Saturday, February 9, 2013
মন্ত্রীদের অজ্ঞতা এবং আমাদের বিড়ম্বনা by শাহরিয়ার কবির
মন্ত্রীদের অজ্ঞতা এবং আমাদের বিড়ম্বনা by শাহরিয়ার কবির
মুক্তিযুদ্ধের ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের
বিচারের উদ্যোগ যেমন যুগান্তকারী ঘটনা, একইভাবে এত বছর পর মুক্তিযুদ্ধে
সাহায্যকারী বিদেশী বন্ধুদের সম্মাননা জানানোর উদ্যোগও কম প্রশংসনীয় নয়।
এ বিষয়ে 'কালের কণ্ঠে' প্রকাশিত একটি সংবাদ আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এতে বলা হয়েছে_'মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবারের
মতো সরকার ১৪ ভারতীয় ও চার পাকিস্তানীসহ ৩৩ বিদেশী নাগরিক এবং একটি
সংগঠনকে সম্মাননা দেবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বিশেষ অনুষ্ঠানের
মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁদের সম্মাননা জানাবেন। এ বিষয়ে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবিএম তাজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন,
স্বাধীনতাযুদ্ধে সাহায্য ও সহযোগিতার কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এই সম্মাননা জানানো
হবে। তিনি আরও বলেন, ৩৯ বছরেও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোন বিদেশী
নাগরিককে সম্মাননা জানানো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন
সরকার এই প্রথমবারের মতো এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এ
পর্যন্ত যেসব নাম পাওয়া গেছে এবার তাঁদেরই সম্মাননা জানানো হচ্ছে। পরে আরও
নাম পেলে তাঁদেরও সম্মাননা জানানো হবে।
'... বিশেষ সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন যেসব বিদেশী নাগরিক তাঁরা হলেন_ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, শ্রী জগজ্জীবন রাম, ফিল্ড মার্শাল এসএ মানেক শ, লে জে জগজিৎ সিং অরোরা, জয়প্রকাশ নারায়ণ, গোবিন্দ হালদার, জেনারেল রুস্তমজী (মুক্তিযুদ্ধকালীন বিএসএফ প্রধান), ব্রিগেডিয়ার পাণ্ডে (বিএসএফ), ব্রিগেডিয়ার গোলক মজুমদার (বিএসএফ), সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট শহীদ অরুণ ত্রেপাল, সিপাহী শহীদ আলবার্ট এক্কা, ফাইং অফিসার শহীদ এনজেএস সিখান, ব্যারিস্টার সুব্রত রায় চৌধুরী এবং শ্রী সমর সেন। পাকিস্তানী নাগরিকদের মধ্যে যাঁরা সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন তাঁরা হলেন_ আসমা জাহাঙ্গীর (মানবাধিকারকর্মী), কবি আহমেদ সেলিম, তাহেরা মাজহার আলী ও এয়ার মার্শাল আজগর খান। যুক্তরাষ্ট্রের যাঁরা সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন তাঁরা হলেন_ এডওয়ার্ড কেনেডি, আর্চার কে ব্লাড, ডা. রোনাল্ড জোসেফ, পণ্ডিত রবি শংকর, জর্জ হ্যারিসন, জোয়ান বয়েজ, সিনেটর ফ্যাঙ্ক চার্চ ও সিনেটর স্যাক্সবি। এ ছাড়াও কিন টেন ওরুট বাগে (নেদারল্যান্ডস), প্রিন্স সদরুদ্দিন আগা খান, এলআই ব্রেজনেভ (রাশিয়া), নিকোলাই পদগর্নি (রাশিয়া), ব্রুক ডগলাস (যুক্তরাজ্যের তৎকালীন লেবার পার্টির নেতা), রাসেল জনস্টন (যুক্তরাজ্য), সায়মন ড্রিংকে (যুক্তরাজ্য) সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। সংগঠন হিসেবে সম্মাননা পাচ্ছে 'ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব জুরিস্ট (জেনেভা)।' (কালের কণ্ঠ, ১৫ মার্চ ২০১০)
গত চৌদ্দ মাস ধরে লক্ষ্য করছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার অনেক মহৎ কর্ম সম্পাদনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেও নীতিনির্ধারকদের অজ্ঞতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে অন্তিমে তা পর্বতের মুষিক প্রসবের মতো দাঁড়াচ্ছে। যেমন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মহাজোট সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার শুধু নয়, জনগণ মহাজোটকে প্রধানত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সংবিধান পুনর্প্রবর্তনের জন্যই বিপুল ভোটে বিজয়ী করে ক্ষমতায় এনেছে। ১৩ বছর ঝুলে থাকা বঙ্গবন্ধু হত্যার একটি দায়সারা তদন্ত করে আত্মঘোষিত কয়েকজনকে বিচার করে শাস্তি দেয়া হলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং '৭২-এর সংবিধান পুনর্প্রবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারের অকারণ কালপেণ, নীতিনির্ধারকদের নানাবিধ নির্বুদ্ধিতাপ্রসূত উক্তি অবিরাম শ্রবণ করতে গিয়ে আমরা যারপরনাই ক্লান্ত ও বিরক্তবোধ করছি। গত সপ্তাহে যেমন মহাজোট সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বললেন, সরকার নাকি হাজার হাজার যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবে না, দুই একজনের বিচার করবে এবং তাও না কি প্রতীকী!
মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য পত্রিকায় দেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আমাদের প্রশ্ন করা হয়েছে, এসব কী শুনছি? টেলিভিশনের কয়েকটি 'টক শো'তেও বার বার বলতে হয়েছে_ '৭৩-এর 'আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবু্যনালস) আইন' সম্পর্কে কিংবা 'প্রতীকী বিচার' সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রীর অজ্ঞতা সম্পর্কে। যুদ্ধাপরাধীদের 'প্রতীকী বিচার' অভিনব কোন বিষয় নয়। যেমন ১৯৬৭ সালে বরেণ্য ফরাসী লেখক জাঁ পল সার্ত্র এবং ব্রিটিশ মনীষী বার্টার্ন্ড রাসেল ভিয়েতনাম যুদ্ধে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আমেরিকাকে দায়ী করে প্যারিসে গণআদালত বসিয়ে এর বিচার করেছিলেন। তাঁদের পথ অনুসরণ করে আমরা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২-এর ২৬ মার্চ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণআদালত বসিয়ে '৭১-এর শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা গোলাম আযমের বিচার করেছিলাম। ইরাক যুদ্ধে আমেরিকাকে যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী করে খোদ আমেরিকার প্রাক্তন এ্যাটর্নি জেনারেল রামজে ক্লার্ক দুটো গণআদালতের আয়োজন করেছিলেন। এগুলোই প্রতীকী বিচার_যা সরকার নয়, সচেতন নাগরিকরা করেন যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠন এবং তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে।
১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকার গণহত্যাকারী, যুদ্ধাপরাধী, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধীদের বিচারের জন্য যে অনন্যসাধারণ আইন প্রণয়ন করেছেন সেখানে প্রতীকী বিচারের কোন সুযোগ নেই। অপরাধ প্রমাণ হলে এই আইনে মৃ্ত্যুদণ্ডের বিধানও রয়েছে। এই আইনের অধীনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য যে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে_সেটি সম্পূর্ণ স্বাধীন। সরকার কখনও বলতে পারে না দু'একজন, না দু'একশ' জন অথবা দু'এক হাজার জনের বিচার হবে। কতজনের বিচার কতদিনে হবে এবং কীভাবে হবে_সব কিছু নির্ধারণের এখতিয়ার ট্রাইব্যুনালের, অন্য কারও নয়। '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এদের যে কারও স্বজন তথ্যপ্রমাণসহ যদি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালের শরণাপন্ন হন, তাকে বিচারপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করার এখতিয়ার সরকারের নেই। এটা ভিকটিমের শুধু সাংবিধানিক অধিকার নয়, ৩০ লাখ শহীদের আত্মদানের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন এবং সভ্যতার বোধ সংরণের বিষয়টি এর সঙ্গে জড়িত।
আমাদের আইন প্রতিমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, সরকারের অনভিজ্ঞতার কারণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিলম্ব ঘটছে। অজ্ঞতা বা অনভিজ্ঞতা কোন অপরাধ নয়, জ্ঞানের দ্বারা অজ্ঞানতা দূর করা যায়। তবে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে অজ্ঞতা যদি কোন অবদান রাখে তা শুধু সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে না_সমগ্র জাতির জন্য সমূহ বিড়ম্বনা ও বিপর্যয় ডেকে আনবে।
এ ক্ষেত্রে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী বন্ধুদের সম্মাননা জ্ঞাপনের বিষয়টি আনতে পারি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন তাজ যেদিন জাতীয় সংসদে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন এবং সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করেন তার পরদিনই মন্ত্রীকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। এ বিষয়টি ১৯৯৭ সালে মুক্তিযুদ্ধের রজতজয়ন্তী উদযাপনের প্রাক্কালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নিকট আমরা উত্থাপন করেছিলাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদান অনেকে রেখেছেন। প্রতিবেশী ভারতসহ বিভিন্ন দেশের জনগণের অবদানের কথা যদি বলি তাহলে বহু কোটি মানুষের কথা স্মরণ করতে হবে। তখন প্রতীকী অর্থে ১০০ জনের তালিকা প্রস্তুত করে আমরা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে দিয়েছিলাম। অনুরোধ করেছিলাম, রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবর্ধনার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্মানিত নাগরিকের মর্যাদা প্রদানের জন্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, ফিল্ড মার্শাল মানেক শ ও জেনারেল অরোরার নামে রাজধানীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণের প্রস্তাবও করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের প্রস্তাব অনেকেই করেছেন। তখন আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের প্রস্তাব গ্রহণ না করলেও ৩৯ বছর পর এই জরুরি কাজটি করতে যাচ্ছে এতে আমরা নিঃসন্দেহে আনন্দিত।
তবে সমস্যা হচ্ছে কীভাবে এ কাজটি হবে। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে কি অন্য সবার মতোই একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হবে? কলকাতায় যদি বঙ্গবন্ধুর নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থাকতে পারে, ঢাকায় কেন ইন্দিরা গান্ধী সরণি থাকবে না এ প্রশ্নের জবাব সংবর্ধনার উদ্যোক্তা মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রীর জানা থাকতে হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষেত্রে আমরা যেমন 'প্রতীকী বিচার'-এর তামাশা দেখতে চাই না তেমনি মুক্তিযুদ্ধের বিদেশী বন্ধুদের সংবর্ধনার ক্ষেত্রেও অজ্ঞতাজনিত কোন সিদ্ধান্ত সরকার ও জাতির জন্য বিব্রতকর হোক এটা আমরা চাইতে পারি না। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী 'কালের কণ্ঠ'কে বলেছেন, যাদের নাম পেয়েছেন তাদের ভেতর থেকে নাকি প্রথম দফায় ৩৩ জনকে বাছাই করেছেন। এই তালিকা তাঁকে কারা দিয়েছেন আমি জানি না, তবে এ বিষয়ে আমরা যারা কাজ করছি_অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, সাংবাদিক সালাম আজাদ, কলামিস্ট মোনায়েম সরকার কিংবা এই অধম লেখক যে দিইনি এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। তালিকা দেখে মনে হয়েছে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আওয়ামী লীগের আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ কিংবা তাঁরই সহযোগী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জোহরা তাজউদ্দীনসহ মহাজোটের শীর্ষ নেতাদের কারও সঙ্গেই পরামর্শ করেননি।
ভারতে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে অরোরা, মানেক শ'র নাম নিশ্চয়ই আসবে। তবে সেই সময় মুজিবনগর সরকারে যাঁরা ছিলেন তাঁরা জানেন শ্রীমতি গান্ধীর উপদেষ্টা ডিপি ধর, পিএন হাকসার, পররাষ্ট্র সচিব টিএন কল ও পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদান মুক্তিযুদ্ধে কতটুকু। এ বিষয়ে আমাদের চেয়ে ভাল বলতে পারবেন প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম উপদেষ্টা মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব এইচটি ইমাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভার দু'জন সদস্য করণ সিং ও আইকে গুজরাল এখনও বেঁচে আছেন। ক'দিন আগেই করণ সিং ঢাকা এসেছিলেন। ভারতীয় দূতাবাসের নৈশভোজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি সর্বক্ষণ তাঁর সঙ্গেই ছিলেন।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কষ্ট করে যে নামগুলো সংগ্রহ করেছেন তাঁদের সম্পর্কেও যথেষ্ট জানেন বলে মনে হয় না। ভারতের বিএসএফের প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক রুস্তমজীর নামের আগে জেনারেল বসানো হয়েছে। বিএনএফের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান গোলক মজুমদারের নামের সঙ্গে ব্রিগেডিয়ার লাগানো হয়েছে। নিঃসন্দেহ মুক্তিযুদ্ধের এঁরা অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং দু'জনেরই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধারণের সুযোগ হয়েছিল আমার। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে এঁরা দু'জনেই ভারতের পুলিশ সার্ভিসের ক্যাডার, কস্কিনকালেও সামরিক বাহিনীতে ছিলেন না, তাই এঁদের জেনারেল বা ব্রিগেডিয়ার হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ৩৩ জনের তালিকায় যুক্তিসঙ্গত কারণে ভারতের প্রতিরামন্ত্রী জগজ্জীবন রামের নাম আছে, কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার শরণ সিং এবং অর্থমন্ত্রী ওয়াই বি চ্যাবনের নাম নেই। কোন বিবেচনায় তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরিকে প্রথম তালিকায় রাখা হয়নি এর জবাব তাঁর নিশ্চয়ই জানা আছে।
ক্যাপ্টেন তাজ জানতে না পারেন আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) একে খন্দকার কিংবা অন্য সেক্টর কমান্ডাররা নিশ্চয়ই একবাক্যে বলবেন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল সরকারের বিশাল অবদানের কথা। আবদুর রাজ্জাকরা বলতে পারবেন জেনারেল উবানের অবদানের কথা। সেই সময় ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে যারা ছিলেন তাদের কথা আমাদের সেক্টর কমান্ডাররা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি। এদের কয়েকজনের সাক্ষাতকার আমি গ্রহণ করেছিলাম আজ থেকে ১৪-১৫ বছর আগে। এদের ভেতর জেনারেল জ্যাকব, জেনারেল থাপান, জেনারেল লছমন সিংয়ের কথা আমরা ভুলে যেতে পারি না। ভুলতে পারি না জেনারেল সগৎ সিং ও জেনারেল গন্ধর্ব নাগরার কথা। আমাদের দুই মন্ত্রী মতিয়া আপা ও নাহিদ ভাই জানেন মুক্তিযুদ্ধে সিপিআইয়ের নেতাদের অবদানের কথা। রণেন মিত্র, ইলা মিত্র, নিখিল চক্রবর্তী, গীতা মুখার্জী, শান্তিময় রায়, বিশ্বনাথ মুখার্জী ও স্বাধীন গুহর মতো সিপিআই নেতারা কার্যত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গিয়েছিলেন। মহাজোটের অন্যতম নেতা ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন নিশ্চয়ই জানেন সিপিএমের জ্যোতি বসু ও একে গোপালনের কথা। ভারতের কথাশিল্পী দীপেন বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমাদের শ্রদ্ধাভাজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াহিদুল হক আখ্যায়িত করেছিলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।
মাত্র দেড় মাস আগে কলকাতার মৃন্ময়ী বোসের কাছে জেনেছি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে কিংবদন্তির কণ্ঠশিল্পী লতা মুঙ্গেশকর, মান্না দে, সঙ্গীত পরিচালক সলিল চৌধুরী ও চিত্রনির্মাতা বিমল রায়ের অবদানের কথা। কবি কাইফী আজমী, শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেন ও অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমানের অবদানের কথা আমি অনেক আগে লিখেছি। কলকাতার মৈত্রেয়ী দেবী, জাস্টিস মাসুদ, উৎপলা মিশ্র, জন হেস্টিংস, সুকুমার বোস, সমর গুহ, ড. ত্রিগুণা সেন, বহরমপুরের ইপ্সিতা গুহ, ত্রিপুরার অনিল ভট্টচার্য_কাকে বাদ দিয়ে কার কথা বলব। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ঋত্বিক ঘটক, এস শুকদেব ও গীতা মেহতার অসাধারণ প্রামাণ্যচিত্রের কথা কি কখনও ভোলা যাবে? কিশোর পারেখের আলোকচিত্র এখনও ছাপা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে। এমন কোন মুক্তিযোদ্ধা কি আছেন_ অংশুমান রায়ের 'শোন একটি মুজিবরের কণ্ঠ থেকে' কিংবা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের 'মাগো ভাবনা কেন' অথবা ভূপেন হাজারিকার 'জয় জয় জয় জয় বাংলাদেশ' শুনে উদ্দীপ্ত হননি? শিল্পী বাঁধন দাস তুলি ফেলে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিলেন। চিত্র সমালোচক প্রণব রায় এবং তাঁর শিল্পী বন্ধুরা ছবি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য। আকাশবাণীর দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রণবেশ সেন আর উপেন তরফদারের অবদান ভুলে যাওয়া চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচায়ক হবে। তারা শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও সত্যজিৎ রায় থেকে আরম্ভ করে ভারতের বরেণ্য লেখক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবীদের অবদানের কথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বলা যায়।
অর্থমন্ত্রী মুহিত ভাই নিশ্চয়ই বলতে পারবেন আমেরিকায় রিচার্ড টেইলরদের অবরোধের কথা। তাঁরা কীভাবে পাকিস্তানী যুদ্ধজাহাজকে শিকাগো বন্দর থেকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, কীভাবে মার্কিন প্রশাসনের বাংলাদেশবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন জনমত সংগঠিত করেছেন এ নিয়ে 'ব্লকেড' নামে একটি বইও লেখা হয়েছে যেটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের সুযোগ্য পুত্র মেসবাহউদ্দিন মুনতাসীর। ক্যাপ্টেন তাজকে যারা তালিকা সরবরাহ করেছেন তারা কীভাবে ফরাসী মনীষী ও রাজনীতিবিদ আঁদ্রে মালরোর নামটি ভুলে গেলেন? জার্মানীর চ্যান্সেলর উইলি ব্রান্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ কিংবা মন্ত্রী পিটার শোরের অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেয়ে বেশি কেউ না জানলেও আমরা যারা ইতিহাস নাড়াচাড়া করেছি তারা তো কিছুটা হলেও জানি।
তালিকায় জাতিসংঘে ভারতের প্রতিনিধি সমর সেনের নাম দেখে ভাল লেগেছে। কোন বিবেচনায় জাতিসংঘে সোভিয়েত প্রতিনিধি জ্যাকব মালিক কিংবা প্রধানমন্ত্রী কোসিগিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঁদ্রে গ্রোমিকোর নাম বাদ যাবে? পাকিস্তানে আসগর খানের পাশাপাশি অতি অবশ্যই ওয়ালি খানের কথা বলতে হবে। পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির শামিম আশরাফ মালিক, বাজী নাসিম, আফসান্দিয়া খটক কিংবা পাকিস্তানের আওয়ামী লীগের নেতা মাস্টার খান গুলের কথা ভুলে গেলে চলবে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর বঙ্গবন্ধুর আমন্ত্রণে যে পাকিস্তানী নাগরিক প্রথম বাংলাদেশ সফর করেন তিনি পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক 'ডন' এর নির্বাহী সম্পাদক প্রখ্যাত সাংবাদিক মাজহার আলী খান। বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর গণহত্যার ওপর ধারাবাহিকভাবে ডন-এ লিখে চাকরি হারিয়েছিলেন তিনি। '৭১-এ ঢাকায় কমিশনার ছিলেন আলমদার রাজা যিনি পরে পাকিস্তানী সামরিক জান্তার গণহত্যার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন। তার 'ঢাকায় ডিবাকল' গ্রন্থেও এই গণহত্যার হৃদয়বিদারক কিছু বিবরণ দিয়েছেন, যিনি আমাদের আমন্ত্রণে ২০০১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে এসেছিলেন। আলমদার রাজা এখন মৃ্ত্যুশয্যায়, আসমা জাহাঙ্গীরের আগে তাঁকে সংবর্ধনা দেয়া উচিত। আমরা কেন ভুলে যাচ্ছি পাকিস্তানের সাহসী সাংবাদিক এ্যান্থনি ম্যাসকারানহাসের কথা!
গত বছর কাঠমন্ডু নেপালের রাষ্ট্রপতি ডা. রামবরণ যাদবের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা বলেছেন। নেপালের পার্লামেন্টের প্রাক্তন স্পিকার দামান ধুঙ্গানা কিংবা নেপাল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের অবদানের কথা আমরা জানি। বাংলাদেশকে প্রথম কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদানকারী রাষ্ট্র ভুটানের রাজাকে সম্মান জানাতে কেন আমাদের কার্পণ্য থাকবে? কেন প্রথম তালিকায় একমাত্র খেতাবপ্রাপ্ত বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা অস্ট্রেলিয়ার ডব্লুএএস ওডারল্যান্ড বীরপ্রতীকের নাম থাকবে না? ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পর বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে পোল্যান্ডের কথা উল্লেখ করেছিলেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন তাজ কি জানবার চেষ্টা করেছেন পোল্যান্ডের সরকারপ্রধান তখন কে ছিলেন? ১৪ জন নোবেল বিজয়ী '৭১-এ বাংলাদেশের গণহত্যার নিন্দা করে যে অসাধারণ বিবৃতি দিয়েছিলেন তাঁদের খুঁজে বের করা কঠিন কোন কাজ নয়। হানা পাপানাক ও গুস্তাভ পাপানাকের অবদানের কথা তখনকার মার্কিন সংবাদপত্রেও পাওয়া যাবে।
শুরুতেই বলেছি মহাজোট সরকারের অনেক সাধু উদ্যোগ অর্থহীন হয়ে যাচ্ছে উদ্যোক্তাদের অজ্ঞতার কারণে। মন্ত্রী হলেই সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে হবে এমন কথা কেউ বলছে না। তবে যিনি যে কাজটি করবেন সে বিষয়ে তাঁর সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে। অভিজ্ঞতা না থাকলে অভিজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মহান বিদেশী বন্ধুদের সংবর্ধনা নিঃসন্দেহে মহৎ উদ্যোগ। ভাল হয় স্বাধীনতার ৪০তম বার্ষিকীতে অন্ততপক্ষে শীর্ষস্থানীয় ১০০ জন বন্ধু বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যদি ঢাকায় আমন্ত্রণ জানান। এতে বহির্বিশ্বে আমাদের মর্যাদা যেমন বাড়বে_দুঃসময়ের বন্ধুদেরও উপযুক্ত সম্মান জানানো হবে। তবে প্রথম ১০০ জনের তালিকায় কারা থাকবেন এটা মহাজোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং অভিজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেই ঠিক করতে হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের এই অভিজ্ঞতার অভাব কখনও কখনও সমূহ উদ্বেগ ও আতঙ্কের কারণ হচ্ছে। মাঝে মাঝে খবরের কাগজে ট্রাইবু্যনালের সম্ভাব্য তদন্ত কর্মকর্তা বা আইনজীবী হিসেবে যাদের নাম দেখছি_তাতে সংশ্লিষ্ট যে কারও মনে হবে বিচারের নামে বুঝি কোন প্রহসন হতে যাচ্ছে। আমরা বার বার বলছি তদন্ত কর্মকর্তা ও আইনজীবীদের দক্ষতা, সততা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করছে এই মামলার সাফল্য। এ ক্ষেত্রে কোন রকম গোঁজামিল, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা অহেতুক কালপেণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রহসনে পরিণত করবে।
১৫ মার্চ ২০১০
'... বিশেষ সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন যেসব বিদেশী নাগরিক তাঁরা হলেন_ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, শ্রী জগজ্জীবন রাম, ফিল্ড মার্শাল এসএ মানেক শ, লে জে জগজিৎ সিং অরোরা, জয়প্রকাশ নারায়ণ, গোবিন্দ হালদার, জেনারেল রুস্তমজী (মুক্তিযুদ্ধকালীন বিএসএফ প্রধান), ব্রিগেডিয়ার পাণ্ডে (বিএসএফ), ব্রিগেডিয়ার গোলক মজুমদার (বিএসএফ), সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট শহীদ অরুণ ত্রেপাল, সিপাহী শহীদ আলবার্ট এক্কা, ফাইং অফিসার শহীদ এনজেএস সিখান, ব্যারিস্টার সুব্রত রায় চৌধুরী এবং শ্রী সমর সেন। পাকিস্তানী নাগরিকদের মধ্যে যাঁরা সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন তাঁরা হলেন_ আসমা জাহাঙ্গীর (মানবাধিকারকর্মী), কবি আহমেদ সেলিম, তাহেরা মাজহার আলী ও এয়ার মার্শাল আজগর খান। যুক্তরাষ্ট্রের যাঁরা সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন তাঁরা হলেন_ এডওয়ার্ড কেনেডি, আর্চার কে ব্লাড, ডা. রোনাল্ড জোসেফ, পণ্ডিত রবি শংকর, জর্জ হ্যারিসন, জোয়ান বয়েজ, সিনেটর ফ্যাঙ্ক চার্চ ও সিনেটর স্যাক্সবি। এ ছাড়াও কিন টেন ওরুট বাগে (নেদারল্যান্ডস), প্রিন্স সদরুদ্দিন আগা খান, এলআই ব্রেজনেভ (রাশিয়া), নিকোলাই পদগর্নি (রাশিয়া), ব্রুক ডগলাস (যুক্তরাজ্যের তৎকালীন লেবার পার্টির নেতা), রাসেল জনস্টন (যুক্তরাজ্য), সায়মন ড্রিংকে (যুক্তরাজ্য) সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। সংগঠন হিসেবে সম্মাননা পাচ্ছে 'ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব জুরিস্ট (জেনেভা)।' (কালের কণ্ঠ, ১৫ মার্চ ২০১০)
গত চৌদ্দ মাস ধরে লক্ষ্য করছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার অনেক মহৎ কর্ম সম্পাদনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেও নীতিনির্ধারকদের অজ্ঞতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে অন্তিমে তা পর্বতের মুষিক প্রসবের মতো দাঁড়াচ্ছে। যেমন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মহাজোট সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার শুধু নয়, জনগণ মহাজোটকে প্রধানত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সংবিধান পুনর্প্রবর্তনের জন্যই বিপুল ভোটে বিজয়ী করে ক্ষমতায় এনেছে। ১৩ বছর ঝুলে থাকা বঙ্গবন্ধু হত্যার একটি দায়সারা তদন্ত করে আত্মঘোষিত কয়েকজনকে বিচার করে শাস্তি দেয়া হলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং '৭২-এর সংবিধান পুনর্প্রবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারের অকারণ কালপেণ, নীতিনির্ধারকদের নানাবিধ নির্বুদ্ধিতাপ্রসূত উক্তি অবিরাম শ্রবণ করতে গিয়ে আমরা যারপরনাই ক্লান্ত ও বিরক্তবোধ করছি। গত সপ্তাহে যেমন মহাজোট সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বললেন, সরকার নাকি হাজার হাজার যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবে না, দুই একজনের বিচার করবে এবং তাও না কি প্রতীকী!
মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য পত্রিকায় দেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আমাদের প্রশ্ন করা হয়েছে, এসব কী শুনছি? টেলিভিশনের কয়েকটি 'টক শো'তেও বার বার বলতে হয়েছে_ '৭৩-এর 'আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবু্যনালস) আইন' সম্পর্কে কিংবা 'প্রতীকী বিচার' সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রীর অজ্ঞতা সম্পর্কে। যুদ্ধাপরাধীদের 'প্রতীকী বিচার' অভিনব কোন বিষয় নয়। যেমন ১৯৬৭ সালে বরেণ্য ফরাসী লেখক জাঁ পল সার্ত্র এবং ব্রিটিশ মনীষী বার্টার্ন্ড রাসেল ভিয়েতনাম যুদ্ধে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আমেরিকাকে দায়ী করে প্যারিসে গণআদালত বসিয়ে এর বিচার করেছিলেন। তাঁদের পথ অনুসরণ করে আমরা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২-এর ২৬ মার্চ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণআদালত বসিয়ে '৭১-এর শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা গোলাম আযমের বিচার করেছিলাম। ইরাক যুদ্ধে আমেরিকাকে যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী করে খোদ আমেরিকার প্রাক্তন এ্যাটর্নি জেনারেল রামজে ক্লার্ক দুটো গণআদালতের আয়োজন করেছিলেন। এগুলোই প্রতীকী বিচার_যা সরকার নয়, সচেতন নাগরিকরা করেন যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠন এবং তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে।
১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর সরকার গণহত্যাকারী, যুদ্ধাপরাধী, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধীদের বিচারের জন্য যে অনন্যসাধারণ আইন প্রণয়ন করেছেন সেখানে প্রতীকী বিচারের কোন সুযোগ নেই। অপরাধ প্রমাণ হলে এই আইনে মৃ্ত্যুদণ্ডের বিধানও রয়েছে। এই আইনের অধীনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য যে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে_সেটি সম্পূর্ণ স্বাধীন। সরকার কখনও বলতে পারে না দু'একজন, না দু'একশ' জন অথবা দু'এক হাজার জনের বিচার হবে। কতজনের বিচার কতদিনে হবে এবং কীভাবে হবে_সব কিছু নির্ধারণের এখতিয়ার ট্রাইব্যুনালের, অন্য কারও নয়। '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এদের যে কারও স্বজন তথ্যপ্রমাণসহ যদি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালের শরণাপন্ন হন, তাকে বিচারপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করার এখতিয়ার সরকারের নেই। এটা ভিকটিমের শুধু সাংবিধানিক অধিকার নয়, ৩০ লাখ শহীদের আত্মদানের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন এবং সভ্যতার বোধ সংরণের বিষয়টি এর সঙ্গে জড়িত।
আমাদের আইন প্রতিমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, সরকারের অনভিজ্ঞতার কারণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিলম্ব ঘটছে। অজ্ঞতা বা অনভিজ্ঞতা কোন অপরাধ নয়, জ্ঞানের দ্বারা অজ্ঞানতা দূর করা যায়। তবে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে অজ্ঞতা যদি কোন অবদান রাখে তা শুধু সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে না_সমগ্র জাতির জন্য সমূহ বিড়ম্বনা ও বিপর্যয় ডেকে আনবে।
এ ক্ষেত্রে আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী বন্ধুদের সম্মাননা জ্ঞাপনের বিষয়টি আনতে পারি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন তাজ যেদিন জাতীয় সংসদে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন এবং সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করেন তার পরদিনই মন্ত্রীকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। এ বিষয়টি ১৯৯৭ সালে মুক্তিযুদ্ধের রজতজয়ন্তী উদযাপনের প্রাক্কালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নিকট আমরা উত্থাপন করেছিলাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদান অনেকে রেখেছেন। প্রতিবেশী ভারতসহ বিভিন্ন দেশের জনগণের অবদানের কথা যদি বলি তাহলে বহু কোটি মানুষের কথা স্মরণ করতে হবে। তখন প্রতীকী অর্থে ১০০ জনের তালিকা প্রস্তুত করে আমরা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে দিয়েছিলাম। অনুরোধ করেছিলাম, রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে সংবর্ধনার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্মানিত নাগরিকের মর্যাদা প্রদানের জন্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, ফিল্ড মার্শাল মানেক শ ও জেনারেল অরোরার নামে রাজধানীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণের প্রস্তাবও করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের প্রস্তাব অনেকেই করেছেন। তখন আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের প্রস্তাব গ্রহণ না করলেও ৩৯ বছর পর এই জরুরি কাজটি করতে যাচ্ছে এতে আমরা নিঃসন্দেহে আনন্দিত।
তবে সমস্যা হচ্ছে কীভাবে এ কাজটি হবে। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে কি অন্য সবার মতোই একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হবে? কলকাতায় যদি বঙ্গবন্ধুর নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থাকতে পারে, ঢাকায় কেন ইন্দিরা গান্ধী সরণি থাকবে না এ প্রশ্নের জবাব সংবর্ধনার উদ্যোক্তা মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রীর জানা থাকতে হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষেত্রে আমরা যেমন 'প্রতীকী বিচার'-এর তামাশা দেখতে চাই না তেমনি মুক্তিযুদ্ধের বিদেশী বন্ধুদের সংবর্ধনার ক্ষেত্রেও অজ্ঞতাজনিত কোন সিদ্ধান্ত সরকার ও জাতির জন্য বিব্রতকর হোক এটা আমরা চাইতে পারি না। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী 'কালের কণ্ঠ'কে বলেছেন, যাদের নাম পেয়েছেন তাদের ভেতর থেকে নাকি প্রথম দফায় ৩৩ জনকে বাছাই করেছেন। এই তালিকা তাঁকে কারা দিয়েছেন আমি জানি না, তবে এ বিষয়ে আমরা যারা কাজ করছি_অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, সাংবাদিক সালাম আজাদ, কলামিস্ট মোনায়েম সরকার কিংবা এই অধম লেখক যে দিইনি এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। তালিকা দেখে মনে হয়েছে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আওয়ামী লীগের আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ কিংবা তাঁরই সহযোগী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জোহরা তাজউদ্দীনসহ মহাজোটের শীর্ষ নেতাদের কারও সঙ্গেই পরামর্শ করেননি।
ভারতে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে অরোরা, মানেক শ'র নাম নিশ্চয়ই আসবে। তবে সেই সময় মুজিবনগর সরকারে যাঁরা ছিলেন তাঁরা জানেন শ্রীমতি গান্ধীর উপদেষ্টা ডিপি ধর, পিএন হাকসার, পররাষ্ট্র সচিব টিএন কল ও পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদান মুক্তিযুদ্ধে কতটুকু। এ বিষয়ে আমাদের চেয়ে ভাল বলতে পারবেন প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম উপদেষ্টা মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব এইচটি ইমাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভার দু'জন সদস্য করণ সিং ও আইকে গুজরাল এখনও বেঁচে আছেন। ক'দিন আগেই করণ সিং ঢাকা এসেছিলেন। ভারতীয় দূতাবাসের নৈশভোজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি সর্বক্ষণ তাঁর সঙ্গেই ছিলেন।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কষ্ট করে যে নামগুলো সংগ্রহ করেছেন তাঁদের সম্পর্কেও যথেষ্ট জানেন বলে মনে হয় না। ভারতের বিএসএফের প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক রুস্তমজীর নামের আগে জেনারেল বসানো হয়েছে। বিএনএফের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান গোলক মজুমদারের নামের সঙ্গে ব্রিগেডিয়ার লাগানো হয়েছে। নিঃসন্দেহ মুক্তিযুদ্ধের এঁরা অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং দু'জনেরই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধারণের সুযোগ হয়েছিল আমার। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে এঁরা দু'জনেই ভারতের পুলিশ সার্ভিসের ক্যাডার, কস্কিনকালেও সামরিক বাহিনীতে ছিলেন না, তাই এঁদের জেনারেল বা ব্রিগেডিয়ার হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ৩৩ জনের তালিকায় যুক্তিসঙ্গত কারণে ভারতের প্রতিরামন্ত্রী জগজ্জীবন রামের নাম আছে, কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার শরণ সিং এবং অর্থমন্ত্রী ওয়াই বি চ্যাবনের নাম নেই। কোন বিবেচনায় তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরিকে প্রথম তালিকায় রাখা হয়নি এর জবাব তাঁর নিশ্চয়ই জানা আছে।
ক্যাপ্টেন তাজ জানতে না পারেন আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) একে খন্দকার কিংবা অন্য সেক্টর কমান্ডাররা নিশ্চয়ই একবাক্যে বলবেন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল সরকারের বিশাল অবদানের কথা। আবদুর রাজ্জাকরা বলতে পারবেন জেনারেল উবানের অবদানের কথা। সেই সময় ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে যারা ছিলেন তাদের কথা আমাদের সেক্টর কমান্ডাররা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি। এদের কয়েকজনের সাক্ষাতকার আমি গ্রহণ করেছিলাম আজ থেকে ১৪-১৫ বছর আগে। এদের ভেতর জেনারেল জ্যাকব, জেনারেল থাপান, জেনারেল লছমন সিংয়ের কথা আমরা ভুলে যেতে পারি না। ভুলতে পারি না জেনারেল সগৎ সিং ও জেনারেল গন্ধর্ব নাগরার কথা। আমাদের দুই মন্ত্রী মতিয়া আপা ও নাহিদ ভাই জানেন মুক্তিযুদ্ধে সিপিআইয়ের নেতাদের অবদানের কথা। রণেন মিত্র, ইলা মিত্র, নিখিল চক্রবর্তী, গীতা মুখার্জী, শান্তিময় রায়, বিশ্বনাথ মুখার্জী ও স্বাধীন গুহর মতো সিপিআই নেতারা কার্যত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গিয়েছিলেন। মহাজোটের অন্যতম নেতা ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন নিশ্চয়ই জানেন সিপিএমের জ্যোতি বসু ও একে গোপালনের কথা। ভারতের কথাশিল্পী দীপেন বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমাদের শ্রদ্ধাভাজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াহিদুল হক আখ্যায়িত করেছিলেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।
মাত্র দেড় মাস আগে কলকাতার মৃন্ময়ী বোসের কাছে জেনেছি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে কিংবদন্তির কণ্ঠশিল্পী লতা মুঙ্গেশকর, মান্না দে, সঙ্গীত পরিচালক সলিল চৌধুরী ও চিত্রনির্মাতা বিমল রায়ের অবদানের কথা। কবি কাইফী আজমী, শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেন ও অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমানের অবদানের কথা আমি অনেক আগে লিখেছি। কলকাতার মৈত্রেয়ী দেবী, জাস্টিস মাসুদ, উৎপলা মিশ্র, জন হেস্টিংস, সুকুমার বোস, সমর গুহ, ড. ত্রিগুণা সেন, বহরমপুরের ইপ্সিতা গুহ, ত্রিপুরার অনিল ভট্টচার্য_কাকে বাদ দিয়ে কার কথা বলব। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ঋত্বিক ঘটক, এস শুকদেব ও গীতা মেহতার অসাধারণ প্রামাণ্যচিত্রের কথা কি কখনও ভোলা যাবে? কিশোর পারেখের আলোকচিত্র এখনও ছাপা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে। এমন কোন মুক্তিযোদ্ধা কি আছেন_ অংশুমান রায়ের 'শোন একটি মুজিবরের কণ্ঠ থেকে' কিংবা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের 'মাগো ভাবনা কেন' অথবা ভূপেন হাজারিকার 'জয় জয় জয় জয় বাংলাদেশ' শুনে উদ্দীপ্ত হননি? শিল্পী বাঁধন দাস তুলি ফেলে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিলেন। চিত্র সমালোচক প্রণব রায় এবং তাঁর শিল্পী বন্ধুরা ছবি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য। আকাশবাণীর দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রণবেশ সেন আর উপেন তরফদারের অবদান ভুলে যাওয়া চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচায়ক হবে। তারা শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও সত্যজিৎ রায় থেকে আরম্ভ করে ভারতের বরেণ্য লেখক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবীদের অবদানের কথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বলা যায়।
অর্থমন্ত্রী মুহিত ভাই নিশ্চয়ই বলতে পারবেন আমেরিকায় রিচার্ড টেইলরদের অবরোধের কথা। তাঁরা কীভাবে পাকিস্তানী যুদ্ধজাহাজকে শিকাগো বন্দর থেকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, কীভাবে মার্কিন প্রশাসনের বাংলাদেশবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন জনমত সংগঠিত করেছেন এ নিয়ে 'ব্লকেড' নামে একটি বইও লেখা হয়েছে যেটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের সুযোগ্য পুত্র মেসবাহউদ্দিন মুনতাসীর। ক্যাপ্টেন তাজকে যারা তালিকা সরবরাহ করেছেন তারা কীভাবে ফরাসী মনীষী ও রাজনীতিবিদ আঁদ্রে মালরোর নামটি ভুলে গেলেন? জার্মানীর চ্যান্সেলর উইলি ব্রান্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ কিংবা মন্ত্রী পিটার শোরের অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেয়ে বেশি কেউ না জানলেও আমরা যারা ইতিহাস নাড়াচাড়া করেছি তারা তো কিছুটা হলেও জানি।
তালিকায় জাতিসংঘে ভারতের প্রতিনিধি সমর সেনের নাম দেখে ভাল লেগেছে। কোন বিবেচনায় জাতিসংঘে সোভিয়েত প্রতিনিধি জ্যাকব মালিক কিংবা প্রধানমন্ত্রী কোসিগিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঁদ্রে গ্রোমিকোর নাম বাদ যাবে? পাকিস্তানে আসগর খানের পাশাপাশি অতি অবশ্যই ওয়ালি খানের কথা বলতে হবে। পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির শামিম আশরাফ মালিক, বাজী নাসিম, আফসান্দিয়া খটক কিংবা পাকিস্তানের আওয়ামী লীগের নেতা মাস্টার খান গুলের কথা ভুলে গেলে চলবে না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর বঙ্গবন্ধুর আমন্ত্রণে যে পাকিস্তানী নাগরিক প্রথম বাংলাদেশ সফর করেন তিনি পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক 'ডন' এর নির্বাহী সম্পাদক প্রখ্যাত সাংবাদিক মাজহার আলী খান। বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর গণহত্যার ওপর ধারাবাহিকভাবে ডন-এ লিখে চাকরি হারিয়েছিলেন তিনি। '৭১-এ ঢাকায় কমিশনার ছিলেন আলমদার রাজা যিনি পরে পাকিস্তানী সামরিক জান্তার গণহত্যার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন। তার 'ঢাকায় ডিবাকল' গ্রন্থেও এই গণহত্যার হৃদয়বিদারক কিছু বিবরণ দিয়েছেন, যিনি আমাদের আমন্ত্রণে ২০০১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে এসেছিলেন। আলমদার রাজা এখন মৃ্ত্যুশয্যায়, আসমা জাহাঙ্গীরের আগে তাঁকে সংবর্ধনা দেয়া উচিত। আমরা কেন ভুলে যাচ্ছি পাকিস্তানের সাহসী সাংবাদিক এ্যান্থনি ম্যাসকারানহাসের কথা!
গত বছর কাঠমন্ডু নেপালের রাষ্ট্রপতি ডা. রামবরণ যাদবের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা বলেছেন। নেপালের পার্লামেন্টের প্রাক্তন স্পিকার দামান ধুঙ্গানা কিংবা নেপাল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের অবদানের কথা আমরা জানি। বাংলাদেশকে প্রথম কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদানকারী রাষ্ট্র ভুটানের রাজাকে সম্মান জানাতে কেন আমাদের কার্পণ্য থাকবে? কেন প্রথম তালিকায় একমাত্র খেতাবপ্রাপ্ত বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা অস্ট্রেলিয়ার ডব্লুএএস ওডারল্যান্ড বীরপ্রতীকের নাম থাকবে না? ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পর বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে পোল্যান্ডের কথা উল্লেখ করেছিলেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন তাজ কি জানবার চেষ্টা করেছেন পোল্যান্ডের সরকারপ্রধান তখন কে ছিলেন? ১৪ জন নোবেল বিজয়ী '৭১-এ বাংলাদেশের গণহত্যার নিন্দা করে যে অসাধারণ বিবৃতি দিয়েছিলেন তাঁদের খুঁজে বের করা কঠিন কোন কাজ নয়। হানা পাপানাক ও গুস্তাভ পাপানাকের অবদানের কথা তখনকার মার্কিন সংবাদপত্রেও পাওয়া যাবে।
শুরুতেই বলেছি মহাজোট সরকারের অনেক সাধু উদ্যোগ অর্থহীন হয়ে যাচ্ছে উদ্যোক্তাদের অজ্ঞতার কারণে। মন্ত্রী হলেই সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে হবে এমন কথা কেউ বলছে না। তবে যিনি যে কাজটি করবেন সে বিষয়ে তাঁর সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে। অভিজ্ঞতা না থাকলে অভিজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মহান বিদেশী বন্ধুদের সংবর্ধনা নিঃসন্দেহে মহৎ উদ্যোগ। ভাল হয় স্বাধীনতার ৪০তম বার্ষিকীতে অন্ততপক্ষে শীর্ষস্থানীয় ১০০ জন বন্ধু বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যদি ঢাকায় আমন্ত্রণ জানান। এতে বহির্বিশ্বে আমাদের মর্যাদা যেমন বাড়বে_দুঃসময়ের বন্ধুদেরও উপযুক্ত সম্মান জানানো হবে। তবে প্রথম ১০০ জনের তালিকায় কারা থাকবেন এটা মহাজোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং অভিজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেই ঠিক করতে হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের এই অভিজ্ঞতার অভাব কখনও কখনও সমূহ উদ্বেগ ও আতঙ্কের কারণ হচ্ছে। মাঝে মাঝে খবরের কাগজে ট্রাইবু্যনালের সম্ভাব্য তদন্ত কর্মকর্তা বা আইনজীবী হিসেবে যাদের নাম দেখছি_তাতে সংশ্লিষ্ট যে কারও মনে হবে বিচারের নামে বুঝি কোন প্রহসন হতে যাচ্ছে। আমরা বার বার বলছি তদন্ত কর্মকর্তা ও আইনজীবীদের দক্ষতা, সততা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করছে এই মামলার সাফল্য। এ ক্ষেত্রে কোন রকম গোঁজামিল, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা অহেতুক কালপেণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রহসনে পরিণত করবে।
১৫ মার্চ ২০১০
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
February
(2718)
-
▼
Feb 09
(255)
- ভারতের সংসদে হামলায় অভিযুক্ত আফজল গুরুর ফাঁসি
- ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রেখে রাজাকারের ফাঁসি দেয়া যায়...
- লন্ডন ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড ব্রিটিশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্...
- আবারও...
- প্রথমবারের মতো
- নতুন ছেলে by আবুল কালাম আজাদ
- ভালোবাসা দিবসে আবুল হায়াত
- চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক তানিয়ার
- স্টুডিও কনসার্টে ন্যান্সি
- শাহরুখকে নিয়ে সালমানের নেতিবাচক মন্তব্য
- একুশে টেলিভিশনে ইউরো-সিজেএফবি পারফরম্যান্স অ্যাওয়...
- লাল গোলাপে ইকবাল ও বাবু
- ভালোবাসার বিশেষ পাঁচফোড়ন
- প্রেত সাধক সজল
- নতুন বিজ্ঞাপনে কেয়া by আলমগীর কবীর
- ব্যতিক্রমী গল্পে রওনক
- ৬২ হাজার খাম্বা কিনছে সরকার- দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ...
- শঙ্কা ও সঙ্কট ঘনীভূত হচ্ছে- সরকারকে আরো দায়িত্বশ...
- প্রধানমন্ত্রীর উচিত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা...
- জীবনসাধক ডাঃ নুরুল ইসলাম by মাহমুদ শাহ কোরেশী
- অভিমত- জনপ্রত্যাশিত একটি রায়
- তিউনিসিয়ায় গণতন্ত্রের পরীক্ষা by মুন্সেফ মারজুকি
- কলা চুরির জন্য ফাঁসি! by মাসুম খলিলী
- এটা কি টেস্ট কেস? by কাদের সিদ্দিকী
- স্মরণ- খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ
- জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ ও কিছু কথা b...
- মওলানা ভাসানী ও কাগমারী সম্মেলন by মোহাম্মদ গোলাম...
- ইরাকে গাড়িবোমা হামলায় নিহত ২৯
- উত্তর কোরিয়া সফরের দায়ে এক দণি কোরীয়র কারাদণ্ড
- আফগানিস্তানে শত শত শিশু হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্রঃ ...
- লিবিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধানকে হস্তান্তরের নির্দেশ
- ভারতে ৮৪ সালের সহিংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দ...
- আত্মাহুতিতে উৎসাহ দেয়ার দায়ে চীনে ৭০ তিব্বতি আটক
- তালেবানের সাথে অবিলম্বে শান্তি আলোচনার দাবি নওয়াজ...
- ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত কেরালার ডেপুটি স্পিকার
- নেপালে রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে মাওবাদীদের শর্ত ব...
- ভারতে ৮৪ সালের সহিংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দ...
- আত্মাহুতিতে উৎসাহ দেয়ার দায়ে চীনে ৭০ তিব্বতি আটক
- দুই মাস অবরুদ্ধ থাকার পর জামিন- খালেদা জিয়াকে ফুল...
- ভালোবাসার মাসে এমপ্রেস
- ঢাকা রিজেন্সিতে ভ্যালেন্টাইনস ডের আয়োজন
- শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমৃত্যু সংগ্রাম করে...
- চট্টগ্রামে কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়া ১০ হাজার ব্...
- গোপালগঞ্জে দেশের প্রথম ডিমান্ড সাইড ফিন্যান্সিং ফর...
- তত্ত্বাবধায়ক ও পদ্মা সেতু ইস্যু ধামাচাপা দিতে সরক...
- পুঁজিবাজারে বেড়েছে বিদেশী বিনিয়োগ
- খেজুরের গুড়ের নামে আমরা কী খাচ্ছি! by মোঃ শহীদুল ...
- বরিশাল বিএম কলেজে তিন মাসের অস্থায়ী ‘ছাত্র কর্মপর...
- চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে বাড়ছে ােভ
- ১২ বছরে আট শতাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের উচ্চ আদাল...
- কুতুববাগ দরবার শরিফে আখেরি মুনাজাত সম্পন্ন
- যুদ্ধাপরাধ নিয়ে সরকার নিজেদের ফাঁদে আটকা পড়েছেঃ ...
- সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাজধানীতে বাসভাড়া বৃ...
- ধনেশ পাখি
- হেলথ টিপস- গেঁটেবাত সরাতে সহায়ক ভিটামিন ডি
- চিত্র বিচিত্র- ১০৫ বছর বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারী মহিলা
- প্রবাসের খবরঃ যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে এ প্রহসন জ...
- হলমার্ক চেয়ারম্যান জেসমিনের মুক্তি লাভ
- নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণেই বিএসএফ হত্যা নির্যাত...
- নিপাহ ভাইরাসে রামেক হাসপাতালে আরো দুই রোগীর মৃত্যু
- চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সাটুরিয়ায় ছাত্রলীগের দ...
- বিএনপির সমন্বয়ক তরিকুল ইসলামকে যশোরে সংবর্ধনা
- বাংলাদেশে নির্যাতন ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি চলছে
- নড়াইল সফর করবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ...
- নির্বিচারে মানুষ হত্যায় জিহাদি হওয়া যায় না by এনা
- আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় টিফিন খেয়ে আড়াই শতাধি...
- ইমরান ও কাদরির যৌথ হুঙ্কারে পাকিস্তানে নির্বাচন পি...
- লোকে লোকারণ্য গ্রন্থমেলা- ঢিলেঢালা শিশুপ্রহর by শ...
- ৬ মাসেই বাণিজ্য ঘাটতি ৩৬ হাজার কোটি টাকা by আশরাফ...
- হরতালে নিহতদের স্মরণে দেশব্যাপী জামায়াতের দোয়া ম...
- বেসরকারি আবাসন প্রকল্পে অনীহা সরকারের by হামিম উল ...
- শাহবাগ চত্বর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে
- রাজধানীতে আজ ১৮ দলের শোডাউন স্থগিত
- বাংলা ও উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব তমদ্দুন ...
- তৃণমূল আ’লীগে ভয়াবহ কোন্দল by ফজলুল হক শাওন
- নিহতদের স্মরণে দোয়া দিবস পালিত- ঘাদানিকদের উসকে ...
- বিএনপির সমর্থন- বৃহত্তর চট্টগ্রামে জামায়াতের ডাক...
- ঘাদানিক ও বামেরা সমাবেশের নেপথ্যে
- ২ মাসের সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ বাড়েনি- আরব আমিরাতে...
- ১ নম্বর চার্জ পল্লব হত্যার ভিত্তি শোনা কথা- কাদের ...
- একই পরিবারের ৭ জন নিখোঁজ by শেখ ওমর ফারুক
- মেঘনায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবি
- জামায়াত সমর্থকদের নাগরিকত্ব বাতিল করতে হবে- শাহবা...
- যুদ্ধাপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবেঃ জাতিসঙ্ঘ
- বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি- সৈয়দ সোহরাব
- যুদ্ধাপরাধী, খুনী জামায়াত শিবির চক্রকে প্রতিহত করু...
- ঢাকা কলেজে চাঁদাবাজির মূল উৎস নতুন নির্মাণাধীন হল
- যুদ্ধাপরাধী, খুনী জামায়াত শিবির চক্রকে প্রতিহত করু...
- ওয়াহিদুল হক স্মরণোৎসব শুরু, নাট্যোৎসব আজ থেকে
- খালেদা জিয়া কি দেশ বিক্রির সেই দলিলটি দেখাতে পারবে...
- রিপোর্ট দাখিলে আরও ৩ মাস সময় চাইবে সিআইডি- ১০ ট্রা...
- ২১ মার্চ থেকে ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সম্মেলন
- খোঁজ নেয়া হচ্ছে পুরস্কার ঘোষিত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ক...
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- জিয়া সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না শফিউল্লাহ
- মিছিল সমাবেশ ক্লাস পরীক্ষা বর্জনে উত্তপ্ত বাকৃবি- ...
- কানাডা কেন খুনী নূর চৌধুরীকে আশ্রয় দেবে- শেখ হাসি...
- জামায়াত নেতা কাইট্টা গিয়াস ফের ৩ দিনের রিমান্ডে
- বগুড়া, নড়াইল ও রংপুরে ফারুকের বিরুদ্ধে শত কোটি টাক...
- রিপন হত্যায় কেউ ধরা পড়েনি, পরিবারে শোকের মাতম- তপু...
- মূল্যস্ফীতি চলে যাচ্ছে ॥ বিপজ্জনক মাত্রায়- বোরো ফল...
- হাসিনা-ওয়েন বৈঠক, তিন চুক্তি সই
- জামায়াত শিবিরকে অর্থায়ন করছে জঈশ-ই- by মোহম্মদ মা...
- নৌযান শ্রমিক ধর্মঘট নিরসনের উদ্যোগ নেই তিন দিনেও-...
- মুজিবুর রহমান যুদ্ধ করেননি, তারা লুটপাটে ব্যস্ত ছি...
- খালেদার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ॥ শুনানি না করে রিটের...
- তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে বৈঠক শ...
- ২৬ মার্চের আগেই তদন্ত সংস্থা ও বিচারিক আদালত- যুদ্...
- বাঘাইছড়িতে চুক্তির পক্ষ-বিপক্ষ গ্রুপের মধ্যে প্রচণ...
- ইন্টারনেট চার্জ আরও কমাল বিটিসিএল, কার্যকর ১ এপ্রিল
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা ঘেরাও, সড়ক ও রেলপথ অবরোধ- সন্...
- জামায়াত মহানগর আমির ও সাবেক শিবির সভাপতি মুরতাদ- শ...
- জামায়াত মহানগর আমির ও সাবেক শিবির সভাপতি মুরতাদ- শ...
- বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে হার্টে মাইট্রাল ভাল্ব বদলের স...
- বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বতন্ত্র পে স্কেল চূড়ান্ত করেছে...
- এবার যাঁরা স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন
- অগ্নিঝরা মার্চ
- ভোলা-৩ আসনে উপনির্বাচন ২৪ এপ্রিল
- শ্রেষ্ঠ সন্তান
- ১৯৭১ ॥ চট্টগ্রাম শহরে প্রতিরোধ যুদ্ধ by সামসুদ্দি...
- স্মরণ ॥ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ by আরিফ নজরুল
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ওডারল্যান্ড ও যতীন মোদী by এসকে ...
- দেশীয় অর্থায়নে বিদ্যুত
- বকর সবাইকে কাঁদাল
- প্রসঙ্গ ইসলাম- মিথ্যা কথা বলা মহাপাপ by অধ্যাপক হ...
- অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের বিষয়গুলো by ...
- বিদ্যুত উৎপাদনের নতুন সূত্র
- অজানা তথ্য- ৬০ কোটি বছর আগের প্রাণীতে মানুষের দৃষ্...
-
▼
Feb 09
(255)
-
▼
February
(2718)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment