Saturday, December 8, 2012
অপবাদ ও বৈষম্য—এইচআইভি প্রতিরোধে নেতিবাচক প্রভাব
অপবাদ ও বৈষম্য—এইচআইভি প্রতিরোধে নেতিবাচক প্রভাব
২৯ নভেম্বর ২০১২, ‘অপবাদ ও বৈষম্য—এইচআইভি প্রতিরোধে নেতিবাচক প্রভাব’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায় ছিল ইউএনএফপিএ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপা হলো এই ক্রোড়পত্রে আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: বাংলাদেশে এইডস এখনো মারাত্মক আকার ধারণ করেনি, কিন্তু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এইডস দূর করার অন্যতম বাধা অপবাদ ও বৈষম্য। একজন নারী বা পুরুষ হয়তো জানেনই না তাঁর কীভাবে এইডস হয়েছে, এইডসের জন্য তিনি নিজে দায়ী নন। আবার কখনো নিষ্পাপ শিশুও এইডসে আক্রান্ত হয়। অসতর্ক যৌনাচারের বাইরে আরও অনেকগুলো কারণে যেমন: আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, ব্যবহূত সুচ, ইনজেকশন সিরিঞ্জ, ছুরি, কাঁচি, ব্লেড ইত্যাদির মাধ্যমে এইডস ছড়ায়। যেভাবেই হোক, একবার কেউ আক্রান্ত হলে তিনি চরম অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হন। একটি গ্রামের ঘটনা জানি, যেখানে একজন এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমস্ত পরিবারসহ তাঁর গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সুখবর হলো, বিশ্বব্যাপী এইডস কমে আসছে। এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। এখন আলোচনা করবেন এ এম বদরুদ্দোজা।
এ এম বদরুদ্দোজা: ১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বিশ্ব এইডস দিবস। একটি ভালো সময়ে আলোচনাটি হচ্ছে। এইডস নিয়ে আলোচনা করতে গেলে হয়তো শেষ হবে না। প্রসঙ্গটি অনেক ব্যাপক। বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য এইডস কমে আসছে, এটি একটি আশার খবর। এইডসমুক্ত থাকার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ না করলে আবার হয়তো বাড়তে থাকবে। এইডস থেকে নিরাপদ থাকা একটি নিরবচ্ছিন্ন সচেতনতা ও সতর্কতামূলক প্রক্রিয়া। এইডস দূর করার বড় বাধা হলো অপবাদ ও বৈষম্য। বিশেষ করে ভারত উপমহাদেশে বৈষম্যের বিষয়টি অনেক পুরোনো। একটা সময় ছিল, মানুষের যক্ষ্মা ও গুটিবসন্ত হতো। তখন আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিবার থেকে, এমনকি সমাজ থেকে আলাদা করে ফেলা হতো। কলাপাতায় খাবার দেওয়া হতো। গাছের নিচে রাখা হতো। কিন্তু সে সময় অপবাদ ছিল না। দুঃখজনক হলেও সত্য, এইডসের সঙ্গে এখন অপবাদের বিষয়টি চলে এসেছে। এটি শুধু আমাদের একার সমস্যা নয়, এ সমস্যা বিশ্বব্যাপী। তাই সবাই একসঙ্গে মোকাবিলার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। এইডস সম্পর্কে সমাজের মানুষের মানসিকতা বদলাতে হবে। এইডসকে আর দশটা রোগের মতো মনে করতে হবে। অন্য রোগের ক্ষেত্রে যেমন রোগীকে লুকিয়ে রাখি না, রোগ গোপন করি না; এইডসের ক্ষেত্রেও তেমনি খোলামেলা হতে হবে। সবাইকে বুঝতে হবে, আর দশটা রোগের মতো এইডসেরও ভালো চিকিৎসা রয়েছে। এইডস হলে এখন মানুষ মারা যায় না বরং ভালো চিকিৎসা পেলে ৩০-৩৫ বছর বেঁচে থাকতে পারে। ১৯৮৫ সালে বিশ্বে যখন প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয়, তখন থেকে বাংলাদেশ এইডস নিয়ে কাজ করছে। এইডসে আক্রান্ত রোগী সারা জীবন বেঁচে আছে, এ রকম উদাহরণও আমাদের দেশে আছে। এইডস রোগীর ক্ষেত্রে অপবাদ ও বৈষম্য সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আসে। অপবাদ ও বৈষম্য দূর করার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।
খন্দকার এজাজুল হক: পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এইডস দূরীকরণের বড় বাধা অপবাদ ও বৈষম্য। অপবাদ-বৈষম্য শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বের সব দেশে কম-বেশি আছে। এ বিষয়ে আলোচনার আগে একটু পেছনে ফিরে দেখতে চাই। গত শতকের আশির দশকে প্রথম এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়। তখন থেকে আমরাই আমাদের অজান্তে এইচআইভি-সংক্রান্ত অপবাদ ও বৈষম্যের বীজ বপন করে ফেলেছিলাম। তখন আমরা বলতাম যে যাঁরা হিজড়া, সমকামী ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচার করেন, তাঁরাই এইচআইভি ছড়ান। এ ধারণা এখনো আছে এবং দিনে দিনে তা বেড়ে চলেছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, প্রচলিত ধারণার বাইরেও বিভিন্ন কারণে এইচআইভি ছড়ায়। বিষয়টি তখন একেবারেই ভাবা হয়নি। সম্পূর্ণ দোষ পড়েছে হিজড়া, সমকামী ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচারকারীদের ওপর। যে কারণে এইডসের সব অপবাদ একটা নির্দিষ্ট শ্রেণীকে নিতে হচ্ছে এবং তাঁরা সমাজে এখন চরম বৈষম্যেরও শিকার হচ্ছেন।
ধরা যাক, একজন সাধারণ গৃহিণী। পরিছন্ন জীবনযাপন করেন এবং বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্কে অভ্যস্ত নন। তিনি না জেনে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, ব্যবহূত সুচ, ইনজেকশন সিরিঞ্জ বা তাঁর স্বামীর দ্বারাই এইচআইভিতে আক্রান্ত হলেন। তাঁর একটি সন্তান জন্ম নিল। এই সন্তানও এইচআইভিতে আক্রান্ত হলো। যখন সমাজ জানল এই নারী ও শিশু এইচআইভি আক্রান্ত, তখনই সমাজের যাবতীয় ঘৃণা, অপবাদ ও বৈষম্য তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দিল। কিন্তু এই নিষ্পাপ শিশু ও তার মায়ের বিন্দুমাত্র অপরাধ নেই। এইচআইভি থেকে অপবাদ ও বৈষম্য সমাজকে বেশি কলুষিত করছে। এটা কীভাবে? একজন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি যখন অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হন, তখন তিনি নিজেকে সমাজ থেকে আড়াল করে ফেলেন। অন্ধকারে চলে যান। তিনি আর চিকিৎসাসেবার আওতায় আসেন না। এতে তাঁর দ্বারা এইচআইভি ছড়ানোর সম্ভাবনা আরও বেশি থাকে। খুব সাধারণ ধারণা থেকে অপবাদ দিচ্ছে, বিষয়টি সে রকম নয়। একধরনের বিশ্বাস ও ঘৃণাবোধ থেকে অপবাদ দিচ্ছে। সে কারণে গতানুগতিক প্রচারণার মাধ্যমে এটা দূর হবে বলে মনে হয় না।
এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রচারণার বাইরে কিছু বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন: আমাদের এইডস নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত নীতিমালা আছে। অপবাদ-বৈষম্যের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলা না থাকলেও পরোক্ষভাবে এ বিষয়ে বলা আছে। নীতিমালার মধ্যে কী আছে, কৌশলগত পরিকল্পনার মধ্যে কী আছে, এগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নিতে পারি। তাত্ত্বিক দিক থেকে কিছু শব্দগত প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে এটি দূর করা যাবে না।
সামাজের ওপর যাঁদের প্রভাব আছে, এ ধরনের ব্যক্তিত্বদের এ কাজে ব্যবহার করতে হবে। মনে আছে, প্রিন্সেস ডায়ানা যখন এইডস রোগীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন, পৃথিবীর গণমাধ্যম গুরুত্বের সঙ্গে খবরটি প্রকাশ করেছিল। তখন এইডসের প্রতি অপবাদ ও বৈষম্য অনেকটাই কমে এসেছিল। ফলে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি, রাষ্ট্রপ্রধান, বিশেষ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এইডস অধ্যায়ে অপবাদ-বৈষম্যের বিষয়ে কিছু বলা নেই। তাই একজন শিক্ষার্থী জীবনের শুরু থেকে অপবাদ ও বৈষম্যের বিষয়টি জানতে পারে না। সাধারণ প্রচার-প্রচারণা দিয়ে এটা দূর করা সম্ভব নয়। এর জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ঠিক করতে হবে।
এম এস মুক্তি: দীর্ঘদিন ধরে এইচআইভি রোগীদের নিয়ে কাজ করি। ২০১২ সালের ঘটনা। একজন রোগীর অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে। সে চিকিৎসকের কাছে গেল। চিকিৎসক বললেন, এখনই অপারেশন করাতে হবে। সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে। অপারেশন শুরু হবে। রোগী বলল, সে এইচআইভিতে আক্রান্ত। তখন চিকিৎসক তার অপারেশন বন্ধ করে দিলেন। এভাবে তিনজন চিকিৎসক তাকে ফিরিয়ে দিলেন। ২০১২ সালেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। দিনে দিনে আমরা কোথায় যাচ্ছি? এ ধরনের ঘটনা যদি একের পর এক ঘটতে থাকে, তাহলে কী অবস্থা হবে? একসময় কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে এরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে লিপ্ত হবে। এতে এইচআইভি আরও বেশি ছড়াবে। শেষে একজন চিকিৎসক অপারেশন করলেন। তিনি বললেন, বিদেশে এ রকম রোগীর অপারেশন অনেক করেছেন। আরও বললেন, এইচআইভি নিয়ে মানুষের ভুল ধারণা আছে। এমনকি চিকিৎসকদের মধ্যেও ভুল ধারণা আছে।
একমাত্র তরল পদার্থের মাধ্যম ছাড়া অন্য কোনোভাবে এইডস ছড়ায় না। এইচআইভি রোগীর হাঁচি-কাশি, তার সঙ্গে সাধারণ চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া, একই পানিতে গোসল ইত্যাদি কারণে কখনো এইচআইভি ছড়ায় না। গণমাধ্যমসহ সমাজের সব মানুষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। গণমধ্যমের একটা বিরাট ভূমিকা আছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামান্য কিছু সময় এইচআইভি নিয়ে প্রচার চালাতে পারে। দৈনিক পত্রিকাগুলো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রতিদিন এইচআইভির তথ্য ছাপতে পারে। সমাজের প্রতি গণমাধ্যমেরও একটি বড় রকমের দায়বদ্ধতা আছে। সেই জায়গা থকে তাদের অবশ্যই এ ব্যাপারে কিছু করা উচিত। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চস্তর পর্যন্ত সব জায়গায় বৈষম্য আছে। সমাজের ৮০ শতাংশ এইচআইভি রোগী তাদের পরিবারের কাছে পর্যন্ত বলে না। কারণ সে জানে, একবার সবাই জেনে গেলে চরম অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হবে। এ অপবাদ-বৈষম্য তার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব হবে না।
সাধারণত দেশের নারী ও শিশুরা কিন্তু নিরপরাধ। তারা না জেনে এ রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু নারী, পুরুষ, শিশু, যিনি বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন—সবাইকে একই দৃষ্টিতে দেখা হয়। সবাই একই বৈষম্য-অপবাদের শিকার হয়। সব রোগের মধ্যে এইচআইভি রোগীকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণার চোখে দেখা হয়। এইচআইভি রোগীদের অধিকার রক্ষা করতে না পারলে আমাদের কারও অধিকার রক্ষা হবে না।
আব্দুল কাইয়ুম: দুজন শিক্ষার্থী আলোচনার জন্য আমন্ত্রিত হয়ে এসেছে। তারা বিষয়টিকে কীভাবে দেখে? এবার বলবে জেবিন আলম।
জেবিন আলম: তখন আমি অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি। একদিন শিক্ষক বললেন, আলোচনাকক্ষে যাও। তোমাদের সঙ্গে কথা আছে। সবাই গেলাম। সেখানে কয়েকজন বিদেশি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাঁরা এইচআইভি সম্পর্কে বিস্তারিত বললেন। শুধু বললেনই না, পর্দায় ছবির মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন। অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর সেদিন পেলাম। শহরে থাকায় এই সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু গ্রামাঞ্চলের তরুণেরা এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারে না। শহর ও গ্রামের স্কুলগুলোতে শিক্ষকেরা এইচআইভি অধ্যায় বাসা থেকে পড়ে আসতে বলেন। তাহলে তরুণেরা এ বিষয়ে কীভাবে জানবে? কীভাবে সতর্ক হবে?
মো. আব্দুল ওয়াহিদ: শুধু অপবাদ ও বৈষম্যের মধ্যে থাকলে সমস্যার সমাধান হবে না। অনেকেই জানে না এইচআইভি ভাইরাস কী। এইচআইভি ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক নেই। এটি নিরাময়যোগ্য রোগ নয়। তবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পরিবার, সমাজ, চিকিৎসক—সবকিছুর ওপরে এইচআইভি রোগীর নিজের দায়দায়িত্ব অনেক বেশি। তাকে ভাবতে হবে, এইচআইভি আর দশটা রোগের মতো একটা রোগ। অন্য রোগের ক্ষেত্রে যেমন রোগী লুকিয়ে থাকে না, সবার সঙ্গে খোলামেলা কথা হয়। চিকিৎসার জন্য চেষ্টা করে। কী কী করণে এইচআইভি হয়, কী কী করণে হয় না—সবই তাকে জানতে হবে। যেসব মানুষ অপবাদ দেবে, তাদের বোঝানোর দায়িত্ব এইচআইভি রোগীকেই প্রথমে নিতে হবে। বোঝাতে হবে, এটি আর দশটা রোগের মতো একটা রোগ। আজকে যারা অপবাদ বা ঘৃণা করছে, তারা নিজেরাও যেকোনো সময় এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় এর বিপরীত। এইচআইভি আক্রান্ত রোগী নিজেই নিজেকে লুকিয়ে রাখে। কারও কাছে বলে না। চিকিৎসকের কাছে যায় না। চিকিৎসাশাস্ত্রের কোথাও লেখা নেই যে তাকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে না।
এইচআইভি রোগীদের একত্র হতে হবে। তাদের এ রোগ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। সমাজের যে অংশ তাদের খারাপ দৃষ্টিতে দেখবে, সে অংশকে বোঝানোর দায়িত্ব এইচআইভি রোগীদেরও নিতে হবে। এইচআইভি রোগীর সঙ্গে তার পরিবার, সমাজ, সরকার—সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা। প্রত্যেককে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য সরকার দায়বদ্ধ। সমাজে যৌনরোগ লুকানোর প্রবণতা আছে। কারও যৌনরোগ হলে মানুষ মনে করে, তার ওপর অভিশাপ আছে।
একমাত্র অজ্ঞতার কারণে মানুষ এসব নেতিবাচক মন্তব্য করে থাকে, যা মোটেই কাম্য নয়। অন্তত কী কারণে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়, কী কারণে হয় না—বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। যত বেশি প্রচার করা যাবে, তত বেশি জানতে পারবে। গোলটেবিলের আলোচনার একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা আছে। এর মাধ্যমে অনেক বেশি তথ্য মানুষ জানতে পারবে। তবে আশার বিষয় হলো, আগের যেকোনো সময়ের থেকে এখন এইচআইভি বিষয়টি অনেক বেশি খোলামেলা। রোগীরা বেশি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। সরকার এ ব্যাপারে খুব আন্তরিক। ১৯৮৫ সালে এইচআইভি কমিটি গঠিত হয়। ১৯৮৯ সালে দেশে প্রথম এইচআইভি রোগী পাওয়া যায়। ২০১৩ সাল থেকে এইচআইভি রোগীদের আরও ব্যাপকভাবে সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সব শ্রেণীর মানুষের সহযোগিতা থাকলে আমরা বাংলাদেশ এইচআইভি ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে যাব।
আব্দুল কাইয়ুম: আমরা বিভিন্ন কারণে চিকিৎসকের কাছে যাই। অনেক ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে দাঁতের চিকিৎসকের কাছে মানুষ হরহামেশা যায়। ডাক্তারি যন্ত্রপাতি কতটা নিরাপদ?
নজরুল ইসলাম: পাঠ্যপুস্তকের কারিকুলামে এইচআইভি সম্পর্কে বলা আছে, কিন্তু বৈষম্য ও অপবাদের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ, এইচআইভি রোগীর জন্য অপবাদ ও বৈষম্য বড় রকমের বাধা হিসেবে কাজ করছে। এইচআইভি রোগীর চিকিৎসার দুটি ভাগ আছে। এক. এইচআইভির চিকিৎসা; দুই. তারা তো মানুষ, তাদেরও তো অন্য রোগ হতে পারে। এর চিকিৎসা কী হবে? চিকিৎসকেরা ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁরাও তো মানুষ। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। চিকিৎসকেরা যে সবকিছু জানেন, তা কিন্তু নয়। তাঁদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে।
অজ্ঞতার কারণে কী হতে পারে, তার একটি উদাহরণ দিই। একবার একজন ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করল। লাশ ঢাকা মেডিকেলে আনা হলো। চিকিৎসকেরা তার ময়নাতদন্ত করবেন না। তার অপরাধ কী, সে এইচআইভি আক্রান্ত। পরে লাশ আঞ্জুমান মুফিদুলে দেওয়া হলো। এই যে আমরা চিকিৎসা করছি না, ময়নাতদন্ত করছি না—এটা সম্পূর্ণ আমাদের অজ্ঞতা। শিক্ষার ঘাটতি। প্রশিক্ষণের ঘাটতি। আমাদের ব্যর্থতা। চিকিৎসকেরা ঈশ্বর প্রদত্ত কোনো ক্ষমতা নিয়ে জন্মান না। তাঁদের শিখতে হয়, শেখাতে হয়।
আমাদের পাঠ্যক্রমে এইচআইভির ওপর ব্যাপকভাবে কোনো আলোচনা নেই। সাধারণ মানুষ যেভাবে জানে, চিকিৎসক হওয়ার জন্য হয়তো একটু বেশি জানেন। তাই খুব বেশি যে জানেন, তা কিন্তু নয়। ফলে তাঁদেরও শিখতে হবে। ১৯৯৫ সালের এক জরিপে জানা গেল, জাতিসংঘের শান্তি মিশনে সবচেয়ে বেশি কাজ করে বাংলাদেশের সেনাসদস্য। ওই সময় বাংলাদেশের তিন সেনাসদস্যকে এইচআইভি আক্রান্ত পাওয়া গেল। সে সময় একটা সিদ্ধান্ত হলো, যাঁরা বিদেশে যাবেন, তাঁদের সতর্ক করা হবে। প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ফিরে এলে আবার পরীক্ষা করা হবে। ’৯৫ সালের পর বাংলাদেশ থেকে শান্তি মিশনে যাওয়া একজন সেনাসদস্যও এইচআইভি আক্রান্ত হননি। সেনাসদস্য ছাড়া অন্য যাঁরা বিদেশে কাজ করতে গিয়েছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ দিতে ব্যর্থ হয়েছি। এঁদের প্রশিক্ষণের জন্য আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি। বর্তমান শ্রমমন্ত্রীকেও বলেছি।
এইচআইভিকে মূলধারার চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এনজিওগুলোর স্থায়িত্ব কম হওয়ায় এইচআইভির চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত হয়। দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকও উপজেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। আমাদের অভ্যাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলা, তার পরও চিকিৎসা চলতে থাকবে। বর্তমান অবস্থায় একজন এইচআইভি আক্রান্ত হলেও তার চিকিৎসার জায়গা নেই। আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন রোগী পাঠালাম। তারা চিকিৎসা করল না। তাই এই চিকিৎসাকে মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।
এইচআইভি সম্পর্কে কিছু তথ্য সমাজে ভীতি ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যেমন বলা হয়ে থাকে, ঘাতক ব্যাধি। মরণব্যাধি। এইচআইভি ঘাতক বা মরণব্যাধি নয়। চিকিৎসা নিয়ে সহজেই ৩০-৩৫ বছর বেঁচে থাকা যায়। যশোরের কেশবপুরের হজরত আলী। ভারত থেকে জেনে এসেছেন, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। সব মানুষ তাঁকে আলাদা করে ফেলেছে। আমি তাঁর রক্ত পরীক্ষা করে দেখলাম, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত নন। এরপর সব জায়গায় বলে দিলাম, নিশ্চিত না হয়ে কেউ এইচআইভি আক্রান্ত বলবেন না। আমাদের একটা বড় অর্জন আছে। ১৯৮৯ সালে প্রথম রোনাল্ড বি ব্রাভো নামে এক বিদেশি সোনা চোরাচালানি ধরা পড়ে। সে ছিল এইচআইভি আক্রান্ত। সরকার তাকে বের করে দেয়। ১৯৯০ সালে আরও দুজন ধরা পড়ে। তাদের মধ্যে একজন মারা যায়। অন্যজনকে আমরা চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করি। তিনি এখনো ভালো আছেন। বিয়ে করেছেন। সন্তান হয়েছে। সবাই সুস্থ আছে। আমাদের চিকিৎসা ও তত্ত্বাবধানে যেসব এইচআইভি আক্রান্ত মায়ের সন্তান হয়েছে, তাঁরা সবাই সুস্থ আছেন। অতএব, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এইচআইভি আক্রান্ত মানুষ যেন আমাদের কাছে আসে।
সালেহ আহমেদ: সমকামী ও হিজড়া জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম এদের নিয়ে কাজ করি। আজকের আলোচনার বিষয়টি আমাদের কাজের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশে এইডস কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশ এই কমিশনের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের দেশে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করার জন্য যে ধরনের অনুকূল আইন দরকার, সেটা নেই। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেছেন, বিশ্বের যেখানে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য আইন অনুকূলে আছে, সেখানে সহজে এরা সেবা নিচ্ছে।
বৈষম্যমূলক আইনের জন্য দেশে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সেবা নিতে পারছে না। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে গেছে। কেন বেড়েছে? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, অপবাদ ও বৈষম্যের জন্য এরা আত্মহত্যা করছে। একে তো এদের মধ্যে রয়েছে লিঙ্গবৈষম্য, তার ওপর ভগ্নস্বাস্থ্য, সুচিকিৎসার অভাব, এর সঙ্গে রয়েছে প্রচণ্ড অপবাদ ও বৈষম্য। সবকিছু মিলিয়ে এমন একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে, যে কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রত্যেকের সমস্যাকে নিরূপণ করে সমন্বিত সেবা ও চিকিৎসার মধ্যে আনতে হবে।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। এইডস রোগীর সঙ্গে একজন চিকিৎসকের আলিঙ্গনের খবর পত্রিকায় এসেছিল-‘একটি আলিঙ্গন এক ঘণ্টার বক্তৃতার চেয়ে বেশি দামি।’ খবরটি সমাজে প্রভাব ফেলেছিল।
আব্দুল কাইয়ুম: অনেকেই গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলেছেন। আমরাও স্বীকার করি, গণমাধ্যমের অনেক ভূমিকা আছে। আমরা প্রথম আলো সাধ্য মতো সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করি, মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করি। এখন শুনব জাহিদ মো. মাসুদের কাছ থেকে।
জাহিদ মো. মাসুদ: আমার হাসপাতালে প্রথম এইচআইভি রোগী এল। চিকিৎসকেরা সবাই হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেলেন। কোনো রকমে ব্যবস্থা করে অপারেশন শুরু করলাম। ওই চিকিৎসকেরা আবার ফিরে এলেন। তথ্য দুভাবে দেওয়া যায়। এক. প্রচার করে; দুই. নিজে কাজ করে দেখিয়ে। আমি শেষেরটা করেছিলাম, তাতে কাজ হয়েছিল।
অপবাদ মানে, সিল মেরে আলাদা করে দেওয়া। এইচআইভির ক্ষেত্রে সিল মেরে আলাদা করে ফেলা হচ্ছে। তথ্যের অভাবে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। দারিদ্র্য অপবাদের একটি বড় কারণ। গ্রামে গিয়ে শিক্ষককে বললেন এইচআইভি/এইডস বিষয়ে ভালো করে পাড়াচ্ছেন তো? উনি বললেন, ওই অধ্যায় পড়াই না। বাসায় পড়ে আসতে বলি। চিকিৎসকেরা শুধু মেডিসিন আর সার্জারি পড়ে আসেন। এঁদের সমাজবিজ্ঞানসহ অনেক বিষয় পড়া দরকার। এইচআইভির ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারতেন। কিন্তু তাঁদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারছেন না। চিকিৎসকদের এ বিষয়ে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।
চিকিৎসকেরা সব ধরনের রোগী দেখবেন বলে শপথ করেছিলেন। এখন এইচআইভি রোগীর চিকিৎসা করবেন না। এটা কারও দায়িত্বশীল আচরণ হতে পারে না। এইচআইভি থেকে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন, চিকিৎসকদের থেকে আর কে ভালো জানবে? কিন্তু চিকিৎসকেরা দূরে, আরও দূরে সরে যান। আমরা অনেকের ভূমিকার কথা বলেছি। কিন্তু প্রথম ভূমিকা ছিল চিকিৎসকদের। চিকিৎসকেরা সেটা ভুলে গেছেন। রোগের ক্ষেত্রে যদি চিকিৎসকদের মধ্যে কুসংস্কার থাকে, তাহলে অন্যরা কোথায় যাবে? না জানাটা কোনো দোষের নয়। চিকিৎসকদের জানতে হবে এবং এইচআইভি রোগীর সেবার জন্য অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
মুনির আহমেদ: আমিও চিকিৎসকদের কথাই বলব। চিকিৎসকদের অনুরোধ করব, জানেন না—এ কথা বলে আর যেন সময় নষ্ট না করেন। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কথা বলা হয়, যারা অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার। যারা মাদক নেয়, তারাও চরম অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার। এদের কথা আলোচনায় আসেনি। বৈষম্যের কারণ হলো সামাজিক অবস্থান, শ্রেণীবিভেদ, তথ্যের অভাব।
এইচআইভি সম্পর্কে কেন এত ভয়? এইচআইভি নিয়ে গোপন কোনো রহস্য নেই। খুব ভালোভাবে বলা আছে, কনডম ব্যবহার করলে এইচআইভি হবে না। হাঁচি, কাশি, একসঙ্গে চলাফেরা, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে এইচআইভি হবে না। তাহলে ভয়টা কোথায়? এই তথ্যগুলো যদি যথাযথভাবে দেওয়া যায়, তাহলে এইচআইভি নিয়ে কোনো সমস্যা থাকে না। বাংলাদেশে সাংবদিকেরা গত কয়েক বছরে অনেক এগিয়েছেন। তাঁরা অনেক শিখেছেন। চিকিৎসকেরা আছেন অন্ধকার ও কুসংস্কারের মধ্যে। তাঁরা কিছু শিখছেন না। তাঁরা মাদকাসক্তদের ঘৃণা করছেন। দূরে ঠেলে দিচ্ছেন। এইচআইভি রোগীর ক্ষেত্রে তাঁদের আচরণ নেতিবাচক। বাংলাদেশে এক লাখ যৌনকর্মী আছেন। ৮০ হাজার পুরুষ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরা পুরুষ খদ্দেরদের অপবাদ দিই না। কিন্তু নারী যৌন কর্মীদের দিই। কেন দিই? কারণ তাঁরা নারী। তাঁরা দেহব্যবসা করেন।
মো. আফতাব উদ্দিন: এইচআইভি সম্পর্কে সমাজের সব জায়গায় ভুল ধারণা আছে। নিজের ইচ্ছায় কিছুটা শিখেছি। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলি, তারা বিশ্বাস করে না। তারা মনে করে, যার এইডস হয়, সে আর বাঁচে না। এইডস রোগীর সঙ্গে যারা মেশে, তাদেরও এইডস হয়। এ ধারণা থেকে বের হতে চায় না। বোঝাতে গেলে বলে, তুই কী জানিস? এইচআইভি বিষয়ে তরুণদের মধ্যে চরম অজ্ঞতা রয়েছে। আমার মনে হয়, এ বিষয়ে অনেক প্রচার করতে হবে। সচেতন করতে হবে।
সারা হোসেন: আইনজীবীদের মধ্যে এইডসের ক্ষেত্রে অপবাদ-বৈষম্য বিষয়ে কোনো আলোচনা হয় না। নারী নির্যাতনের বিষয় নিয়ে কেউ কেউ আসেন। বিচার পান কি না, সেটি ভিন্ন বিতর্ক। কিন্তু আসেন। সমাজের প্রত্যেকেরই মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। একজনের সম্মানের ওপর অন্যায়ভাবে অন্য কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাই কেউ যদি অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হয়। সে অবশ্যই তার প্রতিকার চাইতে পারে। এ ক্ষেত্রে আইনের আশ্রয় নিতে পারে। এইচআইভি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী বা যেকোনো মানুষ অন্যায় অপবাদের শিকার হলে আইনের আশ্রয় নিতে পারবে। কিন্তু কখনো দেখিনি, এ বিষয়ে কেউ আইনের প্রতিকার চাইতে এসেছে। কেউ প্রতিকারের জন্য এলে সে অবশ্যই সহযোগিতা পাবে।
জয়া শিকদার: মাদকাসক্ত থেকে শুরু করে সমাজের প্রায় সব শ্রেণীর মানুষ আমাদের সেবা নিতে আসে। আমরা কিন্তু তাদের কাছে যাই না, তারাই আমাদের খুঁজে বের করে। আমাদের সেবা নেয়। কিন্তু অপবাদ-বৈষম্যের শিকার কেবল আমাদের হতে হয়। আমাদের কাছে যারা আসে, তাদের কোনো দোষ নেই। যৌনপল্লি উঠিয়ে দিলে যৌনতা সমাজের সব জায়গায় ছড়িয়ে যাবে। না উঠিয়ে এক জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।
এ এম বদরুদ্দোজা: দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হলো। এখান থেকে কিছু তথ্য সামনে আনতে হবে, যা সমাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অপবাদ ও বৈষম্য নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। নিশ্চই এইচআইভি দূর করার জন্য এটি একটি বড় বাধা। কিন্তু এর সঙ্গে আরেকটি বিষয় যোগ করতে হবে, তা হলো আতঙ্ক। এইডস সম্পর্কে আতঙ্ক সারা পৃথিবীর মানুষকে গ্রাস করে ফেলেছে। একটি গল্প এ রকম: একজন আরেকজনকে বলছে, বাঘের সামনে পড়লে কী করবে? উত্তরে বলল, আমি আর কী করব, যা করার তা তো বাঘই করবে! না, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে পৃথিবীর অনেক মানুষ বেঁচে আছে। এইডস এখন আর ঘতক ব্যাধি নয়। মরণব্যাধি নয়। ঠিকমতো চিকিৎসা করালে অনেক বছর বেঁচে থাকা যায়। আতঙ্ক দূর করতে পারলে এইডসও দূরে সরে যাবে।
আব্দুল কাইয়ুম: এইডস নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে মূল ধারার সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি এখনই গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। তাহলে সব ধরনের হাসপাতালে এইডস রোগীদের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ তৈরী হবে। একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আজকের আলোচনায় উপস্থিত সবাইকে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
যাঁরা অংশ নিলেন
এ এম বদরুদ্দোজা
অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
নজরুল ইসলাম
সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
মো. আব্দুল ওয়াহিদ
লাইন ডিরেক্টর, জাতীয় এইডস এসটিডি প্রোগ্রাম
সারা হোসেন
ব্যারিস্টার, অনারারি ডিরেক্টর, বাংলাদেশ লিগ্যাল অ্যান্ড এইড সার্ভিস ট্রাস্ট
মুনির আহমেদ
উপদেষ্টা, সোশ্যাল মোবিলাইজেশন ও পার্টনারশিপ-ইউএনএইডস
খন্দকার এজাজুল হক
ফোকাল পয়েন্ট, এইচআইভি এইডস কার্যক্রম, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল
সালেহ আহমেদ
নির্বাহী পরিচালক, বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি
জাহিদ মো. মাসুদ, নির্বাহী পরিচালক, এইটাম হাসপাতাল
এম এস মুক্তি, নির্বাহী পরিচালক, মুক্ত আকাশ বাংলাদেশ
জয়া শিকদার, সভাপতি, সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক
জেবিন আলম, শিক্ষার্থী
মো. আফতাব উদ্দিন, শিক্ষার্থী
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম, সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
এ এম বদরুদ্দোজা: ১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বিশ্ব এইডস দিবস। একটি ভালো সময়ে আলোচনাটি হচ্ছে। এইডস নিয়ে আলোচনা করতে গেলে হয়তো শেষ হবে না। প্রসঙ্গটি অনেক ব্যাপক। বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য এইডস কমে আসছে, এটি একটি আশার খবর। এইডসমুক্ত থাকার জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ না করলে আবার হয়তো বাড়তে থাকবে। এইডস থেকে নিরাপদ থাকা একটি নিরবচ্ছিন্ন সচেতনতা ও সতর্কতামূলক প্রক্রিয়া। এইডস দূর করার বড় বাধা হলো অপবাদ ও বৈষম্য। বিশেষ করে ভারত উপমহাদেশে বৈষম্যের বিষয়টি অনেক পুরোনো। একটা সময় ছিল, মানুষের যক্ষ্মা ও গুটিবসন্ত হতো। তখন আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিবার থেকে, এমনকি সমাজ থেকে আলাদা করে ফেলা হতো। কলাপাতায় খাবার দেওয়া হতো। গাছের নিচে রাখা হতো। কিন্তু সে সময় অপবাদ ছিল না। দুঃখজনক হলেও সত্য, এইডসের সঙ্গে এখন অপবাদের বিষয়টি চলে এসেছে। এটি শুধু আমাদের একার সমস্যা নয়, এ সমস্যা বিশ্বব্যাপী। তাই সবাই একসঙ্গে মোকাবিলার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। এইডস সম্পর্কে সমাজের মানুষের মানসিকতা বদলাতে হবে। এইডসকে আর দশটা রোগের মতো মনে করতে হবে। অন্য রোগের ক্ষেত্রে যেমন রোগীকে লুকিয়ে রাখি না, রোগ গোপন করি না; এইডসের ক্ষেত্রেও তেমনি খোলামেলা হতে হবে। সবাইকে বুঝতে হবে, আর দশটা রোগের মতো এইডসেরও ভালো চিকিৎসা রয়েছে। এইডস হলে এখন মানুষ মারা যায় না বরং ভালো চিকিৎসা পেলে ৩০-৩৫ বছর বেঁচে থাকতে পারে। ১৯৮৫ সালে বিশ্বে যখন প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয়, তখন থেকে বাংলাদেশ এইডস নিয়ে কাজ করছে। এইডসে আক্রান্ত রোগী সারা জীবন বেঁচে আছে, এ রকম উদাহরণও আমাদের দেশে আছে। এইডস রোগীর ক্ষেত্রে অপবাদ ও বৈষম্য সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আসে। অপবাদ ও বৈষম্য দূর করার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।
খন্দকার এজাজুল হক: পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এইডস দূরীকরণের বড় বাধা অপবাদ ও বৈষম্য। অপবাদ-বৈষম্য শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বের সব দেশে কম-বেশি আছে। এ বিষয়ে আলোচনার আগে একটু পেছনে ফিরে দেখতে চাই। গত শতকের আশির দশকে প্রথম এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়। তখন থেকে আমরাই আমাদের অজান্তে এইচআইভি-সংক্রান্ত অপবাদ ও বৈষম্যের বীজ বপন করে ফেলেছিলাম। তখন আমরা বলতাম যে যাঁরা হিজড়া, সমকামী ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচার করেন, তাঁরাই এইচআইভি ছড়ান। এ ধারণা এখনো আছে এবং দিনে দিনে তা বেড়ে চলেছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, প্রচলিত ধারণার বাইরেও বিভিন্ন কারণে এইচআইভি ছড়ায়। বিষয়টি তখন একেবারেই ভাবা হয়নি। সম্পূর্ণ দোষ পড়েছে হিজড়া, সমকামী ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচারকারীদের ওপর। যে কারণে এইডসের সব অপবাদ একটা নির্দিষ্ট শ্রেণীকে নিতে হচ্ছে এবং তাঁরা সমাজে এখন চরম বৈষম্যেরও শিকার হচ্ছেন।
ধরা যাক, একজন সাধারণ গৃহিণী। পরিছন্ন জীবনযাপন করেন এবং বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্কে অভ্যস্ত নন। তিনি না জেনে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, ব্যবহূত সুচ, ইনজেকশন সিরিঞ্জ বা তাঁর স্বামীর দ্বারাই এইচআইভিতে আক্রান্ত হলেন। তাঁর একটি সন্তান জন্ম নিল। এই সন্তানও এইচআইভিতে আক্রান্ত হলো। যখন সমাজ জানল এই নারী ও শিশু এইচআইভি আক্রান্ত, তখনই সমাজের যাবতীয় ঘৃণা, অপবাদ ও বৈষম্য তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দিল। কিন্তু এই নিষ্পাপ শিশু ও তার মায়ের বিন্দুমাত্র অপরাধ নেই। এইচআইভি থেকে অপবাদ ও বৈষম্য সমাজকে বেশি কলুষিত করছে। এটা কীভাবে? একজন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি যখন অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হন, তখন তিনি নিজেকে সমাজ থেকে আড়াল করে ফেলেন। অন্ধকারে চলে যান। তিনি আর চিকিৎসাসেবার আওতায় আসেন না। এতে তাঁর দ্বারা এইচআইভি ছড়ানোর সম্ভাবনা আরও বেশি থাকে। খুব সাধারণ ধারণা থেকে অপবাদ দিচ্ছে, বিষয়টি সে রকম নয়। একধরনের বিশ্বাস ও ঘৃণাবোধ থেকে অপবাদ দিচ্ছে। সে কারণে গতানুগতিক প্রচারণার মাধ্যমে এটা দূর হবে বলে মনে হয় না।
এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রচারণার বাইরে কিছু বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন: আমাদের এইডস নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত নীতিমালা আছে। অপবাদ-বৈষম্যের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলা না থাকলেও পরোক্ষভাবে এ বিষয়ে বলা আছে। নীতিমালার মধ্যে কী আছে, কৌশলগত পরিকল্পনার মধ্যে কী আছে, এগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নিতে পারি। তাত্ত্বিক দিক থেকে কিছু শব্দগত প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে এটি দূর করা যাবে না।
সামাজের ওপর যাঁদের প্রভাব আছে, এ ধরনের ব্যক্তিত্বদের এ কাজে ব্যবহার করতে হবে। মনে আছে, প্রিন্সেস ডায়ানা যখন এইডস রোগীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন, পৃথিবীর গণমাধ্যম গুরুত্বের সঙ্গে খবরটি প্রকাশ করেছিল। তখন এইডসের প্রতি অপবাদ ও বৈষম্য অনেকটাই কমে এসেছিল। ফলে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি, রাষ্ট্রপ্রধান, বিশেষ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এইডস অধ্যায়ে অপবাদ-বৈষম্যের বিষয়ে কিছু বলা নেই। তাই একজন শিক্ষার্থী জীবনের শুরু থেকে অপবাদ ও বৈষম্যের বিষয়টি জানতে পারে না। সাধারণ প্রচার-প্রচারণা দিয়ে এটা দূর করা সম্ভব নয়। এর জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ঠিক করতে হবে।
এম এস মুক্তি: দীর্ঘদিন ধরে এইচআইভি রোগীদের নিয়ে কাজ করি। ২০১২ সালের ঘটনা। একজন রোগীর অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে। সে চিকিৎসকের কাছে গেল। চিকিৎসক বললেন, এখনই অপারেশন করাতে হবে। সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে। অপারেশন শুরু হবে। রোগী বলল, সে এইচআইভিতে আক্রান্ত। তখন চিকিৎসক তার অপারেশন বন্ধ করে দিলেন। এভাবে তিনজন চিকিৎসক তাকে ফিরিয়ে দিলেন। ২০১২ সালেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। দিনে দিনে আমরা কোথায় যাচ্ছি? এ ধরনের ঘটনা যদি একের পর এক ঘটতে থাকে, তাহলে কী অবস্থা হবে? একসময় কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে এরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে লিপ্ত হবে। এতে এইচআইভি আরও বেশি ছড়াবে। শেষে একজন চিকিৎসক অপারেশন করলেন। তিনি বললেন, বিদেশে এ রকম রোগীর অপারেশন অনেক করেছেন। আরও বললেন, এইচআইভি নিয়ে মানুষের ভুল ধারণা আছে। এমনকি চিকিৎসকদের মধ্যেও ভুল ধারণা আছে।
একমাত্র তরল পদার্থের মাধ্যম ছাড়া অন্য কোনোভাবে এইডস ছড়ায় না। এইচআইভি রোগীর হাঁচি-কাশি, তার সঙ্গে সাধারণ চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া, একই পানিতে গোসল ইত্যাদি কারণে কখনো এইচআইভি ছড়ায় না। গণমাধ্যমসহ সমাজের সব মানুষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। গণমধ্যমের একটা বিরাট ভূমিকা আছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামান্য কিছু সময় এইচআইভি নিয়ে প্রচার চালাতে পারে। দৈনিক পত্রিকাগুলো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রতিদিন এইচআইভির তথ্য ছাপতে পারে। সমাজের প্রতি গণমাধ্যমেরও একটি বড় রকমের দায়বদ্ধতা আছে। সেই জায়গা থকে তাদের অবশ্যই এ ব্যাপারে কিছু করা উচিত। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চস্তর পর্যন্ত সব জায়গায় বৈষম্য আছে। সমাজের ৮০ শতাংশ এইচআইভি রোগী তাদের পরিবারের কাছে পর্যন্ত বলে না। কারণ সে জানে, একবার সবাই জেনে গেলে চরম অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হবে। এ অপবাদ-বৈষম্য তার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব হবে না।
সাধারণত দেশের নারী ও শিশুরা কিন্তু নিরপরাধ। তারা না জেনে এ রোগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু নারী, পুরুষ, শিশু, যিনি বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন—সবাইকে একই দৃষ্টিতে দেখা হয়। সবাই একই বৈষম্য-অপবাদের শিকার হয়। সব রোগের মধ্যে এইচআইভি রোগীকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণার চোখে দেখা হয়। এইচআইভি রোগীদের অধিকার রক্ষা করতে না পারলে আমাদের কারও অধিকার রক্ষা হবে না।
আব্দুল কাইয়ুম: দুজন শিক্ষার্থী আলোচনার জন্য আমন্ত্রিত হয়ে এসেছে। তারা বিষয়টিকে কীভাবে দেখে? এবার বলবে জেবিন আলম।
জেবিন আলম: তখন আমি অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি। একদিন শিক্ষক বললেন, আলোচনাকক্ষে যাও। তোমাদের সঙ্গে কথা আছে। সবাই গেলাম। সেখানে কয়েকজন বিদেশি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাঁরা এইচআইভি সম্পর্কে বিস্তারিত বললেন। শুধু বললেনই না, পর্দায় ছবির মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন। অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর সেদিন পেলাম। শহরে থাকায় এই সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু গ্রামাঞ্চলের তরুণেরা এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারে না। শহর ও গ্রামের স্কুলগুলোতে শিক্ষকেরা এইচআইভি অধ্যায় বাসা থেকে পড়ে আসতে বলেন। তাহলে তরুণেরা এ বিষয়ে কীভাবে জানবে? কীভাবে সতর্ক হবে?
মো. আব্দুল ওয়াহিদ: শুধু অপবাদ ও বৈষম্যের মধ্যে থাকলে সমস্যার সমাধান হবে না। অনেকেই জানে না এইচআইভি ভাইরাস কী। এইচআইভি ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক নেই। এটি নিরাময়যোগ্য রোগ নয়। তবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পরিবার, সমাজ, চিকিৎসক—সবকিছুর ওপরে এইচআইভি রোগীর নিজের দায়দায়িত্ব অনেক বেশি। তাকে ভাবতে হবে, এইচআইভি আর দশটা রোগের মতো একটা রোগ। অন্য রোগের ক্ষেত্রে যেমন রোগী লুকিয়ে থাকে না, সবার সঙ্গে খোলামেলা কথা হয়। চিকিৎসার জন্য চেষ্টা করে। কী কী করণে এইচআইভি হয়, কী কী করণে হয় না—সবই তাকে জানতে হবে। যেসব মানুষ অপবাদ দেবে, তাদের বোঝানোর দায়িত্ব এইচআইভি রোগীকেই প্রথমে নিতে হবে। বোঝাতে হবে, এটি আর দশটা রোগের মতো একটা রোগ। আজকে যারা অপবাদ বা ঘৃণা করছে, তারা নিজেরাও যেকোনো সময় এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় এর বিপরীত। এইচআইভি আক্রান্ত রোগী নিজেই নিজেকে লুকিয়ে রাখে। কারও কাছে বলে না। চিকিৎসকের কাছে যায় না। চিকিৎসাশাস্ত্রের কোথাও লেখা নেই যে তাকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে না।
এইচআইভি রোগীদের একত্র হতে হবে। তাদের এ রোগ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। সমাজের যে অংশ তাদের খারাপ দৃষ্টিতে দেখবে, সে অংশকে বোঝানোর দায়িত্ব এইচআইভি রোগীদেরও নিতে হবে। এইচআইভি রোগীর সঙ্গে তার পরিবার, সমাজ, সরকার—সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা। প্রত্যেককে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য সরকার দায়বদ্ধ। সমাজে যৌনরোগ লুকানোর প্রবণতা আছে। কারও যৌনরোগ হলে মানুষ মনে করে, তার ওপর অভিশাপ আছে।
একমাত্র অজ্ঞতার কারণে মানুষ এসব নেতিবাচক মন্তব্য করে থাকে, যা মোটেই কাম্য নয়। অন্তত কী কারণে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়, কী কারণে হয় না—বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। যত বেশি প্রচার করা যাবে, তত বেশি জানতে পারবে। গোলটেবিলের আলোচনার একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা আছে। এর মাধ্যমে অনেক বেশি তথ্য মানুষ জানতে পারবে। তবে আশার বিষয় হলো, আগের যেকোনো সময়ের থেকে এখন এইচআইভি বিষয়টি অনেক বেশি খোলামেলা। রোগীরা বেশি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। সরকার এ ব্যাপারে খুব আন্তরিক। ১৯৮৫ সালে এইচআইভি কমিটি গঠিত হয়। ১৯৮৯ সালে দেশে প্রথম এইচআইভি রোগী পাওয়া যায়। ২০১৩ সাল থেকে এইচআইভি রোগীদের আরও ব্যাপকভাবে সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সব শ্রেণীর মানুষের সহযোগিতা থাকলে আমরা বাংলাদেশ এইচআইভি ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে যাব।
আব্দুল কাইয়ুম: আমরা বিভিন্ন কারণে চিকিৎসকের কাছে যাই। অনেক ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে দাঁতের চিকিৎসকের কাছে মানুষ হরহামেশা যায়। ডাক্তারি যন্ত্রপাতি কতটা নিরাপদ?
নজরুল ইসলাম: পাঠ্যপুস্তকের কারিকুলামে এইচআইভি সম্পর্কে বলা আছে, কিন্তু বৈষম্য ও অপবাদের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ, এইচআইভি রোগীর জন্য অপবাদ ও বৈষম্য বড় রকমের বাধা হিসেবে কাজ করছে। এইচআইভি রোগীর চিকিৎসার দুটি ভাগ আছে। এক. এইচআইভির চিকিৎসা; দুই. তারা তো মানুষ, তাদেরও তো অন্য রোগ হতে পারে। এর চিকিৎসা কী হবে? চিকিৎসকেরা ভয় পাচ্ছেন। কারণ তাঁরাও তো মানুষ। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। চিকিৎসকেরা যে সবকিছু জানেন, তা কিন্তু নয়। তাঁদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে।
অজ্ঞতার কারণে কী হতে পারে, তার একটি উদাহরণ দিই। একবার একজন ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করল। লাশ ঢাকা মেডিকেলে আনা হলো। চিকিৎসকেরা তার ময়নাতদন্ত করবেন না। তার অপরাধ কী, সে এইচআইভি আক্রান্ত। পরে লাশ আঞ্জুমান মুফিদুলে দেওয়া হলো। এই যে আমরা চিকিৎসা করছি না, ময়নাতদন্ত করছি না—এটা সম্পূর্ণ আমাদের অজ্ঞতা। শিক্ষার ঘাটতি। প্রশিক্ষণের ঘাটতি। আমাদের ব্যর্থতা। চিকিৎসকেরা ঈশ্বর প্রদত্ত কোনো ক্ষমতা নিয়ে জন্মান না। তাঁদের শিখতে হয়, শেখাতে হয়।
আমাদের পাঠ্যক্রমে এইচআইভির ওপর ব্যাপকভাবে কোনো আলোচনা নেই। সাধারণ মানুষ যেভাবে জানে, চিকিৎসক হওয়ার জন্য হয়তো একটু বেশি জানেন। তাই খুব বেশি যে জানেন, তা কিন্তু নয়। ফলে তাঁদেরও শিখতে হবে। ১৯৯৫ সালের এক জরিপে জানা গেল, জাতিসংঘের শান্তি মিশনে সবচেয়ে বেশি কাজ করে বাংলাদেশের সেনাসদস্য। ওই সময় বাংলাদেশের তিন সেনাসদস্যকে এইচআইভি আক্রান্ত পাওয়া গেল। সে সময় একটা সিদ্ধান্ত হলো, যাঁরা বিদেশে যাবেন, তাঁদের সতর্ক করা হবে। প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ফিরে এলে আবার পরীক্ষা করা হবে। ’৯৫ সালের পর বাংলাদেশ থেকে শান্তি মিশনে যাওয়া একজন সেনাসদস্যও এইচআইভি আক্রান্ত হননি। সেনাসদস্য ছাড়া অন্য যাঁরা বিদেশে কাজ করতে গিয়েছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ দিতে ব্যর্থ হয়েছি। এঁদের প্রশিক্ষণের জন্য আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি। বর্তমান শ্রমমন্ত্রীকেও বলেছি।
এইচআইভিকে মূলধারার চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এনজিওগুলোর স্থায়িত্ব কম হওয়ায় এইচআইভির চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত হয়। দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকও উপজেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। আমাদের অভ্যাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলা, তার পরও চিকিৎসা চলতে থাকবে। বর্তমান অবস্থায় একজন এইচআইভি আক্রান্ত হলেও তার চিকিৎসার জায়গা নেই। আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন রোগী পাঠালাম। তারা চিকিৎসা করল না। তাই এই চিকিৎসাকে মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।
এইচআইভি সম্পর্কে কিছু তথ্য সমাজে ভীতি ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যেমন বলা হয়ে থাকে, ঘাতক ব্যাধি। মরণব্যাধি। এইচআইভি ঘাতক বা মরণব্যাধি নয়। চিকিৎসা নিয়ে সহজেই ৩০-৩৫ বছর বেঁচে থাকা যায়। যশোরের কেশবপুরের হজরত আলী। ভারত থেকে জেনে এসেছেন, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। সব মানুষ তাঁকে আলাদা করে ফেলেছে। আমি তাঁর রক্ত পরীক্ষা করে দেখলাম, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত নন। এরপর সব জায়গায় বলে দিলাম, নিশ্চিত না হয়ে কেউ এইচআইভি আক্রান্ত বলবেন না। আমাদের একটা বড় অর্জন আছে। ১৯৮৯ সালে প্রথম রোনাল্ড বি ব্রাভো নামে এক বিদেশি সোনা চোরাচালানি ধরা পড়ে। সে ছিল এইচআইভি আক্রান্ত। সরকার তাকে বের করে দেয়। ১৯৯০ সালে আরও দুজন ধরা পড়ে। তাদের মধ্যে একজন মারা যায়। অন্যজনকে আমরা চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করি। তিনি এখনো ভালো আছেন। বিয়ে করেছেন। সন্তান হয়েছে। সবাই সুস্থ আছে। আমাদের চিকিৎসা ও তত্ত্বাবধানে যেসব এইচআইভি আক্রান্ত মায়ের সন্তান হয়েছে, তাঁরা সবাই সুস্থ আছেন। অতএব, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এইচআইভি আক্রান্ত মানুষ যেন আমাদের কাছে আসে।
সালেহ আহমেদ: সমকামী ও হিজড়া জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম এদের নিয়ে কাজ করি। আজকের আলোচনার বিষয়টি আমাদের কাজের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশে এইডস কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশ এই কমিশনের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের দেশে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করার জন্য যে ধরনের অনুকূল আইন দরকার, সেটা নেই। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেছেন, বিশ্বের যেখানে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য আইন অনুকূলে আছে, সেখানে সহজে এরা সেবা নিচ্ছে।
বৈষম্যমূলক আইনের জন্য দেশে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সেবা নিতে পারছে না। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে গেছে। কেন বেড়েছে? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, অপবাদ ও বৈষম্যের জন্য এরা আত্মহত্যা করছে। একে তো এদের মধ্যে রয়েছে লিঙ্গবৈষম্য, তার ওপর ভগ্নস্বাস্থ্য, সুচিকিৎসার অভাব, এর সঙ্গে রয়েছে প্রচণ্ড অপবাদ ও বৈষম্য। সবকিছু মিলিয়ে এমন একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে, যে কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রত্যেকের সমস্যাকে নিরূপণ করে সমন্বিত সেবা ও চিকিৎসার মধ্যে আনতে হবে।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। এইডস রোগীর সঙ্গে একজন চিকিৎসকের আলিঙ্গনের খবর পত্রিকায় এসেছিল-‘একটি আলিঙ্গন এক ঘণ্টার বক্তৃতার চেয়ে বেশি দামি।’ খবরটি সমাজে প্রভাব ফেলেছিল।
আব্দুল কাইয়ুম: অনেকেই গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলেছেন। আমরাও স্বীকার করি, গণমাধ্যমের অনেক ভূমিকা আছে। আমরা প্রথম আলো সাধ্য মতো সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করি, মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করি। এখন শুনব জাহিদ মো. মাসুদের কাছ থেকে।
জাহিদ মো. মাসুদ: আমার হাসপাতালে প্রথম এইচআইভি রোগী এল। চিকিৎসকেরা সবাই হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেলেন। কোনো রকমে ব্যবস্থা করে অপারেশন শুরু করলাম। ওই চিকিৎসকেরা আবার ফিরে এলেন। তথ্য দুভাবে দেওয়া যায়। এক. প্রচার করে; দুই. নিজে কাজ করে দেখিয়ে। আমি শেষেরটা করেছিলাম, তাতে কাজ হয়েছিল।
অপবাদ মানে, সিল মেরে আলাদা করে দেওয়া। এইচআইভির ক্ষেত্রে সিল মেরে আলাদা করে ফেলা হচ্ছে। তথ্যের অভাবে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। দারিদ্র্য অপবাদের একটি বড় কারণ। গ্রামে গিয়ে শিক্ষককে বললেন এইচআইভি/এইডস বিষয়ে ভালো করে পাড়াচ্ছেন তো? উনি বললেন, ওই অধ্যায় পড়াই না। বাসায় পড়ে আসতে বলি। চিকিৎসকেরা শুধু মেডিসিন আর সার্জারি পড়ে আসেন। এঁদের সমাজবিজ্ঞানসহ অনেক বিষয় পড়া দরকার। এইচআইভির ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারতেন। কিন্তু তাঁদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারছেন না। চিকিৎসকদের এ বিষয়ে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।
চিকিৎসকেরা সব ধরনের রোগী দেখবেন বলে শপথ করেছিলেন। এখন এইচআইভি রোগীর চিকিৎসা করবেন না। এটা কারও দায়িত্বশীল আচরণ হতে পারে না। এইচআইভি থেকে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন, চিকিৎসকদের থেকে আর কে ভালো জানবে? কিন্তু চিকিৎসকেরা দূরে, আরও দূরে সরে যান। আমরা অনেকের ভূমিকার কথা বলেছি। কিন্তু প্রথম ভূমিকা ছিল চিকিৎসকদের। চিকিৎসকেরা সেটা ভুলে গেছেন। রোগের ক্ষেত্রে যদি চিকিৎসকদের মধ্যে কুসংস্কার থাকে, তাহলে অন্যরা কোথায় যাবে? না জানাটা কোনো দোষের নয়। চিকিৎসকদের জানতে হবে এবং এইচআইভি রোগীর সেবার জন্য অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
মুনির আহমেদ: আমিও চিকিৎসকদের কথাই বলব। চিকিৎসকদের অনুরোধ করব, জানেন না—এ কথা বলে আর যেন সময় নষ্ট না করেন। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কথা বলা হয়, যারা অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার। যারা মাদক নেয়, তারাও চরম অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার। এদের কথা আলোচনায় আসেনি। বৈষম্যের কারণ হলো সামাজিক অবস্থান, শ্রেণীবিভেদ, তথ্যের অভাব।
এইচআইভি সম্পর্কে কেন এত ভয়? এইচআইভি নিয়ে গোপন কোনো রহস্য নেই। খুব ভালোভাবে বলা আছে, কনডম ব্যবহার করলে এইচআইভি হবে না। হাঁচি, কাশি, একসঙ্গে চলাফেরা, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে এইচআইভি হবে না। তাহলে ভয়টা কোথায়? এই তথ্যগুলো যদি যথাযথভাবে দেওয়া যায়, তাহলে এইচআইভি নিয়ে কোনো সমস্যা থাকে না। বাংলাদেশে সাংবদিকেরা গত কয়েক বছরে অনেক এগিয়েছেন। তাঁরা অনেক শিখেছেন। চিকিৎসকেরা আছেন অন্ধকার ও কুসংস্কারের মধ্যে। তাঁরা কিছু শিখছেন না। তাঁরা মাদকাসক্তদের ঘৃণা করছেন। দূরে ঠেলে দিচ্ছেন। এইচআইভি রোগীর ক্ষেত্রে তাঁদের আচরণ নেতিবাচক। বাংলাদেশে এক লাখ যৌনকর্মী আছেন। ৮০ হাজার পুরুষ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরা পুরুষ খদ্দেরদের অপবাদ দিই না। কিন্তু নারী যৌন কর্মীদের দিই। কেন দিই? কারণ তাঁরা নারী। তাঁরা দেহব্যবসা করেন।
মো. আফতাব উদ্দিন: এইচআইভি সম্পর্কে সমাজের সব জায়গায় ভুল ধারণা আছে। নিজের ইচ্ছায় কিছুটা শিখেছি। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলি, তারা বিশ্বাস করে না। তারা মনে করে, যার এইডস হয়, সে আর বাঁচে না। এইডস রোগীর সঙ্গে যারা মেশে, তাদেরও এইডস হয়। এ ধারণা থেকে বের হতে চায় না। বোঝাতে গেলে বলে, তুই কী জানিস? এইচআইভি বিষয়ে তরুণদের মধ্যে চরম অজ্ঞতা রয়েছে। আমার মনে হয়, এ বিষয়ে অনেক প্রচার করতে হবে। সচেতন করতে হবে।
সারা হোসেন: আইনজীবীদের মধ্যে এইডসের ক্ষেত্রে অপবাদ-বৈষম্য বিষয়ে কোনো আলোচনা হয় না। নারী নির্যাতনের বিষয় নিয়ে কেউ কেউ আসেন। বিচার পান কি না, সেটি ভিন্ন বিতর্ক। কিন্তু আসেন। সমাজের প্রত্যেকেরই মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। একজনের সম্মানের ওপর অন্যায়ভাবে অন্য কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাই কেউ যদি অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হয়। সে অবশ্যই তার প্রতিকার চাইতে পারে। এ ক্ষেত্রে আইনের আশ্রয় নিতে পারে। এইচআইভি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী বা যেকোনো মানুষ অন্যায় অপবাদের শিকার হলে আইনের আশ্রয় নিতে পারবে। কিন্তু কখনো দেখিনি, এ বিষয়ে কেউ আইনের প্রতিকার চাইতে এসেছে। কেউ প্রতিকারের জন্য এলে সে অবশ্যই সহযোগিতা পাবে।
জয়া শিকদার: মাদকাসক্ত থেকে শুরু করে সমাজের প্রায় সব শ্রেণীর মানুষ আমাদের সেবা নিতে আসে। আমরা কিন্তু তাদের কাছে যাই না, তারাই আমাদের খুঁজে বের করে। আমাদের সেবা নেয়। কিন্তু অপবাদ-বৈষম্যের শিকার কেবল আমাদের হতে হয়। আমাদের কাছে যারা আসে, তাদের কোনো দোষ নেই। যৌনপল্লি উঠিয়ে দিলে যৌনতা সমাজের সব জায়গায় ছড়িয়ে যাবে। না উঠিয়ে এক জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।
এ এম বদরুদ্দোজা: দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হলো। এখান থেকে কিছু তথ্য সামনে আনতে হবে, যা সমাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অপবাদ ও বৈষম্য নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। নিশ্চই এইচআইভি দূর করার জন্য এটি একটি বড় বাধা। কিন্তু এর সঙ্গে আরেকটি বিষয় যোগ করতে হবে, তা হলো আতঙ্ক। এইডস সম্পর্কে আতঙ্ক সারা পৃথিবীর মানুষকে গ্রাস করে ফেলেছে। একটি গল্প এ রকম: একজন আরেকজনকে বলছে, বাঘের সামনে পড়লে কী করবে? উত্তরে বলল, আমি আর কী করব, যা করার তা তো বাঘই করবে! না, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে পৃথিবীর অনেক মানুষ বেঁচে আছে। এইডস এখন আর ঘতক ব্যাধি নয়। মরণব্যাধি নয়। ঠিকমতো চিকিৎসা করালে অনেক বছর বেঁচে থাকা যায়। আতঙ্ক দূর করতে পারলে এইডসও দূরে সরে যাবে।
আব্দুল কাইয়ুম: এইডস নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে মূল ধারার সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি এখনই গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। তাহলে সব ধরনের হাসপাতালে এইডস রোগীদের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ তৈরী হবে। একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আজকের আলোচনায় উপস্থিত সবাইকে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
যাঁরা অংশ নিলেন
এ এম বদরুদ্দোজা
অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
নজরুল ইসলাম
সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
মো. আব্দুল ওয়াহিদ
লাইন ডিরেক্টর, জাতীয় এইডস এসটিডি প্রোগ্রাম
সারা হোসেন
ব্যারিস্টার, অনারারি ডিরেক্টর, বাংলাদেশ লিগ্যাল অ্যান্ড এইড সার্ভিস ট্রাস্ট
মুনির আহমেদ
উপদেষ্টা, সোশ্যাল মোবিলাইজেশন ও পার্টনারশিপ-ইউএনএইডস
খন্দকার এজাজুল হক
ফোকাল পয়েন্ট, এইচআইভি এইডস কার্যক্রম, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল
সালেহ আহমেদ
নির্বাহী পরিচালক, বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি
জাহিদ মো. মাসুদ, নির্বাহী পরিচালক, এইটাম হাসপাতাল
এম এস মুক্তি, নির্বাহী পরিচালক, মুক্ত আকাশ বাংলাদেশ
জয়া শিকদার, সভাপতি, সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক
জেবিন আলম, শিক্ষার্থী
মো. আফতাব উদ্দিন, শিক্ষার্থী
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম, সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
December
(2623)
-
▼
Dec 08
(89)
- আলোচনার দরজা খোলা’- আরব বসন্ত বিশৃঙ্খলা ছাড়া কিছুই...
- আফগানিস্তান থেকে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা প্রত্যাহার
- দুঃখ প্রকাশ চিফ হুইপের
- বিশ্লেষণ- ব্যর্থতা ঢাকতেই বেরিয়ে গেলেন মমতা!
- পাকিস্তান-মার্কিন সম্পর্ক জোড়া লাগানোর উদ্যোগ
- জলকপাট-সংকটে আট হাজার হেক্টর জমিতে জলাবদ্ধতা
- তারাগঞ্জে আমন খেতে খোলপচা রোগ
- বাসে ডাকাতি, রাজশাহীতে নেমে যাত্রীদের ভাঙচুর
- রোববার জেলায় অর্ধদিবস হরতাল- জামায়াতের অবরোধের ঘটন...
- গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা- অনলাইন নীতিমালা তথ্যপ্রবাহ...
- বিশ্বব্যাংকের ফিরে আসা ইতিবাচক: বিএনপি
- তানজানিয়ায় দুঃসহ দিন কাটিয়ে অবশেষে ফেরা
- গোধূলির ছায়াপথে- মেঘনায় গভীর রাতে লাশের শব্দ by ...
- কালের পুরাণ- বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনেছেন, জনগণের শর...
- সংশোধনী নয়, জনগণই গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ- প্রধানমন্ত্...
- প্রত্যাখ্যানই বিরোধী একমাত্র বিকল্প নয়- খালেদা জিয়...
- নো ইজি ডে: পাঠ পর্যালোচনা- দেশপ্রেমের আমেরিকান মডে...
- চারদিক- একজন প্রতিমাশিল্পীর গল্প by ফারুখ আহমেদ
- বিবিসির বিশ্লেষণ- মিসরে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ...
- মার্কিন কংগ্রেসের বিল প্রত্যাখ্যান করল রাশিয়া
- জাপানে ভূমিকম্পের পর সুনামির আঘাত
- শেষ মুহূর্তে সমঝোতার জোর চেষ্টা
- কূটনৈতিক গান!
- রুমানার স্বপ্ন অপূর্ণই রয়ে গেল
- সড়ক উন্নয়নের কাজে অনিয়মের অভিযোগ
- পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট- ছাত্রলীগের ভাঙচুর,...
- মুন্সিগঞ্জে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান ও খননকাজ আবা...
- সম্মেলন উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী- পিপিপি হবে উন্ন...
- ‘পেট্রোবাংলাকে সব সরকার অকেজো ও অক্ষম করেছে’
- সন্তোষজনক অর্জনে উচ্চারিত হলো বাংলাদেশের নাম by ...
- আমির খাঁ স্মরণে ‘শতবর্ষের অর্ঘ্য’
- গোপন মার্কিন দলিল- বিহারিদের হাতে অস্ত্র দিয়েছিল ও...
- চরম বার্তা কার প্রতি—সরকার না জনগণ?- বিরোধী দলের অ...
- ব্যক্তির জন্য দেশ কেন খেসারত দেবে?- পদ্মা সেতু প্র...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম- দুজনের ভোট সমান, কিন্তু একজন...
- নারী উদ্যোক্তা- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি ন...
- অপবাদ ও বৈষম্য—এইচআইভি প্রতিরোধে নেতিবাচক প্রভাব
- মনের জানালা
- মূল রচনা: লুৎফুর রহমানের সাক্ষাৎকার- ‘আমি সব সময় ব...
- যে খবর নাড়া দেয়- তাদের আবার দুঃখ কিসের! by মাহফুজ ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সাক্ষাৎকার: ঢাকায় জুহি চাওলা- ‘অভিনয়ের জন্য ডাকলে ...
- গণভোট স্থগিত করতে পারেন মুরসি
- মালালাকে দেখতে যাবেন জারদারি
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন- বিষমুক্ত সবজিতে রাষ্...
- কোরীয় প্রতিষ্ঠানের ১৭ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে এনা- স...
- রাজপথ অবরোধ- কাল রাজপথে ৮ ঘণ্টা থাকবে বিরোধী জোট
- বাজারদর-বাজার ভরা শীতের সবজি দাম চড়া
- ব্যবসায়ীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-বিদেশে কারখানায় নির...
- বিএনপির কাউন্সিল হচ্ছে না আজ
- রায় বিপক্ষে গেলে আরো সহিংস হবে জামায়াত! by মোশতাক ...
- মুক্তিযোদ্ধার বাঁচার লড়াই -দেশমাতৃকার জন্য যাঁরা য...
- সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী-বেসরকারি খাতের সঙ্গে আরো নি...
- আরেকটি অপেক্ষার দিন আক্ষেপে শেষ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ৫০...
- ডিজিটাল বাংলাদেশের নমুনা... by আবুল কাশেম
- সনদ দিচ্ছেন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা by অমিতোষ পাল
- বাড়ি বাড়ি তল্লাশি, বিএনপি শিবির নেতাসহ আটক ২০-গুরু...
- রাজপথে মুখোমুখি আ. লীগ-বিএনপি
- নাসরীন হক এবং আমাদের নারী আন্দোলন by মাহবুবুল হক রিপন
- ফিরে দেখা-বিপ্লব ও বেদনার গাথা by বৃত্বা রায় দীপা
- এসব খুঁটির জোর by শেখ রোকন
- সমকালীন প্রসঙ্গ-স্টেডিয়াম বনাম চালের ট্রাক by মনজু...
- সময়ের কথা-তবুও ভরসা জোগায় বাংলাদেশের কৃষি by অজয় দ...
- শিক্ষিকা বটে!-পাঠদান মানবিক হওয়া উচিত
- শিশু হৃদরোগ-চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে হবে
- উপেক্ষিত মুক্তিযোদ্ধারা! by এম আবদুল হাফিজ
- কে দেবে জনগণের ক্ষতিপূরণ by শাহীন হাসনাত
- সমাজ-প্রতিবন্ধীর সর্বজনীন প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত হোক...
- সময়ের কথা-উন্নয়নের জটিল ধাঁধা ও শিকড়ের সন্ধান by অ...
- সরকারি মিলে আখ মাড়াই-লোকসানের বোঝা কে বইবে
- বাল্যবিয়ে-শাপমোচনের জন্য আর কত অপেক্ষা?
- জার্মানিতে নেতানিয়াহু-নতুন বাড়ি নির্মাণে অনড় ইসরায়েল
- নগর সম্প্রসারণে ৭০০ পাহাড় কেটে ফেলবে চীন
- মালয়েশিয়ায় এমপিদের দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষা
- ভূমিকম্পের পর জাপানে সুনামি সতর্কতা
- কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন-৫০০ সেনা-পুলিশের বিরুদ্ধ...
- শিশুদের রক্ষায় ভারতে নতুন আইন-হয়রানিকে 'জামিন-অযোগ...
- এফডিআই নিয়ে ভোট-রাজ্যসভায়ও জয়ী কংগ্রেস
- মিসরের গণতান্ত্রিক স্বৈরশাসক মুরসি?
- আসাদকে সরানোর পথ খুঁজছে জাতিসংঘ!
- ৪৫ বছর পর গাজায় খালেদ মেশাল
- গার্মেন্টশিল্প খাতে নিরাপত্তা-বিদেশি চাপ ছাড়াই উন্...
- রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন-পরিবেশ হোক সংঘাতমুক্ত
- পবিত্র কোরআনের আলো-নূহ (আ.)-এর ঘটনা বর্ণনা করে মহা...
- দেশের বর্তমান অবস্থা ভালো নয় by আবদুল মান্নান
- সদরে অন্দরে-একজন আলফাজউদ্দিন স্যার বনাম কোচিং বাণি...
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-ধর্মতন্ত্রী জঙ্গিবাদ ও সাম্র...
- সর্বোচ্চ শক্তিতে ১৮ দলঃ রাজপথ থাকবে ৮ ঘন্টা গাড়িশূ...
- অনলাইন শিক্ষাঃ ক্যাম্পাস জীবন কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?
-
▼
Dec 08
(89)
-
▼
December
(2623)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment