Saturday, June 23, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রাইব্যুনালকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে by আহমেদ জিয়াউদ্দিন
বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রাইব্যুনালকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে by আহমেদ জিয়াউদ্দিন
ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিন বাংলাদেশ ও বেলজিয়ামে অধ্যয়ন করেছেন আইন, আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন এবং রাজনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ে। বেলজিয়ামে প্রতিষ্ঠা করেছেন বাংলাদেশ সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ নামের প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণহত্যা-বিশারদ সংস্থার সদস্য।
আন্তর্জাতিক আইন ও বিচার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন আফগানিস্তান, নেপাল, পাকিস্তান, মঙ্গোলিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওসসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এশিয়া নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক। সেই সূত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন আইসিসির রোম ঘোষণা প্রণয়ন এবং তাতে বাংলাদেশের স্বাক্ষর দান কার্যক্রমে। সম্প্রতি তিনি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারের উদ্যোগ বিষয়ে কাজ করতে বাংলাদেশ সফর করেন।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফারুক ওয়াসিফ
প্রথম আলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত এর অগ্রগতিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে এবং তারা কাজও শুরু করে দিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ছিল, যাদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট বা মোটামুটি প্রমাণ আছে, তাদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে, অর্থাৎ তারা বিচারাধীন আছে। যদিও মূল বিচার এখনো শুরু হয়নি, তার পরও তদন্তকারী দল বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে, তথ্যপ্রমাণও পাচ্ছে। একাত্তরের অপরাধের বিচারহীনতার যে পরিবেশ ছিল, সেটা বদলাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার এখন একটি বাস্তবতা, একে অস্বীকার করার উপায় নেই।
প্রথম আলো জামায়াতে ইসলামীর তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে তাদের নেতাদের বিচারের উদ্দেশ্যে। এ আইনের কোনো রাজনৈতিক অভিপ্রায় আছে বলে মনে করেন কি?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আইনের ভেতর কিন্তু জামায়াতে ইসলামী বা অন্য কারও নামধাম নেই। কার্যত ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একটি পূর্ণাঙ্গ আইন। এর ভেতর অপরাধের বৃত্তান্ত আছে, সংজ্ঞা এবং বিচারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা আছে। কীভাবে অপরাধ প্রমাণ হবে, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে গঠিত হবে, সেটা নির্দেশ করা আছে। তারা কীভাবে কাজ করবে, কীভাবে আপিল হবে—সব বলা আছে। কাজেই বাংলাদেশের আইনের কাঠামোর মধ্যে এটি ছোট কিন্তু স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন। এটা কোনো রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এ আইনের লক্ষ্য তারাই, যারা একাত্তরের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল।
প্রথম আলো এখন বিচার তো করা হচ্ছে কেবল দেশীয় অপরাধীদের। তাহলে একে কেন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল বলা হচ্ছে?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ বিশ্বের যেখানেই ঘটুক না কেন, সারা বিশ্ব এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধ কঙ্গো, রুয়ান্ডা বা ইরাকে হোক, দৃশ্যত তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এ অপরাধগুলো মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ। এ অপরাধগুলো হচ্ছে মানুষের সেই মৌলিক ধারণার বিরুদ্ধে আক্রমণ। আপনি একটা জনগোষ্ঠী বা জাতিকে হত্যা করছেন, তাদের বিশ্বাসের জন্য মারছেন, ধরে নেওয়া হচ্ছে, এ ধরনের অপরাধ সারা পৃথিবীর বিরুদ্ধেই করা হচ্ছে। সে কারণেই এটা আন্তর্জাতিক অপরাধ।
প্রথম আলো বাংলাদেশের আইনজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, বর্তমান ট্রাইব্যুনালে সংগঠিত অপরাধীদের বিচারের সুযোগ থাকলেও দলবহির্ভূত ব্যক্তিদের বিচার করায় সমস্যা হবে। সে জন্য তাঁরা আইনের সংস্কার করায় একটা সংশোধনী আনার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার তা রাখেনি। এতে আইনে ত্রুটি রয়ে গেল কি না?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আইনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটনে সহযোগী বাহিনীগুলোর কথা বলা হয়েছে। তা হলেও সেসব বাহিনীর বাইরের অপরাধীরাও এ আইনের আওতায় পড়বে। আমরা তো এখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা করতে পারব না। আইনের সংশোধনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালকে বিচারিক স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। এখন ট্রাইব্যুনালই সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁরা কী ধরনের তদন্ত করবেন, কাকে কাকে অভিযুক্ত করবেন এবং কীভাবে বিচার করবেন। আইনের বিধিগুলোও নিয়মিতভাবে সংশোধন করার অধিকার তাঁদের আছে। আমাদের সবার দায়িত্ব হলো একে সহযোগিতা করা, যাতে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব তাঁরা স্বাধীনভাবেই পালন করতে পারেন।
প্রথম আলো তিয়াত্তরের সাধারণ ক্ষমার বিষয়েও প্রশ্ন আছে। সংবিধান অনুসারে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ আইনের দিক থেকে বিচার নিঃশেষ হওয়ার আগে রাষ্ট্রপতি কাউকে ক্ষমা করতে পারেন না।
আহমেদ জিয়াউদ্দিন শুধু চূড়ান্তভাবে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার একটা ক্ষমতা সংবিধানে দেওয়া আছে। পৃথিবীর সব দেশের সংবিধানেই রাষ্ট্রপ্রধানকে এ ক্ষমতা দেওয়া আছে। এটা কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। তিয়াত্তরের সাধারণ ক্ষমা বিষয়ে একটা জিনিস ভুলে যাওয়া হয় যে, এটা ‘শর্তযুক্ত সাধারণ ক্ষমা’। এটাকে পুরো সাধারণ ক্ষমা বলা যায় না। সেখানে বলা হয়েছে, কোন কোন পরিপ্রেক্ষিতে এবং কী ধরনের লোকের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে না। চিন্তার দিক থেকে এটাকে সাধারণ ক্ষমা বলা ঠিক নয়।
প্রথম আলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি, সেটা কি সাধারণ ক্ষমা থেকেই চালু হয়ে গেল?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন সেটা বলা যেতে পারে। তবে সরকার কিন্তু সেভাবেও সিদ্ধান্ত নেয়নি যে, বিচার একেবারেই করব না। সাধারণ ক্ষমার ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছিল, এরা দেশের উন্নয়নে অংশ নেবে এবং সেই বিবেচনায়ই সরকার তাদের ক্ষমা করেছে।
কিন্তু পরে দেখা গেল, যাদের আসলে ওসব শর্তের ভেতর আটকে থাকার কথা, তারা আটকে থাকল না। যে আইনে তাদের বিচার করা হচ্ছিল পঁচাত্তরের ডিসেম্বরে সেই আইনটা বাতিল হওয়ায় বিচারের ভিত্তিটাই সরে গেল। ফলে আইন না থাকার কারণে, তাদের তখন ক্ষমাপ্রাপ্তও বলা যাবে না, আবার সাজাপ্রাপ্তও বলা যাবে না। আজকের যে ট্রাইব্যুনাল তারা যদি মনে করে, সে ধরনের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে"তদন্ত করবে তাহলে আমার মনে হয় কোনো অসুবিধা নেই।
প্রথম আলো তার মানে তাদের আবার নতুন করে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আপনাকে দেখতে হবে, রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতার বলে ক্ষমা করেননি, এটা হয়েছিল একটা নির্বাহী আদেশের বলে। সাজাপ্রাপ্ত কেউ ক্ষমা পেলে আইন ধরে নেবে, ক্ষমার পর ওই ব্যক্তি এখন সম্পূর্ণ নির্দোষ। তাকে আবার নতুন করে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে না। কিন্তু যাদের বিচার শেষ হয়নি, নির্বাহী আদেশের বলে যাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের আবার বিচারের মধ্যে আনায় কোনো সমস্যা নেই। আসলে চিন্তার দিক থেকে এটাকে সাধারণ ক্ষমা বলা ঠিক নয়। তখন আসলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সবার বিচার আমরা করব না। যাদের বিরুদ্ধে হত্যা-খুন-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আছে, তাদের আমরা বিচার করব। এটাই এর সত্যিকার আইনগত ফল। এখন যে মুহূর্তে সরকার সিদ্ধান্ত নিল, আমি এদের বিচার করব না, সেই মুহূর্তে তারা কিন্তু মুক্ত হয়ে গেল, তাদের সামনে আর কোনো বাধা রইল না। আসলে সরকার ক্ষমা করেনি, বিচার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এখন পরের সরকার কিন্তু ঠিক করতে পারে, আগের সরকার যা করুক না কেন, আমরা বিচার করব। কাজেই যদি আইসিটি মনে করে, তারা সবার বিচার করবে, তাহলে আইনগতভাবে কিন্তু কোনো বাধা নেই। কারণ, কেউই রাষ্ট্রপতির সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ক্ষমা পায়নি।
প্রথম আলো একাত্তরে গণহত্যাসহ ব্যাপকভিত্তিক অনেক অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে কেবল যুদ্ধাপরাধ কীভাবে বড় হয়ে উঠল?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন এখানে ধারণাগতভাবে কিছু জিনিস আগে পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার। আইনে লেখা আছে জেনোসাইড। আর গণহত্যার ইংরেজি করলে দাঁড়ায় মাস কিলিং। তিয়াত্তরের আইনে যে সংজ্ঞা দেওয়া আছে, সেখানে কিন্তু মাস কিলিংয়ের কথা বলা নেই। তখন আন্তর্জাতিক জেনোসাইড কনভেনশন থেকে জেনোসাইডের সংজ্ঞাটা উঠিয়ে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে রাজনৈতিক দলকে গ্রুপ হিসেবে চিহ্নিত করে ছোট্ট একটি সংযোজন করা হয়েছিল। সুনির্দিষ্ট একটা জনগোষ্ঠী বা গ্রুপকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে শেষ করে ফেলার উদ্দেশ্যে থাকলেই সেটা জেনোসাইড। এ ছাড়া এমন এমন কিছু করা, যাতে ওই জনগোষ্ঠী বা গ্রুপের জীবন ধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাও জেনোসাইডের আওতায় পড়বে। এখানে কিন্তু কোথাও হত্যার কথা লেখা নেই, যেটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাদের বেলায় লেখা থাকে। অর্থাৎ হত্যা ছাড়াও জেনোসাইড হতে পারে। যেমন দারফুরে কাউকে হাতে মারা হচ্ছে না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনভাবে সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে মানুষ না খেয়ে মারা যায়। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল আইনকে ঠিকমতো না বোঝার কারণে চলতি ব্যবহারে অপরাধটা শুধু যুদ্ধাপরাধ হয়ে গেছে। অথচ আপনি ট্রাইব্যুনালের নামটাও দেখেন, সেখানে কিন্তু আন্তর্জাতিক অপরাধ বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধের ভেতর কী কী আসবে, তাও তিয়াত্তরের আইনে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। আইনের ভাষাটা ভালোভাবে বুঝে নেওয়া দরকার।
প্রথম আলো পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের কথা যতটা ওঠে, দিনের পর দিন পরিকল্পিতভাবে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করা, ভাসিয়ে দেওয়া, নিষ্ঠুরতা এবং নারী ধর্ষণকে একটা কর্মসূচি হিসেবে পালন করা, এই দুটি দিক বিচারের আলোচনায় কম ওঠে।
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আমি মনে করি, জেনোসাইড প্রমাণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ। এখানে অনেক জেনোসাইড হয়েছে। যেমন বাঙালিদের বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীলদের বিরুদ্ধে, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাবে। অন্ততপক্ষে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নিঃশেষ করার পরিকল্পনা পাকিস্তানের শাসকদের ছিল এবং সে অনুযায়ী তাদের আক্রমণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, কেবল আওয়ামী লীগ বা প্রগতিশীল রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে অনেককে খুঁজে বের করে করে মারা হয়েছে। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন এ কারণে নয়, কেবল রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে। যেকোনো আদালতেই এটা প্রমাণ করা কঠিন কিছু নয়। অন্ততপক্ষে এ দুটো বড় অভিজ্ঞতা দিয়েও আমরা প্রমাণ করতে পারব, বড় ধরনের দুটো জেনোসাইড হয়েছে। এর বাইরেও মুক্তিযোদ্ধা নন, আওয়ামী লীগ নয়, কমিউনিস্ট নয়, হিন্দু নয়, কেবল বাঙালি হওয়ার কারণেই অনেককে মরতে হয়েছে। অনেক এলাকায়ই অবাঙালিদের ছেড়ে দিয়ে কেবল বাঙালিদের ধরা হয়েছে। অতএব, তিনটি বড় ক্ষেত্রে অর্থাৎ জাতি হিসেবে, দল হিসেবে, ধর্ম হিসেবে জেনোসাইড করা হয়েছিল। আবার আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের ব্যাখ্যা মানলে, গণধর্ষণকেও জেনোসাইডের আওতায় নেওয়া যায়। কারণএর উদ্দেশ্যছিল, একটি জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বদলে দেওয়া।
প্রথম আলো অভিযোগ আছে, বিহারি জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও যুদ্ধাপরাধ হয়েছে। তারা কি এই ট্রাইব্যুনালের কাছে বিচার চাইতে পারবে?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন বিহারিদের মানবাধিকার আসলেই লঙ্ঘিত হয়েছে সে সময়। কিন্তু এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন আর আন্তর্জাতিক অপরাধের মধ্যে পার্থক্যটা মনে রাখতে হবে। যখন আপনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে, পরিকল্পনা করে, সংগঠিত শক্তির বলে অপরাধ কার্যকর করছেন, তখন সেটা আন্তর্জাতিক অপরাধের আওতায় আসবে। আমি মনে করি না, বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকার কারোরই আসলে বিহারিদের হত্যা করার কোনো ইচ্ছা বা পরিকল্পনা ছিল। এবং সে অনুযায়ী তা কার্যকর করার ঘটনাও নেই। বিহারিরা সে সময় স্রোতের উল্টো দিকে ছিল এবং তারাও সহিংসতায় জড়িত ছিল। সবাই নয়, কিছু কিছু লোক। কখনোই অপরাধ সবাই করে না। এর প্রতিক্রিয়ায় কিছু কিছু সহিংসতা বাঙালিদের তরফেও হয়েছিল। যদিও আইনগতভাবে বাঙালি-বিহারিনির্বিশেষে সবাইকেই রক্ষা করার দায়িত্ব ছিল সরকারের। মনে রাখতে হবে, তখনো সারা দেশে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তার পরও একটি ঘটনাও পাওয়া যাবে না, যেখানে সেনাসদস্যদের বিহারিদের হত্যার জন্য পাঠানো হয়েছে। যেটা হয়েছে তা প্রতিহিংসামূলক কিছু ঘটনা। এর বিচার চাওয়ার সুযোগ তো সাধারণ আইনেই রয়েছে। বিহারিদের যে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র কখনোই টার্গেট করেনি, তার সাম্প্রতিক প্রমাণ হলো, বাংলাদেশের আইন ও আদালত পূর্ণাঙ্গভাবে তাদের জাতিগত সত্তাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের ভোটাধিকার ও নাগরিকত্ব দিয়েছেন। তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করি না।
প্রথম আলো আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধের বিচারের অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন প্রথম পরামর্শ হলো, প্রসিকিউটর ও তদন্তকারী সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তদন্তকারীরা তদন্ত করবেন প্রসিকিউটরদের এবং আইনের প্রয়োজন অনুযায়ী। তাঁদের মধ্যে যথেষ্ট সমন্বয় থাকতে হবে। একজন তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং আরেকজন তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে আইনের সঙ্গে মানানসই হচ্ছে কি না, তা দেখে আদালতের সামনে উপস্থাপন করবেন। উভয়ের মধ্যে খুবই সহযোগিতামূলক সম্পর্ক যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, তদন্ত যাতে সরকারি তদন্ত না হয়ে যায়, মিডিয়া তদন্ত না হয়ে যায়, সেটা দেখতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়ার সফলতা নির্ভর করবে তদন্তকারীদের পেশাদারির ওপর। কারণ, তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে, তাঁদের দক্ষতার ভিত্তিতেই কিন্তু আদালত বিচার করবে।
প্রথম আলো আন্তর্জাতিক মান অর্জনের জন্য যে চাপ রয়েছে, তা ব্যাখ্যা করবেন কি?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন যে প্রক্রিয়ায় বিচার এগোচ্ছে, সেটা ঠিকই আছে। যেভাবে আইন তৈরি করা হয়েছে এবং যেভাবে আইনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালকে স্বাধীন করে দেওয়া হয়েছে, রুল তৈরি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তার ফলে আদালত একটা উচ্চমান অর্জন করেছে। এই আদালতের বিচারকদের দুজন হলেন উচ্চ আদালতের বর্তমান বিচারক এবং আরেকজন উচ্চ আদালতের বিচারক হওয়ার যোগ্য বিচারক, যিনি জেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক। এখান থেকে আপিল যাবে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে। তার মানে এটা হচ্ছে উচ্চ আদালতের সমর্পায়ের আদালত এবং যেখানকার বিচারকেরা হলেন উচ্চ আদালতের বিচারক। এ ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার, আইনজীবী নিয়োগের অধিকার, ক্রস একজামিন করার অধিকার এবং আপিলের অধিকারসহ আসামিদের যেসব অধিকার দেওয়া হচ্ছে, তাতে নিশ্চিতভাবে এই আদালতের মান বাংলাদেশের মানের চেয়ে নিচে হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের মধ্যেও উচ্চ আদালত সম্পর্কে একটা ধারণা আছে, এখানে এলে অন্তত বিচার পাওয়া যাবে। কাজেই উচ্চ আদালতের সমমর্যাদা এবং উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের মাধ্যমেই কিন্তু মান নিশ্চিত করা হয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, যে বিচার হবে, তা বাংলাদেশের বিচারের মানের সমান কিংবা তার চেয়ে বেশিও হতে পারে। বিচারপ্রক্রিয়া কেবল শুরু হলো, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবংএর প্রসিকিউটর-ইনভেস্টিগেটরদের মুক্তভাবে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফারুক ওয়াসিফ
প্রথম আলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত এর অগ্রগতিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে এবং তারা কাজও শুরু করে দিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ছিল, যাদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট বা মোটামুটি প্রমাণ আছে, তাদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে, অর্থাৎ তারা বিচারাধীন আছে। যদিও মূল বিচার এখনো শুরু হয়নি, তার পরও তদন্তকারী দল বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে, তথ্যপ্রমাণও পাচ্ছে। একাত্তরের অপরাধের বিচারহীনতার যে পরিবেশ ছিল, সেটা বদলাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার এখন একটি বাস্তবতা, একে অস্বীকার করার উপায় নেই।
প্রথম আলো জামায়াতে ইসলামীর তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে তাদের নেতাদের বিচারের উদ্দেশ্যে। এ আইনের কোনো রাজনৈতিক অভিপ্রায় আছে বলে মনে করেন কি?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আইনের ভেতর কিন্তু জামায়াতে ইসলামী বা অন্য কারও নামধাম নেই। কার্যত ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একটি পূর্ণাঙ্গ আইন। এর ভেতর অপরাধের বৃত্তান্ত আছে, সংজ্ঞা এবং বিচারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা আছে। কীভাবে অপরাধ প্রমাণ হবে, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে গঠিত হবে, সেটা নির্দেশ করা আছে। তারা কীভাবে কাজ করবে, কীভাবে আপিল হবে—সব বলা আছে। কাজেই বাংলাদেশের আইনের কাঠামোর মধ্যে এটি ছোট কিন্তু স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন। এটা কোনো রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এ আইনের লক্ষ্য তারাই, যারা একাত্তরের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল।
প্রথম আলো এখন বিচার তো করা হচ্ছে কেবল দেশীয় অপরাধীদের। তাহলে একে কেন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল বলা হচ্ছে?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ বিশ্বের যেখানেই ঘটুক না কেন, সারা বিশ্ব এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধ কঙ্গো, রুয়ান্ডা বা ইরাকে হোক, দৃশ্যত তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এ অপরাধগুলো মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ। এ অপরাধগুলো হচ্ছে মানুষের সেই মৌলিক ধারণার বিরুদ্ধে আক্রমণ। আপনি একটা জনগোষ্ঠী বা জাতিকে হত্যা করছেন, তাদের বিশ্বাসের জন্য মারছেন, ধরে নেওয়া হচ্ছে, এ ধরনের অপরাধ সারা পৃথিবীর বিরুদ্ধেই করা হচ্ছে। সে কারণেই এটা আন্তর্জাতিক অপরাধ।
প্রথম আলো বাংলাদেশের আইনজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, বর্তমান ট্রাইব্যুনালে সংগঠিত অপরাধীদের বিচারের সুযোগ থাকলেও দলবহির্ভূত ব্যক্তিদের বিচার করায় সমস্যা হবে। সে জন্য তাঁরা আইনের সংস্কার করায় একটা সংশোধনী আনার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার তা রাখেনি। এতে আইনে ত্রুটি রয়ে গেল কি না?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আইনে যুদ্ধাপরাধ সংঘটনে সহযোগী বাহিনীগুলোর কথা বলা হয়েছে। তা হলেও সেসব বাহিনীর বাইরের অপরাধীরাও এ আইনের আওতায় পড়বে। আমরা তো এখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা করতে পারব না। আইনের সংশোধনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালকে বিচারিক স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। এখন ট্রাইব্যুনালই সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁরা কী ধরনের তদন্ত করবেন, কাকে কাকে অভিযুক্ত করবেন এবং কীভাবে বিচার করবেন। আইনের বিধিগুলোও নিয়মিতভাবে সংশোধন করার অধিকার তাঁদের আছে। আমাদের সবার দায়িত্ব হলো একে সহযোগিতা করা, যাতে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব তাঁরা স্বাধীনভাবেই পালন করতে পারেন।
প্রথম আলো তিয়াত্তরের সাধারণ ক্ষমার বিষয়েও প্রশ্ন আছে। সংবিধান অনুসারে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ আইনের দিক থেকে বিচার নিঃশেষ হওয়ার আগে রাষ্ট্রপতি কাউকে ক্ষমা করতে পারেন না।
আহমেদ জিয়াউদ্দিন শুধু চূড়ান্তভাবে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার একটা ক্ষমতা সংবিধানে দেওয়া আছে। পৃথিবীর সব দেশের সংবিধানেই রাষ্ট্রপ্রধানকে এ ক্ষমতা দেওয়া আছে। এটা কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। তিয়াত্তরের সাধারণ ক্ষমা বিষয়ে একটা জিনিস ভুলে যাওয়া হয় যে, এটা ‘শর্তযুক্ত সাধারণ ক্ষমা’। এটাকে পুরো সাধারণ ক্ষমা বলা যায় না। সেখানে বলা হয়েছে, কোন কোন পরিপ্রেক্ষিতে এবং কী ধরনের লোকের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে না। চিন্তার দিক থেকে এটাকে সাধারণ ক্ষমা বলা ঠিক নয়।
প্রথম আলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি, সেটা কি সাধারণ ক্ষমা থেকেই চালু হয়ে গেল?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন সেটা বলা যেতে পারে। তবে সরকার কিন্তু সেভাবেও সিদ্ধান্ত নেয়নি যে, বিচার একেবারেই করব না। সাধারণ ক্ষমার ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছিল, এরা দেশের উন্নয়নে অংশ নেবে এবং সেই বিবেচনায়ই সরকার তাদের ক্ষমা করেছে।
কিন্তু পরে দেখা গেল, যাদের আসলে ওসব শর্তের ভেতর আটকে থাকার কথা, তারা আটকে থাকল না। যে আইনে তাদের বিচার করা হচ্ছিল পঁচাত্তরের ডিসেম্বরে সেই আইনটা বাতিল হওয়ায় বিচারের ভিত্তিটাই সরে গেল। ফলে আইন না থাকার কারণে, তাদের তখন ক্ষমাপ্রাপ্তও বলা যাবে না, আবার সাজাপ্রাপ্তও বলা যাবে না। আজকের যে ট্রাইব্যুনাল তারা যদি মনে করে, সে ধরনের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে"তদন্ত করবে তাহলে আমার মনে হয় কোনো অসুবিধা নেই।
প্রথম আলো তার মানে তাদের আবার নতুন করে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আপনাকে দেখতে হবে, রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতার বলে ক্ষমা করেননি, এটা হয়েছিল একটা নির্বাহী আদেশের বলে। সাজাপ্রাপ্ত কেউ ক্ষমা পেলে আইন ধরে নেবে, ক্ষমার পর ওই ব্যক্তি এখন সম্পূর্ণ নির্দোষ। তাকে আবার নতুন করে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে না। কিন্তু যাদের বিচার শেষ হয়নি, নির্বাহী আদেশের বলে যাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের আবার বিচারের মধ্যে আনায় কোনো সমস্যা নেই। আসলে চিন্তার দিক থেকে এটাকে সাধারণ ক্ষমা বলা ঠিক নয়। তখন আসলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সবার বিচার আমরা করব না। যাদের বিরুদ্ধে হত্যা-খুন-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আছে, তাদের আমরা বিচার করব। এটাই এর সত্যিকার আইনগত ফল। এখন যে মুহূর্তে সরকার সিদ্ধান্ত নিল, আমি এদের বিচার করব না, সেই মুহূর্তে তারা কিন্তু মুক্ত হয়ে গেল, তাদের সামনে আর কোনো বাধা রইল না। আসলে সরকার ক্ষমা করেনি, বিচার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এখন পরের সরকার কিন্তু ঠিক করতে পারে, আগের সরকার যা করুক না কেন, আমরা বিচার করব। কাজেই যদি আইসিটি মনে করে, তারা সবার বিচার করবে, তাহলে আইনগতভাবে কিন্তু কোনো বাধা নেই। কারণ, কেউই রাষ্ট্রপতির সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ক্ষমা পায়নি।
প্রথম আলো একাত্তরে গণহত্যাসহ ব্যাপকভিত্তিক অনেক অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে কেবল যুদ্ধাপরাধ কীভাবে বড় হয়ে উঠল?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন এখানে ধারণাগতভাবে কিছু জিনিস আগে পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার। আইনে লেখা আছে জেনোসাইড। আর গণহত্যার ইংরেজি করলে দাঁড়ায় মাস কিলিং। তিয়াত্তরের আইনে যে সংজ্ঞা দেওয়া আছে, সেখানে কিন্তু মাস কিলিংয়ের কথা বলা নেই। তখন আন্তর্জাতিক জেনোসাইড কনভেনশন থেকে জেনোসাইডের সংজ্ঞাটা উঠিয়ে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে রাজনৈতিক দলকে গ্রুপ হিসেবে চিহ্নিত করে ছোট্ট একটি সংযোজন করা হয়েছিল। সুনির্দিষ্ট একটা জনগোষ্ঠী বা গ্রুপকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে শেষ করে ফেলার উদ্দেশ্যে থাকলেই সেটা জেনোসাইড। এ ছাড়া এমন এমন কিছু করা, যাতে ওই জনগোষ্ঠী বা গ্রুপের জীবন ধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাও জেনোসাইডের আওতায় পড়বে। এখানে কিন্তু কোথাও হত্যার কথা লেখা নেই, যেটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাদের বেলায় লেখা থাকে। অর্থাৎ হত্যা ছাড়াও জেনোসাইড হতে পারে। যেমন দারফুরে কাউকে হাতে মারা হচ্ছে না, কিন্তু পরিস্থিতি এমনভাবে সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে মানুষ না খেয়ে মারা যায়। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল আইনকে ঠিকমতো না বোঝার কারণে চলতি ব্যবহারে অপরাধটা শুধু যুদ্ধাপরাধ হয়ে গেছে। অথচ আপনি ট্রাইব্যুনালের নামটাও দেখেন, সেখানে কিন্তু আন্তর্জাতিক অপরাধ বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধের ভেতর কী কী আসবে, তাও তিয়াত্তরের আইনে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। আইনের ভাষাটা ভালোভাবে বুঝে নেওয়া দরকার।
প্রথম আলো পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের কথা যতটা ওঠে, দিনের পর দিন পরিকল্পিতভাবে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করা, ভাসিয়ে দেওয়া, নিষ্ঠুরতা এবং নারী ধর্ষণকে একটা কর্মসূচি হিসেবে পালন করা, এই দুটি দিক বিচারের আলোচনায় কম ওঠে।
আহমেদ জিয়াউদ্দিন আমি মনে করি, জেনোসাইড প্রমাণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ। এখানে অনেক জেনোসাইড হয়েছে। যেমন বাঙালিদের বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীলদের বিরুদ্ধে, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাবে। অন্ততপক্ষে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নিঃশেষ করার পরিকল্পনা পাকিস্তানের শাসকদের ছিল এবং সে অনুযায়ী তাদের আক্রমণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, কেবল আওয়ামী লীগ বা প্রগতিশীল রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে অনেককে খুঁজে বের করে করে মারা হয়েছে। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন এ কারণে নয়, কেবল রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে। যেকোনো আদালতেই এটা প্রমাণ করা কঠিন কিছু নয়। অন্ততপক্ষে এ দুটো বড় অভিজ্ঞতা দিয়েও আমরা প্রমাণ করতে পারব, বড় ধরনের দুটো জেনোসাইড হয়েছে। এর বাইরেও মুক্তিযোদ্ধা নন, আওয়ামী লীগ নয়, কমিউনিস্ট নয়, হিন্দু নয়, কেবল বাঙালি হওয়ার কারণেই অনেককে মরতে হয়েছে। অনেক এলাকায়ই অবাঙালিদের ছেড়ে দিয়ে কেবল বাঙালিদের ধরা হয়েছে। অতএব, তিনটি বড় ক্ষেত্রে অর্থাৎ জাতি হিসেবে, দল হিসেবে, ধর্ম হিসেবে জেনোসাইড করা হয়েছিল। আবার আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের ব্যাখ্যা মানলে, গণধর্ষণকেও জেনোসাইডের আওতায় নেওয়া যায়। কারণএর উদ্দেশ্যছিল, একটি জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বদলে দেওয়া।
প্রথম আলো অভিযোগ আছে, বিহারি জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও যুদ্ধাপরাধ হয়েছে। তারা কি এই ট্রাইব্যুনালের কাছে বিচার চাইতে পারবে?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন বিহারিদের মানবাধিকার আসলেই লঙ্ঘিত হয়েছে সে সময়। কিন্তু এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন আর আন্তর্জাতিক অপরাধের মধ্যে পার্থক্যটা মনে রাখতে হবে। যখন আপনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে, পরিকল্পনা করে, সংগঠিত শক্তির বলে অপরাধ কার্যকর করছেন, তখন সেটা আন্তর্জাতিক অপরাধের আওতায় আসবে। আমি মনে করি না, বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকার কারোরই আসলে বিহারিদের হত্যা করার কোনো ইচ্ছা বা পরিকল্পনা ছিল। এবং সে অনুযায়ী তা কার্যকর করার ঘটনাও নেই। বিহারিরা সে সময় স্রোতের উল্টো দিকে ছিল এবং তারাও সহিংসতায় জড়িত ছিল। সবাই নয়, কিছু কিছু লোক। কখনোই অপরাধ সবাই করে না। এর প্রতিক্রিয়ায় কিছু কিছু সহিংসতা বাঙালিদের তরফেও হয়েছিল। যদিও আইনগতভাবে বাঙালি-বিহারিনির্বিশেষে সবাইকেই রক্ষা করার দায়িত্ব ছিল সরকারের। মনে রাখতে হবে, তখনো সারা দেশে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তার পরও একটি ঘটনাও পাওয়া যাবে না, যেখানে সেনাসদস্যদের বিহারিদের হত্যার জন্য পাঠানো হয়েছে। যেটা হয়েছে তা প্রতিহিংসামূলক কিছু ঘটনা। এর বিচার চাওয়ার সুযোগ তো সাধারণ আইনেই রয়েছে। বিহারিদের যে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র কখনোই টার্গেট করেনি, তার সাম্প্রতিক প্রমাণ হলো, বাংলাদেশের আইন ও আদালত পূর্ণাঙ্গভাবে তাদের জাতিগত সত্তাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের ভোটাধিকার ও নাগরিকত্ব দিয়েছেন। তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করি না।
প্রথম আলো আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধের বিচারের অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন প্রথম পরামর্শ হলো, প্রসিকিউটর ও তদন্তকারী সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তদন্তকারীরা তদন্ত করবেন প্রসিকিউটরদের এবং আইনের প্রয়োজন অনুযায়ী। তাঁদের মধ্যে যথেষ্ট সমন্বয় থাকতে হবে। একজন তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং আরেকজন তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে আইনের সঙ্গে মানানসই হচ্ছে কি না, তা দেখে আদালতের সামনে উপস্থাপন করবেন। উভয়ের মধ্যে খুবই সহযোগিতামূলক সম্পর্ক যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, তদন্ত যাতে সরকারি তদন্ত না হয়ে যায়, মিডিয়া তদন্ত না হয়ে যায়, সেটা দেখতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়ার সফলতা নির্ভর করবে তদন্তকারীদের পেশাদারির ওপর। কারণ, তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে, তাঁদের দক্ষতার ভিত্তিতেই কিন্তু আদালত বিচার করবে।
প্রথম আলো আন্তর্জাতিক মান অর্জনের জন্য যে চাপ রয়েছে, তা ব্যাখ্যা করবেন কি?
আহমেদ জিয়াউদ্দিন যে প্রক্রিয়ায় বিচার এগোচ্ছে, সেটা ঠিকই আছে। যেভাবে আইন তৈরি করা হয়েছে এবং যেভাবে আইনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালকে স্বাধীন করে দেওয়া হয়েছে, রুল তৈরি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তার ফলে আদালত একটা উচ্চমান অর্জন করেছে। এই আদালতের বিচারকদের দুজন হলেন উচ্চ আদালতের বর্তমান বিচারক এবং আরেকজন উচ্চ আদালতের বিচারক হওয়ার যোগ্য বিচারক, যিনি জেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক। এখান থেকে আপিল যাবে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে। তার মানে এটা হচ্ছে উচ্চ আদালতের সমর্পায়ের আদালত এবং যেখানকার বিচারকেরা হলেন উচ্চ আদালতের বিচারক। এ ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার, আইনজীবী নিয়োগের অধিকার, ক্রস একজামিন করার অধিকার এবং আপিলের অধিকারসহ আসামিদের যেসব অধিকার দেওয়া হচ্ছে, তাতে নিশ্চিতভাবে এই আদালতের মান বাংলাদেশের মানের চেয়ে নিচে হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের মধ্যেও উচ্চ আদালত সম্পর্কে একটা ধারণা আছে, এখানে এলে অন্তত বিচার পাওয়া যাবে। কাজেই উচ্চ আদালতের সমমর্যাদা এবং উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের মাধ্যমেই কিন্তু মান নিশ্চিত করা হয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, যে বিচার হবে, তা বাংলাদেশের বিচারের মানের সমান কিংবা তার চেয়ে বেশিও হতে পারে। বিচারপ্রক্রিয়া কেবল শুরু হলো, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবংএর প্রসিকিউটর-ইনভেস্টিগেটরদের মুক্তভাবে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 23
(97)
- পলাশী যুদ্ধের ২৫৫ বছর by আদিত্য আরাফাত
- বাড়ি-রাজনীতি-বন্দিত কান্না, নিন্দিত হরতাল আর রাজকী...
- সরল গরল-অনাস্থা প্রস্তাবকে আগে অর্থপূর্ণ করুন by ম...
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবিনাশী কুঠার থাম...
- হরতাল-অবরোধ সমর্থনযোগ্য নয়-সর্বাত্মক আন্দোলন বনাম ...
- চারদিক-মণিপুরি মহা রাসলীলা উৎসব by মুজিবুর রহমান
- জলবায়ু পরিবর্তন-বাংলাদেশে জীবিকা হারানো মানুষের ‘অ...
- প্রশাসন-সুশাসন-সহায়ক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো by এ এম ...
- এটিএন নিউজ আওয়ার এক্সট্রা-জনকল্যাণেও ভালো কাজ করছে...
- রাজধানী-যানজট কি শুধু বেড়েই চলবে? by বিলকিস বানু
- ইউরোপের চিঠি-চীন ও দুর্লভ ধাতু নিয়ে উদ্বেগ by পিটা...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রাইব্যুনালকে স্বাধীনভাবে কাজ কর...
- শিল্পের স্বার্থেই শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত ক...
- পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নিন-আইনশৃঙ...
- প্রথম আলো গোলটেবিল বৈঠক-উত্ত্যক্ততার বিরুদ্ধে সামা...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-‘সাঁঝের মায়ায়’ পিদিম জ্বালে রোজ by মা...
- বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ-সাবধান থেকো তাদের থেকে... by বদ...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন...
- শিক্ষানীতি-প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধির যৌক্তিকত...
- দাহকালের কথা-বেহুলা by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- দাহকালের কথা-বেহুলা by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- কালের পুরাণ-সর্বাত্মক আন্দোলন, কার জন্য, কবে? by স...
- ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই-ঈদের সময় দুর্ঘটনা
- অবিলম্বে দুর্বৃত্তদের পাকড়াও করুন-প্রধান বিচারপতির...
- প্রকৃতি-আম জাতীয়বৃক্ষের স্বীকৃতি পেল by মোকারম হোসেন
- বিশ্ব অর্থনীতি-জি-২০ সম্মেলনে ধাক্কা খেল আমেরিকা b...
- রাজনীতি সংস্কৃতি-মধ্যবিত্তের মূল্যবোধ ও পঙ্কিল রাজ...
- রাজবাড়িতে অগ্নিকাণ্ড-নিছক দুর্ঘটনা, না অন্যকিছু? b...
- ধর্ম-ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর by মুহাম্মদ আ...
- বাঘা তেঁতুল-সরকারের সত্যাচার by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-মেঘলোক থেকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা by আনি...
- বিকল্প কর্মসূচির কথাই ভাবতে হবে-হরতালে জনদুর্ভোগ
- আনন্দ ও ত্যাগে শুদ্ধ হোক জীবন-পবিত্র ঈদুল আজহা
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রস্তুতি
- হাতিবান্ধায় অজ্ঞাত রোগ
- জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি-অসামান্য ফাদার ম্যারিনো by ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মনের ভেতর প্যাঁচ রেখে পথের দিশা...
- সদরে অন্দরে-ঘুণপোকারা কি স্বাধীনতাস্তম্ভেও! by মোস...
- ইতিউতি-সেরার তালিকায় নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় by আতা...
- উৎসব-নতুন ধান্যে হবে নবান্ন by আশরাফুল হক
- কালের পুরাণ-আমাদের বিরোধীদলীয় নেত্রীরা কাঁদেন কেন?...
- পবিত্র হজ-লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক by মুহাম্...
- শুভবুদ্ধির পরিচয় দিতে পারেনি সরকার by আসিফ নজরুল
- অনেক আগেই বাড়িটি ছাড়া উচিত ছিল by আবদুল মান্নান
- অঘটনের জন্য দায়ী খালেদার আইনজীবীরা by আমীন আহম্মেদ...
- বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে...
- অসহিষ্ণু ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতি পরিহার করুন-খা...
- চারদিক-এখনই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করি by অরূপরতন চৌধুরী
- জজ হত্যা দিবস-আমার পিতা হারানোর তিথি by শ্রেষ্ঠ অর...
- যুক্তি তর্ক গল্প-নেতিবাচক বাস্তবতার প্রতিষেধক ইতিব...
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-বৃষ্টি
- যে খবর নাড়া দেয়-ব্যর্থতা
- জন্মদিন-আদর্শে যিনি অবিচল by মযহারুল ইসলাম
- প্রবীণ কল্যাণ-জ্যেষ্ঠদের সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে দিন...
- অন্যায্য সুবিধা বন্ধ না হলে সেবা বাধাগ্রস্ত হবে-সর...
- নতুন কমিশনের কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক নয়-সংস্কারবিমুখ ...
- রোহিঙ্গা শরণার্থী-তাড়িয়ে দেওয়ার ব্যথা by মুহাম্মদ ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-নোট বইয়ের পেছনে ছোটা যাবে না
- বাংলালিংক-প্রথম আলো মাদকবিরোধী কনসার্ট-বাদলমুখর দি...
- উইকিলিকস-জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সর্বশেষ অ্যাডভেঞ্চার ...
- সময়চিত্র-মন্ত্রীরা কখনো দুর্নীতি করেন না! by আসিফ ...
- মধ্য আয়ের দেশ হতে হলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জরুরি by...
- রোজার পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে, তবু দাম নিয়ে শঙ্কা by ...
- লোকসানে বিপর্যস্ত বিমান by টিপু সুলতান
- শনিবারের সুসংবাদ-ফেলনা জিনিসে বিদেশি মুদ্রা by রফি...
- রেলের ইঞ্জিন কেনা-সরকারকে ১৮০ কোটি টাকা গচ্চা দিতে...
- সিঙ্গুরের জমি-এবার আদালতে মমতার হার by সুব্রত আচার...
- পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ
- জাপানের অর্থে ঢাকায় উড়াল রেলপথ-সাত প্রকল্পে জাইকার...
- ধর্ষণের পর পপিকে হত্যা করা হয় নির্মমভাবে by এস এম ...
- ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের কাছে তিন হাজার অস্ত্র-চাঁদাব...
- রোজার আগেই জেলা সফরে যাবেন খালেদা by মোশাররফ বাবলু
- বিএনপিতে ভাঙনের সুর! by আবদুল্লাহ আল ফারুক ও শফিক ...
- হাসপাতালের জমি গ্রাসের অপচেষ্টা
- রাজনীতি ও তৃতীয় শক্তি-গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার বিক...
- জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি-স্যারের কথা by মযহারুল ইসলাম...
- মানুষের জন্য অলিম্পিক by ইকরামউজ্জমান
- শেকড়ের ডাক-রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, একটি বিবৃতি ও কিছু ...
- লিমনের জন্য নাগরিক তহবিল by নিশাত জাহান রানা ও কনক...
- স্মৃতিতে সমুজ্জ্বল ওয়াজেদ মিয়া by এম শামসুর রহমান
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-অগ্রসরমান নারীসমাজ ও প্রস্তাবিত...
- রবীন্দ্র-পুরস্কার by মাহবুব মোর্শেদ
- কৃষি-ভেজাল বীজের আগ্রাসন by রাজীব কামাল শ্রাবণ
- সংবিধান-মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই হোক সংশোধনের মাপকাঠি ...
- ব্যাংক ঋণে ঘুষ-কৃষক তাহলে যাবে কোথায়?
- অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চল-উন্নয়ন বরাদ্দ বাড়ূক
- সাক্ষাৎকার-আওয়ামী লীগ নতুন রক্তের সঞ্চালনেই বেঁচে ...
- আওয়ামী লীগের জন্মকথা by শেখ মুজিবুর রহমান
- লক্ষ্মণ-রেখা by মাহবুব মোর্শেদ
- প্রবাদের উটের পৃষ্ঠে সর্বশেষ খড়কুটো by এম আবদুল হাফিজ
- চিন্তা ও তৎপরতায় আমাদের ভরসা by ম. ইনামুল হক
- কালের আয়নায়-২৩ জুন :পলাশী থেকে রোজ গার্ডেন by আবদু...
- শিক্ষার্থীদের গণশাস্তি-এ কেমন অধ্যক্ষ?
- আমদানি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ-প্রবেশপথ সুরক্ষিত করতে...
- বহে কাল নিরবধি-নিজ চালিকাশক্তিতেই ইন্দোনেশিয়ার উত্...
-
▼
Jun 23
(97)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment