Saturday, January 28, 2012
চলছে ভ্রুণ হত্যা by আদিত্য আরাফাত
চলছে ভ্রুণ হত্যা by আদিত্য আরাফাত
পৌষের হাড় কাঁপানো এক সকাল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রী ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের সামনে হাতে ক্লিনিকের রিপোর্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক তরুণী। চোখে মুখে রাজ্যের ক্লান্তি! মাঝে মাঝে ক্লিনিকের রিপোর্ট খুলে দেখছেন । একসময় ডাক্তারের রুম খুললেন হাসপাতালের এক নারীকর্মী।
রুম খোলার সঙ্গে সঙ্গে তরুণী ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে হাসপাতালের ওই কর্মী বলেন-‘আরে আরে... কই ঢুকছেন আপনি....ডাক্তার আপা না আসা পর্যন্ত ভেতরে যাওয়া নিষেধ।’ তরুণী বলেন-‘দেখুন আমি দাঁড়াতে পারছি না, বিপদে পড়ে অনেক দূর থেকে এসেছি। আমি ভেতরে এসে আপনাকে বুঝিয়ে বলছি।’ হাসপাতালের স্টাফ বাঁধা দেন। মৃদু কথা কাটাকাটি হয়। এসময় রুমে প্রবেশ করেন স্ত্রী রোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ। রুমে প্রবেশ করতেই ডাক্তার জানতে চান-‘কী হয়েছে?’ তরুণী বলেন-‘আপা আমি বিপদে পড়েছি... আপনাকে বুঝিয়ে বলছি....।’

মিনিট কয়েক পর মেয়েটি চোখ মুছতে মুছতে ডাক্তারের কক্ষ থেকে বের হন। পেশাগত পরিচয় দিয়ে তরুণীর কাছে বিষয় জানতে চাইলে কিছুই বলে না। মুখ মুছতে মুছতে তরুণী হেঁটে চলে যায়। কৌতূহলী হয়ে ডাক্তারের রুমে প্রবেশ করে বিষয়টি জানতে চাই। ডাক্তার এসব বিষয়ে কথা বলতে চান না। একপর্যায়ে নাম না বলার শর্তে ঘটনাটি বলতে রাজী হন।
হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জানান, মেয়েটি এসেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে। সাড়ে পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্বা। পাঁচ মাস অবস্থায় গর্ভপাত নিরাপদ নয়। তাছাড়া তরুণী অবিবাহিত।
ডাক্তার বললেন, ‘প্রতিদিন এমন অনেকেই আসেন। নতুন কিছু নয়।’
একটুখানি অসতর্কতায় অনাকাঙ্ক্ষিভাবে নারীর গর্ভে মানবভ্রুণের সৃষ্টি হয়। অপরিকল্পিত গর্ভধারণের কারণে অনেক নারীই গর্ভপাতের পথ বেঁচে নেন। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত করতে গিয়ে অনেকেই মৃত্যবরণ করেন। সারা বিশ্বেই বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ। সেই সঙ্গে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে গর্ভপাতও। এই অস্বস্তিকর-অমানবিক নির্মমমতার যজ্ঞে বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। কখনো সমাজ ও পরিবারে দুর্নাম থেকে বাঁচতে, কখনো পরিবারকে ছোট রাখতে নারীরা গর্ভপাতের পথ বেঁছে নেন।
রাজধানীর একটি মেরিস্টোপস ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় এক কোণে দাঁড়িয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন সামিনা (প্রকৃত নাম নয়)। তার স্বামী কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন। কিছুক্ষণ পর পর সামিনার কাছে এসে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছেন। সামিনা দুই কন্যা সন্তানের জননী। বর্তমানে অন্তঃস্বত্বা। আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টে ওঠে আসে গর্ভের ভ্রণটি কন্যা সন্তানের। সে কারণে এই সন্তানটি ভূমিষ্ঠ করাতে রাজি নন তার স্বামী। কিন্তু সামিনার মন কিছুতেই সায় দিচ্ছে না। অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও তার স্বামীর মন গলাতে পারেনি। তার সাফ কথা, ছেলে না হলে আর কোনো সন্তানের প্রয়োজন নেই। বাধ্য হয়ে সামিনাকে ঝুঁকি নিয়েই গর্ভপাত করানো হলো।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (অবস্) গাইনি বিভাগের প্রধান এবং অধ্যাপক ফেরদৌসি ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ এমন গর্ভপাতের কারণে নারীদের প্রাণহানি ঘটছে।’
তিনি জানান, একান্ত যদি গর্ভপাত বা এম আর করানো হয় তাহলে যেন সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারাই করানো হয়।
গর্ভপাত নিয়ে রয়েছে পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তি
উইকিপিডিয়ায় গর্ভপাতের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘গর্ভপাত বলতে সন্তান প্রসবের আগে, সাধারণত গর্ভধারণের প্রথম ২৮ সপ্তাহের মধ্যে, জরায়ু থেকে ভ্রণের অপসারণ ও বিনষ্টকরণকে বোঝায়।’
বিশ্বজুড়েই গর্ভপাতের পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তিবাদীরা নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। বিশ্বের খ্যাতনামা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ ও বিভিন্ন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ এবং মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এটি সরাসরি শিশুহত্যা। কেননা ভ্রণ মানেই হচ্ছে শিশুর আকার।
অন্যদিকে গর্ভপাতের পক্ষে যারা তারা বলছেন ভ্রুণহত্যা মানেই শিশুহত্যা নয়। তাদের যুক্তি হচ্ছে ভ্রণ যদি মানবের পুরোপুরি আকারে রূপান্তর না হয় তাহলে তা শিশুহত্যা হতে পারে না। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গর্ভপাত নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। ধর্মীয়ভাবে গর্ভপাত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্খিত ঘটনার শিকার নারীর সম্মানের কথা ভেবে গর্ভপাত করানো হয়। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগ হয়েছে পুত্র সন্তানকাংখীদের মনোভাব- যার অবশ্যম্ভাবী পরিণতিতে গর্ভস্থ মেয়ে ভ্রূণকে হত্যা করা হয় গর্ভপাতের মাধ্যমে।
বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন
বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন (১৮৬০-এর ব্রিটিশ পেনাল কোড) অনুযায়ী- অন্তঃসত্ত্বার জীবন বাঁচানো ছাড়া অন্য কোনো কারণে গর্ভপাত নিষিদ্ধ। এমনকি ধর্ষণ, শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক বা সামাজিক কারণ, ভ্রণের বিকলাঙ্গতা এসব কারণেও গর্ভপাত আইনসিদ্ধ নয়। অবশ্য গর্ভপাতের আইনের উইকি তথ্য অনুযায়ী ১২ সপ্তাহের মধ্যে করলে এ সমস্ত ক্ষেত্রে গর্ভপাত গ্রহণযোগ্য।
কারা করচ্ছেন
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রজনন স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠান, কয়েকটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায় গর্ভপাত করতে যারা আসছেন তাদের মধ্যে ১৬ বছরের কিশোরী থেকে মধ্য বয়স্ক নারীও রয়েছেন। বিয়ের আগে অনেকেই অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হওয়ায় বাধ্য হয়ে গর্ভপাত করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি ক্লিনিকের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘বর্তমানে গর্ভপাত করাতে যারা আসছেন তাদের মধ্যে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণীর সংখ্যা বেশি। লোকলজ্জার ভয়ে তারা গোপনে বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে গর্ভের ভ্রণ নষ্ট করে আসেন।’
কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানান, বিবাহিতদের মধ্যে যারা আসছেন তাদের মধ্যে নতুন দম্পত্তির সংখ্যা বেশি। বিয়ের প্রথম বছরের মধ্যে অসতর্কতার কারণে গর্ভবতী হওয়ায় অনেকেই গর্ভপাতের পথ বেছে নিচ্ছেন। অন্যদিকে একাধিক সন্তান থাকার পর অসতর্কতার কারণে যেসব নারী গর্ভবতী হয়ে পড়ছেন তারাও গর্ভপাত কছেন। এছাড়া সন্তাব প্রসবের জন্য মায়ের জীবন হুমকির মুখে থাকবে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে গর্ভপাত করানো হচ্ছে।
তবে গর্ভপাতের ওপর সরেজমিন রিপোর্ট করতে গিয়ে যে বিষয়টি অনেক শিক্ষিত পুরুষের মধ্যেও দেখা গেছে তা হলো, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে মেয়েশিশু জানতে পেরেই স্বামীর নির্দেশে গর্ভপাত করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক নারীই। বর্তমানে আলট্রাসনোগ্রামে সাধারণত ভ্রুণের পাঁচ মাস বয়সে লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এ সময় গর্ভপাত ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাতের ফলে নারীর বন্ধ্যাত্ব, শারীরিক, মানসিক সমস্যাসহ মৃত্যুর ঝুঁকিও অনেক।
চলছে গলাকাটা ব্যবসা!
বিভিন্ন ক্লিনিক ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে গর্ভপাতের নামে চলছে গলাকাটা ব্যবসা। রাজধানীর আনাচে-কানাচে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন ক্লিনিক মালিকরা নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছেন।
রাজধানীর বিভিন্ন ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায় অবৈধভাবে গর্ভপাতই বেশি করানো হচ্ছে। বিশেষ করে গর্ভপাত করতে গিয়ে যেসব নারী স্বামীকে উপস্থিত করতে পারছেন না বা যাদের স্বামী নেই তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চুক্তিতে গর্ভপাত করানো হচ্ছে। গর্ভপাত ঘটানোর সময় মাতৃমৃত্যুর ঘটনা ঘটলেই তা নজরে আসে। তাছাড়া শত শত ঘটনা থেকে যাচ্ছে অন্তরালে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেখানে মাত্র পাঁচ শ’ টাকায় এমআর করার সুযোগ রয়েছে সেখানে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লিনিক ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছে। একশ্রেণীর দালাল অবৈধভাবে এ কাজে জড়িত রয়েছেন।
সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, সরকারি হাসপাতাল, প্রজনন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কিছু দালাল রয়েছে। এসব দালালরা নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন। প্রাইভেট ক্লিনিকের সঙ্গে এসব দালালচক্র কমিশন ভিত্তিতে কাজ করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গর্ভপাত করাতে আসা এক নারী জানালেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে নানা কৈফিয়ত দিতে হয় তাই বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে দালালের মাধ্যমে করতে বাধ্য।
রাজধানীর একটি ক্লিনিকের কর্ণধার নাম না বলার স্বর্তে স্বীকার করলেন, মোটা অংকের টাকা নিলেও এতে তারা নারীর উপকারই করছেন।
বাংলানিউজের অনুসন্ধানে দেখা যায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ি, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা এলাকার বেশকিছু অখ্যাত ক্লিনিকে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গর্ভপাত করছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলাশহরগুলোর ক্লিনিকে নার্সদের মাধ্যমেও অনেকেই গর্ভপাত করছেন।
বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ
দেশে বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ। বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর স্বল্পতা বা মজুদ শূন্যতার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মানব ও অর্থনীতির ওপর।
বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা মজুদহীনতা বা অনিয়মিত সরবরাহ বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করছে। প্রতিবছর অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণের শিকার হয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮শ’ জন নারী। যাদের ৯০ হাজার ২শ’ ৪০ জন এ সমস্যা থেকে মুক্ত হতে ‘এমআর’ ও ২২ হাজার ৫শ’ ৬০ জন ‘অ্যাবরশন’ করছেন।
বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি) এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টারের (এইচডিআরসি) ২০১০ সালের গবেষণায় এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, সারাদেশে ৩০৬ জন গর্ভপাত করছেন।
তবে বাংলানিউজের অনুসন্ধানে যে চিত্র পাওয়া গেছে তাতে প্রকৃত এর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। রাজধানীর উল্লেখযোগ্য ২৫টি প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকে ঘুরে জানা যায়, এসব হাসপাতালে দৈনিক শতাধিকের বেশি গর্ভপাত হচ্ছে। ধারণা করা যায়, শুধু রাজধানীতেই দৈনিক গর্ভপাত হচ্ছে ২শ’র বেশি। সে হিসেবে ধারণা করা যায় সারা দেশে দৈনিক দেড় হাজারের বেশি গর্ভপাত হচ্ছে।
বিভিন্ন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররাও জানিয়েছেন, সারাদেশে দৈনিক গর্ভপাত দেড় হাজারের কম হবে না। কেননা গ্রামের অনেকেই এখনও হোমিও ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দ্বারা গর্ভপাত করছেন; যাদের তালিকা সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে উঠে আসছে না।
এফপিএবি ও এইচডিআরসি’র ২০১০ সালের প্রতিবেদনে ওঠে আসে, জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করছেন মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫৫ দশমিক ৮ ভাগ নারী-পুরুষ। প্রতিবছর ১ লাখ ৬০ হাজার ৫শ’ ৮৫ জন নানা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বিশেষ করে খাবার বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা পর্যাপ্ত মজুদ না থাকায় নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সাইন্স বিভাগের শিক্ষক ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী জানান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রায় চার দশক পরও মাত্র অর্ধেক দম্পতিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও শতকরা ১৭ দশমিক ৬ ভাগ আগ্রহী দম্পতিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দিতে পারছে না পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর। আর গ্রহণকারীদের অনেকেই নিয়মিত সামগ্রী না পাওয়ার কারণে নানাভাবে স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।
গর্ভধারণের নিশ্চয়তা

মিনিট কয়েক পর মেয়েটি চোখ মুছতে মুছতে ডাক্তারের কক্ষ থেকে বের হন। পেশাগত পরিচয় দিয়ে তরুণীর কাছে বিষয় জানতে চাইলে কিছুই বলে না। মুখ মুছতে মুছতে তরুণী হেঁটে চলে যায়। কৌতূহলী হয়ে ডাক্তারের রুমে প্রবেশ করে বিষয়টি জানতে চাই। ডাক্তার এসব বিষয়ে কথা বলতে চান না। একপর্যায়ে নাম না বলার শর্তে ঘটনাটি বলতে রাজী হন।
হাসপাতালের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জানান, মেয়েটি এসেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে। সাড়ে পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্বা। পাঁচ মাস অবস্থায় গর্ভপাত নিরাপদ নয়। তাছাড়া তরুণী অবিবাহিত।
ডাক্তার বললেন, ‘প্রতিদিন এমন অনেকেই আসেন। নতুন কিছু নয়।’
একটুখানি অসতর্কতায় অনাকাঙ্ক্ষিভাবে নারীর গর্ভে মানবভ্রুণের সৃষ্টি হয়। অপরিকল্পিত গর্ভধারণের কারণে অনেক নারীই গর্ভপাতের পথ বেঁচে নেন। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত করতে গিয়ে অনেকেই মৃত্যবরণ করেন। সারা বিশ্বেই বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ। সেই সঙ্গে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে গর্ভপাতও। এই অস্বস্তিকর-অমানবিক নির্মমমতার যজ্ঞে বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। কখনো সমাজ ও পরিবারে দুর্নাম থেকে বাঁচতে, কখনো পরিবারকে ছোট রাখতে নারীরা গর্ভপাতের পথ বেঁছে নেন।
রাজধানীর একটি মেরিস্টোপস ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় এক কোণে দাঁড়িয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন সামিনা (প্রকৃত নাম নয়)। তার স্বামী কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন। কিছুক্ষণ পর পর সামিনার কাছে এসে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছেন। সামিনা দুই কন্যা সন্তানের জননী। বর্তমানে অন্তঃস্বত্বা। আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টে ওঠে আসে গর্ভের ভ্রণটি কন্যা সন্তানের। সে কারণে এই সন্তানটি ভূমিষ্ঠ করাতে রাজি নন তার স্বামী। কিন্তু সামিনার মন কিছুতেই সায় দিচ্ছে না। অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও তার স্বামীর মন গলাতে পারেনি। তার সাফ কথা, ছেলে না হলে আর কোনো সন্তানের প্রয়োজন নেই। বাধ্য হয়ে সামিনাকে ঝুঁকি নিয়েই গর্ভপাত করানো হলো।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (অবস্) গাইনি বিভাগের প্রধান এবং অধ্যাপক ফেরদৌসি ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ এমন গর্ভপাতের কারণে নারীদের প্রাণহানি ঘটছে।’
তিনি জানান, একান্ত যদি গর্ভপাত বা এম আর করানো হয় তাহলে যেন সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারাই করানো হয়।
গর্ভপাত নিয়ে রয়েছে পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তি
উইকিপিডিয়ায় গর্ভপাতের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘গর্ভপাত বলতে সন্তান প্রসবের আগে, সাধারণত গর্ভধারণের প্রথম ২৮ সপ্তাহের মধ্যে, জরায়ু থেকে ভ্রণের অপসারণ ও বিনষ্টকরণকে বোঝায়।’
বিশ্বজুড়েই গর্ভপাতের পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তিবাদীরা নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। বিশ্বের খ্যাতনামা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ ও বিভিন্ন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ এবং মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এটি সরাসরি শিশুহত্যা। কেননা ভ্রণ মানেই হচ্ছে শিশুর আকার।
অন্যদিকে গর্ভপাতের পক্ষে যারা তারা বলছেন ভ্রুণহত্যা মানেই শিশুহত্যা নয়। তাদের যুক্তি হচ্ছে ভ্রণ যদি মানবের পুরোপুরি আকারে রূপান্তর না হয় তাহলে তা শিশুহত্যা হতে পারে না। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গর্ভপাত নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। ধর্মীয়ভাবে গর্ভপাত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্খিত ঘটনার শিকার নারীর সম্মানের কথা ভেবে গর্ভপাত করানো হয়। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগ হয়েছে পুত্র সন্তানকাংখীদের মনোভাব- যার অবশ্যম্ভাবী পরিণতিতে গর্ভস্থ মেয়ে ভ্রূণকে হত্যা করা হয় গর্ভপাতের মাধ্যমে।
বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন
বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন (১৮৬০-এর ব্রিটিশ পেনাল কোড) অনুযায়ী- অন্তঃসত্ত্বার জীবন বাঁচানো ছাড়া অন্য কোনো কারণে গর্ভপাত নিষিদ্ধ। এমনকি ধর্ষণ, শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক বা সামাজিক কারণ, ভ্রণের বিকলাঙ্গতা এসব কারণেও গর্ভপাত আইনসিদ্ধ নয়। অবশ্য গর্ভপাতের আইনের উইকি তথ্য অনুযায়ী ১২ সপ্তাহের মধ্যে করলে এ সমস্ত ক্ষেত্রে গর্ভপাত গ্রহণযোগ্য।
কারা করচ্ছেন
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রজনন স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠান, কয়েকটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায় গর্ভপাত করতে যারা আসছেন তাদের মধ্যে ১৬ বছরের কিশোরী থেকে মধ্য বয়স্ক নারীও রয়েছেন। বিয়ের আগে অনেকেই অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হওয়ায় বাধ্য হয়ে গর্ভপাত করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি ক্লিনিকের স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘বর্তমানে গর্ভপাত করাতে যারা আসছেন তাদের মধ্যে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণীর সংখ্যা বেশি। লোকলজ্জার ভয়ে তারা গোপনে বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে গর্ভের ভ্রণ নষ্ট করে আসেন।’
কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানান, বিবাহিতদের মধ্যে যারা আসছেন তাদের মধ্যে নতুন দম্পত্তির সংখ্যা বেশি। বিয়ের প্রথম বছরের মধ্যে অসতর্কতার কারণে গর্ভবতী হওয়ায় অনেকেই গর্ভপাতের পথ বেছে নিচ্ছেন। অন্যদিকে একাধিক সন্তান থাকার পর অসতর্কতার কারণে যেসব নারী গর্ভবতী হয়ে পড়ছেন তারাও গর্ভপাত কছেন। এছাড়া সন্তাব প্রসবের জন্য মায়ের জীবন হুমকির মুখে থাকবে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে গর্ভপাত করানো হচ্ছে।
তবে গর্ভপাতের ওপর সরেজমিন রিপোর্ট করতে গিয়ে যে বিষয়টি অনেক শিক্ষিত পুরুষের মধ্যেও দেখা গেছে তা হলো, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে মেয়েশিশু জানতে পেরেই স্বামীর নির্দেশে গর্ভপাত করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক নারীই। বর্তমানে আলট্রাসনোগ্রামে সাধারণত ভ্রুণের পাঁচ মাস বয়সে লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এ সময় গর্ভপাত ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাতের ফলে নারীর বন্ধ্যাত্ব, শারীরিক, মানসিক সমস্যাসহ মৃত্যুর ঝুঁকিও অনেক।
চলছে গলাকাটা ব্যবসা!
বিভিন্ন ক্লিনিক ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে গর্ভপাতের নামে চলছে গলাকাটা ব্যবসা। রাজধানীর আনাচে-কানাচে গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন ক্লিনিক মালিকরা নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছেন।
রাজধানীর বিভিন্ন ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায় অবৈধভাবে গর্ভপাতই বেশি করানো হচ্ছে। বিশেষ করে গর্ভপাত করতে গিয়ে যেসব নারী স্বামীকে উপস্থিত করতে পারছেন না বা যাদের স্বামী নেই তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চুক্তিতে গর্ভপাত করানো হচ্ছে। গর্ভপাত ঘটানোর সময় মাতৃমৃত্যুর ঘটনা ঘটলেই তা নজরে আসে। তাছাড়া শত শত ঘটনা থেকে যাচ্ছে অন্তরালে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেখানে মাত্র পাঁচ শ’ টাকায় এমআর করার সুযোগ রয়েছে সেখানে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লিনিক ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছে। একশ্রেণীর দালাল অবৈধভাবে এ কাজে জড়িত রয়েছেন।
সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, সরকারি হাসপাতাল, প্রজনন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কিছু দালাল রয়েছে। এসব দালালরা নারীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন। প্রাইভেট ক্লিনিকের সঙ্গে এসব দালালচক্র কমিশন ভিত্তিতে কাজ করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গর্ভপাত করাতে আসা এক নারী জানালেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে নানা কৈফিয়ত দিতে হয় তাই বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে দালালের মাধ্যমে করতে বাধ্য।
রাজধানীর একটি ক্লিনিকের কর্ণধার নাম না বলার স্বর্তে স্বীকার করলেন, মোটা অংকের টাকা নিলেও এতে তারা নারীর উপকারই করছেন।
বাংলানিউজের অনুসন্ধানে দেখা যায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ি, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা এলাকার বেশকিছু অখ্যাত ক্লিনিকে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গর্ভপাত করছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলাশহরগুলোর ক্লিনিকে নার্সদের মাধ্যমেও অনেকেই গর্ভপাত করছেন।
বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ
দেশে বাড়ছে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ। বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর স্বল্পতা বা মজুদ শূন্যতার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মানব ও অর্থনীতির ওপর।
বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা মজুদহীনতা বা অনিয়মিত সরবরাহ বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করছে। প্রতিবছর অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণের শিকার হয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮শ’ জন নারী। যাদের ৯০ হাজার ২শ’ ৪০ জন এ সমস্যা থেকে মুক্ত হতে ‘এমআর’ ও ২২ হাজার ৫শ’ ৬০ জন ‘অ্যাবরশন’ করছেন।
বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি) এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টারের (এইচডিআরসি) ২০১০ সালের গবেষণায় এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, সারাদেশে ৩০৬ জন গর্ভপাত করছেন।
তবে বাংলানিউজের অনুসন্ধানে যে চিত্র পাওয়া গেছে তাতে প্রকৃত এর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। রাজধানীর উল্লেখযোগ্য ২৫টি প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকে ঘুরে জানা যায়, এসব হাসপাতালে দৈনিক শতাধিকের বেশি গর্ভপাত হচ্ছে। ধারণা করা যায়, শুধু রাজধানীতেই দৈনিক গর্ভপাত হচ্ছে ২শ’র বেশি। সে হিসেবে ধারণা করা যায় সারা দেশে দৈনিক দেড় হাজারের বেশি গর্ভপাত হচ্ছে।
বিভিন্ন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররাও জানিয়েছেন, সারাদেশে দৈনিক গর্ভপাত দেড় হাজারের কম হবে না। কেননা গ্রামের অনেকেই এখনও হোমিও ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা দ্বারা গর্ভপাত করছেন; যাদের তালিকা সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে উঠে আসছে না।
এফপিএবি ও এইচডিআরসি’র ২০১০ সালের প্রতিবেদনে ওঠে আসে, জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করছেন মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫৫ দশমিক ৮ ভাগ নারী-পুরুষ। প্রতিবছর ১ লাখ ৬০ হাজার ৫শ’ ৮৫ জন নানা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বিশেষ করে খাবার বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা পর্যাপ্ত মজুদ না থাকায় নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সাইন্স বিভাগের শিক্ষক ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী জানান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রায় চার দশক পরও মাত্র অর্ধেক দম্পতিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও শতকরা ১৭ দশমিক ৬ ভাগ আগ্রহী দম্পতিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দিতে পারছে না পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর। আর গ্রহণকারীদের অনেকেই নিয়মিত সামগ্রী না পাওয়ার কারণে নানাভাবে স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।
গর্ভধারণের নিশ্চয়তা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নার্গিস আকতার বলেন, অনেক মহিলা পিরিয়ড মিস করলেই বুঝতে পারেন তিনি অন্ত:স্বত্বা কিনা তার আভাস পান । অনেকে আবার শরীরে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করেন। হয়ত স্তন সামান্য স্ফীতি, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা ও খাবারে অনীহা ইত্যাদি হলে।
তিনি জানান, প্রথমেই করা দরকার একটা প্রেগনেন্সি টেস্ট। এতে প্রেগনেন্সিজনিত হরমোন এইচসিজি (হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন) বেড়েছে কিনা দেখা হয়। ভ্রণ যে মুহূর্তে জরায়ুর দেওয়ালে সেঁটে বসে, রক্তে এই হরমোন সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় এবং এর কাণ্ড ঘটে পরবর্তী পিরিয়ড শুরুর আগেই। তবে ফলাফল পজিটিভ হতে পিরিয়ড মিস করার অন্তত এক সপ্তাহ বাদে প্রস্রাবটা পরীক্ষা করা জরুরি। যেসব মহিলা অপেক্ষাকৃত বয়স্কা এবং যাদের পিরিয়ড অনিয়মিত, তাদের প্রেগনেন্সি নির্ণয় কিন্তু বিলম্বিত হতে পারে। কোনো ডাক্তার হয় পরীক্ষা করে বুঝলেন, নয়ত অন্য কোনো কারণে আলট্রাসোনোগ্রাফি করতে গিয়ে ধরা পড়ল।
কখন গর্ভপাত করতে হবে?
রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সামিনা চৌধুরী বলেন, গর্ভপাতের বিষয়ে জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা দরকার। তার মতামত বোঝা দরকার যাতে সহজে যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়। তবে অনেক সময় পরিবারভুক্ত নন যেমন ঘনিষ্ঠ বন্ধু, মেডিক্যাল পেশাদার নয়ত মনোবিদ-কাউন্সেলর-এর সঙ্গে কথা বলেও লাভবান হওয়া যায়। দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া দরকার। গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ হচ্ছে-যদি প্রেগন্যান্সি চলার ফলে মায়ের জীবন বিপন্ন হয় তাহলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে গর্ভপাত করতে হবে। এছাড়া প্রেগনেন্ট মহিলার স্থায়ী শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকলে গর্ভপাত করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানান, যদি সদ্য প্রেগনেন্সি হয়ে থাকে (৭ সপ্তাহের কম) তা হলে মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগনেন্সির পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। এতে অস্ত্রোপচার এড়ানো যায় তবে কিছু বিশেষ ওষুধ প্রয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে। কিছু নারীর ক্ষেত্রে এ রাস্তায় কাজ হয় না। তখন জেনারেল অ্যানাস্থেশিয়ায় মাধ্যমে শল্য চিকিৎসায় জরায়ু শূন্য করার প্রয়োজন পড়ে।
মিফেপ্রিস্টোন (এক ধরনের হরমোন যা প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বন্ধ করে এবং প্রেগনেন্সি বজায় রাখার সংকট দেখা দেয়) ট্যাবলেট মুখে খাওয়ার জন্য দেওয়া হয়। সামান্য কিছু মহিলার তাতে অল্প রক্তক্ষরণ এবং ব্যথা শুরু হয়। দু’দিন বাদে প্রোজেস্টেরনের ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট (পেসারি) যৌনিপথে প্রবেশ করানোর প্রয়োজন দেখা দেয় যাতে জরায়ুর সঙ্কোচন শুরু হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, বমি এবং ডায়রিয়া হতে পারে। জরায়ু দেওয়াল ভাঙতে শুরু করে এবং প্রচণ্ড ভারী ব্লিডিংয়ে গর্ভস্থ ভ্রুণ ছিটকে বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ১০ দিন অবধি ব্লিডিং চলতে পারে। ২ সপ্তাহের মধ্যে একবার ফলোআপ পরামর্শদানের প্রয়োজন হয়, যাতে দেখা হয় কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি হলো কিনা।
অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে গর্ভপাত
তিনি জানান, প্রথমেই করা দরকার একটা প্রেগনেন্সি টেস্ট। এতে প্রেগনেন্সিজনিত হরমোন এইচসিজি (হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন) বেড়েছে কিনা দেখা হয়। ভ্রণ যে মুহূর্তে জরায়ুর দেওয়ালে সেঁটে বসে, রক্তে এই হরমোন সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় এবং এর কাণ্ড ঘটে পরবর্তী পিরিয়ড শুরুর আগেই। তবে ফলাফল পজিটিভ হতে পিরিয়ড মিস করার অন্তত এক সপ্তাহ বাদে প্রস্রাবটা পরীক্ষা করা জরুরি। যেসব মহিলা অপেক্ষাকৃত বয়স্কা এবং যাদের পিরিয়ড অনিয়মিত, তাদের প্রেগনেন্সি নির্ণয় কিন্তু বিলম্বিত হতে পারে। কোনো ডাক্তার হয় পরীক্ষা করে বুঝলেন, নয়ত অন্য কোনো কারণে আলট্রাসোনোগ্রাফি করতে গিয়ে ধরা পড়ল।
কখন গর্ভপাত করতে হবে?
রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সামিনা চৌধুরী বলেন, গর্ভপাতের বিষয়ে জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা দরকার। তার মতামত বোঝা দরকার যাতে সহজে যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়। তবে অনেক সময় পরিবারভুক্ত নন যেমন ঘনিষ্ঠ বন্ধু, মেডিক্যাল পেশাদার নয়ত মনোবিদ-কাউন্সেলর-এর সঙ্গে কথা বলেও লাভবান হওয়া যায়। দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া দরকার। গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ হচ্ছে-যদি প্রেগন্যান্সি চলার ফলে মায়ের জীবন বিপন্ন হয় তাহলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে গর্ভপাত করতে হবে। এছাড়া প্রেগনেন্ট মহিলার স্থায়ী শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকলে গর্ভপাত করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানান, যদি সদ্য প্রেগনেন্সি হয়ে থাকে (৭ সপ্তাহের কম) তা হলে মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগনেন্সির পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। এতে অস্ত্রোপচার এড়ানো যায় তবে কিছু বিশেষ ওষুধ প্রয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে। কিছু নারীর ক্ষেত্রে এ রাস্তায় কাজ হয় না। তখন জেনারেল অ্যানাস্থেশিয়ায় মাধ্যমে শল্য চিকিৎসায় জরায়ু শূন্য করার প্রয়োজন পড়ে।
মিফেপ্রিস্টোন (এক ধরনের হরমোন যা প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বন্ধ করে এবং প্রেগনেন্সি বজায় রাখার সংকট দেখা দেয়) ট্যাবলেট মুখে খাওয়ার জন্য দেওয়া হয়। সামান্য কিছু মহিলার তাতে অল্প রক্তক্ষরণ এবং ব্যথা শুরু হয়। দু’দিন বাদে প্রোজেস্টেরনের ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট (পেসারি) যৌনিপথে প্রবেশ করানোর প্রয়োজন দেখা দেয় যাতে জরায়ুর সঙ্কোচন শুরু হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, বমি এবং ডায়রিয়া হতে পারে। জরায়ু দেওয়াল ভাঙতে শুরু করে এবং প্রচণ্ড ভারী ব্লিডিংয়ে গর্ভস্থ ভ্রুণ ছিটকে বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ১০ দিন অবধি ব্লিডিং চলতে পারে। ২ সপ্তাহের মধ্যে একবার ফলোআপ পরামর্শদানের প্রয়োজন হয়, যাতে দেখা হয় কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি হলো কিনা।
অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে গর্ভপাত
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইফফাত আরা বলেন, ওটিতে হালকা জেনারেল অ্যানাস্থেশিয়ার মাধ্যমে গর্ভপাত করানো হয়। ১২ সপ্তাহ অবধি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গর্ভপাতের পরামর্শ দেওয়া হবে। অস্ত্রোপচার শুরুর এক ঘণ্টা বা তারও কিছু আগে যোনিপথে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন পেসারি প্রবেশ করাবেন। এতে জরায়ুমুখ বা সার্ভিক্স সামান্য শিখিল হবে এবং খুলে যাবে। কখনো কখনো অস্ত্রোপচারের আগে একটা ইঞ্জেকশন দিয়ে মন শান্ত করা হয়। অস্ত্রোপচার কক্ষে যোনিদ্বার সাফ করার পর সেখানে স্পেকুলাম ঢুকিয়ে জরায়ুমুখ দেখা হয়। তাকে ফরসেপস্ দিয়ে স্থিরভাবে ধরে এবার ডাইলেট ব্যবহার করে পথটা খুলে দেওয়া হয়। তারপর জরায়ুর মধ্যে সরু প্লাস্টিক টিউব ঢুকিয়ে তা সাকশন যন্ত্রে যুক্ত করা হয়। এটা প্রেগন্যান্সিকে ধীরে ধীরে স্থানচ্যুত করে। এবার ব্যাপারটা হয়ে যাওয়ার পর জরায়ু সত্যি খালি হলো কিনা তা দেখার জন্য কিউরেট যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। গোটা প্রক্রিয়াটা ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নেয়। কয়েক ঘণ্টা আচ্ছন্ন ভাব থাকে, একটু অসুস্থবোধ হতে পারে।
১২ থেকে ১৩ সপ্তাহের পর যে কোনো গর্ভপাত বেশ জটিল ব্যাপার। হাসপাতালে ভর্তি করে নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ভ্যাজাইনাল পেসারি দেওয়া হয় যোনিপথে। তাতে জরায়ুতে লেবার বা প্রসবের মতো সঙ্কোচন শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে জরায়ুমুখ বা সার্ভিক্স খুলে যায়। এখানে ব্যথা নিবারণের ব্যবস্থা রাখতে হয় এবং দেখা গেছে ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নার্সের সহায়তায় প্রেগনেন্সি নিক্ষেপ করা সম্ভব হয়।
গর্ভপাতে যেসব বিপদজনক কৌশল অবলম্বন করা হয়
বাংলাদেশে দুটি শিক্ষাদানরত হাসপাতাল, দুটি জেলা হাসপাতাল ও চারটি থানা কমপ্লেক্সসহ ৮ টি কেন্দ্রে ৬১০ জন মহিলার এক গবেষণায় দেখা যায় যে, অনেক গর্ভবতী নারী এ ধরণের বিপদজ্জনক বিপদজনক কৌশল অবলম্বন করে চলেছে।
গর্ভপাতে ব্যবহ্রত পদ্ধতিসমূহ
শতাংশ
জরায়ুতে কঠিন পদার্থ দিয়ে কাঠি ঢুকানো
৩২.৫
ইনজেকশন/ক্যাপসুল/ট্যাবলেট/খাওয়ার বড়ি
২৬.৬
দেশীয় টেবলেট/মিশ্রন
১৭.৫
অভিশ্বসন/মাসিক নিয়ন্ত্রন
২২.১
প্রসারণ/চাঁদন
৪.৬
জরায়ুর ভিতরে পরিনিষেচন
২.৩
তলপেটে চাপদান
০.৬
অন্যান্য উপায়ে
২.৯
(সারনির তথ্য সূত্র-বাংলাপিডিয়া)
৩ কারণে মৃত্যু!
ডা. ইফফাত আরা বলেন, গর্ভপাতের সময় মূলত ৩টি কারণে মৃত্যু হতে পারে। অতিরিক্ত রক্ষক্ষরণ, ইনফেকশন ও খাদ্যনালী ফুটো হয়ে গেলে মৃত্যু হতে পারে। তিনি জানান, যত দ্রুত অর্থাৎ কম সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করা যায়, জটিলতার সম্ভাবনা তত কম। ৩ মাসের মধ্যে যত তাড়াতাড়ি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা গর্ভপাত করা যায় ততই বিপদের ঝুঁকি কম থাকে।
গর্ভপাতের পর যে জটিলতা সবচেয়ে দেখা দেয় তা হচ্ছে সংক্রমণ। তাতে ব্যথা, অস্বাভাবিক ডিসচার্জ এবং গর্ভপাতের পরও দীর্ঘায়িত ব্লিডিং।
প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মেরী স্টোপসের পরিচালক (প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট) কাজী গোলাম রসুল বলেন, অনিরাপদ গর্ভপাতের পর ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, জরায়ু, মূত্রনালি এবং অন্ত্রনালি ছিদ্র হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব ও পায়খানার রাস্তা ছিঁড়ে এক হয়ে যাওয়া, বন্ধ্যাত্বের শিকার হওয়াসহ বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হন নারীরা।
(উৎস-প্রজনন-সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা, বাংলাপিডিয়া)
প্রয়োজন যৌন সচেতনতা
বিশেষজ্ঞরা ডাক্তাররা জানান, ‘বাঁচতে হলে জানতে হবে’- এ স্লোগানের সঙ্গে যোগ করে বলেছেন, বাঁচতে হলে জানতেও হবে মানতে হবে। যৌন শিক্ষা শুধু যে এইডস থেকে মুক্ত করতে পারে তা নয়, সংক্রামক অনেক রোগসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে পারে। অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক সংক্রামক রোগের পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নারী শরীরে সন্তান নিয়ে আসে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নার্গিস আকতার বলেন, ‘শারীরিক কারণে অনেক নারী স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন না। তাঁদের স্বামীরাও কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করেন না। তাই কোনো কোনো নারীকে দু-তিনবার পর্যন্ত এমআর করে দিতে হচ্ছে।’
তিনি জানান, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গর্ভে আসা সন্তান না রাখতে চাইলে তার পথও খোলা আছে। নারীর শেষ মাসিকের প্রথম দিন হিসাবে ৬ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে এমআর বা মাসিক নিয়মিত করার পদ্ধতি (যে কোনো কারণে মাসিক বন্ধ থাকলে তা নিয়মিত করে দেওয়া) বৈধ।
তিনি বলেন, ‘অনেক স্বামী নিজে সচেতন না হয়ে নিরাপদ ব্যবস্থা হিসেবে এমআরকেই বেছে নেন। এটা যে স্ত্রীর শারীরিক ক্ষতির কারণ, তা আমলে নেন না।’
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানিয়েছেন, নারীর পাশাপাশি পুরুষকেও যৌন শিক্ষায় সচেতন থাকতে হবে।
এশিয়ায় ১০ কোটি ১৭ লাখ কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যা
বিশ্বজুড়েই বাড়ছে গর্ভপাত। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও কানাডাসহ এশিয়াতেও আশঙ্খাজনকভাবে গর্ভপাতের হার ক্রমাগত বাড়ছে। আল্ট্রাসনোগ্রাফির অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুর লিঙ্গ চিহ্নিত করে গর্ভপাত ঘটানোর হার ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে এশিয়ায়। বিশেষত ভারতে মেয়েশিশু গর্ভপাতের হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
জাতিসংঘের ২০১১ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, এশিয়ার ১০ কোটি ১৭ লাখ কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যার বড় অংশটিই হচ্ছে ভারতে। ফলে দেশটিতে দিন দিন কমে যাচ্ছে কন্যাসন্তানের সংখ্যা।
ভারতের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণেই এ রকম নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। দম্পতিরা আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনের মাধ্যমে গর্ভজাত সন্তানকে শনাক্ত করে এবং শিশুকন্যা হলে তার গর্ভপাত ঘটায়। এ অবস্থায় কিছু দিন আগে পোর্টেবল আল্ট্রাসনো মেশিন ব্যবহারের দায়ে মুম্বাইয়ের মেডিক্যাল কলেজের একজন রেডিওলজিস্টের বিরুদ্ধে সেখানকার হাইকোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আলজাজিরা সূত্রে জানা যায়, কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন ভারতের ডা. নিলাম সিং। লিঙ্গ বৈষম্যের কারণ সম্পর্কে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, দেশের প্রাচীন রীতিনীতিই মূলত গর্ভপাতের প্রধান কারণ। পরিবারের সদস্যরা মনে করেন বংশ রক্ষার জন্য ছেলেসন্তান জরুরি। এই ধ্যানধারণা যে শুধু অশিক্ষিত ও দরিদ্র পরিবারের বেশি তা নয়; শিক্ষিত ও ধনী পরিবারগুলোতেও একই ধরনের সংস্কৃতির চর্চা চলে। আর তাদের এই চিন্তাধারার কারণে বলি হচ্ছে শত-সহস্র কন্যাশিশুর ভ্রূণ। অর্থনৈতিক বৈষম্য কন্যাশিশু হত্যার অন্যতম প্রধান কারণ।
ভারতের মতো আমাদের দেশে আশঙ্ক্ষাজনকভাবে মেয়ে ভ্রুণ হত্যা না হলেও ক্রমাগত ভ্রুণ হত্যা বাড়ছেই।
আল্ট্রাসনোগ্রাফির অপব্যবহারের কারণে মেয়ে শিশু ভ্রুণ নষ্ট করছেন অনেকেই।
বিশ্বজুড়েই এখন মানবাধিকার সংগঠনগুলো ভ্রুণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। পৃথিবীর আলো বাতাস উপভোগ করার আগেই মায়ের গর্ভেই শিশুকে হত্যা করা সহজাত প্রকৃতি বিরোধী। কাজেই সচেতন থাকতে হবে নারী-পুরুষ উভয়কেই। মানবতাবাদীরা মনে করেন, পৃথিবীর রং, গন্ধ, ফুল, পাখি দেখার অধিকার রয়েছে ভ্রুণ শিশুর।
১২ থেকে ১৩ সপ্তাহের পর যে কোনো গর্ভপাত বেশ জটিল ব্যাপার। হাসপাতালে ভর্তি করে নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ভ্যাজাইনাল পেসারি দেওয়া হয় যোনিপথে। তাতে জরায়ুতে লেবার বা প্রসবের মতো সঙ্কোচন শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে জরায়ুমুখ বা সার্ভিক্স খুলে যায়। এখানে ব্যথা নিবারণের ব্যবস্থা রাখতে হয় এবং দেখা গেছে ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নার্সের সহায়তায় প্রেগনেন্সি নিক্ষেপ করা সম্ভব হয়।
গর্ভপাতে যেসব বিপদজনক কৌশল অবলম্বন করা হয়
বাংলাদেশে দুটি শিক্ষাদানরত হাসপাতাল, দুটি জেলা হাসপাতাল ও চারটি থানা কমপ্লেক্সসহ ৮ টি কেন্দ্রে ৬১০ জন মহিলার এক গবেষণায় দেখা যায় যে, অনেক গর্ভবতী নারী এ ধরণের বিপদজ্জনক বিপদজনক কৌশল অবলম্বন করে চলেছে।
গর্ভপাতে ব্যবহ্রত পদ্ধতিসমূহ
শতাংশ
জরায়ুতে কঠিন পদার্থ দিয়ে কাঠি ঢুকানো
৩২.৫
ইনজেকশন/ক্যাপসুল/ট্যাবলেট/খাওয়ার বড়ি
২৬.৬
দেশীয় টেবলেট/মিশ্রন
১৭.৫
অভিশ্বসন/মাসিক নিয়ন্ত্রন
২২.১
প্রসারণ/চাঁদন
৪.৬
জরায়ুর ভিতরে পরিনিষেচন
২.৩
তলপেটে চাপদান
০.৬
অন্যান্য উপায়ে
২.৯
(সারনির তথ্য সূত্র-বাংলাপিডিয়া)
৩ কারণে মৃত্যু!
ডা. ইফফাত আরা বলেন, গর্ভপাতের সময় মূলত ৩টি কারণে মৃত্যু হতে পারে। অতিরিক্ত রক্ষক্ষরণ, ইনফেকশন ও খাদ্যনালী ফুটো হয়ে গেলে মৃত্যু হতে পারে। তিনি জানান, যত দ্রুত অর্থাৎ কম সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করা যায়, জটিলতার সম্ভাবনা তত কম। ৩ মাসের মধ্যে যত তাড়াতাড়ি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা গর্ভপাত করা যায় ততই বিপদের ঝুঁকি কম থাকে।
গর্ভপাতের পর যে জটিলতা সবচেয়ে দেখা দেয় তা হচ্ছে সংক্রমণ। তাতে ব্যথা, অস্বাভাবিক ডিসচার্জ এবং গর্ভপাতের পরও দীর্ঘায়িত ব্লিডিং।
প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মেরী স্টোপসের পরিচালক (প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট) কাজী গোলাম রসুল বলেন, অনিরাপদ গর্ভপাতের পর ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, জরায়ু, মূত্রনালি এবং অন্ত্রনালি ছিদ্র হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব ও পায়খানার রাস্তা ছিঁড়ে এক হয়ে যাওয়া, বন্ধ্যাত্বের শিকার হওয়াসহ বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হন নারীরা।
(উৎস-প্রজনন-সংক্রান্ত স্বাস্থ্যসেবা, বাংলাপিডিয়া)
প্রয়োজন যৌন সচেতনতা
বিশেষজ্ঞরা ডাক্তাররা জানান, ‘বাঁচতে হলে জানতে হবে’- এ স্লোগানের সঙ্গে যোগ করে বলেছেন, বাঁচতে হলে জানতেও হবে মানতে হবে। যৌন শিক্ষা শুধু যে এইডস থেকে মুক্ত করতে পারে তা নয়, সংক্রামক অনেক রোগসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে পারে। অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক সংক্রামক রোগের পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নারী শরীরে সন্তান নিয়ে আসে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নার্গিস আকতার বলেন, ‘শারীরিক কারণে অনেক নারী স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন না। তাঁদের স্বামীরাও কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করেন না। তাই কোনো কোনো নারীকে দু-তিনবার পর্যন্ত এমআর করে দিতে হচ্ছে।’
তিনি জানান, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গর্ভে আসা সন্তান না রাখতে চাইলে তার পথও খোলা আছে। নারীর শেষ মাসিকের প্রথম দিন হিসাবে ৬ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে এমআর বা মাসিক নিয়মিত করার পদ্ধতি (যে কোনো কারণে মাসিক বন্ধ থাকলে তা নিয়মিত করে দেওয়া) বৈধ।
তিনি বলেন, ‘অনেক স্বামী নিজে সচেতন না হয়ে নিরাপদ ব্যবস্থা হিসেবে এমআরকেই বেছে নেন। এটা যে স্ত্রীর শারীরিক ক্ষতির কারণ, তা আমলে নেন না।’
বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা জানিয়েছেন, নারীর পাশাপাশি পুরুষকেও যৌন শিক্ষায় সচেতন থাকতে হবে।
এশিয়ায় ১০ কোটি ১৭ লাখ কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যা
বিশ্বজুড়েই বাড়ছে গর্ভপাত। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও কানাডাসহ এশিয়াতেও আশঙ্খাজনকভাবে গর্ভপাতের হার ক্রমাগত বাড়ছে। আল্ট্রাসনোগ্রাফির অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুর লিঙ্গ চিহ্নিত করে গর্ভপাত ঘটানোর হার ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে এশিয়ায়। বিশেষত ভারতে মেয়েশিশু গর্ভপাতের হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
জাতিসংঘের ২০১১ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, এশিয়ার ১০ কোটি ১৭ লাখ কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যার বড় অংশটিই হচ্ছে ভারতে। ফলে দেশটিতে দিন দিন কমে যাচ্ছে কন্যাসন্তানের সংখ্যা।
ভারতের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণেই এ রকম নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। দম্পতিরা আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনের মাধ্যমে গর্ভজাত সন্তানকে শনাক্ত করে এবং শিশুকন্যা হলে তার গর্ভপাত ঘটায়। এ অবস্থায় কিছু দিন আগে পোর্টেবল আল্ট্রাসনো মেশিন ব্যবহারের দায়ে মুম্বাইয়ের মেডিক্যাল কলেজের একজন রেডিওলজিস্টের বিরুদ্ধে সেখানকার হাইকোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আলজাজিরা সূত্রে জানা যায়, কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন ভারতের ডা. নিলাম সিং। লিঙ্গ বৈষম্যের কারণ সম্পর্কে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, দেশের প্রাচীন রীতিনীতিই মূলত গর্ভপাতের প্রধান কারণ। পরিবারের সদস্যরা মনে করেন বংশ রক্ষার জন্য ছেলেসন্তান জরুরি। এই ধ্যানধারণা যে শুধু অশিক্ষিত ও দরিদ্র পরিবারের বেশি তা নয়; শিক্ষিত ও ধনী পরিবারগুলোতেও একই ধরনের সংস্কৃতির চর্চা চলে। আর তাদের এই চিন্তাধারার কারণে বলি হচ্ছে শত-সহস্র কন্যাশিশুর ভ্রূণ। অর্থনৈতিক বৈষম্য কন্যাশিশু হত্যার অন্যতম প্রধান কারণ।
ভারতের মতো আমাদের দেশে আশঙ্ক্ষাজনকভাবে মেয়ে ভ্রুণ হত্যা না হলেও ক্রমাগত ভ্রুণ হত্যা বাড়ছেই।
আল্ট্রাসনোগ্রাফির অপব্যবহারের কারণে মেয়ে শিশু ভ্রুণ নষ্ট করছেন অনেকেই।
বিশ্বজুড়েই এখন মানবাধিকার সংগঠনগুলো ভ্রুণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। পৃথিবীর আলো বাতাস উপভোগ করার আগেই মায়ের গর্ভেই শিশুকে হত্যা করা সহজাত প্রকৃতি বিরোধী। কাজেই সচেতন থাকতে হবে নারী-পুরুষ উভয়কেই। মানবতাবাদীরা মনে করেন, পৃথিবীর রং, গন্ধ, ফুল, পাখি দেখার অধিকার রয়েছে ভ্রুণ শিশুর।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
January
(4234)
-
▼
Jan 28
(147)
- হাতে হাত রেখে! by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- রঙ্গিলায় নওশীন....
- দক্ষিণ এশীয় ইউনিয়ন গঠন প্রসঙ্গে by মোহাম্মদ মতিন উ...
- ...রোমান্স!
- বিবিসি জানালায়...
- ওরা জনগণের কণ্ঠ রোধ করতে চায় by আতাউস সামাদ
- মেহজাবীনের দর্পচূর্ণ
- রফতানি নিষেধাজ্ঞার কবলে কাঁচাপাটঃ সিদ্ধান্ত যেন নে...
- ৪০ লাখ রুপির বিয়ের হার বেবোর
- কোপেনহেগেনে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন সমাপ্তঃ পর্বতের ম...
- আ’লীগ নেতার ৫২ কর্মী দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর পাহারাদার ...
- চলছে ভ্রুণ হত্যা by আদিত্য আরাফাত
- বরাদ্দ তিনবার, কাজ হয়নি একবারও by কাজী নুরুল ইসলাম
- টিআর-কাবিখার বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন হওয়ার কথা যেভাবে
- পাথর ও বালু পাচার-বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ ...
- নানা নামে প্রতিষ্ঠান বানিয়ে আত্মসাৎ
- ছিটমহল ও অপদখলীয় জমি-ঝুলে আছে সীমান্ত প্রটোকল বাস্...
- আবুধাবি টেস্ট-স্পিন-স্বর্গে রোমাঞ্চকর টেস্ট
- অ্যাডিলেড টেস্ট-ধবলধোলাইয়ের অপেক্ষায়
- প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ-পরাজয়েও স্বরূপে মাশরাফি
- চলে এসেছে গোধূলিবেলা!
- মাঝেমধ্যে এমন হয়ই: শেবাগ
- ফ্লোরিডায় প্রাইমারি উপলক্ষে প্রার্থীদের ব্যাপক প্র...
- অ্যাবোটাবাদে সামরিক একাডেমিতে রকেট হামলা
- জুলিয়া গিলার্ডকে ঘেরাওয়ের ঘটনা-আদিবাসী নেতারা নিন্...
- এক লাখের মতো সেনা কমাবে যুক্তরাষ্ট্র
- প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ইমরান
- শ্বাস রোধ করে হত্যা
- জমি নিয়ে বিরোধ-লালমনিরহাটে বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগ...
- কুড়িগ্রামে বোরো চাষে ব্যয় বাড়বে ৩৫ কোটি টাকা
- সেই ইটভাটাটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর
- লিশের বাধায় পণ্ড ব্লু ব্যান্ড কলের কর্মসূচি
- অটিস্টিক শিশুদের চিকিৎসায় যত্নবান হওয়ার আহ্বান
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের পুনর্মিলনী-আড্...
- জন্মদিন-হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল-মাছ যেত আগে, এখন যাচ্ছে মানুষ b...
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল-মাছ যেত আগে, এখন যাচ্ছে মানুষ b...
- খোলা হাওয়া-ঈদের অভিজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা by সৈয়দ মনজুরুল...
- শিক্ষা অধিকার-দেশে দেশে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ by ...
- প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য-সুন্দরবনের পরাজয়ের পর by মোহ...
- অবিলম্বে খুঁটি বসান, এলাকাবাসীকে বিপদমুক্ত রাখুন-গ...
- সাফটা ও জলবায়ু বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত কাম্য-সপ্তদশ ...
- উৎসব-কাত্যায়নী পূজার এক রাত
- কুমিল্লা সিটি করপোরেশন-কুমিল্লাবাসী সৎ ও যোগ্য মেয়...
- যুক্তি তর্ক গল্প-এই বারতা গুরুত্ব পাবে তো? by আবুল...
- পরিবেশ ব্যবস্থাপনা-শস্যখেত ও ছায়া সুনিবিড় গৃহ by জ...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-নামের মাহাত্ম্য by আতাউর রহমান
- কালের পুরাণ-নূর হোসেনের অতৃপ্ত আত্মা ও লোকমানের ‘অ...
- এভাবে আর চলতে দেওয়া উচিত নয়-টিআরের গম কে খায়
- তিস্তার পানি বণ্টনে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা চাই-হাসিনা...
- এই দিনে-বেতিয়ারা যুদ্ধের গৌরবগাথা
- সরেজমিন নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন-জয় হয়েছে জনতার, গ...
- উইকিলিকস-জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ by ম...
- ধর্ম-মিতব্যয়ী জীবনযাপনে অভ্যস্ত হোন by ড. মুহাম্মদ...
- সরল গরল-দীপু মনির সঙ্গে হিনা রাব্বানির ‘দুর্ঘটনা’ ...
- এ অধিকার গভর্নরের নেই-কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অশুভ দৃষ্ট...
- জনগণের জন্য সহনীয় হবে কি?-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ভ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-প্রগতির আন্দোলনে নিবেদিত এক মানুষ
- ঐতিহ্য-পদ্মার ইলিশ by সাইফুদ্দীন চৌধুরী
- যুক্তি তর্ক গল্প-আরব বসন্তে সাম্রাজ্যবাদী ছায়া by ...
- স্মরণ-পাথেয় হোক এম এন লারমার পথ by হরি কিশোর চাকমা
- সার্ক-বিভেদের দেয়ালগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে by মহিউদ্দ...
- ঢাকা সিটি করপোরেশন-দ্বিখণ্ডিত ঢাকা, একটি অনভিপ্রেত...
- দর নির্ধারণে সরকারি ঔদাসীন্য দুর্ভাগ্যজনক-চামড়াশিল...
- রেলওয়ে ও মহাসড়কের প্রতি দৃষ্টি দিন-যেতে-আসতে যাত্র...
- শিশুদের জন্য সিনেমা হল by সাজ্জাদ হোসেন রিজু
- খাচ্ছি কী? by রফিকুল ইসলাম সাগর
- মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক কামান by মোঃ আবুল বাশার
- এভাবে বন্ধুত্বের মর্যাদা রক্ষা হয় না by মোঃ মামুনু...
- হলের সিট রাজনীতি বনাম শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ-বিশ্ববিদ...
- বিদ্যার দেবী সরস্বতী :পূজা ও উৎসব by নিরঞ্জন অধিকারী
- ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রণ! by একরামুল হক শামীম
- কালো বুশ সাহেব কি ইরানের ওপর হামলা করবেনই?-কালের আ...
- সমবায়-আবার জেগে উঠুক
- সংযত মুদ্রানীতি-আর্থিক ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত...
- নাশকতার আশঙ্কা-সর্বাত্মক সতর্কতা প্রয়োজন
- সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি-মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে...
- চরাচর-নদী চলুক আপন পথে by বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
- পবিত্র কোরআনের আলো-তাবুক যুদ্ধাভিযানে না যাওয়ার জন...
- সদরে অন্দরে-শিক্ষা যেন পণ্য বলে গণ্য না হয় by মোস্...
- মনের কোণে হীরে-মুক্তো-দুর্নীতিবিরোধী সৎ ব্যক্তি এব...
- সৌদি নারীর ভোটাধিকার-অধিকারের স্বীকৃতি অভিনন্দনযোগ্য
- জবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-একই আইনে চলুক সব পাবলিক ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে র...
- স্বমহিমায় ভাস্বর শহীদ ময়েজউদ্দিন by মো. মুজিবুর রহমান
- ফিলিস্তিন : দুর্গম গিরি, কান্তার মরু, দুস্তর পারাব...
- বিশ্ব পর্যটন দিবস-পর্যটন শিল্পের অর্থনৈতিক সাংস্কৃ...
- সহজ-সরল-রাতে আমি শান্তিতে ঘুমাই by কনকচাঁপা
- কল্পকথার গল্প-সংসার সুখের হয় বাজারের গুণে! by আলী ...
- কালান্তরের কড়চা-চাণক্যপুরীর কূটকৌশল এবং বাংলাদেশে...
- তিতাসের অর্থ লোপাট-রহস্য উদ্ঘাটন করে কার্যকর ব্যব...
- ভিনদেশের চিঠি-একজন হূদয়বতী
- মূল রচনা-ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প by উজ্জ্বল দাশ
- যে খবর নাড়া দেয়-ফালানীর মা by ইকবাল হোসাইন চৌধুরী
- স্মরণ-তিতুমীর: মুক্তিকামী মানুষের অগ্রপথিক
- প্রশংসিত শান্তির মডেল-বাস্তবায়নে আমাদেরই উদ্যোগী হ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-কোনো দৃষ্টিই তাঁকে দেখতে পায় না...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম-সারা পৃথি...
- চরাচর-তিন গ্রামে তিন ঘণ্টা by দীপংকর ভট্টাচার্য লিটন
- হেলেন কুপার ও স্টিভেন লি মেয়ার-জাতিসংঘে ফিলিস্তিন ...
- নিত্যজাতম্-ইতিহাস থেকে একটু শিক্ষা নিন by মহসীন হাবিব
- ভিন্নমত-স্বাস্থ্যসেবা বনাম জবাবদিহিতা by আবু আহমেদ
- দুই বড় দলের সহযোগী সংগঠন-ভুঁইফোঁড়দের ঠেকাতে হবে জা...
- ঝুঁকিতে মেঘনা সেতু-দ্রুত মেরামতকাজ শুরু করতে হবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইমানদার ও সমঝদার লোকদের জন্য আল...
- রাজশাহী-সুখের নগর কি খুনের নগর হবে? by কুদরাত-ই-খুদা
- শিক্ষা-কোচিং-বাণিজ্য অবশ্যই বন্ধ করতে হবে by আসাদ...
- আর্থিক পরিস্থিতি-টাকার বেসামাল অবনমন ও অর্থনীতির চ...
- এক বছরের কাজ শেষ হবে তিন বছরে?-মন্ত্রী আসছেন বলে
- সরকারের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই-পার্বত্য চুক্ত...
- সদরে অন্দরে-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং মানুষের ভোগা...
- সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং কিছু কথা by তারেক শা...
- চরাচর-বিপ্লবী এক নারীর কথা by বনরূপা
- রবার্ট ফিস্ক-জেরুজালেমে প্রার্থনা, বিদ্রূপ এবং ক্ল...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-জাতীয় প্রবৃদ্ধি, জাতীয় সুখ এবং...
- সচিব ও মন্ত্রীর জবাবদিহি by এ এম এম শওকত আলী
- আয়কর মেলার সাফল্য-কর কার্যালয় ভীতির উৎস না হোক
- ভ্রমণবিলাস!-অপচয় বন্ধ করা প্রয়োজন
- স্মরণ-ফিরে এল সেই দিন by ড. বীথিকা সিংহ বল
- পবিত্র কোরআনের আলো-চন্দ্র এবং সূর্যকে স্থাপন করা হ...
- ভস্ম থেকে জেগে উঠুক চেতনার আগুনপাখি by হাসান মোরশেদ
- চার শিশু ফিরল মায়ের কাছে, ছাড়া পেলেন সাত মার্কিন
- ঘোড়াশালে আদিবা হত্যা-হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত মনে কর...
- সিরিয়ায় সহিংসতায় শতাধিক নিহত
- কুষ্টিয়ায় ছাত্রদল, সিলেটে যুবদল নেতাকে হত্যা
- অবৈধভাবে তোলা বালু পরিবহনে নদে বাঁধ by আরিফুল হক
- লাল-সবুজের পাশে-শান্তির কবুতর বনাম কুমিরের মুরগি ভ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
-
▼
Jan 28
(147)
-
▼
January
(4234)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment