Saturday, June 23, 2012
কালের আয়নায়-২৩ জুন :পলাশী থেকে রোজ গার্ডেন by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালের আয়নায়-২৩ জুন :পলাশী থেকে রোজ গার্ডেন by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে এখনও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভগ্নপ্রায় ঘাঁটির শেষ ভরসা বলে মনে করেন। আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রাখার কৃতিত্ব হাসিনা-নেতৃত্ব যেমন দাবি করতে পারে, দলটিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার অসম্ভব কাজ সম্ভব করার সাফল্যেরও দাবি জানাতে পারে, তেমনি এই বাস্তবতাও স্বীকার করে নিতে হবে যে,
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চতুর্থ যুগের আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর স্বর্ণযুগের মহিমা ধরে রাখতে পারেনি
ইতিহাস আমার প্রিয় সাবজেক্ট এবং আমি ইতিহাসের ছাত্র বলেই কি-না জানি না, ইতিহাসের অনেক ঘটনা ও তারিখের মধ্যে একটা কাকতালীয় সামঞ্জস্য যেন দেখতে পাই। প্রথম মহাযুদ্ধের পর একটি নদীর তীরে যে স্থানটিতে এবং যে তারিখে পরাজিত জার্মান সেনাবাহিনী ফ্রান্সের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল, কুড়ি বছর পর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় পরাজিত ফরাসিরা ওই নদী তীরে একই তারিখে জার্মানির কাছেও আত্মসমর্পণ করে।
বাংলাদেশের ইতিহাসেও এ ধরনের একটি তারিখের বৈশিষ্ট্য আমার চোখে ধরা পড়ে। তারিখটি ২৩ জুন। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদৌল্লার পরাজয়ের ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। ওই বছর ৩ জুলাই বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। আমাদের ছেলেবেলায় ব্রিটিশ আমলে স্কুলের ছাত্র থাকাকালে আমরা ২৩ জুন পলাশী দিবস এবং ৩ জুলাই শহীদ নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা দিবস পালন করতাম।
এখন আড়াইশ' বছর পর বাংলাদেশে ২৩ জুন তারিখটি আমরা পালন করি অন্যভাবে। এ দিনটি এখন দেশের অর্ধ শতকেরও বেশি সময়ের প্রাচীন এবং সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবস। ইতিহাসের কাকতালীয় ব্যাপার এই যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধের মাঠে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। ঠিক তার ১৯২ বছর পর ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার হাটখোলা রোড সংলগ্ন রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে যে দলটি গঠিত হয় এবং পরে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে সেই দলের নেতৃত্বে পরিচালিত যুদ্ধেই বাংলাদেশে আবার স্বাধীনতা সূর্যের উদয় ঘটে।
আজ সেই ২৩ জুন। দলটির ৬৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দিবস। এই ৬৩ বছরে আওয়ামী লীগ বহুবার খোলস পাল্টেছে। এই খোলস পাল্টানোর মধ্য দিয়ে তার নেতৃত্ব ও চরিত্র পাল্টেছে। আওয়ামী লীগ তার নেতৃত্ব ও চরিত্রের তিনটি যুগ অতিক্রম করে বর্তমানে চতুর্থ যুগ অতিক্রম করছে। নেতৃত্ব বদলের সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের চরিত্রেরও বদল ঘটেছে।
প্রতিষ্ঠাকালের আওয়ামী লীগের চরিত্র ছিল একটি সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলের। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। অবশ্য মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগ সাম্প্রদায়িক দলের খোলস পাল্টে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। মওলানা ভাসানীকে এ কাজে সাহায্য জোগান তার দলের তরুণ সেক্রেটারি শেখ মুজিবুর রহমান এবং দলের প্রগতিশীল তরুণ অংশ।
আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় যুগের নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তিনি দলের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র মেনে নিলেও দলের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চরিত্র বদলে ফেলেন। তিনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সমর্থনে পার্লামেন্টে মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে সামরিক বাহিনীর দল রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠন করেন এবং নিজে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তিকে সমর্থন দেন। বাংলাদেশের (তখনকার পূর্ব পাকিস্তান) পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ছিল আওয়ামী লীগের মূল দাবি। তিনি সেই দাবি থেকে সরে এসে বলতে থাকেন, পূর্ব পাকিস্তানকে শতকরা ৯৮ ভাগ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়ে গেছে। পশ্চিম পাকিস্তানেও অগণতান্ত্রিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া এক ইউনিট প্রথাকে তিনি সমর্থন দেন। ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাগমারী সম্মেলনে তিনি দলের আরেকটি মূলনীতি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি বর্জন করেন।
ফলে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রগতিশীল অংশের একটা বড় চাঙ্ক দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন। এ সময় যদি শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিয়ে ন্যাপে চলে যেতেন, তাহলে আওয়ামী লীগের সম্ভবত তখনই মুসলিম লীগের পরিণতি ঘটত। দলটির পুনরায় মাথা তোলার কোনো সুযোগ থাকত না। শহীদ সোহরাওয়ার্দীও দলের মূলনীতি থেকে সরে গিয়ে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। মাত্র ১৩ মাসের মাথায় প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা তাকে ডেকে নিয়ে পদত্যাগপত্রে সই আদায় করেন।
এ সময়ের কথা পর্যালোচনা করতে গিয়ে ১৯৭৩ সালে আবু জাফর শামসুদ্দীন তার এক রাজনৈতিক নিবন্ধে লিখেছিলেন, 'আল্লাহর অসীম মেহেরবানি, সাতান্ন সালে শেখ মুজিব ন্যাপে চলে যাননি। যদি যেতেন, তাহলে বাংলাদেশের ভাগ্যের চাকা অন্যদিকে ঘুরে যেত। আওয়ামী লীগ প্রায় অস্তিত্বহীন হয়ে যেত। ন্যাপ শক্তিশালী হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা তার কাছে প্রায়োরিটি পায়নি। ন্যাপের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রেখে নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ। ন্যাপের দ্বারা তিনি প্রথমে ছয় দফা গ্রহণ করাতে পারতেন না এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানের জন্যও তিনি দলকে সংগঠিত অথবা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতেন না।
এই বয়োজ্যেষ্ঠ প্রয়াত লেখকের সঙ্গে আমি সহমত পোষণ করি। নিজের আপসবাদী নীতির দরুন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এমনিতেই আওয়ামী লীগকে বিভক্ত ও দুর্বল করে ফেলেছিলেন। ক্ষমতাচ্যুতির পর তখনকার পশ্চিম পাকিস্তান বা পূর্ব পাকিস্তান কোথাও তিনি আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী গণপ্রতিষ্ঠান হিসেবে টিকিয়ে রাখতে পারতেন না। তিনি এর আগে পশ্চিম পাকিস্তানের কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে জিন্নাহ মুসলিম লীগ নামে নতুন দল গঠন করেও তা টিকিয়ে রাখতে পারেননি।
এখানে হয়তো প্রাসঙ্গিক নয়, তবু একটা কথা লিখছি। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের জেল থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে এক ভারতীয় কূটনীতিক তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, '১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ দলটি গঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী দ্বারা।' কথাটি সঠিক নয়। ঢাকার রোজ গার্ডেনে দলটি গঠিত হওয়ার সময় আওয়ামী মুসলিম লীগ এই নামটি দেন মওলানা ভাসানী।
এ প্রসঙ্গে ভাসানী বলেছিলেন, মুসলিম লীগ দল জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নবাব খাজা গজাদের মুসলিম লীগে পরিণত হয়েছে। আমরা আওয়ামের অর্থাৎ জনগণের মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করলাম। ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হওয়ার সময় শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন করাচিতে। তিনি মাঝে মধ্যে লাহোরেও থাকতেন। সেখানে বসে তিনি জিন্নাহ মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন দল গঠন করেছিলেন। সেই দল টেকেনি। ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ দল গঠিত হওয়ার কিছু পর তিনি মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ গ্রহণ করেন। মওলানা ভাসানী ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গ্রহণ করেননি।
আইয়ুব আমলের প্রায় শেষ দিকে আইয়ুববিরোধী সম্মিলিত আন্দোলনের নামে সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগের বিলুপ্তি ঘটান। অন্যান্য রাজনৈতিক দলও তার অনুরোধে তাকে অনুসরণ করে এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) নামে একটি সর্বদলীয় মোর্চা গঠিত হয়। এনডিএফ জনপ্রিয় হয়নি। বরং অল্পদিনের মধ্যে নাথিং ডুয়িং ফ্রন্ট নামে পরিচিত হয়। সোহরাওয়ার্দী অসুস্থ হয়ে বিদেশে চলে যান এবং বিদেশেই মৃত্যুবরণ করেন।
আওয়ামী লীগ ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হওয়ার পরও সোহরাওয়ার্দী নেতৃত্বের আপসবাদিতার জন্য দেশের রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেননি। সোহরাওয়ার্দীর আকস্মিক মৃত্যুর পর দলের প্রবীণ নেতাদের প্রবল আপত্তি ও বাধাদানের নীতি অগ্রাহ্য করে শেখ মুজিব দলের পুনরুজ্জীবন ঘটান এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও চরিত্রকে সম্পূর্ণ নতুন ধারায় পুনর্গঠন করেন। সাম্রাজ্যবাদ ও সামরিক চুক্তির বিরোধিতা এবং নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি আওয়ামী লীগের দাবি হয়ে দাঁড়ায়। শেখ মুজিব সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে দলীয় আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন অথবা স্বাধীনতার পূর্বপ্রস্তুতির কর্মসূচি হিসেবে 'বাংলায় ম্যাগনাকার্টা' ছয় দফা ঘোষণা করেন।
শেখ মুজিবের নেতৃত্বে পুনর্গঠিত আওয়ামী লীগের এই তৃতীয় যুগকেই দলটির গৌরবোজ্জ্বল স্বর্ণযুগ বলা হয়। আওয়ামী লীগ দেশের অপ্রতিদ্বন্দ্বী দল এবং শেখ মুজিব অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতায় রূপান্তরিত হন। এই তৃতীয় যুগে আওয়ামী লীগের শুধু নীতি ও নেতৃত্ব নয়, চরিত্রেরও সম্পূর্ণ বদল ঘটে। প্রথম যুগের আওয়ামী লীগ ছিল একটি সাম্প্রদায়িক নিয়মতান্ত্রিক দল। দ্বিতীয় যুগে দলের সাম্প্রদায়িক চরিত্র বদল হলেও নেতৃত্ব ছিল আপসবাদী ও পশ্চাৎমুখী। তৃতীয় যুগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ও চরিত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে। দুর্বল, আপসবাদী নেতৃত্বের বদলে শেখ মুজিবের শক্তিশালী সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা ঘটে। আপসবাদী নেতারা সোহরাওয়ার্দী-রাজনীতির লেগাসি বহন করে আইয়ুব আমলে পিডিএমপন্থি আওয়ামী লীগ নাম দিয়ে দলটি ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। তারা পারেননি। মুজিব নেতৃত্বের শক্তিশালী জোয়ারের ধাক্কায় তারা ভেসে গেছেন।
প্রথম যুগে আওয়ামী লীগ ছিল একটি সাম্প্রদায়িক দল। দ্বিতীয় যুগে একটি অসাম্প্রদায়িক আধা পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক দল। তৃতীয় যুগে অর্থাৎ মুজিব নেতৃত্বের আমলে দলটির পূর্ণ উত্তরণ ঘটে সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচির রাজনীতিতে। দলটি একটি সোস্যাল ডেমোক্রেট দলে পরিণত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দলটির নামের সঙ্গে কৃষক শ্রমিক কথাটি যোগ করে দলটিকে একটি সমাজবাদী মোর্চায় পরিণত করার এবং দেশকে একটি সোস্যাল ডেমোক্রেসিতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে তিনি তৎকালীন পশ্চিম ইউরোপীয় সোস্যাল ডেমোক্রেসির ধারা অনুসরণ না করে পূর্ব ইউরোপীয় ধারা অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন। এর নাম তিনি দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিপ্লব।
দলে এবং দেশের ভেতর বঙ্গবন্ধু এই বিপ্লব সফল করতে পারেননি। দেশের প্রতিবিপ্লবীরা, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ, মস্ক এবং মিলিটারি হাত মিলিয়ে তাকে হত্যা করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তিগুলোর ওপর তারা আঘাত হানতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী কয়েকটা বছর বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের জন্য এক অন্ধকার যুগ। আইয়ুব আমলে যেমন পিডিএমপন্থি আওয়ামী লীগ গঠন করে প্রকৃত আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল, স্বাধীন বাংলাদেশে লিটল আইয়ুব জিয়াউর রহমানের আমলে তেমনি মিজানুর রহমান চৌধুরী, ইউসুফ আলী প্রমুখ কয়েকজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার দ্বারা সোহরাওয়ার্দী-আওয়ামী লীগ গঠন করে তখনকার সেনা শাসকরা আইয়ুবের মতো একই কায়দায় এই সংগ্রামী দলটিকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। আইয়ুবের মতোই তারা ব্যর্থ হলেন।
আওয়ামী লীগের চতুর্থ যুগের শুরু শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গ্রহণের পর। আবু জাফর শামসুদ্দীনের কথাকে অনুকরণ করে বলতে হয়, আল্লাহ মেহেরবান, তাই বঙ্গবন্ধুর সকল পুত্র, এক ভাগ্নে, ভগি্নপতিসহ পরিবারের অনেক পুরুষ ও নারী সদস্য শহীদ হওয়ার পরও তার দুই কন্যা হাসিনা ও রেহানা বেঁচে গেছেন এবং দলের ও দেশের চরম দুর্দিনে সকল প্রতিকূলতার মধ্যে শেখ হাসিনা গৃহবধূর ভূমিকা থেকে রাজনৈতিক নেত্রীর ভূমিকায় উঠে আসার সাহস ও প্রজ্ঞা দেখিয়েছেন।
এই সময় নেতৃত্বহীন এবং নেতৃত্বের কোন্দলে জর্জরিত আওয়ামী লীগের নৌকার হাল যদি শেখ হাসিনা না ধরতেন, তাহলে দলটির অস্তিত্বই শুধু বিপন্ন হতো না, দেশে মুক্তিযুদ্ধের নিবু নিবু প্রদীপটিও একেবারেই নিভে যেত। সেনা শাসক এবং তাদের সিভিল ফেস বিএনপির আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ এমন অপ্রতিরোধ্যভাবে মাথা তুলত যে, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের ধ্বংসযজ্ঞের আগুন বাংলাদেশে এসে ছড়িয়ে পড়ত।
দেশে বামপন্থি ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এখন এতই দুর্বল যে, দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে এখনও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভগ্নপ্রায় ঘাঁটির শেষ ভরসা বলে মনে করেন। আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রাখার কৃতিত্ব হাসিনা-নেতৃত্ব যেমন দাবি করতে পারে, দলটিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার অসম্ভব কাজ সম্ভব করার সাফল্যেরও দাবি জানাতে পারে, তেমনি এই বাস্তবতাও স্বীকার করে নিতে হবে যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চতুর্থ যুগের আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর স্বর্ণযুগের মহিমা ধরে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর সোস্যাল ডেমোক্রেট দলটি আবার একটি আধা পুঁজিবাদী ট্রাডিশনাল গণতান্ত্রিক দলের আপসবাদী চরিত্রে ফিরে এসেছে। এটা অগ্রসর হওয়া নয়, পশ্চাদপসারণ।
অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর আমলের পরিস্থিতি এখন নেই এবং যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলেও যুগোপযোগী সংস্কার ও পরিবর্তন প্রয়োজন। কিন্তু দলটি মূল লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে আসতে পারে না। হাসিনা-নেতৃত্বের সাহস ও দেশপ্রেম অনস্বীকার্য। কিন্তু তার চরিত্রে আপস ও পিছিয়ে আসার প্রবণতাও লক্ষণীয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ক্রমশই তার মৌলিক চরিত্র হারাচ্ছে। সংগঠন দ্রুত শক্তি ও জনসম্পৃক্ততা হারাচ্ছে। দলে নতুন রক্ত সঞ্চালন নেই। যেসব নতুন মুখ দলে বা সরকারে দেখা যাচ্ছে, তাদের অধিকাংশই অদক্ষ, অযোগ্য ও চাটুকার ধরনের। ৬৩ বছর বয়সেই মনে হয় দলটিকে অকাল বার্ধক্যে ধরেছে। হাসিনা-নেতৃত্বের সাফল্য অনেক। কিন্তু ব্যর্থতাগুলোই এখন বেশি প্রকট। আওয়ামী লীগের ৬৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দিবসে তাই এই সতর্ক বাণীটি উচ্চারণ করা প্রয়োজন মনে করছি_ 'দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ।'
লন্ডন, ২২ জুন ২০১২, শুক্রবার
ইতিহাস আমার প্রিয় সাবজেক্ট এবং আমি ইতিহাসের ছাত্র বলেই কি-না জানি না, ইতিহাসের অনেক ঘটনা ও তারিখের মধ্যে একটা কাকতালীয় সামঞ্জস্য যেন দেখতে পাই। প্রথম মহাযুদ্ধের পর একটি নদীর তীরে যে স্থানটিতে এবং যে তারিখে পরাজিত জার্মান সেনাবাহিনী ফ্রান্সের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল, কুড়ি বছর পর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় পরাজিত ফরাসিরা ওই নদী তীরে একই তারিখে জার্মানির কাছেও আত্মসমর্পণ করে।
বাংলাদেশের ইতিহাসেও এ ধরনের একটি তারিখের বৈশিষ্ট্য আমার চোখে ধরা পড়ে। তারিখটি ২৩ জুন। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদৌল্লার পরাজয়ের ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। ওই বছর ৩ জুলাই বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। আমাদের ছেলেবেলায় ব্রিটিশ আমলে স্কুলের ছাত্র থাকাকালে আমরা ২৩ জুন পলাশী দিবস এবং ৩ জুলাই শহীদ নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা দিবস পালন করতাম।
এখন আড়াইশ' বছর পর বাংলাদেশে ২৩ জুন তারিখটি আমরা পালন করি অন্যভাবে। এ দিনটি এখন দেশের অর্ধ শতকেরও বেশি সময়ের প্রাচীন এবং সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবস। ইতিহাসের কাকতালীয় ব্যাপার এই যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধের মাঠে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। ঠিক তার ১৯২ বছর পর ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার হাটখোলা রোড সংলগ্ন রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে যে দলটি গঠিত হয় এবং পরে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে সেই দলের নেতৃত্বে পরিচালিত যুদ্ধেই বাংলাদেশে আবার স্বাধীনতা সূর্যের উদয় ঘটে।
আজ সেই ২৩ জুন। দলটির ৬৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দিবস। এই ৬৩ বছরে আওয়ামী লীগ বহুবার খোলস পাল্টেছে। এই খোলস পাল্টানোর মধ্য দিয়ে তার নেতৃত্ব ও চরিত্র পাল্টেছে। আওয়ামী লীগ তার নেতৃত্ব ও চরিত্রের তিনটি যুগ অতিক্রম করে বর্তমানে চতুর্থ যুগ অতিক্রম করছে। নেতৃত্ব বদলের সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের চরিত্রেরও বদল ঘটেছে।
প্রতিষ্ঠাকালের আওয়ামী লীগের চরিত্র ছিল একটি সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলের। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। অবশ্য মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগ সাম্প্রদায়িক দলের খোলস পাল্টে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। মওলানা ভাসানীকে এ কাজে সাহায্য জোগান তার দলের তরুণ সেক্রেটারি শেখ মুজিবুর রহমান এবং দলের প্রগতিশীল তরুণ অংশ।
আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় যুগের নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তিনি দলের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র মেনে নিলেও দলের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চরিত্র বদলে ফেলেন। তিনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সমর্থনে পার্লামেন্টে মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে সামরিক বাহিনীর দল রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠন করেন এবং নিজে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তিকে সমর্থন দেন। বাংলাদেশের (তখনকার পূর্ব পাকিস্তান) পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ছিল আওয়ামী লীগের মূল দাবি। তিনি সেই দাবি থেকে সরে এসে বলতে থাকেন, পূর্ব পাকিস্তানকে শতকরা ৯৮ ভাগ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়ে গেছে। পশ্চিম পাকিস্তানেও অগণতান্ত্রিকভাবে চাপিয়ে দেওয়া এক ইউনিট প্রথাকে তিনি সমর্থন দেন। ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাগমারী সম্মেলনে তিনি দলের আরেকটি মূলনীতি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি বর্জন করেন।
ফলে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রগতিশীল অংশের একটা বড় চাঙ্ক দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন। এ সময় যদি শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিয়ে ন্যাপে চলে যেতেন, তাহলে আওয়ামী লীগের সম্ভবত তখনই মুসলিম লীগের পরিণতি ঘটত। দলটির পুনরায় মাথা তোলার কোনো সুযোগ থাকত না। শহীদ সোহরাওয়ার্দীও দলের মূলনীতি থেকে সরে গিয়ে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। মাত্র ১৩ মাসের মাথায় প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা তাকে ডেকে নিয়ে পদত্যাগপত্রে সই আদায় করেন।
এ সময়ের কথা পর্যালোচনা করতে গিয়ে ১৯৭৩ সালে আবু জাফর শামসুদ্দীন তার এক রাজনৈতিক নিবন্ধে লিখেছিলেন, 'আল্লাহর অসীম মেহেরবানি, সাতান্ন সালে শেখ মুজিব ন্যাপে চলে যাননি। যদি যেতেন, তাহলে বাংলাদেশের ভাগ্যের চাকা অন্যদিকে ঘুরে যেত। আওয়ামী লীগ প্রায় অস্তিত্বহীন হয়ে যেত। ন্যাপ শক্তিশালী হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা তার কাছে প্রায়োরিটি পায়নি। ন্যাপের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রেখে নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ। ন্যাপের দ্বারা তিনি প্রথমে ছয় দফা গ্রহণ করাতে পারতেন না এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানের জন্যও তিনি দলকে সংগঠিত অথবা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতেন না।
এই বয়োজ্যেষ্ঠ প্রয়াত লেখকের সঙ্গে আমি সহমত পোষণ করি। নিজের আপসবাদী নীতির দরুন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এমনিতেই আওয়ামী লীগকে বিভক্ত ও দুর্বল করে ফেলেছিলেন। ক্ষমতাচ্যুতির পর তখনকার পশ্চিম পাকিস্তান বা পূর্ব পাকিস্তান কোথাও তিনি আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী গণপ্রতিষ্ঠান হিসেবে টিকিয়ে রাখতে পারতেন না। তিনি এর আগে পশ্চিম পাকিস্তানের কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে জিন্নাহ মুসলিম লীগ নামে নতুন দল গঠন করেও তা টিকিয়ে রাখতে পারেননি।
এখানে হয়তো প্রাসঙ্গিক নয়, তবু একটা কথা লিখছি। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের জেল থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে এক ভারতীয় কূটনীতিক তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, '১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ দলটি গঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী দ্বারা।' কথাটি সঠিক নয়। ঢাকার রোজ গার্ডেনে দলটি গঠিত হওয়ার সময় আওয়ামী মুসলিম লীগ এই নামটি দেন মওলানা ভাসানী।
এ প্রসঙ্গে ভাসানী বলেছিলেন, মুসলিম লীগ দল জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নবাব খাজা গজাদের মুসলিম লীগে পরিণত হয়েছে। আমরা আওয়ামের অর্থাৎ জনগণের মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করলাম। ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হওয়ার সময় শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন করাচিতে। তিনি মাঝে মধ্যে লাহোরেও থাকতেন। সেখানে বসে তিনি জিন্নাহ মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন দল গঠন করেছিলেন। সেই দল টেকেনি। ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ দল গঠিত হওয়ার কিছু পর তিনি মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ গ্রহণ করেন। মওলানা ভাসানী ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গ্রহণ করেননি।
আইয়ুব আমলের প্রায় শেষ দিকে আইয়ুববিরোধী সম্মিলিত আন্দোলনের নামে সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগের বিলুপ্তি ঘটান। অন্যান্য রাজনৈতিক দলও তার অনুরোধে তাকে অনুসরণ করে এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) নামে একটি সর্বদলীয় মোর্চা গঠিত হয়। এনডিএফ জনপ্রিয় হয়নি। বরং অল্পদিনের মধ্যে নাথিং ডুয়িং ফ্রন্ট নামে পরিচিত হয়। সোহরাওয়ার্দী অসুস্থ হয়ে বিদেশে চলে যান এবং বিদেশেই মৃত্যুবরণ করেন।
আওয়ামী লীগ ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হওয়ার পরও সোহরাওয়ার্দী নেতৃত্বের আপসবাদিতার জন্য দেশের রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেননি। সোহরাওয়ার্দীর আকস্মিক মৃত্যুর পর দলের প্রবীণ নেতাদের প্রবল আপত্তি ও বাধাদানের নীতি অগ্রাহ্য করে শেখ মুজিব দলের পুনরুজ্জীবন ঘটান এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও চরিত্রকে সম্পূর্ণ নতুন ধারায় পুনর্গঠন করেন। সাম্রাজ্যবাদ ও সামরিক চুক্তির বিরোধিতা এবং নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি আওয়ামী লীগের দাবি হয়ে দাঁড়ায়। শেখ মুজিব সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে দলীয় আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন অথবা স্বাধীনতার পূর্বপ্রস্তুতির কর্মসূচি হিসেবে 'বাংলায় ম্যাগনাকার্টা' ছয় দফা ঘোষণা করেন।
শেখ মুজিবের নেতৃত্বে পুনর্গঠিত আওয়ামী লীগের এই তৃতীয় যুগকেই দলটির গৌরবোজ্জ্বল স্বর্ণযুগ বলা হয়। আওয়ামী লীগ দেশের অপ্রতিদ্বন্দ্বী দল এবং শেখ মুজিব অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতায় রূপান্তরিত হন। এই তৃতীয় যুগে আওয়ামী লীগের শুধু নীতি ও নেতৃত্ব নয়, চরিত্রেরও সম্পূর্ণ বদল ঘটে। প্রথম যুগের আওয়ামী লীগ ছিল একটি সাম্প্রদায়িক নিয়মতান্ত্রিক দল। দ্বিতীয় যুগে দলের সাম্প্রদায়িক চরিত্র বদল হলেও নেতৃত্ব ছিল আপসবাদী ও পশ্চাৎমুখী। তৃতীয় যুগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ও চরিত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে। দুর্বল, আপসবাদী নেতৃত্বের বদলে শেখ মুজিবের শক্তিশালী সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা ঘটে। আপসবাদী নেতারা সোহরাওয়ার্দী-রাজনীতির লেগাসি বহন করে আইয়ুব আমলে পিডিএমপন্থি আওয়ামী লীগ নাম দিয়ে দলটি ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। তারা পারেননি। মুজিব নেতৃত্বের শক্তিশালী জোয়ারের ধাক্কায় তারা ভেসে গেছেন।
প্রথম যুগে আওয়ামী লীগ ছিল একটি সাম্প্রদায়িক দল। দ্বিতীয় যুগে একটি অসাম্প্রদায়িক আধা পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক দল। তৃতীয় যুগে অর্থাৎ মুজিব নেতৃত্বের আমলে দলটির পূর্ণ উত্তরণ ঘটে সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচির রাজনীতিতে। দলটি একটি সোস্যাল ডেমোক্রেট দলে পরিণত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দলটির নামের সঙ্গে কৃষক শ্রমিক কথাটি যোগ করে দলটিকে একটি সমাজবাদী মোর্চায় পরিণত করার এবং দেশকে একটি সোস্যাল ডেমোক্রেসিতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে তিনি তৎকালীন পশ্চিম ইউরোপীয় সোস্যাল ডেমোক্রেসির ধারা অনুসরণ না করে পূর্ব ইউরোপীয় ধারা অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন। এর নাম তিনি দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিপ্লব।
দলে এবং দেশের ভেতর বঙ্গবন্ধু এই বিপ্লব সফল করতে পারেননি। দেশের প্রতিবিপ্লবীরা, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ, মস্ক এবং মিলিটারি হাত মিলিয়ে তাকে হত্যা করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তিগুলোর ওপর তারা আঘাত হানতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী কয়েকটা বছর বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের জন্য এক অন্ধকার যুগ। আইয়ুব আমলে যেমন পিডিএমপন্থি আওয়ামী লীগ গঠন করে প্রকৃত আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল, স্বাধীন বাংলাদেশে লিটল আইয়ুব জিয়াউর রহমানের আমলে তেমনি মিজানুর রহমান চৌধুরী, ইউসুফ আলী প্রমুখ কয়েকজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার দ্বারা সোহরাওয়ার্দী-আওয়ামী লীগ গঠন করে তখনকার সেনা শাসকরা আইয়ুবের মতো একই কায়দায় এই সংগ্রামী দলটিকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। আইয়ুবের মতোই তারা ব্যর্থ হলেন।
আওয়ামী লীগের চতুর্থ যুগের শুরু শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গ্রহণের পর। আবু জাফর শামসুদ্দীনের কথাকে অনুকরণ করে বলতে হয়, আল্লাহ মেহেরবান, তাই বঙ্গবন্ধুর সকল পুত্র, এক ভাগ্নে, ভগি্নপতিসহ পরিবারের অনেক পুরুষ ও নারী সদস্য শহীদ হওয়ার পরও তার দুই কন্যা হাসিনা ও রেহানা বেঁচে গেছেন এবং দলের ও দেশের চরম দুর্দিনে সকল প্রতিকূলতার মধ্যে শেখ হাসিনা গৃহবধূর ভূমিকা থেকে রাজনৈতিক নেত্রীর ভূমিকায় উঠে আসার সাহস ও প্রজ্ঞা দেখিয়েছেন।
এই সময় নেতৃত্বহীন এবং নেতৃত্বের কোন্দলে জর্জরিত আওয়ামী লীগের নৌকার হাল যদি শেখ হাসিনা না ধরতেন, তাহলে দলটির অস্তিত্বই শুধু বিপন্ন হতো না, দেশে মুক্তিযুদ্ধের নিবু নিবু প্রদীপটিও একেবারেই নিভে যেত। সেনা শাসক এবং তাদের সিভিল ফেস বিএনপির আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ এমন অপ্রতিরোধ্যভাবে মাথা তুলত যে, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের ধ্বংসযজ্ঞের আগুন বাংলাদেশে এসে ছড়িয়ে পড়ত।
দেশে বামপন্থি ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এখন এতই দুর্বল যে, দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে এখনও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভগ্নপ্রায় ঘাঁটির শেষ ভরসা বলে মনে করেন। আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রাখার কৃতিত্ব হাসিনা-নেতৃত্ব যেমন দাবি করতে পারে, দলটিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার অসম্ভব কাজ সম্ভব করার সাফল্যেরও দাবি জানাতে পারে, তেমনি এই বাস্তবতাও স্বীকার করে নিতে হবে যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চতুর্থ যুগের আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর স্বর্ণযুগের মহিমা ধরে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর সোস্যাল ডেমোক্রেট দলটি আবার একটি আধা পুঁজিবাদী ট্রাডিশনাল গণতান্ত্রিক দলের আপসবাদী চরিত্রে ফিরে এসেছে। এটা অগ্রসর হওয়া নয়, পশ্চাদপসারণ।
অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর আমলের পরিস্থিতি এখন নেই এবং যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলেও যুগোপযোগী সংস্কার ও পরিবর্তন প্রয়োজন। কিন্তু দলটি মূল লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে আসতে পারে না। হাসিনা-নেতৃত্বের সাহস ও দেশপ্রেম অনস্বীকার্য। কিন্তু তার চরিত্রে আপস ও পিছিয়ে আসার প্রবণতাও লক্ষণীয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ক্রমশই তার মৌলিক চরিত্র হারাচ্ছে। সংগঠন দ্রুত শক্তি ও জনসম্পৃক্ততা হারাচ্ছে। দলে নতুন রক্ত সঞ্চালন নেই। যেসব নতুন মুখ দলে বা সরকারে দেখা যাচ্ছে, তাদের অধিকাংশই অদক্ষ, অযোগ্য ও চাটুকার ধরনের। ৬৩ বছর বয়সেই মনে হয় দলটিকে অকাল বার্ধক্যে ধরেছে। হাসিনা-নেতৃত্বের সাফল্য অনেক। কিন্তু ব্যর্থতাগুলোই এখন বেশি প্রকট। আওয়ামী লীগের ৬৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দিবসে তাই এই সতর্ক বাণীটি উচ্চারণ করা প্রয়োজন মনে করছি_ 'দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ।'
লন্ডন, ২২ জুন ২০১২, শুক্রবার
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 23
(97)
- পলাশী যুদ্ধের ২৫৫ বছর by আদিত্য আরাফাত
- বাড়ি-রাজনীতি-বন্দিত কান্না, নিন্দিত হরতাল আর রাজকী...
- সরল গরল-অনাস্থা প্রস্তাবকে আগে অর্থপূর্ণ করুন by ম...
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবিনাশী কুঠার থাম...
- হরতাল-অবরোধ সমর্থনযোগ্য নয়-সর্বাত্মক আন্দোলন বনাম ...
- চারদিক-মণিপুরি মহা রাসলীলা উৎসব by মুজিবুর রহমান
- জলবায়ু পরিবর্তন-বাংলাদেশে জীবিকা হারানো মানুষের ‘অ...
- প্রশাসন-সুশাসন-সহায়ক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো by এ এম ...
- এটিএন নিউজ আওয়ার এক্সট্রা-জনকল্যাণেও ভালো কাজ করছে...
- রাজধানী-যানজট কি শুধু বেড়েই চলবে? by বিলকিস বানু
- ইউরোপের চিঠি-চীন ও দুর্লভ ধাতু নিয়ে উদ্বেগ by পিটা...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-ট্রাইব্যুনালকে স্বাধীনভাবে কাজ কর...
- শিল্পের স্বার্থেই শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত ক...
- পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নিন-আইনশৃঙ...
- প্রথম আলো গোলটেবিল বৈঠক-উত্ত্যক্ততার বিরুদ্ধে সামা...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-‘সাঁঝের মায়ায়’ পিদিম জ্বালে রোজ by মা...
- বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ-সাবধান থেকো তাদের থেকে... by বদ...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন...
- শিক্ষানীতি-প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধির যৌক্তিকত...
- দাহকালের কথা-বেহুলা by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- দাহকালের কথা-বেহুলা by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- কালের পুরাণ-সর্বাত্মক আন্দোলন, কার জন্য, কবে? by স...
- ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই-ঈদের সময় দুর্ঘটনা
- অবিলম্বে দুর্বৃত্তদের পাকড়াও করুন-প্রধান বিচারপতির...
- প্রকৃতি-আম জাতীয়বৃক্ষের স্বীকৃতি পেল by মোকারম হোসেন
- বিশ্ব অর্থনীতি-জি-২০ সম্মেলনে ধাক্কা খেল আমেরিকা b...
- রাজনীতি সংস্কৃতি-মধ্যবিত্তের মূল্যবোধ ও পঙ্কিল রাজ...
- রাজবাড়িতে অগ্নিকাণ্ড-নিছক দুর্ঘটনা, না অন্যকিছু? b...
- ধর্ম-ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর by মুহাম্মদ আ...
- বাঘা তেঁতুল-সরকারের সত্যাচার by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-মেঘলোক থেকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা by আনি...
- বিকল্প কর্মসূচির কথাই ভাবতে হবে-হরতালে জনদুর্ভোগ
- আনন্দ ও ত্যাগে শুদ্ধ হোক জীবন-পবিত্র ঈদুল আজহা
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রস্তুতি
- হাতিবান্ধায় অজ্ঞাত রোগ
- জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি-অসামান্য ফাদার ম্যারিনো by ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মনের ভেতর প্যাঁচ রেখে পথের দিশা...
- সদরে অন্দরে-ঘুণপোকারা কি স্বাধীনতাস্তম্ভেও! by মোস...
- ইতিউতি-সেরার তালিকায় নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় by আতা...
- উৎসব-নতুন ধান্যে হবে নবান্ন by আশরাফুল হক
- কালের পুরাণ-আমাদের বিরোধীদলীয় নেত্রীরা কাঁদেন কেন?...
- পবিত্র হজ-লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক by মুহাম্...
- শুভবুদ্ধির পরিচয় দিতে পারেনি সরকার by আসিফ নজরুল
- অনেক আগেই বাড়িটি ছাড়া উচিত ছিল by আবদুল মান্নান
- অঘটনের জন্য দায়ী খালেদার আইনজীবীরা by আমীন আহম্মেদ...
- বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে...
- অসহিষ্ণু ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতি পরিহার করুন-খা...
- চারদিক-এখনই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করি by অরূপরতন চৌধুরী
- জজ হত্যা দিবস-আমার পিতা হারানোর তিথি by শ্রেষ্ঠ অর...
- যুক্তি তর্ক গল্প-নেতিবাচক বাস্তবতার প্রতিষেধক ইতিব...
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-বৃষ্টি
- যে খবর নাড়া দেয়-ব্যর্থতা
- জন্মদিন-আদর্শে যিনি অবিচল by মযহারুল ইসলাম
- প্রবীণ কল্যাণ-জ্যেষ্ঠদের সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে দিন...
- অন্যায্য সুবিধা বন্ধ না হলে সেবা বাধাগ্রস্ত হবে-সর...
- নতুন কমিশনের কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক নয়-সংস্কারবিমুখ ...
- রোহিঙ্গা শরণার্থী-তাড়িয়ে দেওয়ার ব্যথা by মুহাম্মদ ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-নোট বইয়ের পেছনে ছোটা যাবে না
- বাংলালিংক-প্রথম আলো মাদকবিরোধী কনসার্ট-বাদলমুখর দি...
- উইকিলিকস-জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সর্বশেষ অ্যাডভেঞ্চার ...
- সময়চিত্র-মন্ত্রীরা কখনো দুর্নীতি করেন না! by আসিফ ...
- মধ্য আয়ের দেশ হতে হলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জরুরি by...
- রোজার পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে, তবু দাম নিয়ে শঙ্কা by ...
- লোকসানে বিপর্যস্ত বিমান by টিপু সুলতান
- শনিবারের সুসংবাদ-ফেলনা জিনিসে বিদেশি মুদ্রা by রফি...
- রেলের ইঞ্জিন কেনা-সরকারকে ১৮০ কোটি টাকা গচ্চা দিতে...
- সিঙ্গুরের জমি-এবার আদালতে মমতার হার by সুব্রত আচার...
- পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ
- জাপানের অর্থে ঢাকায় উড়াল রেলপথ-সাত প্রকল্পে জাইকার...
- ধর্ষণের পর পপিকে হত্যা করা হয় নির্মমভাবে by এস এম ...
- ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের কাছে তিন হাজার অস্ত্র-চাঁদাব...
- রোজার আগেই জেলা সফরে যাবেন খালেদা by মোশাররফ বাবলু
- বিএনপিতে ভাঙনের সুর! by আবদুল্লাহ আল ফারুক ও শফিক ...
- হাসপাতালের জমি গ্রাসের অপচেষ্টা
- রাজনীতি ও তৃতীয় শক্তি-গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার বিক...
- জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি-স্যারের কথা by মযহারুল ইসলাম...
- মানুষের জন্য অলিম্পিক by ইকরামউজ্জমান
- শেকড়ের ডাক-রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, একটি বিবৃতি ও কিছু ...
- লিমনের জন্য নাগরিক তহবিল by নিশাত জাহান রানা ও কনক...
- স্মৃতিতে সমুজ্জ্বল ওয়াজেদ মিয়া by এম শামসুর রহমান
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-অগ্রসরমান নারীসমাজ ও প্রস্তাবিত...
- রবীন্দ্র-পুরস্কার by মাহবুব মোর্শেদ
- কৃষি-ভেজাল বীজের আগ্রাসন by রাজীব কামাল শ্রাবণ
- সংবিধান-মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই হোক সংশোধনের মাপকাঠি ...
- ব্যাংক ঋণে ঘুষ-কৃষক তাহলে যাবে কোথায়?
- অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চল-উন্নয়ন বরাদ্দ বাড়ূক
- সাক্ষাৎকার-আওয়ামী লীগ নতুন রক্তের সঞ্চালনেই বেঁচে ...
- আওয়ামী লীগের জন্মকথা by শেখ মুজিবুর রহমান
- লক্ষ্মণ-রেখা by মাহবুব মোর্শেদ
- প্রবাদের উটের পৃষ্ঠে সর্বশেষ খড়কুটো by এম আবদুল হাফিজ
- চিন্তা ও তৎপরতায় আমাদের ভরসা by ম. ইনামুল হক
- কালের আয়নায়-২৩ জুন :পলাশী থেকে রোজ গার্ডেন by আবদু...
- শিক্ষার্থীদের গণশাস্তি-এ কেমন অধ্যক্ষ?
- আমদানি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ-প্রবেশপথ সুরক্ষিত করতে...
- বহে কাল নিরবধি-নিজ চালিকাশক্তিতেই ইন্দোনেশিয়ার উত্...
-
▼
Jun 23
(97)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment