Monday, July 16, 2012
শান্তি কমিটি, আলবদর ও রাজাকার বাহিনীর মূল নেতা গো. আযম-যুদ্ধাপরাধী বিচার-এসপি মাহবুবের জবানবন্দী
শান্তি কমিটি, আলবদর ও রাজাকার বাহিনীর মূল নেতা গো. আযম-যুদ্ধাপরাধী বিচার-এসপি মাহবুবের জবানবন্দী
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন পক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এসপি মাহবুব জবানবন্দীতে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানী সেনাদের সহযোগী বাহিনী শান্তি কমিটি, আল-বদর, রাজাকার বাহিনী মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে।
আর জামায়াতে ইসলামীর মূল নেতা হিসেবে গোলাম আযম তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। রবিবার তিনি জবানবন্দী শেষ করেছেন, আজ আসামিপক্ষের আইনজীবী তাঁকে জেরা করবেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তিনি এ জবানবন্দীতে এ কথা বলেছেন।
অন্যদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাকে জেরা করেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফাজলে কবিরের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ তিনি এই সাক্ষ্য দেন। একই ট্রাইব্যুনাল একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
গোলাম আযম ॥ সকাল ১১টায় প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম সাক্ষী এসপি মাহবুবের জবানবন্দী গ্রহণের সাহায্য করেন। তিনি এ মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী। নিজের পরিচয়ে তিনি বলেন, আমার নাম মাহবুব উদ্দিন আহমদ, পিতা মৃত আলতাফ উদ্দিন আহমদ। তাঁর বয়স ৬৭ বছর। ১৯৭১ সালে তার বয়স ছিল ২৬ বছর। ১৯৬৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ পাস করেন। তারপর তিনি পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করে সাতকানিয়া চলে যান। এরপর সেখান থেকে ঝিনাইদহে আসেন। তিনি সেখানে মুক্তিযুদ্ধ করেন। এর ওপর তিনি আদালতে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন।
জবানবন্দীর একপর্যায়ে তিনি বলেন, আমাদের বাহিনীর হাতে সে সময়ে অনেক রাজাকার ধরা পড়ে। তাদের কাছ থেকে আমরা অনেক তথ্য পাই। রাজাকারদের পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহায়তা করতে দেখি। গ্রামের পথগুলো তারা (রাজাকাররা) চিনিয়ে দিত। তারা মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত লোকজনকে ধরিয়ে দিত। তাদের ঘরবাড়ি চিনিয়ে দিত। চুক নগরগ্রামে এই রাজাকার বাহিনীরা গণহত্যা চালায়। এ রকম গণহত্যা বাংলাদেশের সর্বত্র করা হয়েছে বলে শুনেছি। এই গণহত্যা, নারী নির্যাতনের সঙ্গে লুটপাট বাড়িঘরে আগুন দেয়া, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া এই সবই সংঘটিত করেছে এই রাজাকার আলবদর, আল-শামস বাহিনী। সর্বশেষ ১৪ ডিসেম্বর ঢাকায় মিরপুরে এরা জাতির কৃতী সন্তানদের হত্যা করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করেছে।
জবানবন্দীতে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ঝিনাইদহ জেলার সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (বর্তমান এসপি পদমর্যাদা) ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে গার্ড অব অনার দেয় যে দলটি, তার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে শান্তি কমিটি গঠনের জন্য যাঁরা জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন আমি শুনেছি তার মধ্যে গোলাম আযম, নুরুল ইসলাম ও খাজা খয়েরউদ্দিন ছিলেন। ১৯৭১ সালে জামায়াত ইসলামী ও তার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্যদের মাধ্যমে রাজাকার, আল বদর ও শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এ বাহিনীকে সশস্ত্র করতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোলাম আযম দেখা করেছেন বলে আমি শুনেছি এবং স্বাধীনতার পর দেখা করার ছবি আমি পত্রিকায় দেখেছি।
সাক্ষী এসপি মাহবুব তাঁর জবানবন্দীতে আরো বলেন, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর যাঁরা আগ্রহী ছিলেন তাদের সশস্ত্র করা হয় এবং তাদের বেতন-ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, এ বাহিনী যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান সেনাদের মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান দেখিয়ে দেয়া, সুন্দরী মেয়েদের ধরে নিয়ে পাক বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়ে আসা, বাড়িঘর লুট করা, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়াসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এ ছাড়াও এ বাহিনী নিজেদের দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দেশদ্রোহী বলে দাবি করত। সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রম বলেন, একাত্তর সালের ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার নেতৃত্বে দিয়েছে জামায়াত ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ। বড় দলের নেতা হিসেবে অধ্যাপক গোলাম আযম ও তাঁর সহযোগীরা এই মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এর নেতৃত্ব দিয়েছে গোলাম আযম।
এর আগে সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম যুদ্ধের সময়ে সংঘটিত যুদ্ধের কাহিনী বর্ণনা করেন। তিনি তাঁর জবনাবন্দীর শুরুতে বলেন, আমার নাম মাহাবুব উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার বয়স আনুমানিক ২৬ বছর ছিল। আমি ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ পাস করি। পরে তৎকালীন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশের ক্যাডারে যোগদান করি।
পরে সাত কানিয়ায় পুলিশের (সেটেলমেন্ট) ট্রেনিংয়ে ছিলাম। সাতকানিয়া থেকে রেডিওতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শোনার জন্য আমিসহ বন্ধুরা চট্টগ্রামে আসি। রেডিও বন্ধ করে দেয়ায় আমরা ভাষণ শুনতে পারিনি। সেখানে বসে পরিকল্পনা করি যে আমরা কর্মস্থলে ফিরে যাব। ওই স্থান থেকে সবাই মিলে যার যার কর্মস্থল ফিরে যাই। ১৮ মার্চ আমি চলে যাই ঝিনাইদহে এসডিপিও হিসেবে যোগদান করি।
ঝিনাইদহে এসডিপিও হিসেবে যোগ দিয়ে স্থানীয় লোকদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গঠন, মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকাসহ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার সম্মুখযুদ্ধের বর্ণনা দেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল যশোরের ন্যাশনাল ব্যাংকের একটি ব্রাঞ্চ থেকে চার কোটি ৪০ লাখ টাকা ও বিশ কেজি সোনা তুলে নেই। পরে ওইসব টাকা ও সোনা ২৫ মে নবগঠিত মুজিবনগর সরকারের কোষাগারে জমা দেই। তার রশিদ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এর আগে তিনি তাঁর জবানবন্দীতে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় নবগঠিত মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদকে মুক্তিযোদ্ধাদের (সশস্ত্র) নেতৃত্বে গার্ড অব অনার দেয়া হয়, আমি তার দলনেতা ছিলাম। ১০ এপ্রিল এই সরকার আগরতলায় গঠিত হয়। সকাল ১১টা সাড়ে ১১টার দিকে বৈদ্যনাথ তলায় কলকাতা থেকে নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ অনেকেই আসেন। সঙ্গে বিবিসি, ভোয়া, রয়টার, প্রভৃতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিউজ এবং টেলিভিশন ও ক্যামেরা ছিল। ১২টা সাড়ে ১২টার দিকে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী, কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী, এম মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী ও মোস্তাক আহম্মেদকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুপস্থিত থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। চীফ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। তখন এই নবগঠিত সরকারকে একটা চৌকস মুক্তিবাহিনী সশস্ত্র দল আমার নেতৃত্বে সমস্ত বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এই গার্ড অব অনার দেয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার।
এসপি মাহবুব জবানবন্দীতে বলেন, ২৮ মার্চ আমার সঙ্গে চুয়াডাঙ্গাতে ইপিআরের ৮ নম্বর উইংয়ের মেজর আবু ওসমান চৌধুরী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবং আমাকে চুয়াডাঙ্গা ডেকে পাঠান। সেখানে আমার বন্ধু তৌফিক এলাহীর সঙ্গে দেখা হয়। মেজর আবু ওসমান চৌধুরী আমাকে ক্যাপ্টেনের ব্যাজ পরিয়ে দেন। যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্তে। আগের দিন ঝিনাইদহের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং সশস্ত্রবাহিনীর সবাই ঝিনাইদহের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেয়।
২৯ মার্চ সকাল বেলা ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমপি জেকে এমএ আজিজ আমাকে খবর দেন ঢাকা থেকে ২ মেহমান এসেছেন, আপনি আসুন। তার বাসায় প্রায় ১১টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ এবং ব্যারিস্টার আমির উল ইসলামের সঙ্গে দেখা হয়। তাঁরা আমাকে সীমান্ত পার করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। আমি তাঁদের অনুরোধে বন্ধু তৌফিক এলাহীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিকেল বেলা তাদের চুয়াডাঙ্গা হয়ে চ্যাংখালী বিওপির কাছ দিয়ে তাঁদের বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করি। তাঁরা নিরাপদে সম্মানে দিল্লী নিয়ে যায়। ৩০ মার্চ চুয়াডাঙ্গায় ৮নং ইপিআর উইংয়ের কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর নেতৃত্বে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহের জনগণ, কুষ্টিয়া পাক বাহিনীকে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩০ মার্চ এবং শেষ রাতে কুষ্টিয়ার জনগণ এবং আমাদের তরফ থেকে চুয়াডাঙ্গার প্রেরিত এক কোম্পানী ইপিআর কুষ্টিয়ায় আক্রমণ করি। কুষ্টিয়া লাখ লাখ মানুষ সেদিনের আক্রমণে আমাদের সহায়তা করেন। জয় বাংল, জয় বঙ্গবন্ধু সেøাগান দিয়ে আকাশ, বাতাস প্রকম্পিত করে তোলে এবং পাক বাহিনীর আক্রমণের মুখে আমাদের বাহিনী ও জনগণের আক্রমণের মুখে পাকবাহিনী শহরের তিন স্থান থেকে বের হয়ে জেলা স্কুলে সমবেত হয়। জনগণ জেলা স্কুলের চারদিক ঘিরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পাকিস্তান বাহিনী তখন দিগি¦দিক হয়ে জ্ঞানশূন্য ঝিনাইদহের দিকে রাতের অন্ধকারে রওনা দেয়। ক্যান্টনমেন্টে যাওয়ার জন্য। পথে গেরামগঞ্জে ববি ট্রাফে পড়ে যায় এবং অনেক গাড়ি পড়ে যায়। অনেকের সলিল সমাধি হয়। তাদের উদ্ধার করতে যারা নিচে নামে তারা নদীর ওপার থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে নিহত হয়। এ অবস্থায় সারারাত কামান-বন্দুক দিয়ে ঝিনাইদহের ওপর গুলি করে আর এই অবস্থায় তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে গ্রামে-গঞ্জে চলে যায়। সকাল বেলায় গ্রামীণ মানুষ তাদের ধরে ফেলে। সমস্ত গোলাবারুদ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ থানায় নিয়ে আসে।
লে. আতা উল্লাহ শাহ শৈলকুপায় বন্ধ দালানের ওপর আশ্রয় নিয়ে পাগলের মতো গুলি ছুড়তে থাকে। আমি নিজে আমার মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ঘেরাও করে গুলি ছোড়া বন্ধ করার আহ্বান করলে সে গুলি ছোড়া বন্ধ করে। তাকে আমরা গ্রেফতার করি এবং পিওডব্লিউ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা হয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেই। আমার জানা মতে, লে. আতা উল্লাহ শাহ একজন গ্রেফতারকৃত প্রথম পিওডব্লিউ। এটা ছিল পাকিস্তানের দুর্ধর্ষ ২৭ নম্বর এস এ্যান্ড টি ব্যাটালিয়ন। পাকিস্তানী সৈন্যরা যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে তাদের উদ্ধার করার জন্য আরেকটি দল পাঠায়। ১ এপ্রিল তারা বিষয়খালি এসে একই ভাবে পর্যুদস্ত হয়। সেখানেও মুক্তিকামী আরেকটি দল তাদের প্রতিহত করে এবং তারা পালিয়ে যায়।
এই দুদিনের যুদ্ধে আমাদের অনেকে আহত হয়। ৬ জন মারা যায়। নিহত দুজন ছিলেন স্থানীয় এলএমএ ইকবাল আনোয়ারুল ইসলাম সাহেবের দু’ছেলে। পরে যশোর ক্যান্টনমেন্ট দখল করার চিন্তা করি। এই যুদ্ধের ফলে যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া সমস্ত অঞ্চল মুক্ত হয়। যশোর ক্যান্টনমেন্টের দিকে অগ্রসর হই। ক্যান্টনমেন্ট থেকে ১০ মাইল উত্তরে বারো বাজারে আড়াআড়ি রেললাইনের পাশে ট্রেন্স কেটে অবস্থান গ্রহণ করি। পাকবাহিনী তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে গোয়ালন্দ, ঈশ্বরদী, ঝিনাইদহ অঞ্চল হয়ে ত্রিমুখী আক্রমণ করে।
জবানবন্দীতে এসপি মাহবুব আরও বলেন, ১১ এপ্রিল পাকসেনারা যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে আমাদের অবস্থানের ওপর আক্রমণ করে। আমরা তাদের প্রতিহত করি। আমাদের চারদিক থেকে আক্রমণ করে। আমাদের পেছনে কালীগঞ্জেও অবস্থান করে। ফলে আমরা পেছন ও সামনে থেকে আক্রান্ত হই। এই অবস্থায় সেখানে অবস্থান করা সম্ভব হয়নি। আমি সদলবলে উইথড্র করে গ্রামের পথ দিয়ে ঝিনাইদহে চলে যাই। পাকিস্তানী বাহিনী অতি ধীরগতিতে অগ্রসর হয়ে ১৪ তারিখ ঝিনাইদহের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। ঝিনাইদহে জেনারেল উইথড্রয়েল দিয়ে সবাইকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গার পথে রওনা হই।
যাওয়ার সময় সোনালী ব্যাংক তৎকালীন ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ২০ কেজি স্বর্ণ তুলে নিয়ে যাই। এই টাকা-পয়সা পরবর্তীতে ২৫ মে বাংলাদেশ সরকারের কোষাগারে জমা দেই। পরে সেই জমার রশিদ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। ১৪ তারিখ রওনা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর হয়ে সদলবলে ভারতীয় নিতাইক্যাম্পে উপস্থিত হই। পরদিন সকাল বেলা আমার বন্ধু তৌফিক এলাহী এবং আমি আমাদের ২ জনের থাকা গাড়ি নিয়ে কিছু সৈনিক নিয়ে বর্ডার ক্রস করে আবার মেহেরপুরের বৈদেরনাথ তালায় চলে আসি।
২৮ মে সাতক্ষীরার ভোমরার দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা যুদ্ধ করে ৯ নম্বর পাঞ্জাব রেজিমেন্টকে নাস্তানাবুদ করেছি। তাদের ক্ষয়ক্ষতির কারণে পাকিস্তান আর্মি এদেশ থেকে এই রেজিমেন্টকে পুরোপুরি তুলে নেয়। তাদের মেজর ক্যাপ্টেনসহ অনেক অফিসার হতাহত হয়। তাদের লাশ উদ্ধার করেছি এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে পাক সৈন্যদের বিরুদ্ধে সম্মখু লড়াই করেছি। ২০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানী কাকডাঙ্গা বিওপি আক্রমণ করতে গিয়ে বালিয়াডাঙ্গায় অনেক সৈনিক হারিয়েছি। নিজেও আহত হয়েছি। আহত হয়ে ভারতের ব্যারাকপুরের সামরিক হাসপাতালে ৪ সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলাম।
১৬ অক্টোবর পুনরায় আমার সাবসেক্টরে চলে আসি। পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার কলারোয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকসেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখি। এই যুদ্ধে শেষ অংশে ৮ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার হানাদার মুক্ত হয়। আমি দলবল নিয়ে মনিরামপুর প্রাথমিক স্কুলে অবস্থান নেই। ১৬ ডিসেম্বর খবর পাই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। পাক বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করেছে।
তিনি জবানবন্দীতে বলেন, আমাদের সংগ্রাম প্রতিরোধ যুদ্ধ পাকিস্তানীদের ধীরে ধীরে কিছু রাজাকার আলবদর ধরা পড়ে। তাদের কাছে শুনেছি, বাংলাদেশ ১৯৭০ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে জয়ী হয়। বিরুদ্ধে প্রধান দল ছিল জামায়াতে ইসলামী। স্বাধীনতাবিরোধী মানবতাবিরোধী অপরাধ। এই অপরাধের নেতৃত্ব দিয়েছে সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ। বড় দল হিসেবে বড় দলের নেতা হিসেবে গোলাম আযম এবং তার সাথীরা যারা এই পাকিস্তানের সহযোগী বাহিনীদের সম্পূর্ণ নিজের কমান্ডে নিয়েছিল, তারাই এই মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। তাদের মূল নেতা ছিলেন, গোলাম আযম এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রম জবানবন্দীতে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধে দক্ষিণ পশ্চিম রণাঙ্গনে অর্থাৎ যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, রাজশাহী, নড়াইল, রবিশাল, খুলনা এই বিশাল অঞ্চলের প্রথম পর্যায়ে প্রতিরোধ যুদ্ধে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এই বিবরণ প্রদান করেন। রবিবার সকালে গোলাম আযমকে প্রিজন সেল থেকে আন্তজাতিৃক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ হাজির করা হয়।
এর আগে ১ জুলাই গোলাম আযমের বিরুদ্ধে বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন তাঁর জবানবন্দী পেশ করেন। ১১ জানুয়ারি গোলাম আযম ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। এ আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
কামারুজ্জামান ॥ মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধ হামিদুল হক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী তাঁকে জেরা করেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ তিনি এই জবনবন্দী ও জেরা প্রদান করেছেন।
জবানবন্দীতে মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক বলেন, তিনি ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ময়মনসিংহের আলবদর ক্যাম্পে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কামারুজ্জামানের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমাকে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করার প্রস্তাব দেন।’তিনি জানান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশকের কার্যালয়ে স্থাপিত আলবদর ক্যাম্পে তিনি ২৬ দিন বন্দী ছিলেন। ‘বদর বাহিনীর অন্যতম কমান্ডার কামারুজ্জামান বিভিন্ন পরিকল্পনা করতেন এবং রাতের বেলা বিভিন্ন অপারেশনে যেতেন।’ আলবদর বাহিনী আনন্দমোহন কলেজে আক্রমণ চালায়। আমি শুনেছি সে আক্রমণে কামারুজ্জামান প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন করেন। সে অপারেশনে ডিগ্রি হোস্টেলের বেয়ারা শাহেদ আলীকে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কলেজের প্রিন্সিপাল সিরাজউদ্দিন বিষয়টি আমাকে বলেন।’
হামিদুল হক বলেন, ‘শেরপুরের নালিতাবাড়ির সোহাগপুরে একটি বড় হত্যাকা- হয়। সেখানে গ্রামে পুরুষদের ধরে ধরে মেরে ফেলা হয়। পুরুষশূন্য সে গ্রাম এখন বিধবাপল্লী নামে পরিচিত। আরেকটি হত্যাকা- হয় সিরাজগঞ্জের বড়ইতলায়। এ ছাড়া ময়মনসিংহের ট্যাপা মিমার ছেলে দারা মিয়াকে হত্যা করা হয়। ভাগ্যক্রমে ট্যাপা মিয়া বেঁচে যান। তিনি বলেন, ‘বন্দী থাকা অবস্থায় দেখেছি, কামারুজ্জামান মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতার সর্বাত্মক পরিকল্পনা করেন এবং পাকিস্তানকে রক্ষা ও মুক্তিযোদ্ধাদের উচ্ছেদে প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।’ জবানবন্দীর পর হামিদুল হককে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন। আজ আবারও তাকে জেরা করা হবে। জেরার কিছু অংশ নিম্নে দেয়া হলো।
প্রশ্ন:আনন্দ মোহন কলেজ থেকে এসএসসি কোন্ সালে পাস করেছেন।
উত্তর: ১৯৬৮ সালে।
প্রশ্ন: কোন্ বিভাগে।
উত্তর: দ্বিতীয় বিভাগে।
প্রশ্ন: দেখাতে পারবেন।
উত্তর: সব কিছু হারিয়ে গেছে।
প্রশ্ন: কবে জেলে গেলেন।
উত্তর: বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে।
প্রশ্ন: আপনি এইচ এসসি তৃতীয় বিভাগে পাস করেছেন। অসত্য কথা বলেছেন।
উত্তর: অসত্য। মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছি।
প্রশ্ন: কোন্ বছর।
উত্তর: ৬৮ সালের পরে।
প্রশ্ন: এমএ পাস করেন কবে।
উত্তর: পাস করার আগেই রাজনীতিতে ঢুকে পড়ি। আর পরীক্ষা দেয়া হয়নি।
প্রশ্ন: কখন গ্রেফতার হন। জেল থেকে পালিয়েছিলেন।
উত্তর: ১৯৭৪ সালের শেষের দিকে। থানা থেকে একবার আবার জেল থেকেও একবার পালিয়েছিলাম।
প্রশ্ন: কামারুজ্জামানকে ১৯৭১ সাল থেকে চিনেন।
উত্তর: ১৯৬৮-৭৯ সাল থেকে চিনি।
প্রশ্ন: ঐ সময় তিনি কলেজের ছাত্র ছিলেন।
উত্তর: নাসিরাবাদ কলেজের ছাত্র ছিলেন বলে মনে হয।
প্রশ্ন: আপনার কলেজ থেকে দূরত্ব কত।
উত্তর: এক থেকে দেড় মাইল।
প্রশ্ন: উনি কোথায় থাকতেন।
উত্তর: লজিং এ থাকতেন।
প্রশ্ন: কার বাড়ি থাকতেন।
উত্তর: জানি না।
প্রশ্ন: কামারুজ্জামান ইসলামী ছাত্র সংঘের কোন্ পদে ছিলেন।
উত্তর: মনে নেই।
মুজাহিদ ॥ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রবিবার সকালে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্ব তিন সদস্যের বেঞ্চে শুনানি শেষে এই আদেশ দেয়া হয়।
৭ জুলাই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনালের দেয়া আদেশ পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-২। এ আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আসামি পক্ষ এ আবেদন দাখিল করেন।
মুজাহিদের বিরুদ্ধে ১৯ জুলাই প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উপস্থাপনের তারিখ ধার্য রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে আসামি পক্ষকেও তাদের সাক্ষীদের তালিকা এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ দাখিল করতে বলা হয়েছে। গত বছরের ১ নবেম্বর জামায়াত নেতা মুজাহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়। ২৬ জানুয়ারি মুজাহিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়া হয়।২০১০ সালের ২৯ জুন একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে এক আবেদনের প্রেক্ষিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়।
অন্যদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাকে জেরা করেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফাজলে কবিরের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ তিনি এই সাক্ষ্য দেন। একই ট্রাইব্যুনাল একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
গোলাম আযম ॥ সকাল ১১টায় প্রসিকিউশন পক্ষের প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম সাক্ষী এসপি মাহবুবের জবানবন্দী গ্রহণের সাহায্য করেন। তিনি এ মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী। নিজের পরিচয়ে তিনি বলেন, আমার নাম মাহবুব উদ্দিন আহমদ, পিতা মৃত আলতাফ উদ্দিন আহমদ। তাঁর বয়স ৬৭ বছর। ১৯৭১ সালে তার বয়স ছিল ২৬ বছর। ১৯৬৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ পাস করেন। তারপর তিনি পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করে সাতকানিয়া চলে যান। এরপর সেখান থেকে ঝিনাইদহে আসেন। তিনি সেখানে মুক্তিযুদ্ধ করেন। এর ওপর তিনি আদালতে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন।
জবানবন্দীর একপর্যায়ে তিনি বলেন, আমাদের বাহিনীর হাতে সে সময়ে অনেক রাজাকার ধরা পড়ে। তাদের কাছ থেকে আমরা অনেক তথ্য পাই। রাজাকারদের পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহায়তা করতে দেখি। গ্রামের পথগুলো তারা (রাজাকাররা) চিনিয়ে দিত। তারা মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত লোকজনকে ধরিয়ে দিত। তাদের ঘরবাড়ি চিনিয়ে দিত। চুক নগরগ্রামে এই রাজাকার বাহিনীরা গণহত্যা চালায়। এ রকম গণহত্যা বাংলাদেশের সর্বত্র করা হয়েছে বলে শুনেছি। এই গণহত্যা, নারী নির্যাতনের সঙ্গে লুটপাট বাড়িঘরে আগুন দেয়া, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া এই সবই সংঘটিত করেছে এই রাজাকার আলবদর, আল-শামস বাহিনী। সর্বশেষ ১৪ ডিসেম্বর ঢাকায় মিরপুরে এরা জাতির কৃতী সন্তানদের হত্যা করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করেছে।
জবানবন্দীতে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ঝিনাইদহ জেলার সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (বর্তমান এসপি পদমর্যাদা) ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে গার্ড অব অনার দেয় যে দলটি, তার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে শান্তি কমিটি গঠনের জন্য যাঁরা জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন আমি শুনেছি তার মধ্যে গোলাম আযম, নুরুল ইসলাম ও খাজা খয়েরউদ্দিন ছিলেন। ১৯৭১ সালে জামায়াত ইসলামী ও তার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্যদের মাধ্যমে রাজাকার, আল বদর ও শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এ বাহিনীকে সশস্ত্র করতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোলাম আযম দেখা করেছেন বলে আমি শুনেছি এবং স্বাধীনতার পর দেখা করার ছবি আমি পত্রিকায় দেখেছি।
সাক্ষী এসপি মাহবুব তাঁর জবানবন্দীতে আরো বলেন, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর যাঁরা আগ্রহী ছিলেন তাদের সশস্ত্র করা হয় এবং তাদের বেতন-ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, এ বাহিনী যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান সেনাদের মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান দেখিয়ে দেয়া, সুন্দরী মেয়েদের ধরে নিয়ে পাক বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়ে আসা, বাড়িঘর লুট করা, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়াসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এ ছাড়াও এ বাহিনী নিজেদের দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দেশদ্রোহী বলে দাবি করত। সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রম বলেন, একাত্তর সালের ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার নেতৃত্বে দিয়েছে জামায়াত ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ। বড় দলের নেতা হিসেবে অধ্যাপক গোলাম আযম ও তাঁর সহযোগীরা এই মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এর নেতৃত্ব দিয়েছে গোলাম আযম।
এর আগে সাক্ষী মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম যুদ্ধের সময়ে সংঘটিত যুদ্ধের কাহিনী বর্ণনা করেন। তিনি তাঁর জবনাবন্দীর শুরুতে বলেন, আমার নাম মাহাবুব উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার বয়স আনুমানিক ২৬ বছর ছিল। আমি ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ পাস করি। পরে তৎকালীন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশের ক্যাডারে যোগদান করি।
পরে সাত কানিয়ায় পুলিশের (সেটেলমেন্ট) ট্রেনিংয়ে ছিলাম। সাতকানিয়া থেকে রেডিওতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শোনার জন্য আমিসহ বন্ধুরা চট্টগ্রামে আসি। রেডিও বন্ধ করে দেয়ায় আমরা ভাষণ শুনতে পারিনি। সেখানে বসে পরিকল্পনা করি যে আমরা কর্মস্থলে ফিরে যাব। ওই স্থান থেকে সবাই মিলে যার যার কর্মস্থল ফিরে যাই। ১৮ মার্চ আমি চলে যাই ঝিনাইদহে এসডিপিও হিসেবে যোগদান করি।
ঝিনাইদহে এসডিপিও হিসেবে যোগ দিয়ে স্থানীয় লোকদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গঠন, মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকাসহ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার সম্মুখযুদ্ধের বর্ণনা দেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল যশোরের ন্যাশনাল ব্যাংকের একটি ব্রাঞ্চ থেকে চার কোটি ৪০ লাখ টাকা ও বিশ কেজি সোনা তুলে নেই। পরে ওইসব টাকা ও সোনা ২৫ মে নবগঠিত মুজিবনগর সরকারের কোষাগারে জমা দেই। তার রশিদ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এর আগে তিনি তাঁর জবানবন্দীতে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় নবগঠিত মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদকে মুক্তিযোদ্ধাদের (সশস্ত্র) নেতৃত্বে গার্ড অব অনার দেয়া হয়, আমি তার দলনেতা ছিলাম। ১০ এপ্রিল এই সরকার আগরতলায় গঠিত হয়। সকাল ১১টা সাড়ে ১১টার দিকে বৈদ্যনাথ তলায় কলকাতা থেকে নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ অনেকেই আসেন। সঙ্গে বিবিসি, ভোয়া, রয়টার, প্রভৃতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিউজ এবং টেলিভিশন ও ক্যামেরা ছিল। ১২টা সাড়ে ১২টার দিকে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী, কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী, এম মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী ও মোস্তাক আহম্মেদকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুপস্থিত থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। চীফ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। তখন এই নবগঠিত সরকারকে একটা চৌকস মুক্তিবাহিনী সশস্ত্র দল আমার নেতৃত্বে সমস্ত বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এই গার্ড অব অনার দেয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার।
এসপি মাহবুব জবানবন্দীতে বলেন, ২৮ মার্চ আমার সঙ্গে চুয়াডাঙ্গাতে ইপিআরের ৮ নম্বর উইংয়ের মেজর আবু ওসমান চৌধুরী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবং আমাকে চুয়াডাঙ্গা ডেকে পাঠান। সেখানে আমার বন্ধু তৌফিক এলাহীর সঙ্গে দেখা হয়। মেজর আবু ওসমান চৌধুরী আমাকে ক্যাপ্টেনের ব্যাজ পরিয়ে দেন। যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্তে। আগের দিন ঝিনাইদহের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং সশস্ত্রবাহিনীর সবাই ঝিনাইদহের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেয়।
২৯ মার্চ সকাল বেলা ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমপি জেকে এমএ আজিজ আমাকে খবর দেন ঢাকা থেকে ২ মেহমান এসেছেন, আপনি আসুন। তার বাসায় প্রায় ১১টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ এবং ব্যারিস্টার আমির উল ইসলামের সঙ্গে দেখা হয়। তাঁরা আমাকে সীমান্ত পার করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। আমি তাঁদের অনুরোধে বন্ধু তৌফিক এলাহীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিকেল বেলা তাদের চুয়াডাঙ্গা হয়ে চ্যাংখালী বিওপির কাছ দিয়ে তাঁদের বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করি। তাঁরা নিরাপদে সম্মানে দিল্লী নিয়ে যায়। ৩০ মার্চ চুয়াডাঙ্গায় ৮নং ইপিআর উইংয়ের কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর নেতৃত্বে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহের জনগণ, কুষ্টিয়া পাক বাহিনীকে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩০ মার্চ এবং শেষ রাতে কুষ্টিয়ার জনগণ এবং আমাদের তরফ থেকে চুয়াডাঙ্গার প্রেরিত এক কোম্পানী ইপিআর কুষ্টিয়ায় আক্রমণ করি। কুষ্টিয়া লাখ লাখ মানুষ সেদিনের আক্রমণে আমাদের সহায়তা করেন। জয় বাংল, জয় বঙ্গবন্ধু সেøাগান দিয়ে আকাশ, বাতাস প্রকম্পিত করে তোলে এবং পাক বাহিনীর আক্রমণের মুখে আমাদের বাহিনী ও জনগণের আক্রমণের মুখে পাকবাহিনী শহরের তিন স্থান থেকে বের হয়ে জেলা স্কুলে সমবেত হয়। জনগণ জেলা স্কুলের চারদিক ঘিরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পাকিস্তান বাহিনী তখন দিগি¦দিক হয়ে জ্ঞানশূন্য ঝিনাইদহের দিকে রাতের অন্ধকারে রওনা দেয়। ক্যান্টনমেন্টে যাওয়ার জন্য। পথে গেরামগঞ্জে ববি ট্রাফে পড়ে যায় এবং অনেক গাড়ি পড়ে যায়। অনেকের সলিল সমাধি হয়। তাদের উদ্ধার করতে যারা নিচে নামে তারা নদীর ওপার থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে নিহত হয়। এ অবস্থায় সারারাত কামান-বন্দুক দিয়ে ঝিনাইদহের ওপর গুলি করে আর এই অবস্থায় তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে গ্রামে-গঞ্জে চলে যায়। সকাল বেলায় গ্রামীণ মানুষ তাদের ধরে ফেলে। সমস্ত গোলাবারুদ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ থানায় নিয়ে আসে।
লে. আতা উল্লাহ শাহ শৈলকুপায় বন্ধ দালানের ওপর আশ্রয় নিয়ে পাগলের মতো গুলি ছুড়তে থাকে। আমি নিজে আমার মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ঘেরাও করে গুলি ছোড়া বন্ধ করার আহ্বান করলে সে গুলি ছোড়া বন্ধ করে। তাকে আমরা গ্রেফতার করি এবং পিওডব্লিউ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা হয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেই। আমার জানা মতে, লে. আতা উল্লাহ শাহ একজন গ্রেফতারকৃত প্রথম পিওডব্লিউ। এটা ছিল পাকিস্তানের দুর্ধর্ষ ২৭ নম্বর এস এ্যান্ড টি ব্যাটালিয়ন। পাকিস্তানী সৈন্যরা যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে তাদের উদ্ধার করার জন্য আরেকটি দল পাঠায়। ১ এপ্রিল তারা বিষয়খালি এসে একই ভাবে পর্যুদস্ত হয়। সেখানেও মুক্তিকামী আরেকটি দল তাদের প্রতিহত করে এবং তারা পালিয়ে যায়।
এই দুদিনের যুদ্ধে আমাদের অনেকে আহত হয়। ৬ জন মারা যায়। নিহত দুজন ছিলেন স্থানীয় এলএমএ ইকবাল আনোয়ারুল ইসলাম সাহেবের দু’ছেলে। পরে যশোর ক্যান্টনমেন্ট দখল করার চিন্তা করি। এই যুদ্ধের ফলে যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া সমস্ত অঞ্চল মুক্ত হয়। যশোর ক্যান্টনমেন্টের দিকে অগ্রসর হই। ক্যান্টনমেন্ট থেকে ১০ মাইল উত্তরে বারো বাজারে আড়াআড়ি রেললাইনের পাশে ট্রেন্স কেটে অবস্থান গ্রহণ করি। পাকবাহিনী তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে গোয়ালন্দ, ঈশ্বরদী, ঝিনাইদহ অঞ্চল হয়ে ত্রিমুখী আক্রমণ করে।
জবানবন্দীতে এসপি মাহবুব আরও বলেন, ১১ এপ্রিল পাকসেনারা যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে আমাদের অবস্থানের ওপর আক্রমণ করে। আমরা তাদের প্রতিহত করি। আমাদের চারদিক থেকে আক্রমণ করে। আমাদের পেছনে কালীগঞ্জেও অবস্থান করে। ফলে আমরা পেছন ও সামনে থেকে আক্রান্ত হই। এই অবস্থায় সেখানে অবস্থান করা সম্ভব হয়নি। আমি সদলবলে উইথড্র করে গ্রামের পথ দিয়ে ঝিনাইদহে চলে যাই। পাকিস্তানী বাহিনী অতি ধীরগতিতে অগ্রসর হয়ে ১৪ তারিখ ঝিনাইদহের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। ঝিনাইদহে জেনারেল উইথড্রয়েল দিয়ে সবাইকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গার পথে রওনা হই।
যাওয়ার সময় সোনালী ব্যাংক তৎকালীন ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ২০ কেজি স্বর্ণ তুলে নিয়ে যাই। এই টাকা-পয়সা পরবর্তীতে ২৫ মে বাংলাদেশ সরকারের কোষাগারে জমা দেই। পরে সেই জমার রশিদ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। ১৪ তারিখ রওনা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর হয়ে সদলবলে ভারতীয় নিতাইক্যাম্পে উপস্থিত হই। পরদিন সকাল বেলা আমার বন্ধু তৌফিক এলাহী এবং আমি আমাদের ২ জনের থাকা গাড়ি নিয়ে কিছু সৈনিক নিয়ে বর্ডার ক্রস করে আবার মেহেরপুরের বৈদেরনাথ তালায় চলে আসি।
২৮ মে সাতক্ষীরার ভোমরার দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা যুদ্ধ করে ৯ নম্বর পাঞ্জাব রেজিমেন্টকে নাস্তানাবুদ করেছি। তাদের ক্ষয়ক্ষতির কারণে পাকিস্তান আর্মি এদেশ থেকে এই রেজিমেন্টকে পুরোপুরি তুলে নেয়। তাদের মেজর ক্যাপ্টেনসহ অনেক অফিসার হতাহত হয়। তাদের লাশ উদ্ধার করেছি এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে পাক সৈন্যদের বিরুদ্ধে সম্মখু লড়াই করেছি। ২০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানী কাকডাঙ্গা বিওপি আক্রমণ করতে গিয়ে বালিয়াডাঙ্গায় অনেক সৈনিক হারিয়েছি। নিজেও আহত হয়েছি। আহত হয়ে ভারতের ব্যারাকপুরের সামরিক হাসপাতালে ৪ সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলাম।
১৬ অক্টোবর পুনরায় আমার সাবসেক্টরে চলে আসি। পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার কলারোয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকসেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখি। এই যুদ্ধে শেষ অংশে ৮ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার হানাদার মুক্ত হয়। আমি দলবল নিয়ে মনিরামপুর প্রাথমিক স্কুলে অবস্থান নেই। ১৬ ডিসেম্বর খবর পাই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। পাক বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করেছে।
তিনি জবানবন্দীতে বলেন, আমাদের সংগ্রাম প্রতিরোধ যুদ্ধ পাকিস্তানীদের ধীরে ধীরে কিছু রাজাকার আলবদর ধরা পড়ে। তাদের কাছে শুনেছি, বাংলাদেশ ১৯৭০ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে জয়ী হয়। বিরুদ্ধে প্রধান দল ছিল জামায়াতে ইসলামী। স্বাধীনতাবিরোধী মানবতাবিরোধী অপরাধ। এই অপরাধের নেতৃত্ব দিয়েছে সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ। বড় দল হিসেবে বড় দলের নেতা হিসেবে গোলাম আযম এবং তার সাথীরা যারা এই পাকিস্তানের সহযোগী বাহিনীদের সম্পূর্ণ নিজের কমান্ডে নিয়েছিল, তারাই এই মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। তাদের মূল নেতা ছিলেন, গোলাম আযম এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রম জবানবন্দীতে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধে দক্ষিণ পশ্চিম রণাঙ্গনে অর্থাৎ যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, রাজশাহী, নড়াইল, রবিশাল, খুলনা এই বিশাল অঞ্চলের প্রথম পর্যায়ে প্রতিরোধ যুদ্ধে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এই বিবরণ প্রদান করেন। রবিবার সকালে গোলাম আযমকে প্রিজন সেল থেকে আন্তজাতিৃক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ হাজির করা হয়।
এর আগে ১ জুলাই গোলাম আযমের বিরুদ্ধে বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন তাঁর জবানবন্দী পেশ করেন। ১১ জানুয়ারি গোলাম আযম ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। এ আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
কামারুজ্জামান ॥ মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধ হামিদুল হক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী তাঁকে জেরা করেন। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ তিনি এই জবনবন্দী ও জেরা প্রদান করেছেন।
জবানবন্দীতে মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক বলেন, তিনি ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ময়মনসিংহের আলবদর ক্যাম্পে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কামারুজ্জামানের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমাকে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করার প্রস্তাব দেন।’তিনি জানান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশকের কার্যালয়ে স্থাপিত আলবদর ক্যাম্পে তিনি ২৬ দিন বন্দী ছিলেন। ‘বদর বাহিনীর অন্যতম কমান্ডার কামারুজ্জামান বিভিন্ন পরিকল্পনা করতেন এবং রাতের বেলা বিভিন্ন অপারেশনে যেতেন।’ আলবদর বাহিনী আনন্দমোহন কলেজে আক্রমণ চালায়। আমি শুনেছি সে আক্রমণে কামারুজ্জামান প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন করেন। সে অপারেশনে ডিগ্রি হোস্টেলের বেয়ারা শাহেদ আলীকে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কলেজের প্রিন্সিপাল সিরাজউদ্দিন বিষয়টি আমাকে বলেন।’
হামিদুল হক বলেন, ‘শেরপুরের নালিতাবাড়ির সোহাগপুরে একটি বড় হত্যাকা- হয়। সেখানে গ্রামে পুরুষদের ধরে ধরে মেরে ফেলা হয়। পুরুষশূন্য সে গ্রাম এখন বিধবাপল্লী নামে পরিচিত। আরেকটি হত্যাকা- হয় সিরাজগঞ্জের বড়ইতলায়। এ ছাড়া ময়মনসিংহের ট্যাপা মিমার ছেলে দারা মিয়াকে হত্যা করা হয়। ভাগ্যক্রমে ট্যাপা মিয়া বেঁচে যান। তিনি বলেন, ‘বন্দী থাকা অবস্থায় দেখেছি, কামারুজ্জামান মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতার সর্বাত্মক পরিকল্পনা করেন এবং পাকিস্তানকে রক্ষা ও মুক্তিযোদ্ধাদের উচ্ছেদে প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।’ জবানবন্দীর পর হামিদুল হককে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন। আজ আবারও তাকে জেরা করা হবে। জেরার কিছু অংশ নিম্নে দেয়া হলো।
প্রশ্ন:আনন্দ মোহন কলেজ থেকে এসএসসি কোন্ সালে পাস করেছেন।
উত্তর: ১৯৬৮ সালে।
প্রশ্ন: কোন্ বিভাগে।
উত্তর: দ্বিতীয় বিভাগে।
প্রশ্ন: দেখাতে পারবেন।
উত্তর: সব কিছু হারিয়ে গেছে।
প্রশ্ন: কবে জেলে গেলেন।
উত্তর: বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে।
প্রশ্ন: আপনি এইচ এসসি তৃতীয় বিভাগে পাস করেছেন। অসত্য কথা বলেছেন।
উত্তর: অসত্য। মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছি।
প্রশ্ন: কোন্ বছর।
উত্তর: ৬৮ সালের পরে।
প্রশ্ন: এমএ পাস করেন কবে।
উত্তর: পাস করার আগেই রাজনীতিতে ঢুকে পড়ি। আর পরীক্ষা দেয়া হয়নি।
প্রশ্ন: কখন গ্রেফতার হন। জেল থেকে পালিয়েছিলেন।
উত্তর: ১৯৭৪ সালের শেষের দিকে। থানা থেকে একবার আবার জেল থেকেও একবার পালিয়েছিলাম।
প্রশ্ন: কামারুজ্জামানকে ১৯৭১ সাল থেকে চিনেন।
উত্তর: ১৯৬৮-৭৯ সাল থেকে চিনি।
প্রশ্ন: ঐ সময় তিনি কলেজের ছাত্র ছিলেন।
উত্তর: নাসিরাবাদ কলেজের ছাত্র ছিলেন বলে মনে হয।
প্রশ্ন: আপনার কলেজ থেকে দূরত্ব কত।
উত্তর: এক থেকে দেড় মাইল।
প্রশ্ন: উনি কোথায় থাকতেন।
উত্তর: লজিং এ থাকতেন।
প্রশ্ন: কার বাড়ি থাকতেন।
উত্তর: জানি না।
প্রশ্ন: কামারুজ্জামান ইসলামী ছাত্র সংঘের কোন্ পদে ছিলেন।
উত্তর: মনে নেই।
মুজাহিদ ॥ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রবিবার সকালে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্ব তিন সদস্যের বেঞ্চে শুনানি শেষে এই আদেশ দেয়া হয়।
৭ জুলাই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনালের দেয়া আদেশ পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-২। এ আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আসামি পক্ষ এ আবেদন দাখিল করেন।
মুজাহিদের বিরুদ্ধে ১৯ জুলাই প্রসিকিউশনের ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উপস্থাপনের তারিখ ধার্য রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে আসামি পক্ষকেও তাদের সাক্ষীদের তালিকা এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ দাখিল করতে বলা হয়েছে। গত বছরের ১ নবেম্বর জামায়াত নেতা মুজাহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়। ২৬ জানুয়ারি মুজাহিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়া হয়।২০১০ সালের ২৯ জুন একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে এক আবেদনের প্রেক্ষিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1492)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
July
(2459)
-
▼
Jul 16
(121)
- ইন্ডিয়ান্স ট্যালেন্ট হান্টের বিচারক সানি লিওন
- তারল্য সঙ্কটেই দরপতন পুঁজিবাজারে
- রাজাকারদের গাড়িতে আর লাল সবুজ পতাকা ওড়াতে দেয়া হবে...
- বিবিয়ানার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ তালিকা হচ্ছে সুবিধ...
- ৩ সিএ্যান্ডএফ এজেন্টকে ঢাকায় তলব ॥ আজ জিজ্ঞাসাবাদ-...
- সারাদেশ থেকে ৬৪০ অভিযোগ এসেছে তদন্ত সংস্থায় যুদ্ধা...
- জাবি উপাচার্য অবরুদ্ধ, প্যানেল নির্বাচন ঠেকাতে ফের...
- আর কেউ যেন দেশকে নিয়ে খেলতে না পারে ॥ প্রধানমন্ত্র...
- ১৪ বাজার মনিটরিং টিমের কাজ দায়সারা ম্যাজিস্ট্রেট ও...
- মানবতাবিরোধী বিচার আইনে আপীলের বিধান বাতিলের জন্য ...
- বুয়েট আন্দোলনে নতুন মোড়- সকালের রূপ বদলে গেল বিকেল...
- জেনারেল খাদিম রাজার মরণোত্তর বইয়ে গণহত্যার প্রামাণ...
- পুষ্টিসমৃদ্ধ ইফতার
- সাজাই নিজ ভুবন
- সম্পর্কের টানাপোড়েন
- বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত তরুণ প্রজন্ম by শামিমা আক্তার রিমা
- হলে সিট পেতে হলে by মোঃ আরিফুর রহমান
- হলে সিট পেতে হলে by মোঃ আরিফুর রহমান
- বর্ষায় সতেজ থাকার টিপ্স
- রমজানের টুকিটাকি বাজেট by সাবাহ্ শবনম
- নতুন গ্যাসক্ষেত্র
- জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে
- রিপোর্টারের ডায়েরি
- এবারও কি ‘শুষ্ক’ শ্রাবণ নাকি মেঘমেদুর বরষা? by নিয়...
- রাজশাহীতে ব্যাংকিং সুপারভিশন কার্যক্রমের ওপর ড. আত...
- শেখ হাসিনার লেখা সেই চিঠি by দুলাল আচার্য
- পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা by মোঃ মো...
- নারায়ণগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা গুরুতর জখ...
- স্বামীর চার বন্ধুর ধর্ষণের বিষয়টি রহস্যজনক-সীমার অ...
- জ্বালানি ও অবকাঠামো সমস্যা প্রবৃদ্ধি অর্জনে বড় বাধ...
- সাতক্ষীরার তালায় ফের সংগঠিত হচ্ছে চরমপন্থীরা-অস্ত্...
- জনবসতির আশপাশে থাকতেই বেশি পছন্দ,এখন দেখা মেলে না ...
- শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস আজ
- দেশের মোট জনসংখ্যা ১৫ কোটি, রাজধানীতে বাস দেড় কোটি...
- শান্তি কমিটি, আলবদর ও রাজাকার বাহিনীর মূল নেতা গো....
- পাহাড়ে দু’দফা বন্দুক যুদ্ধে চারজন নিহত, গুলিবিদ্ধ ১২
- আধুনিক স্থাপত্যের পুরোধা মাজহারুল ইসলামের প্রয়াণ
- নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু তৈরিতে ৫ বিষয়ে গুরুত্ব সরক...
- শিক্ষামন্ত্রী আজ বৈঠক ডেকেছেন-আমন্ত্রিত বুয়েটের ডি...
- ইয়াবা সম্রাট আমিন হুদা ॥ ৭৯ বছর জেল-সহযোগীরও কারাদ...
- জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কবাণী-সিরিয়া বিষয়ে নিরাপত্তা...
- সাক্ষাৎকারে হুগো চাভেজ-ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের জ...
- আদালত রাজা আশরাফকে সরিয়ে দিলেও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্...
- গাজীপুরে ট্রেন দুর্ঘটনা-দুই দিন ধরে ট্রেনের সময়সূচ...
- সাত কিলোমিটার যেতে ঘুরতে হয় ৪০ কিলোমিটার
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ৭০টি বিদ্যালয় ছুটি
- কৃষিমজুরি বেড়েছে, যোগ হয়েছে সম্ভাবনা ও সংকট by ইফত...
- যুবলীগের কংগ্রেসে শেখ হাসিনা-‘তাদের সেই দুর্নীতির ...
- সৌদিতে শিয়া বিক্ষোভ-মস্কোর মন্তব্যের তীব্র সমালোচ...
- উচ্চশিক্ষা-ভর্তিযুদ্ধ এড়াতে by ছিদ্দিকুর রহমান
- নতুন গ্যাসক্ষেত্র-দ্রুত উঠিয়ে ফেলা উচিত শ্রীকাইলের...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-প্রকৃতিই ঠিক করে দেয় কোন পদ্ধতিতে...
- সিন্ডিকেটের এখন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত-ঢাকা বিশ্ববিদ...
- রোহিঙ্গা বিতাড়নের লক্ষ্য বাংলাদেশ হতে পারে না-মিয়া...
- স্মরণ-মানবতাবাদী: পৌল তিগ্যা by সৈয়দ শামসুল আলম
- উন্নয়ন-আত্মশক্তির উদ্বোধন চাই by খোন্দকার ইব্রাহিম...
- ইথিওপিয়ায় দুই সুদানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক
- 'ত্রেইমসে ভারী অস্ত্রের ব্যবহার হয়নি কোনো গণহত্যাও...
- নাসায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা by আশরা রামাইসা খান
- বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন-নভোচারী রোনাল্ড জে গারান by জ...
- ১০টি প্রশ্নোত্তরে ঈশ্বর কণা
- মিসরে গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ মসৃণ করার আহবান হিলারির
- অশান্ত শিক্ষাঙ্গন-দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক
- দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি-কার্যকর তদারকি প্রয়োজন
- আদালত থেকে-অবহেলা সইতে না পেরে...
- নূরজাহান-আলোকিত ঈদ ফ্যাশন-কাল পুরস্কার বিতরণ ও সাং...
- যানজট ও শব্দদূষণ কমিয়ে আনা, ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্ন...
- বাড়তি ভাড়ার চাপ যাত্রীর ঘাড়েই by মিঠুন চৌধুরী
- বাড়িগুলো এভাবে দখল হয়ে যাবে? by হামিদ উল্লাহ
- ‘মুম্বাই হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার অভিযোগ অবিশ...
- তিন নভোচারী নিয়ে মহাকাশের পথে সয়ুজ
- ততটা মহান নন আলেকজান্ডার!
- তিনিই কি উত্তর কোরিয়ার পরবর্তী ফার্স্ট লেডি?
- তানতাওয়ির সঙ্গে বৈঠকে হিলারি-বেসামরিক সরকারের কাছে...
- নারায়ণগঞ্জে ঠিকাদারকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা
- বরিশালে আরেকটি ‘পুকুর হত্যা’
- এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে আগুনের ঘটনায় মামলা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-ছাত্রলীগের গোলাগুলি, একজন গু...
- ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে সহায়ক হবে পিএসএসসি: প্রধানমন্...
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে-আপনার চোখের জলও মূল্যহীন?
- নিরাপত্তা ও সেবার মান নিচেই নামতে থাকবে?-যোগাযোগমা...
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থেই প্রকাশ করা জরুরি-বি...
- চারদিক-সাঁওতালপল্লি পারুয়াবিল by আকমল হোসেন
- পদ্মা সেতু by মাহফুজ রহমান
- যে সেতু দোয়েলের ফড়িঙের by সিমু নাসের
- রসকারণ-‘কিলায়ে কাঁঠাল পাকানো’ কি সম্ভব? by আব্দুল ...
- আমাদের সেতু আমরাই গড়ব
- ফল+অফল=রাসায়নিক by রোমেন রায়হান
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- স্থপতি মাজহারুল ইসলাম আর নেই-পথিকৃতের প্রস্থান by ...
- যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি-তৃণমূলে অসন্তোষ ...
- গোলটেবিল বৈঠক-দেশের প্রায় আড়াই কোটি নারীই দীর্ঘস্থ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষ ও শয়তান পরস্পরের শত্রু হয়...
- আমায় ক্ষমো হে-আন্ডার-ইনভয়েসিং, ওভার-ইনভয়েসিং ও বাং...
- কঠিন সময় পার করছে পাকিস্তান by তারেক শামসুর রেহমান
- হিউম্যান রাইটস ওয়াচ প্রতিবেদন-মানবাধিকার বাঁচলে দে...
- প্রথম রুপা পেল বাংলাদেশ by মুনির হাসান
- ‘দুইটু ট্যাকার জন্য দুইটু জান চইলি গেল!’-আকিজের কা...
- দুর্নীতির সুরাহা হলে জাপান সিদ্ধান্ত নেবে
- বুয়েট সংকট: উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতিকে বাদ দিয়ে আজ ...
- স্মরণ-সাহসী সাংবাদিক শামছুর রহমান by ফখরে আলম
- একেক সময় একেকটি বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে by ওয়াহিদ নবি
- তৃতীয় গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটবে? by গাজীউল হা...
- পরিবর্তনের ছোঁয়ায় by শাহ্রিয়া হ্যাপী
- চলতি পথে নিত্য বিড়ম্বনা by মৌনতা আরওয়া
- সমঅধিকার এবং প্রত্যাশা by মেজর সুধীর সাহা (অব.)
- মাতৃত্ব হোক নিরাপদ
- বিধানসভা নির্বাচন-এপার থেকে দেখা by আলতাফ পারভেজ
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-কর্নেল জামান আমাদের পথপ্রদর্শক by শাহ...
- সবাইকে হতে হবে শান্তিরক্ষী by ডালেম চন্দ্র বর্মণ
- অধিকার-রাষ্ট্র, সংবিধান ও আদিবাসী by এম এ হাসান
- সময়ের কথা-ভিশন ২০২১ ছাড়িয়ে by অজয় দাশগুপ্ত
- ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নৌযান-আপনি আচরি ধর্ম পরকে শেখাও
- বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম-আমাদের শিশুরা কী শিখছে?
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-বড় চ্যালেঞ্জ :দুর্নীতি যেন...
- স্মৃতিতে উজ্জ্বল সেই মুখ by নাসির আহমেদ
- পাঁচ বছর আগের একদিন by আসিফ কবীর
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-এক স্বপ্নবানের বিদায় by রবিউল হুসাইন
- কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা-সংস্কারের পথে বাধা কোথায়? by ...
- সিবিএ দৌরাত্ম্য-সদস্যদের অর্থ আত্মসাৎ!
- শ্রীকাইলে নতুন গ্যাসক্ষেত্র-সুষম জ্বালানি নীতি চাই
-
▼
Jul 16
(121)
-
▼
July
(2459)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment