Thursday, December 19, 2013
সমঝোতার সূত্র সন্ধান by ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী
সমঝোতার সূত্র সন্ধান by ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী

গত
সপ্তাহে আমরা ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্র“য়ারি এবং ২০০৮ সালের জাতীয়
সংসদ নির্বাচনকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে’র চারটি ‘মডেল’ হিসেবে উল্লেখ
করেছি। বিরোধী দল নির্বাচনের রায় মেনে নিয়ে বিজয়ীকে অভিনন্দন জানিয়েছে-
সেরকম ব্যতিক্রমী ঘটনা কেবল একবারই ঘটেছে। ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে
জেনারেল জিয়াউর রহমানের কাছে পরাজিত হওয়ার পর জেনারেল ওসমানী সংবাদ
সম্মেলন করে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এর বাইরে
প্রতিটি নির্বাচনের পরই বিরোধী দল নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে
নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। সন্দেহ নেই, প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের তালিকায়
এবারে আরেকটি মডেল সংযোজিত হতে যাচ্ছে। একে বলা যেতে পারে ‘নির্বাচনবিহীন
নির্বাচন’। যে নির্বাচনের ফলাফল নির্বাচনের আগেই ঘোষিত হয়ে যায়। ৩০০ আসনের
নির্বাচনে ১৫৪ আসনের ফলাফল ইতিমধ্যেই আমাদের জানা হয়ে গেছে। বাকি
আসনগুলোতেও কেবল সামান্য আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা।
এ নির্বাচন অনেকটা ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারির নির্বাচনের মডেলের কাছাকাছি হলেও দু’য়ের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য রয়েছে। ১৯৯৬-এর সেই নির্বাচন ছিল একটি পূর্বঘোষিত আনুষ্ঠানিকতার নির্বাচন। তখনকার ক্ষমতাসীন বিএনপি নীতিগতভাবে বিরোধী দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেয় এবং তদনুযায়ী সংবিধান সংশোধনে সম্মত হয়। কিন্তু বিরোধীদলীয় সদস্যদের গণপদত্যাগের কারণে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য তখন সংসদে ছিল না। এ অবস্থায় তিন মাসের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করে আবার নির্বাচন দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে তবেই ওই নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করা হয়। সে কারণে তখনকার বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ওই নির্বাচনে অংশ না নিলেও তা হতে দিয়েছে। এবারে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিরোধী দলের দাবি মেনে নেয়া বা কোনো ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও দেখা যাচ্ছে না। ফলে দেশজুড়ে যে পরিস্থিতির সূচনা হয়েছে তাতে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং জাতীয় অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত ৫ জানুয়ারি তারিখে বিরোধী দল ও জোট নির্বাচন হতে দেবে বলে মনে হয় না। সরকার জোর করে নির্বাচনের আয়োজন করতে গেলে সংকট আরও ভয়ংকর রূপ নেবে বলে সব মহলের আশংকা।
এ ক্ষেত্রে সরকারকেই অগ্রণী হয়ে সমঝোতার সূত্র সন্ধান করতে হবে।
লক্ষ্য করার বিষয়, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছিল আওয়ামী লীগের। জামায়াতে ইসলামী তখন ছিল আওয়ামী লীগের দোসর। আর বিএনপি সরকার সে দাবি মানতে নারাজ। রাজনীতির নির্মম পরিহাসে এবারে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। এবারে বিএনপির দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তা মানতে নারাজ। আর জামায়াতে ইসলামী এবারে বিএনপির দোসর।
২.
জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে তা কার্যকর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে তা খুবই গুরুতর। আমাদের প্রচলিত আইনে এ ধরনের অপরাধে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ডই বিধেয়। তাতে বলার কিছু নেই। তবে এই বিচার নিয়ে সরকার দেশের ভেতরের চেয়েও বেশি বিপাকে পড়ছে বিদেশে। ভারত ছাড়া প্রায় সব দেশই এই বিচার ও মৃত্যুদণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছে।
আজকের পৃথিবীতে অধিকাংশ রাষ্ট্রেই মৃত্যুদণ্ড নেই। আমি নিজেও এর পক্ষে নই। বহুবার এ নিয়ে লিখেছি। আগামীতেও লিখব। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে যদি কখনও কোনো ভূমিকা পালনের সুযোগ হয়, তাহলে আমাদের দণ্ডবিধি থেকে মৃত্যুদণ্ড তুলে দেয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাব। এই ক্ষণস্থায়ী মানবজীবনে প্রাণের চেয়ে মূল্যবান আর কোনো বস্তু নেই। আমরা যা সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখি না, তা নষ্ট করার অধিকার আমাদের নেই। সেজন্যই কারও মৃত্যু নিয়ে উল্লাস করাটা সুরুচির পরিচায়ক মনে করি না। চরম শত্র“ও যদি মৃত্যুমুখে পতিত হয় তাতে উল্লসিত না হয়ে ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়াই মুসলমানের জন্য বিধেয়। যার মোদ্দা অর্থ : ‘আমরা সবাই আল্লাহর জন্যই এবং তাঁর কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে’। আদালত যাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে যাওয়ার পর তার অপকর্মের দায় পরিশোধ হয়ে যায়। তাকে তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ‘প্রাণ’ দিয়ে সেই দায় পরিশোধ করতে হয়েছে। অতএব দণ্ড ভোগের পর দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা বাঞ্ছনীয়। অন্যদিকে কারও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে আরও কিছু প্রাণ নিঃশেষ করার বর্বরতাও কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।
৩.
বিষয়টি অন্যদিক থেকেও দেখা প্রয়োজন। রাজনীতির মঞ্চে চিরসত্য বা অভ্রান্ত মতবাদ বলে কিছু নেই। সময়ের সঙ্গে মানব সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির বিবর্তনে এক সময়ের ‘সত্য’ অন্য সময়ে ‘অসত্যে’ পরিণত হতে পারে। এক সময় সবাই ‘জানত’ সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। সেই ‘সত্যে’র বিরোধিতা করে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার তত্ত্ব প্রচার করতে গিয়ে কোপার্নিকাসকে রাজদণ্ডে প্রাণ দিতে হয়েছে। ধর্মের বিধিবিধান অমান্য করার কারণে যুগে যুগে কতজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে; আবার অন্যযুগে ধর্মীয় মতবাদ প্রচার করার ‘অপরাধে’ অন্যত্র কতজনকে নিগৃহীত হতে হয়েছে। তাই কোনো রাজনৈতিক মতবাদ বা সিদ্ধান্তকে ‘চিরন্তন’ মনে করা যথার্থ নয়। আমাদের চোখের সামনে তার অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কথাই ধরা যাক। ব্রিটিশ আমলে এই দলটি মুসলমানদের পৃথক রাষ্ট্র ‘পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠার ঘোরতর বিরোধী ছিল। এ কারণে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম লীগের সঙ্গে তার বৈরী সম্পর্ক এমন পর্যায়ে চলে যায় যে, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা মওদুদীকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর অভিযোগে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ আমলে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সংগঠন ‘জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ্’ ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মিত্র। এই দলটিও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধী ছিল। ১৯৪৬ সালে বাংলা ও আসামের বিভক্তির সময় সিলেট জেলা ছিল আসামের অংশ। মুসলমান অধ্যুষিত জেলা হিসেবে এই জেলা পাকিস্তানের ভাগে পড়ে। কিন্তু তার করিমগঞ্জ মহকুমায় গণভোট দেয়া হল। সেটি কার ভাগে পড়বে- পাকিস্তান, না ভারত- তা নির্ধারণ করার জন্য। ওই গণভোটের সময় ‘জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ্’-এর সর্বভারতীয় নেতারা সেখানে গিয়ে ভারতের পক্ষে দিবারাত্র প্রচারণা চালিয়েছিলেন। মূলত সে কারণেই শতকরা ৮০ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এই জেলার গণভোটের রায় ভারতের পক্ষে গিয়েছিল, যা কোনোভাবেই যৌক্তিক ছিল না। সিলেটের অন্যান্য এলাকাসহ করিমগঞ্জ যে কোনো বিচারে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের অংশে থাকাই যৌক্তিক ছিল।
অতএব দেখা যাচ্ছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের সেই দিনগুলোতে কট্টর ইসলামী দলগুলো, বিশেষ করে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ধর্মীয় নেতারা, মুসলিম লীগের পাকিস্তান প্রকল্পের সমর্থক ছিলেন না। তারা কার্যত কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত প্রকল্পকেই সমর্থন দিয়েছেন। তাদের প্রতিপক্ষ ‘ইংরেজি শিক্ষিত ও মধ্যপন্থী’ মধ্যবিত্ত মুসলমানদের আন্দোলনেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়।
মুসলিম লীগের ‘দ্বিজাতিতত্ত্ব’ কতটা যৌক্তিক ছিল, কিংবা পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য কতটা কল্যাণকর হয়েছে, উপমহাদেশে বসবাসরত পৃথিবীর এক-পঞ্চমাংশ মানুষের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ-সংস্কৃতির বিকাশে তার প্রভাব কতটা ইতিবাচক এবং কতটা নেতিবাচক হয়েছে, সে আলোচনায় আমরা এখানে যাব না। তবে আজ এতদিন পর হলেও বর্তমানের বাস্তবতায় কেউ নিশ্চয়ই প্রশ্ন তুলতে পারেন, উপমহাদেশের মুসলমান জনগোষ্ঠীর অধিকাংশকে দুই প্রান্তে দুটি ক্ষুদ্রতর ভূখণ্ডে বৃত্তবন্দি করে বৃহত্তর ভারতে প্রায় ২০ কোটি মুসলমানকে চতুর্বর্ণের পশ্চাতে ‘পঞ্চম বর্ণে’র অসহায় অবস্থানে ফেলে আসা দূরদর্শিতার কাজ হয়েছে কিনা।
লক্ষ্য করার বিষয়, ব্রিটিশ আমলে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সেদিনের মুসলিম লীগের লড়াকু সৈনিক যারা ছিলেন- শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা ভাসানী ও তাদের সহযোগীরা- তারাই মাত্র এক দশক পরই সে রাষ্ট্রটি ভেঙে ফেলার আওয়াজ তুলেছেন। তার চেয়েও লক্ষণীয় ব্যাপার হল, এক্ষেত্রে পাকিস্তান আন্দোলনের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য ইসলামী দল-উপদল চলে এসেছে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে। এবারে তারা পাকিস্তান ‘রক্ষা’ করার জন্য জান কোরবান করে মাঠে নামলেন এবং লাখো মানুষের জান কবজ করার কাজে শরিক হতেও কুণ্ঠিত হলেন না। কাজেই, সময়ের ব্যবধানে রাজনীতিতে কার অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা কেবল সময়ই বলে দিতে পারে। ধরা যাক, আজকের বাংলাদেশ কোনো বহিঃশত্র“র দ্বারা আক্রান্ত হল। সেক্ষেত্রে বর্তমানের বাস্তবতায় কার কী অবস্থান হবে? সেক্ষেত্রে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদেরই কেউ কেউ যে ‘রাজাকারে’র ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারেন না, তা হলফ করে বলা যায় কি?
অন্যদিকে একাত্তরে যারা পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার বেদনায় মুহ্যমান হয়েছেন, তাদের মধ্যে দু’ধরনের মানুষ চিহ্নিত করা যায়। একাংশ স্পষ্টতই জেনে-বুঝেই পাক-বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছে। তারা রাজাকার, আল-বদর হয়ে পাক-বাহিনীকে পথ দেখিয়েছে। তাদের ধ্বংসযজ্ঞে শরিক হয়েছে অথবা নানা দুষ্কর্মে জোগান দিয়েছে। আরেকটি অংশ পাক-বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ ও অপকর্মে শরিক হয়নি, কিন্তু ব্রিটিশ আমলে বাংলার মুসলমানদের প্রতি উচ্চবর্ণের হিন্দু জমিদার, ধনিক ও ‘ভদ্রলোক’ শ্রেণীর চরম অবজ্ঞা ও অবমাননার স্মৃতি তখনও তারা বিস্মৃত হতে পারেননি। তাই চোখের সামনে ‘স্বপ্নের পাকিস্তান’ ভেঙে যেতে দেখে তারা হতাশ হয়েছেন, তীব্র বেদনাবোধ করেছেন।
এই দুইয়ের মধ্যে বিস্তর তফাৎ। প্রথমোক্ত শ্রেণীর অনেকে হয়তো এখনও তাদের একাত্তরের ভূমিকার জন্য অনুতপ্ত হতে চান না। কিন্তু দ্বিতীয় অংশে যারা সেদিন অতীত তিক্ত অভিজ্ঞতার নিরিখে পাকিস্তান ভেঙে যেতে দেখে কষ্ট পেয়েছেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বাস্তবতা তারা মেনে নিয়েছেন। তারা এখন বাংলাদেশকে আঁকড়ে ধরেই তাদের ব্রিটিশ আমলের ‘বাঙাল’ জীবনের গ্লানিময় স্মৃতির পীড়ন থেকে রক্ষা পেতে চাইবেন, সেটাই স্বাভাবিক। অতএব আজকের দিনে বাংলাদেশের সীমান্ত বা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা সম্মুখ সারিতেই থাকবেন, তা অবধারিত। অর্থাৎ, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা যেমন আজকের প্রেক্ষাপটে রাজাকারের ভূমিকায় চলে যেতে পারে, তেমনি একাত্তরের পাকিস্তানপন্থীরাও অনেকে আজকের ভিন্ন প্রেক্ষাপটে মুক্তিযোদ্ধার ভূমিকায় চলে আসতে পারেন। সেই দ্বান্দ্বিক বাস্তবতাকে সামনে রেখেই আমাদের জাতীয় ঐক্যের সর্বজনীন ভিত্তি নির্মাণ করতে হবে। বিভাজন নয়, ঐক্যের সূত্র সন্ধান করাই হবে প্রকৃত দেশপ্রেমিকের কাজ। বাংলাদেশের জাতি গঠনের চলমান প্রক্রিয়ায় এ বিষয়টি অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
৪.
আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী কিছু দল-উপদল জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলছে। রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার সুবাদে তারা সেই কাজটি করতেও পারেন। জামায়াতে ইসলামীর কিছু কার্যকলাপ দৃষ্টে এ রকম দাবি ওঠা স্বাভাবিক। কিন্তু দল নিষিদ্ধ করলেই সে দলের চিন্তাভাবনার বিলুপ্তি ঘটে না। দু-চারজন ছাড়া সে দলের সমর্থকরা দেশ ছেড়ে যাবে না। পাকিস্তান আমলে কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু সে দলের কার্যক্রম কখনও থেমে থাকেনি। এখন দেশের অন্যতম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
দল নিষিদ্ধ করা রাজনীতির ভিন্নমত মোকাবেলার কার্যকর পথ নয়। রাজনীতির ভিন্নমত মোকাবেলা করতে হবে রাজনীতি দিয়েই। অপরাজনীতির বিপরীতে নীতির রাজনীতি দিয়ে। নইলে হিতে-বিপরীত ঘটার আশংকাই বেশি। আফগানিস্তানে আল কায়েদা ও তালেবান নিষিদ্ধকরণ তার দৃষ্টান্ত। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে লাখো প্রাণের বিনিময়ে। রাজনৈতিক সামাজিক বিবাদ-বিসংবাদ কিংবা বিভ্রান্তি ১৬ কোটি মানুষের এই দেশকে সাময়িকভাবে মেঘাচ্ছন্ন করতে পারে, কিন্তু এই কষ্টার্জিত-রক্তার্জিত স্বাধীনতাকে কখনই ম্লান করতে পারবে না। সেই বিশ্বাস হৃদয়ে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
গত সপ্তাহে এই কলামে এ নিয়ে নানা মত ও পথের উল্লেখ করে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেছিলাম। নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে বর্তমান সরকারের অহেতুক অনড় অবস্থান পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। এখন এই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারকেই আগ বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারকেই বিরোধী দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধানের সূত্র বের করতে হবে এবং তদনুযায়ী সংকট নিরসনে অগ্রণী হতে হবে। এক্ষেত্রে সাংবিধানিক সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যেমন জরুরি, তেমনি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিবদমান পক্ষগুলোকে সমঝোতার ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যের পথে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য সব পক্ষকেই কম-বেশি ছাড় দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে সম্পন্ন হওয়ার সব সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। এজন্য সরকারের অযৌক্তিক অনমনীয়তাকেই আমরা বেশি দায়ী করব। এখন সংসদ ভেঙে দিয়ে তিন মাস সময় নেয়ার যে সুযোগের কথা সরকারের পক্ষ থেকে এতকাল বলা হয়েছে, সে সুযোগও আর আছে বলে মনে হয় না। এ কারণেই গত সপ্তাহে আমরা দশম সংসদের পাশাপাশি একাদশ সংসদের নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়ার কথা বলেছিলাম। ইতিমধ্যে সরকারি দলের মুখপাত্ররাও সে রকম কথা বলছেন। কিন্তু বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া এ কথা বলা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।
সারা দেশে এখন যা ঘটছে, তা দৃষ্টে বর্তমান সরকারের উচিত হবে কালবিলম্ব না করে বিরোধী দলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা সন্ধান করা এবং তদনুযায়ী সমঝোতায় উপনীত হয়ে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারি মডেলে ৫ জানুয়ারি ‘আনুষ্ঠানিকতার নির্বাচন’ সম্পন্ন করে তার অব্যবহিত পরে ‘একাদশ সংসদে’র নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া এবং সব দলের অংশগ্রহণে সেই নির্বাচনের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া।
বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির ও যুদ্ধাপরাধবিরোধী জনমত চাঙ্গা করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এই পথে সংকটের একতরফা সমাধান প্রত্যাশা করা যৌক্তিক হবে না। দেশটা সবার। এ মুহূর্তে সরকারের পক্ষে যে জনমত, সরকারের বিপক্ষে তার চেয়ে মোটেই কম নয়। সেই বাস্তবতা অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কিছুটা সময় এখনও আছে।
ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী : রাজনীতিক, ভূ-রাজনীতি ও উন্নয়ন গবেষক
এ নির্বাচন অনেকটা ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারির নির্বাচনের মডেলের কাছাকাছি হলেও দু’য়ের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য রয়েছে। ১৯৯৬-এর সেই নির্বাচন ছিল একটি পূর্বঘোষিত আনুষ্ঠানিকতার নির্বাচন। তখনকার ক্ষমতাসীন বিএনপি নীতিগতভাবে বিরোধী দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেয় এবং তদনুযায়ী সংবিধান সংশোধনে সম্মত হয়। কিন্তু বিরোধীদলীয় সদস্যদের গণপদত্যাগের কারণে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য তখন সংসদে ছিল না। এ অবস্থায় তিন মাসের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করে আবার নির্বাচন দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে তবেই ওই নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করা হয়। সে কারণে তখনকার বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ওই নির্বাচনে অংশ না নিলেও তা হতে দিয়েছে। এবারে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিরোধী দলের দাবি মেনে নেয়া বা কোনো ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও দেখা যাচ্ছে না। ফলে দেশজুড়ে যে পরিস্থিতির সূচনা হয়েছে তাতে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং জাতীয় অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত ৫ জানুয়ারি তারিখে বিরোধী দল ও জোট নির্বাচন হতে দেবে বলে মনে হয় না। সরকার জোর করে নির্বাচনের আয়োজন করতে গেলে সংকট আরও ভয়ংকর রূপ নেবে বলে সব মহলের আশংকা।
এ ক্ষেত্রে সরকারকেই অগ্রণী হয়ে সমঝোতার সূত্র সন্ধান করতে হবে।
লক্ষ্য করার বিষয়, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছিল আওয়ামী লীগের। জামায়াতে ইসলামী তখন ছিল আওয়ামী লীগের দোসর। আর বিএনপি সরকার সে দাবি মানতে নারাজ। রাজনীতির নির্মম পরিহাসে এবারে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। এবারে বিএনপির দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তা মানতে নারাজ। আর জামায়াতে ইসলামী এবারে বিএনপির দোসর।
২.
জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে তা কার্যকর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে তা খুবই গুরুতর। আমাদের প্রচলিত আইনে এ ধরনের অপরাধে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ডই বিধেয়। তাতে বলার কিছু নেই। তবে এই বিচার নিয়ে সরকার দেশের ভেতরের চেয়েও বেশি বিপাকে পড়ছে বিদেশে। ভারত ছাড়া প্রায় সব দেশই এই বিচার ও মৃত্যুদণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছে।
আজকের পৃথিবীতে অধিকাংশ রাষ্ট্রেই মৃত্যুদণ্ড নেই। আমি নিজেও এর পক্ষে নই। বহুবার এ নিয়ে লিখেছি। আগামীতেও লিখব। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে যদি কখনও কোনো ভূমিকা পালনের সুযোগ হয়, তাহলে আমাদের দণ্ডবিধি থেকে মৃত্যুদণ্ড তুলে দেয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাব। এই ক্ষণস্থায়ী মানবজীবনে প্রাণের চেয়ে মূল্যবান আর কোনো বস্তু নেই। আমরা যা সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখি না, তা নষ্ট করার অধিকার আমাদের নেই। সেজন্যই কারও মৃত্যু নিয়ে উল্লাস করাটা সুরুচির পরিচায়ক মনে করি না। চরম শত্র“ও যদি মৃত্যুমুখে পতিত হয় তাতে উল্লসিত না হয়ে ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়াই মুসলমানের জন্য বিধেয়। যার মোদ্দা অর্থ : ‘আমরা সবাই আল্লাহর জন্যই এবং তাঁর কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে’। আদালত যাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে যাওয়ার পর তার অপকর্মের দায় পরিশোধ হয়ে যায়। তাকে তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ‘প্রাণ’ দিয়ে সেই দায় পরিশোধ করতে হয়েছে। অতএব দণ্ড ভোগের পর দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা বাঞ্ছনীয়। অন্যদিকে কারও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে আরও কিছু প্রাণ নিঃশেষ করার বর্বরতাও কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।
৩.
বিষয়টি অন্যদিক থেকেও দেখা প্রয়োজন। রাজনীতির মঞ্চে চিরসত্য বা অভ্রান্ত মতবাদ বলে কিছু নেই। সময়ের সঙ্গে মানব সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির বিবর্তনে এক সময়ের ‘সত্য’ অন্য সময়ে ‘অসত্যে’ পরিণত হতে পারে। এক সময় সবাই ‘জানত’ সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। সেই ‘সত্যে’র বিরোধিতা করে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার তত্ত্ব প্রচার করতে গিয়ে কোপার্নিকাসকে রাজদণ্ডে প্রাণ দিতে হয়েছে। ধর্মের বিধিবিধান অমান্য করার কারণে যুগে যুগে কতজনকে প্রাণ দিতে হয়েছে; আবার অন্যযুগে ধর্মীয় মতবাদ প্রচার করার ‘অপরাধে’ অন্যত্র কতজনকে নিগৃহীত হতে হয়েছে। তাই কোনো রাজনৈতিক মতবাদ বা সিদ্ধান্তকে ‘চিরন্তন’ মনে করা যথার্থ নয়। আমাদের চোখের সামনে তার অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কথাই ধরা যাক। ব্রিটিশ আমলে এই দলটি মুসলমানদের পৃথক রাষ্ট্র ‘পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠার ঘোরতর বিরোধী ছিল। এ কারণে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম লীগের সঙ্গে তার বৈরী সম্পর্ক এমন পর্যায়ে চলে যায় যে, এই দলের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা মওদুদীকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর অভিযোগে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ আমলে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সংগঠন ‘জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ্’ ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মিত্র। এই দলটিও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধী ছিল। ১৯৪৬ সালে বাংলা ও আসামের বিভক্তির সময় সিলেট জেলা ছিল আসামের অংশ। মুসলমান অধ্যুষিত জেলা হিসেবে এই জেলা পাকিস্তানের ভাগে পড়ে। কিন্তু তার করিমগঞ্জ মহকুমায় গণভোট দেয়া হল। সেটি কার ভাগে পড়বে- পাকিস্তান, না ভারত- তা নির্ধারণ করার জন্য। ওই গণভোটের সময় ‘জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ্’-এর সর্বভারতীয় নেতারা সেখানে গিয়ে ভারতের পক্ষে দিবারাত্র প্রচারণা চালিয়েছিলেন। মূলত সে কারণেই শতকরা ৮০ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এই জেলার গণভোটের রায় ভারতের পক্ষে গিয়েছিল, যা কোনোভাবেই যৌক্তিক ছিল না। সিলেটের অন্যান্য এলাকাসহ করিমগঞ্জ যে কোনো বিচারে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের অংশে থাকাই যৌক্তিক ছিল।
অতএব দেখা যাচ্ছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের সেই দিনগুলোতে কট্টর ইসলামী দলগুলো, বিশেষ করে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ধর্মীয় নেতারা, মুসলিম লীগের পাকিস্তান প্রকল্পের সমর্থক ছিলেন না। তারা কার্যত কংগ্রেসের অখণ্ড ভারত প্রকল্পকেই সমর্থন দিয়েছেন। তাদের প্রতিপক্ষ ‘ইংরেজি শিক্ষিত ও মধ্যপন্থী’ মধ্যবিত্ত মুসলমানদের আন্দোলনেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়।
মুসলিম লীগের ‘দ্বিজাতিতত্ত্ব’ কতটা যৌক্তিক ছিল, কিংবা পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য কতটা কল্যাণকর হয়েছে, উপমহাদেশে বসবাসরত পৃথিবীর এক-পঞ্চমাংশ মানুষের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ-সংস্কৃতির বিকাশে তার প্রভাব কতটা ইতিবাচক এবং কতটা নেতিবাচক হয়েছে, সে আলোচনায় আমরা এখানে যাব না। তবে আজ এতদিন পর হলেও বর্তমানের বাস্তবতায় কেউ নিশ্চয়ই প্রশ্ন তুলতে পারেন, উপমহাদেশের মুসলমান জনগোষ্ঠীর অধিকাংশকে দুই প্রান্তে দুটি ক্ষুদ্রতর ভূখণ্ডে বৃত্তবন্দি করে বৃহত্তর ভারতে প্রায় ২০ কোটি মুসলমানকে চতুর্বর্ণের পশ্চাতে ‘পঞ্চম বর্ণে’র অসহায় অবস্থানে ফেলে আসা দূরদর্শিতার কাজ হয়েছে কিনা।
লক্ষ্য করার বিষয়, ব্রিটিশ আমলে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সেদিনের মুসলিম লীগের লড়াকু সৈনিক যারা ছিলেন- শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা ভাসানী ও তাদের সহযোগীরা- তারাই মাত্র এক দশক পরই সে রাষ্ট্রটি ভেঙে ফেলার আওয়াজ তুলেছেন। তার চেয়েও লক্ষণীয় ব্যাপার হল, এক্ষেত্রে পাকিস্তান আন্দোলনের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য ইসলামী দল-উপদল চলে এসেছে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে। এবারে তারা পাকিস্তান ‘রক্ষা’ করার জন্য জান কোরবান করে মাঠে নামলেন এবং লাখো মানুষের জান কবজ করার কাজে শরিক হতেও কুণ্ঠিত হলেন না। কাজেই, সময়ের ব্যবধানে রাজনীতিতে কার অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা কেবল সময়ই বলে দিতে পারে। ধরা যাক, আজকের বাংলাদেশ কোনো বহিঃশত্র“র দ্বারা আক্রান্ত হল। সেক্ষেত্রে বর্তমানের বাস্তবতায় কার কী অবস্থান হবে? সেক্ষেত্রে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদেরই কেউ কেউ যে ‘রাজাকারে’র ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারেন না, তা হলফ করে বলা যায় কি?
অন্যদিকে একাত্তরে যারা পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার বেদনায় মুহ্যমান হয়েছেন, তাদের মধ্যে দু’ধরনের মানুষ চিহ্নিত করা যায়। একাংশ স্পষ্টতই জেনে-বুঝেই পাক-বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছে। তারা রাজাকার, আল-বদর হয়ে পাক-বাহিনীকে পথ দেখিয়েছে। তাদের ধ্বংসযজ্ঞে শরিক হয়েছে অথবা নানা দুষ্কর্মে জোগান দিয়েছে। আরেকটি অংশ পাক-বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ ও অপকর্মে শরিক হয়নি, কিন্তু ব্রিটিশ আমলে বাংলার মুসলমানদের প্রতি উচ্চবর্ণের হিন্দু জমিদার, ধনিক ও ‘ভদ্রলোক’ শ্রেণীর চরম অবজ্ঞা ও অবমাননার স্মৃতি তখনও তারা বিস্মৃত হতে পারেননি। তাই চোখের সামনে ‘স্বপ্নের পাকিস্তান’ ভেঙে যেতে দেখে তারা হতাশ হয়েছেন, তীব্র বেদনাবোধ করেছেন।
এই দুইয়ের মধ্যে বিস্তর তফাৎ। প্রথমোক্ত শ্রেণীর অনেকে হয়তো এখনও তাদের একাত্তরের ভূমিকার জন্য অনুতপ্ত হতে চান না। কিন্তু দ্বিতীয় অংশে যারা সেদিন অতীত তিক্ত অভিজ্ঞতার নিরিখে পাকিস্তান ভেঙে যেতে দেখে কষ্ট পেয়েছেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বাস্তবতা তারা মেনে নিয়েছেন। তারা এখন বাংলাদেশকে আঁকড়ে ধরেই তাদের ব্রিটিশ আমলের ‘বাঙাল’ জীবনের গ্লানিময় স্মৃতির পীড়ন থেকে রক্ষা পেতে চাইবেন, সেটাই স্বাভাবিক। অতএব আজকের দিনে বাংলাদেশের সীমান্ত বা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা সম্মুখ সারিতেই থাকবেন, তা অবধারিত। অর্থাৎ, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা যেমন আজকের প্রেক্ষাপটে রাজাকারের ভূমিকায় চলে যেতে পারে, তেমনি একাত্তরের পাকিস্তানপন্থীরাও অনেকে আজকের ভিন্ন প্রেক্ষাপটে মুক্তিযোদ্ধার ভূমিকায় চলে আসতে পারেন। সেই দ্বান্দ্বিক বাস্তবতাকে সামনে রেখেই আমাদের জাতীয় ঐক্যের সর্বজনীন ভিত্তি নির্মাণ করতে হবে। বিভাজন নয়, ঐক্যের সূত্র সন্ধান করাই হবে প্রকৃত দেশপ্রেমিকের কাজ। বাংলাদেশের জাতি গঠনের চলমান প্রক্রিয়ায় এ বিষয়টি অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
৪.
আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী কিছু দল-উপদল জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলছে। রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার সুবাদে তারা সেই কাজটি করতেও পারেন। জামায়াতে ইসলামীর কিছু কার্যকলাপ দৃষ্টে এ রকম দাবি ওঠা স্বাভাবিক। কিন্তু দল নিষিদ্ধ করলেই সে দলের চিন্তাভাবনার বিলুপ্তি ঘটে না। দু-চারজন ছাড়া সে দলের সমর্থকরা দেশ ছেড়ে যাবে না। পাকিস্তান আমলে কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু সে দলের কার্যক্রম কখনও থেমে থাকেনি। এখন দেশের অন্যতম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
দল নিষিদ্ধ করা রাজনীতির ভিন্নমত মোকাবেলার কার্যকর পথ নয়। রাজনীতির ভিন্নমত মোকাবেলা করতে হবে রাজনীতি দিয়েই। অপরাজনীতির বিপরীতে নীতির রাজনীতি দিয়ে। নইলে হিতে-বিপরীত ঘটার আশংকাই বেশি। আফগানিস্তানে আল কায়েদা ও তালেবান নিষিদ্ধকরণ তার দৃষ্টান্ত। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে লাখো প্রাণের বিনিময়ে। রাজনৈতিক সামাজিক বিবাদ-বিসংবাদ কিংবা বিভ্রান্তি ১৬ কোটি মানুষের এই দেশকে সাময়িকভাবে মেঘাচ্ছন্ন করতে পারে, কিন্তু এই কষ্টার্জিত-রক্তার্জিত স্বাধীনতাকে কখনই ম্লান করতে পারবে না। সেই বিশ্বাস হৃদয়ে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
গত সপ্তাহে এই কলামে এ নিয়ে নানা মত ও পথের উল্লেখ করে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেছিলাম। নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে বর্তমান সরকারের অহেতুক অনড় অবস্থান পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। এখন এই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারকেই আগ বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারকেই বিরোধী দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধানের সূত্র বের করতে হবে এবং তদনুযায়ী সংকট নিরসনে অগ্রণী হতে হবে। এক্ষেত্রে সাংবিধানিক সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যেমন জরুরি, তেমনি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিবদমান পক্ষগুলোকে সমঝোতার ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যের পথে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য সব পক্ষকেই কম-বেশি ছাড় দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে সম্পন্ন হওয়ার সব সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। এজন্য সরকারের অযৌক্তিক অনমনীয়তাকেই আমরা বেশি দায়ী করব। এখন সংসদ ভেঙে দিয়ে তিন মাস সময় নেয়ার যে সুযোগের কথা সরকারের পক্ষ থেকে এতকাল বলা হয়েছে, সে সুযোগও আর আছে বলে মনে হয় না। এ কারণেই গত সপ্তাহে আমরা দশম সংসদের পাশাপাশি একাদশ সংসদের নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়ার কথা বলেছিলাম। ইতিমধ্যে সরকারি দলের মুখপাত্ররাও সে রকম কথা বলছেন। কিন্তু বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া এ কথা বলা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।
সারা দেশে এখন যা ঘটছে, তা দৃষ্টে বর্তমান সরকারের উচিত হবে কালবিলম্ব না করে বিরোধী দলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা সন্ধান করা এবং তদনুযায়ী সমঝোতায় উপনীত হয়ে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারি মডেলে ৫ জানুয়ারি ‘আনুষ্ঠানিকতার নির্বাচন’ সম্পন্ন করে তার অব্যবহিত পরে ‘একাদশ সংসদে’র নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া এবং সব দলের অংশগ্রহণে সেই নির্বাচনের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া।
বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির ও যুদ্ধাপরাধবিরোধী জনমত চাঙ্গা করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এই পথে সংকটের একতরফা সমাধান প্রত্যাশা করা যৌক্তিক হবে না। দেশটা সবার। এ মুহূর্তে সরকারের পক্ষে যে জনমত, সরকারের বিপক্ষে তার চেয়ে মোটেই কম নয়। সেই বাস্তবতা অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কিছুটা সময় এখনও আছে।
ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী : রাজনীতিক, ভূ-রাজনীতি ও উন্নয়ন গবেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1355)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ▼ 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
Exclusive
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment