Thursday, August 23, 2012
কণ্ঠস্বর-মধ্যপ্রাচ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে? by রাহাত খান
কণ্ঠস্বর-মধ্যপ্রাচ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে? by রাহাত খান
ইয়েমেন ও সিরিয়ায় নিকটভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা এতদিনে অনেকটাই পরিষ্কার। আরব বিশ্বের এ দুটি দেশেই সরকারবিরোধী গণতন্ত্রকামীরা ঐক্যবদ্ধ। নানা দল ও সংস্থা নিয়ে এ দুটি দেশে গড়ে উঠেছে একক প্লাটফর্ম। সমঝোতার প্রস্তাবে তারা নিজেদের দাবিনামাও পেশ করেছে
মধ্যপ্রাচ্য তেলসম্পদ এবং অন্যান্য কৌশলগত কারণে বিশ্বের পরা ও বৃহৎ শক্তিগুলোর কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব পেয়ে আসছে গত শতাব্দীর তিরিশ দশকের পর থেকেই। এই গুরুত্ব সময়ের ধারায় না কমে বরং বেড়েছে। হালে আরব বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে গণজাগরণ ও গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে। এক পক্ষে স্বৈরশাসক ও রাজতন্ত্র, অন্যদিকে অধিকারহারা শোষিত-বঞ্চিত সাধারণ মানুষ। ঘটনাক্রম এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে, আরব বিশ্বে কোনো কোনো দেশে গৃহযুদ্ধের বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্বাভাবিক কারণে পরা ও বৃহৎ শক্তির তো বটেই, বিশ্বের সাধারণ মানুষের দৃষ্টিও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে।
এই বিষয়টি নিয়েই আজ আলোচনা করার ইচ্ছা। তবে সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে বাদ দিয়ে পাশ কাটিয়ে অন্য প্রসঙ্গে যাওয়া খুব মুশকিল। অন্তত আমার পক্ষে। আমি ক্রিকেটের কোনো খেলোয়াড় নই। কোনোদিন ছিলাম না। আমি বরাবর ছিলাম যাকে বলে খেলার দর্শক। তবে শুধু ক্রিকেটের সাদামাটা একজন দর্শক বললে বোধকরি সবটা বোঝায় না। গত দেড় মাস বিশ্বের অন্তত ৪০০ কোটি লোক বিশ্বকাপ ক্রিকেটের যে প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল, আমি সেসব আক্রান্তের একজন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হওয়ার দিন থেকেই বাংলাদেশের প্রায় সবার মতো আমিও চেয়েছি বাংলাদেশ জিতুক। ইংল্যান্ডের মতো বড় দল এবং আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মতো ক্রমেই শক্তিধর হয়ে ওঠা দলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয় যেমন আমাদের সবাইকে আনন্দে ভাসিয়ে দিয়েছে, তেমনি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হেরে যাওয়া এবং কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে না পারাটাও তেমনি দুঃখ দিয়েছে বেশুমার।
ক্রিকেট বা ফুটবল বা যে কোনো খেলা হারজিতেরই খেলা। এ দুটি প্রধান খেলার জয়-পরাজয়ের সঙ্গে সমর্থকদের দুঃখ-আনন্দ মিলেমিশে আছে। এই যেমন বাংলাদেশের পর ক্রিকেটে যে দলকে সমর্থন করে আসছি বহুদিন ধরে, গত শনিবার ২ এপ্রিল, সেই দলের জয় এবং ক্রিকেটের বিশ্বকাপ ট্রফি লাভ করে ভারতের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা আমাকে, আমার মতোই ভারতের সমর্থক আমার কিশোর বয়সী ছেলে ও স্ত্রীকে যে আনন্দ দিয়েছে, সেই আনন্দের বুঝি কোনো তুলনা হয় না। পাশাপাশি ফাইনাল খেলায় শ্রীলংকার পরাজয়ে গোটা শ্রীলংকাবাসী এবং ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান প্রভৃতি দলের সমর্থকদের মতো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শ্রীলংকার সমর্থকদের শোক ও হতাশাও যে কত মর্মবিদারী হয়েছে তা-ও কিছুটা অনুভব করতে পারি। তবে সে যা-ই হোক, বিশ্বকাপ ক্রিকেটের যবনিকাপাত হয়ে গেছে গত শনিবারেই, রাতের প্রথম প্রহরে। ক্রিকেট-জ্বরের মাত্রা এখন অনেকটাই নিচে। সংবাদপত্রে ক্রিকেট এখন সেরা সংবাদের স্পেস ছেড়ে দিয়ে ঢুকে গেছে ভেতরের খেলার পৃষ্ঠায় বা টুকিটাকিতে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গত শনিবারের পর ক্রিকেট চলে গেছে সেরা সংবাদের তালিকা থেকে বড়জোর টক শোতে। ক্রিকেটের জন্য টিভি চ্যানেলের এই সামান্যটুকু আয়োজনও যে ক্ষণস্থায়ী হবে, হতে হতে শেষে শূন্যের কোঠায় চলে যাবে, সেটা প্রায় নিদ্বর্িধায় বলা যায়। তবে বিশ্ব টুর্নামেন্টের বাইরেও তো ক্রিকেট আছে। দেশে দেশে ক্রিকেট খেলা আছে। বলতে হয়, সারা বছরই ক্রিকেট খেলা চলে। প্রচারমাধ্যমেও তখন ক্রিকেট ফিরে আসে অনিবার্যভাবে আপন মহিমায়।
ক্রিকেটবোদ্ধা নই, তারপরও যে এতগুলো শব্দ, বাক্য খরচ করলাম ক্রিকেটের কথা বলতে গিয়ে, তার ভিন্নতর একটা কারণও রয়েছে। দেড় মাস ধরে চলা বিশ্বকাপ ক্রিকেট বিশ্বের বহু ঘটে যাওয়া কিংবা ঘটমান গুরুত্বপূর্ণ সংবাদকে কিছুটা হলেও অচল করে দিয়েছিল। অন্তত প্রচারমাধ্যমের লাইমলাইট পায়নি বিশ্বের নানা দেশে ঘটে যাওয়া বহু সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। ক্রিকেটের পাগল যে সাধারণ পাগলদের চেয়ে সংখ্যায় বহুগুণ বেশি, তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই।
বেশি কথা না বাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আরব রাষ্ট্রগুলোর হালচাল নিয়ে বলি। মধ্যপ্রাচ্যের আরব বিশ্বে, গণতন্ত্র না হোক, দেশ শাসনের কিছুটা উদার পরিবেশ বিরাজ করছে বাহরাইন ও লেবাননে। বাহরাইন আমির (রাজা) শাসিত দেশ। আমির মরে গেলে বা কোনো কারণে সিংহাসন ত্যাগ করলে সেখানে সমাসীন হন আমিরের ছেলে বা আমিরের ভাই অথবা রাজবংশেরই অন্য কেউ। বাহরাইনে শিক্ষিতের হার শতকরা ৬০ ভাগের বেশি। মেয়েরা বেশিরভাগ অফিস-আদালত বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। তাদের যথেষ্টই ক্ষমতায়ন ঘটেছে, বলতে গেলে আরব বিশ্বের নিরিখে আশাতীত। আমিরশাসিত হলেও সেখানে পার্লামেন্ট আছে, মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য রয়েছেন, মনোনীত ও নির্বাচিত লোকদের দিয়ে চলে পার্লামেন্ট। দেশ শাসনে পার্লামেন্টের মোটামুটি কার্যকর একটা ভূমিকা থাকে।
লেবাননে ক্ষমতা হস্তান্তর ঘটে নির্বাচনী ধারায়। খ্রিস্টান ও মুসলিম অধিবাসীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত থাকলেও, এমনকি কখনও-সখনও গৃহযুদ্ধ বাধলেও লেবাননই হচ্ছে আরব বিশ্বের একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ। লক্ষণীয়, বাহরাইনে সংস্কারের দাবিতে গণজাগরণ ঘটলেও আমির ও পার্লামেন্টের আশ্বাসে সে বিক্ষোভ এখন অনেকটাই প্রশমিত। তবে তিউনিসিয়া ও মিসরে গণজাগরণ অনেকটা সাফল্যের মুখ দেখলেও এবং এ দুটি দেশের রাজনীতি ঘটমান বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও, অন্যান্য আরব দেশে, সৌদি আরব ছাড়া গণজাগরণ ও বিক্ষোভের আগুন জ্বলছেই। লিবিয়ায় তো গৃহযুদ্ধই চলছে। সিরিয়া এবং ইয়েমেনের পরিস্থিতিও বিস্ফোরণোন্মুখ। যে কোনো মুহূর্তে যে কোনো মারাত্মক বিধ্বংসী ঘটনা ঘটে যেতে পারে একনায়কশাসিত এ দুুটি আরব দেশে।
লিবিয়া ও ইয়েমেনের প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। বলে নিই সিরিয়ার কথা। আরব বিশ্বে সিরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ছিল, বরাবরই এমনকি রাসূলুল্লাহর (সা.) আমলেরও আগে থেকে। সিরিয়ার ছিল সবসময়ই আরব রাজনীতির কেন্দ্র। এ দেশে এযাবৎকালে গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারেনি। খলিফা, রাজা এবং একনায়করাই আরব বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ দেশটি শাসন করে আসছেন। সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসাদের আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবেই দেশ শাসন করতেন তার বাবা জ্যেষ্ঠ আসাদ। পিতা ও পুত্রের মধ্যে মিল একটাই, তারা দু'জনই একনায়ক। দেশ শাসনের সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী তারা। আর একটা মিল আছে। তারা দু'জনই আসাদ। পরপর মেয়াদে দেশের প্রেসিডেন্ট। তবে দুই আসাদ কিংবা বলা যায়, পিতা-পুত্রের মধ্যে মিলের চেয়ে অমিলই বেশি। জ্যেষ্ঠ আসাদ ছিলেন আরব জাতীয়তাবাদের কট্টর সমর্থক। আরব জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রধান নেতা মিসরের আততায়ীর হাতে শহাদাতবরণ করা প্রেসিডেন্ট নাসেরের ঘনিষ্ঠ বল্পুব্দ ছিলেন তিনি। জ্যেষ্ঠ আসাদ একনায়ক ছিলেন, তবে ইসরায়েলের প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রশ্নে পশ্চিমা শক্তির ক্রীড়নক ছিলেন না কখনোই; বরং গোপনে তিনি নিজ দেশের সমরশক্তি এমন অত্যাধুনিক সমরসজ্জায় সজ্জিত করেছিলেন যে, আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ইসরায়েল একমাত্র সমীহ করত সিরিয়াকে। পশ্চিমা শক্তি নানা কৌশলে ইসরায়েলি প্রশ্নে সিরিয়াকে নমনীয় ভূমিকা নিতে প্রলুব্ধ করেছে; কিন্তু কূটনীতি এবং দরকষাকষির আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞ প্রেসিডেন্ট আসাদকে তার ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান থেকে একচুল নড়ানো সম্ভব হয়নি। দেশ শাসনেও কুশলতার পরিচয় দিয়েছিলেন। সিরিয়ায় তেলসম্পদ সামান্যই আছে। তবে সিরিয়ার ভেতর দিয়ে তেলের পাইপলাইন যেতে দিয়ে এবং সমুদ্র তীরবর্তী সমতল ভূমিতে কৃষি ও কৃষিনির্ভর খামার শিল্প গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিয়ে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট আসাদ তার দেশের অর্থনীতিকে উৎপাদনশীল ও উজ্জীবিত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তবে একটা দোষে তার সব গুণ ম্লান হয়ে যায়। সেটা হলো তিনি যে দেশ শাসনের সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী একনায়ক ছিলেন শুধু তা-ই নয়, নিজের কর্তৃত্বের স্বার্থে দেশে জরুরি আইনও বহাল করেছিলেন। আর জনগণকে তাদের অধিকার দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।
এরপর একনায়করা যা করে, জ্যেষ্ঠ আসাদও তা-ই করেছিলেন। মরার আগে তার উত্তরাধিকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গিয়েছিলেন নিজ পুত্র জুনিয়র আসাদকে। বাপের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জুনিয়র আসাদ (বর্তমানে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ) একইভাবে দেশে জরুরি আইন বহাল রেখেছেন, ক্ষমতার কাছাকাছি যাতে কেউ আসতে না পারে সে জন্য নানা রকম নির্যাতনমূলক ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। আর সিরিয়ার জনগণ? তারা তো কর্তৃত্ব বা দেশ শাসনের কোনো ফ্যাক্টরই নয়। তাদের অধিকার দেওয়া যে তাদের জন্মগত অধিকার_ বিষয়টির কানাকড়িও মূল্য নেই বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসাদের কাছে; বরং হাজার দোষ থাকা সত্ত্বেও প্রয়াত প্রেসিডেন্ট আসাদের ইসরায়েলবিরোধী যে ভূমিকা ছিল, সেই বীরোচিত ভূমিকা থেকে অনেকটাই সরে এসে তিনি গোপনে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে দোস্তি পাতিয়েছেন, ইসরায়েল প্রশ্নে আপসের নীতি গ্রহণ করেছেন। জর্ডান, লেবানন, হালে গণঅভ্যুত্থানে উৎখাত হওয়া হোসনি মোবারক, মরক্কো, আলজেরিয়া, ইয়েমেন প্রভৃতি রাষ্ট্রের নেতাদের মতো জুনিয়র আসাদও গোপনে গোপনে একজন খেলোয়াড়_ সরাসরি ফিলিস্তিনিদের বিপক্ষে না গিয়েও স্বার্থের প্রশ্নে ইসরায়েলের পক্ষেরই একজন খেলোয়াড়। তিনি মনে করেন, এই গোপন আপসনীতিই আমৃত্যু একনায়ক প্রেসিডেন্ট থাকতে তাকে সাহায্য করবে।
বাপের মতোই তিনি জনগণের তোয়াক্কা করেন না। কিন্তু তিউনিসিয়া ও মিসরে গণসাফল্যের ঢেউ সিরিয়ায়ও এসে ভেঙে পড়েছে। সারাদেশে চলছে বিক্ষোভ। তাদের দাবি একনায়কতন্ত্রের অবসান। তাদের দাবি সংবিধানের গণতান্ত্রিক সংস্কার।
প্রথমদিকে গণবিক্ষোভকে তেমন গ্রাহ্য করেননি পঞ্চাশের কাছাকাছি বয়স হওয়া প্রেসিডেন্ট আসাদ। বোঝা গিয়েছিল, জনগণের এই দাবি শুনে এবং বিক্ষোভ দেখে বিরক্ত হয়েছিলেন। তার মতে, বেশ তো চলছে দেশ। এর মধ্যে আবার দাবি-দাওয়া কিসের? কেনই বা গণজাগরণ? বিরক্ত এবং অবশ্যই কিছুটা কাবু হয়ে 'লিখে নাও একফোঁটা দিলেম শিশির'-এর মতো করে, বলা যায় জনগণের প্রতি দয়াপরবশ হয়ে দেশ থেকে পাঁচ দশক ধরে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা জরুরি আইন তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাতেও জনগণের জাগরণ ও বিক্ষোভ প্রশমিত না হয়ে বরং বেড়ে যাওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট। পরিবর্তনের আরেকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও নামকাওয়াস্তে করা মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন এবং পুরনো কৃষিমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
কিন্তু এসব পদক্ষেপ তো স্রেফ জনগণের চোখে ধুলা দেওয়া। জনগণ সেটা ঠিকই ধরতে পেরেছে। সিরিয়ায় গণতন্ত্রের দাবিতে জনগণের জাগরণ ও বিক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ইতিহাস থেকে আমরা জানি, একনায়কের পতন জনগণের জাগরণ এবং বিক্ষোভ থেকেই হয়। প্রেসিডেন্ট আসাদের জন্য ইতিহাস ও ঘটমান বাস্তবতা নতুন কোনো নিয়ম-বিধি প্রবর্তন করবে না। পতন তার আসন্ন এবং অনিবার্য।
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট সালেহ বহুদিন তার দেশের গণজাগরণ ও বিক্ষোভকে ধমক-ধামক, হুমকি, সেনাবাহিনী লেলিয়ে দেওয়া ইত্যাদি করে ঠেকানোর চেষ্টা করে আসছেন। বিপ্লবের আগুন কিছুতেই থামে না এবং বাড়ছে তো বাড়ছেই দেখে অবস্থা বুঝে গোঁফ নামিয়েছেন এবং দেশের সর্বোচ্চ পদে ইস্তফা দিয়ে মানে মানে কী করে জানে রক্ষা পাওয়া যায়, সে জন্য আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এখনও সে চেষ্টাই করছেন তিনি।
ইয়েমেন ও সিরিয়ায় নিকটভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা এতদিনে অনেকটাই পরিষ্কার। আরব বিশ্বের এ দুটি দেশেই সরকারবিরোধী গণতন্ত্রকামীরা ঐক্যবদ্ধ। নানা দল ও সংস্থা নিয়ে এ দুটি দেশে গড়ে উঠেছে একক প্লাটফর্ম। সমঝোতার প্রস্তাবে তারা নিজেদের দাবিনামাও পেশ করেছে। ইয়েমেন ও সিরিয়া_ এ দুই দেশেই গণতন্ত্রকামীদের এক নম্বর প্রস্তাব হচ্ছে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ। বলা যায়, ইয়েমেনের সালেহ এবং সিরিয়ার আসাদের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেছে। ক্ষমতা ছেড়ে তারা অসৎ উপায়ে অর্জিত শত শত কোটি ডলার নিয়ে কোথাও পালিয়ে যেতে পারেন কি-না কিংবা নির্বাসন ও কারাগারে নিক্ষিপ্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারেন কি-না, নাকি আত্মহত্যা করে সব সমস্যা ও বিপদ থেকে অব্যাহতি লাভ করবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। জর্ডানে অবশ্য অবস্থা অতটা গুরুতর নয় এখনও। বাদশা আবদুল্লাহ গণতান্ত্রিক সংস্কারে রাজি আছেন এবং বাদশার আলঙ্কারিক পদ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন বলে সম্মত হওয়ায় জর্ডানে বিক্ষোভ এখনও ততটা বাঁধভাঙা হয়ে ওঠেনি। তবে স্বেচ্ছায় তো কেউ তার দেশ শাসনের সর্বময় কর্তৃত্ব সহজে ছাড়ে না। কাজেই দেখার বিষয়, নিকটভবিষ্যতে জর্ডানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়।
আরব বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে এখন তেলসমৃদ্ধ দেশ লিবিয়ায়। ৪২ বছর একনায়কতন্ত্রের চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়েও প্রথমে গণবিক্ষোভ, অধুনা যুদ্ধরত গণতন্ত্রকামীদের কাছে নতিস্বীকার করতে রাজি নন গাদ্দাফি। বঙ্গবল্পুব্দর আত্মস্বীকৃত খুনিদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন বিশ্ব-সন্ত্রাসের অন্যতম হোতা, নৃশংস চরিত্রের এই গাদ্দাফিই। শেয়ালের মতো ধূর্ত। মরুভূমির বিষধর সাপের মতো বিপজ্জনক। তিনি চেয়েছিলেন, তার পরে লিবিয়ার সর্বময় কর্তৃত্বের নেতা হবেন তার দ্বিতীয় পুত্র সাঈফ। কিন্তু প্রবল গণআন্দোলনের জোয়ারে আম ও ছালা দুই-ই ভেসে যাবে বুঝতে পেরে নৃশংস গাদ্দাফি এখন নিজের দেশের জনগণের বিরুদ্ধে সরকার অনুগত সেনা এবং ভাড়াটে সেনাবাহিনীকে হত্যাযজ্ঞ চালানোর হুকুম দিয়েছেন। এরই মধ্যে কয়েক হাজার গণতন্ত্রকামী এবং রাজনীতি না করা নিরীহ লোককে তার সেনাবাহিনী হত্যা করেছে। জাতিসংঘ লিবিয়ার এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর ন্যাটো বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানের গোলাবর্ষণের ছত্রছায়ায় সরকারবিরোধীরা উত্তরের তেলসমৃদ্ধ এলাকার বেশ কয়েকটি শহর দখল করে নিয়েছিল। গাদ্দাফি বাহিনীও বেপরোয়া। তারা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ চলছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেগা, মিশরাতা, রাস-লানুক এবং আজদাবিয়া শহরে। যুদ্ধ একদিন না একদিন শেষ হবেই। গাদ্দাফির ভাগ্যও পশ্চিমা শক্তিগুলো (জার্মানি ও রাশিয়া ছাড়া) নির্ধারিত করে রেখেছে। ধনভাণ্ডার রেখে হয় কোনো দেশে আপসে গাদ্দাফির নির্বাসন, নতুবা বন্দিদশায় নৃশংস একনায়কের বিচার। মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোয় গণঅভ্যুত্থানের জয় অবশ্যম্ভাবী, তাতে সন্দেহ নেই। তবে এরপর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয় কি-না, সেটাই সময়ে দেখার বিষয়।
রাহাত খান : সাংবাদিক
এই বিষয়টি নিয়েই আজ আলোচনা করার ইচ্ছা। তবে সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে বাদ দিয়ে পাশ কাটিয়ে অন্য প্রসঙ্গে যাওয়া খুব মুশকিল। অন্তত আমার পক্ষে। আমি ক্রিকেটের কোনো খেলোয়াড় নই। কোনোদিন ছিলাম না। আমি বরাবর ছিলাম যাকে বলে খেলার দর্শক। তবে শুধু ক্রিকেটের সাদামাটা একজন দর্শক বললে বোধকরি সবটা বোঝায় না। গত দেড় মাস বিশ্বের অন্তত ৪০০ কোটি লোক বিশ্বকাপ ক্রিকেটের যে প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল, আমি সেসব আক্রান্তের একজন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হওয়ার দিন থেকেই বাংলাদেশের প্রায় সবার মতো আমিও চেয়েছি বাংলাদেশ জিতুক। ইংল্যান্ডের মতো বড় দল এবং আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মতো ক্রমেই শক্তিধর হয়ে ওঠা দলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয় যেমন আমাদের সবাইকে আনন্দে ভাসিয়ে দিয়েছে, তেমনি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হেরে যাওয়া এবং কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে না পারাটাও তেমনি দুঃখ দিয়েছে বেশুমার।
ক্রিকেট বা ফুটবল বা যে কোনো খেলা হারজিতেরই খেলা। এ দুটি প্রধান খেলার জয়-পরাজয়ের সঙ্গে সমর্থকদের দুঃখ-আনন্দ মিলেমিশে আছে। এই যেমন বাংলাদেশের পর ক্রিকেটে যে দলকে সমর্থন করে আসছি বহুদিন ধরে, গত শনিবার ২ এপ্রিল, সেই দলের জয় এবং ক্রিকেটের বিশ্বকাপ ট্রফি লাভ করে ভারতের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা আমাকে, আমার মতোই ভারতের সমর্থক আমার কিশোর বয়সী ছেলে ও স্ত্রীকে যে আনন্দ দিয়েছে, সেই আনন্দের বুঝি কোনো তুলনা হয় না। পাশাপাশি ফাইনাল খেলায় শ্রীলংকার পরাজয়ে গোটা শ্রীলংকাবাসী এবং ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান প্রভৃতি দলের সমর্থকদের মতো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শ্রীলংকার সমর্থকদের শোক ও হতাশাও যে কত মর্মবিদারী হয়েছে তা-ও কিছুটা অনুভব করতে পারি। তবে সে যা-ই হোক, বিশ্বকাপ ক্রিকেটের যবনিকাপাত হয়ে গেছে গত শনিবারেই, রাতের প্রথম প্রহরে। ক্রিকেট-জ্বরের মাত্রা এখন অনেকটাই নিচে। সংবাদপত্রে ক্রিকেট এখন সেরা সংবাদের স্পেস ছেড়ে দিয়ে ঢুকে গেছে ভেতরের খেলার পৃষ্ঠায় বা টুকিটাকিতে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গত শনিবারের পর ক্রিকেট চলে গেছে সেরা সংবাদের তালিকা থেকে বড়জোর টক শোতে। ক্রিকেটের জন্য টিভি চ্যানেলের এই সামান্যটুকু আয়োজনও যে ক্ষণস্থায়ী হবে, হতে হতে শেষে শূন্যের কোঠায় চলে যাবে, সেটা প্রায় নিদ্বর্িধায় বলা যায়। তবে বিশ্ব টুর্নামেন্টের বাইরেও তো ক্রিকেট আছে। দেশে দেশে ক্রিকেট খেলা আছে। বলতে হয়, সারা বছরই ক্রিকেট খেলা চলে। প্রচারমাধ্যমেও তখন ক্রিকেট ফিরে আসে অনিবার্যভাবে আপন মহিমায়।
ক্রিকেটবোদ্ধা নই, তারপরও যে এতগুলো শব্দ, বাক্য খরচ করলাম ক্রিকেটের কথা বলতে গিয়ে, তার ভিন্নতর একটা কারণও রয়েছে। দেড় মাস ধরে চলা বিশ্বকাপ ক্রিকেট বিশ্বের বহু ঘটে যাওয়া কিংবা ঘটমান গুরুত্বপূর্ণ সংবাদকে কিছুটা হলেও অচল করে দিয়েছিল। অন্তত প্রচারমাধ্যমের লাইমলাইট পায়নি বিশ্বের নানা দেশে ঘটে যাওয়া বহু সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ। ক্রিকেটের পাগল যে সাধারণ পাগলদের চেয়ে সংখ্যায় বহুগুণ বেশি, তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই।
বেশি কথা না বাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আরব রাষ্ট্রগুলোর হালচাল নিয়ে বলি। মধ্যপ্রাচ্যের আরব বিশ্বে, গণতন্ত্র না হোক, দেশ শাসনের কিছুটা উদার পরিবেশ বিরাজ করছে বাহরাইন ও লেবাননে। বাহরাইন আমির (রাজা) শাসিত দেশ। আমির মরে গেলে বা কোনো কারণে সিংহাসন ত্যাগ করলে সেখানে সমাসীন হন আমিরের ছেলে বা আমিরের ভাই অথবা রাজবংশেরই অন্য কেউ। বাহরাইনে শিক্ষিতের হার শতকরা ৬০ ভাগের বেশি। মেয়েরা বেশিরভাগ অফিস-আদালত বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। তাদের যথেষ্টই ক্ষমতায়ন ঘটেছে, বলতে গেলে আরব বিশ্বের নিরিখে আশাতীত। আমিরশাসিত হলেও সেখানে পার্লামেন্ট আছে, মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য রয়েছেন, মনোনীত ও নির্বাচিত লোকদের দিয়ে চলে পার্লামেন্ট। দেশ শাসনে পার্লামেন্টের মোটামুটি কার্যকর একটা ভূমিকা থাকে।
লেবাননে ক্ষমতা হস্তান্তর ঘটে নির্বাচনী ধারায়। খ্রিস্টান ও মুসলিম অধিবাসীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত থাকলেও, এমনকি কখনও-সখনও গৃহযুদ্ধ বাধলেও লেবাননই হচ্ছে আরব বিশ্বের একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ। লক্ষণীয়, বাহরাইনে সংস্কারের দাবিতে গণজাগরণ ঘটলেও আমির ও পার্লামেন্টের আশ্বাসে সে বিক্ষোভ এখন অনেকটাই প্রশমিত। তবে তিউনিসিয়া ও মিসরে গণজাগরণ অনেকটা সাফল্যের মুখ দেখলেও এবং এ দুটি দেশের রাজনীতি ঘটমান বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও, অন্যান্য আরব দেশে, সৌদি আরব ছাড়া গণজাগরণ ও বিক্ষোভের আগুন জ্বলছেই। লিবিয়ায় তো গৃহযুদ্ধই চলছে। সিরিয়া এবং ইয়েমেনের পরিস্থিতিও বিস্ফোরণোন্মুখ। যে কোনো মুহূর্তে যে কোনো মারাত্মক বিধ্বংসী ঘটনা ঘটে যেতে পারে একনায়কশাসিত এ দুুটি আরব দেশে।
লিবিয়া ও ইয়েমেনের প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। বলে নিই সিরিয়ার কথা। আরব বিশ্বে সিরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ছিল, বরাবরই এমনকি রাসূলুল্লাহর (সা.) আমলেরও আগে থেকে। সিরিয়ার ছিল সবসময়ই আরব রাজনীতির কেন্দ্র। এ দেশে এযাবৎকালে গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারেনি। খলিফা, রাজা এবং একনায়করাই আরব বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ দেশটি শাসন করে আসছেন। সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসাদের আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবেই দেশ শাসন করতেন তার বাবা জ্যেষ্ঠ আসাদ। পিতা ও পুত্রের মধ্যে মিল একটাই, তারা দু'জনই একনায়ক। দেশ শাসনের সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী তারা। আর একটা মিল আছে। তারা দু'জনই আসাদ। পরপর মেয়াদে দেশের প্রেসিডেন্ট। তবে দুই আসাদ কিংবা বলা যায়, পিতা-পুত্রের মধ্যে মিলের চেয়ে অমিলই বেশি। জ্যেষ্ঠ আসাদ ছিলেন আরব জাতীয়তাবাদের কট্টর সমর্থক। আরব জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রধান নেতা মিসরের আততায়ীর হাতে শহাদাতবরণ করা প্রেসিডেন্ট নাসেরের ঘনিষ্ঠ বল্পুব্দ ছিলেন তিনি। জ্যেষ্ঠ আসাদ একনায়ক ছিলেন, তবে ইসরায়েলের প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রশ্নে পশ্চিমা শক্তির ক্রীড়নক ছিলেন না কখনোই; বরং গোপনে তিনি নিজ দেশের সমরশক্তি এমন অত্যাধুনিক সমরসজ্জায় সজ্জিত করেছিলেন যে, আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ইসরায়েল একমাত্র সমীহ করত সিরিয়াকে। পশ্চিমা শক্তি নানা কৌশলে ইসরায়েলি প্রশ্নে সিরিয়াকে নমনীয় ভূমিকা নিতে প্রলুব্ধ করেছে; কিন্তু কূটনীতি এবং দরকষাকষির আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞ প্রেসিডেন্ট আসাদকে তার ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান থেকে একচুল নড়ানো সম্ভব হয়নি। দেশ শাসনেও কুশলতার পরিচয় দিয়েছিলেন। সিরিয়ায় তেলসম্পদ সামান্যই আছে। তবে সিরিয়ার ভেতর দিয়ে তেলের পাইপলাইন যেতে দিয়ে এবং সমুদ্র তীরবর্তী সমতল ভূমিতে কৃষি ও কৃষিনির্ভর খামার শিল্প গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিয়ে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট আসাদ তার দেশের অর্থনীতিকে উৎপাদনশীল ও উজ্জীবিত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তবে একটা দোষে তার সব গুণ ম্লান হয়ে যায়। সেটা হলো তিনি যে দেশ শাসনের সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী একনায়ক ছিলেন শুধু তা-ই নয়, নিজের কর্তৃত্বের স্বার্থে দেশে জরুরি আইনও বহাল করেছিলেন। আর জনগণকে তাদের অধিকার দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।
এরপর একনায়করা যা করে, জ্যেষ্ঠ আসাদও তা-ই করেছিলেন। মরার আগে তার উত্তরাধিকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গিয়েছিলেন নিজ পুত্র জুনিয়র আসাদকে। বাপের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জুনিয়র আসাদ (বর্তমানে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ) একইভাবে দেশে জরুরি আইন বহাল রেখেছেন, ক্ষমতার কাছাকাছি যাতে কেউ আসতে না পারে সে জন্য নানা রকম নির্যাতনমূলক ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। আর সিরিয়ার জনগণ? তারা তো কর্তৃত্ব বা দেশ শাসনের কোনো ফ্যাক্টরই নয়। তাদের অধিকার দেওয়া যে তাদের জন্মগত অধিকার_ বিষয়টির কানাকড়িও মূল্য নেই বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসাদের কাছে; বরং হাজার দোষ থাকা সত্ত্বেও প্রয়াত প্রেসিডেন্ট আসাদের ইসরায়েলবিরোধী যে ভূমিকা ছিল, সেই বীরোচিত ভূমিকা থেকে অনেকটাই সরে এসে তিনি গোপনে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে দোস্তি পাতিয়েছেন, ইসরায়েল প্রশ্নে আপসের নীতি গ্রহণ করেছেন। জর্ডান, লেবানন, হালে গণঅভ্যুত্থানে উৎখাত হওয়া হোসনি মোবারক, মরক্কো, আলজেরিয়া, ইয়েমেন প্রভৃতি রাষ্ট্রের নেতাদের মতো জুনিয়র আসাদও গোপনে গোপনে একজন খেলোয়াড়_ সরাসরি ফিলিস্তিনিদের বিপক্ষে না গিয়েও স্বার্থের প্রশ্নে ইসরায়েলের পক্ষেরই একজন খেলোয়াড়। তিনি মনে করেন, এই গোপন আপসনীতিই আমৃত্যু একনায়ক প্রেসিডেন্ট থাকতে তাকে সাহায্য করবে।
বাপের মতোই তিনি জনগণের তোয়াক্কা করেন না। কিন্তু তিউনিসিয়া ও মিসরে গণসাফল্যের ঢেউ সিরিয়ায়ও এসে ভেঙে পড়েছে। সারাদেশে চলছে বিক্ষোভ। তাদের দাবি একনায়কতন্ত্রের অবসান। তাদের দাবি সংবিধানের গণতান্ত্রিক সংস্কার।
প্রথমদিকে গণবিক্ষোভকে তেমন গ্রাহ্য করেননি পঞ্চাশের কাছাকাছি বয়স হওয়া প্রেসিডেন্ট আসাদ। বোঝা গিয়েছিল, জনগণের এই দাবি শুনে এবং বিক্ষোভ দেখে বিরক্ত হয়েছিলেন। তার মতে, বেশ তো চলছে দেশ। এর মধ্যে আবার দাবি-দাওয়া কিসের? কেনই বা গণজাগরণ? বিরক্ত এবং অবশ্যই কিছুটা কাবু হয়ে 'লিখে নাও একফোঁটা দিলেম শিশির'-এর মতো করে, বলা যায় জনগণের প্রতি দয়াপরবশ হয়ে দেশ থেকে পাঁচ দশক ধরে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা জরুরি আইন তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাতেও জনগণের জাগরণ ও বিক্ষোভ প্রশমিত না হয়ে বরং বেড়ে যাওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট। পরিবর্তনের আরেকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও নামকাওয়াস্তে করা মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন এবং পুরনো কৃষিমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
কিন্তু এসব পদক্ষেপ তো স্রেফ জনগণের চোখে ধুলা দেওয়া। জনগণ সেটা ঠিকই ধরতে পেরেছে। সিরিয়ায় গণতন্ত্রের দাবিতে জনগণের জাগরণ ও বিক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ইতিহাস থেকে আমরা জানি, একনায়কের পতন জনগণের জাগরণ এবং বিক্ষোভ থেকেই হয়। প্রেসিডেন্ট আসাদের জন্য ইতিহাস ও ঘটমান বাস্তবতা নতুন কোনো নিয়ম-বিধি প্রবর্তন করবে না। পতন তার আসন্ন এবং অনিবার্য।
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট সালেহ বহুদিন তার দেশের গণজাগরণ ও বিক্ষোভকে ধমক-ধামক, হুমকি, সেনাবাহিনী লেলিয়ে দেওয়া ইত্যাদি করে ঠেকানোর চেষ্টা করে আসছেন। বিপ্লবের আগুন কিছুতেই থামে না এবং বাড়ছে তো বাড়ছেই দেখে অবস্থা বুঝে গোঁফ নামিয়েছেন এবং দেশের সর্বোচ্চ পদে ইস্তফা দিয়ে মানে মানে কী করে জানে রক্ষা পাওয়া যায়, সে জন্য আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এখনও সে চেষ্টাই করছেন তিনি।
ইয়েমেন ও সিরিয়ায় নিকটভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা এতদিনে অনেকটাই পরিষ্কার। আরব বিশ্বের এ দুটি দেশেই সরকারবিরোধী গণতন্ত্রকামীরা ঐক্যবদ্ধ। নানা দল ও সংস্থা নিয়ে এ দুটি দেশে গড়ে উঠেছে একক প্লাটফর্ম। সমঝোতার প্রস্তাবে তারা নিজেদের দাবিনামাও পেশ করেছে। ইয়েমেন ও সিরিয়া_ এ দুই দেশেই গণতন্ত্রকামীদের এক নম্বর প্রস্তাব হচ্ছে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ। বলা যায়, ইয়েমেনের সালেহ এবং সিরিয়ার আসাদের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেছে। ক্ষমতা ছেড়ে তারা অসৎ উপায়ে অর্জিত শত শত কোটি ডলার নিয়ে কোথাও পালিয়ে যেতে পারেন কি-না কিংবা নির্বাসন ও কারাগারে নিক্ষিপ্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারেন কি-না, নাকি আত্মহত্যা করে সব সমস্যা ও বিপদ থেকে অব্যাহতি লাভ করবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। জর্ডানে অবশ্য অবস্থা অতটা গুরুতর নয় এখনও। বাদশা আবদুল্লাহ গণতান্ত্রিক সংস্কারে রাজি আছেন এবং বাদশার আলঙ্কারিক পদ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন বলে সম্মত হওয়ায় জর্ডানে বিক্ষোভ এখনও ততটা বাঁধভাঙা হয়ে ওঠেনি। তবে স্বেচ্ছায় তো কেউ তার দেশ শাসনের সর্বময় কর্তৃত্ব সহজে ছাড়ে না। কাজেই দেখার বিষয়, নিকটভবিষ্যতে জর্ডানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়।
আরব বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে এখন তেলসমৃদ্ধ দেশ লিবিয়ায়। ৪২ বছর একনায়কতন্ত্রের চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়েও প্রথমে গণবিক্ষোভ, অধুনা যুদ্ধরত গণতন্ত্রকামীদের কাছে নতিস্বীকার করতে রাজি নন গাদ্দাফি। বঙ্গবল্পুব্দর আত্মস্বীকৃত খুনিদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন বিশ্ব-সন্ত্রাসের অন্যতম হোতা, নৃশংস চরিত্রের এই গাদ্দাফিই। শেয়ালের মতো ধূর্ত। মরুভূমির বিষধর সাপের মতো বিপজ্জনক। তিনি চেয়েছিলেন, তার পরে লিবিয়ার সর্বময় কর্তৃত্বের নেতা হবেন তার দ্বিতীয় পুত্র সাঈফ। কিন্তু প্রবল গণআন্দোলনের জোয়ারে আম ও ছালা দুই-ই ভেসে যাবে বুঝতে পেরে নৃশংস গাদ্দাফি এখন নিজের দেশের জনগণের বিরুদ্ধে সরকার অনুগত সেনা এবং ভাড়াটে সেনাবাহিনীকে হত্যাযজ্ঞ চালানোর হুকুম দিয়েছেন। এরই মধ্যে কয়েক হাজার গণতন্ত্রকামী এবং রাজনীতি না করা নিরীহ লোককে তার সেনাবাহিনী হত্যা করেছে। জাতিসংঘ লিবিয়ার এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর ন্যাটো বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানের গোলাবর্ষণের ছত্রছায়ায় সরকারবিরোধীরা উত্তরের তেলসমৃদ্ধ এলাকার বেশ কয়েকটি শহর দখল করে নিয়েছিল। গাদ্দাফি বাহিনীও বেপরোয়া। তারা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ চলছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেগা, মিশরাতা, রাস-লানুক এবং আজদাবিয়া শহরে। যুদ্ধ একদিন না একদিন শেষ হবেই। গাদ্দাফির ভাগ্যও পশ্চিমা শক্তিগুলো (জার্মানি ও রাশিয়া ছাড়া) নির্ধারিত করে রেখেছে। ধনভাণ্ডার রেখে হয় কোনো দেশে আপসে গাদ্দাফির নির্বাসন, নতুবা বন্দিদশায় নৃশংস একনায়কের বিচার। মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোয় গণঅভ্যুত্থানের জয় অবশ্যম্ভাবী, তাতে সন্দেহ নেই। তবে এরপর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয় কি-না, সেটাই সময়ে দেখার বিষয়।
রাহাত খান : সাংবাদিক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 23
(97)
- নো মেক আপঃ কঙ্গনা রনৌত
- সানির এ কেমন দুঃখ প্রকাশ?
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গ্রেপ্তার হলেন জামায়াত ...
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস ইস্যু-অনড় বাংলাদেশ উদ্বি...
- 'আলোচনায় বসতে প্রস্তুত ইকুয়েডর'
- সাক্ষাৎকার-ঢাকার বাইরের শহরগুলো আকর্ষণীয় করে তুলতে...
- মিসিং গার্লস by আনোয়ার হোসেন
- মধ্যপ্রাচ্য-সার্বভৌমত্বহীন গণতন্ত্র! by সেঁজুতি শ...
- কণ্ঠস্বর-মধ্যপ্রাচ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে? by রাহাত খান
- শ্রম আইন সংশোধনে নীরব সরকার by জেসমিন পাঁপড়ি
- সদরঘাট টার্মিনাল- অরাজকতা দ্রুত দূর হোক
- বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা- নাগরিকবান্ধব আইন চাই
- ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সাময়িক শিথিল
- প্রিন্স হ্যারির নগ্ন ছবি ওয়েবসাইটে
- একসময় পাম্প, শ্যালো ও টিউবওয়েলে পানি উঠবে নাঃ খা...
- ভয়াবহ পানি সংকটের দিকে দেশ: খাইরুল ইসলাম by মনোয়...
- প্রকাশনা শিল্পের বাতিঘর
- নান্দনিক সৃষ্টিসত্তা by মুহম্মদ নূরুল হুদা
- এরশাদের ভারতপ্রেম রাজনীতিতে নতুন ছক!
- পড়বে না তাঁর পায়ের চিহ্ন by রঞ্জু চৌধুরী
- হুমায়ূনের জন্য ভালোবাসা- তিনি আমাদের by সেলিনা হোসেন
- কোথাও কেউ নেই by আহসান হাবীব
- ঈদ উৎসব নিয়ে কথা by আহমদ রফিক
- এই ঈদে হানিফ সংকেত by জনি হক
- তারপরও হুমায়ূন আহমেদ by মীর সামী
- সাক্ষাৎকার-বাঙালির বৈপ্লবিক গুণাগুণ বইছে আমার রক্ত...
- লাইবেরিয়া-বাংলাদেশ by আসিফ আহমেদ
- গৌরবের অধ্যায়-শত্রুর নির্ধারণ করা দণ্ড by আসিফ কবীর
- সময়ের কথা-দেবে তো দাও... কেজির দরে মণ? by অজয় দাশগ...
- প্রেক্ষাগৃহ কমছে- বিনোদনের মাধ্যমটি রক্ষা করুন
- স্বস্তির ঈদ উৎসব- শুভ উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক
- বলিউডে দুই ধর্মের এক বন্ধন
- নায়করাজ রাজ্জাকের ছবিতে কেয়া by অভি মঈনুদ্দীন
- সালমানের সুসময় by ইমরান হোসেন
- পাটের দুর্দিন
- জঙ্গী নেতা আটক
- অভিমত ॥ জেলজরিমানায় বিষমুক্ত হবে না by শিখা ব্যান...
- ঈদ জানিয়ে গেল দেশ এগিয়ে চলেছে by স্বদেশ রায়
- জীবন কথন- তিনটি বিষয় আমাকে বড় উত্ত্যক্ত করে by ...
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর আকাশের নীলপাখি রক্তাক্ত ডানায় by ...
- ৩২ নম্বরের বাড়িটি যদি কথা বলত... by নাদিরা মজুমদার
- ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সাময়িকীর প্রতিবেদন-পরমাণু অস্ত্...
- মান্নান ভূঁইয়া ছিলেন সুস্থ রাজনীতির প্রতীক ॥ মেনন-...
- রাজধানীবাসীর বিশেষ আকর্ষণ বড় পর্দায় ছবি দেখা- সংস্...
- গুগলের পর এবার টুইটারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভ...
- রমজান ও ঈদ-ছুটিতে এবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ম্যাজ...
- এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি নিয়োগে সার...
- শান্তি ও শ্বেতশুভ্রর প্রতীক, আত্মমর্যাদায় গড়ে উঠছে...
- ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী মারা গেছেন
- সম্পদের হিসাব দিতে ব্যর্থতা-ছেলেকে বরখাস্ত করলেন ল...
- মনমোহনের পদত্যাগ দাবিতে পার্লামেন্টে বিরোধীদের বিক...
- ইন্টারনেট স্বাধীনতাকে সম্মান করুন : ভারতকে যুক্তরা...
- লেবাননে সংঘাত নিহত ১০-'আসাদের ক্ষমতা ত্যাগের উপায় ...
- চলচ্চিত্র শিল্পের দুর্দিন-সুদিন ফেরাতে উদ্যোগ নিতে...
- রাজনীতি নিয়ে উদ্বেগ-সংলাপেই হোক সমস্যার সমাধান-
- পবিত্র কোরআনের আলো-প্রাকৃতিক বালা-মুসিবতের অবসান হ...
- পৃথিবী বাঁচাতে যা প্রয়োজন by শামসুল আরেফিন খান
- ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিস আদালত ছিল কার্যত ফাঁকা
- বান্দরবানে পাহাড় ধসে নিহত ২ আহত ৩- ৯ জন আটক
- নির্যাতন চালিয়ে কোন সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারেনি ॥ খ...
- রাষ্ট্রপক্ষের আশা আগামী বছরের মধ্যে বিচার শেষ হবে-...
- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি জড়িত ॥ প্রধান...
- উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ-উল-ফিতর উদ্যাপিত- রাজধানীতে বি...
- রমজান শেষ, এবার কি উত্তপ্ত হবে রাজনীতি!
- আলবদর আজহার গ্রেফতার- ০ ১২শ’ মানুষকে হত্যা, ধর্ষণস...
- কিউরিওসিটিতে যান্ত্রিক বিপত্তি
- ধর্ষণ নিয়ে দলীয় সদস্যের মন্তব্যে বিপাকে রমনি
- বিশ্লেষণ- ইরানে ইসরায়েলি হামলা আসন্ন?
- আসাদের প্রস্থান নিয়ে আলোচনায় রাজি সিরিয়া
- হূদেরাগীর সঙ্গীও ঝুঁকিমুক্ত নয়
- বগুড়া-জয়পুরহাট সড়ক- ‘গেটলক সার্ভিস’-এর নামে প্রতারণা
- পর্যটকদের ভিড়ে মুখর কুয়াকাটা
- গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেপ্তার ২৫- অর্ধশতাধি...
- ফরিদপুরে দখল হয়ে যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী সরোবর
- মায়ের মৃত্যুতে কামারুজ্জামানের তিন ঘণ্টার মুক্তি
- রাষ্ট্রপতির ঈদের শুভেচ্ছা- দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়...
- ঈদেও দেশের মানুষ ভালো নেই: খালেদা
- সবাই উত্সাহের সঙ্গে ঈদ করছে: প্রধানমন্ত্রী
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি- পরিবেশ রক্ষার নিশ্চয়তা কোথায়?...
- সংলাপেই সমাধান খুঁজুন- এবং বিরোধীদলীয় নেতা কী করতে...
- ঈদের পর কী আসছে?- প্রধানমন্ত্রী কী বললেন
- ঐতিহ্য- শান্তিনিকেতনে পদ্মার বোট by অমর সাহা
- বীর মুক্তিযোদ্ধা: তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- প্রবাসীরা এমআরপি পাবেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্য...
- দুই সন্তানকে সেতুর ওপর থেকে পদ্মায় ফেলে দিলেন বাবা
- ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র- মেয়াদ শেষ হলেও প্রয়োজনে...
- নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়কই সমাধানের পথ by কাজী সিরাজ
- চরাচর-শিকড়ের সন্ধানে ডালু নৃ-গোষ্ঠী by হাকিম বাবুল
- সংঘাত- আত্মঘাতী ছাত্ররাজনীতি আর কত দিন? by শেখ হ...
- উইকিলিকস- অবরুদ্ধ জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বক্তৃতা: আমি...
- শুমারির তথ্য ভুল দুঃখ প্রকাশ করেছে পরিসংখ্যান ব্যুরো
- লিমনের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্...
- হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে বিশেষ নিরীক্ষা- সোনালী ব্য...
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি সফর : কিছু কথা by ...
- মেডিক্যালে ভর্তি পদ্ধতি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা by ড. ন...
- সাদাকালো-পরাশক্তির ষড়যন্ত্রজালে মিসরীয় গণতন্ত্রের ...
- নক্ষত্রের গ্রহ ভক্ষণ
-
▼
Aug 23
(97)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment