘটনা খুব মনে পড়ে। সেটা চলচ্চিত্রে। রিকশাওয়ালার প্রেম ছবির শুটিংয়ের ঘটনা। আমার সহশিল্পী মান্না ভাই। শুটিংয়ের অনেকগুলো দৃশ্যে দেখা যাবে আমি মান্না ভাইয়ের পিঠের ওপর পা দিয়ে রিকশায় চড়ি। প্রথম দিন এ দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে বাধল হুজ্জত। রিকশা সামনে। মান্না ভাই পিঠ পেতে দিয়েছেন আমাকে ওঠার জন্য। আমার পায়ে বুট। চলচ্চিত্রে তখন আমি নতুন। কৌশলও কম বুঝি। আমি লাফ দিয়ে পিঠের ওপর চড়ে রিকশায় উঠব। এমন জোরে ভর করে পিঠের ওপর উঠেছি, মান্না ভাই রীতিমতো চিৎকার দিয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। ওদিকে আমি উল্টে পড়ার উপক্রম। মান্না ভাই উঠে কোনোমতে আমাকে ধরে ফেলেছেন।
কাট হয়ে গেল দৃশ্য। এরপর মান্না ভাই পায়ের সামনের অংশে ভর করে পিঠে পা রেখে রিকশায় ওঠার কৌশল শিখিয়ে দিলেন। যতবার শেখাচ্ছেন, ততবারই ওই আগের ঘটনাই ঘটছে। বুটের চাপে মান্না ভাইয়ের পিঠের অবস্থা খারাপ হয়ে গেল। এভাবে বিশবার ধারণের পরও যখন দৃশ্য ওকে হলো না, তখন মান্না ভাই আমাকে বললেন, ‘এত কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না। তুমি প্রথম যেভাবে পিঠের ওপর পা রেখে রিকশায় উঠতে গিয়েছিলে, ওভাবেই ওঠো। কষ্ট হলে একবারই হোক।’
ওই দিনকার শুটিংয়ের কথা মনে হলে খুব হাসি পায়।
তিন ঘা বেত: শাকিব খান
তখন স্কুলে পড়ি। সম্ভবত ষষ্ঠ কি সপ্তম শ্রেণীতে। শিশির নামে আমাদের এক বন্ধু ছিল। ক্লাসে ও নিজেকে নেতা নেতা ভাব দেখাত। সব কাজেই ওর নাক গলানোর অভ্যাস ছিল। একদিন আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে ফন্দি আঁটলাম, শিশিরের এই মাতব্বরি ঠেকাতেই হবে। আমাদের স্কুলের পাশের গ্রামে মোবারক নামে এক পাগল থাকত। প্রায়ই স্কুলের পাশে ঘুরঘুর করত। আমরা বুদ্ধি করলাম, ক্লাস চলার সময়ে পেছন থেকে সাদা কাগজে ‘মোবারক’ লিখে শিশিরের পেছনে হালকা করে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দেব। কথামতো কাজ। ক্লাস শেষ হয়েছে। শিশির স্কুলে ঘোরাঘুরি করছে। সবাই ওর দিকে তাকিয়ে ‘মোবারক মোবারক’ বলে আওয়াজ করছে। হাসাহাসি করছে। তখনো সে বুঝে উঠতে পারেনি। কিন্তু তাকে ঘিরে কিছু একটা হয়েছে, তা সে মনে মনে আন্দাজ করতে পারছে। এক সময় আমাদের আরেক বন্ধু ওর পিঠ থেকে মোবারক লেখা কাগজটি ছিঁড়ে ওকে দেখাল। শিশির তো রেগেমেগে অস্থির। কাউকে কিছু বলতেও পারছে না। কে ওর সঙ্গে এই রসিকতা করেছে, তা মনে মনে সে খোঁজা শুরু করেছে। আমরাও ওর সঙ্গে তাল দিয়ে যাচ্ছি, ‘দোস্ত, এ ঘটনা কে ঘটাল? খুঁজে বের করতেই হবে। আমরাও তোকে সাহায্য করব।’
এভাবে দু-চার দিন গেল। আমরা সেই কয়েকজন বন্ধু যুক্তি আঁটলাম, আবারও এ ঘটনা ঘটাতে হবে। আবারও কথামতো সব প্রস্তুতি শেষ। ক্লাস চলছে। পেছন থেকে এক বন্ু্ল শিশিরের জামায় কাগজটি আটকাতে গিয়েই ধরা পড়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে শিশির ক্লাসের স্যারকে বিচার দিল। আমাদের দলে কয়জন আছে, তাও বেরিয়ে গেল। বিচারস্বরূপ আমাদের তিন ঘা করে বেত আর ক্লাস চলাকালীন পুরো সময় বেঞ্চের ওপর কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। এখনো এ ঘটনা মনে হলে হাসি চলে আসে। হি-হি-হি...।
‘ও বাবাগো, ও মাগো’: রিয়াজ
সালাহউদ্দিন লাভলুর মোল্লাবাড়ীর বউ ছবিতে শাবনূর আর মৌসুমী দুজনই আমার বউ। এ টি এম শামসুজ্জামান আমার বাবা। একটা দৃশ্যে মৌসুমী আমাকে পুকুরের পানিতে চোবাবে। আমি কোনোমতে তার হাত থেকে বের হয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে এসে ঘরে ঢুকে এ টি এম শামসুজ্জামানের কাছে বলব, ‘বাবা বাবা, তোমার বেটার বউ আমাকে পানিতে চোবাল কেন?’ দৃশ্যটির কথা শুনে এ টি এম শামসুজ্জামান বললেন, ‘ওভাবে না। আমি নামাজে থাকব, তুমি এসেই আমার গায়ের ওপর লাফ দিয়ে পড়েই সংলাপগুলো বলবে।’ আমি বললাম, ‘গায়ের ওপর পড়লে তো আপনি ব্যথা পাবেন।’ উনি বললেন, ‘আরে কিচ্ছু হবে না। তুমি করেই দেখো না।’
আমি তাঁর কথামতো পুকুর থেকে উঠে দৌড়ে ঘরে ঢুকেই ‘বাবা বাবা’ চিৎকার করে তাঁর গায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। পড়ার পর দুজনই ‘ও বাবাগো ও মাগো’ বলে গড়াতে গড়াতে ঘরের বাইরে এসে পড়লাম। ততক্ষণে আমরা দুজনেই ক্যামেরার বাইরে চলে এসেছি। দৃশ্যটি কাট হয়ে গেল। কিন্তু এ টি এম শামসুজ্জামানের কাতরানি তখনো থামেনি। সত্যি সত্যি তিনি ব্যথা পেয়েছেন। দৃশ্যটি পুনরায় ধারণের জন্য পরিচালক হাঁক দিলেন। আমি আগের মতো করেই দৃশ্যটি করব কি না, তা জানার জন্য এ টি এম শামসুজ্জামানকে জিজ্ঞাসা করলাম। শুনেই আঁতকে উঠলেন তিনি। বললেন, ‘ওরে বাবারে... আর না, আর না। এভাবে আর কোরো না। এবার আমার গায়ের ওপর পড়লে তো আমি মরেই যাব।’
পুরো শুটিং ইউনিটের হাসতে হাসতে পেটে খিল। এখনো ওই দৃশ্যের কথা মনে হলে হাসি পায়।
‘বাসায় ফিরে ভাত খাচ্ছি’: পূর্ণিমা
অনেক দিন আগের কথা। সাল মনে নেই। মনোয়ার হোসেন খোকনের একটি চলচ্চিত্রে কাজ করছি। গুলশানের ওহাব সাহেবের বাড়িতে শুটিং চলছে। বিকেল হয়ে আসছে। ছবিতে আমি আর বাবা দুজনে রিকশায় করে বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরব—এমন কিছু দৃশ্য ধারণ করবেন পরিচালক। আমি আর বাবার চরিত্রে যিনি অভিনয় করছিলেন, দুজনে মিলে রিকশায় করে ঘুরছি। পরিচালক দৃশ্য ধারণ করছেন। আমাদের রিকশার পেছন পেছন দূরত্ব রেখে আমার গাড়িও আসছে। দৃশ্যগুলো ধারণ শেষ হলে মনোয়ার খোকন আমাকে বললেন, ‘পূর্ণিমা, তুমি বাসায় চলে যাও।’ গাড়ি রিকশার পেছনেই ছিল। আমি গাড়িতে করে আমার বাসায় চলে আসি। মেকআপ তুলে ফ্রেশ হয়ে কেবল খেতে বসেছি, এর মধ্যে পরিচালকের ফোন, ‘তাড়াতাড়ি হাউসের বাইরে এসো। দৃশ্য ধারণের প্রস্তুতি সব শেষ। এখনই কাজটি করে ফেলি, সূর্য চলে যাচ্ছে।’
আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। বললাম, ‘মানে, খোকন ভাই, আমি তো বাসায় চলে এসেছি। ভাত খাচ্ছি। আপনি তো আমাকে বাসায় চলে যেতে বললেন।’
শুনেই পরিচালক বলে উঠলেন, ‘বলো কী! তুমি বাসায় মানে...আমি তো তোমাকে শুটিংয়ের বাসায় যেতে বলেছি।’
আমি তো হাসতে হাসতে শেষ। সেদিন আর শুটিং করা হয়নি। প্যাকআপ। ঘটনাটার কথা মনে হলে এখনো একা একাই হেসে ফেলি।
পেটে তখন খিদে: জয়া
স্কুল পেরিয়ে সবে ইন্টারমিডিয়েটে উঠেছি। কেমন যেন সবকিছু নতুন নতুন লাগে। তখন আমি বোধ হয় একটু বোকাপ্রকৃতির ছিলাম। বড় হয়েছি মায়ের কড়া অনুশাসনের মধ্যে। স্কুল-কলেজে তিনিই সব সময় আনা-নেওয়া করতেন আমাকে। ফলে একা একা তেমনভাবে বাইরে কোথাও যাওয়া হতো না। একবার আমার এক বান্ধবীর কাছ থেকে তার আত্মীয়ের গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেলাম। দাওয়াত পেয়ে আমি তো মহা খুশি। আমি ও লিজা—দুই বন্ধু মিলে যাব।
অনুষ্ঠানের দিন বেরিয়ে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করলাম। নিজেদের যেন স্বাধীন মনে হচ্ছে। এরপর সন্ধ্যায় গেলাম দাওয়াতে। ততক্ষণে আমি ও লিজা দুজনেই ভীষণ ক্ষুধার্ত। ওদের বাড়ি পৌঁছে গায়েহলুদের মঞ্চের কাছে না গিয়ে আগে খেতে বসলাম আমরা। সারি সারি টেবিলে খাচ্ছেন সবাই। আমরাও গিলছি হাপুসহুপুস। একেক পদ আসছে, আর খাচ্ছি—কোনো দিকে খেয়াল নেই।
খাবারের শেষ পর্যায়ে এল ডাল। থালাভর্তি ডাল নিলাম আমরা। বিপদটা ঘটল তখনই। অন্যান্য খাবার হাত দিয়ে খেয়েছি, কিন্তু ডাল তো আর হাত দিয়ে খাওয়া যাবে না—খেতে হবে চুমুক দিয়ে। এত লোকের মধ্যে চুমুক দিয়ে ডাল খাব, বিষয়টা কেমন দেখাবে, কে কী বলবে—এ নিয়ে দ্বিধায় পড়ে গেলাম। এদিকে পেটে তখনো খিদে। আমি ও লিজা পরস্পরের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছি। কী করব এখন, প্লেট রেখে উঠে যাব? অবশেষে হাত দিয়েই খেতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু ডাল কি আর হাত দিয়ে খাওয়া যায়!
ঘটনাটি মনে হলে অজান্তেই হাসি পায় এখনো। ভাবি, কী বোকা-ই না ছিলাম সে সময়!
পণ্ডিত ছোট ভাই: ন্যান্সি
তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময়ের একটা ঘটনা।
আমি আর আমার বড় ভাই দুজন পিঠাপিঠি। স্বাভাবিকভাবে যা হয়, পিঠাপিঠিদের মধ্যে খুনসুটি, ঝগড়া সব সময় একটু বেশিই হয়ে থাকে। ভাইয়ার একটা অভ্যাস ছিল, আমি পরার আগেই আমার নতুন যেকোনো জামা পরে ফেলা; সেটা ফ্রক, সালোয়ার যা-ই হোক না কেন। এই প্রতিযোগিতার কারণে আমিও সুযোগ পেলেই শার্ট, গেঞ্জি—ওর নতুন যেকোনো কাপড় পরতাম। একবার ঈদে একটা ফন্দি আঁটলাম। ভাইয়া ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যেই না গোসলের জন্য বাথরুমে ঢুকল, অমনি ওর সব নতুন কাপড় লুকিয়ে রেখে দিলাম আমি। ভাইয়া তো বাথরুম থেকে বেরিয়ে রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা, থতমত খেয়ে গেল!
এবার আমি তাঁকে পরার জন্য এগিয়ে দিলাম আমার নতুন একটা জামা! আর বললাম, আমার সব নতুন জামা তো তুমিই আগে পরো। নাও, এটাও পরো। এটা পরে নামাজে যাও। তখন ভাইয়ার চেহারাটা ছিল দেখার মতো! নিজের পোশাকের জন্য তাঁর সে কী অনুনয়-বিনয়! আমিও নাছোড়বান্দা। সময় গুনে এক ঘণ্টা অবধি বসিয়ে রেখে পাঞ্জাবিটা বের করে দিলাম। ওর সেই কাঁচুমাচু চেহারাটা আজও মনে পড়ে।
এ রকম ঘটনা আছে ছোট ভাইয়ের সঙ্গেও। আমাদের ‘পণ্ডিত’ ছোট ভাই। যেকোনো বিষয়ে পণ্ডিতি করা তার স্বভাব! একবার ভাবলাম, তার পণ্ডিতি ছুটানো দরকার। তাই যথারীতি আবারও ফন্দি। করলাম কী, এক ঈদে ওর জন্য কিনলাম মেয়েদের একটা ফতুয়া। বাসায় এসে বললাম, তোর জন্য বেশ ভালো একটা গিফট আছে। ঈদের দিন দেব। কথানুযায়ী ঈদের দিন ওকে বের করে দিলাম সেই ফতুয়াটা। সে বলল, এটা বোধ হয় মেয়েদের ফতুয়া। আমি তৎক্ষণাৎ ঝাড়ি দিলাম, পোশাক সম্পর্কে তোর কোনো ধারণা আছে! এটা হচ্ছে লেটেস্ট মডেলের ফতুয়া! এটা শুনে ও হাসিমুখে ফতুয়াটা গায়ে জড়িয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেল। বিকেলে দেখি ও মুখ গোমড়া করে বাসায় ফিরছে। বেচারাকে নাকি বন্ধুরা ইচ্ছামতো ঠাট্টা করেছে। এই ঘটনাগুলো যখন মনে পড়ে, তখন না হেসে পারি না।
ভিক্ষুকের সঙ্গে হ্যান্ডশেক: চঞ্চল চৌধুরী
মজার স্মৃতিচারণার প্রতি আমাদের দুর্বলতা সব সময়ের। এই তো কয়েক দিন আগে ঘটে গেল আরেক মজার কাণ্ড। গাজীপুরের পুবাইলে ঈদের নাটকের শুটিং করছিলাম। নাটকের নাম শখের আশি তোলা। নাটকটি রচনা করেছেন বৃন্দাবন দাস। বিটিভির ঈদের নাটক হিসেবে ফরিদুর রহমানের পরিচালনায় এটি তৈরি করা হয়েছে। নাটকে আমি একজন ভিক্ষুকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। আমার সঙ্গে আরও দুজন ভিক্ষুকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, স্বাধীন খসরু ও ফারুক হোসেন।
পুবাইল রেলস্টেশনে তিনজন ভিক্ষা করি। দূরে ক্যামেরাটা লুকিয়ে রাখা ছিল। ট্রেন আসে। লোকজনের ভিড়। অনায়াসে ভিক্ষা দিচ্ছে। কিন্তু দু-একজন যখন চিনতে পারল, তখন তারা ভিক্ষা দিয়ে হ্যান্ডশেক করতে লাগল। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দিয়ে আবার তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক—ভাবা যায়! কেমন মজার কাণ্ড! সত্যিই এক ইউনিক ব্যাপার।
তারপর আমরা তিনজন মাথা লুকিয়ে ফেললাম, শুধু থালাটা বাড়িয়ে দিতাম। প্রচুর ভিক্ষা পেতে থাকলাম। ১০, ২০ টাকা করে অনেক নোট। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রায় ৫০০ টাকা ভিক্ষা পেলাম। তারপর তা দিয়ে শুটিং ইউনিটে প্রচুর খাওয়া-দাওয়া হলো। মজার ঘটনা বটে, কিন্তু জীবনে নতুন এক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হলো।
ধপাস!: তিশা
ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় ছিল সিনেমার পোকা। সাজগোজ খুব পছন্দ করতাম। ভাবতাম, বাণিজ্যিক সিনেমার নায়িকা হয়ে গেছি আমি। সুযোগ পেলেই সিনেমা দেখি। বাসার বাথরুমের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একা একা সিনেমার নায়ক-নায়িকাদের মতো ভাবভঙ্গি করি। কখনো নিজেকে মনে হয় ববিতা, কখনো ভাবি, মাধুরী হয়ে গেছি!
সিনেমায় দেখতাম গান গাইতে গাইতে নায়ক-নায়িকারা নানা রকম অভিব্যক্তি করে—পাহাড়ের ওপর ওঠে, গাছের ডাল ধরে ঝোলে। তাদের দেখাদেখি বাথরুমের টাওয়েলস্টান্ডকে গাছের ডাল ভেবে সেখানে ঝুলতাম আমি। ঝুলতে ঝুলতে মনে মনে কত যে গানের কলি আওড়াতাম! একদিন বাথরুমের টাওয়েলস্টান্ডে ঝুলে মনের সুখে গান গাইছি। এর মধ্যে একটি শব্দ হলো—ধপাস! ঘটনা কী? নায়িকাবেশী আমার ঝোলাঝুলির অত্যাচারে ভেঙে গেছে টাওয়েলস্টান্ড! এভাবে অনেকবারই টাওয়েলস্টান্ড ভেঙেছি আমি।
আবার নায়িকাদের মতো করে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভেজা চুল শুকানো, চুল ঝাঁকানোও ছিল আমার নিয়মিত রুটিনের একটি। এটি করতে খুব ভালো লাগত আমার। কিন্তু কাজটি করার সময় আমার চুলের ঝাঁকুনিতে মাঝেমধ্যেই বাথরুমের বাতি যেত ভেঙে। ঘটনাগুলো মনে হলে হাসি পায় আজও।
ছেলেবেলায় সিনেমার নায়িকা হতে চাইতাম। পরে সেই বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি আমি। আসলে জীবনটা বড়ই মজার, কখন কী ঘটে কিছুই বলা যায় না।
বখাটে ও বাঁদর: আরফিন রুমী
ছেলেবেলায় ভীষণ দুষ্টু ছিলাম। আমি পড়ি চতুর্থ শ্রেণীতে, আর আমার বড় ভাই পঞ্চম শ্রেণী পড়ুয়া। দুই ভাই মিলে পুরোনো ঢাকার রায়সাহেব বাজারে কত যে দুষ্টুুমি করেছি, মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।
টেলিভিশনের অ্যান্টেনাকে বলতাম অ্যারিয়াল। পাড়ার কারও ওপর রেগে গেলে গোপনে তাদের অ্যারিয়ালের তার কেটে দিতাম, যাতে তারা টিভি দেখতে না পারে। পরে কেউ আমাদের জিজ্ঞেস করলে এমন ভাব করতাম, যেন কিছুই জানি না। পাড়ায় একসময় উঠতি বখাটেদের উৎপাত খুব বেড়ে গেল। একবার এদের কয়েকজন আমাদের বাড়ির ছাদের এক কোণে কিছু নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য লুকিয়ে রাখল। কিন্তু এমনই দস্যি আমরা, কিছুই লুকোনো সম্ভব নয় আমাদের কাছ থেকে। এগুলো যে নিষিদ্ধ দ্রব্য, ছোট হলেও তা আমরা বুঝতে পেরেছিলাম।
ওই বখাটেরা আমাদের চেয়ে বয়সে বড় হলেও, আমরা এত দুরন্ত ছিলাম যে কাউকেই ভয় পেতাম না। তাই আমি আর আমার বড় ভাই চুপি চুপি মাদকগুলো নিয়ে ফেলে দিলাম বাড়ির পাশের নর্দমায়। এরপর ওই ছেলেগুলো আমাদের ছাদে এসে ইতিউতি খুঁজতে থাকে। আর আমরা ভালো মানুষের মতো মুখ করে বলি, ‘কী খোঁজেন ভাই?’ তারা বলে, ‘একটা জিনিস রেখে গিয়েছিলাম, তোরা চিনবি না।’ আমরা আবার বলি, ‘কী জিনিস?’ তখন তারা তো ওই মাদকের নামটি আর বলতে পারে না আমাদের। সবকিছু বুঝে মিটিমিটি হাসি আমরা। একসময় তাদের বললাম, ‘আমাদের এখানে অনেক বানর আছে তো, ওরাই বোধ হয় পছন্দ করে আপনাদের জিনিসগুলো নিয়ে গেছে।’ তারা কী বুঝল, জানি না। মুহূর্তে কালো হয়ে গেল সবার মুখ। ফিরে গেল তারা। আমাদের মতো ‘বাঁদর’কে ধরা তাদের কম্ম নয়—এই ভেবে আমরা দুই ভাই তো তখন হেসেই লুটোপুটি...।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1355)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 16
(58)
- সিলেটে মির্জা ফখরুল- ইলিয়াস আলী ঘোষিত জেলা বিএনপির...
- গ্রামীণফোন-প্রথম আলো অলিম্পিক কুইজের ড্র অনুষ্ঠিত
- দুর্ভোগ সঙ্গী করে আনন্দযাত্রা by মোছাব্বের হোসেন
- টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ...
- ধর্ম- আল বিদা মাহে রমজান by আবদুস সবুর খান
- ব্লগ থেকে...
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল ব দ লে যা ও ব দ লে...
- শিক্ষার্থীদের আবেগ-অনুভূতি আমলে নিন- মেডিকেলে ভর্ত...
- সংলাপের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করুন- সংসদের চতু...
- চারদিক- দিঘিকাহিনি by আবদুল মান্নান
- দারিদ্র্য বিমোচন- ড. ইউনূস ও তাঁর ক্ষুদ্রঋণ-তত্ত্ব...
- শতাধিক চালক-সহকারী অপহরণ- ২৫ বছরে ৫০ বার হামলা by ...
- এবার চাই নতুন টুপি by মিঠুন চৌধুরী
- ঈদ জামাত কখন কোথায়
- চাঁদরাতের অপেক্ষা by আহমেদ মুনির
- বিরোধ ঘোচালেন মহিউদ্দিন by একরামুল হক
- আবার সালমান: এক থা টাইগার
- টেলিভিশনে আমরা এখন লাইভ বা সরাসরি অনুষ্ঠান দেখে অভ...
- ঈদ আনন্দ- মঞ্চে মজার ঘটনা
- বাবা নেই, আছে স্মৃতি। তারকা বাবার সঙ্গে কাটানো ঈদে...
- ঈদ আনন্দ- মনে পড়লেই হাসি পায়
- দোজখ থেকে মুক্তির মাস রমজান by মাওলানা এম এ করিম ই...
- আজ আধাবেলা পরশু পুরোবেলা ব্যাংক খোলা
- মহাসড়কে অতিরিক্ত গাড়ি, দীর্ঘ যানজট
- নৌপথে যাত্রীর চাপ সহনীয় by তৌফিক মারুফ
- মা-মেয়ের লাশ মিলল পাশাপাশি দুই কক্ষে
- ফলোআপ-ছাত্রলীগের নামে পুরান ঢাকায় চাঁদা তুলছে ম্যা...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নারায়ণগঞ্জে নিজ বাসায় মা ও মেয়ে খুন
- সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার রায় হতে পারে এ বছর by কুন...
- ঈদের কেনাকাটা- জাকাতের শাড়ির দাম বেশি, লুঙ্গির কম ...
- টিকিট কালোবাজারিতে কর্মকর্তারাও জড়িত!- ট্রেনের ছাদ...
- নদীতে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু- লঞ্চের ছাদে, মাঝনদী থেকে...
- প্রধানমন্ত্রীর 'ঈদ উপহার' ১০০% বিরোধী দলমুক্ত! by ...
- মঙ্গল অভিযানে নামছে ভারত
- পর্যটকদের কলেরার ব্যাপারে সতর্ক করেছে নেপাল
- 'সিরিয়ার আধা সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইরান'
- সব সিগারেটের প্যাকেট হবে একরকম
- স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট উদ্ভাবনে পুরস্কার
- ইরানের সঙ্গে ৩০ দিনের যুদ্ধের প্রস্তুতি আছে ইসরায়েলের
- জাপানের অবস্থানই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছে
- ত্রাণ তৎপরতা-সমালোচনার মুখে ইরান-* ২৪ ঘণ্টারও কম স...
- ঘরে ঘরে জ্বর-প্রতিকার ও প্রতিরোধ প্রয়োজন
- ঢাকা ফার্স্ট-বাসযোগ্য করার দায় আমাদেরই
- পবিত্র কোরআনের আলো-ফেরাউন বনি ইসরাইলের ওপর আরো নির...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম-সারা জ...
- চরাচর-পাহাড়ি জলধারা by বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
- সুশাসন ও জবাবদিহিতার অভাব by ইফতেখার আহমেদ টিপু
- একটি বিদায় সংবর্ধনা এবং কৃষি ও শিক্ষার সম্পর্ক by ...
- সময়চিত্র- ‘অধিক’ গণতন্ত্র: মালদ্বীপ মডেল by আসিফ...
- সময়চিত্র- ‘অধিক’ গণতন্ত্র: মালদ্বীপ মডেল by আসিফ...
- রাষ্ট্রপতিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার আশঙ্ক...
- ঢাকা এখন মেগাসিটি নয়! by শিশির মোড়ল
- ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে লিমনের মায়ের মামলা শেষ
- মাঠে দাম নেই, সরকারি পাটকলগুলো আবারও লোকসানে, উৎপা...
- সাদাকালো-অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে কিছু কথা by আহ...
- বলিউডে প্রতিশ্রুতিশীল একঝাঁক নতুন মুখ
- রূপর্চ্চায় বিউটি পার্লারমুখী সৌন্দর্য প্রিয় নারীরা
-
▼
Aug 16
(58)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
Exclusive
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment