Monday, January 25, 2016
এটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ রায় by ইকতেদার আহমেদ
এটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ রায় by ইকতেদার আহমেদ
পৃথিবীর যেকোনো দেশে জনমানুষের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়ার পর তা নিজেরা সুরাহা করতে না পারলে আদালতের শরণাপন্ন হন। এ ক্ষেত্রে আদালতকে নিজ দেশের সংবিধান, আইন ও বিধি-বিধানের আলোকে সিদ্ধান্ত দিতে দেখা যায়। আদালতের সিদ্ধান্ত অধিকাংশ দেশের ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিরোধ নিরসনে সহায়ক কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালতের একটি মামলাসংক্রান্ত একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্ত বিরোধ নিরসনের পরিবর্তে উত্তপ্ত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
২০১০ সালে ১৮তম প্রধান বিচারপতির অবসর-পরবর্তী ১৯তম প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রশ্ন দেখা দিলে দু’জন জ্যেষ্ঠ ও সার্বিক বিবেচনায় উৎকৃষ্ট বিচারককে অতিক্রান্ত করে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার ব্যাপ্তিকাল ছিল প্রায় আট মাস। প্রধান বিচারপতি পদে আসীন থাকাবস্থায় তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দেন। ওই মামলাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধতা ও সপ্তম সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত মামলাদ্বয়ের আপিল শুনানি। এ দু’টি আপিল মামলার মধ্যে প্রথমোক্তটির ক্ষেত্রে তিনি পদে বহাল থাকাকালীন সংক্ষিপ্ত আদেশ দেন এবং দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে পদে বহাল থাকাকালীন পূর্ণাঙ্গ আদেশ তিনি দেন। প্রথমোক্তটির সংক্ষিপ্ত আদেশে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক, তাই বেআইনি, তবে পরবর্তী দু’টি নির্বাচন সংসদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। দ্বিতীয় আপিলটিতে সপ্তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন যে, সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত ক্রান্তিকালীন বিধান বলতে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে বুঝাবে। এ সময়কালের বাইরের কোনো সময়কে ক্রান্তিকালীন সময় বলা যাবে না এবং বলা হয়ে থাকলেও তা অকার্যকর হবে।
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর সংক্ষিপ্ত আদেশটি দেয়া হয় ১০ মে, ২০১১ সালে এবং অতঃপর ওই বিতর্কিত প্রধান বিচারপতি ১৭ মে, ২০১১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি অবসরগ্রহণ-পরবর্তী ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনী সংক্রান্ত তার ৩৪২ পৃষ্ঠাসংবলিত রায়ে অবসরগ্রহণের ১৬ মাসেরও অধিক সময় পর স্বাক্ষর করেন।
এখন প্রশ্ন- উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারক অবসরগ্রহণ-পরবর্তী রায় লিখতে ও রায়ে স্বাক্ষর করতে পারেন কি না? উচ্চ আদালতের বিচারপতি বা বিচারকেরা সাংবিধানিক পদধারী হিসেবে শপথ ও সংবিধানের ৯৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অনুবলে প্রস্তুতকৃত আচরণবিধি দিয়ে পরিচালিত। উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারক বিচারপতি বা বিচারক পদে নিয়োগ-পরবর্তী শপথগ্রহণ ব্যতিরেকে পদে আসীন হন না এবং যে তারিখে তিনি বিচারপতি বা বিচারকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন সে তারিখ থেকে তিনি স্বপঠিত শপথ থেকে অবমুক্ত হয়ে যান। তাই স্বভাবত প্রশ্ন জাগে, উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারক স্বপঠিত শপথ থেকে অবমুক্ত হওয়ার পর তার পক্ষে পূর্বে শ্রুত বা পূর্বে আংশিক প্রদত্ত কোনো মামলার রায় বা পূর্ণাঙ্গ রায় লেখার বা তাতে স্বাক্ষর করার সুযোগ আছে কি না?
উপরিউক্ত বিষয়ে দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানসহ দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি, সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ রুল এবং দেওয়ানি আদেশ ও কার্যাবলি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আইন বা বিধি-বিধানের কোথাও উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারককে অবসরগ্রহণ-পরবর্তী পূর্বে শ্রুত বা পূর্বে আংশিক প্রদত্ত মামলার রায় বা পূর্ণাঙ্গ রায় লেখার সমর্থনে ক্ষমতা প্রদানপূর্বক কোনো অধিকার দেয়া হয়নি। আর অধিকার দেয়া না হয়ে থাকলে আইনের অবস্থান দাঁড়ায় অবসরগ্রহণ-পরবর্তী কোনো বিচারপতি বা বিচারক কর্মে বহাল থাকাকালীন শ্রুত বা আংশিক প্রদত্ত কোনো মামলার রায় বা পূর্ণাঙ্গ রায় লিখলে এবং তাতে স্বাক্ষর দিলে তা হবে আইনের পরিপন্থী। তা ছাড়া উপরিউক্ত আইন ও বিধানাবলিতে রায় ঘোষণা বিষয়ে স্পষ্টত যে কথাগুলো বলা হয়েছে, তার মর্মার্থ হলো- আদালত মামলার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ অথবা অন্য কোনো ভবিষ্যৎ দিনে পক্ষগণ অথবা তাদের আইনজীবীদের জ্ঞাতকরণপূর্বক প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবেন এবং রায় ঘোষণাকালে বিচারক তাতে স্বাক্ষর ও তারিখ দেবেন। একবার স্বাক্ষরিত হলে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা আকস্মিক ফসকান (Accidental slip) বা বিচ্যুতি (Omission) ব্যতীত রায়ের অপর কিছু সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই।
পূর্ণাঙ্গ রায় দৃষ্টে প্রতীয়মান হয়, আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি ও ছয়জন বিচারক সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আপিল মামলার শুনানি গ্রহণ করেন এবং পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা ও তাতে স্বাক্ষর করার সময় একজন বিচারপতি অবসরে ছিলেন এবং একজন বিচারপতি ও পাঁচজন বিচারক নিজ নিজ পদে বহাল ছিলেন। অবসরে যাওয়া বিচারপতিসহ কর্মরত প্রধান বিচারপতি এবং দু’জন বিচারক সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সন্নিবেশিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বেআইনি ঘোষণা করেন। অপর দিকে, দু’জন বিচারক এটিকে সংবিধানসম্মত ঘোষণা করেন এবং একজন বিচারক সংবিধানসম্মত ঘোষণা করে এ বিষয়ে বিজ্ঞচিত সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার সংসদের ওপর ছেড়ে দেন। যেহেতু পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা ও রায়ে স্বাক্ষরকালীন সময় সাবেক প্রধান বিচারপতি পদে বহাল ছিলেন না, তাই আইনের দৃষ্টিতে তিনি যে রায় দিয়েছেন তা এখতিয়ারবিহীন ও মূল্যহীন। এ বাস্তবতায় ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত রায়টি ৩:৩ এর বিভক্ত রায়।
১৯তম প্রধান বিচারপতি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর আপিল মামলার প্রবর্তক বিচারক (Author Judge)। আপিলের রায় দেয়ার সময় তার সাথে যারা সম্মত হয়েছেন রায়টি তার দ্বারা পরে স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণে এ ধরনের সম্মতি রায়টির মৌলিকত্বের ওপর আঘাত হানে কি না তা বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের বিচারকেরা সমভাবে বিভক্ত হলে যে বিধান অনুসৃত হয় তাতে বলা হয়েছে, অভিমত দেয়ার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের বিচারকেরা সমভাগে বিভক্ত হলে মামলার ওপর তাদের অভিমতসহ একই আদালতের অপর বিচারকের সম্মুখে মামলাটি উপস্থাপিত হবে এবং ওই বিচারক তার বিবেচনায় যথাযথ শুনানি গ্রহণের পর স্বীয় অভিমত দেবেন এবং রায় বা আদেশ ওই অভিমতের আলোকে প্রণীত হবে।
দেওয়ানি আপিলের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধিতে বলা হয়েছে, ভিন্নমত লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং যে ক্ষেত্রে আপিলটি একাধিক বিচারক কর্তৃক শ্রুত হয়, সে ক্ষেত্রে কোনো একজন বিচারক আদালতের রায়ের সাথে দ্বিমত পোষণ করে থাকলে আপিলে যে সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন, তা লিখিতভাবে বিবৃত করবেন এবং এর ওপর তিনি তার যুক্তিও বিবৃত করবেন। অপর এক বিধিতে বলা হয়েছে, ভিন্নমত পোষণকারী বিচারকের রায়ের ডিক্রিতে স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই। ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আপিল মামলাটির সাথে ডিক্রি কার্যকরণের বিষয় সম্পৃক্ত না থাকায় ভিন্নমত পোষণকারীদের রায়ের ডিক্রিতে স্বাক্ষর করা বা না করার বিষয়টি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
স্পষ্টত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিষয়ে আপিল বিভাগের রায়টি সংবিধান ও অন্যান্য আইন এবং বিধি-বিধানের আলোকে সমভাবে বিভক্ত গণ্য হওয়ায় আপিল বিভাগে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর শুনানির সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন বিচারক না থেকে থাকলে সংবিধানের ৯৮ নম্বর অনুচ্ছেদের আলোকে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারককে যেকোনো অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপিল বিভাগে আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন এবং শুনানির পর তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন তার আলোকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায়ের ফলাফল নির্ণীত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত রিটটি দায়ের করা হয় ১৯৯৯ সালে। পরে এ রিটটি শুনানির জন্য তিনজন বিচারক সমন্বয়ে একটি বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয় এবং ওই বেঞ্চ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে ২০০৪ সালে বৈধ মর্মে ঘোষণা করে। অতঃপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়েরের পর দীর্ঘ দিন আপিল মামলাটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে ছিল এবং ১৯তম প্রধান বিচারপতি পদে আসীন হওয়ার পর এ আপিলটি শুনানির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ওই প্রধান বিচারপতি যে পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছেন তা পর্যালোচনায় দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত রায়ে তিনি যে অভিমত দিয়েছিলেন তার সাথে পূর্ণাঙ্গ রায়ের ভিন্নতা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত রায়ে বলা হয়েছিল রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তার প্রয়োজনে আগামী দু’টি (দশম ও একাদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিদ্যমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি অথবা আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়োগের বিধান বাতিলের বিষয়ে সংসদ স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অপর দিকে, সাবেক প্রধান বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ রায়ে আগামী দু’মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করে নির্বাচনকালীন সরকারের চেয়ে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর। সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ রায়ের এ ভিন্নতাকে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীরা গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করেছেন।
১৯তম প্রধান বিচারপতির প্রদত্ত রায়ে দেখা যায়, তিনি তার রায়ে আইন, বিধি-বিধান ও নীতি-নৈতিকতাকে উপেক্ষা করে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ১/১১-এর জরুরি সরকারের কার্যক্রমকে বৈধতা দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন- এ বৈধতার জন্য কি কোনো আবেদন ছিল? এ বিষয়ে কি কোনো শুনানি হয়েছে? আবেদন না থেকে থাকলে এবং শুনানি না হয়ে থাকলে কেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সংসদের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে জনগণের শেষ ভরসাস্থল খ্যাত সর্বোচ্চ আদালতকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেন? এখানে যে বিষয়টি স্পষ্ট তা হলো- রিট দায়েরের সময় ১/১১-এর অস্তিত্ব ছিল না। তাই রিটে সে বিষয়ের প্রতিকার চাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। রিটে যে বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই, সে বিষয়টি কী করে ১৯তম প্রধান বিচারপতির রায়ের আলোচনায় স্থান পেল? এমনকি আপিল বিভাগে শুনানি গ্রহণকালীন এ বিষয় অ্যামিকাস কিউরি বা রাষ্ট্রপক্ষের কেউ কোনো আলোচনা করেছেন সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। রিট দায়ের ও নিষ্পত্তি পর্যন্ত যে শিশুর জন্ম হয়নি, সে কী করে আলোচনায় এলো? যেকোনো দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের অনভিপ্রেত আলোচনা দুঃখজনক ও দুরভিসন্ধিমূলক, যা শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের দৃষ্টিতে গুরুতর অসদাচরণের শামিল।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধান বিচারপতি স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রায় জমা দিয়ে তা ফেরত নিয়ে পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে পুনঃদাখিল করেছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের দৃষ্টিতে এ ধরনের পরিবর্তন ও পরিমার্জন অসততা, অন্যায় ও প্রতারণা। এ ক্ষেত্রে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা দিয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে তাকে বিচারের আওতায় আনা হলে ভবিষ্যতে আশা করা যায় জাতিকে এ ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে না, যদিও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পরবর্তী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের গঠনপ্রক্রিয়া অদ্যাবধি নির্ধারণ করা হয়নি।
১৯তম প্রধান বিচারপতি সুস্পষ্টভাবে সপ্তম সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আপিল মামলার রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, কোন্ সময়টি ক্রান্তিকালীন সময় হিসেবে গণ্য হবে এবং ওই সময় ব্যতীত অপর কোন সময়কে ক্রান্তিকালীন সময় হিসেবে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। দৃশ্যত এ অভিমত দ্বারা ইতপূর্বে সংসদ পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিক শাসনব্যবস্থাকে যেভাবে বৈধতা দিয়েছিল, সে পথটি রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। সে দৃষ্টিকোণ থেকে যেখানে জনগণের সমার্থক সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা রুদ্ধ, সেখানে কী করে ১৯তম প্রধান বিচারপতি ১/১১-এর সরকারকে অযাচিতভাবে অবৈধ বলে এর কার্যক্রমকে মার্জনা দিয়ে সংসদের ঊর্ধ্বে আদালতকে স্থান দিলেন?
১৯তম প্রধান বিচারপতি পদে বহাল থাকাকালীন তার কার্যকলাপ প্রধান বিচারপতি তো দূরের কথা উচ্চ আদালতের একজন বিচারকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত কার্যকলাপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না সে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি প্রধান বিচারপতি পদে বহাল থাকাকালীন ট্রুথ কমিশনের কাছে আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে কর্মরত তার কনিষ্ঠ ভ্রাতার চেক জালিয়াতি-সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান ছিল। মামলার রায়ের দিন ঢাকা জেলা জজ আদালতসহ সিএমএম আদালতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান তিনি। পরে দেখা যায় সে মামলা থেকে তার ভাই বেকসুর খালাস পেয়ে যান এবং নথি থেকে জালিয়াত-সংক্রান্ত চেকটি গায়েব হয়ে যায়। এ একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে হয়ত অনেক কিছু বের হয়ে আসবে।
ইতপূর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহালের দাবিতে জাতি অনেক আন্দোলন সংগ্রাম দেখেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকা বা না থাকার বিষয়টি সংসদের একক এখতিয়ার। আদালতের বিভক্ত রায়ে এটিকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব সংসদের ওপর ছেড়ে দেয়াই শ্রেয়। আদালত ও সংসদ জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলনে বাস্তবতার নিরিখে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে জাতিকে এ অনাহূত বিতর্কের সম্মুখীন হতে হতো না। এ অনাহূত বিতর্কের পেছনে যার কার্যকলাপ মুখ্য তিনি অন্য কেউ নন, ১৯তম প্রধান বিচারপতি। সংবিধান, আইন, বিধি-বিধান ও নীতি-নৈতিকতা পর্যালোচনা করে তিনি নিজেই বিবেচনা করে দেখতে পারেন অবসরগ্রহণ-পরবর্তী তার রায় লেখার ও রায়ে স্বাক্ষর দেয়ার অবকাশ ছিল কি না, সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে ভিন্নতা গ্রহণযোগ্য কি না, স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রায় জমা দিয়ে তা ফেরত নিয়ে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আইন দ্বারা সমর্থিত কি না এবং অপ্রাসঙ্গিকভাবে ১/১১-এর বিষয়টি আলোচনায় এনে সেটিকে অবৈধ বলে মার্জনা দেয়ার সুযোগ ছিল কি না? এ চারটি প্রশ্নের উত্তরের মধ্যেই নিহিত আছে এটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ রায়।
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
iktederahmed@yahoo.com
২০১০ সালে ১৮তম প্রধান বিচারপতির অবসর-পরবর্তী ১৯তম প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রশ্ন দেখা দিলে দু’জন জ্যেষ্ঠ ও সার্বিক বিবেচনায় উৎকৃষ্ট বিচারককে অতিক্রান্ত করে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার ব্যাপ্তিকাল ছিল প্রায় আট মাস। প্রধান বিচারপতি পদে আসীন থাকাবস্থায় তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দেন। ওই মামলাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধতা ও সপ্তম সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত মামলাদ্বয়ের আপিল শুনানি। এ দু’টি আপিল মামলার মধ্যে প্রথমোক্তটির ক্ষেত্রে তিনি পদে বহাল থাকাকালীন সংক্ষিপ্ত আদেশ দেন এবং দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে পদে বহাল থাকাকালীন পূর্ণাঙ্গ আদেশ তিনি দেন। প্রথমোক্তটির সংক্ষিপ্ত আদেশে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক, তাই বেআইনি, তবে পরবর্তী দু’টি নির্বাচন সংসদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। দ্বিতীয় আপিলটিতে সপ্তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন যে, সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত ক্রান্তিকালীন বিধান বলতে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে বুঝাবে। এ সময়কালের বাইরের কোনো সময়কে ক্রান্তিকালীন সময় বলা যাবে না এবং বলা হয়ে থাকলেও তা অকার্যকর হবে।
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর সংক্ষিপ্ত আদেশটি দেয়া হয় ১০ মে, ২০১১ সালে এবং অতঃপর ওই বিতর্কিত প্রধান বিচারপতি ১৭ মে, ২০১১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি অবসরগ্রহণ-পরবর্তী ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনী সংক্রান্ত তার ৩৪২ পৃষ্ঠাসংবলিত রায়ে অবসরগ্রহণের ১৬ মাসেরও অধিক সময় পর স্বাক্ষর করেন।
এখন প্রশ্ন- উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারক অবসরগ্রহণ-পরবর্তী রায় লিখতে ও রায়ে স্বাক্ষর করতে পারেন কি না? উচ্চ আদালতের বিচারপতি বা বিচারকেরা সাংবিধানিক পদধারী হিসেবে শপথ ও সংবিধানের ৯৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অনুবলে প্রস্তুতকৃত আচরণবিধি দিয়ে পরিচালিত। উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারক বিচারপতি বা বিচারক পদে নিয়োগ-পরবর্তী শপথগ্রহণ ব্যতিরেকে পদে আসীন হন না এবং যে তারিখে তিনি বিচারপতি বা বিচারকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন সে তারিখ থেকে তিনি স্বপঠিত শপথ থেকে অবমুক্ত হয়ে যান। তাই স্বভাবত প্রশ্ন জাগে, উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারক স্বপঠিত শপথ থেকে অবমুক্ত হওয়ার পর তার পক্ষে পূর্বে শ্রুত বা পূর্বে আংশিক প্রদত্ত কোনো মামলার রায় বা পূর্ণাঙ্গ রায় লেখার বা তাতে স্বাক্ষর করার সুযোগ আছে কি না?
উপরিউক্ত বিষয়ে দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানসহ দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি, সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ রুল এবং দেওয়ানি আদেশ ও কার্যাবলি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আইন বা বিধি-বিধানের কোথাও উচ্চ আদালতের একজন বিচারপতি বা বিচারককে অবসরগ্রহণ-পরবর্তী পূর্বে শ্রুত বা পূর্বে আংশিক প্রদত্ত মামলার রায় বা পূর্ণাঙ্গ রায় লেখার সমর্থনে ক্ষমতা প্রদানপূর্বক কোনো অধিকার দেয়া হয়নি। আর অধিকার দেয়া না হয়ে থাকলে আইনের অবস্থান দাঁড়ায় অবসরগ্রহণ-পরবর্তী কোনো বিচারপতি বা বিচারক কর্মে বহাল থাকাকালীন শ্রুত বা আংশিক প্রদত্ত কোনো মামলার রায় বা পূর্ণাঙ্গ রায় লিখলে এবং তাতে স্বাক্ষর দিলে তা হবে আইনের পরিপন্থী। তা ছাড়া উপরিউক্ত আইন ও বিধানাবলিতে রায় ঘোষণা বিষয়ে স্পষ্টত যে কথাগুলো বলা হয়েছে, তার মর্মার্থ হলো- আদালত মামলার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ অথবা অন্য কোনো ভবিষ্যৎ দিনে পক্ষগণ অথবা তাদের আইনজীবীদের জ্ঞাতকরণপূর্বক প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবেন এবং রায় ঘোষণাকালে বিচারক তাতে স্বাক্ষর ও তারিখ দেবেন। একবার স্বাক্ষরিত হলে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা আকস্মিক ফসকান (Accidental slip) বা বিচ্যুতি (Omission) ব্যতীত রায়ের অপর কিছু সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই।
পূর্ণাঙ্গ রায় দৃষ্টে প্রতীয়মান হয়, আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি ও ছয়জন বিচারক সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আপিল মামলার শুনানি গ্রহণ করেন এবং পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা ও তাতে স্বাক্ষর করার সময় একজন বিচারপতি অবসরে ছিলেন এবং একজন বিচারপতি ও পাঁচজন বিচারক নিজ নিজ পদে বহাল ছিলেন। অবসরে যাওয়া বিচারপতিসহ কর্মরত প্রধান বিচারপতি এবং দু’জন বিচারক সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সন্নিবেশিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বেআইনি ঘোষণা করেন। অপর দিকে, দু’জন বিচারক এটিকে সংবিধানসম্মত ঘোষণা করেন এবং একজন বিচারক সংবিধানসম্মত ঘোষণা করে এ বিষয়ে বিজ্ঞচিত সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার সংসদের ওপর ছেড়ে দেন। যেহেতু পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা ও রায়ে স্বাক্ষরকালীন সময় সাবেক প্রধান বিচারপতি পদে বহাল ছিলেন না, তাই আইনের দৃষ্টিতে তিনি যে রায় দিয়েছেন তা এখতিয়ারবিহীন ও মূল্যহীন। এ বাস্তবতায় ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত রায়টি ৩:৩ এর বিভক্ত রায়।
১৯তম প্রধান বিচারপতি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর আপিল মামলার প্রবর্তক বিচারক (Author Judge)। আপিলের রায় দেয়ার সময় তার সাথে যারা সম্মত হয়েছেন রায়টি তার দ্বারা পরে স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণে এ ধরনের সম্মতি রায়টির মৌলিকত্বের ওপর আঘাত হানে কি না তা বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের বিচারকেরা সমভাবে বিভক্ত হলে যে বিধান অনুসৃত হয় তাতে বলা হয়েছে, অভিমত দেয়ার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের বিচারকেরা সমভাগে বিভক্ত হলে মামলার ওপর তাদের অভিমতসহ একই আদালতের অপর বিচারকের সম্মুখে মামলাটি উপস্থাপিত হবে এবং ওই বিচারক তার বিবেচনায় যথাযথ শুনানি গ্রহণের পর স্বীয় অভিমত দেবেন এবং রায় বা আদেশ ওই অভিমতের আলোকে প্রণীত হবে।
দেওয়ানি আপিলের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধিতে বলা হয়েছে, ভিন্নমত লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং যে ক্ষেত্রে আপিলটি একাধিক বিচারক কর্তৃক শ্রুত হয়, সে ক্ষেত্রে কোনো একজন বিচারক আদালতের রায়ের সাথে দ্বিমত পোষণ করে থাকলে আপিলে যে সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন, তা লিখিতভাবে বিবৃত করবেন এবং এর ওপর তিনি তার যুক্তিও বিবৃত করবেন। অপর এক বিধিতে বলা হয়েছে, ভিন্নমত পোষণকারী বিচারকের রায়ের ডিক্রিতে স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই। ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আপিল মামলাটির সাথে ডিক্রি কার্যকরণের বিষয় সম্পৃক্ত না থাকায় ভিন্নমত পোষণকারীদের রায়ের ডিক্রিতে স্বাক্ষর করা বা না করার বিষয়টি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
স্পষ্টত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিষয়ে আপিল বিভাগের রায়টি সংবিধান ও অন্যান্য আইন এবং বিধি-বিধানের আলোকে সমভাবে বিভক্ত গণ্য হওয়ায় আপিল বিভাগে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর শুনানির সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন বিচারক না থেকে থাকলে সংবিধানের ৯৮ নম্বর অনুচ্ছেদের আলোকে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারককে যেকোনো অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপিল বিভাগে আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন এবং শুনানির পর তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন তার আলোকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায়ের ফলাফল নির্ণীত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত রিটটি দায়ের করা হয় ১৯৯৯ সালে। পরে এ রিটটি শুনানির জন্য তিনজন বিচারক সমন্বয়ে একটি বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয় এবং ওই বেঞ্চ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে ২০০৪ সালে বৈধ মর্মে ঘোষণা করে। অতঃপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়েরের পর দীর্ঘ দিন আপিল মামলাটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে ছিল এবং ১৯তম প্রধান বিচারপতি পদে আসীন হওয়ার পর এ আপিলটি শুনানির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ওই প্রধান বিচারপতি যে পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছেন তা পর্যালোচনায় দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত রায়ে তিনি যে অভিমত দিয়েছিলেন তার সাথে পূর্ণাঙ্গ রায়ের ভিন্নতা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত রায়ে বলা হয়েছিল রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তার প্রয়োজনে আগামী দু’টি (দশম ও একাদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিদ্যমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি অথবা আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়োগের বিধান বাতিলের বিষয়ে সংসদ স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অপর দিকে, সাবেক প্রধান বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ রায়ে আগামী দু’মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করে নির্বাচনকালীন সরকারের চেয়ে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর। সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ রায়ের এ ভিন্নতাকে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীরা গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করেছেন।
১৯তম প্রধান বিচারপতির প্রদত্ত রায়ে দেখা যায়, তিনি তার রায়ে আইন, বিধি-বিধান ও নীতি-নৈতিকতাকে উপেক্ষা করে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ১/১১-এর জরুরি সরকারের কার্যক্রমকে বৈধতা দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন- এ বৈধতার জন্য কি কোনো আবেদন ছিল? এ বিষয়ে কি কোনো শুনানি হয়েছে? আবেদন না থেকে থাকলে এবং শুনানি না হয়ে থাকলে কেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সংসদের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে জনগণের শেষ ভরসাস্থল খ্যাত সর্বোচ্চ আদালতকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেন? এখানে যে বিষয়টি স্পষ্ট তা হলো- রিট দায়েরের সময় ১/১১-এর অস্তিত্ব ছিল না। তাই রিটে সে বিষয়ের প্রতিকার চাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। রিটে যে বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই, সে বিষয়টি কী করে ১৯তম প্রধান বিচারপতির রায়ের আলোচনায় স্থান পেল? এমনকি আপিল বিভাগে শুনানি গ্রহণকালীন এ বিষয় অ্যামিকাস কিউরি বা রাষ্ট্রপক্ষের কেউ কোনো আলোচনা করেছেন সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। রিট দায়ের ও নিষ্পত্তি পর্যন্ত যে শিশুর জন্ম হয়নি, সে কী করে আলোচনায় এলো? যেকোনো দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের অনভিপ্রেত আলোচনা দুঃখজনক ও দুরভিসন্ধিমূলক, যা শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের দৃষ্টিতে গুরুতর অসদাচরণের শামিল।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধান বিচারপতি স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রায় জমা দিয়ে তা ফেরত নিয়ে পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে পুনঃদাখিল করেছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের দৃষ্টিতে এ ধরনের পরিবর্তন ও পরিমার্জন অসততা, অন্যায় ও প্রতারণা। এ ক্ষেত্রে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা দিয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে তাকে বিচারের আওতায় আনা হলে ভবিষ্যতে আশা করা যায় জাতিকে এ ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে না, যদিও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পরবর্তী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের গঠনপ্রক্রিয়া অদ্যাবধি নির্ধারণ করা হয়নি।
১৯তম প্রধান বিচারপতি সুস্পষ্টভাবে সপ্তম সংশোধনী বাতিলসংক্রান্ত আপিল মামলার রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, কোন্ সময়টি ক্রান্তিকালীন সময় হিসেবে গণ্য হবে এবং ওই সময় ব্যতীত অপর কোন সময়কে ক্রান্তিকালীন সময় হিসেবে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। দৃশ্যত এ অভিমত দ্বারা ইতপূর্বে সংসদ পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিক শাসনব্যবস্থাকে যেভাবে বৈধতা দিয়েছিল, সে পথটি রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। সে দৃষ্টিকোণ থেকে যেখানে জনগণের সমার্থক সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা রুদ্ধ, সেখানে কী করে ১৯তম প্রধান বিচারপতি ১/১১-এর সরকারকে অযাচিতভাবে অবৈধ বলে এর কার্যক্রমকে মার্জনা দিয়ে সংসদের ঊর্ধ্বে আদালতকে স্থান দিলেন?
১৯তম প্রধান বিচারপতি পদে বহাল থাকাকালীন তার কার্যকলাপ প্রধান বিচারপতি তো দূরের কথা উচ্চ আদালতের একজন বিচারকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত কার্যকলাপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না সে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি প্রধান বিচারপতি পদে বহাল থাকাকালীন ট্রুথ কমিশনের কাছে আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে কর্মরত তার কনিষ্ঠ ভ্রাতার চেক জালিয়াতি-সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান ছিল। মামলার রায়ের দিন ঢাকা জেলা জজ আদালতসহ সিএমএম আদালতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান তিনি। পরে দেখা যায় সে মামলা থেকে তার ভাই বেকসুর খালাস পেয়ে যান এবং নথি থেকে জালিয়াত-সংক্রান্ত চেকটি গায়েব হয়ে যায়। এ একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে হয়ত অনেক কিছু বের হয়ে আসবে।
ইতপূর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহালের দাবিতে জাতি অনেক আন্দোলন সংগ্রাম দেখেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকা বা না থাকার বিষয়টি সংসদের একক এখতিয়ার। আদালতের বিভক্ত রায়ে এটিকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব সংসদের ওপর ছেড়ে দেয়াই শ্রেয়। আদালত ও সংসদ জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলনে বাস্তবতার নিরিখে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে জাতিকে এ অনাহূত বিতর্কের সম্মুখীন হতে হতো না। এ অনাহূত বিতর্কের পেছনে যার কার্যকলাপ মুখ্য তিনি অন্য কেউ নন, ১৯তম প্রধান বিচারপতি। সংবিধান, আইন, বিধি-বিধান ও নীতি-নৈতিকতা পর্যালোচনা করে তিনি নিজেই বিবেচনা করে দেখতে পারেন অবসরগ্রহণ-পরবর্তী তার রায় লেখার ও রায়ে স্বাক্ষর দেয়ার অবকাশ ছিল কি না, সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে ভিন্নতা গ্রহণযোগ্য কি না, স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রায় জমা দিয়ে তা ফেরত নিয়ে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আইন দ্বারা সমর্থিত কি না এবং অপ্রাসঙ্গিকভাবে ১/১১-এর বিষয়টি আলোচনায় এনে সেটিকে অবৈধ বলে মার্জনা দেয়ার সুযোগ ছিল কি না? এ চারটি প্রশ্নের উত্তরের মধ্যেই নিহিত আছে এটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ রায়।
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক
iktederahmed@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 25
(15)
- বাংলাদেশের ৪ সন্ত্রাসীকে খুঁজছে ভারতের পুলিশ
- কোকেন কাণ্ড - মুখ খুলছে না নুর মোহাম্মদ by মহিউদ্দ...
- বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের কাণ্ড
- এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম
- ১৩০ পাক পরমাণু বোমা ভারতের দিকে তাক করা!
- কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে ড. ইউন...
- সিলেটে ছাত্রলীগের তুলকালাম ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ
- ‘বঙ্গভবনে বেতালা অবস্থার মধ্যেও আছি’ -প্রেসিডেন্ট ...
- সতীত্বের জন্য বৃত্তি
- রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালেদাকে সমন
- ১ ভাগের বিরুদ্ধে ৯৯ ভাগের লড়াই by হায়দার আকবর খান ...
- অলৌকিক শিশু
- এটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ রায় by ইকতেদার আহমেদ
- কাউন্সিলের আগেই চেয়ারপারসন নির্বাচন by কাফি কামাল
- পঞ্চদশ সংশোধনী মৃত বাকশালের প্রেতাত্মা : খালেদা জিয়া
-
▼
Jan 25
(15)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment