Friday, March 30, 2012
মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ by ফাহমিদ - উর - রহমান
মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ by ফাহমিদ - উর - রহমান
সাম্রাজ্যবাদ মানে হচ্ছে একটি জাতি বা রাষ্ট্রের স্বার্থে এক বা একাধিক জাতি বা রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণাধীন রাখার মতবাদ এবং এই মতবাদের অনুসারীকে বলা হয় সাম্রাজ্যবাদী। কিন্তু এই মতটি স্থান-কাল-পাত্র বিচারে অন্যের ওপর প্রয়োগের জন্য সাম্রাজ্যবাদীকে নানারকম কৌশল অবলম্বন করতে হয়, যা সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য দিয়ে থাকে।
যেমন : সামরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ। সাম্রাজ্যবাদের সবচেয়ে স্থূল রূপটি হলো এর সামরিক ও রাজনৈতিক কৌশল। এই প্রক্রিয়ায় পররাজ্যকে দখল ও করতলগত রাখতে সাম্রাজ্যবাদীকে নানারকম ধকল সহ্য করতে হয়। আইন, আদালত, আর্মি, সিপাই পুষতে হয়। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ঝুঁকি নিতে হয় এবং প্রাণ ক্ষয়, সম্পদ ক্ষয়, সবশেষে পরাজয়ের গ্লানিও বহন করা লাগতে পারে।
অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ নামক ভিন্ন সংস্করণে যদিও আধিপত্য আরোপিত হয় অর্থনীতির সূত্রে, তথাপি এটি সামরিক সহায়তা ছাড়া সচরাচর টিকতে পারে না। আজকে কর্পোরেট পুঁজির বহুজাতিক সাম্রাজ্যবাদকে নিরাপদ রাখতে দেশে দেশে কীভাবে মার্কিন বাহিনী হামলে পড়েছে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাম্রাজ্যবাদের সূক্ষ্ম রূপটি হচ্ছে সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ। দুটোই পরস্পরের অনুঘটক। এই প্রক্রিয়ায় পূর্বতন মডেলগুলোর অস্বস্তিকর পরিস্থিতিগুলোর গুণগত উন্নতি ঘটিয়ে সাম্রাজ্যবাদীরা স্বস্তির সঙ্গে পররাজ্য লুণ্ঠন ও শোষণের ক্ষেত্র তৈরি করে। সাংস্কৃতিক মডেলটিতে সাংস্কৃতিক দীক্ষার মাধ্যমে একদল সুবিধাভোগী শ্রেণীকে সাঙ্গাত বানানো হয় এবং তাদের হাতে পোশাকি স্বাধীনতাটুকু ন্যস্ত করে সাম্রাজ্যবাদীরা স্বীয় রাষ্ট্রে বসে কলকাঠি নাড়ে। মেকলের ভাষায়, ‘কালা সাহেব’রূপী এই সুবিধাভোগী শ্রেণী সাম্রাজ্যবাদীদের সঙ্গে অভিন্ন রুচি ও সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ। এরাই সাম্রাজ্যবাদের সব রকমের স্বার্থ দেখভাল করে।
এই প্রক্রিয়াটি স্থায়ী করার জন্য এবং উপনিবেশিত জনগণ যাতে তার আপন সাংস্কৃতিক সত্তাটি খুঁজে না পায় সেজন্যই প্রবর্তিত হয়েছে মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ। এটি উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন রকম গণপ্রচার মাধ্যমের সাহায্যে বিভ্রান্তি, আকথা-কুকথা ছড়িয়ে উপনিবেশিত জনগণের মনকে আচ্ছন্ন করে রাখে এবং নানা রকম মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফেরমেশন সৃষ্টি করে এক ধূম্রজাল তৈরি করে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে উপনিবেশিত জনগণকে এমনভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা যাতে সে আত্মআবিষ্কারের সুযোগে সাম্রাজ্যবাদীদের মুখাপেক্ষিতার জাল কেটে বেরিয়ে না আসতে পারে। আগের দিনের সাম্রাজ্যবাদীরা প্রচার করত ডযরঃব গবহ্থং ইঁত্ফবহ-সাদা মানুষের দায়। মানে সাম্রাজ্যবাদীরা হতভাগ্য জাতিটিকে বড়ই দয়াপরবশ হয়ে তার অসভ্যতার অন্ধকার থেকে রাষ্ট্রের সভ্যতার আলোতে উঠিয়ে আনার চেষ্টা করছে। সেজন্য সাম্রাজ্যবাদ দরকার, কারণ এটি এক মহতী মিশন অর্জনের চেষ্টা করছে। এখন সাম্রাজ্যবাদীরা বলছে ফ্রিডম, ডেমোক্রেসির কথা। এর জন্য ইরাকে, আফগানিস্তানে খুন-গণহত্যা সব জায়েজ হয়ে গেছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মুক্তির সংগ্রামে নেটিভদের একটু রক্তপাত তো হবেই।
উপরোক্ত পটভূমিতে মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদকে আমাদের বুঝতে হবে, যার কাজ হচ্ছে গণবশীকরণ। সোভিয়েত ঔপন্যাসিক আলেক্সান্ডার সোলঝেনিিসন পশ্চিমে নির্বাসিত জীবনে থাকার সময় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সেই বক্তৃতাটি পরে হার্ভার্ড ম্যাগাজিনে The Exhausted West শিরোনামে বেরিয়েছিল। এখানে তিনি সভ্যতার ভেকধারী পশ্চিমা বিশ্বের উদ্দেশে কিছু অসাধারণ কথা বলেছিলেন। সবকিছুর মধ্যে সোলঝেনিিসন সেখানকার সবচেয়ে শক্তিধর ও ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন পশ্চিমের স্বাধীনতার চরম অসদ্ব্যবহারকারী মিডিয়া নামের দৈত্যটিকে। লেজিসলেচার, প্রশাসন এবং বিচার বিভাগের চেয়েও পশ্চিমের এই শক্তিশালী মিডিয়াকে তিনি নিজ দেশের চরম স্বৈরতন্ত্রী স্ট্যালিনের তুলনায় অধিক ভয়ঙ্কর ডিক্টেটর হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
গুলাগ আরকিপেলাগো ও ফাস্ট সার্কেলের স্রষ্টা এই ঔপন্যাসিক তখন প্রশ্ন করেছিলেন : পশ্চিমা সাংবাদিকটি কোন আইনের বলে নির্বাচিত হন, তিনি কার কাছে দায়বদ্ধ, কে তাকে ক্ষমতা দান করে, কতটুকু অধিকারসহ এবং কত সময়ের জন্য!
সোলঝেনিিসন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, যদি এই সাংবাদিক নামের বিশেষ মানুষটির ক্ষমতার উত্স হয় পশ্চিমের ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা প্রভৃতি বস্তু; তাহলে আসল সত্যটা হলো পশ্চিমা সাংবাদিকের আর যা কিছু থাকুক স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। পশ্চিমা মাস মিডিয়া মানে চলতি ফ্যাশন, উঠতি হুজুগ এবং ব্যবসায়িক চাহিদার দাসানুদাস। সেখানকার কর্পোরেট পুঁজিপতিরা সবরকমের মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের রুচি, গরজ ও মুনাফার প্রয়োজনে এসব গণমাধ্যম গণচাহিদার সৃষ্টি করে। একটা কথা বোঝা দরকার, পশ্চিমে মিডিয়ার স্বাধীনতা কথাটা সেখানকার পুঁজিপতিদের বাণিজ্যিক ও মতাদর্শিক স্বার্থকে রক্ষা করেই কার্যকর হয়।
পশ্চিমের আর একজন পণ্ডিত নোয়াম চমস্কি তার গধহঁভধপঃঁত্রহম ঈড়হংবহঃ বইতেও সেখানকার মিডিয়াকে স্রেফ মুনাফানির্ভর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার কথা হচ্ছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সেখানকার বড় বড় পুঁজিপতিরা নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর দ্বারা তারা বিপুল পরিমাণ মুনাফা হাতিয়ে নেয়। তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে তাই এসব গণমাধ্যম যথার্থতা রাখতে পারে না। তথ্যের ধরন, গুণাগুণ, পরিবেশন কৌশল সবটাই মুনাফার প্রয়োজন অনুসারে নির্ধারিত হয় এবং তাতে জনস্বার্থ বিপন্ন হয়। ফলে যারা তথ্যের ক্ষেত্রে যথার্থতা রাখতে চায় তারা এসব কর্পোরেট টাইকুনদের সামনে টিকে থাকতে পারে না। এর ফল হচ্ছে, গণমতের প্রতিনিধিত্বকারী বলে পরিচিত এসব গণমাধ্যমে জনমত উচ্চারিত হয় না। বরং বিশেষ কায়দা ও কৌশলে এসব তথাকথিত গণকণ্ঠ থেকে উচ্চারিত মতামতই জনমত হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রকৃত জনমত রুদ্ধ হয়ে যায়, উচ্চারিত ও প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। যোগ্য ব্যক্তি তার যোগ্যতা অনুযায়ী সমাজে ভূমিকা রাখতে পারে না। কারণ সমাজ রূপান্তরের সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও মিডিয়া তাকে স্থান দেয় না। এই কারণে দেশও তাকে শুনতে পায় না। তার পণ্যটি মূল্যবান হলেও মিডিয়া সামাজিক, বাণিজ্যিক ও মতাদর্শিক স্বার্থে যে গণচাহিদার সৃষ্টি করে, সেই খাদ্য তালিকায় তার পণ্যটির কোনো বিক্রয়মূল্য থাকে না। জনমতের ভান ধরে মিডিয়া প্রকৃতপক্ষে জনমতকে বিভ্রান্ত করে। সে খুনিকে বানায় নায়ক, নায়ককে বানায় খুনি। প্রচার মাধ্যমই নির্ধারণ করে দেয় কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ। পণ্যের অন্তর্গত বৈশিষ্ট্যটি হয়ে পড়ে মূল্যহীন। আপনার-আমার প্রয়োজন আমি বা আপনি নির্ধারণ করতে পারি না। ওটা মিডিয়াই করে দেয়। তেমনি কে গায়ক, কে নায়ক, কে লেখক, কে নেতা, কে বরণীয়, কে উপেক্ষণীয়—তাও ঠিক করে দিচ্ছে গণমাধ্যম নামক ভয়ানক বস্তুটি। আপনাকে কেবল ডাক্তারের পরমার্শ মতো চোখ বুজে ওষুধ খেতে হবে এবং মন্ত্রজ্ঞানে নিদানগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে হবে।
মিডিয়ার এই মাজেজার কারণ হলো প্রযুক্তির অসাধারণ বিকাশ। এই প্রযুক্তির ওপর ভর করে পুরো পাশ্চাত্য সভ্যতা (তাদের অনুকরণে আমরাও) এখন পণ্যভোজী সমাজ থেকে তথ্যভোজী সামজে পরিণত হয়েছে। তথ্যভোজনও এক ধরনের ভোজন—যেমন বিনোদন, কালক্ষেপণ ইত্যাদি। পাঠ মাধ্যম শ্রুতি মাধ্যমের (Textual and Audio Media) চেয়ে এখন দৃষ্টি মাধ্যম (Visual Media) বহুগুণে শক্তিশালী।
ডিশ অ্যান্টিনার কল্যাণে এখন বেশুমার টিভি চ্যানেল, কেবল টিভি, ভিসিপি, ভিসিআর ইত্যাদি ছাড়াও আরও কত কী আমাদের স্নায়ুকে অষ্টপ্রহর উত্তেজিত করে চলেছে। এসব তথাকথিত মাসমিডিয়া নামের ঝুড়িতে আছে কমিক স্ট্রিপ, সোপ অপেরা, ওয়েস্টার্ন, মালটিমিডিয়া সমর্থিত লাভ সং আর হরর মুভি। এসব দেখতে দেখতে এখন পশ্চিমা মানুষের মতো আমাদের এখানকার কারও কারও অবস্থা ফাঁপা বেলুনে পরিণত হয়েছে। ব্যক্তিস্বাধীনতার অবাধ চর্চার ঠেলায় এখন সমাজই রীতিমত অসহায়। মানবাধিকার চর্চার শেষ নেই। অথচ মানবিক মূল্যবোধ বলে যা কিছু তা কিন্তু উবে যাচ্ছে। পুঁজিতান্ত্রিক শিল্প সভ্যতা তাদের মাসমিডিয়া নামক শিল্প-কারখানায় যেসব গল্প, কাহিনী, অপেরা, সিনেমা, নাটক, থিয়েটার তৈরি করে; তাই কিন্তু একালের মানুষের মন-মনন-বুদ্ধিমত্তার প্রাথমিক বুনিয়াদ তৈরি করে। এসব কিছুর গণসম্প্রচার একালের নৈতিক দারিদ্র্য, লঘু চরিত্র ও আত্মস্বার্থপরতার জন্য দায়ী। এসব বিনোদনের নামে চালু মাস প্রডাক্টগুলো কিন্তু এক ধরনের গোপন দীক্ষাদান কর্মসূচিও বটে। কমিক স্ট্রিপ, টিভি মুভি, ম্যাগাজিন, ভিসিপি, ভিসিআর, কম্পিউটার গেমস প্রভৃতি শুধু বাইরে থেকে অভিনব ফ্যাশন, সহিংসতা, যৌন উদ্ভাবনই শেখাচ্ছে না—এর মাধ্যমে শেখাচ্ছে গভীরতর বিষয়। যেমন—কীভাবে অতীত ইতিহাসকে হারিয়ে ফেলতে হয়, কীভাবে ভবিষ্যেক দাবিয়ে রাখতে হয়, কীভাবে বর্তমানটাকেই মানিয়ে নিতে হয় আর কীভাবে বিদ্রোহ-বিপ্লবের কথা না বলে সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী কায়েমি স্বার্থের সেবায় জনগণের স্থিতিবস্থাটা অক্ষুণ্ন রাখতে হয়। সাম্রাজ্যবাদীদের মাস মিডিয়া নামের ভয়ানক যন্ত্রটির কলাকৌশলে এখন মুসলিম দুনিয়া তথা অপশ্চিমা জগতের মানুষদের অবস্থা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, তারা তাদের সুপ্রাচীন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উন্নততর জীবনবোধকে জলাঞ্জলি দিয়ে পশ্চিমানুসারী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে উঠেছে। এই আত্মঘাতী প্রক্রিয়াটি অনুকরণ ছাড়া মাস মিডিয়া আমাদের বোঝাতে সমর্থ হয়েছে, আমরা সাবালক হয়ে উঠতে পারব না। এই প্রক্রিয়ায় অলক্ষ্যে পুঁজিতান্ত্রিক শিল্প সভ্যতাও এক গুরুতর সঙ্কটের মধ্যে পড়ে গেছে। একদিকে পশ্চিমা নাগরিকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা আর কনজুমারিজমের সীমাহীন উচ্চতায় আরোহণ করেছে; অন্যদিকে অপুঁজিবাদী দুনিয়ার মানুষেরা নিছক অনুকরণের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে। কিন্তু এসবের সর্বগ্রাসী পশ্চাদ্ধাবন মানুষকে ভুলিয়ে দিয়েছে তার আত্মিক ও নৈতিক উন্নতির প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি। সে ভুলে যাচ্ছে উচ্চতর মূল্যবোধ, আত্মত্যাগ ও বিশ্বাসের শক্তির কথাটা। এই আত্মঘাতী আত্মসর্বস্বতা পশ্চিমের মানুষকে পরিণত করেছে স্রেফ ত্বকে ঢাকা মাংসসর্বস্ব একটি দেহপিণ্ডে। সেজন্যই গণতন্ত্র ও সভ্যতার রাজধানী বলে কথিত পশ্চিমা জগতে অল্প সময়ের জন্য বাইরের আলো না থাকলে ভেতরের অন্ধকারের দাপাদাপিতে মুহূর্তের মধ্যে লুটতরাজ, খুন-জখম, নারী ধর্ষণের মতো তাণ্ডবলীলায় যে দোজখের আজাব নেমে আসে তাতেই প্রমাণ হয়, ‘সমৃদ্ধতম’ ও ‘আলোকিত’ এ সভ্যতার মানুষ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতেও জরাজীর্ণ।
পশ্চিমা সভ্যতার সমস্যাটা তাহলে কোথায়? সেটা সোলঝেনিিসন তার বক্তৃতায় ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার মতে, রেনেসাঁ ও শিল্প বিপ্লবের যে ইউরোপীয় ঘটনা; তা-ই সেখানকার মানুষকে আত্মাহীন দেহচর্চায় ডুবিয়ে দিয়েছে। উচ্চতর কোনো মূল্যবোধের কাছে কোনো জবাবদিহিতা না থাকায় তারা মনে করেছে, দেহসর্বস্ব মানুষটি হচ্ছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাদের সেবায় গোটা দুনিয়ার সবকিছুই নতজানু হয়ে থাকবে।
সোলঝেনিিসন প্রশ্ন করেছেন : এ জগতে মানুষ যদি সুখের জন্যই জন্মে তাহলে সে মরে কেন? অন্তত পশ্চিমের মানুষেরা, সুখ যার ক্রমবর্ধমান, প্রাচুর্য যার ফল্গুধারার মতো প্রবাহমান?
২.
পশ্চিমের মানুষেরা নিজের বোধ-বুদ্ধিকে জলাঞ্জলি দিয়ে প্রচারযন্ত্রের নাচের পুতুলে পরিণত হয়েছে। প্রচারযন্ত্রের প্রচারণার নিরিখেই তারা জীবনের সবকিছু মাপতে চায়, তারা বুঝতে চায় কে কতখানি উন্নত বা অনুন্নত। প্রচারযন্ত্রই সাম্রাজ্যিক স্বার্থে তাদের মাথায় ঢুকিয়ে রেখেছে, অপশ্চিমা বিশ্বের মানুষেরা নিজেদের ভালোমন্দ বুঝতে পারে না। সুতরাং এদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে পশ্চিমের উন্নত মানুষদের সহায়তা জরুরি।
একটু উদাহরণ দেয়া যাক : চিলিতে সালভেদর আলেন্দের জনপ্রিয় সরকার ক্ষমতায় আসার পর বহুজাতিক কোম্পানি ও তার পাহারাদার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাথা খারাপ হয়ে যায় এবং আলেন্দের সরকারকে উত্খাতের জন্য তারা সর্বস্ব পণ করে। চিলিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের সপক্ষে নিক্সন সরকারের ভূমিকাকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির তত্কালীন ‘গুডবয়’ হেনরি কিসিঞ্জারের উক্তিটি ‘কিংবদন্তি’ হয়ে আছে :
I Do not see why need to stand by and watch a country go communist due to the irresponsibility of its own people.
এরপর ১৯৭০ থেকে ’৭৩ পর্যন্ত চিলিতে যা ঘটেছে তা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ছক অনুযায়ী। আলেন্দে সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এক মিডিয়াযুদ্ধ শুরু করে এবং সেই অপপ্রচারের তোড়ে আলেন্দে সরকার উত্খাতের জন্য চিলির মানুষের মনোগঠন সম্পন্ন হয়। শেষ পর্যন্ত মিলিটারি ক্যু’র মাধ্যমে আলেন্দে সরকারের অপমৃত্যু ঘটে। সমস্ত প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে যুক্ত হয়েছিল বহুজাতিক পুঁজির অধিপতিরা, যারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পক্ষে সাংস্কৃতিক ও মিডিয়ার যন্ত্রগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। ক্যু পৃথিবীর কোথাও বিদেশি স্বার্থ ও এলিট শ্রেণীর স্বার্থের নামে হয় না। তা হয়ে থাকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম, ঐতিহ্য, জাতিসত্তা এমনকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদের স্লোগান দিয়ে। এরকম উদাহরণ আমাদের দেশেও আছে। চিলিতেও সেরকম ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, আলেন্দের লোকজন কমিউনিজমের নামে দেশটিকে এক অপসংস্কৃতির দিকে নিয়ে গেছে। বিশেষ করে আলেন্দের দল ক্ষমতায় থাকলে প্রথমে দেশে ঘটবে গৃহদাহ, রক্তস্নান, তারপর দেশটির সুপ্রাচীন সভ্যতারই বিনাশ ঘটে যাবে। এ অবস্থায় চিলির গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষা করতে মিলিটারি ক্যু’র কোনো বিকল্প আছে কি? এই প্রক্রিয়ায় যখন ক্যু ঘটেই যায় তখন সেটিকে কেউ প্রতিবিপ্লব বা মার্কিনি ষড়যন্ত্র বলবে না। সবাই মনে করবে, এ ধরনের ঘটনা অবধারিতই ছিল কিংবা এ হচ্ছে প্রকৃতির প্রতিশোধ! আমাদের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি এমন কিছু সাম্প্রতিক ঘটনা হচ্ছে ইরাক ও আফগানিস্তান। সাদ্দামকে খলনায়ক নির্মাণের আগে গণমারণাস্ত্র ভাণ্ডারের গল্পকাহিনী নিয়ে বুশ-ব্লেয়ার ও তাদের অনুগত মিডিয়া যেভাবে লাফিয়ে বেড়িয়েছে, তা পৃথিবীর মানুষ দেখেছে। গণধ্বংসের অস্ত্র জমা করার জন্য সাদ্দামের ইরাক বিপজ্জনক রাষ্ট্র হয়ে ওঠার গল্পটা যে কতখানি অন্তঃসারশুন্য তা এতদিনে সবাই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। ওটা যে আগাগোড়াই মিথ্যা প্রচার ছিল, ইরাক আগ্রাসনের ছল বা অজুহাত ছিল—সেসব কথা আজ দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। অথচ এই গল্পকাহিনীই আমাদের পশ্চিমা মিডিয়া বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছে। আবার কমিউনিস্ট শয়তানদের সাম্রাজ্য থেকে মুক্তি দেয়ার পর ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীদের মূর্খের স্বর্গটিকে রসাতলে পাঠিয়ে এ বিশ্বকে আমেরিকার শিশুদের বাসযোগ্য করে তোলার অঙ্গীকার পালন চলছে, চলবে। এখানেও সাম্রাজ্যবাদীদের মিডিয়ার ‘কর্তব্যপরায়ণতা’য় কোনো ভুল নেই।
স্পেকটার অব কমিউনিজমের পর পশ্চিমা মিডিয়া স্পেকটার অব ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছে। নোয়াম চমস্কি ঠিকই বলেছেন। কমিউনিজমের পর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আড়ালে ইসলামবিরোধিতাকে পশ্চিমা জগত আজ জাতীয় ধর্মে পরিণত করে ফেলেছে। স্বাভাবিকভাবেই পশ্চিমের প্রযুক্তি শাসিত শক্তিশালী মিডিয়া পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদের একান্ত অনুগত খেদমতগার হিসেবে ইসলামকেই এই মুহূর্তে তার বড় শত্রু হিসেবে নিশানা করেছে।
কমিউনিজমের পতনের পর ইসলামকে এই নিশানা করা কেন? কারণ এটি একটি সুগঠিত মতাদর্শ। এটি কর্পোরেট পুঁজিকে সমর্থন করে না। সমর্থন করে না বাজার অর্থনীতি, বিশ্বায়নের নামে নতুন কালের অর্থনৈতিক শোষণের দাপাদাপি। পশ্চিমের অবাধ কনজুমারিজম, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবা
অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ নামক ভিন্ন সংস্করণে যদিও আধিপত্য আরোপিত হয় অর্থনীতির সূত্রে, তথাপি এটি সামরিক সহায়তা ছাড়া সচরাচর টিকতে পারে না। আজকে কর্পোরেট পুঁজির বহুজাতিক সাম্রাজ্যবাদকে নিরাপদ রাখতে দেশে দেশে কীভাবে মার্কিন বাহিনী হামলে পড়েছে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাম্রাজ্যবাদের সূক্ষ্ম রূপটি হচ্ছে সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ। দুটোই পরস্পরের অনুঘটক। এই প্রক্রিয়ায় পূর্বতন মডেলগুলোর অস্বস্তিকর পরিস্থিতিগুলোর গুণগত উন্নতি ঘটিয়ে সাম্রাজ্যবাদীরা স্বস্তির সঙ্গে পররাজ্য লুণ্ঠন ও শোষণের ক্ষেত্র তৈরি করে। সাংস্কৃতিক মডেলটিতে সাংস্কৃতিক দীক্ষার মাধ্যমে একদল সুবিধাভোগী শ্রেণীকে সাঙ্গাত বানানো হয় এবং তাদের হাতে পোশাকি স্বাধীনতাটুকু ন্যস্ত করে সাম্রাজ্যবাদীরা স্বীয় রাষ্ট্রে বসে কলকাঠি নাড়ে। মেকলের ভাষায়, ‘কালা সাহেব’রূপী এই সুবিধাভোগী শ্রেণী সাম্রাজ্যবাদীদের সঙ্গে অভিন্ন রুচি ও সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ। এরাই সাম্রাজ্যবাদের সব রকমের স্বার্থ দেখভাল করে।
এই প্রক্রিয়াটি স্থায়ী করার জন্য এবং উপনিবেশিত জনগণ যাতে তার আপন সাংস্কৃতিক সত্তাটি খুঁজে না পায় সেজন্যই প্রবর্তিত হয়েছে মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ। এটি উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন রকম গণপ্রচার মাধ্যমের সাহায্যে বিভ্রান্তি, আকথা-কুকথা ছড়িয়ে উপনিবেশিত জনগণের মনকে আচ্ছন্ন করে রাখে এবং নানা রকম মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফেরমেশন সৃষ্টি করে এক ধূম্রজাল তৈরি করে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে উপনিবেশিত জনগণকে এমনভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা যাতে সে আত্মআবিষ্কারের সুযোগে সাম্রাজ্যবাদীদের মুখাপেক্ষিতার জাল কেটে বেরিয়ে না আসতে পারে। আগের দিনের সাম্রাজ্যবাদীরা প্রচার করত ডযরঃব গবহ্থং ইঁত্ফবহ-সাদা মানুষের দায়। মানে সাম্রাজ্যবাদীরা হতভাগ্য জাতিটিকে বড়ই দয়াপরবশ হয়ে তার অসভ্যতার অন্ধকার থেকে রাষ্ট্রের সভ্যতার আলোতে উঠিয়ে আনার চেষ্টা করছে। সেজন্য সাম্রাজ্যবাদ দরকার, কারণ এটি এক মহতী মিশন অর্জনের চেষ্টা করছে। এখন সাম্রাজ্যবাদীরা বলছে ফ্রিডম, ডেমোক্রেসির কথা। এর জন্য ইরাকে, আফগানিস্তানে খুন-গণহত্যা সব জায়েজ হয়ে গেছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মুক্তির সংগ্রামে নেটিভদের একটু রক্তপাত তো হবেই।
উপরোক্ত পটভূমিতে মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদকে আমাদের বুঝতে হবে, যার কাজ হচ্ছে গণবশীকরণ। সোভিয়েত ঔপন্যাসিক আলেক্সান্ডার সোলঝেনিিসন পশ্চিমে নির্বাসিত জীবনে থাকার সময় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সেই বক্তৃতাটি পরে হার্ভার্ড ম্যাগাজিনে The Exhausted West শিরোনামে বেরিয়েছিল। এখানে তিনি সভ্যতার ভেকধারী পশ্চিমা বিশ্বের উদ্দেশে কিছু অসাধারণ কথা বলেছিলেন। সবকিছুর মধ্যে সোলঝেনিিসন সেখানকার সবচেয়ে শক্তিধর ও ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন পশ্চিমের স্বাধীনতার চরম অসদ্ব্যবহারকারী মিডিয়া নামের দৈত্যটিকে। লেজিসলেচার, প্রশাসন এবং বিচার বিভাগের চেয়েও পশ্চিমের এই শক্তিশালী মিডিয়াকে তিনি নিজ দেশের চরম স্বৈরতন্ত্রী স্ট্যালিনের তুলনায় অধিক ভয়ঙ্কর ডিক্টেটর হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
গুলাগ আরকিপেলাগো ও ফাস্ট সার্কেলের স্রষ্টা এই ঔপন্যাসিক তখন প্রশ্ন করেছিলেন : পশ্চিমা সাংবাদিকটি কোন আইনের বলে নির্বাচিত হন, তিনি কার কাছে দায়বদ্ধ, কে তাকে ক্ষমতা দান করে, কতটুকু অধিকারসহ এবং কত সময়ের জন্য!
সোলঝেনিিসন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, যদি এই সাংবাদিক নামের বিশেষ মানুষটির ক্ষমতার উত্স হয় পশ্চিমের ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা প্রভৃতি বস্তু; তাহলে আসল সত্যটা হলো পশ্চিমা সাংবাদিকের আর যা কিছু থাকুক স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। পশ্চিমা মাস মিডিয়া মানে চলতি ফ্যাশন, উঠতি হুজুগ এবং ব্যবসায়িক চাহিদার দাসানুদাস। সেখানকার কর্পোরেট পুঁজিপতিরা সবরকমের মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের রুচি, গরজ ও মুনাফার প্রয়োজনে এসব গণমাধ্যম গণচাহিদার সৃষ্টি করে। একটা কথা বোঝা দরকার, পশ্চিমে মিডিয়ার স্বাধীনতা কথাটা সেখানকার পুঁজিপতিদের বাণিজ্যিক ও মতাদর্শিক স্বার্থকে রক্ষা করেই কার্যকর হয়।
পশ্চিমের আর একজন পণ্ডিত নোয়াম চমস্কি তার গধহঁভধপঃঁত্রহম ঈড়হংবহঃ বইতেও সেখানকার মিডিয়াকে স্রেফ মুনাফানির্ভর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার কথা হচ্ছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সেখানকার বড় বড় পুঁজিপতিরা নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর দ্বারা তারা বিপুল পরিমাণ মুনাফা হাতিয়ে নেয়। তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে তাই এসব গণমাধ্যম যথার্থতা রাখতে পারে না। তথ্যের ধরন, গুণাগুণ, পরিবেশন কৌশল সবটাই মুনাফার প্রয়োজন অনুসারে নির্ধারিত হয় এবং তাতে জনস্বার্থ বিপন্ন হয়। ফলে যারা তথ্যের ক্ষেত্রে যথার্থতা রাখতে চায় তারা এসব কর্পোরেট টাইকুনদের সামনে টিকে থাকতে পারে না। এর ফল হচ্ছে, গণমতের প্রতিনিধিত্বকারী বলে পরিচিত এসব গণমাধ্যমে জনমত উচ্চারিত হয় না। বরং বিশেষ কায়দা ও কৌশলে এসব তথাকথিত গণকণ্ঠ থেকে উচ্চারিত মতামতই জনমত হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রকৃত জনমত রুদ্ধ হয়ে যায়, উচ্চারিত ও প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। যোগ্য ব্যক্তি তার যোগ্যতা অনুযায়ী সমাজে ভূমিকা রাখতে পারে না। কারণ সমাজ রূপান্তরের সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও মিডিয়া তাকে স্থান দেয় না। এই কারণে দেশও তাকে শুনতে পায় না। তার পণ্যটি মূল্যবান হলেও মিডিয়া সামাজিক, বাণিজ্যিক ও মতাদর্শিক স্বার্থে যে গণচাহিদার সৃষ্টি করে, সেই খাদ্য তালিকায় তার পণ্যটির কোনো বিক্রয়মূল্য থাকে না। জনমতের ভান ধরে মিডিয়া প্রকৃতপক্ষে জনমতকে বিভ্রান্ত করে। সে খুনিকে বানায় নায়ক, নায়ককে বানায় খুনি। প্রচার মাধ্যমই নির্ধারণ করে দেয় কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ। পণ্যের অন্তর্গত বৈশিষ্ট্যটি হয়ে পড়ে মূল্যহীন। আপনার-আমার প্রয়োজন আমি বা আপনি নির্ধারণ করতে পারি না। ওটা মিডিয়াই করে দেয়। তেমনি কে গায়ক, কে নায়ক, কে লেখক, কে নেতা, কে বরণীয়, কে উপেক্ষণীয়—তাও ঠিক করে দিচ্ছে গণমাধ্যম নামক ভয়ানক বস্তুটি। আপনাকে কেবল ডাক্তারের পরমার্শ মতো চোখ বুজে ওষুধ খেতে হবে এবং মন্ত্রজ্ঞানে নিদানগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে হবে।
মিডিয়ার এই মাজেজার কারণ হলো প্রযুক্তির অসাধারণ বিকাশ। এই প্রযুক্তির ওপর ভর করে পুরো পাশ্চাত্য সভ্যতা (তাদের অনুকরণে আমরাও) এখন পণ্যভোজী সমাজ থেকে তথ্যভোজী সামজে পরিণত হয়েছে। তথ্যভোজনও এক ধরনের ভোজন—যেমন বিনোদন, কালক্ষেপণ ইত্যাদি। পাঠ মাধ্যম শ্রুতি মাধ্যমের (Textual and Audio Media) চেয়ে এখন দৃষ্টি মাধ্যম (Visual Media) বহুগুণে শক্তিশালী।
ডিশ অ্যান্টিনার কল্যাণে এখন বেশুমার টিভি চ্যানেল, কেবল টিভি, ভিসিপি, ভিসিআর ইত্যাদি ছাড়াও আরও কত কী আমাদের স্নায়ুকে অষ্টপ্রহর উত্তেজিত করে চলেছে। এসব তথাকথিত মাসমিডিয়া নামের ঝুড়িতে আছে কমিক স্ট্রিপ, সোপ অপেরা, ওয়েস্টার্ন, মালটিমিডিয়া সমর্থিত লাভ সং আর হরর মুভি। এসব দেখতে দেখতে এখন পশ্চিমা মানুষের মতো আমাদের এখানকার কারও কারও অবস্থা ফাঁপা বেলুনে পরিণত হয়েছে। ব্যক্তিস্বাধীনতার অবাধ চর্চার ঠেলায় এখন সমাজই রীতিমত অসহায়। মানবাধিকার চর্চার শেষ নেই। অথচ মানবিক মূল্যবোধ বলে যা কিছু তা কিন্তু উবে যাচ্ছে। পুঁজিতান্ত্রিক শিল্প সভ্যতা তাদের মাসমিডিয়া নামক শিল্প-কারখানায় যেসব গল্প, কাহিনী, অপেরা, সিনেমা, নাটক, থিয়েটার তৈরি করে; তাই কিন্তু একালের মানুষের মন-মনন-বুদ্ধিমত্তার প্রাথমিক বুনিয়াদ তৈরি করে। এসব কিছুর গণসম্প্রচার একালের নৈতিক দারিদ্র্য, লঘু চরিত্র ও আত্মস্বার্থপরতার জন্য দায়ী। এসব বিনোদনের নামে চালু মাস প্রডাক্টগুলো কিন্তু এক ধরনের গোপন দীক্ষাদান কর্মসূচিও বটে। কমিক স্ট্রিপ, টিভি মুভি, ম্যাগাজিন, ভিসিপি, ভিসিআর, কম্পিউটার গেমস প্রভৃতি শুধু বাইরে থেকে অভিনব ফ্যাশন, সহিংসতা, যৌন উদ্ভাবনই শেখাচ্ছে না—এর মাধ্যমে শেখাচ্ছে গভীরতর বিষয়। যেমন—কীভাবে অতীত ইতিহাসকে হারিয়ে ফেলতে হয়, কীভাবে ভবিষ্যেক দাবিয়ে রাখতে হয়, কীভাবে বর্তমানটাকেই মানিয়ে নিতে হয় আর কীভাবে বিদ্রোহ-বিপ্লবের কথা না বলে সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী কায়েমি স্বার্থের সেবায় জনগণের স্থিতিবস্থাটা অক্ষুণ্ন রাখতে হয়। সাম্রাজ্যবাদীদের মাস মিডিয়া নামের ভয়ানক যন্ত্রটির কলাকৌশলে এখন মুসলিম দুনিয়া তথা অপশ্চিমা জগতের মানুষদের অবস্থা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, তারা তাদের সুপ্রাচীন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উন্নততর জীবনবোধকে জলাঞ্জলি দিয়ে পশ্চিমানুসারী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে উঠেছে। এই আত্মঘাতী প্রক্রিয়াটি অনুকরণ ছাড়া মাস মিডিয়া আমাদের বোঝাতে সমর্থ হয়েছে, আমরা সাবালক হয়ে উঠতে পারব না। এই প্রক্রিয়ায় অলক্ষ্যে পুঁজিতান্ত্রিক শিল্প সভ্যতাও এক গুরুতর সঙ্কটের মধ্যে পড়ে গেছে। একদিকে পশ্চিমা নাগরিকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা আর কনজুমারিজমের সীমাহীন উচ্চতায় আরোহণ করেছে; অন্যদিকে অপুঁজিবাদী দুনিয়ার মানুষেরা নিছক অনুকরণের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে। কিন্তু এসবের সর্বগ্রাসী পশ্চাদ্ধাবন মানুষকে ভুলিয়ে দিয়েছে তার আত্মিক ও নৈতিক উন্নতির প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি। সে ভুলে যাচ্ছে উচ্চতর মূল্যবোধ, আত্মত্যাগ ও বিশ্বাসের শক্তির কথাটা। এই আত্মঘাতী আত্মসর্বস্বতা পশ্চিমের মানুষকে পরিণত করেছে স্রেফ ত্বকে ঢাকা মাংসসর্বস্ব একটি দেহপিণ্ডে। সেজন্যই গণতন্ত্র ও সভ্যতার রাজধানী বলে কথিত পশ্চিমা জগতে অল্প সময়ের জন্য বাইরের আলো না থাকলে ভেতরের অন্ধকারের দাপাদাপিতে মুহূর্তের মধ্যে লুটতরাজ, খুন-জখম, নারী ধর্ষণের মতো তাণ্ডবলীলায় যে দোজখের আজাব নেমে আসে তাতেই প্রমাণ হয়, ‘সমৃদ্ধতম’ ও ‘আলোকিত’ এ সভ্যতার মানুষ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতেও জরাজীর্ণ।
পশ্চিমা সভ্যতার সমস্যাটা তাহলে কোথায়? সেটা সোলঝেনিিসন তার বক্তৃতায় ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার মতে, রেনেসাঁ ও শিল্প বিপ্লবের যে ইউরোপীয় ঘটনা; তা-ই সেখানকার মানুষকে আত্মাহীন দেহচর্চায় ডুবিয়ে দিয়েছে। উচ্চতর কোনো মূল্যবোধের কাছে কোনো জবাবদিহিতা না থাকায় তারা মনে করেছে, দেহসর্বস্ব মানুষটি হচ্ছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাদের সেবায় গোটা দুনিয়ার সবকিছুই নতজানু হয়ে থাকবে।
সোলঝেনিিসন প্রশ্ন করেছেন : এ জগতে মানুষ যদি সুখের জন্যই জন্মে তাহলে সে মরে কেন? অন্তত পশ্চিমের মানুষেরা, সুখ যার ক্রমবর্ধমান, প্রাচুর্য যার ফল্গুধারার মতো প্রবাহমান?
২.
পশ্চিমের মানুষেরা নিজের বোধ-বুদ্ধিকে জলাঞ্জলি দিয়ে প্রচারযন্ত্রের নাচের পুতুলে পরিণত হয়েছে। প্রচারযন্ত্রের প্রচারণার নিরিখেই তারা জীবনের সবকিছু মাপতে চায়, তারা বুঝতে চায় কে কতখানি উন্নত বা অনুন্নত। প্রচারযন্ত্রই সাম্রাজ্যিক স্বার্থে তাদের মাথায় ঢুকিয়ে রেখেছে, অপশ্চিমা বিশ্বের মানুষেরা নিজেদের ভালোমন্দ বুঝতে পারে না। সুতরাং এদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে পশ্চিমের উন্নত মানুষদের সহায়তা জরুরি।
একটু উদাহরণ দেয়া যাক : চিলিতে সালভেদর আলেন্দের জনপ্রিয় সরকার ক্ষমতায় আসার পর বহুজাতিক কোম্পানি ও তার পাহারাদার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাথা খারাপ হয়ে যায় এবং আলেন্দের সরকারকে উত্খাতের জন্য তারা সর্বস্ব পণ করে। চিলিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের সপক্ষে নিক্সন সরকারের ভূমিকাকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির তত্কালীন ‘গুডবয়’ হেনরি কিসিঞ্জারের উক্তিটি ‘কিংবদন্তি’ হয়ে আছে :
I Do not see why need to stand by and watch a country go communist due to the irresponsibility of its own people.
এরপর ১৯৭০ থেকে ’৭৩ পর্যন্ত চিলিতে যা ঘটেছে তা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ছক অনুযায়ী। আলেন্দে সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এক মিডিয়াযুদ্ধ শুরু করে এবং সেই অপপ্রচারের তোড়ে আলেন্দে সরকার উত্খাতের জন্য চিলির মানুষের মনোগঠন সম্পন্ন হয়। শেষ পর্যন্ত মিলিটারি ক্যু’র মাধ্যমে আলেন্দে সরকারের অপমৃত্যু ঘটে। সমস্ত প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে যুক্ত হয়েছিল বহুজাতিক পুঁজির অধিপতিরা, যারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পক্ষে সাংস্কৃতিক ও মিডিয়ার যন্ত্রগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। ক্যু পৃথিবীর কোথাও বিদেশি স্বার্থ ও এলিট শ্রেণীর স্বার্থের নামে হয় না। তা হয়ে থাকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম, ঐতিহ্য, জাতিসত্তা এমনকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদের স্লোগান দিয়ে। এরকম উদাহরণ আমাদের দেশেও আছে। চিলিতেও সেরকম ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, আলেন্দের লোকজন কমিউনিজমের নামে দেশটিকে এক অপসংস্কৃতির দিকে নিয়ে গেছে। বিশেষ করে আলেন্দের দল ক্ষমতায় থাকলে প্রথমে দেশে ঘটবে গৃহদাহ, রক্তস্নান, তারপর দেশটির সুপ্রাচীন সভ্যতারই বিনাশ ঘটে যাবে। এ অবস্থায় চিলির গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষা করতে মিলিটারি ক্যু’র কোনো বিকল্প আছে কি? এই প্রক্রিয়ায় যখন ক্যু ঘটেই যায় তখন সেটিকে কেউ প্রতিবিপ্লব বা মার্কিনি ষড়যন্ত্র বলবে না। সবাই মনে করবে, এ ধরনের ঘটনা অবধারিতই ছিল কিংবা এ হচ্ছে প্রকৃতির প্রতিশোধ! আমাদের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি এমন কিছু সাম্প্রতিক ঘটনা হচ্ছে ইরাক ও আফগানিস্তান। সাদ্দামকে খলনায়ক নির্মাণের আগে গণমারণাস্ত্র ভাণ্ডারের গল্পকাহিনী নিয়ে বুশ-ব্লেয়ার ও তাদের অনুগত মিডিয়া যেভাবে লাফিয়ে বেড়িয়েছে, তা পৃথিবীর মানুষ দেখেছে। গণধ্বংসের অস্ত্র জমা করার জন্য সাদ্দামের ইরাক বিপজ্জনক রাষ্ট্র হয়ে ওঠার গল্পটা যে কতখানি অন্তঃসারশুন্য তা এতদিনে সবাই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। ওটা যে আগাগোড়াই মিথ্যা প্রচার ছিল, ইরাক আগ্রাসনের ছল বা অজুহাত ছিল—সেসব কথা আজ দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। অথচ এই গল্পকাহিনীই আমাদের পশ্চিমা মিডিয়া বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছে। আবার কমিউনিস্ট শয়তানদের সাম্রাজ্য থেকে মুক্তি দেয়ার পর ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীদের মূর্খের স্বর্গটিকে রসাতলে পাঠিয়ে এ বিশ্বকে আমেরিকার শিশুদের বাসযোগ্য করে তোলার অঙ্গীকার পালন চলছে, চলবে। এখানেও সাম্রাজ্যবাদীদের মিডিয়ার ‘কর্তব্যপরায়ণতা’য় কোনো ভুল নেই।
স্পেকটার অব কমিউনিজমের পর পশ্চিমা মিডিয়া স্পেকটার অব ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছে। নোয়াম চমস্কি ঠিকই বলেছেন। কমিউনিজমের পর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আড়ালে ইসলামবিরোধিতাকে পশ্চিমা জগত আজ জাতীয় ধর্মে পরিণত করে ফেলেছে। স্বাভাবিকভাবেই পশ্চিমের প্রযুক্তি শাসিত শক্তিশালী মিডিয়া পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদের একান্ত অনুগত খেদমতগার হিসেবে ইসলামকেই এই মুহূর্তে তার বড় শত্রু হিসেবে নিশানা করেছে।
কমিউনিজমের পতনের পর ইসলামকে এই নিশানা করা কেন? কারণ এটি একটি সুগঠিত মতাদর্শ। এটি কর্পোরেট পুঁজিকে সমর্থন করে না। সমর্থন করে না বাজার অর্থনীতি, বিশ্বায়নের নামে নতুন কালের অর্থনৈতিক শোষণের দাপাদাপি। পশ্চিমের অবাধ কনজুমারিজম, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবা
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
March
(2875)
-
▼
Mar 30
(112)
- ভারত টিপাইমুখ বাঁধ দিতে চাইছে ’৭২ সাল থেকেঃ এ ব্যা...
- প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরঃ নাকের বদলে নরুণ পেলাম by ...
- সেক্টর কমান্ডারসঃ সমাধি ও সড়ক by মাহবুব তালুকদার
- রাজধানীতে বাস ডাকাতিঃ অপরাধ কমছে না কিছুতেই
- জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নেইঃ দ্বিপাক্ষিক ...
- মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদ by ফাহমিদ - উর - রহমান
- না কেউ ছিল না by আল মাহমুদ
- হিরোইন কারিনার ‘হালকাট জাওয়ানি’ by অনন্যা আশরাফ
- সেলিনার নামে ‘বয়ফ্রেন্ড’
- রা.ওয়ান অ্যানিমেটর চারুর অস্ত্রোপচার সফল
- মুকুট না থাক, ব্যান্ডানা তো আছে
- রূপকথা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার প্রোগ্রামার
- হাসিনার ভারতনীতি ও সেদিনের আওয়ামী লীগ by মনজুর আহমদ
- শতভাগ সাফল্যের দাবি প্রসঙ্গে কিছু কথা by মোহাম্মদ ...
- বিশ্বমন্দা ও প্রধানমন্ত্রীর শান্তি পদক by এম এ নোমান
- বাংলাদেশ কি কুরুক্ষেত্র by আতাউস সামাদ
- প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যাংকের তত্পরতা যথেষ্ট নয়ঃ সরকা...
- প্রবাসে কর্মরত নারীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেনঃ তাদের...
- দখলমুক্ত সৈকত চাই by মুহম্মদ নূরুল হুদা
- শহিদুলের মৃত্যু, একটি সাঁকোর গল্প ও প্রধানমন্ত্রীর...
- মার্কিন যুদ্ধ ও ভারতের আগ্রাসী নীতি by আফসানুল আলম...
- কমরেড জ্যোতি বসু স্মরণে by হায়দার আকবর খান রনো
- বিপর্যস্ত শিপিং করপোরেশনঃ হাল ধরুন শক্ত হাতে
- আজ বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতঃ দেশ ও বিশ্বজুড়ে শ...
- চীন-ভারত সম্পর্ক ও আমাদের অবস্থান by প্রকৌশলী এস এ...
- চারদিক-‘এইবার বাড়িত গেলে খালি খেলমু’ by শামসুজ্জাম...
- ভূ-রাজনীতি-কেমন হবে ওসামা-উত্তর দুনিয়া by পেপে এসক...
- ভিরাট কোহেলিকে নিজের নগ্ন ছবি উপহার দিলেন পুনম পান্ডে
- গদ্যকার্টুন-আমরা কাটিব রগ... by আনিসুল হক
- মা দিবস-‘ভালো’ মা হতে কি অধিকার হারাতে হয়? by নাসর...
- অল্পবিদ্যা-আমিনীর জয় (!) হোক by আসিফ নজরুল
- সহজিয়া কড়চা-সংবিধান সংশোধন—খুউব সাবধান by সৈয়দ আবু...
- রাজধানীতে ভবনধস-অপরিকল্পিত নগরায়ণ বন্ধ হোক
- পাহাড় আবার অশান্ত-চাই শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন
- চরাচর-সর্প দংশন by আজিজুর রহমান
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- নজরুলের সঙ্গে রাজনৈতিক আলাপ by জাহিদ হায়দার
- যেন পেরিয়ে এলেম অন্তবিহীন পথ by ডা. ওয়াহিদ নবী
- প্রকৃতিকে বাঁচাতে হয় by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
- 'নাই' করদাতা!
- সারাইখানা
- আপনি কি জানেন?-মৃত্যুদণ্ড
- বুক অব ফ্যাক্টস-অভিযান by আইজ্যাক আজিমভ
- বাজারে নতুন
- যা নিয়ে আছি-শ্রীকান্ত ও শেষের কবিতা
- রৌপ্যমুদ্রার আবিষ্কারে আমার কাঁপুনি শুরু হয়েযায়
- আমিও by সুনন্দন জওহর
- হারু মামা by আবেদীন জনী
- অঙ্ক ছড়া by নাসের মাহমুদ
- শিকু ও ইকরির রান্না রান্না খেলা
- অপ্রাপ্তি by ফাইয়াজ রহমান
- লেখালেখিতে ভাবনার চুরি by শাহনেওয়াজ বিপ্লব
- শুরু: ১২ এপ্রিল ২০১২, গ্যালারি: জলরঙ-শিল্পের মহাযজ...
- চারুশিল্প-বসন্তে অরণ্য by মোবাশ্বির আলম মজুমদার
- অক্তাবিও পাসের ভাবনায় বাংলাদেশ ও বাংলা কবিতা by রা...
- কার্যকর সংসদের বিকল্প নেই
- চারদিক-এখানে ইতিহাস থমকে দাঁড়ায় by লাবণী খন্দকার
- ধর্ম-ঐক্য ও সংহতি জাতির অন্তর্নিহিত শক্তি by মুহাম...
- অবিলম্বে কর্মবিরতির অবসান ঘটান-ডিএমসি হাসপাতালে রো...
- লোডশেডিং না কমালে জন-অসন্তোষ বাড়বে-বিদ্যুতের মূল্য...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুনাফিকরা বিপদে পড়লেই রাসুল (সা...
- 'পরিবর্তনকে অস্বীকার করা যাবে না'
- বিন লাদেন-পরবর্তী বিশ্বরাজনীতির চালচিত্র by তারেক ...
- আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস-বিলুপ্তি রোধে সচেতনত...
- রঙ্গব্যঙ্গ-ছাত্রলীগ-আতঙ্ক! by মোস্তফা কামাল
- বৃত্তের ভেতর বৃত্ত-পূর্ণিমা : একটি প্রতীক by দেবব্...
- নিরাপদ আবাস, না নিরাপত্তাহীন আবাস by এ এম এম শওকত আলী
- মোক্তাদির চৌধুরীকে শাসালেন প্রধানমন্ত্রী
- বিদ্যুতের দাম ৩০ পয়সা বাড়ল
- ৪ এপ্রিল হরতাল ডাকতে পারে বিএনপি
- ঢাবি শিক্ষকের হাত ভেঙে হাসপাতালে পাঠাল র্যাব
- কেমন আছেন উত্তরাবাসী-২-আর কত দুর্ঘটনার পর হবে ফুট ...
- শেখ হাসিনার অভিযোগ-সদস্য পদ ও বেতন ভাতার জন্য বিএন...
- ইসলামে পর্দার গুরুত্ব by মোঃ কামরুজ্জামান সোহাগ
- আল্লাহতায়ালার গুণবাচক নামগুলো by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- চীনে ইসলাম ও মুসলমান by জহির উদ্দিন বাবর
- কে নিয়েছে, কী নিয়েছে... by আসিফ আহমেদ
- উন্মুক্ত পুরনো ক্ষত by এম আবদুল হাফিজ
- নৌদুর্ঘটনা-ব্রজেন দাশের খোঁজে by আইরিন সুলতানা
- প্রতিবেশী-ভারতে ছোট দলের চাপে জেরবার বড় দল by পার্...
- ডাক বিভাগের প্যাকিং মেশিন-অদক্ষতার মাত্রা আর যেন ন...
- শিশু হত্যা-কোথায় চলেছে সমাজ?
- সাঙ্গুর নতুন কূপের গ্যাস কেনার কেউ নেই! by শিমুল ন...
- খোকার বিরুদ্ধে মামলা-দিলকুশায় বহুতল বাণিজ্যিক-ভবন ...
- পাহাড়ে 'লাদেন গ্রুপের' জমি কেনার ধুম-রহস্য খতিয়ে দ...
- বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা -জাতির ভরসা কোথায়?
- ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন-আতঙ্ক বৃদ্ধি নয়, উপযুক্ত পদক্...
- চরাচর-রমনা পার্কের বিবর্ণ চিত্র by অনিক
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৬৯)-নির্বাসনে কলকাতায় by...
- সব ক্ষেত্রে ভোটের সংখ্যা বিচার কতটা কল্যাণকর by এম...
- পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিত ও বাংলাদেশ by আবু এন এম ওয়...
- বহে কাল নিরবধি-জীবনের জন্য : চাই নদী, চাই পল্লবঘন ...
- সিলেটে ব্যবসায়ী নিজ ঘরে খুন?
- চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাষা প্রতিযোগ আজ
- বিচিন্তা সম্পাদক মিনার মাহমুদ আর নেই
- র্যাব সদস্যের মারধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আহত
- শ্রমিকদের বেতনকাঠামো ২০০৯ থেকে কার্যকর
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভ...
- সময়ের ৫ স্মার্টফোন
- বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস
- চয়ন মৌসুম-চা-পল্লিতে জীবনের জয়গান by উজ্জ্বল মেহেদী
- গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে by শ...
- ঢাকার আট অঞ্চল তপ্ত by ইফতেখার মাহমুদ
- খোলা চোখে-এক দেশ দুই ভাষা by হাসান ফেরদৌস
- প্রতিক্রিয়া-সমুদ্রসীমাবিষয়ক রায়: কতটা জয়? by ম ইনা...
- সময়চিত্র-ভারতের দালাল (!), পাকিস্তানের দালাল (!) b...
- ৪ এপ্রিল হরতাল দিতে পারে চার দল
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদন-ডেসটিনি অবৈধ ...
- স্বৈরাচারের কারাগারে আর যেতে চাননি মিনার মাহমুদ by...
- মিনার মাহমুদের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, ‘স্ত্রী বললেন আত...
- আগন্তুক
-
▼
Mar 30
(112)
-
▼
March
(2875)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment