Monday, December 12, 2011
কালান্তরের কড়চা-একটি ব্যর্থ ও বিকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মৃতদেহে প্রাণসঞ্চার করে লাভ হবে কি? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালান্তরের কড়চা-একটি ব্যর্থ ও বিকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মৃতদেহে প্রাণসঞ্চার করে লাভ হবে কি? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
বাংলাদেশে এখনো ঋণাত্মক রাজনীতির প্রবাহ বইছে। এই যে সারা বিশ্বে এত পরিবর্তনের ঢেউ, তার কোনো কিছুই বঙ্গোপসাগরের তীর পর্যন্ত এসে পেঁৗছতে পারছে না। দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল, মনে হয় দুটিই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখে অতীতের জেদাজেদি রাজনীতিতেই আবদ্ধ থাকতে চাইছে। বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল একটি পরীক্ষামূলক সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে; স্থায়ী ব্যবস্থা
হিসেবে নয়। এই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থায় কয়েকটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যবস্থাটি সফল বলে প্রমাণিত হয়নি।
অথচ এই অসফল ও অস্থায়ী ব্যবস্থাটিকেই স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে ধরে রাখা এবং আগামী নির্বাচনও এই ব্যবস্থার অধীনে করার জন্য জেদ ধরেছে বিএনপি। অন্যদিকে সাহাবুদ্দীন-লতিফুর রহমানের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কুকীর্তি, ইয়াজউদ্দিনের অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং এক-এগারোর সেনা তাঁবেদার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্মকাণ্ড দেখার পর বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার এই ব্যবস্থাটি বাতিল করেছে। আদালতেরও সিদ্ধান্ত সেদিকেই। তবে আওয়ামী লীগ সরকার জেদ ধরেছে, তারা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবার থেকেই শুরু করবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল রাখা হবে কি হবে না, তা কোনো জেদাজেদির ব্যাপার নয়। দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যদি সহায়ক হয়, তাহলে ব্যবস্থাটি আরো কিছুকাল বহাল রাখা যেতে পারে। কিন্তু যদি সহায়ক না হয়, তাহলে তা বাতিল করা অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু বিএনপি জেদ ধরেছে, এই ব্যর্থ ব্যবস্থাটি বহাল না রাখলে তারা নির্বাচনে যাবে না; নির্বাচন হতে দেবে না। সম্প্রতি বিএনপিনেত্রী এই সিদ্ধান্তটি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং অন্যদিকে আওয়ামী লীগনেত্রী জোরের সঙ্গে বলেছেন, কোনো কারণেই আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচন হবে না। হবে দলীয় সরকারের অধীনে। এই জেদাজেদির ফলে অবস্থা কী দাঁড়াবে? দেশকে একটি সংঘর্ষমূলক অথবা অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হবে কি?
আমার ধারণা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না, এটা একটা বিরাট ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছু নয়। এটা একটা অজুহাত। আসলে ছলে-বলে-কৌশলে তাদের নির্বাচনে জয়ী হতে না দিলে, তারা নির্বাচনে যেতে চায় না এবং গেলেও সংসদে বসতে চায় না। কয়েকটি নির্বাচনই তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার যে কয়টিতে বিএনপি পরাজিত হয়েছে, সেই পরাজয়ও তারা মেনে নেয়নি। বলেছে, তাদের জয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এই অজুহাতে তারা সংসদে যায়নি। কিন্তু নির্লজ্জভাবে বেতন-ভাতা, গাড়ি-বাড়ির সব সুবিধা ভোগ করেছে এবং এখনো করছে।
সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা হলেও তাতে বিএনপি জয়ী না হলে তারা সেই নির্বাচনের রায় মেনে নেবে এবং সংসদে যাবে তার নিশ্চয়তা কি? নির্বাচনে পরাজিত হলে তারা অবশ্যই সংসদে যাবে না। এখন তারা শুধু দয়া করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, সে জন্য তাদের আবদার পূরণের জন্য কি একটি ব্যর্থ ও দূষিত ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা সঙ্গত হবে? তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও পরাজিত হলে বিএনপি বলে, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তারা সংসদে যায় না। অথচ এখন তারা বায়না ধরেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাখতেই হবে।
অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের যখন প্রথম দাবি ওঠে, তখন ক্ষমতায় বসে বিএনপি তার ঘোর বিরোধিতা করেছে। তারপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পরাজিত হতেই তারা সেই পরাজয় মানেনি। নির্বাচনের সুষ্ঠুতা স্বীকার করেনি। নানা অজুহাতে সংসদ বর্জন করেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরও তারা তাই করেছে। এখন নানা দোষে দুষ্ট এবং ব্যর্থ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটি বাতিল হতেই তারা এই ব্যবস্থায় মহাপ্রেমিক সেজেছে এবং চিৎকার শুরু করেছে, এই ব্যবস্থা রাখতেই হবে। এই ব্যাপারে তারা কি জনসাধারণের কাছে প্রকাশ্য অঙ্গীকার ঘোষণা করতে রাজি আছে যে এই ব্যবস্থার অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে এবং তারা পরাজিত হলে সেই পরাজয় তারা মেনে নেবে? কোনো অজুহাতেই আর সংসদ বর্জন করবে না?
বিশ্বের সব সভ্য ও গণতান্ত্রিক দেশেই ক্ষমতাসীন সরকারের তত্ত্বাবধানেই সব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভারত ও পাকিস্তানেও তাই হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যে প্রথম সাধারণ নির্বাচন (১৯৭৩) হয় তাও দলীয় সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তী সময় যে এই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রইল না, সে জন্যও খালেদা জিয়া এবং তাঁর সরকারের চরম নির্বাচনী জালিয়াতি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দায়ী। আওয়ামী লীগ দায়ী নয়। মাগুরার একটি নির্বাচন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিএনপি যে জালিয়াতি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের আশ্রয় নেয়, তা ছিল সারা উপমহাদেশে অভূতপূর্ব। বিএনপির ক্যাডারদের সন্ত্রাসের মুখে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পর্যন্ত ওই কেন্দ্র থেকে পালাতে হয়েছিল। '৯৬ সালে ফেব্রুয়ারি-নির্বাচন ছিল জালিয়াতি।
বিএনপি সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ অসম্ভব জেনেই শুধু আওয়ামী লীগ নয়, সব রাজনৈতিক দল বিকল্প ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানায়। যে জামায়াত এখন বিএনপির প্রাণের বন্ধু, সেই জামায়াতও সেদিন বিএনপি সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন একেবারেই অসম্ভব বলে ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছিল। সারা দেশের মানুষের দাবির মুখে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু গোড়া থেকেই এই ব্যবস্থাটিকে সুষ্ঠুভাবে চলতে দেয়নি।
১৯৯৬ সালে সংসদের মধ্যরাতের অধিবেশনে (বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে) তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার আইন পাস করতে গিয়ে সামরিক বাহিনী সম্পর্কিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে (এই পদে তখন ছিলেন বিএনপি দলের রাজাকার রাষ্ট্রপতি নামে পরিচিত আবদুর রহমান বিশ্বাস) রেখে দিয়ে ব্যবস্থাটিকে শুরুতেই বিকলাঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং এই ব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচন বানচাল করার জন্য রাষ্ট্রপতি ও সামরিক বাহিনীর একাংশের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করা হয় (অনেকটাই ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের মতো)। তবে সেটা সফল হয়নি। রাজাকার রাষ্ট্রপতি সব দোষ তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমের ঘাড়ে চাপিয়ে তাঁকে পদচ্যুত করেন। পরে এই চক্রান্তের আসল নাটেরগুরুদের একজন জেনারেল মাহবুবুর রহমান সামরিক চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর বিএনপিতে যোগ দেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটিকে ভণ্ডুল করতে না পেরে বিএনপি এই ব্যবস্থাটিকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা চালায় এবং তাতেও অনেকাংশে সফল হয়। পাকিস্তানের আইএসআই, পশ্চিমা কূটনীতিকদের ঢাকাস্থ ট্যুইসডে ক্লাব, ঢাকার এক শ্রেণীর এলিটদের সুশীল সমাজ, নিরপেক্ষ নামে পরিচিত দুটি বর্ণচোরা মিডিয়া ইত্যাদির সাহায্যে তখনকার সাহাবুদ্দীন-লতিফুর জুটি তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বিএনপি জব্দ করে ফেলে এবং সামরিক বাহিনীর প্রভাবশালী একাংশের সহায়তায় তারা নির্বাচনে 'মহাবিজয়ের' অধিকারী হয়।
বস্তুত এরপর থেকেই বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মহাপ্রেমিক হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারে, এই ব্যবস্থাটিকে হাইজ্যাক করে তারা যা করতে পারে, তা নিজেরা ক্ষমতায় বসে করতে পারে না। সুতরাং ক্ষমতায় বসেই শুরু হলো এই হাইজ্যাক প্রসেস। এই প্রসেস সফল করার জন্য দেশের অশুভ রাজনীতির সবচেয়ে কুশলী রূপকার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ তো তাদের সঙ্গেই ছিলেন। পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেব যে বিচারপতি নিয়োগ পাবেন, তিনি যাতে অঙ্গুলি হেলনের বাইরের লোক না হন, সে জন্য নির্লজ্জভাবে বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়স বাড়ানো-কমানো হলো। তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলো। তাদের সাহায্যে যে ভোটার তালিকা তৈরি করা হলো, পরবর্তী সময়ে ধরা পড়েছে, তাতে কোটিখানেকের বেশি ছিল ভুয়া ভোটার।
এই ধরনের অপরাধ করার সাহস এবং ক্ষমতা দুই-ই সম্ভবত আওয়ামী লীগের ছিল না এবং এখনো নেই। কিন্তু শুধু অপরাধ করার ব্যাপারে নয়, গলাবাজিতেও বিএনপি দক্ষ। ক্ষমতায় বসে যেসব গুরুতর অন্যায় ও অপরাধ তারা করেছে, যেসব অন্যায় ও অপরাধ এখন তারা আওয়ামী লীগের কাঁধে চাপিয়ে তারস্বরে চিৎকার জুড়েছে। খালেদা জিয়ার বক্তৃতা-বিবৃতি পাঠ করলে মনে হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এমনই এক ব্যবস্থা, যা না থাকলে রোজকিয়ামত এসে যাবে এবং তাদের চেয়ে গণতন্ত্রের বড় পূজারি আর কেউ নেই।
এই মায়াকান্নার কারণ, গত নির্বাচনের সময় তারা ব্যবস্থাটি হাইজ্যাক করেছিল, আগামী নির্বাচনেও করতে পারবে_এই আশা করছে। সংবিধানের সব বিধিবিধান ও মর্যাদাকে লাথি মেরে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে অগ্রাহ্য করে দলীয় রাষ্ট্রপতিকে (ইয়াজউদ্দিন) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বনিযুক্ত প্রধান বানিয়ে এবং তাঁর দ্বারা নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ করে, তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন ও ভুয়া ভোটার তালিকা দ্বারা যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা হয়েছিল, তার চেয়ে বড় জালিয়াতির নির্বাচনের দ্বিতীয় উদাহরণ সম্ভবত আফ্রিকার জঙ্গলেও খুঁজে পাওয়া যেত না। এক-এগারোর আগে দৃশ্যত মনে হচ্ছিল দেশ চলছে ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দ্বারা। কিন্তু দেশের একটি শিশুও তখন জানত ইয়াজউদ্দিন চলছেন এবং চালিত হচ্ছেন বেগম জিয়া এবং তাঁর ছেলে তারেকের টেলিফোনের মাধ্যমে দেওয়া নির্দেশের দ্বারা_ইয়াজউদ্দিনও নয়, মাতা-পুত্রই চালাচ্ছেন।
এই অবস্থায় দেশ একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। এক-এগারোর সরকারের ক্ষমতায় বসে যত অন্যায়ই করে থাকুক, কিন্তু যে কাজটির জন্য দেশের মানুষ এখনো তাদের দিকে ক্ষমাসুন্দর চোখে তাকায় তা হলো, দেশকে একটি ভয়ংকর গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচানোর জন্য তাদের সময়োচিত পদক্ষেপ। কী কারণে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা এখানে প্রাসঙ্গিক নয় এবং তার প্রয়োজনও নেই। কিন্তু তাদের এই এক দিনের পদক্ষেপ একটি ভয়াবহ ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। বিএনপিনেত্রীর নির্দেশে বঙ্গভবনে বসে বশংবদ ইয়াজউদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটি হত্যা করে তার লাশের ওপর বসে দেশ চালাচ্ছিলেন। জেনারেল মইন ও তাঁর সহকর্মীরা বঙ্গভবন থেকে সেই লাশ এবং লাশের ওপর উপবিষ্ট ব্যক্তিটিকে সরিয়ে একটি সিভিল-মিলিটারি সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে দেশকে বাঁচান।
ফখরুদ্দীন সরকারেরও পরিচয় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আসলে সরকারটি ছিল একটি অনির্বাচিত সিভিল-মিলিটারি সরকার। ইয়াজউদ্দিনের মাধ্যমে চালিত চক্রান্তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটি আগেই নিহত হয়। দেশের যে কল্যাণ করার জন্য ব্যবস্থাটির উদ্ভব ঘটেছিল, বিএনপি হাইজ্যাক করায় প্রথমে তাতে বিকৃতি ঘটে এবং পরে সেটির মৃত্যু ঘটে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবস্থাটিকে মর্যাদার সঙ্গে যথাসময়ে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিকই করেছে। বিএনপি এখন বিপাকে পড়ে এই ব্যবস্থার মৃতদেহের বা প্রেতাত্মার পুনরুজ্জীবন চায়।
দেশ শাসনে আওয়ামী লীগের অনেক ভুলত্রুটি থাকতে পারে, ব্যর্থতা থাকতে পারে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদের নির্বাচন-উপনির্বাচন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনেই কারচুপি ও জালিয়াতি করার দুর্নাম আওয়ামী লীগের নেই। এবারও সিটি করপোরেশন থেকে পৌরসভা নির্বাচনে নিরপেক্ষতা লঙ্ঘিত হওয়ার অভিযোগ তোলার সুযোগ বিএনপি পায়নি। পৌরসভা নির্বাচনই প্রমাণ করে, এখন দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিক নির্বাচনব্যবস্থায় ফিরে যেতে দেরি করা উচিত নয়। বিএনপি যদি দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে দেশের আর সব নির্বাচনেই অংশ নিতে পারে, তাহলে জাতীয় সংসদের নির্বাচনে অংশ নিতে আপত্তি কোথায়? ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় এলে তাদের সরকারের তত্ত্বাবধানেই তো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে, যে দলের সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, নির্বাচন কমিশন যেন স্বাধীন ও যথেষ্ট শক্তিশালী থাকে। ভোটার তালিকা যেন নির্ভুল ও সঠিক হয়। কোনো কারণেই ভুয়া ভোটারদের নাম যেন তালিকাভুক্ত না হয় সে জন্য কঠোর সতর্কতা ও স্ক্রুটিনির ব্যবস্থা থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে সরকার যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে, নির্বাচন পরিচালকদের ওপরও নির্বাচন কমিশনের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব থাকে_সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপির উচিত এসব দাবি তোলা এবং সরকার যাতে তা পূরণ করে তার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মৃতদেহে প্রাণ সঞ্চারের হুজুগে দাবি তুলে তারা দেশে গোলমাল সৃষ্টি ছাড়া আর কোনোভাবে লাভবান হতে পারবে কি?
আমি এই লেখার শুরুতেই বলেছি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি এমন কোনো ইস্যু নয়, যা নিয়ে দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল জেদাজেদি শুরু করতে পারে। 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাব না', 'নির্বাচন করতে দেব না'_এটা বিএনপির অহেতুক ও অকল্যাণকর জেদ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে পদ্ধতিটি বিকৃত ও ব্যর্থ হয়ে গেছে সেটি বাতিল করে ভালোই করেছে। তবে সম্ভবত এই বাতিল করার ব্যবস্থাটিও আরো দু-একটি টার্মের পর করা হলে ভালো হতো। দেশের শীর্ষ আদালতও এ সম্পর্কে তাদের রায়ে সে কথাই বলেছেন।
আওয়ামী লীগ বলছে, আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে হবেই। এ কথায়ও জেদ প্রকাশ পায়। ভালো কাজ করতে গেলে দৃঢ়তা প্রয়োজন; জেদ নয়। আওয়ামী লীগ সরকার একটি ব্যর্থ-বিকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পরিত্যাগ করেছে_এটা সুসিদ্ধান্ত। কিন্তু এই সুসিদ্ধান্তটি কার্যকর করার ব্যাপারে তারা একটু সময় নিতে পারত। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে আগামী সাধারণ নির্বাচনের জন্য তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বদলে এবং শুধু আগামী নির্বাচন পরিচালনার সীমাবদ্ধ দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে একটি বিকল্প কাঠামোর কথা ভাবতে পারত।
এই বিকল্প ব্যবস্থাটি কী হবে_তা আমি এক কথায় বলে দিতে পারব না। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব রাজনৈতিক দলকে ডেকে এনে একটি গোলটেবিল বৈঠকে বসে এই বিকল্প ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করতে পারেন। এই গোলটেবিল বৈঠকে নিজেদের সুপারিশ পেশ করার জন্য বিএনপি যদি না আসে, তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। নিজেদের ভূমিকা দ্বারা জনগণের কাছে তারা নিজেদের স্বরূপ উন্মোচন করবে এবং 'হারাধনের একটি ছেলেতে' পরিণত হবে।
লন্ডন, ৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার, ২০১১
অথচ এই অসফল ও অস্থায়ী ব্যবস্থাটিকেই স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে ধরে রাখা এবং আগামী নির্বাচনও এই ব্যবস্থার অধীনে করার জন্য জেদ ধরেছে বিএনপি। অন্যদিকে সাহাবুদ্দীন-লতিফুর রহমানের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কুকীর্তি, ইয়াজউদ্দিনের অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং এক-এগারোর সেনা তাঁবেদার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্মকাণ্ড দেখার পর বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার এই ব্যবস্থাটি বাতিল করেছে। আদালতেরও সিদ্ধান্ত সেদিকেই। তবে আওয়ামী লীগ সরকার জেদ ধরেছে, তারা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবার থেকেই শুরু করবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল রাখা হবে কি হবে না, তা কোনো জেদাজেদির ব্যাপার নয়। দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যদি সহায়ক হয়, তাহলে ব্যবস্থাটি আরো কিছুকাল বহাল রাখা যেতে পারে। কিন্তু যদি সহায়ক না হয়, তাহলে তা বাতিল করা অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু বিএনপি জেদ ধরেছে, এই ব্যর্থ ব্যবস্থাটি বহাল না রাখলে তারা নির্বাচনে যাবে না; নির্বাচন হতে দেবে না। সম্প্রতি বিএনপিনেত্রী এই সিদ্ধান্তটি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং অন্যদিকে আওয়ামী লীগনেত্রী জোরের সঙ্গে বলেছেন, কোনো কারণেই আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচন হবে না। হবে দলীয় সরকারের অধীনে। এই জেদাজেদির ফলে অবস্থা কী দাঁড়াবে? দেশকে একটি সংঘর্ষমূলক অথবা অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হবে কি?
আমার ধারণা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না, এটা একটা বিরাট ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছু নয়। এটা একটা অজুহাত। আসলে ছলে-বলে-কৌশলে তাদের নির্বাচনে জয়ী হতে না দিলে, তারা নির্বাচনে যেতে চায় না এবং গেলেও সংসদে বসতে চায় না। কয়েকটি নির্বাচনই তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার যে কয়টিতে বিএনপি পরাজিত হয়েছে, সেই পরাজয়ও তারা মেনে নেয়নি। বলেছে, তাদের জয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এই অজুহাতে তারা সংসদে যায়নি। কিন্তু নির্লজ্জভাবে বেতন-ভাতা, গাড়ি-বাড়ির সব সুবিধা ভোগ করেছে এবং এখনো করছে।
সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা হলেও তাতে বিএনপি জয়ী না হলে তারা সেই নির্বাচনের রায় মেনে নেবে এবং সংসদে যাবে তার নিশ্চয়তা কি? নির্বাচনে পরাজিত হলে তারা অবশ্যই সংসদে যাবে না। এখন তারা শুধু দয়া করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, সে জন্য তাদের আবদার পূরণের জন্য কি একটি ব্যর্থ ও দূষিত ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা সঙ্গত হবে? তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও পরাজিত হলে বিএনপি বলে, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তারা সংসদে যায় না। অথচ এখন তারা বায়না ধরেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাখতেই হবে।
অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের যখন প্রথম দাবি ওঠে, তখন ক্ষমতায় বসে বিএনপি তার ঘোর বিরোধিতা করেছে। তারপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পরাজিত হতেই তারা সেই পরাজয় মানেনি। নির্বাচনের সুষ্ঠুতা স্বীকার করেনি। নানা অজুহাতে সংসদ বর্জন করেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরও তারা তাই করেছে। এখন নানা দোষে দুষ্ট এবং ব্যর্থ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটি বাতিল হতেই তারা এই ব্যবস্থায় মহাপ্রেমিক সেজেছে এবং চিৎকার শুরু করেছে, এই ব্যবস্থা রাখতেই হবে। এই ব্যাপারে তারা কি জনসাধারণের কাছে প্রকাশ্য অঙ্গীকার ঘোষণা করতে রাজি আছে যে এই ব্যবস্থার অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে এবং তারা পরাজিত হলে সেই পরাজয় তারা মেনে নেবে? কোনো অজুহাতেই আর সংসদ বর্জন করবে না?
বিশ্বের সব সভ্য ও গণতান্ত্রিক দেশেই ক্ষমতাসীন সরকারের তত্ত্বাবধানেই সব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভারত ও পাকিস্তানেও তাই হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যে প্রথম সাধারণ নির্বাচন (১৯৭৩) হয় তাও দলীয় সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তী সময় যে এই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রইল না, সে জন্যও খালেদা জিয়া এবং তাঁর সরকারের চরম নির্বাচনী জালিয়াতি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দায়ী। আওয়ামী লীগ দায়ী নয়। মাগুরার একটি নির্বাচন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিএনপি যে জালিয়াতি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের আশ্রয় নেয়, তা ছিল সারা উপমহাদেশে অভূতপূর্ব। বিএনপির ক্যাডারদের সন্ত্রাসের মুখে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পর্যন্ত ওই কেন্দ্র থেকে পালাতে হয়েছিল। '৯৬ সালে ফেব্রুয়ারি-নির্বাচন ছিল জালিয়াতি।
বিএনপি সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ অসম্ভব জেনেই শুধু আওয়ামী লীগ নয়, সব রাজনৈতিক দল বিকল্প ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানায়। যে জামায়াত এখন বিএনপির প্রাণের বন্ধু, সেই জামায়াতও সেদিন বিএনপি সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন একেবারেই অসম্ভব বলে ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছিল। সারা দেশের মানুষের দাবির মুখে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু গোড়া থেকেই এই ব্যবস্থাটিকে সুষ্ঠুভাবে চলতে দেয়নি।
১৯৯৬ সালে সংসদের মধ্যরাতের অধিবেশনে (বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে) তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার আইন পাস করতে গিয়ে সামরিক বাহিনী সম্পর্কিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে (এই পদে তখন ছিলেন বিএনপি দলের রাজাকার রাষ্ট্রপতি নামে পরিচিত আবদুর রহমান বিশ্বাস) রেখে দিয়ে ব্যবস্থাটিকে শুরুতেই বিকলাঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং এই ব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচন বানচাল করার জন্য রাষ্ট্রপতি ও সামরিক বাহিনীর একাংশের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করা হয় (অনেকটাই ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের মতো)। তবে সেটা সফল হয়নি। রাজাকার রাষ্ট্রপতি সব দোষ তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমের ঘাড়ে চাপিয়ে তাঁকে পদচ্যুত করেন। পরে এই চক্রান্তের আসল নাটেরগুরুদের একজন জেনারেল মাহবুবুর রহমান সামরিক চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর বিএনপিতে যোগ দেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটিকে ভণ্ডুল করতে না পেরে বিএনপি এই ব্যবস্থাটিকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা চালায় এবং তাতেও অনেকাংশে সফল হয়। পাকিস্তানের আইএসআই, পশ্চিমা কূটনীতিকদের ঢাকাস্থ ট্যুইসডে ক্লাব, ঢাকার এক শ্রেণীর এলিটদের সুশীল সমাজ, নিরপেক্ষ নামে পরিচিত দুটি বর্ণচোরা মিডিয়া ইত্যাদির সাহায্যে তখনকার সাহাবুদ্দীন-লতিফুর জুটি তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বিএনপি জব্দ করে ফেলে এবং সামরিক বাহিনীর প্রভাবশালী একাংশের সহায়তায় তারা নির্বাচনে 'মহাবিজয়ের' অধিকারী হয়।
বস্তুত এরপর থেকেই বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মহাপ্রেমিক হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারে, এই ব্যবস্থাটিকে হাইজ্যাক করে তারা যা করতে পারে, তা নিজেরা ক্ষমতায় বসে করতে পারে না। সুতরাং ক্ষমতায় বসেই শুরু হলো এই হাইজ্যাক প্রসেস। এই প্রসেস সফল করার জন্য দেশের অশুভ রাজনীতির সবচেয়ে কুশলী রূপকার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ তো তাদের সঙ্গেই ছিলেন। পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেব যে বিচারপতি নিয়োগ পাবেন, তিনি যাতে অঙ্গুলি হেলনের বাইরের লোক না হন, সে জন্য নির্লজ্জভাবে বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়স বাড়ানো-কমানো হলো। তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলো। তাদের সাহায্যে যে ভোটার তালিকা তৈরি করা হলো, পরবর্তী সময়ে ধরা পড়েছে, তাতে কোটিখানেকের বেশি ছিল ভুয়া ভোটার।
এই ধরনের অপরাধ করার সাহস এবং ক্ষমতা দুই-ই সম্ভবত আওয়ামী লীগের ছিল না এবং এখনো নেই। কিন্তু শুধু অপরাধ করার ব্যাপারে নয়, গলাবাজিতেও বিএনপি দক্ষ। ক্ষমতায় বসে যেসব গুরুতর অন্যায় ও অপরাধ তারা করেছে, যেসব অন্যায় ও অপরাধ এখন তারা আওয়ামী লীগের কাঁধে চাপিয়ে তারস্বরে চিৎকার জুড়েছে। খালেদা জিয়ার বক্তৃতা-বিবৃতি পাঠ করলে মনে হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এমনই এক ব্যবস্থা, যা না থাকলে রোজকিয়ামত এসে যাবে এবং তাদের চেয়ে গণতন্ত্রের বড় পূজারি আর কেউ নেই।
এই মায়াকান্নার কারণ, গত নির্বাচনের সময় তারা ব্যবস্থাটি হাইজ্যাক করেছিল, আগামী নির্বাচনেও করতে পারবে_এই আশা করছে। সংবিধানের সব বিধিবিধান ও মর্যাদাকে লাথি মেরে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে অগ্রাহ্য করে দলীয় রাষ্ট্রপতিকে (ইয়াজউদ্দিন) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বনিযুক্ত প্রধান বানিয়ে এবং তাঁর দ্বারা নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ করে, তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন ও ভুয়া ভোটার তালিকা দ্বারা যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা হয়েছিল, তার চেয়ে বড় জালিয়াতির নির্বাচনের দ্বিতীয় উদাহরণ সম্ভবত আফ্রিকার জঙ্গলেও খুঁজে পাওয়া যেত না। এক-এগারোর আগে দৃশ্যত মনে হচ্ছিল দেশ চলছে ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দ্বারা। কিন্তু দেশের একটি শিশুও তখন জানত ইয়াজউদ্দিন চলছেন এবং চালিত হচ্ছেন বেগম জিয়া এবং তাঁর ছেলে তারেকের টেলিফোনের মাধ্যমে দেওয়া নির্দেশের দ্বারা_ইয়াজউদ্দিনও নয়, মাতা-পুত্রই চালাচ্ছেন।
এই অবস্থায় দেশ একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। এক-এগারোর সরকারের ক্ষমতায় বসে যত অন্যায়ই করে থাকুক, কিন্তু যে কাজটির জন্য দেশের মানুষ এখনো তাদের দিকে ক্ষমাসুন্দর চোখে তাকায় তা হলো, দেশকে একটি ভয়ংকর গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচানোর জন্য তাদের সময়োচিত পদক্ষেপ। কী কারণে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা এখানে প্রাসঙ্গিক নয় এবং তার প্রয়োজনও নেই। কিন্তু তাদের এই এক দিনের পদক্ষেপ একটি ভয়াবহ ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। বিএনপিনেত্রীর নির্দেশে বঙ্গভবনে বসে বশংবদ ইয়াজউদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটি হত্যা করে তার লাশের ওপর বসে দেশ চালাচ্ছিলেন। জেনারেল মইন ও তাঁর সহকর্মীরা বঙ্গভবন থেকে সেই লাশ এবং লাশের ওপর উপবিষ্ট ব্যক্তিটিকে সরিয়ে একটি সিভিল-মিলিটারি সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে দেশকে বাঁচান।
ফখরুদ্দীন সরকারেরও পরিচয় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আসলে সরকারটি ছিল একটি অনির্বাচিত সিভিল-মিলিটারি সরকার। ইয়াজউদ্দিনের মাধ্যমে চালিত চক্রান্তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাটি আগেই নিহত হয়। দেশের যে কল্যাণ করার জন্য ব্যবস্থাটির উদ্ভব ঘটেছিল, বিএনপি হাইজ্যাক করায় প্রথমে তাতে বিকৃতি ঘটে এবং পরে সেটির মৃত্যু ঘটে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবস্থাটিকে মর্যাদার সঙ্গে যথাসময়ে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিকই করেছে। বিএনপি এখন বিপাকে পড়ে এই ব্যবস্থার মৃতদেহের বা প্রেতাত্মার পুনরুজ্জীবন চায়।
দেশ শাসনে আওয়ামী লীগের অনেক ভুলত্রুটি থাকতে পারে, ব্যর্থতা থাকতে পারে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদের নির্বাচন-উপনির্বাচন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনেই কারচুপি ও জালিয়াতি করার দুর্নাম আওয়ামী লীগের নেই। এবারও সিটি করপোরেশন থেকে পৌরসভা নির্বাচনে নিরপেক্ষতা লঙ্ঘিত হওয়ার অভিযোগ তোলার সুযোগ বিএনপি পায়নি। পৌরসভা নির্বাচনই প্রমাণ করে, এখন দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিক নির্বাচনব্যবস্থায় ফিরে যেতে দেরি করা উচিত নয়। বিএনপি যদি দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে দেশের আর সব নির্বাচনেই অংশ নিতে পারে, তাহলে জাতীয় সংসদের নির্বাচনে অংশ নিতে আপত্তি কোথায়? ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় এলে তাদের সরকারের তত্ত্বাবধানেই তো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে, যে দলের সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, নির্বাচন কমিশন যেন স্বাধীন ও যথেষ্ট শক্তিশালী থাকে। ভোটার তালিকা যেন নির্ভুল ও সঠিক হয়। কোনো কারণেই ভুয়া ভোটারদের নাম যেন তালিকাভুক্ত না হয় সে জন্য কঠোর সতর্কতা ও স্ক্রুটিনির ব্যবস্থা থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে সরকার যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে, নির্বাচন পরিচালকদের ওপরও নির্বাচন কমিশনের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব থাকে_সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপির উচিত এসব দাবি তোলা এবং সরকার যাতে তা পূরণ করে তার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মৃতদেহে প্রাণ সঞ্চারের হুজুগে দাবি তুলে তারা দেশে গোলমাল সৃষ্টি ছাড়া আর কোনোভাবে লাভবান হতে পারবে কি?
আমি এই লেখার শুরুতেই বলেছি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি এমন কোনো ইস্যু নয়, যা নিয়ে দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল জেদাজেদি শুরু করতে পারে। 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাব না', 'নির্বাচন করতে দেব না'_এটা বিএনপির অহেতুক ও অকল্যাণকর জেদ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে পদ্ধতিটি বিকৃত ও ব্যর্থ হয়ে গেছে সেটি বাতিল করে ভালোই করেছে। তবে সম্ভবত এই বাতিল করার ব্যবস্থাটিও আরো দু-একটি টার্মের পর করা হলে ভালো হতো। দেশের শীর্ষ আদালতও এ সম্পর্কে তাদের রায়ে সে কথাই বলেছেন।
আওয়ামী লীগ বলছে, আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে হবেই। এ কথায়ও জেদ প্রকাশ পায়। ভালো কাজ করতে গেলে দৃঢ়তা প্রয়োজন; জেদ নয়। আওয়ামী লীগ সরকার একটি ব্যর্থ-বিকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পরিত্যাগ করেছে_এটা সুসিদ্ধান্ত। কিন্তু এই সুসিদ্ধান্তটি কার্যকর করার ব্যাপারে তারা একটু সময় নিতে পারত। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে আগামী সাধারণ নির্বাচনের জন্য তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বদলে এবং শুধু আগামী নির্বাচন পরিচালনার সীমাবদ্ধ দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে একটি বিকল্প কাঠামোর কথা ভাবতে পারত।
এই বিকল্প ব্যবস্থাটি কী হবে_তা আমি এক কথায় বলে দিতে পারব না। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব রাজনৈতিক দলকে ডেকে এনে একটি গোলটেবিল বৈঠকে বসে এই বিকল্প ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করতে পারেন। এই গোলটেবিল বৈঠকে নিজেদের সুপারিশ পেশ করার জন্য বিএনপি যদি না আসে, তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। নিজেদের ভূমিকা দ্বারা জনগণের কাছে তারা নিজেদের স্বরূপ উন্মোচন করবে এবং 'হারাধনের একটি ছেলেতে' পরিণত হবে।
লন্ডন, ৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার, ২০১১
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 12
(105)
- বন্ধুই বন্ধু, বন্ধুই শত্রু
- অদল-বদল by ইকবাল খন্দকার
- পড়ার বিষয়-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং by জাবেদ ইকবাল
- মেধাবীদের জন্য বিশেষ ছাড়-সুযোগ আছে এগিয়ে যাওয়ার by...
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-শিকড়ের ...
- পড়াশোনার অবসরে নানা আয়োজন by ইমদাদ হক
- স্থবির উপজেলা প্রশাসন-উন্নয়নের স্বার্থেই গতিশীল কর...
- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ-আগাম সতর্কতা জরুরি
- চরাচর-চার শ বছরের আখড়া
- আঁধার ঘরে মাটির পিদিম by ড. বেগম জাহান আরা
- কানাডাপ্রবাসীদের খেদ by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- কালান্তরের কড়চা-একটি ব্যর্থ ও বিকৃত তত্ত্বাবধায়ক স...
- মহাসড়ক সংস্কার-বৃষ্টির পানিতেই মিলিয়ে যাবে কেন
- আরো দুটি মৃত্যু-বখাটের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন চাই
- চরাচর-সুন্দরবন : বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ
- সহজ-সরল-আমার অশ্রুর দায় তো আমারই by কনক চাঁপা
- কল্পকথার গল্প-যন্ত্র যদি হয় এমন যন্ত্রণার! by আলী ...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প শক্তি...
- বিদ্রোহীদের ব্যবহৃত অস্ত্র আদালতে
- র ঙ বে র ঙ-ভারোত্তোলনে পতঙ্গই সেরা!
- নারী উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিতের দাবি
- তৈরি পোশাক খাত দেশের অর্থনীতিকে বাণিজ্যনির্ভর করেছে
- চাপ বাড়ছে রিজার্ভের ওপর by ওবায়দুল্লাহ রনি
- 'জোর' মুক্তি পাচ্ছে শুধু ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে by সুদীপ...
- বখাটে এড়াতে মাছ-কৌশল
- সেনা-ছাত্র সংষর্ষ-জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না : মতিন
- ব্রিটেনে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ মালিকের ২৩ মাসের জেল-...
- নাটোরে প্রধানমন্ত্রী-সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ছাড়া জাতিক...
- সারা দিনে সান্ত্বনা সাকিব-নাজিমের প্রতিরোধ-বাংলাদে...
- বিভক্ত ঢাকা সিটির নির্বাচন নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত আজ-...
- ডারবানে শেষ মুহূর্তে চুক্তি-কার্বন নিঃসরণ কমাতে রা...
- মিলনমেলা-আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ভার্সিটিতে কালের ...
- চুরির পর বাসায় আগুন-রাজশাহী নগর পুলিশ গোলকধাঁধায় b...
- বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা-টিপাইমুখ বাঁধ হলে ভূমিকম্প ও সু...
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন সামান্যই-১৭৫...
- খনি নিয়ে সংকট-পেরুর প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
- পিয়নের এত সম্পদ!
- অবশেষে পানামার পথে নরিয়েগা
- ত্রিপোলি বিমানবন্দরের কাছে বন্দুকযুদ্ধ, আহত ২
- মিয়ানমারে মিডিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ আংশিক শিথিল
- সরকারি বাহিনীর গণহত্যা-তিন দশক পর ক্ষমা চাইল এল সা...
- মেসি-রোনালদো লড়াইয়ে এবারও সেই একই ছবি
- হতাশ রিয়াল, উড়ছে বার্সা
- মুখোমুখি প্রতিদিন-আমাদের কর্মকাণ্ডে এশিয়ান রাগবি ই...
- বার্সার এল ক্ল্যাসিকো জয়
- রেকর্ড রেকর্ড আর রেকর্ড... by সারোয়ার সুমন
- একজন ইউনিসের বড়ই অভাব
- সমাপনীর মঞ্চ তৈরি by সঞ্জয় সাহা পিয়াল
- শক্তিশালী লোকপাল বিল চাই
- এক লাখ বিশ হাজার কোটি টাকা পাইপলাইনে by জাফর আহমেদ
- হেমন্তেই ঘন কুয়াশা by রাশেদ মেহেদী
- দুটি কিলার গ্রুপ ভাড়া করা হয়
- বোল্টের লন্ডন জয়ের ঘোষণা
- ‘ইরান বসন্ত’র স্বপ্নে বিভোর ইসরায়েল <!> ইরানের আকা...
- আত্মজীবনী-কড়া পরীক্ষায় ফেলে নিজেকে যাচাই করার পালা
- চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া
- কলকাতা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ফুটবল by সনৎ বাবলা
- ২২ সেকেন্ডে গোল খেয়েও দুরন্ত বার্সেলোনা-বার্সেলোনা...
- অধিনায়কত্ব নয়, ইউনিসের চাই শুধু রান
- বাংলাদেশ যে কী খেলছে আর কী বলছে... by নোমান মোহাম্মদ
- পটিয়ায় পানির দরে শীতের সবজি বিক্রি by আবদুল হাকি...
- শুল্কায়ন শাখায় প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা-চট্টগ্রাম ...
- মূসক জটিলতায় মোবাইল ব্যাংকিং খাত-রাজস্ব বোর্ডের হ...
- রপ্তানি বাড়াতে লাতিন আমেরিকায় মিশন খুলবে সরকার-দুট...
- শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে-প্রথম প্রান্তিকে ২৫ হাজ...
- বীমা কম্পানির লাইফ ফান্ডের অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয...
- ভারতে পোশাক রপ্তানি বাড়ছে-চার মাসে প্রবৃদ্ধি ১০৪ ...
- শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত, বিক্ষোভ-প্রাতিষ্ঠানিক ...
- আবিদ আলীর পরিকল্পিত খামারে থাই রাজকুমারী
- সাইদের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাব...
- শীতের দৈর্ঘ্য কমছে, কমছে গমের ফলন by ভূঁইয়া নজরুল
- বেসরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩১ ডিসেম্বরে...
- বিভক্ত ঢাকা সিটির নির্বাচন নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত আজ-...
- সুহৃদ মহাসমাবেশ-উল্লাসের কনসার্টে উচ্ছ্বাস by মঈন ...
- কলকাতায় বাংলাদেশ উৎসব by জনি হক
- তেল-গ্যাসক্ষেত্র-দেশীয় বেসরকারি কোম্পানি কেন নয়?
- মানবাধিকার পরিস্থিতি-দায় সরকারকেই নিতে হয়
- সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল-বিএনপিকে কোণঠাসা করতে ...
- খালেদার সঙ্গে বৈঠক-চারদলীয় জোটে আসছে সমমনা ১১ দল
- এমপি আযাদসহ জামায়াতের সাত নেতা কারাগারে
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-নিজামী-মুজাহিদ-কামারুজ্...
- কেমন আছ মা-আমার কলজের টুকরো কনে ঘুমোয় রয়েছে-সখিনা ...
- যুবলীগ নেতা আফজালের স্ত্রীর দাবি, এটি 'প্রকাশ্য গু...
- পবিত্র কোরআনের আলো-সত্যের পথে আহবান জানানোর ক্ষেত্...
- চিন্ময় আর ঘড়েখান, কার্ল এ এফ ইন্ডারফার্থ-বন সম্মেল...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : উপাচার্য ড. মো. সাইফুদ্দিন শাহ্...
- জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি-জয়তু আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- মানবতাবাদী দার্শনিক রমেন ঘোষ by শিশির কুমার ভট্টাচ...
- নিত্যজাতম্-দারা পুত্র পরিবার/তুমি কার কে তোমার! b...
- শিক্ষা-সেমিস্টার পদ্ধতি ও চাকরির বাজারের চাহিদা by...
- রাজনীতি-ভাদ্র মাসে হালের গরু হারাইলে... by বদিউর র...
- পদ্মা সেতুর অর্থায়ন-বেসরকারি সূত্রে ঋণের শর্ত কঠিন...
- পদ্মা সেতুর অর্থায়ন-বিশ্বব্যাংকের ঋণের জন্য চেষ্টা...
- রাষ্ট্র ও সমাজ কেন এগোয়নি by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
- দুস্থ মহিলাদের অর্থ লুট-নিরীক্ষা ও পরিদর্শনে ঘাটতি...
- পিপিপিতে পদ্মা সেতু-বিশ্বব্যাংককেই অভিযোগ প্রমাণ ক...
- ঝুঁকিমুক্ত নয় দেশের হাসপাতাল ক্লিনিকও-অধিকাংশ ক্ষে...
- বিবিসিকে খালেদা জিয়া-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই, তবে...
- যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে একটি মহল ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে-...
- বিকল্প অর্থায়ন কোত্থেকে by আবু কাওসার ও শরীফুল ইসলাম
- শেষ দিনে লংমার্চ জকিগঞ্জে-টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে...
- নেপথ্যে আমদানির চাপ-এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছে সাড়ে...
- ভোক্তার ঘাড়েই পড়বে ডলারের বাড়তি দাম by রাজীব আহমেদ
- গঙ্গা পানিচুক্তির ১৫ বছরপূর্তি আজঃ বাংলাদেশ ন্যায্...
- চাদর-কম্বল তৈরিতে ব্যস্ত শাওইলের ৭ হাজার পরিবার by...
-
▼
Dec 12
(105)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment