Thursday, August 16, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম-সারা জীবনে এত অপ্রিয় সরকার দেখিনি
বিশেষ সাক্ষাৎকার : কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম-সারা জীবনে এত অপ্রিয় সরকার দেখিনি
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলে এর প্রতিবাদে তিনি ভারতে চলে যান। ১৯৯০ সালে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
১৯৯৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ নামের রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কালের কণ্ঠের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যুদ্ধাপরাধের বিচার, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
কালের কণ্ঠ : স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি ক্ষমতায়। কেমন করছে সরকার?
কাদের সিদ্দিকী : সরকার ভালো করলে আমার ভালো লাগত। কিন্তু রাস্তাঘাটে বের হলে যা দেখি, তাতে সরকার ভালো করছে- রোজার দিনে এ কথা হৃদয় থেকে বলতে পারছি না। এর জন্য নিজের কাছেই খারাপ লাগছে। আমার সারা জীবনের অভিজ্ঞতায় এমন অপ্রিয় সরকার আর দেখিনি। আইয়ুববিরোধী আন্দোলন করেছি, হাজার হাজার মানুষকে পাশে পেয়েছি; কিন্তু তখনো ঊনসত্তরের আগ পর্যন্ত গ্রামগঞ্জে সভা-সমাবেশ করতে গিয়ে আইয়ুব খানের পক্ষেও লোক দেখেছি। তারা অন্তর থেকে আইয়ুব খানকে সমর্থন করেছে। কিন্তু এখন মহাজোট সরকারের পক্ষে নিবেদিত একজনও সে রকমভাবে দেখি না। রাস্তাঘাটে তো দেখা যায় না, দলের অনেক নেতা-কর্মীও খুব হতাশ। তাই বলতে হয়, সরকার খুব একটা ভালো করছে না। যেখানেই যাবেন, সরকারের যে পরিমাণ সমালোচনা শুনবেন, অতীতে কোনো সরকারের এত সমালোচনা হয়নি।
মানুষের জীবন এখন নিরাপদ নয়, সম্পদ নিরাপদ নয়। প্রধানমন্ত্রী বললেন, বেডরুম পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়। দায়িত্বশীল সরকার হলে এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। মানুষের বেডরুম পাহারা তো বড় কথা, প্রয়োজন হলে বাথরুম পাহারা দিতে হবে। কারণ দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার অঙ্গীকার নিয়ে সরকার ক্ষমতায় এসেছে।
কালের কণ্ঠ : মহাজোট মন্ত্রিসভার সদস্যরা কেমন করছেন। আপনার মূল্যায়ন কী এই মন্ত্রিসভা নিয়ে?
কাদের সিদ্দিকী : মহাজোটের মন্ত্রিসভা মানুষকে আশাহত করেছে। মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি কিভাবে সরকার চালাবেন, সেটা তাঁর একান্তই নিজের বিষয়। গণতন্ত্রে দলের হওয়ার কথা সুপ্রিম পাওয়ার। সরকার কী করবে তা দল ঠিক করে দেবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে দলের কোনো ক্ষমতা নেই। সরকারের ওপর দলের ক্ষমতা ছিল ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট যখন সরকার গঠন করেছিল তখন। প্রধানমন্ত্রীকে দলের কাছে জবাবদিহি করতে হতো। বঙ্গবন্ধুও মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ সম্মানজনক মনে করেছিলেন। আগে দল ছিল ওপরে, সরকার ছিল নিচে। কিন্তু আজ দল নিচে, সরকার ওপরে। দলের যিনি প্রধান, সরকারেরও তিনি প্রধান- গণতন্ত্রের জন্য এটা অশনিসংকেত। এটা গণতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের নামান্তর, যা আমাদের দেশে চলছে। এমন এককেন্দ্রিক গণতন্ত্র স্বৈরতন্ত্রের চেয়েও খারাপ।
কালের কণ্ঠ : সরকার ভালো করছে না আপনি বললেন। বিরোধী দল বিএনপি কি মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে?
কাদের সিদ্দিকী : বিরোধী দল হয় সব সময় দেশবাসীর পাহারাদার। বিরোধী দল যদি তার যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে দেশের জনগণ নিরাপদ থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের কথা হলো, আমাদের দেশে সরকারের মতো বিরোধী দল দেশবাসীর প্রতি তাদের দায়িত্বের প্রমাণ দিতে পারেনি, যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছে না। বিরোধী দল কখনো যতটা গুরুত্বসহকারে গণমানুষের কথা তুলে ধরা উচিত ছিল, জনগণের দাবির জন্য আন্দোলন, সংগ্রাম করার কথা ছিল, তা তারা পারছে না। তারা যেটা করছে, তার অনেকটায় তাদের ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে। ফলে জনসাধারণ তাদের আস্থায় আনতে পারছে না। তারাও জনগণকে তাদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে পারছে না।
কালের কণ্ঠ : কোন ব্যবস্থার অধীনে পরবর্তী নির্বাচন হবে, এ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি মুখোমুখি। এ থেকে উত্তরণের উপায় কী?
কাদের সিদ্দিকী : অসৎ চিন্তা নিয়ে কোনো কাজ করলে বা অন্যের জন্য ফাঁদ খুঁড়লে সেই ফাঁদে নিজেকেই পড়তে হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সোচ্চার ছিলেন। এমনকি সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী, কেমন এবং কত প্রকার। সেই মানুষই সংবিধানে লিপিবদ্ধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অযথা একটা ঝামেলা তৈরির জন্য বাতিল করে দিলেন। দেশের রাজনীতিবিদদের আস্থাহীনতার কারণে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প এখনো নেই। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো মানুষের কাছে আস্থাশীল হয়ে উঠতে পারেনি। নিজের স্বার্থ, নিজের দলের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় আনতে পারছে না। এটা জাতির জন্য সত্যিই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার। তবে এই ভূখণ্ডে এর চেয়েও অনেক সমস্যা এসেছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে সব বিপদ থেকে উত্তরণ ঘটেছে। ইনশাআল্লাহ এবারও বিপদ থেকে উত্তরণ হবে, তবে কিছুটা পানি ঘোলা করে।
বর্তমান সরকার যেটা ভাবছে, তাদের অধীনে নির্বাচন করলে তারা আবারও ক্ষমতায় চলে যাবে। হয়তো যেতেও পারে, তবে পরিণতি ১৯৯৬ সালের বিএনপি সরকারের চেয়ে ভালো কিছু হবে না। সেবার বিএনপি তিন-চার মাস ক্ষমতায় ছিল, এবার এরা হয়তো ছয় মাস থাকবে। বাংলার মানুষ একবার কোনো কিছু প্রত্যাখ্যান করলে সেটা দমন করার ক্ষমতা আল্লাহ ছাড়া আর কারো নেই। আইয়ুব, ইয়াহিয়া, এইচ এম এরশাদ টেকেননি জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে। একসময় খালেদা জিয়াকেও নতি স্বীকার করতে হয়েছে। এসব দেখেও যদি শিক্ষা না হয়, তবে যেমন করবে তেমন ফল ভোগ করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : আওয়ামী লীগ জোট বাড়ানোর জন্য আপনার দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সেটার ফলাফল কী?
কাদের সিদ্দিকী : এখন সবার সঙ্গে সবার যোগাযোগ হয়। সবাই চায় শক্তি বৃদ্ধি করতে। আমরাও চাই আমাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে। যখন আওয়ামী লীগ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তখন আমরা যদি মনে করতাম, যোগাযোগ করলে আমাদের ক্ষতি হবে, তাহলে যোগাযোগ হতো না। তারা মনে করেছে, আমাদের সঙ্গে কথা বললে তাদের সুবিধা হবে, তাই কথা বলেছে। সবাই সবার লাভ খোঁজে। আল্লাহ অন্তর্যামী তিনিই একমাত্র জানেন, কার কতটা লাভ।
কালের কণ্ঠ : দেশে এখন অনেকে শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার কথা বলছেন। আপনি কি মনে করেন, তাঁদের মাইনাস করলে রাজনীতিতে পরিবর্তন আসবে?
কাদের সিদ্দিকী : রাজনীতিতে মাইনাস করা যায় না। এটা অবাস্তব। রাজনীতিতে নিজের গুণ ও দক্ষতায় যেমন প্লাস হয়, তেমনি নিজের অযোগ্যতায় নিজে নিজেকে মাইনাস করে ফেলে। রাজনীতিতে কেউ কাউকে মাইনাস করতে পারে না।
কালের কণ্ঠ : বড় দুই দলের বাইরে কোনো বিকল্প শক্তি ক্ষমতায় গেলে কি দেশের বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব?
কাদের সিদ্দিকী : দুই দলের অনেক শক্তি আছে। কিন্তু তাদের প্রতি দেশবাসীর শ্রদ্ধা নেই, মায়া নেই। এই দুই দলের প্রতি দুই দলের নেতা-কর্মীদেরও নাড়িছেঁড়া টান নেই। অধিকাংশই সুবিধার জন্য দলের সঙ্গে থাকেন। 'জন্মিলে মরিতে হবে'- এটা যেমন অত্যন্ত স্বাভাবিক। মানুষের যেমন মৃত্যু আছে, দলেরও অধঃপতন আছে। দলও বৃদ্ধ হয়, বিলুপ্ত হয়। এর আগে বহু দল বিলুপ্ত হয়েছে। পাকিস্তানের মুসলিম লীগ, জার্মানির নাৎসি পার্টি বিলীন হয়ে গেছে।
কালের কণ্ঠ : বড় দুই দলের মধ্যে ছোট ছোট দলের ভবিষ্যৎ কী? এরা কি ক্ষমতার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশীদার হয়েই থাকবে?
কাদের সিদ্দিকী : ভবিষ্যৎ কী হবে তা একমাত্র ভবিতব্যই জানে। রাজনৈতিক নেতার ঐক্য বা দলের ঐক্য বড় বিষয় নয়। দেশের আমজনতার কোনো বিষয় নিয়ে যখন ঐক্য হয়, সেটা সফল পরিণতির দিকে যায়। যারা আছে, তারাই চিরকাল থাকবে, যাদের দেখা পাওয়া যায়নি, তারা আসবে না- এটা ঠিক নয়। আমরা যদি উপযুক্ততার পরিচয় দিতে পারি, মানুষ যা চাইছে তা বলতে পারি এবং তাদের পাহারাদার হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমাদেরও ভবিষ্যৎ আছে। চির সত্য বলে কিছু নয়।
কালের কণ্ঠ : আপনি এবং আপনার মতো অনেক রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেছেন। ১/১১-এর প্রেক্ষাপটে দলের অনেক নেতা সাইডলাইনে চলে গেছেন। এতে কি আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়েছে?
কাদের সিদ্দিকী : এসব কারণে আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়নি। আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়েছে দলে গণতন্ত্র না থাকার কারণে। আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে নিবেদিত কর্মীরা গুরুত্বহীন হয়ে পড়ার কারণে। সব দলেই চাটুকারদের প্রাধান্য বেশি, নিবেদিত কর্মীদের গুরুত্ব নেই। নেতৃত্ব ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়। এর কারণে বহুদিন বাংলাদেশে কোনো নেতা গড়ে উঠছে না। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। এগুলো থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় নেতা বেরিয়ে আসার কথা। এখান থেকে নেতা বেরিয়ে না এসে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দখলবাজরা বের হচ্ছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত নেতা নির্বাচিত হলে ঠিকই প্রতিবছর কয়েক হাজার প্রকৃত নেতা বেরিয়ে আসত। তাহলে জাতীয়ভাবে এই নেতৃত্বের সংকট তৈরি হতো না।
কালের কণ্ঠ : স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়েছে ১৯৯০ সালে। তারপর গত দুই দশকে কি দেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়েছে?
কাদের সিদ্দিকী : স্বৈরাচারের পতনের পর গণতন্ত্র কিছুই আগায়নি। বরং আগে স্বৈরাচারের আমলে যে গণতন্ত্র ছিল, রাজনৈতিক দলগুলোতে যে গণতান্ত্রিক শাসন ছিল, তা ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন গণতন্ত্রই স্বৈরতন্ত্রের রূপ ধারণ করেছে। এটা জাতির জন্য ভয়াবহ অশনিসংকেত।
কালের কণ্ঠ : পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। আপনি কিভাবে দেখেন বিষয়টিকে?
কাদের সিদ্দিকী : বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের টানাপড়েন উচ্চমহলেই বেশি আলোচিত হচ্ছে। বুদ্ধিমানদের হৃদয়ে এর জায়গা বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের মানুষ তাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রা নিয়ে এত বেশি চিন্তিত যে এসব ব্যাপারে তাদের চিন্তা করার সুযোগ কম।
পানিতে বাস করে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করা চলে না। আসলে কেউ সাধু নয়। আজ কদিন ধরে দেখছি, আমেরিকাকে নিয়ে বেশি কথা বলা হচ্ছে। এই মহাজোট সরকার তো আমেরিকার সাপোর্ট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে বিশ্বব্যাংককে এত বেশি গালাগাল করাটা ঠিক নয়।
কালের কণ্ঠ : সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগের মাধ্যমে কি বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ প্রমাণ হলো না?
কাদের সিদ্দিকী : একজন মানুষের পদত্যাগের মাধ্যমে তার দোষ প্রমাণ হয় না। তবে পদত্যাগের পরও প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখেন। খুব সম্ভব একমাত্র তাঁকেই দেশপ্রেমিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর আস্থার লোকদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন। আর প্রধানমন্ত্রীর এত আস্থা যাঁর ওপর, তাঁর মন্ত্রিত্ব যাওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী এখন যদি তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন, তবে সেটা পুরোপুরি সংবিধানসম্মত হবে না। আবার তাঁর পদত্যাগপত্র এখন পর্যন্ত গ্রহণ না করে সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করছে। এখন হয়তো সরকারকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। কিন্তু সময় আসবে- এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : দেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের অবস্থানকে কিভাবে দেখেন?
কাদের সিদ্দিকী : আগে শুনতাম- নাই কাজ তো খই ভাজ। আমার মনে হয়, সরকারের কোনো কাজ নেই। এ জন্য গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের এত নড়াচড়া। সব ব্যাংক যে নিয়মে চলে, গ্রামীণ ব্যাংকও সেই নিয়মে চলবে। হয়তো কিছু মানুষ গ্রামীণ ব্যাংকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে বেশির ভাগ মানুষ লাভবান হয়েছে। ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। এমন সময় তাঁর পেছনে লাগা সরকারের ঠিক হয়নি। অন্যদিকে ইউনূস নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পর তাকে সম্মান না জানানো হোক, আমাদের একমাত্র নোবেলপ্রাপ্তিতে যথাযোগ্য সম্মান জানানো উচিত ছিল। আমরা যদি নোবেলপ্রাপ্তির বিরোধিতা করি, তবে আমরা যে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এর জন্য আড়ম্বর করে বর্ষপূর্তি করা উচিত ছিল। কাজগুলো ঠিক হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, আমাদের বিবেক আমরা কোথাও বন্ধক দিয়ে দিয়েছি।
কালের কণ্ঠ : আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক শীতল বলে মনে হচ্ছে। সরকার কি ধীরে ধীরে বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে?
কাদের সিদ্দিকী : দেশের মানুষের প্রতি ভরসা না করে বিশ্বনেতা হওয়ার জন্য এত ছোটাছুটি করলে তার পরিণতি এর চেয়ে ভালো হওয়ার কথা নয়। বর্তমান নেতাদের যা দেখছি, তাঁরা আন্তর্জাতিকভাবে বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় নেতা হিসেবে আচরণ করছেন। এতবার এত বেশি দেশের টাকা খরচ করে বিশ্ব ফোরামে গেলে তার পরিণতি ভালো হয় না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এত বিদেশ সফর করেছেন যে আমেরিকার একসময়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বলতেই হবে, আমাদের সরকার বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। সরকার বন্ধুহীন হলে কোনো সমস্যা ছিল না, দেশটা যদি বন্ধুহীন হয়ে পড়ে, তাহলে সেটা হবে দুর্ভাগ্যের।
কালের কণ্ঠ : অভিযোগ আছে, সরকারের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি একমুখী। শুধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে বর্তমান সরকার। আপনি কি এ ব্যাপারে একমত?
কাদের সিদ্দিকী : ভারতের সঙ্গে এই সময়ে বাংলাদেশের মানুষের অন্তরের সম্পর্ক সবচেয়ে নিম্নমানের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে এই ভূখণ্ডের পাকিস্তান আমলের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে। তবে স্বাধীনতার পর সেই সম্পর্ক সঠিকভাবে লালন-পালন করা হয়নি। কিন্তু তার পরও একটা সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ-ভারত সরকারের হয়তো মধুর সম্পর্ক আছে, তবে বাংলাদেশের জনসাধারণের সঙ্গে ভারতের জনসাধারণের সম্পর্ক খুবই নিম্নমানের। কোনো উসকানি ছাড়াই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মনে করে, ভারত বাংলাদেশের বন্ধু নয়, আওয়ামী লীগের বন্ধু। একজন রাজনৈতিক নেতা ইলিয়াস আলী গুম হয়েছেন, অনেকে মনে করে, এতেও ভারতের হাত আছে। এই মনে করা ভালো সম্পর্ক নয়। আজ বাদে কাল আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় না থাকে, তবে কি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে? যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে? ভারতের উচিত বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা। অন্যদিকে বাংলাদেশের উচিত শুধু কংগ্রেস নয়, ভারতের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে দীর্ঘদিন পর। এই বিচার-প্রক্রিয়া নিয়ে আপনার অভিমত কী?
কাদের সিদ্দিকী : বিচার-প্রক্রিয়া নিয়ে আমি খুশি নই। যুদ্ধাপরাধের বিচার কত দিন পর হচ্ছে সেটা বিবেচ্য নয়। প্রকৃত বিচার হচ্ছে কি না সেটাই বড় ব্যাপার। এখন যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের অনেকেই সেই সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিল না। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই বিচার হলে সেটা কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। কোনো অপরাধ হয়তো এক হাজার মানুষ করেছে। এর মধ্যে হয়তো ১০ জনকে পছন্দ না, সেই ১০ জনের বিচার হলো- এটা প্রকৃত বিচার নয়। যুদ্ধাপরাধের মূল আসামি পাকিস্তান ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। তাদের একজনকেও এই বিচারে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি। মূল আসামি বাদ দিয়ে ডালপালার বিচার হচ্ছে। যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, তাতে কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই সেটাই আগে প্রমাণ করতে হবে। প্রসিকিউশন টিমে যাঁরা আছেন, তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের সময় কী করেছেন, কোথায় ছিলেন, সেটা জাতিকে জানাতে হবে। পাঁচজন-সাতজনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জাতির সামনে প্রমাণ করবেন বিচার হচ্ছে, সেটা ঠিক হবে না। আমার মনে হচ্ছে, এটা আগামী নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য সাজানো-গোছানো নাটক। দেশে বড় বড় আইনজ্ঞ রয়েছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে যাঁদের কেউ চেনে না, তাঁদের প্রসিকিউশন টিমে রাখা হয়েছে। তাহলে এটা নিয়ে কি ছেলেখেলা হচ্ছে? দেড়-দুই বছর ধরে বিচার হচ্ছে, কই আমার কাছে তো কেউ আসেনি কোনো তথ্য জানার জন্য। যুদ্ধাপরাধের বিচারে মানুষের যে আকুতি ছিল, তা হালকা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যদি এমন হয়, যাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য যদি তলে তলে তাদের সঙ্গে আপস হয়, তাহলে আমরা বিস্মিত হব না।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে ধন্যবাদ।
কাদের সিদ্দিকী : আপনাকেও ধন্যবাদ।
কালের কণ্ঠ : স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি ক্ষমতায়। কেমন করছে সরকার?
কাদের সিদ্দিকী : সরকার ভালো করলে আমার ভালো লাগত। কিন্তু রাস্তাঘাটে বের হলে যা দেখি, তাতে সরকার ভালো করছে- রোজার দিনে এ কথা হৃদয় থেকে বলতে পারছি না। এর জন্য নিজের কাছেই খারাপ লাগছে। আমার সারা জীবনের অভিজ্ঞতায় এমন অপ্রিয় সরকার আর দেখিনি। আইয়ুববিরোধী আন্দোলন করেছি, হাজার হাজার মানুষকে পাশে পেয়েছি; কিন্তু তখনো ঊনসত্তরের আগ পর্যন্ত গ্রামগঞ্জে সভা-সমাবেশ করতে গিয়ে আইয়ুব খানের পক্ষেও লোক দেখেছি। তারা অন্তর থেকে আইয়ুব খানকে সমর্থন করেছে। কিন্তু এখন মহাজোট সরকারের পক্ষে নিবেদিত একজনও সে রকমভাবে দেখি না। রাস্তাঘাটে তো দেখা যায় না, দলের অনেক নেতা-কর্মীও খুব হতাশ। তাই বলতে হয়, সরকার খুব একটা ভালো করছে না। যেখানেই যাবেন, সরকারের যে পরিমাণ সমালোচনা শুনবেন, অতীতে কোনো সরকারের এত সমালোচনা হয়নি।
মানুষের জীবন এখন নিরাপদ নয়, সম্পদ নিরাপদ নয়। প্রধানমন্ত্রী বললেন, বেডরুম পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়। দায়িত্বশীল সরকার হলে এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। মানুষের বেডরুম পাহারা তো বড় কথা, প্রয়োজন হলে বাথরুম পাহারা দিতে হবে। কারণ দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার অঙ্গীকার নিয়ে সরকার ক্ষমতায় এসেছে।
কালের কণ্ঠ : মহাজোট মন্ত্রিসভার সদস্যরা কেমন করছেন। আপনার মূল্যায়ন কী এই মন্ত্রিসভা নিয়ে?
কাদের সিদ্দিকী : মহাজোটের মন্ত্রিসভা মানুষকে আশাহত করেছে। মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি কিভাবে সরকার চালাবেন, সেটা তাঁর একান্তই নিজের বিষয়। গণতন্ত্রে দলের হওয়ার কথা সুপ্রিম পাওয়ার। সরকার কী করবে তা দল ঠিক করে দেবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে দলের কোনো ক্ষমতা নেই। সরকারের ওপর দলের ক্ষমতা ছিল ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট যখন সরকার গঠন করেছিল তখন। প্রধানমন্ত্রীকে দলের কাছে জবাবদিহি করতে হতো। বঙ্গবন্ধুও মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ সম্মানজনক মনে করেছিলেন। আগে দল ছিল ওপরে, সরকার ছিল নিচে। কিন্তু আজ দল নিচে, সরকার ওপরে। দলের যিনি প্রধান, সরকারেরও তিনি প্রধান- গণতন্ত্রের জন্য এটা অশনিসংকেত। এটা গণতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের নামান্তর, যা আমাদের দেশে চলছে। এমন এককেন্দ্রিক গণতন্ত্র স্বৈরতন্ত্রের চেয়েও খারাপ।
কালের কণ্ঠ : সরকার ভালো করছে না আপনি বললেন। বিরোধী দল বিএনপি কি মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে?
কাদের সিদ্দিকী : বিরোধী দল হয় সব সময় দেশবাসীর পাহারাদার। বিরোধী দল যদি তার যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে দেশের জনগণ নিরাপদ থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের কথা হলো, আমাদের দেশে সরকারের মতো বিরোধী দল দেশবাসীর প্রতি তাদের দায়িত্বের প্রমাণ দিতে পারেনি, যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছে না। বিরোধী দল কখনো যতটা গুরুত্বসহকারে গণমানুষের কথা তুলে ধরা উচিত ছিল, জনগণের দাবির জন্য আন্দোলন, সংগ্রাম করার কথা ছিল, তা তারা পারছে না। তারা যেটা করছে, তার অনেকটায় তাদের ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে। ফলে জনসাধারণ তাদের আস্থায় আনতে পারছে না। তারাও জনগণকে তাদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে পারছে না।
কালের কণ্ঠ : কোন ব্যবস্থার অধীনে পরবর্তী নির্বাচন হবে, এ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি মুখোমুখি। এ থেকে উত্তরণের উপায় কী?
কাদের সিদ্দিকী : অসৎ চিন্তা নিয়ে কোনো কাজ করলে বা অন্যের জন্য ফাঁদ খুঁড়লে সেই ফাঁদে নিজেকেই পড়তে হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সোচ্চার ছিলেন। এমনকি সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী, কেমন এবং কত প্রকার। সেই মানুষই সংবিধানে লিপিবদ্ধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অযথা একটা ঝামেলা তৈরির জন্য বাতিল করে দিলেন। দেশের রাজনীতিবিদদের আস্থাহীনতার কারণে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প এখনো নেই। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো মানুষের কাছে আস্থাশীল হয়ে উঠতে পারেনি। নিজের স্বার্থ, নিজের দলের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় আনতে পারছে না। এটা জাতির জন্য সত্যিই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার। তবে এই ভূখণ্ডে এর চেয়েও অনেক সমস্যা এসেছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে সব বিপদ থেকে উত্তরণ ঘটেছে। ইনশাআল্লাহ এবারও বিপদ থেকে উত্তরণ হবে, তবে কিছুটা পানি ঘোলা করে।
বর্তমান সরকার যেটা ভাবছে, তাদের অধীনে নির্বাচন করলে তারা আবারও ক্ষমতায় চলে যাবে। হয়তো যেতেও পারে, তবে পরিণতি ১৯৯৬ সালের বিএনপি সরকারের চেয়ে ভালো কিছু হবে না। সেবার বিএনপি তিন-চার মাস ক্ষমতায় ছিল, এবার এরা হয়তো ছয় মাস থাকবে। বাংলার মানুষ একবার কোনো কিছু প্রত্যাখ্যান করলে সেটা দমন করার ক্ষমতা আল্লাহ ছাড়া আর কারো নেই। আইয়ুব, ইয়াহিয়া, এইচ এম এরশাদ টেকেননি জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে। একসময় খালেদা জিয়াকেও নতি স্বীকার করতে হয়েছে। এসব দেখেও যদি শিক্ষা না হয়, তবে যেমন করবে তেমন ফল ভোগ করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : আওয়ামী লীগ জোট বাড়ানোর জন্য আপনার দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সেটার ফলাফল কী?
কাদের সিদ্দিকী : এখন সবার সঙ্গে সবার যোগাযোগ হয়। সবাই চায় শক্তি বৃদ্ধি করতে। আমরাও চাই আমাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে। যখন আওয়ামী লীগ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তখন আমরা যদি মনে করতাম, যোগাযোগ করলে আমাদের ক্ষতি হবে, তাহলে যোগাযোগ হতো না। তারা মনে করেছে, আমাদের সঙ্গে কথা বললে তাদের সুবিধা হবে, তাই কথা বলেছে। সবাই সবার লাভ খোঁজে। আল্লাহ অন্তর্যামী তিনিই একমাত্র জানেন, কার কতটা লাভ।
কালের কণ্ঠ : দেশে এখন অনেকে শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার কথা বলছেন। আপনি কি মনে করেন, তাঁদের মাইনাস করলে রাজনীতিতে পরিবর্তন আসবে?
কাদের সিদ্দিকী : রাজনীতিতে মাইনাস করা যায় না। এটা অবাস্তব। রাজনীতিতে নিজের গুণ ও দক্ষতায় যেমন প্লাস হয়, তেমনি নিজের অযোগ্যতায় নিজে নিজেকে মাইনাস করে ফেলে। রাজনীতিতে কেউ কাউকে মাইনাস করতে পারে না।
কালের কণ্ঠ : বড় দুই দলের বাইরে কোনো বিকল্প শক্তি ক্ষমতায় গেলে কি দেশের বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব?
কাদের সিদ্দিকী : দুই দলের অনেক শক্তি আছে। কিন্তু তাদের প্রতি দেশবাসীর শ্রদ্ধা নেই, মায়া নেই। এই দুই দলের প্রতি দুই দলের নেতা-কর্মীদেরও নাড়িছেঁড়া টান নেই। অধিকাংশই সুবিধার জন্য দলের সঙ্গে থাকেন। 'জন্মিলে মরিতে হবে'- এটা যেমন অত্যন্ত স্বাভাবিক। মানুষের যেমন মৃত্যু আছে, দলেরও অধঃপতন আছে। দলও বৃদ্ধ হয়, বিলুপ্ত হয়। এর আগে বহু দল বিলুপ্ত হয়েছে। পাকিস্তানের মুসলিম লীগ, জার্মানির নাৎসি পার্টি বিলীন হয়ে গেছে।
কালের কণ্ঠ : বড় দুই দলের মধ্যে ছোট ছোট দলের ভবিষ্যৎ কী? এরা কি ক্ষমতার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশীদার হয়েই থাকবে?
কাদের সিদ্দিকী : ভবিষ্যৎ কী হবে তা একমাত্র ভবিতব্যই জানে। রাজনৈতিক নেতার ঐক্য বা দলের ঐক্য বড় বিষয় নয়। দেশের আমজনতার কোনো বিষয় নিয়ে যখন ঐক্য হয়, সেটা সফল পরিণতির দিকে যায়। যারা আছে, তারাই চিরকাল থাকবে, যাদের দেখা পাওয়া যায়নি, তারা আসবে না- এটা ঠিক নয়। আমরা যদি উপযুক্ততার পরিচয় দিতে পারি, মানুষ যা চাইছে তা বলতে পারি এবং তাদের পাহারাদার হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমাদেরও ভবিষ্যৎ আছে। চির সত্য বলে কিছু নয়।
কালের কণ্ঠ : আপনি এবং আপনার মতো অনেক রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেছেন। ১/১১-এর প্রেক্ষাপটে দলের অনেক নেতা সাইডলাইনে চলে গেছেন। এতে কি আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়েছে?
কাদের সিদ্দিকী : এসব কারণে আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়নি। আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়েছে দলে গণতন্ত্র না থাকার কারণে। আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে নিবেদিত কর্মীরা গুরুত্বহীন হয়ে পড়ার কারণে। সব দলেই চাটুকারদের প্রাধান্য বেশি, নিবেদিত কর্মীদের গুরুত্ব নেই। নেতৃত্ব ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়। এর কারণে বহুদিন বাংলাদেশে কোনো নেতা গড়ে উঠছে না। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। এগুলো থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় নেতা বেরিয়ে আসার কথা। এখান থেকে নেতা বেরিয়ে না এসে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দখলবাজরা বের হচ্ছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত নেতা নির্বাচিত হলে ঠিকই প্রতিবছর কয়েক হাজার প্রকৃত নেতা বেরিয়ে আসত। তাহলে জাতীয়ভাবে এই নেতৃত্বের সংকট তৈরি হতো না।
কালের কণ্ঠ : স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়েছে ১৯৯০ সালে। তারপর গত দুই দশকে কি দেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়েছে?
কাদের সিদ্দিকী : স্বৈরাচারের পতনের পর গণতন্ত্র কিছুই আগায়নি। বরং আগে স্বৈরাচারের আমলে যে গণতন্ত্র ছিল, রাজনৈতিক দলগুলোতে যে গণতান্ত্রিক শাসন ছিল, তা ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন গণতন্ত্রই স্বৈরতন্ত্রের রূপ ধারণ করেছে। এটা জাতির জন্য ভয়াবহ অশনিসংকেত।
কালের কণ্ঠ : পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। আপনি কিভাবে দেখেন বিষয়টিকে?
কাদের সিদ্দিকী : বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের টানাপড়েন উচ্চমহলেই বেশি আলোচিত হচ্ছে। বুদ্ধিমানদের হৃদয়ে এর জায়গা বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের মানুষ তাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রা নিয়ে এত বেশি চিন্তিত যে এসব ব্যাপারে তাদের চিন্তা করার সুযোগ কম।
পানিতে বাস করে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করা চলে না। আসলে কেউ সাধু নয়। আজ কদিন ধরে দেখছি, আমেরিকাকে নিয়ে বেশি কথা বলা হচ্ছে। এই মহাজোট সরকার তো আমেরিকার সাপোর্ট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে বিশ্বব্যাংককে এত বেশি গালাগাল করাটা ঠিক নয়।
কালের কণ্ঠ : সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগের মাধ্যমে কি বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ প্রমাণ হলো না?
কাদের সিদ্দিকী : একজন মানুষের পদত্যাগের মাধ্যমে তার দোষ প্রমাণ হয় না। তবে পদত্যাগের পরও প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখেন। খুব সম্ভব একমাত্র তাঁকেই দেশপ্রেমিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর আস্থার লোকদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন। আর প্রধানমন্ত্রীর এত আস্থা যাঁর ওপর, তাঁর মন্ত্রিত্ব যাওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী এখন যদি তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন, তবে সেটা পুরোপুরি সংবিধানসম্মত হবে না। আবার তাঁর পদত্যাগপত্র এখন পর্যন্ত গ্রহণ না করে সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করছে। এখন হয়তো সরকারকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। কিন্তু সময় আসবে- এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
কালের কণ্ঠ : দেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের অবস্থানকে কিভাবে দেখেন?
কাদের সিদ্দিকী : আগে শুনতাম- নাই কাজ তো খই ভাজ। আমার মনে হয়, সরকারের কোনো কাজ নেই। এ জন্য গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের এত নড়াচড়া। সব ব্যাংক যে নিয়মে চলে, গ্রামীণ ব্যাংকও সেই নিয়মে চলবে। হয়তো কিছু মানুষ গ্রামীণ ব্যাংকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে বেশির ভাগ মানুষ লাভবান হয়েছে। ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। এমন সময় তাঁর পেছনে লাগা সরকারের ঠিক হয়নি। অন্যদিকে ইউনূস নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পর তাকে সম্মান না জানানো হোক, আমাদের একমাত্র নোবেলপ্রাপ্তিতে যথাযোগ্য সম্মান জানানো উচিত ছিল। আমরা যদি নোবেলপ্রাপ্তির বিরোধিতা করি, তবে আমরা যে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এর জন্য আড়ম্বর করে বর্ষপূর্তি করা উচিত ছিল। কাজগুলো ঠিক হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, আমাদের বিবেক আমরা কোথাও বন্ধক দিয়ে দিয়েছি।
কালের কণ্ঠ : আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক শীতল বলে মনে হচ্ছে। সরকার কি ধীরে ধীরে বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে?
কাদের সিদ্দিকী : দেশের মানুষের প্রতি ভরসা না করে বিশ্বনেতা হওয়ার জন্য এত ছোটাছুটি করলে তার পরিণতি এর চেয়ে ভালো হওয়ার কথা নয়। বর্তমান নেতাদের যা দেখছি, তাঁরা আন্তর্জাতিকভাবে বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বড় নেতা হিসেবে আচরণ করছেন। এতবার এত বেশি দেশের টাকা খরচ করে বিশ্ব ফোরামে গেলে তার পরিণতি ভালো হয় না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এত বিদেশ সফর করেছেন যে আমেরিকার একসময়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বলতেই হবে, আমাদের সরকার বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। সরকার বন্ধুহীন হলে কোনো সমস্যা ছিল না, দেশটা যদি বন্ধুহীন হয়ে পড়ে, তাহলে সেটা হবে দুর্ভাগ্যের।
কালের কণ্ঠ : অভিযোগ আছে, সরকারের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি একমুখী। শুধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে বর্তমান সরকার। আপনি কি এ ব্যাপারে একমত?
কাদের সিদ্দিকী : ভারতের সঙ্গে এই সময়ে বাংলাদেশের মানুষের অন্তরের সম্পর্ক সবচেয়ে নিম্নমানের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে এই ভূখণ্ডের পাকিস্তান আমলের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে। তবে স্বাধীনতার পর সেই সম্পর্ক সঠিকভাবে লালন-পালন করা হয়নি। কিন্তু তার পরও একটা সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ-ভারত সরকারের হয়তো মধুর সম্পর্ক আছে, তবে বাংলাদেশের জনসাধারণের সঙ্গে ভারতের জনসাধারণের সম্পর্ক খুবই নিম্নমানের। কোনো উসকানি ছাড়াই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মনে করে, ভারত বাংলাদেশের বন্ধু নয়, আওয়ামী লীগের বন্ধু। একজন রাজনৈতিক নেতা ইলিয়াস আলী গুম হয়েছেন, অনেকে মনে করে, এতেও ভারতের হাত আছে। এই মনে করা ভালো সম্পর্ক নয়। আজ বাদে কাল আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় না থাকে, তবে কি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে? যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে? ভারতের উচিত বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা। অন্যদিকে বাংলাদেশের উচিত শুধু কংগ্রেস নয়, ভারতের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে দীর্ঘদিন পর। এই বিচার-প্রক্রিয়া নিয়ে আপনার অভিমত কী?
কাদের সিদ্দিকী : বিচার-প্রক্রিয়া নিয়ে আমি খুশি নই। যুদ্ধাপরাধের বিচার কত দিন পর হচ্ছে সেটা বিবেচ্য নয়। প্রকৃত বিচার হচ্ছে কি না সেটাই বড় ব্যাপার। এখন যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের অনেকেই সেই সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিল না। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই বিচার হলে সেটা কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। কোনো অপরাধ হয়তো এক হাজার মানুষ করেছে। এর মধ্যে হয়তো ১০ জনকে পছন্দ না, সেই ১০ জনের বিচার হলো- এটা প্রকৃত বিচার নয়। যুদ্ধাপরাধের মূল আসামি পাকিস্তান ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। তাদের একজনকেও এই বিচারে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি। মূল আসামি বাদ দিয়ে ডালপালার বিচার হচ্ছে। যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, তাতে কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই সেটাই আগে প্রমাণ করতে হবে। প্রসিকিউশন টিমে যাঁরা আছেন, তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের সময় কী করেছেন, কোথায় ছিলেন, সেটা জাতিকে জানাতে হবে। পাঁচজন-সাতজনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জাতির সামনে প্রমাণ করবেন বিচার হচ্ছে, সেটা ঠিক হবে না। আমার মনে হচ্ছে, এটা আগামী নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য সাজানো-গোছানো নাটক। দেশে বড় বড় আইনজ্ঞ রয়েছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে যাঁদের কেউ চেনে না, তাঁদের প্রসিকিউশন টিমে রাখা হয়েছে। তাহলে এটা নিয়ে কি ছেলেখেলা হচ্ছে? দেড়-দুই বছর ধরে বিচার হচ্ছে, কই আমার কাছে তো কেউ আসেনি কোনো তথ্য জানার জন্য। যুদ্ধাপরাধের বিচারে মানুষের যে আকুতি ছিল, তা হালকা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যদি এমন হয়, যাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য যদি তলে তলে তাদের সঙ্গে আপস হয়, তাহলে আমরা বিস্মিত হব না।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে ধন্যবাদ।
কাদের সিদ্দিকী : আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1355)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 16
(58)
- সিলেটে মির্জা ফখরুল- ইলিয়াস আলী ঘোষিত জেলা বিএনপির...
- গ্রামীণফোন-প্রথম আলো অলিম্পিক কুইজের ড্র অনুষ্ঠিত
- দুর্ভোগ সঙ্গী করে আনন্দযাত্রা by মোছাব্বের হোসেন
- টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ...
- ধর্ম- আল বিদা মাহে রমজান by আবদুস সবুর খান
- ব্লগ থেকে...
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল ব দ লে যা ও ব দ লে...
- শিক্ষার্থীদের আবেগ-অনুভূতি আমলে নিন- মেডিকেলে ভর্ত...
- সংলাপের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করুন- সংসদের চতু...
- চারদিক- দিঘিকাহিনি by আবদুল মান্নান
- দারিদ্র্য বিমোচন- ড. ইউনূস ও তাঁর ক্ষুদ্রঋণ-তত্ত্ব...
- শতাধিক চালক-সহকারী অপহরণ- ২৫ বছরে ৫০ বার হামলা by ...
- এবার চাই নতুন টুপি by মিঠুন চৌধুরী
- ঈদ জামাত কখন কোথায়
- চাঁদরাতের অপেক্ষা by আহমেদ মুনির
- বিরোধ ঘোচালেন মহিউদ্দিন by একরামুল হক
- আবার সালমান: এক থা টাইগার
- টেলিভিশনে আমরা এখন লাইভ বা সরাসরি অনুষ্ঠান দেখে অভ...
- ঈদ আনন্দ- মঞ্চে মজার ঘটনা
- বাবা নেই, আছে স্মৃতি। তারকা বাবার সঙ্গে কাটানো ঈদে...
- ঈদ আনন্দ- মনে পড়লেই হাসি পায়
- দোজখ থেকে মুক্তির মাস রমজান by মাওলানা এম এ করিম ই...
- আজ আধাবেলা পরশু পুরোবেলা ব্যাংক খোলা
- মহাসড়কে অতিরিক্ত গাড়ি, দীর্ঘ যানজট
- নৌপথে যাত্রীর চাপ সহনীয় by তৌফিক মারুফ
- মা-মেয়ের লাশ মিলল পাশাপাশি দুই কক্ষে
- ফলোআপ-ছাত্রলীগের নামে পুরান ঢাকায় চাঁদা তুলছে ম্যা...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নারায়ণগঞ্জে নিজ বাসায় মা ও মেয়ে খুন
- সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার রায় হতে পারে এ বছর by কুন...
- ঈদের কেনাকাটা- জাকাতের শাড়ির দাম বেশি, লুঙ্গির কম ...
- টিকিট কালোবাজারিতে কর্মকর্তারাও জড়িত!- ট্রেনের ছাদ...
- নদীতে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু- লঞ্চের ছাদে, মাঝনদী থেকে...
- প্রধানমন্ত্রীর 'ঈদ উপহার' ১০০% বিরোধী দলমুক্ত! by ...
- মঙ্গল অভিযানে নামছে ভারত
- পর্যটকদের কলেরার ব্যাপারে সতর্ক করেছে নেপাল
- 'সিরিয়ার আধা সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইরান'
- সব সিগারেটের প্যাকেট হবে একরকম
- স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট উদ্ভাবনে পুরস্কার
- ইরানের সঙ্গে ৩০ দিনের যুদ্ধের প্রস্তুতি আছে ইসরায়েলের
- জাপানের অবস্থানই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছে
- ত্রাণ তৎপরতা-সমালোচনার মুখে ইরান-* ২৪ ঘণ্টারও কম স...
- ঘরে ঘরে জ্বর-প্রতিকার ও প্রতিরোধ প্রয়োজন
- ঢাকা ফার্স্ট-বাসযোগ্য করার দায় আমাদেরই
- পবিত্র কোরআনের আলো-ফেরাউন বনি ইসরাইলের ওপর আরো নির...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম-সারা জ...
- চরাচর-পাহাড়ি জলধারা by বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
- সুশাসন ও জবাবদিহিতার অভাব by ইফতেখার আহমেদ টিপু
- একটি বিদায় সংবর্ধনা এবং কৃষি ও শিক্ষার সম্পর্ক by ...
- সময়চিত্র- ‘অধিক’ গণতন্ত্র: মালদ্বীপ মডেল by আসিফ...
- সময়চিত্র- ‘অধিক’ গণতন্ত্র: মালদ্বীপ মডেল by আসিফ...
- রাষ্ট্রপতিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার আশঙ্ক...
- ঢাকা এখন মেগাসিটি নয়! by শিশির মোড়ল
- ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে লিমনের মায়ের মামলা শেষ
- মাঠে দাম নেই, সরকারি পাটকলগুলো আবারও লোকসানে, উৎপা...
- সাদাকালো-অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে কিছু কথা by আহ...
- বলিউডে প্রতিশ্রুতিশীল একঝাঁক নতুন মুখ
- রূপর্চ্চায় বিউটি পার্লারমুখী সৌন্দর্য প্রিয় নারীরা
-
▼
Aug 16
(58)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
Exclusive
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment