Tuesday, February 21, 2012
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-গুলিবিদ্ধ রফিক by আমানুল হক
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-গুলিবিদ্ধ রফিক by আমানুল হক
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। তখন আমি চাকরি করি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, আর্টিস্ট হিসেবে। আমার দুটো কাজ ছিল—ছাত্রদের জন্য পোস্টার সাইজ ছবি আঁকতে হতো, প্রফেসররা সেই ছবি দেখে ডেমোনেস্ট্রেশন দিতেন; আবার জটিল রোগী এলে ছবিও তুলতে হতো, রোগীর ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর কী ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে, সেগুলো রেকর্ড রাখার জন্য। তখন আমার বয়স ছিল ২৯ প্রায়। চাকরি করি, ছবি তোলা ও আঁকার কাজ করি।
সেদিন সকাল থেকেই একটা প্রস্তুতি ছিল।
মেডিকেল কলেজটা ছিল আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু তা সত্ত্বেও, সেটা পাকিস্তান আমল ভুললে চলবে না; খুব কট্টরপন্থী, ধর্মনির্ভর একটা সময়। প্রগতিশীলতার বড় অভাব ছিল। কিন্তু আমার প্রগতিশীল মানুষ, রাজনীতিবিদ প্রমুখের সঙ্গেই ওঠবসা, পরিচয় ছিল। কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে হাসান হাফিজুর রহমান, গাজিউল হকসহ অনেকের সঙ্গেই আমার যোগাযোগ।
২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্তের কারণে আগেই ধারণা হয়েছিল ওই দিন কোনো অঘটন ঘটতে পারে, যে কারণে আমার ক্যামেরাটা সব সময় আমার গলাতেই থাকত। এটা আমার একটা অভ্যাস ছিল। সেদিন সকালবেলা থেকেই ক্যামেরাটা লুকিয়ে প্যান্টের পকেটে ভরে ফেলেছি। আমি জানি যে পুলিশ চারদিকে ঘিরে রেখেছে। ক্যামেরাটা লুকিয়ে রাখাটাই নিরাপদ ছিল। আসল ব্যাপারটা কিন্তু ঘটল বিকেলবেলা। তার আগে, সকাল থেকেই স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়ে, জনতা দলবেঁধে স্লোগান দিতে দিতে—‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই, ১৪৪ ধারা মানি না’ বলতে বলতে, কাঁটাতারের বেড়া ছিল, সেসব ডিঙিয়ে আমতলায় জমায়েত হয়। সেই বিখ্যাত আমতলায়, যেটাকেন্দ্রিক আন্দোলনটা নাটকীয় পরিসমাপ্তি হয়েছিল।
একটা কথা বলা দরকার, সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন এবং মেডিকেল কলেজ একই বিল্ডিংয়ের মধ্যে ছিল। আর কলাভবনের পাশেই ছিল আমতলা। একটা আমগাছ ছিল, সেটাকে কেন্দ্র করেই সেদিন সভাটা বসল—আমতলার বিখ্যাত সেই সমাবেশে ছিলেন গাজীউল হক, অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন আবদুল মতিন, গোলাম মাওলা। গোলাম মাওলা তখন ছিলেন মেডিকেল কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি। আরও ছিলেন অলি আহাদ প্রমুখ। তাঁদের নেতৃত্বে আমতলায় সমাবেশ শুরু হয়। সেই সমাবেশেই ঠিক হবে—১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হবে কি হবে না। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হবে। সিদ্ধান্ত এভাবে স্থির হয়—হয় পাঁচজন করে অথবা দশজন করে দলে বিভক্ত হয়ে ইউনিভার্সিটির প্রধান ফটক দিয়ে তারা বাইরে গিয়ে জমায়েত হবে। তারপর মিছিল করে তারা বাজেট অধিবেশনে যাবে। তখন সংসদ ছিল, এখন যেখানে জগন্নাথ হল আছে ওই জায়গায়।
পাঁচজন পাঁচজন করে, কারো কারো মতে দশজন দশজন করে ছাত্ররা বেরিয়ে পড়ে, তখন লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস, ধরপাকড়, অ্যারেস্টও শুরু হয়ে যায়। প্রথমে মেয়েরা ছিল না। তবে প্রথমে একদল বের হওয়ার পরে মেয়েরা বের হয়। এবং তাদেরও একই অবস্থা হয়—লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস এবং আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো চলতে থাকে। পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার যে বিরোধ, সেটা আর কমার কারণও ছিল না, কমেওনি। এটা বাড়তেই থাকে। ছাত্র-জনতার ইটপাটকেল এবং পুলিশের বেপরোয়া টিয়ারগ্যাস—টিয়ারগ্যাস কী সাংঘাতিক অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে, তা ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে পারে। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ওখানে উপস্থিত ছিলাম, ফলে ব্যাপারটা উপলব্ধি করেছি।
মেডিকেল কলেজের বারান্দায় ছিলাম আমরা, গুলির শব্দ আমি নিজ কানে শুনেছিলাম। কিন্তু সেকালে একটা ব্যাপার ছিল, হাতঘড়ি খুব কম লোকেরই থাকত। এবং অফিস-আদালতে দেয়ালঘড়িও খুব বেশি থাকত না। ফলে সঠিক সময়টা চট করে বোঝার কোনো উপায় ছিল না। যখন গুলি হয়েছিল, দুপুর গড়িয়ে, কেউ বলেন যে তিনটা কুড়ি মিনিট, কেউ বলেন চারটা। দৈনিক আজাদ-এ একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে যে রিপোর্ট বের হয়েছিল, আজাদ ছিল তখনকার অগ্রণী পত্রিকা, সেখানে লেখা হয়েছিল বেলা চার ঘটিকায়। আমার বন্ধু ভাষাসৈনিক এম আর আখতার মুকুল, উনি আমাকে বলেছিলেন। নাটকীয় ভঙ্গিতে তাঁর হাতঘড়িটা দেখিয়ে বলেছিলেন, আমার হাতে ঘড়ি ছিল, আমি মিলিয়ে দেখেছি, সেই সময়টা ছিল তিনটা দশ মিনিট।
যা-ই হোক, হঠাৎ গুলির আওয়াজ পেলাম। বুঝতেই পারলাম, গুলি যখন চলল, একটা অঘটনও ঘটে গেছে। তখন আমরা আরও উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছি—কী হয়, কী হচ্ছে! তারপর দেখা গেল যে বেশ কয়েকজন ছাত্র-জনতা একটা রক্তমাখা দেহ ধরাধরি করে নিয়ে আসছে হাসপাতালে, ইমার্জেন্সির দিকে। আমি এগিয়ে গেলাম। যেতেই ভেতর থেকে একজন চিৎকার করে নাটকীয়ভাবে বলে উঠল—ওরা গুলি করেছে। ওরা মেরে ফেলেছে।
তখনো রক্তপাত হচ্ছে। যারা নিয়ে এসেছিল দেহটি, একদম রক্তাক্ত অবস্থায়; কিন্তু তখনো জীবিত। সে ছিল আবুল বরকত। তারপর তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাত আটটার পরে, সালাম আহত হয়েছিল।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হয়েছিল শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদ। তার বাড়ি ছিল মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর। গ্রামের নাম পারিল বড়ধার। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মেরে ফেলার জন্য গুলি চালিয়েছিল, আগেই ঠিক করেছিল এটা, অবস্থাদৃষ্টে আমার তাই মনে হয়েছে। আর একটা ব্যাপার হলো, আমরা জানতে পেরেছিলাম যে সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে যেসব রোগী ভর্তি ছিল, তাদের বেশ কয়েকজনকে ট্রিটমেন্ট শেষ হওয়ার আগে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। তাতে বোঝা যায়, ওরা আন্দাজ করতে পেরেছিল, ছাত্রদের গুলি লাগলে ওখানে ভর্তি হবে। এ কারণে সিটগুলো খালি করে দিয়েছিল। গুলিবর্ষণ হবে, সিট দরকার হবে—এই পরিকল্পনা তাদের মনে ছিল। ওই ঘটনা তা-ই প্রমাণ করে।
মেডিকেল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবন—তার মাঝে একটা দেয়াল ছিল। সেই দেয়ালটা আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছিল, যাতে এদিক থেকে ওদিকে, আমতলার ওখান থেকে মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণ, যেখানে অসংখ্য মানুষের জমায়েত, যাতায়াতের সুবিধার হয়।
শহীদ বরকতের ছবি তোলার ব্যাপারটা ছিল নাটকীয়। গুলিবর্ষণের এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর ছবিটা তুলেছিলাম।
আমি মেডিকেল কলেজের বারান্দা থেকে নিচে নেমে এসেছি। সেখানে অনেক লোক জমায়েত ছিল—বরকতের দেহটা নিয়ে এসেছে। নিচে নামতেই দেখা হলো পূর্ব বাংলার প্রচার দপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী মুহম্মদ ইদরিসের সঙ্গে। তিনি খুব আদর্শবাদী সাংবাদিক ছিলেন। উনি আমার পূর্বপরিচিত ছিলেন। মেডিকেল কলেজে তখন একজন ছাত্রী ছিল হালিমা নামে। ফোর্থ ইয়ারে পড়ত। সেই সময় ফোর্থ ইয়ারে যারা পড়ত, ওয়ার্ডের রোগীদের সেবাশুশ্রূষা এবং প্রাথমিক কাজগুলো তারাই করত।
হালিমা কাজী ইদরিসকে ডেকে নিয়ে বলল, যে ছেলেটার কপালে গুলি লেগে মাথার ঘিলু বের হয়ে গেছে, তার লাশটা মেডিকেল কলেজের পেছন দিকে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডের পাশেই রাখা আছে। সেখানে যাওয়া বা লাশ দর্শন করা সহজসাধ্য ছিল না। কারণ, পুলিশ চারদিকে ঘিরে রেখেছে। পুলিশের ভয় ছিল। সেটা প্রটেক্টেড। এর মধ্য থেকেই পুলিশ আবার চেষ্টা চালাচ্ছে, কীভাবে লাশ গুম করে ফেলা যায়। অনেক লাশই তারা গায়েব করে দিয়েছিল। কারণ, আজিমপুর গোরস্থানে কবর আছে মাত্র দুজনের। তখন হালিমা বলল, গুলিবিদ্ধ ছেলেটির লাশ সে দেখাতে পারে কাজী ইদরিসকে। ইদরিস বলল, ‘হ্যাঁ, আমি দেখতে চাই।’ হালিমা তখন সেই ঘরে ইদরিসকে নিয়ে যায়। কাজী ইদরিস পরে বলেছিলেন, ‘লাশটা দেখে আমি খুব উত্তেজিত হয়ে গেলাম। আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। হালিমাকে বললাম কোনোভাবে লাশটার ছবি তোলা যায় কি না।’ হালিমা বলল, ‘হ্যাঁ, আমি সেই ব্যবস্থা করতে পারব, যদি সে রকম কোনো ফটোগ্রাফার এক মিনিটের মধ্যে কাজটি করে ফেলতে পারে।’
তখন দেশে ফটোগ্রাফার বেশি ছিল না। ভাষা আন্দোলনের ছবি তুলেছিলাম আমরা মাত্র তিনজন। এর মধ্যে একজন তো খুবই বিখ্যাত। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। উনি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমি আমানুল হক। তৃতীয় ব্যক্তি হলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সাহেবের পুত্র মুহম্মদ তকীউল্লাহ। উনি অবশ্য খুব কম ছবি তুলেছিলেন। এই তিনজনের কথাই ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়েছে। তখন সমস্ত ঢাকায় যত পত্রিকা ছিল, সব পত্রিকায় ফটোগ্রাফার ছিল না। এবং অল্প পত্রিকার ফটোগ্রাফার ছিল।
তো, ইদরিস সাহেব ভিড়ের মধ্যে এসে খুঁজছেন—আমানুল হককে কোথায় পাওয়া যায়। ঘটনাচক্রে ফরচুনেটলি আমি সেখানে ছিলাম, দেখা হয়ে গেল। আমি তখন ফুলহাতা হাওয়াই শার্ট পরেছিলাম। প্যান্টের পকেটে ক্যামেরাটি লুকানো ছিল। উনি সমস্ত ব্যাপারটা বুঝিয়ে বললেন, ‘আপনি কি ছবি তুলতে পারবেন?’ আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। হ্যাঁ, তুলতে পারব। সে আবার হালিমার কাছে গেল। বলল, আমি আমানুলের সঙ্গে যাব না। সে একাই ছবি তুলে আনবে তোমার সঙ্গে গিয়ে। তুমি তাকে জায়গাটা দেখিয়ে দেবে। আমি তখন হালিমার ইশারায় সেই ঘরে গেলাম, ক্যামেরা ঠিকঠাক করে। সেই ঘরটি ছবি তোলার মতো উপযুক্ত জায়গা ছিল না। ভালো আলো ছিল না। তখন আমার কাছে যে ক্যামেরাটি ছিল, সেটি নিলামে কেনা। বাংলাবাজারে একটা অবাঙালিদের নিলামঘর থেকে মাত্র ১০০ টাকায় কেনা। আর সেটার মধ্যে ছবি তোলার ফ্ল্যাশের কোনো বন্দোবস্তই ছিল না। ফোকাস করা যেত না। খুব অনুন্নত টাইপের ক্যামেরা। আর ওই ঘরটার মধ্যে আলোর অভাব—তবু আমি সাহস করে ছবিটা তুললাম। ছবি ডেভেলপ, প্রিন্ট করতে হলো লুকিয়ে। গোপনে। কারণ, পুলিশ জানতে পারলে সিজ করবে। অত্যন্ত গোপনে কাজগুলো করলাম। পরস্ফুিটন, প্রিন্ট নির্মাণ। কাজী ইদরিস এতই উৎসাহী ছিলেন। তিনি অফিস থেকে ফিরে আমি যে বাড়িটাতে থাকতাম, সেখানে গিয়ে ছবিটা দেখলেন। ছবি দেখে তিনি বেশ খুশি হলেন। আমরা অনেকগুলো কপি করছিলাম। আমরা একটা কপি দিলাম এস এম মোহসিন সাজুকে। আর একটা কপি দিলাম ইসলামের ইতিহাস বিভাগের মাজেদ খানকে। তৃতীয় কপিটি সরবরাহ করলাম দৈনিক আজাদ-এ। ছাপার জন্য ব্লক তৈরি হলো। কিন্তু রাত দুইটার দিকে সম্পাদক বা মালিকপক্ষের আপত্তিতে আজাদ-এ ছাপা হলো না। আজাদ-এ ছাপা হলে খুব বিস্ফোরক একটা ব্যাপার হতো। মাজেদ খানকে যে কপিটি দেওয়া হয়েছিল, সেটা ব্লক তৈরি করতে ছাত্রদের দিয়ে দেওয়া হয়। ছাত্ররা সেটা দিয়ে পোস্টার তৈরি করে। অনেকগুলো কপি করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ হামলা করে সব কপি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। ফলে পত্রিকায় ছবি ছাপা হওয়ার আর সুযোগ থাকল না। পরবর্তী সময়ে ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর জন্য ওই ছবি দিয়ে পোস্টার করে কাজে লাগানো হয়।
১৯৫২ সালে আমি তরুণ ছিলাম। ছবিটা তোলার ক্ষেত্রে সাংঘাতিক ঝুঁকি আছে জেনেও কাজটি করেছি। পুলিশের হাতে ধরা পড়লে আমার অবস্থা খুব খারাপ হবে, সেটা জানতাম। তা সত্ত্বেও বাংলা ভাষার প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা, আনুগত্য থেকে কাজটি করেছি। ভাষার প্রতি এই আনুগত্য সাধারণ মানুষেরও ছিল। ফলে ভাষার বিজয়টা সম্ভব হয়েছিল। ধাপে ধাপে আন্দোলনের মাধ্যমে এই বিজয় অর্জন হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, একধরনের আবেগ ও দায়বদ্ধতা থেকেই আমি এই কর্মসাধন করেছি। দায়বদ্ধতার কারণ না থাকলে এত ঝুঁকির মধ্যে আমরা কোনোক্রমেই যেতাম না।
মেডিকেল কলেজটা ছিল আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু তা সত্ত্বেও, সেটা পাকিস্তান আমল ভুললে চলবে না; খুব কট্টরপন্থী, ধর্মনির্ভর একটা সময়। প্রগতিশীলতার বড় অভাব ছিল। কিন্তু আমার প্রগতিশীল মানুষ, রাজনীতিবিদ প্রমুখের সঙ্গেই ওঠবসা, পরিচয় ছিল। কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে হাসান হাফিজুর রহমান, গাজিউল হকসহ অনেকের সঙ্গেই আমার যোগাযোগ।
২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্তের কারণে আগেই ধারণা হয়েছিল ওই দিন কোনো অঘটন ঘটতে পারে, যে কারণে আমার ক্যামেরাটা সব সময় আমার গলাতেই থাকত। এটা আমার একটা অভ্যাস ছিল। সেদিন সকালবেলা থেকেই ক্যামেরাটা লুকিয়ে প্যান্টের পকেটে ভরে ফেলেছি। আমি জানি যে পুলিশ চারদিকে ঘিরে রেখেছে। ক্যামেরাটা লুকিয়ে রাখাটাই নিরাপদ ছিল। আসল ব্যাপারটা কিন্তু ঘটল বিকেলবেলা। তার আগে, সকাল থেকেই স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়ে, জনতা দলবেঁধে স্লোগান দিতে দিতে—‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই, ১৪৪ ধারা মানি না’ বলতে বলতে, কাঁটাতারের বেড়া ছিল, সেসব ডিঙিয়ে আমতলায় জমায়েত হয়। সেই বিখ্যাত আমতলায়, যেটাকেন্দ্রিক আন্দোলনটা নাটকীয় পরিসমাপ্তি হয়েছিল।
একটা কথা বলা দরকার, সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন এবং মেডিকেল কলেজ একই বিল্ডিংয়ের মধ্যে ছিল। আর কলাভবনের পাশেই ছিল আমতলা। একটা আমগাছ ছিল, সেটাকে কেন্দ্র করেই সেদিন সভাটা বসল—আমতলার বিখ্যাত সেই সমাবেশে ছিলেন গাজীউল হক, অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন আবদুল মতিন, গোলাম মাওলা। গোলাম মাওলা তখন ছিলেন মেডিকেল কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি। আরও ছিলেন অলি আহাদ প্রমুখ। তাঁদের নেতৃত্বে আমতলায় সমাবেশ শুরু হয়। সেই সমাবেশেই ঠিক হবে—১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হবে কি হবে না। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হবে। সিদ্ধান্ত এভাবে স্থির হয়—হয় পাঁচজন করে অথবা দশজন করে দলে বিভক্ত হয়ে ইউনিভার্সিটির প্রধান ফটক দিয়ে তারা বাইরে গিয়ে জমায়েত হবে। তারপর মিছিল করে তারা বাজেট অধিবেশনে যাবে। তখন সংসদ ছিল, এখন যেখানে জগন্নাথ হল আছে ওই জায়গায়।
পাঁচজন পাঁচজন করে, কারো কারো মতে দশজন দশজন করে ছাত্ররা বেরিয়ে পড়ে, তখন লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস, ধরপাকড়, অ্যারেস্টও শুরু হয়ে যায়। প্রথমে মেয়েরা ছিল না। তবে প্রথমে একদল বের হওয়ার পরে মেয়েরা বের হয়। এবং তাদেরও একই অবস্থা হয়—লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস এবং আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো চলতে থাকে। পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার যে বিরোধ, সেটা আর কমার কারণও ছিল না, কমেওনি। এটা বাড়তেই থাকে। ছাত্র-জনতার ইটপাটকেল এবং পুলিশের বেপরোয়া টিয়ারগ্যাস—টিয়ারগ্যাস কী সাংঘাতিক অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে, তা ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে পারে। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ওখানে উপস্থিত ছিলাম, ফলে ব্যাপারটা উপলব্ধি করেছি।
মেডিকেল কলেজের বারান্দায় ছিলাম আমরা, গুলির শব্দ আমি নিজ কানে শুনেছিলাম। কিন্তু সেকালে একটা ব্যাপার ছিল, হাতঘড়ি খুব কম লোকেরই থাকত। এবং অফিস-আদালতে দেয়ালঘড়িও খুব বেশি থাকত না। ফলে সঠিক সময়টা চট করে বোঝার কোনো উপায় ছিল না। যখন গুলি হয়েছিল, দুপুর গড়িয়ে, কেউ বলেন যে তিনটা কুড়ি মিনিট, কেউ বলেন চারটা। দৈনিক আজাদ-এ একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে যে রিপোর্ট বের হয়েছিল, আজাদ ছিল তখনকার অগ্রণী পত্রিকা, সেখানে লেখা হয়েছিল বেলা চার ঘটিকায়। আমার বন্ধু ভাষাসৈনিক এম আর আখতার মুকুল, উনি আমাকে বলেছিলেন। নাটকীয় ভঙ্গিতে তাঁর হাতঘড়িটা দেখিয়ে বলেছিলেন, আমার হাতে ঘড়ি ছিল, আমি মিলিয়ে দেখেছি, সেই সময়টা ছিল তিনটা দশ মিনিট।
যা-ই হোক, হঠাৎ গুলির আওয়াজ পেলাম। বুঝতেই পারলাম, গুলি যখন চলল, একটা অঘটনও ঘটে গেছে। তখন আমরা আরও উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছি—কী হয়, কী হচ্ছে! তারপর দেখা গেল যে বেশ কয়েকজন ছাত্র-জনতা একটা রক্তমাখা দেহ ধরাধরি করে নিয়ে আসছে হাসপাতালে, ইমার্জেন্সির দিকে। আমি এগিয়ে গেলাম। যেতেই ভেতর থেকে একজন চিৎকার করে নাটকীয়ভাবে বলে উঠল—ওরা গুলি করেছে। ওরা মেরে ফেলেছে।
তখনো রক্তপাত হচ্ছে। যারা নিয়ে এসেছিল দেহটি, একদম রক্তাক্ত অবস্থায়; কিন্তু তখনো জীবিত। সে ছিল আবুল বরকত। তারপর তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাত আটটার পরে, সালাম আহত হয়েছিল।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হয়েছিল শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদ। তার বাড়ি ছিল মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর। গ্রামের নাম পারিল বড়ধার। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মেরে ফেলার জন্য গুলি চালিয়েছিল, আগেই ঠিক করেছিল এটা, অবস্থাদৃষ্টে আমার তাই মনে হয়েছে। আর একটা ব্যাপার হলো, আমরা জানতে পেরেছিলাম যে সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে যেসব রোগী ভর্তি ছিল, তাদের বেশ কয়েকজনকে ট্রিটমেন্ট শেষ হওয়ার আগে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। তাতে বোঝা যায়, ওরা আন্দাজ করতে পেরেছিল, ছাত্রদের গুলি লাগলে ওখানে ভর্তি হবে। এ কারণে সিটগুলো খালি করে দিয়েছিল। গুলিবর্ষণ হবে, সিট দরকার হবে—এই পরিকল্পনা তাদের মনে ছিল। ওই ঘটনা তা-ই প্রমাণ করে।
মেডিকেল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবন—তার মাঝে একটা দেয়াল ছিল। সেই দেয়ালটা আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছিল, যাতে এদিক থেকে ওদিকে, আমতলার ওখান থেকে মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণ, যেখানে অসংখ্য মানুষের জমায়েত, যাতায়াতের সুবিধার হয়।
শহীদ বরকতের ছবি তোলার ব্যাপারটা ছিল নাটকীয়। গুলিবর্ষণের এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর ছবিটা তুলেছিলাম।
আমি মেডিকেল কলেজের বারান্দা থেকে নিচে নেমে এসেছি। সেখানে অনেক লোক জমায়েত ছিল—বরকতের দেহটা নিয়ে এসেছে। নিচে নামতেই দেখা হলো পূর্ব বাংলার প্রচার দপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী মুহম্মদ ইদরিসের সঙ্গে। তিনি খুব আদর্শবাদী সাংবাদিক ছিলেন। উনি আমার পূর্বপরিচিত ছিলেন। মেডিকেল কলেজে তখন একজন ছাত্রী ছিল হালিমা নামে। ফোর্থ ইয়ারে পড়ত। সেই সময় ফোর্থ ইয়ারে যারা পড়ত, ওয়ার্ডের রোগীদের সেবাশুশ্রূষা এবং প্রাথমিক কাজগুলো তারাই করত।
হালিমা কাজী ইদরিসকে ডেকে নিয়ে বলল, যে ছেলেটার কপালে গুলি লেগে মাথার ঘিলু বের হয়ে গেছে, তার লাশটা মেডিকেল কলেজের পেছন দিকে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডের পাশেই রাখা আছে। সেখানে যাওয়া বা লাশ দর্শন করা সহজসাধ্য ছিল না। কারণ, পুলিশ চারদিকে ঘিরে রেখেছে। পুলিশের ভয় ছিল। সেটা প্রটেক্টেড। এর মধ্য থেকেই পুলিশ আবার চেষ্টা চালাচ্ছে, কীভাবে লাশ গুম করে ফেলা যায়। অনেক লাশই তারা গায়েব করে দিয়েছিল। কারণ, আজিমপুর গোরস্থানে কবর আছে মাত্র দুজনের। তখন হালিমা বলল, গুলিবিদ্ধ ছেলেটির লাশ সে দেখাতে পারে কাজী ইদরিসকে। ইদরিস বলল, ‘হ্যাঁ, আমি দেখতে চাই।’ হালিমা তখন সেই ঘরে ইদরিসকে নিয়ে যায়। কাজী ইদরিস পরে বলেছিলেন, ‘লাশটা দেখে আমি খুব উত্তেজিত হয়ে গেলাম। আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। হালিমাকে বললাম কোনোভাবে লাশটার ছবি তোলা যায় কি না।’ হালিমা বলল, ‘হ্যাঁ, আমি সেই ব্যবস্থা করতে পারব, যদি সে রকম কোনো ফটোগ্রাফার এক মিনিটের মধ্যে কাজটি করে ফেলতে পারে।’
তখন দেশে ফটোগ্রাফার বেশি ছিল না। ভাষা আন্দোলনের ছবি তুলেছিলাম আমরা মাত্র তিনজন। এর মধ্যে একজন তো খুবই বিখ্যাত। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। উনি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমি আমানুল হক। তৃতীয় ব্যক্তি হলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সাহেবের পুত্র মুহম্মদ তকীউল্লাহ। উনি অবশ্য খুব কম ছবি তুলেছিলেন। এই তিনজনের কথাই ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়েছে। তখন সমস্ত ঢাকায় যত পত্রিকা ছিল, সব পত্রিকায় ফটোগ্রাফার ছিল না। এবং অল্প পত্রিকার ফটোগ্রাফার ছিল।
তো, ইদরিস সাহেব ভিড়ের মধ্যে এসে খুঁজছেন—আমানুল হককে কোথায় পাওয়া যায়। ঘটনাচক্রে ফরচুনেটলি আমি সেখানে ছিলাম, দেখা হয়ে গেল। আমি তখন ফুলহাতা হাওয়াই শার্ট পরেছিলাম। প্যান্টের পকেটে ক্যামেরাটি লুকানো ছিল। উনি সমস্ত ব্যাপারটা বুঝিয়ে বললেন, ‘আপনি কি ছবি তুলতে পারবেন?’ আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। হ্যাঁ, তুলতে পারব। সে আবার হালিমার কাছে গেল। বলল, আমি আমানুলের সঙ্গে যাব না। সে একাই ছবি তুলে আনবে তোমার সঙ্গে গিয়ে। তুমি তাকে জায়গাটা দেখিয়ে দেবে। আমি তখন হালিমার ইশারায় সেই ঘরে গেলাম, ক্যামেরা ঠিকঠাক করে। সেই ঘরটি ছবি তোলার মতো উপযুক্ত জায়গা ছিল না। ভালো আলো ছিল না। তখন আমার কাছে যে ক্যামেরাটি ছিল, সেটি নিলামে কেনা। বাংলাবাজারে একটা অবাঙালিদের নিলামঘর থেকে মাত্র ১০০ টাকায় কেনা। আর সেটার মধ্যে ছবি তোলার ফ্ল্যাশের কোনো বন্দোবস্তই ছিল না। ফোকাস করা যেত না। খুব অনুন্নত টাইপের ক্যামেরা। আর ওই ঘরটার মধ্যে আলোর অভাব—তবু আমি সাহস করে ছবিটা তুললাম। ছবি ডেভেলপ, প্রিন্ট করতে হলো লুকিয়ে। গোপনে। কারণ, পুলিশ জানতে পারলে সিজ করবে। অত্যন্ত গোপনে কাজগুলো করলাম। পরস্ফুিটন, প্রিন্ট নির্মাণ। কাজী ইদরিস এতই উৎসাহী ছিলেন। তিনি অফিস থেকে ফিরে আমি যে বাড়িটাতে থাকতাম, সেখানে গিয়ে ছবিটা দেখলেন। ছবি দেখে তিনি বেশ খুশি হলেন। আমরা অনেকগুলো কপি করছিলাম। আমরা একটা কপি দিলাম এস এম মোহসিন সাজুকে। আর একটা কপি দিলাম ইসলামের ইতিহাস বিভাগের মাজেদ খানকে। তৃতীয় কপিটি সরবরাহ করলাম দৈনিক আজাদ-এ। ছাপার জন্য ব্লক তৈরি হলো। কিন্তু রাত দুইটার দিকে সম্পাদক বা মালিকপক্ষের আপত্তিতে আজাদ-এ ছাপা হলো না। আজাদ-এ ছাপা হলে খুব বিস্ফোরক একটা ব্যাপার হতো। মাজেদ খানকে যে কপিটি দেওয়া হয়েছিল, সেটা ব্লক তৈরি করতে ছাত্রদের দিয়ে দেওয়া হয়। ছাত্ররা সেটা দিয়ে পোস্টার তৈরি করে। অনেকগুলো কপি করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ হামলা করে সব কপি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। ফলে পত্রিকায় ছবি ছাপা হওয়ার আর সুযোগ থাকল না। পরবর্তী সময়ে ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর জন্য ওই ছবি দিয়ে পোস্টার করে কাজে লাগানো হয়।
১৯৫২ সালে আমি তরুণ ছিলাম। ছবিটা তোলার ক্ষেত্রে সাংঘাতিক ঝুঁকি আছে জেনেও কাজটি করেছি। পুলিশের হাতে ধরা পড়লে আমার অবস্থা খুব খারাপ হবে, সেটা জানতাম। তা সত্ত্বেও বাংলা ভাষার প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা, আনুগত্য থেকে কাজটি করেছি। ভাষার প্রতি এই আনুগত্য সাধারণ মানুষেরও ছিল। ফলে ভাষার বিজয়টা সম্ভব হয়েছিল। ধাপে ধাপে আন্দোলনের মাধ্যমে এই বিজয় অর্জন হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, একধরনের আবেগ ও দায়বদ্ধতা থেকেই আমি এই কর্মসাধন করেছি। দায়বদ্ধতার কারণ না থাকলে এত ঝুঁকির মধ্যে আমরা কোনোক্রমেই যেতাম না।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 21
(116)
- সৃজনের কাছে শেখা by এম এ কাসেম
- আবারও চাঙ্গা মাইনাস টু-প্লাস টু থিওরি! by মোহাম্মদ...
- ২০০৯-এর সাত-পাঁচ (১) by মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
- অভিমতঃ ‘ফাইল আটকানো যাবে না’— প্রধানমন্ত্রীর এই নি...
- দূতাবাসে নিরাপত্তা by এবনে গোলাম সামাদ
- এখনও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা অকার্যকরঃ নির্বাচনী ই...
- মেধাশূন্য ছাত্ররাজনীতিঃ ‘এ আমার এ তোমার পাপ’
- উ ৎ সব-মনু নদে নৌকাবাইচ
- বাজার অর্থনীতির সালতামামিঃ মহাজোট সরকারের এক বছর b...
- সরল গরল-বিচারপতিদের চিকি ৎ সাভাতা-বিতর্ক by মিজানু...
- দাঙ্গা-পরবর্তী ব্রিটেন-কড়া ডান পন্থার পথে ক্যামেরন...
- গদ্যকার্টুন-কৌতুকের ছলে, কথা যাই বলে by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-মনমোহনের সফর ও আওয়ামী লীগের ভবিষ্য ৎ b...
- যুবলীগ কার্যালয়ের এ কেমন ব্যবহার!-অপহূত ব্যবসায়ী উ...
- সড়ক নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে নৌমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ-ক...
- মুখের ভাষা, মায়ের ভাষা by সৈয়দ ওলিউর রহমান
- নিরাপদে পথ চলতে আল্লাহকে স্মরণ করুন by মাওলানা শাহ...
- ইসলাম ও মানবতা by আ ফ ম খালিদ হোসেন
- হজ হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- হজ হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- সাহসী কাণ্ডারি by বাঙালি শামসুর রহমান
- ইউরোপ-দায়হীন উক্তির পরিণতি by ফারুক যোশী
- সাক্ষাৎকার-বিশ্ববিদ্যালয়কে সমাজের সব ক্ষেত্রে নেতৃ...
- পাটের দামে নিম্নগতি-সম্ভাবনায় বিপত্তি কাম্য নয়
- রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক-সেবার মান ও দক্ষতা বাড়াতেই হবে
- জরিপ বিশ্লেষণ-দেয়াল লিখন পড়ূন by দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
- বিএনপিকেও বদলে যেতে হবে
- তীর থেকে দূরে প্রত্যাশার তরী
- ভাষা ও সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
- ভাষা আন্দোলনের ষাট বছর by রফিকুল ইসলাম
- রেডিও-টিভি চ্যানেলের ভাষা বিকৃতিতে ব্যথিত হই by তা...
- উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদ একুশের চেতনার পরিপন্থী by ম...
- ভাষাকে ব্যাপকভাবে বিকৃত করছে চলচ্চিত্র by এনামুল হ...
- ভাষার সঠিক ব্যবহারে উদাসীন টিভি-বেতার by মোশাররফ র...
- মাতৃভাষার সঠিক মূল্যায়ন প্রয়োজন by হাফেজা নুসরাত জ...
- ভাষা সংরক্ষণে গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকা চাই by নওল ...
- কবিকে নম্র হতে হয় by আল মাহমুদ
- আজও কাঁদে ভাষা শহীদের আত্মা by রেজাউল আলম নোমান
- ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩-শহীদ মিনার by রফিকুল ইসলাম
- এপ্রিল ১৯৫৫-বর্ধমান ভবন by সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
- ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩-নগ্নপদ প্রভাতফেরি by আহমদ রফিক
- শুরু হোক বাংলা ভাষার সঠিক চর্চা by তনুরাজ তন্ময়
- ভাষা সৈনিক আবুল হোসেনের পরিবারে বড়ই দুর্দিন
- অপসংস্কৃতির হাত থেকে ভাষা রক্ষা এখন জরুরি by সাবিব...
- ‘সুন্দরবন মায়ের মতন’ কর্মসূচি শুরু by আশরাফুল ইসল...
- অন্য ভাষার আগ্রাসনে বাংলা জৌলুস হারাচ্ছে! by শ্রা...
- এই কি তাদের শ্রদ্ধাবোধ!
- গতি হারাচ্ছে আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা by এ...
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-প্রথম শহীদ মিনার by ডা. সাঈদ হ...
- সর্বত্র ভুল বানানের ছড়াছড়ি by ইসমাইল হোসেন
- এপ্রিল-মে ১৯৫২-ভাষা আন্দোলনের চিত্রকর্ম by মুর্তজা...
- ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-মিছিলে নারীরা by হালিমা খাতুন
- বাংলা ভাষা বিকৃতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে by ম...
- বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলা আর নয় by সজিব তৌহিদ
- বিদেশি টিভি চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে by আবদুল্লা...
- মার্চ ১৯৫৩-প্রথম সংকলন by কাইয়ুম চৌধুরী
- ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-গুলিবিদ্ধ রফিক by আমানুল হক
- ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-১৪৪ ধারা ভঙ্গ by মুহাম্মদ হাব...
- রাতের আঁধারে এত লাশ যায় কোথায়? by সাইফুল সামিন
- ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২-আমতলা by গাজীউল হক
- প্রমিত বাংলা ভাষা হুমকির মুখে by ফজলে রাব্বী খান ম...
- নিভৃতে কাঁদে আজ মায়ের ভাষা by সনেট দেব
- মাতৃভাষার অধিকার থেকে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বঞ্চিত by...
- প্রবাসীদের মধ্যে বাংলা ভাষার বিস্তার ঘটাতে হবে by ...
- ভাষা ব্যবহারে যত্নশীল হওয়া দরকার by ফাতেমা তুজ জোহরা
- হিন্দি ভাষার নীরব আগ্রাসন শুরু হয়েছে by জাহিদ আল-হ...
- আমরা ৮ই ফাল্গুন হারিয়ে ফেলেছি by আবু কালাম আজাদ
- আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসী থাবায় বাংলা ভাষা by মনিরা র...
- কার্দাশিয়ানকে এক কারাবন্দির বিয়ের প্রস্তাব
- একুশ বাঙালি চেতনার বাহক by শিশির রাজন
- নিজের হাতেই বইয়ের মলাট by নাঈমা আমিন
- আবার মধুচন্দ্রিমায় by ফেরদৌস ফয়সাল
- ঘরে বসে মেকআপ by খাদিজা ফাল্গুনী
- বাংলায় নাম by জাহীদ রেজা নূর
- একুশের প্রদীপে বাংলা ভাষা চিরপ্রজ্বলিত অগ্নিশিখা b...
- বিদায় মধ্যরাতের অশ্বারোহী-তাঁর স্মৃতি অক্ষয় হোক
- চেতনায় ভাস্বর অমর একুশ-রোধ করতে হবে ভাষার বিকৃতি
- একুশের চাওয়া একুশের পাওয়া-প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাক...
- শহীদ মিনার-বিশ্বে অদ্বিতীয়অসাম্প্রদায়িক প্রতীক by ...
- উত্তর জনপদে শীতের তাণ্ডবঃ সাহায্যের হাত বাড়ান
- সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশ উপেক্ষিতঃ জবাবদিহিত...
- অমর একুশে-ভাঙাগড়ার শহীদ মিনার by আনিসুজ্জামান
- অমর একুশে-মাতৃভাষার সর্বজনীনতা by মোহীত উল আলম
- এত আয়োজন, তবু ফল নেই কেন?-রুনি-সাগর হত্যার তদন্ত
- ভাষার গৌরব প্রতিষ্ঠিত হোক সমাজে ও জীবনে-ভাষা আন্দো...
- ভাষা আন্দোলন : রেনেসাঁর পথে মুসলমান বাঙালি by শহি...
- একুশ : ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের পক্ষে by সেলিনা হোসেন
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-প্রতিরোধে অগ্নিগর্ভ সেই ...
- চরাচর-বর্ণমালার সুরক্ষা by বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
- বাংলা ভাষায় প্রয়োগবিজ্ঞানের প্রাণপ্রবাহ by মুহম্মদ...
- যে প্রেরণা চিরঞ্জীব by এমাজউদ্দীন আহমদ
- ফয়েজ আহ্মদের লেখা থেকে
- সংস্কৃতি ও রাজনীতির যুগলবন্দি by মুজাহিদুল ইসলাম স...
- অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফয়েজ ভাই by কামাল লোহানী
- একজন অতন্দ্র সাহসী মানুষ by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
- বাংলা আমার অহংকার by আমজাদ হোসেন
- অনন্য এক প্রতিভা by এম শামসুর রহমান
- একুশ-পরিবার থেকে রাষ্ট্র- যোগাযোগের ভাষা বাংলা by ...
- ঐতিহ্য-বাংলা সভ্যতার কয়েকটি দিক by অমর্ত্য সেন
- বেহাল সড়ক-বর্ষার আগেই সংস্কার
- অমর একুশে-নতুন তাৎপর্যে উদ্ভাসিত হোক
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-সংস্কৃতি রক্ষা ও বিকাশের...
- আজ ঢাকা ও চট্টগ্রামে বর্ণিল বর্ণমেলা
- ডিএমপি কমিশনার বললেন-পুলিশের ওপর আস্থা রাখুন
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-‘সাঈদী চিনিয়ে দিলে পাকি...
- বইয়ের মেলা প্রাণের মেলা-আজ নামবে জনতার ঢল by মাসুম...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা-আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠ...
- চারদলীয় জোট আমলের ‘সেই’ নিয়োগ অবৈধ
- বইয়ের মেলা প্রাণের মেলা-আজ নামবে জনতার ঢল by মাসুম...
- চারদলীয় জোট আমলের ‘সেই’ নিয়োগ অবৈধ
- ভাষা-মায়ের ভাষার মৃত্যু হবে না কোনো দিন by মুহাম্ম...
- বাংলা ও বাঙালি-বাংলা সভ্যতার কয়েকটি দিক by অমর্ত্য...
- ১১ মার্চ ঢাকায় মানববন্ধন-১২ মার্চের আগেই মাঠে নামছ...
- তরুণেরাই এখন ভরসা by জাহীদ রেজা নূর
- মেট্রোরেল প্রকল্প-কাজ শুরুর আগেই ব্যয় বেড়েছে ৭০ কো...
-
▼
Feb 21
(116)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment