Monday, June 11, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
জনগণের সেবক হতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, মন্ত্রী-সাংসদ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সাধারণ জীবন যাপন করতে হবে, সাধারণ মানুষের কল্যাণের স্বার্থে বিলাসিতা ত্যাগ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বারবার মনে পড়ছে বঙ্গবন্ধুর কথা।
তিনি অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েও বাস করেছেন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে, যেটি অতি সাধারণ একটি বাড়ি, প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে যেটি মানায় না বললেই চলে। সাধারণ মানুষের জন্য তাঁর ভালোবাসা ছিল আন্তরিক। কারণ তিনি উঠে এসেছিলেন একদম সাধারণ কৃষক পরিবার থেকে। তিনি সরকারি কর্মকর্তা, ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের শান-শওকত, বিলাসিতা পছন্দ করতেন না। তাঁর একটি ভাষণের কথা মনে পড়ছে—এই রকম: ‘সরকারি কর্মচারী ভাইদের বলি, বারো বৎসর পর্যন্ত আইয়ুব খানের আমলে থাইকা আপনাদের অনেকেরই মাথা অনেকটা খারাপ হয়্যা গেছে। আপনারা সম্পূর্ণ পাওয়ারের অধিকারী ছিলেন। আপনারা জনগণের সঙ্গে আসলে অ্যাডজাস্ট করতে পারেন না। আপনাদের...আমি বড়লোক কর্মচারীদের কথা বলছি; গরিবদের কথা বলছি না-গরিবরা আমার দলে সব। তাদের বলব, মগজটা একটু ঠিক কইরে ফেলান। আগের দিনের কথা ভুলে যান। জনগণের...খাদেম হতে হবে, জনকর্তা হলে চলবে না। মানুষের সঙ্গে মিশতে হবে। ওদের ট্যাক্সে, ওদের পয়সায় আপনাদের সংসার চলে...।’
সেই প্রসঙ্গ টেনে বলছি, আমরা গরিব জনসাধারণ ভোট দিয়ে সাংসদদের নির্বাচিত করি জনগণের সেবা করার জন্য, তাঁরা নিজেরা বিলাসী জীবন যাপন করবেন এ জন্য নয়। আমাদের সাংসদদের কেন সাড়ে চার হাজার সিসির গাড়ি দরকার? এত দামি গাড়ি শুল্কমুক্ত আমদানি করার সুযোগ তাঁরা নিজেরাই নেবেন কেন? এটা কি জনসেবার লক্ষণ? অতীতে আমরা দেখেছি, দুই-তিন কোটি টাকা দামের গাড়ি শুল্কমুক্ত আমদানি করে বিক্রি করে দিয়েছেন কোনো কোনো সাংসদ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেসব ধরাও পড়েছিল। তখন তাঁদের মুখ দেখানো উপায় ছিল না। এত তাড়াতাড়ি তাঁরা সেসব ভুলে যাচ্ছেন কী করে?
এমনিতে বিভিন্ন দলের সাংসদদের মধ্যে বনিবনা নেই; বিরোধীদলীয় সাংসদেরা তো সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে পছন্দ করেন না। কিন্তু যখনই সাংসদদের বেতন-ভাতাসহ নানা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন সব সাংসদ একজোট হয়ে সংসদে হাজির হন, একযোগে তালি বাজিয়ে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে নেন। দেখে মনে হয় যেন তাঁরা সবাই একই দলের সাংসদ। সংসদে যেন বিরোধী দল বলে কিছু নেই, কেবলই সরকারি দল। আশ্চর্য হয়ে ভাবি, আমাদের এই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কি নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করেন না? তাঁদের বিবেক কি একটুও নাড়া খায় না? যে দেশের সিংহভাগ জনসাধারণের দারিদ্র্য ও দুঃখ-দুর্দশা প্রকট, সেই দেশের গরিব জনগণের করের টাকায় তাঁরা বিলাসী জীবন যাপন করবেন—এটা কেমন করে হয়? এই জিজ্ঞাসা কি তাঁদের মনে একবারও জাগে না?
আবার দেখছি, সাংসদদের নাকি আয়কর দিতে হবে না। এটা কেমন কথা? কেন তাঁরা আয়কর দেওয়া থেকে মুক্ত থাকবেন? দেশের মানুষের আয়কর দেওয়া বাধ্যতামূলক, কেউ আয়কর না দিলে সরকার তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে ধরে নিয়ে যেতে পারবে, তাহলে সাংসদেরা কেন আয়কর দেওয়ার ঊর্ধ্বে থেকে যাবেন? নিজেদের সুবিধামতো আইন-কানুন পাস করে নিলেই কি তাঁর ন্যায্যতা থাকে? তাই আমরা জনসাধারণ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, সাংসদদের এমন বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, যা এই গরিব দেশের গরিব জনগণের কাছে নির্দয়, কষ্টদায়ক এবং চরম বৈষম্যমূলক বলে মনে হয়। বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করুন, আপনাদের জনগণের সেবক হতে হবে, গরিব জনগণের করের টাকায় নিজেদের বিলাসী জীবন যাপনের চর্চা পরিহার করতে হবে।
সৈয়দ পারভেজ রহিম
ইব্রাহিমপুর, কাফরুল, ঢাকা।
domain.payel786@gmail.com
প্রযুক্তির অপব্যবহার
ই-মেইল, ইন্টারনেট, এসএমএস, চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন—এসব উন্নত প্রযুক্তি আজ পৌঁছে গেছে সারা বিশ্বের দুয়ারে। আমাদের জীবনের প্রতিটি অংশে আমরা পাচ্ছি প্রযুক্তি। বিকৃত মানসিকতাসম্পন্ন একশ্রেণীর মানুষ এসব প্রযুক্তির অপব্যবহার করছে। নারীবিরোধী অনেক কাজের পাশাপাশি তারা করছে জঘন্য কিছু কাজ। বিভিন্ন সাইটে তারা দিচ্ছে মেয়েদের মুঠোফোন নম্বর, নাম ও মেয়েটির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তারা কোথা থেকে কীভাবে এত নম্বর জোগাড় করছে? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নম্বরগুলো নেওয়া হচ্ছে ফ্লেক্সিলোড অর্থাৎ টাকা রিচার্জের দোকান থেকে। কিছু ক্ষেত্রে পরিচিতজনের মাধ্যমেও নম্বরগুলো ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটে।
একটা সময় ছিল তখন আমরা দেখতাম টাকার ওপরে মেয়েদের নাম, পরিচয়, ঠিকানা এবং ওই মেয়ে সম্পর্কে অনেক অশ্লীল উক্তি। তারপর বাড়তে থাকল মুঠোফোনের ব্যবহার। শুধু টাকায় নয়, বাসস্টপ, ট্রেনের কামরা, বিদ্যালয়ের টয়লেটের দেয়ালে লিখে রাখা হচ্ছে মেয়েদের মুঠোফোন নম্বর ও ঠিকানা। এখন যুগ আরও আধুনিক হয়েছে। এখন মেয়েদের মোবাইল ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ইন্টারনেটে।
ভুক্তভোগী নারীরা আজ মুঠোফোন ব্যবহারে আতঙ্কবোধ করছে। এর প্রতিরোধে সমাজের সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শুধু আইনই যথেষ্ট নয়, আইনের পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা।
আসকার ইবনে সাঈদ
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
সামরিক স্বৈরাচারের বিচার হবে না?
মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি পোস্টারে তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়ার মুখাবয়বের ওপর এক হায়েনার ছবি ছিল। তাঁর পাশবিক দন্তপাটি থেকে ছিটকে পড়ছে রক্ত। ছবির ক্যাপশান ছিল ‘এসব জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’। পোস্টারটি এঁকেছিলেন আমাদের সবার প্রিয় পটুয়া কামরুল হাসান। আবার তিনিই তাঁর জীবনাবসানের কয়েক মিনিট আগে আরেকটি যুগান্তকারী ছবি এঁকেছিলেন, যাতে ছিল তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদের মুখাবয়ব। সেই ছবির ক্যাপশন ছিল, ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’।
ইয়াহিয়া খানের মতো জানোয়ারদের আমরা বাংলার মাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছি, প্রতিষ্ঠা করেছি স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের এক স্বৈরশাসক, কামরুল হাসানের সেই বিশ্ববেহায়াকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করলেও তার কবল থেকে দেশ আজও পুরোপুরি মুক্তি পায়নি। শিল্পী কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে হয়তো আজ আবার এক নতুন ছবি এঁকে তার ক্যাপশন লিখতেন: ‘বিশ্ববেহায়াদের কবলে আজকের বাংলাদেশের রাজনীতি’।
আজ আমরা দেখছি, সেই বিশ্ববেহায়া স্বৈরাচারী এরশাদ ও তাঁর চতুর রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আদালতের রায়ে তাঁর স্বৈরশাসন পুরোটাই বাতিল ঘোষিত হওয়ার পরও তাঁকে শাস্তি থেকে রেহাই দেওয়ার ফন্দি-ফিকির খোঁজা হচ্ছে। আর সেই বিশ্ববেহায়া নিজেই বলছেন, তিনি নাকি বাংলার ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্বৈরশাসক এরশাদের ক্ষমতা দখল হতে শুরু করে তাঁর জারি করা যাবতীয় ফরমান, যা সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে জায়েজ করা হয়েছিল, সব বাতিল ঘোষণা করেছেন। সপ্তম সংশোধনী বাতিলের রায় দিতে গিয়ে আদালত এরশাদের ক্ষমতা দখলের কঠোর সমালোচনা করে তা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং ঘোরতর অপরাধ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর বিচার করা যাবে কি যাবে না, তা নিয়ে বিজ্ঞ মহলে পাল্টাপাল্টি মতামত লক্ষ করছি। কিন্তু দেশে প্রচলিত ফৌজদারি আইন অনুযায়ী তাঁর কিছু কিছু অপরাধের বিচার কেন করা যাবে না, তা বোধগম্য নয়। ছাত্র-শ্রমিকসহ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের সময় যাঁদের হত্যা করা হয়েছে, সেসব হত্যাকাণ্ডের দায় থেকে কি এরশাদ মুক্তি পেতে পারেন? তিনিই তো সেসব হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ছিলেন।
আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা বলে, তাতে মনে হয়, বিদ্যমান ফৌজদারি আইনে কিংবা সশস্ত্র বাহিনী আইনে (শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে) এরশাদের বিচার করা সম্ভব। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সামরিক আইন ঠেকাতে আজ যাঁরা নতুন আইন প্রণয়ন করতে চাইছেন, তাঁদের কি জানা নেই, যাঁরা সামরিক শাসন জারি করেন, তাঁরা কোনো আইনের ধার ধারেন না? অতীতে যতবার সামরিক শাসন এসেছে, সংবিধান লঙ্ঘন করেই তা এসেছে। ভবিষ্যতেও সামরিক আইন এলে কোনো আইনেই তা ঠেকানো যাবে না। কিন্তু যখন স্বৈরশাসকদের বিচার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে, তখন একটা সাবধানবাণী পৌঁছে যাবে যে ভবিষ্যতের স্বৈরশাসকদের বিচার হবে। বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখল করার আগে তাঁদের ১০০ বার ভেবে দেখতে হবে।
নয় বছরের শাসনামলে এরশাদ কী কী অপকর্ম করেছেন, তার ফিরিস্তি দিতে গেলে একটি বিষাদ-সিন্ধু লিখতে হবে। আমার বিশেষভাবে মনে পড়ছে ২৪ জানুয়ারি, ১৯৮৮ সালের ঘটনা। লালদীঘির মাঠে ১৫ দলীয় জনসভা। সেদিন শেখ হাসিনাসহ ১৫ দলের নেতাদের বহনকারী গাড়িতে এরশাদের নির্দেশে পুলিশ-বিডিআর যেভাবে গুলি চালিয়েছিল, তা যদি লক্ষ্যভ্রষ্ট না হতো, তাহলে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেক জাতীয় নেতা পরপারের যাত্রী হতেন। আজ আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে পেতাম না। ২৯ জন লোক সেদিন লাশ হয়েছিল। হিন্দু-মুসলিম-নির্বিশেষে সেই লাশগুলোকে চট্টগ্রামের অভয় মিত্র শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এটা তো ছিল গণহত্যা। এই গণহত্যার দায় কি কারও ওপর বর্তায় না? এ জন্যও কি এরশাদের বিচার হওয়া উচিত নয়?
মো. জানে আলম, চট্টগ্রাম।
বাঘ কেন লোকালয়ে ঢোকে
অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় বাঘ অধিক হিংস্র। এমন হিংস্র যে লোকালয়ের আশপাশে বাঘের কথা চিন্তাই করা যায় না। সেটা কেবল মানুষের দিক থেকে নয়, বাঘের দিক থেকেও। বাঘও সাধারণত লোকালয়ের দিকে আসতে চায় না, নিজের আবাসস্থল, অর্থাৎ বনে-জঙ্গলেই তারা স্বস্তি বোধ করে। তা ছাড়া মানুষ যেমন বাঘকে ভয় পায়, তেমনি বাঘও মানুষকে ভয় পায়। কারণ মানুষ বাঘ দেখলেই হত্যা করতে চায়।
সেই বাঘ কেন হঠাৎ হঠাৎ লোকালয়ে চলে আসে? সংবাদমাধ্যমে মাঝেমধ্যে জানা যায়, সুন্দরবনের উপকণ্ঠের বিভিন্ন লোকালয়ে বাঘ হানা দিয়েছে। মানুষ, গরু, ছাগল বাঘের হামলার শিকার হচ্ছে। কিন্তু বাঘ লোকালয়ে ঢোকে কেন? প্রথমত, বনে বাঘের পর্যাপ্ত খাবারের অভাব দেখা দিলে ক্ষুধার্ত বাঘ কোনো উপায়ান্তর না দেখে লোকালয়ের দিকে চলে আসে গুরু, ছাগল প্রভৃতি পশু শিকার করে প্রাণ বাঁচানোর উদ্দেশ্যে। দ্বিতীয়ত, বাঘের নিরাপদ আবাসস্থল ধ্বংস করলে বাঘের শান্তি নষ্ট হয়, তাকে বিরক্ত করা হয়। ঘন গাছপালা কেটে বন উজাড় করলে বাঘ নিজেকে বিপন্ন অবস্থার মধ্যে দেখতে পায়। সুন্দরবনের গাছপালা কাটা হচ্ছে নির্বিচারে। বাঘের বাসস্থান আজ বিপন্ন। তাদের নিরিবিলি, নিভৃতিতে বাস করার অধিকার মানুষ ধ্বংস করছে। ফলে বাঘ সুন্দরবনের আশপাশের বন ধ্বংসকারী লোকজনের ঘরে হানা দিচ্ছে মাঝেমধ্যে। তাই মানুষসহ গরু-ছাগলকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। এরই মধ্যে অনেক মানুষ বাঘের আক্রমণে মারা গেছে। অনেকের গুরু-ছাগলও আক্রান্ত হয়েছে বাঘের দ্বারা।
এসব নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। পদক্ষেপের কথা বলা হলেও তা ভালোভাবে কার্যকর করা হয় না। প্রথম কথা হচ্ছে, প্রাকৃতিক বনকে বনের মতোই থাকতে দিতে হবে। সেখানে মানুষের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সুন্দরবন পৃথিবীর এক বিরল প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য; এর ইকোসিস্টেমে যাতে কোনো ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য মানুষের পদচারণ একদম কমিয়ে ফেলতে হবে। বন উজাড় করে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে অত্যন্ত কঠোর হস্তে। বন বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে বনজ সম্পদ লোপাটের মহাযজ্ঞ বন্ধ করতে বন বিভাগের কর্মীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি।
মো. তানজিল, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
tanji_cu88@yahoo.com
উত্ত্যক্তকরণ রোধে যা করা দরকার
ইভ টিজিং আর রাস্তায় দু-চারটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, ভয়ানকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছরের আট মাসে ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে ১৪-১৫ জন কিশোরী। এ সংখ্যা ক্রমবর্ধমান।
সব কিশোরী ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়ে প্রথমেই আত্মহত্যা করছে এমন নয়। শিকার হওয়ার পর তাদের মধ্যে যে আত্মগ্লানির সৃষ্টি হচ্ছে, মা-বাবা, ভাই-বোন কারও কাছেই সে মন খুলে বলতে পারছে না। এই বয়ঃসন্ধিকালে একদিকে নিজের মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন, অন্যদিকে অশালীন উক্তি ও পরিবারের অসহযোগিতা বা অসংবেদনশীলতার চাপ। এসব যখন তার পক্ষে অসহ্য হয়ে ওঠে, তখন সে বেঁচে থাকার চেয়ে মৃত্যুকেই শ্রেয় মনে করছে। এমন অভিভাবক খুব কমই আছেন, যাঁরা সন্তানদের এসব ব্যাপারে সচেতন। যদি তাঁদের এই উপলব্ধিটি করানো যায় যে মেয়ে হারিয়ে অসহায়ের মতো আহাজারি করার চেয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করলে পরিবারের এত আদরের এই সদস্যটিকে হারানোর আশঙ্কা অনেকাংশেই কমে যায়, তাহলে ্রনিশ্চয়ই সব অভিভাবকই অন্তত এ ব্যাপারে সচেতন হবেন।
ইভ টিজিং ঠেকানোর জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষে নিয়েছে। নতুন আইন প্রবর্তন, আইন সংশোধন, শাস্তি বৃদ্ধি করা প্রভৃতি। বুদ্ধিজীবীরা বলছেন,্রকাউন্সেলিং করে তাৎক্ষণিকভাবে আত্মহত্যা কমানো প্রায়ই সম্ভব নয়, এর জন্য সময়ের প্রয়োজন। প্রশ্ন হলো, নতুন আইন প্রণয়ন হতে হতে আমরা যদি আরও কিছু তাজা প্রাণ হারিয়ে ফেলি, তাহলে এ আইন তখন কার কল্যাণে আসবে? আত্মহত্যা প্রতিহতকরণে তাৎক্ষণিকভাবে বেশকিছু পদ্ধতি অবলম্বনের প্রস্তাব করা যেতে পারে: ১. দেশের সব স্কুল-কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া—তারা যেন সপ্তাহে অন্তত এক দিন অভিভাবকদের সঙ্গে সভা করে সন্তান-অভিভাবক সম্পকর্কে বন্ধুসুলভ করার আহ্বান জানান। আর স্কুল থেকে আমন্ত্রিত হলে অভিভাবক যেন সচেতনভাবে ব্যাপারটি নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলবেন। এতে কিশোরীরা একাকীত্ব অনুভব করবে না এবং তারা মনের অনুভূতিও জানাতে পারবে। ফলে আত্মহননের প্রবণতা কমবে। ২. জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে আসা-যাওয়ার পথে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেবে। ৩. ভোটার তালিকা তৈরির সময় টিম গঠন করে যেভাবে কাজ করা হয়, তেমন টিম গঠন করে ছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো জানা এবং মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। নারীদের নিয়ে এ রকম দলগত কাজ করা হলে গ্রামাঞ্চলেও ছাত্রীরা তাদের সব অভিযোগ সহজেই তাদের জানাতে পারবে এবং ভুক্তভোগীরা এই টিমের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহযোগিতার আবেদন করতে পারবে। ৪. অপরাধীর বিচারকাজ যেন রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়, এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দেওয়া। ৫. সর্বোপরি এসব কাজ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা। পরিশেষে বলা যেতে পারে, আমরা যদি কিশোর-কিশোরীদের প্রকৃতপক্ষেই দেশের ভবিষ্যৎ মনে করি এবং তাদের এই দুঃসময়ে আমরা নিজেরা তাদের পাশে দাঁড়াই, তাহলে এই সমস্যা লাঘব করা সম্ভব।
শুভাগত সরকার মজুমদার
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, স্টামফোর্ড ইউনির্ভাসিটি, বাংলাদেশ।
এই শিশুদের জন্য আমরা কী করছি?
সকালবেলা বেশির ভাগ মানুষের মন নির্মল ও সুন্দর থাকে, হূদয়ে থাকে একটা পবিত্র ভাব। ঘর থেকে বের হয়ে যদি নির্ঝঞ্ঝাট বাহন পেয়ে উঠে পড়া যায়, হয়ে যায় বসার সিটের বন্দোবস্ত, তবে তো কথাই নেই। খুশি মনে বাইরে তাকাতেই টাটকা খবরের কাগজ, দাম মাত্র দুই টাকা। কী চমৎকার! ইদানীং এ ব্যবস্থা রয়েছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়কেই। গাড়ির জানালা, ডানে-বাঁয়ে ও ভেতরে চারদিক থেকে কানে আসছে আহ্বান: ‘পেপার নিবেন, পেপার।’ অমনি মনটা চনমনে হয়ে ওঠে, চোখ দুটি আটকে যায়, যতটা না বেশি পত্রিকা কেনার জন্য, ততধিক ওর বাহক হকার নামের ওই শিশুদের মুখমণ্ডলের ওপর। ধীরে ধীরে ওদের ললাট, চোখ, গণ্ডদেশ বেয়ে চিবুক ও পরে পোশাক, স্বাস্থ্যের ওপর। চোখ এড়ায় না ওদের অপুষ্টি-অনাহারের সুস্পষ্ট ছাপগুলো।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে বাসে চড়ে আগারগাঁও ক্রসিং সিগনালে পৌঁছেছি, ক্ষণিকের বিরতি, দৃষ্টি আটকে গেল দৈনিক খবরের কাগজবাহী দুই শিশু হকারের দিকে। বয়স ৮ ও ১০ বছরের মধ্যে। দুজনের এক হাত পরস্পরকে ধরা ও অন্য হাতে কাগজের বান্ডিল বুকের সঙ্গে ধরা। বাস সিগনালে থামতেই হাত ছুটে দুজন দুই দিকে ছুটে গেল ওগুলো বিক্রি করতে।
৩ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরে জানতে পারলাম, বাসের চাকায় পিষ্ট হয়েছে পত্রিকা-বিক্রেতা ১০ বছর বয়সের ইমন। সংসারের অভাব ঘোচাতে ঢাকায় এসেছিল টাকা আয় করতে। পত্রিকা বিক্রির সময় মগবাজার মোড়ে একটি বাস তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। বিধবা মায়ের স্নেহের কোল ছেড়ে ছোট শিশু নিজের বেঁচে থাকা ও মায়ের অভাবের মোকাবিলা করতে এসে নিষ্ঠুর বাস্তবতার দংশনে ঝরে গেল। শিশুশ্রম, শিশু নির্যাতন, শিশুর যৌন নিপীড়ন, শিশুর ক্ষুধা, শিশুর আশ্রয়হীনতা, শিশুর বন্দিত্ব, শিশুর রক্তাক্ত, ঝলসে যাওয়া লাশ, নিপীড়িত শিশুর হতবাক চেয়ে থাকা! আর যেন সহ্য করা যায় না। আমাদের রাষ্ট্র, আমাদের সমাজ কী করছে এই শিশুদের জন্য, যাদের এখন স্কুলে যাওয়ার বয়স? স্কুলের পর খেলাধুলা, হাসি-আনন্দে দিন কাটানোর বয়স?
রোজলীন্ড বাসবী হালদার, মিরপুর, ঢাকা।
জনবিস্ফোরণের পথে বাংলাদেশ
ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে যশোরে ফেরার নতুন অভিজ্ঞতা হলো। পথে ধলেশ্বরী নদী দেখে কবিগুরুর ‘বাঁশি’ কবিতার ‘সদাগরি অপিসের কনিষ্ঠ কেরানি’ সেই বিরহী প্রেমিকের পিসিদের গ্রামখানা একবার দেখার জন্য মনটা আনচান করে উঠল। পুরো কবিতাটা বিএড প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার জন্য নির্ধারিত থাকায় মুখস্থ করতে হয়েছিল। এই কবিতাটা আবৃত্তি করার সময় চোখ বুজলেই সেই বিরহী প্রেমিকের জীবন থেকে পালিয়ে যাওযার হূদয়মথিত মর্মভেদী দীর্ঘশ্বাস আজও শুনতে পাই। দেখতে পাই, ‘কপালে সিঁদুর’ দেওয়া ‘ঢাকাই শাড়ি’তে অবগুণ্ঠিতার ভাবলেশহীন এক জোড়া চোখ। দুজনের মাঝ দিয়ে বিশাল বিস্তৃত ধলেশ্বরীর বয়ে চলা।
ধাক্কা খেলাম দুই টুকরো হয়ে বয়ে চলা ক্ষীণকায়া ধলেশ্বরীকে দেখে। কবিগুরু যখন কবিতাটি লিখেছিলেন, তখন বোধকরি ধলেশ্বরীর অঙ্গে ছিল ভরা যৌবন। পিসিদের গ্রাম চোখে না পড়লেও ইটভাটার চিমনি আর আবাসন প্রকল্পের বাহারি নামের সাইনবোর্ড চোখে পড়ল বেশ কয়েকটি। স্বপ্নভঙ্গ হতেই পথের ডান দিকে চোখ ফেরালাম। শাপলা-শালুকেরা মাইলের পর মাইলজুড়ে সাদা ও রঙিন ফুলের পসরা সাজিয়ে প্রকৃতিকে অপরূপ করে তুলেছে। দেখলাম, নারী-পুরুষেরা ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় করে শাপলা তুলছেন। সেই বিলের মধ্যেও ভূমিদস্যুদের আবাসন প্রকল্পের সাইনবোর্ডের আধিক্য দেখে মনে হলো, পাঁচ বছরের মধ্যে এখানে দাঁড়িয়ে যাবে বিশাল সব অট্টালিকা। গিজগিজ করবে মানুষ। উধাও হয়ে যাবে বিস্তীর্ণ শাপলা দিঘি।
যেভাবে মানুষ বাড়ছে, সেভাবে সবকিছুর চাহিদাও বেড়ে যাচ্ছে। অন্ন চাই, বস্ত্র চাই, বাসস্থান চাই, শিক্ষা চাই, চিকিৎসা চাই। এগুলো একদমই মৌলিক চাওয়া। এর পরও আছে নানা রকমের চাওয়া। প্রতিদিন, প্রতিবছর বাড়ছে সেসব চাওয়া; চক্রবৃদ্ধি হারে। আমাদের এই ছোট অথচ অপরূপ লাবণ্যে ভরা দেশটার চেহারা ক্রমেই বিবর্ণ, মলিন, কদর্য হয়ে ওঠার এক মস্ত কারণ হচ্ছে জনসংখ্যার ব্যাপক বৃদ্ধি।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবার সময় এসেছে। আমরা দেখেছি, আশির দশকে পরিবার পরিকল্পনাপদ্ধতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিল। পরে কোন অজানা কারণে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে জানি না। তবে জরুরি ভিত্তিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, নইলে সরকার আজ যে জনগণকে সম্পদ ভাবছে, কাল তা জনবিস্ফোরণে পরিণত হয়ে জাতির জন্য মহাদুর্ভোগের কারণ হবে।
শ্রাবণী সুর, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, যশোর।
মধ্যবিত্তের আত্মযন্ত্রণা
প্রথম আলোর অর্থনীতির পাতায় ৩ সেপ্টেম্বর ‘এশিয়ার উন্নয়নযাত্রা ও বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত’ শিরোনামে হানিফ মাহমুদের একটি লেখা পড়লাম। আমরা যারা গত শতাব্দীর আশি ও নব্বইয়ের দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম, আমাদের কাছে ‘মধ্যবিত্ত শ্রেণী’ ছিল গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। মধ্যবিত্ত বলতেই ধরে নিতাম সুবিধাবাদী, লুম্পেন, দুর্নীতিবাজ, নীতিহীন, পরশ্রীকাতর ও ভদ্রলোক।
জীবনের চাকায় গড়াতে গড়াতে আজ আমি নিজেও মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে ‘পতিত’ হয়েছি। কিন্তু ‘মধ্যবিত্ত’ সম্পর্কে, ‘ভদ্রলোক’ সম্পর্কে আমার ছাত্রজীবনের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পেশাজীবনের সুবিধা ভোগ করেও ইতিবাচক হয়নি। সব অর্থে আমি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দেয়ালে বন্দী। সুবিধাবাদ আমাকে ছুঁয়েছে, পরশ্রীকাতরতা আমাকে ক্লান্ত করেছে, আর ভদ্রলোক হয়ে ওঠার ব্যাকুল আকুতি আমার! মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে পতিত হয়ে ত্যাগ করেছি আমার আত্মপরিচয়কে, বন্দী হয়েছি আপন সত্তার শৃঙ্খলে!
ভাই হানিফ মাহমুদ, মধ্যবিত্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মুক্ত করবে বটে; কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে তার আত্মার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করবে কে?
মোয়াজ্জেম হোসেন
nilumoni13@yahoo.com
সেই প্রসঙ্গ টেনে বলছি, আমরা গরিব জনসাধারণ ভোট দিয়ে সাংসদদের নির্বাচিত করি জনগণের সেবা করার জন্য, তাঁরা নিজেরা বিলাসী জীবন যাপন করবেন এ জন্য নয়। আমাদের সাংসদদের কেন সাড়ে চার হাজার সিসির গাড়ি দরকার? এত দামি গাড়ি শুল্কমুক্ত আমদানি করার সুযোগ তাঁরা নিজেরাই নেবেন কেন? এটা কি জনসেবার লক্ষণ? অতীতে আমরা দেখেছি, দুই-তিন কোটি টাকা দামের গাড়ি শুল্কমুক্ত আমদানি করে বিক্রি করে দিয়েছেন কোনো কোনো সাংসদ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেসব ধরাও পড়েছিল। তখন তাঁদের মুখ দেখানো উপায় ছিল না। এত তাড়াতাড়ি তাঁরা সেসব ভুলে যাচ্ছেন কী করে?
এমনিতে বিভিন্ন দলের সাংসদদের মধ্যে বনিবনা নেই; বিরোধীদলীয় সাংসদেরা তো সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে পছন্দ করেন না। কিন্তু যখনই সাংসদদের বেতন-ভাতাসহ নানা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন সব সাংসদ একজোট হয়ে সংসদে হাজির হন, একযোগে তালি বাজিয়ে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে নেন। দেখে মনে হয় যেন তাঁরা সবাই একই দলের সাংসদ। সংসদে যেন বিরোধী দল বলে কিছু নেই, কেবলই সরকারি দল। আশ্চর্য হয়ে ভাবি, আমাদের এই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কি নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করেন না? তাঁদের বিবেক কি একটুও নাড়া খায় না? যে দেশের সিংহভাগ জনসাধারণের দারিদ্র্য ও দুঃখ-দুর্দশা প্রকট, সেই দেশের গরিব জনগণের করের টাকায় তাঁরা বিলাসী জীবন যাপন করবেন—এটা কেমন করে হয়? এই জিজ্ঞাসা কি তাঁদের মনে একবারও জাগে না?
আবার দেখছি, সাংসদদের নাকি আয়কর দিতে হবে না। এটা কেমন কথা? কেন তাঁরা আয়কর দেওয়া থেকে মুক্ত থাকবেন? দেশের মানুষের আয়কর দেওয়া বাধ্যতামূলক, কেউ আয়কর না দিলে সরকার তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে ধরে নিয়ে যেতে পারবে, তাহলে সাংসদেরা কেন আয়কর দেওয়ার ঊর্ধ্বে থেকে যাবেন? নিজেদের সুবিধামতো আইন-কানুন পাস করে নিলেই কি তাঁর ন্যায্যতা থাকে? তাই আমরা জনসাধারণ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, সাংসদদের এমন বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, যা এই গরিব দেশের গরিব জনগণের কাছে নির্দয়, কষ্টদায়ক এবং চরম বৈষম্যমূলক বলে মনে হয়। বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করুন, আপনাদের জনগণের সেবক হতে হবে, গরিব জনগণের করের টাকায় নিজেদের বিলাসী জীবন যাপনের চর্চা পরিহার করতে হবে।
সৈয়দ পারভেজ রহিম
ইব্রাহিমপুর, কাফরুল, ঢাকা।
domain.payel786@gmail.com
প্রযুক্তির অপব্যবহার
ই-মেইল, ইন্টারনেট, এসএমএস, চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন—এসব উন্নত প্রযুক্তি আজ পৌঁছে গেছে সারা বিশ্বের দুয়ারে। আমাদের জীবনের প্রতিটি অংশে আমরা পাচ্ছি প্রযুক্তি। বিকৃত মানসিকতাসম্পন্ন একশ্রেণীর মানুষ এসব প্রযুক্তির অপব্যবহার করছে। নারীবিরোধী অনেক কাজের পাশাপাশি তারা করছে জঘন্য কিছু কাজ। বিভিন্ন সাইটে তারা দিচ্ছে মেয়েদের মুঠোফোন নম্বর, নাম ও মেয়েটির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তারা কোথা থেকে কীভাবে এত নম্বর জোগাড় করছে? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নম্বরগুলো নেওয়া হচ্ছে ফ্লেক্সিলোড অর্থাৎ টাকা রিচার্জের দোকান থেকে। কিছু ক্ষেত্রে পরিচিতজনের মাধ্যমেও নম্বরগুলো ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটে।
একটা সময় ছিল তখন আমরা দেখতাম টাকার ওপরে মেয়েদের নাম, পরিচয়, ঠিকানা এবং ওই মেয়ে সম্পর্কে অনেক অশ্লীল উক্তি। তারপর বাড়তে থাকল মুঠোফোনের ব্যবহার। শুধু টাকায় নয়, বাসস্টপ, ট্রেনের কামরা, বিদ্যালয়ের টয়লেটের দেয়ালে লিখে রাখা হচ্ছে মেয়েদের মুঠোফোন নম্বর ও ঠিকানা। এখন যুগ আরও আধুনিক হয়েছে। এখন মেয়েদের মোবাইল ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ইন্টারনেটে।
ভুক্তভোগী নারীরা আজ মুঠোফোন ব্যবহারে আতঙ্কবোধ করছে। এর প্রতিরোধে সমাজের সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শুধু আইনই যথেষ্ট নয়, আইনের পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা।
আসকার ইবনে সাঈদ
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
সামরিক স্বৈরাচারের বিচার হবে না?
মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি পোস্টারে তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়ার মুখাবয়বের ওপর এক হায়েনার ছবি ছিল। তাঁর পাশবিক দন্তপাটি থেকে ছিটকে পড়ছে রক্ত। ছবির ক্যাপশান ছিল ‘এসব জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’। পোস্টারটি এঁকেছিলেন আমাদের সবার প্রিয় পটুয়া কামরুল হাসান। আবার তিনিই তাঁর জীবনাবসানের কয়েক মিনিট আগে আরেকটি যুগান্তকারী ছবি এঁকেছিলেন, যাতে ছিল তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদের মুখাবয়ব। সেই ছবির ক্যাপশন ছিল, ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’।
ইয়াহিয়া খানের মতো জানোয়ারদের আমরা বাংলার মাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছি, প্রতিষ্ঠা করেছি স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের এক স্বৈরশাসক, কামরুল হাসানের সেই বিশ্ববেহায়াকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করলেও তার কবল থেকে দেশ আজও পুরোপুরি মুক্তি পায়নি। শিল্পী কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে হয়তো আজ আবার এক নতুন ছবি এঁকে তার ক্যাপশন লিখতেন: ‘বিশ্ববেহায়াদের কবলে আজকের বাংলাদেশের রাজনীতি’।
আজ আমরা দেখছি, সেই বিশ্ববেহায়া স্বৈরাচারী এরশাদ ও তাঁর চতুর রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আদালতের রায়ে তাঁর স্বৈরশাসন পুরোটাই বাতিল ঘোষিত হওয়ার পরও তাঁকে শাস্তি থেকে রেহাই দেওয়ার ফন্দি-ফিকির খোঁজা হচ্ছে। আর সেই বিশ্ববেহায়া নিজেই বলছেন, তিনি নাকি বাংলার ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্বৈরশাসক এরশাদের ক্ষমতা দখল হতে শুরু করে তাঁর জারি করা যাবতীয় ফরমান, যা সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে জায়েজ করা হয়েছিল, সব বাতিল ঘোষণা করেছেন। সপ্তম সংশোধনী বাতিলের রায় দিতে গিয়ে আদালত এরশাদের ক্ষমতা দখলের কঠোর সমালোচনা করে তা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং ঘোরতর অপরাধ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর বিচার করা যাবে কি যাবে না, তা নিয়ে বিজ্ঞ মহলে পাল্টাপাল্টি মতামত লক্ষ করছি। কিন্তু দেশে প্রচলিত ফৌজদারি আইন অনুযায়ী তাঁর কিছু কিছু অপরাধের বিচার কেন করা যাবে না, তা বোধগম্য নয়। ছাত্র-শ্রমিকসহ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের সময় যাঁদের হত্যা করা হয়েছে, সেসব হত্যাকাণ্ডের দায় থেকে কি এরশাদ মুক্তি পেতে পারেন? তিনিই তো সেসব হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ছিলেন।
আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা বলে, তাতে মনে হয়, বিদ্যমান ফৌজদারি আইনে কিংবা সশস্ত্র বাহিনী আইনে (শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে) এরশাদের বিচার করা সম্ভব। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সামরিক আইন ঠেকাতে আজ যাঁরা নতুন আইন প্রণয়ন করতে চাইছেন, তাঁদের কি জানা নেই, যাঁরা সামরিক শাসন জারি করেন, তাঁরা কোনো আইনের ধার ধারেন না? অতীতে যতবার সামরিক শাসন এসেছে, সংবিধান লঙ্ঘন করেই তা এসেছে। ভবিষ্যতেও সামরিক আইন এলে কোনো আইনেই তা ঠেকানো যাবে না। কিন্তু যখন স্বৈরশাসকদের বিচার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে, তখন একটা সাবধানবাণী পৌঁছে যাবে যে ভবিষ্যতের স্বৈরশাসকদের বিচার হবে। বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখল করার আগে তাঁদের ১০০ বার ভেবে দেখতে হবে।
নয় বছরের শাসনামলে এরশাদ কী কী অপকর্ম করেছেন, তার ফিরিস্তি দিতে গেলে একটি বিষাদ-সিন্ধু লিখতে হবে। আমার বিশেষভাবে মনে পড়ছে ২৪ জানুয়ারি, ১৯৮৮ সালের ঘটনা। লালদীঘির মাঠে ১৫ দলীয় জনসভা। সেদিন শেখ হাসিনাসহ ১৫ দলের নেতাদের বহনকারী গাড়িতে এরশাদের নির্দেশে পুলিশ-বিডিআর যেভাবে গুলি চালিয়েছিল, তা যদি লক্ষ্যভ্রষ্ট না হতো, তাহলে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেক জাতীয় নেতা পরপারের যাত্রী হতেন। আজ আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে পেতাম না। ২৯ জন লোক সেদিন লাশ হয়েছিল। হিন্দু-মুসলিম-নির্বিশেষে সেই লাশগুলোকে চট্টগ্রামের অভয় মিত্র শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এটা তো ছিল গণহত্যা। এই গণহত্যার দায় কি কারও ওপর বর্তায় না? এ জন্যও কি এরশাদের বিচার হওয়া উচিত নয়?
মো. জানে আলম, চট্টগ্রাম।
বাঘ কেন লোকালয়ে ঢোকে
অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় বাঘ অধিক হিংস্র। এমন হিংস্র যে লোকালয়ের আশপাশে বাঘের কথা চিন্তাই করা যায় না। সেটা কেবল মানুষের দিক থেকে নয়, বাঘের দিক থেকেও। বাঘও সাধারণত লোকালয়ের দিকে আসতে চায় না, নিজের আবাসস্থল, অর্থাৎ বনে-জঙ্গলেই তারা স্বস্তি বোধ করে। তা ছাড়া মানুষ যেমন বাঘকে ভয় পায়, তেমনি বাঘও মানুষকে ভয় পায়। কারণ মানুষ বাঘ দেখলেই হত্যা করতে চায়।
সেই বাঘ কেন হঠাৎ হঠাৎ লোকালয়ে চলে আসে? সংবাদমাধ্যমে মাঝেমধ্যে জানা যায়, সুন্দরবনের উপকণ্ঠের বিভিন্ন লোকালয়ে বাঘ হানা দিয়েছে। মানুষ, গরু, ছাগল বাঘের হামলার শিকার হচ্ছে। কিন্তু বাঘ লোকালয়ে ঢোকে কেন? প্রথমত, বনে বাঘের পর্যাপ্ত খাবারের অভাব দেখা দিলে ক্ষুধার্ত বাঘ কোনো উপায়ান্তর না দেখে লোকালয়ের দিকে চলে আসে গুরু, ছাগল প্রভৃতি পশু শিকার করে প্রাণ বাঁচানোর উদ্দেশ্যে। দ্বিতীয়ত, বাঘের নিরাপদ আবাসস্থল ধ্বংস করলে বাঘের শান্তি নষ্ট হয়, তাকে বিরক্ত করা হয়। ঘন গাছপালা কেটে বন উজাড় করলে বাঘ নিজেকে বিপন্ন অবস্থার মধ্যে দেখতে পায়। সুন্দরবনের গাছপালা কাটা হচ্ছে নির্বিচারে। বাঘের বাসস্থান আজ বিপন্ন। তাদের নিরিবিলি, নিভৃতিতে বাস করার অধিকার মানুষ ধ্বংস করছে। ফলে বাঘ সুন্দরবনের আশপাশের বন ধ্বংসকারী লোকজনের ঘরে হানা দিচ্ছে মাঝেমধ্যে। তাই মানুষসহ গরু-ছাগলকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। এরই মধ্যে অনেক মানুষ বাঘের আক্রমণে মারা গেছে। অনেকের গুরু-ছাগলও আক্রান্ত হয়েছে বাঘের দ্বারা।
এসব নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। পদক্ষেপের কথা বলা হলেও তা ভালোভাবে কার্যকর করা হয় না। প্রথম কথা হচ্ছে, প্রাকৃতিক বনকে বনের মতোই থাকতে দিতে হবে। সেখানে মানুষের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সুন্দরবন পৃথিবীর এক বিরল প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য; এর ইকোসিস্টেমে যাতে কোনো ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য মানুষের পদচারণ একদম কমিয়ে ফেলতে হবে। বন উজাড় করে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে অত্যন্ত কঠোর হস্তে। বন বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে বনজ সম্পদ লোপাটের মহাযজ্ঞ বন্ধ করতে বন বিভাগের কর্মীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি।
মো. তানজিল, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
tanji_cu88@yahoo.com
উত্ত্যক্তকরণ রোধে যা করা দরকার
ইভ টিজিং আর রাস্তায় দু-চারটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, ভয়ানকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছরের আট মাসে ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে ১৪-১৫ জন কিশোরী। এ সংখ্যা ক্রমবর্ধমান।
সব কিশোরী ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়ে প্রথমেই আত্মহত্যা করছে এমন নয়। শিকার হওয়ার পর তাদের মধ্যে যে আত্মগ্লানির সৃষ্টি হচ্ছে, মা-বাবা, ভাই-বোন কারও কাছেই সে মন খুলে বলতে পারছে না। এই বয়ঃসন্ধিকালে একদিকে নিজের মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন, অন্যদিকে অশালীন উক্তি ও পরিবারের অসহযোগিতা বা অসংবেদনশীলতার চাপ। এসব যখন তার পক্ষে অসহ্য হয়ে ওঠে, তখন সে বেঁচে থাকার চেয়ে মৃত্যুকেই শ্রেয় মনে করছে। এমন অভিভাবক খুব কমই আছেন, যাঁরা সন্তানদের এসব ব্যাপারে সচেতন। যদি তাঁদের এই উপলব্ধিটি করানো যায় যে মেয়ে হারিয়ে অসহায়ের মতো আহাজারি করার চেয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করলে পরিবারের এত আদরের এই সদস্যটিকে হারানোর আশঙ্কা অনেকাংশেই কমে যায়, তাহলে ্রনিশ্চয়ই সব অভিভাবকই অন্তত এ ব্যাপারে সচেতন হবেন।
ইভ টিজিং ঠেকানোর জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষে নিয়েছে। নতুন আইন প্রবর্তন, আইন সংশোধন, শাস্তি বৃদ্ধি করা প্রভৃতি। বুদ্ধিজীবীরা বলছেন,্রকাউন্সেলিং করে তাৎক্ষণিকভাবে আত্মহত্যা কমানো প্রায়ই সম্ভব নয়, এর জন্য সময়ের প্রয়োজন। প্রশ্ন হলো, নতুন আইন প্রণয়ন হতে হতে আমরা যদি আরও কিছু তাজা প্রাণ হারিয়ে ফেলি, তাহলে এ আইন তখন কার কল্যাণে আসবে? আত্মহত্যা প্রতিহতকরণে তাৎক্ষণিকভাবে বেশকিছু পদ্ধতি অবলম্বনের প্রস্তাব করা যেতে পারে: ১. দেশের সব স্কুল-কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া—তারা যেন সপ্তাহে অন্তত এক দিন অভিভাবকদের সঙ্গে সভা করে সন্তান-অভিভাবক সম্পকর্কে বন্ধুসুলভ করার আহ্বান জানান। আর স্কুল থেকে আমন্ত্রিত হলে অভিভাবক যেন সচেতনভাবে ব্যাপারটি নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলবেন। এতে কিশোরীরা একাকীত্ব অনুভব করবে না এবং তারা মনের অনুভূতিও জানাতে পারবে। ফলে আত্মহননের প্রবণতা কমবে। ২. জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে আসা-যাওয়ার পথে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেবে। ৩. ভোটার তালিকা তৈরির সময় টিম গঠন করে যেভাবে কাজ করা হয়, তেমন টিম গঠন করে ছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো জানা এবং মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। নারীদের নিয়ে এ রকম দলগত কাজ করা হলে গ্রামাঞ্চলেও ছাত্রীরা তাদের সব অভিযোগ সহজেই তাদের জানাতে পারবে এবং ভুক্তভোগীরা এই টিমের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহযোগিতার আবেদন করতে পারবে। ৪. অপরাধীর বিচারকাজ যেন রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়, এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দেওয়া। ৫. সর্বোপরি এসব কাজ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা। পরিশেষে বলা যেতে পারে, আমরা যদি কিশোর-কিশোরীদের প্রকৃতপক্ষেই দেশের ভবিষ্যৎ মনে করি এবং তাদের এই দুঃসময়ে আমরা নিজেরা তাদের পাশে দাঁড়াই, তাহলে এই সমস্যা লাঘব করা সম্ভব।
শুভাগত সরকার মজুমদার
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, স্টামফোর্ড ইউনির্ভাসিটি, বাংলাদেশ।
এই শিশুদের জন্য আমরা কী করছি?
সকালবেলা বেশির ভাগ মানুষের মন নির্মল ও সুন্দর থাকে, হূদয়ে থাকে একটা পবিত্র ভাব। ঘর থেকে বের হয়ে যদি নির্ঝঞ্ঝাট বাহন পেয়ে উঠে পড়া যায়, হয়ে যায় বসার সিটের বন্দোবস্ত, তবে তো কথাই নেই। খুশি মনে বাইরে তাকাতেই টাটকা খবরের কাগজ, দাম মাত্র দুই টাকা। কী চমৎকার! ইদানীং এ ব্যবস্থা রয়েছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়কেই। গাড়ির জানালা, ডানে-বাঁয়ে ও ভেতরে চারদিক থেকে কানে আসছে আহ্বান: ‘পেপার নিবেন, পেপার।’ অমনি মনটা চনমনে হয়ে ওঠে, চোখ দুটি আটকে যায়, যতটা না বেশি পত্রিকা কেনার জন্য, ততধিক ওর বাহক হকার নামের ওই শিশুদের মুখমণ্ডলের ওপর। ধীরে ধীরে ওদের ললাট, চোখ, গণ্ডদেশ বেয়ে চিবুক ও পরে পোশাক, স্বাস্থ্যের ওপর। চোখ এড়ায় না ওদের অপুষ্টি-অনাহারের সুস্পষ্ট ছাপগুলো।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে বাসে চড়ে আগারগাঁও ক্রসিং সিগনালে পৌঁছেছি, ক্ষণিকের বিরতি, দৃষ্টি আটকে গেল দৈনিক খবরের কাগজবাহী দুই শিশু হকারের দিকে। বয়স ৮ ও ১০ বছরের মধ্যে। দুজনের এক হাত পরস্পরকে ধরা ও অন্য হাতে কাগজের বান্ডিল বুকের সঙ্গে ধরা। বাস সিগনালে থামতেই হাত ছুটে দুজন দুই দিকে ছুটে গেল ওগুলো বিক্রি করতে।
৩ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরে জানতে পারলাম, বাসের চাকায় পিষ্ট হয়েছে পত্রিকা-বিক্রেতা ১০ বছর বয়সের ইমন। সংসারের অভাব ঘোচাতে ঢাকায় এসেছিল টাকা আয় করতে। পত্রিকা বিক্রির সময় মগবাজার মোড়ে একটি বাস তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। বিধবা মায়ের স্নেহের কোল ছেড়ে ছোট শিশু নিজের বেঁচে থাকা ও মায়ের অভাবের মোকাবিলা করতে এসে নিষ্ঠুর বাস্তবতার দংশনে ঝরে গেল। শিশুশ্রম, শিশু নির্যাতন, শিশুর যৌন নিপীড়ন, শিশুর ক্ষুধা, শিশুর আশ্রয়হীনতা, শিশুর বন্দিত্ব, শিশুর রক্তাক্ত, ঝলসে যাওয়া লাশ, নিপীড়িত শিশুর হতবাক চেয়ে থাকা! আর যেন সহ্য করা যায় না। আমাদের রাষ্ট্র, আমাদের সমাজ কী করছে এই শিশুদের জন্য, যাদের এখন স্কুলে যাওয়ার বয়স? স্কুলের পর খেলাধুলা, হাসি-আনন্দে দিন কাটানোর বয়স?
রোজলীন্ড বাসবী হালদার, মিরপুর, ঢাকা।
জনবিস্ফোরণের পথে বাংলাদেশ
ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে যশোরে ফেরার নতুন অভিজ্ঞতা হলো। পথে ধলেশ্বরী নদী দেখে কবিগুরুর ‘বাঁশি’ কবিতার ‘সদাগরি অপিসের কনিষ্ঠ কেরানি’ সেই বিরহী প্রেমিকের পিসিদের গ্রামখানা একবার দেখার জন্য মনটা আনচান করে উঠল। পুরো কবিতাটা বিএড প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার জন্য নির্ধারিত থাকায় মুখস্থ করতে হয়েছিল। এই কবিতাটা আবৃত্তি করার সময় চোখ বুজলেই সেই বিরহী প্রেমিকের জীবন থেকে পালিয়ে যাওযার হূদয়মথিত মর্মভেদী দীর্ঘশ্বাস আজও শুনতে পাই। দেখতে পাই, ‘কপালে সিঁদুর’ দেওয়া ‘ঢাকাই শাড়ি’তে অবগুণ্ঠিতার ভাবলেশহীন এক জোড়া চোখ। দুজনের মাঝ দিয়ে বিশাল বিস্তৃত ধলেশ্বরীর বয়ে চলা।
ধাক্কা খেলাম দুই টুকরো হয়ে বয়ে চলা ক্ষীণকায়া ধলেশ্বরীকে দেখে। কবিগুরু যখন কবিতাটি লিখেছিলেন, তখন বোধকরি ধলেশ্বরীর অঙ্গে ছিল ভরা যৌবন। পিসিদের গ্রাম চোখে না পড়লেও ইটভাটার চিমনি আর আবাসন প্রকল্পের বাহারি নামের সাইনবোর্ড চোখে পড়ল বেশ কয়েকটি। স্বপ্নভঙ্গ হতেই পথের ডান দিকে চোখ ফেরালাম। শাপলা-শালুকেরা মাইলের পর মাইলজুড়ে সাদা ও রঙিন ফুলের পসরা সাজিয়ে প্রকৃতিকে অপরূপ করে তুলেছে। দেখলাম, নারী-পুরুষেরা ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় করে শাপলা তুলছেন। সেই বিলের মধ্যেও ভূমিদস্যুদের আবাসন প্রকল্পের সাইনবোর্ডের আধিক্য দেখে মনে হলো, পাঁচ বছরের মধ্যে এখানে দাঁড়িয়ে যাবে বিশাল সব অট্টালিকা। গিজগিজ করবে মানুষ। উধাও হয়ে যাবে বিস্তীর্ণ শাপলা দিঘি।
যেভাবে মানুষ বাড়ছে, সেভাবে সবকিছুর চাহিদাও বেড়ে যাচ্ছে। অন্ন চাই, বস্ত্র চাই, বাসস্থান চাই, শিক্ষা চাই, চিকিৎসা চাই। এগুলো একদমই মৌলিক চাওয়া। এর পরও আছে নানা রকমের চাওয়া। প্রতিদিন, প্রতিবছর বাড়ছে সেসব চাওয়া; চক্রবৃদ্ধি হারে। আমাদের এই ছোট অথচ অপরূপ লাবণ্যে ভরা দেশটার চেহারা ক্রমেই বিবর্ণ, মলিন, কদর্য হয়ে ওঠার এক মস্ত কারণ হচ্ছে জনসংখ্যার ব্যাপক বৃদ্ধি।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবার সময় এসেছে। আমরা দেখেছি, আশির দশকে পরিবার পরিকল্পনাপদ্ধতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিল। পরে কোন অজানা কারণে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে জানি না। তবে জরুরি ভিত্তিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, নইলে সরকার আজ যে জনগণকে সম্পদ ভাবছে, কাল তা জনবিস্ফোরণে পরিণত হয়ে জাতির জন্য মহাদুর্ভোগের কারণ হবে।
শ্রাবণী সুর, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, যশোর।
মধ্যবিত্তের আত্মযন্ত্রণা
প্রথম আলোর অর্থনীতির পাতায় ৩ সেপ্টেম্বর ‘এশিয়ার উন্নয়নযাত্রা ও বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত’ শিরোনামে হানিফ মাহমুদের একটি লেখা পড়লাম। আমরা যারা গত শতাব্দীর আশি ও নব্বইয়ের দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম, আমাদের কাছে ‘মধ্যবিত্ত শ্রেণী’ ছিল গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। মধ্যবিত্ত বলতেই ধরে নিতাম সুবিধাবাদী, লুম্পেন, দুর্নীতিবাজ, নীতিহীন, পরশ্রীকাতর ও ভদ্রলোক।
জীবনের চাকায় গড়াতে গড়াতে আজ আমি নিজেও মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে ‘পতিত’ হয়েছি। কিন্তু ‘মধ্যবিত্ত’ সম্পর্কে, ‘ভদ্রলোক’ সম্পর্কে আমার ছাত্রজীবনের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পেশাজীবনের সুবিধা ভোগ করেও ইতিবাচক হয়নি। সব অর্থে আমি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দেয়ালে বন্দী। সুবিধাবাদ আমাকে ছুঁয়েছে, পরশ্রীকাতরতা আমাকে ক্লান্ত করেছে, আর ভদ্রলোক হয়ে ওঠার ব্যাকুল আকুতি আমার! মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে পতিত হয়ে ত্যাগ করেছি আমার আত্মপরিচয়কে, বন্দী হয়েছি আপন সত্তার শৃঙ্খলে!
ভাই হানিফ মাহমুদ, মধ্যবিত্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মুক্ত করবে বটে; কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে তার আত্মার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করবে কে?
মোয়াজ্জেম হোসেন
nilumoni13@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 11
(110)
- অর্থনীতি-পাট কেবল অতীত নয়, ভবিষ্যৎও by ফারুক ওয়াসিফ
- কালের পুরাণ-‘পতিত’ ও ‘অতীত’ শাসকের জবানবন্দি by সো...
- এ নীতি আশাব্যঞ্জক, তবে বাস্তবায়নে সদিচ্ছাই মূল কথা...
- দলীয় ও গোষ্ঠীস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না-চট্টগ্রা...
- এই দিনে-১৯৬২ সালের এই দিনটিতে... by সুরঞ্জিত বৈদ্য
- স্নাতকোত্তরে ভর্তি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদ...
- খোলা চোখে-পাকিস্তানের ‘পাক’ কোথায়! by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-ইসলামের আলোকে শিক্ষা ও গবেষণা by মুহাম্মদ আবদ...
- গোধূলির ছায়াপথে-অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া... by মুস্...
- চিরকুট-টেলিভিশন ও মনন by শাহাদুজ্জামান
- সময়চিত্র-আদালতের মর্যাদা কীভাবে রক্ষিত হবে by আসিফ...
- বিপর্যয় রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন-ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি
- জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ-বিমানবন্দরের ...
- চার দিক-লোগাংগাথা by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- দূরদেশ-পাশ্চাত্যের অভিবাসী সমস্যা by আলী রীয়াজ
- তরুণ প্রজন্ম-ইংরেজি-দক্ষতা ও আমাদের করণীয় by আবেদ ...
- কর খাত-সম্প্র্রসারণের পাশাপাশি প্রয়োজন দক্ষ কর প্র...
- মত দ্বিমত-এ ধরনের প্রকল্প জাতীয় স্বার্থের বিরোধী b...
- মত দ্বিমত-যৌথ বিদ্যুৎ প্রকল্পে আমরা লাভবানই হব by ...
- আগাম প্রস্তুতি ক্ষয়ক্ষতি ও জনগণের দুর্ভোগ কমাতে পা...
- শুধু দাতাদের অসন্তোষ কাজ দেবে না-দুদকসহ প্রাতিষ্ঠা...
- ধ্বংসের মুখে পোল্ট্রি শিল্প
- পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল: আগামী দিনের রাজনীতি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-‘রঙের দুনিয়া’ ছেড়ে গেলেও তিনি আছেন by...
- বৈষম্য-পোশাক নির্বাচনে নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতা by জ...
- সপ্তাহের হালচাল-একটি শীর্ষ বৈঠক আশা করা কি দুরাশা ...
- অভিমত ভিন্নমত
- বিলেতের স্ন্যাপশট-টনি ব্লেয়ারের ‘আ জার্নি’ by শামী...
- অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার-ভূমি অফিসের জায়...
- তদবিরবাজ সাংসদদের ব্যর্থতা স্থায়ী হোক-প্রাথমিক শিক...
- অষ্টম বর্ষে র্যাব
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষের মনের কথা সম্পর্কে আল্লা...
- যানজটে স্থবির হয়ে যায় ঢাকা by আর কে চৌধুরী
- চার দিক-মাটিমনা মানুষের শিল্প by আজাদুর রহমান
- পাকিস্তান-গণমাধ্যমের জন্য ভয়ংকরতম রাষ্ট্র by হামিদ...
- প্রতিবেশ-অ্যানথ্রাক্স, শকুন ও প্রকৃতির আহাজারি by ...
- গদ্যকার্টুন-ভূমিকম্প হলে এমপিরা বেঁচে থাকবেন... by...
- ভূমিকম্প-মানুষের কারণেই ঝুঁকি বাড়ছে by জামিলুর রেজ...
- সহজিয়া কড়চা-তাঁর শাসনামল ও তাঁর কাব্যযুগ by সৈয়দ আ...
- নাম বদলালেই তা বৈধতা পাবে না-চাঁদাবাজির প্রাতিষ্ঠা...
- অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকবে?-ভূমিকম্পের ঝুঁকি
- উৎসব-ঈদ তো সবার জন্যই by তৌহিদা শিরোপা
- প্রতিক্রিয়া-‘ব্যক্তিত্বই নারীর নিরাপত্তার সেরা বর্...
- ধর্ম-ঈদুল ফিতর অনাবিল আনন্দের উৎসব by মুহাম্মদ আবদ...
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া স...
- এসো নীপবনে-ঈদ মোবারক by আবুল হায়াত
- কালের পুরাণ-বিএনপিতে ‘ডিগবাজ’ ও আওয়ামী লীগের ‘বাকশ...
- এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আচরণবিধি থাকা উচিত-থানা-পুলিশে...
- শুভবোধের চর্চা সঞ্চারিত হোক সবার জীবনযাপনে-পবিত্র ...
- দূরের দুরবীনে-জন্মভূমি বাঁচলেই পৃথিবীর বাঙালি বাঁচ...
- নিম্নমানের ওষুধ : জীবন নিয়ে জুয়া by ড. মুনীরউদ্দিন...
- চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে দেশি প্রজাতির মাছ by বিশ্বজিৎ ...
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- পলিথিন শপিং ব্যাগ বর্জনে অগ্রগতি নেই by ধরিত্রী সর...
- চার দিক-বুড়িগঙ্গা নদীতে ইফতার... by মনিরুল আলম
- প্রতিক্রিয়া-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লজ্জাজনক তার...
- রাজনীতি-নবরূপে বিশ্ববেহায়া by এ জেড এম আবদুল আলী
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানের শিক্ষা ও প্রশিক...
- প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সব প্রাণ গুরুত্বপূর্ণ-শকু...
- নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিন-আমলাতন্ত...
- সেন্ডাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এবং বাংলাদেশের আগাম প...
- যুগের বানী-কেন যুদ্ধ? by মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী
- স্পেন-ইতালির ড্র
- ১৪ জুনের আগে মুক্তি পাচ্ছেন না শীর্ষ নেতারা
- জাতীয় সংসদে স্পিকারের দুঃখ প্রকাশ-আবদুল্লাহ আবু সা...
- দুই রাতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ!
- রস+আলো Fall উৎসব by আদনান মুকিত
- ‘উন্মাদ’ ও ‘ট্রাভেল অ্যান্ড ফ্যাশন’ আয়োজিত কার্টুন...
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-কুকুরের লেজ সোজা হয় না কেন? by আব্দুল কাইয়ুম
- আবার এল যে বাজেট-সেই সঙ্গে এল বিতর্ক
- চারদিক-আমার মা by অধ্যাপক মধুশ্রী ভদ্র
- যুক্তি তর্ক গল্প-রাজনীতির লক্ষ্য কি ক্ষমতা, না জনস...
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে-ভালো সিদ্ধান্তের জন্যব...
- চিকির্যাসাসেবা-কেমন হবে ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক by এ...
- জেলেদের জাল ও নৌকা রক্ষার দায়িত্ব কার?-ইলিশের মৌসু...
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ বাড়ান-বিপর্যস্ত বিদ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল হচ্ছে না
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গোলাম আযমের বিরুদ্ধে স...
- জহুর হকার্স মার্কেটের ৮১ দোকান-মালিকানা দাবি সিটি ...
- বাজেট ২০১২-১৩এসিআর নয়, এবার এপিআর-জনপ্রশাসনে পদোন্...
- দুদকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন-৫০০০ কোটি টাকার ...
- বিচারককে পেটাল পুলিশ
- ঢাকায় আজ বিকেলে ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশবরিশাল, বগুড়া ...
- রোহিঙ্গা সংকট-২-রোহিঙ্গারা সহজেই মিশে যাচ্ছে মূল জ...
- ইলিয়াস নিখোঁজ রহস্য-'এখনো মনে হয় তিনি ফিরবেন' by এ...
- ঈদের পর কঠোর কর্মসূচি!-বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় ...
- ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ায় চার ব্যক্তিত্ব
- পুলিশ এবার বিচারকের গায়ে হাত তুলল-নরসিংদীতে তিন পু...
- রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ে উদ্বেগ by আবুল কাশেম
- আইনশৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতি-পুলিশ প্রশাসনের আন্তরি...
- রোহিঙ্গাদের অপরাধ কর্মকাণ্ড-সরকারের নীরবতা আমাদের ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-নবী ও মুমিনরা আত্মীয়তার অজুহাতে...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-দেশ তা...
- চরাচর-রাতে ঢাকার রেস্তোরাঁ by জাহাঙ্গীর হোসেন
- জলজট by পলাশ মাহবুব
- পাচার-দীপ্তির জন্য আলো ফিরিয়ে দিতে পারি না? by শেখ...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-জাতীয় সংসদের বেহাল অবস্থা by বদরুদ...
- ত্রিপুরী বসতি ডলুছড়া by আহমদ সিরাজ
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-গরিবের স্বার্থে আরও পদক্ষে...
- 'চক্রবর্তী রাজা' by সুভাষ সাহা
- ভারতের পুবে তাকাও নীতি ও মিয়ানমার by মনমোহন সিং
- নির্মমতা-নৃশংসতা-মানবিক মূল্যবোধও জাগিয়ে তুলতে হবে...
- মাধবকুণ্ডে মৃত্যু-পর্যটন কেন্দ্র নিরাপদ হোক
- গ্রাম আদালত-নিগ্রহ নয়, ন্যায্য সালিশি
- ভিন্নমত-প্রস্তাবিত বাজেট এবং শেয়ারবাজার by আবু আহমেদ
- অগ্রগতি নির্ভর করছে বিদ্যুৎ খাতের সাফল্যের ওপর by ...
- উভয়েরই এখন গ্রহণযোগ্য বিকল্প পথ খোঁজা উচিত by গাজী...
-
▼
Jun 11
(110)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment