Sunday, April 22, 2012
পারিবারিক আইন সংস্কারের চিন্তাভাবনা
পারিবারিক আইন সংস্কারের চিন্তাভাবনা
মুসলিম পারিবারিক আইন নিয়ে ১৯৬১ সালেই সর্বশেষ বড় পরিসরে সংস্কারের কাজ করা হয়। পরিবর্তন আনা হয় তালাক, বহুবিবাহ ও উত্তরাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। সময়ের বিবর্তনে সামাজিক প্রয়োজনে মুসলিম পারিবারিক আইনসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদের পারিবারিক আইন এখন সংস্কারের দাবি রাখে।
২৪ মার্চ ২০১২ ড. শাহ আলমের নেতৃত্বাধীন আইন কমিশনের আয়োজনে পারিবারিক আইন বিষয়ে বিয়াম মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয়কর্মশালায় বিভিন্ন পারিবারিক আইন সংস্কারের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। সংক্ষেপে এখানে তা তুলে ধরা হলো।
অভিভাবকত্ব ও হেফাজত
নাবালক সন্তানের হেফাজত করার ক্ষমতা প্রথমত মায়ের ওপর বর্তায়। এ বিষয়ে ইসলামি আইনজ্ঞদের মধ্যে কোনো ভিন্নমত নেই। মা যদি কোনো কারণে সন্তানের হেফাজতকারী হতে অস্বীকার বা অপারগতা প্রকাশ করেন, শুধু সে ক্ষেত্রেই সন্তানের মাতৃ-সম্পর্কীয় আত্মীয় যেমন—নানি হেফাজত করার অধিকারী হবেন।
প্রচলিত শরিয়াহ আইন অনুসারে পুত্রসন্তান সাত বছর এবং কন্যাসন্তান বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে থাকতে পারবে।
এ বিষয়ে যুগান্তকারী রায় দেওয়া হয় মো. আবু বকর সিদ্দিকী বনাম এস এম এ বকর [৩৮ ডিএলআর (আপিল বিভাগ) ১০৬] মামলায়। এ মামলায় প্রথাগত শরিয়াহ আইনের কিছুটা বাইরে গিয়ে আপিল আদালত সন্তানের সর্বোচ্চ স্বার্থ রক্ষায় ছেলের বয়স সাত পার হওয়ার পরও মাকে হেফাজতের ক্ষমতা দেন। এখানে কয়েকটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়—এক. মা-ই সন্তানের সবচেয়ে ভালো দেখাশোনা করতে পারবেন, এমনকি পিতার চেয়েও; এই বিষয়ে মুসলিম আইনবিদদের ভিন্নমত রয়েছে।
অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী বাবাই সন্তানের শরীর ও সম্পত্তির স্বাভাবিক ও আইনি অভিভাবক। পিতার অবর্তমানে তাঁর নিয়োগ করা ব্যক্তি নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির অভিভাবক হবেন। মায়ের অভিভাবক হওয়ার বিধান সম্পর্কে বলা হচ্ছে: দরখাস্ত দাখিলের মাধ্যমে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি অভিভাবক হতে পারেন। অর্থাৎ অভিভাবকত্ব কিংবা হেফাজতের ক্ষেত্রে বলা যায়, সন্তানের ওপর মা ও বাবার সমান অধিকার নেই।
কোনো কারণে যদি পারিবারিক আইন এবং সন্তানের স্বার্থ—এ দুয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়, তবে সে ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থই প্রাধান্য পাবে বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় আয়েশা খাতুন বনাম মেজর সাব্বির আহমেদের মামলায়। আশার কথা হলো, হেফাজত বা অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থ সর্বোচ্চ বিবেচনায় এনে ‘Welfare doctrine’-এর প্রচলন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের বিচার বিভাগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু একে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে বিধিবদ্ধ আইনের প্রয়োজন আছে।
প্রস্তাব
অভিভাবকত্ব ও হেফাজতের ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থই সর্বোচ্চ বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং এ ক্ষেত্রে মা-বাবা দুজনের সমান অধিকার থাকবে।
বিবাহবিচ্ছেদ
মুসলিম আইন অনুসারে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পুরুষের একচ্ছত্র অধিকার বিদ্যমান। আগে নারীরা খুলা ও মুবারা—এ দুই পদ্ধতিতে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারতেন। খুলা তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ পাওয়ার বিনিময়ে স্বামীকে কিছু দিতে হতো, যেমন—দেনমোহর। আবার মুবারার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের কোনো ব্যবস্থা নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বামীরা এ সুযোগ নিয়ে স্ত্রীকেই তালাক দিতে বাধ্য করতেন।
এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নারীদের তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়। মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯ প্রণয়নের মাধ্যমে নারীদের তালাকের বিষয়ে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র যুক্ত করা হয়, যেখানে নারীরা চাইলে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারবেন। আবার ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭ ধারা যোগ করে পুরুষদের একচ্ছত্র ইচ্ছাধীন ক্ষমতা একটি পদ্ধতির মধ্যে আনা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো: তালাক-ই-তাওফিজের মাধ্যমে নারীরা কোনো ছাড় না দিয়েই বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারবেন। তবে এ ক্ষমতা তাঁকে স্বামীর কাছ থেকেই পেতে হবে। স্বামী চাইলে স্ত্রীকে এ ক্ষমতা না-ও দিতে পারেন।
বাংলাদেশের সংবিধান নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। আবার এটিও নিশ্চিত করেছে, সবার সমানভাবে মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বলা যায়, বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপের মাধ্যমে কিংবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে নারীরা বিচ্ছেদ ঘটাতে পারবেন না, এটি সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।
প্রস্তাব
বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার।
ভরণপোষণ
ভরণপোষণ বলতে শুধু খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থান বোঝায় না। এর অর্থ আরও ব্যাপক। সন্তানের সুষ্ঠু শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সবকিছু ভরণপোষণের মধ্যে পড়ে। মুসলিম আইনে বিয়ের মাধ্যমে স্ত্রী ও রক্তসম্পর্ক অনুযায়ী সন্তান এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা-বাবাও সন্তানের ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হন।
আইনিভাবেই স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব স্বামীর। এমনকি বিচ্ছেদের পর ইদ্দতকালীনও তিনি ভরণপোষণ করতে বাধ্য। বিবাহবিচ্ছেদের পর কত দিন এ বাধ্যবাধ্যকতা থাকবে, সে বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের উচ্চ আদালত যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। মো. আহমেদ খান বনাম শাহ বানু বেগম [ এআইআর (১৯৮৫) এসসি ৯৪৫ ] মামলায় সিদ্ধান্ত হয়: তালাকের পর নারী দ্বিতীয় বিয়ের আগপর্যন্ত সাবেক স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী থাকবেন, যদি নিজের ভরণপোষণে তিনি অসমর্থ হন। ২০০১ সালে ড্যানিয়েল লতিফির মামলায় রায় হয়: আবার তালাকের পর, এমনকি ইদ্দতের সময়ের পরও স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে হবে।
বাংলাদেশেও ভরণপোষণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে হেফজুর রহমান বনাম শামসুন্নাহার বেগম ও অন্যান্য [৪ বিএলসি (আপিল বিভাগ) ১৪] মামলায়। হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত দেন: স্ত্রীর আবার বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাবেক স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাবেন। যদিও পরে আপিল বিভাগ এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বলেন: বিবাহবিচ্ছেদের পর ইদ্দতকালীন পর্যন্তই স্ত্রীকে ভরণপোষণ করতে বাধ্য থাকবেন স্বামী।
এ ছাড়া কাওসার চৌধুরী বনাম লতিফা সুলতানা [২২ বিএলডি] মামলায় সিদ্ধান্ত হয়: আদালত ভরণপোষণ একবার ঠিক করে দিলেও, ভবিষ্যতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভরণপোষণ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আবার মামলা করা যায়।
প্রস্তাব
১. স্ত্রী নিজের ভরণপোষণে অক্ষম হলে, বিশেষ ক্ষেত্রে তালাকের পরও তার আবার বিয়ের আগপর্যন্ত স্বামী তাঁর ভরণপোষণ করতে বাধ্য থাকবেন।
২. ভরণপোষণের পরিমাণ ও হার স্থির হবে চলতি বাজারদর, স্বামী বা স্ত্রীর সামর্থ্য এবং সামাজিক অবস্থা বিবেচনায়। এ ক্ষেত্রে সালিসি পরিষদের ভূমিকা আরও বাড়াতে হবে।
দত্তক
হিন্দু ও খ্রিষ্টান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান আছে, কিন্তু প্রচলিত মুসলিম আইনে দত্তকসংক্রান্ত কোনো বিধান না থাকায় নিঃসন্তান মুসলিম দম্পতি বৈধভাবে সন্তান দত্তক নিতে পারে না। দত্তকের বিধান ইসলাম সমর্থন করে, নাকি প্রবলভাবে অস্বীকার করে—বিষয়টি নিয়ে অনেক দ্বন্দ্ব রয়েছে। এ বিষয়েও আইনজ্ঞদের মধ্যে কোনো মতৈক্য নেই। কেউ কেউ বলেন, ইসলাম দত্তক সম্পূর্ণ নিষেধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে অন্যরা মনে করেন, কিছু শর্ত আরোপের মাধ্যমে দত্তক ইসলামে গৃহীত হয়েছে। অভিভাবকত্ব আইন, ১৮৯০-এর মাধ্যমে দত্তকব্যবস্থা ইসলামি আইনে কিছুটা প্রচলিত হলেও মূলত জটিলতার কারণে মানুষ এই আইনের সাহায্য প্রার্থনায় উৎসাহিত হয় না। এই আইনের জটিল দিকগুলো হলো, এ ক্ষেত্রে যাকে প্রতিপালনের জন্য নেওয়া হয়, তার পিতা-মাতা হিসেবে অভিভাবকত্ব গ্রহণকারীদের পরিচয় দেওয়া যায় না। অর্থাৎ সন্তানের অভিভাবক হিসেবে আদালত তাঁদের অনুমতি দিতে পারেন, কিন্তু তাঁর জন্মদানকারী পিতা-মাতার নাম অক্ষুণ্ন থাকবে। দত্তকের বিধান মুসলিম পারিবারিক আইনে না থাকায় সন্তান বেচাকেনার ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনি অন্যের সন্তানকে নিজের কাছে প্রতিপালনের জন্য অভিভাবকত্ব আইনের জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্যও বাধ্য করা হচ্ছে।
প্রস্তাব
মুসলিম পারিবারিক আইনে সন্তান ‘দত্তক’-এর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। দত্তক ছেলেমেয়েরা তাদের মা-বাবার সম্পত্তিতে অধিকার পাবে কি না, তা আলোচনার মাধ্যমে স্থির করা হবে।
বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধন
মুসলিম আইনে বিয়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক এবং না করাই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। খ্রিষ্টান আইনেও এ বাধ্যবাধতা থাকলেও, হিন্দু আইনে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিয়ে প্রমাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল ‘নিবন্ধন’। দেনমোহর ও ভরণপোষণ আদায়ের জন্যও এটি অপরিহার্য। কিন্তু হিন্দু আইনে এ বিধান না থাকায় অনেক সময় হিন্দু নারীরা তাঁদের অধিকার আদায়ে সমস্যায় পড়েন।
Convention on Consent to Marriage, Minimum Age for Marriage and Registration of Marriage, 1962-এ কনভেনশনে বাংলাদেশ স্বাক্ষরের মাধ্যমে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির জন্য আন্তর্জাতিকভাবেই দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
আবার কেন্দ্রীয়ভাবে নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকলে, কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সব তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। তা না থাকায় অনেক সময় ভুয়া বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধনের কাগজ তৈরির মতো ঘটনাও ঘটে। ফলে নারীরা প্রাপ্য অধিকার থেকেও বঞ্চিত হন।
প্রস্তাব
১. সব ধর্মের মানুষের জন্য নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয়ভাবে বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিবন্ধনব্যবস্থা চালু করা যায়।
দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধার
বৈধ বিয়ের ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে থাকতে রাজি না হলে, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারেন স্বামী। একইভাবে স্ত্রীও পারেন স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে।
এই অধিকার প্রথম স্বীকৃতি পায় মুন্সী বজলুর রহমান বনাম শামসুননিসা বেগম [১৮৬৭ (এমএলএ) ৫৫১] মামলায়। পরে এ বিষয়ে একাধিক মামলায় রায় দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: নেলী জামান বনাম গিয়াসউদ্দীন [৩৪ ডিএলআর (১৯৮২), ২২১, (হাইকোর্ট বিভাগ)] মামলায় বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন বলেন, সময়ের বিবর্তনে সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য স্বত্ব প্রয়োগের জন্য স্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বামীর সঙ্গে থাকতে বাধ্য করা এখন আর প্রচলিত কোনো বিধান নয়। রাষ্ট্রীয় আইন, জনস্বার্থ, আইনের দৃষ্টিতে নারী-পুরুষ সমতা ও সম-সুরক্ষা এবং দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের পরিপন্থী। এ ধরনের আইন ও এর অধীনে মামলা আইনত বাংলাদেশে চলতে পারে না। আবার এর বিপরীত রায়ও দেওয়া হয়েছে।
দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের অধিকার স্বামী বা স্ত্রীর একচ্ছত্র অধিকার নয়। এই অধিকার বিচার বিভাগের বিবেচনায় প্রয়োগ করা যায়। বলা যায়, এটি ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সংবিধানের পরিপন্থী। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তও হলো: দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের অধিকার যে-ই প্রয়োগ করুক, এটি ব্যক্তির স্বকীয়তা, স্বাধীনতা, সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
প্রস্তাব
দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের বিধানকে ‘পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’-এর এখতিয়ার থেকে বাদ দেওয়া।
বহুবিবাহ
‘বহুবিবাহ’ বিষয়টি ব্যতিক্রমী ঘটনা। একক বিবাহই আমাদের দেশে সাধারণ ঘটনা। কিন্তু সেই ব্যতিক্রমী ঘটনার সংখ্যাও কম নয়। মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯-এ বলা আছে, বহুবিবাহের কারণে স্বামী সমান আচরণ করতে অসমর্থ হলে, স্ত্রী চাইলে তাঁকে তালাক দিতে পারেন। তবে এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে ১৯৬১ সালে। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৬ ধারায় বলা হয়: আরবিট্রেশন কাউন্সিলের (সালিস পরিষদ) অনুমতি না নিয়ে এক বিয়ে বর্তমান থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে নিবন্ধন করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের কাছে কারণ উল্লেখ করে আবেদন করলে তিনি বর্তমান স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সন্তুষ্ট হলেই শুধু অনুমতি দেবেন। কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, কাউন্সিল যথাযথভাবে এ পদ্ধতি অনুসরণ না করেই অনুমতি দিচ্ছে কিংবা কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
বিষয়টি নিয়ে অন্য মুসলিম দেশগুলোর ভূমিকা অনুসরণীয়। যেমন—মরক্কো, তিউনিসিয়া, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ বহুবিবাহ নিষেধ করে দিয়েছে। আবার মালয়েশিয়ায় এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায় আছে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
প্রস্তাব
বহুবিবাহের ক্ষেত্রে শুধু আরবিট্রেশন কাউন্সিলকে ইচ্ছামতো ক্ষমতা না দিয়ে কয়েকটি শর্ত বসানো যায়। এসব শর্তের ক্ষেত্রেই শুধু দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি দেওয়া যাবে।
শীর্ষ মতামত
শফিক আহমেদ
আইনমন্ত্রী
পারিবারিক আইনের পর্যালোচনা এক দিনে হবে না। যাঁরা পারদর্শী, তাঁদের মত নিয়েই করা উচিত। মুফতিদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। একইভাবে হিন্দু বা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মত নিয়ে তাদের আইন পরিবর্তন করা উচিত। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আইন করা হবে না।
এস কে সিনহা
আপিল বিভাগের বিচারপতি
অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। উত্তরাধিকার জন্মগতভাবেই নির্ধারিত হয়। ধর্মান্তরিত হলে সেটা ব্যাহত হবে কি না, তা বিবেচনা করতে হবে। অভিন্ন কোডের কথা বলা হয়েছে। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ হিন্দুদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি? সময় এসেছে আইন পরিবর্তন করার।
সালমা মাসুদ চৌধুরী
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি
অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে বলা যায়, মা-ই হবেন সন্তানের হেফাজতকারী। এরপর সাবালক হয়ে সে নিজেই নিজের হেফাজতকারীকে পছন্দ করে নেবে। পিতার দ্বিতীয় বিয়ে তার হেফাজতের ক্ষমতা ক্ষুণ্ন না করলে মাতার হবে কেন? দত্তক ছেলেমেয়েরা সম্পত্তি পাবে কি না, তা নির্ভর করবে পিতা-মাতার ওপর। বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা উচিত, তবে ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
অর্থনীতিবিদ
হিন্দু পারিবারিক আইনে সংস্কারের প্রয়োজন। তবে সবই যে একসঙ্গে করতে হবে, এমন নয়। রেজিস্ট্রেশন, দত্তক—এগুলো আলাদা করে আইন করা দরকার এবং এগুলো এখনই করা যেতে পারে। তবে উত্তরাধিকার পরে করা হোক। অভিন্ন পারিবারিক আইনের কোনো বিকল্প নেই।
শামীম মো. আফজাল
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক
শরিয়াহ আইন বিষয়ে জবাব দেওয়ার এখতিয়ার কেবল মুফতিদের আছে। তাঁদের অনুমতি ছাড়া শরিয়াহ আইনের কোনো রকম পরিবর্তন আনা যাবে না। শরিয়াহ আইনসংক্রান্ত বিষয়ে আমার কাছে প্রস্তাব দিলে আমি মুফতিদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানাব।
ফাদার অ্যালবার্ট রোজারিও
আইনজীবী
ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে বিবাহসংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। মন্ডলীতে (চার্চ) বিবাহের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। আমরা ক্যানন আইন দ্বারা পরিচালিত। আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ নেই, তবে বিয়ে বাতিল হতে পারে, যদি বিয়েতে কোনো ত্রুটি থাকে। পালক পুত্রের সম্পত্তিতে অধিকার নেই, এর পরিবর্তন হওয়া উচিত। ওয়ারিশের সম্পত্তি দাবি করার একটা সময় বেঁধে দেওয়া দরকার।
হিন্দু পারিবারিক আইন
বাংলাদেশে হিন্দু পারিবারিক আইন তথা বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, অভিভাবকত্ব ও দত্তক বিষয়ে নারীদের অবস্থা খুব বৈষম্যমূলক। এ ছাড়া গোত্রভেদ ও প্রথার ভিত্তিতে প্রচলিত নিয়মও খুব নাজুক। এগুলো মূল হিন্দু দর্শনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ মনে হয় না। কারণ, প্রতিটি মানুষকে শুদ্ধ ও পরিপূর্ণ করাই হিন্দু দর্শনের মূল উদ্দেশ্য।
বর্তমান বাংলাদেশে ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্যান্য গোত্র ও গোষ্ঠী মূলত পেশাভিত্তিক। অতএব, গোত্রগত প্রথার ভিত্তিতে কোনো নিষিদ্ধতা যেমন অন্তর্গোত্রীয় বিবাহের নিষিদ্ধতা বাস্তবতার পরিপন্থী। প্রথাগত হিন্দু আইনে বহুবিবাহের প্রচলন থাকলেও বাস্তবে তা কমই ঘটে। অন্যদিকে, আর্থসামাজিক, পারিবারিক ও অন্যান্য অনেক কারণে বিবাহবিচ্ছেদ অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারে, যা বর্তমান আইনে নিষিদ্ধ। পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রেও তাঁদের আপত্তির প্রমাণ নেই। বর্তমান সময়ে বিবাহ নিবন্ধনের প্রয়োজন। বিদেশযাত্রা, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ নিরোধ, আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ক্ষেত্রে নিবন্ধন অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া নিবন্ধনকরণ কোনোভাবেই হিন্দু বিবাহের ধর্ম বা চরিত্র খর্ব করে না।
হিন্দু পারিবারিক আইনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিন্দু নারীর উত্তরাধিকারহীনতা। নারীর ভরণপোষণ পুরুষের দয়ার ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান নাজুক আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে নারীর জন্য এ অবস্থা কাঙ্ক্ষিত নয়। তবে বিরুদ্ধ যুক্তি হচ্ছে, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে হিন্দু নারী তার সম্পত্তি কতটা ভোগ এবং রক্ষা করতে পারবে, এটি বিবেচনায় রেখে সতর্কভাবে সংস্কারের জন্য এগোনো দরকার।
শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী, কিছু রোগাক্রান্ত ও অসতী নারীকেও সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। মনে হয়, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং নারীর শুদ্ধতা আধ্যাত্মিক কাজের জন্য অপরিহার্য মনে করা হতো। সম্পত্তি রক্ষা ও আধ্যাত্মিক কাজের জন্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং শুদ্ধতা অপরিহার্য—এ যুক্তি আধুনিক মানবাধিকারের যুগে গ্রহণযোগ্য নয়। সম্পত্তি রক্ষা ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক অবস্থার চেয়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও আইনি অবস্থার ওপর বেশি নির্ভরশীল। অন্যদিকে, অসতীত্ব সংজ্ঞায়িত করা এখন অধিকতর কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও সতীত্ব একটি বড় গুণ, তবু এ কারণে একজনকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা গ্রহণযোগ্য মনে হয় না।
উত্তরাধিকার আইনের সংশোধন হলে ভরণপোষণ আইনেরও সংশোধন হতে হবে এবং নারীদের সম্পত্তির অধিকার দিলে বৃদ্ধ ও নাবালকদের ভরণপোষণেও তাদের দায়িত্ব বাড়বে। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ভরণপোষণের দায়িত্বও দেওয়া যেতে পারে।
দত্তক দেওয়া-নেওয়া হিন্দু আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মনে করা হয়, নিঃসন্তানের দত্তক পুত্র ধর্মীয় কর্ম সাধন করবে। যেমন, পুত্র পিতার মৃত্যুতে তাঁর আত্মার শান্তির জন্য শেষকৃত্য নিয়ম পালন করবে। এটা যুক্তিসংগত, কিন্তু নিঃসন্তান নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে কোনো পুত্র বা কন্যাকে নিজ সন্তান হিসেবে দত্তক নেওয়া তার সন্তান লাভের একটি চিরন্তন ও গভীর আকাঙ্ক্ষা, যা দত্তকের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব। এখানে দত্তক গ্রহীতা ও যাকে দত্তক নেওয়া হবে, উভয় ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ ভেদাভেদ থাকা ঠিক নয়।
প্রস্তাব
১. বিবাহ ও দত্তকের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গোত্রভেদ (caste) প্রথার বিলোপ,
২. বহুবিবাহ প্রথা বিলোপ,
৩. স্বামী বা স্ত্রী যে কারও উদ্যোগে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ থাকা, তবে আইন অনুযায়ী আদালতের শর্ত সাপেক্ষে তা কার্যকর করা,
৪. বিবাহবিচ্ছেদের পর পুনর্বিবাহের সুযোগ রাখা,
৫. বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদের নিবন্ধন,
৬. পিতা-মাতার সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে ছেলের সঙ্গে বিবাহিত বা অবিবাহিত কন্যার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার লাভ। তবে হিন্দু পুরুষ বা নারী ধর্মান্তরিত হলে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে,
৭. বর্তমানে প্রচলিত সম্পত্তিতে নারীর সীমিত অধিকার লাভের স্থলে পূর্ণ অধিকার প্রদান।
৮. শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী এবং অসতীত্বের কারণে উত্তরাধিকারবঞ্চিত করার প্রচলিত নিয়ম বাতিল,
৯. অবৈধ সন্তানের উত্তরাধিকার লাভের স্বীকৃতি,
১০. বিবাহিত বা অবিবাহিত নারীর কন্যা বা পুত্র দত্তক হিসেবে গ্রহণ করার স্বীকৃতি,
১১. কন্যাশিশুর পুরুষ বা নারী কর্তৃক দত্তক পাওয়ার অধিকারের স্বীকৃতি
১২. পিতা কর্তৃক তৈরি ইচ্ছাপত্রে মাতার সম্মতির প্রয়োজনীয়তা।
খ্রিষ্টান পারিবারিক আইন
ফস্টিনা পেরেরা, মানবাধিকারকর্মী
দেশ বিভাগের আগে ও পরে হিন্দু বা মুসলিম পারিবারিক আইনে বিভিন্ন পরিবর্তন সূচিত হলেও খ্রিষ্টান ধর্মানুসারীদের জন্য প্রযোজ্য আইনে তেমন কোনো পরিবর্তন সাধিত হয়নি। পুরোনো আইনের কারণে খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বীরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে ব্যভিচার, বাল্যবিবাহ, গৃহনির্যাতন, বহুবিবাহ, আইনি বিচ্ছেদ ছাড়া পৃথকভাবে বসবাস করা, প্রতারণার মাধ্যমে বিচ্ছেদ, হলফনামাকে বিবাহ বা বিচ্ছেদের যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা, সম্পত্তি বণ্টন বা সম্পত্তি আত্মসাৎ, শিশুর ভরণপোষণ, যৌতুক, দত্তক নেওয়া সন্তানের আইনি মর্যাদা, বিবাহবিচ্ছেদে আইনি জটিলতা, উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে অসম দাবি ইত্যাদি। উল্লিখিত সমস্যার সমাধানকল্পে বিভিন্ন আইনে সংশোধন আনা অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রস্তাব
১. বিবাহবিচ্ছেদ আইনের সংশোধন নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য বিলোপে বিবাহবিচ্ছেদ আইন-১৮৬৯-এর ১০ ধারা সংশোধন করা এবং বিচ্ছেদের কারণের পরিধি বৃদ্ধি করা, যেমন—ব্যভিচার, ধর্ষণ ও শারীরিক, যৌন, মানসিক বা অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার বা শিকার হওয়ার হুমকি থাকলে আবেদনকারী যেন বিবাদী থেকে আলাদাভাবে বসবাস করার সুযোগ পায়। এ রকম আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাতে কোনো যুক্তিযুক্ত অজুহাত ছাড়া দুই বছর পৃথক থাকার অনুমতি পায়। মানসিক বৈকল্য বা এমন কোনো রোগে আক্রান্ত, যার কারণে বিবাদীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করা অসম্ভব বা যেখানে সম্পর্ক এমনভাবে ভেঙে গেছে যে তা বজায় রাখা এক বা উভয় পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর, সে ক্ষেত্রে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য নতুন ধারা সংযোজন। বিরোধের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত হবে প্রথম বিচার্য আদালত এবং জেলা জজ আদালত হবে আপিল আদালত, যা সারা দেশে কার্যকর হবে এবং তার ভূতাপেক্ষ প্রয়োগ থাকবে।
২. দত্তক সম্পর্কে নতুন আইন করা ।
৩. উত্তরাধিকার আইন-১৯২৫-এর ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশে খ্রিষ্টানদের দত্তক নেওয়া-সম্পর্কিত কোনো আইন না থাকায় দত্তক সন্তানেরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। যেহেতু তাদের ধর্মীয় প্রথায় দত্তককে স্বীকৃত দেওয়া হয়েছে, তাই এ বিষয়ে সংশোধন আনা দরকার। বর্তমান আইনে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাকে বাদ দিয়ে পিতা উত্তরাধিকারী হন। বৈষম্যমূলক এ ধারাটিও সংশোধন করতে হবে।
৪. কানুন আইনের দ্বারা বিবাহবিচ্ছেদকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা সংশোধন করতে হবে।
বিচ্ছেদ আইন বিশ্বের সব দেশই [ভ্যাটিকান ছাড়া], এমনকি ক্যাথলিক দেশগুলোও স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে আয়ারল্যান্ড, চিলি, ব্রাজিল ও মাল্টা উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া ফিলিপাইনেও ২০০১ সালে বিচ্ছেদ আইন ১৮৬৯ সংশোধন করে পাস করা হয়েছে। ক্যাথলিক বিশপ কনফারেন্স অব ইন্ডিয়া [সিবিসি] খ্রিষ্টানদের সিভিল আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি দিয়েছে, যাতে করে খ্রিষ্টান বিবাহবিচ্ছেদের কারণগুলোর ক্ষেত্র বৃদ্ধি পায়।
ইংরেজি থেকে অনূদিত। সংক্ষেপিত।
ঘোষণা
আজকের আয়োজন বিষয়ে পাঠকের যেকোনো প্রতিক্রিয়া বা মতামত আমরা ছাপতে আগ্রহী। আপনার প্রতিক্রিয়া বা মতামত পাঠাতে পারেন এই ঠিকানায়—আইন অধিকার, প্রথম আলো, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫। এ ছাড়া ফেসবুকে আইন অধিকার পেজ www.facebook.com/AINADHIKAR-এ যোগ দিয়েও মতামত জানাতে পারেন। ই-মেইলও করতে পারেন
ain@prothom-alo.info।
অভিভাবকত্ব ও হেফাজত
নাবালক সন্তানের হেফাজত করার ক্ষমতা প্রথমত মায়ের ওপর বর্তায়। এ বিষয়ে ইসলামি আইনজ্ঞদের মধ্যে কোনো ভিন্নমত নেই। মা যদি কোনো কারণে সন্তানের হেফাজতকারী হতে অস্বীকার বা অপারগতা প্রকাশ করেন, শুধু সে ক্ষেত্রেই সন্তানের মাতৃ-সম্পর্কীয় আত্মীয় যেমন—নানি হেফাজত করার অধিকারী হবেন।
প্রচলিত শরিয়াহ আইন অনুসারে পুত্রসন্তান সাত বছর এবং কন্যাসন্তান বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে থাকতে পারবে।
এ বিষয়ে যুগান্তকারী রায় দেওয়া হয় মো. আবু বকর সিদ্দিকী বনাম এস এম এ বকর [৩৮ ডিএলআর (আপিল বিভাগ) ১০৬] মামলায়। এ মামলায় প্রথাগত শরিয়াহ আইনের কিছুটা বাইরে গিয়ে আপিল আদালত সন্তানের সর্বোচ্চ স্বার্থ রক্ষায় ছেলের বয়স সাত পার হওয়ার পরও মাকে হেফাজতের ক্ষমতা দেন। এখানে কয়েকটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়—এক. মা-ই সন্তানের সবচেয়ে ভালো দেখাশোনা করতে পারবেন, এমনকি পিতার চেয়েও; এই বিষয়ে মুসলিম আইনবিদদের ভিন্নমত রয়েছে।
অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী বাবাই সন্তানের শরীর ও সম্পত্তির স্বাভাবিক ও আইনি অভিভাবক। পিতার অবর্তমানে তাঁর নিয়োগ করা ব্যক্তি নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির অভিভাবক হবেন। মায়ের অভিভাবক হওয়ার বিধান সম্পর্কে বলা হচ্ছে: দরখাস্ত দাখিলের মাধ্যমে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি অভিভাবক হতে পারেন। অর্থাৎ অভিভাবকত্ব কিংবা হেফাজতের ক্ষেত্রে বলা যায়, সন্তানের ওপর মা ও বাবার সমান অধিকার নেই।
কোনো কারণে যদি পারিবারিক আইন এবং সন্তানের স্বার্থ—এ দুয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়, তবে সে ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থই প্রাধান্য পাবে বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় আয়েশা খাতুন বনাম মেজর সাব্বির আহমেদের মামলায়। আশার কথা হলো, হেফাজত বা অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থ সর্বোচ্চ বিবেচনায় এনে ‘Welfare doctrine’-এর প্রচলন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের বিচার বিভাগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু একে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে বিধিবদ্ধ আইনের প্রয়োজন আছে।
প্রস্তাব
অভিভাবকত্ব ও হেফাজতের ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থই সর্বোচ্চ বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং এ ক্ষেত্রে মা-বাবা দুজনের সমান অধিকার থাকবে।
বিবাহবিচ্ছেদ
মুসলিম আইন অনুসারে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পুরুষের একচ্ছত্র অধিকার বিদ্যমান। আগে নারীরা খুলা ও মুবারা—এ দুই পদ্ধতিতে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারতেন। খুলা তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ পাওয়ার বিনিময়ে স্বামীকে কিছু দিতে হতো, যেমন—দেনমোহর। আবার মুবারার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের কোনো ব্যবস্থা নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বামীরা এ সুযোগ নিয়ে স্ত্রীকেই তালাক দিতে বাধ্য করতেন।
এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নারীদের তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়। মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯ প্রণয়নের মাধ্যমে নারীদের তালাকের বিষয়ে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র যুক্ত করা হয়, যেখানে নারীরা চাইলে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারবেন। আবার ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭ ধারা যোগ করে পুরুষদের একচ্ছত্র ইচ্ছাধীন ক্ষমতা একটি পদ্ধতির মধ্যে আনা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো: তালাক-ই-তাওফিজের মাধ্যমে নারীরা কোনো ছাড় না দিয়েই বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারবেন। তবে এ ক্ষমতা তাঁকে স্বামীর কাছ থেকেই পেতে হবে। স্বামী চাইলে স্ত্রীকে এ ক্ষমতা না-ও দিতে পারেন।
বাংলাদেশের সংবিধান নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। আবার এটিও নিশ্চিত করেছে, সবার সমানভাবে মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বলা যায়, বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপের মাধ্যমে কিংবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে নারীরা বিচ্ছেদ ঘটাতে পারবেন না, এটি সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।
প্রস্তাব
বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার।
ভরণপোষণ
ভরণপোষণ বলতে শুধু খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থান বোঝায় না। এর অর্থ আরও ব্যাপক। সন্তানের সুষ্ঠু শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সবকিছু ভরণপোষণের মধ্যে পড়ে। মুসলিম আইনে বিয়ের মাধ্যমে স্ত্রী ও রক্তসম্পর্ক অনুযায়ী সন্তান এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মা-বাবাও সন্তানের ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হন।
আইনিভাবেই স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব স্বামীর। এমনকি বিচ্ছেদের পর ইদ্দতকালীনও তিনি ভরণপোষণ করতে বাধ্য। বিবাহবিচ্ছেদের পর কত দিন এ বাধ্যবাধ্যকতা থাকবে, সে বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের উচ্চ আদালত যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। মো. আহমেদ খান বনাম শাহ বানু বেগম [ এআইআর (১৯৮৫) এসসি ৯৪৫ ] মামলায় সিদ্ধান্ত হয়: তালাকের পর নারী দ্বিতীয় বিয়ের আগপর্যন্ত সাবেক স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী থাকবেন, যদি নিজের ভরণপোষণে তিনি অসমর্থ হন। ২০০১ সালে ড্যানিয়েল লতিফির মামলায় রায় হয়: আবার তালাকের পর, এমনকি ইদ্দতের সময়ের পরও স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে হবে।
বাংলাদেশেও ভরণপোষণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে হেফজুর রহমান বনাম শামসুন্নাহার বেগম ও অন্যান্য [৪ বিএলসি (আপিল বিভাগ) ১৪] মামলায়। হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত দেন: স্ত্রীর আবার বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাবেক স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাবেন। যদিও পরে আপিল বিভাগ এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বলেন: বিবাহবিচ্ছেদের পর ইদ্দতকালীন পর্যন্তই স্ত্রীকে ভরণপোষণ করতে বাধ্য থাকবেন স্বামী।
এ ছাড়া কাওসার চৌধুরী বনাম লতিফা সুলতানা [২২ বিএলডি] মামলায় সিদ্ধান্ত হয়: আদালত ভরণপোষণ একবার ঠিক করে দিলেও, ভবিষ্যতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভরণপোষণ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আবার মামলা করা যায়।
প্রস্তাব
১. স্ত্রী নিজের ভরণপোষণে অক্ষম হলে, বিশেষ ক্ষেত্রে তালাকের পরও তার আবার বিয়ের আগপর্যন্ত স্বামী তাঁর ভরণপোষণ করতে বাধ্য থাকবেন।
২. ভরণপোষণের পরিমাণ ও হার স্থির হবে চলতি বাজারদর, স্বামী বা স্ত্রীর সামর্থ্য এবং সামাজিক অবস্থা বিবেচনায়। এ ক্ষেত্রে সালিসি পরিষদের ভূমিকা আরও বাড়াতে হবে।
দত্তক
হিন্দু ও খ্রিষ্টান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান আছে, কিন্তু প্রচলিত মুসলিম আইনে দত্তকসংক্রান্ত কোনো বিধান না থাকায় নিঃসন্তান মুসলিম দম্পতি বৈধভাবে সন্তান দত্তক নিতে পারে না। দত্তকের বিধান ইসলাম সমর্থন করে, নাকি প্রবলভাবে অস্বীকার করে—বিষয়টি নিয়ে অনেক দ্বন্দ্ব রয়েছে। এ বিষয়েও আইনজ্ঞদের মধ্যে কোনো মতৈক্য নেই। কেউ কেউ বলেন, ইসলাম দত্তক সম্পূর্ণ নিষেধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে অন্যরা মনে করেন, কিছু শর্ত আরোপের মাধ্যমে দত্তক ইসলামে গৃহীত হয়েছে। অভিভাবকত্ব আইন, ১৮৯০-এর মাধ্যমে দত্তকব্যবস্থা ইসলামি আইনে কিছুটা প্রচলিত হলেও মূলত জটিলতার কারণে মানুষ এই আইনের সাহায্য প্রার্থনায় উৎসাহিত হয় না। এই আইনের জটিল দিকগুলো হলো, এ ক্ষেত্রে যাকে প্রতিপালনের জন্য নেওয়া হয়, তার পিতা-মাতা হিসেবে অভিভাবকত্ব গ্রহণকারীদের পরিচয় দেওয়া যায় না। অর্থাৎ সন্তানের অভিভাবক হিসেবে আদালত তাঁদের অনুমতি দিতে পারেন, কিন্তু তাঁর জন্মদানকারী পিতা-মাতার নাম অক্ষুণ্ন থাকবে। দত্তকের বিধান মুসলিম পারিবারিক আইনে না থাকায় সন্তান বেচাকেনার ঘটনা যেমন ঘটছে, তেমনি অন্যের সন্তানকে নিজের কাছে প্রতিপালনের জন্য অভিভাবকত্ব আইনের জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্যও বাধ্য করা হচ্ছে।
প্রস্তাব
মুসলিম পারিবারিক আইনে সন্তান ‘দত্তক’-এর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। দত্তক ছেলেমেয়েরা তাদের মা-বাবার সম্পত্তিতে অধিকার পাবে কি না, তা আলোচনার মাধ্যমে স্থির করা হবে।
বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধন
মুসলিম আইনে বিয়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক এবং না করাই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। খ্রিষ্টান আইনেও এ বাধ্যবাধতা থাকলেও, হিন্দু আইনে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিয়ে প্রমাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল ‘নিবন্ধন’। দেনমোহর ও ভরণপোষণ আদায়ের জন্যও এটি অপরিহার্য। কিন্তু হিন্দু আইনে এ বিধান না থাকায় অনেক সময় হিন্দু নারীরা তাঁদের অধিকার আদায়ে সমস্যায় পড়েন।
Convention on Consent to Marriage, Minimum Age for Marriage and Registration of Marriage, 1962-এ কনভেনশনে বাংলাদেশ স্বাক্ষরের মাধ্যমে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির জন্য আন্তর্জাতিকভাবেই দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
আবার কেন্দ্রীয়ভাবে নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকলে, কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সব তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। তা না থাকায় অনেক সময় ভুয়া বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধনের কাগজ তৈরির মতো ঘটনাও ঘটে। ফলে নারীরা প্রাপ্য অধিকার থেকেও বঞ্চিত হন।
প্রস্তাব
১. সব ধর্মের মানুষের জন্য নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয়ভাবে বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিবন্ধনব্যবস্থা চালু করা যায়।
দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধার
বৈধ বিয়ের ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে থাকতে রাজি না হলে, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারেন স্বামী। একইভাবে স্ত্রীও পারেন স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে।
এই অধিকার প্রথম স্বীকৃতি পায় মুন্সী বজলুর রহমান বনাম শামসুননিসা বেগম [১৮৬৭ (এমএলএ) ৫৫১] মামলায়। পরে এ বিষয়ে একাধিক মামলায় রায় দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: নেলী জামান বনাম গিয়াসউদ্দীন [৩৪ ডিএলআর (১৯৮২), ২২১, (হাইকোর্ট বিভাগ)] মামলায় বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন বলেন, সময়ের বিবর্তনে সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য স্বত্ব প্রয়োগের জন্য স্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বামীর সঙ্গে থাকতে বাধ্য করা এখন আর প্রচলিত কোনো বিধান নয়। রাষ্ট্রীয় আইন, জনস্বার্থ, আইনের দৃষ্টিতে নারী-পুরুষ সমতা ও সম-সুরক্ষা এবং দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের পরিপন্থী। এ ধরনের আইন ও এর অধীনে মামলা আইনত বাংলাদেশে চলতে পারে না। আবার এর বিপরীত রায়ও দেওয়া হয়েছে।
দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের অধিকার স্বামী বা স্ত্রীর একচ্ছত্র অধিকার নয়। এই অধিকার বিচার বিভাগের বিবেচনায় প্রয়োগ করা যায়। বলা যায়, এটি ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সংবিধানের পরিপন্থী। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তও হলো: দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের অধিকার যে-ই প্রয়োগ করুক, এটি ব্যক্তির স্বকীয়তা, স্বাধীনতা, সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
প্রস্তাব
দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের বিধানকে ‘পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’-এর এখতিয়ার থেকে বাদ দেওয়া।
বহুবিবাহ
‘বহুবিবাহ’ বিষয়টি ব্যতিক্রমী ঘটনা। একক বিবাহই আমাদের দেশে সাধারণ ঘটনা। কিন্তু সেই ব্যতিক্রমী ঘটনার সংখ্যাও কম নয়। মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯-এ বলা আছে, বহুবিবাহের কারণে স্বামী সমান আচরণ করতে অসমর্থ হলে, স্ত্রী চাইলে তাঁকে তালাক দিতে পারেন। তবে এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে ১৯৬১ সালে। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৬ ধারায় বলা হয়: আরবিট্রেশন কাউন্সিলের (সালিস পরিষদ) অনুমতি না নিয়ে এক বিয়ে বর্তমান থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে নিবন্ধন করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের কাছে কারণ উল্লেখ করে আবেদন করলে তিনি বর্তমান স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সন্তুষ্ট হলেই শুধু অনুমতি দেবেন। কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, কাউন্সিল যথাযথভাবে এ পদ্ধতি অনুসরণ না করেই অনুমতি দিচ্ছে কিংবা কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
বিষয়টি নিয়ে অন্য মুসলিম দেশগুলোর ভূমিকা অনুসরণীয়। যেমন—মরক্কো, তিউনিসিয়া, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ বহুবিবাহ নিষেধ করে দিয়েছে। আবার মালয়েশিয়ায় এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায় আছে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
প্রস্তাব
বহুবিবাহের ক্ষেত্রে শুধু আরবিট্রেশন কাউন্সিলকে ইচ্ছামতো ক্ষমতা না দিয়ে কয়েকটি শর্ত বসানো যায়। এসব শর্তের ক্ষেত্রেই শুধু দ্বিতীয় বিবাহের অনুমতি দেওয়া যাবে।
শীর্ষ মতামত
শফিক আহমেদ
আইনমন্ত্রী
পারিবারিক আইনের পর্যালোচনা এক দিনে হবে না। যাঁরা পারদর্শী, তাঁদের মত নিয়েই করা উচিত। মুফতিদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। একইভাবে হিন্দু বা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মত নিয়ে তাদের আইন পরিবর্তন করা উচিত। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে আইন করা হবে না।
এস কে সিনহা
আপিল বিভাগের বিচারপতি
অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে সন্তানের স্বার্থই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। উত্তরাধিকার জন্মগতভাবেই নির্ধারিত হয়। ধর্মান্তরিত হলে সেটা ব্যাহত হবে কি না, তা বিবেচনা করতে হবে। অভিন্ন কোডের কথা বলা হয়েছে। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ হিন্দুদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি? সময় এসেছে আইন পরিবর্তন করার।
সালমা মাসুদ চৌধুরী
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি
অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে বলা যায়, মা-ই হবেন সন্তানের হেফাজতকারী। এরপর সাবালক হয়ে সে নিজেই নিজের হেফাজতকারীকে পছন্দ করে নেবে। পিতার দ্বিতীয় বিয়ে তার হেফাজতের ক্ষমতা ক্ষুণ্ন না করলে মাতার হবে কেন? দত্তক ছেলেমেয়েরা সম্পত্তি পাবে কি না, তা নির্ভর করবে পিতা-মাতার ওপর। বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা উচিত, তবে ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
অর্থনীতিবিদ
হিন্দু পারিবারিক আইনে সংস্কারের প্রয়োজন। তবে সবই যে একসঙ্গে করতে হবে, এমন নয়। রেজিস্ট্রেশন, দত্তক—এগুলো আলাদা করে আইন করা দরকার এবং এগুলো এখনই করা যেতে পারে। তবে উত্তরাধিকার পরে করা হোক। অভিন্ন পারিবারিক আইনের কোনো বিকল্প নেই।
শামীম মো. আফজাল
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক
শরিয়াহ আইন বিষয়ে জবাব দেওয়ার এখতিয়ার কেবল মুফতিদের আছে। তাঁদের অনুমতি ছাড়া শরিয়াহ আইনের কোনো রকম পরিবর্তন আনা যাবে না। শরিয়াহ আইনসংক্রান্ত বিষয়ে আমার কাছে প্রস্তাব দিলে আমি মুফতিদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানাব।
ফাদার অ্যালবার্ট রোজারিও
আইনজীবী
ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে বিবাহসংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। মন্ডলীতে (চার্চ) বিবাহের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। আমরা ক্যানন আইন দ্বারা পরিচালিত। আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ নেই, তবে বিয়ে বাতিল হতে পারে, যদি বিয়েতে কোনো ত্রুটি থাকে। পালক পুত্রের সম্পত্তিতে অধিকার নেই, এর পরিবর্তন হওয়া উচিত। ওয়ারিশের সম্পত্তি দাবি করার একটা সময় বেঁধে দেওয়া দরকার।
হিন্দু পারিবারিক আইন
বাংলাদেশে হিন্দু পারিবারিক আইন তথা বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, অভিভাবকত্ব ও দত্তক বিষয়ে নারীদের অবস্থা খুব বৈষম্যমূলক। এ ছাড়া গোত্রভেদ ও প্রথার ভিত্তিতে প্রচলিত নিয়মও খুব নাজুক। এগুলো মূল হিন্দু দর্শনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ মনে হয় না। কারণ, প্রতিটি মানুষকে শুদ্ধ ও পরিপূর্ণ করাই হিন্দু দর্শনের মূল উদ্দেশ্য।
বর্তমান বাংলাদেশে ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্যান্য গোত্র ও গোষ্ঠী মূলত পেশাভিত্তিক। অতএব, গোত্রগত প্রথার ভিত্তিতে কোনো নিষিদ্ধতা যেমন অন্তর্গোত্রীয় বিবাহের নিষিদ্ধতা বাস্তবতার পরিপন্থী। প্রথাগত হিন্দু আইনে বহুবিবাহের প্রচলন থাকলেও বাস্তবে তা কমই ঘটে। অন্যদিকে, আর্থসামাজিক, পারিবারিক ও অন্যান্য অনেক কারণে বিবাহবিচ্ছেদ অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারে, যা বর্তমান আইনে নিষিদ্ধ। পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রেও তাঁদের আপত্তির প্রমাণ নেই। বর্তমান সময়ে বিবাহ নিবন্ধনের প্রয়োজন। বিদেশযাত্রা, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ নিরোধ, আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ক্ষেত্রে নিবন্ধন অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া নিবন্ধনকরণ কোনোভাবেই হিন্দু বিবাহের ধর্ম বা চরিত্র খর্ব করে না।
হিন্দু পারিবারিক আইনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিন্দু নারীর উত্তরাধিকারহীনতা। নারীর ভরণপোষণ পুরুষের দয়ার ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান নাজুক আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে নারীর জন্য এ অবস্থা কাঙ্ক্ষিত নয়। তবে বিরুদ্ধ যুক্তি হচ্ছে, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে হিন্দু নারী তার সম্পত্তি কতটা ভোগ এবং রক্ষা করতে পারবে, এটি বিবেচনায় রেখে সতর্কভাবে সংস্কারের জন্য এগোনো দরকার।
শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী, কিছু রোগাক্রান্ত ও অসতী নারীকেও সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। মনে হয়, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং নারীর শুদ্ধতা আধ্যাত্মিক কাজের জন্য অপরিহার্য মনে করা হতো। সম্পত্তি রক্ষা ও আধ্যাত্মিক কাজের জন্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং শুদ্ধতা অপরিহার্য—এ যুক্তি আধুনিক মানবাধিকারের যুগে গ্রহণযোগ্য নয়। সম্পত্তি রক্ষা ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক অবস্থার চেয়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও আইনি অবস্থার ওপর বেশি নির্ভরশীল। অন্যদিকে, অসতীত্ব সংজ্ঞায়িত করা এখন অধিকতর কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও সতীত্ব একটি বড় গুণ, তবু এ কারণে একজনকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা গ্রহণযোগ্য মনে হয় না।
উত্তরাধিকার আইনের সংশোধন হলে ভরণপোষণ আইনেরও সংশোধন হতে হবে এবং নারীদের সম্পত্তির অধিকার দিলে বৃদ্ধ ও নাবালকদের ভরণপোষণেও তাদের দায়িত্ব বাড়বে। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ভরণপোষণের দায়িত্বও দেওয়া যেতে পারে।
দত্তক দেওয়া-নেওয়া হিন্দু আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মনে করা হয়, নিঃসন্তানের দত্তক পুত্র ধর্মীয় কর্ম সাধন করবে। যেমন, পুত্র পিতার মৃত্যুতে তাঁর আত্মার শান্তির জন্য শেষকৃত্য নিয়ম পালন করবে। এটা যুক্তিসংগত, কিন্তু নিঃসন্তান নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে কোনো পুত্র বা কন্যাকে নিজ সন্তান হিসেবে দত্তক নেওয়া তার সন্তান লাভের একটি চিরন্তন ও গভীর আকাঙ্ক্ষা, যা দত্তকের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব। এখানে দত্তক গ্রহীতা ও যাকে দত্তক নেওয়া হবে, উভয় ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ ভেদাভেদ থাকা ঠিক নয়।
প্রস্তাব
১. বিবাহ ও দত্তকের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গোত্রভেদ (caste) প্রথার বিলোপ,
২. বহুবিবাহ প্রথা বিলোপ,
৩. স্বামী বা স্ত্রী যে কারও উদ্যোগে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ থাকা, তবে আইন অনুযায়ী আদালতের শর্ত সাপেক্ষে তা কার্যকর করা,
৪. বিবাহবিচ্ছেদের পর পুনর্বিবাহের সুযোগ রাখা,
৫. বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদের নিবন্ধন,
৬. পিতা-মাতার সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে ছেলের সঙ্গে বিবাহিত বা অবিবাহিত কন্যার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার লাভ। তবে হিন্দু পুরুষ বা নারী ধর্মান্তরিত হলে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে,
৭. বর্তমানে প্রচলিত সম্পত্তিতে নারীর সীমিত অধিকার লাভের স্থলে পূর্ণ অধিকার প্রদান।
৮. শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী এবং অসতীত্বের কারণে উত্তরাধিকারবঞ্চিত করার প্রচলিত নিয়ম বাতিল,
৯. অবৈধ সন্তানের উত্তরাধিকার লাভের স্বীকৃতি,
১০. বিবাহিত বা অবিবাহিত নারীর কন্যা বা পুত্র দত্তক হিসেবে গ্রহণ করার স্বীকৃতি,
১১. কন্যাশিশুর পুরুষ বা নারী কর্তৃক দত্তক পাওয়ার অধিকারের স্বীকৃতি
১২. পিতা কর্তৃক তৈরি ইচ্ছাপত্রে মাতার সম্মতির প্রয়োজনীয়তা।
খ্রিষ্টান পারিবারিক আইন
ফস্টিনা পেরেরা, মানবাধিকারকর্মী
দেশ বিভাগের আগে ও পরে হিন্দু বা মুসলিম পারিবারিক আইনে বিভিন্ন পরিবর্তন সূচিত হলেও খ্রিষ্টান ধর্মানুসারীদের জন্য প্রযোজ্য আইনে তেমন কোনো পরিবর্তন সাধিত হয়নি। পুরোনো আইনের কারণে খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বীরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে ব্যভিচার, বাল্যবিবাহ, গৃহনির্যাতন, বহুবিবাহ, আইনি বিচ্ছেদ ছাড়া পৃথকভাবে বসবাস করা, প্রতারণার মাধ্যমে বিচ্ছেদ, হলফনামাকে বিবাহ বা বিচ্ছেদের যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা, সম্পত্তি বণ্টন বা সম্পত্তি আত্মসাৎ, শিশুর ভরণপোষণ, যৌতুক, দত্তক নেওয়া সন্তানের আইনি মর্যাদা, বিবাহবিচ্ছেদে আইনি জটিলতা, উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে অসম দাবি ইত্যাদি। উল্লিখিত সমস্যার সমাধানকল্পে বিভিন্ন আইনে সংশোধন আনা অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রস্তাব
১. বিবাহবিচ্ছেদ আইনের সংশোধন নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য বিলোপে বিবাহবিচ্ছেদ আইন-১৮৬৯-এর ১০ ধারা সংশোধন করা এবং বিচ্ছেদের কারণের পরিধি বৃদ্ধি করা, যেমন—ব্যভিচার, ধর্ষণ ও শারীরিক, যৌন, মানসিক বা অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার বা শিকার হওয়ার হুমকি থাকলে আবেদনকারী যেন বিবাদী থেকে আলাদাভাবে বসবাস করার সুযোগ পায়। এ রকম আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাতে কোনো যুক্তিযুক্ত অজুহাত ছাড়া দুই বছর পৃথক থাকার অনুমতি পায়। মানসিক বৈকল্য বা এমন কোনো রোগে আক্রান্ত, যার কারণে বিবাদীর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করা অসম্ভব বা যেখানে সম্পর্ক এমনভাবে ভেঙে গেছে যে তা বজায় রাখা এক বা উভয় পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর, সে ক্ষেত্রে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য নতুন ধারা সংযোজন। বিরোধের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত হবে প্রথম বিচার্য আদালত এবং জেলা জজ আদালত হবে আপিল আদালত, যা সারা দেশে কার্যকর হবে এবং তার ভূতাপেক্ষ প্রয়োগ থাকবে।
২. দত্তক সম্পর্কে নতুন আইন করা ।
৩. উত্তরাধিকার আইন-১৯২৫-এর ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশে খ্রিষ্টানদের দত্তক নেওয়া-সম্পর্কিত কোনো আইন না থাকায় দত্তক সন্তানেরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। যেহেতু তাদের ধর্মীয় প্রথায় দত্তককে স্বীকৃত দেওয়া হয়েছে, তাই এ বিষয়ে সংশোধন আনা দরকার। বর্তমান আইনে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাকে বাদ দিয়ে পিতা উত্তরাধিকারী হন। বৈষম্যমূলক এ ধারাটিও সংশোধন করতে হবে।
৪. কানুন আইনের দ্বারা বিবাহবিচ্ছেদকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা সংশোধন করতে হবে।
বিচ্ছেদ আইন বিশ্বের সব দেশই [ভ্যাটিকান ছাড়া], এমনকি ক্যাথলিক দেশগুলোও স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে আয়ারল্যান্ড, চিলি, ব্রাজিল ও মাল্টা উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া ফিলিপাইনেও ২০০১ সালে বিচ্ছেদ আইন ১৮৬৯ সংশোধন করে পাস করা হয়েছে। ক্যাথলিক বিশপ কনফারেন্স অব ইন্ডিয়া [সিবিসি] খ্রিষ্টানদের সিভিল আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি দিয়েছে, যাতে করে খ্রিষ্টান বিবাহবিচ্ছেদের কারণগুলোর ক্ষেত্র বৃদ্ধি পায়।
ইংরেজি থেকে অনূদিত। সংক্ষেপিত।
ঘোষণা
আজকের আয়োজন বিষয়ে পাঠকের যেকোনো প্রতিক্রিয়া বা মতামত আমরা ছাপতে আগ্রহী। আপনার প্রতিক্রিয়া বা মতামত পাঠাতে পারেন এই ঠিকানায়—আইন অধিকার, প্রথম আলো, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫। এ ছাড়া ফেসবুকে আইন অধিকার পেজ www.facebook.com/AINADHIKAR-এ যোগ দিয়েও মতামত জানাতে পারেন। ই-মেইলও করতে পারেন
ain@prothom-alo.info।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ► 2026 (1856)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 22
(117)
- ভারতের বাজেটে বাংলাদেশ ইস্যু by গৌতম লাহিড়ী
- রাজনীতি-এগোতে পেরেছি কত দূর? by তারেক শামসুর রেহমান
- 'ফিয়ার ফ্যাক্টর' by সুভাষ সাহা
- রম্য-সংবর্ধনা যত আছে আমাদের খাতাতে by রণজিৎ বিশ্বাস
- রাজনীতি-পাকিস্তান কানেকশন! by মইনুল ইসলাম
- পর্যটন শিল্পের বিকাশে কিছু প্রস্তাবনা by মোহাম্মদ ...
- বাংলাদেশের সংবিধানে চাই জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন by ...
- দেখার ভেতরে বাইরেঃ জনগণমন প্রতিক্রিয়া by মোহাম্মদ ...
- সংবিধান নিয়ে অনিশ্চয়তা by শাহ আবদুল হান্নান
- নির্বাচকমণ্ডলীর জানার অধিকার আছে by এবনে গোলাম সামাদ
- আইনের শাসনের কথা বললেন প্রধান বিচারপতিঃ কিন্তু উদ্...
- নদী যেন অশ্রুধারাঃ সুরক্ষার কাজ লাগসই হচ্ছে না
- চারদিক-পিঠা খাবেন, পিঠা? by মুজিবুর রহমান
- হেনার মৃত্যু-ধর্ষিতকেই যখন দোররায় মরে যেতে হয় by ক...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-পুলিশ, কসবি ও হোটেলের জমা-খরচ...
- মাতৃভাষা-আমাদের ভাষাপ্রেম! by সৌরভ সিকদার
- মিসর-রক্ত ও বিপ্লবের রং by রবার্ট ফিস্ক
- সময়ের প্রতিবিম্ব-ষড়যন্ত্রকারীরা আশপাশেই আছে by এবি...
- মৃত্যুর পরও কি হেনারা রেহাই পাবে না?-ধর্ষণ, দোররা ...
- সাফল্য পেতে বার ও বেঞ্চকে একাত্ম হতে হবে-সুপ্রিম ক...
- চারদিক-অন্য রকম কুচকাওয়াজ by হামিদ উল্লাহ
- সড়কপথ-ধান ভানতে শিবের গীত গাইলেন যোগাযোগমন্ত্রী by...
- চিরকুট-জগৎ জোড়া জাল by শাহাদুজ্জামান
- হেনার মৃত্যু-এখনো গেল না আঁধার by আয়শা খানম
- স্বচ্ছতা-দুই নেত্রীর সম্পদের হিসাব by বদিউল আলম মজ...
- আড়িয়ল বিলের ঘটনায় গণহয়রানি বন্ধ করুন-গণমামলা
- সরকার আসলেই কি সংস্থাটি সচল রাখতে চায়?-বসে যাওয়া ব...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-প্রসাদ রায়: সাহসের আরেক নাম by বৃত্বা...
- মিসর-মার্কিন দূতের ব্যবসায়িক স্বার্থ by রবার্ট ফিস্ক
- দূর দেশ-মিসর: গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ by আলী রীয়াজ
- উৎসব-বাগেদবী সরস্বতী by তারাপদ আচার্য্য
- ফতোয়া-হেনার মৃত্যু ও আমাদের মূল্যবোধ by সালমা খান
- বাঘা তেঁতুল-নরমূত্র by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-ভাবিয়া করিও কাজ... by আনিসুল হক
- বর্ষার বিষয়টি কি কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নেবে?-খোলা মাঠ...
- সরকার ও বিরোধীদের কাছে সংযত আচরণই কাম্য-বাসে আগুন,...
- বাংলা ডোমেইন-সুদূরপরাহত থেকে যাবে?
- বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ধর্মঘট-শিক্ষার্থীদের স্বার্থ...
- কান্না থামছে না বদরের বাড়িতে by গৌরাঙ্গ নন্দী
- ছয়টি বড় প্রকল্পের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থায় এর অ্যাল...
- সেই দুই প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত
- সোর্স চক্করে চট্টগ্রাম র্যাব! by এস এম রানা
- আজকের সব বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত-হরতালে লণ্ডভণ্ড এইচ...
- বিএনপির ডাকা হরতাল আজ
- নিখোঁজ রহস্যের নতুন ক্লু সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ঘটনা-...
- গণপরিবহনে আগুন চালক পুড়ে কয়লা
- শঙ্কা ও সংকটে মোড়া জনজীবন-সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরি...
- ঘুষ-দুর্নীতির মহোৎসব-এভাবে দেশ চলতে পারে না
- পবিত্র কোরআনের আলো-জিহাদ ফরজে কেফায়া, সবার জন্য সব...
- মমতা, ক্ষমতা ও ফতোয়া by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- অথ কালো বিড়াল সমাচার by তারেক শামসুর রেহমানঅথ কালো...
- চরাচর-জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে by আফতাব ...
- রঙ্গব্যঙ্গ-পাত্র ভয়ংকর by মোস্তফা কামাল
- সমুদ্রসীমার বিরোধ মীমাংসায় নৌবাহিনীর অবদান by মিল...
- বাংলাদেশে জৈব সারের ব্যবহার by এ এম এম শওকত আলী
- কেউ আইন ভাঙেনি ... by আসিফ আহমদ
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-বিকল্প মিডিয়ার উত্থান by একরামু...
- সময়ের কথা-আলোর সঙ্গে কিছু অন্ধকারও বণ্টন by অজয় দা...
- উত্তরবঙ্গে খাদ্যগুদাম-১৮ মাসে বছর!
- পবিত্র শবেবরাত-সৌভাগ্য ও শান্তির বারতা
- র্যাবের বিলম্বিত বোধোদয়
- নদীর এ কেমন সীমানা নির্ধারণ?
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহর আয়াতকে স্বল্পমূল্যে বিক...
- আইভরি কোস্ট এখন কোন পথে? by মার্ক ওপেন হাইমার
- ইলিশ এবং পরিবেশবিষয়ক কথকতা by ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস
- ফুকুশিমা বিস্ফোরণ এবং বাংলাদেশ প্রসঙ্গ by তারেক শা...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-লিমনের ওপর নিষ্ঠুরতা এবং আমাদের ম...
- চরাচর-মানুষের কল্যাণে বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ by আফতা...
- এস এম আব্রাহাম লিংকন-সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ব্...
- বিবর্ণ সমাজচিত্রের নানা দিক by নিয়াজ আহম্মেদ
- ইতি-নেতি-বাঙালির রাজনীতির হালখাতা by মাসুদা ভাট্টি
- অর্থনীতি-নারীর গৃহস্থালি কাজ ও অর্থমন্ত্রীর কথা by...
- মিসর-স্বৈরাচার পতনের লগ্ন by রবার্ট ফিস্ক
- সরল গরল-র্যাবলিকস ও আমাদের আমেরিকাপ্রীতি by মিজান...
- অপহরণ আতঙ্কে দক্ষিণখানবাসী-নিখোঁজ নারী-শিশুরা কোথা...
- গ্রামাঞ্চলে যেতে চিকিৎসকদের অনীহা কেন?-আশা-নিরাশায়...
- চারদিক-অটোগ্রাফে ভরা টি-শার্ট by নেয়ামতউল্যাহ
- ইউরোপের চিঠি-পেন্টাগনের বাজেট আসলেই কি কমেছে by পি...
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-সংশোধনী প্রস্তাব জনগণকে জান...
- বইরঙ্গ by শওকত হোসেন
- পুতা লইয়া যাও by জসীমউদ্দীন
- ভাষার উদ্ভব হয় কীভাবে? by আব্দুল কাইয়ুম
- অহেতুক কৌতুক
- কর্তৃপক্ষকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে-ফেসবুক উপেক্ষিত
- বিশ্ব ধরিত্রী দিবস-সভ্যতার আয়ু নির্ধারণ করবে জলবায়...
- পাকিস্তান-দুঃখের সমাবেশই আমার দেশ by তারিক আলী
- সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুর...
- অভিযানে সোর্সের তথ্যই যথেষ্ট নয়-প্রশ্নবিদ্ধ র্যাব...
- স্মরণ-বেতারের মানুষ by সৈয়দ জিয়াউর রহমান
- নতুন স্টেডিয়াম হচ্ছে কর্ণফুলীর তীরে
- বিদ্যুৎ উৎপাদন সংকটে-কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবি...
- সিটি করপোরেশনের কানে তালা-ফুটপাত দখল চলছেই by হামি...
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের জরিপ-প্রাথমিক স্তর...
- চট্টগ্রামে গুম: চারজন আওয়ামী লীগের, একজন বিএনপির-স...
- পারিবারিক আইন সংস্কারের চিন্তাভাবনা
- সংখ্যায় ৭ দিন
- রং বেরং-কত দূরে পারো নিতে?
- গলফের রাজ্যে ১৪ রাজা! by সিয়াম রহমান
- ‘জীবন তো স্বাচ্ছন্দ্যেই কাটছে’
- ক্রিকেটে
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- রফিক-উল হকের প্রশ্ন-দেশে কী হচ্ছে?
- নীতিমালা ভেঙে রেলে নিয়োগ, মৌখিকে নম্বর দ্বিগুণ by ...
- ‘এহন হরতাল আলারা কি আমার সংসার চালায়ে দেবেনে?’ by ...
- ভারতের সঙ্গে ঋণচুক্তি: ১০০ কোটি ডলার ঋণের ছয় প্রকল...
- চার দিনেও খোঁজ মেলেনি ইলিয়াসের-স্ত্রীকে নিয়ে নিষ্ফ...
- আ.লীগের নেতারাও আতঙ্কিত-দায় এড়াতে পারে না সরকার
- আজ সকাল-সন্ধ্যা হরতাল-হরতালের আগে বাসে আগুন, ঘুমন্...
- ফিরে ফিরে আসে হরতাল by আদিত্য আরাফাত
- ইলিয়াসকে নিয়ে খবরের ঘনঘটা
- হাসিনা-খালেদার রাজনীতি আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে b...
- একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু এবং চলমান ছাত্ররাজনীতি by দ...
- সাহসের সমাচারঃ দিগ্বিজয়ী হাসি by আল মাহমুদ
- ভারত বিভাগ এবং স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন by ডা. ফজল মো...
- সাবধান! সামনে বিপদ! by মাহবুব তালুকদার
- যে কথা বলতে চাইঃ এবার খড়গহস্ত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত by...
- লোডশেডিং বাড়বেঃ বিলম্বিত পদক্ষেপের খেসারত
-
▼
Apr 22
(117)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
চট্টগ্রাম
বিশাল বাংলা
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
কালবেলা
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
মুসলিম
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ইউরোপ
ছাত্রলীগ
ইতিহাস
প্রতিবেদন
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
সৌদি আরব
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
ইউক্রেন
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
স্বাস্থ্য
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
নেপাল
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
মিসর
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
শোক
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জীবনযাপন
লেবানন
জাপান
রঙের মেলা
Exclusive
ঐতিহ্য
শিল্প
কুমিল্লা
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
ইয়েমেন
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
মসজিদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
জলবায়ু ও পরিবেশ
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
জনস্বাস্থ্য
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কাতার
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
হুমায়ূন আহমেদ
আবুল হাসনাত
আল আমিন
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
অমিত বসু
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
জার্মানি
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
ব্যবসা
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আরব আমিরাত বা দুবাই
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
দক্ষিণ কোরিয়া
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
লিবিয়া
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
ইসলাম
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
জোহরান মামদানি
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মহাকাশচারী
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জলবায়ু পরিবর্তন
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
ইহুদি
কিশোর আলো
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
সোমালিয়া
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment