Monday, June 11, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
জনসংখ্যা সমস্যা বিস্ফোরণের দিকে সরকারের কার্যক্রমে ধীরগতি, কিছু মানুষের স্বার্থপরতা, জনগণের সচেতনতার অভাব প্রভৃতি নানা কারণে আমাদের এই সোনার বাংলার অগ্রযাত্রা আজ অত্যন্ত ধীর। যে দেশের মানুষের মেধা ও সক্ষমতা সন্দেহাতীত, সেই দেশের অগ্রযাত্রা কেন এত ধীরগতিতে চলবে? আমাদের দেশকে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার
মোকাবিলা করতে হচ্ছে যেমন সত্য, ঠিক তেমনি সত্য হচ্ছে এসব সমস্যার সিংহভাগ সৃষ্টি হচ্ছে জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে। এটা গবেষণা করে বের করার বিষয় নয়, সাদা চোখেই দেখা যাচ্ছে, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনসংখ্যা বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব কী প্রকটভাবে পড়ছে। আমরা যত উন্নয়ন-অগ্রগতির সমস্যা দেখি না কেন, প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি, নিত্যনতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার আমাদের খাদ্য জোগানে যতই সহযোগিতা করুক না কেন, যতই দ্রুতগতির যানবাহন আর ইন্টারনেট আমাদের নাগালের মধ্যে আসুক না কেন, জনসংখ্যার মাত্রাতিরিক্ত ক্রমবর্ধমান চাপের ফলে সবক্ষেত্রেই আমাদের পিছিয়ে থাকতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ-সমস্যা বলি, শিক্ষা-সমস্যা বলি, চিকিৎসা-বাসস্থান—যে সমস্যার দিকেই তাকাই না কেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমরা কোনো ক্ষেত্রেও এগিয়ে যেতে পারছি না, পারব না। আমাদের সামর্থ্যের তুলনায় চাহিদা বাড়ছে কয়েক গুণ বেশি হারে, কারণ আমাদের জনসংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, যাকে বলা যায় চক্রবৃদ্ধি হারে। গ্রামাঞ্চল ও মফস্বল শহরগুলোর দিকে তাকালেই দেখা যাবে, ঘরবাড়ি বাড়তে বাড়তে কৃষিজমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে, শহরগুলোর খেলার মাঠ, খাল-পুকুর সব ভরাট করে বাড়িঘর বানাতে হচ্ছে। কারণ মানুষ আর মানুষ, শুধু যেন মানুষই বাড়ছে, আর সব কিছু, যা কিছু মানুষের জীবনধারণ ও জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজন, সবকিছুই যেন কমে যাচ্ছে।
কিন্তু জাতির এই এক নম্বর সমস্যাটি নিয়ে আমাদের বিশেষ দুশ্চিন্তা আছে বলে মনে হচ্ছে না। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম এখন নেই বললেই চলে। একটা সময় কিন্তু এ কার্যক্রমের অনেক সুফল লক্ষ করেছি। স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতেন, জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী বিতরণ করতেন। এখন এসব দেখা যায় না।
উদাসীনতা বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের বোঝা উচিত জনসংখ্যা ততক্ষণ পর্যন্ত একটা দেশের সম্পদ, যতক্ষণ প্রত্যেকের মৌলিক চাহিদা পূরণ হয়। নইলে তা দেশের বোঝা হিসেবে নানা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আমরা জানি, দেশে সৃষ্ট চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, বেকারত্ব, যানজট, পানিসংকট, বিদ্যুৎ-সংকট, খাদ্যসংকট থেকে শুরু করে নানা সমস্যার প্রধান কারণ জনসংখ্যা সমস্যা। তাই সরকারের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম অতিসত্বর বেগবান করার সঙ্গে সঙ্গে জনসংখ্যা সমস্যার ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে নানা পদক্ষেপ হাতে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
জনসংখ্যা সমস্যা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও মসজিদের ইমামেরা। সমাজের নানা স্তরে তাঁদের অবস্থান আলাদা। এ বিষয়ে ইমামদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
জনসংখ্যা সমস্যা সম্পর্কে আর উদাসীন হয়ে থাকার উপায় নেই। অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখনো যদি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম জোরালো করতে না পারি, তাহলে জনসংখ্যা বিস্ফোরণে দেশটাই বিকল হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আমরা তো আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য একটা বাসযোগ্য দেশ রেখে যেতে চাই।
মো. হাবীব উল্লাহ, পূর্ব বরৈয়া, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
habib_eb2006@yahoo.com
মেধার মূল্যায়ন ও কোটা প্রথা
বিসিএস পরীক্ষায় নানা ধরনের কোটার ভিত্তিতে চাকরি পায় ৫৫ শতাংশ আর মেধার ভিত্তিতে ৪৫ শতাংশ। কোটা সংরক্ষণ মানে বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণ, যেখানে মেধার বিষয়টিকে কিছু মাত্রায় ছাড় দেওয়া হয়। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের জনপ্রশাসন দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য মেধার কোনো বিকল্প থাকতে পারে না। বহু যুগ ধরে বৈষম্য-অবহেলার কারণে অনগ্রসর কোনো জনগোষ্ঠী এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছেন এমন মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কিছুসংখ্যক কোটা সংরক্ষণ করা উচিত। কিন্তু নানা রকমের কোটা মিলিয়ে মোট কোটার হার যদি ৫৫ শতাংশ হয়, তাহলে মেধার মূল্যায়ন অবহেলিত হয়।
চাকরিতে মেধাই হওয়া উচিত প্রধান যোগ্যতা। বর্তমান মাত্রায় কোটা প্রথা মেধা মূল্যায়নের অন্তরায়। যত কম সংখ্যায় কোটা সংরক্ষণ করা যায় দেশ-জাতির জন্য ততই মঙ্গল। কোটার সংখ্যা কমানো হলে কোটাভুক্তদের মধ্যেও প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং তাদের মধ্যে যারা অধিকতর মেধাবী তারা চাকরি পাবে। সম্পূর্ণ মেধাহীনদের অন্তত সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ বন্ধ হবে। বাংলাদেশকে একুশ শতকের উপযোগী হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল মেধাবী মানুষ দরকার। জনপ্রশাসনে বা সরকারি চাকরিতে দরকার সবচেয়ে বেশি।
এম সিজার মোনায়েমুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
উত্তর-পূর্ব পূর্বাচল এলাকায় মানুষের বিপন্ন জীবন
বর্তমান পূর্বাচল মডেল (রাজউকের ভাষায় নতুন) টাউন প্রকল্প শুরু হয়েছিল ইউসুফগঞ্জ উপশহর নামে প্রায় দেড় যুগ আগে। পরবর্তী সরকারের (১৯৯৬—২০০১) আমলে উপশহর প্রকল্পটি মডেল টাউন নাম ধারণ করে। রাজউক মডেল/নিউ টাউন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ করার পর, বিশেষত ঢাকা পূর্ব বাইপাস সড়ক কার্যকর হওয়ার পর আশপাশের জমির দাম হয়ে যায় আকাশচুম্বী। দেশের বিভিন্ন এলাকার আর্থিক সংগতিসম্পন্ন মানুষ এই এলাকায় একখণ্ড জমি কেনার জন্য পাগলের মতো ছোটাছুটি করে। পরিণামে এলাকার অনেক মানুষ রাতারাতি জমির দালাল বনে যায়। এলাকার বহুলোককে এরা বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছাড়া করে জমি বুঝিয়ে দিয়েছে বিত্তশালী ক্রেতাদের। সম্প্রতি এলাকার গলান মৌজার এক বৃদ্ধ এভাবে সব জমি হারানোর পর মারা গেছেন। তাঁকে কবর দিতে হয়েছে তাঁর এক ছোট ভাইয়ের জমিতে।
মাসখানেক আগে দালাল-বাটপার চক্র নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের ‘জনপ্রতিনিধিদের’ সহযোগিতায় সেন্ট নিকোলাস উচ্চবিদ্যালয়ের একজন সম্মানিত শিক্ষকের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছিল। এলাকার অনেকের ধারণা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে দেখা করতে বলার উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে শুক্র-শনি দুই দিন হাজতে আটকে রেখে তাঁর জমিতে পাকাপোক্ত খুঁটি দিয়ে তা দখল করে নেওয়া। তিনি ওসি সাহেবের সঙ্গে দেখা না করে গাজীপুর জেলা আদালতে জমিসংক্রান্ত মামলা করে সে-যাত্রা থানার হয়রানি থেকে বেঁচেছেন। অসীম ক্ষমতাধর এই গোষ্ঠীর হাত থেকে তাঁর মতো নিরীহ শিক্ষক কদিন বেঁচে থাকতে পারবেন, তা কে জানে।
উল্লেখ্য, ঢাকা পূর্ব বাইপাস সড়কের পাশে এবং পূর্বাচল টাউন প্রকল্পের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত রাথুরা, গলান ও কেটুন মৌজার জমির দালালির কেন্দ্রে আছেন এখনো এক বিএনপির দালাল। এই নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ইলেকট্রনের মতো ঘুরপাক খায় এলাকার সব আওয়ামী দালালও। তাই কয়েক সপ্তাহ আগে এলাকার এক বিশিষ্ট আওয়ামী নেতাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘এলাকায় আওয়ামী শাসন কবে শুরু হবে?’ তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
আমরা জানি, আইনের হাত অনেক লম্বা। আর এই লম্বা হওয়ার কারণেই বোধ হয় বিচার-প্রক্রিয়াও প্রলম্বিত হয়। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় এলাকার নিরীহ জনগণকে এই দালাল-বাটপার চক্রের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন। এলাকার অবস্থা পর্যালোচনা করে আমার মনে হচ্ছে, মানুষকে বাঁচানোর একটা পথ হচ্ছে জনহিতৈষী সাংবাদিকতা। জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধিরা এলাকায় ঘুরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশ করে জনগণকে এই অনাচার থেকে রক্ষা করতে পারেন।
শুনেছি, পত্রিকার প্রতিনিধিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও থানার ওসিকে অনেক সংবাদের উৎস গণ্য করেন। জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছে আমার আহ্বান হচ্ছে, অফিস দিনের বাইরে সাপ্তাহিক ছুটির দুই দিনে ওই জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় যেসব সংবাদ সৃষ্টি করেন, সেগুলোও খুঁজে বের করে জনসমক্ষে তুলে ধরুন। এতে স্থানীয় ও জাতীয় সরকার জনগণের সমস্যা অনুধাবন করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
আবদুস সাত্তার মোল্লা, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা।
asmolla61@yahoo.com
মুঠোফোনের অপব্যবহার
মুঠোফোন এখন খুবই প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্র। ধনী থেকে গরিব, ছোট থেকে বড়—সব মানুষের হাতে হাতে মুঠোফোন পৌঁছে গেছে। মুঠোফোনের অতি ব্যবহার মানুষকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, জানি না। তবে একটি শ্রেণীর মানুষকে বিকৃত রুচির করে তুলছে—এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
একশ্রেণীর মানুষ আছে (যুবক এবং উঠতি বয়সী ছেলের সংখ্যাই বেশি) যারা মেয়েদের নম্বর পেলেই তাদের জ্বালাতন করে। হয়তো এ থেকে একসময় তাদের সঙ্গে একটা সম্পর্কও তৈরি হয়ে যায়। আমার চোখের সামনেই এ ঘটনা অনেক ঘটেছে। দেখা নেই, কথা নেই—কোথা থেকে একটা নম্বর পেল—সেটা দিয়েই সম্পর্ক তৈরি হলো। তারপর হয় মেয়েটির জীবন শেষ—নয়তো ছেলেটির (বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের বেলায়ই ঘটছে)। মোবাইল প্রেমের সূত্র ধরে যে প্রেম হয়, তার পরিণতি মৃত্যুটাকেও দেখেছি খুব কাছ থেকে। এত কিছুর পরও মুঠোফোনের এ যন্ত্রণা শেষ হচ্ছে না। কারণে-অকারণে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা মুঠোফোন ব্যবহার করে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি করছে—নষ্ট করছে তাদের ভবিষ্যৎ। এভাবে চলতে থাকলে একসময় মেধাবী ছেলেমেয়ে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে। এ অবস্থার অবসান হওয়া একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ জন্য সবার আগে পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। দেশে অনেক বিজ্ঞজন রয়েছেন, তাঁরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভেবে এসব বন্ধের একটা পথ খুঁজে পেতে পারেন বলেই মনে করি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এভাবে শেষ হতে দেওয়া যায় না।
এ কথাও বলে রাখা দরকার—সবকিছুর ভালো-মন্দ দিক আছে। মুঠোফোনে ভালো কিছুও শেখা যায়। আমার এক বন্ধু মুঠোফোনে ইংরেজি শব্দ শিখছে। কোনো নতুন শব্দ শুনলেই সেটি মুঠোফোনের অভিধান অপশনে গিয়ে লিখে সেভ করে রাখছে। আমি আশা করব, যাঁরা মুঠোফোন ব্যবহার করছেন, তাঁরা এটির আর অপব্যবহার করবেন না। অন্যদেরও এ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাবেন।
সৌমিত্র শীল, রাজবাড়ী।
গুঁড়ো দুধের ব্যাপক আমদানি বন্ধ করা হোক
গত এক দশকে গবেষণায় মায়ের দুধের উপকারিতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মায়ের দুধদানে শিশু ও মা উভয়েরই উপকার হয়—এটাও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। পৃথিবীর গুঁড়ো দুধ প্রস্তুতকারী বড় কোম্পানিগুলোও স্বীকার করেছে, শিশুর জন্য মায়ের দুধই সর্বোত্তম।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিকল্প দুধ পানকারী শিশুরা ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, নিউমোনিয়া, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি রোগে ভোগে। দুই মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের যারা বিকল্প দুধ তথা বাজারের টিনের বা কৌটার দুধ পান করে, মাতৃদুগ্ধ পানকারী শিশুদের তুলনায় তাদের ডায়রিয়ায় মৃত্যুর আশঙ্কা ২৫ গুণ এবং অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশনে (এআরআই) মৃত্যুর ঝুঁকি চার গুণ বেশি হয়।
তবু প্রতিবছর ১৫ শতাংশ হারে গুঁড়ো দুধের ব্যবসা বাড়ছে। গুঁড়ো দুধের বড় কোম্পানিগুলোর মালিকানা উন্নত পশ্চিমা দেশের। কিন্তু তাদের বাজারের বৃহত্তর অংশ হলো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ। বাংলাদেশের মতো একটি গরিব দেশও বছরে তিন শ কোটি মার্কিন ডলারের গুঁড়ো দুধজাতীয় দ্রব্য আমদানি করে। শিক্ষিত সচেতন উন্নত দেশগুলোর সরকার এ সম্পর্কে নানা রকম বিধিনিষেধ প্রণয়ন করেছে, যা সবাইকে মেনে চলতে হয়। ১৯৮১ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল কোড অব ব্রেস্ট মিল্ক সাবস্টিটিউট বা বিএমএস কোড গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। বিভিন্ন দেশে বিএমএস কোডকে কার্যকর করতে নিজস্ব আইন করেছে। তাই টিনজাত নিম্নমানের শিশুখাদ্য উন্নত দেশে উৎপন্ন হলেও তাদের টার্গেট আমাদের মতো দরিদ্র, অসচেতন দেশের অসহায় জনগোষ্ঠী। প্রকৃতিপ্রদত্ত অমৃতধারা, শ্রেষ্ঠ শিশুখাদ্য মায়ের দুধের পরিবর্তে আমরা চড়ামূল্যে নিম্নমানের গুঁড়ো দুধ নিজ সন্তানকে খাওয়াই। এ তো নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতোই অবস্থা।
টেলিভিশনে ইদানীং একটি গুঁড়ো দুধের বিজ্ঞাপনে বলা হয় শিশুর ব্রেন, বডি এবং বৃদ্ধিতে গুঁড়ো দুধ কার্যকর ভূমিকা রাখে। অথচ আমরা জানি, মগজ বা ব্রেনের দুটো অংশ আছে: হোয়াইট মেটার এবং গ্রে মেটার। সূক্ষ্ম মানবিক গুণাবলির উৎস এই গ্রে মেটার, এর অর্ধেকটাই হলো ডিএইচএ। ডিএইচএ পাওয়া যায় শুধু মায়ের দুধে। এ ছাড়া গুঁড়ো দুধ কোম্পানি এবং তাদের এজেন্টরা আরও অপপ্রচার চালায় যে জন্মের পর মায়ের দুধ আসতে তিন-চার দিন সময় লাগে। এটা মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা কৌশল। কারণ শিশুর জন্মের আগে থেকেই তার মায়ের বুকে অনাগত সন্তানের জন্য খাদ্য প্রস্তুত হয়ে থাকে। জন্মের সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে বুকে দিলেই সে তার তৃষ্ণা মেটানোর অমিয় সুধা পেয়ে যায়। অসাধু ব্যবসায়ী চক্রগুলোর হাত থেকে মা, শিশু, পরিবারকে রক্ষা করতে হবে।
সামসাদ মোনায়েম, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ
কল্যাণপুর, ঢাকা।
প্রয়োজন ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি
বর্তমানে অবাধ বাণিজ্যের যুগে পররাষ্ট্রনীতির ভূমিকা অনেক বেড়েছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কতটা সময়োপযোগী ভূমিকা রাখতে পারছে, তা ভাবার সময় এসেছে। স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শন ছিল—সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। এই দর্শনের আবেদন বর্তমান সময়ে এসে একটুও কমেনি। আমাদের মনে রাখতে হবে, কূটনীতিতে চিরবন্ধু ও চিরশত্রু বলে কিছু নেই। নিজের দেশের স্বার্থ রক্ষা করাই পররাষ্ট্রনীতির মূল ক্ষেত্র হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতিরও যেমন পরিবর্তন হয়, তেমনি আমাদের দেশের বন্ধুদেশও পরিবর্তিত হয়।
যেমন—বর্তমান সরকার ভারতকে যতটা গুরুত্ব দেয়, বর্তমান বিরোধী দলের ক্ষেত্রে ভারত ততটা গুরুত্ব পায় না। অর্থাৎ দেশের স্বার্থ বিবেচনা না করে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের স্বার্থ অনুযায়ী বিভিন্ন দেশকে গুরুত্ব দেয়, যা কখনোই কাম্য নয়। ভুলে গেলে চলবে না যে ভারত ভৌগোলিকভাবে তিন দিক থেকে আমাদের ঘিরে রেখেছে। সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় ভারতের গুরুত্ব সর্বাধিক। তবে মনে রাখতে হবে, ভারতকে গুরুত্ব দেওয়ার অর্থ ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করে নিতে হবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কতটা সফল হচ্ছে বা হচ্ছে না, তা লক্ষ করার বিষয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক ট্রানজিট চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের চেয়ে ভারত বেশি লাভবান হবে। এ চুক্তির মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে আমাদের যে বাণিজ্য-ঘাটতি রয়েছে, তাও কমার সম্ভাবনা কম। এ ছাড়া উল্লেখ করা যায়, বিএসএফের গুলিতে মাঝেমধ্যে বাংলাদেশিদের প্রাণ দিতে হয়, কিন্তু এর সমাধানও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করতে পারেনি। সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আমাদের সমস্যাও অমীমাংসিত। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল নিয়ে সমস্যা নিষ্পত্তিহীন, তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যাও এগোয়নি। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক কমে গেছে, যা আমাদের অর্থনীতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিচক্ষণতার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গতিশীল ও কার্যকর করার জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ নিতে হয়। বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিলে সুফল বেশি হতে পারে। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের কাজে লাগাতে হবে। সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।
এম সিজার মোনায়েমুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রাথমিকে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ
২৩ আগস্ট সরকারি হিসাব-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি দেশের সব বেসরকারি ও কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের সুপারিশ করেছে।
সারা দেশে ২০ হাজার খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংকট মেটাতে ‘পুল’ গঠন করবে। প্রতি উপজেলা বা থানায় গড়ে ৪০ জন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এই সহকারী শিক্ষকেরা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। তাঁরা স্থায়ী চাকরি দাবি করতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।
তিন হাজার টাকা বেতন হলে পড়ালেখাও তিন হাজার টাকার মানে হবে। জেনে-শুনে শিক্ষকেরা এ পেশায় এসেছেন। অথচ এসব স্কুলে শিক্ষকেরা প্রায়ই গরহাজির থাকেন।
পেটে খেলে পিঠে সয়। চাকরি ও বেতনের নিশ্চয়তা পেলে আমাদের শিক্ষকেরা দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হবেন। শিক্ষকেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে নিদারুণ অর্থকষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করলে পড়াবেন কী? তাই জাতীয়করণ করা হলেই শিক্ষার মান ও পরিবেশ নিশ্চিত হবে না।
পুলপ্রথার অপব্যবহার হওয়ারও সুযোগ আছে। অনেক বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের পক্ষে তাঁর কোনো আত্মীয় ক্লাস করে থাকেন। এটি নিয়মসিদ্ধ নয়, তবুও এই দৃষ্টান্ত রয়েছে। পুলপ্রথা চালু হলে যাঁরা প্রক্সির মাধমে মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকছেন, তাঁরা একটা মওকা পেয়ে যাবেন। কারণ পুলপ্রথার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষকের অভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানে যাতে বিঘ্ন না ঘটে। তখন এক পদে দুজনকে বেতন দিতে হবে।
যে স্কুলে শিক্ষক নেই, সেখানে পড়ালেখা হয় না—এটা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু যে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক আছেন সেখানে পড়ালেখা হয় না—এটা মেনে নেওয়া যায় না। একজন ছাত্র ফাঁকি দিলে সে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতির শিকার হয়, একজন শিক্ষক ফাঁকি দিলে পুরো স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি হয়। এ কারণেই শিক্ষকদের মানসম্মান কমে গেছে। ফাঁকিবাজ শিক্ষকদের কারণে পরিচ্ছন্ন দায়িত্বপরায়ণ শিক্ষকেরা সমালোচনার শিকার হচ্ছেন। জাতীয়করণ করা হলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। শিক্ষকদের স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
আবদুল মকিম চৌধুরী, নয়াটোলা, ঢাকা।
একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি
আশির দশকে নির্মিত জনপ্রিয় একটি চলচ্চিত্র অশিক্ষিত। খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক সত্য সাহা ছবিটি প্রযোজনা করেন। অগণিত দর্শককে মুগ্ধ করেছিল ছবিটি। ওই ছবিতে এক নান্দনিক জমিদার বাড়ির দৃশ্য ধারণ করা হয়। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারীর ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের নন্দীরহাটের পশ্চিমে দুই গম্বুজবিশিষ্ট দোতলা বাড়িটির অবস্থান। বাড়িটির কারুকাজখচিত দেয়াল, স্তম্ভ, কার্নিশ ভেঙে পড়েছে। স্তম্ভগুলো থেকে খসে পড়ছে চুন-সুরকি। বিবর্ণ হয়ে গেছে গম্বুজ ও দেয়ালের রং। মরচে ধরেছে দরজা-জানালার লোহার রডগুলোতে। অশিক্ষিত ছবিতে পুলিশের চলচ্চিত্রে অভিনয়কারী স্থানীয় অনিলবরণ রাহা এই বাড়ির স্মৃতিচারণা করে বললেন, সংগীত পরিচালক সত্য সাহার বাবা প্রসন্ন কুমার সাহা বাড়িটি নির্মাণ করেন ১৮৯০ সালে। তিনি ছিলেন এই অঞ্চলের প্রথিতযশা জমিদার।
বছরজুড়ে নানা পূজা-পার্বণে বিপুল লোকের সমাগম হতো এই বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, জমিদার প্রসন্ন কুমার সাহার সময় এই বাড়িতে জমিজমার কর দিতে আসতেন এলাকার শত শত কৃষক। বছরজুড়ে চলত দোলপূজা, ঝুলনযাত্রা ও রাজপুণ্যাহসহ নানা বর্ণিল উৎসব। এক বেলায় রান্না হতো তিন-চার শ লোকের খাবার। হালচাষের জন্য ১০-১২ জোড়া গরু। এই বাড়িতে কর্মচারী ছিল শতাধিক। ছিল সেরেস্তা ঘর, ধানের গোলা ও নাচঘর।
বর্তমানে মূল ভিটেবাড়ি ও পুকুরের পাঁচ একর জমি ছাড়া অবশিষ্ট আর কিছু নেই। এই বাড়িতে এখন বাস করছেন জমিদারি পরিবারের ১২ জন সদস্য।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় জরাজীর্ণ স্তম্ভ। দেয়াল, ছাদ, কার্নিশ দেখলে মনে হবে এখনই যেন ভেঙে পড়বে। দোতলা বাড়িটির নিচে মাঝামাঝি স্থানে লোহার বিশাল ফটক। এটিই মূল প্রবেশপথ। বাড়িতে ঢোকার পর হাতের বাঁ পাশে সিঁড়ি। এরপর বাড়ির উঠোন। দক্ষিণ পাশে ঝোপঝাড়ে ভরা সেরেস্তা ঘর। উত্তর পাশে একটি মন্দির। উঠোনের পূর্বপাশে মূলঘর। বাইরের দিকটা অবিকল থাকলেও দরজা, জানালা ও কক্ষগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মূলঘরের পেছনে একটি এবং বাড়ির সামনে একটি পুকুর। এর দক্ষিণ পাশে নাচঘর। পুকুরঘাটটি এখনো বিলুপ্তপ্রায়। কালের স্মারক হিসেবে বাড়িটি সরকারিভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিলে ভালো হয়।
মোহাম্মদ রফিক, চট্টগ্রাম।
চিকিৎসক নিয়োগ
‘মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটা সংরক্ষণ’ নীতিমালার আলোকে অ্যাডহক ভিত্তিতে তিন সহস্রাধিক চিকিৎসক (সহকারী সার্জন) নিয়োগ করা হয়, যাতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটায় ৫৮২টি অপূরণকৃত শূন্য পদ সংরক্ষণ করা হয় এবং এর প্রায় এক সপ্তাহ পর ২৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। তাতে প্রাধিকার কোটার বিপরীতে অপূরণকৃত সংরক্ষিত পদের সংখ্যা ৮১৩। এ নীতিমালার আলোকে ২৮তম বিসিএসে চিকিৎসক (সহকারী সার্জন) পদের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অপূরণকৃত পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
দেশে চিকিৎসকের অভাব, এ কথা যেমন সত্য, তেমনি যোগ্যতর চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হবে, এটাও তেমনি সত্য। অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগপদ্ধতি এবং নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক চিকিৎসকের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের নিয়োগের পরিবর্তে নীতিমালা শিথিল করে অ্যাডহক ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগ জনস্বার্থে ভালো পদক্ষেপ নয়। সব ক্ষেত্রেই মেধাবী পেশাজীবীরা যেন জনপ্রশাসনে ঢুকতে পারেন, সরকারের সে ব্যবস্থাই করা উচিত।
হাসিবুর রহমান, জয়পুরহাট।
কিন্তু জাতির এই এক নম্বর সমস্যাটি নিয়ে আমাদের বিশেষ দুশ্চিন্তা আছে বলে মনে হচ্ছে না। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম এখন নেই বললেই চলে। একটা সময় কিন্তু এ কার্যক্রমের অনেক সুফল লক্ষ করেছি। স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতেন, জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী বিতরণ করতেন। এখন এসব দেখা যায় না।
উদাসীনতা বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের বোঝা উচিত জনসংখ্যা ততক্ষণ পর্যন্ত একটা দেশের সম্পদ, যতক্ষণ প্রত্যেকের মৌলিক চাহিদা পূরণ হয়। নইলে তা দেশের বোঝা হিসেবে নানা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আমরা জানি, দেশে সৃষ্ট চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, বেকারত্ব, যানজট, পানিসংকট, বিদ্যুৎ-সংকট, খাদ্যসংকট থেকে শুরু করে নানা সমস্যার প্রধান কারণ জনসংখ্যা সমস্যা। তাই সরকারের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম অতিসত্বর বেগবান করার সঙ্গে সঙ্গে জনসংখ্যা সমস্যার ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে নানা পদক্ষেপ হাতে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
জনসংখ্যা সমস্যা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও মসজিদের ইমামেরা। সমাজের নানা স্তরে তাঁদের অবস্থান আলাদা। এ বিষয়ে ইমামদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
জনসংখ্যা সমস্যা সম্পর্কে আর উদাসীন হয়ে থাকার উপায় নেই। অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখনো যদি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম জোরালো করতে না পারি, তাহলে জনসংখ্যা বিস্ফোরণে দেশটাই বিকল হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আমরা তো আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য একটা বাসযোগ্য দেশ রেখে যেতে চাই।
মো. হাবীব উল্লাহ, পূর্ব বরৈয়া, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
habib_eb2006@yahoo.com
মেধার মূল্যায়ন ও কোটা প্রথা
বিসিএস পরীক্ষায় নানা ধরনের কোটার ভিত্তিতে চাকরি পায় ৫৫ শতাংশ আর মেধার ভিত্তিতে ৪৫ শতাংশ। কোটা সংরক্ষণ মানে বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণ, যেখানে মেধার বিষয়টিকে কিছু মাত্রায় ছাড় দেওয়া হয়। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের জনপ্রশাসন দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য মেধার কোনো বিকল্প থাকতে পারে না। বহু যুগ ধরে বৈষম্য-অবহেলার কারণে অনগ্রসর কোনো জনগোষ্ঠী এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছেন এমন মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কিছুসংখ্যক কোটা সংরক্ষণ করা উচিত। কিন্তু নানা রকমের কোটা মিলিয়ে মোট কোটার হার যদি ৫৫ শতাংশ হয়, তাহলে মেধার মূল্যায়ন অবহেলিত হয়।
চাকরিতে মেধাই হওয়া উচিত প্রধান যোগ্যতা। বর্তমান মাত্রায় কোটা প্রথা মেধা মূল্যায়নের অন্তরায়। যত কম সংখ্যায় কোটা সংরক্ষণ করা যায় দেশ-জাতির জন্য ততই মঙ্গল। কোটার সংখ্যা কমানো হলে কোটাভুক্তদের মধ্যেও প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং তাদের মধ্যে যারা অধিকতর মেধাবী তারা চাকরি পাবে। সম্পূর্ণ মেধাহীনদের অন্তত সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ বন্ধ হবে। বাংলাদেশকে একুশ শতকের উপযোগী হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল মেধাবী মানুষ দরকার। জনপ্রশাসনে বা সরকারি চাকরিতে দরকার সবচেয়ে বেশি।
এম সিজার মোনায়েমুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
উত্তর-পূর্ব পূর্বাচল এলাকায় মানুষের বিপন্ন জীবন
বর্তমান পূর্বাচল মডেল (রাজউকের ভাষায় নতুন) টাউন প্রকল্প শুরু হয়েছিল ইউসুফগঞ্জ উপশহর নামে প্রায় দেড় যুগ আগে। পরবর্তী সরকারের (১৯৯৬—২০০১) আমলে উপশহর প্রকল্পটি মডেল টাউন নাম ধারণ করে। রাজউক মডেল/নিউ টাউন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ করার পর, বিশেষত ঢাকা পূর্ব বাইপাস সড়ক কার্যকর হওয়ার পর আশপাশের জমির দাম হয়ে যায় আকাশচুম্বী। দেশের বিভিন্ন এলাকার আর্থিক সংগতিসম্পন্ন মানুষ এই এলাকায় একখণ্ড জমি কেনার জন্য পাগলের মতো ছোটাছুটি করে। পরিণামে এলাকার অনেক মানুষ রাতারাতি জমির দালাল বনে যায়। এলাকার বহুলোককে এরা বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছাড়া করে জমি বুঝিয়ে দিয়েছে বিত্তশালী ক্রেতাদের। সম্প্রতি এলাকার গলান মৌজার এক বৃদ্ধ এভাবে সব জমি হারানোর পর মারা গেছেন। তাঁকে কবর দিতে হয়েছে তাঁর এক ছোট ভাইয়ের জমিতে।
মাসখানেক আগে দালাল-বাটপার চক্র নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের ‘জনপ্রতিনিধিদের’ সহযোগিতায় সেন্ট নিকোলাস উচ্চবিদ্যালয়ের একজন সম্মানিত শিক্ষকের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছিল। এলাকার অনেকের ধারণা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে দেখা করতে বলার উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে শুক্র-শনি দুই দিন হাজতে আটকে রেখে তাঁর জমিতে পাকাপোক্ত খুঁটি দিয়ে তা দখল করে নেওয়া। তিনি ওসি সাহেবের সঙ্গে দেখা না করে গাজীপুর জেলা আদালতে জমিসংক্রান্ত মামলা করে সে-যাত্রা থানার হয়রানি থেকে বেঁচেছেন। অসীম ক্ষমতাধর এই গোষ্ঠীর হাত থেকে তাঁর মতো নিরীহ শিক্ষক কদিন বেঁচে থাকতে পারবেন, তা কে জানে।
উল্লেখ্য, ঢাকা পূর্ব বাইপাস সড়কের পাশে এবং পূর্বাচল টাউন প্রকল্পের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত রাথুরা, গলান ও কেটুন মৌজার জমির দালালির কেন্দ্রে আছেন এখনো এক বিএনপির দালাল। এই নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ইলেকট্রনের মতো ঘুরপাক খায় এলাকার সব আওয়ামী দালালও। তাই কয়েক সপ্তাহ আগে এলাকার এক বিশিষ্ট আওয়ামী নেতাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘এলাকায় আওয়ামী শাসন কবে শুরু হবে?’ তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
আমরা জানি, আইনের হাত অনেক লম্বা। আর এই লম্বা হওয়ার কারণেই বোধ হয় বিচার-প্রক্রিয়াও প্রলম্বিত হয়। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় এলাকার নিরীহ জনগণকে এই দালাল-বাটপার চক্রের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন। এলাকার অবস্থা পর্যালোচনা করে আমার মনে হচ্ছে, মানুষকে বাঁচানোর একটা পথ হচ্ছে জনহিতৈষী সাংবাদিকতা। জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধিরা এলাকায় ঘুরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশ করে জনগণকে এই অনাচার থেকে রক্ষা করতে পারেন।
শুনেছি, পত্রিকার প্রতিনিধিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও থানার ওসিকে অনেক সংবাদের উৎস গণ্য করেন। জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছে আমার আহ্বান হচ্ছে, অফিস দিনের বাইরে সাপ্তাহিক ছুটির দুই দিনে ওই জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় যেসব সংবাদ সৃষ্টি করেন, সেগুলোও খুঁজে বের করে জনসমক্ষে তুলে ধরুন। এতে স্থানীয় ও জাতীয় সরকার জনগণের সমস্যা অনুধাবন করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
আবদুস সাত্তার মোল্লা, বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা।
asmolla61@yahoo.com
মুঠোফোনের অপব্যবহার
মুঠোফোন এখন খুবই প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্র। ধনী থেকে গরিব, ছোট থেকে বড়—সব মানুষের হাতে হাতে মুঠোফোন পৌঁছে গেছে। মুঠোফোনের অতি ব্যবহার মানুষকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, জানি না। তবে একটি শ্রেণীর মানুষকে বিকৃত রুচির করে তুলছে—এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
একশ্রেণীর মানুষ আছে (যুবক এবং উঠতি বয়সী ছেলের সংখ্যাই বেশি) যারা মেয়েদের নম্বর পেলেই তাদের জ্বালাতন করে। হয়তো এ থেকে একসময় তাদের সঙ্গে একটা সম্পর্কও তৈরি হয়ে যায়। আমার চোখের সামনেই এ ঘটনা অনেক ঘটেছে। দেখা নেই, কথা নেই—কোথা থেকে একটা নম্বর পেল—সেটা দিয়েই সম্পর্ক তৈরি হলো। তারপর হয় মেয়েটির জীবন শেষ—নয়তো ছেলেটির (বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের বেলায়ই ঘটছে)। মোবাইল প্রেমের সূত্র ধরে যে প্রেম হয়, তার পরিণতি মৃত্যুটাকেও দেখেছি খুব কাছ থেকে। এত কিছুর পরও মুঠোফোনের এ যন্ত্রণা শেষ হচ্ছে না। কারণে-অকারণে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা মুঠোফোন ব্যবহার করে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি করছে—নষ্ট করছে তাদের ভবিষ্যৎ। এভাবে চলতে থাকলে একসময় মেধাবী ছেলেমেয়ে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে। এ অবস্থার অবসান হওয়া একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ জন্য সবার আগে পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। দেশে অনেক বিজ্ঞজন রয়েছেন, তাঁরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভেবে এসব বন্ধের একটা পথ খুঁজে পেতে পারেন বলেই মনে করি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এভাবে শেষ হতে দেওয়া যায় না।
এ কথাও বলে রাখা দরকার—সবকিছুর ভালো-মন্দ দিক আছে। মুঠোফোনে ভালো কিছুও শেখা যায়। আমার এক বন্ধু মুঠোফোনে ইংরেজি শব্দ শিখছে। কোনো নতুন শব্দ শুনলেই সেটি মুঠোফোনের অভিধান অপশনে গিয়ে লিখে সেভ করে রাখছে। আমি আশা করব, যাঁরা মুঠোফোন ব্যবহার করছেন, তাঁরা এটির আর অপব্যবহার করবেন না। অন্যদেরও এ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাবেন।
সৌমিত্র শীল, রাজবাড়ী।
গুঁড়ো দুধের ব্যাপক আমদানি বন্ধ করা হোক
গত এক দশকে গবেষণায় মায়ের দুধের উপকারিতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মায়ের দুধদানে শিশু ও মা উভয়েরই উপকার হয়—এটাও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। পৃথিবীর গুঁড়ো দুধ প্রস্তুতকারী বড় কোম্পানিগুলোও স্বীকার করেছে, শিশুর জন্য মায়ের দুধই সর্বোত্তম।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিকল্প দুধ পানকারী শিশুরা ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, নিউমোনিয়া, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি রোগে ভোগে। দুই মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের যারা বিকল্প দুধ তথা বাজারের টিনের বা কৌটার দুধ পান করে, মাতৃদুগ্ধ পানকারী শিশুদের তুলনায় তাদের ডায়রিয়ায় মৃত্যুর আশঙ্কা ২৫ গুণ এবং অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশনে (এআরআই) মৃত্যুর ঝুঁকি চার গুণ বেশি হয়।
তবু প্রতিবছর ১৫ শতাংশ হারে গুঁড়ো দুধের ব্যবসা বাড়ছে। গুঁড়ো দুধের বড় কোম্পানিগুলোর মালিকানা উন্নত পশ্চিমা দেশের। কিন্তু তাদের বাজারের বৃহত্তর অংশ হলো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ। বাংলাদেশের মতো একটি গরিব দেশও বছরে তিন শ কোটি মার্কিন ডলারের গুঁড়ো দুধজাতীয় দ্রব্য আমদানি করে। শিক্ষিত সচেতন উন্নত দেশগুলোর সরকার এ সম্পর্কে নানা রকম বিধিনিষেধ প্রণয়ন করেছে, যা সবাইকে মেনে চলতে হয়। ১৯৮১ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল কোড অব ব্রেস্ট মিল্ক সাবস্টিটিউট বা বিএমএস কোড গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। বিভিন্ন দেশে বিএমএস কোডকে কার্যকর করতে নিজস্ব আইন করেছে। তাই টিনজাত নিম্নমানের শিশুখাদ্য উন্নত দেশে উৎপন্ন হলেও তাদের টার্গেট আমাদের মতো দরিদ্র, অসচেতন দেশের অসহায় জনগোষ্ঠী। প্রকৃতিপ্রদত্ত অমৃতধারা, শ্রেষ্ঠ শিশুখাদ্য মায়ের দুধের পরিবর্তে আমরা চড়ামূল্যে নিম্নমানের গুঁড়ো দুধ নিজ সন্তানকে খাওয়াই। এ তো নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতোই অবস্থা।
টেলিভিশনে ইদানীং একটি গুঁড়ো দুধের বিজ্ঞাপনে বলা হয় শিশুর ব্রেন, বডি এবং বৃদ্ধিতে গুঁড়ো দুধ কার্যকর ভূমিকা রাখে। অথচ আমরা জানি, মগজ বা ব্রেনের দুটো অংশ আছে: হোয়াইট মেটার এবং গ্রে মেটার। সূক্ষ্ম মানবিক গুণাবলির উৎস এই গ্রে মেটার, এর অর্ধেকটাই হলো ডিএইচএ। ডিএইচএ পাওয়া যায় শুধু মায়ের দুধে। এ ছাড়া গুঁড়ো দুধ কোম্পানি এবং তাদের এজেন্টরা আরও অপপ্রচার চালায় যে জন্মের পর মায়ের দুধ আসতে তিন-চার দিন সময় লাগে। এটা মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা কৌশল। কারণ শিশুর জন্মের আগে থেকেই তার মায়ের বুকে অনাগত সন্তানের জন্য খাদ্য প্রস্তুত হয়ে থাকে। জন্মের সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে বুকে দিলেই সে তার তৃষ্ণা মেটানোর অমিয় সুধা পেয়ে যায়। অসাধু ব্যবসায়ী চক্রগুলোর হাত থেকে মা, শিশু, পরিবারকে রক্ষা করতে হবে।
সামসাদ মোনায়েম, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ
কল্যাণপুর, ঢাকা।
প্রয়োজন ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি
বর্তমানে অবাধ বাণিজ্যের যুগে পররাষ্ট্রনীতির ভূমিকা অনেক বেড়েছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কতটা সময়োপযোগী ভূমিকা রাখতে পারছে, তা ভাবার সময় এসেছে। স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শন ছিল—সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। এই দর্শনের আবেদন বর্তমান সময়ে এসে একটুও কমেনি। আমাদের মনে রাখতে হবে, কূটনীতিতে চিরবন্ধু ও চিরশত্রু বলে কিছু নেই। নিজের দেশের স্বার্থ রক্ষা করাই পররাষ্ট্রনীতির মূল ক্ষেত্র হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতিরও যেমন পরিবর্তন হয়, তেমনি আমাদের দেশের বন্ধুদেশও পরিবর্তিত হয়।
যেমন—বর্তমান সরকার ভারতকে যতটা গুরুত্ব দেয়, বর্তমান বিরোধী দলের ক্ষেত্রে ভারত ততটা গুরুত্ব পায় না। অর্থাৎ দেশের স্বার্থ বিবেচনা না করে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের স্বার্থ অনুযায়ী বিভিন্ন দেশকে গুরুত্ব দেয়, যা কখনোই কাম্য নয়। ভুলে গেলে চলবে না যে ভারত ভৌগোলিকভাবে তিন দিক থেকে আমাদের ঘিরে রেখেছে। সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় ভারতের গুরুত্ব সর্বাধিক। তবে মনে রাখতে হবে, ভারতকে গুরুত্ব দেওয়ার অর্থ ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করে নিতে হবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কতটা সফল হচ্ছে বা হচ্ছে না, তা লক্ষ করার বিষয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক ট্রানজিট চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের চেয়ে ভারত বেশি লাভবান হবে। এ চুক্তির মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে আমাদের যে বাণিজ্য-ঘাটতি রয়েছে, তাও কমার সম্ভাবনা কম। এ ছাড়া উল্লেখ করা যায়, বিএসএফের গুলিতে মাঝেমধ্যে বাংলাদেশিদের প্রাণ দিতে হয়, কিন্তু এর সমাধানও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করতে পারেনি। সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আমাদের সমস্যাও অমীমাংসিত। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল নিয়ে সমস্যা নিষ্পত্তিহীন, তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যাও এগোয়নি। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক কমে গেছে, যা আমাদের অর্থনীতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিচক্ষণতার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গতিশীল ও কার্যকর করার জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ নিতে হয়। বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিলে সুফল বেশি হতে পারে। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের কাজে লাগাতে হবে। সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।
এম সিজার মোনায়েমুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রাথমিকে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ
২৩ আগস্ট সরকারি হিসাব-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি দেশের সব বেসরকারি ও কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের সুপারিশ করেছে।
সারা দেশে ২০ হাজার খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংকট মেটাতে ‘পুল’ গঠন করবে। প্রতি উপজেলা বা থানায় গড়ে ৪০ জন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এই সহকারী শিক্ষকেরা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। তাঁরা স্থায়ী চাকরি দাবি করতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।
তিন হাজার টাকা বেতন হলে পড়ালেখাও তিন হাজার টাকার মানে হবে। জেনে-শুনে শিক্ষকেরা এ পেশায় এসেছেন। অথচ এসব স্কুলে শিক্ষকেরা প্রায়ই গরহাজির থাকেন।
পেটে খেলে পিঠে সয়। চাকরি ও বেতনের নিশ্চয়তা পেলে আমাদের শিক্ষকেরা দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হবেন। শিক্ষকেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে নিদারুণ অর্থকষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করলে পড়াবেন কী? তাই জাতীয়করণ করা হলেই শিক্ষার মান ও পরিবেশ নিশ্চিত হবে না।
পুলপ্রথার অপব্যবহার হওয়ারও সুযোগ আছে। অনেক বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের পক্ষে তাঁর কোনো আত্মীয় ক্লাস করে থাকেন। এটি নিয়মসিদ্ধ নয়, তবুও এই দৃষ্টান্ত রয়েছে। পুলপ্রথা চালু হলে যাঁরা প্রক্সির মাধমে মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকছেন, তাঁরা একটা মওকা পেয়ে যাবেন। কারণ পুলপ্রথার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষকের অভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানে যাতে বিঘ্ন না ঘটে। তখন এক পদে দুজনকে বেতন দিতে হবে।
যে স্কুলে শিক্ষক নেই, সেখানে পড়ালেখা হয় না—এটা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু যে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক আছেন সেখানে পড়ালেখা হয় না—এটা মেনে নেওয়া যায় না। একজন ছাত্র ফাঁকি দিলে সে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতির শিকার হয়, একজন শিক্ষক ফাঁকি দিলে পুরো স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি হয়। এ কারণেই শিক্ষকদের মানসম্মান কমে গেছে। ফাঁকিবাজ শিক্ষকদের কারণে পরিচ্ছন্ন দায়িত্বপরায়ণ শিক্ষকেরা সমালোচনার শিকার হচ্ছেন। জাতীয়করণ করা হলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। শিক্ষকদের স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
আবদুল মকিম চৌধুরী, নয়াটোলা, ঢাকা।
একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি
আশির দশকে নির্মিত জনপ্রিয় একটি চলচ্চিত্র অশিক্ষিত। খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক সত্য সাহা ছবিটি প্রযোজনা করেন। অগণিত দর্শককে মুগ্ধ করেছিল ছবিটি। ওই ছবিতে এক নান্দনিক জমিদার বাড়ির দৃশ্য ধারণ করা হয়। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারীর ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের নন্দীরহাটের পশ্চিমে দুই গম্বুজবিশিষ্ট দোতলা বাড়িটির অবস্থান। বাড়িটির কারুকাজখচিত দেয়াল, স্তম্ভ, কার্নিশ ভেঙে পড়েছে। স্তম্ভগুলো থেকে খসে পড়ছে চুন-সুরকি। বিবর্ণ হয়ে গেছে গম্বুজ ও দেয়ালের রং। মরচে ধরেছে দরজা-জানালার লোহার রডগুলোতে। অশিক্ষিত ছবিতে পুলিশের চলচ্চিত্রে অভিনয়কারী স্থানীয় অনিলবরণ রাহা এই বাড়ির স্মৃতিচারণা করে বললেন, সংগীত পরিচালক সত্য সাহার বাবা প্রসন্ন কুমার সাহা বাড়িটি নির্মাণ করেন ১৮৯০ সালে। তিনি ছিলেন এই অঞ্চলের প্রথিতযশা জমিদার।
বছরজুড়ে নানা পূজা-পার্বণে বিপুল লোকের সমাগম হতো এই বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, জমিদার প্রসন্ন কুমার সাহার সময় এই বাড়িতে জমিজমার কর দিতে আসতেন এলাকার শত শত কৃষক। বছরজুড়ে চলত দোলপূজা, ঝুলনযাত্রা ও রাজপুণ্যাহসহ নানা বর্ণিল উৎসব। এক বেলায় রান্না হতো তিন-চার শ লোকের খাবার। হালচাষের জন্য ১০-১২ জোড়া গরু। এই বাড়িতে কর্মচারী ছিল শতাধিক। ছিল সেরেস্তা ঘর, ধানের গোলা ও নাচঘর।
বর্তমানে মূল ভিটেবাড়ি ও পুকুরের পাঁচ একর জমি ছাড়া অবশিষ্ট আর কিছু নেই। এই বাড়িতে এখন বাস করছেন জমিদারি পরিবারের ১২ জন সদস্য।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় জরাজীর্ণ স্তম্ভ। দেয়াল, ছাদ, কার্নিশ দেখলে মনে হবে এখনই যেন ভেঙে পড়বে। দোতলা বাড়িটির নিচে মাঝামাঝি স্থানে লোহার বিশাল ফটক। এটিই মূল প্রবেশপথ। বাড়িতে ঢোকার পর হাতের বাঁ পাশে সিঁড়ি। এরপর বাড়ির উঠোন। দক্ষিণ পাশে ঝোপঝাড়ে ভরা সেরেস্তা ঘর। উত্তর পাশে একটি মন্দির। উঠোনের পূর্বপাশে মূলঘর। বাইরের দিকটা অবিকল থাকলেও দরজা, জানালা ও কক্ষগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মূলঘরের পেছনে একটি এবং বাড়ির সামনে একটি পুকুর। এর দক্ষিণ পাশে নাচঘর। পুকুরঘাটটি এখনো বিলুপ্তপ্রায়। কালের স্মারক হিসেবে বাড়িটি সরকারিভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিলে ভালো হয়।
মোহাম্মদ রফিক, চট্টগ্রাম।
চিকিৎসক নিয়োগ
‘মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটা সংরক্ষণ’ নীতিমালার আলোকে অ্যাডহক ভিত্তিতে তিন সহস্রাধিক চিকিৎসক (সহকারী সার্জন) নিয়োগ করা হয়, যাতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটায় ৫৮২টি অপূরণকৃত শূন্য পদ সংরক্ষণ করা হয় এবং এর প্রায় এক সপ্তাহ পর ২৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। তাতে প্রাধিকার কোটার বিপরীতে অপূরণকৃত সংরক্ষিত পদের সংখ্যা ৮১৩। এ নীতিমালার আলোকে ২৮তম বিসিএসে চিকিৎসক (সহকারী সার্জন) পদের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অপূরণকৃত পদ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
দেশে চিকিৎসকের অভাব, এ কথা যেমন সত্য, তেমনি যোগ্যতর চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হবে, এটাও তেমনি সত্য। অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগপদ্ধতি এবং নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক চিকিৎসকের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের নিয়োগের পরিবর্তে নীতিমালা শিথিল করে অ্যাডহক ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগ জনস্বার্থে ভালো পদক্ষেপ নয়। সব ক্ষেত্রেই মেধাবী পেশাজীবীরা যেন জনপ্রশাসনে ঢুকতে পারেন, সরকারের সে ব্যবস্থাই করা উচিত।
হাসিবুর রহমান, জয়পুরহাট।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 11
(110)
- অর্থনীতি-পাট কেবল অতীত নয়, ভবিষ্যৎও by ফারুক ওয়াসিফ
- কালের পুরাণ-‘পতিত’ ও ‘অতীত’ শাসকের জবানবন্দি by সো...
- এ নীতি আশাব্যঞ্জক, তবে বাস্তবায়নে সদিচ্ছাই মূল কথা...
- দলীয় ও গোষ্ঠীস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না-চট্টগ্রা...
- এই দিনে-১৯৬২ সালের এই দিনটিতে... by সুরঞ্জিত বৈদ্য
- স্নাতকোত্তরে ভর্তি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদ...
- খোলা চোখে-পাকিস্তানের ‘পাক’ কোথায়! by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-ইসলামের আলোকে শিক্ষা ও গবেষণা by মুহাম্মদ আবদ...
- গোধূলির ছায়াপথে-অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া... by মুস্...
- চিরকুট-টেলিভিশন ও মনন by শাহাদুজ্জামান
- সময়চিত্র-আদালতের মর্যাদা কীভাবে রক্ষিত হবে by আসিফ...
- বিপর্যয় রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন-ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি
- জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ-বিমানবন্দরের ...
- চার দিক-লোগাংগাথা by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- দূরদেশ-পাশ্চাত্যের অভিবাসী সমস্যা by আলী রীয়াজ
- তরুণ প্রজন্ম-ইংরেজি-দক্ষতা ও আমাদের করণীয় by আবেদ ...
- কর খাত-সম্প্র্রসারণের পাশাপাশি প্রয়োজন দক্ষ কর প্র...
- মত দ্বিমত-এ ধরনের প্রকল্প জাতীয় স্বার্থের বিরোধী b...
- মত দ্বিমত-যৌথ বিদ্যুৎ প্রকল্পে আমরা লাভবানই হব by ...
- আগাম প্রস্তুতি ক্ষয়ক্ষতি ও জনগণের দুর্ভোগ কমাতে পা...
- শুধু দাতাদের অসন্তোষ কাজ দেবে না-দুদকসহ প্রাতিষ্ঠা...
- ধ্বংসের মুখে পোল্ট্রি শিল্প
- পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল: আগামী দিনের রাজনীতি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-‘রঙের দুনিয়া’ ছেড়ে গেলেও তিনি আছেন by...
- বৈষম্য-পোশাক নির্বাচনে নারীর ব্যক্তিস্বাধীনতা by জ...
- সপ্তাহের হালচাল-একটি শীর্ষ বৈঠক আশা করা কি দুরাশা ...
- অভিমত ভিন্নমত
- বিলেতের স্ন্যাপশট-টনি ব্লেয়ারের ‘আ জার্নি’ by শামী...
- অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার-ভূমি অফিসের জায়...
- তদবিরবাজ সাংসদদের ব্যর্থতা স্থায়ী হোক-প্রাথমিক শিক...
- অষ্টম বর্ষে র্যাব
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষের মনের কথা সম্পর্কে আল্লা...
- যানজটে স্থবির হয়ে যায় ঢাকা by আর কে চৌধুরী
- চার দিক-মাটিমনা মানুষের শিল্প by আজাদুর রহমান
- পাকিস্তান-গণমাধ্যমের জন্য ভয়ংকরতম রাষ্ট্র by হামিদ...
- প্রতিবেশ-অ্যানথ্রাক্স, শকুন ও প্রকৃতির আহাজারি by ...
- গদ্যকার্টুন-ভূমিকম্প হলে এমপিরা বেঁচে থাকবেন... by...
- ভূমিকম্প-মানুষের কারণেই ঝুঁকি বাড়ছে by জামিলুর রেজ...
- সহজিয়া কড়চা-তাঁর শাসনামল ও তাঁর কাব্যযুগ by সৈয়দ আ...
- নাম বদলালেই তা বৈধতা পাবে না-চাঁদাবাজির প্রাতিষ্ঠা...
- অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকবে?-ভূমিকম্পের ঝুঁকি
- উৎসব-ঈদ তো সবার জন্যই by তৌহিদা শিরোপা
- প্রতিক্রিয়া-‘ব্যক্তিত্বই নারীর নিরাপত্তার সেরা বর্...
- ধর্ম-ঈদুল ফিতর অনাবিল আনন্দের উৎসব by মুহাম্মদ আবদ...
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া স...
- এসো নীপবনে-ঈদ মোবারক by আবুল হায়াত
- কালের পুরাণ-বিএনপিতে ‘ডিগবাজ’ ও আওয়ামী লীগের ‘বাকশ...
- এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আচরণবিধি থাকা উচিত-থানা-পুলিশে...
- শুভবোধের চর্চা সঞ্চারিত হোক সবার জীবনযাপনে-পবিত্র ...
- দূরের দুরবীনে-জন্মভূমি বাঁচলেই পৃথিবীর বাঙালি বাঁচ...
- নিম্নমানের ওষুধ : জীবন নিয়ে জুয়া by ড. মুনীরউদ্দিন...
- চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে দেশি প্রজাতির মাছ by বিশ্বজিৎ ...
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- পলিথিন শপিং ব্যাগ বর্জনে অগ্রগতি নেই by ধরিত্রী সর...
- চার দিক-বুড়িগঙ্গা নদীতে ইফতার... by মনিরুল আলম
- প্রতিক্রিয়া-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লজ্জাজনক তার...
- রাজনীতি-নবরূপে বিশ্ববেহায়া by এ জেড এম আবদুল আলী
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানের শিক্ষা ও প্রশিক...
- প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সব প্রাণ গুরুত্বপূর্ণ-শকু...
- নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিন-আমলাতন্ত...
- সেন্ডাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এবং বাংলাদেশের আগাম প...
- যুগের বানী-কেন যুদ্ধ? by মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী
- স্পেন-ইতালির ড্র
- ১৪ জুনের আগে মুক্তি পাচ্ছেন না শীর্ষ নেতারা
- জাতীয় সংসদে স্পিকারের দুঃখ প্রকাশ-আবদুল্লাহ আবু সা...
- দুই রাতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ!
- রস+আলো Fall উৎসব by আদনান মুকিত
- ‘উন্মাদ’ ও ‘ট্রাভেল অ্যান্ড ফ্যাশন’ আয়োজিত কার্টুন...
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-কুকুরের লেজ সোজা হয় না কেন? by আব্দুল কাইয়ুম
- আবার এল যে বাজেট-সেই সঙ্গে এল বিতর্ক
- চারদিক-আমার মা by অধ্যাপক মধুশ্রী ভদ্র
- যুক্তি তর্ক গল্প-রাজনীতির লক্ষ্য কি ক্ষমতা, না জনস...
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে-ভালো সিদ্ধান্তের জন্যব...
- চিকির্যাসাসেবা-কেমন হবে ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক by এ...
- জেলেদের জাল ও নৌকা রক্ষার দায়িত্ব কার?-ইলিশের মৌসু...
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ বাড়ান-বিপর্যস্ত বিদ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল হচ্ছে না
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গোলাম আযমের বিরুদ্ধে স...
- জহুর হকার্স মার্কেটের ৮১ দোকান-মালিকানা দাবি সিটি ...
- বাজেট ২০১২-১৩এসিআর নয়, এবার এপিআর-জনপ্রশাসনে পদোন্...
- দুদকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন-৫০০০ কোটি টাকার ...
- বিচারককে পেটাল পুলিশ
- ঢাকায় আজ বিকেলে ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশবরিশাল, বগুড়া ...
- রোহিঙ্গা সংকট-২-রোহিঙ্গারা সহজেই মিশে যাচ্ছে মূল জ...
- ইলিয়াস নিখোঁজ রহস্য-'এখনো মনে হয় তিনি ফিরবেন' by এ...
- ঈদের পর কঠোর কর্মসূচি!-বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় ...
- ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ায় চার ব্যক্তিত্ব
- পুলিশ এবার বিচারকের গায়ে হাত তুলল-নরসিংদীতে তিন পু...
- রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ে উদ্বেগ by আবুল কাশেম
- আইনশৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতি-পুলিশ প্রশাসনের আন্তরি...
- রোহিঙ্গাদের অপরাধ কর্মকাণ্ড-সরকারের নীরবতা আমাদের ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-নবী ও মুমিনরা আত্মীয়তার অজুহাতে...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-দেশ তা...
- চরাচর-রাতে ঢাকার রেস্তোরাঁ by জাহাঙ্গীর হোসেন
- জলজট by পলাশ মাহবুব
- পাচার-দীপ্তির জন্য আলো ফিরিয়ে দিতে পারি না? by শেখ...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-জাতীয় সংসদের বেহাল অবস্থা by বদরুদ...
- ত্রিপুরী বসতি ডলুছড়া by আহমদ সিরাজ
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-গরিবের স্বার্থে আরও পদক্ষে...
- 'চক্রবর্তী রাজা' by সুভাষ সাহা
- ভারতের পুবে তাকাও নীতি ও মিয়ানমার by মনমোহন সিং
- নির্মমতা-নৃশংসতা-মানবিক মূল্যবোধও জাগিয়ে তুলতে হবে...
- মাধবকুণ্ডে মৃত্যু-পর্যটন কেন্দ্র নিরাপদ হোক
- গ্রাম আদালত-নিগ্রহ নয়, ন্যায্য সালিশি
- ভিন্নমত-প্রস্তাবিত বাজেট এবং শেয়ারবাজার by আবু আহমেদ
- অগ্রগতি নির্ভর করছে বিদ্যুৎ খাতের সাফল্যের ওপর by ...
- উভয়েরই এখন গ্রহণযোগ্য বিকল্প পথ খোঁজা উচিত by গাজী...
-
▼
Jun 11
(110)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment