Thursday, January 31, 2013
আরেকটি গণতন্ত্র বধ কাব্য- বিবিধ প্রসঙ্গ by মাসুদ মজুমদার
আরেকটি গণতন্ত্র বধ কাব্য- বিবিধ প্রসঙ্গ by মাসুদ মজুমদার
কে নির্বাচনে এলো, কে এলো নাÑ এ নিয়ে
প্রধানমন্ত্রী ভাবতে চান না। তার সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে এবং তিনি
২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচন করতে চান।
আগে চেয়েছিলেন
২০১৩ সালের অক্টোবরে। ক’দিন পরে কী বলবেন জ্যোতিষী ছাড়া বলা সম্ভব নয়।
তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে তিনি এখন ওপরের দিকে যত থুথু ছিটাচ্ছেন সবই নিজের ও
দলের গায়ে মাখছেন। সরকার ও মহাজোট নেতাদের অবস্থানও এ ব্যাপারে অস্বচ্ছ
এবং গোঁজামিলনির্ভর। এই গোঁজামিল এবং মতলববাজি থেকেই সরকার আবার এক-এগারোর
মতো ‘গজব’ নাজিলের আলামত স্পষ্ট করে দিচ্ছে। গভীরভাবে ভাবলে মনে হবে, লেবাস
বা খোলসটা আলাদা; কিন্তু আমরা সেই গজব নাজিল করা সরকারের একটা বর্ধিত
সংস্করণের ভেতর আছি। যদিও একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হলো, সেই সরকার
চার বছর অতিক্রম করে মেয়াদ শেষ করার দ্বারপ্রান্তে। সংসদ হয়ে পড়ল
ভারসাম্যহীন, অকার্যকর। জনগণের মনোযোগ পড়ল না সংসদের দিকে। বিরোধী দল
পুরনো সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারল না। সরকারি দলও বিরোধী
দলকে সংসদের ভেতরে-বাইরে সহ্য করতে না পারার সব অগণতান্ত্রিক আচরণ
প্রদর্শন করে গেল। অবশ্য ক্ষমতার পূর্ণ মেয়াদ পূর্তির একটা রাজনৈতিক
সংস্কৃতি সবকিছুর আড়ালে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে। আবার সংসদে প্রেসিডেন্টের
ভাষণে বিরোধী দলের মণ্ডুপাতের নতুন সংস্কৃতিও চালু হয়েছে।
বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণ কখনো ভরসার ওপর দাঁড়াতে পারছেন না। একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে গেলেন বিচারপতি। স্বচ্ছতার সাথে একটি ট্রাইব্যুনাল চালানোর ক্ষেত্রেও বিচার বিভাগ হতাশ করল। এখন চোর অভিযুক্ত হচ্ছে না, কে চুরি করা দেখে ফেলল তাকে দোষী করার তোড়জোড় লক্ষ করছি। প্রযুক্তির জালে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও সরকারের অভিলাষ শুধু প্রশ্নবিদ্ধ হলো না, ধরা পড়ে গেল অনেক অনাকাক্সিত বিষয়-আশয়। জনগণের কাছে প্রতিহিংসার রাজনীতির বর্ধিত সংস্করণের মতোই বিচার বিভাগও দায়মুক্ত থাকল না। তাই একটি-দু’টি ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের রায় কিভাবে গ্লানিমুক্তির বিষয় হয় বোঝা কঠিন। এক দিকে অযোগ্যতা, অন্য দিকে আজ্ঞাবহের ভূমিকাÑ এখন দুদক একটি গোঁজামিল দেয়ার প্রতিষ্ঠান ছাড়া কিছুই নয়। দুর্নীতি পদ্মা সেতুকে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবিয়েছে। আর দুদকের ইমেজ ডুবেছে ভূমধ্য সাগরে। নির্বাচন কমিশন কয়েকটা স্থানীয় নির্বাচন করে বেশ ফুরফুরে মেজাজ দেখালেও ইতোমধ্যে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটিও নির্বাহী বিভাগের কাছে যে জিম্মি, তার স্বাক্ষর রেখেছে। তা ছাড়া এই মেরুদণ্ডহীন কমিশন এখনো গরিষ্ঠ দলের কাছে স্বীকৃতি পায়নি। কিছু সন্ত্রাসীর ফাঁসি মওকুফ করে রাষ্ট্রপতির প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমর্যাদাও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। তার ওপর সংসদে বিতর্কিত ভাষণ। এ যেন অভিভাবকত্বের জায়গাটিকেও অপসংস্কৃতির সয়লাবে ভাসিয়ে দেয়া হলো।
তুরস্কসহ মুসলিম বিশ্বের সাথে দূরত্ব বেড়েছে। সম্পর্কের টানাপড়েন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির খেসারত নিয়ে জনগণ এখন কম বিব্রত নয়। সেই অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য এখন পররাষ্ট্রনীতিতে ইউটার্ন নিতে হচ্ছে, যা বাকশালীয় ধারায় পুনঃপ্রত্যাবর্তনেরই আলামত স্পষ্ট করেছে। ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাধীনতার সপক্ষ-বিপক্ষ শক্তির মধ্যে বিভাজন রেখা টেনে দিচ্ছেন এই ইউটার্নকে সহজ করতে; একই লক্ষ্যে দুরভিসন্ধিমূলক উসকানি দিচ্ছেন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। এর সহজ সারমর্ম দাঁড়ায়Ñ ‘ভাগ করো, শাসন করো’ নীতির দিকে ভারত শুধু ইঙ্গিতই দিচ্ছে না; বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য একটা সস্তা রাজনীতির মুলোও ঝুলিয়ে রাখতে চাচ্ছে। এটাও বাকশালী ধারায় নিয়ে যাওয়ার কূটনৈতিক ফন্দি। হয়তো ঝুলানো মুলা চেখে দেখতে কেউ দিল্লি যাবেন, দিল্লি থেকে কেউ আসবেন ঢাকায়।
হালে নতুন করে বিশ্বব্যাংকের সাথে টানাপড়েন বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ সরকার দ্বারা শুধু বিড়ম্বিত হয়নি, অবিবেচনাসুলভ আচরণও পেয়েছে। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম বিশ্বকে পাশ কাটানো কিংবা ‘শিক্ষা’ দেয়ার জন্য এ সরকার বাকশাল আমলের মতো রুশ-ভারত অক্ষশক্তির চরণে নিজেকে সোপর্দ করেছে। ধসে পড়া সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু ছিল না। বন্ধু ছিল তাদের, যারা মস্কোতে বৃষ্টি হলে ঢাকায় ছাতা খুলে আনুগত্য দেখাত। তবে মুক্তিযুদ্ধে তারা ভারতের সাথে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে বাকশাল চাপানো ও গণতন্ত্র হত্যার দায় সেই সোভিয়েত রাশিয়ারও রয়েছে। রুশপন্থীরা বঙ্গবন্ধুর কাঁধে সওয়ার হয়েছিল সেদিন, ঠিক আজকের মতোই।
একাত্তরই শুধু আমাদের শত্রু-বন্ধু চেনায়নি, ১৭৫৭, ১৮৫৭ ও ১৯০৫-এর পথ ধরে ১৯৪৭ হয়ে আমরা ১৯৭১-এ পৌঁছেছি। সব সময় রাশিয়া আমাদের মিত্র ছিল না, বরং জোটবদ্ধ বিশ্বে তারা ছিল প্রতিপক্ষ। এই পথচলা ও সিঁড়ি ভাঙতে আমরা ভারতকে বন্ধু হিসেবে পেয়েছি মাত্র একবার। প্রতিপক্ষে পেয়েছি সাতবার। এই জনপদের স্বাধীনতার পাটাতনটি এক দিনে তৈরি হয়নি। সেটা পুরনো সোভিয়েত ইউনিয়ন কিংবা আজকের রাশিয়া-ভারত সৃষ্টি করে দেয়নি, বরং প্রতিটি পর্বে রুশ-ভারতের ভূমিকা জনগণ জানেন। বঙ্গভঙ্গ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও দেশ বিভাগের প্রেক্ষাপট এখনো তাজা ইতিহাস। শিক্ষামন্ত্রী সিলেবাস পাল্টে ভাসানীকে আড়াল করতে পারেন। পূর্ব বাংলাকে আড়াল করাই ছিল যাদের অভিলাষ, আমাদের জাতীয় নেতাদের নাম উচ্চারণে যারা নাক সিটকাত, তারাই বন্ধু সেজেছেÑ এ সত্য ক’দিন আড়াল করে রাখবেন। একাত্তরে ভারত যা করেছে তার যোগফল ভারতের স্বার্থানুকূলে ছিল বলেই ভারত এগিয়েছে। এত টনটনে দরদ ও স্বাধীনতার ফেরিওয়ালা হলে কাশ্মির, সেভেন সিস্টারসহ মাওবাদীদের কান্না থামে না কেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের মদদ দিয়েছে পরাশক্তির অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে এ অঞ্চলে ঢুকতে না দেয়ার শর্তে। তাই বলে এ দেশের মানুষের মাথা যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া ও চীন কেউ কিনে নেয়নি। অসংখ্য মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশের মানুষের আলাদা মঞ্চ তৈরি হয়েছে। নবাব সলিমুল্লাহ, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা, মওলানা ভাসানীর মতো জাতীয় নেতারা কাঁধ পেতে দিয়েছিলেন বলেই একটি পরিণত সময়ে বঙ্গবন্ধু স্বায়ত্তশাসন দাবির পথ ধরে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিতে পেরেছিলেন। জিয়া মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। আজ কাউকে বড় করার জন্য অনেককে ছোট করা হয়। অনেককে অপাঙ্ক্তেয় করার জন্য কারো কারো পে মিথ সৃষ্টি করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সভাপতি, যাকে তিনি পা ছুঁয়ে কদমবুচি করতেন, সেই মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী সিলেবাস থেকে বাদ পড়ে যান। কারণ তিনি ছিলেন বাংলাদেশপন্থী, ভারত ও রুশপন্থী নন। অথচ কিংবদন্তিতুল্য জাতীয় নেতাদের পথ মাড়িয়ে তিতুমীর, শরীয়ত উল্লাহ, মুনশী মেহেরুল্লাহর মতো সাহসী মানুষের পথচলা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আজকের এই বদ্বীপ বাংলা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আজ নজরুল, জসীমউদ্দীন, ফররুখ, আব্বাসউদ্দীনদের রাজনীতির আড়ালে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। সামনে আনা হচ্ছে এমন এক ইতিহাস যার সাথে এ জাতি পরিচিত নয়।
বর্তমান সরকার ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য অনেক খারাপ বা মন্দ উপমা রেখে যাচ্ছে। তারা ভুলে যাচ্ছেন এ সরকার শেষ সরকার নয়। এসব মন্দ কাজ তাদের ওপর প্রয়োগ করা যে হবে না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে। প্রতিপক্ষ ও জনগণ যখন প্রতিশোধ নেবে, তখন রুশ-ভারত সাথে থাকবে তারও কোনো নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব নয়।
অবশ্য রাজনীতির একটি নিজস্ব ভাষা আছে। সেটা সংবিধান সংশোধন করে, প্রশাসন দলীয় মেজাজে সাজিয়ে, এমনকি নিজেদের অধীনে নির্বাচন করেও পছন্দমতো পরিবর্তন আনা যায় না। সব সময় দুয়ে দুয়ে চারের মতো মিলিয়ে দেয়া যায় না। তা ছাড়া এটা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব যে, ইতিহাসকে আড়াল করে রাজনীতি বেশি দূর এগোয় না। বর্তমান শাসকেরা ইতিহাসকে আড়ালে রেখে হাজার বছরের অর্জনকে ভুলে তাৎক্ষণিক পাওনা বুঝে নিতে ব্যস্ত। সে কারণে শাসনে-শোষণে জাতি এখন জর্জরিত। দুর্নীতি আর অপশাসনে ক্ষতবিক্ষত। সাধারণভাবে জনগণ কখনো দুর্বিনীত হয় না। হঠকারী হয় না। একটি ভালো সময়ের জন্য নাক উঁচু করে অপেক্ষা করে। প্রথম সুযোগেই সরকার পাল্টে দেয়। বিগড়ে যাওয়া জনমতও অনেকটা আশাবাদী করে; যদিও মরিচের গুঁড়া ও মারণঘাতী পিপার গ্যাস ছিটিয়ে জনগণের ক্ষোভ আরো বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। নিপীড়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রেসিডেন্ট পদক পাইয়ে দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আস্ফালন ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালছে। তার পরও আশাবাদী থাকতে চাই। কারণ, শাসকেরা জনগণের কাছে আবার ভোটভিক্ষার সুরে কথা বলছেন। প্রতিপক্ষকে নিন্দাবাদ করে সমালোচনার তীর ছুড়ে জনগণকে কাছে পেতে চাইছেন। এখন জনগণ পরখ করার সুযোগ নেবেন। যদিও সরকারের সামনে বহুদিন ক্ষমতায় থাকার আলাদা রূপকল্প রয়েছে। বর্তমান সরকার স্বচ্ছ নির্বাচনে যে নিজেদের অবস্থান ভালো হবে না এই সত্যটুকু জেনে গেছে। তাই নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য যা যা করার প্রয়োজন করবে। তার পরও অনিশ্চয়তা না কাটলে নির্বাচন করার সব প্রক্রিয়া যে ভণ্ডুল করে দেবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তখন তাদের সামনে পথ খোলা থাকবে- নিরাপদ অবতরণের জন্য একটা ন্যূনতম নিশ্চয়তা নিয়ে তৃতীয় পক্ষকে আমন্ত্রণ করে ডেকে নিয়ে আসা। সে জন্য যেকোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে এ সরকার প্রস্তুত থাকার ঐতিহ্য রয়েছে। সেই সক্ষমতা তারা এখনো হারায়নি। সে কারণেই রাজনীতির ভাগ্য সম্ভবত পদ্মা সেতুর ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে।
সরকার মনে করে, পদ্মা সেতু না হলে একটা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায় জনগণের কাছে কৈফিয়ত দিয়ে পার পাওয়া যাবে। কিন্তু দুর্নীতি হাতেনাতে প্রমাণ করার সুযোগ না দিয়ে ধোঁয়াশা অবস্থায় রেখে দিলে পদ্মা সেতু হবে না। বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে রাজি হবে না। তাতে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের, সরকার হিসেবে বর্তমান সরকারের ভাবমর্যাদা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, জনগণ পদ্মা সেতু করতে না পারার বিষয়টি শুধু ব্যর্থতার দৃষ্টিতে দেখবে। তখনো দুর্নীতির দায় আলো-আঁধারির অন্ধকারে থেকে যাবে। বিশ্বব্যাংকের নির্দেশনা মতো তদন্ত না করলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়নে এগিয়ে আসবে না, এটা বোকাও বোঝে। তার পরও সরকার ভাবছে, জনগণকে ধোঁকা দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রকে গালমন্দ, বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধিকে রাজনীতি শুরু করার নসিহত ও ড. ইউনূসকে দায়ী করে জনগণকে বোকা বানানো সম্ভব হবে। কিন্তু সঠিক তদন্ত হলে সরকার বিশ্বচোরের খ্যাতি থেকে কোনোভাবেই মুক্তি পাবে না। এ দায় নিয়ে জনগণের কাছে ভোট চাওয়া সহজ হবে না। তাই বিশ্বব্যাংক না আসুক, পদ্মা সেতু না হোক, দুর্নীতিও চাপা পড়ে থাকÑ যুক্তরাষ্ট্রও কাছে না ঘেঁষুক, পোশাক ও অন্যান্য খাত ডুবে যাক, তাতে দেশের ক্ষতি হলেও এটা সরকারের নগদ চাওয়া পূরণ হবে, কারণ ক্ষমতা আবার তাদের পেতেই হবে। ইতোমধ্যে রুশ-ভারতের দিকে কেবলা পরিবর্তন করে সরকার ভাবছে সব মুশকিল আসান হলো। দুর্ভাগ্য, রাশিয়া এখন শুধু পশ্চিমা ভাঁড় নয়, অন্যতম দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যও। অবস্থানও বাংলাদেশের কাছাকাছি। অর্থনৈতিকভাবেও ধরাশায়ী। পরমাণুর কারণে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করলেও বিশ্বে তাদের প্রভাবের ধস আগেই নেমে গেছে।
যেকোনোভাবে জিতে আসার নিশ্চয়তা না পেলে জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টিও পদ্মা সেতুর ধারায় এগোবে। তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থার দাবি মেনে নির্বাচন করে জেতা সম্ভব নয়Ñ এটি এখন স্পষ্ট, যা আগেও উল্লেখ করেছি। তাই নির্বাচন করে হেরে অতীত অপকর্মের দায় নেয়ার চেয়ে ক্ষমতা তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দেয়া অধিকতর নিরাপদ ভাবা অনেকেরই অভিজ্ঞতার ফসল। সরকার যে জবরদস্তির পথ ধরে পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও আইন-আদালত অপব্যবহার করে আবার ক্ষমতা কব্জা করার জন্য আরো মরিয়া হয়ে উঠবে, তা তারা গোপন রাখছে না। সরকার ধারণা করছে, আবার যেভাবেই হোক ক্ষমতা কব্জা করা সম্ভব হলে কম করে আরো আড়াই-তিন বছর পার করে দেয়া সম্ভব। দেশটাকে কারাগারে রূপান্তÍর করে হলেও সেই চেষ্টা এখন শাসক ও তাদের দেশী-বিদেশী মিত্রদের মগজ আচ্ছন্ন করে রেখেছে। তবে মানুষ ভাবে এক, বিধাতা ভাবেন অন্যটা। তা ছাড়া পরিবর্তনকামী জনগণকে আর বোধ করি দাবিয়ে রাখা সহজ হবে না।
সত্যাশ্রয়ী ইতিহাসের সাক্ষ্য হচ্ছে, সব ক্ষেত্রে জনগণই শেষ ভরসা ও সব পরিবর্তনের নিয়ামক। তাই রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ নির্বাচন পদ্মা সেতুর ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে ধরে নিলেও কিছু কথা থেকে যায়। জনগণকে যে পরিমাণ বোকা ভেবে সরকার মাঠ সাজাচ্ছে, বিরোধীদলীয় নেতাকে মামলায় ফাঁসানোসহ বিরোধী জোটকে ছত্রখান করে দেয়ার ফন্দি আঁটছে, জনগণ কি অতটা বোকা? সম্ভবত নয়। ক্ষমতার জোরে রেলের ও পদ্মা সেতুর কালো বিড়াল আড়াল করা হয়তো সম্ভব, বিডিআর ট্র্যাজেডি ভুলিয়ে দেয়াও সহজ, হলমার্ক ও ডেসটিনি কেলেঙ্কারিও চাপা দেয়া তেমন অসম্ভব কী। শেয়ারবাজার ধসও ভুলিয়ে দেয়া অসম্ভব নয়। ইলিয়াস আলী, সাগর-রুনিসহ অনেক ক্ষতই কথার প্রলেপে ঢাকা পড়ে যেতে পারে। তাই বলে দিনবদলের নামে পুকুরচুরি ভুলিয়ে দেয়া যাবে কি! দেশের সবাইকে একসাথে বোকা সাজিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।
এ ধরনের একটি মূল্যায়নের পরও রাজনীতির শেষ ভাষা ফুরিয়ে যায় না। তা ছাড়া সরকারি দল রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে, জোটকে সাথে নিয়ে আক্রমণভাগে খেলে ১৮ দলীয় জোটকে রক্ষণভাগে ঠেলে দিতে চাইছে। অংশত সক্ষমও হয়েছে। তাদের এই কৌশল অপশাসন ও দুর্নীতি চাপা দেয়ার একটি বড়সড় পরিকল্পনার অংশ। তাদের ধারণা, বিরোধী দলকে প্রচণ্ড চাপে রাখলেই পরিস্থিতি পাল্টে না গেলেও বাড়তি সুবিধা, সুযোগ ও সময় পাবে সরকারি দল। সম্ভবত সরকারি দলের এমন পরিকল্পনাও বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। ফলে বিরোধী দলের ঐক্য ছাড়া এখন আর হারানোর কিছুই নেই। ইসলামপন্থীদেরও আর ‘বিসর্জন’ দেয়ার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই। কেউ কেউ মনে করছেন, বিরোধী দলকে আলোচনায় বসাতে হলেও কিছু পূর্বশর্তের প্রশ্ন উঠবে। গ্রেফতার, মামলা প্রভৃতি হবে চাপ সৃষ্টি করে আলোচনায় বসানোর ইস্যু। সম্ভবত এই সনাতনী রাজনীতি চর্চাও সরকার করতে চায়।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সরকারের ভেতর একটি উপদল যাদের দুর্নীতি গিলে খায়নি, তারা রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি খেলায় থাকতে চান। তারা মনে করেন, আন্তর্জাতিক চাপÑ বিশেষত জাতিসঙ্ঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন য্ক্তুরাষ্ট্রের সাথে আর দূরত্ব সৃষ্টি না করাই ভালো। রুশ-ভারতকে দিয়ে এই চাপ মোকাবেলা সম্ভব নয়, বরং আন্তর্জাতিক তদারকি মেনে নিয়ে অবয়ব পরিবর্তন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ধারণা মেনে নেয়াই কল্যাণকর হবে। তাতে তারা এবার ক্ষমতায় না আসতে পারলেও বিরোধীদলীয় অবস্থান থেকে ভালোভাবে লড়ে যেতে পারবে। জনমতকে তাদের দিকে আবার টানার সুযোগও সৃষ্টি হবে। তাদের বাড়তি মূল্যায়ন হচ্ছে, বিগত চার বছরে সরকার যত ইস্যু দিয়েছে তার দু-একটি দিয়েই রাজপথের রাজা আওয়ামী লীগ সরকারকে কোণঠাসা করতে সক্ষম; যা বিএনপি-জামায়াত জোট পারেনি। এই মতের প্রভাব আরো বাড়লে শেষ মুহূর্তে সরকার ছাড় দিয়ে বিরোধী দলকে বাগে আনতে সচেষ্ট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে হামলা, মামলা ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির শর্তও অংশত মেনে নেয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
মতলবি জরিপগুলো সরকারকে আশ্বস্ত করেনি, আত্মবিশ্বাসীও করেনি। গোয়েন্দা সূত্রে সরকার জনমত বিগড়ে যাওয়ার খবর রাখে। একটা পর্যায়ে গিয়ে কীর্তন যে থামাতে বাধ্য হবে তা-ও জানে। তবে শেষ চেষ্টায় তারা ত্রুটি করবে না। খালেদা জিয়ার দিল্লি সফরের পর আওয়ামী লীগ ভড়কে গিয়েছিল। ভেবেছিল এজেন্সি বোধকরি হাতছাড়া হয়ে গেল। তারা সম্ভবত ভারতীয় ভূমিকার ব্যাপারে হতাশও হয়েছিলেন। খালেদা জিয়া সতর্ক মানুষ। দিল্লি সফরের বাড়তি ডুগডুগি বাজাননি। ‘তেল মারার’ মতো শ্লাঘাও বোধ করেননি। তাতে দিল্লি হয়তো ভেবেছে চিঁড়া ভেজেনি। তাই পরীক্ষিত বন্ধুবিলাস তাদেরকে আবার পেয়ে বসেছে। আওয়ামী লীগ ও ঢাকায় ভারতীয় দূতের ঋজু মন্তব্যকে অনেকেই অনেকটা সরলীকরণ করে দেখছেন এবং উপভোগ করছেন। তাই আশাবাদীও। তবে ভারত যে সর্বত্র জাল ফেলে দিল্লি বসে টানে, তা কেউ ভুলে থাকতে চায় না। রাশিয়াও যে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যহীন ও ক্ষয়িষ্ণু শক্তি তাও তারা জানে। সে ক্ষেত্রে কিছু প্রবীণ রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগের অতীত বিব্রতকর পরিস্থিতিও সামনে রাখার পক্ষে। তাতে আশাবাদ ফিকে হয়ে যায় কি না, সেটাও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। তা ছাড়া মস্কোপন্থীরা যে আওয়ামী লীগের ওপর ভর করে প্রধানমন্ত্রীকে মস্কো পর্যন্ত ঠেলে নিয়েছেন, সেটাও সামনে রাখার পক্ষেই রয়েছেন নিষ্ঠাবান আওয়ামী লীগাররা।
এখন বিরোধী দল, পেশাজীবী ও ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর যে পুলিশি তাণ্ডব সৃষ্টি করা হয়েছে, সেটা ব্রিটিশ যুগ এবং পাকিস্তানি যুগকেও হার মানিয়েছে। অতিউৎসাহী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য হয় ভারতীয় মন্ত্রীর মতো, নয়তো ইয়াহিয়া-টিক্কা খানের দাম্ভিক আস্ফালনের মতো শোনায়। এ দায়ও মূলধারার আওয়ামী লীগ নিতে চাচ্ছে না। তাই সবাই কান পেতে আছে, কখন কিভাবে পরিবর্তনের দামামা বেজে ওঠে, সেটা শোনার জন্য। কারণ, সামগ্রিক আলামত যে ভালো নয়, সেটা সব মানুষের বিবেককে স্পর্শ করছে। কোন নেত্রী কার সাথে বৈঠক করছেন, কোথায় জল পড়ছে আর পাতা নড়ছে সবাই ঔৎসুক্যের সতর্ক চোখ দিয়ে দেখছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনগণ ফিস ফিস করে অনেক কথাই বলে, তার দু-একটি যে অতীতে ফলে যায়নি তা তো নয়।
এক-এগারোর ছদ্মবেশী সামরিক সরকার এতটা বাড়াবাড়ি করে ফেলেছিল যে, অবতরণের মইটাও সরিয়ে ফেলেছিল। যার ফলে দুই নেত্রীর একজনের সাথে চুক্তি করে, বিদেশী সাহায্য নিয়ে সরে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। বর্তমান সরকারও বাড়াবাড়ির সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। এখন ১৮ দলীয় জোটের কাছে ক্ষমতা চলে যাওয়ার শঙ্কায় এতটা উৎকণ্ঠিত যে, দেশের ও গণতন্ত্রের নাক কেটে হলেও ১৮ দলীয় জোটের যাত্রাভঙ্গের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত। সেটা সম্ভব না হলে আরেকটি গণতন্ত্র বধ কাব্য লেখার ক্ষেত্র যে প্রস্তুত হচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
digantaeditorial@gmail.com
বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণ কখনো ভরসার ওপর দাঁড়াতে পারছেন না। একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে গেলেন বিচারপতি। স্বচ্ছতার সাথে একটি ট্রাইব্যুনাল চালানোর ক্ষেত্রেও বিচার বিভাগ হতাশ করল। এখন চোর অভিযুক্ত হচ্ছে না, কে চুরি করা দেখে ফেলল তাকে দোষী করার তোড়জোড় লক্ষ করছি। প্রযুক্তির জালে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও সরকারের অভিলাষ শুধু প্রশ্নবিদ্ধ হলো না, ধরা পড়ে গেল অনেক অনাকাক্সিত বিষয়-আশয়। জনগণের কাছে প্রতিহিংসার রাজনীতির বর্ধিত সংস্করণের মতোই বিচার বিভাগও দায়মুক্ত থাকল না। তাই একটি-দু’টি ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের রায় কিভাবে গ্লানিমুক্তির বিষয় হয় বোঝা কঠিন। এক দিকে অযোগ্যতা, অন্য দিকে আজ্ঞাবহের ভূমিকাÑ এখন দুদক একটি গোঁজামিল দেয়ার প্রতিষ্ঠান ছাড়া কিছুই নয়। দুর্নীতি পদ্মা সেতুকে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবিয়েছে। আর দুদকের ইমেজ ডুবেছে ভূমধ্য সাগরে। নির্বাচন কমিশন কয়েকটা স্থানীয় নির্বাচন করে বেশ ফুরফুরে মেজাজ দেখালেও ইতোমধ্যে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটিও নির্বাহী বিভাগের কাছে যে জিম্মি, তার স্বাক্ষর রেখেছে। তা ছাড়া এই মেরুদণ্ডহীন কমিশন এখনো গরিষ্ঠ দলের কাছে স্বীকৃতি পায়নি। কিছু সন্ত্রাসীর ফাঁসি মওকুফ করে রাষ্ট্রপতির প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমর্যাদাও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। তার ওপর সংসদে বিতর্কিত ভাষণ। এ যেন অভিভাবকত্বের জায়গাটিকেও অপসংস্কৃতির সয়লাবে ভাসিয়ে দেয়া হলো।
তুরস্কসহ মুসলিম বিশ্বের সাথে দূরত্ব বেড়েছে। সম্পর্কের টানাপড়েন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির খেসারত নিয়ে জনগণ এখন কম বিব্রত নয়। সেই অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য এখন পররাষ্ট্রনীতিতে ইউটার্ন নিতে হচ্ছে, যা বাকশালীয় ধারায় পুনঃপ্রত্যাবর্তনেরই আলামত স্পষ্ট করেছে। ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাধীনতার সপক্ষ-বিপক্ষ শক্তির মধ্যে বিভাজন রেখা টেনে দিচ্ছেন এই ইউটার্নকে সহজ করতে; একই লক্ষ্যে দুরভিসন্ধিমূলক উসকানি দিচ্ছেন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। এর সহজ সারমর্ম দাঁড়ায়Ñ ‘ভাগ করো, শাসন করো’ নীতির দিকে ভারত শুধু ইঙ্গিতই দিচ্ছে না; বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য একটা সস্তা রাজনীতির মুলোও ঝুলিয়ে রাখতে চাচ্ছে। এটাও বাকশালী ধারায় নিয়ে যাওয়ার কূটনৈতিক ফন্দি। হয়তো ঝুলানো মুলা চেখে দেখতে কেউ দিল্লি যাবেন, দিল্লি থেকে কেউ আসবেন ঢাকায়।
হালে নতুন করে বিশ্বব্যাংকের সাথে টানাপড়েন বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ সরকার দ্বারা শুধু বিড়ম্বিত হয়নি, অবিবেচনাসুলভ আচরণও পেয়েছে। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম বিশ্বকে পাশ কাটানো কিংবা ‘শিক্ষা’ দেয়ার জন্য এ সরকার বাকশাল আমলের মতো রুশ-ভারত অক্ষশক্তির চরণে নিজেকে সোপর্দ করেছে। ধসে পড়া সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু ছিল না। বন্ধু ছিল তাদের, যারা মস্কোতে বৃষ্টি হলে ঢাকায় ছাতা খুলে আনুগত্য দেখাত। তবে মুক্তিযুদ্ধে তারা ভারতের সাথে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে বাকশাল চাপানো ও গণতন্ত্র হত্যার দায় সেই সোভিয়েত রাশিয়ারও রয়েছে। রুশপন্থীরা বঙ্গবন্ধুর কাঁধে সওয়ার হয়েছিল সেদিন, ঠিক আজকের মতোই।
একাত্তরই শুধু আমাদের শত্রু-বন্ধু চেনায়নি, ১৭৫৭, ১৮৫৭ ও ১৯০৫-এর পথ ধরে ১৯৪৭ হয়ে আমরা ১৯৭১-এ পৌঁছেছি। সব সময় রাশিয়া আমাদের মিত্র ছিল না, বরং জোটবদ্ধ বিশ্বে তারা ছিল প্রতিপক্ষ। এই পথচলা ও সিঁড়ি ভাঙতে আমরা ভারতকে বন্ধু হিসেবে পেয়েছি মাত্র একবার। প্রতিপক্ষে পেয়েছি সাতবার। এই জনপদের স্বাধীনতার পাটাতনটি এক দিনে তৈরি হয়নি। সেটা পুরনো সোভিয়েত ইউনিয়ন কিংবা আজকের রাশিয়া-ভারত সৃষ্টি করে দেয়নি, বরং প্রতিটি পর্বে রুশ-ভারতের ভূমিকা জনগণ জানেন। বঙ্গভঙ্গ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও দেশ বিভাগের প্রেক্ষাপট এখনো তাজা ইতিহাস। শিক্ষামন্ত্রী সিলেবাস পাল্টে ভাসানীকে আড়াল করতে পারেন। পূর্ব বাংলাকে আড়াল করাই ছিল যাদের অভিলাষ, আমাদের জাতীয় নেতাদের নাম উচ্চারণে যারা নাক সিটকাত, তারাই বন্ধু সেজেছেÑ এ সত্য ক’দিন আড়াল করে রাখবেন। একাত্তরে ভারত যা করেছে তার যোগফল ভারতের স্বার্থানুকূলে ছিল বলেই ভারত এগিয়েছে। এত টনটনে দরদ ও স্বাধীনতার ফেরিওয়ালা হলে কাশ্মির, সেভেন সিস্টারসহ মাওবাদীদের কান্না থামে না কেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের মদদ দিয়েছে পরাশক্তির অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে এ অঞ্চলে ঢুকতে না দেয়ার শর্তে। তাই বলে এ দেশের মানুষের মাথা যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া ও চীন কেউ কিনে নেয়নি। অসংখ্য মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশের মানুষের আলাদা মঞ্চ তৈরি হয়েছে। নবাব সলিমুল্লাহ, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা, মওলানা ভাসানীর মতো জাতীয় নেতারা কাঁধ পেতে দিয়েছিলেন বলেই একটি পরিণত সময়ে বঙ্গবন্ধু স্বায়ত্তশাসন দাবির পথ ধরে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিতে পেরেছিলেন। জিয়া মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। আজ কাউকে বড় করার জন্য অনেককে ছোট করা হয়। অনেককে অপাঙ্ক্তেয় করার জন্য কারো কারো পে মিথ সৃষ্টি করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সভাপতি, যাকে তিনি পা ছুঁয়ে কদমবুচি করতেন, সেই মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী সিলেবাস থেকে বাদ পড়ে যান। কারণ তিনি ছিলেন বাংলাদেশপন্থী, ভারত ও রুশপন্থী নন। অথচ কিংবদন্তিতুল্য জাতীয় নেতাদের পথ মাড়িয়ে তিতুমীর, শরীয়ত উল্লাহ, মুনশী মেহেরুল্লাহর মতো সাহসী মানুষের পথচলা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আজকের এই বদ্বীপ বাংলা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আজ নজরুল, জসীমউদ্দীন, ফররুখ, আব্বাসউদ্দীনদের রাজনীতির আড়ালে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। সামনে আনা হচ্ছে এমন এক ইতিহাস যার সাথে এ জাতি পরিচিত নয়।
বর্তমান সরকার ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য অনেক খারাপ বা মন্দ উপমা রেখে যাচ্ছে। তারা ভুলে যাচ্ছেন এ সরকার শেষ সরকার নয়। এসব মন্দ কাজ তাদের ওপর প্রয়োগ করা যে হবে না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে। প্রতিপক্ষ ও জনগণ যখন প্রতিশোধ নেবে, তখন রুশ-ভারত সাথে থাকবে তারও কোনো নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব নয়।
অবশ্য রাজনীতির একটি নিজস্ব ভাষা আছে। সেটা সংবিধান সংশোধন করে, প্রশাসন দলীয় মেজাজে সাজিয়ে, এমনকি নিজেদের অধীনে নির্বাচন করেও পছন্দমতো পরিবর্তন আনা যায় না। সব সময় দুয়ে দুয়ে চারের মতো মিলিয়ে দেয়া যায় না। তা ছাড়া এটা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব যে, ইতিহাসকে আড়াল করে রাজনীতি বেশি দূর এগোয় না। বর্তমান শাসকেরা ইতিহাসকে আড়ালে রেখে হাজার বছরের অর্জনকে ভুলে তাৎক্ষণিক পাওনা বুঝে নিতে ব্যস্ত। সে কারণে শাসনে-শোষণে জাতি এখন জর্জরিত। দুর্নীতি আর অপশাসনে ক্ষতবিক্ষত। সাধারণভাবে জনগণ কখনো দুর্বিনীত হয় না। হঠকারী হয় না। একটি ভালো সময়ের জন্য নাক উঁচু করে অপেক্ষা করে। প্রথম সুযোগেই সরকার পাল্টে দেয়। বিগড়ে যাওয়া জনমতও অনেকটা আশাবাদী করে; যদিও মরিচের গুঁড়া ও মারণঘাতী পিপার গ্যাস ছিটিয়ে জনগণের ক্ষোভ আরো বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। নিপীড়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রেসিডেন্ট পদক পাইয়ে দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আস্ফালন ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালছে। তার পরও আশাবাদী থাকতে চাই। কারণ, শাসকেরা জনগণের কাছে আবার ভোটভিক্ষার সুরে কথা বলছেন। প্রতিপক্ষকে নিন্দাবাদ করে সমালোচনার তীর ছুড়ে জনগণকে কাছে পেতে চাইছেন। এখন জনগণ পরখ করার সুযোগ নেবেন। যদিও সরকারের সামনে বহুদিন ক্ষমতায় থাকার আলাদা রূপকল্প রয়েছে। বর্তমান সরকার স্বচ্ছ নির্বাচনে যে নিজেদের অবস্থান ভালো হবে না এই সত্যটুকু জেনে গেছে। তাই নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্য যা যা করার প্রয়োজন করবে। তার পরও অনিশ্চয়তা না কাটলে নির্বাচন করার সব প্রক্রিয়া যে ভণ্ডুল করে দেবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তখন তাদের সামনে পথ খোলা থাকবে- নিরাপদ অবতরণের জন্য একটা ন্যূনতম নিশ্চয়তা নিয়ে তৃতীয় পক্ষকে আমন্ত্রণ করে ডেকে নিয়ে আসা। সে জন্য যেকোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে এ সরকার প্রস্তুত থাকার ঐতিহ্য রয়েছে। সেই সক্ষমতা তারা এখনো হারায়নি। সে কারণেই রাজনীতির ভাগ্য সম্ভবত পদ্মা সেতুর ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে।
সরকার মনে করে, পদ্মা সেতু না হলে একটা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায় জনগণের কাছে কৈফিয়ত দিয়ে পার পাওয়া যাবে। কিন্তু দুর্নীতি হাতেনাতে প্রমাণ করার সুযোগ না দিয়ে ধোঁয়াশা অবস্থায় রেখে দিলে পদ্মা সেতু হবে না। বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে রাজি হবে না। তাতে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের, সরকার হিসেবে বর্তমান সরকারের ভাবমর্যাদা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, জনগণ পদ্মা সেতু করতে না পারার বিষয়টি শুধু ব্যর্থতার দৃষ্টিতে দেখবে। তখনো দুর্নীতির দায় আলো-আঁধারির অন্ধকারে থেকে যাবে। বিশ্বব্যাংকের নির্দেশনা মতো তদন্ত না করলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়নে এগিয়ে আসবে না, এটা বোকাও বোঝে। তার পরও সরকার ভাবছে, জনগণকে ধোঁকা দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রকে গালমন্দ, বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধিকে রাজনীতি শুরু করার নসিহত ও ড. ইউনূসকে দায়ী করে জনগণকে বোকা বানানো সম্ভব হবে। কিন্তু সঠিক তদন্ত হলে সরকার বিশ্বচোরের খ্যাতি থেকে কোনোভাবেই মুক্তি পাবে না। এ দায় নিয়ে জনগণের কাছে ভোট চাওয়া সহজ হবে না। তাই বিশ্বব্যাংক না আসুক, পদ্মা সেতু না হোক, দুর্নীতিও চাপা পড়ে থাকÑ যুক্তরাষ্ট্রও কাছে না ঘেঁষুক, পোশাক ও অন্যান্য খাত ডুবে যাক, তাতে দেশের ক্ষতি হলেও এটা সরকারের নগদ চাওয়া পূরণ হবে, কারণ ক্ষমতা আবার তাদের পেতেই হবে। ইতোমধ্যে রুশ-ভারতের দিকে কেবলা পরিবর্তন করে সরকার ভাবছে সব মুশকিল আসান হলো। দুর্ভাগ্য, রাশিয়া এখন শুধু পশ্চিমা ভাঁড় নয়, অন্যতম দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যও। অবস্থানও বাংলাদেশের কাছাকাছি। অর্থনৈতিকভাবেও ধরাশায়ী। পরমাণুর কারণে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করলেও বিশ্বে তাদের প্রভাবের ধস আগেই নেমে গেছে।
যেকোনোভাবে জিতে আসার নিশ্চয়তা না পেলে জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টিও পদ্মা সেতুর ধারায় এগোবে। তত্ত্বাবধায়কব্যবস্থার দাবি মেনে নির্বাচন করে জেতা সম্ভব নয়Ñ এটি এখন স্পষ্ট, যা আগেও উল্লেখ করেছি। তাই নির্বাচন করে হেরে অতীত অপকর্মের দায় নেয়ার চেয়ে ক্ষমতা তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দেয়া অধিকতর নিরাপদ ভাবা অনেকেরই অভিজ্ঞতার ফসল। সরকার যে জবরদস্তির পথ ধরে পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও আইন-আদালত অপব্যবহার করে আবার ক্ষমতা কব্জা করার জন্য আরো মরিয়া হয়ে উঠবে, তা তারা গোপন রাখছে না। সরকার ধারণা করছে, আবার যেভাবেই হোক ক্ষমতা কব্জা করা সম্ভব হলে কম করে আরো আড়াই-তিন বছর পার করে দেয়া সম্ভব। দেশটাকে কারাগারে রূপান্তÍর করে হলেও সেই চেষ্টা এখন শাসক ও তাদের দেশী-বিদেশী মিত্রদের মগজ আচ্ছন্ন করে রেখেছে। তবে মানুষ ভাবে এক, বিধাতা ভাবেন অন্যটা। তা ছাড়া পরিবর্তনকামী জনগণকে আর বোধ করি দাবিয়ে রাখা সহজ হবে না।
সত্যাশ্রয়ী ইতিহাসের সাক্ষ্য হচ্ছে, সব ক্ষেত্রে জনগণই শেষ ভরসা ও সব পরিবর্তনের নিয়ামক। তাই রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ নির্বাচন পদ্মা সেতুর ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে ধরে নিলেও কিছু কথা থেকে যায়। জনগণকে যে পরিমাণ বোকা ভেবে সরকার মাঠ সাজাচ্ছে, বিরোধীদলীয় নেতাকে মামলায় ফাঁসানোসহ বিরোধী জোটকে ছত্রখান করে দেয়ার ফন্দি আঁটছে, জনগণ কি অতটা বোকা? সম্ভবত নয়। ক্ষমতার জোরে রেলের ও পদ্মা সেতুর কালো বিড়াল আড়াল করা হয়তো সম্ভব, বিডিআর ট্র্যাজেডি ভুলিয়ে দেয়াও সহজ, হলমার্ক ও ডেসটিনি কেলেঙ্কারিও চাপা দেয়া তেমন অসম্ভব কী। শেয়ারবাজার ধসও ভুলিয়ে দেয়া অসম্ভব নয়। ইলিয়াস আলী, সাগর-রুনিসহ অনেক ক্ষতই কথার প্রলেপে ঢাকা পড়ে যেতে পারে। তাই বলে দিনবদলের নামে পুকুরচুরি ভুলিয়ে দেয়া যাবে কি! দেশের সবাইকে একসাথে বোকা সাজিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।
এ ধরনের একটি মূল্যায়নের পরও রাজনীতির শেষ ভাষা ফুরিয়ে যায় না। তা ছাড়া সরকারি দল রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে, জোটকে সাথে নিয়ে আক্রমণভাগে খেলে ১৮ দলীয় জোটকে রক্ষণভাগে ঠেলে দিতে চাইছে। অংশত সক্ষমও হয়েছে। তাদের এই কৌশল অপশাসন ও দুর্নীতি চাপা দেয়ার একটি বড়সড় পরিকল্পনার অংশ। তাদের ধারণা, বিরোধী দলকে প্রচণ্ড চাপে রাখলেই পরিস্থিতি পাল্টে না গেলেও বাড়তি সুবিধা, সুযোগ ও সময় পাবে সরকারি দল। সম্ভবত সরকারি দলের এমন পরিকল্পনাও বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। ফলে বিরোধী দলের ঐক্য ছাড়া এখন আর হারানোর কিছুই নেই। ইসলামপন্থীদেরও আর ‘বিসর্জন’ দেয়ার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই। কেউ কেউ মনে করছেন, বিরোধী দলকে আলোচনায় বসাতে হলেও কিছু পূর্বশর্তের প্রশ্ন উঠবে। গ্রেফতার, মামলা প্রভৃতি হবে চাপ সৃষ্টি করে আলোচনায় বসানোর ইস্যু। সম্ভবত এই সনাতনী রাজনীতি চর্চাও সরকার করতে চায়।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সরকারের ভেতর একটি উপদল যাদের দুর্নীতি গিলে খায়নি, তারা রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি খেলায় থাকতে চান। তারা মনে করেন, আন্তর্জাতিক চাপÑ বিশেষত জাতিসঙ্ঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন য্ক্তুরাষ্ট্রের সাথে আর দূরত্ব সৃষ্টি না করাই ভালো। রুশ-ভারতকে দিয়ে এই চাপ মোকাবেলা সম্ভব নয়, বরং আন্তর্জাতিক তদারকি মেনে নিয়ে অবয়ব পরিবর্তন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ধারণা মেনে নেয়াই কল্যাণকর হবে। তাতে তারা এবার ক্ষমতায় না আসতে পারলেও বিরোধীদলীয় অবস্থান থেকে ভালোভাবে লড়ে যেতে পারবে। জনমতকে তাদের দিকে আবার টানার সুযোগও সৃষ্টি হবে। তাদের বাড়তি মূল্যায়ন হচ্ছে, বিগত চার বছরে সরকার যত ইস্যু দিয়েছে তার দু-একটি দিয়েই রাজপথের রাজা আওয়ামী লীগ সরকারকে কোণঠাসা করতে সক্ষম; যা বিএনপি-জামায়াত জোট পারেনি। এই মতের প্রভাব আরো বাড়লে শেষ মুহূর্তে সরকার ছাড় দিয়ে বিরোধী দলকে বাগে আনতে সচেষ্ট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে হামলা, মামলা ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির শর্তও অংশত মেনে নেয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
মতলবি জরিপগুলো সরকারকে আশ্বস্ত করেনি, আত্মবিশ্বাসীও করেনি। গোয়েন্দা সূত্রে সরকার জনমত বিগড়ে যাওয়ার খবর রাখে। একটা পর্যায়ে গিয়ে কীর্তন যে থামাতে বাধ্য হবে তা-ও জানে। তবে শেষ চেষ্টায় তারা ত্রুটি করবে না। খালেদা জিয়ার দিল্লি সফরের পর আওয়ামী লীগ ভড়কে গিয়েছিল। ভেবেছিল এজেন্সি বোধকরি হাতছাড়া হয়ে গেল। তারা সম্ভবত ভারতীয় ভূমিকার ব্যাপারে হতাশও হয়েছিলেন। খালেদা জিয়া সতর্ক মানুষ। দিল্লি সফরের বাড়তি ডুগডুগি বাজাননি। ‘তেল মারার’ মতো শ্লাঘাও বোধ করেননি। তাতে দিল্লি হয়তো ভেবেছে চিঁড়া ভেজেনি। তাই পরীক্ষিত বন্ধুবিলাস তাদেরকে আবার পেয়ে বসেছে। আওয়ামী লীগ ও ঢাকায় ভারতীয় দূতের ঋজু মন্তব্যকে অনেকেই অনেকটা সরলীকরণ করে দেখছেন এবং উপভোগ করছেন। তাই আশাবাদীও। তবে ভারত যে সর্বত্র জাল ফেলে দিল্লি বসে টানে, তা কেউ ভুলে থাকতে চায় না। রাশিয়াও যে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যহীন ও ক্ষয়িষ্ণু শক্তি তাও তারা জানে। সে ক্ষেত্রে কিছু প্রবীণ রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগের অতীত বিব্রতকর পরিস্থিতিও সামনে রাখার পক্ষে। তাতে আশাবাদ ফিকে হয়ে যায় কি না, সেটাও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। তা ছাড়া মস্কোপন্থীরা যে আওয়ামী লীগের ওপর ভর করে প্রধানমন্ত্রীকে মস্কো পর্যন্ত ঠেলে নিয়েছেন, সেটাও সামনে রাখার পক্ষেই রয়েছেন নিষ্ঠাবান আওয়ামী লীগাররা।
এখন বিরোধী দল, পেশাজীবী ও ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর যে পুলিশি তাণ্ডব সৃষ্টি করা হয়েছে, সেটা ব্রিটিশ যুগ এবং পাকিস্তানি যুগকেও হার মানিয়েছে। অতিউৎসাহী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য হয় ভারতীয় মন্ত্রীর মতো, নয়তো ইয়াহিয়া-টিক্কা খানের দাম্ভিক আস্ফালনের মতো শোনায়। এ দায়ও মূলধারার আওয়ামী লীগ নিতে চাচ্ছে না। তাই সবাই কান পেতে আছে, কখন কিভাবে পরিবর্তনের দামামা বেজে ওঠে, সেটা শোনার জন্য। কারণ, সামগ্রিক আলামত যে ভালো নয়, সেটা সব মানুষের বিবেককে স্পর্শ করছে। কোন নেত্রী কার সাথে বৈঠক করছেন, কোথায় জল পড়ছে আর পাতা নড়ছে সবাই ঔৎসুক্যের সতর্ক চোখ দিয়ে দেখছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনগণ ফিস ফিস করে অনেক কথাই বলে, তার দু-একটি যে অতীতে ফলে যায়নি তা তো নয়।
এক-এগারোর ছদ্মবেশী সামরিক সরকার এতটা বাড়াবাড়ি করে ফেলেছিল যে, অবতরণের মইটাও সরিয়ে ফেলেছিল। যার ফলে দুই নেত্রীর একজনের সাথে চুক্তি করে, বিদেশী সাহায্য নিয়ে সরে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। বর্তমান সরকারও বাড়াবাড়ির সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। এখন ১৮ দলীয় জোটের কাছে ক্ষমতা চলে যাওয়ার শঙ্কায় এতটা উৎকণ্ঠিত যে, দেশের ও গণতন্ত্রের নাক কেটে হলেও ১৮ দলীয় জোটের যাত্রাভঙ্গের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত। সেটা সম্ভব না হলে আরেকটি গণতন্ত্র বধ কাব্য লেখার ক্ষেত্র যে প্রস্তুত হচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
digantaeditorial@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 31
(298)
- দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের হরতালঃ ৫ জনের মৃত্যু
- বেসামাল নেহা!
- প্রিয়জন কবিতাবলী
- কবি ও কবিতা- পোড়ামাটির ক্যানভাসে বিরামহীন বেদনা
- দু’টি বুক রিভিউ
- তিন দিনে যা দেখলাম by মো: জিয়াউর রহমান পারভেজ
- গল্প- অসমাপ্ত by ফিহির হোসাইন
- শিগগিরই ঢাকায় স্থায়ী প্রতিনিধি নিয়োগের পরিকল্পনা এ...
- বিভিন্ন স্থানে শিবিরের ডাকা হরতাল পালিত- চাঁপাইনবা...
- বিশাখাপত্তম-চট্টগ্রামের মধ্যে জাহাজ চলাচলের সুযোগ ...
- অমর একুশে গ্রন্থমেলা- কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত...
- জামায়াতের হরতালে বিএনপির সমর্থন
- বগুড়া ও লক্ষ্মীপুরের কয়েকটি স্থানে ১৪৪ ধারা জারি
- সীতাকুণ্ডে পাহাড়ধসে নিহত ২ : চাপা পড়েছেন আরো ১০ ...
- আ’লীগের কঠোর নির্দেশ- জামায়াত-শিবিরের মিছিল বের হ...
- পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে যোগাযোগমন্ত্রী- বিশ্বব্যাংকের ...
- প্রশাসনে রাজনৈতিক পদোন্নতি by শওকত ওসমান রচি
- রাজনৈতিক প্রচারণায় পুলিশ by শফিকুল ইসলাম
- বাংলাদেশে গণতন্ত্র রায় আমেরিকার জোরাল ভূমিকা চান ...
- মসজিদ ব্যাংক বাসে ঢুকে পাইকারি গ্রেফতার by আবু সাল...
- দিনভর পুলিশের রণসজ্জা রাজধানীজুড়ে আতঙ্ক
- আজ চূড়ান্ত ভোটারতালিকা প্রকাশ- ক্ষমতায় থাকতে ও ক্ষ...
- ঋণপ্রবাহ কমানোর মুদ্রানীতি ঘোষণা হচ্ছে আজ
- বেপরোয়া পুলিশ কর্মকর্তার কাণ্ড
- হেলথ টিপ্সঃ দাঁত দীর্ঘস্থায়ী করার উপায়
- চিত্র বিচিত্রঃ খাবার চুরি করায় সাড়ে ৩ বছরের কারা...
- প্রবাসের খবরঃ আ’লীগ সরকারের দমন নিপীড়নের প্রতিবাদ...
- চলে গেলেন গোল্ডস্টেইন দেখা করতে পারলেন নাঃ অর্থমন্...
- মওলানা ভাসানী স্মরণে আলোচনা সভা- দলীয়ভাবে নির্বাচ...
- মুজাহিদ ও কামারুজ্জামানের মামলা মুলতবি
- সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক প্রহারের ঘটনায় শান্তিপূর্...
- মির্জা ফখরুলসহ দলীয় নেতাদের মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন...
- স্মার্ট গামের্ন্টে অগ্নিকাণ্ডে ৭ শ্রমিকের মৃত্যু- ...
- সংসদ অধিবেশন চলাকালে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেবেন ন...
- আন্দোলনের নামে বিরোধী দলের সাথে তলে তলে যোগাযোগ রা...
- ব্রিটেনের কারি শিল্পে ৫০ হাজার বাংলাদেশীর কর্মসংস্...
- স্মরণসভায় বক্তারা- নুরুল ইসলাম ছিলেন অনুকরণীয় চিকিৎসক
- রামুর বৌদ্ধবিহার পুনর্নির্মাণকাজ পরিদর্শনে সেনাপ্রধান
- সীতাকুণ্ডে পাহাড় কাটার সময় ধস শ্রমিক নিহত
- এসওএস শিশুপল্লী দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান প্রধ...
- ঢাবিতে ছাত্রলীগের তাণ্ডব- ২ ছাত্র আহত, বাসে আগুন, ...
- অভিমত- নিশিরাতের টকশো by মোহাম্মদ সায়েদুল বারী
- যদি শাহরুখ খান পাকিস্তান এসেই যান! by হামিদ মীর
- বিশ্বায়নের কাল- ডাভোসে বিতর্ক ও বাংলাদেশে অভিনব প্...
- স্মরণঃ আজিমপুরের বড়হুজুর
- বিপজ্জনক একটি খেলা by জসিম উদ্দিন
- বিব্রত হওয়ার কারণ দূর করা হোক- তথ্যমন্ত্রীর স্বীকা...
- সহিংস কর্মসূচিতে জনগণের স্বার্থ নেই- জামায়াতের হরতাল
- আরেকটি গণতন্ত্র বধ কাব্য- বিবিধ প্রসঙ্গ by মাসুদ ম...
- ছাত্ররাজনীতি- উপদ্রুত ক্যাম্পাস ও সরকারের ঔদাসীন্য...
- জন-আন্দোলন ও জনকষ্ট by মে. জে. (অব:) সৈয়দ মুহাম্ম...
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি শুধু ছাত্রলীগের?- সবার সমান...
- মামলার নামে মাত্রাছাড়ানো রাজনৈতিক হয়রানি- আইনের ...
- গ্যাস-সম্পদ- বিদেশি কোম্পানির ওপর নির্ভরশীলতা বেড়...
- সিএমসিডিসির যাত্রা শুরু- যুক্তিতেই মুক্তি...
- স্বর্ণকন্যা মাহফুজা by তাসনীম হাসান
- কুকুরের পেটে কচ্ছপের জীবন! by আব্দুল কুদ্দুস
- নগর আওয়ামী লীগ- সম্মেলনকে ঘিরে আবার কোন্দল by হা...
- প্রাণভোমরা দর্শক by প্রণব বল
- জামায়াতের হরতাল- চট্টগ্রাম জুড়ে চোরাগোপ্তা ভাংচুর,...
- স্মার্টের চেয়ারম্যান এমডি রিমান্ডে
- ওয়াশিংটন টাইমসে খালেদার নিবন্ধ-বাংলাদেশের গণতন্ত্র...
- জামায়াত মিছিল করলে আ. লীগ নেতাদের জবাব দিতে হবে
- ভারতকে বাংলাদেশের 'না'-কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে ...
- আগামীকালের ছবি- জোর করে ভালোবাসা হয় না
- এফডিসিতে এক চক্কর- ‘ভাইয়া, আর কতক্ষণ?’ by শফিক আ...
- আরণ্যক- চল্লিশে চালসে নয় by সুজাত হোসেন
- বেবী জামানের প্রতি শ্রদ্ধা by সৌমিক হাসান
- টেলিভিশন ক্যারাভানে by আলতাফ শাহনেওয়াজ
- অপেক্ষায় কুসুম
- উত্তরায় গৃহকর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যা
- ৩৭ লাশের পরিচয় শনাক্ত-৩২ স্বজন অধীর অপেক্ষায় by শর...
- হরতাল ডেকেই ফের জামায়াত-শিবিরের 'ঘূর্ণিসন্ত্রাস'
- বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আন্দোলনে শিক্ষকরা-স...
- বিএসএফের সাহায্যে পাচার-অপ্রতিরোধ্য 'মানুষধরা' সাই...
- কারসাজির কবলে বিড়ি সিগারেটের রাজস্ by ফারজানা লাবনী
- যশোরে শিবির-পুলিশ সংঘর্ষ, কনস্টেবলের মৃত্যু by মিল...
- সরকারের 'মামলাকলে' মহাজোটের এরশাদ by মোশতাক আহমদ
- জনসমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল মিয়ানমার
- বার্মাকে মনমোহনের চিঠি-সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নে উদ...
- মালালার মাথায় ফের অস্ত্রোপচার হবে
- অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচন ১৪ সেপ্টেম্বর
- অভিবাসননীতি সংস্কারে ওবামার প্রস্তাব প্রকাশ
- ফিলিস্তিনকে ১০ কোটি ডলার ফেরত দেবে ইসরায়েল
- আসাদের ঘরে আসছে নতুন অতিথি
- বরগুনায় স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার
- বহদ্দারহাট উড়ালসড়ক- পারিসা বাদ, বাকি কাজ হবে সেনা ...
- জনপ্রশাসন- আবারও পদোন্নতির উদ্যোগ by মোশতাক আহমেদ
- 'বুড়োদের' অবসরে পাঠাবে বিজেপি!
- পাকিস্তানে ১৫ মার্চের আগেই পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হবে
- সরকারি তহবিলে ২১৭ ডলার
- 'সবার চোখের সামনে ধ্বংস হচ্ছে সিরিয়া'-নদী থেকে গুল...
- ‘ব্যাটিং জিনিসটাই আমার খুব প্রিয় ছিল’ by উৎপল শুভ্র
- ছাত্ররাজনীতি- উপদ্রুত ক্যাম্পাস ও সরকারের ঔদাসীন্য...
- বিনিয়োগ হচ্ছে না, উৎপাদনেও মন্দা by মনজুর আহমেদ
- পদ্মা সেতু প্রকল্প- নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু! by...
- ঢাকা ও চট্টগ্রামে আধা বেলা, সারা দেশে পুরো দিন, বি...
- মুরসির সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় বিরোধীরা
- ধোঁয়াশায় ঘিরে আছে বেইজিং-ঘর থেকে বের না হওয়ার আহবান
- পরিবর্তন! by সুভাষ সাহা
- শ্রমিক অধিকার-প্রতি জেলায় শ্রম আদালত by নাহিদ হাসা...
- শিক্ষা-অদ্ভুত উটের পিঠে উচ্চশিক্ষা by সৈয়দ আনোয়ার ...
- কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ- সন্ত্রাসীদের দায় শিক্ষার্...
- ফরমালিনমুক্ত বাজার- সচেতনতা জরুরি
- টিআইয়ের জরিপ-অস্ত্র বাণিজ্যে দুর্নীতি রোধে বেশির ভ...
- বিদায়ী সাক্ষাৎকারে হিলারি-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্...
- ঝরে পড়া শিক্ষার্থী-ফিরিয়ে আনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে
- ওরা জামিন পাচ্ছে কী করে!-চোরাগোপ্তা হামলা রোধে আন্...
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-কল্যাণ কাজের পরিণাম বাড়তে থাকে ...
- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় : কিছু কথা, কিছু ভাবনা
- উচ্চ প্রবৃদ্ধি না মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ- কোন দিকে ...
- চরাচর-ময়নামতীর পাহাড়ে by আনন্দ কুমার ভৌমিক
- অস্ত্র কখনো শান্তি আনবে না by মমতাজউদদীন আহমদ
- শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন মাত্রা by ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ
- সাদাকালো-পোশাক শ্রমিকের স্বার্থরক্ষা ও নিরাপত্তার ...
- শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারী ভারতীয় কূটনীতিক প্রত্যাহারের দ...
- শেয়ারবাজারের উর্ধ গতি থেমে যাওয়ায় হত্যার হুমকি- শী...
- বিদ্যুতের সিস্টেমলস ১২ শতাংশে কমিয়ে আনার লক্ষ্য by...
- মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বর্ডার গার্ড এ্যাক্ট অনুমো...
- ভালবাসব, বাসবরে বন্ধু... পনেরো দেশের ৭০ শিল্পী- 'ব...
- বসন্ত উৎসব, নূরুল ইসলামের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী শুরু...
- দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে দাতাদের ভেবেচিন্তে কথা বলা ...
- কোটালীপাড়া জামায়াত আমির ও রাবিতে ৩ শিবির ক্যাডার গ...
- পবনকে বোমা হামলায় জড়ানো নিয়ে সন্দেহ হান্নান শাহর- ...
- শাকিবদের আজ সিরিজ বাঁচানোর লড়াই
- বাঘাইহাট শান্ত, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার পোড়া ভিটায় ন...
- সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে গান বাঙালীকে উদ্বুদ...
-
▼
Jan 31
(298)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment