Tuesday, May 1, 2012
সহজিয়া কড়চা-চিনিলাম আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায় by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সহজিয়া কড়চা-চিনিলাম আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায় by সৈয়দ আবুল মকসুদ
আইয়ুব-মোনায়েম সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা খাড়া করলে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ব্যক্তিগত মমতার সৃষ্টি হয়। তাঁর ছয় দফাকে অতিক্রম করে নেতা হিসেবে তিনি হয়ে ওঠেন মুখ্য: পূর্ব বাংলার অল্প সময়ে অতি বেশি পাওয়ার জন্য কাতর মধ্যবিত্তরা শুধু নয়, প্রায় সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মুখপাত্র।
ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনের ভেতর দিয়ে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নস্যাত্ হয়ে গেলে জেনারেল ইয়াহিয়া খান এসে ঘোষণা দেন, যথাসময়ে সাধারণ নির্বাচন দিয়ে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে পাঠিয়ে তিনি বিদায় নেবেন। সমাজতান্ত্রিক শিবিরে থাকলেও অনেকের মতো আমিও মনে করি আগামীতে কেন্দ্রে ও প্রদেশে আওয়ামী লীগের যে সরকার আসছে, তাকে বছর দুই সমর্থন দেওয়া আমাদের কর্তব্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের মালিকেরা শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব অর্পণ করতে সম্মত হলো না। পরবর্তী পরিস্থিতি যা হওয়ার তাই হলো।
বাহাত্তরের সরকার ছিল আমাদের সব মানুষের সরকার, তাকে সহযোগিতা করা প্রত্যেকের কর্তব্য। কারণ, নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র পুনর্গঠন করা সরকারের কয়েকজন মানুষের কর্ম নয়—সব মানুষের সম্মিলিত কাজ। মানুষের বিশ্বাস ছিল, স্বাধীনতার আগে নেতারা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশ্নে যেসব অঙ্গীকার করেছিলেন, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন। গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠাই হবে সরকারের প্রধান কর্তব্য। কিন্তু বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা লক্ষ করলাম, তা হলো না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি, ভিন্ন মতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধ প্রভৃতি কারণে মানুষ হতাশ হয়। বাহাত্তরে যখন প্রথম সরকারের এক বছর পূর্ণ হলো, তখন বেদনায় নীল মানুষগুলোর নিশ্চয়ই মনে পড়ল রবীন্দ্রনাথের কবিতার সেই পঙিক্ত: চিনিলাম আপনারে আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায়।
প্রথম সরকারের প্রধান চার-পাঁচজন নেতা ছাড়াও অন্য নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে আমরা সারা দেশ ঘোরাফেরা করেছি। মিজানুর রহমান চৌধুরী, কোরবান আলী, আবদুস সামাদ আজাদ, শেখ আবদুল আজিজ, মোল্লা জালালউদ্দিন, সোহরাব হোসেন, ইউসুফ আলি, জহুর আহমদ চৌধুরী, ফণীভূষণ মজুমদার, ড. কামাল হোসেন, আবদুল মান্নান, আবদুল মোমেন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনোরঞ্জন ধর প্রমুখ মন্ত্রীকে খুব কাছে থেকে দেখেছি। তাঁরা কেউই খারাপ মানুষ ছিলেন না। রুটিন দায়িত্ব ঠিকঠাকমতো পালন করেন। কিন্তু নতুন রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য যে বাড়তি পরিশ্রম করা দরকার, তা তাঁরা করার প্রয়োজন মনে করেননি। প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ছিল না কোনো মন্ত্রীর মধ্যেই। তখন অত সিকিউরিটি বা কড়াকড়ি ছিল না। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের আশপাশে ঘুরঘুর করলেও কেউ বাধা দিত না। এখনকার নতুন মনের মানুষের কাছে বিস্ময়কর মনে হবে এবং কথাটা শুনতে মোটেই ভালো লাগবে না, তা হলো—স্বাধীনতা-পরবর্তী সাড়ে তিনটি বছরই মন্ত্রিপরিষদে সবচেয়ে প্রভাবশালী ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও খোন্দকার মোশতাক। অফিসার ও দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ধমক দিয়ে কথা বলতে পারতেন এই দুই নেতাই।
সব দোষ ও দায়দায়িত্ব আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলে সেটাও হবে তাদের ওপর খুবই অবিচার। দেশের সর্বনাশের জন্য যুবনেতাদের দায়ভার কে বহন করবে? আমেরিকার স্বাধীনতাযুদ্ধের মতো বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধও সূচনা করেন যুবনেতারা। স্বাধীনতার পরে তাঁরা কোথায় ছিলেন? স্বাধীনতার দাবিতে জনমত গঠন প্রথম শুরু করেন মওলানা ভাসানী, কিন্তু স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তিনি ও তাঁর সাহাবারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেননি। মাঠেময়দানে সরকারের সমালোচনা করেই তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব শেষ করেন।
ষাটের দশকের অধিকাংশ ছাত্র-যুবনেতা ছিলেন সংগ্রামী ও মিলিট্যান্ট। পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাঁরা ছিলেন আপসহীন। অকারণে জেলজুলুম খেটেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সূচনাই করেন তাঁরা। সেনাবাহিনীর লোকেরা পাকিস্তানি পক্ষ ত্যাগ করেছেন শেষ মুহূর্তে। নানা রকম অভ্যন্তরীণ কলহ সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধে যুবনেতাদের অবদান রাজনৈতিক নেতাদের চেয়ে বেশি। স্বাধীনতার পরে তাঁদের কাছে জাতির প্রত্যাশা ছিল আরও বেশি। কিন্তু এ সময়ই তাঁরা জাতিকে হতাশ করেন সবচেয়ে বেশি। রণমুখী নেতারা অর্থবিত্তমুখী হয়ে ওঠেন। জনগণের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থই হয়ে ওঠে তাঁদের কাছে বড়। স্বাধীন দেশকে দেওয়ার মতো কোনো ধনই আর তাঁদের কাছে সঞ্চিত ছিল না।
কোনো জাতি উন্নত হয়ে ওঠে তার জনগণের অসামান্য শ্রম ও মেধাবী মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের যোগফলে। আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রামী রাজনৈতিক নেতা ও যুবনেতাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ধার ছিল না। মাঠেঘাটে অনর্গল বক্তৃতা দেওয়া আর দেশের দূরভবিষ্যত্ নিয়ে ভাবনা করা, দুই রকমের কাজ। ইনটেলেকচুয়াল ভ্যাকুম বা বুদ্ধিবৃত্তিক শূন্যতার ফলে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অতিদ্রুত বিপজ্জনক পথে ধাবিত হয়। ১০০ বছর নয়, ১০ বছর পর দেশটির কী হবে, তা ভাবার কেউ ছিলেন না। নতুন রাষ্ট্রে চিন্তা ও বুদ্ধিচর্চাকে উত্সাহিত করা হলো না। তা করা হলো না এই ভয়ে যে, তাতে অগ্রহণযোগ্য ভিন্নমতের প্রকাশ ঘটতে পারে। মুক্তচিন্তা ও গণতন্ত্রচর্চাকে শত্রুতামূলক ব্যাপার বলে গণ্য করা হলো।
রাষ্ট্রে পাঁচ ভাগ কাজ করেন রাজনীতিকেরা, ৯৫ ভাগ কাজ করতে হয় কর্মকর্তাদের। পাকিস্তান আমলে নিযুক্ত আমলারা আদর্শগতভাবে যা-ই হোন না কেন, তাঁদের মোটামুটি ভালোই দক্ষতা ছিল। বিশেষ করে, সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিসের অফিসাররা ছিলেন কমনওয়েলথ দেশগুলোর দক্ষ কর্মকর্তাদের সমকক্ষ। প্রশাসনে হোক, বিচার বিভাগে হোক, পুলিশে হোক, হিসাব বিভাগে হোক, অথবা যে ক্যাডারেই হোক, সেকালের অফিসারদের শিক্ষাদীক্ষায় ঘাটতি ছিল না। দক্ষ আমলা ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায় একবার আমার সঙ্গে আলোচনায় বলছিলেন, ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের যেসব বাঙালি অফিসার উপসচিব এবং পূর্বপাকিস্তান সরকারের যাঁরা যুগ্ম সচিব পর্যায়ে ছিলেন, তাঁদের দক্ষতা ছিল এবং রাষ্ট্র চালানোর অভিজ্ঞতাও তাঁদের ছিল। তাঁদের মান ভারতের অফিসারদের চেয়ে মোটেই নিচু ছিল না।
দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পরে যখন আমাদের বেশিসংখ্যক সুশিক্ষিত ও দক্ষ আমলার প্রয়োজন, তখনই আমলাতন্ত্রকে তছনছ করে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পরে আমলাতন্ত্রে যাঁরা প্রবেশ করেন, তাঁরা ক্ষমতাসীনদের আশীর্বাদে চাকরি পান, যোগ্যতায় নয়। পাকিস্তানে প্রতিবছর সিএসএস পরীক্ষা হতো, নিরপেক্ষ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ছিল, মেধাবীরাই আসতেন প্রশাসনে। স্বাধীনতার পরে মেধার স্থান দখল করল খোশামোদ।
১৯৭৩ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলকে সংসদে আসতে দেওয়া হলো না, আমলাতন্ত্র তছনছ হলো, যুবনেতারা ব্যবসা-বাণিজ্য, লাইসেন্স পারমিট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার পাঠ চুকে গেল, বুদ্ধিজীবীরা খোশামুদে হয়ে উঠলেন এবং পাঞ্জাবির পকেটের সংখ্যা বাড়ালেন, ব্যবসায়ীরা মুনাফার ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে থাকলেন। একপর্যায়ে কাগজপত্রে যেটুকু গণতন্ত্র ছিল, তা-ও গেল। আমার মতো মানুষ মনে মনে বলল: স্বদেশকে চিনিলাম আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায়।
পাকা ১৫টি বছর সামরিক একনায়কত্ব। দীর্ঘ রক্তাক্ত আন্দোলনের ভেতর দিয়ে স্বৈরাচারের পতন হয়। ১৯৯১-তে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। ভেবেছিলাম, দেশে ধীরে ধীরে গণতন্ত্র আসছে। অনভিজ্ঞ বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভা একরকম চালাল। কিন্তু শেষ পর্যায়ে গিয়ে তাঁদের বাসনা হলো, আরও দুই-তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকবেন। গেল গণতন্ত্র নস্যাত্ হয়ে।
আবার আন্দোলন। সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তিত হলো। ওই পদ্ধতি গণতন্ত্রের সঙ্গে ঠিকমতো খাপ খায় না। তবু মেনে নিতে হলো ‘গণতন্ত্রের স্বার্থেই’। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এল শেখ হাসিনার সরকার। তিনিও ছিলেন অনভিজ্ঞ। কিন্তু মেয়াদের অর্ধেক সময় তিনি ভালোই চালালেন। তারপর ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, মোহাম্মদপুর প্রভৃতি জায়গা পরিণত হলো গণতন্ত্রের বধ্যভূমিতে। পরিপূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে লাগলেন ফেনী, নারায়ণগঞ্জসহ সোনার বাংলার বিভিন্ন পরগনার শাসনকর্তারা। ওই সব পরগনার শাসকেরা চেঙ্গিস খাঁর চেয়েও দুর্ধর্ষ হয়ে উঠলেন। এত কষ্টে পাওয়া গণতন্ত্রের হার্ট অ্যাটাক হলো। ২০০১-এর নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করল। আওয়ামী লীগ সরকারের বাড়াবাড়ির জবাবটি জনগণ দিল নেতিবাচক কায়দায়। বিএনপি পেল বিপুলসংখ্যক আসন এবং জামায়াতের নেতারা বেগম জিয়ার আশীর্বাদে বাংলার সুবেদারি পেয়ে গেলেন। খালেদা জিয়া দাবি করলেন, তাঁর দল মধ্যপন্থী লিবারেল ডেমোক্র্যাট। কিন্তু দেখা গেল, তাঁর হূদ্যতা দেশের উচ্চশিক্ষিত আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নয়, গ্রাম্য কাঠমোল্লাদের সঙ্গে, তাবিজ-কবজ বিক্রেতাদের সঙ্গে এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের বাংলা ভাষা বিশেষজ্ঞ কোনো ভাই বা শায়খ-মুফতির সঙ্গে। তিনি এক শ ভাগ নির্ভেজাল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে ইসলামি ধর্মান্ধতাতন্ত্র কায়েম করলেন। তখন আমরা বাংলার যেদিকে তাকাতাম, দেখতে পেতাম, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লাল সালুর ভাষায়, ‘শস্যের চেয়ে টুপি বেশি।’ বাংলাদেশের ভাইটি ও তার ওস্তাদকে বাঁচাতে গিয়ে সরকারের ওপর বিদেশিরা গেল বিগড়ে।
বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকারের শেষ দিকে একজন সদ্য আগত বিদেশিনী এক পার্টিতে কথা প্রসঙ্গে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘হোয়াট ইজ দ্য পজিশন অব টারেক রাহমান ইন দ্য গভর্নমেন্ট?’ আমি তাঁকে বললাম, ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পরে আয়াতুল্লাহ খোমেনির যে পজিশন ছিল, তারেক রহমানেরও বাংলাদেশে তাই। কৌম শহরে ঘরে বসে আয়াতুল্লাহ খোমেনি ইরান সরকারকে শাসন করতেন, হাওয়া ভবন আমাদের কৌম শহর, সেখানে বসে তারেক রহমান সাহেব মন্ত্রী-সচিবদের শাসন করেন।
আমার আয়াতুল্লাহ খোমেনির বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। অতি সাধারণ ঘর। টাকা-কড়ি তিনি ছুঁয়েও দেখতেন না। কিন্তু তারেক রহমান সাহেবের দৃষ্টি ছিল টাকার দিকেই। তার কারণেও বিদেশিরা বিরক্ত হয়ে ওঠেন বেগম জিয়ার সরকারের ওপর। গণতন্ত্রের পোস্ট অফিস হলো নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার হলেন পোস্টমাস্টার। গণতন্ত্রের পোস্ট অফিসে বেগম জিয়া ও নিজামীরা এমন পোস্টমাস্টারদের বসালেন, তাঁরা ডাকঘরে বসে সব মানুষের চিঠি খুলে খুলে পড়তেন। একটা ভুয়া নির্বাচনের এন্তেজাম জনগণ বানচাল করে দেয়। তবে সেই সঙ্গে বাংলাদেশ পায় এক গায়েবি আহমদীয় সরকার। গণতন্ত্রের ১২টা বেজে গেল।
২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ জানুয়ারি ২০০৯ যে সরকার গঠিত হয়েছে, এই সরকারের কাছে প্রত্যাশা—তারা অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে। এক বছরে অনেক প্রগতিশীল জনকল্যাণমূলক কাজ এই সরকার করেছে। কিন্তু আগবাড়িয়ে অনেক বিরক্তিকর কাজও করেছে। যেমন ঘড়ির কাঁটা নিয়ে টানাটানি, সূর্যের আলোকে জাপটে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা। বিভিন্ন স্থাপনার নামবদলের ফরমান জারি। আজ দলবহির্ভূত মানুষের চেতনার মান উঁচু, তাই তারা ব্যক্তিপূজা করে না, অন্যে করলেও পছন্দ করে না।
কৃষককে সারে ভর্তুকি দেওয়া, স্কুলশিক্ষার্থীদের যথাসময়ে বিনামূল্যে বই দেওয়া, দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে কৃষিঋণ বিতরণের ব্যবস্থা করা, প্রতিবেশী রাষ্ট্র বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ করার ব্যবস্থা করা, ধর্মপন্থী রাজনীতিকদের দমনে রাখা প্রভৃতি কাজ প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু জনগণের মূল দাবি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সুসংহত করা। তা হচ্ছে না। সরকারি ছাত্র-যুবদল টেন্ডারবাজি থেকে শিক্ষকদের পেটাচ্ছে, দখল করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনকে রেখেছে ভীতির মধ্যে।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, বিশেষ করে যাঁদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে, তাঁদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে, বিশেষ পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা বংশানুক্রমিক নিরাপত্তাব্যবস্থার বিধান নেই। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের বিশেষ নিরাপত্তার যে আইন সংসদে পাস হয়েছে, তার কোনো প্রয়োজন ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সরকারি আবাসনের বিধানটিও আইনের মাধ্যমে করার দরকার ছিল না। ভারতে গান্ধী-নেহরু পরিবারও সীমাহীন ঝুঁকির মধ্যে, রাষ্ট্র তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিধান করেছে, তবে তা আইন করে নয়। আমাদের সংবিধান সব নাগরিকের সমান নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
বাংলাদেশে অনবরত যাঁরা ‘সন্ত্রাস সন্ত্রাস’ করেন, তাঁরা মোটেই সঠিক কাজ করছেন না। পৃথিবীর কোথায় সন্ত্রাস নেই। পাকিস্তানের অবস্থা হাবিয়া দোজখের চেয়ে খারাপ। ভারতে অগণিত সন্ত্রাসী গ্রুপ। তার মধ্যে অতি বাম ও অতি ডান সবই আছে। আছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। রেনেসাঁর দেশ ইতালির প্রধানমন্ত্রীর নাক এমন ফাটানো ফাটিয়েছে যে, তিনি হাসপাতালে পড়ে ছিলেন অনেক দিন। পোপের মতো মহামান্য আঘাত খেয়েছেন, আহত হননি তেমন। তাঁর এক সহকর্মী আহত হয়েছেন ভালোই। পৃথিবীর কোনো শক্তিমানই আজ আর নিরাপদ নন। বুশের কানের কাছ দিয়ে জুতা উড়ে গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশ আজও অনেক শান্তিপূর্ণ দেশ।
গত তিন বছর কোনো হরতাল-অবরোধ নেই। এক বছর যাবত্ প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সুবোধ বালকের মতো চুপচাপ বসে আছে। তার পরও অর্থনৈতিক উন্নতি আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ থাকা মানে বাংলাদেশ ধনকুবের হয়ে যাওয়া নয়। বিদেশিদের আস্থা নেই, বিনিয়োগ হচ্ছে না। দেশি শিল্পোদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে চাইলে হাজারো ঝামেলা-ঝক্কি।
গত এক বছরে বিরোধী দল সরকারকে বিব্রত করেনি, করার মওকাও পায়নি। সরকার বিব্রত হয়েছে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টাদের কথাবার্তায়। সংসদে দাঁড়িয়ে কৃষিমন্ত্রীর মতো মানুষও যখন বলেন, একটি বুলেট প্রধানমন্ত্রীকে তাড়া করে ফিরছে, তখন আমাদের শরীর কাঁটা দেয়। ওভাবে বলতে নেই। প্রধানমন্ত্রীও যখন সব মন্ত্রীকে ‘সাবধানে থাকতে’ বলেন, তখন সাধারণ মানুষের চোখে অন্ধকার দেখা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
বাংলাদেশের প্রথম সরকারের ওপর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য গড়ে তোলার। সেই দায়িত্ব তাঁরা পালন করেননি। তার খেসারত তাঁরা দিয়েছেন। দেশ যে শুধু দীর্ঘ সামরিক শাসন পেয়েছিল তা-ই নয়, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক রাজনীতিও পায়।
অনেক নাটকের পরে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের দাবি—একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা যাতে টেকসই হয়, তার ব্যবস্থা তারা করবেন। টেকসই গণতন্ত্রের কিছু পূর্বশর্ত আছে। তার মধ্যে একটি হলো ভিন্নমতকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া। সরকারের বাইরের দল ও গোষ্ঠীগুলোকে নির্বিঘ্নে তাদের প্রকাশ্য কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করা। বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো রেখে সরকারি দলের নেতাদের মামলা মোকদ্দমা তুলে নেওয়া গণতন্ত্রের রীতি নয়।
স্বজনপ্রীতি একটি মানবিক প্রবৃত্তি। চিরকালই মানুষ তা করেছে। প্রিয়জনকে, অনুগতকে, বিশ্বাসভাজনকে কিছু দেওয়ায় আত্মতৃপ্তি আছে। কিন্তু অযোগ্য অনুগতকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালে বিপর্যয় ঘটা অনিবার্য। প্রশাসনকে দলীয়করণ একটি আত্মঘাতী প্রবণতা। তাতে ব্যক্তি লাভবান হয়—দেশ, জাতি, সরকার এমনকি সরকারি দল পর্যন্ত হয় ক্ষতিগ্রস্ত। অন্য দলের মানুষকে সন্দেহ করা একটি মানসিক রোগ। আওয়ামী লীগের অবিচল সমর্থক সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল প্রয়াত আমিনুল হককে সরিয়ে না দিয়ে আস্থায় রেখে খালেদা জিয়া উপকৃতই হয়েছিলেন।
জনগণকে রাজপথে নামার ব্যবস্থা যদি সরকারি দলই করে দেয়, অন্যের কী করার থাকে? কিশোরগঞ্জ জেলাকে ভেঙে ভৈরবকে জেলা করার আশ্বাস দেওয়ার কী যুক্তি ছিল? একটি নতুন জেলা করা মানে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয়। তা ছাড়া নতুন নতুন জেলা করার দাবি যদি একবার ওঠে, তা সামাল দেওয়ার সাধ্য কোনো সরকারের নেই। খালেদা জিয়ার প্রথম আমলে বিভাগের দাবিতে আন্দোলন ও রাজপথ অবরোধ আমরা দেখেছি। নতুন জেলা করা শুরু হলে বহু ইউনিয়ন থেকেও দাবি উঠবে তাদের জেলায় উন্নীত করা হোক।
এই সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা গণতান্ত্রিক সুশাসন। আমরা চাই গঠিত হোক একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। গত এক বছরের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট নই। সরকার আরও ভালো করবে, সেটাই প্রত্যাশা। আর বলতে চাই না: চিনিলাম আপনারে আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায়।
সরকারের এক বছর পূর্তি হবে কাল। সে সম্পর্কেই লিখতে চেয়েছিলাম। তার পরিবর্তে এই ইতস্তত ভাবনাগুলো প্রকাশ করা হলো।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
বাহাত্তরের সরকার ছিল আমাদের সব মানুষের সরকার, তাকে সহযোগিতা করা প্রত্যেকের কর্তব্য। কারণ, নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র পুনর্গঠন করা সরকারের কয়েকজন মানুষের কর্ম নয়—সব মানুষের সম্মিলিত কাজ। মানুষের বিশ্বাস ছিল, স্বাধীনতার আগে নেতারা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশ্নে যেসব অঙ্গীকার করেছিলেন, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন। গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠাই হবে সরকারের প্রধান কর্তব্য। কিন্তু বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা লক্ষ করলাম, তা হলো না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি, ভিন্ন মতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধ প্রভৃতি কারণে মানুষ হতাশ হয়। বাহাত্তরে যখন প্রথম সরকারের এক বছর পূর্ণ হলো, তখন বেদনায় নীল মানুষগুলোর নিশ্চয়ই মনে পড়ল রবীন্দ্রনাথের কবিতার সেই পঙিক্ত: চিনিলাম আপনারে আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায়।
প্রথম সরকারের প্রধান চার-পাঁচজন নেতা ছাড়াও অন্য নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে আমরা সারা দেশ ঘোরাফেরা করেছি। মিজানুর রহমান চৌধুরী, কোরবান আলী, আবদুস সামাদ আজাদ, শেখ আবদুল আজিজ, মোল্লা জালালউদ্দিন, সোহরাব হোসেন, ইউসুফ আলি, জহুর আহমদ চৌধুরী, ফণীভূষণ মজুমদার, ড. কামাল হোসেন, আবদুল মান্নান, আবদুল মোমেন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনোরঞ্জন ধর প্রমুখ মন্ত্রীকে খুব কাছে থেকে দেখেছি। তাঁরা কেউই খারাপ মানুষ ছিলেন না। রুটিন দায়িত্ব ঠিকঠাকমতো পালন করেন। কিন্তু নতুন রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য যে বাড়তি পরিশ্রম করা দরকার, তা তাঁরা করার প্রয়োজন মনে করেননি। প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ছিল না কোনো মন্ত্রীর মধ্যেই। তখন অত সিকিউরিটি বা কড়াকড়ি ছিল না। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের আশপাশে ঘুরঘুর করলেও কেউ বাধা দিত না। এখনকার নতুন মনের মানুষের কাছে বিস্ময়কর মনে হবে এবং কথাটা শুনতে মোটেই ভালো লাগবে না, তা হলো—স্বাধীনতা-পরবর্তী সাড়ে তিনটি বছরই মন্ত্রিপরিষদে সবচেয়ে প্রভাবশালী ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও খোন্দকার মোশতাক। অফিসার ও দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ধমক দিয়ে কথা বলতে পারতেন এই দুই নেতাই।
সব দোষ ও দায়দায়িত্ব আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলে সেটাও হবে তাদের ওপর খুবই অবিচার। দেশের সর্বনাশের জন্য যুবনেতাদের দায়ভার কে বহন করবে? আমেরিকার স্বাধীনতাযুদ্ধের মতো বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধও সূচনা করেন যুবনেতারা। স্বাধীনতার পরে তাঁরা কোথায় ছিলেন? স্বাধীনতার দাবিতে জনমত গঠন প্রথম শুরু করেন মওলানা ভাসানী, কিন্তু স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তিনি ও তাঁর সাহাবারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেননি। মাঠেময়দানে সরকারের সমালোচনা করেই তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব শেষ করেন।
ষাটের দশকের অধিকাংশ ছাত্র-যুবনেতা ছিলেন সংগ্রামী ও মিলিট্যান্ট। পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাঁরা ছিলেন আপসহীন। অকারণে জেলজুলুম খেটেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সূচনাই করেন তাঁরা। সেনাবাহিনীর লোকেরা পাকিস্তানি পক্ষ ত্যাগ করেছেন শেষ মুহূর্তে। নানা রকম অভ্যন্তরীণ কলহ সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধে যুবনেতাদের অবদান রাজনৈতিক নেতাদের চেয়ে বেশি। স্বাধীনতার পরে তাঁদের কাছে জাতির প্রত্যাশা ছিল আরও বেশি। কিন্তু এ সময়ই তাঁরা জাতিকে হতাশ করেন সবচেয়ে বেশি। রণমুখী নেতারা অর্থবিত্তমুখী হয়ে ওঠেন। জনগণের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থই হয়ে ওঠে তাঁদের কাছে বড়। স্বাধীন দেশকে দেওয়ার মতো কোনো ধনই আর তাঁদের কাছে সঞ্চিত ছিল না।
কোনো জাতি উন্নত হয়ে ওঠে তার জনগণের অসামান্য শ্রম ও মেধাবী মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের যোগফলে। আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রামী রাজনৈতিক নেতা ও যুবনেতাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ধার ছিল না। মাঠেঘাটে অনর্গল বক্তৃতা দেওয়া আর দেশের দূরভবিষ্যত্ নিয়ে ভাবনা করা, দুই রকমের কাজ। ইনটেলেকচুয়াল ভ্যাকুম বা বুদ্ধিবৃত্তিক শূন্যতার ফলে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অতিদ্রুত বিপজ্জনক পথে ধাবিত হয়। ১০০ বছর নয়, ১০ বছর পর দেশটির কী হবে, তা ভাবার কেউ ছিলেন না। নতুন রাষ্ট্রে চিন্তা ও বুদ্ধিচর্চাকে উত্সাহিত করা হলো না। তা করা হলো না এই ভয়ে যে, তাতে অগ্রহণযোগ্য ভিন্নমতের প্রকাশ ঘটতে পারে। মুক্তচিন্তা ও গণতন্ত্রচর্চাকে শত্রুতামূলক ব্যাপার বলে গণ্য করা হলো।
রাষ্ট্রে পাঁচ ভাগ কাজ করেন রাজনীতিকেরা, ৯৫ ভাগ কাজ করতে হয় কর্মকর্তাদের। পাকিস্তান আমলে নিযুক্ত আমলারা আদর্শগতভাবে যা-ই হোন না কেন, তাঁদের মোটামুটি ভালোই দক্ষতা ছিল। বিশেষ করে, সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিসের অফিসাররা ছিলেন কমনওয়েলথ দেশগুলোর দক্ষ কর্মকর্তাদের সমকক্ষ। প্রশাসনে হোক, বিচার বিভাগে হোক, পুলিশে হোক, হিসাব বিভাগে হোক, অথবা যে ক্যাডারেই হোক, সেকালের অফিসারদের শিক্ষাদীক্ষায় ঘাটতি ছিল না। দক্ষ আমলা ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায় একবার আমার সঙ্গে আলোচনায় বলছিলেন, ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের যেসব বাঙালি অফিসার উপসচিব এবং পূর্বপাকিস্তান সরকারের যাঁরা যুগ্ম সচিব পর্যায়ে ছিলেন, তাঁদের দক্ষতা ছিল এবং রাষ্ট্র চালানোর অভিজ্ঞতাও তাঁদের ছিল। তাঁদের মান ভারতের অফিসারদের চেয়ে মোটেই নিচু ছিল না।
দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পরে যখন আমাদের বেশিসংখ্যক সুশিক্ষিত ও দক্ষ আমলার প্রয়োজন, তখনই আমলাতন্ত্রকে তছনছ করে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পরে আমলাতন্ত্রে যাঁরা প্রবেশ করেন, তাঁরা ক্ষমতাসীনদের আশীর্বাদে চাকরি পান, যোগ্যতায় নয়। পাকিস্তানে প্রতিবছর সিএসএস পরীক্ষা হতো, নিরপেক্ষ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ছিল, মেধাবীরাই আসতেন প্রশাসনে। স্বাধীনতার পরে মেধার স্থান দখল করল খোশামোদ।
১৯৭৩ সালের নির্বাচনে বিরোধী দলকে সংসদে আসতে দেওয়া হলো না, আমলাতন্ত্র তছনছ হলো, যুবনেতারা ব্যবসা-বাণিজ্য, লাইসেন্স পারমিট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার পাঠ চুকে গেল, বুদ্ধিজীবীরা খোশামুদে হয়ে উঠলেন এবং পাঞ্জাবির পকেটের সংখ্যা বাড়ালেন, ব্যবসায়ীরা মুনাফার ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে থাকলেন। একপর্যায়ে কাগজপত্রে যেটুকু গণতন্ত্র ছিল, তা-ও গেল। আমার মতো মানুষ মনে মনে বলল: স্বদেশকে চিনিলাম আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায়।
পাকা ১৫টি বছর সামরিক একনায়কত্ব। দীর্ঘ রক্তাক্ত আন্দোলনের ভেতর দিয়ে স্বৈরাচারের পতন হয়। ১৯৯১-তে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। ভেবেছিলাম, দেশে ধীরে ধীরে গণতন্ত্র আসছে। অনভিজ্ঞ বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভা একরকম চালাল। কিন্তু শেষ পর্যায়ে গিয়ে তাঁদের বাসনা হলো, আরও দুই-তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকবেন। গেল গণতন্ত্র নস্যাত্ হয়ে।
আবার আন্দোলন। সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তিত হলো। ওই পদ্ধতি গণতন্ত্রের সঙ্গে ঠিকমতো খাপ খায় না। তবু মেনে নিতে হলো ‘গণতন্ত্রের স্বার্থেই’। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এল শেখ হাসিনার সরকার। তিনিও ছিলেন অনভিজ্ঞ। কিন্তু মেয়াদের অর্ধেক সময় তিনি ভালোই চালালেন। তারপর ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, মোহাম্মদপুর প্রভৃতি জায়গা পরিণত হলো গণতন্ত্রের বধ্যভূমিতে। পরিপূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে লাগলেন ফেনী, নারায়ণগঞ্জসহ সোনার বাংলার বিভিন্ন পরগনার শাসনকর্তারা। ওই সব পরগনার শাসকেরা চেঙ্গিস খাঁর চেয়েও দুর্ধর্ষ হয়ে উঠলেন। এত কষ্টে পাওয়া গণতন্ত্রের হার্ট অ্যাটাক হলো। ২০০১-এর নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করল। আওয়ামী লীগ সরকারের বাড়াবাড়ির জবাবটি জনগণ দিল নেতিবাচক কায়দায়। বিএনপি পেল বিপুলসংখ্যক আসন এবং জামায়াতের নেতারা বেগম জিয়ার আশীর্বাদে বাংলার সুবেদারি পেয়ে গেলেন। খালেদা জিয়া দাবি করলেন, তাঁর দল মধ্যপন্থী লিবারেল ডেমোক্র্যাট। কিন্তু দেখা গেল, তাঁর হূদ্যতা দেশের উচ্চশিক্ষিত আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নয়, গ্রাম্য কাঠমোল্লাদের সঙ্গে, তাবিজ-কবজ বিক্রেতাদের সঙ্গে এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের বাংলা ভাষা বিশেষজ্ঞ কোনো ভাই বা শায়খ-মুফতির সঙ্গে। তিনি এক শ ভাগ নির্ভেজাল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে ইসলামি ধর্মান্ধতাতন্ত্র কায়েম করলেন। তখন আমরা বাংলার যেদিকে তাকাতাম, দেখতে পেতাম, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লাল সালুর ভাষায়, ‘শস্যের চেয়ে টুপি বেশি।’ বাংলাদেশের ভাইটি ও তার ওস্তাদকে বাঁচাতে গিয়ে সরকারের ওপর বিদেশিরা গেল বিগড়ে।
বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকারের শেষ দিকে একজন সদ্য আগত বিদেশিনী এক পার্টিতে কথা প্রসঙ্গে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘হোয়াট ইজ দ্য পজিশন অব টারেক রাহমান ইন দ্য গভর্নমেন্ট?’ আমি তাঁকে বললাম, ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পরে আয়াতুল্লাহ খোমেনির যে পজিশন ছিল, তারেক রহমানেরও বাংলাদেশে তাই। কৌম শহরে ঘরে বসে আয়াতুল্লাহ খোমেনি ইরান সরকারকে শাসন করতেন, হাওয়া ভবন আমাদের কৌম শহর, সেখানে বসে তারেক রহমান সাহেব মন্ত্রী-সচিবদের শাসন করেন।
আমার আয়াতুল্লাহ খোমেনির বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। অতি সাধারণ ঘর। টাকা-কড়ি তিনি ছুঁয়েও দেখতেন না। কিন্তু তারেক রহমান সাহেবের দৃষ্টি ছিল টাকার দিকেই। তার কারণেও বিদেশিরা বিরক্ত হয়ে ওঠেন বেগম জিয়ার সরকারের ওপর। গণতন্ত্রের পোস্ট অফিস হলো নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার হলেন পোস্টমাস্টার। গণতন্ত্রের পোস্ট অফিসে বেগম জিয়া ও নিজামীরা এমন পোস্টমাস্টারদের বসালেন, তাঁরা ডাকঘরে বসে সব মানুষের চিঠি খুলে খুলে পড়তেন। একটা ভুয়া নির্বাচনের এন্তেজাম জনগণ বানচাল করে দেয়। তবে সেই সঙ্গে বাংলাদেশ পায় এক গায়েবি আহমদীয় সরকার। গণতন্ত্রের ১২টা বেজে গেল।
২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে ৬ জানুয়ারি ২০০৯ যে সরকার গঠিত হয়েছে, এই সরকারের কাছে প্রত্যাশা—তারা অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে। এক বছরে অনেক প্রগতিশীল জনকল্যাণমূলক কাজ এই সরকার করেছে। কিন্তু আগবাড়িয়ে অনেক বিরক্তিকর কাজও করেছে। যেমন ঘড়ির কাঁটা নিয়ে টানাটানি, সূর্যের আলোকে জাপটে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা। বিভিন্ন স্থাপনার নামবদলের ফরমান জারি। আজ দলবহির্ভূত মানুষের চেতনার মান উঁচু, তাই তারা ব্যক্তিপূজা করে না, অন্যে করলেও পছন্দ করে না।
কৃষককে সারে ভর্তুকি দেওয়া, স্কুলশিক্ষার্থীদের যথাসময়ে বিনামূল্যে বই দেওয়া, দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে কৃষিঋণ বিতরণের ব্যবস্থা করা, প্রতিবেশী রাষ্ট্র বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ করার ব্যবস্থা করা, ধর্মপন্থী রাজনীতিকদের দমনে রাখা প্রভৃতি কাজ প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু জনগণের মূল দাবি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সুসংহত করা। তা হচ্ছে না। সরকারি ছাত্র-যুবদল টেন্ডারবাজি থেকে শিক্ষকদের পেটাচ্ছে, দখল করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনকে রেখেছে ভীতির মধ্যে।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, বিশেষ করে যাঁদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে, তাঁদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে, বিশেষ পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা বংশানুক্রমিক নিরাপত্তাব্যবস্থার বিধান নেই। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের বিশেষ নিরাপত্তার যে আইন সংসদে পাস হয়েছে, তার কোনো প্রয়োজন ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সরকারি আবাসনের বিধানটিও আইনের মাধ্যমে করার দরকার ছিল না। ভারতে গান্ধী-নেহরু পরিবারও সীমাহীন ঝুঁকির মধ্যে, রাষ্ট্র তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিধান করেছে, তবে তা আইন করে নয়। আমাদের সংবিধান সব নাগরিকের সমান নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
বাংলাদেশে অনবরত যাঁরা ‘সন্ত্রাস সন্ত্রাস’ করেন, তাঁরা মোটেই সঠিক কাজ করছেন না। পৃথিবীর কোথায় সন্ত্রাস নেই। পাকিস্তানের অবস্থা হাবিয়া দোজখের চেয়ে খারাপ। ভারতে অগণিত সন্ত্রাসী গ্রুপ। তার মধ্যে অতি বাম ও অতি ডান সবই আছে। আছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। রেনেসাঁর দেশ ইতালির প্রধানমন্ত্রীর নাক এমন ফাটানো ফাটিয়েছে যে, তিনি হাসপাতালে পড়ে ছিলেন অনেক দিন। পোপের মতো মহামান্য আঘাত খেয়েছেন, আহত হননি তেমন। তাঁর এক সহকর্মী আহত হয়েছেন ভালোই। পৃথিবীর কোনো শক্তিমানই আজ আর নিরাপদ নন। বুশের কানের কাছ দিয়ে জুতা উড়ে গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশ আজও অনেক শান্তিপূর্ণ দেশ।
গত তিন বছর কোনো হরতাল-অবরোধ নেই। এক বছর যাবত্ প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সুবোধ বালকের মতো চুপচাপ বসে আছে। তার পরও অর্থনৈতিক উন্নতি আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ থাকা মানে বাংলাদেশ ধনকুবের হয়ে যাওয়া নয়। বিদেশিদের আস্থা নেই, বিনিয়োগ হচ্ছে না। দেশি শিল্পোদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে চাইলে হাজারো ঝামেলা-ঝক্কি।
গত এক বছরে বিরোধী দল সরকারকে বিব্রত করেনি, করার মওকাও পায়নি। সরকার বিব্রত হয়েছে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টাদের কথাবার্তায়। সংসদে দাঁড়িয়ে কৃষিমন্ত্রীর মতো মানুষও যখন বলেন, একটি বুলেট প্রধানমন্ত্রীকে তাড়া করে ফিরছে, তখন আমাদের শরীর কাঁটা দেয়। ওভাবে বলতে নেই। প্রধানমন্ত্রীও যখন সব মন্ত্রীকে ‘সাবধানে থাকতে’ বলেন, তখন সাধারণ মানুষের চোখে অন্ধকার দেখা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
বাংলাদেশের প্রথম সরকারের ওপর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য গড়ে তোলার। সেই দায়িত্ব তাঁরা পালন করেননি। তার খেসারত তাঁরা দিয়েছেন। দেশ যে শুধু দীর্ঘ সামরিক শাসন পেয়েছিল তা-ই নয়, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক রাজনীতিও পায়।
অনেক নাটকের পরে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের দাবি—একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা যাতে টেকসই হয়, তার ব্যবস্থা তারা করবেন। টেকসই গণতন্ত্রের কিছু পূর্বশর্ত আছে। তার মধ্যে একটি হলো ভিন্নমতকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া। সরকারের বাইরের দল ও গোষ্ঠীগুলোকে নির্বিঘ্নে তাদের প্রকাশ্য কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করা। বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো রেখে সরকারি দলের নেতাদের মামলা মোকদ্দমা তুলে নেওয়া গণতন্ত্রের রীতি নয়।
স্বজনপ্রীতি একটি মানবিক প্রবৃত্তি। চিরকালই মানুষ তা করেছে। প্রিয়জনকে, অনুগতকে, বিশ্বাসভাজনকে কিছু দেওয়ায় আত্মতৃপ্তি আছে। কিন্তু অযোগ্য অনুগতকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালে বিপর্যয় ঘটা অনিবার্য। প্রশাসনকে দলীয়করণ একটি আত্মঘাতী প্রবণতা। তাতে ব্যক্তি লাভবান হয়—দেশ, জাতি, সরকার এমনকি সরকারি দল পর্যন্ত হয় ক্ষতিগ্রস্ত। অন্য দলের মানুষকে সন্দেহ করা একটি মানসিক রোগ। আওয়ামী লীগের অবিচল সমর্থক সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল প্রয়াত আমিনুল হককে সরিয়ে না দিয়ে আস্থায় রেখে খালেদা জিয়া উপকৃতই হয়েছিলেন।
জনগণকে রাজপথে নামার ব্যবস্থা যদি সরকারি দলই করে দেয়, অন্যের কী করার থাকে? কিশোরগঞ্জ জেলাকে ভেঙে ভৈরবকে জেলা করার আশ্বাস দেওয়ার কী যুক্তি ছিল? একটি নতুন জেলা করা মানে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয়। তা ছাড়া নতুন নতুন জেলা করার দাবি যদি একবার ওঠে, তা সামাল দেওয়ার সাধ্য কোনো সরকারের নেই। খালেদা জিয়ার প্রথম আমলে বিভাগের দাবিতে আন্দোলন ও রাজপথ অবরোধ আমরা দেখেছি। নতুন জেলা করা শুরু হলে বহু ইউনিয়ন থেকেও দাবি উঠবে তাদের জেলায় উন্নীত করা হোক।
এই সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা গণতান্ত্রিক সুশাসন। আমরা চাই গঠিত হোক একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। গত এক বছরের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট নই। সরকার আরও ভালো করবে, সেটাই প্রত্যাশা। আর বলতে চাই না: চিনিলাম আপনারে আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায়।
সরকারের এক বছর পূর্তি হবে কাল। সে সম্পর্কেই লিখতে চেয়েছিলাম। তার পরিবর্তে এই ইতস্তত ভাবনাগুলো প্রকাশ করা হলো।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 01
(116)
- চারদিক-‘দ্যাহা তো যায় ঘুঘুর মতো’ by আমীন আল রশীদ
- বিশ্ব বাণিজ্য-বাজারসুবিধা ও আমেরিকার দ্বৈতনীতি by ...
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের এক বছর পূর...
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের এক বছর পূর...
- আরইবির ব্যর্থতার দায় কৃষকের ওপর চাপানো যাবে না-সেচ...
- অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে সামনে এগোতে হবে-সরকারের এক বছর
- স্মরণ-এই শ্রদ্ধাঞ্জলি বরং প্রতিবাদ বলেই গণ্য হোক b...
- চালের মূল্য বৃদ্ধি-চালের দাম ও খাদ্যসমস্যার ইতিবৃত...
- ওবামা ও মিথ্যা-শান্তির খোলসের আড়ালে by জন পিলজার
- গদ্যকার্টুন-মাত্র দুই মাস লেট by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-চিনিলাম আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায় by স...
- নিঃস্বার্থ ও দায়িত্বশীল একজন মানুষের চিরপ্রস্থান-স...
- প্রযুক্তিনির্ভর আদালত-ব্যবস্থাপনা সময়ের দাবি-প্রধা...
- পাণ্ডিত্যে প্রজ্ঞায় সাহসে নমস্য by নাসির আহমেদ
- মে দিবস-অধিকার হরণ নয় প্রদানেই সমাধান by ওয়াজেদুল ...
- পাবনা প্রেস ক্লাব by এবিএম ফজলুর রহমান
- বিল ব্যবস্থাপনা-'আপন ঘরে বোঝাই সোনা, পরে করে লেনা-...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-বাংলাদেশে পহেলা মে by বদরুদ্দীন উমর
- মে দিবস-শ্রমজীবী মানুষের বঞ্চনা দূর হোক
- কৃষি খাতে ভর্তুকি-যে বিনিয়োগে অশেষ প্রতিদান
- ভিনদেশি রস-ভাষান্তর: আবুল হাসনাত
- অহেতুক কৌতুক
- বিখ্যাত ব্যক্তিদের রসাল ঘটনা
- নতুন বছরের প্রত্যাশা by সারওয়ার-উল-ইসলাম
- রসকীয়-ক্যালেন্ডারে কাগজের অপচয় জাতীয় স্বার্থে রোধ ...
- চারদিক-সাম্যের মন্ত্রে এগিয়ে যাও! by নেয়ামতউল্যাহ
- সরল গরল-পঞ্চম সংশোধনী বাতিল নিয়ে বিভ্রান্তি by মিজ...
- শিক্ষক লাঞ্ছনা-ক্ষমতার দাপটে এভাবেই কি চলবে বিশ্বব...
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন-কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ও জলবায়ু:...
- জাতীয় সংসদ-ওএসডি এমপি by শাহ্দীন মালিক
- অব্যাহতভাবে কূটনৈতিক চাপ বজায় রাখতে হবে-রোহিঙ্গা শ...
- এ অন্যায় চলতে দেওয়া যায় না-গাড়িচালকদের অবৈধ লাইসেন্স
- চলতি পথে-রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ-দুর্গ by দীপংক...
- পানিসম্পদ-দিল্লি বৈঠকে অভিন্ন নদীগুলো নিয়ে আমাদের ...
- সুশাসন-ছোট ছোট উদ্যোগ ও পরিবর্তন আনতে হবে by আকবর ...
- পর্যটনশিল্প-পর্যটন খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক যা করতে পা...
- চিরকুট-প্রথম দিনের সূর্য by শাহাদুজ্জামান
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-সরকারকে শর্তহীন তহবিলপাওয়ার জন্য...
- ফজলে হাসান আবেদকে অভিনন্দন-বিরল সম্মান
- দেশ ও দলের ভাবমূর্তির জন্য আত্মঘাতী-বেগম খালেদা জি...
- জন্মদিন-স্বদেশ বোস: ভালোবাসার মানুষ by জোবাইদা নাসরীন
- অর্থনীতি-বৈদেশিক মুদ্রার বড় রিজার্ভ: সুখের, তবে বো...
- শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-আদিবাসীদের সম্পৃক্ত করা দরকার...
- তথ্য অধিকার-তথ্য কমিশনকে আমরা কেমন দেখতে চাই by মু...
- চিত্র-বিচিত্র by আশীষ-উর-রহমান
- দুষ্টের দমনে কোনো শিথিলতা নয়-শিক্ষককে প্রহার
- সরকার উদার হোক, মূল কারণ শনাক্ত করুক-বিরোধী দলের স...
- অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারী শ্রমিকদের স্বীকৃতি নেই র...
- শিশু শ্রমিকদের মজুরি ‘কাজ শেখা’ by মাজেদুল নয়ন
- শুভ হোক নতুন বছর by আশানুজ্জামান
- বিচারের বাণী-বাংলাদেশের আদি সংবিধানের ক্ষমতা by মো...
- ধর্ম-শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান by মুহাম্মদ আবদুল...
- তথ্যপ্র্রযুক্তি-ডিজিটাল বাংলাদেশের সালতামামি by মু...
- নববর্ষ-আলোর দিকেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ by আনিসুল হক
- ক্রেতা-বিক্রেতাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে-এসিড-সন্ত্রাস
- নতুন আশা ও স্বপ্ন-স্বাগত ২০১০
- আজ মহান মে দিবস
- প্রধানমন্ত্রী ইলিয়াসের পরিবারকে গণভবনে ডেকেছেন কাল
- উল্টো জব্দ by শামসুজ্জামান খান
- একটি টেলিফোন by সিমু নাসের
- গরমের দেশের মানুষ বেশি মরিচ খায় কেন? by আব্দুল কাইয়ুম
- অহেতুক কৌতুক
- র স কী য় র বি ষ য় কী হ বে?-কর্তৃপক্ষের কাছে সমাধান...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-সহজ মানুষ by কাজল রশীদ
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-উপনির্বাচন সুষ্ঠু,...
- কাল সারা দেশে বিক্ষোভ করবে বিএনপি
- দেশে পা রেখেই ভাইসহ লাশ হলেন ইলিয়াস
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-মুক্তমঞ্চে হামলা, সাংস্...
- মধ্যপ্রাচ্য-মিসরীয় স্বৈরতন্ত্রের মৃত্যুযন্ত্রণা by...
- নিসর্গ-সামান্য ও অসামান্য by দ্বিজেন শর্মা
- গতকাল সমকাল-আরব বিশ্বে রাজনৈতিক ‘সুনামি’ by ফারুক ...
- দুই দেশকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে-সীমান্ত সমস্যা
- প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হলে দুর্নীতি কমবে না-দুদক আইনে...
- শিল্পকলার সাবেক পরিচালক মাঝরাতে নিজ বাসায় খুন
- তিন মামলায় শীর্ষ নেতাদের প্রায় সবাই আসামি রিজভী, র...
- প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাচ্ছে ট্রানজিট-দক্ষ ও স্বচ্ছ কম...
- মহান মে দিবস-প্রতিষ্ঠিত হোক শ্রমিকের অধিকার
- পবিত্র কোরআনের আলো-প্রতিপক্ষের দাবি অনুযায়ী ফরমায়ে...
- ঠান্ডা ঠান্ডা আইসক্রিম
- গরমের পোশাক
- এই সময়ের ট্রেন্ডি পোশাক by শারমিন নাহার
- এখন চাই টি-শার্ট by ইমাম হাসান
- এই দিনে-এক মে দিবস থেকে আরেক মে দিবসে... by শারমিন...
- মে দিবস-শ্রমিকশ্রেণী ও গণমানুষের সংগ্রাম by ওয়াজেদ...
- এর দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা দূর করা জরুরি-শিশুখাদ্য আইন
- শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন জরুরি-মে দিবস
- সহজ-সরল-আর কত কিছু ভুলে গিয়ে বেঁচে থাকব আমরা? by ক...
- চালচিত্র-রাজনীতির বন্ধ্যত্ব ও অভিমন্যুবধ by শুভ রহমান
- হাবিবুর রহমান স্যারকে মনে পড়ে by তুলসী কুমার দাস
- প্রযুক্তি-নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ই-ভোটিং
- ভাবুন হাজারবার! by আসিফ আহমেদ
- উন্নয়ন-পরিবেশ বিনষ্ট করে তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প! by ম....
- রাষ্ট্র-ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন by খোন্দকার ইব্র...
- মুছাপুর রেগুলেটর-বিপর্যয়ের দায় কার?
- ইন্দিরাকে স্বাধীনতা সম্মাননা-গৌরবান্বিত হলো বাংলাদেশ
- কল্পকথার গল্প-অস্ত গেল হরতালের চাঁদ by আলী হাবিব
- চরাচর-ঐতিহাসিক বিক্রমপুর by আজিজুর রহমান
- ইমেজ সংকটে শ্রমিক আন্দোলন by মো. রোকন উদ্দিন আহম্মেদ
- কৃষিশ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কথা by আবু নোমান ফারুক আ...
- মে দিবস ও বাংলাদেশের শ্রমিক শ্রেণী by হায়দার আকবর ...
- অতঃপর বিদ্যুৎ সংযোগ
- আর কত প্রাণহানি
- পবিত্র কোরাআনের আলো-এতিম ও মিসকিনদের প্রতি সহমর্...
- স্মরণ-শহীদ মশিউর রহমান : একজন বীরের প্রতিকৃতি by ম...
- সত্যজিৎ পাঁচালি : নিজেকে গড়ার গরিমা by মৃধা রেজাউল
- সদরে অন্দরে-ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়ার হালচাল by মোস...
- ইতিউতি-রেলগাড়িতে উঠবে নাকি সোনার তরী by আতাউস সামাদ
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ৭১ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার-হরতালে বিভিন্ন স্থানে গাড়ি...
- ২৮ টাকা কেজি দরে ১০ লাখ টন চাল কিনবে সরকার
- শুভ্রতায় সতেজ by খাদিজা ফাল্গুনী
- হরতাল: আট ঘণ্টার অফিস ১২ ঘণ্টা পার
- হিলারির ঢাকা সফর অগ্রবর্তী দলের বৈঠক টিকফা সই ...
- অ্যাম্বুলেন্স-অটোরিকশা সংঘর্ষ-দুই ভাইয়ের জীবন গেল
- মির্জা ফখরুলসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বাসায় তল্লাশি, রি...
- প্রথম আলো গোলটেবিল বৈঠক-‘শেয়ারবাজার কোন পথে’
-
▼
May 01
(116)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment