কুমিল্লা সিটি নির্বাচন-বিএনপির একাংশ মাঠ ছাড়ছে না-আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাই কাল

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন প্রত্যাশী পাঁচ প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে দলীয় সমর্থন কে পাচ্ছেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। আর বিএনপির একাংশ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও অপর অংশ ইভিএম ব্যবহার বাতিল ও সেনা মোতায়েনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়ে বলেছে, তাদের নেতা মনিরুল হক সাক্কু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন


চারদলের শরিক জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীও।মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আরো পাঁচ দিন বাকি। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের পাঁচ এবং জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের একজন করে প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আফজল খান দলীয় সমর্থন পাওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে থাকলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আগামীকাল। শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির কার্যালয়ে আগামীকালের বৈঠকে দলের স্থানীয় নেতা ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।
আওয়ামী লীগের সমর্থন প্রত্যাশীদের মধ্যে যাঁরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তাঁরা হলেন_জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আফজল খান, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহসভাপতি আলহাজ ওমর ফারুক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম রোশন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি নূরুর রহমান মাহমুদ তানিম ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মিঠু। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী এয়ার আহমেদ সেলিম, জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
এদিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও বিএনপির একাংশ ইভিএম বাতিল ও সেনা মোতায়েনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়ে বলেছে, তারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কেননা কেন্দ্রীয় নেতারা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে স্থানীয়দের নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলা বিএনপির একাংশ সংবাদ সম্মেলন করলেও তাঁদেরকে জানানো হয়নি। সেজন্য তাঁরা আলাদাভাবে স্মারকলিপি দিচ্ছেন।
কুমিল্লা রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেন এ ব্যাপারে জানান, মনোনয়নপত্র বিলি, জমা নেওয়া, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর্ব শেষ হওয়ার পর তাঁরা তৃণমূলে ইভিএমের পক্ষে প্রচার চালাবেন।